মাতৃভাষায় প্রাথমিক শিক্ষা চালুর দাবিতে মহালছড়িতে পিসিপি’র সমাবেশ

PCP news 08-02-2016

মহালছড়ি প্রতিনিধি:

সকল জাতিসত্ত্বা সমূহের স্ব স্ব মাতৃভাষায় প্রাথমিক শিক্ষা চালুসহ বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ (পিসিপি) এর শিক্ষা সংক্রান্ত ৫ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়িতে পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ মহালছড়ি থানা শাখা র‌্যালি ও সমাবেশ করেছে। সোমবার সকাল সাড়ে ১১ টায় মহালছড়ি কলেজ এলাকার ২৪ মাইল থেকে র‌্যালি শুরু হয়ে বাসস্টেশন ঘুরে বাবুপাড়ায় এসে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

সমাবেশে পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ মহালছড়ি থানা শাখার সহ-সভাপতি মেনন চাকমার সঞ্চালনায় পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ মহালছড়ি থানা শাখার সভাপতি সুমন্ত চাকমার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সুনীল ত্রিপুরা, গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম মহালছড়ি উপজেলা শাখার সভাপতি হৃদয় বিন্দু চাকমা, পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ মহালছড়ি থানা শাখার দপ্তর সম্পাদক সুমন চাকমা প্রমূখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ একটি বহুজাতি ও ভাষাভাষীর দেশ। এ দেশে বাঙালী ব্যতীত ৪৫টির অধিক জাতি বসবাস করছে। এ সকল জাতিসমূহের মধ্যে নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি এবং গৌরবময় ইতিহাস ও ঐতিহ্য রয়েছে। বাংলা ভাষা ও বাঙালী সংস্কৃতির আধিপত্যের কারণে এসব জাতিসমূহের ভাষা ও সংস্কৃতি হারিয়ে যেতে বসেছে। সরকার সংখ্যালঘু জাতির ভাষার বিকাশ ও শ্রীবৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে এ ধরনের কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।

বক্তারা আরও বলেন, সরকার ২০১০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতি প্রনয়নের মাধ্যমে এদেশের জাতিসমূহের মাতৃভাষায় প্রাথমিক শিক্ষাদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত সরকার কোন কিছুই বাস্তবায়ন করেনি।

বক্তারা অবিলম্বে মাতৃভাষায় প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতসহ পিসিপি’র শিক্ষা সংক্রান্ত ৫ দফা বাস্তবায়নের দাবি জানান। অবিলম্বে রাঙামাটি থেকে মেডিকেল কলেজ ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যায় কার্যক্রম স্থগিত করার দাবি জানান ও পার্বত্য চট্টগ্রামে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের অগণতান্ত্রিক ১১টি নির্দেশনা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

উল্লেখ্য পিসিপি শিক্ষা সংক্রান্ত ৫ দফ দাবি হলো, পার্বত্য চট্টগ্রামে সকল জাতিসত্তার মাতৃভাষার মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে, স্কুল, কলেজের পাঠ্যপুস্তকে জাতিসত্তার প্রতি অবমাননাকর বক্তব্য বাদ দিতে হবে, পাহাড়ী জাতিসত্তার বীরত্বব্যঞ্জক কাহিনী এবং সঠিক সংগ্রামী ইতিহাস স্কুল, কলেজের পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, বাংলাদেশে সকল জাতিসত্তার সংক্ষিপ্ত সঠিক তথ্য সম্বলিত পরিচিতিমূলক রচনা বাংলাদেশের জাতীয় শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভূক্ত করতে হবে এবং পার্বত্য কোটা বাতিল করে পাহাড়ী বিশেষ কোটা চালু করতে হবে।

পাথর উত্তোলন বন্ধের দাবিতে বান্দরবানে মানববন্ধন

Bandarban pic-31.1

স্টাফ রিপোর্টার:

বান্দরবানে পাহাড়-ঝিড়ি খোদাই করে পাথর উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে পাহাড়ীরা। রোববার বান্দরবান প্রেস ক্লাবের সামনে সদর উপজেলার টংকাবর্তী ইউনিয়নের টংকাবতী, হরিণ ঝিড়ি ও টাকের পানছড়ি মৌজার পাহাড়ীরা ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে অংশ নেয়।

মানববন্ধন কর্মসূচীতে বক্তব্যে টংকাবতী ইউনিয়নের হরিণ ঝিড়ি মৌজার হেডম্যান কাইনওয়াই ম্রো বলেন, পাহাড়ি দুর্গম এলাকায় বসবাসরত মানুষের পানির একমাত্র উৎস ঝিরি-খাল ও নদী। প্রতিনিয়ত সেখান থেকে পাথর উত্তোলনের ফলে পানির উৎস নষ্ট হচ্ছে। অবিলম্বে এসব জায়গা থেকে পাথর উত্তোলন বন্ধ ও জড়িতদের শাস্তির দাবি জানান তারা।

মেনুং ম্রো কার্বারী অভিযোগ করে বলেন, সদর উপজেলার টংকাবতী ইউনিয়নের ৩টি মৌজায় শতশত বছর ধরে বসবাস করে আসছে ম্রো সম্প্রদায়। কিন্তু কয়েক বছর ধরে ইউনিয়নের টংকাবতী, হরিণ ঝিড়ি ও টাকের পানছড়ি মৌজা থেকে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার অ্যাডভোকেট মকবুল আহমেদ, কালু মেম্বার ও আবদুর রহিম প্রভাব খাটিয়ে প্রশাসনের অনুমোদন ছাড়াই পাহাড় এবং ঝিড়ি ঝর্ণা খোদাই করে নির্বিচারে পাথর উত্তোলন করে যাচ্ছে। প্রতিদিন নিয়ম-নীতি না মেনে পাথর উত্তোলনের কারণে স্থানীয়দের পানির উৎস স্থল ঝিড়ি-ঝর্নাগুলোর পানি শুকিয়ে যাচ্ছে। পানি শুকিয়ে গেলে ঐ এলাকায় বসবাস করা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে ম্রো সম্প্রদায়ের।

মানববন্ধন কর্মসূচী শেষে পাথর উত্তোলন বন্ধের দাবিতে জেলা প্রশাসক দীলিপ কুমার বণিকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি দিয়েছেন টংকাবতী ইউনিয়নের বাসিন্দাররা।

রামুতে দুই শিশু হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

pic-hafiz-gar

নিজস্ব প্রতিনিধি:

রামুর গর্জনিয়ার বড়বিল গ্রামের কোমলমতি দুই শিশু সহোদরের হত্যাকারী এবং চিহ্নিত অপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে গর্জনিয়ার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। রোববার সকাল ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ঐতিহাসিক শাহ সূজা সড়কের আমির মোহাম্মদ চৌধুরী বাচ্চু চত্তরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় বক্তারা বলেন, শিশু হত্যাকারিরা দেশ ও জাতির শত্রু। তারা মানুষরুপি জানোয়ার। তাদেরকে দ্রুত সময়ের মধ্যে ফাঁসির দড়িতে ঝুলাতে হবে। পাশাপাশি সমস্ত শিশুদের নিরাপত্তার স্বার্থে বাকি সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে এদের গড়ফাদার ও র্সোসদেরকে চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

মানববন্ধন ও সমাবেশের উদ্যোক্তা সাংবাদিক হাফিজুল ইসলাম চৌধুরীর সঞ্চালনায় আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তৈয়ব উল্লাহ চৌধুরী, সাবেক চেয়ারম্যান ছুরুত আলম চৌধুরী, আওয়ামী লীগনেতা হাবিব উল্লাহ চৌধুরী, সামাজসেবক আলহাজ্ব ইদ্রিস সিকদার, হাজী ইউনুছ মাতবর, গর্জনিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক কায়সার জাহান চৌধুরী, হেড মৌলভি আবু মুছা কুতুবি ও সাংবাদিক মাঈনুদ্দিন খালেদ। সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য রাখেন গর্জনিয়া উচ্চবিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী পরিষদের সভাপতি মুহিবুল্লাহ চৌধুরী জিল্লু।

এ সময় পোয়াংগেরখিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজুল হক হেলালি, গর্জনিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক আহমদ শাহ বাবুল, সুকুমার বড়–য়া, অসিত পাল, সামাজিক উদ্যোক্তা শাহারীয়ার ওয়াহেদ, উপজেলা যুবলীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আবছার কামাল, কচ্ছপিয়ার যুবনেতা রেজাউল করিম টিপু, ছাত্রনেতা তৌহিদুল ইসলাম, গর্জনিয়া বিদ্যাপীঠের পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন, কোডেকের এলএফ নাজিম উদ্দিন, মরিয়ম বেগম, গর্জনিয়া যুবলীগের সভাপতি হাফেজ আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক বেলাল উদ্দিন সাহেদ, যুবলীগনেতা লোকমান হাকিম, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সাইফুল ইসলাম সিকদার, সরওয়ার কামাল, ছাত্রনেতা মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ, যুবনেতা জসিম উদ্দিন হেলালি প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজিত এ মানববন্ধনে গর্জনিয়া উচ্চবিদ্যালয়, পোয়াংগেরখিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গর্জনিয়া বিদ্যাপীঠ, কচ্ছপিয়া আইডিয়াল স্কুল এবং গর্জনিয়া ইউনিয়নের ২০টি শিখন স্কুলসহ প্রায় দেড় হাজার শিক্ষার্থী বিভিন্ন স্লোগানের ব্যানার এবং প্লেকার্ড নিয়ে অংশ নেন।

সমাবেশে বক্তব্য শেষে সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত মোহাম্মদ হাসান শাকিল ও মোহাম্মদ হোছাইন কাজলের আত্মার-মাগফেরাত কামনা করে অনুষ্ঠিত বিশেষ মোনাজাতে সকলেই অংশ নেন।

রামুতে ২ শিশুর খুনিদের ফাঁসির দাবিতে বাইশারীতে মানববন্ধন

77777

বাইশারী (নাইক্ষ্যংছড়ি) প্রতিনিধি:

রামু উপজেলার গর্জনীয়া বড়বিল এলাকায় সন্ত্রাসী কর্তৃক ছাত্র হত্যার প্রতিবাদে বুধবার বাইশারীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, সামাজিক সংগঠন, ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে সকাল ১২টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। মানববন্ধন শেষে এক বিশাল র‌্যালি বের হয়ে বাইশারীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাইশারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে শিক্ষার্থীরা খুনিদের ফাঁসির দাবি জানান।

সমাবেশে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু শাফায়াত মোহাম্মদ শাহেদুল ইসলাম বিষয়টি সরকারের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট জানানোর আশ্বস্থ করেন। এ সময় বাইশারী ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল হক, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. আলম, বাইশারী বাজার সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বাহাদুর, সেক্রেটারী শহিদুল হক, বাইশারী উচ্চ বিদ্যালয় সভাপতি মো. শাহাব উদ্দিন, শাহ্ নুরুদ্দীন দাখিল মাদরাসা সভাপতি আব্দুর রশিদ, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণসহ গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ১৭ জানুয়ারি রবিবার রামু উপজেলার গর্জনীয়া বড়বিল এলাকায় দুই সহোদর বাড়ীর পার্শ্বে অন্যান্য শিশুদের সাথে খেলা করছিল। ঐ সময় পার্শ্ববর্তী বাড়ীর আব্দুর শুক্কুর ডাকাতের ছেলে জাহাঙ্গীর ডাকাত তাদের জঙ্গলে পাখির বাচ্চা ধরার কথা বলে অপহরণ করে নিয়ে যায়। সন্ধ্যা ৭টায় মা ছেনোয়ারা সন্তানদের বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুজি করার এক পর্যায়ে মামা আব্দুল আলিম সওদাগরের মোবাইলে মেসেজের মাধ্যমে ৪ টাকা মুক্তিপন দাবি করে অপহরণ কারীরা। অন্যথায় তাদের হত্যা করার হুমকি দেয়া হয়।

ঘটনাটি পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জকে জানালে জনতা ও বাইশারী পুলিশের সাহায্যে অভিযানে নেমে ঐ দিন রাতে ৪ ডাকাতকে আটকের ৩ দিন পর ডাকাতের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে দুই সহোদরকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। রাত ১টার দিকে পুলিশ সুরতহাল শেষে লাশ ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

উক্ত ঘটনায় বিক্ষুদ্ধজনতা ডাকাতদের বাড়ীঘর ভাংচুর, অগ্নিসংযোগসহ ফাঁসির দাবিতে মিছিল সমাবেশ করেছে। বর্তমানে পুরো এলাকা থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

পাহাড়ী ভাতা ৩০ শতাংশ করার দাবিতে বান্দরবানে মানববন্ধন

Bandarban pic-12.1

স্টাফ রিপোর্টার:

পাহাড়ী ভাতা ৩০ শতাংশ করার দাবিতে বান্দরবানে সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে। মঙ্গলবার দুপুরে বান্দরবান প্রেসক্লাবের সামনে কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্বারকলিপি দিয়েছেন কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের নেতৃবৃন্দ।

জেলা কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের সভাপতি আবদুল মোতালেবের সভাপতিত্বে কর্মসূচিতে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক আমজাদ হোসেন, চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী পরিষদের সভাপতি আবু জাফর, সিনিয়র সাধারণ সম্পাদক এমরান হোসেনসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।

সমন্বয় পরিষদের সভাপতি আবদুল মোতালেব বলেন, সরকারি কর্মচারীদের বেতন ভাতা বাড়িয়েছে সরকার। কিন্তু পার্বত্যাঞ্চলে কর্মরত সরকারি-স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মচারীদের পাহাড়ী ভাতা ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়েছে। ২০ শতাংশ হারে নিম্ন বেতনভুক্ত কর্মচারীরা কখনো ৫ হাজার টাকাও পাবেন না। আগে পাহাড়ী ভাতা জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সমান ভাবে পেত। বর্তমানে পাহাড়ী ভাতা জেলার কর্মচারীদের তুলনায় উপজেলা কর্মচারীদের বেশি দেয়া হচ্ছে। বৈষম্য দুরিকরণে পাহাড়ী ভাতা ৩০ শতাংশ হারে সর্বনিম্ন ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে মানববন্ধন কর্মসূচির পর কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের নেতৃবৃন্দরা মিছিল সহকারে গিয়ে জেলা প্রশাসক মিজানুল হক চৌধুরীর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাহাড়ী ভাতার দাবির স্মারকলিপি দিয়েছেন।