রামগড় পৌরসভার উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত


রামগড় প্রতিনিধি :
রামগড় পৌরসভার  উদ্যোগে বুধবার ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  হয়েছে। তিন সহস্রাধিক লোকের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন খাগড়াছড়ি পৌরসভার মেয়র রফিকুল আলম। সভাপতিত্ব করেন  রামগড় পৌরসভার মেয়র মোহাম্মাদ শাহজাহান কাজী রিপন।

রামগড় ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে উপস্হিত ছিলেন গুইমারা উপজেলা চেয়ারম্যান উশাপ্রু মারমা, সাবেক রামগড় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মংসাপ্রু কার্বারি, খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন ফিরোজ, পৌরসভার কাউন্সিলরগণ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী, সরকারি কর্মকর্তাসহ স্হানীয় গণমান্য ব্যক্তিবর্গ।

ইফতার মাহফিলে ধর্মীয় আলোচনা করেন রামগড় কোর্ট মসজিদের খতিব মাওলানা আক্তার হোনাইন জিহাদী।দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মার শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে দোয়া পরিচানলা করেন রামগড় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মো. আব্দুল হক।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক মো. শাহ আলম।




খাগড়াছড়িতে পৃথক পাহাড় ধ্বসে তিন শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি:

খাগড়াছড়ির রামগড় ও লক্ষীছড়ি উপজেলায় পৃথক পাহাড় ধ্বসে ৩ শিশুর মৃত্যু ও দু’জন আহত হয়েছে। রোববার ভোর রাতে প্রবল বর্ষণের সময় পাহাড় ধ্বসে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

পাহাড় ধ্বসে রামগড় উপজেলায় ২০টির মতো ঘরবাড়ি ও দোকানপাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া লক্ষ্মীছড়ি ও গুইমারা উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে তিন শতাধিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বর্ষন ও পাহাড় ধ্বস অব্যাহত থাকায় জেলায় ৫টি আশ্রয় শিবির খুলেছে প্রশাসন। সেখানে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

রামগড় উপজেলার বুদংপাড়ার বাসিন্দা মো. মোস্তফা জানান, রোববার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে তার বসতবাড়ির উপর একটি বিশাল পাহাড় ধ্বসে পড়ে। এতে তার মো. নুরনবী(১৪) ও মো. হোসেন(১০) নামে দুই সহোদর নিহত ও বিল্লাল হোসেন আহত হয়।

জাহেদুর নেছা জানান, ভোর রাতে প্রবল বর্ষণের সময় বাড়ির পূর্ব পাশের পাহাড় ধ্বসে মাটিচাপা পড়ে একই বিছানায় ঘুমন্তাবস্থায় তার দুই ছেলে মারা যান।

নিহতদের চাচা জানান, ঘটনার পর প্রায় দুই ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে দুই সহোদরের লাশ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট এসে মাটি চাপায় নিখোঁজ গবাদি পশুর সন্ধান চালায়। নিহতদের পরিবারকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক ২০ হাজার টাকা সাহায্য করা হয়।

অন্যদিকে, রোববার সকাল ৮টায় লক্ষ্মীছড়ির যতীন্দ্র কার্বারী পাড়া এলাকায় পাহাড় ধ্বসে নিপুন চাকমা(৫) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। সে একই এলাকার দেবব্রত চাকমার মেয়ে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, উপজেলা চেয়ারম্যান সুপার জ্যোতি চাকমা।

এদিকে প্রবল বর্ষণে গুইমারা ও লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার নিম্নাঞ্চল পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় প্রায় দেড় শতাতিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বর্ষণ অব্যাহত থাকলে আরও ভূমি ধ্বসের শঙ্কা থাকায় জেলা শহরের আলুটিলায় বুলডোজার দিয়ে পাহাড় কাটতে দেখা গেছে।

খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. রাশেদুল ইসলাম জানান, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বসবাসকারীদের সরিয়ে আনতে জেলা সদর, মহালছড়ি, মানিকছড়ি ও রামগড়ে ৫টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। মাইকিং করে ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ বসতবাড়ি সনাক্ত করে তাদের উদ্বুদ্ধ করে আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ৮০টির মতো পরিবার আশ্রয় কেন্দ্রে রয়েছে। তাদের খাবার, বিশুদ্ধ খাবার পানি ও নিরাপত্তার জন্য আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে।

এবছর পাহাড় ধ্বস ও প্রবল বর্ষণ অতীতের সকল রেকর্ড ভেঙেছে উল্লেখ করে ডিসি ভূ-তাত্ত্বিকদের সমন্বয়ে পাহাড়ের প্রকৃতিগত বৈশিষ্ট্য জরিপ করে নীতিমালা প্রয়ননের প্রস্তাব দেন।




রামগড়ে পাহাড় ধ্বসে ২ সহোদর নিহত

রামগড় প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির রামগড়ে পাহাড় ধ্বসে দুই সহোদর প্রাণ হারিয়েছে। রবিবার ভোর ৬টার দিকে উপজেলার পাতাছড়া ইউনিয়নের প্রত্যন্ত বুদং ছড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হল বুদং ছড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. মোস্তফার দুই পুত্র নুর হোসেন(১৪) ও নুর নবী(১০)। ভোর বেলায়  ঘুমন্ত অবস্থায় ঘরের ওপর পাহাড় ধ্বসে পড়লে তারা ঘটনাস্থলে মারা যায়। মাটির তৈরি ওই ঘরে তারা ঘুমিয়েছিল। টানা বর্ষণে পাশের পাহাড়ের একাংশ ধ্বসে ঘরটির ওপর আছড়ে পড়ে। এতে শিশু দুটি মারা গেলেও ঘরের অপর কক্ষে থাকা পরিবারের অন্যান্যরা অক্ষত অবস্থায় বেড়িয়ে আসতে সক্ষম হয়।

এলাকার লোকজন এসে রবিবার সকালে নিহতদের লাশ উদ্ধার করে। এদিকে  রামগড় উপজেলা নির্বাহী  অফিসার মো. আল মামুন মিয়াসহ কর্মকর্তারা খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। তিনি জানান, নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেয়ার পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।




রামগড় ফেনী সড়ক ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন , সওজ নিষ্ক্রীয়

রামগড় প্রতিনিধি:

রামগড় ফেনী সড়কের হেঁয়াকো এলাকায় রাস্তা ভেঙে বড় নালা সৃষ্টি হওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে রাস্তা ভেঙে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও সড়ক ও জনপথ বিভাগ নিষ্ক্রীয় ভুমিকা পালন করেছে।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে রামগড় ফেনী সড়কের হেঁয়াকো এলাকায় রাস্তার মাঝখানে এপার ওপার ভেঙে প্রায় ১২ ফুট প্রস্থ আকারে নালা সৃষ্টি হয়। রাস্তা ভেঙে নালা সৃস্টি হওয়ার পর পানি প্রবাহ শুরু হয়। জানা যায়, ওই স্থানে রাস্তার মাটির নীচে পানি চলাচলের জন্য স্থাপন করা ইট সিমেন্টের বড় চৌঙ ভারী যানবাহনের চাপে ভেঙে যায়। গত দুদিনের টানা বৃষ্টিপাতের কারণে রাস্তার এক পাশের পানির তোড়ে ধ্বসে যাওয়া চৌঙসহ পুরো রাস্তা ভেঙে ভাসিয়ে নিয়ে যায়।

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফেনী থেকে খাগড়াছড়িগামী শান্তি পরিবহনের একটি যাত্রীবাহি চেয়ার কোচ চালকের অসর্তকতার কারণে ওই  নালায় গিয়ে চাকা আটকে যায়। সারাদিন চেষ্টার পর দুটি রেকার এনে গাড়িটি উদ্ধার করা হয়। এদিকে রাস্তা ভেঙে নালা সৃস্টি হওয়ার কারণে দুপুর থেকে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ফলে ঢাকা, ফেনী, কুমিল্লাসহ সমতল জেলা থেকে রামগড় ও খাগড়াছড়িগামী এবং সমতল জেলা গামী অসংখ্য যানবাহন আটকা পড়ে আছে। স্থানীয় এলাকাবাসী ও আটকা পড়া গাড়ীর চালক ও যাত্রীরা অভিযোগ করেন, দুপুরে রাস্তাটি ভেঙে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লেও সড়ক ও জনপথ বিভাগের কেউ আসেনি।

শান্তি পরিবহনের রামগড় অফিসের লাইনম্যান অর্জুন মঙ্গলবার রাত সোয়া ১০টায় ঘটনাস্থল থেকে মুঠো ফোনে জানান, ভেঙে যাওয়া রাস্তার দুই অংশে অসংখ্য পণ্যবাহি ট্রাক, পিকআপ, যাত্রীবাহি বাস ইত্যাদি যানবাহন আটকা পড়ে আছে। তিনি বলেন, এলাকার লোকজন রাস্তা ভেঙ্গে তৈরী হওয়া নালার উপর বাঁশ ও কাঠ দিয়ে পুল নির্মাণ করে মানুষ ও অটো রিক্সা, মোটর সাইকেল পারাপারের ব্যবস্থা করেছে। তিনি বলেন, সারাদিনেও সেখানে সড়ক ও জনপথ বিভাগের কাউকে দেখা যায়নি।




রামগড়ে ব্যক্তি মালিকানাধীন বাগানের রাবার গাছ কেটে দেয়া হচ্ছে প্রতিরাতে

রামগড় প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ি জেলার রামগড়ে ইউপিডিএফ এর এক চাঁদা আদায়কারীকে আটক করে  পুলিশে দেয়ার কারণে সংগঠনটির সশস্ত্র কর্মীরা ব্যক্তি মালিকাধীন বাগানের শত শত রাবার গাছ কেটে ফেলছে। প্রতিরাতেই বাগানে গাছ কাটা চলছে। গত শনিবার রাতে  একটি বাগানের প্রায় ৬’শ বয়স্ক রাবার গাছ কেটে দেয়া হয়।  এনিয়ে গত তিন দিনে চার হাজার চারাগাছসহ ৫ সহস্রাধিক গাছ কেটে দিয়েছে ইউপিডিএফ এর  সন্ত্রাসীরা।

এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, বৃহষ্পতিবার রাতে  উপজেলার পাতাছড়া ইউনিয়নের হাতিকুম্বা নামক দুর্গম এলাকায় সাবেক ইউপি মেম্বার আবু বকর ছিদ্দিক ও আহসান উল্লাহর বাগানে প্রায় একশটি রাবার গাছ কেটে দেয়া হয়। চাঁদা দিতে দেরি হওয়ায় ইউপিডিএফের সশস্ত্রকর্মীরা গাছগুলো কেটে দেয়া হয়েছে বলে মালিকদের অভিযোগ। শুক্রবার দুপুরে সংগঠনটির চার চাঁদা আদায়কারীকে এলাকায় দেখে গ্রামবাসীরা ঘেরাও করে। এসময় তিনজন পালিয়ে গেলেও জীবন চাকমা নামে একজনকে একটি মোটর সাইকেলসহ আটক করে বিজিবি ক্যাম্পে সোপর্দ করা হয়।

পরে বিজিবি তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। রাবার বাগানের মালিক আবু বকর ছিদ্দিক শুক্রবার আটক জীবন চাকমাসহ ৯জনের নাম উল্লেখ করে এবং ১০/১২জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামী করে রামগড় থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এদিকে জীবন চাকমাকে আটক ও থানায় মামলা দায়েরের কারণে সংগঠনটির সশস্ত্রকর্মীরা ক্ষুব্দ হয়ে উঠে।

সাবেক ইউপি মেম্বার আবু বকর ছিদ্দিক জানান,  জীবন চাকমাকে আটকের দিন রাতেই ইউপিডিএফের সন্ত্রাসীরা তাঁর বাগানের প্রায় চার হাজার রাবার চারা গাছ কেটে দেয়। একই রাতে তার লেকের বাঁধ কেটে দিয়ে প্রায় ৫০-৬০ হাজার টাকার মাছ লুট করে নিয়ে যায়। লেকের পাড়ের নারিকেল, তেজপাতাসহ বিভিন্ন গাছও তারা কেটে ফেলেছে। একই রাতে আমীন নামে অপর এক ব্যক্তির বাগানের ২৫টি রাবার গাছ ও ৩০টি ফলন্ত কলাগাছ কেটে দেয়া হয়। সেসময় তারা ৫-৬ রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষন করে এলাকায় আতংক সৃষ্টি করে।

তিনি আরও জানান, গত শনিবার রাতে তারা তার বাগানের ৬শ’ বয়স্ক রাবার গাছ কেটে দিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, ইউপিডিএফের সন্ত্রাসীরা মুঠো ফোনে তাঁকে অবিরাম হুমকী দিচ্ছে গ্রেফতার হওয়া জীবন চাকমাকে ছাড়িয়ে আনতে এবং মামলা তুলে নিতে। নয়তো তাঁর বাগানের সবগুলো গাছই কেটে ফেলা হবে। এ অবস্থায় তিনি নিজেও চরম আতংকের মধ্যে আছেন বলে জানান। গ্রামবাসীরাও ভীতসন্ত্রস্ত অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে।

এদিকে থানায় মামলা দায়ের হলেও পুলিশ আর কোন আসামীকে এ পর্যন্ত গ্রেফতার করতে পারেনি। এ ব্যাপারে রামগড় থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, ঐ এলাকাটি অত্যন্ত দুর্গম। ইউপিডিএফ এর সন্ত্রাসীরা অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ঐ এলাকায় অবস্থান করে। এ অবস্থায় পুলিশের একার পক্ষে ওখানে আসামী ধরতে যাওয়া সম্ভব নয়। তিনি বলেন, বিজিবির সহায়তা নিয়ে অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

 

 




রামগড় ৪৩ বিজিবির ইফতার মাহফিল

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা :

ধর্মীয় ভাবগাম্ভির্য্যের মধ্য দিয়ে খাগড়াছড়ির রামগড়ে ৪৩ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন-বিজিবি’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার রামগড় বিজিবির চিত্তবিনোদন কক্ষে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গুইমারা বিজিবি’র সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল জাবেদ সুলতান, বিজিবিএমএস।

ইফতার পুর্ব আলোচনা সভায় রমজান থেকে শিক্ষা নিয়ে পাহাড়ের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সকলকে আন্তরিক হওয়ার আহবান জানিয়ে গুইমারা বিজিবি’র সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল জাবেদ সুলতান, বিজিবিএমএস বলেন, পাহাড়কে নিয়ে শুরু হওয়া ষড়যন্ত্র ক্রমেই ডালপালা মেলছে।ঐক্যবদ্ধভাবে আর শান্তিপুর্ণ উপায়ে সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে হবে।পাহাড়ের সাম্প্রদায়িক-সম্প্রীতি রক্ষায় তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ভুমিকা রাখার আহবান জানান।

ইফতার মাহফিলে বর্ডার গার্ড হাসপাতালের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. আব্দুল ওহাব, সিন্দুকছড়ি জোন অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. গোলাম ফজলে রাব্বি, মাটিরাঙ্গা জোন অধিনায়ক লে. কর্ণেল কাজী শামশের উদ্দিন পিএসসি, পলাশপুর জোন অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. খালিদ আহমেদ পিএসসি, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম ভুইয়া ফরহাদ, মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বি.এম মশিউর রহমান, রামগড় পৌরসভার মেয়র কাজী মো. শাহজাহান রিপনসহ রামগড় উপজেলা প্রশাসনের বিভাগীয় প্রধান, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ইফতার মাহফিলের প্রধান অতিথি গুইমারা বিজিবি’র সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল জাবেদ সুলতান, বিজিবিএমএস-সহ আমন্ত্রিত অতিথিগণকে স্বাগত জানান ৪৩ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন-বিজিবি’র অধিনায়ক লে. কর্ণেল এম জাহিদুর রশীদ।

পরে দেশ-জাতির কল্যাণ ও পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় দোয়া পরিচালনা করেন ৪৩ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন জামে মসজিদের পেশ ইমাম।




রামগড়ে ইউপিডিএফ এর বেপরোয়া গাড়ি ভাংচুর

Ramgarh 7

রামগড় প্রতিনিধি:

কোন কর্মসূচি ছাড়াই ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) কর্মীরা বুধবার দুপুরে আকস্মিকভাবে খাগড়াছড়ির রামগড়ে বেপরোয়া গাড়ি ভাংচুর ও মানিকছড়িতে গাড়িতে অগ্নি সংযোগ করে পুড়িয়ে দিয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

খাগড়াছড়ি জেলা সদরের স্বনির্ভর এলাকায় বুধবার সকালে হিল উইমেন্স ফেডারেশনের সদস্যদের সাথে আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় সংগঠনটির কয়েকজন নেতাকর্মী গ্রেফতার হওয়ায় ইউপিডিএফের কর্মীরা ক্ষুদ্ধ হয়ে গাড়ি ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ করে বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুর দুইটার দিকে ইউপিডিএফের ২০-৩০জন কর্মী রামগড় জালিয়াপাড়া সড়কের যৌথখামার এলাকায় আকস্মিকভাবে রাস্তার ওপর গাছ ফেলে ব্যারিকেড দেয়। এসময় রামগড় থেকে খাগড়াছড়ি গামী এবং খাগড়াছড়ি থেকে রামগড় ও ফেনী গামী বিভিন্ন যানবাহন ওই ব্যারিকেডে আটকা পড়ে। ইউপিডিএফের কর্মীরা বেপরোয়া ভাবে আটকা পড়া গাড়িতে হামলা করে।

এতে ফেনী গামী একটি যাত্রীবাহি বাস, একটি প্রাইভেট কার, একটি সিএনজি চালিত অটো রিকশা ও একটি পিকআপ ভাংচুর হয়। হামলায় বাসের কয়েকজন যাত্রীও আহত হয়। ক্ষতিগ্রস্ত প্রাইভেটকারের(নম্বর- ঢাকা মেট্রো গ ৩৩-০২৭৫) চালক মেজবাহ উদ্দিন বলেন, রাস্তায় ব্যারিকেড দেখে গাড়ি থামানোর পর পাশের জঙ্গল থেকে ১০/১৫ পাহাড়ি যুবক লাঠিসোটা নিয়ে হঠাৎ তার গাড়ির ওপর হামলা চালায়। তারা প্রাইভেট কারের সামনের, পিছনের ও পাশের সবগুলো গ্লাস ভেঙে দেয়।

একইভাবে ভাংচুর করা অটো রিকশার চালক  মো. সেলিম বলেন, পাহাড়ি যুবকরা তেড়ে আসলে তিনি গাড়ি থেকে নেমে দৌঁড়ে পালিয়ে আত্মরক্ষা করেন। এদিকে বেপরোয়া গাড়ি ভাংচুরের খবর পেয়ে রামগড় ৪৩ বিজিবি ও  থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে ইউপিডিএফের কর্মীরা জঙ্গলে লুকিয়ে পড়ে। রামগড় থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শরীফুল ইসলাম ঘটনার সত্যত্যা নিশ্চিত করে বলেন, বিজিবি ও পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ইউপিডিএফের কর্মীরা পালিয়ে যায়। তিনি বলেন, পুলিশের প্রহরায় যানবাহনগুলো গন্তব্যে পার করে দেয়া হয়।

এদিকে, দুপুর একটার দিকে খাগড়াছড়ি চট্টগ্রাম সড়কের মানিকছড়ির পিছলাতলা নামক এলাকায় কাঁঠাল বোঝাই একটি পিকআপ( নম্বর- চট্ট মেট্রো ন ১১-৫১০২) আটকিয়ে ইউপিডিএফের কর্মীরা অগ্নি সংযোগ করে। এতে গাড়িটি পুড়ে যায়। মানিকছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মাইন উদ্দিন খান বলেন, সংগঠনটির কয়েকজনকর্মী চট্টগ্রামগামী কাঁঠাল বোঝাই পিকআপের চালক ও হেলপারকে মারধর করে সরিয়ে দেয়। পরে তারা গাড়িটিতে আগুন লাগিয়ে দেয়।

রাস্তায় ইউপিডিএফের কর্মীদের আকস্মিকভাবে যানবাহন ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে রামগড় জালিয়াপাড়া সড়ক ও খাগড়াছড়ি চট্টগ্রাম সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর তৎপরতায় যানবাহন চলাচল শুরু হয়।




রামগড়ে অটিজম বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত

Ramgarh 7.6.17 copy

রামগড় প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির রামগড়ে গতকাল বুধবার অটিজম বিষয়ক দিনব্যাপী এক ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। ন্যাশনাল একাডেমি ফর অটিজম এন্ড নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিজএ্যাবিলিটিজ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় রামগড় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস এ কর্মশালার আয়োজন করে। উপজেলা মিলনাতয়নে সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মশালার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহি অফিসার মো. আল মামুন মিয়া। কর্মশালায় রিসোর্স পার্সন ছিলেন চট্টগ্রাম কলেজের মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহকারি অধ্যাপক বৈদ্য নাথ সরকার ও উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাসুদ মামুন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম ভুইয়ার সভাপতিত্বে সমাপনি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম ভুইয়া। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাসুদ মামুন ও সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন লাভলু।




রামগড়ে পুলিশের উপর ইউপিডিএফের পেট্রোল বোমা ও ককটেল হামলা, গাড়ি ভাংচুর, পুলিশের পাল্টা গুলি

Boma

রামগড় প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির রামগড়ে গতকাল সোমবার সড়ক অবরোধ চলাকালে ইউপিডিএফের কর্মীরা কর্তব্যরত পুলিশকে লক্ষ্য করে পেট্রোল বোমা বর্ষন ও ককটেল ফাটিয়েছে। পুলিশ পাল্টা গুলি চালাতে তারা  জঙ্গলে পালিয়ে যায়। এ সময় ইউপিডিএফের কর্মীরা ঢাকা থেকে খাগড়াছড়িগামী নৈশ কোচসহ অটোরিক্সা ভাংচুর করে। লংগদু ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করার সময় রবিবার খাগড়াছড়ির দীঘিনালা থেকে আটক হওয়া ইউপিডিএফের ছাত্র সংগঠন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের দুই নেতার মুক্তির দাবীতে সংগঠনটি সোমবার খাগড়াছড়িতে আধা বেলা সড়ক অবরোধ কর্মসূচির ডাক দেয়।

পুলিশ ও স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, সড়ক অবরোধকারীরা সোমবার ভোরে রামগড় জালিয়াপাড়া সড়কের যৌথখামার এলাকায় রাস্তার উপর গাছ ফেলে ব্যারিকেড দেয়। রাস্তার দুপাশের ব্যক্তিমালিকানাধীন বাগানের বেশ কিছু গাছ কেটে তারা রাস্তার উপর ফেলে রাখে। খবর পেয়ে রামগড় থানার এএসআই সিদ্দিকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল যৌথখামারে গেলে রাস্তার দুপাশে টিলার উপর থেকে ইউপিডিএফের কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ২-৩টি পেট্রোল বোমা ও ৪-৫টি ককটেল নিক্ষেপ করে।

বিকট শব্দে পেট্রোল বোমা ও ককটেলগুলো বিস্ফোরিত হয়।  পুলিশ পাহাড়ের ঢালে অবস্থান নিয়ে আত্মরক্ষা করে। পুলিশের উপর বোমা ও ককটেল হামলার খবর পেয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ অতিরিক্ত র্ফোস নিয়ে ঘটনাস্থলে গেলে তারা জঙ্গলে গা ঢাকা দেয়। এসময়  পুলিশ রাস্তার ব্যারিকেড সরিয়ে খাগড়াছড়িগামী ঢাকার চারটি নৈশ কোচ পাড় করে দেয়ার সময় অবরোধকারীরা গাড়ির উপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে শান্তি পরিবহনের একটি নৈশ কোচের গ্লাস ভেঙ্গে যায়। এসময় তারা দুটি সিএনজি চালিত অটো রিকসা ভাংচুর করে। রাস্তার দুপাশের টিলায় অবস্থান নিয়ে যানবাহন ও পুলিশের উপর হামলা চালালে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়।

Exif_JPEG_420

এদিকে খাগড়াছড়িগামী নৈশ কোচগুলোকে জালিয়াপাড়ায় পৌঁছে দিয়ে রামগড়ে ফেরার পথে যৌথখামার এলাকায় ইউপিডিএফের কর্মীরা পুলিশের উপর দ্বিতীয় দফা হামলা চালায়। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি করে। রামগড় থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শরীফুল ইসলাম ইউপিডিএফের কর্মীদের পুলিশের উপর পেট্রোল বোমা ও ককটেল হামলা ও গাড়ি ভাংচুরের ঘটনার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, এসময় পুলিশ দুই দফায় মোট ১৫ রাউন্ড শর্টগানে গুলি বর্ষন করে। ওসি আরও বলেন, ইউপিডিএফের বেপোরোয়া কর্মীরা যৌথখামার বনবীথি ব্রীজ হতে যৌথখামার স্কুল পর্যন্ত  পুরো রাস্তার উপর গাছ কেটে ফেলে রাখে। পুলিশ গুলি বর্ষন করলে তারা জঙ্গলে পালিয়ে যায়।

এদিকে পুলিশের উপর ইউপিডিএফের কর্মীদের পেট্রোল বোমা ও ককটেল হামলার ঘটনার খবর পেয়ে খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার  আলী আহমেদ খাঁন ও রামগড় সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সৈয়দ মোহাম্মদ  ফরহাদ যৌখ খামার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

 




খাগড়াছড়ির রামগড়ে অবরোধকারীদের পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ ও পুলিশের পাল্টা গুলিবর্ষণ

Khagrachari Picture(01) 05-06-2017

নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি:

ইউপিডিএফের ডাকে অবরোধ চলাকালে খাগড়াছড়ির রামগড়ে অবরোধকারীদের পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ ও পুলিশের পাল্টা ১৫ রাউন্ড শর্টগানে গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।

রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, সোমবার সকাল পৌনে ৮টার দিকে খাগড়াছড়ি-রামগড় সড়কের যৌথ খামার এলাকায় অবরোধকারী রাস্তায় গাছের গুঁড়ি ফেলে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কয়েকটি নৈশকোট আটকে দেয়।

এ সময় পুলিশ ধাওয়া দিলে অবরোধকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ৩/৪টি পেট্রোল ও ইট ছোড়ে। পুলিশ পাল্টা ১৫ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছুঁড়ে অবরোধকারীদের ছত্রভঙ্গ করে। এ সময় শান্তি পরিবহনের একটি গাড়ীর কাচ ভেঙ্গে কয়েকজন যাত্রী আহত হয়।

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় আটক নেতাকর্মীদের মুক্তি ও লংগদুতে পাহাড়ি গ্রামে হামলার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ সমর্থিত তিন পাহাড়ি সংগঠন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ, হিল উইমেন্স ফেডারেশন ও গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম খাগড়াছড়িতে অর্ধ দিবস সড়ক অবরোধের ডাক দেয়।

অবরোধের কারণে জেলার আভ্যন্তীরণ ও দুরপাল্লা সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে শহরে রিক্সা ও ইজিবাইক চলাচল করতে দেখা যায়। অবরোধ আহবানকারিরা সকালে জেলার বিভিন্ন এলাকায় টায়ার পুড়িয়ে সড়কে অবরোধ তৈরি করে। শহরের স্বনির্ভর, চেঙ্গীব্রিজসহ কয়েকটি স্থানে পিকেটিং চোখে পড়ে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে জেলা জুড়ে সর্তকতাবস্থায় রয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

যুবলীগ নেতা নুরুল ইসলাম নয়ন হত্যাকান্ডের জেরে রাঙামাটির লংগদুতে পাহাড়ি গ্রামে হামলা ও অগিন্সংযোগের প্রতিবাদে রবিবার খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালার শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিলে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হামলা চালিয়ে বিক্ষোভ মিছিল থেকে দীঘিনালা উপজেলা শাখার সভাপতি নিকেল চাকমা, সাধারণ সম্পাদক জীবন চাকমাকে আটক করার প্রতিবাদে রবিবার সন্ধ্যায় পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ খাগড়াছড়ি জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক সমর চাকমা  স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সড়ক অবরোধের ডাক দেয়।

দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সামসুউদ্দিন ভূইয়া জানান, আটক দীঘিনালা উপজেলা শাখার সভাপতি নিকেল চাকমা, ও সাধারণ সম্পাদক জীবন চাকমা মামলার আসামী। এদের আজ আদালতে তোলা হবে। আকস্মিক সড়ক অবরোধের কারণে চরম বিপাকে পড়ে ঢাকা থেকে নৈশকোচে আসা যাত্রীরা।