রামুর চাকমারকুলে অলিম্পিক বার ফুটবলে প্রভাতি একাদশ চ্যাম্পিয়ন

ramu pic football 23.3

রামু প্রতিনিধি:

কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল বলেছেন, দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে কক্সবাজার-রামু এখন পরিচিত নাম। এখানকার খেলোয়াড়রা এখন জাতীয় ক্রিকেট দল এবং জাতীয় ফুটবল দলে খেলছে। এটা আমাদের জন্য গৌরবের। অচিরেই রামুতে এক লাখ দর্শক ধারন ক্ষমতার স্টেডিয়াম, বিকেএসপি ভবন নির্মাণ শুরু হবে। আগামীতে ক্রীড়া চর্চার উর্বর ভূমিতে পরিনত হবে রামু। তখন এখানকার খেলোয়াড়রা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশের মাটিতেও খেলতে যাবে। আর বিদেশে যদি কোন খেলোয়াড় খেলার জন্য গেলে তাদের আসা যাওয়ার খরচও আমি বহন করবো।

রামুতে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় অলিম্পিক বার ফুটবল টূর্ণামেন্টের সমাপনী খেলায় বিজয়ীদের পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাংসদ কমল এসব কথা বলেন

বৃহষ্পতিবার (২৩ মার্চ) বিকালের চাকমারকুল ইউনিয়নের কলঘর বাজার সংলগ্ন মাঠে তেচ্ছিপুল উন্নয়ন পরিষদ আয়োজিত এ টূর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলায় স্বাগতিক টি সেভেন ভাইকিংস ফুটবল একাদশকে ২-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন শিরোপা লাভ করে প্রভাতি ফুটবল একাদশ।

বিজয়ীদলের পক্ষে খেলার প্রথমার্ধে মতিউর ও কমল জয়সূচক গোল দুটি করেন। পরে দ্বিতীয়ার্ধে স্বাগতিক টি সেভেন ভাইকিংস ফুটবল একাদশের পক্ষে ছৈয়দ করিম একটি গোল করে ব্যবধান কমায়। খেলায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় প্রভাতি একাদশের পক্ষে দুজন জাতীয় দলের খেলোয়াড় এবং রানার আপ হওয়া টি সেভেন ভাইকিংস ফুটবল একাদশের পক্ষে ঘানার একজন খেলোয়াড় অংশ নেন। বিজয়ী দলের খেলোয়াড় কমল বড়ুয়া সেরা খেলোয়াড় এবং স্বাগতিক টি সেভেন ভাইকিংস ফুটবল একাদশের গোলরক্ষক মিনহাজ ম্যান অব দ্য সিরিজ এর পুরষ্কার পান।

টূর্ণামেন্ট আয়োজক তেচ্ছিপুল উন্নয়ন পরিষদ এর সভাপতি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসাইন’র পরিচালনায় পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট আবুল কালাম ছিদ্দিকী।

এতে বিশেষে অতিথি ছিলেন, রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাজাহান আলি, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলী হোসেন, কক্সবাজার জেলা পরিষদের সদস্য নুরুল হক, ফতেখাঁরকুল ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম, চাকমারকুল ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সিকদার, সাবেক চেয়ারম্যান মুফিদুল আলম, মাস্টার ফরিদ আহমদ, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ও রেফারি সুবীর বড়ুয়া বুলু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ক্রীড়া সংগঠক শফিকুর রহমান, রামু ব্রাদার্স ইউনিয়নের সভাপতি নবু আলম, ইউপি সদস্য মোস্তাক আহমদ, মাস্টার নজিবুল আলম, মোহাম্মদ আলী। অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলো স্থানীয় সংগঠন বিডিএমএস। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন, টূর্ণামেন্ট আয়োজক তেচ্ছিপুল উন্নয়ন পরিষদের সদস্য জাহেদ, মনজুরসহ সকল সদস্যবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে সাংসদ কমল আরও বলেন, রামুতে এত বিশাল আনুষ্ঠানিকতায় ফুটবল এ ধরনের টূর্ণামেন্ট আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়। তিনি খেলার আয়োজক সংগঠনকে ১ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করা হবে বলেও জানান। তিনি বলেন, কেবল ক্রীড়া ক্ষেত্রে নয়, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধিন বর্তমান সরকার বেকারত্ব দূর করে মধ্যম আয়ের উন্নয়নশীল দেশে পরিনত করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মানুষের কল্যাণে প্রয়োজনীয় সকল উন্নয়নমূলক কাজ এখন দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।

টূর্ণামেন্ট আয়োজক তেচ্ছিপুল উন্নয়ন পরিষদ এর সভাপতি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসাইন জানিয়েছেন, টূর্ণামেন্টে চ্যাম্পিয়ন দলকে নগদ ৫০ হাজার টাকা ও ট্রপি এবং রানার আপ দলকে ১৫ হাজার নগদ টাকা ও ট্রপি তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। ফাইনাল খেলায় হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো।

এরআগে সকালে সাংসদ কমল কক্সবাজার সদর উপজেলার ইসলামাবাদ ইসলামিয়া আদর্শ দাখিল মাদ্রাসার বার্ষিক পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। দুপুরে তিনি পর্যটন স্পট ইনানীতে রামু খিজারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক পিকনিক এ অংশ নেন।




রামুতে ৩ শিক্ষকের ইন্তেকাল, শিক্ষাঙ্গনে শোকের ছায়া

Untitled-1 copy

রামু প্রতিনিধি:

রামুতে ৩ শিক্ষকের মৃত্যুতে শিক্ষক সমাজে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এরা হলেন, রামুর ফাক্রিকাটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইসহাক, রাজারকুল মাছুমিয়া ইসলামিয়া ছুন্নিয়া আলিম মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা মো. ছালামত উল্লাহ ও রামুর মেরংলোয়া গ্রামের বাসিন্দা সাংবাদিক গিয়াস উদ্দিনের স্ত্রী চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার উত্তর দেয়াং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাকেরা বেগম।

রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের ফাক্রিকাটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইসহাক (৪৮) বৃহস্পতিবার ভোর ৩ টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আগেরদিন হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাকে সেখানে ভর্তি করা হয়। মো. ইসহাক ফাক্রিকাটা এলাকার মরহুম আবুল কাশেমের দ্বিতীয় ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২সন্তান রেখে গেছেন। মো. ইসহাক পার্শ্ববর্তী গর্জনিয়া ইউনিয়নের বড় জামছড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাশেমের ছোট ভাই।

বৃহস্পতিবার আছরের নামাজের পর ফাক্রিকাটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে মরহুমের জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য মো. ইসহাক ১৯৯৬ সালে কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের মৌলভীর কাটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। এরপর তিনি কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের ফাক্রিকাটা, শুকমনিয়া এবং গর্জনিয়া ইউনিয়নের বোমাংখিল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০০৯ সালে পদোন্নতি পেয়ে ঈদগড় উত্তর বড়বিল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। সেখান থেকে কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের গর্জনিয়া মড়েল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘ ১০ বছর শিক্ষকতা করার পর নিজ গ্রাম ফাক্রিকাটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। সব মিলিয়ে তিনি ২১ বছর শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত ছিলেন।

রামু উপজেলার রাজারকুল মাছুমিয়া ইসলামিয়া ছুন্নিয়া আলিম মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা মো. ছালামত উল্লাহ (৬৫) বুধবার রাত আটটায় রামুর ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের অফিসেরচরস্থ বাড়িতে ইন্তেকাল করেছেন। মৃত্যুর দিনও তিনি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেছেন। সন্ধ্যায় আকস্মিকভাবে অসুস্থবোধ করেন এবং অল্পক্ষণেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৫ ছেলে রেখে যান। প্রবীন শিক্ষক মাওলানা মো. ছালামত উল্লাহর মত্যুর খবরে শিক্ষক, ছাত্রছাত্রীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে।

বৃহষ্পতিবার বাদ জোহর রামু কেন্দ্রিয় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে মরহুমের নামাজে জানা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

চট্টগ্রামে মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন রামুর গৃহবধূ স্কুল শিক্ষক শাকেরা বেগম। বুধবার সকাল সাড়ে আটটায় চট্টগ্রাম শহরের কোতোয়ালী থানার নতুন ব্রিজ এলাকায় ট্রাকচাপায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। শাকেরা বেগম পটিয়া উপজেলার উত্তর দেয়াং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষক এবং রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের বাসিন্দা চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত দৈনিক প্রিয় চট্টগ্রাম পত্রিকার বিশেষ প্রতিবেদক গিয়াস উদ্দিনের স্ত্রী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, প্রতিদিনের মতো শাকেরা বেগম নগরীর বাসা থেকে বের হয়ে পটিয়ায় উত্তর দেয়াং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাচ্ছিলেন। নতুন ব্রিজ এলাকায় রাস্তা পারাপারের সময় দ্রুতগামী ট্রাক তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান তিনি।

বুধবার সন্ধ্যা সাতটায় শাকেরা বেগমের মৃতদেহ রামুর মেরংলোয়া গ্রামে শ্বশুর বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। এসময় স্বজনরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। এছাড়াও প্রতিবেশী, এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক সহ সর্বস্তুরের মানুষ সেখানে ছুটে যান।

শাকেরা বেগম ২ কন্যা সন্তানের জননী। এরমধ্যে বড় মেয়ে নাহিয়ান তাফান্নুম চট্টগ্রাম সরকারী মহিলা কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের এবং দ্বিতীয় মেয়ে জেবা ফারিহা বাংলাদেশ মহিলা সমিতি স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। বুধবার বাদে এশা রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের পশ্চিম মেরংলোংয়া এলাকায় মরহুমার নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। জানাযা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

উল্লেখ্য ইতিপূর্বে শাকেরা বেগম কক্সবাজার সদর উপজেলার মুক্তারকুল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছিলেন। পরে স্বামীর কর্মস্থল হওয়ায় তিনিও চট্টগ্রামে বদলী হন।

রামুর ফাক্রিকাটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইসহাক, রাজারকুল মাছুমিয়া ইসলামিয়া ছুন্নিয়া আলিম মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা মো. ছালামত উল্লাহ ও রামুর মেরংলোয়া গ্রামের বাসিন্দা সাংবাদিক গিয়াস উদ্দিনের স্ত্রী শিক্ষক শাকেরা বেগমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন, কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল।

এক বিবৃতিতে সাংসদ কমল বলেন, মানুষ গড়ার কারিগর এ তিন শিক্ষকের মৃত্যুতে যে শুণ্যতা সৃষ্টি হয়েছে তা কখনো পূরণ হবে না।  তিনি নিবেদিতপ্রাণ তিন শিক্ষকের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন এবং শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

এদিকে ২০ ঘন্টার ব্যবধানে রামুর তিন শিক্ষকের মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। পুরো উপজেলার শিক্ষাঙ্গনে বিরাজ করছে শোকাবহ পরিবেশ। রামু উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠন, রামু প্রেসক্লাব, রামু রিপোর্টার্স ইউনিটি ও সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ শিক্ষক মো. ইসহাক, মাওলানা ছালামত উল্লাহ ও শাকেরা বেগমের ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকাহত পরিবারের স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।




চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন রামুর গৃহবধূ স্কুল শিক্ষিকা শাকেরা বেগম

ramu pic sakera 22.03

রামু প্রতিনিধি:

চট্টগ্রামে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন রামুর গৃহবধূ স্কুল শিক্ষিকা শাকেরা বেগম। বুধবার সকাল সাড়ে আটটায় চট্টগ্রাম শহরের কোতোয়ালী থানার নতুন ব্রিজ এলাকায় ট্রাকচাপায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

শাকেরা বেগম পটিয়া উপজেলার উত্তর দেয়াং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষক এবং রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের বাসিন্দা চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত দৈনিক প্রিয় চট্টগ্রাম পত্রিকার বিশেষ প্রতিবেদক গিয়াস উদ্দিনের স্ত্রী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, প্রতিদিনের মতো শাকেরা বেগম নগরীর বাসা থেকে বের হয়ে পটিয়ায় উত্তর দেয়াং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাচ্ছিলেন। নতুন ব্রিজ এলাকায় রাস্তা পারাপারের সময় দ্রুতগামী ট্রাক তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান তিনি।

বুধবার সন্ধ্যা সাতটায় শাকেরা বেগমের মৃতদেহ রামুর মেরংলোয়া গ্রামে শ্বশুর বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। এসময় স্বজনরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। এছাড়াও প্রতিবেশী, এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিকসহ সর্বস্তুরের মানুষ সেখানে ছুটে যান।

শাকেরা বেগম ২ কন্যা সন্তানের জননী। এরমধ্যে বড় মেয়ে নাহিয়ান তাফান্নুম চট্টগ্রাম সরকারী মহিলা কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের এবং দ্বিতীয় মেয়ে জেবা ফারিহা বাংলাদেশ মহিলা সমিতি স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্রী।

বুধবার বাদে এশা রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের পশ্চিম মেরংলোংয়া এলাকায় মরহুমার নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। জানাযা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

উল্লেখ্য ইতিপূর্বে শাকেরা বেগম কক্সবাজার সদর উপজেলার মুক্তারকুল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছিলেন। পরে স্বামীর কর্মস্থল হওয়ায় তিনিও চট্টগ্রামে বদলী হন।

এদিকে সাংবাদিক গিয়াস উদ্দিনের স্ত্রী স্কুল শিক্ষিকা শাকেরা বেগমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন, কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল। এক বিবৃতিতে তিনি মরহুমার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন এবং শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।




নিজ উদ্যোগে কক্সবাজার-রামুর ছাত্রছাত্রীদের বিদেশে পড়াশুনার খরচ বহন করবো: সাংসদ কমল

 ramu college pic (3) 18.03

রামু প্রতিনিধি:

কক্সবাজার-রামু আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল বলেছেন, বিগত ৩ বছরে রামুর শিক্ষাক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। যা স্বাধীনতার ৪৩ বছরে হয়নি। স্বাধীনতার পূর্বে রামুতে উচ্চ বিদ্যালয় ছিলো ৫টি। বিগত ৪৩ বছরে এ সংখ্যা ছিলো ১২টি। অথচ বিগত ৩ বছরে রামুতে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে আরও ১০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

এর সুফল ভোগ রামুর ১১ ইউনিয়নের ছাত্রছাত্রীরা। বর্তমান সরকার শিক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীদের সঠিক শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে নিজেকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। সততা, মেধার সমন্বয় ঘটিয়ে নিজেকে আধুনিক ও কর্মক্ষেত্রে যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এখানকার ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা উন্নয়নের আমি নিরলসভাবে ভূমিকা রাখতে চাই। প্রয়োজনে কোন ছাত্রছাত্রী উচ্চ শিক্ষা অর্জনের জন্য বিদেশে পড়াশুনার জন্য যেতে হলে আমি বিমান টিকেট এর ব্যয়ভার বহন করবো।

রামু উপজেলার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ রামু বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে বর্ণাঢ্য আনুষ্ঠানিকতায় আয়োজিত নবীন বরণ উৎসব ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাংসদ কমল এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সাংসদ তার বক্তব্যে আরও বলেন, শুধু শিক্ষাক্ষেত্রে নয়, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য, অবকাঠামোগত উন্নয়নেও রামু অনেক এগিয়ে গেছে। স্বাধীনতার ৪৩ বছরে এখানে পাকা সড়ক ছিলো ৪৩ কিলোমিটার। আর বিগত ৩ বছরে নির্মিত হয়েছে ২৮ কিলোমিটার পাকা সড়ক। শীঘ্রই ২০৩ কোটি টাকা ব্যয়ে রামুতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। অচিরেই রামুতে বিকেএসপি, ক্যাডেট কলেজ ও রেল লাইনের কাজ শুরু হবে। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে রামু হবে বাংলাদেশের মডেল উপজেলা।

উৎসবে উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইশতিয়াক আহমেদ জয় এবং প্রধান বক্তা ছিলেন, মোরশেদ হোসাইন তানিম।

নবীন বরণ উৎসব ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক ও রামু উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, রামু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগ সভাপতি রিয়াজ উল আলম, রামু কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) আবদুল হক, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি জাফর আলম চৌধুরী, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা মুসরাত জাহান মুন্নী, কক্সবাজার জেলা পরিষদের সদস্য শামসুল আলম, রামু উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক নীতিশ বড়–য়া, জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি ইসমাইল সাজ্জাদ,  সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, রজত বড়–য়া রিকু, সালাহ উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ আলী খান প্রমুখ।

নবীন বরণ উৎসব ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব ও রামু উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ নোমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ফতেখাঁরকুল ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম, জোয়ারিয়ানালা ইউপি চেয়ারম্যান কামাল শামসুদ্দিন আহমেদ প্রিন্স, রাজারকুল ইউপি চেয়ারম্যান মুফিজুর রহমান মুফিজ, ঈদগড় ইউপি চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমদ ভূট্টো, গর্জনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম, কচ্ছপিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবু ইসমাঈল মো. নোমান, দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ইউনুচ ভূট্টো, রশিদনগর ইউপি চেয়ারম্যান এমডি শাহ আলম, কাউয়ারখোপ ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ, কক্সবাজার জেলা পরিষদের সদস্য নুরুল হক, মাস্টার ফরিদ আহমদ, ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম ভূট্টো, রামু প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি খালেদ শহীদ, কক্সবাজার জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সাধারণ সম্পাদক নুর আল হেলাল, কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি মাসুদুর রহমান মাসুদ, গর্জনিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন সোহেল, দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি মাস্টার রহমত উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক নুরুল করিম পুতু, খুনিয়াপালং যুবলীগ সভাপতি আবদুল্লাহ বিদ্যুৎ মেম্বার, রামু চৌমুহনী বণিক সমিতির সদস্য স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আজিজুল হক আজিজ, রাজারকুল ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি মাশেকুর রহমান, রামু কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি নাহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শাহারিয়া ইরফান, রামু কলেজ ছাত্রলীগ নেতা ওয়াহিদুর রহমান, ছাত্রলীগ নেতা আবদুল্লাহ, রিয়াজ আহমেদ, নওয়াছির আরাফাত সোহেল, মিশু, ইকবাল, সোহেল, আজিজুল হক আজিজ, সাইফুল, হেলাল, লবা, জমির সিকদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এতে উদ্বোধক’র বক্তব্যে কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইশতিয়াক আহমেদ জয় বলেন, যারা বাংলাদেশের সঠিক ইতিহাস জানতে পারবে তারাই ছাত্রলীগ করতে উৎসাহিত হবে। ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা যুদ্ধে ছাত্রলীগের অবদান রয়েছে। তাই ছাত্রলীগের কর্মী হওয়া গৌরবের। রামু শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, রাজনীতি ও ক্রীড়াক্ষেত্রে একটি অনন্য উপজেলা হিসেবে স্বীকৃত। এমন একটি সমৃদ্ধ উপজেলায় বৃহৎ ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের এ বিশাল অনুষ্ঠান শিক্ষার্থীদের আগামীদিনে সঠিক পথ চলার দিকনির্দেশনা দেবে।

নবীন বরণ উৎসবকে ঘিরে পুরো কলেজ ক্যাম্পাস সকাল থেকে ছাত্রছাত্রী ও অতিথিদের পদচারনায় মুখরিত হয়ে উঠে। সকাল ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে শুরু হয় উৎসবের কার্যক্রম। ছাত্রীদের মাথায় কাঁচা ফুলের বেনী আর ছাত্রদের পরনে রংবেরংয়ের টি শার্ট উৎসবস্থলকে করে দৃষ্টিনন্দন ও বৈচিত্রময়।

অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন, সাংসদ কমলের একান্ত সহকারী মিজানুর রহমান এবং ব্যক্তিগত সহকারী আবু বক্কর।

অনুষ্ঠানের নবীনদের উদ্দেশ্যে কলেজের ছাত্রী মহুয়া মমতাজ এবং প্রবীনদের উদ্দেশ্যে তারিন মানপত্র পাঠ করেন। শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলায়াত, গীতা ও ত্রিপিটক পাঠ করেন, দেলোয়ার হোসাইন সাঈদী, তর্মা শর্মা ও কেয়া বড়–য়া।

আলোচনা সভায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করে হাজারো ছাত্রছাত্রীদের মাতিয়ে তুলেন, ক্লোজআপ ওয়ান তারকা রন্টি দাশ। এছাড়া চট্টগ্রাম ও রামুর শিল্পীরাও অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন।




বন্যা কবলিত এলাকাগুলোতে শীঘ্রই বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে

ramu pic mp komol 17.03

রামু প্রতিনিধি:

কক্সবাজার-রামু আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল বলেছেন, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুম এলেই দক্ষিণ মিঠাছড়ির ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা পানিতে একাকার হয়ে যায়। তাই দক্ষিণ মিঠাছড়িসহ রামুর বন্যা কবলিত এলাকাগুলোতে শীঘ্রই বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে। অতিতে এখানকার সংসদ সদস্য দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের উন্নয়নে একটি টাকাও ব্যয় করেননি।

যে কারণে এখানকার যোগাযোগ ও শিক্ষা ব্যবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছিলো। কিন্তু বর্তমান সরকারের বিগত ৩বছরে ইউনিয়নের সড়ক নির্মাণসহ শিক্ষাক্ষেত্রে অনেক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়িত হয়েছে। এ ইউনিয়নের অন্যান্য সড়কগুলোর সংস্কার কাজ শীঘ্রই শুরু করা হবে। দক্ষিণ মিঠাছড়ির সম্ভাবনাময় ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে সরকারীভাবে সহযোগিতা দেয়া হবে।

রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়িতে ইউনুচ ভূট্টো গোল্ডকাপ ফুটবল টূর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলায় বিজয়ীদের পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণদানকালে সাংসদ কমল এসব কথা বলেন।

শুক্রবার বিকালে দক্ষিণ মিঠাছড়ি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ ফাইনাল খেলায় চৌফলদণ্ডী ফুটবল একাদশকে ২-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন ট্রপি নিশ্চিত করে স্বাগতিক দক্ষিণ মিঠাছড়ি ফুটবল একাদশ। দলের পক্ষে খেলার প্রথম এবং দ্বিতীয়ার্ধে গোল দুটি করেন দক্ষিণ মিঠাছড়ি একাদশের খেলোয়াড় মনছুর।

খেলা শেষে টূর্ণামেন্টের উদ্যোক্তা দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুচ ভূট্টোর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, রামু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রিয়াজ উল আলম, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি জাফর আলম চৌধুরী, ফতেখাঁরকুল ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম, চাকমারকুল ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সিকদার, গর্জনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম, কচ্ছপিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবু ইসমাঈল মো. নোমান, কাউয়ারখোপ ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ, কক্সবাজার জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক কায়সারুল হক জুয়েল, রামু উপজেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক নীতিশ বড়ুয়া প্রমুখ।

মাষ্টার জামাল হোছাইন চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে, দক্ষিণ মিঠাছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আহমদ শফি, দক্ষিণ মিঠাছড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নীহার কান্তি চক্রবর্তী, দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা আবদুর রশিদ, ছৈয়দ আলম, ইউপি সদস্য মো. খলিল, মোহাম্মদ হোসাইন ও আবুল কালাম, ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি রাহমত উল্লাহ, ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুল ইসলাম জয়, সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নুরুল ইসলাম ও যুবনেতা মো. ফারুক উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে সাংসদ কমল আরও বলেন, এলাকার প্রতিটি ছাত্রছাত্রীকে সুশিক্ষা নিশ্চিত করে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এজন্য কক্সবাজার-রামুর ছাত্র-ছাত্রীদের উচ্চ শিক্ষা অর্জনের জন্য বিদেশে যেতে হলে আমি ব্যক্তিগত তহবিল থেকে তাদের আর্থিক সহযোগিতা দেবো।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধিন সরকার সারাদেশে অভূতপূর্ব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। যার ছোঁয়া এখন কক্সবাজার ও রামুর আনাচে কানাচে ছড়িয়ে পড়ছে। এখন বিদ্যুতের লোডশেডিং নেই। ১০ টাকা দরে চাল পাচ্ছে অসহায় গরিব জনতা। বেড়ে গেছে মাথা পিছু আয়। দরিদ্র পরিবারের শিশুরাও এখন শিক্ষা লাভের সুযোগ পাচ্ছে। উন্নয়নের এ ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে তিনি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সকলের দোয়া কামনা করেছেন।

এর আগে বেলা আড়াইটায় সাংসদ কমল দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের জ্বিনের ঘোনা এলাকায় নব প্রতিষ্ঠিতি ইউনুচ ভূট্টো বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

এছাড়া একইদিন সকালে সাংসদ কমল কক্সবাজার জেলা প্রশাসন আয়োজিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও শিশু দিবসের অনুষ্ঠানে এবং দুপুরে বাহারছড়া জামে মসজিদে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফার ছেলে আক্দ অনুষ্ঠানে যোগদান করেন।




বৃহত্তর ঈদগাহ’র সকল সড়কের পাকাকরণ কাজ চলতি বছরই শেষ হবে

ramu pic mp komol (2) 16.3.17
রামু প্রতিনিধি :
কক্সবাজার-রামু আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল বলেছেন, কক্সবাজার সদর উপজেলার বৃহত্তর ঈদগাহ এলাকার সড়কগুলোর পাকাকরণ কাজ এ বছরই শেষ করা হবে। আগামী ২০ মার্চ কবি নুরুল হুদা সড়কের টেন্ডার অনুষ্ঠিত হবে। এসড়ক উন্নয়ন কাজে প্রায় ১১ কোটি টাকা ব্যয় হবে। বাশঘাটা বাজারের টেন্ডার আগামী ১৫ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। ঈদগাহ বাজারের রাস্তা পাকাকরণ কাজ বংকিম বাজার পর্যন্ত উন্নয়নের জন্য ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। জাকিরপাড়া রাস্তা ও তেলিপাড়া রাস্তা আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে এবং আউলিয়াবাদের রাস্তা ও বাশঘাটা রাস্তা আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। গণতন্ত্রের মানসকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশব্যাপী উন্নয়ন জোয়ার চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় ঈদগাহ একটি উন্নত ও উন্নয়নশীল এলাকায় পরিনত হবে।

বৃহত্তর ঈদগাহ এর পোকখালী মুসলিম বাজারে আয়োজিত বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষনদানকালে সাংসদ কমল এসব কথা বলেন। বৃহষ্পতিবার (১৬ মার্চ) বিকালে আয়োজিত এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কবির আহমদ।

সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে কক্সবাজার সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবু তালেব, ইউপি চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন জালালাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান ইমরুল রাশেদ, ঈদগাহ ইউপি চেয়ারম্যান ছৈয়দ আলম, ইসলামাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান নুর ছিদ্দিক, মক্কা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি হাবিব উল্লাহ প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

সমাবেশে সাংসদ কমল আরো বলেন, রাস্তাঘাট সহ সার্বিক উন্নয়ন কর্মকান্ড ত্বরান্বিত করে পোকখালী ইউনিয়নকে কক্সবাজারের একটি মডেল ইউনিয়নে পরিনত করা হবে। সাংসদ কমল আক্ষেপ করে বলেন, যদি ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে পারলে ঈদগাহ ফরিদ আহমদ কলেজকে আরো ৫ বছর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে রুপান্তর করতে পারতাম। আরো ৫ বছর আগে এ এলাকার বেড়িবাঁধ ও রাস্তাঘাট-সেতু নির্মিত হতো। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধিন সরকার সারাদেশে অভূতপূর্ব উন্নয়ন কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। যার ছোঁয়া এখন কক্সবাজার ও রামুর আনাচে কানাচে ছড়িয়ে পড়ছে। এখন বিদ্যুতের লোডশেডিং নেই। ১০ টাকা দরে চাল পাচ্ছে অসহায় গরিব জনতা। বেড়ে গেছে মাথা পিছু আয়। দরিদ্র পরিবারের শিশুরাও এখন শিক্ষা লাভের সুযোগ পাচ্ছে। উন্নয়নের এ ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে তিনি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সকলের দোয়া কামনা করেছেন। সমাবেশে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ সহ অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।




রামুতে অগ্নিকাণ্ডে ৩টি পোল্ট্রি খামার পুড়ে ছাই

ramu pic poltry 15.3

রামু প্রতিনিধি:

রামুতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৩টি পোল্ট্রি খামার পুড়ে গেছে। এতে ২৫ লাখ টাকার মতো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বুধবার ভোর পৌনে ৫টায় রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের তেমুহনী স্টেশনের পাশে দক্ষিণ শ্রীকুল এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

দীর্ঘদিন ওই ৩টি খামার যৌথভাবে পরিচালনা করছিলেন, হুমায়ন রশিদ লাভলু ও নবী হোছাইন নামের দু’ব্যক্তি।

তারা জানান, ভোরে শর্ট সার্কিট থেকে আকস্মিকভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়ে একটি খামার জ্বলতে শুরু করে। আগুনের লেলিহান শিখা বেড়ে গেলে আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস’র দমকল কর্মীরা যথাসময়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেনি। একারণে অপর দুটি খামারেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এক ঘন্টার মধ্যে ৩টি খামারই পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

তারা আরও জানান, এ অগ্নিকাণ্ডের মাত্র একদিন আগে এ খামারে ৩ হাজার মুরগির বাচ্চা আনা হয়। অগ্নিকাণ্ডে এ ৩হাজার বাচ্চাও মারা গেছে। তাছাড়া ৩টি খামার ঘর করতে গিয়ে প্রায় ২২ লাখ টাকা খরচ হয়েছিলো। এখন সবই পুড়ে গেছে। এতে তাদের ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ফতেখাঁরকুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদুল আলমসহ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা দুপুরে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়া খামারগুলো দেখতে যান।




রামুতে ভবন নির্মাণের পরও ঝুলে আছে ফায়ার সার্ভিসের কার্যক্রম

 

ramu pic fire service 15.03

রামু প্রতিনিধি:

রামু, নাইক্ষ্যংছড়ি এবং কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁওসহ ৩উপজেলার লাখ লাখ মানুষের  দীর্ঘদিনে প্রাণের দাবি রামু ফায়ার সার্ভিস স্টেশন। রামুর জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের চা বাগান এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পাশে ইতিমধ্যে ফায়ার সার্ভিসটির ভবনও নির্মাণ হয়েছে। কিন্তু জনৈক ব্যক্তির একটি মামলার কারণে ফায়ার সার্ভিসটির কার্যক্রম দীর্ঘদিন বন্ধ রয়েছে। এনিয়ে সংশ্লিষ্ট তিন উপজেলার জনমনে বিরাজ করছে চরম ক্ষোভ।

জানা গেছে, ২০১৪ সালের ৩১অক্টোবর কক্সবাজার সদর-রামু আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল রামুর জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের চা বাগান এলাকায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের ভবন নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করেন। স্বল্প সময়ে ভবনটির অধিকাংশ কাজও সম্পন্ন হয়। কিন্তু ফায়ার সার্ভিসের জমিতে স্বত্ত্ব দাবি করে উচ্চ আদালতে দায়ের করা একটি মামলার কারণে পুরো কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

উল্লেখ্য গত ১মাসে রামু উপজেলা, সদর উপজেলার ঈদগাঁও ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, নির্মিত ফায়ার সার্ভিসটি চালু না হওয়ায় তারা বিপুল ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছেন। তাদের দাবি জনস্বার্থে যেন মামলাটি প্রত্যাহার করা হয়। মাত্র দু’এক শতক জমির জন্য এতবড় একটি জনগুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান এভাবে মুখ থুবড়ে পড়ে থাকতে পারে না।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অগ্নিকাণ্ড ঘটানোর পরপরই কক্সবাজার কিংবা চকরিয়ার ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছার পূর্বে সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়। কারণ, কক্সবাজার সদরের একমাত্র ফায়ার সার্ভিসটি শহরের ভিতর হওয়ায় বিভিন্ন ঝুঁকি নিয়ে এলাকায় পৌঁছতে না পৌঁছতেই সবকিছু ছাই হয়ে যায়। অন্যদিকে দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে চকরিয়ার ফায়ার সার্ভিসটি এলাকায় আসতে বিলম্ব হচ্ছে। অন্যদিকে কয়েক লাখ মানুষের প্রাণের দাবি, রামু ফায়ার সার্ভিস স্থাপিত হওয়ায় মানুষের স্বপ্ন পূরণের কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছেন মামলা দায়েরকারী ব্যক্তি।

অথচ ওই ফায়ার সার্ভিসটি রামু হাসপাতাল সংলগ্ন মহাসড়কের পার্শ্ববর্তী স্থানে হওয়ায় দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছারও যুক্তিসঙ্গত কারণ এ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের। তাই দ্রুত গতিতে মামলা নিষ্পত্তি করে ফায়ার সার্ভিসটি উদ্বোধন করতে সাংসদ কমলের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন রামু, ঈদগাঁও ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সর্বস্তুরের জনতা। এটি উদ্বোধন করতে বিলম্ব হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার জনসাধারণকে আরও কোটি কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

কক্সবাজার-রামু আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল বলেছেন, তিনি এ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের জন্য চলমান মামলা প্রত্যাহারের জন্য সংশ্লিষ্ট বাদীর সাথে বৈঠক করেছিলেন। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হলেও তিনি এখনো মামলা প্রত্যাহার করেননি। তিনি যদি মামলা প্রত্যাহার না করেন, তবে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল দেশ গড়তে ঘনবসতি এলাকায় ইতিপূর্বে ফায়ার সার্ভিস স্থাপনের নির্দেশ দেয়ায় এলাকার জনমনে স্বস্তি ফিরে আসে। কিন্তু একটি মামলার কারণে একটি ফায়ার সার্ভিস অনুমোদনের এক যুগেও বাস্তবে রুপ না দেয়ায় জনমনে উল্টো চরম হতাশা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। তাই বিষয়টি নিরসনে কক্সবাজার-রামু আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমলসহ সকলের আন্তরিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী জনতা।

এদিকে এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে মামলার বাদী রামুর মেরংলোয়া গ্রামের বাসিন্দা অধ্যাপক আবদুস সাত্তার জানান, বিষয়টি সমাধানে তিনিও আন্তরিক। এব্যাপারে সাংসদ কমলের সাথে যোগাযোগও চলছে।




রামুতে ফসলের উন্নত জাত প্রদর্শনী

ramu pic 11.3.17
রামু প্রতিনিধি :
রামু উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু মাসুদ সিদ্দিকী বলেছেন, দেশের খাদ্য ঘাটতি পূরনে অধিক ফসল উদপাদনের বিকল্প নেই। তাই প্রান্তিক কৃষকদের উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এজন্য বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাতের প্রদর্শনীর মাধ্যমে কৃষকদের সচেতন করা হচ্ছে। প্রদর্শনী কৃষকদের বিনামূল্যে বীজ, সার সহ কৃষি উপকরণ সরবরাহ করা হচ্ছে।

শনিবার (১১ মার্চ) সকালে রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের দূর্গম জনপদ মুমরুর চর এলাকায় রাজস্ব খাতের অর্থায়নে চীনা বাদামের প্রদশর্ণী মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের মহিলা সদস্য শাকিলা সুলতানার সভাপতিত্বে ও উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা কামাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, ইউপি সদস্য আবছার কামাল ও সাংবাদিক সোয়েব সাঈদ।

এছাড়া অন্ষ্ঠুানে কৃষি বিভাগের এফএফ রেহেনা আকতার ও মুফিজুল আলম, অন্যান্য কৃষকদের মধ্যে নুরুল ইসলাম, হাকিম আলী, জুনাইদ, আবদুল হক, নুরুল আলম, নজির আহমদ বক্তব্য রাখেন। শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন, কৃষক আহসান মিয়া। অনুষ্ঠানে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও শতাধিক কৃষক উপস্থিত ছিলেন।




রামু কলেজে ছাত্রলীগের নবীন বরণ অনুষ্ঠান স্থগিত

রামু প্রতিনিধি :
রামুর সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ রামু কলেজে সোমবার (১৩ মার্চ) বাংলাদেশ ছাত্রলীগ রামু উপজেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত নবীন বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠান ২০১৭ এর অনিবার্য কারণে স্থগিত করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের তারিখ শীঘ্রই জানিয়ে দেয়া হবে।

রামু কলেজ নবীন বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠান ২০১৭ উদযাপন পরিষদের আহবায়ক ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম হোসেন ও সদস্য সচিব মোহাম্মদ নোমান এ তথ্য জানিয়েছেন।