বাঘাইছড়িতে তিন আগ্নেয়াস্ত্রসহ ইউপিডিএফের পরিচালক আটক

সাজেক প্রতিনিধি:

রাাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার বঙ্গলতলী ও রুপকারী শাখার ইউপিডিএফের পরিচালক এবং ইউপিডিএফ’র বিচার বিভাগীয় পরিচালক অটল চাকমা(৫৫) ও তার সহকারী শুদ্ধজয় চাকমা(৪২) কে আটক করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।

সোমবার ভোর পাঁচটার দিকে মধ্য বঙ্গলতলীর সতিরঞ্জন চাকমার বাড়ী থেকে তাদের আটক করা হয়।
এ সময় তাদের কাছ থেকে ২টি এলজি, ১টি দেশীয় বন্দুক, ১০ রাউন্ড কার্তুজ, ১৫টি চাঁদার রশিদ বই, ১ সেট সামরিক পোশাক, ৪টি মোবাইল, ১টি নোট বুক, ১টি রেডি সহ গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করা হয়।

নিরাপত্তা বাহিনী সুত্রে জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৪ইস্ট বেঙ্গল বাঘাইহাট সেনা জোন থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর একটি টিম অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, আটক অটল চাকমা একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী। গত ৩ এপ্রিল একই এলাকা থেকে পরিচালক সুগত চাকমাকে আটকের পর ঐ দায়িত্বে আসে অটল চাকমা।

আর আসার পর থেকেই এলাকার ছোট বড় সকল ব্যবসায়ীর কাছ থেকে সে লাগামহীন চাঁদাবাজী করতে থাকে আর অস্ত্র দিয়ে প্রতিনিয়ত লোকজনের মাঝে ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিল তারা। তাদেরকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এবং তাদের দেওয়া তথ্যমতে, এলাকায় অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী সুত্রটি।

আটক ইউপিডিএফ নেতা অটল চাকমা বাঘাইছড়ি উপজেলার কাট্রলী গ্রামের মৃত মনিন্দ্র চাকমার ছেলে এবং তার সহকারী শুদ্ধজয় চাকমা দীঘিনালা উপজেলার সংগলা গ্রামের চিত্তরঞ্জন চাকমার ছেলে বলে জানা যায়।

এবিষয়ে বাঘাইছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ আমির হোসেন বলেন, আটককৃতরা উপজেলার শীর্ষ চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী। তাদের বিরুদ্ধে এলাকায় ব্যাপক চাঁদাবাজীসহ বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে ইউপিডিএফ’র বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিচালক জুয়েল চাকমা বলেন, ইউপিডিএফ তো কোন নিষিদ্ধ দল নয়। গণতান্ত্রিক একটি দলের সদস্যদের অন্যায় ভাবে আটক করা ঠিক নয়। তাদেরকে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে আটক করা হয়েছে। আমার জানা মতে, তাদের কাছে আটকের সময় কিছুই ছিলনা। আটকের বিষয়ে ইউপিডিএফ’র পক্ষ থেকে এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি ।

বাঘাইছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান বড়ঋষি চাকমা গ্রেফতার

%e0%a6%ac%e0%a7%9c-%e0%a6%8b%e0%a6%b7%e0%a6%bf-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be

নিজস্ব প্রতিবেদক:

একাধিক হত্যা মামলার আসামী রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান বড় ঋষি চাকমাসহ পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর চার নেতাকে জেল হাজতে পাঠিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার রাঙামাটি জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট রোকন উদ্দিন কবির এর আদালতে বাঘাইছড়ি থানায় দায়ের করা অবসর প্রাপ্ত সার্জেন্ট মুকুল চাকমা হত্যা মামলায় আত্মসমর্পন করে জামিন চাইলে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে আসামীদের জেল হাজতে প্রেরণ করে।

বাকি আসামীরা হলেন উপজাতীয় আঞ্চলিক সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) বাঘাইছড়ি উপজেলা শাখার সভাপতি প্রভাত কুমার চাকমা, সাংগঠনিক সম্পাদক ত্রিদিপ কুমার চাকমা (প্রকাশ দীপ) এবং সার্বাতলী ইউপি মেম্বার অজয় চাকমা।

উল্লেখ্য গত ৩০ মে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট মুকুল চাকমা অপহৃত হয়। তার বাড়ি রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ির মারিস্যায়। সাবেক সেনা সার্জেন্ট হওয়ার কারণে স্থানীয় জেএসএস’র তার প্রতি অভিযোগ ছিলো, ‘তিনি সেনাবাহিনীর পক্ষে কাজ করেন। সেনাবাহিনীকে বিভিন্ন তথ্য প্রদান করেন’।

গত ২৩ জুন সরেজমিন পরিদর্শনে মুকুল কান্তির মেয়ে নমিসা চাকমার সাথে কথা বলেছিলেন পার্বত্যনিউজের প্রতিনিধিসহ ঢাকা থেকে যাওয়া একটি সাংবাদিক টিম। নমিসা চাকমা মিডিয়া টিমকে বলেন, ‘জেএসএস’র লোকজন বাবাকে সন্দেহ করতো। তারা ভাবতো তাদের অপকর্মের সব তথ্য বাবা সেনাবাহিনীকে দিয়ে দেয়।’ আর একারণেই গত ৬ মে বাড়ির কাছেই বসেই মুকুল কান্তিকে মারধর করে স্থানীয় জেএসএস নেতা বিস্তার চাকমা। এই ঘটনার পর মুকুলবাড়ি ছেড়ে খাগড়াছড়ি গিয়ে থাকতেন।

risi-chakma-rangamati-bagha-copy

মুকুল কান্তির স্ত্রী সাধনা চাকমা মিডিয়া টিমকে বলেন, গত ৩০ মে বিকেলে মোবাইলে ফোন করে তার স্বামীকে ডেকে নেয় প্রভাত কুমার চাকমা ওরফে কাকলি বাবু। সে জেএসএস উপজেলা কমিটির সভাপতি বলে জানান সাধনা। তিনি বলেন, ৬ মেযে মারধর করা হয়েছিলো তার একটি মিট মিমাংসার কথা বলে তার স্বামীকে ডাকা হয়। তাকে ডেকে উগছড়ির লাইল্যেঘোনার বক্কা চাকমার দোকানে নেয়া হয়। সেখান থেকে মুকুল একবার তার স্ত্রীকে ফোন করে বলেন, সেখানে প্রভাত চাকমা, আবিস্কার চাকমা, ত্রিদিব চাকমা এবং বিস্তার চাকমা আছে। তাদের সাথে তিনি কথা বলছেন।

৩০ মে রাত সাড়ে ৮ টার দিকে এই কথা হয়। ফিরতে দেরী হওয়ায় সাধনা রাত ৯ টার দিকে আবারো তার স্বামীকে ফোন দেন। কিন্তু এবার মোবাইলটি বন্ধ পাওয়া যায়। রাতে আরো কয়েকবার ফোন দিয়েছেন, কিন্তু মোবাইল বন্ধ। সেই থেকেই নিখোঁজ মুকুল। তিন/চারদিন পরে একবার ফোনটি খোলা পাওয়া গিয়েছিলো, কেউ ফোন ধরেনি। তারপর থেকে আর কোন সংযোগ মেলেনি। এদিকে, ঘটনার পর বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়। থানা পুলিশ মামলা নিতে গড়িমসি করতে থাকে।

নমিসা চাকমা বলেন, ওসি সরাসরি বলে দেন, ‘ওরা হলো সম্রাট। ওদের সাথে পারবা না। ওদের সাথে ঝামেলা করো না। মামলা করো না। মামলা করার যখন সময় হবে তখন বলবো।’ থানায় গেলে এই বলে প্রতিবারই বিদায় করে দেয়া হয় সাধনা চাকমা এবং তার মেয়েকে। শেষ পর্যন্ত এই পরিবার ২০ জুন একটি সাধারণ ডায়েরী করতে সক্ষম হন। এরপরও তারা অসংখ্যা বার মামলা করতে গেলে পুলিশ তাদেরকে নানা কথা বলে বিদায় করে দেয়। সাধারণ ডায়েরী করার পরে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরকেও হুমকী দেয়া হয়।৪/৫ জন মুখোশধারী লোক তাদের বাড়িতে গিয়ে হুমকি দিয়ে আসে। এরপর পরিবারের সদস্যরা অন্যত্র গিয়ে আশ্রয় নেন।

নাসিরাবাদ মহিলা কলেজের অনার্সের ছাত্রী নমিসা চাকমা গত ২৩ জুন মিডিয়া টিমকে আরো বলেন, তার মা এবং তারা দুই বোন এখন আর বাড়িতে যেতে পারছেন না। তাদের কোনই নিরাপত্তা নেই। এদিকে, গত ৩ জুুলাই বিকেলেও সার্জেন্ট মুকুলের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় এই ঘটনায় পুলিশ মামলা নেয় নি। তবে ১ মাস পর পুলিশ নমিসা চাকমার দায়ের করা পুরাতন মামলা এজহার হিসাবে গ্রহণ করে পূর্বের তারিখে।

মুকুল কান্তি চাকমার মেয়ে নমিসা চাকমা বাদি হয়ে দায়ের করা এই মামলার তারিখ ৪/৭/২০১৬। মামলার নং- জি আর ২৩৭/১৬। মামলায় বড়ঋষি চাকমাসহ ৮ জনকে আসামী করা হয় যার ১ নম্বর আসামী ছিলেন বড় ঋষি চাকমা। উচ্চ আদালত থেকে অন্তবর্তী জামিনে ছিলেন তিনি। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় মঙ্গলবার রাঙামাটির সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রোকন উদ্দীন কবিরের আদালতে আত্মসমর্পন করেন বড় ঋষি চাকমাসহ ৪ জন।  আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর না করে ৪ জনকেই জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে বড়ঋষি চাকমার নামে আরো একটি হত্যা রয়েছে খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালা থানায়। এই মামলাটি একটি হত্যা মামলা। যার নাম্বর হলো-৫, তারিখ ২০/০৯/২০১২ । ধারা-৩০২/৩৪ জিআর ২৮৩/২০১২।

দীঘিনালা উপজেলার ইউপিডিএফ এর তৎকালীন সমন্বয়ক কিশোর চাকমা বাদী হয়ে মোট ১১জনকে আসামী করে এই হত্যা মামলাটি দায়ের করেছিলেন।

বাঘাইড়িতে আবারো ১৪৪ ধারা ভেঙে কিয়াং নির্মাণ চেষ্টা: পুলিশের এসআই আহত: ফাঁকা গুলি

Untitled-1

পার্বত্যনিউজ রিপোর্ট:

আবারো প্রশাসনের জারী করা ১৪৪ ধারা ভেঙে সরকারী রিজার্ভ ফরেস্টে অবৈধভাবে মন্দির নির্মাণের চেষ্টা চালিয়েছে উপজাতীয়রা। বাঘাইছড়ি উপজেলার বঙ্গলতলী ইউনিয়নের দুইটিলা এলাকায় আজ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

 

পার্বত্যনিউজের সাজেক থানা প্রতিনিধি জানিয়েছেন, আজ সকাল সাড়ে সাতটার দিকে একদল পাহাড়ী ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রশাসনের জারী করা ১৪৪ ধারা ভেঙে বাঘাইছড়ির দুইটিলা এলাকায় প্রবেশ করে। সেখানে রিজার্ভ ফরেস্টের বিরোধিত জমিতে পুনরায় কিয়াং নির্মাণের চেষ্টা চালায়। তারা একটি রেডিমেট ঘর নিয়ে এসে স্থাপন করার চেষ্টা করে। এ সময় ঘটনাস্থলে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তাদের বাঁধা প্রদান করলে তাদের সাথে ধাক্কাধাক্কি ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এসময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের এসআইকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ ঘটনায় পুলিশের এসআই তোফাজ্জল হোসেন আহত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া উপক্রম হলে পুলিশ সদস্যরা ৯ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে। এতে আগত পাহাড়ীরা সরে গিয়ে ঘটনাস্থলের অনতিদুরে অবস্থান নিয়েছে বলে জানা গেছে।

ঘটনাস্থলে এখনো উত্তেজনা বিরাজ করছে। বাঘাইছড়ি থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনাস্থলের আশেপাশে সেনাটহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ফরেস্টের রেঞ্জ কর্মকর্তা সুধাংশু রঞ্জন দাসসহ উর্দ্ধতন অফিসিয়ালসরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

সেনাবাহিনীর বাঘাইহাট জোন কমান্ডার লে. ক. রশিদ পার্বত্যনিউজকে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, প্রশাসনের অনুরোধে সেনাবাহিনীর টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ এপ্রিল দুই টিলা এলাকার রিজার্ভ ফরেস্টে রাঙমাটি রাজবন বিহারের বনভান্তের নির্দেশে একদল পাহাড়ী অবৈধভাবে কিয়াং নির্মাণ শুরু করে। এতে পুলিশ বাঁধা দিলে অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। প্রশাসন ঘটনাস্থলে ১৪৪ ধারা জারী করে। পাহাড়ীরাও অবরোধ ডাকে। এ ঘটনায় স্থানীয় বন কর্মকর্তা বাঘাইছড়ির থানায় মামলা দায়ের করে। পরে পরিস্থিতি নিয়ে দিঘীনালা উপজেলা কমপ্লেক্সে দুইপক্ষের মধ্যে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। খাগড়াছড়ির এমপি কুজেন্দ্রলাল ত্রিপুরাসহ পাহাড়ী নেতৃবৃন্দ এ সমন্বয় সভায় উপস্থিত ছিলেন। সভায় সরকার পক্ষ থেকে পাহাড়ীদের বনবিভাগ থেকে অনুমতি নিয়ে এসে মন্দির নির্মাণের আহ্বান জানালেও পাহাড়ীরা তাদের পূর্ববত অবস্থানে বহাল থাকে।

– ফাইল ছবি

বাঘাইছড়ি উপজেলায় সরকার দলীয় মহিলা এমপি জে,এফ আনোয়ার চিনুকে সংবর্ধনা

DSC01338(1)

বাঘাইছড়ি প্রতিনিধিঃ
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাংসদ রাঙ্গামাটি থেকে নির্বাচিত জে,এফ আনোয়ার চিনুকে বাঘাইছড়িতে আগমন উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামিলীগ বাঘাইছড়ির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের পক্ষ থেকে সম্বর্ধনা প্রধান করা হয়।

বাঘাইছড়ি আওয়ামীলীগের সভাপতি বৃষকেতু চাকমার সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জে এফ আনোয়ার চিনুকে প্রধান অতিথি করা হয়। বিশেষ অতিথি উপস্থিত থাকেন রাঙ্গামাটির মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী জেবুন্নেছা। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও জেলা যুবলীগের সভাপতি জনাব আকবর আলী। এতে বাঘাইছড়ির আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধারণ করে রাঙ্গামাটি জেলায় উন্নয়ন কর্মকান্ডে অবদান রাখতে চাই । তিনি বলেন, রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বর্তমান এমপি উষাতন তালুকদার ও আমি এক না  হলেও উন্নয়নের ক্ষেত্রে সহযোদ্ধা।

http://parbattanews.com/category/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%98%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%9B%E0%A7%9C%E0%A6%BF/