ফলদ বৃক্ষরোপণে দীঘিনালা এ্যাডহক ফরমেশন রিক্রুট ট্রেনিং সেন্টার জাতীয় পর্যায়ে প্রথম পুরস্কারে ভূষিত


দীঘিনালা প্রতিনিধি:

“খুব শীঘ্রই দীঘিনালা এ্যাডহক ফরমেশন রিক্রুট ট্রেনিং সেন্টার একটি সবুজ ছায়া সুনিবিড় আকর্ষণীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে এবং এটি পাখিদের অভয়াশ্রমে পরিণত হবে। রৌদ্র-ছায়া আর পাখির কলকাকলীতে মুখরিত হবে এ প্রতিষ্ঠান। ফলদ বৃক্ষরোপণে এ ট্রেনিং সেন্টার জাতীয় পর্যায়ে প্রথম পুরস্কারে ভূষিত হওয়ার পর, গত বুধবার বিকালে দীঘিনালা এ্যাডহক ফরমেশন রিক্রুট ট্রেনিং সেন্টারে রোপন করা বাগান ঘুরে দেখিয়ে এসব কথা বলেন, দীঘিনালা এ্যাডহক ফরমেশন রিক্রুট ট্রেনিং সেন্টার এর ট্রেনিং ইন্সট্রাক্টর(টিআই)লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

দীঘিনালা এ্যাডহক ফরমেশন রিক্রুট ট্রেনিং সেন্টার এর বাগান সূত্রে জানাযায়, ২০১৭ সনে এ প্রশিক্ষণ সেন্টারের প্রায় ৫০(পঞ্চাশ)একর টিলা জমি জুড়ে বাগানে পরিকল্পনা করা হয়। পরিকল্পনানুযায়ী  ট্রেনিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠানের আওতাধীন রাস্তার ধার, পুকুরপাড়, পাহাড়-টিলা এলাকায় আম্রপালি ও রাঙ্গুয়াই আম, নারিকেল, লিচু-চায়না ৩, পেঁপে, পেয়ারা, বাতাবী লেবু, কমলা, মাল্টা, লেবু, জলপাই, কাঁঠাল, বেল, কুল, তেঁতুল, কামরাঙ্গা, জাম এবং আমড়াসহ প্রচলিত ও অপ্রচলিত ২২হাজার ১শত ফলদ চারা রোপন করা হয়েছে। এছাড়া বাগানের সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষে  বনজ, ঔষধি ও সৌন্দর্য বর্ধকবৃক্ষ ২১হাজার ৭শত ২৫টি চারা রোপণ করা হয়েছে। রাস্তার দুপাশে ১হাজার ৬শত ১১টি নারিকেল ও সুপারি গাছের চারা রোপন করা হয়েছে। বাগানে রয়েছে বিশালাকার পুকুর। যা দিয়ে শুষ্ক মৌসুমে সেচ সুবিধা পাওয়া যাবে।

গত ২৮মে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এমএম শাহ নেয়াজ দীঘিনালা এ্যাডহক ফরমেশন রিক্রুট ট্রেনিং সেন্টার এর বাগান জাতীয় পুরস্কার পাওয়া যুক্তিকতা তুলে ধরে সুপারিশ করেন। পরে  গত ২২জুন থেকে ৬ জুলাই অনুষ্ঠিত “ফলদ বৃক্ষরোপণ পক্ষ ২০১৮” উপলক্ষে  প্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরিতে জাতীয় পর্যায়ে প্রথম পুরস্কারে ভূষিত হয়।

এব্যাপারে দীঘিনালা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এমএম শাহ নেয়াজ বলেন, দীঘিনালা এ্যাডহক ফরমেশন রিক্রুট ট্রেনিং সেন্টার এর বাগানটি শ্রেণি বিন্যাস করে চমৎকারভাবে রোপন করা হয়েছে। আগামী ২/৩ বছর পরই এর শোভা উপলব্ধি করা যাবে। এভাবে প্রতিষ্ঠানে সৌন্দর্যবর্ধক, বনজ, ফলদ বৃক্ষ রোপণ করা হলে জমির উত্তম ব্যবহার নিশ্চত হবে। বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়ে প্রতিষ্ঠিত সামরিক-বেসামরিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সুপরিকল্পিত প্রতিটি ছোট পরিসরের উৎপাদনই সমষ্টিগতভাবে যোগ হলে দেশে ফলের উৎপাদন আরও বাড়বে, কাঠের চাহিদা মিটবে, পরিবেশের ভারসাম্য ঠিক থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *