অপহরণের চারদিন পর আলুটিলা থেকে মাটিরাঙ্গার মটরসাইকেল চালকের লাশ উদ্ধার

20.02.2016_Matiranga Motorcycle NEWS Pic

স্টাফ রিপোর্টার:

অপহরণের চারদিন পর খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙা উপজেলার মটরসাইকেল চালক আজিজুল হাকিম শান্তর লাশ উদ্ধার করা হযেছে। রবিবার সকাল ১০ টার দিকে খাগড়াছড়ির আলুটিলা পাহাড়ে তার লাশ পাওয়া যায়।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে খাওয়া-ধাওয়া শেষে মোটরসাইকেল ভাড়া মারার জন্য বের হওয়ার পর আর বাড়িতে ফিরেনি। নিখোঁজ মোটরসাইকেল চালক মো. আজিজুল হাকিম শান্তর বাবা মো. ছালেহ আহাম্মদ জানান, সেদিন রাত ৯টার সময় খাগড়াছড়ি থেকে ভাড়া নিয়ে মাটিরাঙ্গা ফিরে এসে সর্বশেষ কথা বলে সে।

এরপর থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত তার মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেও সে ফোন ধরেনি। তখন বিষয়টি পার্শ্ববর্তী লোকজন ও অন্যান্য মোটরসাইকেল চালকদের জানালে তারাও তার সাথে কথা বলার চেষ্ঠা করে ব্যার্থ হয়। সারারাত তাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করার পর পাওয়া যায়নি।

নিখোঁজ মোটরসাইকেল চালক আজিজুল হাকিম শান্ত মাটিরাঙ্গা পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের নতুনপাড়া গ্রামের মো. ছালেহ আহাম্মদ এর ছেলে। ব্যাক্তিগত জীবনে বিবাহিত শান্ত এক কণ্যা সন্তানের জনক।

বিস্তারিত আসছে…

নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারীতে মা-মেয়ের লাশ উদ্ধার

Capture

নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি:

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী থেকে এক নারী ও তার পনের মাস বয়সী মেয়ের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার সকালে বাইশারী সদর থেকে অন্তত ১২ কি. মি. দূরে দুর্গম আলীক্ষ্যং গ্রামের খাল থেকে ভাসমান অবস্থায় তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক ভাবে বিষ পান অথবা পানিতে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। নিহত দুইজন হলেন রেহেনা বেগম (২২) ও তার ১৫ মাস বয়সী মেয়ে নাজনিন আক্তার।

পুলিশ জানায়, রবিবার সকালে স্থানীয় এক প্রতিবেশী আলীক্ষ্যং খালে গেলে নাছির উদ্দিন এর স্ত্রী রেহেনা বেগম ও তার শিশু মেয়েকে খালের হাটু পরিমাণ পানিতে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পায়। পরে খবর পেয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ মো. আবুল খায়ের, বাইশারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই আনিসুর রহমান, এসআই জয়নাল ঘটনাস্থল থেকে ওই মা-মেয়ের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

স্থানীয়রা জানান, গত কয়েক দিন পূর্বে রেহেনা বেগমের দেবর মো. মহারাজ (১৭) এর সাথে পারিবারিক তর্কবিতর্ক হয়। পরে নিহতের স্বামী নাছির উদ্দিন পাহাড়ে ফুলের ঝাড়ু সংগ্রহে যাওয়ার পর রবিবার সকালে তাদের লাশ পাওয়া যায়। ঘটনার পর বাইশারী পুলিশ নিহতের বসতবাড়ি থেকে খোলা একটি বিষের বোতল উদ্ধার করেছে এবং নিহতের দেবর মো. মহারাজ (১৭) কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ মো. আবুল খায়ের জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে মায়ের শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি তবে শিশু মেয়ের ঘাড়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

প্রতিবেশী ও স্বামীর কাছ থেকে জানা গেছে, গত কয়েক দিন পূর্বে নিহতের স্বামী নাছির উদ্দিনের ছোট ভাই মো. মাহারাজের সাথে ঝগড়া হয়। ঘটনার পর নাছির উদ্দিনের বাড়ি থেকে একটি বিষের বোতল উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

উল্লেখ্য, রেহেনা বেগম ও নাছির উদ্দিনের গত দুই বছর পূর্বে বিবাহ হয়। তাদের পরিবারে একমাত্র মেয়ে ছিল নাজনিন আক্তার।

টেকনাফে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার

01

নিজস্ব প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের টেকনাফে এক লাখ ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর সদস্যরা। এ সময় জব্দ করা হয়েছে একটি কাঠের তৈরি নৌকা। তবে এই ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

শুক্রবার সকাল ৭ টার দিকে টেকনাফের নাফনদীর ১ নং স্লুইচ গেইট এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই ইয়াবার চালান আটক করা হয়।

বিজিবির টেকনাফস্থ ২ নং ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল আবুজার আল জাহিদ জানিয়েছেন, বিজিবি টহল দল গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, মিয়ানমার হতে নৌকাযোগে নাফ নদী পার হয়ে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে টহল দল ১ নং স্লুইচ গেইট এলাকায় ওঁৎ পেতে থাকে। সকাল ৭ টার দিকে একটি নৌকা ১নং সুইচ গেইট হতে ১০০ গজ উত্তরে নাফ নদীর কিনারায় আসলে টহল দল তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করে। সে সময় নৌকায় অবস্থানরত ইয়াবা পাচারকারীরা লাফ দিয়ে সাঁতরিয়ে শূন্য রেখা অতিক্রম করে মিয়ানমারের জল সীমানায় প্রবেশ করে। এতে তাদেরকে আটক করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে টহল দল তল্লাশি করে উক্ত নৌকা থেকে ১টি বড় প্যাকেট উদ্ধার করে। প্যাকেটটি খুলে গননা করে ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা মূল্যমানের ১ লাখ ২০ হাজার ইয়াবা পাওয়া যায়। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হয়েছে। যা পরবর্তীতে উর্দ্ধতন কর্মকর্তা, মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হবে।

খাগড়াছড়িতে দুইটি আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, সামরিক পোশাকসহ ইউপি সদস্য গ্রেফতার 

kkkkk copy

স্টাফ রিপোর্টার:

খাগড়াছড়িতে দুইটি আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, সামরিক পোশাক, বাইনোকুলার ও বিদেশী মুদ্রাসহ এক ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে যৌথবাহিনী।

বৃহস্পতিবার রাত ২ টার দিকে সদর উপজেলার দেবতাপুকুরের নিকটবর্তী থলিপাড়া থেকে কালিবন্ধু ত্রিপুরা(৫৬) নামের এই ইউপি সদস্যের বাড়ি তল্লাসী করে এসকল অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামাদি পাওয়া যায়। এসময় যৌথবাহিনী পুত্রসহ তাকে গ্রেফতার করে।

স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথবাহিনীর একটি দল খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার ১ নং ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার কালিবন্ধু ত্রিপুরার থলিপাড়ার বাসভবন তল্লাশী করার উদ্দেশ্যে ঘেরাও করে যৌথ বাহিনী। এসময় তাদেরকে আটক করে বাড়ির বাইরে নিয়ে এসে অস্ত্রের কথা জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা অস্বীকার করে। পরে যৌথবাহিনী তাদের বাড়ি তল্লাশী করলে বাড়ির বিভিন্ন স্থান থেকে দুইটি এলজি, ৩ রাউন্ড এলজি’র গুলি, একটি বাইনোকুলার, প্রতিবেশী একটি দেশের সেনাবাহিনীর সামরিক পোশাক,  ২১০ রুপী বিদেশী মুদ্রা আটক করা হয়।

kmjg copy

এসময় কালিবন্ধু ত্রিপুরা ও তার ছেলে যতীন ত্রিপুরা(৩০)কে আটক করে যৌথবাহিনী। গ্রেফতারকৃত কালিবন্ধু ত্রিপুরা জেএসএস সংস্কার দলের সাথে জড়িত ও এলাকায় চাঁদাবাজ হিসাবে চিহ্নিত বলে যৌথবাহিনী সূত্র দাবী করেছে।

শুক্রবার আটককৃতদের খাগড়াছড়ি সদর থানায় হস্তান্তর করা হযেছে বলে জানা গেছে।

খাগড়াছড়ির গুইমারাতে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

Capture

নিজস্ব প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির গুইমারাতে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র, গুলি ও চাঁদা আদায়ের রশিদ বই উদ্ধার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। সোমবার গভীর রাতে গুইমারা উপজেলার ইন্দ্রমনি কার্বারীপাড়ায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়।

নিরাপত্তাবাহিনী জানায়, দীর্ঘদিন ধরে কিছু সন্ত্রাসী ঐ এলাকায় তাদের কার্যক্রম চালিয়ে আসছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার মধ্যরাতে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা পাহাড়ের উপরের একটি জুম ঘরে অভিযান চালায়। এ সময় সন্ত্রাসীরা নিরাপত্তাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে গেলেও ২টি দেশীয় তৈরী পিস্তল, ৬ রাউন্ড গুলি, ৬টি চাঁদা আদায়ের রশিদ বই, একটি ছুরিসহ বেশকিছু জিনিস পত্র উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

পরে উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গুলি গুইমারা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। নিরাপত্তাবাহিনী সূত্র জানিয়েছে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে তাদের এ অভিযান অব্যহত থাকবে।

হাটহাজারী থেকে অপহৃত শিশু গুইমারায় উদ্ধার আটক- ১

উদ্ধার

সিনিয়র রিপোর্টার:

চাঁদার দাবিতে অপহরণের ১২ দিনের মাথায় খাগড়াছড়ির নবগঠিত গুইমারা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে হাটহাজারী থেকে অপহৃত শিশু সোহরাব আক্তারকে (১১)। অপহরণের পর শিশুটিকে শিকল দিয়ে বেঁধে রেখেছিল দুর্বৃত্তরা।

শুক্রবার রাতভর অভিযান শেষে শনিবার সকাল সাতটার দিকে খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারার আমতলী এলাকার একটি বাড়িতে গুইমারা থানা পুলিশের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে সোহরাব আক্তারকে শিকল বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করে হাটহাজারী থানা পুলিশ। এ সময় সন্দেহভাজন অপহরণকারী চক্রের সদস্য নূর উদ্দিনকে আটক করা হয়।

অপহৃত শিশু সোহরাব আক্তার‘র পিতা মো. কবির হোসেন জানান, ১১ জানুয়ারি থেকেই তার শিশুপুত্র সোহরাব আক্তার নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় তিনি ১৩ জানুয়ারি হাটহাজারী থানায় মামলা করেন।

অপহৃত শিশুটি শিকলে বাঁধা ছিল এমন তথ্য নিশ্চিত করে গুইমারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, শনিবার সকাল সাতটার দিকে গুইমারার আমতলী এলাকায় একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সোহরাব আক্তারকে উদ্ধার করা হয়।

কক্সবাজারে এক নারীর লাশ উদ্ধার

লাশ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিনিধি:

কক্সবাজার শহরের বড়বাজারের রাখাইন পাড়ায় নুরুন নাহার (৫০) নামে এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে সদর থানা পুলিশ। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে ঘরে মৃত অবস্থায় এ লাশ উদ্ধার করা হয়। নুরুন নাহার স্থানীয় নুর মোহাম্মদের স্ত্রী। স্বামী পরিত্যক্তা নুরুন নাহার সুদের টাকার ব্যবসা করতেন বলে জানা গেছে।

নিহতের বোন ইয়াছমিন আক্তার জানান, নুরুন নাহার দীর্ঘ ১০-১২ বছর যাবৎ হাফেজ আহম্মদের বাসায় ভাড়া থাকতেন। তিনি একাই ওই ঘরে থাকেন। প্রতিদিন নিয়ম করে সকালে ঘুম থেকে উঠলেও আজ দেরি করায় ঘরের দরজা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করলে দেখা যায় নুরুন নাহার মৃত অবস্থায় নীচে পড়ে আছে। তার কান ও নাক দিয়ে রক্ত বের হয়েছে। ঘরের সব জিনিস পত্র এলোমেলো। আলমিরার দরজা এবং ঘরের বেড়ার পিছনের অংশ ভাঙ্গা। এছাড়া ঘরে থাকা টাকা, স্বার্ণালংকার ও সুদের ব্যবসার সব কাগজ-পত্র লুট হয়েছে।

স্থানীয়রা ধারণা করছেন, সুদের ব্যবসা নিয়ে তার সাথে অনেকের লেনদেন রয়েছে। রাতে কেউ ঘরে ঢুকে তাকে খুন করে সব নিয়ে পালিয়ে গেছে।

কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন জানান, খবর পাওয়ার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পুলিশ যায়। তার মৃত্যুর কারণ এখনও বুঝা যাচ্ছেনা। প্রাথমিক অবস্থায় ধারণা করা হচ্ছে স্টোক করে মারা গিয়েছে। তবে এটি হত্যাকান্ড কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

লাশ উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার:

রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুর ২টার দিকে শহরের সুখি নীলগঞ্জন এলাকায় মহাজন পাড়ার কাপ্তাই হ্রদে থেকে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে তাৎক্ষণিক নিহতের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি। তাঁর পড়নে কালো রঙের পেন ও চেকের র্শাট ছিল। পুলিশ ধারণা করছে নিহতের বয়স ৩০বছর হতে পারে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুর ২টার দিকে শহরের সুখি নীলগঞ্জন এলাকার মহাজন পাড়ার কাপ্তাই হ্রদে ভাসমান অবস্থায় থাকা অজ্ঞাত যুবকে লাশ দেখতে পায় স্থানীরা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই যুবকের লাশ উদ্ধার করে। পরে ময়না তদন্তের জন্য রাঙামাটি সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

রাঙামাটি কোতয়ালী থানার কর্মকর্তা মো. রশিদ জানান, শহরের সুখি নীলগঞ্জ এলাকার মহাজন পাড়ার কাপ্তাই হ্রদ থেকে উদ্ধার করা অজ্ঞাত যুবকের লাশের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাঁর মুখে ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে দুর্বৃত্তরা তাকে মেরে হ্রদে ফেলে দিয়েছে। এ বিষয়ে অজ্ঞাত হত্যা মামলা করা হবে। এ ব্যাপারে পুলিশ তদন্ত করছে।

টেকনাফে গৃহবধুর লাশ উদ্ধার

লাশ উদ্ধার

টেকনাফ প্রতিনিধি:

টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং থেকে সালমা আকতার (২১) নামে এক গৃহবধুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সে
হোয়াইক্যং বালুখালী পাড়ার আলী আহমদ প্রকাশ কালা মিয়ার স্ত্রী।

সোমবার সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে হোয়াইক্যং বালুখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে মৃত্যুর কারণ হিসেবে স্বজনদের মধ্যে পরস্পর বিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে।

নিহত সালমা গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করার দাবি করেছে শাশুড় বাড়ীর লোকজন। কিন্তু নিহতের পিতা কবির আহমদ ড্রাইভার দাবি করেন, তাকে প্রতিনিয়ত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাত শাশুড় বাড়ীর লোকজন। তারাই এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত বলে দাবি করেন তিনি।

এ ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান খোন্দকার জানান, স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে লাশটি উদ্ধার করে সুরতহাল রির্পোট তৈরীর জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে এটি আত্মহত্যা না হত্যাকান্ড তা ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে।

কক্সবাজারে ৭৫ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

01

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

কক্সবাজার কলাতলী পয়েন্টস্থ সমুদ্র সৈকতে কোস্টগার্ড অভিযান চালিয়ে ৭৫ হাজার ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করেছে। এসয় জব্দ করা হয় এফবি ফোরস্টার নামে ইয়াবা পাচার কাজে ব্যবহৃত একটি ফিশিং বোট।

বুধবার ভোর থেকে সকাল ৯ টা পর্যন্ত কোস্টগার্ড অভিযান চালিয়ে এসব ইয়াবা ও বোট জব্দ করে। এ সময় কাউকে আটক করা যায়নি বলে জানান কোস্টাগার্ড।

কোস্টগার্ডের সাব-লেফটেন্যান্ট এমএ হাসেম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইয়াবা পাচারের কাজে ব্যবহৃত ফিশিং বোট এফবি ফোরস্টারটি ধাওয়া করা হয়। এ সময় পাচারকারীরা বস্তাভর্তি ইয়াবা ফেলে পালিয়ে যায়। পরে সে সব ইয়াবা জব্দ করা হয়। তবে কাউকে আটক করা যায়নি।

কক্সবাজার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শুবোধ কুমার বিশ্বাস জানান, কোস্টগার্ডের জব্দকৃত ইয়াবা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেখানে ৭৫ হাজার ইয়াবা রয়েছে।