রামু সমিতির উদ্যোগে এতিমখানা ও দরিদ্র জনগোষ্ঠির মাঝে জাকাতের অর্থ বিতরণ

রামু প্রতিনিধি:

ঢাকাস্থ রামু সমিতির উদ্যোগে এতিমখানা ও দরিদ্র জনগোষ্ঠির মাঝে জাকাত ফান্ডের অর্থ বিতরণ করা করা হয়েছে।

শনিবার (২৪ জুন) সকাল দশটায় রামু কেন্দ্রিয় জামে মসজিদ কমপ্লেক্সে রামুর বিভিন্ন এতিমখানার প্রতিনিধিদের হাতে জাকাত তহবিলের অর্থ হস্তান্তর করা হয়।

এসময় রামু কেন্দ্রিয় জামে মসজিদ কমপ্লেক্স এর সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মাওলানা মোহাম্মদ তৈয়ব, রামু জামেয়াতুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা শামসুল হক, খুনিয়াপালং দারিয়ারদিঘী মারকাযুল হুদা আল ইসলামী মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা কেফায়েত উল্লাহ,  ঢাকাস্থ রামু সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইসলাম, আজীবন সদস্য নুরুল কবির, রামু কেন্দ্রিয় জামে মসজিদ কমপ্লেক্স পরিচালনা কমিটির সদস্য মামুনুল হক, সাংবাদিক সোয়েব সাঈদ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও রামুর ১১টি ইউনিয়নে রামু সমিতির নিজস্ব উদ্যোগে দরিদ্র জনগোষ্ঠিকে জাকাতের অর্থ বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। সমিতির নেতৃবৃন্দের সার্বিক তত্ত্বাবধানে স্বচ্ছতার সাথে এতিমখানা ও দরিদ্র জনগোষ্ঠিকে জাকাত বিতরণ কার্যক্রম রামুর সচেতন মহলে প্রশংসিত হয়েছে।

সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইসলাম, ঢাকাস্থ রামু সমিতি এ প্রথমবার জাকাত সংগ্রহ ও বিতরণের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। সকলের সহযোগিতা পেলে আগামীতে এ উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।




উগ্রবাদ ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড বন্ধে তরুণদের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে হবে: শাজাহান আলি

রামু প্রতিনিধি:

রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাজাহান আলি বলেছেন, ছাত্র, তরুন ও যুব সমাজকে সঠিক পথে পরিচালনা করে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে হবে। পারিবারিক, সামাজিক সুশিক্ষার মাধ্যমে তাদের উগ্রবাদ ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে হবে। পাশাপাশি মানবিক, শিক্ষা, জনকল্যাণমূলক ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে তাদের আরো বেশী করে সম্পৃক্ত করতে হবে। এজন্য তাদের বেশি বেশি কাজে মনোনিবেশ করাতে হবে। কোনভাবেই যেন তরুণরা অলস সময় না কাটায়।

ইউএনও মো. শাজাহান আলি ১৯জুন সকাল দশটায় রামু উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে “তরুণ আলো” প্রকল্পের অগ্রগতি অবহিতকরণ ও স্টেকহোল্ডারদের সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

সভায় জানানো হয়, জাতীয় পর্যায়ে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ডেভেলপমেন্ট কমিউনিটি সেন্টার-কোডেক ‘মানুষের জন্য’ফাউন্ডেশনের সহায়তায় কক্সবাজার জেলার সদর, রামু এবং পেকুয়া উপজেলায় “তরুন আলো”নামক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এপ্রকল্পের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, বিকল্প গঠনমূলক কর্মকানণ্ডে সম্পৃক্ততার মাধ্যমে বাংলাদেশের তরুনদের উগ্রবাদ ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখা। ইতিমধ্যে প্রকল্পের কার্যক্রম মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের কাজ অনেকদূর এগিয়েছে।

কোডেক তরুন আলো প্রকল্পের সমন্বয়কারী মো. হেলাল উদ্দিনের পরিচালনায় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন রামু কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) আবদুল হক, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আনজুমান আরা, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. বিল্লাল হোসেন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জসীম উদ্দিন মো. ইউসুফ, রামু খিজারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মফিজুল ইসলাম, আলহাজ্জ ফজল আম্বিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমানুল হক, মেরংলোয়া রহমানিয়া মাদরাসার সুপার মুহম্মদ রফিক, রামু উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নুরুল হক প্রমূখ।

সভায় রামু বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল, মাদরাসার শিক্ষক, পরিচালনা কমিটির সদস্য, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 




রামুতে ঝূঁকিপূর্ণ গর্জনিয়া সেতু রক্ষা ও মোরা’য় বিধ্বস্ত বিদ্যালয় ভবন পূণঃ নির্মাণ করা হবে

রামু প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের রামু উপজেলার সীমান্ত জনপদ গর্জনিয়া-কচ্ছপিয়া সংযোগ সড়কে বাঁকখালী নদীতে নির্মিত ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি যেকোন মূল্যে রক্ষার ঘোষণা দিয়েছেন কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল। শনিবার (১৭জুন) দুপুরে সেতুর দক্ষিণ পাশের ভাঙনকৃত এপ্রোচ সড়ক পরিদর্শন শেষে তিনি এ ঘোষণা দেন।

সাইমুম সরওয়ার কমল বলেন, ‘সরকারি বরাদ্ধ ছাড়াই আমরা ২০১৫ সালের জুনে বাঁকখালী নদীগর্ভে বিলীন হওয়া সেতুর প্রায় ৪০০ ফুট দীর্ঘ এপ্রোচ সড়ক গত ফেব্রুয়ারিতে পুনঃনির্মাণ করে যানবাহন চলাচলের উপযোগী করেছি। সম্প্রতি ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে তা আবারো কিছুটা নষ্ট হয়েছে। বর্তমানে নষ্ট হওয়া সড়ক মেরামত এবং সেতু রক্ষার কাজ চলছে। যতবার সড়ক ভাঙবে, ততবার আমরা মেরামত করবো। সরকারিভাবে বরাদ্ধ পেলে নদীর তলদেশ খনন করে গর্জনিয়া সেতুকে স্থায়ীভাবে রক্ষা করা হবে।’

এসময় উপস্থিত ছিলেন, গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম, নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান তসলিম ইকবাল চৌধুরী, রামু উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নীতিশ বড়ুয়া, আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল হক, সৈয়দ মো. আবদু শুক্কুর, ফরিদ আহমদ চৌধুরী, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মিজানুর রহমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর, সাংবাদিক হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী, কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম, সিনিয়র সহসভাপতি লোকমান হাকিম সিকদার, সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন সিকদার সোহেল, গর্জনিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি হাফেজ আহমদ, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মওলা, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ নোমান, কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি হেলাল উদ্দিন সিকদার, গর্জনিয়ার স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা সরওয়ার কামাল প্রমুখ।

এদিকে গর্জনিয়া সেতু পরিদর্শন শেষে সাংসদ সাইমুম সরওয়ার কমল রামুর সবচেয়ে দুর্গম কচ্ছপিয়ার ঘিলাতলীতে-ঘূর্ণিঝড় মোরায় বিধ্বস্ত ঘিলাতলী বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন পরিদর্শন করেন। বৃষ্টিতে ভিজে-পায়ে হেঁটে এবং কাঁদা মাটি মাড়িয়ে সাংসদ ঘিলাতলী গ্রামে যান। এ দৃশ্য দেখে গ্রামের উৎসুক জনতার ভিড় বাড়তে থাকে। সাংসদ কমল লণ্ডভণ্ড বিদ্যালয় ঘর দেখে নতুন ভবন নির্মাণের ঘোষণা দেন। তখন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সাইফুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল আলম, যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ রাসেল, ঘিলাতলী বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মাওলানা ফোরকান উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, সাংসদ কমল অবহেলিত জনপদে এসে ঝূঁকিপূর্ণ গর্জনিয়া সেতু রক্ষা ও কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের ঘিলাতলীতে সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড় মোরা’য় বিধ্বস্ত ঘিলাতলী বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন পূণঃ নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন। সাংসদের এমন ঘোষণায় এ দুটি ইউনিয়নের জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

একই দিন সাংসদ কমল রামুর ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের হাইটুপী বুথপাড়া এলাকায় বাঁকখালী নদীর ভাঙন ও বন্যায় বিধ্বস্ত সড়ক ও সেতু পরিদর্শন করেন। এসময় রামু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগ সভাপতি রিয়াজ উল আলম, রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাজাহান আলি, ফতেখাঁরকুল ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে সাংসদ কমল শীঘ্রই বাঁকখালী নদীর ভাঙন ও বন্যায় বিধ্বস্ত সড়ক ও সেতু মেরামত এর জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়ার জন্য উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেন।




বৃষ্টিতে বিটুমিন দিয়ে সড়ক সংস্কার কাজ!


