মাটিরাঙ্গা উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠন

30.04.2017_JCD NEws

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা :

রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ঝিমিয়ে পড়া মো. হারুন অর রশীদের নেতৃত্বাধীন মাটিরাঙ্গা উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত করে মাটিরাঙ্গা উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি অনুমোদন দিয়েছে খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্রদল। নতুন কমিটি অনুমোদনের মধ্য দিয়ে মাটিরাঙ্গায় ছাত্রদলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড গতি সঞ্চারিত হবে বলে মনে করছেন, ছাত্রদলের তৃনমূল নেতাকর্মীরা।

মো. সাইফুল ইসলামকে সভাপতি, মো. ফোরকান ইমামীকে সাধারণ সম্পাদক ও মো. আহসান উল্যাহ আশিককে সাংগঠনিক সম্পাদক করে মাটিরাঙ্গা উপজেলা ছাত্রদলের ১১ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটির অনুমোদন দিয়েছেন খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. শরীফুল ইসলাম ভুইয়া আসাদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম খলিল।

কমিটির অন্যান্যরা হলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন, সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান মনি ও মো. আনোয়ার হোসেন, যুগ্ম-সম্পাদক আবু বকর ছিদ্দিক রিপন ও রুহুল আমিন রুবেল, দপ্তর সম্পাদক মো. নুরুল আলম জুয়েল, প্রচার সম্পাদক মো. রবিউল হোসেন রুবেল এবং সদস্য মো. আফজাল হোসেন ভুইয়া।

সম্প্রতি খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক এ্যাড. মো. আবদুল মালেক মিন্টু আনুষ্ঠানিকভাবে মাটিরাঙ্গা উপজেলা ছাত্রদলের নব-নির্বাচিত নেতৃবৃন্দের হাতে কমিটি তুলে দেন। এসময় খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. শরীফুল ইসলাম ভুইয়া আসাদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম খলিলসহ জেলা ও উপজেলা ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে মাটিরাঙ্গায় ছাত্রদল ঘুরে দাঁড়াবে এমন আশা প্রকাশ করে খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক এ্যাড. মো. আবদুল মালেক মিন্টু বলেন, ছাত্রদলের প্রতিটি নেতাকর্মীকে ওয়াদুদ ভুইয়ার রাজনৈতিক জীবন থেকে শিক্ষা নিতে হবে। জেল, জুলুমকে উপেক্ষা করে জনগণের অধিকার আদায়ে ওয়াদুদ ভুইয়ার নেতৃত্বে সরকার বিরোধী আন্দোলনে মাঠে থাকতে হবে।




২৯ এপ্রিল পার্বত্য বাঙ্গালী গণহত্যা দিবসের জাতীয় স্বীকৃতির দাবিতে ঢাকায় র‌্যালি ও সমাবেশ

IMAG7850

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : ২৯ এপ্রিল ২০১৭ শনিবার। পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতীয় সন্ত্রাসী দ্বারা বিভিন্ন সময় সংগঠিত প্রায় ৪০ হাজার নিরীহ বাঙ্গালী হত্যাকে “২৯শে এপ্রিল পার্বত্য বাঙ্গালী গণহত্যা দিবসে হিসেবে স্বীকৃতি’র” দাবিতে ঢাকায় শোক র‌্যালি ও সমাবেশ করেছে পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদ ঢাকা মহানগর শাখা।

শনিবার সকাল ১০ ঘটিকায় ঢাকা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সম্মুখে সংগঠনটির উদ্যোগে ও ঢাকা মহানগর সভাপতি মো. শাহাদাৎ ফরাজি সাকিব এর সভাপতিত্বে ঘন্টাব্যাপী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় ছাত্র-সহ বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ কালো ব্যাচ পরিধান পূর্বক সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে প্রধান অথিতির বক্তব্য রাখেন, পার্বত্যনাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আলকাছ আল মামুন ভূঁইয়া। বক্তব্য রাখেন, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের সহ-সভাপতি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ,ন্যাপ ভাসানী এর সভাপতি খন্দকার মোস্তাক হোসেন ভাসানী, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের উপদেষ্টা মণ্ডলীর অন্যতম সদস্য,শেখ আহাম্মদ (রাজু)। পিবিসিপি’র সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ইব্রাহিম মনির, সেক্রেটারি সারোয়ার জাহান খান। পার্বত্য নাগরিক পরিষদের নেতা সিরাজ ও এনামুল হক কাদের প্রমুখ।
IMAG7897
প্রধান অথিতি বলেন,১৯৮৬ সালের ২৯শে এপ্রিল দিবাগত রাত আনুমানিক ৯টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত ৪ ঘন্টা সময়ে খাগড়াছড়ি‘র পানছড়ি উপজেলা‘র ১নং লোগাং ইউপি, ৩নং পানছড়ি সদর ইউপি‘র ও ৪নং লতিবান ইউপি (বর্তমানে ৫নং উল্টাছড়ি ইউপি)‘র বাঙ্গালি গ্রামে অগ্নি সংযোগসহ নির্বিচারে বাঙ্গালী শিশু, কিশোর, নারী, পুরুষ, আবাল, বৃদ্ধ, বনিতা যাকে যেখানে পেয়েছে তাকে সেখানেই হত্যা করেছে তৎকালীন শান্তিবাহিনী সশস্ত্র গ্রুপ  বর্তমানে  পার্বত্য চট্রগ্রাম জন সংহতি সমিতি (জেএসএস)‘র নামে পরিচিত ।

তৎ সময়ে বে-সরকারী হিসাবে মাত্র ৪ ঘন্টা সময়ে নিরস্ত্র ও নিরীহ ৮শত ৫৩ জন বাঙ্গালীকে হত্যা করা হয়েছে, আহত করা হয়েছে প্রায় ৫শত জনকে, অপহরণ ও গুম করা হয়েছে আরো কয়েক হাজার বাঙ্গালীকে। ৬ হাজার ২শত ৪০টি বাড়ি সম্পূর্ন ভাবে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এতে গৃহহীন হয়ে পড়ে হাজার হাজার পরিবার।

শান্তি বাহিনী‘র গেরিলা যোদ্ধারা সাধারণ বাঙ্গালীদের হাত-পা বেঁধে গুলী করে, লাঠি দিয়ে পিটিয়ে, দা দিয়ে নির্মমভাবে কুপিয়ে, জবাই করে, আগুনে পুড়িয়ে, শিশুদেরকে পায়ে ধরে গাছের সাথে বাড়ি দিয়ে, বেনেট ও অন্যান্য দেশি অস্ত্র দিয়ে খোঁচিয়ে খোঁচিয়ে হত্যা করেছিল।

প্রতিটি লাশকেই বিকৃত করে সে দিন চরম অমানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল শান্তি বাহিনীর সন্ত্রাসীরা। ঘটনাটি যারা স্ব-চুখে দেখাছে বা বেচে যাওয়া কিছু কিছু সাক্ষী আজো আছে, কিন্তু ঘটনার কথা মনে পড়লে আজও তারা শিউরে উঠে।

এই হত্যা কান্ডের মধ্যে দিয়ে নরকীয়তা সৃষ্টি করেছিলো ৩৮ হাজার বাঙ্গালীর হত্যাকারী সশস্ত্র সংগঠন শান্তি বাহিনীর গেরিলারা ও উপজাতি সন্ত্রাসী হায়নারা।তিনি এসব খুনি সশস্ত্র সংগঠন শান্তি বাহিনীর গেরিলারা ও উপজাতি সন্ত্রাসী’র তদন্ত কমিটি গঠন পূর্বক দ্রুত ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে বিচারের দাবী জোড় দাবী জানান।

পানছড়িত গণহত্যা ছাড়াও পার্বত্য চট্টগ্রামের ভিবিন্ন অঞ্চলে উপজাতি এসব সন্ত্রাসীদের দ্বারা ভিবিন্ন গণহত্যা সংঘটিত হয়।এসব গণহত্যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু গণহত্যা যেমনঃ লংগদু গণহত্যা, ১৯৭৯ কাউখালি গণহত্যা,বেতছড়ি গণহত্যা,বানরাইবারী, বেলতলী, বেলছড়ি গণহত্যা,তাইন্দং, আচালং, গৌরাঙ্গ পাড়া, দেওয়ান বাজার, তবলছড়ি, বর্ণাল, রামছিরা, গোমতি গণহত্যা, গোলকপতিমা ছড়া, মাইচ্যেছড়া, তারাবনছড়ি গণহত্যা,ভূষণছড়া গণহত্যা, পানছড়ি গণহত্যা, দিঘীনালা গণহত্যা, ২৯ এপ্রিল ১৯৮৬, মাটিরাংগা গণহত্যা, কুমিল্লাটিলা, শুকনাছড়ি, দেওয়ান বাজার, সিংহপাড়া, তাইন্দং গণহত্যা, দিঘীনালা গণহত্যা, ২ জুলাই ১৯৮৬, ভাইবোন ছাড়া গণহত্যা, হিরাচর, শ্রাবটতলী, খাগড়াছড়ি, পাবলাখালী গনহত্যা, লংগদু গনহত্যা ১৯৮৯, নাইক্ষ্যাছড়ি গণহত্যা, মাল্যে গনহত্যা, লোগাং গনহত্যা, নানিয়ারচর গনহত্যা,পাকুয়াখালী গণহত্যা,জুরাইছড়ি গণহত্যা ইত্যাদি।

অন্যান্য বক্তারা বলেন, যেহেতু গণহত্যা হলো একটি জাতি, একটি জাতি গোষ্ঠী বা একটি সম্প্রদায়কে নির্মূল করণ প্রক্রিয়া ৷সেহেতু উপজাতি এসব সন্ত্রাসী বাঙ্গালী নির্মূল করার লক্ষে এসব সাধারণ বাঙ্গালী জাঁতির মানুষদের হত্যা করেছে৷

সেক্ষেত্রে এটি প্রমাণিত যে, পাহাড়ে ৪০ হাজার নিরীহ বাঙ্গালী হত্যাকে “পার্বত্য বাঙ্গালী গণহত্যা দিবস”র জাতীয় স্বীকৃতির মর্যাদা রাখে।

উল্লেখ্য, এদিকে ৭৫-৯৭ সাল পর্যন্ত তিন পার্বত্য অঞ্চলকে বাংলাদেশ আলাদা করতে জেএসএস এবং ইউপিডিএফ’র জঙ্গি বাহিনী তথা শান্তি বাহিনি নির্মম ভাবে খুন করে ২৫৬ জন বীর সেনা এবং ৩৮ হাজারের অধিক নিরীহ বাঙালিকে।




 পানছড়ি দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির অনুমোদন

DUDUK PIC (1) copy

নিজস্ব প্রতিবেদক, পানছড়ি:

খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি অনুমোদিত হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মো. আবু সাঈদ স্বাক্ষরিত ৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে রয়েছে সভাপতি বকুল চন্দ্র চাকমা, সহ-সভাপতি বেলী চাকমা, অনিল কান্তি দে, সাধারণ সম্পাদক ডা. সৈয়দ আহাম্মদ, সদস্য শাহজাহান কবির সাজু, ফনিন্দ্র লাল চাকমা, নকুল রঞ্জন ত্রিপুরা, ত্রিরতন চাকমা ও নির্বায়ন চাকমা।

এ কমিটির মেয়াদকাল ৩ বছর।  শনিবার সকাল ১১টায় কমিটির নবাগত সদস্যদের নিয়ে সভাপতির বাসভবনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বাৎসরিক কর্মসূচির সিদ্ধান্ত, অডিট কমিটি গঠন ও বিভিন্ন বিদ্যালয়ে গঠিত সততা সংঘের সদস্যদের নিয়ে আলোচনা সভা করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।




খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ সমর্থিত কয়েকটি নারী সংগঠনের বিক্ষোভ সমাবেশ

Khagrachari Pic 02
নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি:
নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের বিচারের দাবীতে খাগড়াছড়িতে ইউনাটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট(ইউপিডিএফ) সমর্থিত কয়েকটি নারী সংগঠনের বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে। সমাবেশ থেকে রমেল চাকমার মৃত্যুর বিচার বিভাগী তদন্ত, পার্বত্য চট্টগ্রামে জারিকৃত সরকারী নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারও পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের দাবী জানানো হয়।

শক্রবার দুপুরে খাগড়াছড়ি জেলা শহরের স্বনির্ভরস্থ ইউপিডিএফ কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে চেঙ্গী স্কোয়ার ঘুরে আবার স্বনির্ভর বাজারে গিয়ে শেষ হয়।

এর আগে স্বনির্ভরস্থ ইউপিডিএফ কার্যালয়ের সামনে হিল উইমেন্স ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভানেত্রী নিরূপা চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, ইউপিডিএফ’র খাগড়াছড়ি ইউনিটের সমন্বয়ক মিঠুন চাকমা, গণতান্ত্রিক যুবফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি জিকো ত্রিপুরা, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারন সম্পাদক বিপুল চাকমা ও নারী সংঘের সভানেত্রী কাজলী ত্রিপুরা বক্তব্য রাখেন।




ছাদিকুল হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে রাঙ্গামাটিতে বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের সমাবেশ

18191272_1267663426673938_129562633_n copy

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদ রাঙ্গামাটি জেলা শাখার উদ্যোগে ১২ এপ্রিল নানিয়াচর উপজেলার ঘিলাছড়িতে ছাদেকুল ইসলাম (২৩) হত্যার বিচার ও নিরাপত্তাবাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বন্ধ করা এবং পাহাড়ে সেনা ক্যাম্প বৃদ্ধির দাবিতে রাঙ্গামাটিতে বিক্ষোভ মিছিলও প্রতিবাদ সমাবেশ পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদ রাঙ্গামাটি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় পৌরসভার সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদ রাঙ্গামাটি জেলা শাখার সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান, সহ-সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মো. নূর শফিউল্লাহ্, যুগ্ম সম্পাদক মো. নাজিম, কলেজ শাখার আহ্বায়ক ফয়জুল্লাহ মোরশেদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দগণ।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পার্বত্য নাগরিক পরিষদ রাঙ্গামাটি জেলা শাখার আহ্বায়িকা বেগম নূর জাহান,

তিনি বলেন, নামধারী একটি মহল পার্বত্যাঞ্চলকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে। এছাড়া দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের নিরাপত্তাবাহিনীর ভাবমর্তি ক্ষুন্ন করতে একটি মহল উঠে পড়ে লেগেছে। বহুদিন যাবৎ পার্বত্যাঞ্চলে নামধারী কতিপয় উপজাতীয় আঞ্চলিক সংগঠনগুলো বাঙালিদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে রেখেছে। তাদের অবৈধ অস্ত্রের মুখে পাহাড়ের মানুষ আজ নিরাপত্তাহীন।

অন্যান্য বক্তারা আরও বলেন, পার্বত্যাঞ্চলে উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী গুম, খুন, চাঁদাবাজি, অপহরণ অব্যাহত রেখেছে। স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন সময় এ পর্যন্ত প্রায় ৪০ (চল্লিশ) হাজার সাধারণ বাঙালিকে হত্যা করেছে এ উপজাতী সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো। এখন নতুন করে আবার বাংলাদেশ নিরাপত্তাবাহিনীকে নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তাদের এ ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করার জন্য বাঙালি সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। সেই সাথে সাদেকুল সহ পাহাড়ে সকল বাঙ্গালী হত্যার বিচার পূর্বক নিরাপত্তা বৃদ্ধির লক্ষে অধিক হারে সেনা ক্যাম্প স্থাপনের জোর দাবি জানান।




ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের প্রতিবাদে ঢাবি বৌদ্ধ ছাত্র সংসদের মানবন্ধন

18137005_705312893004645_942404456_n

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : দৈনিক জনকন্ঠ পত্রিকায় গৌতম বুদ্ধকে সন্ত্রাসী হিসেবে আখ্যায়িত করে দেশের আপামর শান্তিপ্রিয় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীর ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত প্রদানের প্রতিবাদে মানবন্ধন বুধবার ২৬ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য পাদদেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বৌদ্ধ ছাত্র সংসদ এর উদ্যোগে এক প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে। সমাবেশ থেকে অভিযোগ করে বলা হয়েছে, গত ২৪ এপ্রিল বৌদ্ধ ধর্মের প্রচারক মহাকারুনিক গৌতম বুদ্ধ এবং দেশের বৌদ্ধ সমাজকে জড়িয়ে ”দৈনিক জনকন্ঠ” পত্রিকায় ফিরোজ মান্না’র করা রিপোর্টটি ছিল ভিত্তিহীন, সাম্প্রদায়িক ও ধর্মীয় উস্কানিমূলক সংবাদ।

পাহাড়ী ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মানববন্ধনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বৌদ্ধ ছাত্র সংসদের সভাপতি শোভন বড়ুয়ার সভাপতিত্বে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পালি এন্ড বুড্ডিস্ট স্টাডিজ বিভাগের প্রকট চাকমার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি এন্ড বুড্ডিস্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া, প্রভাষক উচিন লয়েন রাখাইন, পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সুলভ চাকমা, পিজি হাসপাতালের চিকিৎসক স্নেহাশীষ বড়ুয়া, বৌদ্ধ ছাত্র সংসদের অরুপ বড়ুয়া, ঢাকা আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারের উপাধ্যক্ষ ভিক্ষু সুনন্দাপ্রিয় প্রমুখ।

মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া বলেন, “আমরা এদেশের শান্তিকামী বৌদ্ধ সমাজ অহিংসায় বিশ্বাস করি। দৈনিক জনকন্ঠে প্রকাশিত ফিরোজ মান্নার পরিবেশন করা সংবাদটি ভিত্তিহীন, বানোয়াট এবং সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক। এই সংবাদ দেশের আপামর বৌদ্ধ সমাজের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে।”

প্রভাষক উচিন লয়েন বলেন, “দেশের বৌদ্ধ সমাজকে জড়িয়ে এধরনের উস্কানিমূলক সংবাদ একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হবে তা আমরা কখনোই মেনে নিতে পারি না।”

পাহাড়ী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় তথ্য প্রচার সম্পাদক সুলভ চাকমা মানবন্ধনে সংহতি জানিয়ে বলেন, ‘প্রকাশিত সংবাদটির প্যারাতে প্যারাতে দেশের বৌদ্ধ সমাজকে জড়িয়ে ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালানো হয়েছে।

বক্তারা দেশের বৌদ্ধ সমাজের পক্ষ হয়ে মানবন্ধন থেকে গৌতম বুদ্ধ ও দেশের বৌদ্ধ সমাজকে জড়িয়ে জনকন্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত ভিত্তিহীন ও ধর্মীয় অবমাননামূলক সংবাদ অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার করে দোষীদের যথাযথ শাস্তি প্রদান, ধর্মীয় অবমাননামূলক সংবাদ পরিবেশনের জন্য দায়ী ”দৈনিক জনকন্ঠ” পত্রিকার সম্পাদককে দেশের বৌদ্ধসমাজ তথা দেশবাসীর নিকট নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া এবং দেশের বৌদ্ধ স্থাপনা ও বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরুদের নিরাপত্তা বিধান করে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবি জানান।




রমেল চাকমা হত্যার প্রতিবাদে নান্যাচর বাজার বয়কট

17992297_130084454202272_1637516393245414906_n copy

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

ছাত্র নেতা রমেল চাকমাকে হত্যার প্রতিবাদে ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে রমেল হত্যা প্রতিবাদ কমিটি ও পিসিপির উদ্যোগে রাঙ্গামাটি জেলার নান্যাচর বাজার বয়কট কর্মসূচী পালন করেছে।

পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী বুধবার বাজার বর্জন কর্মসূচির প্রতি নান্যাচর এলাকার জনসাধারণ সমর্থন জানিয়েছে বলে পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ(পিসিপি)’র পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

পিসিপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক রোনাল চাকমা স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, বুধবার নান্যাচর বাজারের সাপ্তাহিক হাটের দিন হওয়া সত্ত্বেও স্কুলের পরীক্ষার্থী ব্যতীত কাউকে বাজারে আসতে দেখা যায়নি। বাজারে কোন লোকজন না আসাতে অধিকাংশ দোকান পাট বন্ধ দেখা যায়। তবে কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বাজার এলাকায় ব্যাপকভাবে সেনা ও পুলিশের উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে।




রাঙ্গামাটিতে বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের দুই নেতা গ্রেফতার, ১২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, পরবর্তীতে মুক্তি

18155228_705265913009343_291558235_n

নিজস্ব প্রতিনিধি :

রাঙামাটিতে ছাত্র ইউনিয়নের মানবন্ধন কর্মসূচিতে হামলার অভিযোগে পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের দুই নেতাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। বুধবার সকাল ১১টার দিকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে ছাত্র ইউনিয়নের মানববন্ধন চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।

ছাত্র ইউনিয়ন নেতারা জানান, মানববন্ধন ও সমাবেশ চলাকালে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদের নেতাকর্মীরা। মানবন্ধনের ব্যানারটি কেড়ে নিয়ে নেতাকর্মীদেরও মারধর করে ছাত্র পরিষদের নেতাকর্মীরা।

এ সময় টহলরত পুলিশ পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের রাঙ্গামাটি জেলা শাখার সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়।

পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক এক বিবৃতিতে ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারকৃত নেতাদের মুক্তির দাবি জানিয়ে বলা হয়, নাম সর্বস্ব একটি বাম সংগঠন রাষ্ট্র বিরোধী সমাবেশে সাম্প্রদায়িক ও সংবিধান বিরোধী বক্তব্যদানকালে তাদের বাধা দেওয়ার সময় পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের দুই নেতাকে পুলিশ বেআইনিভাবে আটক করেছে। ১২ ঘণ্টার মধ্যে তাদের নিঃশর্ত মুক্তি না দিলে বিক্ষোভ মিছিল, অবরোধ ও হরতালের মতো কঠোর কর্মসুচি দেওয়া হবে।

জানা যায়, পরে উভয়পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের আটককৃত দুই নেতাকে ছেড়ে দেয়া হয়। রাঙামাটি কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রশীদ ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

 




নামধারী একটি মহল পার্বত্যাঞ্চলকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে

18119110_1360284957396627_6260074574355563330_n copy

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

ছাদেকুল হত্যার বিচার ও পাহাড়ে নিরাপত্তাবাহিনীর বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে এবং পার্বত্য অঞ্চলে সেনা ক্যাম্প বৃদ্ধির দাবিতে ঢাকায় পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টায় ঢাকা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংগঠনটির উদ্যোগে ও ঢাকা মহানগর সভাপতি মো. শাহাদাৎ ফরাজি সাকিব’র সভাপতিত্বে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ মানববন্ধনে অংশ গ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে প্রধান অথিতির বক্তব্য রাখেন, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আলকাছ আল মামুন ভূঁইয়া। আরও বক্তব্য রাখেন, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের সহ-সভাপতি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ, ন্যাপ ভাসানী’র সভাপতি খন্দকার মোস্তাক হোসেন ভাসানী, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের উপদেষ্টা মণ্ডলীর অন্যতম সদস্য, শেখ আহাম্মদ (রাজু), জিয়া ফোরামের সভাপতি মঞ্জরুল ইসলাম ঈসা প্রমুখ।

মানববন্ধনে আলকাছ আল মামুন ভূঁইয়া বলেন, নামধারী একটি মহল পার্বত্যাঞ্চলকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে। এছাড়া দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের নিরাপত্তাবাহিনীর ভাবমর্তি ক্ষুন্ন করতে একটি মহল উঠে পড়ে লেগেছে। বহুদিন যাবৎ পার্বত্যাঞ্চলে নামধারী কতিপয় উপজাতীয় আঞ্চলিক সংগঠনগুলো বাঙালিদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে রেখেছে। তাদের অবৈধ অস্ত্রের মুখে পাহাড়ের মানুষ আজ নিরাপত্তাহীন।

বক্তারা আরও বলেন,পার্বত্যাঞ্চলে উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী গুম, খুন, চাঁদাবাজি, অপহরণ অব্যাহত রেখেছে। স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন সময় এ পর্যন্ত প্রায় ৪০ (চল্লিশ) হাজার সাধারণ বাঙালিকে হত্যা করেছে এ উপজাতী সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো। এখন নতুন করে আবার বাংলাদেশ নিরাপত্তাবাহিনীকে নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।

তাদের এ ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করার জন্য বাঙালি সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। সেই সাথে সাদেকুলসহ পাহাড়ে সকল বাঙ্গালী হত্যার বিচার পূর্বক নিরাপত্তা বৃদ্ধির লক্ষে অধিক হারে সেনা ক্যাম্প স্থাপনের জোর দাবি জানান।




পিসিপি’র অবস্থান ধর্মঘট পালিত

news pic (4) copy

রাঙামাটি প্রতিনিধি:

পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি) নেতা রমেল চাকমার সেনা হেফাজতে মৃত্যুর জন্য দায়ীদের শাস্তি ও বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠনের দাবিতে রাঙামাটিতে অবস্থান ধর্মঘট পালন করেছে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) নামে একটি আঞ্চলিক সংগঠন। মঙ্গলবার দুপুরের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ অবস্থান ধর্মঘট অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এসময়  অবস্থান ধর্মঘটে হিল উইমেন্স ফেডারেশন এর কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মন্টি চাকমা, রাঙামাটি জেলা শাখার পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সভাপতি কুনেন্টু চাকমা, ৩নং বুড়িঘাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রমোদ খীসাসহ বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচির আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর স্বারকলিপি প্রদান করেন। স্বারকলিপি গ্রহণ করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক প্রকাশ কান্তি চৌধুরী। স্বারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, রমেল চাকমার মৃত্যুর পুরো ঘটনা তদন্তের জন্য একটি নিরপেক্ষ, স্বাধীন বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে।

এসময় বক্তারা বলেন, রমেল চাকমার বিচার যদি না হয় সামনে কঠোর থেকে কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হবে।