স্বাধীনতা দিবসে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদান

RHDC Pic-26-03-17-01 copy

রাঙামাটি প্রতিনিধি:

দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান অপরিসীম। তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ের কারণেই আমরা আজ স্বাধীন জাতি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছি।  তাদের এ আত্মত্যাগের মূল্য কিছুতেই শোধ হবেনা। বর্তমান সরকার দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।

২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা এসব কথা বলেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান, পুলিশ সুপার সাঈদ তারিকুল হাসান, পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম জাকির হোসেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী কামাল উদ্দিন, পরিষদের সদস্য চাঁনমুনি চাকমা, জ্ঞানেন্দু বিকাশ চাকমাসহ রাঙ্গামাটি মুক্তিযোদ্ধা শহীদ পরিবারের সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা বলেন, মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের হাতে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

চেয়ারম্যান বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশ মাতৃকার টানে সাধারণ মানুষ যেভাবে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পরেছিল সেভাবে এখন দেশকে এগিয়ে নিতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। দেশে জঙ্গীবাদ মাথাচারা দিয়ে উঠায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি সমাজে জঙ্গীবাদ প্রতিরোধে  মুক্তিযোদ্ধাসহ সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির জেলা প্রসাশক মানজারুল মান্নান বলেন, দেশ যখন উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে তখনি জঙ্গিবাদ সন্ত্রাস মাথাচারা দিয়ে উঠছে। এতে বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। দেশকে উন্নতির দিকে নিতে হলে জঙ্গীবাদ সন্ত্রাসকে নির্মূল করতে হবে বলেও উল্লেখ করে তিনি জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

পরে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের মাঝে উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়।




রাঙামাটিতে নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে পালিত হয়েছে স্বাধীনতা দিবস

pic copy

রাঙামাটি প্রতিনিধি:

রাঙামাটিতে নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে পালিত হয়েছে ৪৭তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস।  এ দিবসে মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে রাঙামাটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়। রবিবার সকাল ৬টায় রাঙ্গামাটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণের মধ্যে দিয়ে দিবসের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

সকালে রাঙ্গামাটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বীর মুক্তিযোদ্ধা, মহিলা সংসদ সদস্য ফিরোজা বেগম চিনু, আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় সদস্য দীপংকর তালুকদার, রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মানজারুল মান্নানসহ সর্বস্তরের রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন।

সকাল ৮টায় শুরু হয় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে কুচকাওয়াজ ও শিশু কিশোরদের ডিসপ্লে। কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান। এ সময় পুলিশ সুপার সাঈদ তারিকুল হাসানসহ মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন। পরে শিশু কিশোরদের মনোজ্ঞ ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে মহান স্বাধীনতা দিবসকে ঘিরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলো নানা কর্মসূচি পালন করেছে।




স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে আ’লীগ ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে বাধার অভিযোগ জেলা বিএনপির

Khagrachari Pic 05 copy

নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি:

খাগড়াছড়িতে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেছে জেলা বিএনপি। দিবসটি উপলক্ষে বেলা ১১টায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত সমাবেশে জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ এ অভিযোগ করেন।

জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি প্রবীন চন্দ্র চাকমার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মণীন্দ্র কিশোর ত্রিপুরা, ক্ষেত্র মোহন রোয়াজা, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান নাসির আহমেদ চৌধুরী, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল মালেন মিন্ট, সাংগঠনিক সম্পাদক এমএন আবছার, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম সবুজ, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল।

এদিকে জেলা বিএনপির সংবাদ মাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেন, মহান স্বাধীনতা ও বিজয় দিবস উপলক্ষে খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপি প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছিল। তারই ধারাবাহিকতায় ২৬ মার্চ সকাল ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপি মুক্তিযুদ্ধে স্মৃতিসৗধে ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ভাস্কর্যে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। কিন্তু কর্মসূচিকে সামনে রেখে গত ২/৩ দিন ধরে রামগড়, মাটিরাঙ্গা, মাইসছড়ি ও দিঘীনালা উপজেলায় বিএনপি নেতাকর্মীদের উপর আওয়ামী সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়। প্রশাসন এ সব ন্যাক্কারজনক ঘটনার কোন প্রকার প্রতিকার ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

২৬ মার্চ খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির ‌র‌্যালিতে হামলা করার জন্য আওয়ামী সন্ত্রাসীরা আওয়ামী অফিসসহ একাধিক স্থানে দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র সজ্জিত হয়ে সন্ত্রাসীদের জড়ো করে রাখে। এ অবস্থায় নেতাকর্মীরা বেলা ১১টা পর্যন্ত দলীয় অফিসে অবস্থান করে।  কিন্তু বেলা সাড়ে ১১টা  পর্যন্ত প্রশাসন নেতাকর্মীদের স্মৃতিসৌধে যাওয়ার বিষয়ে সম্মতি দেননি।

পরে প্রশাসনের অসহযোগিতা ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের পরিকল্পিত হামলা ও মামলা থেকে নেতাকর্মীদের রক্ষার্থে খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপি মহান স্বাধীনতা ও বিজয় দিবস উপলক্ষে দলীয় কার্যালয় সম্মুখে এক সমাবেশ থেকে স্মৃতিসৗধে যাওয়ার পূর্ব নির্ধারিত র‌্যালি বাতিল ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। জেলা বিএনপি এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

উল্লেখ্য, গত ১৬ ডিসেম্বর বিএনপির র‌্যালিতে পুলিশের সামনে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে একাধিক নেতাকর্মী আহত করে এবং মিথ্যা মামলা দায়ের করে বলেও অভিযোগ করে।




খাগড়াছড়িতে কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরার নেতৃত্বে ব্যাপক শো-ডাউন

SAMSUNG CAMERA PICTURES

নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি:

খাগড়াছড়িতে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপ পৃথকভাবে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন করেছে। দিবসটি উপলক্ষে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপির নেতৃত্বে ব্যাপক শো-ডাউন হয়। অপর দিকে জাহেদুল আলমের নেতৃত্বাধীন  অংশটি পৃথকভাবে দিবসটি পালন করে।

সকাল পৌনে ১০টার দিকে কদমতলীস্থ অস্থায়ী কার্যালয় থেকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি ও পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করে। হাজারো পাহাড়ি-বাঙালি নেতাকর্মীর বিশাল র‌্যালিটি শহরের প্রধান সড়ক ঘুরে টাউন হলের সামনে স্থাপিত মুক্তিযুদ্ধে চেতনা মঞ্চে ও বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান ও জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতি ও মাইনী ভ্যালীস্থ ‘মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধে’ পুস্পমাল্য অর্পণ করেন। পরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

Khagrachari Pic 02 copy

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা নুরুন্নবী চৌধুরী, সহ-সভাপতি কল্যান মিত্র বড়ুয়া, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ  সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য নির্মলেন্দু চৌধুরী, জেলা পরিষদ সদস্য মংশিপ্রু চৌধুরী অপু, এডভোকেট আশুতোষ চাকমা, আব্দুল জব্বার, খোকনেশ্বর ত্রিপুরা, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. শানে আলম, মহিলা আওয়ামী লীগে নেত্রী বাসন্তি চাকমা, জেলা যুবলীগের  সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান হেলাল, সাধারণ সম্পাদক কেএম ইসমাইল হোসেন, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি টিকো চাকমা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক চন্দন কুমার দে ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জাবেদ হোসেনসহ জেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এদিকে সাময়িক বহিস্কৃত জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহেদুল আলমের নেতৃত্বে দলীয় কার্যালয় থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে একইভাবে টাউন হলের সামনে স্থাপিত মুক্তিযুদ্ধে চেতনা মঞ্চে ও বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান ও জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতি ও মাইনী ভ্যালীস্থ ‘মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধে’ পুস্পমাল্য অর্পণ করেন। পরে দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

SAMSUNG CAMERA PICTURES

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সমির দত্ত, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এসএম সফি, খাগড়াছড়ি পৌরসভা মেয়র রফিকুল আলম, জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক দিদারুল আলম, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন ফিরোজসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।




জঙ্গীমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে মাটিরাঙ্গা শহীদ মিনারে আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধাঞ্জলি

26.03.2017_Matiranga AL News Pic (1)

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা :

স্বাধীনতার ৪৬ বছরে এসে রাজাকার ও জঙ্গীমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ের মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‌্যালি শেষে সূর্যদয়ের সাথে সাথে ভোর ৫টা ৫৭ মিনিটের সময় মাটিরাঙ্গা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে বীর সেনানীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এসময় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পদচারনায় মুখরিত হয়ে উঠে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গন।

শুরুতেই আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও মাটিরাঙ্গা পৌরসভার মেয়র মো. শামছুল হক ও যুগ্ম আহ্বায়ক সুভাষ চাকমা, মাটিরাঙ্গা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা হিরনজয় ত্রিপুরা শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এর পরপরই মাটিরাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. হারুনুর রশিদ ফরাজী ও সাধারণ সম্পাদক মো. আলাউদ্দিন লিটন, মাটিরাঙ্গা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম খোন্দকার, মাটিরাঙ্গা উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী ও যুগ্ম আহ্বায়ক জুয়েল চাকমা, মাটিরাঙ্গা পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মো. তছলিম উদ্দিন রুবেল নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ শেষে বীর সেনানীদের স্মরণে এক মিনিট নিরাবতা পালন ও তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়।

পরে দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দ্যেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও মাটিরাঙ্গা পৌরসভার মেয়র মো. শামছুল হক রাজাকার ও জঙ্গীমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মানে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আর বিভেদ নয়, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলাদেশ গড়তে আজ ঐক্যের শপথ নিতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে লালন করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। ২৫শে মার্চকে জাতীয় গণহত্যা দিবস ঘোষণার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিাকে ধন্যবাদও জানান তিনি।

এদিকে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ভোরে সুর্যোদয়ের সাথে সাথে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।




মাটিরাঙ্গায় গণহত্যা দিবসে আওয়ামী লীগের মোমবাতি প্রজ্জ্বলন

IMG_20170325_190418 copy

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা:

বাঙালি জাতির ইতিহাসে ঘৃণিত ২৫মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে প্রয়াতদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন কর্মসূচি পালন করেছে মাটিরাঙ্গা উপজেলা  ও পৌর আওয়ামী লীগ  ও সহযোগী সংগঠন।

রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দলীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও মাটিরাঙ্গা পৌরসভার মেয়র মো. শামছুল হক।

এসময় মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সুবাস চাকমা, মাটিরাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. হারুনুর রশীদ ফরাজী, সাধারণ সম্পাদক ও প্যানেল মেয়র মো. আলাউদ্দিন লিটন, মাটিরাঙ্গা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, মাটিরাঙ্গা উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম খোন্দকার, মাটিরাঙ্গা উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক ও পৌর কাউন্সিলর মোহাম্দ আলী, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. তছলিম উদ্দিন রুবেলসহ আওয়ামীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের জনগণ উপস্থিত ছিলেন।

পরে দলীয় নেতাকর্মীসহ উপস্থিত জনতার উদ্দ্যেশ্যে মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও মাটিরাঙ্গা পৌরসভার মেয়র মো. শামছুল হক বলেন, বাঙালি জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে ঘৃণিত ২৫শে মার্চ গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু কণ্যা শেখ হাসিনা স্বাধীনতার ৪৬ বছর পর আবার একটি ইতিহাসের সৃষ্টি করেছেন।




রাজাকার ত্রিদিব রায়ের নামের সকল স্থাপনা অপসারণের দাবী জানালো পার্বত্য গণপরিষদ

press conf.1........

রাঙামাটি প্রতিনিধি:

পার্বত্যাঞ্চলের জনগণের কল্যাণের জন্য ২০ দফা বাস্তবায়ন দাবিতে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে পার্বত্য গণপরিষদ ও এর সহযোগী ছাত্র সংগঠন। শনিবার দুপুর ১২টায় ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউট সম্মেলন কক্ষে এ সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এসময় সাংবাদিক সম্মেলনে পার্বত্য গণপরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট পারভেজ তালুকদার, জেলা শ্রমিক পরিষদ সভাপতি মো রাসেল, পার্বত্য গণপরিষদ  জেলা সহ-সভাপতি মাওলানা সামসুল আলম এবং নাগরিক পরিষদের সভানেত্রী বেগম নুরজাহান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

দু’সংগঠনের ২০ দফা সমূহ, ১. রাজাকার চাকমারাজা ত্রিদিব রায়ের নামে করা সকল স্থাপনার নাম পরিবর্তন করতে হবে। যেমন ত্রিদিবনগর, বলপিয়া আদম ত্রিদিবনগর সর: প্রা: বিদ্যালয়। ত্রিদিব নগরের নাম পরিবর্তন করে পার্বত্য চট্টগ্রামে শহীদ লে. মুশফিক বীরউত্তম এর নামে শহীদ লে. মুশফিক বীরউত্তম নগর করা হোক।

২. রাজাকার চাকমারাজ ত্রিদিব রায়ের সকল সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে সরকারী নিয়ন্ত্রণ নিতে হবে, ৩. পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোহসিনা ইয়াছমিন স্বাক্ষরিত ০৩/১০/২০০১ তারিখের আদেশমূলে ভূমি বন্দোবস্তী প্রদান কার্যক্রম  বন্ধের আদেশ প্রত্যাহার করে পার্বত্য ভূমি বন্দোবস্তী চালু করতে হবে। ৪. পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ২৪জুলাই ২০১১ সালের আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে আদিবাসী শব্দের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রচার প্রচারনা ও আদিবাসী শব্দ ব্যবহার বন্ধে তিন পার্বত্য জেলা প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে হবে। ৫. দেশের সকল প্রচলিত আইন পার্বত্য চট্টগ্রামে চালু করতে হবে। ৬. হিলট্রাক্টস ম্যানুয়েল ১৯০০ আইন বাতিল করে প্রণীত পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন- ১৯৮৯ প্রচলনের গেজেট প্রকাশ করতে হবে। ৭.  দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্রছাত্রীদের জন্য কোটার ব্যবস্থা চালু করতে হবে। ৮. পার্বত্য বাঙ্গালীদের জনসংখ্যা অনুপাতে তিন পার্বত্য জেলায় সকল নিয়োগে নিয়োগ দিতে হবে। ৯. পার্বত্য বাঙ্গালীদের সকল ট্যাক্স ভ্যাট মওকুপ করতে হবে। ১০. পার্বত্য বাঙ্গালীদের  বন্দোবস্তীকৃত ভূমির দখল প্রদানসহ সকল অধিকার তাদের ফিরিয়ে দিতে হবে। ১১. পার্বত্য বাঙ্গালীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে যেমন বাঘাইহাট হত্যা মামলা। ১২. পার্বত্য চট্টগ্রামে সংসদীয় আসন ৭টিতে বৃদ্ধি করতে হবে। ১৩.উন্নয়ন বোর্ডে বাঙ্গালী চেয়ারম্যান নিয়োগ দিতে হবে।  ১৪. ভূমি কমিশনে বাঙ্গালী ৩জন প্রতিনিধি নিয়োগ দিতে হবে। ১৫. উপজাতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্তৃক সংঘঠিত পাকুয়াখালী, ভূষণছড়াসহ সকল মানবতাবিরোধী হত্যাকাণ্ড ও অপকর্মের বিচার করতে হবে। ১৬. সন্ত্রাস চাঁদাবাজি বন্ধ করে তিন পার্বত্য জেলায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে অভিযান চালাতে হবে। ১৭. তিন পার্বত্য জেলার সীমান্তে কাঁটা তারের বেড়া দিয়ে সীমান্ত ঘেঁষে সীমান্ত সড়ক নির্মাণ করতে হবে। ১৮. দ্রুত রাঙ্গামাটি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাস নির্মাণ করতে হবে এবং ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে সাবজেক্ট সংখ্যা বাড়াতে হবে। ১৯. পার্বত্য চট্টগ্রামকে পর্যটন শিল্প এলাকা ঘোষণা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের যে কোন স্থানে পর্যটকদের অবাধ বিচরনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। ২০. রাঙ্গামাটি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ আন্দোলনে উপজাতীয় সন্ত্রাসী কর্তৃক নিহত পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র ঐক্য পরিষদের নেতা নানিয়ারচরের শহীদ মনির হত্যার বিচার করতে হবে। শহীদ মনিরের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। শহীদ মনিরের নামে রাঙ্গামাটি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি হলের নামকরণ করতে হবে।

এসময় সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বিশ দফা দাবি আগামী দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন না করলে পার্বত্য গণপরিষদ ও পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র ঐক্য পরিষদ পার্বত্য জনগণকে সাথে নিয়ে হরতাল অবরোধসহ কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।




সরকারের পাশাপাশি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সেবায় ভূমিকা রাখতে হবে

Satto Mela- 23-03-17 copy

নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি:

ইউএসএআইডি ও ইউকেএইড’র অর্থায়নে এফডিএসআর পরিচালিত নাইক্ষ্যংছড়িতে বেসরকারী স্বাস্থ্য সংস্থা সূর্যের হাসি ক্লিনিকের আয়োজনে দিনব্যাপী স্বাস্থ্য মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন উন্মুক্ত মঞ্চে ফিতা কেটে এ স্বাস্থ্য মেলার উদ্বোধন করেন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম সরওয়ার কামাল।

নিজের উন্নতির জন্য স্বাস্থ্যের উপর গুরুত্ব দিয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম সরওয়ার কামাল তার বক্তব্যে বলেন, সরকার নারী ও শিশুর স্বাস্থ্য উন্নয়নকে অগ্রধিকার দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। নারী স্বাস্থ্য উন্নয়নে দেশ অনেক দূর এগিয়েছে। তাই সরকারের পাশাপাশি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সেবায় ভূমিকা রাখতে সূর্যের হাসি কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। এসময় তিনি বেসরকারী এ প্রতিষ্ঠানটিকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হামিদা চৌধুরী, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা ডা. মোশাররফ হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা দ্বিতীয়ময় চাকমা, উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য সচিব মোহাম্মদ ইমরান মেম্বার, সূর্যে হাসি ক্লিনিকের এফডিএসআর মোহাম্মদ মূসা, রামু ম্যানেজার খন্দকার দেলেয়ার হোসেন, নাইক্ষ্যংছড়ি ম্যানেজার মোল্লা সরোয়ার্দী রাতুল, সদর ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম, মহিলা আওয়ামী লীগ সভানেত্রী জুহুরা বেগম, আওয়ামী লীগে নেতা ফখরুল ইসলাম কালু, প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক আবুল বশর নয়ন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন স্বাস্থ্য সহকারী মো. শাহজাহান।

পরে অতিথিরা বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন এবং নিজেদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। মেলায় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধিসহ সকল স্তরের নারীরা স্বতস্ফূর্তভাবে অংশ গ্রহণ করেন।

দুপুরে মেলাস্থলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন মেলায় আগত দর্শণার্থীরা।




কল্পনা চাকমা অপহরণ মামলার শুনানী পেছানোয় প্রতিবাদ

কল্পনা চাকমা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : পার্বত্য চট্টগ্রামের ৫ নারী সংগঠন (হিল উইমেন্স ফেডারেশন, পার্বত্য চট্টগ্রাম নারী সংঘ, নারী আত্মরক্ষা কমিটি, সাজেক নারী সমাজ ও ঘিলাছড়ি নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি) এর নেতৃবৃন্দ ২২ মার্চ ২০১৭, বুধবার সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেছেন, শুনানী পেছানোর নামে কল্পনা চাকমা অপহরণে জড়িত চিহ্নিত অপরাধীদের রক্ষার প্রচেষ্টা জনগণ মানবে না। নেতৃবৃন্দ বিবৃতিতে চিহ্নিত অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে চলমান আন্দোলন অব্যাহত রাখবে বলেও ঘোষণা প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, ২২ মার্চ কল্পনা চাকমা অপহরণ মামলার শুনানী ছিল। কিন্তু অপরাধীদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ প্রদান না করে শুনানীর দিন আবারো পিছিয়ে ২ মে, ২০১৭ ধার্য করা হয়েছে।

নেতৃবৃন্দ বিবৃতিতে বলেন, চিহ্নিত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ না করে বারবার শুনানী পেছানোর মাধ্যমে আদতেই প্রকৃত অপরাধীদের রক্ষা করার চেষ্টা করা হচ্ছে কি না তা এখন আমাদের ভাবাচ্ছে।

নেতৃবৃন্দ শুনানীর নামে বারবার কালক্ষেপন করে কল্পনা চাকমার পরিবারকে হয়রানি করা হচ্ছে অভিযোগ করে বলেন, শুনানী পেছানোর নামে চিহ্নিত অপরাধীদের রক্ষার প্রচেষ্টা জনগণ মানবে না।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন হিল উইমেন্স ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি নিরূপা চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম নারী সংঘের সভাপতি সোনালী চাকমা, নারী আত্মরক্ষা কমিটির আহ্বায়ক এন্টি চাকমা, সাজেক নারী সমাজের সভাপতি নিরুপা চাকমা ও ঘিলাছড়ি নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি কাজলী ত্রিপুরা।




আলুটিলার হেডম্যান ও কার্বারীদের সম্প্রীতি সম্মেলন

IMG_20170322_112326 (1) copy

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

খাগড়াছড়ি জেলার আলুটিলার হেডম্যান ও কার্বারীদের নিয়ে শান্তিশৃঙ্খলা ও সম্প্রীতি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। খাগড়াছড়ি সদর জোনের আয়োজনে আলুটিলা আর্মি ক্যাম্পে সকাল ১০.৩০ দিকে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।  সম্মেলনে আলুটিলার সকল হেডম্যান ও কার্বারীসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনে অন্যানদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ১৪ই বেঙ্গল জোন অধিনায়ক লে. কর্নেল জিএম সোহাগ পিএসি, ভারপ্রাপ্ত উপ অধিনায়ক মেজর রফিকুল ইসলাম এবং মাটিরাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হিরন জয় ত্রিপুরা।

এসময় বক্তারা এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রেখে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে সকলকে একসাথে মিলেমিশে কাজ করার অনুরোধ জানান।