পার্বত্য ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন- ২০১৬ অধ্যাদেশ জারি


ভূমি কমিশন আইন

স্টাফ রিপোর্টার:
সংশোধনের প্রতিবাদে পার্বত্য বাঙ্গালীদের ৫টি সংগঠনের আন্দোলন কর্মসূচির মধ্যেই সংশোধিত পার্বত্য ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার।

মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর সংসদ অধিবেশন না থাকায় জরুরী বিবেচনায় মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) আইনটির অধ্যাদেশ জারি করা হয়। গত ১ আগস্ট ‘পার্বত্য ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০১৬’ এর খসড়া অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। ৮ আগস্ট রাষ্ট্রপতি এই আইনে সই করেন এবং ৯ তারিখ গেজেট প্রকাশ করা হয়।

পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যান সন্তু লারমার প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে পার্বত্য ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের চেয়ারম্যানের ক্ষমতা কমিয়ে ও কোরামের ক্ষেত্রে পরিবর্তন এনে আইনের সংশোধন আনা হয় বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানিয়েছিলেন।

এরপরই এ সংশোধনের বিরোধিতা করে চট্টগ্রামের বাঙালি সংগঠনগুলো বিক্ষোভ ও মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি পালন করে আসছে। সংগঠনগুলো বুধবার (১০ আগস্ট) তিন পার্বত্য জেলায় সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালন করেছে।

মন্ত্রিসভা সভা বৈঠকে সংশোধিত আইন অনুমোদনের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেছিলেন, ‘১৯৯৭ সালে পার্বত্য শান্তি চুক্তির পর পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের প্রধান সন্তু লারমার তরফ থেকে সংশোধনের জন্য কিছু প্রস্তাব ছিল। সংশোধনের দু’টো মূল বিষয় হল- কোরাম ও সিদ্ধান্ত গ্রহন’।
কমিশনের মোট মেম্বার ৫ জন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আগের আইন অনুযায়ী চেয়ারম্যানসহ অপর ২ সদস্য নিয়ে কোরাম হবে, নতুন আইন অনুযায়ী চেয়ারম্যাসহ চারজন হলে কোরাম হবে।’

শফিউল আলম আরও বলেছিলেন, আগে ছিল চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্ত কমিশনের সিদ্ধান্ত বলে গণ্য হবে। চেয়ারম্যানের বড় একট ক্ষমতা ছিল। ওনারা প্রস্তাবে করেছেন চেয়ারম্যানসহ উপস্থিত সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের সিদ্ধান্ত কমিশনের সিদ্ধান্ত বলে গণ্য হবে। এখন চেয়ারম্যানের একক সিদ্ধান্তে কোন বিষয় চূড়ান্ত হবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *