পাহাড়ে অপহরণ, খুন ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে বাঙ্গালীদের মনববন্ধন


নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

সরকার ও জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য শান্তি চুক্তি’র পর দীর্ঘ ২০ বছর পার হলেও তিন পার্বত্য জেলায় অপহরণ, খুন, চাঁদাবাজিসহ সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বন্ধ হয়নি। পাহাড়ের রাজনৈতিক দল জনসংহতি সমিতি চুক্তির লাইসেন্স পেয়ে পাহাড়ে আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তাদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপে প্রতিদিন পাহাড়ের কোথাও না কোথাও চাঁদাবাজির কারণে অপহরণ ও খুন হচ্ছে। শান্তি চুক্তি এখন পার্বত্যবাসীর জন্য আশারবানী হয়ে দেখা দিয়েছে।

জনসংহতি সমিতি কর্তৃক দুই মোটরসাইকেল চালককে হত্যার প্রতিবাদে ও সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনার দাবিতে বান্দরবান প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছে পার্বত্য নাগরিক পরিষদ।

মঙ্গলবার(২৮ নভেম্বর) নাগরিক পরিষদের সভাপতি আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে পাহাড়ে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধের দাবিতে নিহত মোটর সাইকেল চালকদের পরিবারের সদস্য এবং লামা ও রাজবিলা ইউনিয়নের শত শত নারী পুরুষ মানববন্ধনে অংশ নেয়।

সমাবেশে বাঙালি ছাত্র পরিষদের সভাপতি কামরান ফারুক, বাঙ্গালী নেতা মিজানুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান বলেন, চলতি মাসে লামার সরইয়ে মোটর সাইকেল চালক সাজ্জাদকে হত্যা এবং রাজবিলায় মোটর সাইকেল চালক আলিমকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে জনসংহতি সমিতির লেলিয়ে দেয়া সন্ত্রাসীরা। সন্তু লারমা শান্তি চুক্তির আইন লঙ্ঘন করে পাহাড়ে চাঁদাবাজি, অপহরণ, খুন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। সন্তু লারমাকে আইনের আওতায় এবং সন্ত্রাসীদের নির্মুলে পাহাড়ে যৌথ ও র‌্যাববাহিনী দিয়ে অভিযান পরিচালনা করার দাবি জানানো হয়।

বক্তারা জনসংহতি সমিতির চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধের দাবি ও মোটর সাইকেল চালক সাজ্জাদের হত্যাকারী ও আবদুল আলিমের উপর হামলাকারীদের গ্রেফতার এবং শাস্তির দাবি জানান।

প্রসঙ্গত, বান্দরবানের লামা উপজেলার সরাই ইউনিয়নে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক মো. সাজ্জাদকে অপহরণের পর হত্যা ও রাজবিলা ইউনিয়নে আবদুল আলিমের উপর হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে জনসংহতি সমিতির সন্ত্রাসীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *