পেকুয়ায় শ্রমিকদলের কাউন্সিলে ছাত্রলীগের এলোপাতাড়ি গুলি, গুলিবিদ্ধ ৪



পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়ায় শ্রমিকদলের দ্বীবার্ষিক কাউন্সিলে ছাত্রলীগ এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন শ্রমিক দলের নেতৃবৃন্দ। এঘটনায় ৪ বিএনপি ও শ্রমিকদল নেতা গুলিবিদ্ধ হয়েছে। জানাযায়, মঙ্গলবার রাত ৯ টার দিকে পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নের জালিয়াকাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধরা হলেন, বারবাকিয়া ইউনিয়ন বিএনপি নেতা ইসমাইল হোছাইন (৫৫), উপজেলা শ্রমিকদল সভাপতি মুজিবুল হক চৌধুরী (৪০), ইউনিয়ন শ্রমিকদল সভাপতি কামাল (৩৫), ছাত্রদল নেতা মিজান (৩০)। এসময় হামলাকারীরা সভাস্থলে চেয়ার ও একটি মোটর সাইকেল ভাংচুর করে।

উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি গুলিবিদ্ধ মুজিবুল হক চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমরা সন্ধ্যার পরে বারবাকিয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের কমিটি গঠনের জন্য কাউন্সিল করতে যাই। কাউন্সিল শেষে চলে আসার পথে অতর্কিতভাবে ছাত্রলীগের ১০/১২ জনের একদল সন্ত্রাসীরা দা কিরিচ নিয়ে আমাদের উপর হামলা চালায়। এসময় তারা আমাদের উপর এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এসময় আমাদের নেতা-কর্মীরা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে জীবন বাঁচায়। গুলিতে আমাদের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। ওই সভায় আহতরা ছাড়াও উপজেলা শ্রমিকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আজগর আলী, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জামাল হোছাইন, বিএনপি নেতা বেলাল উদ্দিন, বারবাকিয়া ইউনিয়ন যুবদল নেতা আবদুস সবুর এমইউপি, ছরওয়ার উদ্দিন সাবেক এমইউপি, এবং ওয়ার্ড় পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আহতদের পেকুয়া উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি নেতা-কর্মীরা। এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম বাহাদুর শাহ ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোছাইনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, শ্রমিকদলের একটি ওয়ার্ড পর্যায়ের কাউন্সিলে রাতের আঁধারে হামলা চালিয়ে আমাদের নেতা-কর্মীদের গুলিবিদ্ধ করেছে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা। আমাদের সাংগঠনিক অগ্রযাত্রাকে ব্যহত করার জন্যই তারা এ নগ্ন হামলা চালিয়েছে বলে জানান তারা।

এ বিষয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এহতেশামুল হকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমার কাছে ছাত্রলীগ যে হামলা চালিয়েছে এধরণের কোন তথ্য নেই।

এ বিষয়ে বারবাকিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল হোছাইন শামা ও সাধারণ সম্পাদক কামাল হোছাইনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, ঘটনা হয়েছে শুনেছি তবে কারা হামলা চালিয়েছে তা জানিনা। হামলাকারীরা ছাত্রলীগ নাকি আওয়ামীলীগ জানতে চাইলে সাধারণ সম্পাদক কামাল জানান ‘কপিল গ্রুপের ছাত্রলীগ বলে ধারণা করছি কেননা মিটিং এ উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা জুয়েলের পিতা বিএনপি নেতা ইসমাইল খুলু উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *