সাজেক-নীলগিরি ‘ট্যুর ডি সিএইচটি মাউন্টেন বাইক প্রতিযোগিতা’ শুরু

Khagrachari Pi 03

নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি:
পার্বত্য চট্টগ্রামে পর্যটন শিল্পের বিকাশে সাজেক-নীলগিরি ২৫০ কিলোমিটার তিন দিন ব্যাপী ‘ট্যুর ডি সিএইচটি মাউন্টেন বাইক প্রতিযোগিতা’ শুরু হয়েছে। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ এ্যাডভেঞ্চার ক্লাব যৌথভাবে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

২৪ মার্চ শুক্রবার সকালে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ভারতের মিজোরাম রাজ্য সন্নিহিত প্রাকৃতিক রূপে রূপময় ও অপার সম্ভাবনার জনপথ খাগড়াছড়ি রিজিয়নের আওতাধীন রাঙামাটির সাজেক পর্যটন কেন্দ্রের রুইলুইপাড়া এলাকায় প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী।
Khagrachari Pi 02

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব এ.এস.এম শাহেন রেজা, সুবিনয় ভট্টাচার্য্য ও বাংলাদেশ এ্যাডভেঞ্চার ক্লাবের পরিচালক মশিউর খন্দকার প্রমুখ।

রাঙ্গামাটির সাজেক ভ্যালী থেকে খাগড়াছড়ি হয়ে বান্দরবানের নীলগিরি পর্যন্ত মোট ২৫০ কিলোমিটার পাহাড়ি পথে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে অংশ নিয়েছে মোট ৪২ জন প্রতিযোগী। প্রথম দিনে সাজেক হতে খাগড়াছড়ি পর্যন্ত ৬৮ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে তাঁরা। প্রথম দিন দুর্গম পাহাড়ি পথ পাড়ি দিতে গিয়ে বেশ কয়েকজন প্রতিযোগী আহত হয়।
Khagrachari Pi 04

প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীকে যথাক্রমে ৮০ হাজার, ৬০ হাজার এবং ৪০ হাজার টাকা সমপরিমাণ অংকের এমটিভি হিমালয় স্পন্সরশীপ প্রদান করা হবে। যার মাধ্যমে বিজয়ীরা ভারতের একটি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।




জনগণের মাঝে আর্থসামাজিক উন্নয়নের বৈপ্লবিক পরিবর্তন হয়েছে

DSC_0398 copy

সাজেক প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ নিরাপত্তাবাহিনীর বাঘাইহাট জোনে অনুষ্ঠিত হেডম্যান ও কার্বারী সম্মেলনে, সাজেকের ২০০৮/১০ সালের ঘটনা উল্লেখ করে হেডম্যান/কার্বারীরা বলেন, অনাকাঙ্ক্ষিত ৮/১০ সালের ওই ঘটনার পর এলাকায় যে বিরাজমান পরিস্থিতি ছিল পাহাড়ি বাঙ্গালীর মাঝে যে দুরত্ব ছিল তা একমাত্র নিরাপত্তাবাহিনীর ৪ বেঙ্গলের দ্বারায় জনগণের মাঝে আগের মত পাহাড়ি বাঙ্গালীর মাঝে আবারও আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে এবং ৪ বেঙ্গলের কারণেই এলাকাতে শান্তি বিরাজ করছে।

হেডম্যান/কার্বারীরা আরও বলেন, এ বেঙ্গল আসার পর সাজেক এতো প্রচার প্রসার হয়েছে যা বলার মত না, এখানকার জনগণ উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পেতনা এখন পর্যটন ও সড়ক যোগাযোগ উন্নয়নের ফলে জনগণ উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পাচ্ছে এর ফলে এ এলাকার জনগণের মাঝে আর্থসামাজিক উন্নয়নের বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটেছে এবং কি এ বেঙ্গল অন্যান্য বেঙ্গলের থেকে আলাদা এ বেঙ্গল আসছে পর্যন্ত কখনও নিরিহ লোককে হয়রানি করেনি এবং জনপ্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে এ বেঙ্গল এলাকায় উন্নয়ন করে যাচ্ছে শান্তির পরিবেশ বজায় রাখছে আশাকরি এর ধারা অব্যাহত থাকবে।

এধরনের সম্মেলন সাজেকসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও সহাবস্থান প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে স্থানীয়দের অভিমত। এছাড়া নিয়মিতভাবে এ ধরনের সম্মেলনের মাধ্যমে দিকনির্দেশনা প্রদানের জন্য অংশ গ্রহণকারীরা নিরাপত্তাবাহিনীর কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন।

হেডম্যান ও কার্বারী সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, বাঘাইহাট জোনের অধিনায়ক লে.ক ইসমাইল হোসেন খাঁ(পিএসসি)। এসময় অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন, বাঘাইহাট জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর মঈনুল ইসলাম(পিএসসি), বঙ্গলতলী ইউপি চেয়ারম্যান কার্বারী জ্ঞনোজ্যোতি চাকমা, হেডম্যান বিশ্বজিত চাকমা, কার্বারী অতুলাল চাকমা(সাবেক চেয়ারম্যান), কার্বারী নতুনজয় প্রমুখ।

এসময় বাঘাইহাট জোনের আওতাধীন এলাকার অর্ধ-শতাধিক হেডম্যান ও কার্বারী উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনে হেডম্যান ও কার্বারীগণ পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নিরাপত্তাবাহিনীর অবদানের কথা অকুণ্ঠ চিত্তে স্মরণ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সকল হেডম্যান ও কারবারীদের কাছ থেকে তাদের এলাকার বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে জানতে চাইলে, উঠে আসে বাঘাইহাট হতে করেঙ্গাতলী সড়কের বেহাল অবস্থার কথা, গংগারাম/নন্দারাম এলাকায় স্কুলের শিক্ষা সহায়ক উপকরণ সহ স্কুল নানান সমস্যার পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক ঘটনায় নিরিহ লোকজনকে মামলা থেকে অব্যাহতির ব্যবস্থাসহ আরও নানা সমস্যা। এসময় জোন কমান্ডার সব বিষয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সম্মেলনে জোন অধিনায়ক লে.ক ইসমাইল হোসেন খাঁ বলেন, সাজেকের মানুষ শান্তি প্রিয় আর সরকারও শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে। পার্বত্যাঞ্চলে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে উন্নয়নমূলক কাজে সরকারকে সহযোগিতা করছে নিরাপত্তাবাহিনী। এলাকায় চাঁদাবাজী, সন্ত্রাসীমূলক অপরাধ কর্মকাণ্ড ও দুষ্কৃতিকারীদের নির্মূলে পাড়া কারবারী ও মৌজা হেডম্যানদের ভূমিকা রাখতে হবে। শান্তির পরিবেশ অশান্ত করার কোনো কাজ করলে কাউকে কোন প্রকার ছাড় দেয়া হবে না।

যারা অন্যায়ভাবে নিরীহ জনগণ থেকে চাঁদা আদায় করছে, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে তাদেরকে স্পষ্ট করে বলেন, যেখানে অস্ত্রের ঝনঝনানি যেখানে চাদাঁবাজি সেখানেই সাথে সাথে ব্যবস্থা নেওয়া হবে অতীতেও এ ইউনিট তার উদাহরণ দিয়েছে।

এসময় তিনি আরও বলেন, যারা চাঁদা নেন তারা সংখ্যায় খুবই নগন্য। সকলে সংঘবদ্ধ হয়ে তাদের প্রতিরোধ করতে হবে । এলাকার সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি অন্যায় অপরাধ প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বানও জানান তিনি।

বর্তমানে সাজেকের শান্তি শৃঙ্খলা সুস্থ পরিবেশ বজায় রেখে চলমান উন্নয়ন কাজকে আরও এগিয়ে নেয়ার উপর গুরুত্বারোপ করে তিনি আরও বলেন, এলাকাতে যে সব দুষ্কৃতিকারী রয়েছে তাদের আইনের আওতায় আনতে হেডম্যান কারবারীদের সহযোগিতা প্রয়োজন। পাহাড়ি-বাঙ্গালী সম্প্রীতিকে বিনষ্ট করার জন্য বিভিন্ন ঘটনাকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়, এর থেকে বিরত থেকে সম্প্রীতি সৌহার্দের সাথে সবাইকে বসবাস করতে হবে। সাজেকে আইন-শৃঙ্খলা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে এ জনপদে বসবাসরত সকল জনগোষ্ঠির মাঝে বৈপ্লবিক পরিবর্তন হয়েছে।

সম্মেলনে হেডম্যান-কারবারীদের পাশাপাশি অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সাজেক থানার অফিসার ইনচার্জ নুরুল আনোয়ার, সাজেক ইউপি চেয়ারম্যান নেলশন চাকমা, বাঘাইহাট বাজার কমিটির সভাপতি ডা. নাজিম উদ্দিন, সাধারণ-সম্পাদক মো. জুয়েল  প্রমুখ।




বেবি টাইগার্স’র ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

54 copy

সাজেক প্রতিনিধি:

বর্ণিল সাজসজ্জা ও কেক কাটাসহ নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বুধবার দুপুরে রাঙ্গামাটি পার্বত্যজেলার সাজেকের বাঘাইহাট জোন সদরে পালিত হয়েছে বাংলাদেশ নিরাপত্তাবাহিনীর বেবি টাইগার্স’র(৪ ইস্ট বেঙ্গল) ৫৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। দিবসটি উপলক্ষে নানা রঙ-বেরঙের বেলুন আর বর্ণিল সাজে সাজানো হয় জোন সদরকে।

বেলা ১২টা থেকেই আমন্ত্রিত অতিথিরা জোন সদরে উপস্থিত হতে থাকেন। এসময় বেবি টাইগার্স’র অধিনায়ক লে.ক. মো. ইসমাইল হোসেন(পিএসসি) আমন্ত্রিত অতিথিদের স্বাগত জানান।

বেবি টাইগার্স(৪ইস্ট বেঙ্গল)’র  ৫৪ তম বর্নিল প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিজে. মীর মুশফিকুর রহমান (এসইউপি, পিএসসি), প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কেক কাটেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মীর মুশফিকুর রহমান বলেন, এ ইউনিটের স্বাধীনতার আগে হতে এবং পরবর্তীতেও বাংলাদেশ নিরাপত্তাবাহিনীতে যে বীরত্বের প্রমাণ রয়েছে আশা করি তা উত্তর উত্তর বৃদ্ধিপাবে এবং জনগণকে সাথে নিয়ে দেশের উন্নয়ন ও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে রিজিয়নের জিটুআই মুজাহিদ, বাঘাইহাট জোনের উপঅধিনায়ক মেজর মঈনুল ইসলাম, বাঘাইহাট রেঞ্জ অফিসার গোলাম সাহিদ, সাজেক থানার এসআই আলিম, সাজেক ইউপি চেয়ারম্যান নেলশন চাকমা, বঙ্গলতলী ইউপি চেয়ারম্যান জ্ঞানজ্যোতি চাকমা সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, পদস্থ সামরিক ও আধা সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ৪ ইস্ট বেঙ্গলের অধিনায়ক স্বাগত বক্তব্যে ইউনিটের অতীত ইতিহাস তুলে ধরে বলেন,  ৫৩ বছর আগে ১৯৬৩ সালের ১০ফ্রেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে জম্ম নেয়া ৪ইস্ট বেঙ্গল(বেবি টাইগার্স)নামে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।  মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণকারী এ ব্যাটালিয়নের রয়েছে ইতিহাস ও ঐতিহ্য। তার মধ্যে রয়েছে বীর শ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল সহ ৫ জন বীর উত্তম, ৯ জন বীর বিক্রম এবং ২৩ জন বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত হবার অনন্য দৃষ্টান্ত।

তাছাড়া এ ইউনিট পার্বত্য চট্রগ্রামে ৬বার দায়িত্ব পালন করেছে এবং প্রতিবারে এ ইউনিটের বীরত্বের প্রমান রেখেছে বিশেষ করে বেবি টাইগার্স বাঘাইহাটে আসার পর প্রথমেই সাজেকের মন্দিরা ছড়ায় অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমান অস্ত্র ‍ও গুলাবারুদ সরঞ্জাম উদ্ধার, মাচালং একুজ্জাছড়ি অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে হত্যা এবং সর্বশেষ বাঘাইছড়ির বরাধম পাড়ায় পাঁচ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসীকে হত্যাসহ বিপুল পরিমান অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার করে যা শান্তি চুক্তির পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ নিরাপত্তাবাহিনীর সেরা সাফল্য বর্তমানেও বেবি টাইগার্স এলাকাই শান্তি শৃঙ্খলার পাশাপাশি এলাকার উন্নয়নেও নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।




সাজেকে একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা নিবেদন

DSC_0301

সাজেক প্রতিনিধি:

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি’ মুখে মুখে এ গান আর হাতে হাতে ফুল নিয়ে একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও সকল সহযোগী সংগঠনের সাজেক থানা শাখার নেতাকর্মীরা।

একুশের প্রথম প্রহরে শ্রদ্ধা নিবেদনের উদ্দেশ্যে সাজেক থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ-সম্পাদক সুজিত দে’র নেতৃত্বে দলীয় কার্যালয় থেকে শহীদ মিনারে গিয়ে পুস্পমাল্য অর্পণ করে দলটির নেতাকর্মীরা।

শহীদ বেদিতে পুস্পমাল্য অর্পণের পর ৫২’র ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামান করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সাজেক আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রহমত উল্লাহ, যুবলীগের সভাপতি মো. আলী, সাজেক থানা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. রুবেল, সাধারণ সম্পাদক মো. মিজান, সহ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের সকল নেতা কর্মী।




সাজেকে ইউপিডিএফ’র চাঁদাবাজ হাতেনাতে আটক

DSCN1020 copy

সাজেক প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটি সাজেকের উজোবাজারস্থ দুইপথা নামক এলাকা থেকে চাঁদা আদায়ের সময় ইউপিডিএফ’র কালেক্টর অনুপম চাকমা(৪০)কে আটক করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।

নিরাপত্তাবাহিনী সূত্রে জানা যায়, সোমবার দিন গংগারাম মুখের উজোবাজারে হাটের দিন থাকায় খুচরা ও পাইকারী ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের জন্য দুইপথা নামক এলাকাতে অবস্থান করছে।

এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকাল ১১টায় নিরাপত্তা বাহিনী অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে, এসময় তার কাছে চাঁদা আদায়ের ১৪টি রশিদবই, ২টি মোবাইল, যুবফোরামের ৭টি পোস্টার, ও নগদ ৬৩২৬টাকা পাওয়া যায় এবং অনুপম চাকমা নিজেকে ইউপিডিএফ’র কালেক্টর বলে স্বীকার করেছে বলেও জানায় সূত্রটি।

অনুপম চাকমা সাজেকের রেতকাবা মুখের লক্ষীধন চাকমার ছেলে বলে জানা যায়।

অনুপম চাকমার নামে বাঘাইহাট এলাকায় ব্রাশ ফায়ার করে সরকারী দায়িত্ব পালনে বাধা, প্রাণনাশের হুমকি, ক্ষয়ক্ষতির চেষ্টা, ভীতি প্রদর্শন এবং গংগারাম এলাকায় প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিভিন্ন ধরনের উষ্কানীমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে সাজেক থানায় দুইটি মামলা রয়েছে বলেও জানা গেছে।

স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, সে দীর্ঘদিন যাবৎ গংগারাম এলাকায় ইউপিডিএফ’র চাঁদা আদায় করে আসছে। তবে এ বিষয়ে ইউপিডিএফ’র সাজেক শাখার সমন্বয়ক জুয়েল চাকমার সাথে মোবাইলে একাধিকবার কল করেও কল না ধরায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে সাজেক থানার অফিসার ইনচার্জ নুরুল আনোয়ার বলেন, অনুপম চাকমা ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী তার বিরুদ্ধে সাজেক থানায় দুইটি ও দীঘিনালা থানায় একটি মামলা রয়েছে, তাকে দীর্ঘদিনধরে খুঁজছিল পুলিশ। তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।




সাজেকে বাঘাইহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

2

সাজেক প্রতিনিধি:

সাজেকের অন্যতম বিদ্যাপীঠ বাঘাইহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০১৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সকালে বিদ্যালয় মাঠে বিদায় অনুষ্ঠানে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি অতুলাল চাকমার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঘাইহাট সেনা জোনের অধিনায়ক লে.ক. আলীহায়দার সিদ্দীকি(পিএসসি)।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঘাইহাট জোনের নবাগত জোন অধিনায়ক লে.ক. ইসমাইল খাঁ ও সাজেক ইউপি চেয়ারম্যান নেলশন চাকমা।

এছাড়া্ আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়’র প্রধান শিক্ষক শাক্যবোধি চাকমা, বাঘাইহাট বাজার কমিটির সভাপতি ডা. নাজিম উদ্দিন, বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য শিক্ষক/শিক্ষিকা, অভিভাবক ও গন্যমান্য ব্যক্তি বর্গ।

পরে বিদ্যালয়’র বিভিন্ন শ্রেনীর মেধাবীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয় এবং বিদ্যালয়’র মাঠে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এবছর এ বিদ্যালয় থেকে ১৭৫জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করবে।




সাজেকের জনগণের মাঝে যে সম্প্রীতি সৃষ্টি হয়েছে সবাইকে তা রক্ষা করতে হবে

5

সাজেক প্রতিনিধি:

গত ২০০৮-২০১০ সালের অনাকাঙ্খিত ঘটনার পর সব ভেদাভেদ ভুলে বর্তমানে সাজেকের জনগণের মাঝে যে সম্প্রীতি সৃষ্টি হয়েছে সবাইকে তা রক্ষা করতে হবে এবং এ সম্প্রীতি যাতে বিনষ্ট না হয় তার জন্য সকলকে সচেষ্ট থাকতে হবে।

শুক্রবার বাঘাইহাট সেনা জোনের উদ্যোগে জোন সদরে আয়োজিত জোন কমান্ডার’র মতবিনিময় ও নবাগত জোন কমান্ডার’র পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাঘাইহাট জোনের জোন কমান্ডার লে.ক. আলীহায়দার সিদ্দীকি(পিএসসি) এ কথা বলেন।

আলীহায়দার সিদ্দীকি বলেন, সাজেকে সম্প্রীতি বিনষ্টকারী সে যেই হোক তাকে কঠোর হস্তে দমন করবে ৪ইস্ট বেঙ্গল বাঘাইহাট জোন। যেখানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হবে, সেখানেই নিরাপত্তা বাহিনীর হস্তক্ষেপ থাকবে।

তিনি সাজেক বাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, সন্ত্রাসীরা সাজেকের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে বারবার বাধাগ্রস্ত করে আসছে তারপরেও নিরাপত্তা বাহিনী এ এলাকার জনগণের জন্যেই উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজদের প্রতিহত করতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।

2

তিনি আরও বলেন, সাজেকে দীর্ঘ ২বছর চার মাস সময়ে সাজেক বাসীর যে ভালোবাসা সহযোগিতা পেয়েছি তা স্বরণীয় হয়ে থাকবে। সাজেকবাসী আমাকে যে ভাবে সহযোগিতা করেছেন নবাগত জোন কমান্ডার কেও একই ভাবে সহযোগিতা করবেন আশা রাখি।

এসময় সাজেক বাসীর পক্ষে সাজেক ইউপি চেয়ারম্যান ও বাঘাইহাট বাজার কমিটির সভাপতি ও এলাকার মুরুব্বীরা বিদায়ী জোন কমান্ডারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, সাজেকে ২০০৮-১০সালের পর সাজেকে পাহাড়ী বাঙ্গালী জনগণের মাঝে যে দুরুত্ব ও অবিশ্বাস ছিল এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যে ভাঙ্গন ছিল তা পুনরায়  সাজেকবাসীর মাঝে যে সম্প্রীতি সৃষ্টি  হয়েছে তার রুপকার হলেন ৪ইস্ট বেঙ্গলের সিও।তিনি বারবার প্রমান করেছেন তিনি সম্প্রীতি প্রিয় অসাম্প্রদায়িক ব্যক্তি, এবং তিনি যে ভাবে চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীদের কঠোর হাতে দমন করেছেন যার ফলে সাজেকের সাধারণ জনগণ অন্যায় জুলুম নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে এবং বর্তমানে সুখ-শান্তিতে বাস করছে এজন্য সাজেকবাসী কৃতজ্ঞ।

শুক্রবার সকাল ১০টায় বাঘাইহাট জোন সদরে এলাকার হেডম্যান, কার্বারী, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, শিক্ষক ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ’র এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, বাঘাইহাট জোনের নবাগত জোন অধিনায়ক লে.ক মোহাম্মদ ইসমাইল খাঁ(পিএসসি), সাজেক থানার অফিসার ইনচার্জ নুরুল আনোয়ার, আলো এনজিওর নির্বাহী পরিচালক অরুন কান্তি চাকমা, সাজেক ইউপি চেয়ারম্যান নেলশন(নয়ন)চাকমা, বঙ্গলতলী ইউপি চেয়ারম্যান জ্ঞানজিত চাকমা, বাঘাইহাট বাজার কমিটির সভাপতি ডা. নাজিম সহ জোন সদরের সকল অফিসার্স ও এলাকার জনপ্রতিধি বৃন্দ।




সাজেকে ছাত্রলীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

1সাজেক প্রতিনিধি :

বর্নাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাঙামাটির সাজেকে পালিত হয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। সাজেক থানা ছাত্রলীগের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার সকালে সাজেক থানা অওয়ামী লীগের কার্যালয় থেকে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর বর্ণাঢ্য  র‌্যালি বের করা হয়।

র‌্যালিটি দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে বাঘাইহাট বাজার ও নার্সারীপাড়া প্রদক্ষিণ শেষে আবার দলীয় কার্যালয়ে এসে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।

পরে আলোচনা সভায় সাজেক থানা ছাত্র লীগের সভাপতি মো. রুবেল’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক সাজেক থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. শাহাজাহান, বিশেষ অতিথি ছিলেন সাজেক ইউপি সদস্য দয়াধন চাকমা ও দেবোজ্যোতি চাকমা।

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন সাজেক থানা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি মো. আলী, সম্পাদক এবিএম ছিদ্দিক, সাজেক থানা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক মো. মিজান  প্রমুখ।

আলোচনা সভা পরিচালনা করেন সাজেক থানা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. জুয়েল।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্রগতিশীল ও মেধাবী সন্তানদের সংগঠন। প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনা যে ব্যাপক উন্নয়নযজ্ঞ শুরু করেছেন সেই উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ইতিবাচক ভূমিকা পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। রূপকল্প ২০২১ ও ২০৪১ সফল করতে বিপুল কর্মস্পৃহা এখন  ছাত্রলীগের প্রত্যেকটি নেতা-কর্মীর মাঝে।  শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার গর্বিত অংশীদার হবে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

পরে অতিথিদের সাথে নিয়ে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কেক কাটা হয়।




সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট কারীদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে: মীর মুশফিকুর রহমান

Untitled-1 copy

সাজেক প্রতিনিধি:

সাজেকে যে সম্প্রীতি ছিল বা বর্তমানে আছে এ সম্প্রীতি যাতে বিনষ্ট না হয় তার জন্য সকলকে সচেষ্ট থাকতে হবে। সম্প্রীতি বিনষ্টকারী সে যেই হোক তাকে কঠোর হস্তে দমন করা হবে। যেখানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হবে, সেখানেই নিরাপত্তা বাহিনীর হস্তক্ষেপ থাকবে। সন্ত্রাসীরা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে বাধাগ্রস্ত করে। তাই, এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজদের প্রতিহত করতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।

মঙ্গলবার বাঘাইহাট সেনা জোনের উদ্যোগে জোন সদরে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে খাগড়াছড়ি রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান (এসইউপি, পিএসসি) এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা যারা পার্বত্য এলাকায় নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত আছি, আমরা পার্বত্য এলাকা শাসন করতে আসিনি। সরকারের নির্দেশনায় পার্বত্য এলাকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, আইনশৃঙ্খলা ও শান্তি বজায় রেখে জনপ্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে উন্নয়নের কাজ করতে এসেছি।

তিনি অারও বলেন, পার্বত্য এলাকা শাসন করা বা নীতি নির্ধারণ করার দায়িত্ব হচ্ছে সরকারের। আর সরকারের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য পার্বত্য এলাকার যে নীতিমালা তা (ভূমিতে/গ্রাউন্ডে) বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব হচ্ছে নিরাপত্তাবাহিনীর কাজ। কিন্তু কিছু স্বার্থান্বেষী মহল পার্বত্য চট্রগ্রামের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে সাধারণ জনগণকে উস্কানী দিয়ে থাকে এবং এতে তারা ফায়দা লুটে, আর যারা পার্বত্য এলাকায় এ সম্প্রীতি নষ্ট করবে তাদেরকে নিরাপত্তাবাহিনী কঠোর হাতে দমন করবে।

প্রধান অতিথি আরও বলেন, আমি আশাকরি আপনারা সকলে মিলেমিশে কাজ করবেন এবং জোনকে সহযোগিতা দিবেন। একত্রে থাকতে গেলে সামান্য ভুল বুঝাবুঝি হতে পারে। এটাকে পুঁজি করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট হওয়ার কোন কারণ নাই।

সভায় সভাপতিত্ব করেন, বাঘাইহাট জোনের জোন কমান্ডার লে. কর্ণেল আলীহায়দার সিদ্দীকি (পিএসসি)।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, বাঘাইহাট জোনের নবাগত জোন অধিনায়ক লে. ক. মোহাম্মদ ইসমাইল খাঁ(পিএসসি), সাজেক থানার অফিসার ইনচার্জ নুরুল আনোয়ার, সাজেক ইউপি চেয়ারম্যান নেলসন(নয়ন)চাকমা, বঙ্গলতলী ইউপি চেয়ারম্যান জ্ঞানজিত চাকমা, রুপকারী ইউপি চেয়ারম্যান শ্যামল কান্তি চাকমা সহ এলাকার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হেডম্যান কার্বারীবৃন্দ।

শেষে রিজিয়ন কমান্ডার ২০১০সালে বাঘাইহাটে সাপ্রদায়িক ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত মিনতি চাকমার হাতে ২৪হাজার টাকা ও মাচলং এলাকার গরীব লোকজনদের মাঝে কম্বল, গংগারাম স.প্রা.বিদ্যালয়’র জন্য প্রধান শিক্ষকের নিকট ১০টি চেয়ার, হারমোনিয়াম ও তবলা  বিতরণ করেন।




সাজেক রিজার্ভ ফরেস্ট থেকে পাচারকালে বিপুল পরিমাণ সেগুন কাঠ আটক

SAM_2579 copy

সাজেক প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকের রিজার্ভ ফরেস্ট এলাকা থেকে কাঠ পাচারকালে নিরাপত্তাবাহিনীর অভিযানে ৪ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের সেগুন কাঠ আটক করা হয়েছে।

সোমবার মধ্য রাতে কাচালং নদী দিয়ে সাজেক রিজার্ভ ফরেস্ট’র কাঠ পাচারের সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাঘাইহাট জোনের নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা কাচালং নদী থেকে ২৭৫ টুকরা, আনুমানিক ৩০০ ঘন ফুট সেগুন কাঠ আটক করে। এ সময় নিরাপত্তাবাহিনী কাউকে আটক করতে পারেনি বলেও জানা গেছে।

সকালে নিরাপত্তাবাহিনী আটককৃত কাঠ বাঘাইহাট রেঞ্জ কর্মকর্তা সৈয়দ গোলাম সাহিদ’র নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বাঘাইহাট রেঞ্জ কর্মকর্তা সৈয়দ গোলাম সাহিদ জানান, রিজার্ভ ফরেস্ট থেকে অবৈধ কাঠ পাচার রোধে নিরাপত্তাবাহিনীর সহায়তায় বন-বিভাগের যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য ২০১৬ সালের ৬ ডিসেম্বর সোমবার সকাল ১০টার দিকে সাজেকের টাইগার টিলা ও আশপাশের এলাকা থেকে সাজেক রিজার্ভের কাঠ পাচারের সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাঘাইহাট জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর মঈনুল ইসলাম (পিএসসি)’র নেতৃত্বে একটি টহল টিম দুই দফা অভিযান চালিয়ে ৩৪১ টুকরা সেগুন (গোল) কাঠ আটক করতে সক্ষম হয়েছিল।

স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, সাজেক এলাকায় কোনো জ্যোত পারমিট/মালিক বাগান নেই কিন্তু পার্শ্ববর্তী ইউনিয়ন রুপকারী ও বঙ্গলতলীতে জ্যোত পারমিটের বাগান রয়েছে। কাঠ পাচারকারীরা ওইসব বাগান মালিকদের নামে রিজার্ভ’র কাঠ পাচার করে থাকে।