পাহাড়ের বিপর্যয়ের জন্য দায়ী বিএনপি: কাদের



পার্বত্যনিউজ ডেস্ক:

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পাহাড়ের বিপর্যয়ের জন্য বিএনপি দায়ী; সেখানে চার লাখ মানুষকে পুনর্বাসন করে ভারসাম্য নষ্ট করেছে তারা।

দেশের পার্বত্য জেলাগুলোতে পাহাড় ধসের বিপর্যয়ের সময় প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর ও সরকারের সক্ষমতা নিয়ে বিএনপির নেতাদের সমালোচনার মুখে শনিবার ফেনীতে এক অনুষ্ঠানে একথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী কাদের।

তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় পাহাড়ে চার লাখ লোককে পুনর্বাসন করে বিপর্যয় শুরু করে। তাদের অবহেলার কারণে পাহাড়ের ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে।

“যে চার লাখ বাঙালিকে নিয়ে পাহাড়ে পুনর্বাসন করেছিল তাদের ভবিষ্যতও ছিল বিপন্ন। তাদের জন্য কোনো ব্যবস্থা করেনি।”

ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা তো ক্ষতিগ্রস্তদের খবর নিতে পাহাড়ে যায়নি। শুধু ঢাকায় বসে ত্রাণ যায়নি বলে সমালোচনা করছেন। তারা শুধু প্রেস ব্রিফিং করে সীমাবদ্ধ।

“বিএনপির নেত্রী কি কোথাও গেছেন? উপকূলে গেছেন, হাওড়ে গেছেন, পাহাড়ে গেছেন ? যারা সমালোচনা করেন তা কি কোনো কাজ করেন। কাজেই সমালোচনা না করে বিএনপিকে আমি বলি, জনগণের পাশে দাঁড়ান।নেতিবাচক রাজনীতি বাদ দিয়ে ইতিবাচক রাজনীতি করুন।”

রিঅ্যাক্টিভ কথাবার্তা না বলে প্রোঅ্যাক্টিভ ভূমিকা পালনেরও আহ্বান জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর মহিপালে ছয় লেনের ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, পাহাড় থেকে সমস্ত বসতি সরিয়ে ফেলতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যত প্রভাবশালী হউক না কেন কারো কোনো বাঁধাই মেনে নেওয়া হবে না।

আগামী চার দিনের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম মহাসড়ক স্বাভাবিক হবে। ক্ষতিগ্রস্ত বান্দরবান-চট্টগ্রাম সড়কেরও মেরামত কাজ চলছে বলে জানান তিনি।

মহিপালের ফ্লাইওভারটি ২০১৮ সালের ৩০ জুনর মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও চলতি বছরের ডিসেম্বর কিংবা আগামী বছরের জানুয়ারি মাসে শেষ হয়ে যাবে বলে জানান মন্ত্রী।

ফ্লাইওভারের কাজ পরিদর্শনের সময় সহকারী প্রকল্প পরিচালক কর্নেল জামিউল ইসলাম, প্রকল্প কর্মকর্তা মেজর ফয়সাল চৌধুরী, জেলা প্রশাসক মনোজ কুমার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) উক্ক সিং প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র- বিডিনিউজ২৪.কম

image_pdfimage_print

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *