রোয়াংছড়িতে কলেজ নির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন ও মহা সাংগ্রাইং সমাপনী অনুষ্ঠিত

Wzyyy copy

রোয়াংছড়ি প্রতিনিধি:

বান্দরবানে রোয়াংছড়িতে দুই কোটি টাকা ব্যয়ের প্রকল্পে রোয়াংছড়ি কলেজের সংযোগ সড়ক, ভূমি উন্নয়ন, একাডেমি ভবন, শ্রেণি কক্ষ ও ছাত্রবাস নির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি। এরপরে মহা সাংগ্রাইং সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন। উৎসাহ উদ্দীপনায় ও উৎসব মুখর পরিবেশের শেষ হয়েছে।

মহা সাংগ্রাইং পোয়ে ছিল ঐতিহ্যবাহী পিঠা তৈরি, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মারমা, তঞ্চঙ্গ্যা, বম, খেয়াং, খুমি, ম্রো সাংস্কৃতিক নাচ, গান, হরেক রকম খেলাধুলা ইত্যাদি। বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, বান্দরবান জেলা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ইনস্টিটিউট সহযোগিতায় ও রোয়াংছড়ি উৎসব উদযাপন কমিটির উদ্যোগে মহা সাংগ্রাইং ৫ দিনব্যাপী আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী প্রধান অতিথি বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপির বক্তব্যে বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে এটা একটা শান্তি চুক্তি ফলপ্রসূ। বাঙালী, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান যার যার ধর্ম শান্তি ও নিরপেক্ষভাবে ধর্মীয় উৎসব পালন করে যাচ্ছে। সম্প্রীতি মানুষ হিসেবে এতে কোন বাঁধা নেই।

মহা সাংগ্রাইং উৎসবকে ঘিরে জেলার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ইনস্টিটিউট সহযোগিতায় রোয়াংছড়িতে এ প্রথম লোকজ মেলা হিসেবে বিভিন্ন সাম্প্রদায়িক সংস্কৃতির আত্মপ্রকাশ তুলে ধরা হচ্ছে। তা না হলে পুরানো সংস্কৃতিকগুলো হারিয়ে যেতে উপক্রম হয়ে পড়েছিল। যেসব মারমাদের সংস্কৃতিতে ছিল ওই সব ধীরে ধীরে বিলুপ্তির পথে যাচ্ছে। এ ধরণের অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে বিলুপ্ত হওয়া সংস্কৃতিগুলো ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন বলেও মনে করেন।

তিনি আরও বলেন, ছেলে-মেয়েরা লেখা পড়ার পাশাপাশি ওই সব নিজ নিজ সংস্কৃতিগুলোকে জানতে হবে। শুধু তাই নয় নিজেকে সম্মান পেতে হলে অন্যকে সম্মান করতে হবে। জাতিগোষ্ঠীকে টিকিয়ে রাখতে হলে এ সংস্কৃতিগুলো সকলেরই জানা দরকার। সকালে আয়োজিত দিনব্যাপী মহা সাংগ্রাইং সমাপনী অনুষ্ঠানের ৩৩৮নং রোয়াংছড়ি মৌজা হেডম্যান চসিংপ্রু মারমার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ,পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. অংশৈপ্রু মারমা, পরিবার পরিকল্পনা উপপরিচালক ডা. অংচালু, বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হ্লাথোয়াইহ্রী মারমা, জেলা পরিষদ সদস্য ক্যসাপ্রু মারমা, জেলা পরিষদ সদস্য কাঞ্চন জয় তঞ্চঙ্গ্যান, জেলা পরিষদ সদস্য সিংয়ইম্রো, বান্দরবান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হারুন অর রশিদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অনির্বাণ চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান ইউনিটের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আব্দুল আজিজ, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ইনস্টিটিউটর পরিচালক মংনুচিং মারমা,পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কাজল কান্তি দাশ, উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাউসাং মারমা, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান ক্যসাইনু মারমা, রোয়াংছড়ি নির্বাহী অফিসার মো. দাউদ হোসেন চৌধুরী, সাইংগ্রাইং পোয়ে উদযাপন আহ্বায়ক কমিটি সভাপতি ও রোয়াংছড়ি সদর ইউপির চেয়ারম্যান চহ্লামং মারমা, রোয়াংছড়ি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ওমর আলীর (ওসি)।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, তারাছা ইউপির চেয়ারম্যান উথোয়াইচিং মারমা, নোয়াপতং ইউপির চেয়ারম্যান ভারপ্রাপ্ত উবাপ্রু মারমা, রোয়াংছড়ি যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পুলুপ্রু মারমা, ত্রাণ ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তর্পন দেয়ান প্রমুখ।

এতে উপজেলা আওয়ামী লীগের অঙ্গসহযোগী সংগঠনে নেতৃবৃন্দে ও বিভিন্ন গ্রাম থেকে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানে হাজারো মানুষ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের শেষে খেলাধুলা বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ ও মৈত্রী পানি বর্ষনের ফিতা কেটে উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপির।




রোয়াংছড়িতে দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ কমিটির উদ্যোগে সাংগ্রাইং উদযাপন

Rowangchari pic -14.04.17
রোয়াংছড়ি প্রতিনিধি :
রোয়াংছড়ি উপজেলায় দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত সাংগ্রাইং ও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে রোয়াংছড়িতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে রোয়াংছড়ি বাজার প্রাঙ্গনে পথ সভায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৫ দিনব্যাপি সাইংগ্রাইং ও পহেলা বৈশাখ অনুষ্ঠানে ঐতিহ্যবাহি দিনের তাৎপর্যর তুলে ধরে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হয়। শুক্রবার সকাল অনুষ্ঠিত শোভাযাত্রা ও পথ সভায় দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ কমিটি সদস্য সচিব উথোয়াই মারমার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন শিক্ষক চচিংঅং মারমা, সমাজ সেবক উসাইংনু মারমাসহ আরো অনেকে।

এসময় অনুষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রী, যুবক-যুবতী ও সুশীল সামাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।




রোয়াংছড়িতে ৫ দিনব্যাপী সাংগ্রাইং ও ১লা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা

Rowangchari pic -13.04

রোয়াংছড়ি প্রতিনিধি:

বান্দরবানে রোয়াংছড়ি উপজেলায় ১নং রোয়াংছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও  মহা সাংগ্রাইং উদযাপন কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত আহ্ববায়ক কমিটি সভাপতি চহ্লামং মারমার নেতৃত্বে মহা সাইংগ্রাইং ও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে ৫ দিনব্যাপী সাইংগ্রাইং ও পহেলা বৈশাখ অনুষ্ঠান। ১৭ এপ্রিল উদযাপন অনুষ্ঠানের শেষ দিনে বান্দরবান ৩০০নং আসনের সাংসদ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর (উসুইসিং) এমপির উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। ওই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষা উন্নয়নমূলক কাজের রোয়াংছড়িতে নির্দিষ্ট স্থানে রোয়াংছড়ি কলেজ ভবন ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করা হবে বলেও জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার সকালে অনুষ্ঠিত র‌্যালি ও আলোচনা সভায় ইউপির চেয়ারম্যান ও সাংগ্রাইং উদযাপন পরিচালনায় আহ্ববায়ক কমিটি সভাপতি চহ্লামং মারমার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মাউসাং মারমা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান ক্যসাইনু মারমা রোয়াংছড়ি ৩৩১নং মৌজা হেডম্যান চসিংপ্রু মারমা, অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক মংপু মারমা, সংবাদ প্রতিনিধি সাথোয়াইঅং মারমা, ত্রিপুরা কল্যাণ সংগঠনের সভাপতি ধিরেন ত্রিপুরা, আব্দুর রহিম সোহান প্রমুখ।

Rowangchari pic 13.04

এ সময় সভায় বক্তারা বলেন, মহা সাইংগ্রাইং ও পহেলা বৈশাখ একই দিনের হওয়ায় অত্যন্ত আনন্দ উপভোগ করছি। এ দিনকে উপলক্ষ করে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সাথে মিলে নববর্ষ বরণ করে নেওয়া একটা আলাদা আনন্দ। মহা সাংগ্রাইং উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী পিঠা তৈরি, মৈত্রী পানি বর্ষণ, খেলাধূলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মারমা সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর নাচ পরিবেশন করা হয়। পুরানো বছর বিদায় এবং নতুন বছর বরণ করা তার পাশাপাশি ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও পালন করা হয়। কারো সাথে বিদায় বছরে মনোমালিন্য থাকতে পারে সব কিছুই ভুলে সকলের সাথে হাতে হাত মিলে, কাঁধে কাঁধ মিলে পরস্পরের সহযোগিতার মাধ্যমে এগিয়ে পথ চলার আহ্বান জানান বক্তারা। এসময় অনুষ্ঠানে ধর্ম প্রাণ নর-নারী ও সুশীল সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।




রোয়াংছড়িতে ভিজিডি কার্ড কেরে নেওয়ায় মহিলা বিষয়ক অফিস ঘেরাও

Rowangchari pic 11.04

রোয়াংছড়ি প্রতিনিধি:

রোয়াংছড়ি উপজেলা ১নং রোয়াংছড়ি সদর ইউনিয়নে ভিজিডি চাউল উপকার ভোগীদেরকে চাউল বিতরণের সময় উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মো. শামছুর আলম তক্ষণাৎ ইউনিয়ন পরিষদে এসে উপকার ভোগীদের কাছ থেকে কার্ড কেরে নেওয়ায় দেড় শতাধিক উপকার ভোগীরা উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিস ঘেরাও করে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় রোয়াংছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদের এ ঘটনা ঘটে।

রোয়াংছড়ি সদর ইউনিয়নে ৭নং ওয়ার্ড মেম্বার প্রুসানু মারমা জানায়, প্রতি মাসের ন্যায় ভিজিডি চাউল গ্রহণ করতে আসলে আমরা কয়েজন ইউপির সদস্য চাউল বিতরণে ব্যবস্থা করি। আমাদের ব্যস্ততা দেখে ভিজিডি উপকার ভোগীরা স্বস্ব ওয়ার্ডে মেম্বারদের কাছ থেকে সই নিয়ার লক্ষে একজন উপকার ভোগী সহায়তা প্রদানের প্রতিটি উপকার ভোগীদের কাছ থেকে ভিজিডি কার্ডগুলো সংগ্রহ করে দেন। এমন সময় হঠাৎ করে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মো. শামছুর আলম এসে ৩০-৪০টি কার্ড কেরে নেন এবং চেয়ারম্যানের সামনে গিয়ে ৪৫০জন হতদরিদ্র উপকার ভোগীদের ভিজিডি কার্ড বাতিল করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন। ওই মুহূর্তে আমাকে বিভিন্ন ভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেন তিনি।

রোয়াংছড়ি সদর ইউপির ৯নং ওয়ার্ড মেম্বার মেচিংঅং মারমা জানান, আজ বাদে কাল হবে বৌদ্ধ ধর্মাবিলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব এবং পহেলা বৈশাখ সে উপলক্ষে হতদরিদ্র পরিবারে মধ্যে অত্যন্ত জরুরী প্রয়োজন এ চাউল। এমন অবস্থাতে এসে ক্ষমতা অপব্যবহার করে কার্ডগুলো তার অফিসে নিয়ে গেছে। ইতো মধ্যে সকাল হতে উপকার ভোগীরা প্রায় দেড় শতাধিক লোক চাউল নিতে জরো হয়েছে ইউনিয়ন পরিষদে। তাদেরকে চাউল দিতে না পারায় খালি হাতে বাড়ি চলে গেছে।

রোয়াংছড়ি সদর ইউপির চেয়ারম্যান চহ্লামং মারমা জনান, উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসার এসে কোন কারণ ছাড়াই উপকার ভোগীদের কার্ডগুলো তার অফিসে নিয়ে গেছে। এ ব্যাপারে কি হয়েছে তা আমি জানিনা। আমার সাথে কোন কিছু না বলে প্রায় ৪০টা  কার্ড তার অফিসে নিয়ে গেছে। কিছুক্ষণ পর আবার পরিষদে পাঠিয়ে দিয়েছে। তিনিও আমাদের পরিষদে এসে ক্ষমা চেয়েছে। তবুও আমরা চাউলগুলো বিতরণ করব না। উপজেলা পরিষদের ইউএনও সহ আলোচনা ও সিদ্ধান্তের মাধ্যমে পরবর্তীতে চাউলগুলো বিতরণ করা হবে।

উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসার মো. শামছুর আলম তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ভিজিডি চাউল বিতরণে কথা শুনে আমি ওই খানে গিয়ে দেখা যায় সমস্ত ভিজিডি কার্ড ওনার হাতে। তা দেখে আমি জিজ্ঞেস করি তিনি আমাকে কিছু বলতে পারিনি তাই আমি কার্ডগুলো নিয়ে আসি অফিসে। কারণ এটা আইনের পরিপন্থি। একজন পুরুষের হাতে এতগুলো কার্ড থাকার কথা না। এটা আমার অধিদপ্তর থেকে ইস্যু করা হয়েছে।  এ নিয়ম নীতি আমার জানা আছে আমি এ কার্ডগুলো খোঁজ নিয়েছি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. দাউদ হোসেন জানান, এব্যাপারে তিনি জানেন না যদি এমন ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে যাচাই করে দেখতে হবে।




রোয়াংছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যানকে অপসারণের নিন্দা জানিয়েছে জেএসএস

Untitled-1 copy

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় কর্তৃক বান্দরবান পার্বত্য জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যবামং মারমাকে রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ হতে অপসারণ করে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাউসাং মারমাকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেয়ার ঘটনায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির তথ্য ও প্রচার সম্পাদক মঙ্গল কুমার চাকমার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে,  স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের (উপজেলা-২ শাখা) সিনিয়র সহকারী সচিব লুৎফর নাহারের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের (নং ৪৬.০৪৫.০২৭.০৮.১০৪. ১০৪.২০১৬-২৮৯ তারিখ ২২ মার্চ ২০১৭ মূলে) মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮ [উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন, ২০১১ দ্বারা সংশোধিত] এর ১৩(১)(ক) ও ১৩(১)(গ) ধারায় অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে ক্যবামং মারমাকে অপসারণ করা হয় বলেও উল্লেখ করা হয়।

ক্যবামং মারমার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণ সাজানো ও ষড়যন্ত্রমূলক উল্লেখ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির বান্দরবান জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ক্যবামং মারমাকে রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণের হীনউদ্দেশ্যে সরকারের একটি বিশেষ মহলের ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ক্যবামং মারমার বিরুদ্ধে অপহরণ, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ইত্যাদি মিথ্যা অভিযোগ এনে একের পর এক সাজানো মামলা দায়ের করা হয় বলেও দাবি করা হয়েছে বিবৃতিতে।

আরও জানানো হয়, একটি মামলায় জামিন লাভের পর আরেকটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে ক্যবামং মারমাকে তার রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে বাধাগ্রস্ত করা হয়। ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতাসীনদের একটি বিশেষ মহল কর্তৃক জনগণের ভোটে নির্বাচিত ক্যবামং মারমাকে রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে এভাবে অপসারণ করা অগণতান্ত্রিক। ক্ষমতার জোরে ও অগণতান্ত্রিক পন্থায় নির্বাচিত একজন চেয়ারম্যানকে সরকারি আদেশের মাধ্যমে অপসারণ করার ঘটনা দেশের গণতন্ত্র ও জনগণের রায়কে বৃদ্ধাঙ্গুলী প্রদর্শনের শামিল বলেও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি মনে করে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি বিবৃতিতে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে অগণতান্ত্রিক উপায়ে ক্যবামং মারমাকে রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণের আদেশ দেশের গণতন্ত্র, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও রোয়াংছড়ি উপজেলাবাসীর সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে অচিরেই বাতিল করে ক্যবামং মারমাকে রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে পুনর্বহালের দাবি জানায়।




পারস্পরিক আস্থা অর্জনে রোয়াংছড়িতে তথ্য অবহিতকরণ সভা

DSC02278 copy

রোয়াংছড়ি প্রতিনিধি:

পার্বত্য চট্টগ্রামে সম্প্রদায় ও প্রতিষ্ঠানে ক্ষমতায়নের মাধ্যমে পারস্পরিক আস্থা অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ইন্টারপ্রাইজ ইন্সটিটিউট ও আনন্দ সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত তথ্য অবহিতকরণ সভা রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদ হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার সাড়ে ১১টায় অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত ও  বিএন ভাইস প্রেসিডেন্ট হুমায়ুন কবির’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের নির্বাহী অফিসার মো. দাউদ হোসেন চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদের পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান ক্যসাইনু মারমা (লুছোঅং), তারাছা ইউপির চেয়ারম্যান উথোয়াইচিং মারমা, আলেক্ষ্যং ইউপির চেয়ারম্যান বিশ্বনাথ তঞ্চঙ্গ্যা, রোয়াংছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ মো. ওমর আলী প্রমুখ।

এতে প্রধান অতিথি নির্বাহী অফিসার দাউদ হোসেন চৌধুরী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও পাহাড়ি এলাকার শান্তিতে বসবাসের উপযোগী না হয়ে হুমকির মুখে পড়েছে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের উৎপাতের কারণে। নিরবে চলছে চাঁদাবাজি। আর এ নিয়ে সৃষ্টি হচ্ছে অরাজকতা। জনগণের সমক্ষমতায়ন করতে গেলে সরকারি চাকরি জীবীদের মতই সামাজিক প্রথাগত হেডম্যান ও কারবারীদের বেতন-ভাতা বাড়িয়ে বদলি সংক্রান্ত ব্যবস্থা করা প্রয়োজন বলেও মনে করেন।

থানা অফিসার ইনচার্জ মো. ওমর আলী বলেন, সমতল এলাকায় সুবিধা আছে কিন্তু পাহাড় এলাকায় তেমন কোন সুযোগ সবিধা নেই। তার মধ্যে কৃষকদের যা ফসল ফলাই তা নায্যমূল্যে কেনা বেচা করতে অসুবিধা হচ্ছে। পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের নিরীহ জনগণের থেকে নীরবে চাঁদা আদায় করে চলেছে। কৃষি পণ্য উৎপাদন হলেও কোন ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না। নিয়মিত পণ্য ক্রেতাদের না আসায় বিভিন্ন সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে পাহাড়ি কৃষককেরা। পার্বত্য শান্তি চুক্তি হলেও অশান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।

পাহাড়ের আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলের সাথে সরকার প্রতিনিধিরা উভয় পক্ষে মিলে সুবিধা মত কাজ করলে পাহাড়ের অশান্তিগুলো দূর হবে বলেও মনে করেন ওমর আলী। এসময় হেডম্যান, কারবারী, মেম্বার ও সুশীল সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন ।




রোয়াংছড়িতে পাথর ভর্তি ট্রাক আটক

Rowangchari pic 27.03.17
রোয়াংছড়ি প্রতিনিধি:
বান্দরবানে রোয়াংছড়িতে আলেক্ষ্যং ইউনিয়নে জামাচন্দ্র পাড়া এলাকা থেকে পাথর ভাঙ্গা মেশিনসহ পাথর ভর্তি ট্রাক আটক করেছে ডিবি পুলিশ।

সূত্র জানায়, দীর্ঘ দিন ধরে মো. বশর অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করে আসছিল। গোপন সংবাদ ভিত্তিতে বান্দরবানে ডিবি পুলিশ এসআই আব্দুল মোতালেব সরকার নেতৃত্বে একদল ডিবি পুলিশ গিয়ে আটক করা হয়েছে।

রোয়াংছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ মো. ওমর আলী জানান, প্রায় সকাল সাড়ে ১০টায় দিকে জামা চন্দ্র পাড়ায় এলাকার পাথর উত্তোলন করা কথা শুনে বান্দরবান থেকে একদল ডিবি পুলিশ এসে পাথর ভাঙ্গা মেশিন ও পাথর ভর্তি ট্রাককের আটক করা হয়েছে। আটকের পর মেসিংসহ পাথর বোঝার ট্রাককে থানা নিয়ে আসা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, পাথর উত্তোলনকারীদের নামে মামলা দায়ের করেছে ডিবি পুলিশ। আসামিরা হলেন মো. জাকের হোসেন বাহাদুর (২৯) পিতা নূরমাহম্মদ কক্সবাজার, মো. বশর (৫০) পিতা আব্দুল সামাদ ৮নং ওয়ার্ড হাফেজ ঘুনা বান্দরবান সদর এবং ভূষণ জয় তঞ্চঙ্গ্যা (২৫) পিতা প্রতিজয় তঞ্চঙ্গ্যা সাং বিজয় পাড়া, আলেক্ষ্যং ইউনিয়ন।




রোয়াংছড়িতে গণহত্যা দিবস পালিত

Rowamgchari pic 25.03

রোয়াংছড়ি প্রনিতিধি :

বান্দরবানে রোয়াংছড়ি উপজেলায় আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সারা দেশের ন্যায় ২৫শে মার্চকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হোক এ স্লোগানকে সামনে রেখে দিবসটি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা রোয়াংছড়ি বাজারস্থ মাল্টিপারপাস প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত গণহত্যা দিবসের আলোচনা সভায় উপজেলায় আওয়ামী লীগের সভাপতি ও দৈনিক যুগান্তর প্রতিনিধি চহ্লামং মারমার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যন ও বান্দরবান জেলার আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হ্লাথোয়াইহ্রী মারমা।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও এমপির প্রতিনিধি নেইতংবইতিং বম।

সভায় বক্তারা বলেন গণহত্যা দিবস একটি ঐতিহাসিক দিবস। এ দিবসটি আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে স্বীকৃতি চাই। ঐতিহাসিক এ দিনটি হাজার হাজার মানুষের রক্তে মিশিয়ে আছে। ২৫শে মার্চ রাতে গণহত্যাকারীদের সুষ্ঠ বিচার হওয়ার প্রয়োজন বলেও মনে করেন বক্তারা।

এ সময় দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা, ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড থেকে আওয়ামী লীগ সহযোগী সংগঠনে নেতা কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।




রোয়াংছড়ি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণ

oooo copy

রোয়াংছড়ি প্রতিনিধি:

বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়োজিত বার্ষিক ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান রোয়াংছড়ি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেবব্রত চাকমার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. দাউদ হোসেন চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান ক্যসাইনু মারমা (লুছোঅং), রোয়াংছড়ি সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান অংশৈমং মারমা, সিনিয়র সহকারী শিক্ষক বোধিচন্দ্র তঞ্চঙ্গ্যা, উপজেলা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরে প্রোগ্রামার রাশেদুল আলম প্রমুখ।

সোমবার থেকে শুরু করে দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্যে নির্বাহী কর্মকর্তা মো, দাউদ হোসেন চৌধুরী বলেন, বিদ্যালয়ের ধারাবাহিকতায় অনুষ্ঠানে আয়োজনে মাধ্যমে লেখা পড়ায় পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীদের বিনোদনের প্রয়োজন বলেও মনে করেন।

তিনি আরও বলেন বিদ্যালয়ের খেলা ধুলা সুবিধার্থে মাঠে মাটি ভরাট ও সংস্কার কাজসহ অন্যান্য সামগ্রী বিতরণ করা হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সকল শিক্ষার্থীরা সর্বোচ্চ জ্ঞানার্জনের লক্ষে তথ্য ও প্রযুক্তি শেখ রাসেল ল্যাবের মধ্য দিয়ে শিক্ষা লাভ করা যাবে। শিক্ষা বঞ্চিত জাতির গোষ্ঠীদের শিক্ষা হার বৃদ্ধি করা আশা ব্যক্ত করেন। এ সময় ৫শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবকগণসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গগণ উপস্থিত ও অংশগ্রহণ করেন।




 রোয়াংছড়িতে ভিজিডি কার্ড বিতরণে অনিয়ম

নিজস্ব প্রতিবেদক,বান্দরবান:

বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলার ২নং তারাছা উইনিয়নে ভিজিডি কার্ড বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপকারভোগীদের বিভিন্ন নয় ছয় কথা বলে কার্ড প্রতি ছয়’শ টাকা আদায় করার অভিযোগ উঠেছে।

সূত্র জানায়, সরকারী হিসাব মতে কার্ডধারীদের প্রতিমাসে চাউল বিতরণের বিপরীতে ২০০ টাকা সঞ্চয় নেয়ার কথা। কিন্তু ইউপি সদস্যরা আদায় করেছে ৬০০ টাকা। সে হিসেবে ৪৫০টি ভিজিডি কার্ডে ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা ভিজিডি খাতে অনিয়ম করেছে ২নং তারাছা ইউপি।

ভুক্তভোগীরা জানান, ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোর্শেদ আলম ৬০০ থেকে এক হাজার টাকার বিনিময়ে উপকার ভোগীদের কার্ড বিক্রি করেছেন। আবেদনকারী যারা টাকা দেয়নি তাদের কার্ডও দেয়া হয়নি।

আলীমা বেগম প্রকাশ জোহরার মা জানান, ভিজিডি কার্ড পাওয়ার জন্য সংরক্ষিত ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের মহিলা সদস্যাকে তিনশ টাকাসহ চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে ৫মাস আগে আবেদন জমা দিয়েছি।  টাকা কম হওয়ায় এখনো পর্যন্ত কার্ড দেয়নি।

ইউপি সদস্য মোর্শেদ আলম জানান, নাম নিবন্ধন ও বিভিন্ন খরচ বাবদ ৬০০ টাকা নেয়া হয়েছে।

চেয়ারম্যান উথোয়াই চিং মার্মা জানান, ৬০০ টাকা নেয়ার বিষয়টি আমি জানতাম না, এখন জেনেছি।

রোয়াংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার দাউদ হোসেন চৌধুরী জানান, ভিজিডি কার্ডের সঞ্চয় বাবদ ২০০ টাকা নেয়া যাবে। অতিরিক্ত নেয়ার সুযোগ নাই। আদায় করলে তা আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।