২৯ এপ্রিল পার্বত্য বাঙ্গালী গণহত্যা দিবসের জাতীয় স্বীকৃতির দাবিতে ঢাকায় র‌্যালি ও সমাবেশ

IMAG7850

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : ২৯ এপ্রিল ২০১৭ শনিবার। পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতীয় সন্ত্রাসী দ্বারা বিভিন্ন সময় সংগঠিত প্রায় ৪০ হাজার নিরীহ বাঙ্গালী হত্যাকে “২৯শে এপ্রিল পার্বত্য বাঙ্গালী গণহত্যা দিবসে হিসেবে স্বীকৃতি’র” দাবিতে ঢাকায় শোক র‌্যালি ও সমাবেশ করেছে পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদ ঢাকা মহানগর শাখা।

শনিবার সকাল ১০ ঘটিকায় ঢাকা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সম্মুখে সংগঠনটির উদ্যোগে ও ঢাকা মহানগর সভাপতি মো. শাহাদাৎ ফরাজি সাকিব এর সভাপতিত্বে ঘন্টাব্যাপী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় ছাত্র-সহ বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ কালো ব্যাচ পরিধান পূর্বক সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে প্রধান অথিতির বক্তব্য রাখেন, পার্বত্যনাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আলকাছ আল মামুন ভূঁইয়া। বক্তব্য রাখেন, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের সহ-সভাপতি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ,ন্যাপ ভাসানী এর সভাপতি খন্দকার মোস্তাক হোসেন ভাসানী, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের উপদেষ্টা মণ্ডলীর অন্যতম সদস্য,শেখ আহাম্মদ (রাজু)। পিবিসিপি’র সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ইব্রাহিম মনির, সেক্রেটারি সারোয়ার জাহান খান। পার্বত্য নাগরিক পরিষদের নেতা সিরাজ ও এনামুল হক কাদের প্রমুখ।
IMAG7897
প্রধান অথিতি বলেন,১৯৮৬ সালের ২৯শে এপ্রিল দিবাগত রাত আনুমানিক ৯টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত ৪ ঘন্টা সময়ে খাগড়াছড়ি‘র পানছড়ি উপজেলা‘র ১নং লোগাং ইউপি, ৩নং পানছড়ি সদর ইউপি‘র ও ৪নং লতিবান ইউপি (বর্তমানে ৫নং উল্টাছড়ি ইউপি)‘র বাঙ্গালি গ্রামে অগ্নি সংযোগসহ নির্বিচারে বাঙ্গালী শিশু, কিশোর, নারী, পুরুষ, আবাল, বৃদ্ধ, বনিতা যাকে যেখানে পেয়েছে তাকে সেখানেই হত্যা করেছে তৎকালীন শান্তিবাহিনী সশস্ত্র গ্রুপ  বর্তমানে  পার্বত্য চট্রগ্রাম জন সংহতি সমিতি (জেএসএস)‘র নামে পরিচিত ।

তৎ সময়ে বে-সরকারী হিসাবে মাত্র ৪ ঘন্টা সময়ে নিরস্ত্র ও নিরীহ ৮শত ৫৩ জন বাঙ্গালীকে হত্যা করা হয়েছে, আহত করা হয়েছে প্রায় ৫শত জনকে, অপহরণ ও গুম করা হয়েছে আরো কয়েক হাজার বাঙ্গালীকে। ৬ হাজার ২শত ৪০টি বাড়ি সম্পূর্ন ভাবে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এতে গৃহহীন হয়ে পড়ে হাজার হাজার পরিবার।

শান্তি বাহিনী‘র গেরিলা যোদ্ধারা সাধারণ বাঙ্গালীদের হাত-পা বেঁধে গুলী করে, লাঠি দিয়ে পিটিয়ে, দা দিয়ে নির্মমভাবে কুপিয়ে, জবাই করে, আগুনে পুড়িয়ে, শিশুদেরকে পায়ে ধরে গাছের সাথে বাড়ি দিয়ে, বেনেট ও অন্যান্য দেশি অস্ত্র দিয়ে খোঁচিয়ে খোঁচিয়ে হত্যা করেছিল।

প্রতিটি লাশকেই বিকৃত করে সে দিন চরম অমানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল শান্তি বাহিনীর সন্ত্রাসীরা। ঘটনাটি যারা স্ব-চুখে দেখাছে বা বেচে যাওয়া কিছু কিছু সাক্ষী আজো আছে, কিন্তু ঘটনার কথা মনে পড়লে আজও তারা শিউরে উঠে।

এই হত্যা কান্ডের মধ্যে দিয়ে নরকীয়তা সৃষ্টি করেছিলো ৩৮ হাজার বাঙ্গালীর হত্যাকারী সশস্ত্র সংগঠন শান্তি বাহিনীর গেরিলারা ও উপজাতি সন্ত্রাসী হায়নারা।তিনি এসব খুনি সশস্ত্র সংগঠন শান্তি বাহিনীর গেরিলারা ও উপজাতি সন্ত্রাসী’র তদন্ত কমিটি গঠন পূর্বক দ্রুত ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে বিচারের দাবী জোড় দাবী জানান।

পানছড়িত গণহত্যা ছাড়াও পার্বত্য চট্টগ্রামের ভিবিন্ন অঞ্চলে উপজাতি এসব সন্ত্রাসীদের দ্বারা ভিবিন্ন গণহত্যা সংঘটিত হয়।এসব গণহত্যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু গণহত্যা যেমনঃ লংগদু গণহত্যা, ১৯৭৯ কাউখালি গণহত্যা,বেতছড়ি গণহত্যা,বানরাইবারী, বেলতলী, বেলছড়ি গণহত্যা,তাইন্দং, আচালং, গৌরাঙ্গ পাড়া, দেওয়ান বাজার, তবলছড়ি, বর্ণাল, রামছিরা, গোমতি গণহত্যা, গোলকপতিমা ছড়া, মাইচ্যেছড়া, তারাবনছড়ি গণহত্যা,ভূষণছড়া গণহত্যা, পানছড়ি গণহত্যা, দিঘীনালা গণহত্যা, ২৯ এপ্রিল ১৯৮৬, মাটিরাংগা গণহত্যা, কুমিল্লাটিলা, শুকনাছড়ি, দেওয়ান বাজার, সিংহপাড়া, তাইন্দং গণহত্যা, দিঘীনালা গণহত্যা, ২ জুলাই ১৯৮৬, ভাইবোন ছাড়া গণহত্যা, হিরাচর, শ্রাবটতলী, খাগড়াছড়ি, পাবলাখালী গনহত্যা, লংগদু গনহত্যা ১৯৮৯, নাইক্ষ্যাছড়ি গণহত্যা, মাল্যে গনহত্যা, লোগাং গনহত্যা, নানিয়ারচর গনহত্যা,পাকুয়াখালী গণহত্যা,জুরাইছড়ি গণহত্যা ইত্যাদি।

অন্যান্য বক্তারা বলেন, যেহেতু গণহত্যা হলো একটি জাতি, একটি জাতি গোষ্ঠী বা একটি সম্প্রদায়কে নির্মূল করণ প্রক্রিয়া ৷সেহেতু উপজাতি এসব সন্ত্রাসী বাঙ্গালী নির্মূল করার লক্ষে এসব সাধারণ বাঙ্গালী জাঁতির মানুষদের হত্যা করেছে৷

সেক্ষেত্রে এটি প্রমাণিত যে, পাহাড়ে ৪০ হাজার নিরীহ বাঙ্গালী হত্যাকে “পার্বত্য বাঙ্গালী গণহত্যা দিবস”র জাতীয় স্বীকৃতির মর্যাদা রাখে।

উল্লেখ্য, এদিকে ৭৫-৯৭ সাল পর্যন্ত তিন পার্বত্য অঞ্চলকে বাংলাদেশ আলাদা করতে জেএসএস এবং ইউপিডিএফ’র জঙ্গি বাহিনী তথা শান্তি বাহিনি নির্মম ভাবে খুন করে ২৫৬ জন বীর সেনা এবং ৩৮ হাজারের অধিক নিরীহ বাঙালিকে।




কক্সবাজারের উন্নয়নের জন্য শেখ হাসিনাকে সর্বোচ্চ সম্মান জানাতে হবে

ramu picmp komol 29.4.17
রামু প্রতিনিধি :
কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল বলেছেন, কক্সবাজারের উন্নয়নের জন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে সর্বোচ্চ সম্মান জানাতে হবে। তিনি কক্সবাজারবাসীকে আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর, সেনানিবাস, গভীর সমুদ্র বন্দর, সমুদ্র গবেষনা কেন্ত্র, আর্ন্তজাতিক স্টেডিয়াম, মেরিন ড্রাইভ সড়কসহ জেলায় অভূতপূর্ব উন্নয়ন করেছেন। প্রধানমন্ত্রীকে আরো বেশী করে সম্মান জানাতে পারলেই উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

শনিবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধায় রামু খিজারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে আয়োজিত সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন, রামু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগ সভাপতি রিয়াজ উল আলম, কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি জাফর আলম চৌধুরী, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও রামু উপজেলা পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মুসরাত জাহান মুন্নী, রামু উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আলী হোসেন, কক্সবাজার জেলা পরিষদের সদস্য শামসুল আলম ও নুরুল হক।

বিশিষ্ট আওয়ামীলীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার ফরিদ আহমদের সভাপতিত্বে ও ফতেখাঁরকুল ইউনিয়ন স্বেচ্ছসেকবলীগের সভাপতি আজিজুল হক আজিজ এর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, আওয়ামীলীগ নেতা তরুন বড়–য়া, চাকমারকুল ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সিকার, ফতেখাঁরকুল ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম, খুনিয়াপালং ইউপি চেয়ারম্যান সাংবাদিক আবদুল মাবুদ, ঈদগড় ইউপি চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমদ ভূট্টো, জোয়ারিয়ানালা ইউপি চেয়ারম্যান কামাল শামসুদ্দিন আহমেদ প্রিন্স, রাজারকুল ইউপি চেয়ারম্যান মুফিজুর রহমান মুফিজ, গর্জনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম, কচ্ছপিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবু মো. ইসমাঈল নোমান, কাউয়ারখোপ ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ, রশিদনগর ইউপি চেয়ারম্যান এমডি শাহ আলম, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম ভূট্টো, জেলা যুবলীগ নেতা এমএম আবুল কালাম আজাদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা নুর আল হেলাল, রামু উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক নীতিশ বড়–য়া, রামু উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সাধারণ সম্পাদক তপন মল্লিক,যুবলীগ নেতা পলক বড়–য়া আপ্পু, উপজেলা যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন, যুবলীগ নেতা নবীউল হক আরকান, মাসুদুর রহমান মাসুদ, কক্সবাজার জেলা মৎস্যজীবি লীগের সহ সভাপতি আনছারুল হক ভূট্টো, আওয়ামীলীগ নেতা নুরুল হক, সৈয়দ মোহাম্মদ আবদু শুক্কুর, কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম, কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি নুরুল ইসলাম নাহিদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা ও সাংসদ কমলের একান্ত সচিব মিজানুর রহমান, সাংসদ কমলের ব্যক্তিগত সহকারি রামু উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদ আবু বক্কর ছিদ্দিক, রামু উপজেলা তাঁতীলীগের সভাপতি নুরুল আলম জিকু, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক আহমদ, রামু উপজেলা শ্রমিকলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওসমান গনি, রামু উপজেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের আহবায়ক মিজানুল হক রাজা, যুগ্ন আহবায়ক রাশেদুল হক বাবু, চাকমারকুল ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক ছৈয়দ নুর মেম্বার, জোয়ারিয়ানালা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আনছারুল আলম, রামু উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদী, রিয়াজ, স্বেচ্ছসেবকলীগ নেতা আরিফ খান জয় প্রমূখ।

সভায় আগামী ২ মে থেকে মে পর্যন্ত প্রতিনিধি ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে কর্মী সভা, আনন্দ মিছিল ও পথসভা করার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। এতে আরো জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার আসবেন আগামী ৬মে। এদিন কক্সবাজারে অনুষ্ঠিতব্য জনসভা জনসমুদ্রে পরিনত হবে। তাই বিড়ম্বনা এড়াতে ওইদিন বিয়েশাদি সহ সকল প্রকার দিনের অনুষ্ঠান স্থগিত রাখার জন্য রামু-কক্সবাজারবাসীকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়।

সমাবেশে সাংসদ কমল আরো বলেন, বিগত ৩বছরে রামুর শিক্ষাক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। যা স্বাধীনতার ৪৩ বছরে হয়নি। স্বাধীনতার পূর্বে রামুতে উচ্চ বিদ্যালয় ছিলো ৫টি। বিগত ৪৩ বছরে এ সংখ্যা ছিলো ১২টি। অথচ বিগত ৩ বছরে রামুতে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে আরো ১১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এর সুফল ভোগ করবেব রামুর ১১ ইউনিয়নের ছাত্রছাত্রীরা।




২০০৮ সালে মানুষ যাকে ভোট দিয়েছিলো তিনি মানুষের খবর নেননি

cox pic mp komol 2017
রামু প্রতিনিধি :
কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল বলেছেন, ২০০৮ সালে মানুষ যাকে ভোট দিয়ে সাংসদ নির্বাচিত করেছিলেন তিনি বিগত ৯ বছর মানুষের খবর নেননি। বিগত ২০১২, ২০১৪ এবং ২০১৫ সালে সংগঠিত ভয়াবহ বন্যা হয়েছে। এমনি ছনখোলার মানুষ ১ মাস পানি বন্দি ছিলো। ছনখোলার মতো অনেক এলাকায় সেসব নেতারা মানুষের পাশে এসে দাঁড়ায়নি। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ছনখোলায়ও অনেক উন্নয়ন কর্মকান্ড চলছে। যা স্বাধীনতার পর থেকে হয়নি।

কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের বৃহত্তর ছনখোলা প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের মিলনমেলা উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাংসদ কমল এসব কথা বলেন।

শনিবার (২৯ এপ্রিল) বিকালে ছনখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, বৃহত্তর ছনখোলা প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের সভাপতি মো. আবদুর রহমান সোহেল।

মো. আক্তার কামাল আজাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম, অছিউর রহমান, কক্সবাজার জেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন সিকদার।

অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছলে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হাজার হাজার শিক্ষার্থী প্রধান অতিথি সাংসদ কমলকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিবাদন জানান।

সমাবেশে সাংসদ কমল আরো বলেন, বিগত ৩ বছরে কক্সবাজার সদর ও রামুর শিক্ষাক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। যা স্বাধীনতার ৪৩ বছরে হয়নি। বর্তমান সরকার শিক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীদের সঠিক শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে নিজেকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। সততা, মেধার সমন্বয় ঘটিয়ে নিজেকে আধুনিক ও কর্মক্ষেত্রে যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এখানকার ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষার উন্নয়নের আমি নিরলসভাবে ভূমিকা রাখতে চাই। প্রয়োজনে কোন ছাত্রছাত্রী উচ্চ শিক্ষা অর্জনের জন্য বিদেশে পড়াশুনার জন্য যেতে চাইলে আমি বিমান টিকেটসহ ব্যয়ভার বহন করবো।




রবিবার রাঙামাটিতে সকাল-সন্ধ্যা সড়ক ও নৌপথ অবরোধ

1111

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
রবিবার (২৩ এপ্রিল) রাঙামাটি জেলায় সকাল-সন্ধ্যা সড়ক ও নৌপথ অবরোধ কর্মসূচি সফল করার জন্য জেলাবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে রমেল হত্যা প্রতিবাদ কমিটি ও বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ(পিসিপি)।

পিসিপি নেতা রমেল হত্যা প্রতিবাদ কমিটির আহ্বায়ক সুনন্দা তালুকদার ও পিসিপি’র কেন্দ্রীয় সভাপতি বিনয়ন চাকমা, সাধারণ সম্পাদক অনিল চাকমা শনিবার (২২ এপ্রিল) সংবাদ মাধ্যমে প্রদত্ত এক যুক্ত বিবৃতিতে এই আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ রবিবারের সকাল-সন্ধ্যা সড়ক ও নৌপথ অবরোধ সফল করে অন্যায়-অবিচারে বিরুদ্ধে গর্জে উঠার জন্য জেলার সকল যান মালিক সমিতি, শ্রমিক সংগঠন, ব্যবসায়ী, চাকুরীজীবীসহ সর্বস্তরের জনসাধারণে প্রতি আহ্বান জানান।

এছাড়া নেতৃবৃন্দ আগামী ২৫ এপ্রিল রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মুখে অবস্থান ধর্মঘট ও ২৬ এপ্রিল নান্যাচর বাজার বয়কট কর্মসূচি সফল করারও আহ্বান জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত ৫ এপ্রিল নান্যাচর উপজেলা পরিষদ এলাকা থেকে মেজর তানভীরের নেতৃত্বে একদল সেনা সদস্য রমেল চাকমাকে আটক করে সেনাজোনে নিয়ে যায়। সেখানে রমেল চাকমা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে পুলিশ প্রহরায় দুই সপ্তাহ ধরে চিকিৎসাধীন থাকার পর গত বুধবার (১৯ এপ্রিল) রমেল চাকমা মারা যায়।

 

 




চকরিয়ার চিরিংগা ইউনিয়ন যুবদলের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

chiringa jubadal chakaria 21-4-17
চকরিয়া প্রতিনিধি :
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল চকরিয়া উপজেলাধীন চিরিংগা ইউনিয়ন শাখার বর্ধিত সভা ২১ এপ্রিল বিকাল ৪টায় স্থানীয় পালাকাটা কুসুমকলি শিক্ষা নিকেতন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

চকরিয়া উপজেলা ও চিরিংগা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি এম ইব্রাহিম খলিল কাঁকনের সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক মো. ওসমান গনি, সাংগঠনিক সম্পাদক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম নিরবের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চিরিংগা ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক আলহাজ¦ বজল কবির, প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এম আরিফুল ইসলাম, উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক এম জকরিয়া।

বক্তব্য রাখেন উপজেলার সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও ইউনিয়নের সিনিয়র সহসভাপতি মমতাজ মিয়া, উপজেলা যুবদলের সমবায় বিষয়ক সম্পাদক জসিম উদ্দিন রানা, কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক কফিল উদ্দিন, ইউনিয়ন যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সরওয়ার আলম, বেলাল উদ্দিন, আব্বাস উদ্দিন, জামাল উদ্দিন বাবুল, জমির উদ্দিন সওদাগর, মো. ইসমাইল, মো. এনামুল হক, রহমত উল্লাহ, মো. এখলাস, আবদুল আজিজ, মনোর আলম, মামুনুর রশিদ, নুরুল আমিন, নুরুল হোছাইন, মো. বাদশা, মো: মামুন সহ ইউনিয়ন ও প্রত্যেক ওয়ার্ড যুবদলের অসংখ্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উক্ত বর্ধিত সভায় উপজেলা যুবদলের সভাপতি সমাপনী বক্তব্যে চিরিংগা ইউনিয়ন যুবদলকে পূর্বের তুলনায় আরো গতিশীল ও সুশৃংখল যুবদল হিসেবে গড়ে তোলতে সকলের প্রতি আহবান জানান।  তিনি উপস্থিত নেতৃবৃন্দের বক্তব্যের আলোকে আগামীতে যুবদলকে পূর্ণগঠন, বর্ধিত করণ কিংবা নতুন কমিটি গঠন বিষয়ে সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সাথে সাথে পরামর্শ করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবেন বলে জানান।




রত্নাপালং ইউনিয়ন যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

Picture Ukhiya Juboligue
উখিয়া প্রতিনিধি :
বাংলাদেশ যুবলীগ উখিয়ার রত্নাপালং ইউনিয়ন শাখার বর্ধিত সভা শুক্রবার বিকালে কোটবাজার দক্ষিণ ষ্টেশন শারমিন টাওয়ারে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মকছুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উখিয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মুজিবুল হক আজাদ। প্রধান বক্তায় ছিলেন উখিয়া উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন। উক্ত বর্ধিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি যথাক্রমে-এডভোকেট এটিএম রশিদ, কফিল উদ্দিন চৌধুরী, মাষ্টার আব্দুল্লাহ আল হাকিম বাবুল, মো. শাহজাহান, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ জাহান সাজু, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল হারুন মানিক, কক্সবাজার পৌরযুবলীগের সদস্য ও রত্নাপালং ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক আহবায়ক আলফাজ চৌধুরী ও উপজেলা যুবলীগের সদস্য রাহমতউল্লাহ।

রত্নাপালং ইউনিয়ন যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহজাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন দিদারুল আলম, ৮নং ওয়ার্ড সভাপতি মো. শাহআলম, ৬নং ওয়র্ডি সভাপতি মো. জাবেদ, ৪নং ওয়ার্ডের মোজাম্মেল, ১নং ওয়ার্ডেরপিকু বড়ুয়া। এছাড়াও ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন।

বর্ধিত সভায় সংগঠনকে গতিশীল করার লক্ষে ১, ৩, ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ড কমিটিকে বিলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত হয়।আগামী ১ মাসের মধ্যে উক্ত ওয়ার্ড কমিটি সম্মেলনের মাধ্যমে গঠন করা হবে। এছাড়াও ইউনিয়ন কমিটির শূন্য পদ কো-অপশনের মাধ্যমে পূরণ করারও সিদ্ধান্ত হয়েছে।




চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরি কমিটির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত

chakaria ufazial a.leug 15-4-17
চকরিয়া প্রতিনিধি :
দীর্ঘদিন পর চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরি কমিটির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝির অবসান করা হয়। আগামীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ ও ২০৪১সালের উন্নত বাংলাদেশ গড়ার জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গিকার করেন। প্রত্যেক নেতাকর্মীর পাশে থাকার ঘোষণা দেন।

১৫ এপ্রিল বিকাল তিনটায় ফাঁশিয়াখালী ভেন্ডিবাজার আপণ কমিউনিটি সেন্টারে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাফর আলম এমএ এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী চেয়ারম্যানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল আবছার, উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সরওয়ার আলম, সহ-সভাপতি মোক্তার আহমদ চৌধুরী, মুজিবুল হক রতন, এম আর চৌধুরী, ছৈয়দ আলম কমিশনার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরী, শাহনেওয়াজ তালুকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত চেয়ারম্যান, সাংবাদিক মিজবাউল হক, নজরুল ইসলাম, ত্রান ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক শফিউল আলম বাহার, দপ্তর সম্পাদক আবদুল জলিল, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ডা. মীর আহমদ, ক্রীড়া সম্পাদক হাসানুল হক, মহিলা বিষয়ক জন্নাতুল বকেয়া রেখা, শিক্ষা ও মানব সম্পদ সম্পাদক সাহাবউদ্দিন, শ্রম সম্পাদক আলমগীর কবির, সহ-প্রচার সম্পাদক সাইফুদ্দিন মামুন, চিরিঙ্গা ইউনিয়ন সভাপতি আবদুল কাইয়ুম, হারবাংয়ের সভাপতি মিরানুল ইসলাম চেয়ারম্যান, আনন্দ মোহন, ফাঁশিয়াখালীর সভাপতি সাহাবউদ্দিন মেম্বার, বদরুদ্দোজা, রফিকুল ইসলাম এমএ, নুরুল আবছার, আজিমুল হক, অধ্যাপক শফিউল ইসলাম, ফিরোজ আহমদ চৌধুরী, আতিকুল ইসলাম হানু, লক্ষ্যারচরের খ ম বুলেট, বেলাল আজাদ, মাষ্টার বেলাল আহমদ, ডা. নুরুল আমিন, নুরুল আবছার।

এরপর সর্বসম্মতিক্রমে দলকে গতিশীল করার জন্য ১১টি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগে জরুরি ভিত্তিতে বর্ধিত সভা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরমধ্যে ১৭এপ্রিল লক্ষ্যারচরে মুজিবনগর দিবস পালন করা হবে এবং ২৫এপ্রিল কাকারা, ২৬এপ্রিল ফাঁশিয়াখালী, ২৮এপ্রিল বরইতলী, ১ মে চিরিঙ্গা, ১২ মে হারবাং, ২২ মে কৈয়ারবিল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।




বঙ্গবন্ধু’র স্বপ্নের বাংলা গড়তে আ’লীগ নেতাকর্মীদের ভেদাভেদ ভুলে কাজ করতে হবে

Chakaria Pic 06-04-17,
চকরিয়া প্রতিনিধি :
কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান বলেছেন, এখনও সময় আছে সঠিক পথে রাজনীতি করুন, দলকে মাঠ পর্যায়ে জনবান্ধব হিসেবে তৈরী করুন। আপনাদেরকে এমন ভাবে এগিয়ে যেতে হবে আগামী নির্বাচনে দেশরত্ম শেখ হাসিনাকে আবারও ক্ষমতায় আনতে হবে। তাকে ক্ষমতায় দেখতে চাইলে অতীত ও বর্তমান সময়ের সকল ভেদাভেদ ভুলে নেতাকর্মীদেরকে আওয়ামীলীগের জন্য কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে হলে আওয়ামীলীগের প্রতিটি নেতাকর্মীকে সব ধরণের ভেদাভেদ ভূলে সংগঠনের জন্য নিবেদিতভাবে কাজ করতে হবে। দলের ভেতরে নেতাকর্মীদের মাঝে বিভক্তি আর গ্রুপিং থাকলে কোনদিন বঙ্গবন্ধু’র সোনার বাংলা বাস্তবে রূপ পাবেনা। অতীতে চকরিয়া জনপদে আওয়ামীলীগে অনেক ধরণের বিভাজন হয়েছে। দলের স্বার্থে এখন থেকে আমরা বিভাজন আর বিভেদ চাইনা। দলকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করতে হবে। তিনি বলেন, আওয়ামীলীগের প্রতিটি নেতাকর্মীকে শপথ নিতে হবে আমরা ভেদাভেদ ভূলে গেছি, মনে রাখবেন নিজেদের মধ্যে বিভেদ থাকলে এর সুযোগ নেবে বিএনপি জামাত জোট। সেই সুযোগে তাঁরা ক্ষমতায় আসতে পারলে খালেদা জিয়া হবে রানী, আর তাঁর ছেলে তারেক জিয়া হবে দেশের রাজা। তখন আওয়ামীলীগের কোন নেতাকর্মী তাদের রোষানল থেকে বাঁচতে পারবেনা। বৃহস্পতিবার বিকালে চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যালয়ে চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে আয়োজিত বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম লিটুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বর্ধিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক চকরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল করিম, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ জাফর আলম, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহাবুবুল আলম মুকুল, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এটিএম জিয়াউদ্দিন চৌধুরী, আমিনুর রশিদ দুলাল, মিজানুর রহমান, বদরুল হাসান মিল্কী। বর্ধিত সভায় চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক রির্পোট উপস্থাপন করেন সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী।

বর্ধিত সভায় উপস্থিত ছিলেন পৌরসভা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মো.ওয়ালিদ মিল্টন, সহ-সভাপতি অধ্যাপক মোসলেহ উদ্দিন মানিক, বশির আহমদ, আবু তালেব, আমান উল্লাহ আমান, নুরুল আমিন, পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও ৩নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি বশিরুল আইয়ুব, পৌরসভা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক রতন কুমার সুশীল, ফেরদৌস ওয়াহিদ, কাউন্সিলর রেজাউল করিম, সেলিম সিকদার লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক মুজিবুর রহমান লিটন, নজরুল ইসলাম রাসেল, বিএমচর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান বদিউল আলম, কোনাখালী ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি দিদারুল হক সিকদার, পৌরসভা আওয়ামীলীগ নেতা মিফতাব উদ্দিন চৌধুরী, কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি মাস্টার কবির হোসেন, তাজুল ইসলাম, ডা. রতন কুমার সুশীল, মনিরুল ইসলাম, সেকান্দর বাদশা নাগু, আনোয়ার হোসেন, আলহাজ নজরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবির কমিশনার, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন মেম্বার, মনছুর আলম, সফুর আলম, মোহাম্মদ ইসহাক, জয়নাল আবেদিন, জমির উদ্দিন মেম্বার, কাউন্সিলর জামাল উদ্দিন, আমির হোসেন আমু, আমির হামজা, পৌরসভা মহিলা আওয়ামীলীগের নেত্রী রিনা আক্তার,  পৌরসভা আওয়ামীলীগ নেতা শাহ আলম, আবদুর রশিদ, ডা.আসাদুল ইসলাম, সুলতান আহমদ, গণী মোছাদ্দেক, ইমাম হোসেন, পৌরসভা আওয়ামীলীগের সদস্য করিবাজ ফজল করিম চৌধুরী, চকরিয়া পৌরসভা যুবলীগের সভাপতি হাসানগীর হোছাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল হামিদ, পৌরসভা মৎস্যজীবিলীগের সাধারণ সম্পাদক মো.আবদুল হামিদ, চকরিয়া পৌরসভা ছাত্রলীগের নতুন কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক রানা পারভেজ, সাবেক পৌরসভা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক মো.সোহেল রানা প্রমুখ।

প্রধান অতিথি জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান বর্ধিত সভায় পৌরসভা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে সদস্য সংগ্রহ অভিযান জোরদার করার নির্দেশ দিয়ে বলেন, আগামীকাল (শুক্রবার) থেকে আপনারা দলের জন্য মাঠ পর্যায়ে গিয়ে কাজ শুরু করুন। ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে সমাবেশ করুন, দলের মধ্যে বিভাজন দুর করে শক্তিশালী সংগঠন তৈরীতে কাজ করুন।




পেকুয়ার উজানটিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলন

পেকুয়া প্রতিনিধি:

কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়ন বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিল অধিবেশন ৭ এপ্রিল শুক্রবার বিকাল ৩টায় এএস আলিম মাদ্রাসা হল রুমে এ সম্মেলন অনুষ্টিত হবে।

সম্মেলনকে ঘিরে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে চাঙ্গাভাব দেখা দিয়েছে। সভাপতি/সম্পাদক আর সাংগঠিক সম্পাদক পদ নিয়ে ব্যাপক প্রতিযোগিতা হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা। তবে দলীয় হাইকমান্ড যে সিদ্ধান্ত দিবে তা মেনে নেয়ার কথাও বলেছেন প্রতিযোগীরা।

উজানটিয়া ইউনিয়ন বিএনপির বর্তমান আহবায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলা বিএনপির সভাপতি/সম্পাদক সাক্ষরিত রেজাউল করিম চৌধুরী মিন্টুকে আহবায়ক ও এমজারুল হককে সদস্য সচিব করে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে একটি আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করে। এ কমিটির নেতৃত্বে ২ মাসের ভিতর ৯টি ওয়ার্ড/ইউনিট কমিটি সম্পন্ন করে ৭ এপ্রিল শুক্রবার সম্মেলনের সময় নির্ধারণ করেন।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি বাহাদুর শাহ ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেনের উপস্থিতিতে বিকাল ৩টায় সম্মেলন ও কাউন্সিল অনুষ্টিত হবে।

বর্তমান আহবায়ক রেজাউল কমির চৌধুরীর কাছে সম্মেলনের প্রস্তুতি কেমন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ২ মাসের ভিতর তারা ওয়ার্ড কমিটি সম্পন্ন করে পূর্ণাঙ্গ কমিটির সম্মেলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে শুক্রবার। দলীয় কোন গ্রুপিং না থাকায় তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মাঝে এ সম্মেলন নিয়ে চাঙ্গাভাব দেখা দিয়েছে।

বর্তমান সভাপতি প্রার্থী মো. আজম বলেন, এ সম্মেলন পেকুয়া উপজেলার জন্য দৃষ্টান্ত হিসাবে ধরে নিয়ে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। ভোটে হউক আর দলীয় কমান্ডের নির্দেশ হউক তিনি মেনে নিবেন বলে জানান।

সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী বর্তমান সদস্য সচিব এমজারুল হক বলেন, ইতিমধ্যে সম্মেলন সফল করতে ব্যাপক প্রচারণা চালানোর পাশাপাশি এএস মাদ্রাসা মাঠে বিশাল মঞ্চ করা হয়েছে। সুন্দর পরিবেশে এ সম্মেলন অনুষ্টিত হবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসাইন বলেন, উপজেলার সাত ইউনিয়নের সম্মেলনের ধারাবাহিক অংশ হিসাবে উজানটিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলন অনুষ্টিত হচ্ছে। নেতাকর্মীরা যাকে নেতা হিসাবে মেনে নিবে আমরা তাদেরকে নেতা হিসাবে মনোনীত করবো। এছাড়াও কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমদের নির্দেশনাও থাকবে।




শপথ নিলেন গুইমারা উপজেলার প্রথম চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান

03 (1) copy

গুইমারা প্রতিনিধি:

সদ্য নির্বাচিত খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলা পরিষদের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। গুইমারা উপজেলা পরিষদের প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে ইউনাইটেড পিপলস্ ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) সমর্থিত উশ্যেপ্রু মারমা ও কুমিল্লা সদর দক্ষিণের চেয়ারম্যানকে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে বিভাগীয় কমিশনার মো. রুহুল আমিন শপথ বাক্য পাঠ করান।

পরে একই সাথে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মনোনীত ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) পূর্ন্য কান্তি ত্রিপুরা ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ঝর্না ত্রিপুরা, কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান এবং কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানকে (মহিলা) শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়। এসময় স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক দিপক চক্রবর্তী ও গুইমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিএম মশিউর রহমান অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ৬মার্চ সোমবার গুইমারা উপজেলা পরিষদের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইউনাইটেড পিপলস্ ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) সমর্থিত উশ্যেপ্রু মারমা আনারস প্রতীকে ৬৮৯৫ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়। এছাড়াও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মনোনীত ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) পূর্ন্য কান্তি ত্রিপুরা ৫৮৭৮ ভোট ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা) ঝর্না ত্রিপুরা ৮১৭২ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছিল। গত ৩১মার্চ ২০১৭ স্থানীয় সরকার বিভাগ গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ফলাফল প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করে।