টেকনাফে বন্দুকযুদ্ধে শীর্ষ মাদক কারবারী নিহত

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

টেকনাফে বন্দুকযুদ্ধে শীর্ষ এক মাদক কারবারী নিহত হয়েছে। নিহতের নাম মো.শামশুল প্রকাশ বার্মায়া শামশু।

সোমবার(২১ জানুয়ারি)ভোরে টেকনাফ হ্নীলা ইউয়নের দমদমিয়া এলাকায় তাকে নিয়ে ইয়াবা উদ্ধারের জন্য গেলে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

২১ জানুয়ারি সকালে এ তথ্য জানিয়েছেন টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাস।

শামশুল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত শীর্ষ ইয়াবা মাদক কারবারী এবং তাঁর বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্রসহ ১০টি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। শামশু  হ্নীলা পূর্ব সিকদার পাড়া এলাকার মো.হোসেনর ছেলে। তার পূর্ব পুরুষ মিয়ানমারে।

পুলিশের ভাষ্যমতে, রবিবার শামশুকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তাঁর কাছে ইয়াবা মজুদ আছে। পরে রাতে তাকে নিয়ে পুলিশের  একটি টিম টেকনাফের দমদমিয়া চেকপোস্ট সংলঘ্ন কাছাকাছি এলাকায় ইয়াবা উদ্ধারে গেলে শামশুর দলের লোকজন পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায়। এসময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশও ৪০ রাউন্ড গুলি চালায়। পরে তারা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় শামশুকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে।  এরা হলেন, এসআই রাসেল, এএসআই মো. ফয়েজ ও মো. আমির। তাদের হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি জানান, ইয়াবা অভিযানে গোলাগুলিতে এক শীর্ষ ইয়াবা কারবারী নিহত হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ২০ হাজার ইয়াবা, ২টি দেশীয় তৈরী বন্দুক ও ১২ রাউন্ড গুলি এবং গুলির খালি খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ কক্সবাজার মর্গে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

টেকনাফে বন্দুকযুদ্ধে তালিকাভুক্ত মাদক কারবারী নিহত

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

টেকনাফে বিজিবির মাদক বিরোধী অভিযানে বন্দুক যুদ্ধের ঘটনায় আহত মাদক ব্যবসায়ী মুছু(৩৫) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। এ অভিযানে ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধার করেছে বিজিবি।

টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আছাদুদ-জামান চৌধুরী জানান, রবিবার (২০ জানুয়ারি) ভোররাত ২টায় টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নে কর্মরত নায়েক হাবিল উদ্দিনের নেতৃত্বে বিজিবি-পুলিশের পৃথক দু’টি টহল দল ইয়াবাসহ আটক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভূক্ত মাদক ব্যবসায়ী পৌর এলাকার উত্তর জালিয়া পাড়ার মৃত জাকির হোসেনের পুত্র মোস্তাক আহমদ মুছুকে নিয়ে তাঁর আস্তানায় অভিযানে গেলে তাঁর গ্রুপের লোকজন পুলিশ-বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। এতে বিজিবির সদস্য সিপাহী আব্দুল আউয়াল (২৪), ল্যান্সনায়েক আব্দুল আলিম (২৮) ও পুলিশ সদস্য আল আমিন (২১) আহত হলে পুলিশ-বিজিবি পাল্টা গুলিবর্ষণ করে।

কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি শান্ত হলে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মুছুসহ ১০ হাজার ইয়াবা, ১টি আগ্নেয়াস্ত্র ও খোসা উদ্ধার করে। মুছুকে টেকনাফ উপজেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করেন। পরে তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক, এই মাদক বিরোধী অভিযান ও বন্দুকযুদ্ধ এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাদক ব্যবসায়ীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

টেকনাফে পুলিশের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

টেকনাফে পুলিশের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুইজন নিহত হয়েছে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি দেশীয় বন্দুক ও ২২ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার(১০ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ২টায় টেকনাফের সাবরাং খুরের মুখ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, সাবরাং কচুবনিয়ার এলাকার মৃত এনাম শরীফের পুত্র আবদুর রশিদ প্রকাশ ধলাইয়া (৪৭) ও কাটাবনিয়ার আবদুর রহমানের পুত্র আবুল কালাম (৩৫)। নিহত দুজনই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ী বলে পুলিশের দাবি।

পুলিশ বলছে, বন্দুকযুদ্ধে দুই ইয়াবা ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এসময় টেকনাফ থানার এসআই বোরহান উদ্দীন, এএসআই ফরহাদ ও কনস্টেবল হৃদয় আহত হয়েছেন। তাদেরকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ জানান, নিহত দু’জন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ী। নিহত আবুল কালামের বিরুদ্ধে মাদক ও মানবপাচারসহ ১০টি এবং আবদুর রশিদের বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা রয়েছে। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

টেকনাফের শুক্কুর স্যার আর নেই

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার:

টেকনাফর প্রবীণ শিক্ষাবিদ মাস্টার আব্দুশ শুক্কুর আর নেই।

বুধবার(৯ জানুয়ারি) সকালে তিনি টেকনাফের নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি……..রাজিউন)।

আজ বাদ এশা টেকনাফ বাজার সংলগ্ন ঈদগাহ ময়দানে মরহুমের নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হবে।

মরহুম মাস্টার আবদুশ শুক্কুর টেকনাফ উচ্চবিদ্যালয় ও উখিয়া উচ্চবিদ্যালয়সহ নামকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি ছোট বড় সকলের কাছে শুক্কুর স্যার বলে পরিচিত। অত্যন্ত বিনয়ী ও মিষ্টভাষী ছিলেন শুক্কুর স্যার।

চট্টগ্রাম মেডিকেলের প্রখ্যাত শিশু চিকিৎসক প্রফেসর ডাক্তার রেজাউল করিম মরহুমের বড় ছেলে।

অপর ছেলে সোহাগ ও রাসেল। তাঁরা এলাকায় থাকেন।

টেকনাফে র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ২ মাদক ব্যবসায়ী নিহত

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার:

টেকনাফে র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে  ২ মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। সোমবার (৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ৩টার দিকে দমদমিয়া চেকপোস্টের সামনে র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

এতে দুইজনের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তারা মাদক কারবারী বলে জানিয়েছে র‌্যাব। ঘটনাস্থল থেকে ৪০হাজার পিস ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহতরা বাগের হাট চিতলমারী উপজেলার বড় বাড়িয়া গ্রামের মো. ইব্রাহীম শেখের ছেলে সাব্বির হোসেন (২৫) ও ঢাকা সাভার উপজেলার নগর কুন্ডা গ্রামের আবদুল মতিনের ছেলে হাফিজুর রহমান(৩৫)।

সংবাদটি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ র‌্যাব কোম্পানি কমান্ডার এএসপি শাহ আলম।তিনি জানান, টেকনাফ দমদমিয়া চেকপোস্টে একটি কাভার্ড ভ্যানকে তল্লাশীর জন্য গতিরোধ করার চেষ্টা করা হলে গাড়ির ভিতর থেকে র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে মাদক কারবারীরা। র‌্যাবও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছুঁড়ে। পরে ঘটনাস্থল থেকে দুইজন মাদক কারবারীর গুলিবিদ্ধ লাশ, ৪০ হাজার পিস ইয়াবা, একটি বিদেশি পিস্তল একটি ওয়ান সুটারগান ও ১১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

মাদক পাচারে ব্যবহৃত কাভার্ড ভ্যানটিও জব্দ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

ভয়াবহ ভাঙ্গনে হারিয়ে যাচ্ছে প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন

Untitled-2 copy

টেকনাফ প্রতিনিধি:

প্রায় দুইশ বছর আগে থেকে বসতি শুরু হয় দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্টমাটিনে। এর পর থেকে বিভিন্ন সময়ে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছাসসহ ভয়াবহ নানা প্রাকৃতিক দূর্যোগ টেকনাফ উপকুলে আঘাত হানলেও কখনো মনোবল ভাঙ্গেনি সেন্টমার্টিন-দ্বীপবাসীর।