রামু প্রতিনিধি :
বৃষ্টিপাতের মধ্যে সড়কের পাশেই চুলায় বিটুমিন ও পাথর মিশ্রিত করে চালানো হচ্ছে সড়কের সংস্কার কাজ। ঐতিহাসিক রামকুট, নারকেল বাগান, সেনানিবাস, ৫০ বিজিবি সদর দপ্তরসহ বিভিন্ন কারনে জনগুরুত্বপূর্ণ রামু-মরিচ্যা সড়ক।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে এ সড়কে খানাখন্দকের ফলে চরম জনদুর্ভোগ বিরাজ করছিল। সম্প্রতি সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু হলেও তাতে চলছে চরম অনিয়ম। এমনকি ভরা বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টিপাতের মধ্যে বিটুমিন দিয়ে চলছে সংস্কার কাজ। ফলে সংস্কারের পরপরই তা ফের আগের মতো গর্তে রুপ নিচ্ছে। এনিয়ে স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভের সঞ্চার।

বৃহষ্পতিবার (১৫জুন) দুপুরে রামু-মরিচ্যা সড়কের অফিসেরচর বৌদ্ধ মন্দির সংলগ্ন এলাকা থেকে ছবিটি তোলা হয়েছে।




রামুতে কোস্ট ট্রাস্ট এর ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

রামু প্রতিনিধি:

কোস্ট ট্রাস্ট রামু শাখার উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ জুন) বিকালে রামু চৌমুহনীস্থ কোস্ট ট্রাস্ট কক্সবাজার অঞ্চলের রামু শাখা কার্যালয়ে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন, কোস্ট ট্রাস্ট রামু শাখার ব্যবস্থাপক মো. আবু বক্কর ছিদ্দিক।

এতে অতিথি ছিলেন, কোস্ট ট্রাস্ট এর রামু উপজেলা সমন্বয়কারী আরিফুল ইসলাম, কৃষি ব্যাংক রামু শাখার ব্যবস্থাপক নুরুল ইসলাম, রামু রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি সোয়েব সাঈদ, কাউয়ারখোপ ইউপি সদস্য শহীদুল ইসলাম, কোস্ট ট্রাস্ট এর ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য রুমা আকতার। এছাড়াও ইফতার আয়োজনে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তা, এলাকার মান্যগন্য ব্যক্তিবর্গ ও কোস্ট ট্রাস্ট এর কর্মকর্তা-কর্মচারিগণ অংশ নেন।

এতে মোনাজাত পরিচালনা করেন, মৌলানা আজিজুল হক।




রামুতে চুরি হওয়া বিপুল টার্কি মুরগি র‌্যাবের সহায়তায় উদ্ধার

রামু প্রতিনিধি:

রামুতে গড়ে তোলা একমাত্র টার্কি মুরগির খামার হতে চুরি করা ৭ লাখ টাকার মুরগি উদ্ধার করেছে র‌্যাব। খামারের দুই কর্মচারীর সহায়তায় এ চুরির ঘটনা সংগঠিত করে বাংলাবাজার এলাকায় বসবাসকারী তাদের এক নিকটাত্মীয়।

গত ৩১ মে দিবাগত রাতে রামুর চাকমারকুল ইউনিয়নের মাদ্রাসা গেইট সংলগ্ন এলাকায় জাকির হোসেনের মালিকানাধিন খামারে এ ঘটনা ঘটে।

খামার মালিক জাকির হোসেন জানান, চুরির পর তিনি খামারটি নিয়ে টেনশনে পড়েন। ওইসময় মুরগি চুরির সাথে জড়িত চক্র মুরগি ফিরিয়ে দেয়ার আশ্বাসে তার কাছ থেকে ৬০ হাজার টাকা দাবি করেন। তিনি বিষয়টি কক্সবাজার র‌্যাব-৭ কে অবহিত করেন। এরই প্রেক্ষিতে তিনি (খামার মালিক) র‌্যাবের নির্দেশনা মতে কৌশলে ওই চক্রের মোবাইলে ১০ হাজার টাকা প্রেরন করেন। টাকা উত্তোলনের সূত্র ধরে র‌্যাব এ চক্রের সদস্যদের আটক করেন।

খামার মালিক জাকির হোসেন আরও জানান, সাড়ে চারমাস পূর্বে তিনি ওই এলাকায় ব্যয় বহুল টার্কি মুরগির খামার গড়ে তুলেন। খামারে শুরু থেকে টেকনাফের হ্নীলা এলাকার মোস্তফা ও নুরুল ইসলাম নামের দুই কর্মচারি কাজ করে আসছিলো।

ঘটনার দিন ওই দুই কর্মচারি তার অনুপস্থিতির সুযোগে খামারের ১৩০টি টার্কি মুরগি, ৩টি ফ্যান (বৈদ্যুতিক পাখা) সহ বেশ কিছু মালামাল নিয়ে যায়। চুরি হওয়া প্রতিটি টার্কি মুরগির দাম প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা। অর্থাৎ লুটকৃত ১৩০টি মুরগির মূল্য ৭ লাখ টাকার অধিক। কৌশলী অভিযানের মাধ্যমে চুরি হওয়ায় মূল্যবান টার্কি মুরগিগুলো উদ্ধার করায় খামার মালিক জাকির হোসেন র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক সহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।




রামুতে বজ্রপাতে নিহত ১ আহত ৪

রামু প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের রামু উপজেলার কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের উখিয়ারঘোনা গ্রামে বজ্রপাতে ১জন নিহত এবং ৪জন গুরুতর আহত হয়েছে। নিহত জাকির আহমদ (৪৫) কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের গনিয়াকাটা এলাকার আমজাদ আলীর ছেলে। বুধবার (৭জুন) বিকাল সাড়ে ৫টায় এ ঘটনা ঘটে।

এতে আহতরা হলেন, কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের উখিয়ারঘোনা গুদামকাটা এলাকার আলী আহমদের ছেলে মুফিজুর রহমান (৪০), ছিদ্দিক আহমদের ছেলে ফরিদুল আলম (৫৫), পার্শ্ববর্তী লামারপাড়া এলাকার জাকের আহমদের ছেলে মো. ইউনুচ (৩২) ও খলিলুর রহমানের ছেলে মো. হোসেন (৫০)। এদের মধ্যে মুফিজুর রহমান ও মো. ইউনুচ এর অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানা গেছে।

কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রফিকুল আলম জানিয়েছেন, আহত ৫জনই একটি লেবু বাগানে দিনমজুর হিসেবে কাজ করে বাড়ি ফিরছিলেন। ফেরার পথে উখিয়ারঘোনা গুদামকাটা এলাকায় নুরুল হাকিমের দোকানের সামনে পৌঁছলে আকষ্মিক বজ্রপাতে পাঁচজনই আহত হন। এসময় রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে প্রাণ হারান জাকির আহমদ। অপর ৪জনের মধ্যে মুফিজুর রহমান ও ফরিদুল আলমকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে এবং মো. ইউনুচ ও মো. হোসেনকে রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে।

এদিকে আকষ্মিক বজ্রপাতে দিনমজুর জাকির আহমদের মৃত্যু ও আরো ৪জন আহত হওয়ার ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকাবহ পরিবেশ বিরাজ করছে।




ক্ষতিগ্রস্তরা সবাই সরকারের সহায়তা পাবেন

ramu news minister maya 04.06

রামু প্রতিনিধি:

দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেছেন, দূর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সবার নৈতিক দায়িত্ব। আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের সরকার। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে তিনিও দূর্যোগ-দূর্ভোগে গণমানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। ঘূর্ণিঝড় মোরায় বেশি কিংবা আংশিক যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের সকলকেই প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেয়া হবে। ক্ষতিগ্রস্তরা সবাই সরকারের সহায়তা পাবেন। যাদের ঘর সম্পূর্ণ বিধস্ত হয়েছে তাদের ঘর তৈরি করে দেয়া হবে। কোন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি যেন সরকারের সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হয়, সেজন্য সবাইকে সচেষ্ট হতে হবে।

মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া রবিবার (৪জুন) সকাল সাড়ে ১১টায় রামুর কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সে দূর্গতদের ত্রান সামগ্রী বিতরণ করেন। পরে মন্ত্রী  রামুর গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ঘূর্ণিঝড় মোরায় ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রান বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রান সামগ্রী বিতরণ করেন। এর আগে সকাল ১১টায় তিনি ঘূর্ণিঝড় মোরায় ধ্বসে পড়া গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন পরিদর্শন করেন।

সমাবেশ শেষে মন্ত্রী ঘূর্ণিঝড় মোরায় বিধ্বস্ত কচ্ছপিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবন পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের সাথে মতবিনিময় ও ত্রান সামগ্রী বিতরণ করেন। এসময় মন্ত্রীর সফর সঙ্গী ছিলেন, কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল।

এসময় সুধী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, দূর্যোগ ব্যাবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রনালয়ের সচিব শাহ কামাল, রামু উপজেলা চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রসাশক (সার্বিক) কাজী আবদুর রহমান, জেলা ত্রান ও পূণর্বাসন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সাইফুল ইসলাম, রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাহজাহান আলি, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জাফর আলম চৌধুরী, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মুসরাত জাহান মুন্নি, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুবুল হক মুকুল, গর্জনিয়া চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম, কচ্ছপিয়া চেয়ারম্যান আবু ইসমাঈল মো. নোমান, জেলা পরিষদ সদস্য চেয়ারম্যান শামসুল আলম, রামু থানার ওসি একেএম লিয়াকত আলী, ফতেখাঁরকুল ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম, সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম ভূট্টো, চাকমারকুল ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সিকদার, জোয়ারিয়ানালা ইউপি চেয়ারম্যান কামাল শামসুদ্দিন আহমেদ প্রিন্স, কাউয়ারখোপ ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ, রশিদনগর ইউপি চেয়ারম্যান এমডি শাহ আলম, গর্জনিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান তৈয়ব উল্লাহ চৌধুরী, রাজারকুল ইউপি চেয়ারম্যান মুফিজুর রহমান, রামু উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নীতিশ বড়–য়া, রামু উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক তপন মল্লিক, যুবলীগ নেতা নবীউল হক আরকান, আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ মো. আব্দুর শুক্কুর, গর্জনিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরিদ আহমদ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব সিকদার প্রমুখ।

এদিকে মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া কাউয়ারখোপ, গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়ায় পৌঁছলে কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ, গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম , কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু ইসমাঈল মো. নোমানের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক দলীয় নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের জনসাধারণ তাকে স্বাগত জানান।




কাঁঠালের বাহার…

ramu jackfruit 27.05.17

রামু প্রতিনিধি :
গ্রীষ্মের সুমিষ্ট ফল কাঁঠাল। পাহাড়ি লালচে রংয়ের মাটি কাঁঠাল চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। তাইতো পাহাড় চূড়ায় নির্মিত রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কম্পাউন্ডে রোপন করা বেশ কিছু গাছে ব্যাপক ফলন হয়েছে।

শনিবার (২৭মে) দুপুরে কাঁঠালে ভরপুর এ গাছের ছবি তুলেছেন আমাদের রামু ডটকম এর বিশেষ প্রতিবেদক সোয়েব সাঈদ।




রামু খিজারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক সৈয়দ আহমদের ইন্তেকাল

ramu soyad ahmed 26.05.17
রামু প্রতিনিধি :
ঐতিহ্যবাহি রামু খিজারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক সৈয়দ আহমদ শুক্রবার (২৬মে) বিকাল ৩টা ৩০ মিনিটে কক্সবাজার ফুয়াদ আল খতিব হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লিাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সৈয়দ আহমদ রামুর ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের পশ্চিম মেরংলোয়া এলাকার মৃত কবির আহমদের বড় ছেলে।

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৬৬ বছর। তিনি ২ স্ত্রী, ৩ ছেলে, ৬ মেয়ে রেখে গেছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কাল শনিবার (২৭মে) সকাল দশটায় রামু খিজারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় স্টেডিয়ামে মরহুমের নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য সৈয়দ আহমদ ইতিপূর্বে রামু খিজারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অবসর নেন। তবে পরবর্তীতে তিনি এ বিদ্যালয়ে স্বেচ্ছায় শিক্ষকতা পেশায় আমৃত্যু নিয়োজিত ছিলেন। প্রবীন ও ত্যাগী এ আদর্শ শিক্ষকের মৃত্যুতে রামু খিজারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং পুরো এলাকায় শোকাবহ পরিবেশ বিরাজ করছে।

ঐতিহ্যবাহি রামু খিজারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক সৈয়দ আহমদের ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন, কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনের সংসদ সদস্য ও রামু খিজারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল। এক শোক বার্তায় সাংসদ কমল বলেন, সৈয়দ আহমদ ছিলেন শিক্ষক সমাজের অহংকার। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি বিদ্যালয়ের উন্নয়ন, শিক্ষার মান বৃদ্ধি, ব্যবসা, সমাজ সেবামূলক কর্মকান্ডে নিজেকে নিবেদিত করেছিলেন। মৃত্যুর আগপর্যন্তও তিনি শিক্ষকতা পেশাকে ভালোবেসে দায়িত্ব পালন করে গেছেন। নিবেদিতপ্রাণ এ শিক্ষকের ইন্তেকালে রামুবাসী একজন আদর্শ ও ত্যাগী শিক্ষককে হারালো। সৈয়দ আহমদ স্যার আজীবন মানুষের হৃদয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।