নিরীহ মানুষকে হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতনকারী সূচি’কে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে

রামু প্রতিনিধি:

কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল বলেছেন, এখনো রাখাইন রাজ্যে মুসলিমদের উপর বর্বর নির্যাতন, হত্যা, ধর্ষণ, বসত ঘরে অগ্নিসংযোগ করা হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের রক্তে আরাকানের সবুজ জমিন এখনো রক্তে লাল হয়ে যাচ্ছে, লাল হয়ে যাচ্ছে নাফ নদীর পানি। ভেসে উঠছে রোহিঙ্গাদের মৃতদেহ। নিরীহ মানুষকে হত্যা, নারী-শিশুকে ধর্ষণ-নির্যাতন চালিয়ে বিশ্বে কোন শাসকের শেষ রক্ষা হয়নি। অং সান সুচিকে এ বর্বরতার জন্য কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে। জাতি সংঘ সহ বিশ্ব নেতৃবৃন্দকে রোহিঙ্গা নির্যাতন অবিলম্বে বন্ধ করা এবং মায়ানমারের সামরিক জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা সময়ের দাবি।

তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গাদের উপর বর্বরোচিত নির্যাতন শুরুর পর থেকে বাংলাদেশ সরকার এবং সর্বস্তুরের মানুষ রোহিঙ্গাদের পাশে মানবিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের জন্য যেমন সরকার কাজ করছে, তেমনি রোহিঙ্গাদের মৌলিক চাহিদা পূরণেও সরকার দেশি, বিদেশী সংস্থাকে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত ত্রাণ পৌঁছেনি। তাদের বাঁচিয়ে রাখতে এখন এ মূহুর্তে বেশি ত্রাণ সহায়তা দিতে হবে। এ দায়িত্ববোধ থেকে রামুবাসী সম্মিলিতভাবে রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রান সংগ্রহ ও  বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছে।

ইতিপূর্বে রামুসহ দেশ বিদেশে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, ভূমিকম্পসহ প্রাকৃতিক দূর্যোগে ত্রাণ দিয়েছি। কিন্তু এবার রোহিঙ্গাদের জন্য আমি নিজেই জনতার কাছে ত্রাণ চাইতে এসেছি।

সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল রামু উপজেলার রশিদনগর ইউনিয়নবাসীর উদ্যোগে রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রাণ উপহার সংগ্রহ উপলক্ষ্যে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, রামু উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগ সভাপতি রিয়াজ উল আলম। মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রশিদনগর মামুন মিয়ার বাজারে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন, রশিদনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমডি শাহ আলম।

আওয়ামীলীগ নেতা সৈয়দ মো. আবদুস শুক্কুরের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও রামু উপজেলা পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মুসরাত জাহান মুন্নী, কক্সবাজার জেলা পরিষদের সদস্য নুরুল হক কোম্পানী, চাকমারকুল ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সিকদার, জোয়ারিয়ানালা ইউপি চেয়ারম্যান কামাল শামসুদ্দিন আহমেদ প্রিন্স, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রিয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ নজরুল ইসলাম প্রমুখ।




রামুতে বিশ্ব খাদ্য দিবস পালিত


রামু প্রতিনিধি:
রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহা. শাজাহান আলি বলেছেন, দিনদিন জনসংখ্যার সাথে খাদ্যেও চাহিদা বাড়ছে। বাড়তি খাদ্য পাওয়ার জন্য যেমন অধিক ফসল উৎপাদন জরুরী, তেমনি নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য উৎপাদনও নিশ্চিত করতে হবে। অনেক তামাক চাষে আগ্রহী। কিন্তু মানুষের বেঁচে থাকার প্রয়োজনীয় কৃষিপণ্য উৎপাদনে কৃষকদের বেশী গুরুত্ব দিতে হবে।

রামুতে বিশ্ব খাদ্য দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে আজ সোমবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১১টায় রামু উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে “অভিবাসনের ভবিষ্যত বদলে দাও, খাদ্য নিরাপত্তা ও গ্রামীন উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়াও” এ শ্লোগানে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, রামু উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু মাসুদ সিদ্দিকী।

উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা আকবর হোসেন ছিদ্দিকীর সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথিবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রকোশলী মো. জাকির হোসেন, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা সৈয়দ ইয়াছির আরফাত, উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা ছোটন কান্তি দে, রুবিনা খানম, লিপি রানী বড়–য়া, মো. রেজাউর রহমান, মাহবুব আলম, মো. শহীদুল ইসলাম, মোস্তফা জাবেদ চৌধুরী, উত্তম কুমার চৌধুরী, মাহমুদুল করিম, জহিরুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা ছাড়াও শতাধিক কৃষক উপস্থিত ছিলেন।




সরকারের আন্তরিকতায় রোহিঙ্গারা জীবন ফিরে পেয়েছে


রামু প্রতিনিধি:
কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ¦ সাইমুম সরওয়ার কমল বলেছেন, সরকারের আন্তরিকতার কারনে বিশাল রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠি জীবন ফিরে পেয়েছে। রোহিঙ্গাদের উপর বর্বরোচিত নির্যাতন শুরুর পর থেকে বাংলাদেশ সরকার এবং সর্বস্তরের মানুষ রোহিঙ্গাদের পাশে মানবিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের জন্য যেমন সরকার কাজ করছে, তেমনি রোহিঙ্গাদের মৌলিক চাহিদা পূরণেও সরকার দেশী,বিদেশী সংস্থাকে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত ত্রাণ পৌঁছেনি। তাদের বাঁচিয়ে রাখতে এখন এ মূহুর্তে বেশী ত্রাণ সহায়তা দিতে হবে। এ দায়িত্ববোধ থেকে রামুবাসী সম্মিলিতভাবে রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রান সংগ্রহ ও বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছে।

সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নবাসীর উদ্যোগে রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রাণ উপহার সংগ্রহ উপলক্ষ্যে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন। সোমবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রামু চৌমুহনী স্টেশনে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন, ফতেখাঁরকুল ইউনিয়ন পরিষদের ফরিদুল আলম।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রামু উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগ সভাপতি রিয়াজ উল আলম বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য রামুবাসীর ত্রান সংগ্রহ ও প্রদানের উদ্যোগ একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ। কক্সবাজারের মাটি ও মানুষের প্রিয় নেতা এমপি কমল অতীতের মতো এবারও মানবিক বিপর্যয়ে এ ধরনের উদ্যোগ নিয়েছেন। ত্রান সংগ্রহ কার্যক্রমে রামুবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া মিলেছে। এভাবে ত্রাণ সংগ্রহ অব্যাহত থাকলে কদিন পরেই রামু থেকে রোহিঙ্গাদের জন্য রেকর্ড পরিমান ত্রাণের বহর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নেয়া সম্ভব হবে।




রোহিঙ্গাদের ত্রাণ দিয়ে মানবিক দায়িত্ব পালন করতে হবে


রামু প্রতিনিধি:
কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ সাইমুম সরওয়ার কমল বলেছেন, রোহিঙ্গা নির্যাতনের প্রতিবাদে বিশ্ববাসী স্বোচ্চার হলেও মায়ানমারে রোহিঙ্গা নির্যাতন এখনো বন্ধ হয়নি। এখনো রাখাইন রাজ্যে মুসলিমদের উপর বর্বর নির্যাতন, হত্যা, ধর্ষণ, বসত ঘরে অগ্নিসংযোগ করা হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের রক্তে আরাকানের সবুজ জমিন এখনো রক্তে লাল হয়ে যাচ্ছে, লাল হয়ে যাচ্ছে নাফ নদীর পানি। ভেসে উঠছে রোহিঙ্গাদের মৃতদেহ। নিরীহ মানুষকে হত্যা ও নারী-শিশুকে ধর্ষন-নির্যাতন চালিয়ে বিশ্বে কোন শাসক সফল হয়নি। মায়ানমারের রাক্ষুসে অং সান সুচিকে এ বর্বরতার জন্য কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে। তিনি জাতি সংঘ সহ বিশ^ নেতৃবৃন্দকে রোহিঙ্গা নির্যাতন অবিলম্বে বন্ধ করা এবং মায়ানমারের সামরিক জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানান।

এমপি কমল বলেন, ইতিপূর্বে রামুসহ দেশ বিদেশে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, ভূমিকম্পসহ প্রাকৃতিক দূর্যোগে ত্রাণ দিয়েছি। কিন্তু এবার রোহিঙ্গাদের জন্য আমি নিজেই জনতার কাছে ত্রাণ চাইতে এসেছি। সরকার, এনজিও এবং আর্ন্তজাতিক সংস্থা ও দেশ সমূহের ত্রাণ তৎপরতা শুরু হলেও সব ত্রাণ এখন আসছে না। তাই বিশাল রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠিকে বাঁচাতে হলে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। রোহিঙ্গারা অসহায়। তাদের সহায়তা করা মানবিক দায়িত্ব।

সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল রামু উপজেলার রাজারকুল ইউনিয়নবাসীর উদ্যোগে রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রাণ উপহার সংগ্রহ উপলক্ষ্যে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন। রবিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজারকুল পাঞ্জেখানা স্টেশনে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন, রাজারকুল ইউনিয়ন পরিষদের মুফিজুর রহমান মুফিজ।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা জাফর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কক্সবাজারের শ্রেষ্ট সমাজসেবক হিসেবে ভূষিত হয়েছিলেন, সাবেক সাংসদ  ও রাষ্ট্রদূত মরহুম আলহাজ ওসমান সরওয়ার আলম চৌধুরী। তাঁর উত্তরসুরি হিসেবে সংসদ সদস্য আলহাজ সাইমুম সরওয়ার কমল মানুষের কল্যাণ ও সমাজসেবামূলক কাজে নিজেকে উৎসর্গ করছেন।অসহায়-নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের জন্য রামুবাসীর সম্মিলিত ত্রাণ সংগ্রহ কার্যক্রম সাংসদ কমলের একটি অনন্য মানবিক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রামু উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগ সভাপতি রিয়াজ উল আলম বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য রামুবাসীর ত্রান সংগ্রহ ও প্রদানের উদ্যোগ একটি সময়োপযোগি পদক্ষেপ। কক্সবাজারের মাটি ও মানুষের প্রিয় নেতা এমপি কমল অতীতের মতো এবারও মানবিক বিপর্যয়ে এ ধরনের উদ্যোগ নিয়েছেন। ত্রান সংগ্রহ কার্যক্রমে রামুবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া মিলেছে। এভাবে ত্রাণ সংগ্রহ অব্যাহত থাকলে কদিন পরেই রামু থেকে রোহিঙ্গাদের জন্য রেকর্ড পরিমান ত্রাণের বহর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নেয়া সম্ভব হবে।




দেশের সবচেয়ে লম্বা মানুষের পর খাটো মানুষকেও পাওয়া গেল রামুর গর্জনিয়ায়

বাইশারী প্রতিনিধি:

দেশের সবচেয়ে লম্বা মানুষের পর খাটো মানুষেরও সন্ধান পাওয়া গেছে রামু উপজেলার গর্জনীয়ায়। ৫০ বছর বয়সী জাকের হোছন নামে এই ব্যক্তির উচ্চতা মাত্র ২ ফুট ১০ ইঞ্চি। ২০ বছরের অধিক সময় ধরে স্ত্রী হাজেরা বেগমের সাথে বিবাহিত জীবন পার করছে সুখেই। কিন্তু এখনো সন্তানের দেখা পায়নি তাঁরা। সে কক্সবাজার জেলার রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নের শাহ মোহাম্মদপাড়া গ্রামের মৃত বাঁচা মিয়ার পুত্র।

জাকের হোছন বলেন, ‘উচ্চতা কম হওয়ায় সব কাজ করা যায়না। সংসার চালাতে অনেক কষ্ট হয়। পাহাড় থেকে লাকড়ি সংগ্রহ করে বাজারে এসব বিক্রি করে অল্প টাকা আয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়।

স্ত্রী হাজেরা খাতুন বলেন, ‘খাটো স্বামীকে নিয়ে কোন দুঃখ নেই, আমি সুখেই আছি। তবে সন্তান না হওয়া নিয়ে মনে একটু কষ্ট আছে। রাস্তার কাজ করে আমি প্রতিমাসে সাড়ে ৪ হাজার টাকা আয় করি আর স্বামী প্রতিবন্ধী ভাতা হিসাবে সরকার থেকে ছয় মাস অন্তর অন্তর ৩ হাজার ৬০০ টাকা পায়।

স্থানীয় বাসিন্দা ও  আওয়ামীলীগ নেতা আয়ুব শিকদার বলেন, আমার মতে জাকের হোছন দেশের সবচেয়ে খাটো মানুষের মধ্যে একজন হতে পারে। তাঁর মতো খাটো আমি আর দেখিনি। তাকে নিয়ে এলাকায় অনেক কৌতুহল রয়েছে।




রোহিঙ্গাদের বাঁচানো জরুরী


রামু প্রতিনিধি:
কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ¦ সাইমুম সরওয়ার কমল বলেছেন, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান যেমন জরুরী তেমনি তাদের ত্রাণ সহায়তা দিয়ে বাঁচিয়ে রাখাও জরুরী। বর্তমানে ত্রাণের অভাবে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে হাহাকার চলছে।

তিনি বলেন, ত্রাণের অভাবে ৬ লাখেরও বেশী রোহিঙ্গা মানবেতর সময় পার করছে। তারা এমনিতেই নির্যাতিত। মায়ানমারের আরাকান রাজ্য থেকে পালিয়ে এসব রোহিঙ্গাদের পরিবারের কেউ না কেউ নির্যাতনে প্রাণ হারিয়েছেন। অনেক পরিবারের সব সদস্যকেও হত্যা করা হয়েছে। নির্যাতন শুরুর পর থেকে বাংলাদেশ সরকার এবং সর্বস্তুরের মানুষ রোহিঙ্গাদের পাশে মানবিক সহায়তা নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছিলো। এখন সেই ত্রান ফুরিয়ে যাচ্ছে। বিদেশী ত্রান আসতেও বিলম্ব হচ্ছে। এ দায়িত্ববোধ থেকে রামুবাসী সম্মিলিতভাবে রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রান সংগ্রহ কার্যক্রম চালাচ্ছে।

সাংসদ কমল আরো বলেন, রোহিঙ্গা নিয়ে আমি রাজনীতি করতে চাই না। ইতিপূর্বে বন্যা, সিড়র, মোরা সহ প্রলংকরী ঘূর্ণিঝড় এবং নেপালে সংগঠিত ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য রামুবাসীর পক্ষ থেকে ত্রান দেয়া হয়েছিলো। রামুর মানুষ মানবিক। এখনো তা প্রমান হবে।  মায়ানমারে রাখাইনদের বর্বরোচিত গণহত্যা ও নির্যাতনের শিকার হয়ে এদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা বর্তমানে খাবার, পানীয়, বাসস্থান, চিকিৎসাসহ নানা সংকটে জর্জরিত। নিপীড়িত, রোহিঙ্গাদের কারো গায়ে কাপড় নেই, কারো পেটে খাবার নেই।

সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল রামু উপজেলার চাকমারকুল ইউনিয়নবাসীর উদ্যোগে রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রাণ উপহার সংগ্রহ উপলক্ষ্যে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন। আজ শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কলঘর বাজারে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন, চাকমারকুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সিকদার।

সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রামু উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগ সভাপতি রিয়াজ উল আলম বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য রামুবাসীর ত্রান সংগ্রহ ও প্রদানের উদ্যোগ একটি সময়োপযোগি পদক্ষেপ। কক্সবাজারের মাটি ও মানুষের প্রিয় নেতা এমপি কমল অতীতের মতো এবারও মানবিক বিপর্যয়ে এ ধরনের উদ্যোগ নিয়েছেন। ত্রান সংগ্রহ কার্যক্রমে রামুবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া মিলেছে। এভাবে ত্রাণ সংগ্রহ অব্যাহত থাকলে কদিন পরেই রামু থেকে রোহিঙ্গাদের জন্য রেকর্ড পরিমান ত্রাণের বহর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নেয়া সম্ভব হবে।




রোহিঙ্গাদের মত নির্যাতিত ও অসহায় জাতি আর নেই: সরওয়ার কমল

রামু প্রতিনিধি:
কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ সাইমুম সরওয়ার কমল বলেছেন, রোহিঙ্গাদের মত নির্যাতিত ও অসহায় জাতি পৃথিবীতে আর নেই। যুগ যুগ ধরে তারা মায়ানমারে অধিকার বঞ্চিত হয়ে মানবেতর সময় পার করছিলো। অতীতের মতো সাম্প্রতিক যে নির্যাতন হয়েছে তা বিশ্ববাসীকে হতবাক করেছে। নির্মমতার চরম সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা তাদের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান যেমন জরুরী, মানুষ হিসেবে তাদের বাঁচানোও জরুরী। এজন্য রোহিঙ্গাদের এখন বেশী বেশী ত্রাণ সহায়তা দিতে হবে।

