অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দুরছড়ি বাজার পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ করেছেন চট্টগ্রামের জিওসি

dsc00105-9999999

নিজস্ব প্রতিনিধি :

বাঘাইছড়ি উপজেলার দুরছড়ি বাজারে এক ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ক্ষতি- গ্রস্তদের দেখতে গেলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার ও রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মানজারুল মান্নান। উভয়ই আলাদাভাবে দুরছড়ি বাজারে পৌঁছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত বাজার ঘুরে ঘুরে দেখেন। এসময় তারা ক্ষতিগ্রস্তদের সাথে কথা বলে বিভিন্ন খোঁজ খবর নেন।

জানা গেছে, শুক্রবার লংগদু সেনা জোনের উদ্যোগে বাঘাইছড়ি উপজেলায় সংঘঠিত এক ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দুরছড়ি বাজার পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চট্টগ্রামস্থ ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি জাহাঙ্গির কবির তালুকদার। তিনি দুরছড়ি বাজারে অগ্নিদুর্গত এলাকা ঘুরে দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজ খবর নেন। এরপর তিনি ক্ষতিগ্রস্ত দুইশত পঞ্চাশ পরিবারের মাঝে ১০ কেজি হারে চাউল, তেল, লবণ, পেয়াজ, আলু, সব মিলে প্রায় দুই লক্ষ টাকা মুল্যের ত্রাণ বিতরণ করেন।

এছাড়া লংগদু জোনের উদ্যোগে অগ্নি ক্ষতিগ্রস্তদেরকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ করা হয়েছে।


এ অগ্নিকাণ্ডের বিস্তারিত খবর পড়তে পড়ুন:

রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ডে বাঘাইছড়ির আড়াইশ স্থাপনা ছাই: নিহত ১, ক্ষতি ৩০ কোটি টাকা


২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি জাহাঙ্গির কবির তালুকদার ত্রাণ বিতরণ কালে ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্দেশ্যে বলেন, অগ্নি দূর্ঘটনা যাতে বারবার না ঘটে তার জন্য পরিকল্পনা করতে হবে। এবং সে পরিকল্পনা অনুযায়ী স্থাপনা তৈরী করা হলে ও সচেতন থাকলে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ অনেক কম হবে। সেনবাহিনীর পক্ষে যতটুকু সম্ভব সব ধরণের সহযোগিতা দিয়ে যাব।

এসময় খাগড়াছড়ি ২০৩ পদাতিক বিগ্রেডের কমান্ডার ব্রি. জে. স. ম. মাহাবুব উল আলম, লংগদু সেনা জোনের জোন কমান্ডার লে. কর্ণেল আব্দুল আলীম চৌধুরী, রাজনগর বিজিবি জোনের জোন কমান্ডার লে. কর্ণেল তারেক বে-নজীর আহম্মেদ, লংগদু জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর গোলাম আজমসহ বিভিন্ন সেনা কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, অগ্নিকান্ডের দিন সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনদের নিকট রান্না করা খবার বিতরণ করা হয়েছিল। এছাড়া অগ্নিকান্ডের উদ্ধার তৎপরতায়ও সেনাবাহিনী ব্যাপকভাবে অংশ নিয়েছিল।

dsc00086

অপরদিকে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মানজারুল মান্নান দুরছড়ি বাজার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন শেষে বাজারের মন্দির মাঠে এক সংক্ষিপ্ত সভায় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য জনপ্রতি বিশ কেজি চাউল ও নগদ পাঁচশত টাকা হারে বরাদ্দ দেন। এবং বাজার উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহনের ব্যাপারে আশ্বাস দেন। এসময় বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ তাজুল ইসলাম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সুমিতা চাকমা, খেদারমারা ইউপি চেয়ারম্যান সন্তোষ বিকাশ চাকমা, বাঘাইছড়ি ইউ আর সি আবু মুসা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য বৃহষ্পতিবার দুরছড়ি বাজারে সাড়ে এগারটার সময় একটি লেপের দোকান থেকে এক ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ফলে ২শত ৮০ টি ছোট বড় দোকান পুড়ে যায়। এতে ২৫০ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে কমপক্ষে আশি কোটি টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে বলে সূত্র জানায়।

খাগড়াছড়ির আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্রের কাউন্টার সংলগ্ন ২টি দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

Agun Pic-09.12.13

জেলা প্রতিনিধি, খাগড়াছড়ি :

খাগড়াছড়ি জেলার আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্রের সামনের টিকেট কাউন্টার সংলগ্ন চায়ের দোকানগুলোতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে খাগড়াছড়ি ফায়ার সার্ভিসের একটি টীম দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। দোকানের চুলা থেকে এ অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত ঘটেছে বলে জেলা ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানা যায়।

এ ঘটনায় ২টি চায়ের দোকান আগুনে পুঁড়ে যায়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ২০ হাজার টাকা।প্রায় ১লক্ষ টাকার অধিক সম্পদ আগুনে পুড়ে যাওয়া হতে উদ্ধার করা হয়েছে। ২টি দোকান খোকন মানিক ও যশদা ত্রিপুরার বলে জানা যায়।

আগুনে পুড়ে গেছে খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি থানা: রক্ষা পায়নি অস্ত্রাগার, মালখানা, পুলিশ ব্যারাক

539822_554171541336254_445752745_n

স্টাফ রিপোর্টার, পার্বত্যনিউজ :

ভয়াবহ আগুনে পুড়ে গেছে পার্বত্য খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি থানা। থানার অস্ত্রাগার, মালখানা ও পুলিশ ব্যারাকসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি স্থাপনা রেহাই পায়নি আগুনের লেলিহান শিখা থেকে। ঘটনাটি ঘটেছে আজ সকাল সোয়া সাতটার দিকে।

সহকারী পুলিশ সুপার (রামগড় সার্কেল) মো: শাহজাহান হোসেন অগ্নিকান্ডের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, কিভাবে আগুনের সুত্রপাত হলো তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খবর দেওয়া হলেও দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছার আগেই আগুন শেষ করে ফেলে মানিকছড়ি থানার অস্ত্রাগার, মালখানা ও দুটি পুলিশ ব্যারাক। মানিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কেশব চক্রবর্তী জানান, আনুমানিক সকাল পৌনে ৭টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হলেও তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ৬০ কিলোমিটার দূরে জেলা সদর থেকে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি রওনা হলেও সকাল ৯টা পর্যন্ত মানিকছড়ি উপজেলায় পৌঁছাতে পারেনি।

বিকট শব্দে পুলিশ ব্যারাকের গুলি-বারুদসহ বিভিন্ন দাহ্য পদার্থ পুড়তে থাকায় থানা ভবনের কাছে যাওয়া যাচ্ছে না। তারপরও সেনাবাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে এলাকাবাসী আগুন নেভানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে বলে জানান ওসি।

কেশব চক্রবর্তী বলেন, “চলমান অবরোধের কারণে বেশিরভাগ পুলিশ সদস্য উপজেলার বিভিন্ন স্থানে দায়িত্বে থাকায় তাদের বা থানার কোনো মালামাল রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। থানার ভেতরে যে কয়েকজন ছিল, তারা কেবল নিরাপদে বেরিয়ে আসতে পেরেছেন।” 

 

আলীকদমে আ’লীগ কার্যালয়ে আগুন : উপজেলা চেয়ারম্যানসহ অজ্ঞাতনামা অর্ধশতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা

Al Office Faire News Pic_2 Alikadam_Bandarban.doc

মমতাজ উদ্দিন আহমদ, আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

সোমবার দিনগত মঙ্গলবার রাত সোয়া তিনটার সময় বান্দরবান জেলার আলীকদম উপজেলা আওয়ামীলীগ অফিসে দুর্বৃত্তরা অগ্নিসংযোগ করেছে। এ ঘটনায় উপজেলা চেয়ারম্যান ও সদ্য ঘোষিত বিএনপির সভাপতি মোঃ আবুল কালাম ও যুবদলের আবুল হাশেমকে আসামী করে উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক দুংড়ি মং মার্মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে। মামলায় আরো অজ্ঞাতনামা অর্ধশতাধিক লোককে অভিযুক্ত করা হয়েছে। দলীয় কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগকে পরিকল্পিত দাবী করে উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অংগ-সহযোগি সংগঠন উপজেলা সদরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রেসক্লাব চত্ত্বরে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে। সমাবেশ শেষে মিছিল নিয়ে থানায় অভিযোগপত্র পেশ করা হয়।

পুলিশ ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে,  মঙ্গলবার রাত সোয়া তিনটার সময় আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে পেট্রোল-অকটেন ঢেলে আগুন লাগায় দুর্বৃত্তরা। এ সময় কার্যালয়ের ভেতরে দলীয় গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও বেশ কিছু ডিজিটাল ব্যানার-পেস্টুন পুড়ে যায়। বাজারের নৈশ প্রহরীরা আগুন দেখতে পায়। আলীকদম বাজারের নৈশপ্রহরী মোহাম্মদ ইসা বলেন, আমি আওয়ামীলীগ কার্যালয়ের ভেতরে হঠাৎ আগুন দেখতে পেয়ে ডাক চিৎকার শুরু করি। পরে দরজা ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে আরো কয়েকজনের সহায়তায় আগুন নিভাতে সক্ষম হই।

থানায় প্রদত্ত উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক দুংড়িমং মার্মা বলেন, গত ১৬ নভেম্বর আলীকদম প্রেসক্লাব চত্ত্বরে ১৮ দলের সমাবেশে উপজেলা বিএনপির নবনিযুক্ত সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম আওয়ামীলীগ অফিস নির্মাণ নিয়ে কটুক্তিপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। এ সময় তিনি দলীয় কার্যালয় ভাংচুর ও নেতাকর্মীদের বাড়িঘর ভেঙ্গে আগুনে পুড়ানোর প্রকাশ্য হুমকি দেন। দুংড়ি মং মার্মা অভিযোগ করেন, তার (উপজেলা চেয়ারম্যান) হুকুমেই বিএনপির উগ্রপন্থিরা আগুন লাগিয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা নং- ০২, তারিখ ১৯/১১/২০১৩ ইং রুজু হয়েছে।

এ ঘটনায় আওয়ামীলীগ ও অংগ-সহযোগি সংগঠনের উদ্যোগে মঙ্গলবার উপজেলা সদরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রেসক্লাব চত্ত্বরে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি নাছির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য মোজাম্মেল হক, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক দুংড়ি মং মার্মা, যুগ্ম সম্পাদক কামরুল হাসান টিপু, সাংগঠনিক সম্পাদক সমর রঞ্জন বড়ুয়া ও ওলামালীগ সভাপতি বেলাল উদ্দিন সিরাজী।

বাজারের নাইট গার্ড মোহাম্মদ ইসা বলেন, আমি আওয়ামীলীগ কার্যালয়ের ভেতরে হঠাৎ আগুন দেখতে পেয়ে ডাক চিৎকার শুরু করে দরজা ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকি। পরে আরো কয়েকজনের সহায়তায় আগুন নিভাতে সক্ষম হই।

উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক দুংড়িমং মার্মা বলেন, গত ১৭ নভেম্বর আলীকদম প্রেসক্লাব চত্ত্বরে ১৮ দলের সমাবেশে উপজেলা বিএনপির নবনিযুক্ত সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম আওয়ামীলীগ অফিস নির্মাণ নিয়ে কটুক্তিপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। এর জেরে ধরে বিএনপির উগ্রপন্থিরা আগুন লাগিয়েছে বলে তারা ধারণা করছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামীলীগ অংগ ও সহযোগি সংগঠনের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার বিক্ষোভ মিছিল ও প্রেসক্লাব চত্ত্বরে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে। পাশাপাশি বিএনপির দুষ্কৃতিকারীদের অভিযুক্ত করে থানায় অচিরেই অভিযোগপত্র দায়ের করা হবে।

অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হামিদ বলেন, বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতি করেনা। বিএনপির কেউ আগুন লাগানোর মতো হীনকাজে জড়িত নয়। আলীকদমে বিএনপির গতিশীলতা নষ্ট করার জন্য উদ্দেশ্যমূলক অভিযোগ করা হচ্ছে।

জানতে চাইলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হোসাইন বলেন, টহল পুলিশের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমি রাত সাড়ে তিনটার ঘটনাস্থলে পৌঁছি। এ ঘটনায় দোষীদের সনাক্তে তদন্ত চলছে।

খাগড়াছড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড : দুই দোকান ভস্মিভুত

fire_logo-10_0

মো: আবুল কাশেম, খাগড়াছড়ি :

খাগড়াছড়ি বাজারে এক ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে দুই দোকান ভস্মিভুত হয়েছে। শুক্রবার রাত পৌনে এগারটার দিকে শহীদ কাদের সড়কের সাংবাদিক জহুরুল আলম‘র মালিকানাধীন ভবনে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। মুহুর্তের মধ্যেই আগুনের তীব্রতা ভবনের নিচতলা ছাড়িয়ে পুরো ভবনে ছড়িয়ে পড়ে। বৈদ্যুতিক শর্টসাকিট থেকে অগ্নিকান্ডের সুত্রপাত বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে।

সাংবাদিক জহুরুল আলম‘র মালিকানাধীন ভবনের নীচ তলায় ‘মনি ফ্যাশন’ থেকেই আগুানের উৎপত্তি বলে ফায়ার সার্ভিস সুত্রে জানা গেছে। একই ভবনে উপরের তলায় ‘বিগ বস’ নামে মোবাইল সার্ভিসিং শপ। অগ্নিকান্ডে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমান প্রায় বিশ লাখ টাকা বলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সুত্রে জানা গেছে। ঘটনার পর পরই ফায়ার সার্ভিস‘র কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌছে বিশ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়। দ্রুত পদক্ষেপের কারনে ক্ষতির পরিমান কম হয়েছে বলে জানা গেছে। যথাসময়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে না আসলে আগুনের ভয়াবহতা আরো ব্যাপকতা লাভ করতো বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে।