অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা শুমারি সফল করতে কক্সবাজারে উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুুষ্ঠিত

01

নিজস্ব প্রতিনিধি:

সরকারের চলমান ‘অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা শুমারি’ সফল করতে কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন জায়গায় বসবাসরত রোহিঙ্গাদের সাথে মতবিনিময় ও উদ্বুদ্ধকরণ সভা করেছে জেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা।

সোমবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত হিমছড়ি কাইন্দাভাঙা, কলাতলীর শুকনাছড়ি এবং মুজিবনগর এলাকায় পৃথকভাবে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। আরাকানী রোহিঙ্গা শরনার্থী কল্যাণ পরিষদ আয়োজিত এ সভায় প্রচুর পরিমাণ অনিবন্ধিত আরাকানী রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ স্বতঃস্ফূর্ত অংশ গ্রহণ করেন।

সভায় শুমারিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুফল নিয়ে খোলামেলা বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পরিসংখ্যানব্যুরো কক্সবাজার স্ট্যাটিস্টিক অফিসের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ওয়াহিদুর রহমান ও আন্তর্জাতিক অভিভাসন সংস্থা (আইওএম) এর কর্মকর্তা মোবাশশের আলম।

সরকারের এই শুমারি সফল করতে সবাইকে নিবন্ধন কার্যক্রমে অংশ গ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের সবদিক দিয়ে সুরক্ষিত করার অনুরোধ জানিয়ে বক্তব্য রাখেন আরাকানী রোহিঙ্গা শরনার্থী কল্যাণ পরিষদের সভাপতি এ্যাডভোকেট নুরুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার শাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ছিদ্দিক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাঈদ প্রমূখ। এছাড়া সভায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময়সভা আরাকানী রোহিঙ্গা শরনার্থী কল্যাণ পরিষদ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশে অবস্থানরত আরাকানি রোহিঙ্গাদের সংগঠন ‘আরাকান রোহিঙ্গা শরণার্থী কল্যাণ পরিষদ’ অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের প্রচলিত নিয়ম কানুন মেনে চলার তাগিদ, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের মনোভাব সৃষ্টি, সর্বোপরী মৌলবাদ জঙ্গীবাদ অসম্প্রদায়িক চেতনায় উজ্জীবিত একটি নিরাপদ রোহিঙ্গা সমাজ বিনির্মাণের চেষ্টা করছে তারা।

উল্ল্যেখ, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে প্রাথমিক তালিকা সংগ্রহের কাজ। চলবে ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এই পাঁচ দিনে সংগ্রীহিত তালিকা যাচাই বাছাই করে মার্চের শেষ সপ্তাহেই চূড়ান্ত হবে শুমারীর কাজ। এই শুমারী কার্যক্রম জাতিসংঘের সার্বিক তত্ত্বাবধানে হচ্ছে।

সভায় সাধারণ রোহিঙ্গরা দারি তুলেন, শুমারী পরবর্তীতে যে পরিচয়পত্র তাদের প্রদান করা হবে তাতে অবশ্যই রোহিঙ্গা জাতিসত্ত্বার পরিচয় থাকতে হবে।

কক্সবাজারে রাবার বাগান মালিকদের সভা অনুষ্ঠিত

14 copy

বাইশারী প্রতিনিধি:

বান্দরবানের বাইশারীতে সাদা সোনা হিসেবে পরিচিত প্রাকৃতিক রাবার উৎপাদন বৃদ্ধি পেলেও এ রাবারের কদর বর্তমানে অনেকটাই কমে গেছে। বিদেশ থেকে রাবার আমদানির কারণে ক্রমাগত লোকসান গুনতে হচ্ছে স্থানীয় রাবার চাষীদের। এর সাথে যুক্ত হয়েছে পরিবহণকালীন বিভিন্ন বিভাগের চাদাঁবাজি। অর্থকরী এ খাতকে বাঁচানোর কোন তৎপরতা আপাতদৃষ্টিতে দেখা যাচ্ছে না। তাই অনতিবিলম্বে কাঁচা রাবার থেকে দ্বৈত কর প্রত্যাহার, চাষী ও ব্যবসায়ীদের ভোগান্তির অবসানে কার্যকরী পদক্ষেপ, বাগানগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার, কৃষি পণ্য হিসেবে অর্ন্তভুক্ত করে রাবার শিল্পকে বাচাঁনোর জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছেন রাবার বাগান মালিকরা।

শনিবার বেলা ১১টায় কক্সবাজার শহরের নিরিবিলি হোটেলের কনফারেন্স রুমে এসব দাবি জানান হতাশাগ্রস্থ রাবার বাগান মালিকরা।

বান্দরবান রাবার বাগান মালিক কল্যাণ সমিতি (রেজি নং- ২৪৫/২০১০) এর সাধারণ সম্পাদক ও নাজমা খাতুন রাবার এস্টেটের মালিক আরিফ হাসনাইনের সভাপতিত্বে বাইশারীসহ আশপাশ এলাকার শতাধিক রাবার বাগান মালিক ও প্রতিনিধিরা এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ইঞ্জিনিয়ার জিএম ফারুক খাঁন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার-রামু আসনের সাবেক সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান কাজল, পুলিশের লামা সার্কেল অফিসার এএসপি আল মাহমুদ শাকিল, বাংলাদেশ রাবার বাগান মালিক সমিতির সভাপতি কামাল উদ্দিন, সহ-সভাপতি আবদুর রশিদ ভুলু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ সিরাজুল রহমান সজল, আইন ও শালিস বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট নুরুল ইসলাম, অপরাজিতা রাবার বাগান মালিক চৌধুরী হুমায়ুন কবির, বাংলাদেশ রাবার বাগান মালিক সমিতির সদস্য ও আরিফ এন্টারপ্রাইজ রাবার বাগান মালিক আলহাজ¦ মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ আলম, সাংবাদিক আব্দুল হামিদ প্রমূখ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলোয়াত করেন জালাল উদ্দিন এবং ত্রিপিটক পাঠ করেন মংএচিন।

উল্লেখ্য, রাবারকে এক সময় সাদা সোনা বলা হতো। আকাশ ছোঁয়া দামের কারণে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যবসায়ীরা বাইশারীতে হাজার হাজার একর রাবার বাগান গড়ে তোলে লাভবান হয়েছে। কিন্তু হঠাৎ রাবারের দরপতনে সেই সাদা সোনা এখন রাবার মালিকদের কাছে গলার ফাঁস হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাগান মালিকরা এতটাই হতাশ যে, বাগান থেকে রাবার গাছ কেটে বিকল্প চিন্তা করছে। তবে তারপরও হাল ছাড়েনি রাবার বাগান মালিকরা। সম্প্রতি বান্দরবান রাবার বাগান মালিক কল্যান সমিতি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চ পদস্থদের সাথে একাধিক যোগাযোগের মাধ্যমে রাবার বাগানের সেই প্রাণ চাঞ্চল্যতা ফিরে দেওয়ার দাবি জানান।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

Sassa sebok Lig

নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক লীগ নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা শাখার বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১১টায় উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আবদুস সাত্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মী সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এমপি প্রতিনিধি ও প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ্ব খায়রুল বাশার।

এছাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক তসলিম ইকবাল চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা ডা. ইসমাইল হোসেন, সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি তারেক রহমান, কৃষকলীগ সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন মামুন শিমুলসহ সভায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিটি ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

লংগদু সেনা জোনের উদ্যোগে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা সম্পর্কীত সমন্বয় সভা

DSC08168

লংগদু প্রতিনিধি:

লংগদু উপজেলা সেনা জোনের উদ্যোগে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা সম্পর্কীত সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় সেনা জোনের মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আয়োজিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে লংগদু জোনের জোন কমান্ডার লে. কর্ণেল মো. মাহাবুবুর রহমান পিএসসি বলেছেন, লংগদু জোনের আওতাধীন এলাকায় আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে নয় মাস দায়িত্ব থাকা কালিন সময়ে প্রাণপন চেষ্টা করেছি শান্তি শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখার। এখন পর্যন্ত আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। আমি প্রশিক্ষণের জন্য যাচ্ছি। আপনাদের কাছে দোয়া কামনা করছি। আমাকে যেভাবে আপনারা সহয়োগিতা করেছেন অনুরূপ ভাবে নবাগত সিও সাহেবকেও আপনারা অনুরূপ ভাবে সহযোগিতা করবেন। এলাকার সম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অক্ষুন্ন রেখে উন্নয়নে সকলকে সম্পৃক্ত হওয়ার জন্য তিনি আহবান জানান।

জোনের সমন্বয় সভায় উপজেলা বিভিন্ন বিভাগী কর্মকর্তা, ইউপি চেয়ারম্যান, হেডম্যান, কার্বারী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, বিভিন্ন ক্যাম্প কমান্ডার, থানার প্রতিনিধি, সাংবাদিক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিসহ জোনের বিভিন্ন সেনা কর্মকর্তা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

অনু্ষ্ঠানে অন্যন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নবাগত জোন কমান্ডার মেজর আ. আলীম চৌধুরী জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর মো. গোলাম আজম, লংগদু উপজেলা পরিষদের চেয়রম্যান মো. তোফাজ্জল হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান মো. নাছির উদ্দিন, লংগদু ইউপি চেয়ারম্যান সুখময় চাকমা, কালাপাকুজ্জা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল বারেক দেওয়ান, লংগদু প্রেস ক্লাবের সভাপতি এখলাস মিঞা খান, মাইনীমুখ মডেল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক রোফিকুন্নেছা চৌধুরী, লংগদু থানার এসআই মো. জাকির হোসেন, কুলিন মিত্র চাকমা হেডম্যান, জেএসএস’র লংগদু সেক্রেটারী মনিশংকর চাকমা।

সভা শেষে জোনের পক্ষ থেকে বিদায়ী জোন কমান্ডারকে ক্রেস্ট উপহার দেওয়া হয়।