সাজেক সড়কের দু-পাশের ঝোপঝাড়, ডেকে আনছে দুর্ঘটনা


সাজেক প্রতিনিধি:
মেঘ-পাহাড়ের মিতালি দেখতে প্রতিদিন ছুটে আসছেন হাজারও পর্যটক আর আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথ ধরে পৌঁছাতে হয় বাংলার দার্জিলিংখ্যাত সাজেকে। তবে বুকে হিম ধরানো এই পথে নতুন আতঙ্ক হিসেবে দেখা দিয়েছে সড়কের দু-পাশে থাকা ঝোপঝাড়।

সাজেকের বাঘাইহাট থেকে রুইলুই পর্যটনকেন্দ্র পর্যন্ত ৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কের দুই পাশে ঝোপঝাড়ের কারণে রাস্তা সরু হয়ে গেছে। পাশাপাশি সড়কের বাঁক দেখতে সমস্যায় পড়ছেন যানবাহন চালকেরা। এ কারণে ঘটছে দুর্ঘটনা।

বাঘাইহাটের গাড়িচালকেরা জানান, রাস্তার দু-পাশে এমন ঝোপঝার হয়েছে যে বিপরীত দিকে থাকা কোন কিছুই দেখা যাচ্ছে না। অনেক সময় জিপগাড়ির সাথে মোটরসাইকেল মুখমুখি হয়ে ছোটখাট দূর্ঘর্টনার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। এমনকি রাস্তা এতোই ঝোপঝাড়ে ঢাকা পরেছে যে বিপরীত দিক থেকে আসা গাড়ী ক্রস করতে বিপাকে পরতে হয় চালকদের।

সাজেকে থেকে ফিরে আসা পিকআপ চালক সুমন বলেন, রাস্তার পাশে এতো বেশি ঝোপঝাড় হয়েছে যে গত কয়েকদিন ধরে সাজেকে পর্যটক আনা নেয়ার সময় রাস্তার পাশে থাকা ঝোপঝাড় গাড়ীতে থাকা পর্যটকদের শরীরেও লাগছে এবং তারা হালকা আঘাত প্রাপ্ত হচ্ছে এবং কি সড়কে এমনিতেই অসংখ্য বাঁক রয়েছে। এসব বাঁক ঝোপে ঢাকা পড়ায় চালকেরা দেখতে পান না। অনেক সময় দুটি গাড়ি মুখোমুখি হয়ে যায়। ঝোপ পরিষ্কার করা না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে তিনি জানান।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বাঘাইহাট থেকে রুইলুই সড়কে বেশির ভাগ অংশে ঝোপঝাড়ে ঢাকা পড়েছে। বিশেষ করে নাকশছড়ি, টাইগার টিলা, চাম্পাতলী এবং মাচালং থেকে রুইলুই পর্যন্ত সড়কের দুই পাশ ঝোপঝাড়ে ঢেকে গেছে।

সাজেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নেলশন চাকমা বলেন, অতিরক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে রাস্তার দুইপাশে থাকা ঝোপঝার দ্রুত বেড়ে উঠছে। যারফলে সড়কের দুই পাশ ঝোপঝাড়ে ঢাকা পড়ায় যানবাহন চলাচলের অসুবিধা হচ্ছে। এ কারণে প্রায়সময় দুর্ঘটনা ঘটছে। তবে গত বছর আগষ্ট-সেপ্টেম্বরের দিকে বাঘাইহাট জোন থেকে একলক্ষ টাকা সহায়তা নিয়ে ঝোপঝার কাটা হয় এবছরও জুন-জুলাই মাসের দিকে কাটা হলেও মাত্র কয়েক মাসেই ঝোপঝার বেড়ে উঠে।

বাঘাইহাট জোন অধিনায়ক লে. কর্নেল ইসমাইল হোসেন খাঁ বলেন, সড়কের দুই পাশে ঝোপঝাড় বেড়ে গিয়ে যানচলাচলের অসুবিধা হচ্ছে। এটা আমাদের নজরেও এসেছে। বিষয়টি খাগড়াছড়ি সওজকে জানানো হয়েছে। তারা দ্রুত জঙ্গল পরিষ্কার করার পদক্ষেপ নিচ্ছে। তবে গত জুন-জুলাই  মাসে সাজেক ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যামে জোনের সহায়তায় ঝোপঝাড় কাটা হয়েছিল।




সাজেকে পাহাড় ধসে ৮-১০ ঘন্টা পরপর চলছে যানবাহন, দূর্ভোগে পর্যটক

সাজেক প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটি বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকের বাঘাইহাট-সাজেক সড়কে পাহার ধসের কারণে ৮-১০ঘন্টা পরপর চলছে যানবাহন। দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাজেক পর্যটনে আসা পর্যটকদের।

জানা যায় বাঘাইহাট থেকে ১৩কিমি দূরে বাঘাইহাট-সাজেক সড়ক এলাকার চম্পাতলী নামক এলাকায় গত ২১ আগস্ট থেকে প্রতিদিন একই স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটছে। এতে করে প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে ৩/৪টা পর্যন্ত এবং অনেক সময় বিকাল ৩-৭টা পর্যন্ত বন্ধ থাকে বাঘাইহাট-সাজেক সড়কের যানচলাচল। সড়কের উপর মাটি সড়াতে খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপদ বিভাগের তিনটি বুলডোজার প্রতিদিন কাজ করে যাচ্ছে ।

পাহাড়ধসে যানচলাচলে বিঘ্ন হওয়ার পরেও প্রতিদিন আসছে পর্যটক। আগত পর্যটকরা বাঘাইহাট-চম্পাতলী পর্যন্ত গাড়ি দিয়ে যায়। এরপর পায়ে হেটে ধসেপড়া রাস্তা পার হয়ে অন্যগাড়ি দিয়ে পর্যটন কেন্দ্রে যাচ্ছেন।  এলাকার জনসাধারণও পাহাড় ধসেপড়া সড়কের উপর পায়ে হেটে চলাচল করছে এতে মাটি সড়ানোর কাজে বিঘ্ন হচ্ছে। অপর দিকে জনগণের চলাচলের নিরাপত্তা ও রাস্তার কাজের অগ্রগতির জন্য উপজেলা প্রশাসন থেকে গত বুধবার বিকাল থেকে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত যানচলাচল বন্ধ রাখতে বলা হয়। বুধবার(৩০আগস্ট) বিকালে সাজেক পর্যটনে আসা কয়েকটি গাড়িকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

এবিষয়ে সাজেক সড়কে মাটি সড়ানোর কাজে খাগড়াছড়ি সওজ’র দায়িত্বরত মিন্টু তালুকদার বলেন, প্রতিদিন রাতে বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়টি বারবার ধসে পড়ছে আমাদের তিনটি বুলডোজার গাড়ি দিয়ে সড়কের মাটি সড়িয়ে প্রস্থ ১২ফুটের মত রাস্তা বের করে যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করি এবং রাতে বৃষ্টি হলে আবার পুনরায় সড়কের উপর পাহাড়টি ধসে মাটি এসে সড়ক চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এইভাবে আমরা গত ২১তারিখ থেকে এই স্থানে মাটি সড়ানোর কাজে নিয়োজিত আছি। যদি এইভাবে প্রতিদিন রাতে বৃষ্টি হতে থাকে পাহাড়টি আরও ধসের সম্ভাবনা রয়েছে।

এবিষয়ে বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাজুল ইসলাম বলেন, বাঘাইহাট-সাজেক সড়কে গত কয়েকদিন ধরে একই স্থানে লাগাতার পাহাড়ধসের কারণে জনগণের চলাচলে নিরাপত্তা ও সওজ’র কাজের সহায়তা হিসেবে আগামী ৩দিনের জন্য যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখাতে বলা হয়েছে এবং পাহাড়ধস হওয়া ওই স্থান দিয়ে জনসাধারণ কে চলাচল না করতে বলা হয়েছে।




বাঘাইহাট টু করেঙ্গাতলী রাস্তা মেরামতের জন্য নিরাপত্তাবাহিনীর দেড় লক্ষ টাকা প্রদান

 

সাজেক প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটি বাঘাইছড়ি উপজেলার বঙ্গলতলী ইউনিয়নের বাঘাইহাট টু করেঙ্গাতলী পর্যন্ত ইটের তৈরি রাস্তাটি মেরামতের জন্য দেড় লক্ষ টাকা প্রদান করেছে নিরাপত্তাবাহিনীর বাঘাইহাট জোন ও খাগড়াছড়ি রিজিয়ন।

বুধবার সকাল ৯টায় বাঘাইহাট সেনা জোন সদরে ৪ ইস্ট বেঙ্গল বাঘাইহাট জোনের জোন অধিনায়ক লে.ক. ইসমাই হোসেন খাঁ (পিএসসি), বঙ্গলতলী ইউপি চেয়ারম্যান জ্ঞানোজোতি চাকমার নিকট ব্যাংক চেকের মাধ্যমে খাগড়াছড়ি রিজিয়নের পক্ষ থেকে ১লক্ষ ও বাঘাইহাট জোনের পক্ষ থেকে ৫০হাজার টাকা প্রদান করেন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাঘাইহাট জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর মঈনুল ইসলাম(পিএসসি), বঙ্গলতলী ইউপি সদস্য নিতিশ চাকমা, রুপেশ চাকমা প্রমুখ।

জানা যায়, বঙ্গলতলী ও রুপকারী ইউনিয়নের একটিমাত্র বাজার করেঙ্গাতলী বাজার। আর এই দুই ইউনিয়নের জনগণের সড়ক যোগাযোগের উল্লেখযোগ্য রাস্তা হচ্ছে বাঘাইহাট হতে ১৪ কি.মি. দুরুত্ব করেঙ্গাতলী পর্যন্ত ইটের ব্রিফ সলিং রাস্তাটি। তাই জনসাধারণের কাছে এই রাস্তার প্রয়োজনীয়তাও অনেক বেশি।

করেঙ্গাতলীর সাথে যাথায়তের মাধ্যম হচ্ছে জীপ গাড়ী বা সিএনজি। গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে রাস্তার বিভিন্ন অংশের ইট সড়ে গিয়ে রাস্তার ভাঙ্গনের সৃস্টি হয়। ভাঙ্গনের কারনে শুষ্ক মৌসুমে কোন রকম ঝুকী নিয়ে গাড়ী চলাচল করে এবং বর্ষাকালে গাড়ী চলাচল অনুপযোগী হয়ে পরায় বন্ধ থাকে গাড়ী চলাচল। সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল হওয়ায় ভোগান্তিতে পরে ত্রিশ হাজারের অধিক জনসাধরণ।

জনগণের ভোগান্তি নিরসনের লক্ষ্যে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বঙ্গলতলী ইউপি চেয়ারম্যান জ্ঞানোজোতি চাকমা এবিষয়ে গত বছর থেকে সওজ সহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করে আসছে। বিভিন্ন দপ্তর থেকে আশ্বাস পেলেও এখন পর্যন্ত কোন দপ্তর থেকে অর্থ বরাদ্দ পায়নি। তাই তিনি রাস্তাটি দ্রুত মেরামতের জন্য নিরাপত্তাবাহীনির বাঘাইহাট জোনের সাথে যোগাযোগ করেন এবং সহযোগিতা চান।

তারই প্রেক্ষিতে জোন কর্তৃপক্ষ আশ্বাস্ত করলে চেয়ারম্যান জ্ঞানোজোতি চাকমা ১৪ কি.মি ইটের ব্রিফ সলিং রাস্তার বিভিন্ন অংশের সরে যাওয়া প্রস্থ ১২ফুট ও দৈর্ঘ ৯০০ফুট রাস্তা মেরামতের জন্য ৭৫ হাজার ইট দিয়ে ১০ লক্ষাধিক টাকা ব্যয় ধরে এর কাজ শুরু করে।

