পিসিপি নেতাকে অপহরণের ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ

বিজ্ঞপ্তি

খাগড়াছড়ি জেলা শহরের লাইফ কেয়ার হাসপাতাল থেকে জেএসএস এমএন লারমাপন্থী কতিপয় দুর্বৃত্ত কর্তৃক বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি) ২ নেতাকে অস্ত্রের মূখে সন্ত্রাসী কায়দায় অপহরণ করার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে পিসিপি খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সভাপতি তপন চাকমা ও সাধারণ সম্পাদক অমল ত্রিপুরা।

এক বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় অভিযোগ করে বলেন, আজ (রবিবার) দুপুর ১টায় খাগড়াছড়ি জেলা শহরের নারিকেল বাগানস্থ লাইফ কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে এক্সের রুম থেকে জনসংহতি সমিতি এমএন লারমা দলের দিপন চাকমা, দিপু চাকমার নেতৃত্বে কনক চাকমা, জোনান চাকমা, রাজ্যময় চাকমাসহ ১৫-২০ জনের বিপদগামী দুর্বৃত্তদের একটি দল হানা দিয়ে সেখানে চিকিৎসার জন্য যাওয়া পিসিপি খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা সভাপতি সোহেল চাকমা ও পানছড়ি উপজেলা শাখার সভাপতি জুয়েল চাকমাকে ২টি মোটর সাইকেলসহ ও সিএনজিতে তুলে খাগড়াপুরের দিকে নিয়ে যায়।

নেতৃদ্বয় জনসংহতি সমিতি এমএন লারমা পন্থী একাংশ কর্তৃক সংঘটিত ওই ঘটনাকে ন্যাক্কারজনক ও অপরিনামদর্শী আখ্যায়িত করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।




বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শিশুদের অবস্থা শোচনীয়: ইউনিসেফ

পার্বত্যনিউজ ডেস্ক:

বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরে প্রায় ৩ লাখ ৪০ হাজার রোহিঙ্গা শিশু শোচনীয় জীবন যাপন করছে। এ বিপুল সংখ্যক শিশু প্রয়োজনীয় খাদ্য, পরিষ্কার পানি ও স্বাস্থ্য সেবা পাচ্ছে না। জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের প্রতিবেদন ‘আউটকাস্ট এন্ড ডেসপারেট’ এ এসব কথা বলা হয়েছে।

এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ইউনিসেফের প্রতিবেদনে বলা হয়, রোহিঙ্গা শিবিরে প্রতি সপ্তাহে ১২ হাজার নতুন শিশু যোগ হচ্ছে। এরা রাখাইনে সংঘটিত সহিংসতার কারণে, ক্ষুধার তাড়নায় বা সেখানকার নৃশংসতা দেখে ভীত হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসছে।

২৫ আগস্ট থেকে সব মিলিয়ে প্রায় ৬ লাখ রোহিঙ্গা রাখাইন থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। ইউনিসেফ কর্মকর্তা সাইমন ইনগ্রাম এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, এটি কোন স্বল্প মেয়াদী বিষয় না। দ্রতই তা শেষ হবে না। তাই সীমান্ত খোলা রাখা, রোহিঙ্গা শিশুদেরকে বাংলাদেশী শিশুদের মতো নিরাপত্তা দেয়া খুবই কঠিন বিষয়।

তিনি বলেন, বেশির ভাগ রোহিঙ্গাদেরই মিয়ানমারের নাগরিকত্ব নেই। তারা কোন ধরনের কাগজপত্র ছাড়াই পালিয়ে এসেছে। পরিচয় ছাড়া তারা কোন সমাজেই বাস করতে পারবে না। ইনগ্রাম বলেন, পুরোপুরি পরিপূর্ণ শরণার্থী শিবিরে নিরাপদ খাবার পানি ও টয়লেটের ঘাটতি রয়েছে। তিনি দুই সপ্তাহ কক্সবাজারে ছিলেন।

তিনি বলেন, ৫ বছরের কম বয়সী প্রতি পাঁচ শিশুর মধ্যে একটি শিশু অপুষ্টিতে আক্রান্ত। তাদের চিকিৎসা প্রয়োজন। এছাড়া সেখানে ডায়রিয়া, কলেরার মতো পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার প্রবল ঝুঁকি রয়েছে। ইউনিসেফ শরণার্থী শিবিরে পরিষ্কার পানি ও টয়লেটের ব্যবস্থা করেছে। তারা সেখানকার শিশুদের টিকাদান কার্যক্রমে সহায়তা করছে। সংস্থাটি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ৬ মাসের ভরণপোষণের জন্য ৭৬ মিলিয়ন ডলার অর্থ সহায়তা চেয়েছিলো। কিন্তু এখন পর্যন্ত তার মাত্র ৭ শতাংশ অর্থ পাওয়া গেছে।

 

সূত্র: মানবজমিন




কাউখালীর ৩নং ঘাগড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র কাউন্সিল সম্পন্ন

কাউখালী প্রতিনিধি:

নানা বাঁধা বিপত্তির পর কাউখালীর ৩নং ঘাগড়া ইউনিয়ন বিএনপির কাউন্সিল সম্পন্ন হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে শুক্রবার(২০ অক্টোবর) উপজেলার কাশখালী আমতল এলাকায় দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে দলটি।

উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অভিযোগ করেন, সম্মেলন আয়োজনের জন্য দলের পক্ষ থেকে প্রশাসনের কাছে প্রথমে উপজেলা পরিষদ হলরুমের জন্য আবেদন করা হয়। কিন্তু হলের কাজ পুরোপুরি শেষ না হওয়ার অজুহাতে তা বাতিল করে।

পরবর্তীতে উপজেলা সদর থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে কাশখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে সম্মেলনের জন্য অনুমতি প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। কিন্তু সম্মেলনের মাত্র দু’দিন পূর্বে অদৃশ্য হাতের ইশারায় নির্ধারিত স্থানটিও বাতিল করে প্রশাসন। ফলে বৃষ্টির মাঝে হঠাৎ করে নতুন স্থানে অনুষ্ঠান আয়োজন করতে হিমশিম খেতে হয়।

ঘাগড়া ইউনিয়নের বর্তমান সভাপতি ও সাবেক মেম্বার আব্দুল মোতালেবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কাউন্সিলের উদ্বোধন করেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমএ মনুছর।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জসিম উদ্দিন খোকন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা মো. খোরশেদ আলম, সহসভাপতি মো. মহিউদ্দিন, আবুল কাশেম, সফিকুল আলম, আব্দুল হান্নান আলমগীর, মো. আলমগীর হোসেন, আবুল কালাম আজাদ। জেলা যুবদল সদস্য মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, উপজেলা যুবদল সভাপতি মো. আবুল হাশেম, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জুনু।

ছাত্রদল সভাপতি মমিনুল করিম জীবন, সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল উদ্দিন, ছাত্রনেতা আব্দুল্লাহ তুহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হাসেম প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু বকর মো. তারা মিয়া।

সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে জুমার নামাজের বিরতির পর অধিবেশন শুরু হয়। বিকাল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত গোপন ব্যালটের মাধ্যমে কাউন্সিলররা ভোটাধিকার প্রয়োগ করে। এতে সভাপতি পদে আবু বকর মো. তারা মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল উদ্দিন পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত হন।




দীঘিনালা উপজেলা বড়ুয়া সমাজ কল্যাণ পরিষদের কমিটি গঠন

 

দীঘিনালা প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলা বড়ুয়া সমাজ কল্যাণ পরিষদের কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে। শুক্রবার (২০ অক্টোবর) উপজেলার বোয়ালখালীস্থ শালবন বৌদ্ধ বিহারে সংগঠনটি বার্ষিক সাধারণ সভা ও কাউন্সিল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

হাচিনসনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেবপ্রিয় বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন আশীষ বরণ বড়ুয়া, শিক্ষক টিপলু বড়ুয়া, সুপায়ন বড়ুয়া, অজিত বড়ুয়া, শিক্ষক দীলিপ বড়ুয়া, শিক্ষক চঞ্চল বড়ুয়া, রুবেল বড়ুয়া ও পাভেল বড়ুয়া প্রমুখ।

সভা শেষে দ্বিতীয় অধিবেশনে দেবপ্রিয় বড়ুয়াকে সভাপতি, পলাশ বড়ুয়াকে সাধারণ সম্পাদক ও অজিত বড়ুয়াকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে তিন বছরের জন্য ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।




আলীকদমে রেডক্রিসেন্টের উদ্যোগে ৫৩ পরিবারের মাঝে চেক বিতরণ

আলীকদম প্রতিনিধি:

আলীকদম উপজেলার চৈক্ষ্যং ইউনিয়নে রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি বান্দরবান জেলা ইউনিটের উদ্যাগে ৩০ হাজার টাকা হারে ৫৩টি উপকারভোগী পরিবারের মাঝে চেক বিতরণ করা হয়েছে। ইকনোমিক সিকিউরিটি প্রজেক্টের আওতায় আয়বৃদ্ধিমূলক কাজের অনুকূলে নগদ অর্থ প্রদানের লক্ষ্যে এসব চেক বিতরণ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৯ অক্টোবর) রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি বান্দরবান জেলার সাধারণ সম্পাদক আওয়ামী লীগ নেতা সাংবাদিক একেএম জাহাঙ্গীর-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতি ছিলেন লামা-আলীকদম উপজেলা নির্বাহী অফিসার খিনওয়ান নু।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার মধ্যদিয়ে দারিদ্র বিমোচন করে ২০২১ সালে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করার জন্য মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে নানা মুখি কাজ করছে। এই এলাকা জমির পর্যাপ্ততা হেতু কৃষি ও পশু পালনের লাভজনক-অনুকুল পরিবেশ রয়েছে। সূতরাং উপকারভোগী পরিবাররা এ সংক্রান্ত প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ৩০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে নিজেরা ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতি বলেন, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সমাজের বিভিন্ন সেবামূলক কাজে সর্বদাই সক্রিয় ভূমকিা পালন করছে। ইউনিটের সদস্যরা অত্যন্ত গতিশীল ও কর্মমূখর থেকে বিভিন্ন কার‌্যক্রম সম্পাদন করে আসছে। কার্যক্রমগুলোর মধ্যে দুর্যোগ মোকাবেলায় সহায়তা প্রদান, স্বেচ্ছায় রক্ত দান কর্মসূচির আয়োজন, রক্ত সংগ্রহ, প্রাথমিক চিকৎসা প্রদান সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ আয়োজন, বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস যথাযথ মর্যাদায় পালন  ইত্যাদি।

এর আগে ৫৩টি উপকারভোগী পরিবারের প্রধানদেরকে পশুপালন ও কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করেন, উপজেলা কৃষি ও প্রাণি সম্পাদ অফিসার। প্রশিক্ষণ শেষে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার লক্ষ্যে রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির পক্ষ থেকে প্রতি পরিবারকে ৩০ হাজার টাকা করে চেকের মাধ্যমে প্রদান করা হয়।

সোসাইটির এরিয়া প্রজেক্ট অফিসার সামসুল আলম জানান, এই টাকায় উপকারভোগীরা আত্মনির্ভর হতে কাজ করছে কিনা; তা আগামী ২৪ মাস পর্যন্ত সোসাইটির কর্মকর্তারা নিবিড় মনিটরিং-এ থাকবে।

সাধারণ সম্পাদক একেএম জাহাঙ্গীর জানান, এটি একটি পাইলট প্রকল্প, জেলার ৫টি উপজেলায় এই কার্যক্রম চলছে। উপকারভোগীদের কর্মকাণ্ড ইতিবাচক হলে এই প্রজেক্ট আরো সম্প্রসারিত হবে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে ছিলেন, চৈক্ষ্যং ইউপি চেয়ারম্যান ফেরদৌস রহমান, সদস্য অলিউর রহমান, প্যানেল চেয়ারম্যান রুহুল আমিন, লামা প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি মো.কামরুজ্জামানসহ সোসাইটির ঢাকাস্থ্য কর্মকর্তা ও স্থানীয় উপকারভোগি গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।




২৫ নভেম্বর রাঙ্গামাটি জেলা মিনিট্রাক ও পিকআপ শ্রমিক ইউনিয়নের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন

 

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি:

দীর্ঘ ৫ বছর পর আগামী ২৫ নভেম্বর রাঙ্গামাটিতে জেলা  মিনিট্রাক ও পিকআপ শ্রমিক ইউনিয়নের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত  হবে। নির্বাচন উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা মিনিট্রাক ও পিকআপ ইউনিয়ন কার্যালয়ে ২৪ ধারা মোতাবেক দ্বি-বার্ষিক ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে।

এসময় সভায় রাঙ্গামাটি জেলা মিনিট্রাক ও পিকআপ শ্রমিক ইউনিয়নের সাব কমিটির আহ্বায়ক হাজী সাব্বির আহম্মদ ওসমানী, সদস্য সচিব জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, সদস্য টিটু বিশ্বাস, কানু চৌধুরী, আজম আলী আজম ও প্রেসিডিয়াম সদস্য কিশোর চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচনী তফসিল সভায় বক্তারা বলেন, প্রায় দীর্ঘ বছর পর রাঙ্গামাটি জেলা মিনিট্রাক ও পিকআপ শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে নির্বাচনীর সকল প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আমরা সুষ্ঠভাবে নির্বাচন সম্পূর্ণ করে শ্রমিকের কল্যাণের জন্য একটি নতুন কমিটি উপহার দেওয়ার চেষ্টা করবো।

নির্বাচনী তফসিল সমূহ নিম্নে দেওয়া হলো, সমিতির কার্যালয় থেকে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ ২৫ অক্টোবর থেকে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত, মনোনয়ন পত্র দাখিল ২৮ অক্টোবর, মনোনয়ন পত্র বাছাই ২৯ অক্টোবর, বৈধ ও বাতিলকৃত মনোনয়ন পত্রের উপর প্রর্থীর খসড়া তালিকা প্রকাশ ৩০ অক্টোবর, আপত্তিকৃত কিংবা বাতিলকৃত মনোনয়ন পত্রের উপর প্রার্থীর আপিল আবেদন দাখিল ১ নভেম্বর, আপিল শুনানী ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ ২ নভেম্বর, প্রার্থী প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৩ নভেম্বর, প্রার্থীর চুড়ান্ত তালিকা প্রকাশ ৪ নভেম্বর, প্রতীক বরাদ্দ ৫ নভেম্বর এবং ভোট গ্রহণ ও ফলাফলা ঘোষণা ২৫ নভেম্বর  পৌর ট্রাক টার্মিনালস্থ যৌথ কমিটি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে।




চকরিয়ায় ৬ বছর ধরে চলছে মেয়াদউত্তীর্ণ হাইয়েস মাইক্রোবাস ইউনিয়ন সমিতি

চকরিয়া প্রতিনিধি:

দীর্ঘ ৬ বছর ধরে অনিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ও সরকারকে বিপুল অঙ্ক রাজস্ব কর ফাকির মধ্যদিয়ে কক্সবাজার জেলা চকরিয়াস্থ হাইয়েস মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন(রেজি নং-২৪০২)এর মেয়াদ উর্ত্তীণ কমিটির নেতৃবৃন্দরা সাধারণ সদস্যাকে কুক্ষিগত রেখে নানা ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতিতে মেতে উঠেছে সংগঠনের বর্তমান কমিটির নেতৃবৃন্দ। এমন অভিযোগ তুলেছেন ওই সংগঠনের বর্তমান কমিটির নির্বাচিত সদস্য ও সাধারণ সদস্যরা। এ নিয়ে সাধারণ সদস্যদের মাঝে ক্ষোভের সঞ্চার সৃষ্টি হয়েছে।

শ্রমিক সংগঠনের সদস্যদের অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, চকরিয়া হাইয়েস মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সর্বশেষ নির্বাচন হয়েছিল ২০১১ সালের ২৫জুন। ওই নির্বাচিত কমিটির মেয়াদকাল ছিল নীতিমালা অনুযায়ী দুই বছর। গেল ২০১৩ সালে ২৪ জুন তারিখে মেয়াদকাল পূর্ণ হওয়ার পর থেকে ওই নির্বাচিত কমিটি অবৈধ পন্থায় শ্রমিক সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

সংগঠনের সভাপতি আজিজ উদ্দিন দুস্কৃতকারী হাতে নিহত হওয়ার পর থেকে সংগঠনের নির্বাচিত দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃবৃন্দ বেপরোয়া ভাবে অনিয়ম ও দুর্ণীতির মধ্যদিয়ে বহাল তবিয়তে সদস্যদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করে আসলেও তার কোন হিসাব-নিকাশ নেই বলে অভিয়োগ তুলেন।

এছাড়াও সংগঠনের নীতিমালা অনুযায়ী প্রতি বছর অন্তর অন্তর সমিতির আয়-ব্যয়ের অডিট নিরুপন করার নিয়ম ও বিধিবিধান থাকলেও দীর্ঘ চার বছর ধরে সংগঠনের অডিট না করে বেআইনী ও অবৈধ পন্থায় নানা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে নেতৃবৃন্দ।

দৈনিক হারে সংগঠনের ৪০০ সদস্যদের কাছ থেকে কল্যাণ উত্তোলন করে ব্যাংকে জমা না দিয়ে দায়িত্বরত নেতৃবৃন্দদের হাতে গচ্ছিত রাখেন বলে সূত্র জানায়। বর্তমান দায়িত্বরত কমিটির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন নির্বাচিত সদস্যরা এই অনিয়মের কারণে স্বীয় পদ থেকে পদত্যাগ করতে চাইলে সংগঠনের কোন ধরণের উপদেষ্টা কমিটি না থাকায় তারা পদত্যাগও করতে পারছেনা বলে জানান।

সমিতির দীর্ঘ চার বছর ধরে অনিয়মের মাধ্যমে সংগঠন পরিচালনা করার ফলে নানান জটিলতা দেখা দেয়। এতে সংগঠনের বৃহত্তর স্বার্থে এ অনিয়মের রাহুগ্রাসের কবল থেকে সাধারণ সদস্যদের ন্যায্য দাবির প্রেক্ষিতে অবৈধ কার্যক্রমসহ যাবতীয় কর্মকাণ্ড বন্ধের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সংগঠনের ভোক্তভোগী সদস্যরা।




পিবিসিপি খাগড়াছড়ি জেলা শাখা কর্তৃক বই বিতরণ ও খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ শাখার ৫ম কাউন্সিল-২০১৭ সম্পন্ন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

পার্বত্য বাঙালিদের প্রতি সব ধরনের বৈষম্য দূরকরতে আত্বশক্তিতে হব বলিয়ান, গড়ে তুলব দুর্বার আন্দোলন এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ শাখার ৫ম কাউন্সিল-২০১৭ এবং গরীব ও মেধাবীদের মাঝে ৬০ সেট বই বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার সকাল ১২টায় খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ হলরুমে পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদ খাগড়াছড়ি জেলা কমিটির সার্বিক সহযোগিতায় বই বিতরণ ও কমিটি গঠন সম্পন্ন করা হয়। ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষে খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ, সরকারি মহিলা কলেজ এবং মাটিরাঙা ডিগ্রি কলেজের একাদশ, দ্বাদশ শ্রেণির গরীব ও মেধাবী ছাত্র/ছাত্রীদের মাঝে ৬০ সেট বই বিতরণ করা হয়েছে।

কাউন্সিলে খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ শাখার আগামী ১ বৎসরের জন্য ১০১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়। ডিগ্রি শেষবর্ষের ছাত্র বাবু মৃদুল বড়ুয়া সভাপতি, কাউসার মাহমুদকে সাধারণ সম্পাদক ও মো. সুমন রানাকে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের সম্মানিত অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. আব্দুস সবুর খান। বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. মাঈন উদ্দীন , জেলা সাধারণ সম্পাদক এসএম মাসুম রানা। জেলা যুগ্ম সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, জেলা প্রচার সম্পাদক মো. শাহীন আলম, টেকনিক্যাল কলেজ সভাপতি মো. ইব্রাহিম খলিল ও সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম সহ অন্যান্য শাখার নেতৃবৃন্দরা। সভাপতিত্ব করেন নবনির্বাচিত খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ সভাপতি মো. ইব্রাহিম খলিল।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা সাধারণ সম্পাদক এম মাসুম রানা বলেন পার্বত্য অধিকার হারানো ও বঞ্চিত নিরীহ বাঙালিদের অন্যতম ১০টি সমস্যার মধ্যে প্রধান সমস্যা হলো শিক্ষা ক্ষেত্রে বঞ্চিতকরণ। উদাহরণ হিসেবে বলেন যে বিতর্কিত পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তিতে এক তরফা ভাবে উপজাতিদের শিক্ষা সহ সামগ্রিক দিকে কোটা সুবিধা সহ অগ্রাধিকার মূলক নীতি অবলম্বন করে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

অন্যদিকে যোগ্যতা থাকার পরও প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে থেকে সব ধরনের উচ্চ শিক্ষা ও চাকরী হতে বঞ্চিত হচ্ছে পার্বত্য বাঙালিরা। তাই এই নিরীহ ও গরীব ছাত্রদের এগিয়ে নিতে উৎসাহ প্রদান করছে পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদ। তার অংশ হিসেহে ১ম ধাপে খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের ১১জন শিক্ষার্থীকে বই প্রদান করা হয়। ২য় ধাপে খাগড়াছড়ি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের ৪০জনকে বই বিতরণ করা হয় এবং বুধবার ৩য় ধাপে খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ সহ ৩টি কলেজের মোট ৬০জন কে বই দেওয়া হয়।

তিনি তার বক্তব্যে পার্বত্য বাঙালিদের শিক্ষা ক্ষেত্রে এগিয়ে নিতে বিশেষ কিছু প্রদক্ষেপ হাতে নেওয়ায় জেলা সভাপতি ভা. মো. মাঈন উদ্দীন কৃতজ্ঞতা জানান। সেই সাথে সবাইকে অধিকার আদায়ে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা যুগ্ম সম্পাদক মো. জাহিদুল ইসলাম, টেকনিক্যাল কলেজ সভাপতি মো. ইব্রাহিম খলিল ও সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সফল ভাবে সম্পন্ন করতে সার্বিক সহযোগিতার জন্য সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।




রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ দিলেন বান্দরবান জেলা আ’লীগ

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

“মানুষের জন্য মানুষ, জীবনের জন্য জীবন” এ প্রতিপাদ্য নিয়ে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা নির্যাতিত অসহায় রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়াল বান্দরবানবাসীর পক্ষে বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগ।

জানাগেছে, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপির নির্দেশনায় জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ দু-ভাগে ভাগ হয়ে মানবিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে বুধবার নাইক্ষছড়ি উপজেলার চাকঢালা, বড় চনখোলা, সাপমারা ঝিড়ি, দো-ছড়ি, ঘুমধুম এলাকায় আশ্রয় নেয়া ২৫০০ রোহিঙ্গা পরিবারের মাঝে নিত্য প্রয়োজনীয় ত্রান সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

ত্রাণ বিতরণে অংশ নেয় জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুর রহিম চৌধুরী, উপদেষ্টা কাজল কান্তি দাশ, সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র ইসলাম বেবী, সহ-সাধারণ সম্পাদক লক্ষি পদ দাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাম্মেল হক বাহাদুর, জেলা পরিষদের সদস্য ক্যসাপ্রু, নাইক্ষংছড়ি সদর ইউনিয়নের ইপি চেয়ারম্যান তসলিম ইকবাল চৌধুরী, ঘুনধুম ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জনি সুশিলসহ জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।




দীঘিনালায় কলেজ ছাত্রী অপহরণের অভিযোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমবেশ

দীঘিনালায় কলেজ ছাত্রী অপহরণের অভিযোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমবেশ প্রতিবাদে আগামী রবিবার সড়ক অবরোধ এবং বাজার বয়কটের ঘোষণা। অপহরণের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, আয়না চাকমা।

দীঘিনালা প্রতিনিধি:

দীঘিনালায় এক কলেজ ছাত্রী অপহরণের অভিযোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ-দীঘিনালা ডিগ্রি কলেজ শাখা।

বুধবার (১৮ অক্টোবার) দুপুরে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে উপজেলা কমপ্লেক্স প্রদক্ষিণ করে। পরে বিক্ষোভ মিছিলটি উপজেলার লারমা স্কোয়ারে সমাবেশে মিলিত হয়। ওই কলেজ ছাত্রীর নাম আয়না চাকমা(১৯)। সে মহালছড়ি উপজেলার উল্টাছড়ি গ্রামের সুখময় চাকমার মেয়ে।

সে গত ৭ (সাত) বছর যাবৎ পশ্চিম থানাপাড়া এলাকার যুগস্মৃতি চাকমার বাড়িতে থেকে দীঘিনালা ডিগ্রি কলেজে পড়াশুনা করে আসছেন। সমাবেশে অপহরণের অভিযোগ এনে, উপজেলার কুমিল্লা টিলা এলাকার ফরিদ মিঞার ছেলে আবু বক্করকে দায়ী করা হয়।

বিক্ষোভ সমাবেশে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ দীঘিনালা ডিগ্রি কলেজ শাখার সভাপতি জেনিথ চাকমার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা যুব পরিষদের সভাপতি সমির চাকমা, উপজেলা পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সভাপতি রাজ্যময় চাকমা, সাধারণ সম্পাদক সুনেন্দু চাকমা, সাংগঠনিক সম্পাদক অমর বিকাশ চাকমা এবং কলেজ শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক পিন্টু চাকমা প্রমুখ।

সমাবেশে আয়না চাকমা উদ্ধারে প্রশাসনকে তিন দিনের সময় বেধে দিয়েছে বক্তারা। আগামী তিন দিনের মধ্যে উ্দ্ধারে ব্যর্থ হলে আগামী রবিবার থেকে সড়ক অবরোধসহ দীঘিনালা থানা বাজার বয়কট কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

এব্যাপারে আবু বকর অপহরণের অভিযোগ মুঠোফোনে অস্বীকার করে জানান, আয়না চাকমার সাথে আমার প্রায় ৫ বছর যাবৎ প্রেম সর্ম্পক ছিল। আমরা সেচ্ছায় দুজন বাড়ি থেকে পালিয়ে এসেছি।

অন্যদিকে আয়না চাকমা মুঠোফোনে জানান, আমি গত ১৫ অক্টোবর কোর্ট এফিডেবিট মূলে বৌদ্ধ ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি। আমি আর আয়না চাকমা নই। আমি এখন রিমা আক্তার। আমার সাথে থাকা আবু বক্করকে আমি বিবাহ করেছি। আমাকে সে  অপহরণ করেনি।

এব্যাপারে দীঘিনালা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সামসুদ্দিন ভুইয়া ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, এঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।