পার্বত্য কোটা চালুর দাবিতে খাগড়াছড়িতে বাঙালি ছাত্র পরিষদের স্মারকলিপি

Khagrachari Pic 02
নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি:
রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যাল এবং মেডিক্যাল কলেজে বৈষম্য মূলক উপজাতি কোটা বাতিল করে পার্বত্য বাঙালিসহ অন্যান্য ক্ষুদ্র-নৃ গোষ্ঠীদের জন্য পার্বত্য কোটা চালুকরার দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদ খাগড়াছড়ি জেলা শাখা।

বৃহস্পতিবার সকালে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এ স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

এ সময়  উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সিনিয়র সহ সভাপতি মো. মাঈন উদ্দীন, জেলা সাধারণ সম্পাদক ও ২ নং পৌর কাউন্সিলর এসএম মাসুম রানা, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা কামাল, জেলা সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. পারভেজ আহম্মেদ, জেলা দপ্তর সম্পাদক বাবু মৃদুল বড়ুয়াসহ উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি কলেজ শাখা ও পৌর শাখার নেতৃবৃন্দ ।

স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিক্যাল কলেজ পার্বত্য অঞ্চলের বসবাসরত সকল  পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে দেশের অন্যান্য জেলার সাথে এগিয়ে নিতে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে করা হলেও একটি জনগোষ্ঠি তথা চাকমারাই একপেশে নীতিতে সকল সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করছে। অথচ, এই চাকমারাদের বিরোধিতার কারণে এখন পর্যন্ত স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ করা যাচ্ছে না । অথচ গত দুই বছরে শিক্ষার্থী ভর্তি, শিক্ষক নিয়োগ ও কর্মকর্তা নিয়োগে একমাত্র চাকমারাই একচেটিয়া সুবিধা নিচ্ছে। বৈষম্যমূলক উপজাতি কোটা চালু থাকলেও পার্বত্য অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া বাঙালিদের জন্য কোন প্রকার কোটা বরাদ্দ রাখা হয়নি। অথচ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়েও পার্বত্য বাঙালিদের জন্য কোটা বরাদ্দ রয়েছে ।

স্মারকলিপিতে পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে এখানে ২০১৬-২০১৭ শিক্ষাবর্ষ হতে উপজাতি কোটার পাশাপাশি পার্বত্য বাঙালিদের ও অন্যান্য ক্ষুদ্র জাতি সত্তাগুলো জন্য পার্বত্য কোটাসহ অন্যান্য নিয়োগে জনসংখ্যানুপাতে সমান সুযোগ-সুবিধা প্রদানের  দাবি জানানো হয়।




গুইমারা উপজেলা নির্বাচনে ঘুরে দাঁড়াতে চায় ইউপিডিএফ

22.02.2017_Guimara Election NEWS-UPDF

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা:

গুইমারা উপজেলা নির্বাচনের মনোনয়ন পত্যাহার ও প্রতীক বরাদ্ধের পর জমে উঠতে শুরু করেছে নির্বাচনী ময়দান। তিনটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ উপজেলায় জয় পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে সম্ভাব্য প্রার্থীরা। সরকারী দল আওয়ামী লীগ প্রার্থী মেমং মারমা ও দেশের অন্যতম রাজনৈতিক দল বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ ইউছুফের পাশাপাশি সমানতালে মাঠ চষে বেড়াচ্ছে পাহাড়ের আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট-ইউপিডিএফ সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী উশেপ্রু মারমা।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি গভীর রাতে নিরাপত্তা বাহিনী লক্ষীছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান সুপার জ্যোতি চাকমাকে তার বাসভবন থেকে পাঁচ রাউন্ড গুলি ভর্তি আমেরিকার তৈরি একটি ফাইভ স্টার পিস্তলসহ গ্রেফতারের দুই মাস না পেরুতেই গেল ১০ ফ্রেব্রুয়ারি গভীর রাতে ইউপিডিএফ নেতা প্রদীপন খীসার খাগড়াছড়ির বাসা থেকে প্রায় ৮০ লাখ টাকা সহ গুরুত্বপূর্ণ দলিলাদি উদ্ধারের ঘটনায় অনেকটাই কোনঠাসা হয়ে পড়েছে পাহাড়ের আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট-ইউপিডিএফ।

সংগঠনটির অব্যাহত চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক সময়ে দলটির শীর্ষ দুই নেতার বাসায় নিরাপত্তাবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র ও চাঁদাবাজির অর্থ উদ্ধারের ঘটনায় মাঠ পর্যায়ে তাদের কর্মকাণ্ড যখন সাধারণ মানুষের কাছে  প্রশ্নবিদ্ধ তখন সদ্য ঘোষিত গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ঘুরে দাঁড়াতে চায় উগ্রসাম্প্রদায়িক এ সংগঠনটি। গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে টার্গেট করে ইতিমধ্যে সংগঠনটি কোমড় বেঁধে মাঠে নেমেছে।

গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করে দলটির সমর্থন নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছেন হাফছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান উশেপ্রু মারমা। বয়সে তরুন এ নেতা ইতিমধ্যে লক্ষীছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান সুপার জ্যোতি চাকমাকে গ্রেফতারের পর তার মুক্তির দাবিতে অনেকটাই সরব ছিল। আর এ কারণেই তার প্রতি দলটিও আস্থাশীল বলে অসমর্থিত একাধিক সূত্রের সাথে কথা বলে জানা গেছে।

গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দুই তৃতীয়াংশ উপজাতীয় ভোটারকে লক্ষ্য করে আওয়ামী লীগ-বিএনপি’র দুই শক্তিশালী প্রার্থীকে পেছনে ফেলে জয় পেতে মরিয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী উশেপ্রু মারমা। ইতিমধ্যে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাহলাপ্রু চৌধুরীর পদত্যাগের মধ্য দিয়ে উশেপ্রু মারমা অনেকটাই খোশ মেজাজে রয়েছেন বলেও জানা গেছে। দুর্গম পাহাড়ি জনপদের ভোটাররাই তার টার্গেট হতে পারে এমনটাই মনে করছেন সচেতন মহল।

সাধারণ ভোটারদের অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জয় পাওয়ার দিন এখন আর নেই উল্লেখ করে গুইমারার সচেতন ভোটারদের অনেকেই বলেন ভয়ভীতি বা অস্ত্রের জোরে জয়ের যে স্বপ্ন দেখছে ইউপিডিএফ সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী উশেপ্রু মারমা ৬মার্চের নির্বাচনে ব্যালটের কাছে হেরে গেলে আশ্চর্য হওয়ার তেমন কিছু থাকবেনা।

প্রসঙ্গত, গুইমারা সদর ইউনিয়নে ৯ হাজার ৫’শ ৫৬জন, হাফছড়ি ইউনিয়নে ১৩হাজার ২’শ ১৮জন এবং সিন্দুকছড়ি ইউনিয়নে ৪ হাজার ৬’শ ৭জন ভোটার ৬মার্চ অনুষ্ঠিতব্য গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তাদের পছন্দের প্রার্থী নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।




মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটি নিয়ে পাল্টা-পাল্টি অভিযোগ

Khagrachari Pic 02 (6) copy

নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি:

খাগড়াছড়িতে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই নিয়ে অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ, পাল্টা-পাল্টি সাংবাদিক সম্মেলন, হট্টগোল ও আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। ইতিমধ্যে উচ্চ আদালত  খাগড়াছড়ি মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটির কার্যক্রম স্থগিত করে দিয়েছে।

খাগড়াছড়ি মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটির নেতৃবৃন্দ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এনে বুধবার সকালে খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন ডাকে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, খাগড়াছড়ি মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটির সভাপতি আলী আশরাফ, সহকারী জেলা কমান্ডার মো. মোস্তফা, মো. আলী হাওয়লাদা ও মো. আবুল হাসেম।

সাংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয় যে, অনলাইনে আবেদনকারী নতুন ১৮০ জনের যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। অভিযুক্ত ১১৯ জনের যাচাই-বাছাই পক্রিয়া উচ্চ আদালতের নির্দ্দেশে স্থগিত আছে।

এ দিকে সাংবাদিক সম্মেলন চলাকালে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের কমান্ডার মো. আব্দুর রহমান, মো. রফিক ও মো. আব্দুল আজিজের নেতৃত্বে অপর অংশটি প্রেসক্লাবের সাংবাদিক সম্মেলন স্থলে ঢুকে পড়ে এবং সাংবাদিক সম্মেলন বন্ধ করতে বললে দুইপক্ষের মধ্যে হট্টগোল শুরু হয়। প্রায় আধা ঘন্টা ধরে চলে এ হট্টগোল।

প্রসঙ্গত, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের কমান্ডার মো. আব্দুর রহমানের অপর একটি অংশ খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবে ডাকা সাংবাদিক সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটির সভাপতিসহ অধিকাংশ সদস্যকে বিএনপি, জামায়াত ও হেফাজত ইসলামের সক্রিয় নেতা-সদস্য দাবি করে অনাস্থা প্রকাশ সহ  প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

তাদের অভিযোগ ছিল, মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ের নব গঠিত কমিটির সভাপতি আলী আশরাফ বিএনপির সমর্থিত খাগড়াছড়ি জেলা জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি হয়। অন্যদিকে নবগঠিত কমিটির অপর সদস্য মো. আবুল হাসেম হেফাজত ইসলামের সক্রিয় সদস্য এবং মামলার অভিযুক্ত আসামী। আরেক সদস্য মো. মোস্তফা বিএনপির রামগড় উপজেলার উপদেষ্টা ও সাবেক সহ-সভাপতি।

এছাড়াও মো. জাফর আহম্মদ বিএনপির সক্রিয় সদস্য হয়। তারা নানা অজুহাতে তালিকা থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের বাদ দিচ্ছে। তালিকায় মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। তবে পক্ষান্তরে সাংবাদিক সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটির নেতৃবৃন্দ এমন অভিযোগ প্রত্যাখান করে বলেন, কাউকে বাদ দেওয়ার ক্ষমতা এ কমিটির নেই। একজন প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তার উপস্থিতিতে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই হচ্ছে।

এদিকে খাগড়াছড়ি জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মো. রইছ উদ্দিনের আবেদনের প্রেক্ষিতে খাগড়াছড়িতে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটির কার্যক্রম ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রাশেদুক হক খোকন স্বাক্ষরিত খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে প্রেরিত  প্রত্যয়নপত্রে উল্লেখ হয়, গত ০৯/০২/২০১৭ তারিখের ৪৮.০০.০০০০.০০৪. ০৪৯.২৩৩.০৯/২০১৭- ৪০৬ নং স্মারকের মাধ্যমে গঠিত খাগড়াছড়ি মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটিকে চ্যালেঞ্জ করে মো. রইছ উদ্দিন ২২২৮/২০১৭ নং রিট পিটিশন দায়ের করলে বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. ফারুক (এম. ফারুক)’র সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ বিষয়ে রুল জারি করে এবং বর্ণিত স্মারকটির কার্যকারীতা ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন।

মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাই কমিটির সদস্য সচিব ও খাগড়াছড়ির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসন (রাজস্ব) ড. গোফরান ফারুকী বিষটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ৯ ফেব্রুয়ারি মো. আলী আশরাফকে সভাপতি করে মন্ত্রণালয় ও জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটি গঠন করে। এ কমিটি ১১ ফেব্রুয়ারি প্রথম দফা শুনানি করে। শুনানীতে খাগড়াছড়ি সদর, পানছড়ি, মহালছড়ি, রামগড়, গুইমারা ও মাটিরাঙ্গা উপজেলার ৩০০ আবেদন যাচাই বাছাই করা হয়।

১৮ ফেব্রুয়ারি দিঘীনালা, লক্ষীছড়ি ও মানিকছড়ি উপজেলার নতুন আবেদন এবং বিভিন্ন উপজেলার অভিযোগের শুনানি হওয়ার কথা ছিল।




মহালছড়ি উপজেলায় যথাযথ মর্যাদায় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

SAM_1749 copy

মহালছড়ি প্রতিনিধি:

যথাযোগ্য মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশ ও বিনম্র শ্রদ্ধায় মহালছড়িবাসী উদযাপন ও স্মরণ করলো মাতৃভাষা বাংলাকে বিশ্ব দরবারে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করতে আত্মবলী দানকারী ভাষা শহীদদের স্মরণের রক্তরাঙা মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে।

দিবসটি পালন উপলক্ষে এদিন মহালছড়ি উপজেলা প্রশাসনের গৃহিত কর্মসূচীর মধ্যে ছিল রাত ১২.০১ মিনিটে স্থানীয় শহীদ মিনারে পূষ্পস্তবক অর্পণ, প্রভাতফেরি, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, হাতের লেখা প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ।

দিবসের শুরুতে মহালছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আব্দুল মোমিন’র নেতৃত্বে সকল সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অংশগ্রহণে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে প্রথম স্থানীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

এ সময় তার সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান বিমল কান্তি চাকমা, এরপর পরই স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ তাদের কমান্ডারের নেতৃত্বে, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন সমূহ, সভাপতির নেতৃত্বে মহালছড়ি প্রেসক্লাব, সভাপতির নেতৃত্বে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন, ছাত্রলীগ, জেএসএস মহালছড়ি উপজেলা শাখা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন পর্যায়ক্রমে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এ সময় ভাষা শহীদদের স্মরণে ১ মিনিট নিরবতা পালন শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন মহালছড়ি উপজেলার নির্বাহী অফিসার মো. আব্দুল মোমিন, সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক রতন কুমার শীল এবং পরবর্তীতে বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, জহিরুল হক।

দিবসটিকে যথাযথ সম্মান জানিয়ে এ দিন সরকারী বেসরকারী দপ্তর সমূহে এবং ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধ নমিত রাখা হয়। দিবসের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করে রাজনৈতিক দলগুলি আলোচনা সভার আয়োজন করেন।

মহালছড়ি প্রেসক্লাব  মহান ২১ শে, আমাদের মাতৃভাষা বাংলা ও আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা শীর্ষক এক আলোচনা সভার আয়োজন করে। মহালছড়ি প্রেসক্লাব সভাপতি দীপক সেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই আলোচনা সভায় সাংবাদিক সাহাদাৎ হোসেন, ডা. সানোয়ার হোসেন ও অন্যান্য সাংবাদিকরা বক্তব্য রাখেন।

মঙ্গলবার সকালে উপজেলা সদর এলাকার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রভাতফেরি সহকারে শহীদ মিনারে এসে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং ভাষা শহীদের স্মরণে সকলে একযোগে এক মিনিট নিরবতা পালন করেন।




একুশের সকালে মানিকছড়ির প্রভাতফেরিতে ছাত্র-জনতার ঢল

Untitled-2 copy

 মানিকছড়ি প্রতিনিধি:

মহান একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবসে রাত ১২.০১ মিনিটে শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে সকালে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক সমাজ ও ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণে প্রভাত ফেরি সম্পন্ন হয়েছে। এদিকে সকাল বেলায় স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থীরা শহীদ মিনারে পুস্পমাল্য অর্পণ করে।

২১ শে ফেব্রুয়ারিকে ঘিরে রাত ১১.৫০ মিনিটে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ম্রাগ্য মারমা, ইউএনও বিনিতা রানী ও ভাইস চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম বাবুল, রাহেলা আক্তারের  নেতৃত্বে উপজেলা প্রশাসনের সকল দপ্তরের কর্মকর্তা, মুক্তিযোদ্ধা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের পদভারে মূখরিত শহীদ মিনার। ঘড়ির কাটায় যখন রাত ১২.০১ মিনিট সাথে সাথে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান। এর পর একে একে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, বিভিন্ন এনজিওর প্রতিনিধি, স্কুল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা দলে দলে ফুলেল শুভেচ্ছায় রাঙিয়ে তোলেন শহীদ মিনারের স্তম্ভ। পরে উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মো. মুসা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করেন।

এ সময় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. জয়নাল আবেদীন, সাধারণ সম্পাদক মো. মাঈন উদ্দীন, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা এমএ. রাজ্জাক, আওয়ামী লীগ নেতা মো. শফিকুর রহমান ফারুক. মো. শহীদুল ইসলাম মোহন, যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মো. জাহেদুল আলম মাসুদ, যুবলীগ নেতা মো. সামায়ন ফরাজী সামু, ছাত্রলীগ সভাপতি মো. আলমগীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তফা কামালসহ নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া মানিকছড়ি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোফাজ্জাল হোসেন ও মানিকছড়ি গিরিমৈত্রী ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মংসাইঞো মারমার নেতৃত্বে সহকর্মী ও শিক্ষার্থীরা শহীদ মিনারে পুস্পমাল্য অর্পণ করেন।

২য় পর্বে রাত সাড়ে ১২টায় উপজেলা বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে শহীদ মিনারে এসে পুস্পমাল্য অর্পণ করেন।

এদিকে সকাল ৮টায় প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক সমাজ ও ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণে  উপজেলা পরিষদের সামনে থেকে প্রভাতফেরি শুরু হয়ে মহামুনি ঘুরে এসে শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিনিতা রানীর সভাপতিত্বে এবং গিরিমৈত্রী ডিগ্রি কলেজের শরীরচর্চা শিক্ষক মো. মনির হোসেন’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো.শফিকুর রহমান ফারুক, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. সফিকুল আলম চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা এমএ. রাজ্জাক, উপজেলা চেয়ারম্যান ম্রাগ্য মারমা। পরে চিত্রাঙ্কন ও কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ শেষে সভাপতির বক্তব্যের মধ্য দিয়ে একুশের আয়োজন সম্পন্ন করা হয়।




খাগড়াছড়িতে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিএনপির ভাষা দিবস পালন

Khagrachari Pic 10 (1)

নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি:

খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপি যথাযোগ্য মর্যাদায় অমর একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করেছে।

সকালে দলীয়  কার্যালয় থেকে জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রবীন চন্দ্র চাকমার নেতৃত্বে প্রভাতফেরিটি বের হয়ে  কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।

এ সময় জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি কংচাইরী মারমা, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল মালেক মিন্টু, অর্থ সম্পাদক মো. আলী বাদশী, যুব বিষয়ক সম্পাদক মো. আইয়ুব আলী, ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক আবু তালেব জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি জাহিদ হোসেন মিজান, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম সবুজ, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা কোহেলি দেওয়ান, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আহসান হক মিলনসহ বিএনপির ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শ্রদ্ধা জানান।




রাঙামাটিতে নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে পালিত হচ্ছে একুশে ফেব্রুয়ারি

pic2

রাঙামাটি প্রতিনিধি:

রাঙামাটিতে নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে পালিত হচ্ছে একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।এ উপলক্ষে ২১’র প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্প স্তবক অর্পণ করা হয়৷

এসময় রাঙামাটি ২৯৯ আসনের সংসদ সদস্য উষাতন তালুকদার এমপি, সংসদ সদস্য ফিরোজা বেগম চিনু, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্যবৃন্দ, রাঙামাটি জেলা প্রশাসক সামসুল আরেফিন ,পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান তরুন কান্তি ঘোষ, জেলা পুলিশ সুপার সাঈদ তারিকুল হাসান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের জেলা কমান্ডার রোবার্ট রোনাল পিন্টু, রাঙামাটি পৌরসভার মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী, রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি শাখাওয়াত্ হোসেন রুবেল, রাঙামাটি সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মিল্টন বড়ুয়া ও প্রশাসনের জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন৷ এছাড়া সরকারী-বেসরকারী,আধাসরকারী কর্মকর্তাসহ সর্বস্তরে সকল শ্রেনীর পেশার মানুষ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রাঙামাটি জেলার সকল মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা(কিয়াং) ও গীর্জায় শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনার ব্যবস্থা করা হয়েছে৷

এছাড়া ভ্রাম্যমান চলচ্চিত্র প্রর্দশনী, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠন ও পুরষ্কার বিতরণী এবং  জেলা প্রশাসকের মাঠ প্রাঙ্গণে ৭ দিনব্যাপী একুশে বই মেলার আয়োজন করা হয়েছে।




পানছড়ি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন

21 fb.Pic

নিজস্ব প্রতিবেদক, পানছড়ি:

বসন্তের আগমনে চারিদিকে হিমেল হাওয়ার মিষ্টি পরশ। গাছে গাছে ফুটে রয়েছে রক্তিম পলাশ আর শিমুল। দিনটি ছিল ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি। সেদিন গাছের রক্তিম পলাশ, শিমুল আর কৃষ্ণচুড়ার মত বাংলার দামাল ছেলেদের বুকের তাজা রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল ঢাকার রাজপথ।  মায়ের ভাষার অধিকার আদায়ের লক্ষেই রাজপথে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিল বাঙ্গালী জাতি। তাই এ দিনটি সারা বিশ্বজুড়েও স্বীকৃতি পেয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের। বুকের তাজা রক্ত দিয়ে যারা শহীদ হয়েছেন অমর একুশের এ দিনে সেই শহীদদের স্মরণে সারা দেশে সবার কন্ঠে বেজে উঠে “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি” আমি কি ভুলিতে পারি। সারাদেশের শহীদ মিনারগুলো যখন ফুলে ফুলে ছেয়ে গেছে তেমনি প্রত্যন্ত সীমান্ত ঘেঁষা খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারেও ভাষা শহীদদের বিন্ম্র শ্রদ্ধা নিবেদনে এসেছে সর্বস্তরের মানুষ।

এ উপলক্ষে ২১ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার ভোরে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায় পানছড়ি উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা চেয়ারম্যান সর্বোত্তম চাকমা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন সিদ্দিকের নেতৃত্বে শ্রদ্ধা নিবেদনে অংশ নেয় উপজেলার সকল প্রশাসনিক প্রধান ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। উপজেলা প্রশাসনের পর পরই পানছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ মো. আ. জব্বারের নেতৃত্বে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।

দলীয় কার্যালয় থেকে র‌্যালি সহকারে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের পক্ষে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে সভাপতি মো. বাহার মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক জয়নাথ দেব। এছাড়াও  উপজেলা যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগের পক্ষে স্ব-স্ব দলের নেতা-কর্মীরা পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন।

উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে উপজেলা বিএনপি সভাপতি মো. বেলাল হোসেন। পরবর্তীতে পানছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি, জাতীয় পার্টি, জন সংহতি সমিতি, প্রতিবন্ধী কল্যাণ সংঘ, পানছড়ি বাজার উচ্চ বিদ্যালয়, পানছড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, পানছড়ি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, পানছড়ি শিশু বিদ্যানিকেতন, ইপসা, হিল সাইন আইডিয়াল কিন্ডার গার্টেন, চেংঙ্গী সারিবালা স্মৃতি মহাবিদ্যালয়, জাবারাং কল্যাণ সমিতি ও পানছড়ি সানরাইজ কিন্ডার গার্টেন শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে। পুষ্পমাল্য অর্পণের পর পরই শহীদ বেদিতে ভাষা শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

সকাল ৯টা থেকে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে আলোচনায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সর্বোত্তম চাকমা।




আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে খাগড়াছড়িতে আওয়ামী লীগের প্রভাতফেরি

Khagrachari Pic 08

নিজস্ব প্রতিবেদক,খাগড়াছড়ি:

অমর একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে  প্রভাতফেরি হয়েছে।

সকালে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরীর নেতৃত্বে  প্রভাতফেরিটি জেলা শহরের কদমতলী থেকে বের হয়ে  শহরের প্রধান সড়ক ঘুরে টাউন হলের সামনে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি ভাস্কর্যে পুস্পমাল্য অর্পণ করা হয়।

এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা নুরুন্নবী চৌধুরী, জেলা পরিষদ সদস্য এডভোকেট আশ্রতোষ চাকমা, আব্দুল জব্বার, খোকনেশ্বর ত্রিপুরা, নিগার সুলতানা, শতরূপা চাকমা, জুয়েল চাকমা, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. শানে আলম জেলা যুবলীগের সভাপতি যতন কুমার ত্রিপুরা, সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান হেলাল, সাধারণ সম্পাদক কেএম ইসমাইল হোসেন, সদর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক চন্দন কুমার দে ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাবেদ হোসেনসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




সাজেকে একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা নিবেদন

DSC_0301

সাজেক প্রতিনিধি:

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি’ মুখে মুখে এ গান আর হাতে হাতে ফুল নিয়ে একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও সকল সহযোগী সংগঠনের সাজেক থানা শাখার নেতাকর্মীরা।

একুশের প্রথম প্রহরে শ্রদ্ধা নিবেদনের উদ্দেশ্যে সাজেক থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ-সম্পাদক সুজিত দে’র নেতৃত্বে দলীয় কার্যালয় থেকে শহীদ মিনারে গিয়ে পুস্পমাল্য অর্পণ করে দলটির নেতাকর্মীরা।

শহীদ বেদিতে পুস্পমাল্য অর্পণের পর ৫২’র ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামান করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সাজেক আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রহমত উল্লাহ, যুবলীগের সভাপতি মো. আলী, সাজেক থানা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. রুবেল, সাধারণ সম্পাদক মো. মিজান, সহ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের সকল নেতা কর্মী।