এবিষয়ে বঙ্গলতলী ইউপি চেযারম্যান জ্ঞানোজোতি চাকমা বলেন, বাঘাইহাট টু করেঙ্গাতলী রাস্তা মেরামতের জন্য নিরাপত্তাবাহিনী অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করায় আমরা এলাকাবাসী নিরাপত্তাবাহিনীর নিকট কৃতজ্ঞ। আমাদের এলাকার শিক্ষা সাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যস্থায়ও নিরাপত্তাবাহিনী অনেক অবদান রেখেছে যা অস্বীকার করার মত নয়।

রাস্তা মেরামতের বাকী অর্থের বিষয়ে বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রকল্প সহায়তা করবে বলে আশ্বাস্ত করেছে বলেও জানান তিনি।




সাজেকে পুত্র ও ভাতিজার হাতে খুন হওয়া শান্তিলাল চাকমার গলাকাটা লাশ উদ্ধার

সাজেক প্রতিনিধি (আপডেট):

রাঙ্গামাটি বাঘাইছড়ি উপজেলা সাজেকের উত্তর ভাইবোন ছড়া নামক এলাকায় গত (৭ আগস্ট) রবিবার মধ্যরাতে খুন হওয়া শান্তিলাল চাকমা (৫৫)’র গলা কাটা লাশ আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাঘাইছড়ি মারিশ্যার বটতলী এলাকার কাচালং নদী থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শান্তিলাল চাকমার পুত্র সোহেল চাকমা (২৫) ও ভাতিজা আলোময় চাকমা (৩৩) কুপিয়ে নৃশংস হত্যার পর গলাকাটা লাশ কাচালং নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছিল তারা। তাদের দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন নদীতে খুঁজতে থাকে।

অবশেষে গত তিনদিন ধরে পাহাড়ি ঢলে সাজেকে বন্যা সৃষ্টি হলে আজ পানি কমতে থাকায় কাচালং নদীতে ঝোপঝাড়ের সাথে আটকে থাকা লাশটি ভেসে উঠে পানির স্রোতের সাথে নামতে থাকে।

এবিষয়ে বাঘাইছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ আমির হোসেন বলেন, কাচালং নদী দিয়ে একটি লাশ ভেসে আসছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ইঞ্জিন চালিত নৌকা দিয়ে কাচালং নদীতে আমরা খুঁজতে থাকি এক পর্যায়ে মারিশ্যা বটতলী এলাকার কাচালং নদীতে লাশটি পাওয়া যায়।

আমাদের কাছে তথ্য ছিল গত কয়েকদিন আগে সাজেকে একটি খুন হয়েছে তার লাশটি নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছিল। লাশটি পাওয়া যায়নি তাই আমরা উদ্ধার করা লাশটিকে সনাক্ত করতে প্রথমে সাজেকে খুন হওয়া ব্যক্তির আত্মীয় স্বজনদের খবর দেই।

খবর পেয়ে তার পুত্র প্রহেল চাকমা ও সাজেক ইউপির ৫নং ওয়ার্ড মেম্বার পরিচয় চাকমা ও শান্তিলাল চাকমা হত্যা মামলার বাদী বিনয় শংকর চাকমা থানায় আসে এবং লাশটি শান্তিলাল চাকমার লাশ বলে তারা সনাক্ত করে। ময়না তদন্তের জন্য লাশটি খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য সাজেকের উত্তর ভাইবোন ছড়া নামক এলাকায় গত ৭ আগস্ট রবিবার মধ্যরাতে শান্তি লাল চাকমাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে তার পুত্র সোহেল চাকমা (২৫) ও ভাতিজা আলোময় চাকমা (৩৩)। কুপিয়ে নৃশংশ হত্যার পর গলাকাটা লাশ কাচালং নদীতে ভাসিয়ে দেয় তারা।

এঘটনায় গ্রামবাসী তাদের দুজনকে আটক করে আইন শৃঙ্ক্ষলা বাহিনীকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে এলাকাবাসী খুনীদের পুলিশের হাতে সোপর্দ করে।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, পিতার সাথে পুত্রের পারিবারিক কলহ ও ভাতিজার সাথে অর্থ লেনদেন থাকায় এমন ঘটনা ঘটতে পারে। তবে নিহত শান্তিলাল চাকমার ভাতিজা আলোময় চাকমা একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী সে এর আগেও একাধিক নিরীহ ব্যক্তিকে হত্যা করেছে। এলাকায় কারো সাথে তার তর্ক হলে তাকেও হত্যা করতে দ্বিধাবোধ করতো না। তাই তার এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে এলাকাবাসী ভয়ে আতঙ্কে কিছু বলার সাহস পেতনা। হত্যাকাণ্ড আর সহ্য করতে না পেরে চার পাঁচ গ্রামের লোকজন জড়ো হয়ে রাত ৩টার দিকে তাকে আটক করা করে।

সুত্রটি আরও জানায়, সে দীর্ঘদিন যাবৎ আঞ্চলিক দল ইউপিডিএফ এর রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল। সেখান থেকে এমন কর্মকাণ্ড করায় ২-৩ মাস আগে তাকে ইউপিডিএফ থেকে বহিস্কার করা হয়। বহিস্কারের পরেও এলাকায় অন্যায়, অত্যাচার, হত্যাকাণ্ড অব্যাহত রাখে।

এবিষয়ে সাজেক থানার অফিসার ইনচার্জ নুরুল আনোয়ার বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই এবং তাদেরকে আটক করা হয়। আটকৃতরা প্রাথমিকভাবে তাদের দোষ স্বীকার করে। লাশ উদ্ধারে যৌথবাহিনীর তল্লাশী চলছে নদী ও স্থলে।

তবে আটককৃত’র মধ্যে আলোময় চাকমা একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী তার নামে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এমনকি সে এর আগে আমাকে মোবাইলে সাজেক থানা বোমা মেরে গুড়িয়ে দিবে বলে হুমকি দিয়েছিল।আগামীকাল তাদেরকে কোর্টে প্রেরণ করা হবে।




রাঙামাটির কাচালং নদী থেকে গলাকাটা লাশ উদ্ধার

বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার বটতলী কাচালং নদী থেকে সোমবার সকাল ৮:৪০ মিনিটের দিকে বাঘাইছড়ি থানা পুলিশ একটি পচে ফুলে ওঠা লাশ উদ্ধার করে।

স্থানীয়দের ধারণা, রাঙ্গামাটি সাজেকের উত্তর ভাইবোন ছড়া নামক এলাকায় ৭/৮/২০১৭ রবিবার মধ্যরাতে শান্তিলাল চাকমার ৫৫) কে কুপিয়ে হত্যা করেছে তার পুত্র সোহেল চাকমা(২৫) ও ভাতিজা আলোময় চাকমা(৩৩)।

হত্যার পর লাশ পাহাড়ী ঝিরিতে ফেলে পালানোর সময় এলাকাবাসীর হাতে আটক হয়। পরে তাদের সাজেক থানা পুলিশের কাছে তুলে দেয়া হয়। পরে পুলিশ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করে। তবে লাশটি আসলেই শান্তিলাল চাকমার কিনা পুলিশ তা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি।

এলাকাটি দূর্গম হওয়ায় পুলিশের পক্ষে লাশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।ধরণা করা হচ্ছে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ী ঢলের সাথে ভেসে লাশটি কাচালং নদীতে এসে পড়ে।

এলাকাবাসী কাছে খবর পেয়ে বাঘাইছড়ি থানা পুলিশের একটি টিম সকাল ৮ ঘটিকায় বটতলী গ্রামে গিয়ে লাশটি আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এদিকে লাশ উদ্ধারের সংবাদ পেয়ে সাজেক থানা থেকে পুলিশের একটি টিম বাঘাইছড়ি থানার উদ্যেশে রওনা দিয়েছে। সাথে শান্তি লাল চাকমার পরিবারের সদস্যরা রয়েছেন। তারা পৌঁছলে লাশের পরিচয় নিশ্চিত হওয়াসহ আইননানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান বাঘাইছড়ি থানার অফিসার্স ইন্চার্জ জনাব মো: আমীর হোসেন।

তবে লাশ উদ্ধার নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে যে, এটি শান্তি লাল চাকমার লাশ নয়। কারণ উদ্ধার হওয়া লাশের আনুমানিক বয়স ৩০/৩৫ বছর হবে। আর মামলার এজাহার এবং গ্রামবাসীর তথ্যমতে, শান্তিলাল চাকমার বয়স ৫৫ বছর।

তাই এলাবাসীর ধারণা লাশটি অন্য কারো হতে পারে, কেননা নদীতে লাশ ভেসে আসার ঘটনা এটিই নতুন নয়। পাহাড়ী সন্ত্রাসীদের হত্যা করে বনের গভীরে ফেলে রাখা কোনো লাশ হতে পারে যা বন্যার প্রবল স্রোতে নদীতে এসে পড়েছে।  তাই ভালো ভাবে অনুসন্ধান করা অতীব জরুরী।




সাজেকে বন্যার্তদের মাঝে আওয়ামী লীগের  ত্রান বিতরণ

সাজেক প্রতিনিধি:

গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিপাতের কারণে কাপ্তাই হ্রদের পানি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ও পাহাড়ি ঢলে রাঙ্গামাটি সাজেকের নিম্ন এলাকায় বন্যায় দেড়শতাধিক পরিবারের ঘর বাড়ি প্লাবিত হয়।

জানা যায়, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে সাজেকের বাঘাইহাট এলাকায় শতাধিক ও মাচালং এলাকায় অর্ধশত পরিবার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্ষতিগ্রস্থরা স্কুল ক্লাবঘর ও উঁচু স্থানে আশ্রয় নেয়।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে রবিবার বিকাল ৪টায় বাঘাইহাটে সাজেক থানা আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সাধারণ-সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের অর্থায়নে সাজেক থানা আওয়মী লীগের পক্ষ থেকে ৮০ পরিবারের মাঝে ৫ কেজি চাউল ৫০০ গ্রাম ডাল, ৫০০ গ্রাম তেল, ১ কেজি লবণ, ৫০০ গ্রাম মুড়ি, ৫০০ গ্রাম চিড়া, ৫০০ গ্রাম চিনি বিতরণ করা হয়।

ত্রান বিতরণের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাঘাইছড়ি উপজেলা অাওয়ামী লীগের সদস্য মো. শাহাজাহান, সাজেক থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ-সম্পাদক সুজিত দে সাংগঠনিক সম্পাদক রহমত উল্লাহ, বাঘাইহাট বাজার কমিটির সভাপতি ডা. নাজিম উদ্দিন, সাজেক থানা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ-সম্পাদক আবু বক্কর ছিদ্দিক, সাজেক থানা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. রুবেল প্রমূখ্।

উল্লেখ্য, বন্যার পানি বেশি হওয়ায় সাজেকের সাথে বাঘাইহাট খাগড়াছড়ির সড়ক যোগাযোগ দুইদিন ধরে বিচ্ছিন্ন ছিল এবং রবিবার বিকালে বন্যার পানি কিছুটা উন্নতি হওয়ায় রাস্তা থেকে পানি নেমে গেলে সন্ধ্যা থেকে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল হয়।




সাজেকে আটকা পড়া সাড়ে চার শতাধিক পর্যটককে উদ্ধার করেছে খাগড়াছড়ি নিরাপত্তাবাহিনী

নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি:

বন্যায় সাজেকে আটকে পড়া সাড়ে চার শতাধিক পর্যটককে উদ্ধার করেছে খাগড়াছড়ি রিজিয়নের নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা। রবিবার দুপরে বাঘাইহাট বাজার এলাকায় নৌকায় করে এদের উদ্ধার করা হয়। তিন দিনের টানা বর্ষণে বাঘাইহাট বাজার ডুবে যাওয়ায় এসব পর্যটক সাজেকে আটকা পড়ে।

খাগড়াছড়ি সেনা রিজিয়নের স্টাফ অফিসার মেজর মোহাম্মদ মুজাহিদুল ইসলাম জানান, সড়কের উপর পাহাড় ধসে ও সড়ক ডুবে যাওয়ায় খাগড়াছড়ির সাথে সাজেক, বাঘাইছড়ি ও লংগদু সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ অবস্থায় সাজেকে সাড়ে চার শতাধিক পর্যটক আটকা পড়ে। খাগড়াছড়ি নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা তাদের নৌকায় পার করার ব্যবস্থা করেন।

এদিকে খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হলেও মাইনী নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় এখনো দীঘিনালার মেরুং বাজার, সোহবানপুর, ছোট মেরুং, বাদলা ছড়ি, বড় মেরুং ও বাচা মেরুংসহ অন্তত ১০টি গ্রামের সহস্রাধিক পরিবার দুই দিন ধরে পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। শতাধিক পরিবার আশ্রয় নিয়েছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। বন্যার কারণে একটি উচ্চ বিদ্যালয়সহ ৫টি বিদ্যালয়ে ক্লাস বন্ধ রয়েছে।

এদিকে বন্যায় দীঘিনালা ছোট মেরুং বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ  এলাকায় আশ্রিত বন্যা দুর্গত ১২০ পরিবারের মাঝে ৫ কেজি চাল, ১ লিটার সয়াবিন তেল, ১ কেজি ডাল, ১ কেজি চিনি, ৫০০ গ্রাম চিড়া, ১ প্যাকেট মোমবাতি ও ১ প্যাকেট ম্যাচ ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন দীঘিনালা উপজেলা চেয়ারম্যান নব কমল চাকমা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শেখ শহিদুল ইসলাম, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কেএম ইসমাইল হোসেন ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রহমান কবীর রতন।

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. রাশেদুল ইসলাম জানান, দীঘিনালার মেরং-এ বন্যা দুর্গতদের জন্য চাল, ডাল ও তৈলসহ শুকনো খাবারসহ ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজন হলে আরো ত্রাণ বরাদ্দ দেওয়া হবে।

 




সাজেকে বন্যাকবলিত দেড় শতাধিক পরিবারকে নিরাপত্তাবাহিনী ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রান বিতরণ

সাজেক প্রতিনিধি:

গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিপাতের কারণে কাপ্তাই হ্রদের পানি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ও পাহাড়ি ঢলে রাঙ্গামাটি সাজেকের নিম্ন এলাকা বন্যায় শতাধিক পরিবারের ঘর বাড়ি প্লাবিত হয়েছে।

জানা যায়, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে সাজেকের বাঘাইহাট এলাকায় শতাধিক ও মাচালং এলাকায় অর্ধশত পরিবার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্ষতিগ্রস্তরা স্কুল ক্লাবঘর ও উচু স্থানে আশ্রয় নেয়।

বন্যার পানি বেশি হওয়ায় সাজেকের সাথে বাঘাইহাট খাগড়াছড়ির সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে এবং সাজেক সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে পাহাড় ধ্বসে পড়েছে।

বন্যার পানি বেড়ে যাওয়ায় বন্যাকবলিত এলাকা সকালে বাঘাইহাট জোনের ভারপ্রাপ্ত উপ-অধিনায়ক মেজর ফাহাদ পরিদর্শনে আসেন। আশ্রিতদের মানবিক সাহায্য হিসেবে তাৎক্ষণিক ৪ইস্ট বেঙ্গল বাঘাইহাট জোনের পক্ষ থেকে তিন বেলা খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতিনিয়ত খোঁজ খবর নিচ্ছেন জোন কর্তৃপক্ষ।

বিকাল ৩টায় বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে আসেন বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তাজুল ইসলাম। এসময় তিনি বাঘাইহাটে ৫০পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, তেল, লবণ, মুড়ি ও চিড়া বিতরণ করেন। বাকীদের আগামীকাল বাঘাইছড়ি উপজেলার জন্য বরাদ্দকৃত ১৫ মেট্রিকটন চাউল থেকে বিভাজন করে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

