টেকনাফে বন্দুকযুদ্ধে শীর্ষ মাদক কারবারী নিহত

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

টেকনাফে বন্দুকযুদ্ধে শীর্ষ এক মাদক কারবারী নিহত হয়েছে। নিহতের নাম মো.শামশুল প্রকাশ বার্মায়া শামশু।

সোমবার(২১ জানুয়ারি)ভোরে টেকনাফ হ্নীলা ইউয়নের দমদমিয়া এলাকায় তাকে নিয়ে ইয়াবা উদ্ধারের জন্য গেলে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

২১ জানুয়ারি সকালে এ তথ্য জানিয়েছেন টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাস।

শামশুল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত শীর্ষ ইয়াবা মাদক কারবারী এবং তাঁর বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্রসহ ১০টি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। শামশু  হ্নীলা পূর্ব সিকদার পাড়া এলাকার মো.হোসেনর ছেলে। তার পূর্ব পুরুষ মিয়ানমারে।

পুলিশের ভাষ্যমতে, রবিবার শামশুকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তাঁর কাছে ইয়াবা মজুদ আছে। পরে রাতে তাকে নিয়ে পুলিশের  একটি টিম টেকনাফের দমদমিয়া চেকপোস্ট সংলঘ্ন কাছাকাছি এলাকায় ইয়াবা উদ্ধারে গেলে শামশুর দলের লোকজন পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায়। এসময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশও ৪০ রাউন্ড গুলি চালায়। পরে তারা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় শামশুকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে।  এরা হলেন, এসআই রাসেল, এএসআই মো. ফয়েজ ও মো. আমির। তাদের হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি জানান, ইয়াবা অভিযানে গোলাগুলিতে এক শীর্ষ ইয়াবা কারবারী নিহত হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ২০ হাজার ইয়াবা, ২টি দেশীয় তৈরী বন্দুক ও ১২ রাউন্ড গুলি এবং গুলির খালি খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ কক্সবাজার মর্গে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

টেকনাফে বন্দুকযুদ্ধে তালিকাভুক্ত মাদক কারবারী নিহত

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

টেকনাফে বিজিবির মাদক বিরোধী অভিযানে বন্দুক যুদ্ধের ঘটনায় আহত মাদক ব্যবসায়ী মুছু(৩৫) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। এ অভিযানে ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধার করেছে বিজিবি।

টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আছাদুদ-জামান চৌধুরী জানান, রবিবার (২০ জানুয়ারি) ভোররাত ২টায় টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নে কর্মরত নায়েক হাবিল উদ্দিনের নেতৃত্বে বিজিবি-পুলিশের পৃথক দু’টি টহল দল ইয়াবাসহ আটক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভূক্ত মাদক ব্যবসায়ী পৌর এলাকার উত্তর জালিয়া পাড়ার মৃত জাকির হোসেনের পুত্র মোস্তাক আহমদ মুছুকে নিয়ে তাঁর আস্তানায় অভিযানে গেলে তাঁর গ্রুপের লোকজন পুলিশ-বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। এতে বিজিবির সদস্য সিপাহী আব্দুল আউয়াল (২৪), ল্যান্সনায়েক আব্দুল আলিম (২৮) ও পুলিশ সদস্য আল আমিন (২১) আহত হলে পুলিশ-বিজিবি পাল্টা গুলিবর্ষণ করে।

কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি শান্ত হলে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মুছুসহ ১০ হাজার ইয়াবা, ১টি আগ্নেয়াস্ত্র ও খোসা উদ্ধার করে। মুছুকে টেকনাফ উপজেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করেন। পরে তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক, এই মাদক বিরোধী অভিযান ও বন্দুকযুদ্ধ এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাদক ব্যবসায়ীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

টেকনাফে পুলিশের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

টেকনাফে পুলিশের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুইজন নিহত হয়েছে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি দেশীয় বন্দুক ও ২২ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার(১০ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ২টায় টেকনাফের সাবরাং খুরের মুখ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, সাবরাং কচুবনিয়ার এলাকার মৃত এনাম শরীফের পুত্র আবদুর রশিদ প্রকাশ ধলাইয়া (৪৭) ও কাটাবনিয়ার আবদুর রহমানের পুত্র আবুল কালাম (৩৫)। নিহত দুজনই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ী বলে পুলিশের দাবি।

পুলিশ বলছে, বন্দুকযুদ্ধে দুই ইয়াবা ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এসময় টেকনাফ থানার এসআই বোরহান উদ্দীন, এএসআই ফরহাদ ও কনস্টেবল হৃদয় আহত হয়েছেন। তাদেরকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ জানান, নিহত দু’জন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ী। নিহত আবুল কালামের বিরুদ্ধে মাদক ও মানবপাচারসহ ১০টি এবং আবদুর রশিদের বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা রয়েছে। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

টেকনাফে র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ২ মাদক ব্যবসায়ী নিহত

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার:

টেকনাফে র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে  ২ মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। সোমবার (৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ৩টার দিকে দমদমিয়া চেকপোস্টের সামনে র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

এতে দুইজনের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তারা মাদক কারবারী বলে জানিয়েছে র‌্যাব। ঘটনাস্থল থেকে ৪০হাজার পিস ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহতরা বাগের হাট চিতলমারী উপজেলার বড় বাড়িয়া গ্রামের মো. ইব্রাহীম শেখের ছেলে সাব্বির হোসেন (২৫) ও ঢাকা সাভার উপজেলার নগর কুন্ডা গ্রামের আবদুল মতিনের ছেলে হাফিজুর রহমান(৩৫)।

সংবাদটি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ র‌্যাব কোম্পানি কমান্ডার এএসপি শাহ আলম।তিনি জানান, টেকনাফ দমদমিয়া চেকপোস্টে একটি কাভার্ড ভ্যানকে তল্লাশীর জন্য গতিরোধ করার চেষ্টা করা হলে গাড়ির ভিতর থেকে র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে মাদক কারবারীরা। র‌্যাবও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছুঁড়ে। পরে ঘটনাস্থল থেকে দুইজন মাদক কারবারীর গুলিবিদ্ধ লাশ, ৪০ হাজার পিস ইয়াবা, একটি বিদেশি পিস্তল একটি ওয়ান সুটারগান ও ১১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

মাদক পাচারে ব্যবহৃত কাভার্ড ভ্যানটিও জব্দ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

চকরিয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে বন্দুকযুদ্ধ : আটক ১

27461

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার:

কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার চকরিয়া-লামা সড়কের কুমারী ব্রীজের পশ্চিম পাশে পুলিশ ও ডাকাতের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। আজ রোববার ভোররাতে এ ঘটনা ঘটে। ওই সময় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক ডাকাতকে আটক করেছে পুলিশ। সে চকরিয়া উপজেলার পালাকাটা গ্রামের আলী হোসেন’র পুত্র আবদুল মজিদ প্রকাশ ফটো ডাকাত।

 

চকরিয়া থানার ওসি প্রভাস চন্দ্র ধর জানিয়েছেন, গোপন সংবাদে ডাকাতির প্রস্তুতির খবর পেয়ে ওই এলাকায় পুলিশ অভিযান। ডাকাতরা তখন পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে ডাকাতের দল পিছু হটলেও ধৃত ডাকাত আবদুল হক গুলিবিদ্ধ অবস্থায পড়ে রয়। পরে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি সহ ১৮টি মামলা রয়েছে।

কক্সবাজারে পুলিশ-অপহরণকারী বন্দুকযুদ্ধ : ওসিসহ আহত ৪ : আটক ৪ : অস্ত্র উদ্ধার

27461
স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার:
কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলীতে পুলিশ-অপহরণকারীদের সাথে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় আহতাবস্থায় এক অপহরণকারী ও ২মহিলাসহ ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে অস্ত্র ও গুলি। ঘটনায় আহত হয়েছে মডেল থানার ওসি মাহফুজুর রহমানসহ আরো ৩ জন। ওই সময় পাহাড়ে পুঁতে রাখা অবস্থায় এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, পাহাড়তলীর সত্তর ঘোনার একটি পাহাড়ে অপহরণকারীরা অবস্থান করছে মর্মে খবর পেয়ে আজ রোববার ভোর ৪টার দিকে অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযান টের পেয়ে অপহরণকারীরা পুলিশকে চারিদিক থেকে ঘিরে পেলে। ওই সময় তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়লে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে অপহরণকারীরা পিছু হটলে পুলিশ আহতাবস্থায় অপহরণকারী মোবিন ও দুই মহিলাসহ ৪ জনকে আটক করে।

ওই সময় পাহাড় থেকে আজু এক ব্যক্তির লাশও উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি অপহরণকারীদের কাছ থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়।

কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান জানান “আজু নামে যে ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে-সেও একজন দুষ্কৃতিকারী বলে স্থানীয়রা তথ্য দিয়েছে। তবে এখনো নিশ্চিত নন তারা।

রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের বন্দুকযুদ্ধে ২ জন নিহত

443234255

সাজেক প্রতিনিধি, পার্বত্যনিউজ :

রাঙামাটি বাঘাইছড়ির উপজেলার তাজেজ্ঞাছড়ি এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী দুই আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলের সন্ত্রাসীদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে ২ জন নিহত হয়েছে।

আজ সকাল আনুমানিক ৫ থেকে ৫.৩০ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যে জানাগেছে, বৃহস্পতিবার ভোরে ঘুম থেকে উঠে কাজে যাওয়ার জন্য বের হওয়ার সময় একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী অতর্কিতভাবে ব্রাশ ফায়ার করলে নিজ বসতঘরের সম্মুখে ঘটনাস্থলেই দুই ভাই নিহত হন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেএসএস(সন্তু) এবং জেএসএস সংস্কারপন্থীদের মধ্যে অনুষ্ঠিত ঘণ্টাব্যাপী এই বন্দুকযুদ্ধে পাঁচশতাধিক রাউন্ড গুলি বর্ষণ করা হয়েছে। নিহত দুই জনের নাম জানা গেছে। তাদের একজনের নাম সুশান্ত চাকমা(৩৫) এবং অপর জনের নাম ত্রিদিব চাকমা(৩৮)। তারা দুইজনই জেএসএস সংস্কারপন্থী গ্রুপের সদস্য। বন্দুকযুদ্ধে ২ জন নিহত সুশান্ত চাকমা এবং ত্রিদিব চাকমা সহোদর এবং তারা স্থানীয় কামিনী কিশোর কার্বারীর পুত্র। তাদের বাড়ি বাঘাইছড়ি উপজেলার রূপকারী ইউনিয়নের ১ নং রাবার বাগান মধ্যছড়া গ্রামে।

বাঘাইছড়ি থানার ওসি আজিজুর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেন এবং দুপুর ১২টার দিকে লাশ পরিবারের কাছে হস্থান্তর করেন। এঘটনায় জেএসএস সংস্কারপন্থী গ্রুপ জেএসএস সন্তু গ্রুপকে দায়ী করলেও তারা তা অস্বীকার করেছে।

আরও খবর

পার্বত্য চট্টগ্রামে র‌্যাব মোতায়নের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে তিন পাহাড়ি সংগঠনের মানববন্ধন

রাঙ্গামাটিতে সংগীতশিল্পী অহৃত

মানিকছড়িতে দু’টি তাজা কার্তুজসহ ১ ইউপিডিএফ কর্মী আটক

রামগড়ে অস্ত্র ও গুলিসহ ২ উপজাতীয় সন্ত্রাসী আটক

বাঘাইছড়িতে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে দুইজন খুন

দীঘিনালায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক ইউপিডিএফকর্মী নিহত : আহত ১

দীঘিনালায় ১৯ ফেব্রুয়ারি অপহৃত মিন্টু চাকমাকে গুলি করে হত্যা : লাশ উদ্ধার

 

খাগড়াছড়ির লক্ষ্ণীছড়িতে বন্দুকযুদ্ধ, আহত ৩

2304131366718165Untitled-3
মো. মোবারক হোসেন, লক্ষ্ণীছড়ি :
খাগড়াছড়ির লক্ষ্ণীছড়ি উপজেলার ভারত সীমান্তঘেঁষা বিনাছড়ি এলাকায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস)- ইউনাইডেট পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) এর মধ্যে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৬ টার দিকে প্রায় এক ঘন্টাব্যাপী বন্দুক যুদ্ধে তিনজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
 
সূত্র জানায়, দুইটি আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত এ বন্দুকযুদ্ধে অত্র এলাকাবাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। দুই দলের বন্দুক যুদ্ধে নিরীহ গ্রামবাসী একই পরিবারের তিনজন আহত হয়। আহতরা হলেন, সুক্রিপ্রু মারমা (২৩), লেনোচিং মারমা (৪) ও অমা মারমা (২৪)।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে সেনা টহল গিয়ে ৭০ রাউন্ড খোসা ও ২ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করেছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
 
লক্ষ্ণীছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুল হাসান বন্দুকযুদ্ধের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এদিকে খাগড়াছড়ির ইউপিডিএফ‘র মুখপাত্র নিরন চাকমা বন্দুক যুদ্ধে ইউনাইডেট পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করে বলেন, ঐ এলাকার জেএসএস‘র আভ্যন্তরীণ কোন্দলে নিজেদের মধ্যে গোলাগুলি হয়েছে। অপরদিকে জেএসএস‘র কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।