মাতারবাড়ীর হেলাল ডাকাত পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত

মহেশখালী প্রতিনিধি:

মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীর বহুল আলোচিত হেলাল ডাকাত অবশেষে পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়েছে।

সে মাতারবাড়ীর হংস মিয়াজী পাড়ার জাগির হোসেনের  পুত্র। তার বিরুদ্ধে ২টি হত্যাসহ ১০ টি মামলা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার(২৪ জানুয়ারি) গভীর রাতে শাপলাপুরের পাহাড়ি এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।

সুত্র মতে, মাতারবাড়ীর হেলাল ডাকাত ২৩ জানুয়ারি সন্ধায় মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎ এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে মহেশখালী থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে। রাত ১০ টায় হেলাল ডাকাতকে আটক করে। হেলালের স্বীকারোক্তিতে তার অপর সহযোগীরা শাপলাপুরের পাহাড়ি আস্তানায় অবস্থান করছে এমন সংবাদে পুলিশ পাহাড়ে অভিযান চালায়। এসময় পুলিশ সন্ত্রাসী বন্দুক যুদ্ধে সন্ত্রাসী হেলাল ও কনেস্টবল টুটুল গুলিবিদ্ধ হয়।

আহত হেলাল ডাকাতকে মহেশখালী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার রাত ৩টায় হেলালকে মৃত ঘোষণা করেন। গুলিবিদ্ধ কনেস্টবল টুটুলকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে নিহত হেলালের পরিবারের দাবি, তাকে প্রতিপক্ষের লোকজন দিয়ে ফাসানো হয়েছে।

মহেশখালী থানার ওসি প্রভাষ চন্দ্র ধর জানান, হেলাল ডাকাত দীর্ঘদিন ধরে সড়কে ডাকাতিসহ স্থানীয়দের জানমালের ক্ষতি করে আসছে। তার বিরুদ্ধে হত্যাসহ ডজন খানেক মামলা রয়েছে।

মহেশখালীকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে পুলিশের বিশেষ অভিযান চলবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

এনজিওর চাকরির জন্য ১৪ দফা দাবি নিয়ে স্থানীয়দের স্মারকলিপি

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এনজিওর চাকরিতে স্থানীয়দের অধিকার আদায়ের জন্য ১৪ দফা দাবি নিয়ে কক্সবাজারের  জেলা প্রশাসক, রোহিঙ্গা ত্রান ও প্রত্যাবাসন কমিশনার, কক্সবাজারের পুলিশ সুপার, ইন্টার সেক্টর কোর্ডিনেশন গ্রুপ ও বিভিন্ন এনজিও সংস্থার কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে আন্দোলনরত অধিকার বাস্তবায়ন কমিটি উখিয়া। আন্দোলনকারীরা স্থানীয়দের পাশাপাশি বিদেশী এনজিও কর্মকর্তাদের পরিবর্তে বাংলাদেশি যোগ্যতা সম্পন্নদের আইএনজিওতে অগ্রাধিকার দেয়ার দাবি জানান। আজ সকালে এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

আন্দোলনকারীদে ১৪ দফা দাবি গুলো হলো:

১।   সরকারের নির্দেশনা অনুসারে রোহিঙ্গা এনজিওর চাকুরীতে স্থানীয়দের ৭০% কোটা দিতে হবে।

২।   স্থানীয়দের পরিকল্পিত  ছাটাইকারী এনজিওর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

৩। এনজিও ও আইএনজিওতে প্রত্যেক বিভাগের উচ্চ পদে নূন্যতম ২ জন স্থানীয়কে চাকরি দিতে হবে।

৪।   যে সকল এনজিও প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হবে ওই সকল এনজিও তাদের পরবর্তী প্রকল্পে পূর্বের প্রকল্পের স্থানীয়দের চাকুরীতে বহাল রাখতে হবে।

৫।   নিয়োগের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনতে কক্সবাজারের  জেলা প্রশাসন ও স্থানীয়দের প্রতিনিধি একটি মনিটরিং সেল করতে হবে।

৬।  এনজিওরা রোহিঙ্গাদের জন্য প্রাপ্ত অনুদানের ৭০ ভাগ অপারেটিং খরচ হিসেবে ব্যয় করে এতে রোহিঙ্গারা ও স্থানীয়রা তাদের ন্যায্য অনুদান থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাই এনজিওদের এসকল দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

৭।   রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত বিদেশী কর্মকর্তারা নূন্যতম ৫ লক্ষ টাকা বেতন পাচ্ছে সেক্ষেত্রে একজন স্থানীয় বেতন ১০-১৫ হাজার টাকা। এনজিওতে চাকরিতে বেতন বৈষম্য দূর করতে স্থানীয়দের  নূন্যতম বেতন ৫০ হাজার টাকা করতে হবে।

৮।  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত ১৩শ বিদেশী কর্মকর্তার বেতন ও আনুসাঙ্গিক খরচ মিলে ২শ কোটি টাকার বেশি অর্থ খরচ করছে। এ সকল বিদেশী কর্মকর্তার স্থলে দেশীয় যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের চাকুরী দিতে হবে।

৯।   বিদেশী এনজিওরা মোট বরাদ্ধের ৯০ ভাগের বেশি অনুদান পাচ্ছে এবং এ সকল অনুদান বিভিন্ন কৌশলে আবার বিদেশে চলে যাচ্ছে। দেশ থেকে অর্থ পাচাররোধে টঘ সংস্থা গুলো ছাড়া সকল বিদেশী এনজিওদের ফেরত পাঠাতে হবে। বিদেশী এনজিওদের স্থলে দেশীয় এনজিওদের অগ্রাধিকার দিতে হবে।

১০। প্রতিমাসে সকল এনজিওকে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীর স্থায়ী ঠিকানাসহ তালিকা প্রকাশ করতে হবে।

১১।  দক্ষতা অর্জনের জন্য স্থানীয়দের উচ্চতর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।

১২।  এনজিওতে চাকরির জন্য প্রতিটি অফিসে সরাসরি আবেদন গ্রহণের ব্যবস্থা করতে হবে।

১৩।  মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের জন্য রোহিঙ্গাদের উৎসাহিত করতে এনজিওদের বিশেষ কর্মসূচি নিতে হবে।

১৪।  প্রত্যাবাসন বিলম্ব হলে বিশ্বেও অন্যান্য দেশেরমত উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্প গুলো কাটাতারের বেস্টনি দিয়ে রোহিঙ্গা সুনির্দিষ্ট গন্ডির ভিতর রাখার প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা গ্রহণ।

আন্দোলনকারীরা আগামী ২৭ তারিখের মধ্যে পর্যায়ক্রমে তাদের সকল দাবি মেনে নেয়ার আহ্বান জানান। অন্যথায় আন্দোলনের মাধ্যমে সকল দাবি আদায়ে এনজিওদের বাধ্য করা হবে বলে ঘোষণা দেন।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন অধিকার বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক শরিফ আজাদ, আমরা কক্সবাজারবাসি সংগঠনের সমন্বয়ক নাজিম উদ্দিন, সাংকৃতিক কর্মী কলিমউল্লাহ, যুবনেতা ইমরুল কায়েস চৌধুরী, সাংবাদিক আমানুর হক বাবুল, উখিয়া প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক  এ এইচ সেলিম উল্লাহ,  শ্রমিক নেতা এইচ এম নজরুল, পরিকল্পিত কক্সবাজার আন্দোলনের সমন্বয়ক আব্দুল আলিম নোবেল, অধিকার বাস্তবায়ন কমিটির নেতা মন্জুর আএম, যুবনেতা সাজেদুল ইসলাম লিটন, তৌসিফ চৌধুরী সহ চাকুরিচ্যুত ও চাকরি বঞ্চিতরা।

কক্সবাজার শহরে টমটম ধর্মঘটে জনভোগান্তি

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার:

কক্সবাজার শহরে কোনো প্রকার পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই হঠাৎ টমটম ধর্মঘটে দুর্ভোগে পড়েছে পর্যটক, সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা।

এতে কর্মমুখী মানুষ হেঁটেই যাচ্ছে তাদের কর্মস্থলে। স্কুল-মাদরাসাগামী শিক্ষার্থীদের পড়তে হয়েছে ভোগান্তিতে। এই সুযোগে অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছে সিএনজি ও রিক্সাওয়ালারা।

জানা গেছে, ২ শিফটে টমটম চালানের বিষয়ে কক্সবাজার পৌরসভার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ১ দিনের কর্মবিরতি শুরু করেছে টমটম মালিক, চালক ও শ্রমিকরা।

মঙ্গলবার ভোর ৬টা থেকে তাদের কর্মসূচি শুরু হয়েছে। দাবির পক্ষে বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ শেষে জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি দেবে টমটম মালিক ও চালকরা।

শ্রমিকরা জানান, কক্সবাজার পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ২ শিফটে টমটম চালানোর যে সিদ্ধান্ত দিয়েছে তাতে মালিক-চালকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। শিফটিং-এ গাড়ির ভাড়াও উঠবে না। অনেক শ্রমিক বেকার হয়ে যাবে এমন কথাও জানান তারা।

আগামী জুন মাস পর্যন্ত টমটম লাইসেন্স নবায়নের সময় থাকার পরও পথ থেকে আটক করা হচ্ছে। নাম্বারপ্লেট খুলে নিয়ে যাচ্ছে পৌর কর্তৃপক্ষ। এই সুযোগে ট্রাফিক পুলিশ তাদের হয়রানী করছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

পৌরসভার মাধ্যমে টমটমে রং করা সঠিক হচ্ছে না। তাতে গাড়ি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। প্রয়োজনে নিজেরাই রং করিয়ে নেবে বলে জানান কয়েকজন শ্রমিক নেতা।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এনজিওর চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণায় তৎপর কবির সিন্ডিকেট

ঘুমধুম প্রতিনিধি:

মিয়ানমার সেনা, জান্তা বাহিনীর নির্যাতন ও নিপীড়ন সহ্য করতে না পেরে প্রায় ১৩ লাখেরও অধিক রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে বাংলাদেশে। রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশ সরকারের সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদেরকে দেশের মাটিতে আশ্রয় দিয়ে বিশ্বের দরবারে একটি বিরল স্থাপন করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানেও দেশি বিদেশি এনজিও সংস্থা ও দাতাগোষ্ঠীরাও রোহিঙ্গাদের সাহায্য সহযোগিতায় এগিয়ে এসে তাদের সেবায় নিয়োজিত রয়েছে। তবে রোহিঙ্গাদের কেন্দ্র করে কিছু অসাধু মহল রয়েছে যথেষ্ট তৎপর।

ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, রোহিঙ্গা আগমনকে ঘিরে এলাকার এক শ্রেণীর প্রতারক চক্ররা বিভিন্ন এনজিও সংস্থায় চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাদের নিকট থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে বলেও জানা গেছে।

ভুক্তভোগী নাছিমা জানান, কুতুপালং বাজার পাড়া গ্রামের মৃত ভেলায়ার ছেলে কবির আহম্মদ একটি সিন্ডিকেট তৈরি করে টেকনাফ, চকরিয়া, কক্সবাজার, ঈদগাহ, উখিয়া, হোয়াইক্যংসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শিক্ষিত নারী পুরুষদের সংগ্রহ করে এনজিও সংস্থা আরটি এম, ব্র্যাক, সেভ দ্যা সিলড্রেন, ইউএনএইচসি আরসহ বিভিন্ন এনজিও সংস্থায় অল্প দিনে চাকরি দেওয়ার কথা বলে জনপ্রতি ১০/২০ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নিচ্ছে।

স্থানীয় সচেতন মহলরা বলেন, অচিরেই কবিরকে গ্রেফতার করে কঠিন শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা না হলে দেশের অনেক শিক্ষিত বেকার নারী পুরুষেরা সর্বশান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

মহেশখালীতে আব্বাস বাহিনীর হামলায় পান চাষি নিহত

মহেশখালী প্রতিনিধি:

মহেশখালী উপজেলার ছোট মহেশখালী দক্ষিণ কুল গ্রামে জেটাতো ভাইয়ের দায়ের কোপে আব্দুল কাদের নামে এক পান চাষি খুন হয়েছে।

মঙ্গলবার(২২ জানুয়ারি) ভোরে আব্দুল কাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

ঘটনার সুত্র মতে, ছোট মহেশখালী দক্ষিণ কুল গ্রামের মৃত জোনাব আলীর পুত্র মো. ইউনুস প্রকাশ বাদশার সাথে তাঁর ভাই ইদ্রিসের পারিবারিক বিরোধ চলে আসছিল।

সোমবার (২১ জানুয়ারি)সকালে  মহিলাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে বাদশাপুত্র আরিফুল প্রকাশ আব্বাস ডাকাত তাঁর অপরাপর সহযোগীদের নিয়ে নিহতের বাড়ির পাশে সন্ধ্যায় অবস্থান করে। ইদ্রিসের পুত্র  আব্দুল কাদের ও অপর ভাইপুত্র আজিজুল হক পানের বরজ থেকে পানের ভার নিয়ে পাহাড় থেকে বাড়ি পৌঁছার পূর্ব মুহুর্তে পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ করে। ৮/১০জন দা দিয়ে কাদের ও আজিজ কে মাথায়, পিঠে, কোমরে-সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষতবিক্ষত করে রাস্তায় ফেলে চলে যায়।

স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাদের প্রথমে মহেশখালী পরে কক্সবাজার রেফার  করে ওখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায়  আব্দুল কাদেরকে চমেক হাসপাতালে রেফার করে।

মঙ্গলবার ভোরে (২২জানুয়ারি)  ৫টায় আব্দুল কাদের মারা যান।

মহেশখালী থানার ওসি প্রভাষ চন্দ্র ধর জানান, হামলার ঘটনায় নিহতের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে নিয়ে অপরাধীদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

চকরিয়ায় অপহৃত শিশুর লাশ উদ্ধার

 

চকরিয়া প্রতিনিধি ও বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার:

চকরিয়ায় অপহৃত আড়াই বছরের শিশু আল ওয়াসীর লাশ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার(২২ জানুয়ারি) সকাল ১০ টায় মাতামুহুরী ব্রীজের নিচে তাঁর লাশ পাওয়া যায়।

এর আগে সোমবার(২১ জানুয়ারি) বিকেলে চিরিঙ্গা সবুজবাগ এলাকা থেকে খেলার সময় তাকে অপহরণ করা হয়। এ ঘটনায় মুন্নী আক্তার নামে এক মহিলাকে আটক করেছে পুলিশ।  আটককৃত মুন্নী আক্তার  চকরিয়া পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের বাটাখালী এলাকার খোন্দকার পাড়ার খলিলুর রহমানের মেয়ে।

নিহত শিশু মো.ওয়াসিয়া চকরিয়া পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের সবুজবাগ এলাকার সাহাবউদ্দিন ও রুনা আক্তার দম্পতির ছেলে।

নিহত শিশুর স্বজনরা জানান, সোমবার বিকালে শিশু ওয়াসীয়া ও তার চার বছর বয়সি বোন বাড়ির উঠানে খেলা করছিলো। এ সময় বোরকা ও নেকাব পরিহিত এক মহিলা ওয়াসীয়ার হাতে একটি চিপস দিয়ে তাকে ফুসলিয়ে নিয়ে যায়। ছেলেকে কোথাও না পেয়ে রাতে চকরিয়া থানার ওসিকে বিষয়টি অবহিত করা হয়। পরে পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত অভিযোগে মুন্নি আক্তার নামের এক নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। তিনি আরও বলেন, সকাল ১০টার দিকে মাতামুহুরী ব্রীজের নিচে একটি শিশু পড়ে থাকতে দেখে খবর পেয়ে পুলিশসহ আমরা গিয়ে ওয়াসীয়ার লাশ উদ্ধার করি।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, শিশু ওয়াসীয়াকে অপহরণের অভিযোগ পাওয়ার পর সারারাত পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নামে। কিন্তু সকালে মাতামুহুরী নদীর ব্রীজের কাছ থেকে ওই শিশুর বস্তাবন্দী লাশ পাওয়া যায়। এঘটনায় জড়িত অভিযোগে মুন্নী আক্তার নামে একজন আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, কী কারণে শিশু ওয়াসীয়াকে হত্যা করা হয়েছে তা জানতে কয়েকটি বিষয়কে সামনে রেখে মাঠে কাজ করছে পুলিশ। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

রোহিঙ্গাদের দেখতে কক্সবাজারে জাতিসংঘের বিশেষ দূত

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

রোহিঙ্গা সংকটের বর্তমান পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণে তিন দিনের সফরে কক্সবাজারে অবস্থান করছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থার বিশেষ দূত ইয়াং হি লি।

সোমবার(২১ জানুয়ারি) দুপুরে বিমানযোগে তিনি কক্সবাজার পৌঁছান। এরপর দুপুর ১টার দিকে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু কোনারপাড়া শূন্যরেখায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন তিনি। সেখানে সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরেন রোহিঙ্গা নেতা দিল মোহাম্মদ।

তুমব্রু সীমান্ত ক্যাম্পের রোহিঙ্গা নেতা দিল মোহাম্মদ বলেন, মিয়ানমার অনেকবার আমাদের এখান থেকে সরিয়ে দিতে চেয়েছে। আমরা সাহস হারাইনি। এখন নতুন করে খালে বাঁধ দিচ্ছে তারা। যা বাস্তবায়িত হলে বর্ষায় আমাদের ঝুপড়িঘর তলিয়ে যাবে। আমি মিয়ানমারের এসব অপতৎপরতার কথা ইয়াং হি লির নজরে আনার চেষ্টা করেছি।

সেখানে রোহিঙ্গা নেতা, মিয়ানমারে নির্যাতিত নারী ও শিশুদের সঙ্গে কথা বলে তাদের খোঁজখবর নেন ইয়াং হি লি। এ সময় রোহিঙ্গা এক শিশুকে কোলে নিয়ে আদর করেন হি লি। মিয়ানমারে নির্যাতিত এক রোহিঙ্গা নারীকে জড়িয়ে ধরে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি।

পরিদর্শনকালে সীমান্তে দায়িত্বরত বিজিবি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে সীমান্তের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন হি লি।

রোহিঙ্গারা যাতে নিরাপদে আত্মমর্যাদার সঙ্গে নিজ দেশ মিয়ানমারে ফেরত যেতে পারে সে লক্ষ্যে হি লি কাজ করার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান রোহিঙ্গা নেতা দিল মোহাম্মদ। রোহিঙ্গা সংকট সুষ্ঠু সমাধানে যাবতীয় সহযোগিতার আশ্বাসও দেন তিনি।

এরপর উখিয়ার কুতুপালং ইউএনএইচসিআররের ট্রানজিট সেন্টার পরিদর্শন করেন হি লি। সেখানে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের খোঁজখবর নেন।

তবে সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলতে রাজি না হলেও কক্সবাজারে তিন দিনের সফর শেষে ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রেস ব্রিফিং করবেন বলে জানান জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থার এই বিশেষ দূত।

রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনকালে ৯ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল তার সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন। এ সময় ইউএনও নিকারুজ্জামানসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

টেকনাফে বন্দুকযুদ্ধে তালিকাভুক্ত মাদক কারবারী নিহত

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

টেকনাফে বিজিবির মাদক বিরোধী অভিযানে বন্দুক যুদ্ধের ঘটনায় আহত মাদক ব্যবসায়ী মুছু(৩৫) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। এ অভিযানে ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধার করেছে বিজিবি।

টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আছাদুদ-জামান চৌধুরী জানান, রবিবার (২০ জানুয়ারি) ভোররাত ২টায় টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নে কর্মরত নায়েক হাবিল উদ্দিনের নেতৃত্বে বিজিবি-পুলিশের পৃথক দু’টি টহল দল ইয়াবাসহ আটক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভূক্ত মাদক ব্যবসায়ী পৌর এলাকার উত্তর জালিয়া পাড়ার মৃত জাকির হোসেনের পুত্র মোস্তাক আহমদ মুছুকে নিয়ে তাঁর আস্তানায় অভিযানে গেলে তাঁর গ্রুপের লোকজন পুলিশ-বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। এতে বিজিবির সদস্য সিপাহী আব্দুল আউয়াল (২৪), ল্যান্সনায়েক আব্দুল আলিম (২৮) ও পুলিশ সদস্য আল আমিন (২১) আহত হলে পুলিশ-বিজিবি পাল্টা গুলিবর্ষণ করে।

কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি শান্ত হলে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মুছুসহ ১০ হাজার ইয়াবা, ১টি আগ্নেয়াস্ত্র ও খোসা উদ্ধার করে। মুছুকে টেকনাফ উপজেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করেন। পরে তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক, এই মাদক বিরোধী অভিযান ও বন্দুকযুদ্ধ এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাদক ব্যবসায়ীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

চকরিয়া কেন্দ্রীয় উচ্চ বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ ও বহুতল ভবনের ছাত্রাবাস নির্মাণ করা হবে

চকরিয়া প্রতিনিধি:

চকরিয়া-পেকুয়া (কক্সবাজার-১) আসনে নবনির্বাচিত এমপি আলহাজ জাফর বলেছেন, চকরিয়া কেন্দ্রীয় উচ্চ বিদ্যালয়কে দ্রততম সময়ে জাতীয়করণ করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তার আগেই বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি, শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে এমপি বরাদ্দ থেকে কোটি টাকা ব্যয়ে বহুতল ভবনের ছাত্রাবাস নির্মাণ করে দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার(১৫ জানুয়ারি) দুপুরে চকরিয়া কেন্দ্রীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া সংবর্ধনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে নবনির্বাচিত এমপি জাফর আলম এই আশ্বাস দেন।

তিনি বলেন, শুধু কেন্দ্রীয় উচ্চ বিদ্যালয় নয়, আগামী পাঁচবছরে উন্নয়নের মাধ্যমে চকরিয়া-পেকুয়ার সবকটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আধুনিক পাঠশালায় পরিণত করা হবে। সেইজন্য যা যা করতে হয় সবকিছু আমি করব।

চকরিয়া কেন্দ্রীয় উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আলহাজ মাস্টার সিরাজ আহমদের সভাপতিত্বে ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদুল হকের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সংবর্ধনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূরুদ্দীন মুহাম্মদ শিবলী নোমান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. হোছাইন বিএসসি, চকরিয়া পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরী, চকরিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আ ক ম গিয়াস উদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা আমিনুর রশীদ দুলাল, জেলা পরিষদ প্যানেল চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম লিটু, বিআরডিবির সাবেক চেয়ারম্যান সেলিম উল্লাহ, সনাক সভাপতি এ কে এম শাহাবুদ্দীন, চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক মো.নুরুল আখের প্রমুখ।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ, শিক্ষার্থীবৃন্দ, পৌরসভার কাউন্সিলর জিয়াবুল হক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কাকারা ইউপি চেয়ারম্যান শওকত ওসমান, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আরহান মাহমুদ রুবেল, ডুলাহাজারা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সিনিয়র সহসভাপতি আবদুল বারেক টিপু।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দীর্ঘ ৪৫ বছর পর বিএনপি-জামায়াতের দুর্গ তছনছ করে দিয়ে চকরিয়া-পেকুয়ার মানুষ বিপুল ভোট দিয়ে নৌকার প্রার্থী জাফর আলমকে বিজয়ী করেছেন। যে উদ্দেশ্য নিয়ে এখানকার মানুষ আপনাকে (জাফর আলম) বিজয়ী করেছেন তার প্রতিদান অবশ্যই দেবেন উন্নয়নের মাধ্যমে আপনি দেবেন, এই বিশ্বাস আমাদের আছে।

উল্লেখ্য, কক্সবাজার ১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাফর আলম বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে প্রতিদিন অসংখ্য স্থানে সংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছে তাকে। এ নিয়ে গত একসপ্তাহে অন্তত ২০টি স্থানে জাফর আলমকে গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়। এসব সংবর্ধনায় এমপি জাফর আলম বলছেন, কারো সাথে বিরোধ নয়, সবার সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে মানুষের মন জয় করে এবং উন্নয়নের মাধ্যমে চকরিয়া-পেকুয়াকে নতুন করে সাজাবেন।

অপরদিকে এদিন বিকালে চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়ন ও পহরচাঁদা সাংগঠনিক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আয়োজনে নবনির্বাচিত এমপি আলহাজ্ব জাফর আলমকে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মাস্টার বেলাল আহমদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ডা.নুরুল আলমের সঞ্চালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন নবনির্বাচিত এমপি জাফর আলম।

এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চকরিয়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আমিনুর রশিদ দুলাল, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম লিটু, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সি.সহ-সভাপতি সরওয়ার আলম, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আলহাজ ফজলুল করিম সাঈদী, চকরিয়া পৌরসভা ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান প্রমুখ।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগসহ সহযোগী সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের কয়েকজন জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

কক্সবাজারে ইয়াবাসহ আটক ২, ট্রাক জব্দ

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

কক্সবাজার সদর থানার ঝিলংজা বিসিক শিল্প এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪৫,৭৮০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ১ টি ট্রাকসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব-৭।

র‌্যাব-৭, কক্সবাজার ক্যাম্প সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক ব্যবসায়ী টেকনাফ হতে একটি ট্রাকযোগে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে কক্সবাজারের দিকে আসার খবর পেয়ে ১৫ জানুয়ারি সকালে র‌্যাব-৭ এর একটি দল ঝিলংজা বিসিক শিল্প এলাকা মোড় সংলগ্ন পলি টেকনিক্যাল কলেজের সামনে একটি বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করে গাড়ি তল্লাশি শুরু করে।

এ সময় টেকনাফ হতে কক্সবাজারগামী একটি ট্রাকের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে র‌্যাব সদস্যরা ট্রাকটিকে থামানোর সংকেত দিলে ড্রাইভার তাৎক্ষনিক গাড়িটিকে রাস্তার পাশে থামিয়ে দ্রুতগতিতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে আসামি মো. জসিম (২৮) (ড্রাইভার), পিতা-মৃত নুর আহম্মদ, গ্রাম- সওদাগর পাড়া, থানা- উখিয়া, জেলা- কক্সবাজার এবং ২। মো. আলম (৪৮), পিতা- মৃত ঠান্ডা মিয়া, গ্রাম-ডেমুশিয়া, থানা- চকরিয়া, জেলা- কক্সবাজার, বর্তমান ঠিকানা- দোয়াপালং ডানপাড়া, থানা- রামু, জেলা- কক্সবাজার, এদেরকে আটক করে। এসময় আসামি মো. সেলিম (৩৫), পিতা- অজ্ঞাত, গ্রাম- কচুবুনিয়া, থানা- টেকনাফ, জেলা- কক্সবাজার পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে আটককৃত আসামিদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের দেখানো ও সনাক্তমতে ট্রাকটি তল্লাশী করে ট্রাকের ভিতরে বিশেষ কায়দায় লুকানো অবস্থায় ৪৫,৭৮০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ উক্ত ট্রাকটি (ঢাকা মেট্রো-ড ১১-৭৫২১) জব্দ করা হয়। এছাড়াও আটককৃত আসামিদের দেহ তল্লাশী করে ২ টি মোবাইল সেট এবং ২টি সীম কার্ড জব্দ করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামিদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে যোগসাজশে টেকনাফ হতে কম মূল্যে ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয় করে এবং কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অধিক মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটের আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ২৮ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা এবং জব্দকৃত ট্রাকের আনুমানিক মূল্য ২০ লক্ষ টাকা। পলাতক আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

আটককৃত আসামি ও উদ্ধারকৃত মালামাল কক্সবাজার জেলা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।