লামায় পাঠ্য বই বিক্রি কালে জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবানের লামায় মাধ্যমিক পর্যায়ের বিক্রিকালে তিন বস্তা সরকারি পাঠ্য বই ও ক্রেতাসহ একটি টেক্সি জব্দ করেছে স্থানীয়রা।

বুধবার দুপুরে উপজেলার রুপসীপাড়া বাজার এলাকা থেকে এসব বই জব্দ করা হয়। আটক ক্রেতা মো. জসিম উদ্দিন লামা পৌরসভা এলাকার চেয়ারম্যান পাড়ার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, রুপসীপাড়া নিম্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম বিভিন্ন শ্রেণির সরকারি তিন বস্তা পাঠ্য বই জসিম উদ্দিন নামের এক ফেরিওয়ালার নিকট বিক্রি করেন।

এমন খবর পেয়ে বই ভর্তি টেক্সিসহ ফেরিওয়ালা জসিম উদ্দিনকে স্থানীয়রা আটক করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট সোপর্দ করে।

পরে নির্বাহী অফিসার বইগুলো লামা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা গুদামে রাখার নির্দেশ দেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালামের কাছ থেকে দুই হাজার টাকায় বইগুলো কিনেছেন বলে ফেরিওয়ালা জসিম উদ্দিন জানান।

এ বিষয়ে রুপসীপাড়া নিম্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম জানান, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি রেজুলেশনের মাধ্যমে পুরাতন বইগুলো বিক্রির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার খিনওয়ান নু বলেন, আটক বইগুলো গুদামে রাখা হয়েছে, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের শিশুরা মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী

Lama Photo-1 Date-26-4-17 copy

লামা প্রতিনিধি:

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান এমপি বলেছেন, জাতির চিন্তার পরিবর্তন হয়েছে। শতভাগ শিশু বিদ্যালয়ে যায়। তবে এতেই তৃপ্তির ঢেকুর তোলবার মত জায়গা আমরা নেই। কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের শিশুরা দেশের অন্য স্কুলের শিশুদের চেয়ে মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন। তাই সারা বাংলাদেশের স্কুল গুলোকে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল এন্ড কলেজের মতো করে গড়ে তুললে শিক্ষা ব্যবস্থার অনেক গুনগতমান বাড়বে।

মন্ত্রী বুধবার সকালে উপজেলার কোয়ান্টাম কসমো স্কুল এন্ড কলেজের কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

বান্দরবান জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বনিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, বান্দরবান জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান থোয়াইহ্লা মং র্মামা।

বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অনির্বান চাকমা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার খিন ওয়াননু, কোয়ান্টাম কসমো স্কুল এন্ড কলেজের পরিচালনা পদের সভাপতি তিন কড়ি চক্রবর্তী। কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সরই ইউনিয়নে প্রতিষ্ঠানটি ২০০১ সাল থেকে পরিচালিত হয়ে আসছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, তিন পার্বত্য জেলা শিক্ষায় অনেক পিছিয়ে। আর সে কারণেই ইউএনডিপি কর্তৃক অনুমোদনহীনভাবে প্রতিষ্ঠিত ২১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে বিশেষ বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রী জাতীয়করণ করেছেন।




লামায় পাহাড়ি সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের বেপরোয়া চাঁদাবাজি

লামা প্রতিনিধি:

লামায় পাহাড়ি সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যানগণ নিরাপত্তার স্বার্থে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রশাসন ও সরকারের নিকট জোর দাবি তুলেছেন।

রবিবার লামা উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এ উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। পাহাড়ি সন্ত্রাসীগণ রুপসীপাড়া ইউনিয়নের নাইক্ষ্যংমুখ বাজারে যেকোন ধরণের ক্ষতি করতে পারেন মর্মে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ইউপি মেম্বার কাইওয়ে মুরুং।

সভায় ফাঁসিয়াখালী ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন মজুমদার জানিয়েছেন, ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের গয়ালমারায়  ২০ এপ্রিল ২০/২২ জনের একটি সশস্ত্র পাহাড়ি সন্ত্রাসীদল আসে। তারা স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ব্যক্তির কাছ থেকে বিভিন্ন অঙ্কের চাঁদা আদায় করেছে। স্থানীয় জনসাধারণ বর্তমানে আতঙ্কে ভুগছে।

লামা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিন্টু কুমার সেন জানিয়েছেন, মেরাখোলা এলাকার গরু ব্যবসায়ী আব্দুল মজিদ দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, সে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের কবলে রয়েছে। লামা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের চাঁদাবাজির দৌরাত্ম বৃদ্ধি পেয়েছে। তামাক চাষিসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও কৃষকদের কৃষি পণ্যের উপর চরম ভাবে চাঁদাবাজি চলছে।

রুপসীপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ছাচিং প্রু জানিয়েছেন, পাহাড়ি সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের একটি দল  ২০ এপ্রিল নাইক্ষ্যংমুখ বাজারে আসেন। সন্ত্রাসীগণ ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণের উপর শারীরিক নির্যাতন চালায়। তাদের নির্যাতনে ৪জন আহত হয়েছে। আহতরা হলো, মনরঞ্জন বড়ুয়া (৪০),  প্রদীপ বড়ুয়া (৩৬), জসিম উদ্দিন (৩০) ও মাহবুবুর রহমান (৩৩)।

ইউপি মেম্বার কাইওয়ে মুরুং আশঙ্কা প্রকাশ করে জানিয়েছেন, সন্ত্রাসীগণ যেকোন মুর্হুতে নাইক্ষ্যংমুখ বাজারে হামলা চালিয়ে যেকোন ধরণের ক্ষতি করতে পারেন। নাইক্ষ্যংমুখ বাজারের ব্যবসায়ীদেরকে রোদের মধ্যে দাঁড় করিয়ে রেখে শাস্তি দিয়েছে। দাবি মোতাবেক চাঁদা না দিলে যেকোন পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকতে ব্যবসায়ীদেরকে সন্ত্রাসীগণ হুমকি দিয়েছে। বাঙ্গালী ব্যবসায়ীদের ক্রয়কৃত কলার ছড়া ও বিভিন্ন কৃষি পণ্য কেটে নষ্ট করে দিয়েছে।

লামা থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত কেউ আইনগত সহায়তা চাইলে পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

২২ এপ্রিল আলীকদম জোন’র বিদায়ী জোন কমান্ডার লে. কর্ণেল মোহাম্মদ সারোয়ার হোসেন পিএসসি বলেন, কোনক্রমেই অত্র এলাকাকে সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য হতে দেওয়া যাবে না। সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করে সন্ত্রাসীদের নির্মূল করতে হবে।

নবাগত জোন কমান্ডার লে. কর্ণেল মাহাবুবুর রহমান পিএসসি বলেন, আমাদের শান্তি যারা কেড়ে নিতে চায় তাদের কোনক্রমেই ছাড় দেওয়া হবে না। সন্ত্রাসী নির্মূলে সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় অভিযান অব্যাহত থাকবে।




লামা আলীকদম চকরিয়া সড়কে অতিরিক্ত মাল বোঝাই যান চলাচলের কারণে যোগাযোগ বিছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা

Exif_JPEG_420

বান্দরবান প্রতিনিধিঃ

বান্দরবানের লামা আলীকদম চকরিয়া পাহাড়ি সড়কে অতিরিক্ত মাল বোঝাই যান চলাচলের কারণে চারটি বেইলি ব্রীজ নষ্ট হয়ে গেছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাত্রীবাহী যানবাহন চলাচল করছে।

ইতিমধ্যে কুমারি এলাকার বেইলি ব্রীজটি মারাত্বক ঝুঁকির মধ্যে আছে, যে কোন মূহুর্তে বিচ্ছিন্ন হতে পারে লামা আলীকদমের ৩ লক্ষাধিক মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা।

এক্ষেত্রে ৫টনের অতিরিক্ত মাল বোঝাই যান চলাচলে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নিষেধাজ্ঞা মানছেনা। যানবাহন সংশ্লিষ্টরা দীর্ঘদিন যাবত ১৫-২০ টন কাঠ ও পাথর, বালি, সিমেন্ট বোঝাই ট্রাক চলাচলের কারণে বর্ষাকালে মাটি নরম হয়ে পাহাড়ি রাস্তাটি ঝুঁকিপূর্ণ ভয়ংকর রূপ ধারন করেছে।

সেই সাথে প্রতিবছর তামাক মৌসুমে ১০-১৫ টনের অধিক তামাক বোঝাই ট্রাক চলাচলের কারণে রাস্তার মাটি সরে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে ও রাস্তাটি মরণ ফাঁদে পরিণত হয়।

সড়কে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণে লামা আলীকদম সড়কের লাইন ঝিরিতে সবসময় ট্রাফিক পুলিশ থাকলেও অতিরিক্ত মাল বোঝাই যানবাহন নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক পুলিশের কোন ভূমিকা নেই, প্রতি বছর তামাক পরিবহনের দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।

অতিরিক্ত মাল বোঝাই এ বিষয়ে জানতে চাইলে, ঢাকা টোব্যাকো কোম্পানীর লামা লীফ ম্যানেজার নাসির উদ্দিন বলেন, আমরা ১০ টন অধিক লোড করিনা।

অতিরিক্ত মাল বোঝাই যানবাহন চলাচলের বিষয়ে জানতে চাইলে, বান্দরবান সড়ক শাখা  ১’র উপসহকারী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা অতি শীগ্রই স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক তামাক লোডিং শ্রমিক বলেন, অনেক সময় ১৫ টনের অধিক মাল লোড দিয়ে থাকি, এ ব্যাপারে স্থানীয় জনগণ ও যাত্রীদের অভিযোগ অতিরিক্ত মাল বোঝাই ট্রাক সমূহ ক্রস করার সময় অপ্রশস্ত পাহাড়ি রাস্তায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায় তারা আরও বলে, তামাক কোম্পানী, পাথর ব্যবসায়ী ও কাঠ ব্যবসায়ীরা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে অতিরিক্ত মাল বোঝাই করে পরিবহন করে থাকে।




লামায় জেএসএস’র সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি  অতিষ্ট করে তুলেছে ব্যবসায়ীদের

criminal-400x225

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান :
বান্দরবানের লামায় জেএসএস’র সশস্ত্র বাহিনীর সন্ত্রাসী কার্যকলাপ ও চাঁদাবাজিতে বেপরোয়া হয়ে উঠায় উপজেলা আইন শৃংঙ্খলা কমিটির সভায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জনপ্রতিনিধিরা। গত রবিবার লামা উপজেলা আইন শৃংঙ্খলা কমিটির সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা নিরাপত্তার স্বার্থে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসন ও সরকারের কাছে জোর দাবি তুলেছেন।

সভায় ফাঁসিয়াখালী ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন মজুমদার বলেন, ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের গয়ালমারায় গত ২০ এপ্রিল ২০/২২ জনের জেএসএস’র সশস্ত্র বাহিনী স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ব্যক্তির কাছ থেকে বিভিন্ন অংকের চাঁদা আদায় করেছে। এতে স্থানীয় জনসাধারণ হামলার আতঙ্কে ভুগছে।

লামা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিন্টু কুমার সেন বলেন, মেরাখোলা এলাকার গরু ব্যবসায়ী আব্দুল মজিদ দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে সে পাহাড়ী সন্ত্রাসীদের কবলে রয়েছে। লামা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ী সন্ত্রাসীদের চাঁদাবাজীর দৌরাত্ম্য দিন দিন বৃদ্ধি পেয়েছে।

সন্ত্রাসীরা তামাক চাষীসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও কৃষকদের কৃষি পণ্যের উপর চাঁদাবাজি চালাচ্ছে।

রূপসীপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ছাচিং প্রু বলেন, জেএসএস সমর্থিত সশস্ত্র বাহিনীর একটি গ্রুপ গত ২০ এপ্রিল নাইক্ষ্যংমুখ বাজারে এসে ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণের উপর শারীরিক নির্যাতন চালায়। তাদের নির্যাতনে চার জন আহত হন।

ইউপি মেম্বার কায়ওয়ে মুরং আশঙ্কা প্রকাশ করে জানিয়েছেন, সন্ত্রাসীরা যেকোন মুর্হুতে নাইক্ষ্যংমুখ বাজারে হামলা চালিয়ে জান মালের ক্ষতি করতে পারেন।

লামা থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্থ কেউ আইনগত সহায়তা চাইলে পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

আলীকদম জোনের বিদায়ী কমান্ডার লে. কর্ণেল মোহাম্মদ সারোয়ার হোসেন বলেছেন, কোন ক্রমেই পার্বত্য এলাকাকে সন্ত্রাসীদের অভায়রণ্য হতে দেওয়া যাবে না। সকলকে সম্মলিতভাবে কাজ করে সন্ত্রাসীদের র্নিমূল করতে হবে।

নবাগত জোন কমান্ডার লে. কর্ণেল মাহাবুবুর রহমান বলেছেন, আমাদের শান্তি যারা কেড়ে নিতে চায় তাদের কোনক্রমেই ছাড় দেওয়া হবে না। সন্ত্রাসী নির্মূলে সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় অভিযান অব্যাহত থাকবে।




লামায় জেএসএস’র সশস্ত্র হামলায় আহত ৪

হামলা
নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান
বান্দরবানের লামার রুপসীপাড়া ইউনিয়নের দুর্গম ডলুঝিরি এলাকায় চাঁদা না পেয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে জেএসএস এর সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে ৪ জন শ্রমিক ও ব্যবসায়ীকে মারধর করেছে।

সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের হামলায় আহতরা হলেন, ইউনিয়নের অংহ্লা পাড়া এলাকার প্রদীপ বড়ুয়া (৩৬), দরদরী মাঝের বড়ুয়া পাড়ার মনোরঞ্জন বড়ুয়া (৩২), রুপসীপাড়া বাজারের মো. জসিম (৩১) ও মোহাম্মদপুর পাড়ার মো. মাহাবুব (৩৩)। গুরুতর আহত দুইজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার নেয়া হয়েছে।

আহত মো. মাহাবুব জানায়, বৃহস্পতিবার বেলা ২ টার দিকে চাঁদা না দেয়ায় জেএসএস অস্ত্রধারী ৬ জনের একটি গ্রুপ ডলুঝিরি এলাকায় তাদের আটক করে বেদড়ক ও কিলঘুসিসহ মারধর করে। সন্ত্রাসীদের ভারী অস্ত্রের আঘাতে প্রদীপ বড়ুয়া ও মো. জসিমকে হাত পা ভেঙে যায়।

সূত্র জানায়, ৩০/৩৫ জন সন্ত্রাসীরা পাহাড়ে আগে থেকে অবস্থান নেয় এবং ৬ জন অস্ত্রধারী ব্যবসায়ীদের ক্রয় করা কলা, বাঁশ কেটে নষ্ট করে। এবং চাঁদা না দেয়ায় তাদের মারধর করে।

লামা-আলীকদম সেনা জোনের জোন কমান্ডার বলেন, ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনা জোন থেকে আরেকটি সেনা টিম ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে।




লামায় জেএসএস’র সশস্ত্র হামলায় আহত ৪

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবানের লামার রুপসীপাড়া ইউনিয়নের দুর্গম ডলুঝিরি এলাকায় চাঁদা না পেয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে জেএসএস’র সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে ৪জন শ্রমিক ও ব্যবসায়ীকে মারধর করেছে। সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের হামলায় আহতরা হলেন, ইউনিয়নের অংহ্লা পাড়া এলাকার প্রদীপ বড়ুয়া (৩৬), দরদরী মাঝের বড়ুয়া পাড়ার মনোরঞ্জন বড়ুয়া (৩২), রুপসীপাড়া বাজারের মো. জসিম (৩১) ও মোহাম্মদপুর পাড়ার মো. মাহাবুব (৩৩)। গুরুতর আহত দুইজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার নেয়া হয়েছে।

আহত মো. মাহাবুব জানায়, বৃহস্পতিবার বেলা ২টার দিকে চাঁদা না দেয়ায় জেএসএস অস্ত্রধারী ৬জনের একটি গ্রুপ ডলুঝিরি এলাকায় তাদের আটক করে বেদড়ক ও কিলঘুসিসহ মারধর করে। সন্ত্রাসীদের ভারী অস্ত্রের আঘাতে প্রদীপ বড়ুয়া ও মো. জসিমকে হাত পা ভেঙে যায়।

সূত্র জানায়, ৩০/৩৫ জন সন্ত্রাসীরা পাহাড়ে আগে থেকে অবস্থান নেয় এবং ৬জন অস্ত্রধারী ব্যবসায়ীদের ক্রয় করা কলা, বাশঁ কেটে নষ্ট করে। এবং চাঁদা না দেয়ায় তাদের মারধর করে।

লামা-আলীকদম সেনা জোনের জোন কমান্ডার বলেন, ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনা জোন থেকে আরেকটি সেনা টিম ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে।




লামায় পৌর প্রতিবন্ধী স্কুলের উদ্বোধন

Lama pic-20.4

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবানের লামায় প্রতিবন্ধী স্কুলের উদ্বোধন করা হয়েছে। বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটি উদ্যোগে বৃহস্পতিবার পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি পৌরসভার চাম্পাতলীতে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

এছাড়া পৌর বাস টার্মিনাল, লামা কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারের পালিটোল ভবন, মুক্তিযোদ্ধা দ্বিতল ভবন, লামামুখ উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন ভবন, লামামুখ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুতোষ পাঠাগার, কেয়াং ঘর, লামা-গজালিয়া জীপ স্টেশনের দ্বিতল যাত্রী ছাউনিসহ ৯টি উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর করেন বীর বাহাদুর।

লামা পৌরসভার মেয়র জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাকসুদুর রহমান, লামা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল, বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটির চেয়ারম্যান সানজিদা রহমান, জেলা পরিষদের সদস্য লক্ষিপদ দাশ, লামা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি  মোহাম্মদ ইসমাইল, বান্দরবান জেলা পরিষদ সদস্য মোস্তাফা জামাল, ফাতেমা পারুল ও মুক্তিযোদ্ধা লামা ইউনিট কমান্ডার শেখ মাহবুবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

জনসভায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা ছাড়া কোন জাতি অগ্রসর হতে পারেনা। আদর্শ একটি জাতি গঠনে সুদক্ষ শিক্ষকের প্রয়োজন। শিক্ষা খাতে যে কোন সমস্যাকে সবার আগে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনা ২০২১ সালের মধ্যে এ দেশকে মধ্যম আয়ের দেশ হিসাবে দেখতে চান। সেই লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এর আগে আলীকদমে নিরাপত্তাবাহিনীর পরিচালিত আলীকদম কিন্ডার গার্টেন স্কুলের উদ্বোধন করেন পাবত্য প্রতিমন্ত্রী।




লামায় সন্ত্রাসী হামলায় টাকা লুট

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের ক্যাম্প বাজার এলাকায় সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসীদের হামলায় শিশু ও নারীসহ একই পরিবারের ৪জন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন, এক বছর বয়সী শিশু খালিদ সাইফুল্লাহ, সালমা আক্তার (২৫), মোখলেছুর রহমান (১৭) ও বাবুল মৃধা (৫৫)।

এসময় সন্ত্রাসীরা বসতবাড়ি ও দোকান থেকে নগদ টাকা ও মোবাইল ছিনতাই করে নিয়ে যায়।  রবিবার রাত সাড়ে ১০টায় এ ঘটনা ঘটে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, রবিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড ক্যাম্প বাজার ছারোয়ার পাড়ার সালমা আক্তারের বাড়িতে ১৫/২০জনের সন্ত্রাসীরা ছিনতাই ও লুট করতে হামলা চালায়। সালমা আক্তার হামলাকারীদের চিনতে পেরে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসে এবং সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। লুট ও ছিনতাই কাজে ব্যর্থ হয়ে একই সন্ত্রাসীরা মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টায় পুনরায় হামলা চালায়।

সালমা আক্তারের পিতা বাবুল মৃধা জানায়, আমি লাকড়ি ব্যবসা করি। মঙ্গলবার কয়েকটি ব্রিকফিল্ডে লাকড়ি বিক্রয় করে ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা পাই। এ টাকা নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় ক্যাম্প বাজার আসলে সন্ত্রাসীরা আমার উপর হামলা চালায় এবং আমাকে মারধর করে টাকা নিয়ে যায়। এ সময় সন্ত্রাসীরা আমার মেয়ের বাড়িতে গিয়ে মেয়ে ও নাতিকে মারধর করে। ঘটনাটি আমার মেয়ের দেবর আল মামুন মোবাইলে ভিডিও চিত্র ধারন করতে গেলে তারা তাকে মারধর করে।

অভিযোগে হামলাকারীরা হল, ক্যাম্প বাজার ও চিউনী পাড়া এলাকার মো. সিরাজ (৫২) রমজান আলী (২৮), ছিদ্দিক মাষ্টার (৫৫) এর হুকুমে শহীদুল ইসলাম (২৮), জাহাঙ্গীর (২৭), জয়নাল আবেদীন (৪৫), জাকির হোসেন (৩৫), ওবাইদুল ইসলাম (৩২), জাহেদুল ইসলাম ((৩০), শফিকুল ইসলাম (২৫), হাসেম আলী (৪৫), রফিকুল ইসলাম (২৮), মো. জয়নাল আবেদীন (২৩), মো. ইউনুছ (২৬) ও আব্দুল ছোবাহান (৩৮) সহ আরও অজ্ঞাত ৪/৫জন এ হামলা চালায়।

আল মামুন বলেন, তারা আমাকে মেরে আমার দোকান থেকে নগদ ২২ হাজার টাকা ও ১২টি বিভিন্ন মডেলের মোবাইল নিয়ে যায়। যার আনুমানিক মূল্য ১ লক্ষ ৯ হাজার টাকা। এসময় তারা দোকানের ফার্নিচার ও কম্পিউটার ভাংচুর করে ৬৭ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি করে। আমার ভাই মোখলেচুর রহমান বাঁধা দিলে তাকেও মারধর করে।

এ বিষয়ে আজিজনগর ইউপি চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ৯ এপ্রিল ঘটে যাওয়া ঘটনার বিষয়ে ১৯ এপ্রিল বৈঠকের কথা ছিল। কিন্তু তার আগে মঙ্গলবার অভিযুক্তরা আবার নতুন ঘটনা ঘটায়।

আজিজনগর পুলিশ ফাঁড়ির ক্যাম্প কমান্ডার লিয়াকত হোসেন বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের আইনী প্রতিকারের জন্য লামা থানায় অভিযোগ করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।




লামার আজিজনগরে নবজাতকের লাশ উদ্ধার

lama pic-16.4

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবানে:

বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের চাম্বি মফিজ বাজারে তেলুনিয়া খালের ব্রিজের নিচ থেকে একটি নবজাতকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

রবিবার দুপুর ২ টায় পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে। গতমাসে লামায় আরেকটি নবজাতক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়।