গুইমারা উপজেলা নির্বাচনে ঘুরে দাঁড়াতে চায় ইউপিডিএফ

22.02.2017_Guimara Election NEWS-UPDF

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা:

গুইমারা উপজেলা নির্বাচনের মনোনয়ন পত্যাহার ও প্রতীক বরাদ্ধের পর জমে উঠতে শুরু করেছে নির্বাচনী ময়দান। তিনটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ উপজেলায় জয় পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে সম্ভাব্য প্রার্থীরা। সরকারী দল আওয়ামী লীগ প্রার্থী মেমং মারমা ও দেশের অন্যতম রাজনৈতিক দল বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ ইউছুফের পাশাপাশি সমানতালে মাঠ চষে বেড়াচ্ছে পাহাড়ের আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট-ইউপিডিএফ সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী উশেপ্রু মারমা।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি গভীর রাতে নিরাপত্তা বাহিনী লক্ষীছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান সুপার জ্যোতি চাকমাকে তার বাসভবন থেকে পাঁচ রাউন্ড গুলি ভর্তি আমেরিকার তৈরি একটি ফাইভ স্টার পিস্তলসহ গ্রেফতারের দুই মাস না পেরুতেই গেল ১০ ফ্রেব্রুয়ারি গভীর রাতে ইউপিডিএফ নেতা প্রদীপন খীসার খাগড়াছড়ির বাসা থেকে প্রায় ৮০ লাখ টাকা সহ গুরুত্বপূর্ণ দলিলাদি উদ্ধারের ঘটনায় অনেকটাই কোনঠাসা হয়ে পড়েছে পাহাড়ের আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট-ইউপিডিএফ।

সংগঠনটির অব্যাহত চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক সময়ে দলটির শীর্ষ দুই নেতার বাসায় নিরাপত্তাবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র ও চাঁদাবাজির অর্থ উদ্ধারের ঘটনায় মাঠ পর্যায়ে তাদের কর্মকাণ্ড যখন সাধারণ মানুষের কাছে  প্রশ্নবিদ্ধ তখন সদ্য ঘোষিত গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ঘুরে দাঁড়াতে চায় উগ্রসাম্প্রদায়িক এ সংগঠনটি। গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে টার্গেট করে ইতিমধ্যে সংগঠনটি কোমড় বেঁধে মাঠে নেমেছে।

গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করে দলটির সমর্থন নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছেন হাফছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান উশেপ্রু মারমা। বয়সে তরুন এ নেতা ইতিমধ্যে লক্ষীছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান সুপার জ্যোতি চাকমাকে গ্রেফতারের পর তার মুক্তির দাবিতে অনেকটাই সরব ছিল। আর এ কারণেই তার প্রতি দলটিও আস্থাশীল বলে অসমর্থিত একাধিক সূত্রের সাথে কথা বলে জানা গেছে।

গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দুই তৃতীয়াংশ উপজাতীয় ভোটারকে লক্ষ্য করে আওয়ামী লীগ-বিএনপি’র দুই শক্তিশালী প্রার্থীকে পেছনে ফেলে জয় পেতে মরিয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী উশেপ্রু মারমা। ইতিমধ্যে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাহলাপ্রু চৌধুরীর পদত্যাগের মধ্য দিয়ে উশেপ্রু মারমা অনেকটাই খোশ মেজাজে রয়েছেন বলেও জানা গেছে। দুর্গম পাহাড়ি জনপদের ভোটাররাই তার টার্গেট হতে পারে এমনটাই মনে করছেন সচেতন মহল।

সাধারণ ভোটারদের অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জয় পাওয়ার দিন এখন আর নেই উল্লেখ করে গুইমারার সচেতন ভোটারদের অনেকেই বলেন ভয়ভীতি বা অস্ত্রের জোরে জয়ের যে স্বপ্ন দেখছে ইউপিডিএফ সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী উশেপ্রু মারমা ৬মার্চের নির্বাচনে ব্যালটের কাছে হেরে গেলে আশ্চর্য হওয়ার তেমন কিছু থাকবেনা।

প্রসঙ্গত, গুইমারা সদর ইউনিয়নে ৯ হাজার ৫’শ ৫৬জন, হাফছড়ি ইউনিয়নে ১৩হাজার ২’শ ১৮জন এবং সিন্দুকছড়ি ইউনিয়নে ৪ হাজার ৬’শ ৭জন ভোটার ৬মার্চ অনুষ্ঠিতব্য গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তাদের পছন্দের প্রার্থী নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।




আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের প্রতি পিসিপি’র শ্রদ্ধা নিবেদন

16923729_662961917239743_656027643_n
প্রেস বিজ্ঞপ্তি : ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান জানিয়ে খাগড়াছড়ি জেলা সদরসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় শহীদ মিনারে পুষ্প স্তবক অর্পণ করেছে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি)।

মঙ্গলবার (২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) সকাল ৭টায় ‘ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা’ লেখা ব্যানার নিয়ে র‌্যালি সহকারে খাগড়াছড়ি জেলা সদর শহীদ মিনারে পুষ্প স্তবক অর্পণ করে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি) খাগড়াছড়ি জেলা শাখা।

পিসিপি’র খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সহ-সভাপতি তপন চাকমা ও সাধারণ সম্পাদক অমল ত্রিপুরার নেতৃত্বে র‌্যালি ও পুষ্প স্তবক অর্পণ অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটি সহ-সভাপতি বিপুল চাকমা, দপ্তর সম্পাদক রোনাল চাকমা, হিল উইমেন্স ফেডারেশনের খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সহ-সভাপতি এন্টি চাকমা ও গণতান্ত্রিক যুব ফোরামে খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক পলাশ চাকমা।

এছাড়া পিসিপি, হিল উইমেন্স ফেডারেশন, গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের নেতা-কর্মী, সমর্থক ও শুভাকাঙ্খীরা এতে অংশগ্রহণ করেন।

পুষ্প স্তবক অর্পণ শেষে সেখান থেকে ফিরে স্বনির্ভর বাজারে একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি স্বনির্ভর বটতলা থেকে শুরু হয়ে ইউনাইটেড পিপল্স ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)-এর কার্যালয়ের সমনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মধ্যে দিয়ে শেষ হয়।

সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদে খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অমল ত্রিপুরা ও কেন্দ্রীয় কমিটি সহ-সভাপতি বিপুল চাকমা।

বক্তারা বলেন, ১৯৪৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ উর্দু ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে ঘোষণা করলে তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা তার প্রতিবাদ জানান এবং তারা বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষা করার দাবিতে ধারাবাহিক আন্দোলন মাধ্যমে ১৯৫২ সালে ২১ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান সরকারের জারি করা ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে রাজপথে নেমেছিলেন। সেদিন পুলিশের গুলিতে সালাম, বরকত, রফিক, শফিউর, জব্বারসহ অগণিত ছাত্র মাতৃভাষার জন্য রক্ত দিয়ে নিজেদের জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন। পরে পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়।

 

এছাড়াও খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা, রামগড়, দীঘিনালা, মানিকছড়ি, লক্ষীছড়ি উপজেলাতেও ভাষা শহীদদের স্মরণে শহীদ মিনারে পুষ্প স্তবক অর্পণ করেছে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ( পিসিপি)’র উপজেলা শাখার নেতা-কর্মীবৃন্দ।




খাগড়াছড়িতে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিএনপির ভাষা দিবস পালন

Khagrachari Pic 10 (1)

নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি:

খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপি যথাযোগ্য মর্যাদায় অমর একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করেছে।

সকালে দলীয়  কার্যালয় থেকে জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রবীন চন্দ্র চাকমার নেতৃত্বে প্রভাতফেরিটি বের হয়ে  কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।

এ সময় জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি কংচাইরী মারমা, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল মালেক মিন্টু, অর্থ সম্পাদক মো. আলী বাদশী, যুব বিষয়ক সম্পাদক মো. আইয়ুব আলী, ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক আবু তালেব জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি জাহিদ হোসেন মিজান, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম সবুজ, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা কোহেলি দেওয়ান, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আহসান হক মিলনসহ বিএনপির ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শ্রদ্ধা জানান।




আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে খাগড়াছড়িতে আওয়ামী লীগের প্রভাতফেরি

Khagrachari Pic 08

নিজস্ব প্রতিবেদক,খাগড়াছড়ি:

অমর একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে  প্রভাতফেরি হয়েছে।

সকালে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরীর নেতৃত্বে  প্রভাতফেরিটি জেলা শহরের কদমতলী থেকে বের হয়ে  শহরের প্রধান সড়ক ঘুরে টাউন হলের সামনে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি ভাস্কর্যে পুস্পমাল্য অর্পণ করা হয়।

এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা নুরুন্নবী চৌধুরী, জেলা পরিষদ সদস্য এডভোকেট আশ্রতোষ চাকমা, আব্দুল জব্বার, খোকনেশ্বর ত্রিপুরা, নিগার সুলতানা, শতরূপা চাকমা, জুয়েল চাকমা, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. শানে আলম জেলা যুবলীগের সভাপতি যতন কুমার ত্রিপুরা, সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান হেলাল, সাধারণ সম্পাদক কেএম ইসমাইল হোসেন, সদর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক চন্দন কুমার দে ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাবেদ হোসেনসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




রামগড় উপজেলা চেয়ারম্যানকে শহীদ মিনারে যেতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ

Khagrachari Pic 06 (2) copy

নিজস্ব প্রতিবেদক,খাগড়াছড়ি:

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উপলক্ষে রামগড় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম’কে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনে প্রশাসন ও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বাধা প্রদান ও নিরুৎসাহিত করার অভিযোগ করেছেন জেলা বিএনপি।

খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক মো. আবু তালেব মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেন, ২১ ফেব্রুয়ারি দিনটি একটি জাতীয় দিবস। প্রত্যেক শ্রেণী পেশার মানুষ দিনটিকে স্বরণীয় করে রাখার জন্য শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করে থাকে। কিন্তু রামগড় উপজেলা পরিষদ একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান হওয়ার পরও প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে উপজেলা চেয়ারম্যান পরিষদের শহিদুল ইসলাম পুষ্পমাল্য অর্পণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন প্রকার সহযোগিতা পাননি এবং সরকারী দলের পক্ষ থেকে হুমকি-ধমকি ও বাধা প্রদান করে।

তিনি এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের কাছে সহযোগিতা চাইলেও কোন প্রকার সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। উপরন্তু স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ না করার জন্য বারবার অনুরোধ করা হয়।

বিবৃতিতে খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি ও সম্পাদকসহ নেতৃবৃন্দ রামগড় প্রশাসন ও সরকারী দলের এহেন আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাকশালী আচরণের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান। ভবিষ্যতে এ ধরনের আচরণ অব্যাহত থাকলে জেলা বিএনপি হরতাল অবরোধ সহ কর্মসূচী ঘোষণা করতে বাধ্য হবে বলেও হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাঈন উদ্দিন খান এ সব অভিযোগ অস্বীকার করেন।




প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুরের আগমন উপলক্ষে থানচিতে চলছে প্রস্তুতি

Untitled-1 copy

থানচি প্রতিনিধি:

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও বান্দরবান ৩০০ আসনের সংসদ বীর বাহাদুর ( উশৈসিং) এমপি সরকারী সফরে থানচি উপজেলা  আসবেন ২৩ফেব্রুয়ারি। ওই দিন সকাল পৌনে ১০টায় থানচি উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে উপস্থিত হবেন।

এ উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ, প্রশাসন যৌথ উদ্যোগে  কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনি সহ সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। বীর বাহাদুরের আগমন উপলক্ষে সাংগু সেতুর শেষ অংশে ও বাস স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় গেইট নির্মান কাজ চলছে।

তিনি সরকারী উন্নয়ন তহবিল হতে নব নির্মিত ও বাস্তবায়িত ৭/৮টি প্রকল্পের উদ্বোধন করে জনসাধারণে ব্যবহারের উপযোগী করে তুলবেন। প্রকল্পের মধ্যে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে অর্থায়নে থানচি উচ্চ বিদ্যালয়ের  ৩য় তলা ভবন,  পার্বত্য উন্নয়ন বোর্ড অর্থায়নে সেগুম ঝিড়িতে সেতু , বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগার ভবন, জেলা পরিষদের অর্থায়নে  দাকছৈ পাড়া বৌদ্ধ বিহারের উপাসকদের জন্য নির্মিত ভাবনা কেন্দ্রের ভবন, থানচি বান্দরবান সড়ক হতে হাইল মারা পাড়া যাওয়ার রাস্তা সিসি করণ, বাগান পাড়া হতে হিন্দু পাড়া রাস্তা সিসিকরণ, বান্দরবান থানচি সড়ক হতে মংনাই পাড়া রাস্তা উপর ব্রিক্স সলিং প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন।  উদ্বোধন শেষে  বলিপাড়া বাজার ভেজিট্যাবল সেট’র স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সরকারী বেসরকারী কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় ও জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করবেন । জনসভা শেষে হত দরিদ্র শীতার্তদের মাঝে শীত বস্ত্র কম্বল বিতরণ করবেন বলেও সংশ্লিষ্টরা জানান।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী  বীর বাহাদুর (উশৈসিং) এমপি আগমনে উপলক্ষে নব নির্মিত ভবন, রাস্তা ইত্যাদিতে নতুন রুপে সাজানো হয়েছে। উপজেলা পরিষদ, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টরা ইতিমধ্যে আইন শৃঙ্খলা নিরাপত্তা বেষ্টনিসহ সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর (উশৈসিং) এমপির সাথে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, পার্বত্য উন্নয়ন বোর্ড’র নির্বাহী প্রকৌশলী, জেলা পরিষদ নির্বাহী প্রকৌশলী ও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীগণ থাকবেন বলেও আশা করছেন।

উপজেলা চেয়ারম্যান ক্যহ্লাচিং মারমা  জানান, থানচিবাসীদের প্রাণ প্রিয় নেতাকে আমাদের অফুরন্ত ভালবাসা শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে বরণ করা এবং নিরাপত্তা বেষ্টনিসহ সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।




গুইমারায় ক্লিন ইমেজের মেমং-ইউসুফকে টেক্কা দিতে মরিয়া উশেপ্রু মারমা

 

Guimara Election NEWS Pic copy

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা :

যাচাই-বাছাই আর প্রতীক বরাদ্ধের পর টানটান উত্তেজনার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে পার্বত্য খাগড়াছড়ির নবসৃষ্ট গুইমারা উপজেলা পরিষদের প্রথম নির্বাচন। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় মূখর গুইমারার দুর্গম পাহাড়ি জনপদ। গুইমারা উপজেলা প্রথম নির্বাচনে জয়ের স্বাধ পেতে মরিয়া চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদের ৯ প্রার্থী। ভোটারদের পক্ষে টানতে যে যার মতো করে ছুটে চলেছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে।

গুইমারা উপজেলা পরিষদের প্রথম নির্বাচনে দুই প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন নিয়ে চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন দুই তরুন নেতা মেমং মারমা ও মো. ইউসুফ। এ দু’নেতার মধ্যে রাজনৈতিক মতাদর্শে ভিন্নতা থাকলেও রাজনীতির মাঠে তারা দুজনই ক্লিন ইমেজের অধিকারী। ভোটার মহলের কাছে রয়েছে দুজনেরই পরিচিতি। দলে দুজনেরই গ্রহণযোগ্য সমানে সমান। জনসম্পৃক্ততা আর ক্লিন ইমেজকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে তৎপর এ দু’তরুন নেতা।

ভোটের মাঠে জয়ের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মেমং মারমা তার দুই সহযোদ্ধাকে নিয়ে আবার কখনো কখনো যে যার মতো ভোটারদের কাছে নৌকার পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। অন্যদিকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. ইউসুফ তার দুই সহযোদ্ধাসহ ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন দিবানিশি। বসে নেই আওয়ামী লীগ-বিএনপির নেতাকর্মীরাও। সবাই ছুটছেন দলীয় প্রার্থীর জয়ের লক্ষকে সামনে রেখে।

অন্যদিকে ক্লিন ইমজের মেমং-ইউসুফকে টেক্কা দিয়ে গুইমারা উপজেলা পরিষদের প্রথম নির্বাচনে জয় পেতে মরিয়া পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তিবিরোধী ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট-ইউপিডিএফের সমর্থন নিয়ে ভোটের মাঠে থাকা হাফছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান উশেপ্রু মারমা। নির্বাচনে জয়ের লক্ষ্যে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছেন এ প্রার্থী। গেল হাফছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে আটঘাট বেঁধে মাঠে নেমেছেন এমনটাই মনে করছেন গুইমারার সচেতন ভোটার মহল।

গুইমারা উপজেলার দুই তৃতীয়াংশ উপজাতীয় ভোটারকে টার্গেট করে ইউপিডিএফ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী উশেপ্রু মারমা ভোটের ময়দান চষে বেড়ালেও জয়ের দেখা পাবেন কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। আওয়ামী লীগ-বিএনপি দুই শিবিরে বিভক্ত ভোটারদের পক্ষে টানা তার পক্ষে অনেকটাই কষ্টকর হবে বলেও মত প্রকাশ করেছেন গুইমারার সচেতন ভোটাররা। তাদের মতে সাধারণ ভোটাররা ক্লিন ইমজের মেমং-ইউসুফের বাইরে বিকল্প ভাবতে চায়না।

এবিষয়ে জানতে চাইলে নিজের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী আওয়ামী লীগের মেমং মারমা বলেন, বিগত দিনের উন্নয়ন আর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ধারা অব্যাহত রাখতেই নৌকার পক্ষে রায় দিবে। নৌকায় ভোট দিয়ে সূচিত উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে। অন্যদিকে বিএনপির মো. ইউসুফ রায়ের ভার জনগণের উপর ছেড়ে দিয়ে বলেন, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এখন জনদাবি। জনদাবির সমর্থন থেকেই জনগণের শাসন প্রতিষ্ঠায় ভোটাররা ধানের শীষে ভোট দিবে।

নিজের জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী ইউপিডিএফ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী উশেপ্রু মারমা বলেন, গুইমারার সাধারণ জনগণ বিকল্প খুঁজছে। অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে জনগণই তাদের যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচিত করবেন। নেতৃত্ব নির্বাচনে ভোটাররা ভুল করবেনা বলেও মনে করেন তিনি।




মহালছড়িতে সরকারের সাফল্য অর্জন ও উন্নয়ন ভাবনা বিষয়ক আলোচনা

16830532_748866275290258_12780791_n copy

মহালছড়ি প্রতিনিধি:

 খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার মহালছড়ি উপজেলায় ১৯ ফেব্রুয়ারি উপজেলা টাউন হলে জেলা তথ্য অফিস ও গণযোগাযোগ অধিদপ্তর উদ্যোগে মহালছড়ি উপজেলা  নির্বাহী অফিসার মো. আব্দুল মোমিন’র সভাপতিত্বে সরকারের সাফল্য অর্জন ও উন্নয়ন ভাবনা নিয়ে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ২৯৮ নং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার সংসদ সদস্য বাবু কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা।

এ সময় সাগত বক্তব্য প্রদান করেন খাগড়াছড়ি জেলা তথ্য অফিসার মো. মোহসিন হোসেন তালুকদার, তার বক্তব্যে বর্তমান সরকারের সাফল্য অর্জন ও উন্নয়ন ভাবনার নানাদিক তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথি ২৯৮নং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার সংসদ সদস্য বাবু কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা তার বক্তব্যে  সরকারের সাফল্য অর্জনের নানাদিক তুলে ধরে বলেন, বর্তমান সরকার বাংলাদেশের মেহনতি মানুষের জন্য কাজ করেন। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর এদেশের কোন মানুষকে না খেয়ে থাকতে হয় না। এ সরকার ক্ষমতায় আসলে দেশের উন্নয়ন হয়, বাংলাদেশ এখন বিশ্ববাসীর কাছে উন্নয়নের রোলমডেল।

এছাড়া আরও বলেন, শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় আছে বলেই পার্বত্য এলাকায় সকল ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করেছেন। পরিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে আগামী নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানান।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, খাগড়াছড়ি পার্বত্য পরিষদের সদস্য বাবু জুয়েল চাকমা, মহালছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বাবু নিলোৎপল খীসা, সাধারণ সম্পাদক বাবু রতন কুমার শীল, মহালছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বিমল কান্তি চাকমা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিস কাকলী খীসা, ভাইস চেয়ারম্যান ক্যাচিং মিং চৌধুরী, মহালছড়ি ডিগ্রি কলেজের অধক্ষ বাবু মৈত্রী প্রসাদ খীসা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. জিয়াউর রহমান, এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ স্থানীয় গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ।




শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বাঘাইছড়ি পৌরসভার নির্বাচনের ভোট গ্রহণ সম্পন্ন, চলছে গণনা

 

Election pic 18.02

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙামাটি:

শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি পৌরসভার নির্বাচন। শনিবার সকাল ৮টা থেকে পৌরসভার ৯টি কেন্দ্রে একযোগে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল চারটা পর্যন্ত।

ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় ভোট দেন ভোটাররা। শান্তিপূর্ন পরিবেশে ভোট দিতে পেরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন সাধারণ ভোটাররা। নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি সন্তোষ জনক বলেও জানান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরাও। শনিবার দেশের সীমান্তবর্তী বাঘাইছড়ি পৌরসভা নির্বাচনী এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থী জাফর আলী জানান, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে তিনি শতভাগ আশাবাদী বলেও জানান। তিনি বলেন, সরকারী দলের প্রার্থী এবং আমি এলাকার মানুষের কাছের জন হিসেবে জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

বিএনপির মনোনীত মেয়র প্রার্থী ওমর আলী সকালে বেশ কয়েকটি ভোট কেন্দ্রে বহিরাগতের অভিযোগ তুললেও নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি মোটামুটি ভাল ছিল বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন খুবই সুন্দর হয়েছে। আশাকরি জয়ের মালা আমার গলায় পড়বে।

নির্বাচনে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার ছিলো। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। নির্বাচন নিয়ে কোন প্রার্থী  অভিযোগ করেননি বলেও নির্বাচনী অফিস সূত্রে জানা গেছে।

নির্বাচন কর্মকর্তা মো. নাজিম উদ্দিন জানান, নির্বাচনের পরিস্থিতি খুবুই ভাল ছিলো। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। বাঘাইছড়ি পৌরসভা নির্বাচন সারাদেশের জন্য একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। আগামীতে বাংলাদেশের সব নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ হবে এমন প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের।

দেশের সর্ব বৃহৎ উপজেলা রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে ২০০৪ সালে গঠন করা হয় পৌরসভা। শনিবার বাঘাইছড়ি পৌরসভার দ্বিতীয় নির্বাচনের ভোট শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে। এটি নব গঠিত নির্বাচন কমিশনের অধীনে প্রথম নির্বাচন। তাই এ নির্বাচনের দিকে সারা দেশের মানুষের দৃষ্টি। শেষ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বাঘাইছড়ি পৌর এলাকার মানুষ।




প্রতীক বরাদ্ধ পেয়ে শান্তিপূর্ণ ভাবে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর অঙ্গিকার প্রার্থীদের

Capture copy

গুইমারা প্রতিনিধি:

৬ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য খাগড়াছড়ির নবসৃষ্ট গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে উৎসব মুখর পরিবেশে প্রতীক বরাদ্ধ সম্পন্ন হয়েছে। সকালে গুইমারা উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে সহকারী রির্টানিং অফিসার ও গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিএম মশিউর রহমান প্রার্থীদের মাঝে তাদের পছন্দের প্রতীক তুলে দেন।

প্রথম বারের মত দলীয় প্রতীকে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হওয়ায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মেমং মারমা, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. মো. নুরুন্নবী ও ঝর্ণা ত্রিপুরা নৌকা প্রতীক,

বিএনপি মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. ইউচুপ, ভাইস চেয়ারম্যান পূর্ন্য কান্তি ত্রিপুরা ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী হলাউচিং মারমা ধানের শীষ প্রতীকে ভোট যুদ্ধে অবতীর্ণ হবেন।

এছাড়াও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী উশ্যেপ্রু মারমা, আনারস প্রতীক, ভাইস চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী মিল্টন চাকমা (চশমা), থোয়াইঅংগ্য চৌধুরী টিউবওয়েল প্রতীক বরাদ্ধ পান। প্রতীক পেয়ে ৩ চেয়ারম্যান প্রার্থী, ৪ ভাইস চেয়ারম্যান ও ২ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা শান্তিপূর্ণ ভাবে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন।

এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে দুই চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নেন।