টেকনাফে ৪৯ কোটি ৬৯ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে বিজিবি

teknaf pic  (bgb) 11-2-16 (2)

টেকনাফ প্রতিনিধি:

টেকনাফস্থ ২ বিজিবির বিভিন্ন অভিযানে জব্দকৃত বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংসকরণ অনুষ্ঠানে কক্সবাজাস্থ সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল এম এম আনিসুর রহমান বলেন, সীমান্তের মাদকদ্রব্য পাচারে এলাকার জনসাধারণের সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে, অন্যথায় মাদক প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে না। মাদকদ্রব্যের কুফল সম্পর্কে তুলে ধরতে সকলের প্রতি আহবান জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে টেকনাফস্থ ২ বিজিবির সদর দপ্তর প্রাঙ্গণে মাদকদ্রব্য ধ্বংসকরণ কার্যক্রমে তিনি এসব বলেন।

এ সময় ২৬ আগস্ট’১৫ থেকে জানুয়ারি ১৬ সনের বিভিন্ন বিওপি কর্তৃক আটককৃত ৪৯ কোটি ৬৮ লাখ ৯৪ হাজার টাকা মূল্যের ১৬ লাখ ১০ হাজার ৭’শ ৫৭ পিস ইয়াবা, ১৭ হাজার ৩’শ ৫৭ ক্যান আন্দামান গোল্ড বিয়ার, ৬’শ ৭১ ক্যান ডায়াব্লো বিয়ার ১২%, ২৭ ক্যান চেঞ্চ বিয়ার, ২ হাজার ৪’শ ৪ পিস কান্ট্রি ড্রাইজিন মদ, ২ হাজার ২’শ ৭৯ পিস ম্যান্ডেলা রাম মদ, ৪’শ ২৯ পিস গ্লান মাস্টার মদ, ৩’শ ৬৪ বোতল নন্দ মদ, ৪৮ বোতল হাইক্লাস মদ, ৩৬ মিয়ানমার মদ, ৩৬ বোতল ইয়াংগন মদ, ৩২ বোতল জামাইকা রাম মদ, ২১ বোতল লন্ডন রাম মদ, ১৬ বোতল জান্স ঈগল মদ, ১৬ বোতল গ্রীন রয়েল হুইকি মদ, ১৫ বোতল হিরো হুইসকি মদ, ১৩ বোতল কুইন হুইকি মদ, ১১ বোতল গ্লান রয়েল মদ, ৯ বোতল ডিং ডস মদ, ৪ বোতল ভিআইপি মদ, ৪ বোতল রেড লেবেল মদ, ২ বোতল সুপার এমপাইরাম রাম মদ, ১ বোতল হাই কমিশনার মদ, ১হাজার ৩’শ ৩০ লিটার চোলাই মদ, ৭৬ বোতল ফেন্সিডিল ও সাড়ে ৩২ কেজি গাঁজা ধ্বংস করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আবুজার আল জাহিদ, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাহিদ ইকবাল, উপ-অধিনায়ক আবু রাসেল ছিদ্দিকী, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের টেকনাফ পরিদর্শক তপন কান্তি শর্ম্মা, শুল্ক বিভাগের পরিদর্শক সৈয়দ গোলাম রব্বানী, টেকনাফ মডেল থানার এসআই সুবীর পালসহ বিভিন্ন গণমাধ্যামকর্মী।

টেকনাফে নারীসহ মানবপাচার মামলার ২ পলাতক আসামি গ্রেফতার

গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের টেকনাফে মানবপাচার মামলার ২ পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে এক নারী পাচারকারীও রয়েছে।

টেকনাফ থানার ওসি মো. আতাউর রহমান খোন্দকার জানান, শনিবার সকালে বাহারছড়া ইউনিয়নের জাহাজপুরা এবং দুপুরে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কম্বনিয়া এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

গ্রেফতার কৃতরা হলেন, বাহারছড়ার জাহাজপুরা এলাকার সায়েদ আমিরের ছেলে মোহাম্মদ উল্লাহ (৩৫) এবং হোয়াইক্যং কম্বনিয়া এলাকার মোহাম্মদ মিয়ার স্ত্রী রোকেয়া আক্তার (২৮)।

ওসি আতাউর রহমান খোন্দকার বলেন, গ্রেপ্তার মানবপাচার মামলার এই ২ আসামি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। শনিবার পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতার মোহাম্মদ উল্লাহ’র বিরুদ্ধে মানবপাচারের অভিযোগে টেকনাফ থানায় একটি মামলা রয়েছে। এছাড়া সে অস্ত্র ও ডাকাতির অভিযোগে আরও ২টি মামলার পলাতক আসামি সে। অন্যদিকে, গ্রেফতার নারী রোকেয়া আক্তারের বিরুদ্ধে মামবপাচারের অভিযোগে টেকনাফ থানায় একটি মামলা রয়েছে।

টেকনাফে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার

01

নিজস্ব প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের টেকনাফে এক লাখ ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর সদস্যরা। এ সময় জব্দ করা হয়েছে একটি কাঠের তৈরি নৌকা। তবে এই ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

শুক্রবার সকাল ৭ টার দিকে টেকনাফের নাফনদীর ১ নং স্লুইচ গেইট এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই ইয়াবার চালান আটক করা হয়।

বিজিবির টেকনাফস্থ ২ নং ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল আবুজার আল জাহিদ জানিয়েছেন, বিজিবি টহল দল গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, মিয়ানমার হতে নৌকাযোগে নাফ নদী পার হয়ে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে টহল দল ১ নং স্লুইচ গেইট এলাকায় ওঁৎ পেতে থাকে। সকাল ৭ টার দিকে একটি নৌকা ১নং সুইচ গেইট হতে ১০০ গজ উত্তরে নাফ নদীর কিনারায় আসলে টহল দল তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করে। সে সময় নৌকায় অবস্থানরত ইয়াবা পাচারকারীরা লাফ দিয়ে সাঁতরিয়ে শূন্য রেখা অতিক্রম করে মিয়ানমারের জল সীমানায় প্রবেশ করে। এতে তাদেরকে আটক করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে টহল দল তল্লাশি করে উক্ত নৌকা থেকে ১টি বড় প্যাকেট উদ্ধার করে। প্যাকেটটি খুলে গননা করে ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা মূল্যমানের ১ লাখ ২০ হাজার ইয়াবা পাওয়া যায়। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হয়েছে। যা পরবর্তীতে উর্দ্ধতন কর্মকর্তা, মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হবে।

টেকনাফে এক্সক্লুসিভ ট্যুরিস্ট জোনের প্রস্তাবিত জায়গা পরিদর্শনে বেজা’র প্রতিনিধি

teknaf pic 29-1-16 (3)

মুহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান, টেকনাফ:

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এর নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী টেকনাফ সাবরাংয়ের ‘এক্সক্লুসিভ ট্যুরিস্ট জোনের’ অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রস্তাবিত জায়গা পরিদর্শন করেছেন। শুক্রবার সকালে স্পিডবোটযোগে পবন চৌধুরীর নেতৃত্বে ১৯ সদস্যের প্রতিনিধিদল অর্থনেতিক অঞ্চলের বাস্তবায়নাধীন জইল্ল্যারদ্বীপ ও সাবরাং খুরেরমুখ এলাকায় প্রস্তাবিত দু’টি প্রকল্পের জায়গা পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শন শেষে বিকালে টেকনাফ সেন্টাল রিসোর্টে সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক প্রতিষ্ঠা বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগ, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি বিষয়ে আলোচনায় অংশ নেন।

পরিদর্শনকালে পবণ চৌধুরী সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জানান, আগামী ফেব্রুয়ারী মাসের ২৮ তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এ প্রকল্প উদ্ধোধন করার কথা রয়েছে।

এ সময় তিনি আরো জানান, ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ থেকে উন্নত দেশের কাতারে নিয়ে যেতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত কে ব্যবহার করে এতদাঞ্চলের উন্নয়নের পাশাপাশি ট্যুরিজম বিস্তৃত করাই এ প্রকল্পের লক্ষ্য। তিনি জানান, পরিবেশ পরিস্থিতি ঠিক রেখে এ অর্থনৈতিক অঞ্চল বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

এ জোনটি বাস্তবায়িত হলে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হবে। এছাড়া সাবরাংয়ের অর্থনৈতিক জোনের পাশাপাশি ২০১৭ সালের মধ্যে টেকনাফ পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ সড়কের কাজ শেষ হলে আরো অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানান।

এ সময় কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন বলেন, ভূমি ব্যবহারের মহাপরিকল্পনার জন্য বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল জইল্ল্যারদ্বীপ ও সাবরাংয়ে দু’টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের জায়গা পরিদর্শন করেছে। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে জাপানসহ বিভিন্ন দেশ বিনিয়োগ করতে আগ্রহ দেখাচ্ছে। তাই যথাযথ ভূমি ব্যবহারের জন্য মহাপরিকল্পনার কাজ চলছে।

প্রতিনিধিদলে অন্যদের মধ্যে ছিলেন, বেজার প্রকল্প পরিচালক মো. হারুনুর রশিদ, বেজার নির্বাহী বোর্ডের সচিব মোহাম্মদ আইয়ুব, সার্পোট টু বেজা প্রকল্প মো. শামশুল হক, বোর্ড ব্যবস্থাপক মলয় চৌধুরী, ব্যবস্থাপক (ওয়ান স্টপ সার্ভিস ও সমন্বয়) একে এম মাহবুবুর রহমান, জোন ডেভেলপমেন্ট কনসালটেন্ট সার্পোট টু বেজা প্রকল্প মো. আবদুল কাদের খান, সোস্যাল স্পেশালিস্ট সার্পোট টু বেজা প্রকল্প এবং নিবার্হী চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব, জেলা প্রশাসক আলী হোসেন, উখিয়া-টেকনাফের সাংসদ আবদুর রহমান বদি, ২ বিজিবির অধিনায়ক আবুজার আল জাহিদ, উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমদ প্রমূখ।

পরিদর্শনকালে পবণ চৌধুরীর হাতে টেকনাফের পর্যটন বিষয়ক একটি ডকুমেন্টধারী তুলে দেন উপজেলা তথ্যসেবা কেন্দ্রর কর্মকর্তা মুজিবুল হক রানা।

টেকনাফে ইয়াবা ও বিদেশি মদসহ ট্রলার জব্দ আটক- ১

20160112_124909

টেকনাফ প্রতিনিধি:

টেকনাফে পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও বিদেশি মদসহ একটি ফিশিং ট্রলার জব্দ করেছে কোস্টগার্ড ও পুলিশ। বৃহস্পতিবার ভোরে টেকনাফের জাদিমুড়া এলাকা থেকে এএসআই কাঞ্চনের নেতৃত্বে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ মিয়ানমারের এক নাগরিককে আটক করা হয়। আটক মিয়ানমার নাগরিক নুর মোহাম্মদ (৪০) আকিয়াব জেলার মংডু থানার মৃত কালা মিয়ার ছেলে।

অপরদিকে একইদিন ভোররাতে কোস্টগার্ড শাহপরীরদ্বীপ স্টেশনের কন্টিজেন্ট কমান্ডার লিটন মিয়ার নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বদর মোকাম নামক এলাকায় মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় ১০ হাজার পিস ইয়াবা, ৫০ হাজার মিটার ক্যারেন্টজালসহ একটি ফিশিং ট্রলার জব্দ করা হয়। জব্দকৃত ট্রলার, ক্যারেন্টজাল ও ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা বলে জানা গেছে।

এছাড়া সেন্টমার্টিনদ্বীপের কাছাকাছি মিয়ানমার থেকে আনা ২১৪ বোতল কার্ন্টি ড্রাইজিন, ২০৭ বোতল মানডেলা রামমদ, ২৪২ ক্যান বিয়ারের চালান জব্দ করা হয়।

কোস্টগার্ডের টেকনাফ স্টেশনের কমান্ডার লে. ডিকসন চৌধুরী জানান, এ সময় পাচারকারিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

টেকনাফ থানার ওসি আতাউর রহমান খোন্দাকার জানান, এ ব্যাপারে মামলা করে আটককে আদালতে প্রেরণ করা হবে।

টেকনাফে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ আটক-১

Teknaf-pic

টেকনাফ প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় বিজিবির পৃথক অভিযানে ৬১ হাজার ৪৫২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ সব্বির আহমদ (৩২) নামে এক যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর সদস্যরা।

সোমবার ভোর ৬ টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুরা সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ২১ হাজার ৪’শ ৫২ পিস ইয়াবাসহ সব্বির আহমদকে আটক করা হয়। আটক সব্বির আহমদ ওই এলাকার মৃত জহির আহমদের ছেলে।

অপরদিকে রবিবার গভীর রাতে জাদিমুরা সীমান্ত এলাকা দিয়ে একটি ইয়াবার বড় চালান পাচারের গোপন সংবাদে বিজিবি সদস্যরা সেখানে অবস্থান নেয়। অবস্থানকালে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা একটি ইয়াবার পুটলা ফেলে পালিয়ে যায়। এ পুটলা থেকে ৪০ হাজার ইয়াবা পাওয়া যায়। তবে এ সময় কাউকে আটক করতে পারেনি বিজিবি।

টেকনাফস্থ বিজিবি-২ এর অধিনায়ক আবুজার আল জাহিদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ব্যাপারে মামলা দায়ের করে আটক যুবককে টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হবে, পরিত্যক্ত ইয়াবাগুলো ব্যটালিয়ন সদরে জমা করা হয়েছে। আটককৃত ইয়াবার মূল্য ১ কোটি ৮৪ লাখ ৩৫ হাজার ৬’শ টাকা।

টেকনাফে গৃহবধুর লাশ উদ্ধার

লাশ উদ্ধার

টেকনাফ প্রতিনিধি:

টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং থেকে সালমা আকতার (২১) নামে এক গৃহবধুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সে
হোয়াইক্যং বালুখালী পাড়ার আলী আহমদ প্রকাশ কালা মিয়ার স্ত্রী।

সোমবার সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে হোয়াইক্যং বালুখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে মৃত্যুর কারণ হিসেবে স্বজনদের মধ্যে পরস্পর বিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে।

নিহত সালমা গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করার দাবি করেছে শাশুড় বাড়ীর লোকজন। কিন্তু নিহতের পিতা কবির আহমদ ড্রাইভার দাবি করেন, তাকে প্রতিনিয়ত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাত শাশুড় বাড়ীর লোকজন। তারাই এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত বলে দাবি করেন তিনি।

এ ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান খোন্দকার জানান, স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে লাশটি উদ্ধার করে সুরতহাল রির্পোট তৈরীর জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে এটি আত্মহত্যা না হত্যাকান্ড তা ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে।

টেকনাফে ইয়াবা পাচারকারী লাশের পেট কেটে ইয়াবা উদ্ধার

ইয়াবা

টেকনাফ প্রতিনিধি:

টেকনাফে ইয়াবা পাচারকারী লাশের পেট কেটে ইয়াবা উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার বিকালে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের কচুবনিয়া এলাকার গুরা মিয়ার পুত্র ইসমাঈল প্রকাশ বাঘাইয়া (১৮) পায়ুপথ দিয়ে পেটের ভিতর ইয়াবা ঢুকিয়ে টেকনাফ থেকে হ্নীলা পর্যন্ত রওয়ানা হয়। পথিমধ্যে তার পেটে ব্যাথা শুরু হলে তার বোনের বাড়িতে আশ্রয় নেয়। এ সময় তাকে দ্রুত হাসাপাতালে নেওয়ার পথে অতিরিক্ত ব্যথায় সে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়ে।

খবর পেয়ে টেকনাফ মডেল থানার পুলিশ তার গ্রামের বাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করে কক্সবাজার মর্গে প্রেরণ করলে সেখানে পেটে কেটে আনুমানিক ১ হাজার পিস ইয়াবা বের করতে সক্ষম হয় বলে জানা গেছে।

নিহত ইসমাইলের পিতা গুরা মিয়া জানান, স্থানীয় নুরু ও তার পুত্র মো. হারুন, আবুল কালাম ও তার স্ত্রী গোল বানু এর পেছনে দায়ী।

নিহতের ভাই ইব্রাহীম বলেন, ময়না তদন্ত শেষে রবিবার বিকাল সাড়ে ৪টার সময় লাশটি পরিবাবের কাছে হস্তান্তর করে প্রশাসন এবং রাত ৯ টায় কচুবনিয়ায় তার জানাজা ও দাফন হওয়ার কথা রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে টেকনাফ মডেল থানার ওসি আতাউর রহমান খোন্দকার লাশের পেট কেটে ইয়াবা বের করার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আনুমানিক ১ হাজার পিস হবে, তবে ইয়াবাগুলো এখনো থানায় পৌঁছেনি। এ ব্যাপারে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে ইয়াবার সাথে সংশ্লিষ্টদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যহত রয়েছে।

এদিকে টেকনাফ উপজেলায় এক সপ্তাহের ব্যবধানে একই কায়দায় ইয়াবা পাচার করতে গিয়ে দুই পাচারকারীর মৃত্যু হয়। এর মধ্যে গত ৬ জানুয়ারি টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের মহেশখালীয়াপাড়ার লতায়ার পুত্র হাকিমের ছেলে মোস্তাকের মৃত্যু হয়।

টেকনাফে বনবিভাগ-বিজিবির যৌথ অভিযানে সামাজিক বনায়নের চোরাই কাঠ উদ্ধার

tek pic-1

স্টাফ রিপোর্টার,  কক্সবাজার:
টেকনাফ উপজেলার কান্জরপাড়া বনবিভাগ ও বিজিবির যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ সামাজিক বনায়নের চোরাই কাঠ উদ্ধার করেছে। উদ্ধারকৃত কাঠগুলো সংশ্লিষ্ট বিটে সিজার করে জমা রাখা হয়েছে।

জানা যায়, ১৩ মে বিকাল সাড়ে ৪ টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঝিমংখালী বিট অর্ফিসার শামসুল ইসলাম ও উনচিপ্রাং বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার জজ মিয়ার নেতৃত্বে কান্জরপাড়া এলাকার মৃত আবুল মন্জুরের পুত্র আমির আলী বাড়ীতে অভিযান চালিয়ে সামাজিক বনায়নের প্রায় ২০ ঘন ফুট চোরাই কাঠ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। যার মূল্য আনুমানিক ৩০ হাজার টাকা।  এ সময় ওই বনায়নের সভাপতি দেলুয়ার হোসেন দিলু, সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন অভিযানে অংশগ্রহণ করেন।

উপকারভোগী দিলু জানান, সংঘবদ্ধ কাঠচোর দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক বনায়ন উজাড় করে চুরি অব্যাহত রেখেছে। সংশ্লিষ্ট বিট অফিসার শামসুল হক জানান, ওই বাড়িতে সামাজিক বনায়নের চোরাই কাঠ নিয়ে ফার্ণিচার তৈরীর গোপন সংবাদে অভিযান পরিচালনা করে কিছু ফার্ণিচার তক্তা (কাঠ) জব্দ করেছি। কাঠচোরদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।