উন্নয়নের জন্য স্থিতিশীল পরিবেশ প্রয়োজন

untitled-1-copy-000000000000000-1

 লংগদু প্রতিনিধি:

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও রাঙামাটি জেলা আওয়া লীগের সভাপতি দীপংকার তালুকদার বলেন, এলাকার উন্নয়নের জন্য স্কুল, কলেজ, রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য আমরাও চেষ্টা করছি। কিন্তু এখানে যেটা সবচেয়ে বেশি জরুরী প্রয়োজন সেটা হলো স্থিতিশীল ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ। যদি স্থিতিশীল পরিবেশ না থাকে তাহলে উন্নয়ন করাটা কষ্টকর, উন্নয়ন বাঁধাগ্রস্ত হয়।

রোববার, লংগদু উপজেলার গুলশাখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে মেধাবী শিক্ষার্থীদের নিকট পুরস্কার ও বই বিতরণ উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দীপংকর তালুকদার একথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, শান্তির পরিবেশকে  নষ্ট করতে বিভিন্ন মহল চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এখন নতুন করে বলা হচ্ছে ভূমি কমিশন কাজ শুরু করলে এখানকার বাঙালীদের চলে যেতে হবে। তবে আমি বলতে পারি ভূমি কমিশনের কাজ ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি করা। ভূমি বিরোধ বাড়ানো তাদের কাজ নয়। ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের কার্যক্রমে কারও কোন ক্ষতি হবার সম্ভাবনা নেই।

যদি কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে তাহলে সরকার তাদের  এ পার্বত্য চট্টগ্রামেই পূনর্বাসনের ব্যবস্থা করবে। আমাদের মধ্যে নানাবিধ বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার জন্য অপচেষ্টা চলছে। এসকল অপচেষ্টার বিরুদ্ধে আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে, সতর্ক থাকতে হবে। যদি অশান্তি এবং অরাজক অবস্থা থাকে তাহলে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়।

লংগদু উপজেলার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) রাজনগর জোনের জোন কমান্ডার লে. কর্ণেল তারেক মুহাম্মদ বে-নজির’র  সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, রাঙামাটি জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো.জসিম উদ্দীন, লংগদু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মমিনুল ইসলাম, গুলশাখালী ইউপি চেয়ারম্যান আবু নাছির, গুলশাখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহীম, বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক জেলা ছাত্র লীগ সভাপতি শাহ এমরান রোকন, লংগদু উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক সুভাষ দাশ, আজগর আলী, গুলশাখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু বক্কর ছিদ্দিক, অভিভাবক সদস্য ও উপজেলা যুব লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম।

গুলশাখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির আয়োজনে ও সীমান্ত প্রহরী আদর্শ নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাসুদ রানার পরিচালনায় এ অনুষ্ঠানে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও জেএসসি পরীক্ষায় অত্র ইউনিয়নের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে জিপিএ ৫ (এ+) পাওয়া মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার এবং নতুন বই তুলে দেন প্রধান অতিথিসহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।




লংগদুতে জোন কমান্ডার্স কাপের চ্যাম্পিয়ন মাইনীমুখ একাদশ

img_20161230_170015-3333333333333333-copy

লংগদু প্রতিনিধি:

লংগদু উপজেলার জোন কমান্ডার্স কাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা জোন সদর মাইনীমুখ আর্মীক্যাম্প মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফাইনালে মাইনীমুখ ইউনিয়ন একাদশ খেদারমারা ইউনিয়ন একাদশকে ১-০ গোলে হারিয়ে টূর্ণামেন্টের চ্যাম্পিয়ন হয়।

শুক্রবার, বিকাল তিনটায় জোনের মাঠে অনুষ্ঠিত জোন কমান্ডার্স কাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা শেষে জোন কমান্ডার লে. কর্ণেল আব্দুল আলীম চৌধুরী পিএসসি প্রধান অতিথি হিসেবে মাইনীমুখ ইউনিয়ন একাদশের খেলোয়াড়দের নিকট চ্যাম্পিয়ন ট্রপি ও নগদ বিশ হাজার টাকা এবং খেদারমারা ইউনিয়ন একাদশের খেলোয়াড়দের নিকট রানার্স আপ ট্রপি ও নগদ দশ হাজার টাকা পুরস্কার হিসেবে তুলে দেন।

এসময় তিনি বলেন, আমি সত্যি অভিভূত। এ ফুটবল খেলা দেখতে এতো দর্শকের সমাগম হওয়ায়। যারা ফুটবল খেলেছে তারা খেলায় অত্যান্ত নৈপুন্যতা দেখিয়েছে। লংগদুর মত দূর্গম এলাকায় ভালোমানের খেলোয়াড় আছে। একে অপরের সহমর্মিতা ও সহবাস্থানে থাকলে এ এলাকায় খেলাধুলার বিকাশ ঘটবে। তিনি এ অঞ্চলে পেশাদার খেলোয়াড় তৈরী হওয়ার জন্য খেলোয়াড়দের নিয়মিত অনুশীলণ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. তোফাজ্জল হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান মো. নাছির উদ্দিন, লংগদু থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোমিনুল ইসলাম, মাইনীমুখ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল বারেক সরকার, খেদারমার ইউপি চেয়ারম্যান সন্তোষ কুমার চাকমা, লংগদু সদর ইউপি চেয়ারম্যান কুলিন মিত্র চাকমা (আদু), আটারকছড়া ইউপি চেয়ারম্যান মঙ্গল কান্তি চাকমা, লংগদু প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. এখলাস মিঞা খান, টুর্ণামেন্ট পরিচালনা কমিটির সদস্য প্রভাষক হারুনুর রশীদ সহ বিভিন্ন সেনা কর্মকর্তাগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

খেলার প্রথমার্ধে উভয় দলই কোন গোলের দেখা পায়নি। খেলার ২য়ার্ধে মাইনীমুখ ইউনিয়ন একাদশের খেলোয়াড় মিজানুর রহমান এক মাত্র গোলটি করে দলকে চ্যাম্পিয়ন করেন। এদিকে মাঠে নৈপূণ্য খেলা প্রদর্শণের কারণে মাইনীমুখ একাদশের খেলোয়াড় মো. মিরাজ সেরা খেলোয়াড় হিসেবে নির্বাচিত হন।

ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা দেখতে মাঠে অন্তত চার হাজার দর্শকের সমাগম ঘটে।




সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য উদাহরণ লংগদু উপজেলা- ব্রি. জেনারেল মাহাবুবুল আলম

img_20161228_133700-6666666666-copy

লংগদু প্রতিনিধি :
লংগদু সেনা জোন সদরে বুধবার, বেলা সাড়ে বারটায় আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে খাগড়াছড়ি রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল স. ম. মাহাবুবুল আলম বলেছেন, লংগদু জোনের আওতাধীন এলাকা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ। তিনি আরও বলেন, এখানে যেভাবে পাহাড়ী ও বাঙ্গালীরা একসাথে মিলেমিশে থাকছেন, একসাথে সম্প্রীতির সাথে বসবাস করছেন এবং একে অপরের সাথে সহনশীল আচরণ করছেন তাতে সকল পক্ষই সুখে শান্তিতে থাকতে পারছেন।এলাকার জীবনমান উন্নয়নের জন্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন যেমন প্রয়োজন, তেমনি প্রয়োজন স্থিতিশীল শান্ত পরিবেশ।

লংগদু জোনের জোন কমান্ডার লে. কর্নেল আব্দুল আলিম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায়
অতিথির মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, লংগদু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. তোফাজ্জল হোসেন, লংগদু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন আহম্মেদ, জোনের সেনা কর্মকর্তা মেজর আবু সাঈদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. নাছির উদ্দিন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. বিশ্বজিৎ মহাজন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. পলাশ কান্তি চাকমাসহ জোনের বিভিন্ন সেনা কর্মকর্তা ও বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যাগণ।

রিজিয়ন কমান্ডার স.ম. মাহাবুবুল আলম আরো বলেন, বর্তমান যুগটা হচ্ছে জ্ঞানের যুগ। তথ্যের ও ব্যবসার যুগ। তাই, জীবন জীবিকায় উন্নতি করতে এখানে শিল্পকারখানা গড়ে তুলতে হবে। তাতে যেটুকু ক্ষতি হবে তা মানতে হবে। উন্নত বিশ্বও এভাবেই শিল্পায়ন গড়ে তুলেছে। যারা ঢাকায় বসে টেলিভিশনে টকশো করে পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে বিরোধিতা করেন তারা কখনো পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকায় এসে বাস্তবতা দেখেন না। তাদের ছেলে মেয়েরাও বেশির ভাগ উন্নত রাষ্ট্রে পড়তে যায়। আমার রিজিয়নের উদ্যোগে সাজেকে একটি মাল্টি মিডিয়া স্কুল গড়ে তুলেছি। সেখানে ছাত্ররা কম্পিউটারের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ দিয়ে তার পড়াটা আদায় করে নিতে পারছে। সরকার এই প্রজেক্টটি নিয়ে এখন ভাবছেন। কিন্তু আমরা তা পার্বত্যাঞ্চলের প্রত্যন্ত এলাকা সাজেকে দু’বছর আগে এই প্রকল্প তৈরি করেছি। বর্তমানে আমাদের এই প্রকল্পটি বেশ সাড়া জাগিয়েছে।

আমরা আমাদের দায়িত্ব পালনকালে কারো যদি কোনো ক্ষতি হয়েও থাকে সেটা ইচ্ছেকৃতভাবে নয়। আমি দুই বছর যাবৎ রিজিয়নে দায়িত্ব পালন করেছি। এখন সরকারে নির্দেশে চালে যাচ্ছি। আপনাদের যে আন্তরিকতা সহযোগিতা পেয়েছি তা কোনদিন ভুলতে পারবো না। আজকের মতো আপনাদের সাথে হয়তো এভাবে দেখা হবে না। তবে যেখানেই যাই আপনাদের কথা মনে থাকবে।

তিনি আরো বলেন, আমার দৃঢ় বিশ্বাস আপনারা যেভাবে আছেন সেভাবে থেকে এলাকার অবকাঠামো বিনির্মাণে কাজ করবেন। সম্প্রীতি বজায় রেখে শিক্ষার জন্য কাজ করবেন। তার জন্য সবাইকে উদার মনোভাব বজায় রাখতে হবে। এসময় তিনি সকলের মঙ্গল কামনা করেন।

পরে প্রধান অতিথি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল স.ম. মাহাবুবুল আলম জোনের সংস্কারকৃত মসজিদ গেইট উদ্বোধন করেন। এরপর তিনি জোনের উদ্যোগে আয়োজিত কম্পিউটার ও সেলাইন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রও উদ্বোধন করেন।




খাগড়াছড়িতে সাংবাদিককে মারধরের ঘটনায় লংগদু প্রেসক্লাবের নিন্দা

লংগদু প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ি পৌর মেয়র রফিকুল আলম কর্তৃক সাংবাদিক নিরব চৌধুরীকে মারধরের ঘটনায় ‘লংগদু উপজেলা প্রেসক্লাবে’র পক্ষ থেকে নিন্দা প্রকাশ করা হয়েছে।

রোববার লংগদু উপজেলার মাইনীমুখ বাজারস্থ অস্থায়ী প্রেসক্লাব কার্যালয়ে এক আলোচনা সভায় এ নিন্দা প্রকাশ করা হয়। প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. এখলাস মিঞা খানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক মুছা।

এছাড়া সাংবাদি আব্দুর রহীম, আরমান খান, মো. আলমগীর হোসেন, ওছমান গণি লিটুসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সাংবাদিক নিরব চৌধুরীর উপর প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানানো হয়।




লংগদুর কাঠালতলীতে সাত দোকানঘর পুড়ে ছাই

langadu
লংগদু প্রতিনিধি :
রাঙামাটির লংগদু উপজেলা সদর কাঠলতলা এলাকায় অগ্নিকান্ডের ঘটনায় পুড়ে গেছে সাতটি দোকানঘর। অধিকাংশ দোকানগুলো বন্ধ থাকা অবস্থায় ভষ্মিভূত হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্থরা জানান।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ও এলাকবাসী জানান, শনিবার সন্ধ্যা সাতটা পনের মিনিটে কাঠালতলা এলাকায় সাবেক মেম্বার প্রবির চাকমা ওরফে কেমির মায়ের চায়ের দোকান থেকে বৈদ্যুতিক সটসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে মুহুর্তের মধ্যে আগুন চতুর্দিকে চড়িয়ে পড়ে। দোকানঘরগুলো ছিলো পাশাপাশি। তারউপর একটি গ্যাস সিলিন্ডারের দোকান থেকে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হওয়ার কারণে ভয়ে আগুন নিবাতে লোকজন কাছে যেতে পারেনি।

এলাকাবাসী জানান, আগুন লাগার বিশ মিনিটের মধ্যেই এক লাইনের সব দোকান পুড়ে গেছে।
আগুন লাগার পরপরই এলাকাসবাসী আগুন নিবাতে চেষ্টা করেন।

অন্যদিকে লংগদু সেনা জোন থেকে সেনাবাহিনী ও লংগদু থানা পুলিশ সদস্যরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রেনে আনতে সহায়তা করেন।

অগ্নিকান্ডের ফলে কমপক্ষে আশি লক্ষ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্থরা জানিয়েছেন। অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থরা হলেন, সুমন চৌধুরী (গ্যাস সিলিন্ডার ও কিটনাশকের দোকান), প্রবির মেম্বার (চায়ের দোকান), আব্দুস সাত্তার (মুদির দোকান), সোমহরাব হোসেন(মুদির দোকান), মো. মহসিন (মুদির দোকান), বাবুলের চায়ের দোকান, আমীর হোসেন এর চায়ের দোকান।




লংগদুতে শতাধিক বিএনপি নেতাকর্মীর আ’লীগে যোগদান

333

লংগদু  প্রতিনিধি:

রাঙামাটি জেলার মধ্যে এক সময় তিন চারটি উপজেলা ছাড়া কোথাও বিদ্যুৎ ছিলো না। এখন সব উপজেলায় বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে। লংগদু উপজেলায় কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ হচ্ছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে এ উন্নয়ন ধারা অব্যাহত থাকবে। রবিবার ভাসাইন্যাদম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আয়োজনে সাবেক পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী ও রাঙামাটি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দীপংকর তালুকদারকে দেয়া এক সংবর্ধণা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ভাসাইন্যাদম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আমীর হোসেন মেম্বারের সভাপতিত্বে সংবর্ধণা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, সংরক্ষিত আসনের সাংসদ ফিরোজা বেগম চিনু, রাঙামাটি জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য হাজি মো. কামাল উদ্দিন, রাঙামাটি জেলা আওয়ামী লীগের বন পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক অভয় প্রকাশ চাকমা, সদস্য আমজাদ হোসেন কলি, জেলা যুব লীগের সাধারণ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ কাজল, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোকতার আহম্মেদ, জেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য মো.শাজাহান মিয়া, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মোহিতা তালুকদার, লংগদু উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল বারেক সরকার, সাধারণ সম্পাদক মো. জানে আলম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুভাষ দাশ, আজগর আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মোশারফ হোসেন, হারুনুর রশীদ।

লংগদু উপজেলা কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইলিয়াছের পরিচালনায়, স্থানীয় আওয়ামী লীগের অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতা-কর্মীরা বক্তব্য রাখেন।

সংবর্ধণা সভায় স্থানীয় শতাধিক বিএনপির কর্মী আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। যোগদানকৃতদের মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হলেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নুরুচ্ছাফা মাষ্টার, আব্দুর রহীম মেম্বার, মহিলা মেম্বার মনি বেগম, শহিদুল ইসলাম বাচা, নুরু মিয়া, মনু মিয়া।

এর আগে বিএনপি থেকে শতাধিক কর্মীসহ যোগদান করেছিলেন ভাসাইন্যাদম ইউনিয়ন পরিষদের সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান মো. জহির উদ্দিন ।




লংগদুতে জোন কমান্ডার্স কাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট উদ্বোধন

111

লংগদু প্রতিনিধি:

রাঙামাটির লংগদু উপজেলায় জোন কমান্ডার্স কাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার বিকাল তিন টায় সেনা জোনের মাইনীমুখ আর্মীক্যাম্প মাঠে এই ফুটবল টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন করা হয়। লংগদু সেনা জোনের জোন কমান্ডার লে. কর্ণেল আব্দুল আলিম চৌধুরী পিএসসি প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধনী খেলায় অংশ নেয়া মাঠে উভয় দলের খেলোয়াড়দের সাথে কুশল বিনিময় করেন। পরে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে বেলুন উড়িয়ে টুর্ণামেন্টের শুভ উদ্বোধন ঘোষনা করেন।

এ সময় তিনি বলেন, সেনা বাহিনী পার্বত্যাঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। খেলাধুলার চর্চা রাখতে পারলে স্বাস্থ্য এবং মানসিক বিকাশ ঘটে।

তিনি আরও বলেন, এই অঞ্চলে প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরী হতে হবে। তার জন্য এই ধরনের টূর্ণামেন্টের বেশি প্রয়োজন। তাই, জোনের পক্ষ থেকে এই ধরনের ফুটবল টুর্ণামেন্ট আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

টুর্ণামেন্টের প্রথম রাউন্ডের উদ্বোধনীতে দুই চির প্রতিদ্বন্দ্বি লংগদু সদর ইউনিয়ন একাদশ বনাম মাইনীমুখ ইউনিয়ন একাদশের মধ্যকার খেলা অনুষ্ঠিত হয়। টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ফুটবল খেলায় মাইনীমুখ ইউনিয়ন একাদশ ১-০ গোলে জয় লাভ করে টুর্ণামেন্টের শুভ সূচনা করে। এবং এই দল সরাসরি দ্বিতীয় রাউন্ডে চলে যায়।

নক আউট পদ্ধতির এই টুর্ণামেন্টে মোট আটটি দল অংশ নিয়েছে। টুর্ণামেন্টের উদ্বোধনী খেলা উপভোগ করতে মাঠের চতুর্দিকে প্রচুর দর্শকের সমাগম ঘটে।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, লংগদু জোনের সেনা কর্মকর্তা মেজর আবু সাইদ,

রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য মো. জানে আলম, ল্যাপ্টেন্যান্ট শাহরিয়ার, মাইনীমুখ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল বারেক সরকার, লংগদু প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. এখলাস মিঞা খান, লংগদু ইউপি চেয়ারম্যান কুলিন মিত্র চাকমা (আদু), আটারকছড়া ইউপি চেয়ারম্যান মঙ্গল কান্তি চাকমা প্রমূখ।




মাইনীমুখ ইউনিয়ন শাখা ছাত্র লীগের পরিচিতি ও আলোচনা সভা

96

লংগদু প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলার মাইনীমুখ ইউনিয়ন শাখা ছাত্র লীগের উদ্যোগে পরিচিতি সভা ও মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়।

বৃহষ্পতিবার বেলা ২ টায়, উপজেলার মাইনীমুখ ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত মাইনীমুখ ইউনিয়ন শাখা ছাত্র লীগ কমিটি গঠন উত্তর পরিচিতি সভা ও মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, মাইনীমুখ ইউনিয়ন শাখা ছাত্র লীগের সভাপতি ইমাম হোসেন (ইমন)।

মাইনীমুখ ইউনিয়ন ছাত্র লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মঞ্জুরুল ইসলামের পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন,  মাইনীমুখ ইউনিয়নের ছাত্র লীগের সহসভাপতি মো. তরিকুল ইসলাম।

প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, লংগদু উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাইনীমুখ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল বারেক সরকার।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সদস্য মো. জানে আলম। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন।

প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা ছাত্র লীগের সভাপতি জিয়াউল হক। বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা ছাত্র লীগের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান রাজু।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা ছাত্র লীগের সহসভাপতি মো. রেজাউল করিমসহ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. হানিফ ও বাবলা দাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক দয়াময় চক্রবর্তি, রাবেতা মডেল কলেজ শাখা ছাত্র লীগের সভাপতি নেছার উদ্দিন হৃদয়।

প্রধান অতিথি বক্তব্যে আব্দুল বারেক সরকার বলেন, ছাত্র লীগের নেতা-কর্মীদেরকে শুধু রাজনীতি করলে হবেনা। মেধার জন্য পড়া-লেখাও করতে হবে। গেল নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রে ভোট ডাকাতি হয়েছে। আগামীতে ছাত্র লীগের কর্মীদেরকে কেন্দ্রে গিয়ে পাহারা দিতে হবে।




দূর্গম এলাকায় শিক্ষার পরিবেশ গড়তে কাজ করছে সেনাবাহিনী: লংগদু জোন কমান্ডার

img_20161127_133840-777777777777777-copy

লংগদু প্রতিনিধি:

লংগদু জোন জোনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা সম্পর্কিত সমন্বয় সভায়’ সভাপতির বক্তব্যে জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল আব্দুল আলীম চৌধুরী (পিএসসি) বলেছেন, উপজেলার দূর্গম এলাকায় শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তুলতে জোনের পক্ষ হতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আমরা ইতিমধ্যে দুটি উচ্চ বিদ্যালয়, ২টি কিন্ডার গার্টেন স্কুল করেছি। কালাপাকুজ্জায় ও মাইনীতে আরো দুটি স্কুল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া গরীব শিক্ষিতি মেধাবী যুবক যুবতীরা যাতে দক্ষ প্রশিক্ষণ পেয়ে উন্নয়ন কাজে নিয়োজিত হতে পারে তার জন্য জোনের পক্ষ হতে বেইস করে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, স্বাস্থ্য সেবা দিতে পল্লি চিকিৎসার প্রশিক্ষণ চালু করা হয়েছে।

তাছাড়া গরীব দুস্থ্য মহিলাদের বাড়তি আয়ের জন্য হাসঁ বিতরণ ও দুরছড়ি বাজারে ক্ষতিগ্রস্থ স্কুল পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদেরসহ বিভিন্ন স্কুলের ছাত্রদের মাঝে শিক্ষা সহায়ক উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে এবং এই ধারা অব্যাহত থাকবে।

সভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন লংগদু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ তোফাজ্জল হোসেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন আহম্মেদ, দীঘিনালা বিদ্যুৎ উপ-কেন্দ্রের আবাসিক প্রকৌশলী যত্ন মনি চাকমা।

এছাড়া গুলশাখালী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আবু নাছির, লংগদু প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ এখলাস মিঞা খান, খেদারমারা ইউপি চেয়ারম্যান সন্তোষ কুমার চাকমা, লংগদু জাতীয় ইমাম সমিতির সেক্রেটারী হাফেজ আব্দুল মতিনসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রতিনিধি বক্তব্য রাখেন।

এ সময় লংগদু স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা ডা. বিশ্বজিৎ মহাজন, সেনা জোনের আরএমও ক্যাপ্টেন রবেল আজাদ, লেপ্টেন্যান্ট হামিদুল হক সহ বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যানগণ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি, গণ্যমান্যব্যাক্তি ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিগণ এতে উপস্থিত ছিলেন।

জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল আব্দুল আলীম চৌধুরী বক্তব্যে আরও বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামের অনগ্রসর এবং সুবিধা বঞ্চিত সহ সর্বস্থরের জনসাধারণের নিরাপত্তা ও সার্বিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় থাকলে ব্যাপক উন্নয়ন হবে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজরা যাতে সমাজে স্থান না পায় তার জন্য সকলকে পদক্ষেপ নিতে হবে। সন্ত্রাসকারী ও চাঁদাবাজরা দেশ ও সমাজের শত্রু। এদের কারণে উন্নয়নে বাঁধাগ্রস্থ হয়। তাদেরকে আইনের আওতায় আনতে হবে। এব্যাপারে সকলের সহযোগিতার প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, মায়ানমারে রোহিঙ্গাদের উপর যেবাবে নির্যাতন করা হচ্ছে তা অত্যান্ত নিন্দনীয়। কিন্তু এই ইস্যু নিয়ে আমাদের অত্র এলাকায় যেন কোন প্রকার ঘটনা না ঘটে। তিনি তার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।




লংগদু সেনা জোনের উদ্যোগে দুস্থ্য পরিবারে হাঁস বিতরণ ও ছাত্রীদের মাঝে আর্থিক সহায়তা

_dsc0175-copy

লংগদু প্রতিনিধি:

লংগদু উপজেলায় দুস্থ্য ও গরীব মহিলারা যেন হাঁস পালন করে পরিবারে কিছুটা হলেও আর্থিক যোগান দিতে সক্ষম হয় তার জন্য লংগদু সেনা জোনের পক্ষ থেকে বারো পরিবারকে হাঁস ও পাঁচ জন গরীব মেধাবী ছাত্রীকে নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করে হয়েছে।

রোববার সেনা জোনের মাইনীমুখ আর্মীক্যাম্প সদর দপ্তরে জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল আব্দুল আলীম চৌধুরী পিএসসি উপস্থিত থেকে দুস্থ্য ও গরীব মহিলাদের মাঝে হাঁস বিতরণ করেন।  এছাড়াও তিনি এসময় এলাকার পাঁচ জন দশম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত গরীব ছাত্রীকে পাঁচশত টাকা করে আর্থিক সাহায্য প্রদান করেন।

এ সময় জোনের সেনা অফিসার ক্যাপ্টেন রুবেল আজাদ, ল্যাপ্টেন্যান্ট আতাউর মুক্তাদি সাকি ও মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার রফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল আব্দুল আলীম চৌধুরী এ সময় বলেন, এখন আপনাদের যে সহয়োগীতা দেওয়া হয়েছে তা কিছুটা হলেও আপনাদের জীবিকার উন্নতি হবে। আমাদের এই প্রক্রিয়া ভবিষ্যতে আরো বিস্তার লাভ করবে।  সেনাবাহিনী সব সময় দেশের আইন-শৃঙ্খলা সহ এলাকায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায়  রাখা ও জনসাধারণের উন্নয়নে ব্যাপক কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সেনা জোন গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের আর্থিক সাহায্য দিয়ে থাকে, এ ধারা অব্যাহত থাকবে।