রামুতে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে স্বাগত জানিয়ে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের স্বাগত মিছিল 

ramu pic misil 30.04

রামু প্রতিনিধি:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কক্সবাজার আগমনকে স্বাগত জানিয়ে রামুতে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের স্বাগত মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার সন্ধায় রামু চৌমুহনী স্টেশন চত্বর থেকে শুরু হওয়ায় মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিল শেষে চৌমুহনী চত্বরে আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, রামু উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সাধারণ সম্পাদক তপন মল্লিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর ছিদ্দিক, খুনিয়াপালং ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ বিদ্যুৎ এমইউপি, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আজিজুল হক আজিজ, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ নোমান।

মিছিল ও সমাবেশে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার ফরিদ আহমদ, রামু উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক নীতিশ বড়ুয়া, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ও সাংসদ কমলের একান্ত সচিব মিজানুর রহমান, রামু উপজেলা তাঁতীলীগের সভাপতি নুরুল আলম জিকু, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক আহমদ, রামু উপজেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের আহ্বায়ক মিজানুল হক রাজা, যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদুল হক বাবু, রামু উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা রিয়াজ আহমদ, ইকবাল, ইমরান, জাহেদ, স্বেচ্ছসেবক লীগ নেতা আরিফ খান জয়, ফরহাদ, নাছির, বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ নেতা ইয়াছিন, মঈন আহমদ প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের অগ্রগতি ও উন্নয়নের রুপকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমনকে ঘিরে রামুবাসী আনন্দিত। বর্তমানে জেলায় স্মরণকালে সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চলছে। প্রধানমন্ত্রীর আগমনে এ উন্নয়ন অগ্রযাত্রা আরও বেড়ে যাবে। তাই প্রধানমন্ত্রীর এ আগমন কক্সবাজারবাসীর জন্য মাইলফলক হবে। প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারবাসীকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সেনানিবাস, গভীর সমুদ্র বন্দর, সমুদ্র গবেষনা কেন্ত্র, আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম, মেরিন ড্রাইভ সড়কসহ জেলায় অভূতপূর্ব উন্নয়ন করেছেন। প্রধানমন্ত্রীকে আরও বেশি করে সম্মান জানাতে পারলেই উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত থাকবে।




রামুতে অপহরণের শিকার সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ২০দিনেও উদ্ধার হয়নি

রামু প্রতিনিধি:

রামুতে সপ্তম শ্রেণি পড়ুয়া এক ছাত্রী অপহরণের শিকার হয়েছে। ১১ এপ্রিল এ অপহরণের ঘটনা ঘটে। অপহরণের ২০দিন পরও মেয়ের সন্ধান না পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে বাবা-মা সহ পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় অপহৃত ছাত্রীর বাবা রামু থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।

অপহৃত ছাত্রী (বয়স ১৪ বছর) রামু উপজেলার কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের উখিয়ারঘোনা টিলাপাড়ার বাসিন্দা এবং স্থানীয় সাইমুম সরওয়ার কমল উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত।

থানায় দেয়া এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, রামুর ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের হাইটুপী ভুতপাড়া এলাকার আমির হোছন মনুর ছেলে জসিম উদ্দিন অপহৃত ছাত্রীটিকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু মেয়ের বয়স কম ও ছেলে বখাটে হওয়ায় এ প্রস্তাব প্রত্যাখান করে ছাত্রীর অভিভাবকরা। এরই জের ধরে গত ১৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় জসিম উদ্দিন ও তার সহযোগিরা বসত ভিটে থেকে ছাত্রীটিকে জোরপূর্বক অপহরণ করে নিয়ে যায়।

সাইমুম সরওয়ার কমল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতিকুর রহমান জানিয়েছেন, বিদ্যালয়ে দেয়া তথ্যমতে ওই ছাত্রীর জন্ম তারিখ ১০ জুন ২০০৩ ইং।

কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, অপহৃত ছাত্রীর বাবা থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তির বাবাসহ ২জনকে আটক করে। ৩দিনের মধ্যে ছাত্রীটিকে থানায় হাজির করার শর্তে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। কিন্তু ৩দিনের পরিবর্তে এখন দুই সপ্তাহ পার হলে ছাত্রীটিকে হাজির করা হচ্ছে না। রামু থানার ওসি প্রভাষ চন্দ্র ধর জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।




রামুতে উচ্ছেদ আতঙ্কে উদ্বিগ্ন হাজারো নারী পুরুষ

ramu pic 30.04

রামু প্রতিনিধি:

রামু উপজেলার রাজারকুল ইউনিয়নের দক্ষিণ ঘোনারপাড়া এলাকায় উচ্ছেদ আতঙ্কে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন হাজারো নারী পুরুষ। আতঙ্কিত গ্রামবাসী  রবিবার সকাল দশটায় রামু উপজেলা পরিষদ চত্বরে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে।

সমাবেশ শেষে এলাকার প্রাচীন অধিবাসীদের জনবসতি ও বাস্তুভিটা রক্ষার দাবিতে রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাজাহান আলির কাছে স্বারকলিপি প্রদান করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ইমাম হোসাইন, আবদুল হক ও কলিম উল্লাহ জানিয়েছেন, সম্প্রতি ওই এলাকায় ৫০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের দপ্তর সংলগ্ন জনবসতিপূর্ণ জমিতে বিজিবি কতৃপক্ষ স্থানীয়দের বাড়ি ভিটে পরিমাপ করে সেখানে লাল পতকা পূঁতে দেয়। এ নিয়ে ক্ষোভে ফেঁসে উঠে স্থানীয় জনতা।

এর প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ জনতা উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশে এলাকার ভুক্তভোগী জনসাধারণ তাদের বক্তব্যে বলেন, রাজারকুল ইউনিয়নের ডালারমুখ এলাকায় বন বিভাগ ও খাস জমিতে পূর্ববর্তীগণের মতো হাজারো মানুষ বসতি স্থাপন, ফলজ, বনজ ঔষুধি বৃক্ষের বাগান করে ভোগদখল করে আসছে। সেনানিবাস স্থাপনের কারণে উচ্ছেদ হওয়া পার্শ্ববর্তী গ্রামের বাসিন্দা, নদী ভাঙ্গনের বাস্তুভিটা হারানো অনেক পরিবারও এখানে বসতি স্থাপন করেছে।

২/৩ বছর পূর্বে এখানে বিজিবি ৫০ ব্যাটালিয়ন দপ্তর স্থাপনের ফলে এলাকার গুরুত্ব বেড়ে যাওয়ায় এখানে বসবাসকারী বাসিন্দারা নিজ অর্থায়ণ ও ব্যাংক বা বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা থেকে চড়া সূদে ঋন নিয়ে বাড়ি ভিটে সংস্কার ও পাকা বাড়ি নির্মাণ করেছে। বর্তমানে এখানে মসজিদ, মক্তবসহ দুই শতাধিক বসত বাড়ি রয়েছে। বর্তমানে এখানে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বেসরকারি উদ্যোগে একটি মিনি “বঙ্গবন্ধু মিউজিয়াম” স্থাপনের কাজ প্রক্রিয়াধিন রয়েছে।

বক্তারা আরও বলেন, বিজিবি তাদের বরাদ্ধপ্রাপ্ত জমির চারপাশে সীমানা প্রাচীর স্থাপন করেছে। বিজিবি দপ্তরের পূর্ব ও দক্ষিণ পাশে বিপুল জমি পতিত থাকার পরও অনাকাঙ্খিতভাবে বিভিন্ন মিথ্যা তথ্য দিয়ে জনবসতিপূর্ণ এলাকাটি অধিগ্রহণের চেষ্টা চালাচ্ছে। এ প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন হলে হাজার হাজার নারী-পুরুষ জন্মভূমি ভিটে ছাড়া ও একমাত্র মাথাগুঁজার সম্বল হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়বে। যা প্রজা পীড়ন, মানবাধিকার লংঘন ও নাগরিক অধিকার খর্ব করার সামিল। সমাবেশে আসা হাজারো নারী পুরুষ তাদের সহায়টুকু রক্ষায় সরকারের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের মানবিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সমাবেশ শেষে এলাকার প্রাচীন অধিবাসীদের জনবসতি ও বাস্তুভিটা রক্ষার দাবিতে রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাজাহান আলির কাছে স্বারকলিপি প্রদান করেন ভুক্তভোগি জনতা। এসময় উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. নিকারুজ্জামান, রাজারকুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুফিজুর রহমান, ইউপি সদস্য সাহাব উদ্দিনসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাজাহান আলি জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার ভূমিহীনদের ক্ষতি করে কোন কাজ করবে না। তবে উন্নয়ন হলে প্রাথমিকভাবে ক্ষতি হবে। পরে তা কেটে যায়। এজন্য বৃহত্তর স্বার্থে ওইখানে সরকারি স্থাপনা নির্মাণ হলে বর্তমানে যারা বসবাস করছে তাদের আগে পূর্নবাসন করা হবে। পূর্ণবাসন ছাড়া কোন স্থাপনা হবে না।

এর প্রতিকার চেয়ে আগেরদিন শনিবার (২৯ এপ্রিল) ওই এলাকার শত শত নারী-পুরুষ রামুর মণ্ডলপাড়াস্থ ওসমান ভবনে গিয়ে কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমলের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং প্রাচীন অধিবাসীদের জনবসতি ও বাস্তুভিটা রক্ষার দাবিতে লিখিত আবেদন জানান। এসময় সাংসদ কমল তাদের উচ্ছেদ না করেই বিকল্প কিছু করার আশ্বাস দেন।

রাজারকুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুফিজুর রহমান জানান, যুগ যুগ ধরে শত শত নারী-পুরুষ এখানে বসবাস করে আসছে। তাই আকষ্মিকভাবে তাদের উচ্ছেদ করা উচিত হবে না। যদি উচ্ছেদ করতেই হয়, তার আগে যেন সবাইকে অন্যত্র পূর্ণবাসন করা হয়।

সম্প্রতি সরেজমিন ওই এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, এলাকার বাসিন্দাদের মাঝে আতঙ্ক আর ক্ষোভ দুটোই বিরাজ করছে। দীর্ঘদিনের সাজানো বসত-ভিটে ছেড়ে যেতে যেন কারো মন চাইছে না। রাজারকুল নারিকেল বাগানের পূর্ব পাশে রামু-মরিচ্যা সড়কের পার্শ্ববর্তী এ এলাকাটির অধিকাংশ বাড়িতে দেখা গেছে বিশাল আকারের ফলজ-বনজ গাছ আর সবজি খেত। রয়েছে পাকা, আধা পাকা সহ ছোট বড় অসংখ্য বাড়ি।




কক্সবাজারের উন্নয়নের জন্য শেখ হাসিনাকে সর্বোচ্চ সম্মান জানাতে হবে

ramu picmp komol 29.4.17
রামু প্রতিনিধি :
কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল বলেছেন, কক্সবাজারের উন্নয়নের জন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে সর্বোচ্চ সম্মান জানাতে হবে। তিনি কক্সবাজারবাসীকে আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর, সেনানিবাস, গভীর সমুদ্র বন্দর, সমুদ্র গবেষনা কেন্ত্র, আর্ন্তজাতিক স্টেডিয়াম, মেরিন ড্রাইভ সড়কসহ জেলায় অভূতপূর্ব উন্নয়ন করেছেন। প্রধানমন্ত্রীকে আরো বেশী করে সম্মান জানাতে পারলেই উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

শনিবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধায় রামু খিজারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে আয়োজিত সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন, রামু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগ সভাপতি রিয়াজ উল আলম, কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি জাফর আলম চৌধুরী, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও রামু উপজেলা পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মুসরাত জাহান মুন্নী, রামু উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আলী হোসেন, কক্সবাজার জেলা পরিষদের সদস্য শামসুল আলম ও নুরুল হক।

বিশিষ্ট আওয়ামীলীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার ফরিদ আহমদের সভাপতিত্বে ও ফতেখাঁরকুল ইউনিয়ন স্বেচ্ছসেকবলীগের সভাপতি আজিজুল হক আজিজ এর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, আওয়ামীলীগ নেতা তরুন বড়–য়া, চাকমারকুল ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সিকার, ফতেখাঁরকুল ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম, খুনিয়াপালং ইউপি চেয়ারম্যান সাংবাদিক আবদুল মাবুদ, ঈদগড় ইউপি চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমদ ভূট্টো, জোয়ারিয়ানালা ইউপি চেয়ারম্যান কামাল শামসুদ্দিন আহমেদ প্রিন্স, রাজারকুল ইউপি চেয়ারম্যান মুফিজুর রহমান মুফিজ, গর্জনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম, কচ্ছপিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবু মো. ইসমাঈল নোমান, কাউয়ারখোপ ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ, রশিদনগর ইউপি চেয়ারম্যান এমডি শাহ আলম, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম ভূট্টো, জেলা যুবলীগ নেতা এমএম আবুল কালাম আজাদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা নুর আল হেলাল, রামু উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক নীতিশ বড়–য়া, রামু উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সাধারণ সম্পাদক তপন মল্লিক,যুবলীগ নেতা পলক বড়–য়া আপ্পু, উপজেলা যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন, যুবলীগ নেতা নবীউল হক আরকান, মাসুদুর রহমান মাসুদ, কক্সবাজার জেলা মৎস্যজীবি লীগের সহ সভাপতি আনছারুল হক ভূট্টো, আওয়ামীলীগ নেতা নুরুল হক, সৈয়দ মোহাম্মদ আবদু শুক্কুর, কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম, কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি নুরুল ইসলাম নাহিদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা ও সাংসদ কমলের একান্ত সচিব মিজানুর রহমান, সাংসদ কমলের ব্যক্তিগত সহকারি রামু উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদ আবু বক্কর ছিদ্দিক, রামু উপজেলা তাঁতীলীগের সভাপতি নুরুল আলম জিকু, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক আহমদ, রামু উপজেলা শ্রমিকলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওসমান গনি, রামু উপজেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের আহবায়ক মিজানুল হক রাজা, যুগ্ন আহবায়ক রাশেদুল হক বাবু, চাকমারকুল ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক ছৈয়দ নুর মেম্বার, জোয়ারিয়ানালা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আনছারুল আলম, রামু উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদী, রিয়াজ, স্বেচ্ছসেবকলীগ নেতা আরিফ খান জয় প্রমূখ।

সভায় আগামী ২ মে থেকে মে পর্যন্ত প্রতিনিধি ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে কর্মী সভা, আনন্দ মিছিল ও পথসভা করার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। এতে আরো জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার আসবেন আগামী ৬মে। এদিন কক্সবাজারে অনুষ্ঠিতব্য জনসভা জনসমুদ্রে পরিনত হবে। তাই বিড়ম্বনা এড়াতে ওইদিন বিয়েশাদি সহ সকল প্রকার দিনের অনুষ্ঠান স্থগিত রাখার জন্য রামু-কক্সবাজারবাসীকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়।

সমাবেশে সাংসদ কমল আরো বলেন, বিগত ৩বছরে রামুর শিক্ষাক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। যা স্বাধীনতার ৪৩ বছরে হয়নি। স্বাধীনতার পূর্বে রামুতে উচ্চ বিদ্যালয় ছিলো ৫টি। বিগত ৪৩ বছরে এ সংখ্যা ছিলো ১২টি। অথচ বিগত ৩ বছরে রামুতে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে আরো ১১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এর সুফল ভোগ করবেব রামুর ১১ ইউনিয়নের ছাত্রছাত্রীরা।




২০০৮ সালে মানুষ যাকে ভোট দিয়েছিলো তিনি মানুষের খবর নেননি

cox pic mp komol 2017
রামু প্রতিনিধি :
কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল বলেছেন, ২০০৮ সালে মানুষ যাকে ভোট দিয়ে সাংসদ নির্বাচিত করেছিলেন তিনি বিগত ৯ বছর মানুষের খবর নেননি। বিগত ২০১২, ২০১৪ এবং ২০১৫ সালে সংগঠিত ভয়াবহ বন্যা হয়েছে। এমনি ছনখোলার মানুষ ১ মাস পানি বন্দি ছিলো। ছনখোলার মতো অনেক এলাকায় সেসব নেতারা মানুষের পাশে এসে দাঁড়ায়নি। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ছনখোলায়ও অনেক উন্নয়ন কর্মকান্ড চলছে। যা স্বাধীনতার পর থেকে হয়নি।

কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের বৃহত্তর ছনখোলা প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের মিলনমেলা উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাংসদ কমল এসব কথা বলেন।

শনিবার (২৯ এপ্রিল) বিকালে ছনখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, বৃহত্তর ছনখোলা প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের সভাপতি মো. আবদুর রহমান সোহেল।

মো. আক্তার কামাল আজাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম, অছিউর রহমান, কক্সবাজার জেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন সিকদার।

অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছলে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হাজার হাজার শিক্ষার্থী প্রধান অতিথি সাংসদ কমলকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিবাদন জানান।

সমাবেশে সাংসদ কমল আরো বলেন, বিগত ৩ বছরে কক্সবাজার সদর ও রামুর শিক্ষাক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। যা স্বাধীনতার ৪৩ বছরে হয়নি। বর্তমান সরকার শিক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীদের সঠিক শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে নিজেকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। সততা, মেধার সমন্বয় ঘটিয়ে নিজেকে আধুনিক ও কর্মক্ষেত্রে যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এখানকার ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষার উন্নয়নের আমি নিরলসভাবে ভূমিকা রাখতে চাই। প্রয়োজনে কোন ছাত্রছাত্রী উচ্চ শিক্ষা অর্জনের জন্য বিদেশে পড়াশুনার জন্য যেতে চাইলে আমি বিমান টিকেটসহ ব্যয়ভার বহন করবো।




কমিউনিটি ক্লিনিক জনগণের স্বাস্থ্য সেবার প্রতীক হয়ে উঠেছে

ramu pic 26.04

রামু প্রতিনিধি:

রামু উপজেলা চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলম বলেছেন, তৃণমূল জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সেবার লক্ষ্যে নিভৃত গ্রামাঞ্চলে গড়ে তোলা কমিউনিটি ক্লিনিক জনগণের স্বাস্থ্য সেবার প্রতীক হয়ে উঠেছে। সেখানে প্রসূতি মায়ের নিরাপদ প্রসবসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেবা ও পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

দেশের জনগণকে একটি নির্দিষ্ট মান সম্মত স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক গ্রামীণ জনগণের দোরগোড়ায় একটি নির্দিষ্ট কেন্দ্র থেকেও অত্যাবশ্যকীয় সেবা প্যাকেজের মাধ্যমে সমন্বিত স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা প্রদানের  লক্ষ্যে গ্রাম/ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন ও  কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে সেবা প্রদানের লক্ষ্যে প্রতিটি  কমিউনিটি ক্লিনিকে একজন করে কমিউনিটি হেল্থ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে আর জনগণ পাচ্ছে হাতের নাগালে স্বাস্থ্য সেবা।

রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃক আয়োজিত কমিউনিটি ক্লিনিকের প্রতিষ্ঠা র্বাষিকী উপলক্ষ্যে র‌্যালি শেষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রামু উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলম এসব কথা বলেন। বুধবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রিয়াজ উল আলম আরও বলেন, কমিউনিটি হেল্থ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) দের হতাশার কোন কারণ নেই।

এটি প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার ভিত্তিক প্রকল্প। তাই এখানে কর্মরতদের চাকরি সহসাই জাতীয়করণ করা হবে। এটা দ্রুত বাস্তবায়নে তিনি করণীয় সকল কিছু করার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, আগামী জুনের মধ্যে রামুর কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে সোলার প্যানেল দেয়া হবে। যেসব ক্লিনিকে পানির সমস্যা রয়েছে সেখানে গভীর নলকূপ দেয়া হবে। জরাজীর্ণ কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো অবিলম্বে সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হবে।

রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার ফরিদ আহমদ, রামু উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নীতিশ বড়ুয়া, ডা. সাইদুল মোস্তাকিম, বেসরকারি সংস্থা পিএইচডি এর কো-অর্ডিনেটর নুরুল কবির, ফার্মাসিষ্ট সমর শর্মা, স্বাস্থ্য পরিদর্শক বিপ্লব বড়ুয়া, সিএইচসিপি রেজাউল করিম, সুদর্শন কান্তি দাশ, রোকসানা আকতার বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ কেক কেটে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর শুভ সূচনা করেন। এর আগে হাসপাতাল চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন, সিএইচসিপি নুরুল আমিন ও পিংকী দাশ। শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন, সিএইচসিপি এএসএম জাফর আলম।

সভায় লিখিত প্রতিবেদনে সিএইচসিপি এসোসিয়েশন নেতৃবৃন্দ জানান, দেশের পল্লী এলাকার জনগণকে স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের সুবিধার্থে ও প্রাথমিক সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনা সরকার গ্রামীণ পর্যায়ে স্বাস্থ্য কেন্দ্র তথা কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়। দেশের শহর এলাকায় সরকারি বেসরকারি পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য কেন্দ্র নির্মিত হওয়ার পর ১৯৯৮ সালের শেষের দিকে সরকার পল্লী এলাকায় কম বেশি ৬হাজার জনগোষ্ঠীর জন্য একটি কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়।

সেই পরিপ্রেক্ষিতে সরকার ২০০১ সালের মধ্যে ১০ হাজার ৭২৩টি কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণ এবং ৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করতে সক্ষম হয়। কিন্তু মাঝখানে বিএনপি সরকারে এসে কমিউনিটি ক্লিনিক গুলো বন্ধ করে জনগণের স্বাস্থ্য সেবার পথ রুখে দেয়।আবার ২০০৯ সালে বর্তমান শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় এসে কমিউনিটি ক্লিনিক পুনরায় চালু করে। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক চালু রয়েছে।

এতে আরও জানানো হয়, রামুতে রয়েছে ২৩টি কমিউনিটি ক্লিনিক। উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে আরও চারটি। পল্লী এলাকার জনগণকে বিশেষত দরিদ্র ও সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে একটি কেন্দ্র থেকে সমন্বিত প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করা।

এ উদ্দ্যেশ্য অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে ১৯৯৮ সালে কমিউনিটি ক্লিনিকে যাত্রা শুরু হলেও আজ থেকে ১৭ বছর পূর্বে ২০০০ সালে ২৬শে এপ্রিল দেশের প্রথম কমিউনিটি ক্লিনিক গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতি ইউনিয়নের গিমাডাঙ্গা গ্রামে তৎকালীন ও বর্তমান সরকার প্রধান প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক গিমাডাঙ্গা কমিউনিটি ক্লিনিক উদ্বোধন করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন এলাকায় কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম শুরু হয় ও বর্তমানে অব্যাহত রয়েছে।




রামুতে ডাকাতের হামলা, সড়ক দুর্ঘটনা ও পাহাড় ধ্বসে নিহত ৩

রামু প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের রামুতে ডাকাতের হামলা, সড়ক দুর্ঘটনা, পাহাড় ধ্বসে শিশুসহ ৩জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে মঙ্গলবার রাত সাড়ে এগারটায় রামুর জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের গুচ্ছগ্রাম এলাকায় কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গাড়ি চাপায় প্রাণ হারান জয়নাল আবেদিন (২৮) নামের এক যুবক।

তিনি কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী দক্ষিণপাড়ার ছুরুত আলমের ছেলে। জোয়ারিয়ানালা ইউপি চেয়ারম্যান কামাল শামসুদ্দিন আহমেদ প্রিন্স জানান, রামু থানা পুলিশ দুর্ঘটনার পর মৃতদেহ উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

তিনি আরও জানান, নিহত জয়নাল আবেদিন ওই এলাকার শ্বশুড় বাড়িতে এসেছিলেন। রামুর জোয়ারিয়ানালা ডাকাতের হামলায় নিহত বায়তুল আমিনের নামাজে জানাযা মঙ্গলবার  রাতে সম্পন্ন হয়েছে।  সোমবার ভোরে একদল ডাকাত জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের মুরাপাড়া এলাকার ইউনুচের বাড়িতে হানা দেয়।

এসময় স্থানীয় জনতার সহায়তায় ডাকাতি প্রতিহত করতে ডাকাতদলের হামলায় গুরুতর আহত হন গৃহকর্তার ছেলে বায়তুল আমান (৩৯)। ওইদিন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি প্রাণ হারান। বায়তুল আমিনের নামাজে জানাজায় উপজেলা চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলমসহ শত শত জনতা শরিক হন।

এদিকে মঙ্গলবার ভোর রাতে কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের নতুনপাড়া এলাকায় কাল বৈশাখীর ঝড়ো হাওয়া চলাকালে শামসুল আলমের বাড়ির মাটির দেয়াল ধ্বসে পড়লে তিন জন আহত হন। এরমধ্যে হাসপাতালে নেয়ার পথে শামসুল আলমের ৩বছরের শিশুপুত্র আবদুর রহিম প্রাণ হারান। এতে শামসুল আলম ও তার অপর শিশুপুত্র জুনায়েদও আহত হন।




নারীদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করতে সরকার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে

ramu pic (2) 20.4.17
রামু প্রতিনিধি :
কক্সবাজার যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেছেন, দেশকে অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে নিতে হলে নারী-পুরুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। সরকার পুরুষের পাশাপাশি নারীদেরও বিভিন্ন আত্ম কর্মসংস্থানমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান ও সহজ শর্তে ঋণ দেয়ার মাধ্যমে স্বাবলম্বী করছে।

রামুতে ‘অর্থনৈতিক উন্নয়নে যুব মহিলাদের অংশগ্রহণ: সমস্যা ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) সকাল ১১টায় রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের পানেরছড়া ইয়েস সেন্টারে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে ইয়ুথ এমপাওয়ারমেন্ট থ্রো স্কীলস (ইয়েস) কক্সবাজার। ইউ ফাউন্ডেশন ও স্প্রিট এর অর্থায়নে ইপসা ও হোপ ৮৭ বাংলাদেশ সহায়তায় আয়োজিত এ সভায় মূল তথ্য উপস্থাপন করেন, ইয়েস প্রজেক্ট এর ফোকাল পার্সন নাসিম বানু শ্যামলী।

ইপসা ইয়ুথ এমপাওয়ারমেন্ট থ্রো স্কীলস (ইয়েস) এর প্রকল্প ব্যবস্থাপক একেএম মনিরুল হকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, রামু উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মোহাম্মদ তৈয়ব, রামু উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান, বিশিষ্ট আইনজীবি এডভোকেট সাকী এ কাউছার (এপিপি),

খুনিয়াপালং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. বদি উজ্জামান, একে আজাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নাছির উদ্দিন চেইন্দা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুছা কলিম উল্লাহ, রামু উপজেলা পরিষদের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য আফসানা জেসমিন পপি, দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউপি সদস্য রাশেদা আকতার, চাকমারকুল ইউনিয়নের সাবেক সদস্য মরিয়ম বেগম প্রমূখ। সভায় প্রশিক্ষিত যুব মহিলাদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন, শাহিন আহমেদ। সভার সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন, ইয়েস এর মাঠ কর্মকর্তা আতিকুর রহমান।

সভায় এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং ইয়ুথ এমপাওয়ারমেন্ট থ্রো স্কীলস (ইয়েস) প্রকল্পের আওতায় ট্যুরিষ্ট গাইড, হোটেল ম্যানেজমেন্ট ও আইসিটি বিভাগের প্রশিক্ষণার্থীরা অংশ নেন।

ইপসা ইয়ুথ এমপাওয়ারমেন্ট থ্রো স্কীলস (ইয়েস) এর প্রকল্প ব্যবস্থাপক একেএম মনিরুল হক জানিয়েছেন, এ সংস্থার অধিনে ঢাকা এবং কক্সবাজারের যুবকদের বিশেষ করে যুব মহিলাদের দারিদ্র বিমোচন ও আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি ঘটানোর জন্য দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ৬টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। এরমধ্যে রয়েছে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, ইংলিশ ল্যাংগুয়েজ কোর্স, অফিস ম্যানেজমেন্ট এবং সেক্রেটারিয়াল প্রশিক্ষণ, হোটেল ম্যানেজমেন্ট প্রশিক্ষণ, বেসিক একাউটেন্সি এন্ড বুক কিপিং প্রশিক্ষণ ও ট্যুরিস্ট গাইড প্রশিক্ষণ।




শিল্পপতি ফারুক আহামদ শিক্ষার প্রসার ও জনকল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন

ramu pic k kop 20.04.17
রামু প্রতিনিধি :
রামুতে বিশিষ্ট শিল্পপতি মরহুম আলহাজ্ব ফারুক আহামদ এর স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহষ্পতিবার (২০ এপ্রিল) সকালে শিল্পপতি মরহুম আলহাজ্ব ফারুক আহামদ প্রতিষ্ঠিত কাউয়ারখোপ হাকিম রকিমা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

কাউয়ারখোপ হাকিম রকিমা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কিশোর বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, রামু উপজেলা যুবলীগের সহ সভাপতি ও বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ওসমান সরওয়ার মামুন।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক আলী হায়দার, সহকারি শিক্ষক ওসমান গনি, প্রনব বড়ুয়া, ছৈয়দ আলম, মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, মোস্তফা কামাল, লুৎফুন্নাহার, রহিমা বেগম, আনজুমান আরা এনি, মো. সরওয়ার, নাছির উদ্দিন, দেবাশীষ চক্রবর্তী, আবদুল্লাহ (ছোট), ওবাইদুল্লাহ, রাশেল, সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ছাত্রছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, আলহাজ্ব ফারুক আহামদের বর্ণিল জীবনের স্মৃতিকথা তুলে ধরেন। একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ি হয়েও তিনি শিক্ষার প্রসার ও জনকল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন। রামুর অবহেলিত জনপদ কাউয়ারখোপে তিনি উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে তিনি পুরো এলাকাটিকে আলোর দিশা দিয়েছেন। তিনি ছিলেন সত্যিকারের দেশ প্রেমিক। তাঁর অবদান এ জনপদের প্রতিটি আজীবন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে যাবে।

উল্লেখ্য রামুর কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের কৃতিসন্তান বিশিষ্ট শিল্পপতি মরহুম আলহাজ্ব ফারুক আহামদ মেঘনা সী ফুডস এর স্বত্ত্বাধিকারি ছিলেন। তিনি ১৯৭৫-৭৬ সনে সর্বাধিক রপ্তানিকারক হিসেবে রাষ্ট্রপতি পদক এবং জাতীয় অর্থনীতিতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ চারবার সিআইপি নির্বাচিত হন। তিনি একক অনুদানে প্রতিষ্ঠা করেন অনেক শিক্ষা ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। যার মধ্যে কাউয়ারখোপ হাকিম রকিমা উচ্চ বিদ্যালয় উল্লেখযোগ্য। গত ১৪ এপ্রিল ছিলো কীর্তিমান এ ব্যক্তির ১৫ তম মৃত্যু বার্ষিকী।




রামুতে দুর্যোগকালীন ঝুঁকি মোকাবেলায় মহড়া

ramu pic mohoda 19.04

রামু প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের রামুতে দুর্যোগকালীন ঝুঁকি মোকাবেলায় মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বেলা ১২টায় রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের পানেরছড়া এলাকায় কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স এ সহযোগিতায় ইউ ফাউন্ডেশন ও স্প্রিট’র অর্থায়নে ইপসা ইয়ুথ-হোপ ৮৭ বাংলাদেশ এ মহড়ার আয়োজন করে।

অগ্নিকাণ্ড ও ভূমিকম্প চলাকালে ঝুঁকি মুক্ত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন কৌশল নিয়ে এ মহড়া শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মাঝে সাড়া জাগিয়েছে। মহড়ায় কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স কর্মকর্তা, দমকল কর্মী (অগ্নিসেনা) ছাড়াও কলেজ, স্কুল,-মাদরাসার শতাধিক ছাত্রছাত্রী অংশ নেন।

মহড়া শেষে আয়োজিত ভিডিও প্রদর্শনী ও আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, ইপসা (এসডিপি) পরিচালক মো. মাহবুবুর রহমান, ইয়েস প্রজেক্ট’র ফোকাল পার্সন নাসিম বানু শ্যামলী, কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স’র উপ সহকারী পরিচালক মো. আবদুল মালেক, ইয়ুথ এমপাওয়ারমেন্ট থ্রো স্কীলস (ইয়েস) এর প্রকল্প ব্যবস্থাপক একেএম মনিরুল হক, রামু রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি সোয়েব সাঈদ, ইয়েস’র  মাঠ কর্মকর্তা আতিকুর রহমান।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, অগ্নিকাণ্ড, ভূমিকম্প, ঘূর্ণিঝড়, বন্যাসহ বিভিন্ন প্রকার দুর্যোগ মোকাবেলায় করণীয় বিষয়ে সকলকে সচেতন হতে হবে। বসত বাড়ি বা যে কোন স্থাপনা নির্মাণে দুর্যোগকালীন সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে প্রতিটি বড় ভবনের সামনে দমকল কর্মীদের গাড়ি যাতায়াতের ব্যবস্থা রাখতে হবে। বর্তমান সরকার দুর্যোগকালীন সময়ে ঝুঁকি মোকাবেলায় সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মহড়ার আয়োজন অব্যাহত রয়েছে। সরকারের পাশাপাশি ইয়ুথ এমপাওয়ারমেন্ট থ্রো স্কিলস (ইয়েস) এ ধরনের মহড়া আয়োজন করে জনস্বার্থে প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছে।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স’র উপ সহকারী পরিচালক মো. আবদুল মালেকের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত মহড়ায় কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স লিডার আবদুল্লাহ, সাজ্জাদ হোসেন, দমকল কর্মী (অগ্নি সেনা) ওবাইদুল হক, জামাল হোসেন, কামরুল ইসলাম, জোবাইরুল ইসলাম, রাখাল রুদ্র, ছবুর মিয়া, শাহাদাৎ হোসেন মামুন, রিয়াজ উদ্দিন সহ রামুর একে আজাদ উচ্চ বিদ্যালয়, দক্ষিণ মিঠাছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়, দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা, চেইন্দা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং ইয়ুথ এমপাওয়ারমেন্ট থ্রো স্কীলস (ইয়েস) প্রকল্পের আওতায় ট্যুরিস্ট গাইড, হোটেল ম্যানেজমেন্ট ও আইসিটি বিভাগের প্রশিক্ষণার্থীরা অংশ নেন।