ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের দশম গ্রেড বেতন স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে খাগড়াছড়িতে মানববন্ধন

pic

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:

প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের দশম গ্রেড বেতন স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন করেছে খাগড়াছড়ি ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন। রবিবার সকাল ১১ টায় মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন কৃষিবিদরা।

জেলা শহরের শাপলা চত্ত্বরে ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সভাপতি জ্যোতি কিশোর বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক নীতি ভূষণ চাকমা, সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন চাকমাসহ সভাপতি সানাউল হক প্রমূখ।

দশম গ্রেড বেতন স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে কক্সবাজারে ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের মানববন্ধন

Capture

নিজস্ব প্রতিনিধি:

১০ম গ্রেড বেতন স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে কক্সবাজার জেলা শাখার ডিপ্লোমা কৃষিবিদরা মানববন্ধন করেছেন। সেই সাথে তাদের দাবি পুরোপুরি বাস্তবায়নের জন্য উপজেলা নিবার্হী অফিসারের মাধ্যমে প্রধান মন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছেন। রবিবার দুপুরের দিকে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মুখে এ মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মানববন্ধনে কৃষিবিদরা দাবি তুলেন, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা অথবা সমমান প্রকৌশল ডিপ্লোমাধারী উপসহকারী প্রকৌশলীদের ন্যায় কৃষি ডিপ্লোমাধারীদেরও ১০ম গ্রেড বেতন স্কেল প্রদান করা হোক। দীর্ঘ দিন ধরে চালিয়ে আসা এই দাবি তাদের প্রাণের দাবি বলে তারা জানান।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ৮ম জাতীয় বেতন কমিশন ২০১৫ সুপারিশ, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ, ২৩ অক্টোবর ২০১৩ প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সুপারিশ থাকা সত্বেও অদ্যাবদি কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন বিভাগ ও সংস্থায় কর্মরত ডিপ্লোমা কৃষিবিদ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের ১০ গ্রেড বেতন স্কেল প্রদান করা হচ্ছে না। যদিও ডিপ্লোমা প্রকৌশলী উপসহকারী প্রকৌশলীর ন্যায় কারিগরি বোর্ড থেকে একই মেয়াদী কৃষি ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করেছেন। এই বেতন বৈষম্যের কারনে ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।

১০ম গ্রেড বেতন স্কেল বাস্তবায়নে কৃষি বান্ধব সরকারের ঘোষণা এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ীর কমিটি গত ২৪ অক্টোবর ২০১১ থেকে করা একাধিকবার প্রস্তাবিত দাবি ও সুপারিশ উপেক্ষা করায় হতাশা প্রকাশ করেছেন ডিপ্লোমা কৃষিবিদরা। এতে মাঠ পর্যায়ে কর্মরত ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের কাজের গতি কমে যাওয়া, কৃষি কার্যক্রম ক্রমে বিরুপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ অবস্থায় তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তাদের ১০ম গ্রেডে বেতন স্কেল বাস্তবায়নের জন্য।

সাগর-রুনি হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে রাঙামাটিতে মানববন্ধন

Rangamai Journalict pic 1স্টাফ রিপোর্টার:

সুস্থ্য আইনের অভাবে দেশে সাংবাদিক হত্যার বিচার হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছে রাঙামাটি সাংবাদিক নেতারা। তারা বলেন, দীর্ঘ চারটি বছর পার হলেও সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকান্ডের কোনো রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি সরকার। এর কোনো কূল-কিনারাও দিতে পারেনি। এতে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে সরকার। তারা সাগর-রুনি দম্পতি এবং রাঙামাটির আবদুল রশীদ ও জামাল উদ্দিনসহ দেশে এ পর্যন্ত সংঘটিত সব সাংবাদিক হত্যাকান্ডের বিচার এবং সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধ, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতার দাবি জানান।

বৃহস্পতিবার রাঙামাটিতে সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ, খুনিদের গ্রেফতার ও বিচার দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে সাংবাদিক নেতারা এসব কথা বলেন।

সাংবাদিক সাগর-রুনি হত্যাকান্ডের চতুর্থ বর্ষপূর্তিতে সকাল ১১টায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় স্থানীয় কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীসহ সাধারণ শ্রেণি পেশার নারী-পুরুষ মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন।

রাঙামাটি প্রেসক্লাবের সভাপতি সাখাওয়াৎ হোসেন রুবেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন চলাকালে বিক্ষোভ সমাবেশে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন, রাঙামাটি পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী, দৈনিক গিরিদর্পণ সম্পাদক একেএম মকছুদ আহমেদ, প্রবীণ সাংবাদিক ও রাঙামাটি প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সুনীল কান্তি দে, রাঙামাটি রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সুশীল প্রসাদ চাকমা, রাঙামাটি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার আল হক, রাঙামাটি সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন, রাঙামাটি সাংবাদিক ফোরামের অর্থ-সম্পাদক ইয়াসিন রানা সোহেল প্রমূখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন রাঙামাটি সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি মো. সোলেয়মান।

ক্ষুব্ধ সাংবাদিক নেতারা আরও বলেন, বিভিন্ন সময় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সাংবাদিকরা খুন হলেও একটি ঘটনারও বিচার হয়নি। একের পর এক সাংবাদিক হত্যা এবং এক দশকে একজন সাংবাদিক হত্যার বিচারও শেষ হয়নি। সাংবাদিক হত্যা মামলার ক্ষেত্রে বছরের পর বছর সময় নিয়েও তদন্ত শেষ করতে পারেনি পুলিশ। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা, মূল অপরাধীদের পাশ কাটিয়ে চার্জশিট দেওয়া, দুর্বল অভিযোগ উত্থাপন এবং চার্জশিটভুক্ত আসামিদের গ্রেফতার না করার অভিযোগ আছে।

সাংবাদিক নেতার আরও উল্লেখ করে বলেন, রাঙামাটির সাংবাদিক আবদুল রশীদকে ১৯৮৯ সালের ৪ জুন এবং জামাল উদ্দিনকে ২০০৭ সালের ৬ মার্চ সন্ত্রাসীরা হত্যা করে। কিন্তু এ পর্যন্ত এ দুই সাংবাদিক হত্যার কোনো ক্লু বের করতে পারেনি আইনশৃংখলা রক্ষাকারী কর্তৃপক্ষ। এখনো বিচার হয়নি এ হত্যাকান্ডের ।

অবিলম্বে সাংবাদিক সাগর-রুনিসহ রাঙামাটিতে খুন হওয়া সাংবাদিক জামাল উদ্দীনও আব্দুর রশিদ হত্যাকান্ডের খুনিদের দ্রুত বিচারের আওতায় নিয়ে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান সাংবাদিক নেতারা। অন্যথায় কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলার হুশিয়ারি দেন তাঁরা।

পরে মানববন্ধন শেষে রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সামনে হতে একটি মিছিল বের করে। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙামাটি রিপোর্টার্স ইউনিটি গিয়ে শেষ হয়।

সাংবাদিক সাগর-রুনি হত্যাকান্ডের বিচারের দাবিতে খাগড়াছড়িতে সাংবাদিক ইউনিয়নের মানববন্ধন

SAMSUNG CAMERA PICTURES

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যার ৪৮ ঘণ্টার প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি ৪৮ মাসেও। এই হত্যার প্রকৃত রহস্য উন্মোচন ও বিচারের দাবিতে মৌন মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে খাগড়াছড়ি সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দরা। বৃহস্পতিবার সকালে জেলা শহরের শাপলা চত্বর মোড়ে এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়।

মানববন্ধন কর্মসূচীতে খাগড়াছড়ি সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দসহ জেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায়ার সাংবাদিকবৃন্দ, সামাজিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও জাবারাং কল্যান সমিতিসহ বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

মানববন্ধন কর্মসূচীর আগে পৌর টাউন হল প্রাঙ্গণ থেকে একটি মৌন মিছিল বের করা হয়।

উল্লেখ্য, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন ও ঘাতকদের গ্রেফতার করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন। ৪৮ মাস পেরিয়ে গেছে, তবু সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচিত হয়নি। অনেকটা থমকে আছে এ মামলার তদন্ত। থানা পুলিশ থেকে ডিবি হয়ে বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে র‌্যাব। একাধিকবার বদল করা হয়েছে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। সুদূর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রতেও আলামত পাঠিয়ে ডিএনএ পরীক্ষা করানো হয়েছে। মামলার তদন্ত সংস্থার কাছে সেই পরীক্ষার প্রতিবেদনও এসেছে। কিন্তু ফলাফল শূন্য।

২০১২ সালের ১১ই ফেব্রুয়ারি ভোরে পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া ফ্ল্যাট থেকে সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনির ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলম রোমান বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেছিলেন। প্রথমে মামলাটি তদন্ত করে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ। চার দিনের মাথায় মামলাটি হস্তান্তর করা হয়েছিল মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ডিবির কাছে। তদন্তের ৬২ দিনের মাথায় উচ্চাদালতে ব্যর্থতা স্বীকার করে ডিবি। পরে উচ্চ আদালতের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ই এপ্রিল মামলাটি র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়। হত্যাকান্ডের ৭৬ দিনের মাথায় ওই বছরের ২৬শে এপ্রিল পুন:ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে উত্তোলন করা হয় সাগর-রুনির লাশ। লাশের ভিসেরা আলামতসহ আরও কিছু নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

ঘটনার দিন থেকেই শুধুই আশ্বাস আর প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কাছ থেকে। তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন দিয়েছিলেন ৪৮ ঘণ্টার প্রতিশ্রুতি। এর মধ্যেই খুনিদের গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেই ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে ৪৮ মাসে গিয়ে ঠেকেছে, তবুও প্রণিধানযোগ্য অগ্রগতির কোনো দেখা পাওয়া যায়নি।

চিকিৎসকের উপর হামলার প্রতিবাদে বান্দরবানে ত্রিপুরা সংগঠনের মানববন্ধন

Bandarban pic-1.2

স্টাফ রিপোর্টার:

চট্টগ্রামে ডা. সানাই প্রু ত্রিপুরার উপরে পুলিশি হামলার প্রতিবাদে বান্দরবানে মানববন্ধন করেছে ত্রিপুরা সম্প্রদায়। সোমবার বান্দরবান প্রেসক্লাবের সামনে ত্রিপুরা স্টুডেন্টস কাউন্সিল সংগঠনের ব্যানারে ত্রিপুরা শিক্ষার্থীরা ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ত্রিপুরা স্টুডেন্টস্ কাউন্সিল সংগঠনের সভাপতি সুখেন্দু ত্রিপুরা, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জন ত্রিপুরা, উইলিয়াম ত্রিপুরাসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, দায়িত্ব পালনের নামে পুলিশের সদস্যরা একজন চিকিৎসকের উপর নগ্ন হামলা খুবই দুঃখজনক। অবিলম্বে তদন্ত পূর্বক আগামী এক সপ্তাহের ঐ দোষী পুলিশের দৃষ্ঠান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। অন্যথায় কঠোর কর্মসুচী দেয়া হবে বলে হুশিয়ারী দেন বক্তারা।

পাথর উত্তোলন বন্ধের দাবিতে বান্দরবানে মানববন্ধন

Bandarban pic-31.1

স্টাফ রিপোর্টার:

বান্দরবানে পাহাড়-ঝিড়ি খোদাই করে পাথর উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে পাহাড়ীরা। রোববার বান্দরবান প্রেস ক্লাবের সামনে সদর উপজেলার টংকাবর্তী ইউনিয়নের টংকাবতী, হরিণ ঝিড়ি ও টাকের পানছড়ি মৌজার পাহাড়ীরা ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে অংশ নেয়।

মানববন্ধন কর্মসূচীতে বক্তব্যে টংকাবতী ইউনিয়নের হরিণ ঝিড়ি মৌজার হেডম্যান কাইনওয়াই ম্রো বলেন, পাহাড়ি দুর্গম এলাকায় বসবাসরত মানুষের পানির একমাত্র উৎস ঝিরি-খাল ও নদী। প্রতিনিয়ত সেখান থেকে পাথর উত্তোলনের ফলে পানির উৎস নষ্ট হচ্ছে। অবিলম্বে এসব জায়গা থেকে পাথর উত্তোলন বন্ধ ও জড়িতদের শাস্তির দাবি জানান তারা।

মেনুং ম্রো কার্বারী অভিযোগ করে বলেন, সদর উপজেলার টংকাবতী ইউনিয়নের ৩টি মৌজায় শতশত বছর ধরে বসবাস করে আসছে ম্রো সম্প্রদায়। কিন্তু কয়েক বছর ধরে ইউনিয়নের টংকাবতী, হরিণ ঝিড়ি ও টাকের পানছড়ি মৌজা থেকে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার অ্যাডভোকেট মকবুল আহমেদ, কালু মেম্বার ও আবদুর রহিম প্রভাব খাটিয়ে প্রশাসনের অনুমোদন ছাড়াই পাহাড় এবং ঝিড়ি ঝর্ণা খোদাই করে নির্বিচারে পাথর উত্তোলন করে যাচ্ছে। প্রতিদিন নিয়ম-নীতি না মেনে পাথর উত্তোলনের কারণে স্থানীয়দের পানির উৎস স্থল ঝিড়ি-ঝর্নাগুলোর পানি শুকিয়ে যাচ্ছে। পানি শুকিয়ে গেলে ঐ এলাকায় বসবাস করা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে ম্রো সম্প্রদায়ের।

মানববন্ধন কর্মসূচী শেষে পাথর উত্তোলন বন্ধের দাবিতে জেলা প্রশাসক দীলিপ কুমার বণিকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি দিয়েছেন টংকাবতী ইউনিয়নের বাসিন্দাররা।

লংগদু থেকে ট্রানজিট রোড সরিয়ে নেয়ার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানববন্ধন

DSC08025

লংগদু প্রতিনিধি:

রাঙামাটির লংগদুতে উপজেলা সদর থেকে ঠেকামুখ পর্যন্ত বরাদ্ধকৃত ট্রানজিট রোড অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার প্রতিবাদে পার্বত্য বাঙালী ছাত্র পরিষদ লংগদু উপজেলা শাখার উদ্যোগে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার, সকাল সাড়ে দশটায় উপজেলা সদরে আয়োজিত মানববন্ধন ও সমাবেশে পার্বত্য বাঙালী ছাত্র পরিষদের উপজেলা সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন মেম্বারের সভাপত্বিতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, পার্বত্য বাঙালী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শাব্বির আহম্মেদ।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, লংগদু উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. নাছির উদ্দিন, বগাচতর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল গাফফার ভূইয়া, ছাত্রপরিষদের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী মো. সরোয়ার জাহান খান, রাঙামাটি জেলা নাগরিক পরিষদের আহবায়ক বেগম নুরজাহান, মো. সাইফুল সওদাগর, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নুরজাহান বেগম, ভাসাইন্যাদম ইউপি চেয়ারম্যান মো. জহির উদ্দিন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, লংগদু উপজেলা সদর থেকে বগাচতর ইউনিয়ন হয়ে বরকল সীমান্ত কুকিছড়া থেকে ভারতের ঠেকামুখ পর্যন্ত বরাদ্ধকৃত ট্রানজিট রোডটি কোন অশুভ শক্তির বলে অন্যেত্র সরিয়ে নেয়ার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আমরা এই অশুভ শক্তির ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঘৃণা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এই ট্রানজিট রোডটি লংগদু উপজেলাবাসীর প্রাণের দাবি।

