রামুতে সমাজসেবা আইসিটি এন্ড কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের সনদপত্র বিতরণ

রামু প্রতিনিধি:

রামু উপজেলা সমাজসেবা আইসিটি এন্ড কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।রামু উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে বৃহস্পতিবার (১৪ই ডিসেম্বর) রামু উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহা. শাজাহান আলি। প্রধান অতিথি ছিলেন রামু উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলম। এ সময় আইসিটি সেন্টারের প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করা শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহা. শাজাহান আলি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নে বহুদুর এগিয়েছে। এ অগ্রযাত্রার ধারা অব্যাহত রাখতে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে কম্পিউটার শিক্ষার বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যমাত্রা পূরণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তির শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ গঠনে যুব সমাজকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ভাইস চেয়ারম্যান আলী হোসেন কোম্পানী, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মুজাহিদুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা. আব্দুল মন্নান, একাডেমিক সুপারভাইজার মো. তৈয়ব, উপজেলা শিক্ষা অফিসার আঞ্জুমান আরা বেগম, কৃষি কর্মকর্তা আবু মাসুদ ছিদ্দিকী, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শিরীন ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী এলজিইডি আলাউদ্দিন খান, আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা আরজিনা আকতার প্রমুখ।




রামুর মুনিরুল ইসলামের দু’টি কিডনি অকার্যকর, সাহায্যের আবেদন

রামু প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের লম্বরী পাড়া গ্রামের জাফর আলম সওদাগরের সন্তান মুনিরুল ইসলামের দুটি কিডনিই অকার্যকর হয়ে গেছে। মুনিরুল এলাকায় পরিশ্রমী ও ধার্মিক লোক হিসেবে পরিচিত।

বিশেষ করে গ্রামের কোন মানুষের মৃত্যু হলেই কবর খননের জন্য সবার আগে ছুটে যেতেন তিনি। ৩৭ বছরের মুনিরুল ইসলাম তার পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি। তার চার বছরের এটি ছেলে ও পাঁচ মাসের একটি মেয়ে রয়েছে।

মুনিরুলের নিকটাত্মীয় লম্বরী পাড়া দারুল কুরআন নুরানী একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা হাফেজ মুহাম্মদ আবুল মঞ্জুর জানান, পরিশ্রমী যুবক মুনিরুল ইসলাম অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ডাক্তারের কাছে নেয়া হয়। বিশেষজ্ঞ ডাক্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানায় তার দু’টি কিডনিই অকার্যকর হয়ে পড়েছে। তার অসুস্থতায় সংসার চালানো ও চিকিৎসার ব্যয়ভার চালানো কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অসুস্থ মুনিরুল তার শিশু সন্তানদের জন্য বাঁচতে চায়। বাঁচার জন্য সে সকলের কাছে মানবিক সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন। সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা ও যোগাযোগ, হিসাব নং ১২৮০৭-রূপালী ব্যাংক রামু শাখা। মোবাইল নং -০১৮৪৩২৬৭২৭৪।




রামুতে বেগম রোকেয়া দিবসে সংবর্ধিত ৫ জয়িতা

রামু প্রতিনিধি:

রামুতে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধপক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস অনুষ্ঠানে ৫জন জয়িতাকে সংবর্ধিত করা হয়েছে।

সংবর্ধিতরা হলেন, সফল জননী রুকুম রাবেয়া, শিক্ষা ও চাকরির ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী ডা. রোমেনা হোছাইন, নারী নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যোমে জীবন অর্জনকারী জ্যোতি ধর, সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদানের জন্য নিরদা বড়ুয়া ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী প্রমিতা বড়ুয়া।

শনিবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় রামু উপজেলা পরিষদ কেন্দ্রিয় শহীদ মিনার চত্বরে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল।

তিনি বলেন, নারীরা এগিয়ে গেলেই দেশ এগিয়ে যাবে। নারীরা এখন সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে অবদান রেখে চলেছে। সরকার নারীদের কল্যাণে বিভিন্ন উন্নয়নমুখি কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করছে।

রামু উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর আয়োজিত অনুষ্ঠানে জয়িতা অন্বেষনে বাংলাদেশ কার্যক্রমের আওতায় ৫ জয়িতা বাংলার নারীকে ক্রেস্ট ও সনদপত্র দিয়ে সংবর্ধিত করা হয়।

অনুষ্ঠানে মূখ্য আলোচক ছিলেন, রামু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলম। তিনি বলেন, সরকার নারীবান্ধব এবং নারী ক্ষমতায়নে কাজ করছে। যার ফলে নারীরা সফলভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। নারী পুরুষের বৈষম্যহীন সমতা ভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে বেগম রোকেয়ার অবদান জীবনাদর্শ ও কর্ম আমাদের নারী সমাজের অগ্রযাত্রায় প্রেরণা যোগাবে।

রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাহাজান আলির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন রামু উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শিরিন ইসলাম। অনুষ্ঠানে রামু উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলী হোসেন, ওসি (তদন্ত) মিজানুর রহমান, প্রবীন আওয়ামী লীগ নেতা মাস্টার ফরিদ আহমদ, নুরুল হক, ফতেখাঁরকুল ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম, গর্জনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম, রাজারকুল ইউপি চেয়ারম্যান মুফিজুর রহমান, ঈদগড় ইউপি চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমদ ভূট্টো, রামু উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক তপন মল্লিক, আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ মো. আবদুস শুক্কুর, উপ-সহকারী প্রকৌশলী আলা উদ্দিন খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ সর্বস্তুরের হাজারো নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।




শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ এলাকার উন্নয়নে সেই সন্তু-অংথোয়াইচিং‘র নাম গন্ধ নেই: একেএম জাহাঙ্গীর

রুমা প্রতিনিধি:

পার্বত্য চট্টগ্রাম তথা বান্দরবানের শিক্ষাসহ সর্বক্ষেত্রে উন্নয়নের অগ্রগতির কোথাও কোনো সরকারের আমলেই  লক্ষ্য করা যায়নি। যে কোনো সময়ের অপেক্ষা এই আওয়ামী লীগ সরকার দেশে উন্নয়ন করেছে।  কিন্তু যে দল পার্বত্য শান্তি চুক্তির বিরোধিতা করে কালো পতাকা উত্তোলণ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছিল, সে মাম্যাচিং এর সাথে এককাতারে রয়েছে এখন জনসংহতি সমিতি।

তাদের এসব  নীতিচ্যুতি দেখে হাসি পায়। তাদের নীতি দেখে আমরা প্রায় সময় হাসি। সোমবার দুপুরে রুমা সদর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে আওয়ামী লীগের রুমা সদর ইউপি শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলণে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বান্দররবান জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি একেএম জাহাঙ্গীর এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথি একেএম জাহাঙ্গীর বলেন শান্তি-শৃঙ্খলাসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কলেজ, রাস্তা, কিয়াং-গীর্জা, মন্দির-মসজিদ উন্নয়নের থাতা ঘাটলে সর্ব প্রথম সামনে আসে- পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুরের নাম। উন্নয়নের বীর বাহাদুর ছাড়া অন্য কারোর নাম খুঁজলেও পাবেনা। যে যত বলুক, জনসংহতি সমিতির সেই সন্তু লারমা ও রুমা উপজেলা চেয়ারম্যান অংথোয়াইচিং মারমা‘র এলাকার উন্নয়ন কর্মকান্ডে তাদের নাম-গন্ধ নেই। ভবিষ্যতেও তারা উন্নয়নের ভূমিকা রাখতে পারবেনা। এ বিষয়টি এলাকার মানুষকে বুঝতে হবে।

তিনি আরো বলেন বিভিন্ন সময়ে অনেক নেতা কর্মী আওয়ামী লীগের যোগদানের কথা উল্লেখ করে বলেন তাদের ভুলত্রুটি বুঝতে পেরেছে। তাই ভুল স্বীকার করে অনেক আওয়ামী লীগে এসে জাতির স্বার্থে কাজ করছে। কিন্তু সেই দৃষ্টান্ত জনসংহতি সমিতির নেই। থাকবেও না।

একেএম জাহাঙ্গীর দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, রুমায় অনেক নেতা কর্মীকে দেখা যায়। যে কিনা মন্ত্রী বা জেলা নেতৃবৃন্দ আসলে সামনে এসে অনেক কিছু কল্পকাহিনী বানিয়ে বক্তৃতা দিতে চায়। তারপর সভা-সমাবেশ শেষ হলে তাদের আর খুঁজে পাওয়া যায়না। এসব কর্মী আওয়ামী নীতিতে নেই। তাই যারা নিষ্ঠার সাখে কাজ করবে তাদের নতুন কমিটি নির্বাচিত করতে স্থানীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

সদর ইউপি শাখার আওয়ামী লীগের সভাপতি কিরণ কান্তি দে‘র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ত্রি-বার্ষিক সম্মেলণে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন জেলা পষিদের সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক লক্ষী পদ দাশ, রোয়াংছড়ি উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান হ্লাথোয়াইহ্রী মারমা, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অজিত দাশ, রুমা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও জেলা পরিষদের সদস্য জুয়েল বম, জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক মংহৈৃচিং মারমা, রুমা আওয়ামী লীগের সভাপতি উহ্লাচিং মারমা, সাধারণ সম্পাদক সাংপুই বম ও মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জিংএংময় বম ও পাইন্দু ইউপি চেয়ারম্যান উহ্লামং মারমা প্রমুখ।

এছাড়াও উপজেলা আওয়ামী লীগের দিলীপ দাশ, মীর নাছির উল্লাহ, আবু সিদ্দিক, যুবলগের চাইশৈহ্লা মারমা ও যুবলীগের সাবেক সভাপতি উজ্জল ধর। উপস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেন রুমা সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শৈমং মারমা শৈবং।

পরে সদর ইউপি শাখার আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি কিরণ কান্তি দাশকে পুণরায় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক পদে থোয়াইনুচিং মারমা ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নাইলিয়ান বমকে মনোনীত করে ৬৫সদস্য বিশিষ্ট সদর ইউপি শাখা কমিটি ঘোষণা করে সবাইকে পরিচয় করিয়ে দেন প্রথান অতিথি একেএম জাহাঙ্গীর।




বান্দরবানে নিখোঁজ দুই পর্যটক উদ্ধার

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবানের রুমায় উপজেলা নিখোঁজ দুই পর্যটকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাদেরকে উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি রুমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার বিকেলে উপজেলার তিন পাসাইতার ঝর্ণায় ছবি তুলতে গিয়ে নিখোঁজ হন ফটোগ্রাফার শহিদুল ইসলাম (৩০) এবং কাপ্তাই সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে কমরত হোজগাতুন বনি (৩২)। রাতে গাছের সাথে আটকে থাকা দু-পর্যটককে সেনা বাহিনী ও স্থানীয়রা উদ্ধার করে।

ইউএনও শরিফুল ইসলাম বলেন, তিন পাসাইতার ঝর্ণা দুর্গম হওয়ায় ওইখানে পর্যটক যাওয়া নিষেধ রয়েছে। কিন্তু ছয় পর্যটক নিষেধ অমান্য করে অন্য উপজেলার ছড়ার মাধ্যমে ওই এলাকায় যায়। বিকেলে ছবি তুলতে গিয়ে দুজন  স্রোতে ভেসে যায়।




বান্দরবানে তিনপা সাইতারে ঝর্ণার পানিতে ২ পর্যটক নিখোঁজ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:
বান্দরবানের রুমায় তিনপা সাইতারে ঝর্ণায় বেড়াতে গিয়ে ২ পর্যটক নিখোঁজ হয়েছে। সোমবার বিকালে ঝর্ণায় নামলে স্রোতের টানে তারা নিখোঁজ হন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, রোয়াংছড়ি উপজেলার ভিতর দিয়ে একজন গাইডকে নিয়ে পাইন্দু ইউনিয়নের দর্শণীয় স্থান তিনপা সাইতারে ঝর্ণায় বেড়াতে যান ৭ জনের একটি পর্যটক দল। ঝর্ণায় ছবি তুলতে পা পিছলে গিয়ে এসময় স্রোতের টানে ভেসে যায় ২ জন পর্যটক।

তারা হলেন চট্টগ্রামের ফটোগ্রাফার শহিদুল ইসলাম(২৭) ও আইটি বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ হোজগাতুন গণি(৩৬)।

নিখোঁজের পর সফরসঙ্গী ও শুক্রামনি পাড়াবাসীদের নিয়ে ঝর্ণায় অনেক খোজাখুজির পর তাদের সন্ধান পায়নি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলের দিকে রওনা দিয়েছেন পুলিশ ও আইনশৃঙ্খখলা বাহিনী।

প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে ফায়ার সার্ভিসের ডুবরী দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্য রওনা দিবে। স্থানীয়দের সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করবে।

জানা গেছে গতকাল রোববার বিকালে সাতজনের একটি পর্যটক দল রোয়াংছড়ি উপজেলা সদরে সেনা ক্যাম্পে জানিয়ে পর্যটন স্থান তিনাপ সাইতার’ উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। পথে রনিন পাড়ায় রাত কেটে পরদিন সোমবার(০৪-০৯-২০১৭) দুপুরে পর্যটন স্পট ”তিনাপ সাইতারে” পৌঁছান।সেখানে সময় কাটান তারা।

বিকেল তিনটার দিকে সাতার কাটতে গিয়ে শ্রোতের তোড়ে ভেসে যায় দুইজন।তাদের অনেক খোঁজাখুজি করে না পেয়ে গাইডসহ বাকী ছয়জন পার্শ্ববতী শুক্রমনি পাড়ায় অবস্থান করছে এখন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মুহাম্মদ শরিফুল ইসলাম পার্বত্যনিউজকে জানান কাল নিখোঁজ দুইজনকে উদ্ধার করতে কাল(০৫-০৯-২০১৭) ভোরে চট্টগ্রাম থেকে ডুবরিসহ ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম আসবেন।

পর্যটক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নূর হোসেন বলেন, রুমা উপজেলা সদর থেকে আমরা ৭ জন থিনাপ ঝর্ণা দেখতে যায়। বিকালে ঝর্ণার পানিতে নামার পর ২ জনের পা পিছলে স্রোতের পানিতে ভেসে গিয়ে নিখোঁজ রয়েছেন।

রুমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শরীফুল ইসলাম জানান, দুর্গমাঞ্চল ও রাত হওয়ায় নিখোঁজ দু-পর্যটকের উদ্ধার অভিযান চালানো যাচ্ছেনা। সকালে ঘটনাস্থল’সহ আশপাশে অভিযান চালানো হবে।


আপডেইট

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা গেছে, পর্যটক ২ জন শেষ পর্যন্ত গতরাতেই উদ্ধার করা হয়েছে বলে আমাদের স্থানীয় প্রতিবেদক টেলিফোনে নিশ্চিত করেছেন।




রুমা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে বাল্য বিবাহ বন্ধ

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবানের রুমা উপজেলায় ২নং ইউনিয়নে মুসলিম পাড়ায় বাসিন্দা আব্দুল সোবহান তার ১৩ বছর বয়সী ৭ম শ্রেণি পড়ুয়া কন্যাকে কক্সবাজার জেলার চকরিয়ায় বড়ইতলি ইউনিয়নের মুসন্নিয়া গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ জাফর আহমেদের ছেলে সোহেল উদ্দিন (২৩) এর সাথে বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল বৃহস্পতিবার।

রাত ৮টার দিকে নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে ২নং রুমা সদর ইউপি চেয়ারম্যান শৈমং মারমা ও থানার এস আই আবুল হোসেন নেতৃত্বে বিয়ের আসরে উপস্থিত হয়ে বাল্য বিবাহটি বন্ধ করা হয়।

ইউপি চেয়ারম্যান শৈমং মারমা জানান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মাদ শরিফুল হক এক স্কুল ছাত্রীর বাল্য বিবাহ অনুষ্ঠান আয়োজনের কথা জানিয়ে আমাকে মুসলিম পাড়া ডেকে পাঠান। আমি পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মেয়েটি নাবালিকা নিশ্চিত হয়ে বিবাহের আয়োন বন্ধ করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশনা মোতাবেক অভিবাবকদের মুচলেকা নিয়ে বাল্য বিবাহ বন্ধ করা হয়। তিনি আরও জানান, অভিভাবক জোর করে তার মেয়েকে বিয়ে দিতে চাচ্ছেন, এমন কথা ওই স্কুল ছাত্রীরা তাকে বলেছেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ শরিফুল হক জানান সোর্সের মাধ্যমে বাল্য বিবাহের আয়োজনের কথা জানার পর সদর ইউপি চেয়ারম্যান জনাব শৈমং মারমা, থানার অফিসার ইনচার্জ ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। দরিদ্র-গরিব অভিভাবকের উভয় পক্ষ থেকে শাবালক-বালিকা হবার আগে কোনো বিয়ে দেবেন না এমন মুচলেকা নিয়ে প্রথমবার হিসেবে বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে পরামর্শ দেয়া হয়।

অনেকের মুখে আর চায়ের কাপে আড্ডায় বিষয়টি উঠে আসে এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ শরিফুল হককে প্রসংশা করেন এলাকাবাসী।




রুমার সাথে সড়ক যোগাযোগ আবারও বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

ভারি বর্ষণে পাহাড় ধসে বান্দরবানের সাথে রুমা উপজেলার সড়ক যোগাযোগ আবারো বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার সকাল থেকে সড়কের দলিয়ান পাড়ার অদুরে ভাঙ্গার মুখ এলাকায় আবারও পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। ফলে বান্দরবানের সাথে রুমা উপজেলার সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

রুমা উপজেলা পরিবহন মালিক সমিতির লাইনম্যান জাকির হোসেন জানান, দলিয়ান পাড়া এলাকায় পাহাড় ধসের কারণে শনিবার সকাল থেকে সকল ধরনে যানবাহন বন্ধ রয়েছে এবং কোনো যানবাহন রুমা থেকে জেলা সদর ছেড়ে যায়নি। এতে করে মানুষের ভোগান্তি বেড়ে গেছে।

এদিকে ভারি বর্ষণের কারণে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। জেলা প্রশাসন ও পৌর সভার পক্ষ থেকে পাহাড়ের ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস কারীদের আশ্রয়কেন্দ্র ও নিরাপদ স্থানে যাওয়ার জন্য মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ২৩ জুলাই সড়কের ওয়াই জংশ দলিয়ান পাড়া এলাকায় পাহাড় ধসে নারীসহ ৫জন নিহত হয়।




পাহাড় ধসে নিখোঁজের ২০ দিন পর তরুণীর লাশ উদ্ধার


নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান
বান্দরবানের রুমা সড়কের দানিয়াল পাড়ার অদুরে ভাঁঙ্গার মুখ এলাকায় পাহাড় ধসে নিখোঁজ তরুণী উমেচিং মারমা লাশ শুক্রবার মিলেছে ২০ দিন পর।

পাড়া প্রধান মংশৈহ্লা মারমা কার্বারী বলেন, রুমা সড়কে পাহাড় ধসে নিখোঁজ আমার দুই কন্যা’র মধ্য ঘটনার দিন ছোট মেয়ের লাশ পাওয়া যায়। কিন্তু বড় মেয়ের লাশ ২০ দিন পর পাওয়া গেল।

রোয়াংছড়ি থানার অফিসার্স ইনচার্জ ওমর আলী জানান, রোয়াংছড়ির সাঙ্গু নদীর তারাছা মুখ থেকে অর্ধ গলিত নারীর লাশ পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে লাশটি গত ২৩ জুলাই রুমা পাহাড় ধসে নিখোঁজ তরুণী উমেচিং মারমার। লাশটি উদ্ধার করে বান্দরবান হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।




বান্দরবানে পাহাড় ধ্বসে নিখোঁজ জবিউলের লাশ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবানের রুমায় পাহাড় ধ্বসে নিখোঁজ পোস্ট মাষ্টার জবিউলের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার বিকেলে বান্দরবান-রুমা সড়কের দলিয়ানপাড়া এলাকায় পাহাড় ধ্বসের স্থান থেকে প্রায় ৪০০ ফিট নিচে ঝিড়ি থেকে স্থানীয়দের সহায়তায় লাশ উদ্ধারের কথা জানান রোয়াংছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওমর আলী। এ পর্যন্ত জবিউলসহ চারজনের লাশ উদ্ধার করা হল।

রুমা উপজেলার নির্বাহী অফিসার শরীফুল হক ঘটনাস্থল থেকে জানান, লাশটির পরনের পেন্ট ও শরীরের গঠন দেখে পোস্ট মাষ্টার জবিউলের বলে তার সহকর্মীরা চিহ্নিত করেছেন। তার পরিবারের সদস্যরা কুমিল্লা থেকে রওনা হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। আমরা তাদের অপেক্ষায় আছি। লাশ সনাক্ত হলে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

প্রসঙ্গত, ২৩ জুলাই বান্দরবান-রুমা সড়কের দলিয়ান পাড়া এলাকায় পাহাড় ধ্বসে রুমা উপজেলা স্বাস্থ্যকর্মী মুন্নি বড়ুয়া, কৃষি ব্যাংক রুমা শাখার কর্মকর্তা গৌতম কুমার নন্দীসহ চার জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছে বান্দরবানের সাঙ্গু উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী সিং মে চিং মার্মা।