লামায় দিনব্যাপী জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা উদযাপন

IMG_20170223

নিজস্ব প্রতিনিধি : সারা দেশের ন্যায় লামায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ৩৮তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা উদযাপন হয়েছে।

বৃহস্পতি বার বেলা ১১টায় লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার খিনওয়ান নু, উপজলো পরিষদ চেয়ারম্যান থোয়াইনু অং চৌধুরী ও গন্যমান্য ব্যাক্তি বর্গদের সাথে নিয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা উদ্বোধন শেষে, মেলায় অংশগ্রহণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের স্টল পরিদর্শন করেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা তাদের নিজস্ব প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিচালিত প্রজেক্ট সমূহ প্রদর্শন করে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা উপলক্ষে দিনব্যাপী স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে উপস্থিত বক্তৃতা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

বিকাল ৪ টার সময় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণা অনুষ্ঠান হয়, এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার খিনওয়ান নু, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান ভুইয়া, মাতামুহুরী কলেজের প্রভাষক মোতাহার হোসেন, লামা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিথী তঞ্চঙ্গ্যা, লামা মুখ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস শুক্কুর প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে বিজয়ীদের মাধে পুরস্কার বিতরণ করা হয়, স্টল প্রতিযোগিতায় স্কুল পর্যায়ে ১ম স্থান অধিকার করে লামা মুখ উচ্চ বিদ্যালয়, ২য় স্থান লামা আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ৩য় স্থান অধিকার করে লামা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, কলেজ পর্যায়ে কোয়ান্টাম কসমো কলেজ ১ম ও মাতামুহুরী কলেজ ২য় স্থান অধিকার করে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার খিনওয়ান নু বলেন বর্তমানে দেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে, বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হলে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদেরকেও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক চর্চা অব্যাহত রাখতে হবে।




লামায় বাল্যবিবাহ বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক,বান্দরবান:

বান্দরবানের লামায় ৫ম শ্রেণীর ছাত্রীর বাল্যবিবাহ বন্ধ করে দিলেন উপজেলা প্রশাসন। বুধবার রাত ১১টায় কনের বাড়িতে বিবাহের অনুষ্ঠান সম্পাদনের সময় বেরসিক পুলিশ বর ও কনেসহ তাদের পিতা মাতাকে আটক করে।

সূত্র জানায়, মেওলারচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী আসমা আক্তারের সাথে চাঁদুপর জেলার মতলব থানার কালি আইস এলাকার আব্দু রশিদের ছেলে ডুবাই ফেরত মো. কবিরের সাথে বিবাহের প্রায় সব আয়োজন সম্পন্ন হয়। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার খিন ওয়ান নু’র নির্দেশে বুধবার রাতে বিনা দাওয়াতে পুলিশ হাজির হন। পুলিশ বর কনে সহ উভয়ের পরিবারের অভিভাবক ৭জনকে আটক করে নিয়ে উপজেলা নির্বার্হী অফিসারের কার্যালয়ে নিয়ে আসে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে বর কনে ও উভয়ের অভিভাবক থেকে ১৮ বছরের আগে বিয়ে না দেয়ার এবং মেয়েকে নিয়মিত লেখাপড়া করাবে এরকম মুচলেখা নিয়ে তাদেরকে ছেড়ে দেন।




লামার জেলেদের পরিচয়পত্র বিতরণ

Lama pic-15.2

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবানের লামা উপজেলার নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে বুধবার লামা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে নিবন্ধিত ১৮৬ জন জেলেদের পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়।

লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খিন ওয়ান নু’র সভাপতিত্ব সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন লামা উপজেলা চেয়ারম্যান থোয়াইনু অং চৌধুরী।

এসময় বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য মোস্তাফা জামাল, সহকারী ভূমি কমিশনার সায়েদ ইকবাল, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জিয়া উদ্দিনসহ সরকারী-বেসরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে লামা উপজেলা চেয়ারম্যান থোয়াইনু অং চৌধুরী বলেন, জেলেদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বর্তমান সরকার জেলেদের নিবন্ধন ও পরিচয়পত্র প্রদান প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। এর ফলে নিবন্ধিত জেলেদের ভাগ্য উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।




অপহরণকারীদের হুমকিতে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে এক ছাত্রীর পরিবারের সদস্যরা

20170212_193858(1)

বাইশারী প্রতিনিধি :
বান্দরবানের লামা উপজেলার পৌরসভা এলাকার ৪নং ওয়ার্ড চেয়ারম্যান পাড়ায় পারিবারিক বিরোধ নিয়ে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুল ছাত্রী বানু বিবি (১৩) (ছদ্মনাম) কে অপহরণের পর মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মুক্তিপণ দাবী করেছিল দুর্বৃত্তরা। উক্ত ঘটনায় বানু বিবির পিতা মো. সেলিম লামা থানায় মামলা দায়ের করেন। যার মামলার নং-০২/২০১৭ইং, ধারা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ সংশোধিত ২০০৩ এর ৭/৩০।

মামলার বিবরণীতে জানা যায়, গত ৬ ফেব্রুয়ারি মো. সেলিমের স্কুল পড়ুয়া মেয়ে প্রতিদিনের ন্যায় আনুমানিক সকাল ৯ টা ২০ মিনিটের সময় পৌরসভাস্থ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে বিদ্যালয়ের কাছাকাছি পৌঁছলে ওঁৎপেতে থাকা একই গ্রামের বাসিন্দা রুহুল আমিনের পুত্র মামুনসহ চারজন তাকে ধরে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। এরপর থেকে মোবাইল ফোনে পরিবারের নিকট অপহরনের কথা জানিয়ে মুক্তিপণ দাবী করে আসছিল। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর চকরিয়া উপজেলার বমু বিলছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মোতালেব ও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় মেয়েটিকে তিনদিন পর উদ্ধার করা হয়। ঐ সময় অপহরণকারীরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা যায়নি।

গত ১৩ ফেব্রুয়ারি চকরিয়া থানা পুলিশের সহযোগিতায় অপহরণ চক্রের মূল হোতা মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামুন গ্রেপ্তার হলেও অন্যান্য সদস্যরা অপহৃত স্কুল ছাত্রীর পরিবারের সদস্যদের হুমকি দিচ্ছে। এই নিয়ে অপহৃত স্কুল ছাত্রীর পিতা-মাতা এখন আতঙ্কে আছেন।

অভিযোগের আরো উল্লেখ করা হয় দীর্ঘদিন যাবত পার্শ্ববর্তী বাড়ির মামুনের পিতা রুহুল আমিন পারিবারিক বিরোধের জের ধরে মেয়েটিকে নানাভাবে ফুঁসলিয়ে আসছিল। ঘটনার দিন মেয়েটিকে একা পেয়ে মামুন সহ অন্যান্যরা সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার লক্ষ্যেই অপহরণ করে নিয়ে যায়। বর্তমানে অসহায় পিতা বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার ও জীবনের নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।




বান্দরবানে সেনাবাহিনীর সাথে বন্দুকযুদ্ধে ১ জেএসএস সন্ত্রাসী নিহত: আহত ২ শিশু

ািু্বক

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা:

বান্দরবান জেলার লামা উপজেলায় সেনাবাহিনীর সাথে বন্দুকযুদ্ধে এক জেএসএস(মূল) সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। বন্দুকযুদ্ধ চলাকালে জেএসএস সন্ত্রাসীদের এলোপাথারি ছোড়া গুলিতে দুই ম্রো শিশু আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

বন্দুকযুদ্ধের পর সেনাবাহিনী তল্লাশী চালিয়ে দুইটি ম্যাগজিন, বিপুল পরিমাণ গুলি, সামরিক পোশাক ও সন্ত্রাসীদের ব্যবহার্য নানা সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে। সোমবার বিকার চারটার দিকে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা সংঘটিত হয়েছে বলে বিশ্বস্ত সূত্র নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানিয়েছে, লামা থানার অন্তর্গত রূপসীপাড়া আর্মি ক্যাম্প থেকে আনুমানিক ৮ কি.মি. দুরে অবস্থিত নাইক্ষ্যংমুখ পাড়ায় সপ্তাহ খানেক আগে জেএসএস(মূল) দলের সাধন চাকমা ওরফে ওমাং গ্রুপের সন্ত্রাসীরা চাঁদা দাবী করে। সোমবার তাদের চাঁদা নেয়ার নির্ধারিত দিন ছিল।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর একটি টহল দল সোমবার ঘটনাস্থলের আশেপাশে গোপনে অবস্থান নেয়। এদিকে বিকাল চারটার দিকে জেএসএস সন্ত্রাসীদের ১৫ জনের একটি দল এসএমজি, এলএমজির মতো ভয়ঙ্কর আগ্নেয়াস্ত্রে সজ্জিত হয়ে চাঁদা আদায় করতে নাইক্ষ্যংমুখ পাড়ায় আগমন করে। এসময় তারা কাছের সেনাবাহিনী অবস্থান টের পেয়ে গুলিবর্ষণ শুরু করে। সেনাবাহিনীও পাল্টা জবাবে গুলিবর্ষণ শুরু করলে সন্ত্রাসীরা গুলি ছুঁড়তে ছুঁড়তে পালিয়ে যায়। এসময় ১৫ মিনিটব্যাপী বন্দুকযুদ্ধে উভয় পক্ষ আনুমানিক ৩০০ রাউন্ড গুলি বিনিময় করে।

াুিা্

সেনাবাহিনীর গুলিতে পুর্ণ রতন চাকমা(২৮) নামের এক সন্ত্রাসী গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনা স্থলেই নিহত হয়। সে রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার হিরারচর গ্রামের রঙ্গু চাকমার পুত্র।

বন্দুকযুদ্ধে পালানোর সময় সন্ত্রাসীদের এলোপাথারি ছোঁড়া গুলিতে সাংপেন ম্রো(১০), পিতা- পলক মেম্বার, রূপসী পাড়া ও দুইনম ম্রো(৭), পিতা- সিংগ্রই, রূপসীপাড়া- নামের দুই শিশু গুলিবিদ্ধ হয়। এদের মধ্যে সাংপেন ম্রো পেটে ও দুইনম ম্রো পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাদের দুজনকেই লামা উপজেলা সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। তবে সাংপ্রেন ম্রোর অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে তাকে চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে গুলি বিনিময়ের পর সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে নিহত পুর্ণ রতন চাকমার মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। এসময় মৃতদেহের কাছ থেকে দুইটি ম্যাগজিন, ১২ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ৪৯ রাউন্ড রাইফেলের গুলি, ১ টি সামরিক ইউনিফর্ম, চার্জারসহ ৩ টি মোবাইল ফোন, ১ টি পাউচ, ১০১২০ টাকা, ১ টি হাতঘড়ি, ১৫০ গ্রাম গাঁজা, ১ টি আইডি কার্ড উদ্ধার করেছে।

লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পার্বত্যনিউজকে এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করেছে।




বান্দরবানে নিরাপত্তাবাহিনীর সাথে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের বন্দুকযুদ্ধে নিহত ১, আহত ২

বন্দুকযুদ্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবান জেলার লামা উপজেলায় রুপসী পাড়ার নাইক্ষ্যং মুখ এলাকায় নিরাপত্তাবাহিনীর সাথে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় একজন নিহত ও দু-শিশু আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

সোমবার বিকালে এ ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে। আহতরা হলো দুইনোং ম্রো (৭) ও মংপ্লেইন ম্রো (৮)। নিহতব্যক্তির নাম জানা যায়নি।

সূত্র মতে, দুর্গম নাইক্ষ্যং মুখ পাড়ায় সশন্ত্র সন্ত্রাসী দল চাঁদাবাজির উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা তাদের ঘিরে ফেলে। সন্ত্রাসীরা নিরাপত্তাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি ছুঁড়ে। নিরাপত্তাবাহিনীও পাল্টা জবাব দেয়। দু-ঘন্টাব্যাপী বন্ধুক যুদ্ধে জলপাই রংয়ের পোশাক পরিহিত এক সন্ত্রাসী ঘটনা স্থলে মারা যায় এবং একই সময় ঘটনাস্থলে থাকা দুইনোং ম্রো ও মাইতে ম্রো নামের দুই শিশু আহত হয়। পরিচয় জানা না গেলেও নিহত ব্যক্তি জনসংহতি সমিতির সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ গ্রুপের সদস্য বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্রের সরঞ্জাম উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে নিরাপত্তাবাহিনী। এ বিষয়ে নিরাপত্তাবাহিনীর বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের নিরাপত্তায় সেখানে নিরাপত্তাবাহিনীর টহল বাড়ানো হয়েছে। সন্ধ্যায় নিহত সন্ত্রাসীর লাশ নাইক্ষ্যং মুখ এলাকা থেকে নৌকায় করে রূপসী পাড়ায় নিয়ে আসা হয়। লাশটির গায়ে জলপাই রঙের পোশাক রয়েছে।

রুপসীপাড়া ইউপি মহিলা সদস্য চামাচিং ম্রো জানান, বিকাল ৪টার দিকে লামার রুপসী পাড়া নিরাপত্তা ক্যাম্পের ১টি টহল টিম নাইক্ষ্যংমুখ এলাকায় যায়। সেখানে পৌঁছালে নাইক্ষ্যংমুখে পূর্ব থেকে অবস্থানরত ১৫/২০ জনের অস্ত্রধারী একটি পাহাড়ি সন্ত্রাসী দল নিরাপত্তাবাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়তে শুরু করে।

খবর পেয়ে লামা সাব জোন থেকে আরও একটি নিরাপত্তা টিম ঘটনাস্থলে ছুটে যায় বলেও জানান লামা সাব জোনের দায়িত্বরত ল্যাফট্যানেন্ট রাশেদ। নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলটি ঘিরে রেখেছে।

লামা-আলীকদম নিরাপত্তা জোনের জোন কমান্ডার লে. কর্ণেল সারোয়ার হোসেন সাংবাদিককে বলেন, ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনতে সন্ধ্যা ৬টায় আলীকদম নিরাপত্তা জোন থেকে আরও নিরাপত্তা টিম ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে।




বান্দরবানে সেনাবাহিনীর সাথে পাহাড়ী সন্ত্রাসীদের বন্দুকযুদ্ধ: নিহত ১ আহত ১

বন্দুকযুদ্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:

বান্দরবান জেলার লামা উপজেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাথে পাহাড়ী সন্ত্রাসীদের গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। এতে ১ পাহাড়ী সন্ত্রাসী নিহত ও অপর ১ জন আহত হয়েছে। সোমবার দুপুরে এ ঘটনো ঘটেছে বলে  বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র মতে, সেনাবাহিনীর টহল দলের উপর পাহাড়ী সন্ত্রাসীরা গুলি বর্ষণ করলে এ গুলি বিনিময়ের সূত্রপাত হয়। সেনাবাহিনী ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ ও আগ্নেয়াস্ত্রের বেশ কিছু সরঞ্জাম উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।

—– বিস্তারিত আসছে।




লামায় পরীক্ষা কেন্দ্রে নকল দিতে গিয়ে শিক্ষক আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবানের লামা উপজেলার চাম্বি উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে নকল সরবরাহ করার অভিযোগে রবিবার এক শিক্ষককে আটক করা হয়েছে।

চাম্বি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুচ ছত্তার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ফাঁসিয়াখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক অরুণ কুমার সুশীল এক পরীক্ষার্থীকে নকল সরবরাহের সময় হাতেনাতে ধরে ফেলেন লামা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান।

ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে কেন্দ্র সচিবসহ অন্যান্য শিক্ষকরা পাঁয়তারা চালাচ্ছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বান্দরবানের সহকারী কমিশনার আলীনূর খান বলেন, বিষয়টি আমলে নিয়ে দোষীকে আইনের আওতায় আনা হবে।




লামায় ১০টি বনমোরগ উদ্ধার

Bandarban lama pic-11.2

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবানের লামা উপজেলা বাজারে বিক্রয়কালে বন বিভাগ ও আনসার অভিযান চালিয়ে ১০টি বন মোরগ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত বন মোরগ গুলো ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু সাফারী পার্কে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, লামা বাজারস্থ কেন্দ্রীয় হরি মন্দিরের সামনে বেচার সময় মোরগ গুলো আটক করে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজন উপস্থিতি টের পেয়ে মোরগ ফেলে পালিয়ে যায় ব্যবসায়ীরা। মোরগ গুলো উদ্ধার করে বন বিভাগের হেফাজতে নেয় ।

 লামা বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কামাল উদ্দিন আহমদ বলেন, বন্য প্রাণী সংরক্ষণে আমরা যথেষ্ট আন্তরিক। বন বিভাগ ও আনসার বাহিনীর সহায়তায় বনমোরগ গুলো উদ্ধার করে বঙ্গবন্ধু সাফারী পার্কে পাঠানো হয়েছে।




 হয়রানির প্রতিবাদে সাংবাদিক পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

Lama Photo 08.02.17 (3)

লামা প্রতিনিধি :

জমি জবর দখল আত্মসাৎ, মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন ও হয়রানির প্রতিবাদে বুধবার সাংবাদিক সম্মেলন করেন লামা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মরহুম মাওলানা আমিনুল হক আজাদের পরিবার।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আমিনুল হক আজাদের বড় ছেলে আতাউল্লাহ।

লিখিত বক্তব্য থেকে জানা যায়, আমিনুল হক আজাদের নামীয় বাবার প্লট নং- ১০ সীট নং ১২,দাগ নং ২৩৯২,২৪১০,২৪৩৩, এ তিনটি দাগ মূলে ২৯৪ নং দরদরী মৌজায় ২৫.০০(পচিশ একর) ৩য় শ্রেণীর জমি জেলা প্রশাসক হতে লীজ প্রাপ্ত হয়ে ওই জমিতে বাগান সৃজন করে ভোগ দখলে আছে।

অপরদিকে লিখিত বক্তব্যে আরও অভিযোগ করা হয়, আবুল হোসনে গং লোভের বশবর্তী হয়ে অন্য এলাকার ভুয়া কাগজ পত্র প্রদর্শন করে এতিম ২৫.০০ একর ৩য় শ্রেণীর জমি জবর দখলের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

মরহুম মাওলানা আমিনুল হক আজাদের বাসা লামা বাজার এলাকায় হওয়ায় দরদরী বৈক্ষমঝিরি এলাকায় রুপসিপাড়ার আবুল হোসনে গং রাবার প্লটের সাথে বিরোধ দেখিয়ে বিভিন্ন সময় রাবার সহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ চুরি করে কেটে নিয়ে যায়।

এদিকে আবুল হোসনে গং মিথ্যা তথ্য দিয়ে রাবার প্লট বাতিল করে অসহায় পরিবারের বাগান ও জমি আত্মসাতের উদ্দ্যেশে জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করে।

আবেদনে আবুল হোসনে গং ওই রাবার প্লটে মসজিদ, মাদ্রাসার জমি আছে বলে উল্লেখ করলেও বাস্তবে ১০ নং রাবার প্লটের আশেপাশে কোন প্রতিষ্ঠান নেই।

উল্লেখ্য আবুল হোসনে গংদের নামে রাবার প্লট ১০ হতে গাছ চুরির অভিযোগে লামা জুড়িসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সি.আর- ১৩/১৭ মামলা চলমান আছে।