গুইমারাতে মাদকের বিরুদ্ধে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের র‌্যালি ও মানববন্ধন

Capture

নিজস্ব প্রতিনিধি:

‘মাদককে না বলুন, আলোকিত জীবন গড়ুন’ এ শ্লোগানে খাগড়াছড়ির গুইমারাতে মাদক বিরোধী মানববন্ধন ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকালে জেলার গুইমারা উপজেলার একমাত্র ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুইমারা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা এই মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে।

সকালে মাদ্রাসা থেকে মাদক বিরোধী র‌্যালিটি বের হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম আঞ্চলিক মহাসড়কের দুই পাশে শত শত কোমলমতি শিক্ষার্থীরা মানববন্ধনে অংশ গ্রহণ করে।

এতে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাগর চৌধুরীর নেতৃত্বে উপজেলা ছাত্রলীগ, পেশাজীবী ও সাংবাদিকরা সংহতি প্রকাশ করে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে গুইমারা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার জায়নুল আবেদীন মাদকের বিভিন্ন কুফল তুলে ধরে মাদক মুক্ত সমাজ গড়তে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

রামুতে দুই শিশু হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

pic-hafiz-gar

নিজস্ব প্রতিনিধি:

রামুর গর্জনিয়ার বড়বিল গ্রামের কোমলমতি দুই শিশু সহোদরের হত্যাকারী এবং চিহ্নিত অপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে গর্জনিয়ার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। রোববার সকাল ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ঐতিহাসিক শাহ সূজা সড়কের আমির মোহাম্মদ চৌধুরী বাচ্চু চত্তরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় বক্তারা বলেন, শিশু হত্যাকারিরা দেশ ও জাতির শত্রু। তারা মানুষরুপি জানোয়ার। তাদেরকে দ্রুত সময়ের মধ্যে ফাঁসির দড়িতে ঝুলাতে হবে। পাশাপাশি সমস্ত শিশুদের নিরাপত্তার স্বার্থে বাকি সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে এদের গড়ফাদার ও র্সোসদেরকে চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

মানববন্ধন ও সমাবেশের উদ্যোক্তা সাংবাদিক হাফিজুল ইসলাম চৌধুরীর সঞ্চালনায় আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তৈয়ব উল্লাহ চৌধুরী, সাবেক চেয়ারম্যান ছুরুত আলম চৌধুরী, আওয়ামী লীগনেতা হাবিব উল্লাহ চৌধুরী, সামাজসেবক আলহাজ্ব ইদ্রিস সিকদার, হাজী ইউনুছ মাতবর, গর্জনিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক কায়সার জাহান চৌধুরী, হেড মৌলভি আবু মুছা কুতুবি ও সাংবাদিক মাঈনুদ্দিন খালেদ। সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য রাখেন গর্জনিয়া উচ্চবিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী পরিষদের সভাপতি মুহিবুল্লাহ চৌধুরী জিল্লু।

এ সময় পোয়াংগেরখিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজুল হক হেলালি, গর্জনিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক আহমদ শাহ বাবুল, সুকুমার বড়–য়া, অসিত পাল, সামাজিক উদ্যোক্তা শাহারীয়ার ওয়াহেদ, উপজেলা যুবলীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আবছার কামাল, কচ্ছপিয়ার যুবনেতা রেজাউল করিম টিপু, ছাত্রনেতা তৌহিদুল ইসলাম, গর্জনিয়া বিদ্যাপীঠের পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন, কোডেকের এলএফ নাজিম উদ্দিন, মরিয়ম বেগম, গর্জনিয়া যুবলীগের সভাপতি হাফেজ আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক বেলাল উদ্দিন সাহেদ, যুবলীগনেতা লোকমান হাকিম, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সাইফুল ইসলাম সিকদার, সরওয়ার কামাল, ছাত্রনেতা মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ, যুবনেতা জসিম উদ্দিন হেলালি প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজিত এ মানববন্ধনে গর্জনিয়া উচ্চবিদ্যালয়, পোয়াংগেরখিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গর্জনিয়া বিদ্যাপীঠ, কচ্ছপিয়া আইডিয়াল স্কুল এবং গর্জনিয়া ইউনিয়নের ২০টি শিখন স্কুলসহ প্রায় দেড় হাজার শিক্ষার্থী বিভিন্ন স্লোগানের ব্যানার এবং প্লেকার্ড নিয়ে অংশ নেন।

সমাবেশে বক্তব্য শেষে সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত মোহাম্মদ হাসান শাকিল ও মোহাম্মদ হোছাইন কাজলের আত্মার-মাগফেরাত কামনা করে অনুষ্ঠিত বিশেষ মোনাজাতে সকলেই অংশ নেন।

রামুতে ২ শিশুর খুনিদের ফাঁসির দাবিতে বাইশারীতে মানববন্ধন

77777

বাইশারী (নাইক্ষ্যংছড়ি) প্রতিনিধি:

রামু উপজেলার গর্জনীয়া বড়বিল এলাকায় সন্ত্রাসী কর্তৃক ছাত্র হত্যার প্রতিবাদে বুধবার বাইশারীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, সামাজিক সংগঠন, ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে সকাল ১২টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। মানববন্ধন শেষে এক বিশাল র‌্যালি বের হয়ে বাইশারীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাইশারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে শিক্ষার্থীরা খুনিদের ফাঁসির দাবি জানান।

সমাবেশে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু শাফায়াত মোহাম্মদ শাহেদুল ইসলাম বিষয়টি সরকারের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট জানানোর আশ্বস্থ করেন। এ সময় বাইশারী ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল হক, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. আলম, বাইশারী বাজার সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বাহাদুর, সেক্রেটারী শহিদুল হক, বাইশারী উচ্চ বিদ্যালয় সভাপতি মো. শাহাব উদ্দিন, শাহ্ নুরুদ্দীন দাখিল মাদরাসা সভাপতি আব্দুর রশিদ, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণসহ গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ১৭ জানুয়ারি রবিবার রামু উপজেলার গর্জনীয়া বড়বিল এলাকায় দুই সহোদর বাড়ীর পার্শ্বে অন্যান্য শিশুদের সাথে খেলা করছিল। ঐ সময় পার্শ্ববর্তী বাড়ীর আব্দুর শুক্কুর ডাকাতের ছেলে জাহাঙ্গীর ডাকাত তাদের জঙ্গলে পাখির বাচ্চা ধরার কথা বলে অপহরণ করে নিয়ে যায়। সন্ধ্যা ৭টায় মা ছেনোয়ারা সন্তানদের বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুজি করার এক পর্যায়ে মামা আব্দুল আলিম সওদাগরের মোবাইলে মেসেজের মাধ্যমে ৪ টাকা মুক্তিপন দাবি করে অপহরণ কারীরা। অন্যথায় তাদের হত্যা করার হুমকি দেয়া হয়।

ঘটনাটি পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জকে জানালে জনতা ও বাইশারী পুলিশের সাহায্যে অভিযানে নেমে ঐ দিন রাতে ৪ ডাকাতকে আটকের ৩ দিন পর ডাকাতের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে দুই সহোদরকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। রাত ১টার দিকে পুলিশ সুরতহাল শেষে লাশ ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

উক্ত ঘটনায় বিক্ষুদ্ধজনতা ডাকাতদের বাড়ীঘর ভাংচুর, অগ্নিসংযোগসহ ফাঁসির দাবিতে মিছিল সমাবেশ করেছে। বর্তমানে পুরো এলাকা থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।