তিনি বলেন, ত্রাণের অভাবে ৬ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা মানবেতর সময় পার করছে। তারা এমনিতেই নির্যাতিত। মায়ানমারের আরাকান রাজ্য থেকে পালিয়ে এসব রোহিঙ্গাদের পরিবারের কেউ না কেউ নির্যাতনে প্রাণ হারিয়েছেন। অনেক পরিবারের সব সদস্যকেও হত্যা করা হয়েছে। নির্যাতন শুরুর পর থেকে বাংলাদেশ সরকার এবং সর্বস্তুরের মানুষ রোহিঙ্গাদের পাশে মানবিক সহায়তা নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছিলো। এখন সেই ত্রান ফুরিয়ে যাচ্ছে। বিদেশী ত্রান আসতেও বিলম্ব হচ্ছে। এ দায়িত্ববোধ থেকে রামুবাসী সম্মিলিতভাবে রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রান সংগ্রহ কার্যক্রম চালাচ্ছে।

সাংসদ কমল আরো বলেন, রোহিঙ্গা নিয়ে আমি রাজনীতি করতে চাই না। ইতিপূর্বে বন্যা, সিড়র, মোরা সহ প্রলংকরী ঘূর্ণিঝড় এবং নেপালে সংগঠিত ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য রামুবাসীর পক্ষ থেকে ত্রান দেয়া হয়েছিলো। রামুর মানুষ মানবিক। এখনো তা প্রমান হবে।  মায়ানমারে রাখাইনদের বর্বরোচিত গণহত্যা ও নির্যাতনের শিকার হয়ে এদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা বর্তমানে খাবার, পানীয়, বাসস্থান, চিকিৎসাসহ নানা সংকটে জর্জরিত। নিপীড়িত, রোহিঙ্গাদের কারো গায়ে কাপড় নেই, কারো পেটে খাবার নেই।

সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নবাসীর উদ্যোগে রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রাণ উপহার সংগ্রহ উপলক্ষ্যে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।  বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জোয়ারিয়ানালা মাদরাসা গেইট স্টেশনে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন, জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল শামসুদ্দিন আহমেদ প্রিন্স।

সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রামু উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগ সভাপতি রিয়াজ উল আলম বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য রামুবাসীর ত্রান সংগ্রহ ও প্রদানের উদ্যোগ একটি সময়োপযোগি পদক্ষেপ। কক্সবাজারের মাটি ও মানুষের প্রিয় নেতা এমপি কমল অতীতের মতো এবারও মানবিক বিপর্যয়ে এ ধরনের উদ্যোগ নিয়েছেন। ত্রান সংগ্রহ কার্যক্রমে রামুবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া মিলেছে। এভাবে ত্রাণ সংগ্রহ অব্যাহত থাকলে কদিন পরেই রামু থেকে রোহিঙ্গাদের জন্য রেকর্ড পরিমান ত্রাণের বহর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নেয়া সম্ভব হবে।

জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়ন যুবলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি জহির আহমদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মত বিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন, ফতেখাঁরকুল ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম, আওয়ামীলীগ নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এমএম নুরুচছাফা, আওয়ামীলীগ নেতা মাস্টার ফরিদ আহমদ, এসএম শাখাওয়াত হোসেন, এরশাদ উল্লাহ, কক্সবাজার জেলা যুবলীগ নেতা এমএম আবুল কালাম, উপজেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক নীতিশ বড়–য়া, কবীর বলী, আওয়ামীলীগ নেতা আবছার কামাল সিকদার, মাসুদুর রহমান ও সৈয়দ মো. আবদুস শুক্কুর, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি কেন্দ্রিয় কমিটির যুগ্ন সম্পাদক সৈয়দ নজরুল ইসলাম, জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি জাবেরুল কালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক কাউসার হামিদ, যুবলীগ নবীউল হক আরকান, নেতা উত্তম মহাজন, জাহাঙ্গীর আলম, জাতীয় শ্রমিকলীগ জেদ্দা শাখার সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক আজিজ, ফতেখাঁরকুল ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি আজিজুল হক, জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য যথাক্রমে জসিমুল ইসলাম, মিজানুর রশিদ আমিন রুবেল, আবদু ছালাম, মো. ইসলাম, মহলজ্জামা, সোলেমান, আবু তালেব ও রশিদ মিয়া, জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি হেলাল উদ্দিন, জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ন আহবায়ক দিলীপ কুমার মহাজন, সাবেক ইউপি সদস্য নুরুল আজিম, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা শাহজাহান মিয়া, যুবলীগ নেতা হালিমুর রায়হান প্রমূখ।

সভায় সাংসদ সাইমুম সরওয়ার কমল ও উপজেলা চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলমের নেতৃত্বে অসহায় রোহিঙ্গাদের জন্য রামুবাসীর পক্ষ থেকে সম্মিলিতভাবে উপহারসামগ্রী প্রদানে সকলের অংশগ্রহন ও সহযোগিতা কামনা করা হয়। রামুবাসীর কাছ থেকে সংগ্রহ করার পর এসব উপহার নির্যাতিত রোহিঙ্গা জনগোষ্টিকে প্রদান করা হবে। সভায় আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, শ্রমিকলীগ, সৈনিকলীগ, তাঁতীলীগ, বাস্তুহারালীগ নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তুরের শত শত জনতা উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভা চলাকালে জোয়ারিয়ানালা ঘোনার পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্র আরিফ উল্লাহ বাপ্পী নগদ ১০০ টাকা তহবিলে জমা দিয়ে জোয়ারিয়ানালাবাসীর ত্রাণ সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করেন।




অসহায় রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানো বিবেকবান মানুষের দায়িত্ব

 

রামু প্রতিনিধি:

কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল বলেছেন, ত্রাণের অভাবে ৬ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা মানবেতর সময় পার করছে। তারা এমনিতেই নির্যাতিত। মিয়ানমারের আরাকান রাজ্য থেকে পালিয়ে এসব রোহিঙ্গাদের পরিবারের কেউ না কেউ নির্যাতনে প্রাণ হারিয়েছেন। অনেক পরিবারের সব সদস্যকেও হত্যা করা হয়েছে। নির্যাতন শুরুর পর থেকে বাংলাদেশ সরকার এবং সর্বস্তুরের মানুষ রোহিঙ্গাদের পাশে মানবিক সহায়তা নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছিলো। এখন সেই ত্রান পুরিয়ে যাচ্ছে। বিদেশি ত্রান আসতেও বিলম্ব হচ্ছে। তাই এ মুহূর্তে জরুরী ত্রান দিয়ে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠির পাশে দাঁড়ানো সকল বিবেকবান মানুষের অন্যতম দায়িত্ব। এ দায়িত্ববোধ থেকে রামুবাসী সম্মিলিতভাবে রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রান সংগ্রহ কার্যক্রম চালাচ্ছে।

সাংসদ কমল আরো বলেন, রোহিঙ্গা নিয়ে আমি রাজনীতি করতে চাই না। ইতিপূর্বে বন্যা, সিড়র, মুরা সহ প্রলংকরী ঘূর্ণিঝড় এবং নেপালে সংগঠিত ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য রামুবাসীর পক্ষ থেকে ত্রান দেয়া হয়েছিলো। রামুর মানুষ মানবিক। এখনো তা প্রমান হবে।  মিয়ানমারে রাখাইনদের বর্বরোচিত গণহত্যা ও নির্যাতনের শিকার হয়ে এদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা বর্তমানে খাবার, পানীয়, বাসস্থান, চিকিৎসাসহ নানা সংকটে জর্জরিত। নিপীড়িত, রোহিঙ্গাদের কারো গায়ে কাপড় নেই, কারো পেটে খাবার নেই।

তিনি আরো বলেন, শুরু থেকে চীন ও ভারত মিয়ানমারের পক্ষালম্বন করলেও প্রধানমন্ত্রীর সফল প্রচেষ্টায় বর্তমানে এ দেশ দুটিও রোহিঙ্গা বিষয়ে নমনীয় হয়েছে। আর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধান করবেন। এজন্য প্রধানমন্ত্রী নিজেই জাতিসংঘ সহ বিশ্ব সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ করে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। মিয়ানমারে নিপীড়ন ও গণহত্যার শিকার লাখ লাখ নারী-পুরুষ, শিশু এখন সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ঠাঁই নিয়েছে। যারা এসেছে সবাই দরিদ্র মানুষ নয়। এদের কেউ কেউ বড় ব্যবসায়ী, কেউ বহুতল ভবনেরও মালিক আবার কেউ সেখান সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মরত। এদের উপর মিয়ানমারের নির্যাতনের ভয়াবহতা পুরো বিশ্ব অবগত। এরা সবাই সহায় সম্বল ছেড়ে আসতে বাধ্য হয়েছে।

সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল বুধবার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়বাসী ও কচ্ছপিয়া ইউনিয়নবাসীর উদ্যোগে রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রান উপহার সংগ্রহ উপলক্ষ্যে আয়োজিত পৃথক সমাবেশে এসব কথা বলেন।

পৃথক সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, রামু উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগ সভাপতি রিয়াজ উল আলম। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য রামুবাসীর ত্রান সংগ্রহ ও প্রদানের উদ্যোগ একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ। কক্সবাজারের মাটি ও মানুষের প্রিয় নেতা এমপি কমল অতীতের মতো এবারও মানবিক বিপর্যয়ে এ ধরনের উদ্যোগ নিয়েছেন। এমপি কমল কেবল উন্নয়নে নয়, মানুষের সেবাতেও অনন্য মানুষ।

বিকাল পাঁচটায় গর্জনিয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা মিলনায়তনে গর্জনিয়াবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম। পরে রাত আটটায় কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের গর্জনিয়া বাজারে কচ্ছপিয়াবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, কচ্ছপিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবু ইসমাইল মো. নোমান।

এসব সমাবেশে কক্সবাজার জেলা পরিষদের সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যান শামসুল আলম, ফতেখাঁরকুল ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম, কাউয়ারখোপ ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ, উপজেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক নীতিশ বড়ুয়া, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রিয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, গর্জনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ফরিদ আহমদ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব সিকদার, প্রমুখ।

সভায় সাংসদ সাইমুম সরওয়ার কমল ও উপজেলা চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলমের নেতৃত্বে অসহায় রোহিঙ্গাদের জন্য রামুবাসীর পক্ষ থেকে সম্মিলিতভাবে উপহারসামগ্রী প্রদানে সকলের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা কামনা করা হয়। রামুবাসীর কাছ থেকে সংগ্রহ করার পর এসব উপহার নির্যাতিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠিকে প্রদান করা হবে। সভায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, শ্রমিকলীগ, সৈনিকলীগ, তাঁতীলীগ, বাস্তুহারালীগ নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তুরের শত শত জনতা উপস্থিত ছিলেন।




অসহায় রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়াবে রামুবাসী

রামু প্রতিনিধি:

কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল বলেছেন, মায়ানমারে রাখাইনদের বর্বরোচিত গণহত্যা ও নির্যাতনের শিকার হয়ে এদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা বর্তমানে খাবার, পানীয়, বাসস্থান, চিকিৎসাসহ নানা সংকটে জর্জরিত। নিপীড়িত, রোহিঙ্গাদের কারো গায়ে কাপড় নেই, কারো পেটে খাবার নেই। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর ত্রান পৌঁছতেও আরো বিলম্ব হবে। কিন্তু সে পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের ত্রান দিয়ে পাশে দাঁড়ানো মানুষ হিসেবে সবার দায়িত্ব। মানবিক এমন বিপর্যয়ে রোহিঙ্গাদের রামুবাসী সম্মিলিতভাবে ত্রান প্রদানের জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও সহায়তা দিয়ে বিশ্বে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি রামুবাসীর উদ্যোগে রোহিঙ্গাদের ত্রাণ কার্যক্রমে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

সাংসদ কমল আরো বলেন, শুরু থেকে চীন ও ভারত মিয়ানমারের পক্ষালম্বন করলেও প্রধানমন্ত্রীর সফল প্রচেষ্টায় বর্তমানে এ দেশ দুটিও রোহিঙ্গা বিষয়ে নমনীয় হয়েছে। আর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধান করবেন। এজন্য প্রধানমন্ত্রী নিজেই জাতিসংঘ সহ বিশ্ব সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ করে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। মিয়ানমারে নিপীড়ন ও গণহত্যার শিকার লাখ লাখ নারী- পুরুষ, শিশু এখন সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ ঠাঁই নিয়েছে। যারা এসেছে সবাই দরিদ্র মানুষ নয়। এদের কেউ কেউ বড় ব্যবসায়ী, কেউ বহুতল ভবনেরও মালিক আবার কেউ সেখান সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মরত। এদের উপর মায়ানমারের রাখাইনদের নির্যাতনের ভয়াবহতা পুরো বিশ্ব অবগত। এরা সবাই সহায় সম্বল ছেড়ে আসতে বাধ্য হয়েছে।

সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রামু উপজেলার কাউয়ারখোপ বাজার চত্বরে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, শ্রমিকলীগ, সৈনিকলীগ, তাঁতীলীগ, বাস্তুহারালীগ ও সুধীজনদের সাথে বিশাল মত বিমিনয় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মীর কাসেমের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, রামু উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগ সভাপতি রিয়াজ উল আলম।

সমাবেশে কক্সবাজার জেলা পরিষদের সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যান শামসুল আলম, কাউয়ারখোপ ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ, রামু উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল হক, লেখক এম সুলতান আহমদ মনিরী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

সভায় সাংসদ সাইমুম সরওয়ার কমল ও উপজেলা চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলমের নেতৃত্বে অসহায় রোহিঙ্গাদের জন্য রামুবাসীর পক্ষ থেকে সম্মিলিতভাবে উপহারসামগ্রী প্রদানে সকলের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা কামনা করা হয়। রামুবাসীর কাছ থেকে সংগ্রহ করার পর এসব উপহার নির্যাতিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠিকে প্রদান করা হবে। সভায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, শ্রমিকলীগ, সৈনিকলীগ, তাঁতীলীগ, বাস্তুহারালীগ নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তুরের শত শত জনতা উপস্থিত ছিলেন।




বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা মানুষ কি রামুর গর্জনিয়ায়!

নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি:

বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা জীবিত মানুষ তুরস্কের সুলতান কসেন। তার উচ্চতা ৮ ফুট ৩ ইঞ্চি। তিনি ১৯৮২ সালে জন্ম গ্রহণ করেন।  ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বরে গিনিস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস  তাকে পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘকার ব্যক্তির স্বীকৃতি দিলে রাতারাতি তারকা বনে যান কসেন বা কোসেন। পিটুইটারি গ্রন্থিতে একটি টিউমারের কারণেই সুলতানের এ অস্বাভাবিক বৃদ্ধি। আর এ কোসেনের মতো বা তার চাইতে আরো সামান্য লম্বা আরেক তারকার সন্ধান মিলে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত এক অঞ্চলে। অজপাড়া গাঁয়ের এ লম্বা মানুষটি কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের বড়বিল গ্রামে বাস করেন। তার নাম জিন্নাত আলী। বয়স তার ১৯ ছুইঁ ছুই। তার পিতা আমির হামজা পেশায় কৃষক।  বাংলাদেশ নয় শুধু ধারনা করা হয় সে বিশ্বের  সবচেয়ে লম্বা মানুষ কি-না ! তার বর্তমান উচ্চতা ৮ ফুট ৬ ইঞ্চি।

মা শাহপুরি বেগম  এ পার্বত্যনিউজকে জানান, ছেলে লম্বা হওয়ার কারণে খাদ্য জোগানও দিতে হচ্ছে বেশি। শারীরিক অবস্থা ভাল নয়। মাথায় টিউমার, ডান পায়ে ঘা হয়ে পচন ধরেছে। এক পা আরেক পায়ের চেয়ে দুই ইঞ্চি খাটো হয়ে যাচ্ছে। অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাও সম্ভব হচ্ছে না। তাদের পরিবারে ভিটে মাটি ছাড়া আর কোন অর্থ সম্পদও নেই।

পিতা আমির হামজা জানান, ছেলে লম্বা হওয়ার কারণে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়াও মুশকিল হয়ে দাড়িয়েছে। রিক্সা, সিএনজি, মাইক্রো, জীপ গাড়িতে বসানো যায় না। চিকিৎসার জন্য গত এক বছর আগে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে  কর্তব্যরত চিকিৎসক ঢাকা নিয়ে যাওয়ার জন্য পরামর্শ দেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজে নেওয়ার পর ব্যয়বহুল টাকার প্রয়োজন হওয়ায় চিকিৎসার অভাবে আবারো বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে লম্বা মানুষটির শারীরিক অবস্থা দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে।

গতকাল এ প্রতিবেদক সরজমিনে তার বাড়িতে গিয়ে মা-বাবা ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানতে পারেন, বয়স মাত্র ১৯ বছর। বয়স বাড়ার সাথে সাথে সে আরো লম্বা হয়ে যাচ্ছে। তবে বিভিন্ন রোগ ব্যাধি তাকে আক্রান্ত করায় বর্তমানে তেমন একটা নড়াচড়া ও কোন ধরনের কাজ করতে পারছে না। এলাকাবাসীর দাবি এই লম্বা মানুষটিকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম জানান, ছেলেটির বয়স কম হলেও সে অনেক লম্বা হয়ে গেছে। পরিবারের পক্ষে তার শরীরের দুরাবস্থা নিয়ে চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করা সম্ভব হচ্ছে না।