কিন্তু সম্প্রতি এ দ্বীপে দু‘টি জলোচ্ছাসে আঘাত হানে এবং দ্বীপের চারপাশে ভয়াবহ ভাঙ্গনের সৃষ্টি হওয়ায় নতুন করে ভাবনায় পড়েছে দ্বীপের প্রায় নয় হাজার বাসিন্দা। ভাঙ্গনের কবলে পড়ে ৮.৩ বর্গ কিলোমিটারের দ্বীপটি দিন দিন ছোট হয়ে আসায় দেশের মানচিত্র থেকে দ্বীপটি হারিয়ে যাবে এমন আশংকায় উদ্বিগ্ন দ্বীপবাসী।

এ দ্বীপের পরিবেশ, পর্যটন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবীতে রবিবার দুপুরে টেকনাফ পৌরসভার একটি আবাসিক হোটেলের হলরুমে সেন্টমার্টিন ইউপি চেয়ারম্যান নুর আহমদ  এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। সেন্টমার্টিনদ্বীপ ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার আলহাজ্ব আমির হোসেন ও ব্যবসায়ী হাফেজ উল্লাহ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

এসময় সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ইউপি চেয়ারম্যান নুর আহমদ বলেন, এ দ্বীপে মানুষের  বসবাস শুরু হয় প্রায় দুইশ বছর আগে। দ্বীপে বসতি শুরুর পর এভাবে কোনো দিন এখানে পানি ওঠেনি । এ রকম ভয়াবহ ভাঙ্গনও কোন সময় দেখা যায়নি । জোয়ারের পানি আর সমুদ্রের ঢেউয়ের কারণে দ্বীপে চার পাশেই ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়েছে। বেশী ভেঙ্গেছে উত্তর-পশ্চিম অংশে।

এদিকে বিস্তৃর্ণ  কেয়াবন সাগরে বিলীন হয়ে গেছে। দ্বীপের একমাত্র কবরস্থানটির প্রায় দেড়শ ফুটেরও বেশী সাগরে তলিয়ে গেছে। মাটি সরে যাওয়ায় স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িসহ আশপাশের কয়েকটি সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম হয়েছে। ভাঙ্গনের কবলে পড়ে কবর থেকে বেরিয়ে আসে মানুষের কংকালও।

এছাড়া সরকারী-বেসরকারীভাবে স্থাপনা নির্মিত হলেও নির্মিত হয়নি টেকসই বেড়িবাঁধ। পর্যটন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র রক্ষায় সরকারের গৃহিত উন্নয়ন পরিকল্পনা ধরে রাখতে মজবুত ও টেকসই বেড়িবাঁধ নিমার্ণের দাবী করেন।

উপস্থিত সংবাদকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে চেয়ারম্যান নুর আহমদ আরও বলেন ‘দ্বীপের চতুর্দিকে বেড়িবাঁধ না থাকায় প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে ভাঙ্গণের কবলে পড়ে বহু বসতবাড়ি ও সরকারী-বেসরকারী অবকাঠামো সাগরে বিলীন হয়ে যায়। ভাঙ্গণ রোধে ক্ষতিগ্রস্থরা ব্যক্তি উদ্যোগে বেড়িবাঁধ  নির্মাণ করতে চাইলে প্রশাসন বাধা প্রদান করে। আমি সেন্টমার্টিনদ্বীপের চতুর্দিকে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি কামনা করছি’।

স্থানীয়রা জানান, ১৯৯১সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়, ৯৪’র জলোচ্ছাসসহ কোনো প্রাকৃতিক দূর্যোগের সময় এ দ্বীপে পানি ওঠেনি । ভাঙ্গনের সমস্যাও তেমন একটা ছিলনা। কিন্তু দ্বীপে বসতি শুরুর দীর্ঘ দুইশ বছর পর, ২০১৬সালে পূর্ণিমার জোয়ারে হঠাৎ সেন্টমার্টিনে জলোচ্ছাসের সৃষ্টি হয়। দ্বীপের চতুর্দিকে ভাঙন শুরু হয়। ভাঙ্গনের কবলে পড়ে দ্বীপের চারপাশে বিশাল অংশ পানিতে তলিয়ে যায়।

ভাঙ্গন কবল থেকে রক্ষা পায়নি দ্বীপের আটটি বসতঘরসহ প্রায় ২১টি স্থাপনা পানিতে ধ্বসে যায়। ভাঙ্গনের কবলে পড়ে দ্বীপের উত্তর ও পশ্চিম অংশে অবস্থিত একমাত্র কবরস্থানটির ১৫০ ফুটেরও বেশী সমুদ্র গর্ভে তলিয়ে গেছে।  ফলে শংকিত হয়ে পড়ে দ্বীপের বাসিন্দারা।

জানা গেছে,বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) অনুযায়ী, ১৯৯৯ সালে সেন্ট মার্টিনকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

এমপি আবদুর রহমান বদি’র নামে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন উদ্বোধন

TEKNAF PIC 27-8-16 (8) copy

টেকনাফ প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের টেকনাফ সদর ইউনিয়নের কচুবনিয়ায় ‘এমপি বদি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়’র ভবন উদ্ধোধন  করা হয়েছে। শনিবার বিকালে কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি এ বিদ্যালয়টি শুভ উদ্বোধন করেন। পরে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে এসএমসি’র কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সুধী জনদের সাথে কথা বলেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি জহির হোসেন এমএ, উপজেলা প্রকৌশলী আবছার উদ্দীন, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক, ইউপি সদস্য খালেদা বেগম, আবদুস সালাম, আবদুর রহিম, ঠিকাদার নুর হোসেন, স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

উল্লেখ্য, বিদ্যালয়টি ২০১৭ সালের আনুষ্ঠানিকভাবে ক্লাস শুরু হবে এবং প্রায় ৫৩ লাখ ব্যয়ে এ ভবনটি নির্মাণ করা হয়।

টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া যাওয়ার চেষ্টাকালে টেকনাফে ২৮ যাত্রী আটক

আটক4

টেকনাফ প্রতিনিধি:

সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া যাওয়ার চেষ্টাকালে কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে শনিবার রাত সাড়ে ১১ টায় ২৮ব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বিজিবি সূত্র জানায়, গতকাল রাতে উপজেলার লেদা চৌকির নায়েক সুবেদার আতাউর রহমান ও সাবরাং চৌকির হাবিলদার অবনি কুমার বিশ্বাসের নেতৃত্বে টেকনাফগামী একটি যাত্রীবাহি বাস ও অটোরিকসায় তল্লাশি চালিয়ে ২৮জন ব্যক্তিকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের বাড়ি নোয়াখালী, যশোর, সাতক্ষীরা, সিরাজগঞ্জ, শরীয়তপুর, শেরপুর, নরসিংদী, সিরাজগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

আটক ব্যক্তিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে দালালরা তাদের টেকনাফে আনা হচ্ছিল বলে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।

আটক ব্যক্তিরা জানান, টেকনাফের নোয়াপাড়া রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির কর্মী আব্দুল হাফেজ ও মাহমুদুল হাসান নামে দুই ব্যক্তি আমাদের সমুদ্রপথে জাহাজে করে মালয়েশিয়া পাঠানোর কথা বলে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রথমে কক্সবাজার নিয়ে এসে জেলা ভিত্তিক দল করে কয়েকটি হোটেলে রাখে। সেখান থেকে শনিবার রাতে সাবরাং উপকূলের ঘাট দিয়ে জাহাজে তুলে দেওয়ার কথা বলে টেকনাফে আনার পথে বিজিবির হাতে ধরা পড়ি।

৪২ বিজিবি টেকনাফ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. আবুজার আল জাহিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আটক ২৮জন ব্যক্তিকে থানা পুলিশে সোর্পদ করা হয়েছে।

টেকনাফে নিয়ন্ত্রণহীন রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পগুলো : বিপাকে স্থানীয়রা

রোহিঙ্গা ক্যাম্প
মুহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান, টেকনাফ :

নিয়ন্ত্রহীন হয়ে পড়েছে সীমান্ত উপজেলা টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো। রোহিঙ্গাদের অবাধ বিচরণে বিপাকে পড়েছে স্থানীয়রা। উখিয়া-টেকনাফে যে সমস্ত মিয়ানমারের নাগরিক রোহিঙ্গা বসবাস করছে তাদের সম্প্রতি সময়ের কার্যকলাপে এই ধারণা করছেন বিশ্লেষক মহল।

 

সরকার বিরোধী সহিংসতায় অর্থের বিনিময়ে ক্যাম্প গুলোর রোহিঙ্গারা অংশ নিতে পারে বলেও মনে করে তারা। বোদ্ধাদের রোহিঙ্গাদের প্রতি সন্দেহের তীর ছুঁড়ার কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে শরর্ণার্থীরা ক্যাম্পের ভেতরে বাইরে অবাধ বিচরণ করার মতো সুযোগ থাকার কারণে। উখিয়া টেকনাফ রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো অনেকটা অপ্রতিরুদ্ধ। ক্যাম্পের থেকে যখন ইচ্ছে বের হতে পারে বাংলাদেশে আশ্রিত এসব ভিনদেশী নাগরিক। আর এ কারণে যেকোন কাজে ক্যাম্পের রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করা যাচ্ছে অর্থের বিনিময়ে।

এমতাবস্থায় দেশের চলমান অস্থিরতায় রোহিঙ্গাদের যে কোন সহিংসতামুলক কর্মকাণ্ডে অল্প পারিশ্রমিকে সন্তুষ্ট রোহিঙ্গাদের ব্যবহার হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

একাধিক সূত্র মতে, ২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের রামু এবং ৩০ সেপ্টেম্বর উখিয়াসহ জেলার বৌদ্ধ মন্দিরে হামলায় রোহিঙ্গাদের সম্পৃক্ততার রয়েছে মর্মে খবর বেরিয়েছে বিভিন্ন মাধ্যমে। এছাড়াও ১৫ ফ্রেব্রুয়ারী কক্সবাজার শহরে জামায়াত শিবিরের সহিংসতায় তিন জনের মৃত্যু হয় পুলিশ- জামায়াত সংঘর্ষে। আর এ ঘটনায় পুলিশ ৬ জন রোহিঙ্গাকে আটক করে। এ সহিংসতায় অংশগ্রহনের অভিযোগে এসব রোহিঙ্গাদের আটক করে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী।

এছাড়া বিভিন্ন সয়ম টেকনাফের লেদা, নয়াপড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে বেশ কয়েকবার পরিত্যক্ত অস্ত্র উদ্ধার করতে সক্ষম হয় বিজিবি পুলিশ। এছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প গলোতে খুন খারাবির ঘটনাও ঘটে অনেক সময়। তবুও থেমে তারা এখনো অপারাধ করে আসছে ভয়ঙ্কর রোহিঙ্গারা।

স্থানীয়রা বলছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো নিয়ন্ত্রণে না থাকার কারণে যেনতেন ভাবে রোহিঙ্গারা নিজেদের পরিচালিত করছেন। ক্যাম্পের চারদিকে দীর্ঘদিন সীমানা প্রাচীর না থাকার কারণে তারা অপরাধমুলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়তে পারছে যখন তখন।

জানা যায়, উপজেলায় অবস্থিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর থেকে দিন দিন নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে প্রশাসন। মানবিক বিপর্যস্তের অজুহাতে টেকনাফে অবস্থিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে আশ্রিত বার্মাইয়ারা এখন প্রতিদিন অপরাধ জগতে ঢুকে পড়ছে।

এর কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের ক্যাম্প থেকে স্থানীয় লোকালয়ে অবাধ বিচরণের স্বাধীনতা দেয়া। বলা হচ্ছে পুরোপুরি অরক্ষিত হয়ে আছে দীর্ঘদিন থেকে টেকনাফ শরণার্থী শিবিরগুলো। মিয়ানমার থেকে নানা কারণে বিতাড়িত এসব রোহিঙ্গারা অস্থায়ীভাবে বাংলাদেশে বসবাসের জায়গা হিসেবে ক্যাম্প স্থাপন করে নিয়ম বেঁধে দেয়া হলেও সেখানে যা ইচ্ছে তাই করছে এসব ভিনদেশীরা। আশ্রিত হিসেবে তাদের জীবনযাত্রায় সীমাবদ্ধতার কোন কিছুই মানছেনা রোহিঙ্গারা।

অভিযোগ আছে রোহিঙ্গারা ক্যাম্পে বিভিন্ন এনজিও সংস্থার প্রত্যক্ষ মদদে নানা অপরাধ কর্মকান্ডের প্রাক্টিস করে থাকে। এছাড়া অস্ত্র বানানো, মার্শাল আর্টসহ বিভিন্ন অপকর্মের পশরা বসায় তারা সেখানে। সব চেয়ে মারাত্বক ও ঝূঁকিপূর্ণতা হচ্ছে রোহিঙ্গারা ক্যাম্প থেকে যে কোন সময় আসা যাওয়া করতে পারে। এভাবে যখন তখন যেখানে সেখানে আসা যাওয়ার ফলে তারা ইচ্ছামত সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে এবং পুনর্বাসিত হচ্ছে।

তাছাড়া সেখানে সন্দেহভাজন অপরচিত মানুষের আনা গোনা চলে প্রতিদিন। দীর্ঘদিন থেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গাইড ওয়াল বা কাঁটা তাঁরের বেড়া না থাকার কারণে তাদের এই অবাধ বিচরণ বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্লেষকরা। রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো অরক্ষিত এমনকি প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারী না থাকার কারণে এখানে নানা ঘটনার সূত্রপাত ঘটছে। শুধু তাই নয় রোহিঙ্গারা ব্যবহার হচ্ছে রাজনীতিতে।

নয়াপাড়া শরণার্থী শিবিরের ক্যাম্প ইনচার্জ জালাল উদ্দিন এ প্রতিবেদককে জানান, কোন রোহিঙ্গা যদি কোথাও জরুরী কাজে যেতে চায় তবে তাকে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে যেতে হয়। কিন্তু ক্যাম্পের চারিদিকে কোন গাইড ওয়াল বা কাটাতাঁরের বেড়া না থাকায় কর্তৃপক্ষকে ফাঁকি দেয়ার সুযোগ পাচ্ছে।

টেকনাফের নায়াপাড়া, মোছনি, লেদা পৃথক ৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্প রয়েছে। যেখানে প্রায় লক্ষাধিক মিয়ানমারের নাগরিক রোহিঙ্গারা বসবাস করছে। মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত হয়ে আসায় মানবিক কারণে তাদের বাংলাদেশ সরকার আশ্রয় দেয় ওই সব ক্যাম্পে। পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের নানাভাবে সেবা দিয়ে আসছে বিভিন্ন এনজিও সংস্থা। এরপরও আরো বেশি সুযোগ সুবিধার জন্য রোহিঙ্গারা বাইরে বের হয়ে নানা অপরাধমুলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ছে টাকার বিনিময়।

তড়িতভাবে টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্প গুলো প্রশাসনের কঠোর নজরদারীতার মধ্যে নিয়ে আসার পরামর্শ দিয়েছেন এখানকার সচেতন মানুষেরা।

প্রবল বর্ষণে টেকনাফ পৌরসভার ছড়ার উপর নির্মিত ক্রস বাঁধ ভেঙ্গে শতাধিক বসতবাড়ী বিধ্বস্ত

Teknaf Pic (Baad) 21-06-14(4)

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি॥

প্রবল বর্ষণে পাহাড়ী ঢলে টেকনাফ পৌরসভার পুরাতন পল্লান পাড়ায় প্রাকৃতিক পাহাড়ী ছড়ার উপর নির্মিত বাঁধটি ভেঙ্গে শতাধিক বসত বাড়ী বিধ্বস্ত হয়েছে। ৪ টি পাহাড়ের মোহনায় অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত এ বাঁধটি পানির ঢলে ভেঙ্গেছে বলে অভিজ্ঞমহলের অভিমত।

জানা যায়, ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে টেকনাফ পৌর এলাকার পুরাতন পল্লান পাড়া এলাকায় পাহাড়ী ছড়ায় এ বাঁধটি নির্মাণ করা হয়। ৩ দিন থেমে থেমে প্রবল বর্ষণের ফলে ২১ জুন শনিবার সকাল ১০ টার দিকে পাহাড়ের পানির ঢলের চাপে অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত বাঁধটি ভেঙ্গে শতাধিক বাড়ী-ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। পানির তোড়ে নুর কবির, ইমাম হোছন, বাচা মিয়া, ছালেহ আহমদ, সোলতান আহমদ, মুন্নি আক্তার মকবুল আহমদের বাড়ীসহ শতাধিক বাড়ী বিধ্বস্ত হয়।

এদিকে টেকনাফ পৌরসভার পানির সংকট ও সমস্যা নিরসনকল্পে পাহাড়ী ছড়া এবং বৃষ্টির পানি ধরে রাখার উদ্দেশ্যে উপজেলা প্রশাসন এবং পৌরসভার যৌথ উদ্যোগে ১ নং ও ২ নং ওয়ার্ডের মধ্যবর্তী বন বিভাগের সংরক্ষিত এলাকায় পাহাড়ী ছড়াটির উপর বাঁধ নির্মাণের স্থান নির্বাচিত করা হয়। এর প্রেক্ষিতে কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবি) এর তত্বাবধানে ২০১২-১৩ ও ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে জলবায়ু পরিবর্তনের সিডিএমসি’র অর্থায়নে এসএস ইঞ্জিনিয়ারিং কন্সট্রাশন, ঢাকা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কণক নামক ঠিকাদার প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে। বাঁধটি ৪০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৭ মিটার উচ্চতা এবং নীচে প্রস্থ ৫০ মিটার, উপরে প্রস্থ ৩ মিটার।

অপরদিকে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের আগে পরীক্ষা নিরীক্ষা ছাড়া এবং অপরিকল্পিত মনগড়া প্রাকৃতিক ছড়ার উপর পানি সংরক্ষনের নামে বাঁধটি নির্মাণ করায় প্রবল বর্ষণে পাহাড়ীর ঢলের ফলে বাঁধটি রক্ষা পায়নি। অভিজ্ঞমহলের মতে বিপুল অর্থ অপচয় ঘটে। এলাকাবাসী জানায়, কাজ চলাকালে একাধিকবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ কাজ বন্ধ করে দিয়েছিল। অনিয়মের কারণে এ প্রকল্পটি নামে মাত্র কাজ দেখিয়ে বাকী টাকা আত্মসাৎ করে ঠিকাদার ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা। যার জন্য টেকনাফ পৌরবাসীকে এ মাসুল দিতে হচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক বন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রাকৃতিক ছড়া দখল করে কেউ বাঁধ নির্মাণ আইনের পরিপন্থি। সচেতন মহলের মতে আগে ঠেকসই এবং আরও অর্থ বরাদ্দ দেয়ার প্রয়োজন। এ স্বল্প অর্থ দিয়ে এ বাঁধ নির্মান করা মানে একটি মরণ ফাঁদ। এব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে পানি উন্নয়ন বোর্ড, টেকনাফ অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী (এসও) গিয়াস উদ্দিন বলেন, ২ দফায় ৪৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এ ক্রস ডেমটি সিএমসির অর্থায়নের ৫ মে কাজ শেষ হয়েছে।

টেকনাফ পৌর মেয়র হাজী মোঃ ইসলাম বলেন, বাঁধটি নির্মাণে আরও বেশী অর্থ বরাদ্দ দেয়ার দরকার ছিল। যে ডিজাইনে বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে তা ঠেকসহ না হওয়ার বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে আগেই আলোচনা করা হইয়াছে।

এ প্রসংগে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের এস ও গিয়াস উদ্দিন বলেন, ডিজাইন অনুসারে ঠিকাদার কাজ সমাপ্ত করেছে। তবে তিনিও টেকসই ক্রস বাঁধ নির্মানে আরও বেশী বরাদ্দ দেয়া দরকার ছিল বলে দাবী করেন।