দুস্কৃতিকারীদের হামলায় খাগড়াছড়ি মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রইছ উদ্দিন আহত, চট্টগ্রাম মেডিকেলে প্রেরণ

Khagrachari Picture 20-1-2017
নিজস্ব প্রতিবেদক :

খাগড়াছড়ি মুক্তিযোদ্ধা সংসদের জেলা কমান্ডার রইছ উদ্দিন গুরতর আহত হয়েছেন। শুক্রবার দুপুর পৌনে ১২টার আদালত সড়ক এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।  রইছ উদ্দিনকে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার নয়ন ময় ত্রিপুরা পার্বত্যনিউজকে জানান, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রইছ উদ্দিনের বাম হাতের কব্জির পাশে একটি হাড় ভেঙ্গে গেছে।

হামলার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান পার্বত্যনিউজকে জানান, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে আওয়ামীলীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক মো. জাহেদুল আলম ও পৌরসভার মেয়র রফিকুল আলম রইছ উদ্দিনকে দেখতে হাসপাতালে যান এবং এ ঘটনার জন্য জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপির অনুসারীদের দায়ী করে শ্লোগান দেন। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি রণ বিক্রম ত্রিপুরা।




নির্মলেন্দু চৌধুরীর উপর হামলাকারীদের গ্রেফতারে আ’লীগের ৪৮ঘণ্টার আল্টিমেটাম, গ্রেফতার এক

Khagrachari Picture(01) 20-1-2017
নিজস্ব প্রতিবেদক:

খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক নির্মলেন্দু চৌধুরীর উপর হামলাকারী বহিষ্কৃত জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহেদুল আলম ও তার ছোট ভাই মেয়র রফিকুল আলমসহ চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে ৪৮ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে জেলা আওয়ামীলীগ।

জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক নির্মলেন্দু চৌধুরীর উপর হামলার প্রতিবাদে শুক্রবার সকালে খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী এ আল্টিমেটাম দেন। এর আগে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

সমাবেশে জেলা আওয়ামলীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য মংশেপ্রু চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, মেয়র রফিকুল আলম ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর হাত থেকে জেলার সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, পুরোহিত, মাওলানা কেউই রেহাই পাচ্ছে না।
Khagrachari Picture 04

এ সময় খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি কল্যান মিত্র বড়ুয়া, বীর কিশোর চাকমা অটল, জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা নুরুন্নবী চৌধুরী, জেলা আওয়ামীলীগের সম্পাদক মংক্যচিং চৌধুরী, এডভোকেট আশুতোষ চাকমা, সত্যজিত চৌধুরী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. শানে আলম, জেলা পরিষদ সদস্য জুয়েল চাকমা, আওয়ামীলীগের নেতা সুদর্শী চাকমা,জেলা যুবলীগের সভাপতি যতন কুমার ত্রিপুরা,সাধারন সম্পাদক কে এম ইসমাইল হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি খোকনেশ্বর ত্রিপুরা, সাধারণ সম্পাদক চন্দন কুমার দে, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি টিকো চাকমা, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন ও সম্পাদক মো: জাবেদ হোসেনসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। শহর জুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

বৃহষ্পতিবার বেলা ১২টার দিকে নারিকেল বাগান এলাকায় খাগগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য নির্মলেন্দু চৌধুরীর উপর হামলার  ঘটনা ঘটে। নির্মলেন্দু চৌধুরীকে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।

এ ঘটনায় বৃহসপতিবার রাতে খাগড়াছড়ি পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো: জাবেদ হোসেন বাদী হয়ে বহিষ্কৃত জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহেদুল আলম ও তার ছোট ভাই মেয়র রফিকুল আলমসহ ৩৮ জনকে আসামী করে মামলা করেন।

খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান পার্বত্যনিউজকে জানান, আসামীদের গ্রেফতারের সাড়াশি অভিযান চলছে। সমীর দে নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।




নির্মলেন্দু চৌধুরীর উপর হামলার ঘটনায় মেয়র রফিকসহ ৩৮ জনের নামে মামলা

Khagrachari Pic 12
নিজস্ব প্রতিবেদক :
খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় সমাজ কল্যাণ পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা নির্মলেন্দু চৌধুরীর উপর হামলার ঘটনায় খাগড়াছড়ি পৌরসভার মেয়র মো. রফিকুল আলমসহ ৩৮ জনকে আসামী করে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে খাগড়াছড়ি পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জাবেদ হোসেন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১২টায় বিষয়টি নিশ্চিত করে পার্বত্যনিউজকে বলেন, মামলায় জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহেদুল আলম ও দিদারুল আলম ওরফে কসাই দিদারকেও আসামী করা হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

প্রসঙ্গত, বৃহষ্পতিবার বেলা ১২টার দিকে নারিকেল বাগান এলাকায় খাগগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য নির্মলেন্দু চৌধুরীর উপর হামলার  ঘটনা ঘটে। নির্মলেন্দু চৌধুরীকে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার নয়ন ময় ত্রিপুরা পার্বত্যনিউজকে জানান, নির্মলেন্দু চৌধুরী নাক দিয়ে রক্ত যাচ্ছিল। শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্নও ছিল। তিনি কথা বলতে পারছিলেন না। অবস্থা নাজুক হওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

এদিকে হামলার প্রতিবাদে শহরে লাঠি মিছিল বের করে জেলা আওয়ামীলীগ। মিছিলটি শাপলা চত্বরে গেলে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। নেতাকর্মীরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙ্গে আওয়ামীলীগের অপর অংশের কার্যালয়ে হামলা চালায়। এ সময় কয়েকটি দোকানে হামলা ও কয়েকটি টমটম ভাংচুর হয়। এ সময় আতংকে শহরের অধিকাংশ দোকানপাট ও যানবাহন সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

উদ্ভূত পরিস্থিস্থিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসন বিশেষ আইনশৃঙ্খলা বৈঠক আহবান করলেও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি ও তার অনুসারীরা সে বৈঠক বর্জন করেন।

উল্লেখ্য, গত পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়াকে কেন্দ্র করে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগ দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এর পর থেকে প্রতিনিয়ত খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি ও সাধারণ সম্পাদক জাহেদুল আলমের অনুসারীদের মধ্যে পাল্টা-পাল্টি হামলা, মামলা ও ভাংচুর অব্যাহত আছে।




নির্মলেন্দু চৌধুরীর উপর হামলার প্রতিবাদে সনাতন সম্প্রদায়ের সিরিজ কর্মসূচী

Khagracgari Pic(10)
নিজস্ব প্রতিবেদক :
খাগড়াছড়িতে জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় সমাজ কল্যাণ পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা নির্মলেন্দু চৌধুরীর উপর হামলাঠ প্রতিবাদে সনাতন সম্প্রদায় সিরিজ কর্মসূচী গ্রহণ করেছে। কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে জেলা ও উপজেলার সকল ধর্মীয় মন্দিরে প্রতিবাদী ব্যানার উত্তোলন, জেলা ও উপজেলা সদরে মানববন্ধন ও সনাতন সম্প্রদায়ের জানমালের নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় খাগড়াছড়ি শহরের সমাজ কল্যাণ পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সনাতন সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠনের যৌথসভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক তরুণ কুমার ভট্টচার্য জানান, সন্ধ্যা ৭টায় কেন্দ্রীয় সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি এডভোকেট বিধান কানুনগোর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্মল কান্তি দাশ ও সহ-সভাপতি  সত্যজিত চৌধুরী, বাংলাদেশ জম্মাষ্টমী উদযাপন কমিটির আহবায়ক তপন কান্তি দে, সম্পাদক চন্দ্র শেখর দাশ, প্রফেসর দীলিপ চৌধুরী ও আশীষ কুমার ভট্টাচার্যসহ সনাতন সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় শুক্রবার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে সংবাদপত্রে বিবৃতি প্রদান, শনিবার জেলা ও সকল উপজেলার মন্দিরে সনাতন সম্প্রদায়ের জান-মালের নিরাপত্তার দাবিতে প্রতিবাদী ব্যানার উত্তোলন, রবিবার জেলা সদর ও সকল উপজেলায় মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত,বৃহষ্পতিবার বেলা ১২টার দিকে নারিকেল বাগান এলাকায় খাগগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য নির্মলেন্দু চৌধুরীর উপর হামলার  ঘটনা ঘটে। নির্মলেন্দু চৌধুরীকে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।

খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার নয়ন ময় ত্রিপুরা পার্বত্যনিউজকে জানান, নির্মলেন্দু চৌধুরী নাক দিয়ে রক্ত যাচ্ছে। শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্নত রয়েছে। কথা বলতে পারছে না। অবস্থা নাজুক হওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

এদিকে হামলার প্রতিবাদে শহরে লাঠি মিছিল বের জেলা আওয়ামীলীগ। মিছিলটি শাপলা চত্বরে গেলে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। নেতাকর্মীরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙ্গে আওয়ামী লীগের অপর অংশের কার্যালয়ে হামলা চালায়। এ সময় কয়েকটি দোকানে হামলা ও কয়েকটি টমটম ভাংচুর হয়। এ সময় আতংকে শহরের অধিকাংশ দোকানপাট ও যানবাহন সাময়িক বন্ধ হয়ে যায়।

উদ্ভূত পরিস্থিস্থিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসনের ডাকা বিশেষ আইনশৃঙ্খলা বৈঠক আহবান করলেও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি ও তার অনুসারীরা সে বৈঠক বর্জন করেন।

উল্লেখ্য, গত পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়াকে কেন্দ্র করে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগ দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এর পর থেকে প্রতিনিয়ত খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি ও সাধারণ সম্পাদক জাহেদুল আলমের অনুসারীদের পাল্টা-পাল্টি হামলা, মামলা ও ভাংচুরে লিপ্ত রয়েছে।




বান্দরাবানে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্ম বার্ষিকী পালন

Bnp milad

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বান্দরাবানে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্ম বার্ষিকী পালন করা হয়েছে।এ উপলক্ষ বৃহস্পতিবার জেলা বিএনপির কার্যালয়ে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান এর সভাপতিত্ব অনুষ্ঠিত মিলাদ ও দোয়া মাহাফিলে অন্যান্যদের উপস্থিত ছিলেন, যুগ্ম সম্পাদক মুজিবুর রশিদ, পৌর বিএনপির সভাপতি নাছির উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সেচ্ছা সেবক দলের আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম, মৎস্যজীবী দলের সভাপতি আবুল হাসেম, মহিলা দলের আহবায়িকা কাজী নিলুতাজ বেগম, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব শাহাদত হোসেন জনি, যুগ্ম আহবায়ক মো. হারুন ও শিমুল দাশ, জেলা ছাত্রদলের ভারপাপ্ত সভাপতি হাবিবুর রহমান ভুইয়া, সাধারণ সম্পাদক দৌলতুল কবির খান সিদ্দিকী প্রমুখ।

এছাড়া জেলার উপজেলা সমূহে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এর আয়োজন করা হয়। জেলার শহরসহ বেশ কয়েক জায়গায় মসজিদ, মন্দির ও কেয়াং-এ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।




শহীদ জিয়া ছিলেন স্বনির্ভর বাংলাদেশের রূপকার

ramu pic bnp 19.01

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

রামুতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকাল তিনটায় রামু চৌমুহনীস্থ উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, রামু উপজেলা বিএনপির সভাপতি এসএম ফেরদৌস।

সভায় বক্তারা বলেন, গণতান্ত্রিক, আধুনিক দেশ গঠনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে দৃষ্টান্ত দেখিয়েছিলেন, তা বিশ্বে বিরল। তিনি ছিলেন, স্বনির্ভর বাংলাদেশের রূপকার। এমন সফল রাষ্ট্রনায়কের আদর্শ লালন করেই বেগম খালেদা জিয়া পরবর্তীতে উন্নয়নশীল দেশ গঠনে ভূমিকা রেখেছেন। অথচ আওয়ামী লীগ অবৈধ ক্ষমতার জোরে উন্নয়নের পরিবর্তে লুটপাট আর গণতন্ত্রকে কবর দিয়ে আবারও সেই বাকশাল কায়েম করেছে। এ দুঃশাসন আর লুটপাটের জবাব বাংলার মানুষ নিশ্চয় দেবে।

রামু উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক ফয়েজ উদ্দিন রাশেদ’র সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, রামু উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা আখতারুল আলম চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফোরকান আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মেরাজ আহমেদ মাহিন চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু সুলতান চৌধুরী, প্রচার সম্পাদক শাহনুর উদ্দিন বাবু, রামু উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন, রামু উপজেলা ছাত্রদলের সহ সভাপতি এইচএম মাসুদ, ছাত্রনেতা মিথুন বড়ুয়া বোথাম, ফতেখাঁরকুল ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মনোয়ার আলম, ফতেখাঁরকুল ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জয়নাল আবেদিন, জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি হালিমুর রহমান, ফতেখাঁরকুল ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি কাউছার আলম ইমু, কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মনজুর আলম, যুবদল নেতা হেমসেল, আবদুল গনি, মো. সোহেল, নুরল আলম, আবদু রহিম, ইসমাঈল, আনোয়ার, শহিদুল ইসলাম, আবদুল্লাহ, সরওয়ার, এহছান, শওকত, সাহেদ উল্লাহ প্রমুখ।

সভায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।




খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসনের বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভা বর্জন করল আ’লীগ

1
নিজস্ব প্রতিবেদক :
খাগড়াছড়িতে জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নির্মলেন্দু চৌধুরীর উপর হামলার প্রতিবাদে শহরে লাঠিমিছিলসহ উদ্ভূত পরিস্থিস্থিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসনের ডাকা বিশেষ আইনশৃঙ্খলা বৈঠক বর্জন করেছেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি ও তার অনুসারীরা।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল আমিন। তিনি পার্বত্যনিউজকে জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভা ডাকা হয়। সবাইকে যথা সময়ে চিঠিও পৌঁছানো হয়েছিল। কিন্তু বৈঠকে জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান, পুলিশ সুপার মো. মজিদ আলী, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহেদুল আলম ও খাগড়াছড়ি পৌরসভার মেয়র রফিকুল আলমসহ বৈঠক সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত থাকলেও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি ও তার অনুসারীরা উপস্থিত হননি। ফোনে তারা এ ধরনের বৈঠকে যোগ দিবেন না বলেও জানিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি রণ বিক্রম ত্রিপুরা পার্বত্যনিউজকে জানান, প্রকাশ্যে দিবালোকে জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নির্মলেন্দু চৌধুরীর উপর হামলা হয়েছে। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। তার এখনও জ্ঞান ফিরেনি। অথচ চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা এখনও গ্রেফতার হয়নি। হামলাকারীদের সাথে জেলা প্রশাসনের এ বৈঠককে তিনি হাস্যকর বলেও দাবি করেন।

অন্যদিকে খাগড়াছড়ি সদর থানার ভাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান পার্বত্যনিউজকে জানান, ঘটনার পর থেকে হামলাকারীদের ধরতে পুলিশের সাড়াশি অভিযান চলছে।

উল্লেখ্য, বৃহষ্পতিবার বেলা ১২টার দিকে নারিকেল বাগান এলাকায় খাগগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য নির্মলেন্দু চৌধুরীর উপর হামলার ঘটনা ঘটে।
নির্মলেন্দু চৌধুরীকে জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে ডাক্তার তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

এ প্রসঙ্গে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার নয়ন ময় ত্রিপুরা পার্বত্যনিউজকে জানান, নির্মলেন্দু চৌধুরী নাক দিয়ে রক্ত যাচ্ছিল। শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্নও ছিল। তাছাড়া তিনি কথা বলতে পারছিলেন না। অবস্থা নাজুক হওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

এদিকে হামলার প্রতিবাদে শহরে লাঠি মিছিল বের জেলা আওয়ামীলীগ। মিছিলটি শাপলা চত্বরে গেলে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। নেতাকর্মীরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙ্গে আওয়ামীলীগের অপর অংশের কার্যালয়ে হামলা চালায়। এ সময় কয়েকটি দোকানে হামলা ও কয়েকটি টমটম ভাংচুর হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতির আতঙ্কে শহরের অধিকাংশ দোকানপাট ও যানবাহন সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি রণবিক্রম ত্রিপুরা এ হামলার জন্য, বহিষ্কৃত জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহেদুল আলম এবং তার ছোট ভাই খাগড়াছড়ি পৌর মেয়র রফিকুল আলমকে দায়ী করেছেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, জাহেদুল আলম।

এদিকে কেন্দ্রীয় সমাজ কল্যাণ পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা ও পূজা উদযাপন কমিটি সিনিয়র সহ-সভাপতি আওয়ামীলীগ নেতা ও জেলা পরিষদ সদস্য নির্মলেন্দু চৌধুরীর উপর হামলার ঘটনায় নিন্দা, প্রতিবাদ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় সনাতন সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ পরবর্তী করণীয় নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেছেন।

প্রসঙ্গত, গত পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়াকে কেন্দ্র করে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগ দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এর পর থেকে প্রতিনিয়ত খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি ও সাধারণ সম্পাদক জাহেদুল আলমের অনুসারীদের পাল্টা-পাল্টি হামলা, মামলা ও ভাংচুরের ঘটনা অব্যাহত আছে।




দলীয় কোন্দলে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত খাগড়াছড়ি আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক

Khagrachari Picture 01 copy

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দলের আভ্যন্তরীন কোন্দলের জের ধরে প্রতি পক্ষের হামলায় খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নির্মলেন্দু চৌধুরী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। প্রতিবাদে খাগড়াছড়ি শহরের লাঠি মিছিল ও আওয়ামী লীগের অপর অংশের অফিসে হামলা ও ভাংচুর হয়েছে। নির্মেলেন্দু চৌধুরীর হামলার ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন।

বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে নারিকেল বাগান এলাকায় খাগগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য নির্মলেন্দু চৌধুরীর উপর হামলার  ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী আলমগীর হাসান পার্বত্যনিউজকে জানান, জাহেদুল আলমের উপস্থিতিতে একদল দুর্বৃত্ত নির্মলেন্দু চৌধুরীর মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। এক পর্যায়ে নির্মলেন্দু চৌধুরীকে লাথি মেরে মোটরসাইকেল থেকে ফেলে দিয়ে  মারধর করে। নির্মলেন্দু চৌধুরী এক পর্যায়ে আত্মরক্ষার্থে পালিয়ে রাস্তার পশ্চিম পাশে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. শানে আলমের বাসায় আশ্রয় নিলে মেয়র রফিকুল আলম তাকে শার্টের কলার ধরে বের করে নিয়ে আসেন এবং হাসপাতালে নিয়ে যান।

Khagrachari Picture 04 copy

নির্মেলেন্দু চৌধুরীর উপর হামলার ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপিসহ শত শত নেতাকর্মী হাসপাতালে ভীড় করেন।

খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার নয়ন ময় ত্রিপুরা পার্বত্যনিউজকে জানান, নির্মলেন্দু চৌধুরীর নাক দিয়ে রক্ত যাচ্ছে। শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।তিনি কথা বলতে পারছেন না। অবস্থা নাজুক হওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

এদিকে হামলার প্রতিবাদে শহরে লাঠি মিছিল বের করে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপির অনুসারীরা। জাহেদুল আলম ও রফিকুল আলমের বিরুদ্ধে নানা শ্লোগান দিয়ে মিছিলটি শাপলা চত্বরে গেলে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। নেতাকর্মীরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙ্গে আওয়ামী লীগের অপর অংশের কার্যালয়ে হামলা চালায়। এ সময় কয়েকটি দোকানে হামলা ও কয়েকটি টমটম ভাংচুর হয়। এতে আতঙ্কে শহরের অধিকাংশ দোকানপাট ও যানবাহন সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

Khagrachari Picture 02 copy

জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি রণবিক্রম ত্রিপুরা এ হামলার জন্য, বহিষ্কৃত জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহেদুল আলম এবং তার ছোট ভাই খাগড়াছড়ি পৌর মেয়র রফিকুল আলমকে দায়ী করেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, জাহেদুল আলম।

এদিকে কেন্দ্রীয় সমাজ কল্যাণ পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা ও পূজা উদযাপন কমিটি সিনিয়র সহ-সভাপতি আওয়ামী লীগ নেতা ও জেলা পরিষদ সদস্য  নির্মলেন্দু চৌধুরীর উপর হামলার ঘটনায় নিন্দা, প্রতিবাদ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী, কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক তরুন কুমার ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি এডভোকেট বিধান কানুনগো, সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্মল কান্তি দাশ ও সহ-সভাপতি  সত্যজিত চৌধুরী পৃথকভাবে এ ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।

Khagrachari Picture 03 copy

খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান পার্বত্যনিউজকে জানান, পরিস্থিতি এখন শান্ত। হামলায় যাদের নাম এসেছে তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

প্রসঙ্গত, পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়াকে কেন্দ্র করে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগ দুইভাবে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এর পর থেকে প্রতিনিয়ত খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি ও সাধারণ সম্পাদক জাহেদুল আলমের অনুসারীদের পাল্টা-পাল্টি হামলা, মামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটছে।




রাঙ্গামাটি বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিক্যাল কলেজ বন্ধের দাবি জানিয়েছে পিসিপি

pcp
নিজস্ব প্রতিনিধি :
রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও রাঙ্গামাটি মেডিক্যাল কলেজের সকল কার্যক্রম স্থগিত করার দাবি জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি)।

মঙ্গলবার রাঙ্গামাটির কাপ্তাই থানা শাখার ১৩তম কাউন্সিল উপলক্ষে আয়োজিত এক কর্মীসভায় পিসিপি নের্তৃবৃন্দ, পার্বত্য শান্তিু চুক্তি পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন না  করা পর্যন্ত রাঙ্গামাটির এই দুটি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রম বন্ধ রাখা দাবি জানান।

পিসিপি’র কাপ্তাই শাখার এ কাউন্সিলে এসিং মং মার্মা’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন রাঙ্গামাটি জেলা শাখা জনসংহতি সমিতি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শরৎ জ্যোতি চাকমা এবং অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি’র সহ-সভাপতি এবং আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য মনুচিং মার্মা, পিসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক জুয়েল চাকমা, জেলা শাখা পিসিপি সভাপতি অন্তি চাকমা, জেলা শাখা যুব সমিতির সাধারণ সম্পাদক অরুণ ত্রিপুরা, কাপ্তাই থানা শাখা জনসংহতি সমিতি’র সভাপতি বিক্রম মার্মা, পার্বত্য চট্টগ্রাম হিল ইউমেন্ট ফেডারেশন রাঙ্গামাটি সরকারী কলেজ শাখা সাধারণ সম্পাদিকা দিপা চাকমা, কর্ণফুলী (ডিগ্রী) কলেজ শাখা পিসিপি সভাপতি অংচিনুং মার্মা, কর্ণফুলী কলেজ শাখা পিসিপি সাধারণ সম্পাদক সুমন তংচংগ্যা প্রমুখ।

কাউন্সিলে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান ক্যাসিংহ্লা র্মামা, সাধারণ সম্পাদক রিপন চাকমা এবং সাংগঠনিক সম্পাদক খোকন চাকমা।

সভায় বক্তারা আরো বলেন, শান্তি চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ দ্বারাগুলো বাস্তবায়ন না করেই সরকারের পক্ষ থেকে চুক্তি বাস্তবায়নের মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করা হচ্ছে। অবিলম্বে শান্তি চুক্তি সকল ধারার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন বক্তারা। আর চুক্তি পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও রাঙ্গামাটি মেডিক্যাল কলেজের সকল কার্যক্রম স্থগিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।




পানছড়িতে কারামুক্ত পিসিপি’র নেতা-কর্মীকে সংবর্ধনা

Bipul reception2, 16.01

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

সদ্য কারামুক্ত বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক বিপুল চাকমা ও পানছড়ির ৯ পিসিপি নেতা-কর্মীকে পানছড়ি ডিগ্রী কলেজের শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। সোমবার দুপুরে পানছড়ি কলেজ গেইট এলাকায় এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

পিসিপি নেতা বিপুল চাকমা খাগড়াছড়ি থেকে সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় পানছড়ি সমাবেশে পৌঁছলে পানছড়ি কলেজ ও পানছড়ি উপজেলাবাসীর পক্ষ থেকে ফুলের তোরা দিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

পানছড়ি ডিগ্রী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র রাজীব চাকমার সভাপতিত্বে ও রুপেশ চাকমার সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, লতিবান ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শান্তি জীবন চাকমা, উল্টাছড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিজয় কেতন চাকমা, পিসিপি’র সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি চন্দ্রদেব চাকমা প্রমুখ।

সদ্য কারামুক্ত পিসিপি’র কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক বিপুল চাকমাও এতে বক্তব্য রাখেন।