সালমানের বিরুদ্ধে মামলা করলেন বিগ বস ১১-র প্রতিযোগী জুবের খান


পার্বত্যনিউজ ডেস্ক:

বিগ বস ১১-র ঘরে নানা ‘টুইস্ট অ্যান্ড টার্ন’-এ জমে উঠেছে খেলা। ‘প্রথা মতো’ প্রতিযোগীদের মধ্যে ঝগড়া, কথা কাটাকাটিও শুরু হয়ে গিয়েছে। মশলা আরও গাঢ় হয়েছে সরাসরি সঞ্চালক সালমান খানের নামে এক প্রতিযোগীর পুলিশে অভিযোগ দায়ের করায়। অ্যানটপ হিল পুলিশ স্টেশনে সলমনের নামে এফআইআর-ও করেছেন জুবের খান।

বিগ বস ১১-র প্রতিযোগী জুবের খানের দাবি, সলমন নাকি তাঁকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন।

আসল ঘটনাটা জানা আছে তো? একটু রিক্যাপ করে নেওয়া যাক।

গত শনিবার বিগ বস ১১-র প্রথম ‘উইকএন্ড কা ওয়ার’-এ হাজির হয়ে খানিক রুদ্রমূর্তি ধারণ করেছিলেন সলমন খান। নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেক প্রতিযোগীর সঙ্গেই আলাদা আলাদা ভাবে কথা বলছিলেন তিনি। পরিস্থিতি ঘোরালো হয়, যখন আসে জুবের খানের পালা।

আসলে বিগ বসের ঘরে শুরু থেকেই যাঁরা নানা সমস্যা তৈরি করে চলেছেন, তাঁদের সঙ্গে কথা বলাই ছিল এই বিশেষ পর্বের পরিকল্পনা। একে একে জুবের খান, হিতেন তেজওয়ানি, হিনা খানদের— ডেকে রীতিমতো চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণই করছিলেন সালমান।

বিগ বস ১১-র প্রতিযোগী, চিত্র পরিচালক জুবের খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল, তিনি হাউজমেট বান্দগি কার্লা এবং আরশি খানের প্রতি অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করে কথা বলেছেন। ইন্ডিয়া টাইমসের খবর অনুযায়ী, আরশিকে নাকি তিনি ‘দু’টাকার মহিলা’ বলেছেন। এমন অভিযোগ শুনেই চটে যান সালমান। অত্যন্ত কড়া ভাষায় আরশিদের প্রতি অশালীন মন্তব্য করে নিজের ভাবমূর্তিকে নষ্ট না করার আবেদন করেন তিনি।

এখানেই শেষ নয়।

জুবের প্রথম থেকেই দাবি করেছিলেন, তিনি দাউদ ইব্রাহিমের বোন হাসিনা পার্কারের জামাই। সালমান এ বিষয়েও জুবেরকে মিথ্যে পরিচয় না দেওয়ার আবেদন করেন। এমনকী সালমনাকে তিনি যেন ‘ভাই’ বলে না ডাকেন সে বিষয়েও সতর্ক করে দেন। ইন্ডিয়া টাইমসের খবর অনুযায়ী, শো চলাকালীন সালামন জুবেরকে বলেন, এই শো-তে আসার কারণেই জুবেরের সন্তানরা তাকে রোজ দেখতে পাচ্ছে। জুবেরকে পরিবারের সম্মান নষ্ট না করার হুঁশিয়ারি দেন সলমন।

এ সব শুনেই নাকি অসুস্থ হয়ে পড়েন জুবের। তার দাবি, ঘরে গিয়ে অতিরিক্ত ওষুধ খেয়ে ফেলেন তিনি। এর পর রাতেই তাকে বিগ বস ১১-র বাংলোর কাছেই একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সালমানের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন জুবের।

নিউজটি বিনোদন বিভাগে প্রকাশ করা হয়েছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *