কালোময় চাকমাকে হত্যার অভিযোগে ইউপিডিএফ প্রধান প্রসীতের বিরুদ্ধে মামলা


নিজস্ব প্রতিনিধি:
ইউপিডিএফ’র শীর্ষ নেতা প্রসিত বিকাশ খীসাকে (৫২) প্রধান আসামী করে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরো ৮-১০ জনকে অজ্ঞাত দেখিয়ে নানিয়ারচর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে এডিসন চাকমা নামের এক ব্যক্তি এ মামলা দায়ের করেন।

মামলায় অভিযুক্তরা হলো- ইউপিডিএফ মূল দলের প্রধান প্রসিত বিকাশ চাকমা (৫২), আনন্দ প্রকাশ চাকমা (৬০), রঞ্জন মণি চাকমা (৫০), সচিব চাকমা (৫৫), শান্তি দেব চাকমা ৫০), সূপন চাকমা (৫০), সুমেধ চাকমা (৪৫), জ্যোতিলাল চাকমা (৫০), উদয় শংকর চাকমা (৫০), প্রমোদ বিকাশ চাকমা (৫১), বিদ্যাময় চাকমা (৪০), অমল কানিত চকমা (৪৮), বিমল চাকমা (৪৮), অমর জীবন চাকমা (৫৩), কলমণি চাকমা (৩০), বৌধিসত্ত চাকমা (৪০), বাবলু চাকমা (৩৫), সর্বানন্দ চাকমা (৪৮), রবি চন্দ্র চাকমা (৪৮), কানন কুসুম চাকমা (৪৮), সুবিকাশ চাকমা (৩৫), সুজন মণি চাকমা (৩০), তুযান চাকমা (৩০), মধু রঞ্জন চাকমা (৪৮), সুশীল চাকমা (২৮), সুভাস চাকমা (৫৫), রহিম চাকমা (২৫), রকেট চাকমা (৩০), বিবি রতন চাকমা (২২), অনিল চাকমা (৩০), কালি শংকর চাকমা (৩১)।

মামলার নথিসূত্রে জানা যায়, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি সংস্কারের(এমএন লারমা গ্রুপ) নেতা কালোময় চাকমা চলতি বছরের ১১ এপ্রিল বিকেলে নানিয়ারচর বাজার থেকে নিজ বাড়ি জাহানতলী হলুদ পাড়ার ইঞ্জিন চালিত বোট দিয়ে যাওয়ার সময় প্রসীত বিকাশের নেতৃত্বে আর্মি রংয়ের পোশাক পরিহিত ৩০-৪০ জনের সশস্ত্র গ্রুপ কালোময় দেওয়ানেকে গতিরোধ করে এবং ওইদিন নানিয়ারচর বাজার থেকে তাকে চোখ বেঁধে নিয়ে যায়। পরের দিন ১২ এপ্রিল তার মরদেহ উপজেলার বাকছড়ি শ্মশান খোলায় পাওয়া যায়।

এদিকে কালোময় দেওয়ানের মরদেহ দ্রুত দাহ করার জন্য তার স্বজন এবং স্থানীয়দের চাপ প্রয়োগ করতে থাকে মামলায় উল্লেখিত ব্যক্তিরা।

মামলার অভিযোগে আরও জানা গেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা অতীতে শান্তি চুক্তির পক্ষের নিরীহ ৫ হাজার মানুষকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। তাদের বিরুদ্ধে কেউ মামলা করতে সাহস পাই না বলে মামলায় অভিযোগে বলা হয়।

বিবেকের তারণায় বাধ্য হয়ে ন্যায় বিচার পাওয়ার উদ্দেশ্যে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে মামলার বাদী এডিশন চাকমা জানান।

নানিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *