রামগড়ে ভাব গম্ভীর পরিবেশে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত

রামগড় প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির রামগড়ে মঙ্গলবার যথাযোগ্য মর্যাদায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাৎবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন, পৌরসভা ও উপজেলা আওয়ামী লীগ দিবসটি উপলক্ষ্যে পৃথক পৃথকভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে। সকালে উপজেলা পরিষদ থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আল মামুন মিয়ার নেতৃত্ব শোক র‌্যালি বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে।

র‌্যালি শেষে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় ভাস্কর্য বেদীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।  উপজেলা অডিটরিয়ামে এ উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আল মামুন মিয়া, খাগড়াছড়ির সাবেক এমপি একেএম আলীম উল্লাহ, রামগড় সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সৈয়দ মোহাম্মদ ফরহাদ, উপজেলা উপজেলা আাওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মোস্তফা হোসেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের, উপজেলা পরিষদের মহিলা সদস্য ফাতেমা খাতুন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মফিজুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, হর্টিকালচার সেন্টারের উপ পরিচালক মো. মিজানুর রহমান। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এছাড়াও শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে প্রায় ৫ লক্ষ টাকা যুব ঋণ বিতর করা হয়।

রামগড় পৌরসভার উদ্যোগে মঙ্গলবার সকালে মেয়র মো. শাহ জাহান কাজী রিপনের নেতৃত্বে পৌরভবন থেকে শোক র‌্যালি বের করা হয়। বিজয় ভাস্কর্যে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে ঈদগাহ মাঠে আয়োজন করা দোয়া মাহফিল ও কাঙ্গালি ভোজ। সহ্রাধিক মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন কেন্দ্রিয় মসজিদের খতিব মাওলানা মো. আব্দুর রহিম।

দোয়া মাহফিলে মেয়র মো. শাহজাহান কাজী রিপন ছাড়াও পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, পৌরসভার কর্মকর্তা, কর্মচারি, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন নেতাকর্মী, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসার আলেম ওলামাসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষ্যে সকালে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে দলীয় অফিস প্রাঙ্গন থেকে শোক র‌্যালি বের হয়ে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় ভাস্কর্যে শেষ হয়। র‌্যালিতে জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সাবেক এমপি একেএম আলীম উল্লাহ, জেলা আওয়ামী লীগের নেতা শের আলী ভুইয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মোস্তফা হোসেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের, পৌর আওয়ামী লীগের নেতা রফিকুল আলম কামাল, বিশ্ব প্রদীপ ত্রিপুরাসহ উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। র‌্যালি শেষে  বিজয় ভাস্কর্যে দলীয় নেতৃবৃন্দ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে দলীয় অফিসে দোয়া মাহফিল ও তবারুক বিতরণ করা হয়।

এছাড়াও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড, রামগড় থানাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের পক্ষ খেকে বিজয় ভাস্কর্যে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্প স্তবক অর্পণ করে।




রামগড়ে পাজেপ’র উদ্যোগে ৩শ’ চাষীর মাঝে ১১ হাজার চারা বিতরণ

রামগড় প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের উদ্যোগে রামগড় উপজেলার ৩শ জন চাষীর মধ্যে ১১ হাজার আম ও তেজপাতা গাছের চারা বিতরণ করা হয়।শনিবার উপজেলা অডিটরিয়ামে জেলা পরিষদের সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতা মংশুইপ্রু চৌধুরী অপু প্রধান অতিথি হিসেবে চারাগুলো বিতরণ করেন।

উপজেলা কৃষি বিভাগের আয়োজনে এ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহি অফিসার মো. আল মামুন মিয়া। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মোস্তফা হোসেন, রামগড় হর্টিকালচার সেন্টারের উপ পরিচালক মিজানুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাছির উদ্দিন চৌধুরী, থানার অফিসার ইনচার্জ শরীফুল ইসলাম, সাবেক শিক্ষা কর্মকর্তা রামেশ্বর শীল, ইউপি চেয়ারম্যান মনিন্দ্র ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি নুরুল আজম।

অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি ৩শ জন চাষীর মধ্যে জনপ্রতি ২৫টি আম্রপালি আম ও ৫টি চেজপাতা গাছের চারা বিতরণ করেন।

এদিকে, জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে পরিষদের সদস্য মংশুইপ্রু চৌধুরী রামগড় উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির উন্নয়নের জন্য দুই লক্ষ টাকার একটি চেক উপজেলা নির্বাহি অফিসারের কাছে হস্তান্তর করেন।




রামগড়ে বিজিবি’র বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন

রামগড় প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির রামগড়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ’র ৪৩ ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে আজ (বুধবার) বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল এম. জাহিদুর রশীদ পিএসসি উপজেলা তৈচালাপাড়াস্থ ব্যাটালিয়ন সদরের আঙ্গিনায় নাশপাতি গাছের একটি চারা রোপন করে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

এসময় ব্যাটালিয়নের এডি গোলাম মোস্তফাসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অধিনায়ক লে. কর্ণেল এম জাহিদুর রশীদ বলেন, এবছর ব্যাটালিয়ন সদর ছাড়াও ৪৩ বিজিবির আওতাধীন সকল বিওপি ও বিশেষ ক্যাম্প গুলোর এলাকায় ৬৮০টি বনজ, ৪১৫টি ফলদ ও ৪০৫টি ঔষধী গাছের চারা রোপন করা হবে।

অপরদিকে, মাটিরাঙ্গা সেনা জোনের উদ্যোগে বুধবার প্রায় এক হাজার ৫০০টি বিভিন্ন জাতের ফলদ, বনজ ও ভেষজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়। মাটিরাঙ্গা পৌরসভা ও সদর ইউনিয়নের প্রায় ২শ ৫০জন দরিদ্র গ্রামবাসীর মধ্যে এসব চারা বিতরণ করা হয়। জোন কমান্ডার লে. কর্ণেল কাজী শামসের উদ্দিন পিএসসি প্রধান অতিথি হিসাবে এসব চারা বিতরণ করেন।




রামগড়ে ৪৩ বিজিবি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত


রামগড় প্রতিনিধি:
খাগড়াছড়ির রামগড়ে ৪৩ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের(বিজিবি ১৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী  নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মঙ্গলবার উদযাপিত হয়েছে।

বিজিবি সূত্রে জানাগেছে, মঙ্গলবার বাদ ফজর ব্যাটালিয়ন সদর মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি শুরু হয়। সকাল সাড়ে ৮টায় আনুষ্ঠানিকভাবে পতাকা উত্তোলন করা হয়। সাড়ে ৯টায় অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ দরবার। দুপুরে প্রতিষ্ঠারবার্ষিকীর বিশালাকৃতির কেক কাটা হয়। ৪৩ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্ণেল এম জাহিদুর রশীদ পিএসসি ও আগত অতিথিবৃন্দ কেক কাটেন। পরে অনুষ্ঠিত  হয় প্রীতিভোজ।

প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে ২৩ বিজিবি’র অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. মাহমুদুল হক, ৪০ বিজিবি’ অধিনায়ক লে.কর্ণেল খালিদ আহমেদ, গুইমারা বিজিবি হাসপাতালের  অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. আবদুল ওয়াব, সিন্দুকছড়ি জোন কমান্ডার লে. কর্ণেল রুবায়েত মাহমুদ হাসিব পিএসসি-জি, মাটিরাঙ্গা জোন কমান্ডার লে. কর্ণেল কাজী শামসের উদ্দিন, ৪৩ বিজিবি’র এডি গোলাম মোস্তফা, রামগড় সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সৈয়দ মো. ফরহাদ, রামগড় থানা অফিসার ইনচার্জ মো. শরীফুল ইসলামসহ বিভিন্ন সামরিক, বে সামরিক কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ  উপস্থিত ছিলেন।

বিকালে অনুষ্ঠিত হয় প্রীতি ফুটবল ম্যাচ। রাতে আয়োজন করা হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।




রামগড়ে ৫ আগস্ট ১৪ হাজার শিশুকে ভিটামিন `এ’ খাওয়ানো প্রস্ততি সম্পন্ন

রামগড় প্রতিনিধি:

খাগড়ছড়ির রামগড় উপজেলায় আগামী ৫ আগস্ট ১৪ হাজার ৩০০ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।  উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ৯০ কেন্দ্রে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানোর সকল প্রস্ততি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে।

সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রে জানাগেছে, উপজেলা ইউনয়ন ও পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত ৮৬টি অস্থায়ী  টিকাদান কেন্দ্র ও তিনটি বাস স্টেশনসহ ৯০টি কেন্দ্রে ১৪ হাজার ৩০৩জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

এদের মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশু রয়েছে এক হাজার ৮২৪জন এবং ১২ মাস হতে ৫৬ মাসের শিশু রয়েছে ১২ হাজার ৪৭৯জন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ইতিমধ্যে এসব শিশুদের তালিকাও করা হয়েছে। ৩৮জন ইপিআই কর্মী ৫ আগস্ট এসব শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর দায়িত্ব পালন করবে।

আজ  (সোমবার) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত এক অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভায় এসব তথ্য জানানো হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আল মামুন মিয়া। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ পরিকল্পনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খাদিজা বেগম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরি, থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শরীফুল ইসলাম।




রামগড়ে চাঁদের গাড়ি উল্টে আহত ২২

রামগড় প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির রামগড়ে যাত্রীবাহি চাঁদের গাড়ি (খোলা জিপ) উল্টে  মহিলা ও শিশুসহ ২২ জন আহত হয়েছে। রবিবার সকাল  সাড়ে ৮ টার দিকে উপজেলার  পাতাছড়া ইউনিয়নের  প্রত্যন্ত  বেলছড়ি এলাকায়  এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও আহত যাত্রীরা জানায়, রবিবার সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে বেলছড়ি থেকে  ছেড়ে  আসা নম্বরবিহীন একটি যাত্রীবাহি চাঁদের গাড়ি বড় বেলছড়ি নামক স্থানে টিলা থেকে নামার সময় গাড়ির সামনের একটি চাঁকা পাংচার হয়ে গেলে গাড়িটি উল্টে খাদে পড়ে যায়। এতে মহিলা ও শিশুসহ ২২ জন যাত্রী আহত হয়।

খবর পেয়ে  থানার উপ পরিদর্শক মোবারক হোসেন রামগড় থেকে গাড়ি নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। আহতদের হলো লালু ত্রিপরা (৩৫), নকুল ত্রিপুরা(৪৫), চম্পা রাণী ত্রিপুরা(১২), বন কুমার ত্রিপুরা(৩৫), কসম মালা ত্রিপুরা(৩৫), তার দুই শিশু কন্যা মমিতা(৭), মিনতা(১০), সোমা ত্রিপুরা(২০), তার শিশু পুত্র শুভ(৯মাস), হিরন পতি ত্রিপুরা(২২), মংগ্রী ত্রিপুরা(৫০), কান্দ্রং ত্রিপুরা(৩৫)।

কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাক্তার বিজয় কুমার জানান, ১১ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তবে মংগ্রী ত্রিপুরাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।




রামগড়ে বিএনপি সদস্য সংগ্রহ অভিযান চলাকালে সন্ত্রাসী হামলায় ৬ নেতাকর্মী আহত


নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি: খাগড়াছড়ির রামগড়ে বিএনপি সদস্য সংগ্রহ অভিযান চলাকালে সন্ত্রাসী হামলায় ৬ নেতাকর্মী আহত হয়েছে।

শুক্রবার রাত ৯টার দিকে  রামগড়ের বলিপাড়ায় রামগড় ইউনিয়ন বিএনপির বাহার মিয়ার বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে উপজেলা শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি মীর হোসেন (৩০) ও রামগড় সদর ইউনিয়র বিএনপির সদস্য সচিব মো. হারুন(৩২)।

খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক আবু তালেব রাতে সংবাদপত্রে পাঠানো এক বিবৃতিতে হামলার জন্য আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসীদের দায়ী করে বলেন, কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে রামগড়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা সদস্য সংগ্রহ অভিযান চালাচ্ছিল। এ সময়  আওয়ামীলীগ সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে বিএনপির উপজেলা শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি মীর হোসেন (৩০) ও রামগড় সদর ইউনিয়র বিএনপির সদস্য সচিব মো. হারুন(৩২), বিএনপির কর্মী বাহার মিয়া, মো. বাহার, রামগড় ইউনিয়ন যুবদলের নেতা ডালিম ও মোল্লা বেলালকে মারাত্মকভাবে আহত করে। বিবৃতিতে হামলার নিন্দা ও ঘটনার  সাথে জড়িত সন্ত্রাসীদের  গ্রেফতারের দাবী জানান।

রামগড় সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সৈয়দ মোহাম্মদ ফরহাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছেন।




রামগড়ে উপজাতীয় সন্ত্রাসীগোষ্ঠী কর্তৃক গরু ব্যবসায়ীকে অপহরণ পূর্বক চাঁদা দাবির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

খাগড়াছড়ির রামগড়ে মো. মনির হোসেন (৪৪) নামে স্থানীয় এক গরু ব্যবসায়ীকে আটক করে ১ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেছে পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। বৃহষ্পতিবার রাত ৮টার দিকে প্রায় ৫ ঘন্টা আটক থাকার পর তিন গ্রামবাসীর জিম্মায় ঐ ব্যবসায়ীকে মুক্তি দেয়া হয়।

রামগড় পৌরসভার কালাডেবার বাসিন্দা মনির হোসেন ছাড়া পেয়ে বৃহস্পতিবার রাতে জানান, উপজেলার অভ্যাছড়া এলাকার কালা ত্রিপুরা নামে এক ব্যক্তি বৃহস্পতিবার বেলা ৩টার দিকে পিলাক নামক স্থানে গরু বিক্রয়ের কথা বলে তাকে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে পৌঁছার পর দুজন অস্ত্রধারী উপজাতীয় সন্ত্রাসী তাকে অস্ত্রের মুখে অভ্যাছড়ার মাঝরা পাড়া নামক দুর্গম বন এলাকায় নিয়ে আটকে রাখে।

সন্ত্রাসীরা তাকে ভয়ভীতি দেখানোর জন্য প্রথমে তিন রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে। পরে প্রাণ বাঁচাতে চাইলে ১ লক্ষ টাকা চাঁদা দিতে বলে। এসময় সন্ত্রাসীরা তার সঙ্গে থাকা ১৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। দীর্ঘ প্রায় ৫ ঘন্টা আটকে রাখার পর হেমন্ত ত্রিপুরা, তবিন্দ ত্রিপুরা ও দাওয়া ত্রিপুরা নামে অভ্যার তিন গ্রামীর মাধ্যমে শুক্রবার সকালের মধ্যে ৮৫ হাজার টাকা পরিশোধ করার প্রতিশ্রুতি দিলে ঐ তিনজনের জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।সন্ত্রাসীরা ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে তাকে হত্যার ভয় দেখায় এবং সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অশ্লীলভাষায় গালিগালাজ করে।

পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদ, রামগড় উপজেলা শাখার পক্ষ হতে এ সন্ত্রাসী ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় এবং সেই সাথে এ ঘটনায় দোষী ব্যক্তিদের অতিদ্রুত গ্রেফতার পূর্বক আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানায় অন্যথায় রামগড়ের নিরীহ-নির্যাতিত পাহাড়ী-বাঙ্গালীদের সাথে নিয়ে তীব্র আন্দোলনের মাধ্যমে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।




রামগড়ে গরু ব্যবসায়ীকে আটকে রেখে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের লাখ টাকা চাঁদা দাবি


রামগড় প্রতিনিধি:
খাগড়াছড়ির রামগড়ের  স্থানীয়  এক গরু ব্যবসায়ীকে আটক করে ১ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেছে পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। বৃহষ্পতিবার রাত ৮টার দিকে প্রায় ৫ ঘন্টা আটক থাকার পর তিন গ্রামবাসীর জিম্মায় মো. মনির হোসেন(৪৪) নামে ঐ ব্যবসায়ীকে মুক্তি দেয়া হয়।

রামগড় পৌরসভার কালাডেবার বাসিন্দা মনির হোসেন ছাড়া পেয়ে এসে বৃহস্পতিবার  রাতে জানান, উপজেলার অভ্যা এলাকার কালা ত্রিপুরা নামে এক ব্যক্তি বৃহস্পতিবার  বেলা ৩টার দিকে পিলাক নামক স্থানে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে পৌঁছার পর দুজন অস্ত্রধারী উপজাতীয় সন্ত্রাসী তাকে অস্ত্রের মুখে অভ্যাছড়ার মাঝরা পাড়া নামক দুর্গম বন এলাকায় নিয়ে আটকে রাখে।

সন্ত্রাসীরা তাকে ভয়ভীতি দেখানোর জন্য প্রথমে তিন রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে। পরে  প্রাণ বাঁচাতে চাইলে ১ লক্ষ টাকা চাঁদা দিতে বলে। এসময় সন্ত্রাসীরা তার সঙ্গে থাকা ১৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। দীর্ঘ প্রায় ৫ ঘন্টা আটকে রাখার পর হেমন্ত ত্রিপুরা, তবিন্দ ত্রিপুরা ও দাওয়া ত্রিপুরা নামে অভ্যার তিন গ্রামীর মাধ্যমে শুক্রবার  সকালের মধ্যে ৮৫ হাজার টাকা পরিশোধ করার প্রতিশ্রুতি দিলে ঐ তিনজনের জিম্মায়  তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, পাহাড়ি সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোকে নিয়মিত চাঁদা দিয়েই তিনি ব্যবসা করেন। এভাবে ডেকে নিযে আটকিয়ে চাঁদা দাবি করবে এটা কখনও ভাবেননি। সন্ত্রাসীরা ফাঁকা গুলি বর্ষন করে তাকে হত্যার ভয় দেখায় এবং সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে অশ্লীলভাষায় গালিগালাজ করে।

তিনি বলেন, শুক্রবার এ ব্যাপারে থানায় জিডি করবেন।




রামগড়ে বনানী টেলিকমে চুরির মূল হোতা হাতকাটা হানিফ ৪ মাসেও ধরা পড়েনি

রামগড় প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির রামগড় বাজারের উপকন্ঠে বনানী টেলিকম নামে একটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনার প্রধান হোতা আন্তঃজেলা চোর সিন্ডিকেটের প্রধান হাতকাটা হানিফকে ৪ মাসেও ধরতে পারেনি পুলিশ। প্রতিষ্ঠানটির সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়া তিন চোরের মধ্যে একজন গ্রেফতার হলেও প্রধান হোতাসহ অপরজন এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে।

এদিকে, সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়া চোরের ছবি এবং আটক হওয়া চোরের দেয়া জবানবন্দিতে সিন্ডিকেটের প্রধান হোতার নাম ঠিকানা পাওয়ার পরও পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে না পারায় ব্যবসায়ীদে মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।

জানা যায়, রামগড় বাজারের অন্যতম ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বনানী টেলিকমে গত ১৯ এপ্রিল গভীর রাতে প্রতিষ্ঠানের সাটারের শক্ত তালা ভেঙ্গে দুঃসাহসিক চুরি সংঘটিত হয়। চোরেরা প্রতিষ্ঠান থেকে নগদ টাকা ও দামী মোবাইল ফোন সেট, মোবাইল রিচার্জ কার্ডসহ ১০ লক্ষাধিক টাকার  বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী চুরি করে নিয়ে যায়।

এঘটনায় ২০ এপ্রিল রামগড় থানায় একটি মামলা রুজু হয়। পুলিশ ২৭ এপ্রিল এরশাদুল হাসান (২৫)  ও লিয়াকত হোসেন (২৪) নামে দুজনকে গ্রেফতার করে। এদের কাছ থেকে পুলিশ বনানী টেলিকমের চুরি যাওয়া মোবাইন ফোন সেটের মধ্যে দুটি স্মার্ট ফোন উদ্ধার করে।

গ্রেফতারকৃতরা আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে নিজেদের আন্তঃজেলা চোর সিন্ডিকেট দলের সদস্য বলে স্বীকার করে জানায়, তাদের সিন্ডিকেটের মূল হোতার নাম হানিফ ওরফে হাতকাটা হানিফ। তার বাড়ি কুমিল্লায়। তার ডান হাত কাটা।

প্রতিষ্ঠানটির সিসি ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজে সিন্ডিকেটের প্রধান হাতকাটা হানিফসহ অপরজনকে শনাক্ত করে গ্রেফতারকৃতরা। ভিডিও ফুটেজ পাওয়ার পরও পুলিশ ৪ মাসেও তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই সুজা উদ দৌলা জানান, হানিফকে ধরতে জোর চেস্টা চালানো হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, গত ১৫ জুলাই  আলোচিত চুরির মামলায় চট্টগ্রাম কারাগার হতে সিডব্লিও মূলে আনিস (২০) ও আকাশ ওরফে মাইকেল (২২) নামে আরও দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। এদেরমধ্যে আনিস চুরির ঘটনায় দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।