ত্রান ও খাবার বিতরণের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সাজেক ইউপি চেয়ারম্যান নেলশন চাকমা, ৪নং ওয়ার্ড মেম্বার দয়াধন চাকমা বাঘাইহাট বাজার কমিটির সভাপতি ডা. নাজিম, সম্পাদক জুয়েল প্রমুখ।




সাজেকে পুত্রের হাতে পিতা খুন, সহযোগীসহ গ্রামবাসীর হাতে আটক

সাজেক প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটি বাঘাইছড়ি উপজেলা সাজেকের উত্তর ভাইবোন ছড়া নামক এলাকায় রবিবার মধ্যরাতে শান্তিলাল চাকমা(৫৫)কে কুপিয়ে হত্যা করেছে তার পুত্র সোহেল চাকমা(২৫) ও ভাতিজা আলোময় চাকমা(৩৩)। কুপিয়ে নৃশংস হত্যার পর গলাকাটা লাশ কাচালং নদীতে ভাসিয়ে দেয় তারা।

এঘটনায় গ্রামবাসী তাদের দুজনকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে এলাকাবাসী খুনীদের পুলিশের হাতে সোপর্দ করে।

স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, পিতার সাথে পুত্রের পারিবারিক কলেহ ও ভাতিজার সাথে অর্থ লেনদেন থাকায় এমন ঘটনা ঘটতে পারে। তবে নিহত শান্তিলাল চাকমার ভাতিজা আলোময় চাকমা একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী সে এর আগেও একাধিক নিরিহ ব্যক্তিকে হত্যা করেছে। এলাকায় কারো সাথে তার তর্ক হলেও তাকে হত্যা করতে তার দ্বিধাবোধ হতনা তাই তার এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে এলাকাবাসী ভয়ে আতঙ্কে মুখখোলে কিছু বলার সাহস পেতনা। হত্যাকাণ্ড আর সহ্য করতে না পেরে চার-পাঁচ গ্রামের লোকজন জড়ো হয়ে রাত ৩টার দিকে তাকে আটক করা হয়।

সুত্রটি আরও জানায়, সে দীর্ঘদিন যাবৎ আঞ্চলিক দল ইউপিডিএফ এর রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল সেখান থেকে এমন কর্মকাণ্ড করায় কেহ কিছু বলার সাহস পেতনা সে বেশি উশৃঙ্খল ও অন্যায় অত্যাচার বেশি করায় ২-৩ মাস আগে তাকে ইউপিডিএফ থেকে বহিস্কার করা হয়। বহিস্কারের পরেও এলাকায় অন্যায় অত্যাচার হত্যাকাণ্ড অব্যাহত রাখে।

এবিষয়ে সাজেক থানার অফিসার ইনচার্জ নুরুল আনোয়ার বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যায় এবং তাদেরকে আটক করা হয় আটকৃতরা প্রাথমিক ভাবে তাদের দোষ স্বিকার করে। লাশ উদ্ধারে যৌথবাহিনীর নদী ও স্থলে তল্লাশী চলছে । তবে আটকৃত’র মধ্যে আলোময় চাকমা একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী তার নামে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে এমনকি সে এর আগে আমাকে মোবাইলে সাজেক থানা বোমা মেরে গুড়িয়ে দিবে বলে হুমকি দিয়েছিল। আগামীকাল তাদেরকে কোর্টে প্রেরন করা হবে।




সাজেকে পুত্রের হাতে পিতা খুন! সহযোগীসহ গ্রামবাসীর হাতে আটক ২

সাজেক প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটি সাজেকের উত্তর ভাইবোন ছড়া নামক এলাকায় রবিবার মধ্যোরাতে শান্তিলাল চাকমা(৫৫) কে কুপিয়ে হত্যা করেছে তার পুত্র সোহেল চাকমা(২৫) ও পুত্রের সহযোগী আলোময় চাকমা(৩৩)।

এঘটনায় গ্রামবাসী তাদের দুজন কে আটক করে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে এলাকাবাসী খুনীদের পুলিশের হাতে সোপর্দ করে।