মানিকছড়িতে মোটরসাইকেল ধাক্কায় একজন নিহত

17498967_872643126209343_7672096944482180657_n copy

মানিকছড়ি প্রতিনিধি:

মানিকছড়ি উপজেলার বড়ডলু এলাকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় আমিনুল ইসলাম(১৯) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার  সন্ধ্যা সাড়ে ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, সন্ধ্যা সাড়ে ৮টার সময় আমিনুল মাগরিবের নামাজ পড়ে বাড়িতে যাওয়ার সময় পিছন থেকে আসা দ্রুতগামী মোটরসাইকেল তাকে ধাক্কায় দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই আমিনুলের মৃত্যু হয়।

মানিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রকিব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।




মানিকছড়িতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ

মানিকছড়ি প্রতিনিধি:

মানিকছড়ির উত্তর গাড়ীটানা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও ৬ কন্যা সন্তানের জনক মো. শফি আহম্মদের ২য় কন্যা ‘গাড়ীটানা নিন্ম মাধ্যমিক’ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর(রোল নং-৬) মেধাবী ছাত্রীর বাল্য বিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। ভরণ-পোষনের অজুহাত দেখিয়ে পিতা মো. শফি আহম্মদ সম্প্রতি দুবাই প্রবাসী যুবকের সাথে কন্যার বিয়ের যাবতীয় আয়োজন সম্পন্ন করেন।

বৃহষ্পতিবার দুপুরে ফটিকছড়ির করপলা টিলাস্থ ক্লাবে বর হাজির। কনের গায়ে হলুদ শেষে বৃহস্পতিবার সাড়ে ১২টায় কনে পক্ষের লোকজন কনেকে নিয়ে ক্লাবে রওয়ানা দেয়। এমন সময় বাল্য বিবাহের খবর আসে মানিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিনিতা রানী’র কাছে। সাথে সাথে তিনি অফিসার ইনচার্জ আবদুর রকিব ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মো. কামুরুল আলমসহ দ্রুত ছুঁটে যান কনের পিত্রালয়ে।

পরে গাড়ীটানা টোল কেন্দ্রে স্থানীয়দেরও সহযোগিতায় কনের গাড়ির গতিরোধ করে প্রশাসন সেখানে কনের অভিভাবক, জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে টোল কেন্দ্রের অফিসে বসে তাৎক্ষনিক কনের জন্ম সনদ, স্কুল ভর্তি রেজিস্টার তলব করেন।

এতে দেখা যায় কনের জন্ম তারিখ ০৩-৭-১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দ। ফলে ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়ায় এ বাল্য বিয়ে বন্ধ করে দেন প্রশাসন। পরে সেখানে উপস্থিত উৎসুক জনতাকে বাল্য বিয়ের কূফল সর্ম্পকে অফিসার ইনচার্জ আবদুর রকিব ও ইউএনও বিনিতা রানী ব্রিফ করেন এবং গ্রামে-গঞ্জে বাল্য বিয়ের কূফল সর্ম্পকে প্রচারণাসহ অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।




মাটিরাঙ্গায় শান্ত হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতারে মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশকে অভিনন্দন

7878 copy

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা:

মাটিরাঙ্গার আলোচিত মোটরসাইকেল চালক আজিজুল হাকিম শান্ত হত্যাকাণ্ডের এক বছরের মাথায় শান্ত হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত অন্যতম আসামী জনি ত্রিপুরাকে গ্রেফতার করায় মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশকে অভিনন্দন জানিয়েছে মাটিরাঙ্গা মোটর সাইকেল ও অটোরিক্সা মালিক সমবায় সমিতি। সোমবার সন্ধ্যায় সমতিরি সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল করিম সংবাদ মাধ্যমে প্রেরিত এক অভিনন্দন বার্তায় শান্ত হত্যাকাণ্ডের আসামী গ্রেফতারকে পুলিশের বড় সাফল্য উল্লেখ করে বলেন, শান্তকে পরিকল্পিতভাবে হত্যাকরা হয়েছে।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, পুলিশের আন্তরিকতার কারণেই ঘটনার পরপরই এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত ধন বিকাশ ত্রিপুরাকে গ্রেফতার করা হলেও এ হত্যাকণ্ডের অন্যতম মুল আসামী জনি ত্রিপুরা পলাতক ছিল। সোমবার মাটিরাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাহাদাত হোসেন টিটো ও এএসআই মশিউর রহমানের নেতৃত্বে মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল উপজেলার সাপমারা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, শান্ত হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে ন্যায় বিচার প্রাপ্তির পথ সুগম হলো।

এদিকে শান্ত হত্যাকাণ্ডের মুল আসামী জনি ত্রিপুরাকে গ্রেফতার করায় মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশকে অভিনন্দন জানিয়ে আগামীকাল মঙ্গলবার বিকালে মাটিরাঙ্গা মোটর সাইকেল ও অটোরিক্সা মালিক সমবায় সমিতির সদস্যরা আনন্দ মিছিল করবে বলেও বিবৃতি জানিয়েছেন মাটিরাঙ্গা মোটর সাইকেল ও অটোরিক্সা মালিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল করিম।

প্রসঙ্গত, চারদিন নিখোঁজ থাকার পর গত বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি মাটিরাঙ্গা উপজেলাধীন রিছাং ঝর্নার কাছাকাছি দুর্গম পাহাড় থেকে মটরসাইকেল চালক আজিজুল হাকিম শান্ত‘র জবাই করা লাশ উদ্ধার করে মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশ। একই দিন তার বাবা মো. ছালেহ আহাম্মদ বাদী হয়ে মাটিরাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় জনি ত্রিপুরাসহ দুই আসামীকে গ্রেফতার করলো মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশ।




মানিকছড়িতে গাছ কাটার ঘটনায় মামলা, আসামী গ্রেপ্তার

3(01)
মানিকছড়ি প্রতিনিধি :

মানিকছড়ির রাবার বাগানস্থ ‘সাহারা এগ্রো ফার্মের’ লীজ ও ক্রয় সূত্রের ১৮৭ একর ভূমির সৃজিত বাগানের কিছু অংশে সম্প্রতি মূল্যবান গাছ কাটার ঘটনায় মামলা হয়েছে! বাগান কর্তৃপক্ষ ২ ব্যক্তিকে ভূমিদস্যু উল্লেখ করে অভিযোগ করায় গত ১৪ মার্চ পুলিশ অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করে এবং প্রধান আসামী মো. ইয়াকুব আলীকে(৪৫) গত ১৫ মার্চ  বুধবার রাতে আটক করে জেল-হাজতে প্রেরণ করলে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

সাহারা এগ্রো ফার্ম ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মানিকছড়ি উপজেলার ২১৪ নং ডলু মৌজাস্থ সাবেক ‘রাবার বাগানের লীজ ২০০৭ সালে সরকার কর্তৃক বাতিল হয়। পরে বাতিল লীজের ১২৫ একর টিলা ভূমি নতুন করে লীজ পেতে সরকার নিকট আবেদন করেন সাহারা এগ্রো ফার্মের মালিক পক্ষ। তাঁদের আবেদন পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, মোহাম্মদ মহি উদ্দীন ভূইঁয়া,পিতা- ফজলুল করিম ভূইঁয়া, ৫১ নং হোল্ডিং এ ২৫ একর, মো. রশীদ আলী, পিতা- মুফতী সৈয়দ আলী, ৩৫ নং হোল্ডিং এ ২৫ একর, এস.এম. গোলাম মোস্তফা, পিতা- আবদুর রশিদ, ৩৬ নং হোল্ডিং এ ২৫ একর, আবদুল মন্নান, পিতা-বজলুর রহমান, ৩৮ নং হোল্ডিং এ ২৫ একর এবং আবদুস ছালাম মজুমদার, পিতা-আবদুল কাদের মজুমদার, ৫২ নং হোল্ডিং ২৫ একরসহ মোট ১২৫ একর ভূমি লীজ পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ঠ দপ্তরে আবেদন করেন। যা বর্তমানে লীজের প্রক্রিয়াধীন। এছাড়া উক্ত ভূমির পার্শ্বে খাস ও রেকর্ডীয় ৬২ একর ভূমি বিভিন্ন ব্যক্তিদের নিকট থেকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি’র মাধ্যমে আঞ্চলিক দলিল মূলে ক্রয় করে মোট ১৮৭ একর ভূমিতে ঘেরা(কাটা তারের বেড়া) দিয়ে তাতে যথারীতি বাগ-বাগান সৃজন, মাছের লেক খনন ও গবাদি পশুপালন শুরু করেন বাগান মালিক পক্ষ।

গত ১ মার্চ জনৈক মো. এয়াকুব আলী লোকজন (লেবার) নিয়ে প্রভাব খাটিয়ে সাহারা এগ্রো ফার্মের(ঘেরা দেওয়া)ভূমিতে জোরপূর্বক ঢুকে অর্ধশতাধিক গাছ কেটে ফেলে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্ঠি হয়। পরে বাগান সহকারী ম্যানাজার মো. মোস্তফা বাদী হয়ে মানিকছড়ি থানায় ৬ জনের নাম উল্লেখসহ আরো ১০/১২ জন অজ্ঞাত নামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ করলেও পরে সেটি স্থানীয় পর্যায়ে সমাধানের উদ্যোগ নেন জনপ্রতিনিধিরা। ফলে গত ৯ মার্চ উপজেলা চেয়ারম্যান কার্যালয়ে এ বিষয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং কিছু বিষয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সমাধা হলেও গাছ কাটার বিষয়ে বাগান কর্তৃপক্ষ জনৈক ইয়াকুব আলী ও মো. আবদুল মোতালেব এর বিরুদ্ধে বাগান নিয়ে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে মর্মে অভিযোগ করলে গাছ কাটার বিষয়টি অসমাপ্ত থেকে যায়! ১৪ মার্চ আবারও বাগানের সহকারী ম্যানাজার মো. গোলাম মোস্তফা থানায় উপস্থিত হয়ে আসামীদের বিরুদ্ধে তাকে ভয়-ভীতি দেখানো ও বাগান নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ দিলে পুলিশ ঘটনাটির প্রাথমিক তদন্ত শেষে মামলা হিসেবে রেকর্ড করে।

এ বিষয়ে মামলার আই.ও এসআই মো. হেলাল উদ্দীন মামলা রেকর্ড ও প্রধান আসামী আটকের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, বাগান মালিক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. আবুল কালামের মধ্যে চুক্তিনামার সাথে আসামীদের কোন সর্ম্পক নেই। ফলে অপরাধীরা আইনের আওতায় জবাবদীহি করতে বাধ্য। যার কারণে ১৫ মার্চ রাতে প্রধান আসামী মো. ইয়াকুব আলী (৪৫) পিতা. মো. মহরম আলী, সাং-ডাইনছড়িকে আটক করা হয়েছে এবং অপর আসামী মো. আবদুল মোতালেবকে আটকের চেষ্ঠা চলছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত আসামী মো. এয়াকুব আলীকে খাগড়াছড়ির আদালতে হাজির করলে বিজ্ঞ বিচারক তার জামিন মঞ্জুর করেন।

সাহারা এগ্রো ফার্মের ম্যানাজার মো. জাবেদ অভিযোগ করে বলেন, সাবেক রাবার বাগানের লীজকৃত ভূমি সরকার কর্তৃক বাতিল হওয়ার পর সাহার এগ্রো ফার্মের মালিক পক্ষ সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. আবুল কালাম(মধ্যস্থতাকারী) এর মাধ্যমে সকল ভূমি লীজ ও ক্রয় প্রক্রিয়া শুরু করেন। এ নিয়ে ওই সাবেক জনপ্রতিনিধি’র সাথে মালিক পক্ষের একটি চুক্তিনামা(এগ্রিমেন্ট) হয়েছে।

চুক্তিনামা অনুযায়ী মধ্যস্থতাকারী এখনো ভূমির সকল রেকর্ডপত্র মালিক পক্ষকে বুঝিয়ে না দেয়ায় কিছু টাকা বকেয়া রয়েছে। কিন্তু মধ্যস্থতাকারীর নিকট ভূমি বিক্রেতারা টাকা পাবে এমন যুক্তি দেখিয়ে অবৈধভাবে বিক্রিত ভূমিতে প্রবেশ এবং প্রভাব খাটিয়ে মূল্যবান গাছ-গাছালি কেটে নেয়া সর্ম্পূণ বেআইনি এবং সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের শামিল। যার কারণে এ ঘটনাটি আইনগত ভাবে বাগান কর্তৃপক্ষ মোকাবেলা করবে।

অভিযুক্ত মো. এয়াকুব আলী জামিনে মুক্তির পর সাংবাদিকদের জানান, আমার স্ত্রী সালমা আক্তারের নামে রেকর্ডীয় ৪ একর টিলা ভূমিতে আমার হাতে সৃজিত বাগ-বাগানে সম্প্রতি আমি জোত পারমিট অনুমোদন সাপেক্ষে লোকজন নিয়ে গাছ কেটেছি সত্য। মালিক এখনো আমার পাওনা পরিশোধ করেনি এবং ভূমি রেজিট্রেশন করে নেয়নি। আমার পাওনা পরিশোধ না করে বরং গাছ কাটার ঘটনাটিকে বাগান মালিক পক্ষ অহেতুক ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার উদ্দেশ্যে আমার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের পূর্বক হয়রানী করছে।




মানিকছড়িতে ডাকাতির ঘটনায় আটক ৩, মালামাল উদ্ধার

FB_IMG_1489316667254

মানিকছড়ি প্রতিনিধি :
মানিকছড়ি উপজেলা তুলাবিল এলাকার জনৈক কংচাই মারমা‘র ঘরে গত ৮ মার্চ রাতে সন্ত্রাসীরা হানা দিয়ে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে গৃহকর্তাকে বেঁধে ঘরের স্বর্ণালংকার লুটে নেয় ওই ডাকাতরা।

গৃহকর্তার অভিযোগে পুলিশ ঘনাটি আমলে নিয়ে তদন্ত শুরু করলে একে একে বেরিয়ে আসে ডাকাতি হওয়া মালামাল। এরই সাথে আটক করা হয় হোতাদের।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা সদর থেকে ৬/৭ কিলোমিটার দূরের তুলাবিল এলাকার জনৈক কংচাই মারমার বাড়ীতে ৮ মার্চ রাতে হানা দেয় দুর্বৃত্তরা। ওই সময় অস্ত্র ঠেকিয়ে গৃহকর্তাকে বেঁধে প্রায় ২ ভরি স্বর্ণ লুট করে নেয় সন্ত্রাসীরা। পর দিন কংচাই মারমা বিষয়টি সর্ম্পকে সন্দেহভাজন ৪ জনকে আসামী করে থানায় অভিযোগ দিলে থানার এস. আই হেলাল উদ্দীন বিষয়টি আমলে নিয়ে তদন্ত শুরু করেন।

২৪ ঘন্টা যেতে না যেতে প্রথমে ২ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তাদের দেয়া তথ্যমতে গতকাল চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি থেকে লুটে নেওয়া ১ ভরি ১১ আনা ৪ রতি ৯ পয়েন্ট স্বর্ণ উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। আটক কৃতরা হলো, অংগ্য মারমা (২২) পিতা-সাথোই মারমা, সাং তুলাবিল; সজল দাশ (২২) পিতা- পরিমল দাশ, সাং- পান্নাবিল; কংচাই মারমা (২৬) পিতা- অংথোংগ্য মারমা, সাং- গরাইয়াছড়ি, সিন্দুকছড়ি।

প্রচলিত আইনে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে তাদেরকে জেল-হাজতে প্ররণ করা হয়েছে।




মানিকছড়িতে দু’শতাধিক হাফেজকে মাঝে পাগড়ী প্রদান

10(2)

মানিকছড়ি,প্রতিনিধি:
মানিকছড়ি উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কোরআন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুচ্ছুন্নাহ্ হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার ২৫ বছরপূতিতে দু’দিন ব্যাপী ইসলামী মহা-সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানের দু’শতাধিক হাফেজ’র মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে পাগড়ী প্রদান করেছেন উত্তর চট্টলার হযরতুল আলহাজ্ব শাহ্ মুহিব্বুল্লা বাবুনগরী(দা.বা.)।

৯ ও ১০ মার্চ দু’দিন ব্যাপী আয়োজিত ইসলামী মহা-সম্মেলনের উদ্বোধনীতে কোরআন-হাদিসের আলোকে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মাওলানা শামীম মজুমদার(ঢাকা) ও প্রধান মেহমান ছিলেন, মুফতী মীর হোসাইন।

অনুষ্ঠানের ২য় পর্বে(১০ মার্চ) ফজরের নামাজ শেষে মহা-সম্মেলনে আগত মাদ্রাসার প্রাক্তন ছাত্ররা একে একে কোরআন-হাদিসের আলোকে বয়ান রাখেন। গত ২৫ বছরে এ দ্বীনি প্রতিষ্ঠান থেকে মহাগ্রন্থ আল-কোরআনের আলোকে আলোকিত হওয়া ২৩৭ জন হাফেজ দেশের বিভিন্ন স্থানে কর্মরত রয়েছে। ফলে মাদ্রাসার আয়োজনে প্রাক্তন হাফেজদের মাঝে পাগড়ী বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন ওইসব হাফেজগণ।

শুক্রবার জুমার নামাজের পর সম্মেলনে স্থলে দলে দলে সমবেত হন প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত ও প্রাক্তন ছাত্ররা। এক পর্যায়ে হাফেজদের পদভারে মূখরিত হয়ে উঠে সম্মেলনস্থল।

সমাপনী ও পাগড়ী প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান মেহমান ছিলেন, উত্তর চট্টলার ঐতিহ্যবাহী দ্বীনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাবুনগর মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা হযরতুল আলহাজ্ব শাহ্ মুহিব্বুল্লা বাবুনগরী(দা.বা.) ও প্রধান বক্তা ছিলেন, মাওলানা কাউচার আহম্মেদ(ফরিদপুরী)।

রাত পৌনে ৯টায় গত ২৫ বছর ধরে দারুচ্ছুন্নাহ হাফেজিয়া মাদ্রাসা থেকে কোরআনে হাফেজগণকে প্রধান মেহমান নিজ হাতে পাগড়ী পড়িয়ে দেন।

এ সময় সম্মেলন স্থলে উপস্থিত ছিলেন, মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা মো. ফজলুল হক, প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষক মাওলানা নূর মোহাম্মদ, মাওলানা সামছুল হক, সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. শফিকুর রহমান ফারুক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব ডা. মো. এমদাদুল হক, ইউপি সদস্য মো. কামাল হোসেন, বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ী ও সাবেক ইউপি সদস্য মো. ওমর আলী, বিশিষ্ঠ ঠিকাদার মো. সামায়ূন ফরাজী সামু প্রমূখ।

পরে প্রধান মেহমান বাবুনগরী মোনাজাত পরিচালনা করেন। এ সময় উপস্থিত মজলুম জনতা হাফেজদের সুস্বাস্থ্য ও বিশ্ব মজলুমদের জন্য দোয়া করেন।




মানিকছড়িতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

unnamed

মানিকছড়ি প্রতিনিধিঃ

মানিকছড়ি গিরিমৈত্রী ডিগ্রি কলেজ’র ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে শিক্ষানীতি অমান্য করে শিক্ষার্থী ভর্তি ও কৃতকার্যদের নিকট থেকে বিনা রশিদে উত্তোলিত টাকা, ভর্তি বাবদ টেলিটক থেকে প্রাপ্ত অর্থসহ পৌনে ৪লক্ষ টাকা আত্মসাতের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন শিক্ষক-কর্মচারী। ফলে উপজেলার একমাত্র উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহতের আশঙ্কা করছেন অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।

কলেজ শিক্ষক-কর্মচারী ও অভিভাবক সূত্রে জানা গেছে, মানিকছড়ি উপজেলার একমাত্র ডিগ্রি কলেজ‘ মানিকছড়ি গিরি মৈত্রী ডিগ্রি কলেজ’র সাবেক অধ্যক্ষ মো. এনামুক হকের অবসর জনিতকারণে ১৮ ফেব্রুয়ারি-২০১৬ তারিখে জ্যেষ্ঠতা লংঘন করে ৬মাসের এডহক কমিটি গঠনের নিমিত্তে কৃষি বিজ্ঞানের প্রভাষক মংচাইঞো মারমাকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব অর্পন করা হয়। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর ২০১৪-১৫ ও ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে এইচএসসি পাস করা ৫৯৮জন শিক্ষার্থীর প্রশংসা পত্র বাবদ (জনপ্রতি ৩শত টাকা) ১ লক্ষ ৭৯ হাজার ৪শত টাকা বিনা রশিদে আত্মসাৎ।

এছাড়া ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি বাধ্যতামূলক ফরম বিক্রি(১শত টাকা হারে)বাবদ ৯শত শিক্ষার্থীর ৯০হাজার টাকা, এসএমএস’র ভর্তি প্রক্রিয়া বাবদ টেলিটক থেকে (চট্টগ্রাম, শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক ইস্যুকৃত,তারিখ-০৫.১০.২০১৬ মূলে ৯৩,৫৮২ টাকা সম্প্রতি কলেজ জাতীয়করণে পরিদর্শনকালে শিক্ষকদের পারিশ্রমিক হিসেবে কলেজ ফান্ড থেকে উত্তোলিত ১০হাজার টাকাসহ ৩লক্ষ ৭২হাজার ৯শত ৮২ টাকা ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাত্র ৯মাসে আত্মসাৎ করেছেন। ফলে সহকারী প্রভাষক ও কর্মচারী (১৫জন) যৌথ স্বাক্ষরে-স্ব-শরীরে উপস্থিত হয়ে ৮ মার্চ কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত অধ্যক্ষের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, যেহেতু অভিযোগটি তদন্তাধীন, সে কারণে এ মুহুর্তে আমার কোন বক্তব্য নেই। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিনিতা রানী অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অনিয়মের বিষয়ে প্রাপ্ত অভিযোগটি তদন্তাধীন রয়েছে।




মানিকছড়িতে ইউসিসিএ লি. বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

20170308_120328 (1) copy
মানিকছড়ি প্র্রতিনিধিঃ
মানিকছড়ি উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির লি. এর আয়োজনে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড মানিকছড়ি শাখার উদ্যোগে বার্ষিক সাধারণ সভা বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মানিকছড়ি ইউসিসিএ লি. এর চেয়ারম্যান এসএম আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে, ইউসিসিএ লি. প্রধান পরিদর্শক মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠিত ওই সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো.মামুন অর রশীদ। সভায় বার্ষিকী আয়-ব্যয় হিসাবে তুলে ধরা হয়।। সভায় উপজেলার সকল সমবায়ীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।



মানিকছড়িতে মোটরসাইকেল চালক সঞ্চয় সমিতির দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভা

17101783_859669384173384_1475630194_n copy

মানিকছড়ি প্রতিনিধি:

মানিকছড়ি উপজেলাতে বড়বিল, তুলাবিল, ছদুরখীল মোটর সাইকেল চালক সঞ্চয় সমিতির দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মানিকছড়ি উপজেলার বড়বিল, তুলাবিল, ছদুরখীল, কালাপানি রোডে ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল চালকদের নিয়ে  ২০১৫ সালে বড়বিল, তুলাবিল, ছদুরখীল মোটর সাইকেল চালক সঞ্চয় সমিতি নামে একটি সঞ্চয় সমিতি প্রতিষ্ঠিত করেন মোটর সাইকেল চালকরা।

ওই সমিতির দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৩টায় মানিকছড়ি উপজেলা সমিতির অস্থায়ী কার্যালয় তুলাবিলে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

আলোচনা সভায় সমিতির সভাপতি মো.আব্দুল মমিন মেম্বার’র সভাপত্বিতে মংসাথোয়াই মারমা’র সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন ২নং বাটনাতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.শহিদুল ইসলাম মোহন।

বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন মো.আলী হোসেন সর্দার, মো. আ.হামিদ সাবেক মেম্বার, বাবু লাব্রেচাই মেম্বার, বাবু কংজপ্রু মারমা সাধারণ সম্পাদক মারমা উন্নয়ন সংসদ, মানিকছড়ি উপজেলা, ইউপি যুবলীগ নেতা মো. আবিদ আলী রানা, ছাত্রলীগ সভাপতি আকতার হোসেন, সমিতির সদস্য উক্যজাই মারমা মো. মামুন হোসেন প্রমুখ।




মানিকছড়িতে রাবার বাগানের গাছ কেটে সাবার

3(1)

মানিকছড়ি প্রতিনিধি :
মানিকছড়ির ঐতিহ্যবাহী রাবার বাগানস্থ ‘সাহারা এগ্রো ফার্মের’ লীজ ও ক্রয়কৃত প্রায় ২শত একর ভূমির কিছু অংশে সৃজিত বাগানের অর্ধশতাধিক মূল্যবান গাছ কেটে সাবার করে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে! এ ঘটনার জন্য বাগান কর্তৃপক্ষ ভূমি বিক্রেতাসহ দুর্বৃত্তদের দায়ী করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সাহারা এগ্রো ফার্মস ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মানিকছড়ি উপজেলার ২১৪ নং ডলু মৌজাস্থ সাবেক ‘রাবার বাগানের লীজ ২০০৭ সালে সরকার কর্তৃক বাতিল হয়। পরে বাতিল লীজের ১২৫ একর টিলা ভূমি নতুন করে লীজ পেতে সরকার নিকট আবেদন করেন সাহারা এগ্রো ফার্মের মালিক পক্ষ। তাঁদের আবেদন পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, মোহাম্মদ মহি উদ্দীন ভূইঁয়া, পিতা- ফজলুল করিম ভূইঁয়া, ৫১ নং হোল্ডিং এ ২৫ একর, মো. রশীদ আলী, পিতা- মুফতী সৈয়দ আলী, ৩৫ নং হোল্ডিং এ ২৫ একর, এস.এম. গোলাম মোস্তফা, পিতা- আবদুর রশিদ, ৩৬ নং হোল্ডিং এ ২৫ একর, আবদুল মন্নান পিতা-বজলুর রহমান, ৩৮ নং হোল্ডিং এ ২৫ একর এবং আবদুস ছালাম মজুমদার, পিতা- আবদুল কাদের মজুমদার, ৫২ নং হোল্ডিং মূলে ১২৫ একর ভূমি লীজ পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ঠ দপ্তরে আবেদন করেন।যা বর্তমানে লীজের প্রক্রিয়াধীন। এছাড়া উক্ত ভূমির পার্শ্বে খাস ও রেকর্ডীয় ৬২ একর ভূমি বিভিন্ন ব্যক্তিদের নিকট থেকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি’র মাধ্যমে আঞ্চলিক দলিল মূলে ক্রয় করে মোট ১৮৭ একর ভূমিতে ঘেরা(কাটা তারের বেড়া) দিয়ে তাতে যথারীতি বাগ-বাগান সৃজন, মাছের লেক খনন ও গবাদি পশুপালন শুরু করেছেন বাগান মালিক পক্ষ।

গত ১ মার্চ জনৈক মো. এয়াকুব আলীর নেতৃত্ব একটি গ্রুপ লোকজন(লেবার) নিয়ে সাহারা এগ্রো ফার্মের(ঘেরা দেওয়া)ভূমিতে ঢুকে অর্ধশতাধিক মূল্যবান গাছ কেটে ফেলে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্ঠি হয়। পরে বাগান সহকারী ম্যানাজার মো. মোস্তফা বাদী হয়ে মানিকছড়ি থানায় ৬ জনের নাম উল্লেখসহ আরো ১০/১২ জন অজ্ঞাত নামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

এদিকে সারাহা এগ্রো ফার্মের ম্যানাজার মো. জাবেদ অভিযোগ করে বলেন, সাবেক রাবার বাগানের লীজকৃত ভূমি সরকার কর্তৃক বাতিল হওয়ার পর সাহার এগ্রো ফার্মের মালিক পক্ষ সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. আবুল কালাম(মধ্যস্থতাকারী) এর মাধ্যমে সকল ভূমি লীজ ও ক্রয় প্রক্রিয়া শুরু করেন। এ নিয়ে ওই সাবেক জনপ্রতিনিধির সাথে মালিক পক্ষের একটি চুক্তিনামা(এগ্রিমেন্ট) হয়েছে।

চুক্তিনামা অনুযায়ী মধ্যস্থতাকারী এখনো ভূমির সকল রেকর্ডপত্র মালিক পক্ষকে বুঝিয়ে না দেয়ায় কিছু টাকা বকেয়া রয়েছে। কিন্তু মধ্যস্থতাকারীর নিকট ভূমি বিক্রেতারা টাকা পাবে এমন দাবী করে বিক্রিত ভূমিতে প্রবেশ এবং প্রভাবখাটিয়ে মূল্যবান গাছ-গাছালি কেটে নেয়।

এ বিয়য়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মো. এয়াকুব আলী গাছ কাটার ঘটনা স্বীকার করে বলেন, আমার স্ত্রী সালমা আক্তারের নামে রেকর্ডীয় ৪ একর টিলা ভূমি গত ২০০৭ সালে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. আবুল কালাম (মধ্যস্থতাকারী) এর মাধ্যমে বাগান মালিক পক্ষের নিকট ৬ লক্ষ টাকা দর-দাম সাবস্থ্য করে বিক্রি করি। কিন্তু  মাত্র ২ লক্ষ টাকা দিয়ে বায়না দলীল করলেও অদ্যাবদি আর কোন টাকা না পাওয়ায় এবং সংসারে অভাব-অনটন থাকায় সম্প্রতি আমি উক্ত ভূমি আমার হাতে সৃজিত গাছ বিক্রির জন্য আমি একটি জোত পারমিট অনুমোদন করি। যার কারণে আমি লোকজন নিয়ে গাছ কেটেছি।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. আবুল কালাম(মধ্যস্থতাকারী) জানান, সাহারা এগ্রো ফার্ম কর্তৃপক্ষের নিকট এখনো ভূমির মূল্যবাবদ অনেক টাকা বকেয়া রয়েছে। ফলে লোকজন (বিক্রেতা) বিরক্ত হয়ে তাদের জায়গা দখলের চেষ্টা করছেন।

এ বিষয়ে মানিকছড়ি থানার এস.আই মো. হেলাল উদ্দীন ঘটনার সত্যতা স্বীকার বলেন, এভাবে বৃক্ষ নিধন করা ঠিক হয়নি। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধানের জন্য শুক্রবার সন্ধ্যায়(৩ মার্চ) থানায় উভয় পক্ষকে নিয়ে বৈঠক ডাকা হয়েছে।