শান্তিচুক্তির ১৯বর্ষপূর্তি : বাস্তবায়ন নিয়ে নানা মত : বন্ধ হয়নি সংঘাত-সংঘর্ষ

khagrachari-picture06-01-12-2016

পার্বত্যনিউজ রিপোর্ট:

আজ ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ১৯তম বর্ষপূর্তি।প্রায় দুই দশকের সংঘাত বন্ধে ১৯৯৭ সালের এই দিনে সরকার ও জনসংহতি সমিতির মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর পর কেটে গেছে ১৮ বছর। কিন্তু এখনো এ চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে বিতর্কের শেষ হয়নি।


সরকার পক্ষ বলছে, চুক্তির ৭২ টি ধারার মধ্যে ৪৮ টি ধারা সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত্ হয়েছে, ২৫ টি ধারা আংশিক বাস্তবায়িত হয়েছে, বাকি ধারাগুলোও বাস্তবায়নাধীন। কিন্তু সন্তু লারমার মতে, বাস্তবায়িত ধারার সংখ্যা ২৫।

অপর দিকে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে তিন সশস্ত্র সংগঠনের লড়াইয়ে রক্তাক্ত হচ্ছে পাহাড় । চুক্তির পর গত ১৮বছরে তিন পাহাড়ি সশস্ত্র গ্রুপের ভ্রাতিঘাতি ও নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে সংঘাতে অন্তত সাড়ে ৬ শতাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থক প্রাণ হারিয়েছে।

এছাড়াও এই তিন সংগঠনের বিরুদ্ধে উন্নয়ন প্রকল্পে চাঁদাবাজিসহ নানা সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের অভিযোগ রয়েছে। কখনো ভ্রাঘিাতি আবার কখনো খোদ নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে সরাসরি সংঘাতে হতাহতের ঘটনা পাহাড়ে বাড়িয়ে দিয়েছে উদ্বেগ¦ -উৎকন্ঠা।তিন সংগঠনের সহিংসতা মাঝে-মধ্যে পাহাড়ের সম্প্রতির উপরও আঘাত হানছে।

khagrachari-picture2-01-12-2016

চুক্তির স্বাক্ষরের ধারাবাহিকতায় ১৯৯৮ সালের ১০ ফ্রেরুয়ারী খাগড়াছড়ি স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিক তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর হাতে গেরিলা নেতা সন্তু লারমার অস্ত্র সমর্পনের মধ্য দিয়ে জনসংহতি সমিতির সদস্যরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসলেও এখনো পাহাড়ে প্রকৃত শান্তি ফিরে আসেনি।

বরং চুক্তির পর পাহাড়িদের তিনটি সশস্ত্র সংগঠন জেএসএস(সন্তু), জেএসএস(এমএন লারমা) ও ইউপিডিএফ’র আধিপত্য লাড়াই এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে এ পর্যন্ত উভয়ের অন্তত সাড়ে ৬শ শতাধিক নিহত ও সহস্রাধিক আহত হয়েছে।

একটি গোয়েন্দা সংস্থার হিসাব মতে, পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির পর রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলায় গত ১৯ বছরে ৯০০ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে জনসংহতি সমিতির ৩শতাধিক ইউপিডিএফের ৩শজন, সংস্কারের ৪৫জন এবং বাঙ্গালী কমপক্ষে ১৩৫জন।নিহতদের মধ্যে অজ্ঞাতনামা লাশও রয়েছে।

এছাড়া উভয় পক্ষের মধ্যে আহত হয়েছে কমপক্ষে ১৬৫০ জন অপহরণের শিকার ১১শজন, উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে কমপক্ষে ৮শ ৫০বার। প্রতিপক্ষের দেওয়া আগুনে ৯শটি ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ সময়ে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর অন্তত ৪০০ বার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

khagrachari-picture03-01-12-2016

সাধারন উপজাতীয়দের মধ্যেও চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে রয়েছে ভিন্নমত। তাদের মতে, চুক্তিতে সাধারন মানুষের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হয়নি। বরং হানাহানি বেড়েছে। মানুষের জানমালের কোন নিরাপত্তা নেই। এছাড়াও এই তিন সংগঠনের বিরুদ্ধে উন্নয়ন প্রকল্পে চাঁদাবাজিও অভিযোগ রয়েছে। ভ্রাতিঘাতি সংঘাতে অসংখ্য মানুষের হতাহতের ঘটনা পাহাড়ে বাড়িয়ে দিয়েছে উদ্বেগ-উৎকন্ঠা।তিন সংগঠনের সহিংসতা মাঝে-মধ্যে পাহাড়ের সম্প্রতির উপরও আঘাত হানছে।

চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে সরকার ও পাহাড়ি নেতাদের রয়েছে পরস্পর বিরোধী বক্তব্য। সরকার পক্ষ চুক্তি বাস্তবায়নে কথা বললেও পাহাড়িরা নেতারা বলছে, সবই মিথ্যা ও বানোয়াট। অপর দিকে বাঙালি সংগঠনগুলো শুরু থেকে এ চুক্তিকে অসাংবিধানিক আখ্যায়িত করে বাতিলের দাবী জানিয়ে আসছে।

শান্তিচুক্তি দুই পক্ষের মধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। দুই পক্ষেরই বাস্তবায়ন যোগ্য কিছু ধারা রয়েছে। এতে সরকার পক্ষে যেমন বাস্তবায়ন যোগ্য কিছু ধারা রয়েছে, তেমনি জেএসএসের পক্ষেও বাস্তবায়ন যোগ্য ধারা রয়েছে। এর মধ্যে জেএসএসকে সম্পূর্ণ রূপে অস্ত্র সমর্পন করার কথা থাকলেও এখনো সে শর্তের একটা বড় অংশ বাস্তবায়িত হয়নি। জেএসএস নেতারা সম্পূর্ণ রূপে অস্ত্র সমর্পন করতে পারেনি।

khagrachari-picture1-01-12-2016

শান্তিচুক্তিতে সন্তু লারমা নিজেদের উপজাতি বলে স্বীকার করলেও এখন তারা নিজেদের আদিবাসী দাবী করছেন। সন্তু লারমা নিজেই আদিবাসী দাবীকারী প্রধান সংগঠনের শীর্ষত্ব গ্রহণ করেছেন। অন্যদিকে শান্তিচুক্তির শুরুতেই বাংলাদেশের সংবিধান ও অখণ্ডতার প্রতি নিরঙ্কুশ আনুগত্যের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে সন্তু লারমা অনেক অসাংবিধানিক ধারা বাস্তবায়নের জন্য চাপ দিচ্ছেন।

আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, পার্বত্য চুক্তির নব্বই ভাগ এ সরকারের মেয়াদে বাস্তবায়িত হবে। ইতিমধ্যে ভূমি সমস্যা নিরসনের জন্য কমিশনের আইন সংশোধন করে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য কাজ শুরু করা হয়েছে। তিনি বলেন, চুক্তির পর পাহাড়ে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। উন্নয়নের দ্বার খুলে গেছে।

তবে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতির সমিতি (এমএন লারমা) সভাপতি সুধাসিন্দু খীসা পার্বত্যনিউজকে বলেন, চুক্তি বাস্তবায়নে এখনো অনেক বিষয় রয়ে গেছে। ভূমি কমিশন যদি যথাযথভাবে কাজ করে এবং কাজ করার জন্য যদি আন্তরিক হন তাহলে পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘ দিনের সমস্যা ঝুলে আছে তা কিছুটা হলেও পরিস্কার হবে। তিনি অনির্বাচিত জেলা পরিষদ ও আঞ্চলিক পরিষদে নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত পরিচালনার দাবী জানিয়ে বলেন, সরকারের ভূমিকায় পাহাড়ে আবিশ্বাসের জম্ম দিয়েছে।

khagrachari-picture04-01-12-2016

পার্বত্য চট্টগ্রাম সমঅধিকার আন্দোলনের খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সভাপতি এডভোকেট আব্দুল মালেক মিন্টু পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তিকে অসাংবিধানিক ও বৈষম্যমূলক আখ্যায়িত করে পার্বত্যনিউজকে বলেন, এ চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানকে অস্বীকার করা হয়েছে।

শুধু তাই নয়,এ অঞ্চলে যুগ যুগ ধরে বসবাসকারী একটি বিশাল জনগোষ্ঠী বাঙালিদের অধিকার হরণ করা হয়েছে। সম্প্রতি অবৈধ চুক্তির ফসল ভূমি বিরোধ নিস্পত্তি কমিশন আইন সংশোধন করে সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামকে বিচ্ছিন্ন করার পথ সুগম করেছে।

এ দিকে বর্ষপূর্তির দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ এবার বর্ণাঢ্য কর্মসূচী গ্রহণ করেছে। ২ ডিসেম্বর(শুক্রবার) সকাল সাড়ে ৮টায় খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চত্বরে শান্তির পায়রা উড়িয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হবে।

খাগড়াছড়িতে বসবাসরত জাতিগোষ্ঠীরা নিজস্ব পোশাক পরিচ্ছদ পরিধান করে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করবে। শোভাযাত্রাটি জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ খেতে শুরু হয়ে চেঙ্গী স্কোয়ার, শাপলা চত্বর হয়ে টাউন হল প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হবে। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ ডিসপ্লে’র আয়োজন রয়েছে।

একইদিন সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম চুক্তি পরবর্তী অস্ত্র সমর্পনস্থল খাগড়াছড়ি স্টেডিয়ামে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন রয়েছে। এতে বাংলাদেশের অন্যতম ব্যান্ড সোলস দর্শকদের মাতাবেন বলে জানিয়েছেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী। এছাড়াও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় স্থানীয় ও চট্টগ্রামের শিল্পীরাও অংশগ্রহণ করবেন।

অপরদিকে পার্বত্য চুক্তিকে কালে চুক্তি আখ্যায়িত করে ঐদিন সকাল ১১ টায় পার্বত্য চট্টগ্রাম সমঅধিকার আন্দোলন খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করবে।

শিগগিরই পূর্ণাঙ্গ পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে- গওহর রিজভী

12565602_10201086589762513_4936600914652879569_n

স্টাফ রিপোর্টার:

পার্বত্য চট্টগ্রামবাসীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী বলেছেন, শিগগিরই পূর্ণাঙ্গ পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে। রবিবার সকালে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

গওহর রিজভী বলেন, গত ৬-৭ বছরে পার্বত্য অঞ্চলে অসাধারণ উন্নয়ন হয়েছে। ১৯৯৭ সালে করা পার্বত্য চুক্তির বেশির ভাগই বাস্তবায়ন হয়েছে, বাকি আছে শুধু ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি। এই বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একটি খসড়াও এখন প্রস্তুত, যা শিগগিরই পার্লামেন্টে যাবে। সেখানে অনুমোদন হলেই এই সমস্যার সমাধান হবে।

শান্তিচুক্তির ১০০ভাগ যদি কেউ বাস্তবায়ন করে সেটা আওয়ামী লীগ সরকারই করবে– বীর বাহাদুর ঊশৈসিং

রাঙামাটিতে বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০১৪

Rangamati Pic-21-06-14-1

 নিজস্ব প্রতিনিধি, রাঙামাটি:

পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর ঊশৈসিং বলেছেন, যদি কেউ পার্বত্য শান্তিচুক্তির ১০০ভাগ বাস্তবায়ন করে সেটা আওয়ামী লীগ সরকারই করবে। চুক্তির এসব বাস্তবায়নের পথ খুঁজে বের করতে হবে। সহযোগিতা সহমর্মিতা দ্বারা এ চুক্তি বাস্তবায়নে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।

 

শনিবার ২১ জুন শনিবার রাঙামাটি জেলা প্রশাসন, ও বন বিভাগের আয়োজনে বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০১৪ উদ্বোধন শেষে রাঙামাটি পৌর মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মোঃ মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি নির্বাচিত সংসদ সদস্য ঊষাতন তালুকদার, ৩৩৩নং মহিলা সংসদ সদস্য ফিরোজা বেগম চিনু, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা, জেলা পুলিশ সুপার আমেনা বেগম, কৃষি সম্প্রসারন বিভাগের উপ-পরিচালক নরেশ চন্দ্র বারই ও বন সংরক্ষক মোঃ আবু হানিফ পাটোয়ারী প্রমূখ।

সকালে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী জেলা প্রসাশকের কার্যাালয়ে বৃক্ষ রোপণ শেষে পৌরসভা প্রাঙ্গণে ফিতা কেটে ফেস্টুন ও কবুতর উড়েয়ে এ মেলার উদ্বোধন করেন এবং বিভিন্ন স্টল পরিদর্শণ করেন। বৃক্ষমেলা উপলক্ষে শহরে বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়। র‌্যালীটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পৌর প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।

আলোচনা সভায় প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, গাছ আমাদের পরম বন্ধু, শান্তি প্রতীক জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত এই গাছ আমাদের সকলের বন্ধু হিসেবে পাশে থাকে। তিনি বলেন, বৃক্ষ কারো সাথে বেইমানী করেনা, গাছ কখনো বলেনা আমি আওয়ামী লীগ আমি বিএনপি বা আমি পাহাড়ী আমি বাঙ্গালী। বৃক্ষ রোপন করতে কোন দিবসের প্রয়োজন হয়না। আমাদের প্রাকৃতিক দূর্যোগের হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রচুর গাছ লাগানো প্রয়োজন।
তিনি আরো বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে সরকারী যেসব জায়গা রয়েছে যেখানে নিঃকণ্টক কোন জমিজমার ভেজাল নেই সেসব জায়গায় সামাজিক বনায়নের জন্য নির্ধারণ করতে হবে। আর বনায়নে যেসব সমস্যা রয়েছে তা নিরসন করে আমাদের নবুজ বনায়নে এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে সেগুন গামারীর পাশাপাশি ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা সংরক্ষণ ও রোপন করতে হবে। বাড়ীর আশেপাশে সঞ্চয়ী মনোভাব নিয়ে ফলজ ও বনজ চারা রোপন করলে ভবিষ্যতে অর্থনৈতিকভাবেও লাভবান হওয়া যায়। তিনি বলেন, ফরমালিনের এই যুগে আমরা যদি বাড়ীর আঙ্গিনায় অনন্ত একটি করে ফলের চারা রোপন করি তাহলে নিঃসন্দেহে ফরমালিনমুক্ত ফল আমরা খেতে পারবো।
তিনি আরো বলেন, দেশের এক দশমাংশ জায়গা হচ্ছে এই পার্বত্য চট্টগ্রাম। এ অঞ্চলের পাহাড় ও সমতল জায়গায় বৃক্ষ রোপনের মাধ্যমে সবুজ বনায়র করা গেলে পার্বত্য চট্টগ্রাম দেশের বোঝা নয় সম্পদে পরিনত হবে।

সভার শেষে প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর ঊশেসিং এমপি রাঙামাটি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষের হাতে গাছের চারা বিতরণ করেন।

পার্বত্য চট্টগ্রামে র‌্যাব মোতায়নের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে তিন পাহাড়ি সংগঠনের মানববন্ধন

Manikchari human chain program

পার্বত্যনিউজ ডেস্ক :

পার্বত্য চট্টগ্রামে র‌্যাব মোতায়নের সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে আজ  বুধবার সকালে খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটির বিভিন্ন উপজেলায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। খাগড়াছড়ি জেলা সদরের চেঙ্গী স্কোয়ার, পানছড়ি, মহালছড়ি, দীঘিনালা, গুইমারা, মানিকছড়ি ও লক্ষ্মীছড়ি এবং রাঙামাটি জেলার কুদুকছড়ি, কাউখালী, নান্যাচর, বাঘাইছড়ি ও সাজেকে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ও হিল উইমেন্স ফেডারেশন এ মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে।

খাগড়াছড়ি জেলা:

খাগড়াছড়ি সদর: পার্বত্য চট্টগ্রামে র‌্যাব মোতায়েনের সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ও হিল উইমেন্স ফেডারেশন খাগড়াছড়িতে মানববন্ধন করেছে। ‘আইন শৃংখলার নামে পাহাড়ে রাষ্ট্রীয় সংস্থার ক্রস ফায়ার-চাঁদাবাজি-অপহরণ-গ্রেফতার বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে পাহাড়ি-বাঙালি এক হও’ শ্লোগানে বুধবার সকাল ১০টায় জেলা শহরের চেঙ্গী স্কোয়ারে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সভাপতি বিপুল চাকমার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ইউনাইটেড পিপল্স ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট(ইউপিডিএফ)-এর খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা ইউনিটের সংগঠক চরণসিং তঞ্চঙ্গ্যা, গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক অংগ্য মারমা, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক বিজয় চাকমা, হিল উইমেন্স ফেডারেশনের খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সভাপতি মিশুক চাকমা প্রমূখ।

মানববন্ধনে ‘র‌্যাব মোতায়েন = ক্রস ফায়ার-অপহরণ বাণিজ্য সম্প্রসারণ’; ‘রাষ্ট্রীয় খুনী সংস্থা র‌্যাব বাতিল কর’ ; র‌্যাব মোতায়েন, ‘পার্বত্য চুক্তি’ বাস্তবায়ন???’ ইত্যাদি শ্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড গলায় ঝুলিয়ে বিভিন্ন স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীসহ সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ৩ শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।

মহালছড়ি : ‘সরকারের জাতিসত্তা ধ্বংসের চক্রান্ত, প্রতিবাদ প্রতিরোধে এগিয়ে আসুন’ এই শ্লোগানে পার্বত্য চট্টগ্রামে র‌্যাব মোতায়েনের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে মানববন্ধন করেছে গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম ও পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ। সকাল ১০টায় উপজেলা চত্বরে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের মহালছড়ি উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক নিদর্শন খীসা, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের মহালছড়ি থানা শাখার সভাপতি তপন চাকমা ও পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের মহালছড়ি কলেজ শাখার সাবেক সভাপতি তনয় চাকমা।

পানছড়ি: গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ও হিল উইমেন্স ফেডারেশনের উদ্যোগে খাগড়াছড়ির পানছড়িতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। ‌‌”পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্রস ফায়ারের হোলি খেলা দেখতে প্রস্তুত নই” শ্লোগানে সকাল সাড়ে ৯টায় পানছড়ি বাজারে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের সভাপতি বরুণ বিকাশ চাকমা, সাধারণ সম্পাদক বিবর্তন চাকমা প্রমুখ।

দীঘিনালা: পার্বত্য চট্টগ্রামে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব) মোতায়নের সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম, বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ এবং হিল উইমেন্স ফেডারেশন দীঘিনালায় মানববন্ধন করেছে। মানববন্ধন শেষে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ দীঘিনালা থানা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুরেশ চাকমার সভাপতিত্বে সাংগঠনিক সম্পাদক জহেল চাকমার সঞ্চালনায় লারমা স্কোয়ারে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

গুইমারা: পার্বত্য চট্টগ্রামে র‌্যাব মোতায়েনে সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়ে খাগড়াছড়ির গুইমারায় মানববন্ধন করেছে গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ও হিল উইমেন্স ফেডারেশন। বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় গুইমারা প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের মাটিরাংগা উপজেলা শাখার সভাপতি শান্তিময় চাকমার সভাপতিত্বে ও অমল ত্রিপুরার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক সর্বানন্দ চাকমা ও পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের রামগড় সরকারী কলেজ শাখার সভাপতি শুভ চাকমা।

মানিকছড়ি: ‘আইন শৃঙ্খলার নামে পাহাড়ে রাষ্ট্রীয় সংস্থার ক্রস ফায়ার-চাঁদাবাজি-অপহরণ-গ্রেফতার বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে পাহাড়ি-বাঙালি এক হও’ শ্লোগানে পার্বত্য চট্টগ্রামে র‌্যাব মোতায়েনের সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ও হিল উইমেন্স ফেডারেশন। বুধবার সকাল ১০টায় উপজেলার ধর্মঘর এলাকায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ইউপিডিএফ’র উপজেলা সংগঠক এসটিঅং মারমা, গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় সদস্য আপ্রু মারমা ও পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের চিত্র চাকমা।

লক্ষ্মীছড়ি: ‘পাহাড়ে রাষ্ট্রীয় খুনী লেলিয়ে দেয়ার বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন এই শ্লোগানে’ সকাল সাড়ে ১০টায় লক্ষ্মীছড়ি উপজেলা পরিষদ মাঠে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক রিপন চাকমা, হিল উইমেন্স ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাদ্রী চাকমা ও পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক রতন স্মৃতি চাকমা।

রাঙামাটি জেলা:

কুদুকছড়ি: ‘আইন শৃংখলা রক্ষার নামে রাষ্ট্রীয় সংস্থার চাঁদাবাজি, অপহরণ বাণিজ্য বরদাস্ত করবে না’ এই আহ্বানে পার্বত্য চট্টগ্রামে র‌্যাব মোতায়েনের সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে রাঙামাটির কুদুকছড়িতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ, হিল উইমেন্স ফেডারেশন ও ঘিলাছড়ি নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির ব্যানারে বুধবার সকাল ১০টায় কুদুকছড়ি বাজারে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের রাঙামাটি জেলা শাখার আহ্বায়ক সুপ্রীম চাকমা, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের রাঙামাটি জেলা শাখার সভাপতি বাবলু চাকমা ও ঘিলাছড়ি নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি শান্তি প্রভা চাকমা প্রমূখ।

নান্যাচর: পার্বত্য চট্টগ্রামে র‌্যাব মোতায়েনে সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ও হিল উইমেন্স ফেডারেশনের ব্যানারে রাঙামাটির নান্যাচর উপজেলায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘আইন শৃঙ্খলার নামে পাহাড়ে রাষ্ট্রীয় সংস্থার ক্রস ফায়ার-চাঁদাবাজি-অপহরণ-গ্রেফতার বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে পাহাড়ি-বাঙালি এক হও’ শ্লোগানে বুধবার সকাল ১০টায় উপজেলা রেস্ট হাউজ মাঠে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের রাঙামাটি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অনিল চাকমা, হিল উইমেন্স ফেডারেশনের নান্যাচর থানা শাখার আহ্বায়ক হিরা তালুকদার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রণ বিকাশ চাকমা, সাবেক্ষ্যং ইউপি চেয়ারম্যান সুপন চাকমা প্রমূখ।

কাউখালী: ‘পাহাড়ে রাষ্ট্রীয় খুনী লেলিয়ে দেয়ার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও’ এই শ্লোগানে শ্লোগানে পার্বত্য চট্টগ্রামে র‌্যাব মোতায়েনের সরকারী সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে রাঙামাটির কাউখালীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল পৌনে ১০টায় কাউখালী উপজেলা সদরের কৃষি ব্যাংকের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের কাউখালী থানা শাখার সভাপতি কংচাই মারমার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ সাধারণ সম্পাদক রূপন মারমা ও হিল উইমেন্স ফেডারেশনের কাউখালী থানা শাখার সভাপতি মেমোরি চাকমা।

বাঘইছড়ি: পার্বত্য চট্টগ্রামে র‌্যাব মোতায়েনের সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার করঙাতলী বাজারে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত ঘন্টাব্যাপী মানবন্ধনে বক্তব্য রাখেন গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের বাঘাইছড়ি উপজেলা শাখার সভাপতি চিক্কোধন চাকমা ও সাংগঠনিক সম্পাদক জ্যোতির্ময় চাকমা।

সাজেক: বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের উজো বাজারে সকাল সাড়ে ৯টায় এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। সাজেক নারী সমাজ ও সাজেক ভূমি রক্ষা কমিটির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাজেক ভূমি রক্ষা কমিটি সভাপতি জ্ঞানেন্দু চাকমা, সদস্য বিমল কান্তি চাকমা ও গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের সাজেক শাখার সভাপতি সুপন চাকমা।

এসব মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সারা দেশে র‌্যাব একটি খুনী বাহিনীতে পরিণত হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের বিপুল সংখ্যক সেনা মোতায়েন থাকা সত্ত্বেও সরকার এই রাষ্ট্রীয় খুনী বাহিনীকে পার্বত্য চট্টগ্রামে মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে এই খুনী বাহিনীকে মোতায়েন করা হলে সমতলের ন্যায় এখানেও খুন-গুম-ক্রসফায়ার ও নিপীড়ন-নির্যাতনের মাত্রা আরো বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে। তাই র‌্যাব মোতায়েনের সরকারী সিদ্ধান্ত পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের জন্য অশনি সংকেত হিসেবে দেখা দিয়েছে।

বক্তারা আরো বলেন, সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জে এক প্যানেল মেয়রসহ ৭ জনকে খুনের ঘটনায় র‌্যাব জড়িত রয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রামে মাজার লুট থেকে শুরু করে প্রতিনিয়ত যে খুন, গুম, অপহরণ ও ক্রসফায়ারের নামে বিনা বিচারে মানুষ হত্যার ঘটনা ঘটছে এসবে সাথে র‌্যাব প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত রয়েছে। যার ফলে র‌্যাব এখন রাষ্ট্রীয় খুনী সংস্থায় পরিণত হয়েছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় র‌্যাব বিলুপ্ত করারও প্রস্তাব দিয়েছে।

তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়িদের ন্যায্য আন্দোলনকে বলপূর্বক দমনের লক্ষে সরকার এখানে র‌্যাব মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত পাহাড়ি জনগণ কিছুতেই মেনে নেবে না। এর বিরুদ্ধে সকলকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।

বক্তারা অবিলম্বে পার্বত্য চট্টগ্রামে র‌্যাব মোতায়েনের সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিল, নারায়ণগঞ্জে ৭ খুনের ঘটনায় জড়িত র‌্যাব সদস্য ও কর্মকর্তার বিচার, পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সারা দেশে খুন-গুম,ক্রস ফায়ারের নামে বিনা বিচারে মানুষ হত্যা ও নিপীড়ন-নির্যাতন বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।

আরও খবর

রাঙ্গামাটিতে সংগীতশিল্পী অহৃত

মানিকছড়িতে দু’টি তাজা কার্তুজসহ ১ ইউপিডিএফ কর্মী আটক

রামগড়ে অস্ত্র ও গুলিসহ ২ উপজাতীয় সন্ত্রাসী আটক

বাঘাইছড়িতে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে দুইজন খুন

দীঘিনালায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক ইউপিডিএফকর্মী নিহত : আহত ১

দীঘিনালায় ১৯ ফেব্রুয়ারি অপহৃত মিন্টু চাকমাকে গুলি করে হত্যা : লাশ উদ্ধার