পার্বত্য অঞ্চল থেকে বাঙ্গালীরা নয় ইউএনডিপি চলে গেলে শান্তি ফিরে আসবে- পার্বত্য বাঙালী নেতৃবৃন্দ


undp tele

চৌধুরী হারুনুর রশীদ, রাঙামাটি॥
পার্বত্য চট্টগ্রামের বসবাসরত বাঙ্গালীদের সমতলের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার জাতিসংঘের উন্নয়ন সংস্থা ইউএনডিপির প্রস্তাবে রাঙামাটি শহরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। গত মঙ্গলবার বিকেলে আকস্মিকভাবে বাঙ্গালীদের নিয়ে আয়োজিত এক টেলিকনফারেন্সে জাতিসংঘের উন্নয়ন সংস্থা ইউএনডিপির একটি প্যানেল প্রতিনিধি দল এই প্রস্তাবনা দেয়।

গত মঙ্গলবার রাঙামাটিস্থ ইউএনডিপি অফিসে ঢাকা অফিসের সাথে আয়োজিত এক টেলিকনফারেন্সে সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, যদি সরকার এরকম একটি প্রস্তাব দেয় যে, পার্বত্য চট্টগ্রামে কষ্টে থাকা বাঙ্গালীরা নিজের ইচ্ছায় পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে অন্যত্র যেতে চায় এবং বেঁচে থাকার মতো ক্ষতিপূরণ দিয়ে দেশের সমতলের কোথাও সম্মানজনক পূর্নবাসন করে এবং এটা কি বাঙ্গালীরা মেনে নিবে কিনা ? পার্বত্য চট্টগ্রামের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে অত্রাঞ্চলে শান্তি আনয়নে আলোচনার অংশ হিসেবে বাঙ্গালী নেতৃবৃন্দের সাথে এই টেলিকনফারেন্স করেছে জাতিসংঘের উন্নয়ন সংস্থা ইউএনডিপির একটি প্যানেল দল। তাদের এই প্রস্তাবে রাঙ্গামাটি জেলায় বাঙ্গালীদের মাঝে ইউএনডিপি নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রয়া সৃষ্টি হয়।

বাঙ্গালী নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ জনগন বলেন, পার্বত্য অঞ্চল থেকে বাঙ্গালীরা নয় ইউএনডিপি চলে গেলে পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ফিরে আসবে বলে মত ব্যক্ত করেন।

মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে তিনটার সময় সংস্থাটির রাঙ্গামাটি অফিস ও ঢাকা অফিসে এই টেলিকন্ফারেন্স বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠক সূত্রে পাওয়া তথ্যে জানাগেছে, টেলিকনফারেন্সে বাঙ্গালীদের পক্ষে অংশ নেন পার্বত্য সম-অধিকার আন্দোলনের নেতা জাহাঙ্গীর কামাল, মোস্তাক আহম্মেদ, ইউনুছ, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের বেগম নুর জাহান ও বাঙ্গালী ছাত্রপরিষদের নেতা সেলিম উদ্দিন।
অপরদিকে ঢাকায় অংশ নেন টিম লিডার ইউকে বক্স, টমি ব্লেয়ার, কনসালটেন্ট অনুরাগ চাকমা, ঝুমা দেওয়ান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র দেলোয়ার হোসেন।

বৈঠকে উপস্থিতগণ জানান, এই টেলিকনফারেন্সে রাঙ্গামাটির পক্ষে নেতৃত্ব দেন অর্থাৎ যোগাযোগ করে ইউএনডিপি অফিসে ডেকে নিয়ে যান, ইউএনডিপি রাঙ্গামাটি অফিসের ডিস্ট্রিক গর্ভনেন্স অফিসার আবুল ফারাহ মোঃ সালেহ। এছাড়া টেলিকনফারেন্সের দোভাষী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ইউএনডিপি’র প্রকল্প কর্মকর্তা প্রসেনজিৎ চাকমা। বেলা সাড়ে তিনটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত প্রায় এক ঘন্টাব্যাপী চলে টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে আলোচনা।

অনেকটা গোপনীয়ভাবে আয়োজিত এই টেলিকনফারেন্সে কি ধরনের আলোচনা হলো জানতে চাইলে ইউএনডিপি রাঙ্গামাটি অফিসের ডিস্ট্রিক গর্ভনেন্স অফিসার আবুল ফারাহ মোঃ সালেহ জানিয়েছেন আমি কিছু বলতে পারবোনা। এটাতো নিয়মিত আয়োজন। আর কারা কারা উপস্থিত ছিলেন এটা এই মুহুর্তে বলতে পারবোনা।

অপরদিকে টেলিকনফারেন্সে অংশ নেয়া বাঙ্গালী নেতৃবৃন্দ জানায়, আমাদেরকে জনাব সালেহ যোগাযোগ করে টেলিকনফারেন্সে অংশ নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। পরে আমরা ইউএনডিপি রাঙামাটি অফিসে গিয়ে টেলিকনফারেন্সে অংশ নিই।

আলোচনার শুরুতেই ট্রান্সলেটর প্রসেনজিৎ চাকমা আমাদেরকে জানান, বিদেশী এই প্যানেলটি জাতিসংঘের সাথে কাজ করছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে কিভাবে পারস্পরিক আস্থা বাড়ানো যায় এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যায় এবং সংঘাত কিভাবে কমানো যায়, এসব বিষয়ে আপনাদের সাথে মতামত ব্যক্ত করবেন। আলোচনার শুরুতেই ইউএনডিপি’র প্যানেলের পক্ষ থেকে বাঙ্গালী নেতৃবৃন্দের প্রতি প্রশ্ন করা হয়, কি কি পদক্ষেপ নিলে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে এবং সংঘাত কমানো যাবে ? জবাবে বাঙ্গালীদের পক্ষে প্রথম জবাব প্রদান করেন সমঅধিকার আন্দোলনের নেতা ইউনুছ।

তিনি বলেন, চুক্তির মধ্যে কিছু ধারা বাংলাদেশের সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক এগুলো সংশোধন/পরিবর্তন হওয়া দরকার। পার্বত্য চট্টগ্রামে সিএস জরিপ হওয়া দরকার। জেলা পরিষদ ও আঞ্চলিক পরিষদের নির্বাচন দিয়ে জনগণের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা দরকার। এরপর অপর প্রান্ত থেকে আরো জানতে চাওয়া হলে, রাঙ্গামাটি থেকে টেলিকনফারেন্সে নাগরিক পরিষদ নেত্রী বেগম নুর জাহান যা বললেন তা হুবহু হলো:

১৭ বছর বয়সী জেএসএস-সরকার দ্বিপাক্ষিক চুক্তি হলো পার্বত্য চুক্তি। এই সতেরো বছরের মধ্যে সবগুলো চুক্তিই বাস্তবায়ন হয়েগেছে বাকি রয়েছে মাত্র তিনটি। এই সময়ের মধ্যেও জেএসএস তার অতীতের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বন্ধ করেনাই। মানুষ খুন করা থেকে এহেন কোনো কর্ম নাই যে তারা করছে না। এভাবে চলতে থাকলে চুক্তি বাস্তবায়ন করেও কোনো লাভ হবে না। আমি ইউএনডিপি’র প্যানেলের কাছে জানতে চাই পার্বত্য চুক্তির কোনো ধারাতে উল্লেখ আছে যে, এখানে বাঙ্গালী থাকতে পারবে না ?

এই প্রশ্নের জবাবে অপরপ্রান্ত ইউএনডিপি’র প্যানেল থেকে জানানো হয়, এটা শান্তিচুক্তিতে লেখা নাই।

এরপর রাঙামাটি থেকে বাঙ্গালী নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করে বলেন, জেএসএস কেন প্রতিনিয়ত বলে বেড়াচ্ছে যে, পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙ্গালী থাকতে পারবেনা, এই যদি হয়, তাহলে আপনারা (ইউএনডিপি) আমাদেরকে ডেকে কথা বলার যুক্তিটা কোথায়? এবং এটা কেন? বাঙ্গালীরা এখানে অত্যন্ত কঠিনভাবে বসবাস করছে। আমাদের জন্য কোনো কৌটা পদ্ধতি নাই। আমরা এখানে কঠিনভাবে জীবন ধারন করছি। ভূমি নিষ্পত্তি করার আগে এখানে কার কাছে কি পরিমান জমি রয়েছে এটা আগে জরিপ করা প্রয়োজন। তাহলেই ভূমি সমস্যার সমাধান সম্ভব। শিক্ষা পদ্ধতি থেকে শুরু করে সব পর্যায়ে বাঙ্গালীরা বঞ্চিত তারপরও কোন পদ্ধতিতে আপনারা শান্তি প্রতিষ্ঠিত করবেন সেটা আগে বলেন।

ইউএনডিপি: যদি সরকার এরকম একটি প্রস্তাব দেয় যে, পার্বত্য চট্টগ্রামে কষ্টে থাকা বাঙ্গালীরা নিজের ইচ্ছায় যেতে চায় এবং বেচে থাকার মতো ক্ষতিপূরণ দিয়ে দেশের সমতলের কোথাও সম্মানজনক পূর্নবাসন করে এবং এটা কি সম্ভব হবে কোনোদিন ?

এই প্রশ্নের জবাবে তীব্র প্রতিবাদ করেন বাঙ্গালী নেতৃবৃন্দ। তারা বলেন, ইউএনডিপির যদি ইচ্ছা হয় তাহলে রেল লাইনের পাশে বসবাসরত ছিন্নভিন্নভাবে বেঁচে থাকাদের সাহায্য করে পূর্নবাসন করা হোক। যদি পাঠাতে হয় তাহলে মঙ্গল গ্রহে পাঠানো হোক। বেগম নুরজাহান বলেন, সারা দুনিয়ায় কত জায়গায় কতো মানুষ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে সেটির খবর ইউএনডিপি নেয়না। কিন্তু পার্বত্য চট্টগ্রামের দিকে আপনাদের নজর কেন ? আপনারাতো মানবাধিকার নিয়ে কাজ করেন, তাহলে আমরা বাঙ্গালীরা কি মানুষ নই। আমাদের মানবাধিকার বলতে কিছু নেই। আমাদের মানবাধিকার নিয়ে আপনারা কোনো মন্তব্য করেন না কেন ?

এই ধরনের দুঃস্বপ্ন দেখা থেকে বিরত থাকার জন্য ইউএনডিপিকে আহবান জানায় বাঙ্গালী নেতৃবৃন্দ। জবাবে ইউএনডিপি প্রতিনিধি দলটি অপর প্রান্ত থেকে জানায় শুধু পাহাড়িরা নয়, বাঙ্গালীরাও পাহাড়ে কষ্টে রয়েছে এবং বাঙ্গালীদের মানবাধিকার লঙ্গিত হচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রামে। এজন্যই আমরা আপনাদের সাথে কথা বলছি এবং এটা থেকে পরিত্রাণের উপায় খুজছি। এই জন্যই আপনাদের সাথে কথা বলছি।

বাঙ্গালী নেতৃবৃন্দ জানায়, আজকের এই ধরনের কর্মের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি তাদেরকে। বাংলাদেশ স্বাধীন সার্বভৌম দেশ। দেশের দশ ভাগের এক ভাগ জায়গা পার্বত্য চট্টগ্রাম। এখানে প্রায় ১৩টি সম্প্রদায়ের ১৬ লক্ষ লোক বসবাস করছে। শুধু একটি সম্প্রদায়কে সর্বাধিক সুবিধা দেওয়ার কারনে পার্বত্য চট্টগ্রাম অশান্ত হয়ে উঠেছে। এখানে এখানে ইউএনডিপি পার্বত্য চট্টগ্রামে কাজ করতে আসার সময় কথা ছিলো সকল সম্প্রদায়ের উন্নয়ন করবে। কিন্তু আমরা দেখছি শুধুমাত্র চাকমা সম্প্রদায়কে সর্বোচ্চ সুবিধা দিয়ে কাজ করছে ইউএনডিপি। যার কারনে এখানে অশান্ত পরিবেশ বিরাজ করছে। মারমা-তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়সহ আমাদের দেশ থেকে হারিয়ে যাওয়া অনেকগুলো সম্প্রদায়কে নিয়ে কোনো কাজ করছে না ইউএনডিপি। এইসব সম্প্রদায়কে নিয়ে নিয়মিত গোল টেবিল বৈঠকের প্রস্তাব করছি। এই ধরনের বৈঠকের ফলশ্রুতিতে এখানে পাহাড়ের অনেক কালপ্রিট বেরিয়ে আসবে এবং সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বিনাশ হয়ে যাবে। এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে একজন পাহাড়ি দেশের যে কোনো জায়গায় গিয়ে জমি ক্রয়-বিক্রয় করে ব্যবসা বানিজ্য করছে এবং করতে পারছে। তাহলে দেশের তিনপার্বত্য জেলার বাইরের বাকি ৬১টি জেলার লোকেরা কেন এখানে এসে জমি ক্রয় করতে এবং ব্যবসা বানিজ্য করতে পারবে না। বাংলাদেশের উন্নয়নকে কেন তারা অগ্রগামী ভূমিকায় রাখতে পারবে না। এই প্রশ্নটি সম্মানিত প্যানেলের কাছে থাকলো ?

ইউএনডিপি: আপনার প্রশ্নের উত্তর আমাদের জানা নেই। কি করলে জাতিসংঘ পার্বত্য চট্টগ্রামের বাঙ্গালীদের সমস্যার সমাধান করতে পারবে ?

সমঅধিকার নেতা জাহাঙ্গীর কামাল জানান, আমি এখানে শুধুমাত্র বাঙ্গালীদের প্রতিনিধিত্ব করছি না। আমি প্রতিনিধিত্ব করছি পাবত্য চট্টগ্রামের সমঅধিকার আন্দোলনের। এখানে বসবাসরত ১৩টি সম্প্রদায়ের সকলকে নিয়ে আমাদের আন্দোলন এবং এদেরকে নিয়েই আমি কথা বলতেছি। আমি আরো একটি প্রশ্ন এখানে বলছি সেটি হলো: বিগত প্রায় এক যুগ যাবৎ সরকার এখানে কোটি কোটি টাকা বরাদ্ধের মাধ্যমে এখানে এখানে বিগত ১০ জানুয়ারী এখানে মেডিকেল কলেজ চাল করেছে। কিন্তু এটিকে নিয়ে এখারে ত্রাশের রাজত্ব কায়েম করেছে মাত্র একটি সংগঠন। তাদের কারনে এখানে বসবাসরত অধিবাসীরা দিনে দিনে ফুঁসে উঠছে এবং এরই প্রেক্ষিতে এটার একটা বিস্ফোরন ঘটবে। আমরা লক্ষ করছি যে, আমাদের এখানে কাজ করা উন্নয়ন সংস্থাগুলোসহ জাতিসংঘ-ইউএনডিপি এসব সন্ত্রাসী কর্মকান্ড নিয়ে কোনো কথাই বলছে না। আমরা এই প্যানেলের মাধ্যমে ইউএনডিপি ও জাতিসংঘসহ আর্ন্তজাতিক মহলের সার্বিক দৃষ্টি কামনা করে সহযোগিতা কামনা করছি।

তিনি বলেন, আরো একটি প্রশ্ন হলো: ইউএনডিপি এবং আর্ন্তজাতিক উন্নয়ন সংস্থাগুলো বারংবার আমাদের সাথে মিটিং করেছেন আলোচনা করেছেন কিন্তু আমরা এসব ব্যাপারে কোনো ধরনের সুফল পাইনি। যার কারনে আমরা আমাদের নেতৃবৃন্দ-সাধারণ জনগণের কাছে নানা রকমের প্রশ্নের সম্মুখিন হচ্ছি প্রতিনিয়ত। ইউএনডিপি পার্বত্য চট্টগ্রামে তাদের প্রকল্পের শেষ পর্যায়ে এসে আজকে সেই আগের মতোই আবারো শান্তির কথা বলে আমাদের সাথে আবারো যোগাযোগ করছে, কিন্তু এর আগে আজ অন্তত দশ বছর হতে চলছে তাদের কাজ পরিচালনা করছে। কিন্তু বাস্তবিক পক্ষে শান্তির জন্য তারা দৃশ্যমান কোনো কিছু আমাদের সামনে উদাহরণ হিসেবে দাঁড় করাতে পারেনি। ২০০৫/৬ অর্থ বছর থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামে ইউএনডিপি কাজ করে আজ পর্যন্ত এখানে বসবাসরত ১৩টি জাতিস্বত্তার জন্য সুসম কোনো উন্নয়ন করতে পারেনি তাই পার্বত্যবাসীর পক্ষ থেকে তীব্রক্ষোভ ও নিন্দা জ্ঞাপন করছি। ধন্যবাদ।

ইউএনডিপি: তাহলে কি কি কাজ করলে জাতিসংঘ সকলের জন্য সমঅধিকার নিশ্চিত করতে পারে ?। এখানে বসবাসরত সকল সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি ও পাহাড়ি-বাঙ্গালী সম্প্রদায়ভূক্ত আঞ্চলিক দলগুলোকে নিয়ে একটি মাষ্টার প্লান করে সরকারের সাথে আলোচনা করে আলাদা একটি সুনির্দিষ্ট্য প্রকল্প নিয়ে এগিয়ে আসা দরকার। এই ধরনের কর্মকান্ড আগে নিয়ে এটি ফলফশ্রু হতো এবং জনগণের জন্য দৃশ্যমান হতো।

টেলিকনফারেন্সে বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের নেতা সেলিম উদ্দিন জানান, আমি প্রথমেই শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। কোনো এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এবং যাদের মধ্যে সমস্যা বিদ্যমান রয়েছে, তাদের মেন্টাল সেটিসফেকশন টা খুবই জরুরি। কিন্তু এখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, কিছু কমিউনিটির ফেভারে ইউএনডিপি কাজ করার জন্য অন্য কমিউনিটিগুলোর ডিসফেভারে চলে যায়। যার ফলে এসব সমস্যাগুলোর সৃষ্টি হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *