মানিকছড়িতে পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচির বার্ষিক মূল্যায়ন কর্মশালা

Untitled-3 copy

মানিকছড়ি প্রতিনিধি:

দেশব্যাপী আড়াইশত মাধ্যমিক স্কুল-মাদ্রাসায় পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচির বার্ষিক মূল্যায়ন কর্মশালা সোমবার মানিকছড়িতে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কো-অর্ডিনেটর মো. রিপন আহসান’র সঞ্চলনায় অনুষ্ঠিত বার্ষিক কর্মসূচির মূল্যায়ন সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. নূর ইসলাম এবং প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান ম্রাগ্য মারমা।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, সেকায়েপ’র সহকারী পরিচালক ফারজানা আবেদীন খানম, লক্ষ্মীছড়ি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সারওয়ার ইউছুফ জামান, একাডেমিক সুপারভাইজার নিশিপ্রু মারমা, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর মো. শহিদুল ইসলাম, ফিল্ড অফিসার মো.শারফুল ইসলাম প্রমুখ।

কর্মশালায় দুই উপজেলার ১৫টি মাধ্যমিক ও মাদ্রাসায় প্রধান শিক্ষক, সুপার, সংগঠক, গ্রন্থাগারিক উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলওয়াত করেন, যোগ্যাছোলা উচ্চ বিদ্যালয়ের সংগঠক মাওলানা আবদুল গফুর, গীতা পাঠ করেন, মানিকছড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিপ্লব চক্রবর্তী, ত্রিপিটক পাঠ করেন, কলেজিয়েট উচ্চ বিদ্যালয়ের সংগঠক মংশে মারমা।

বার্ষিক মূল্যায়ন কর্মশালায় বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে দেওয়ালিকা উপস্থাপন করা হয়। এছাড়া অনুষ্ঠানে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের তদারকিতে পরিচালিত মাধ্যমিক স্কুল ও মাদ্রাসায় ‘বইপড়া কর্মসূচি’র মূল্যায়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, আলোকিত মানুষ গড়ে তুলতে ‘বই পড়ার’ বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের মাঝে পাঠ্য বই পড়ার পাশাপাশি বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র কর্তৃক সরবরাহকৃত বই নিয়মিত পাঠদানে এখন থেকে শ্রেণী কার্যক্রমে লাইব্রেরি ঘন্টা সংযুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।




মানিকছড়িতে প্রাক্তন শিক্ষার্থী পরিষদের কমিটি গঠন

মানিকছড়ি প্রতিনিধি:
মানিকছড়ি উপজেলার তিনটহরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী পরিষদ নামে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টার সময় বিদ্যালয়ের হল রুমে আলোচনা সভার মাধ্যমে কমিটি গঠন করা হয়।

২০০০ ব্যাচের ছাত্র মনির হোসেন এর সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দীর্ঘ আলোচনার পর উপস্থিত প্রাক্তন ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে ‘প্রাক্তন শিক্ষার্থী পরিষদ তিনটহরী উচ্চ বিদ্যালয়’ নামে একটি সংগঠন এবং কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটিতে বড়ডলু উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. মনির হোসেন’কে সভাপতি, kids tv সাংবাদিক রিয়াদ মোহাম্মদ সাকিবকে সাধারণ সম্পাদক, সংবাদকর্মী মো. আকতার হোসেনকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ৩১ সদস্য কমিটি ঘঠন করা হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আতিউল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন এম এই আজাদ চৌধুরী বাবুল, গিরিকলি কিন্ডারগার্টেনের প্রতিষ্ঠাতা ও শিক্ষক প্রাক্তন ছাত্র লুৎফর রহমান, প্রাক্তন ছাত্র ও কৃষি ব্যাংক কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম প্রমুখ।




মানিকছড়িতে নিরাপত্তাবাহিনীর উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

Untitled-2 copy

মানিকছড়ি প্রতিনিধি:

সিন্দুকছড়ি নিরাপত্তাবাহিনীর উদ্যোগে মানিকছড়ি, রামগড়, গুইমারা উপজেলার ৮ ইউনিয়নের সহ্রাধিক দরিদ্র শীতার্ত জনগোষ্ঠির মাঝে বুধবার সকালে মানিকছড়ি কলেজ মাঠে কম্বল বিতরণ করেছেন নিরাপত্তাবাহিনী।

সিন্দুকছড়ি জোন অধিনায়ক লে.কর্ণেল গোলাম ফজলে রাব্বি’র উদ্যোগে জোনের অধিনস্থ মানিকছড়ি, রামগড় ও গুইমারা উপজেলার আট ইউনিয়নের সহ্রাধিক পাহাড়ী-বাঙ্গালী নর-নারীরা বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় মানিকছড়ি গিরিমৈত্রী ডিগ্রী কলেজ মাঠে জড়ো হয়।

বেলা সোয়া ১০টায় গুইমারা রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার  জেনারেল মো. কামরুজ্জামান এনডিসি, পিএসসি জি’র উপস্থিতিতে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী, উপজেলা চেয়ারম্যান ম্রাগ্য মারমা, ইউএনও বিনিতা রানী, ইউপি চেয়ারম্যান মো.শফিকুল ইসলাম, মো. জয়নাল আবেদীন, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. শহীদুল ইসলাম মোহন, মনিন্দ্র ত্রিপুরা, রেদাক মারমা, মেমং মারমা, অধ্যক্ষ মংচাইঞো মারমা, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. সফিউল আলম চৌধুরী, শিক্ষক মো. আতিউল ইসলাম, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এমকে আজাদ ও উশেপ্রু চৌধুরীসহ আটটি ইউপি’র সদস্যগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

কম্বল বিতরণ পূর্ব সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী বলেন, এ অঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠির আপদে-বিপদে সবার আগে নিরাপত্তাবাহিনী সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। অবহেলিত পাহাড়ী-বাঙ্গালীর স্বাস্থ্য, চিকিৎসা সেবা, স্যানিটেশন, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, শীতবস্ত্র বিতরণ, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের অর্থ সহায়তা, বৃত্তি প্রদানসহ আইন-শৃংখলা প্রদানে সবার আগে নিরাপত্তাবাহিনী এগিয়ে আসে। কিন্তু দীর্ঘ দিন ধরে এখানে তৃণমূলের মানুষকে ভয় দেখিয়ে সংঘবদ্ধ একটি গোষ্ঠি নিজেদের স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে অহেতুক বিশৃংখলা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। যা মোটেও সহ্য করার মত নয়। এখন সময় এসেছে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করার।

পরে সমাপনী ভাষণে ব্রিগেড কমান্ডার বলেন, বাংলাদেশ নিরাপত্তাবাহিনী মানবের সেবক হিসেবে বিশ্বে নজির সৃষ্টি করেছে। এ অঞ্চলের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আইন-শৃংখলা রক্ষার পাশাপাশি সেবামূলক কাজে তারা অতন্দ্র প্রহরী হিসাবে কাজ করতে প্রস্তুত।

পরে অতিথিরা একে একে সহ্রাধিক শীতার্ত মানুষের হাতে ও গায়ে কম্বল জড়িয়ে দেন। এ সময় ‘কম্বল’ পেয়ে খুশিতে আত্মহারা হন উপস্থিত নর-নারীরা। করতালির মাধ্যমে স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাবহিনীর এ মহতী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং অভিনন্দন জানান।




মানিকছড়িতে চার পাহাড়ি সন্ত্রাসীকে গণধোলাই দিয়ে অস্ত্রসহ পুলিশে সোপর্দ

Untitled-2 copy

নিজস্ব প্রতিবেদক:

খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চার অস্ত্রধারী পাহাড়ি সন্ত্রাসীকে জনতা গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে। মঙ্গলবার বিকাল পৌনে ৫টার দিকে উপজেলা সাপমারা এলাকায় চাঁদা নিতে এলে জনতা এভাবে তাদের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। এ সময় জনতা সন্ত্রাসীদের একটি এলজি ও তিন রাউন্ড গুলিসহ আটক করে পুলিশে দেয়। এদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা গুরুতর।

আমাদের মানিকছড়ি প্রতিনিধি আক্তার হোসেন স্থানীয় সাবেক মেম্বার আব্দুল জলিলের উদ্ধৃতি দিয়ে পার্বত্যনিউজকে জানান, সন্ত্রাসীরা বিকাল পৌনে ৫টার দিকে চাঁদার জন্য এলে স্থানীয় লোকজন সন্ত্রাসীদের আটক করে গণধোলাই দেয়। স্থানীয় জনৈক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আটক ব্যক্তিরা ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট’র (ইউপিডিএফ) সন্ত্রাসী।

মানিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুর রকিব পার্বত্যনিউজকে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সন্ত্রাসীদের ও তিন রাউন্ড গুলিসহ একটি এলজি উদ্ধার করে। এরা হচ্ছে, মানিকছড়ি উপজেলা বড়ডুলু এলাকার বাসিন্দা লক্ষ্মী কুমার ত্রিপুরার ছেলে বীরেন কুমার ত্রিপুরা(৩৫) ও একই উপজেলার রোয়াজা পাড়ার বাসিন্দা রাইখা চন্দ্র ত্রিপুরার ছেলে চিত্তরঞ্জন ত্রিপুরা(২২)। তবে গুরুতর আহত হওয়ায় অপর দু’জনের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি। অস্ত্র মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।

মানিকছড়ি হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মো. মহিউদ্দিন পার্বত্যনিউজকে জানান, রোগীদের অবস্থা গুরুতর হলেও আশংকামুক্ত।




মানিকছড়িতে টেন্ডার সিডিউলে ভুয়া পে-অর্ডার

pay-order

মানিকছড়ি প্রতিনিধি : দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরাধীন অর্থায়নে খাগড়াছড়ির মানিকছড়ির তৃণমূলে সেতু ও কালভার্ট নির্মাণের ৪টি প্রকল্পে দাখিলকৃত টেন্ডার সিডিউলে ভুয়া পে-অর্ডার দাখিলের অভিযোগ পাওয়া গেছে! বিষয়টি জানাজানির ফলে ঠিকাদার মহলে চলছে কানাঘুষা।

প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস ও ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরাধীন অর্থায়নে মানিকছড়ির তৃণমূলে সেতু ও কালভার্ট নির্মাণের ৪টি প্রকল্পের বিপরীতে ৮৭ লক্ষ ২৮ হাজার ৫ শত ৮৫ টাকা ব্যয়ে সম্প্রতি দরপত্র আহ্বান করে সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘ দিন ধরে মানিকছড়িতে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলো দলীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হলেও প্রশাসনের কারণে এবার সেটি হয়নি!

গত ২৯ ডিসেম্বর ২০১৬ দাখিলকৃত দরপত্রগুলো কেউই নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। যার কারণে ৪টি প্রকল্পের বিপরীতে ৩১৫টি সিডিউল দাখিল হয়। দাখিলকৃত সিডিউলগুলো গত ১ সপ্তাহ ধরে বাছাইকালে দাখিলকৃত একই ক্রমিক নাম্বারের একাধিক পে-অর্ডারে থাকায় বিষয়টি নিয়ে বাছাই কমিটির সন্দেহ হয়। পরে স্থানীয় সোনালী ব্যাংকে পে-অর্ডার যাছাই করার জন্য ইউএনও লিখিত নির্দেশ দেন। সোনালী ব্যাংক মানিকছড়ি কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আমলে নিয়ে পে-অর্ডার যাছাই করে পে-অর্ডার জালিয়াতির ঘটনা নিশ্চিত হন! এতে দেখা যায় ৪২ লক্ষ ৭ হাজার ৬শত টাকার বিপরীতে ৪৩টি পে-অর্ডার জাল রয়েছে।

এ ব্যাপারে মানিকছড়ি সোনালী ব্যাংক ব্যবস্থাপক বিমলেন্দু বিকাশ চাকমা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে পার্বত্যনিজউকে বলেন, টেন্ডার বাছাই কমিটির সর্তকতার কারণে এ জালিয়াতি উদঘাটন করতে সক্ষম হয়েছি। অন্যথায় ব্যাংককে বিশাল একটি ঝামেলায় পড়তে হতো।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. আবদুল জব্বার পার্বত্যনিজউকে বলেন, দাখিলকৃত সিডিউলে যাছাই-বাছাইয়ের সময় একই নাম্বারের একাধিক পে-অর্ডার থাকায় বিষয়টি সন্দেহ হয়। ফলে স্থানীয় সোনালী ব্যাংকে বিষয়টি যাছাই করার জন্য প্রেরণ করা হয়। এতে এ জালিয়াতির ঘটনা ধরা পড়ে। এখন সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার বা তাঁর প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

এদিকে পে-অর্ডার জালিয়াতির ঘটনা আমলে নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মো. আতিউল ইসলাম লিখিতভাবে দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক, রাঙ্গামাটিকে অবহিত করেছেন বলে জানা গেছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিনিতা রানী এ প্রসঙ্গে পার্বত্যনিজউকে বলেন, পে-অর্ডার জালিয়াতির ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।




ছাত্র শিক্ষক ও অভিভাবকের সেতু বন্ধনে ভালো ফলাফল অর্জন সম্ভব- কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা

12(2)-

মানিকছড়ি প্রতিনিধি :

খাগড়াছড়ি আসানের সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা বলেন, আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। ফলে কোটি কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের চেয়ে, শিশুকে মেধাবী হিসেবে গড়ে তুলতে পুঁজি বিনিয়োগ করা প্রয়োজন। আর তাতে সফলতা পেতে হলে ছাত্র, শিক্ষক ও অভিভাবকের মাঝে সেতু বন্ধন গড়ে তুলতে হবে। তবেই প্রতিটি শিক্ষার্থী আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে। বৃহস্পতিবার মানিকছড়ির রাণী নিহার দেবী উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত বার্ষিক ক্রীড়া, পুরস্কার বিতরণ ও অভিভাবক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা আরও বলেন, বিশ্ব আজ এগিয়ে যাচ্ছে, জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার দেশকে উন্নয়নের মূল সড়কে এনে দাঁড় করিয়েছে। তৃণমূলে গত ৮ বছরে এ সরকার যেসব উন্নয়ন করেছে তা বিশ্বকে অবাক করে দিয়েছে। বিশ্ববাসী এখন বিশ্বাস করে যে, বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। অসাম্প্রদায়িক সমাজ গঠনে আওয়ামী লীগের শাসনের ধারাবাহিকতা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

১২ জানুয়ারী সকাল সাড়ে ১১টায় স্কুল মাঠে নবাগত প্রধান শিক্ষক মো. মোফাজ্জাল হোসেন এর সভাপতিত্বে এবং সহকারী শিক্ষক অজিত কুমার নাথের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বার্ষিক ক্রীড়া, পুরস্কার বিতরণ ও অভিভাবক সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান ম্রাগ্য মারমা, ইউএনও বিনিতা রানী, জেলা পরিষদ সদস্য এম. এ. জব্বার, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এম.এ. রাজ্জাক, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রাহেলা আক্তার, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. জয়নাল আবেদীন, ইউপি চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম ফারুক, মো. শহীদুল ইসলাম মোহন, মো. রফিকুল ইসলাম বাবুল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মাঈন উদ্দীন, দপ্তর সম্পাদক এম.ই. আজাদ চৌধুরী বাবুল, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো.সফিউল আলম চৌধুরী, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি মো. শাহ আলম, যুবলীগের সহ-সভাপতি মো. সামায়ন ফরাজী সামু, সাধারণ সম্পাদক মো. জাহেদুল আলম মাসুদ, ছাত্রলীগ সভাপতি মো. আলমগীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তফা কামাল প্রমুখ।

স্কুল সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮১ সালে তৎকালীন মংরাজার উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত ‘রাণী নিহার দেবী উচ্চ বিদ্যালয়’টি ১৯৮৮ সালে সরকারিকরণ হয়। কিন্তু এ দীর্ঘ সময়ে এখানে প্রধান শিক্ষক পদটি শুন্য থাকায় শিক্ষা কার্যক্রমে ছিল বেহালাবস্থা! ফলে অভিভাবকরা ছিলেন হতাশাগ্রস্থ। সম্প্রতি এখানে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নিয়ে যোগদান করেন মো. মোফাজ্জাল হোসেন। বিদ্যালয়ে পরিবেশ ও পড়ালেখার মান পর্যালোচনায় তিনি প্রতিষ্ঠানকে নতুন সাজে সাজাতে ছাত্র, শিক্ষক ও অভিভাবকের মাঝে সেতু বন্ধনের উদ্যোগ নেন। তারই ধারাবাহিকতায় ১২ জানুয়ারী দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয় বার্ষিক ক্রীড়া, পুরস্কার বিতরণ ও অভিভাবক সমাবেশ।

সমাবেশের শুরুতে অনুষ্ঠানের সভাপতি ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোফাজ্জল হোসেন তাঁর লিখিত বক্তব্যে তুলে ধরেন দীর্ঘ পরিকল্পনা। এতে তিনি ছাত্র,শিক্ষক ও অভিভাবকের মাঝে সেতু বন্ধন গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

পরে প্রধান অতিথিসহ উপস্থিত অতিথিরা বার্ষিক ক্রীড়ায় বিজয়ী ও বিজিত শিক্ষার্থীদের হাতে এবং অতিথিদের হাতে ক্রেস্ট ও পুরস্কার তুলে দেন।




দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন চিত্র তৃণমূলে তুলে ধরার আহ্বানের মধ্য দিয়ে মানিকছড়িতে মেলা সম্পন্ন

112-copy

মানিকছড়ি প্রতিনিধি:

দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের চিত্র গ্রামে-গঞ্জে তুলে ধরতে জনপ্রতিনিধিদের এগিয়ে আসার আহ্বানের মধ্য দিয়ে মানিকছড়িতে শেষ হলো ৩ দিনব্যাপী আয়োজিত উন্নয়ন মেলা-২০১৭।

উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৯-১১জানুয়ারী ৩দিনব্যাপী মানিকছড়িতে ব্যাপক আয়োজনে অনুষ্ঠিত উন্নয়ন মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা চেয়ারম্যান ম্রাগ্য মারমা বলেন, শেখ হাসিনা’র সরকার দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত  যে হারে উন্নয়ন করছে তা গ্রামে-গঞ্জের সহজ-সরল মানুষ জানে না। অথচ দেশের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার তথ্য জানার। স্বাধীনতার ৪৬ বছরে এসে আওয়ামী লীগ সরকার দেশকে বিশ্ব দরবারে মধ্যম আয়ের দেশ হিসাবে উপস্থাপন করতে ভিশন-২০২১ ঘোষণা করেছে। আর সে অনুযায়ী প্রতিটি নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করতে উন্নয়ন করছে সরকার। দেশের প্রতিটি উপজেলায় ‘উন্নয়ন মেলা’র মাধ্যমে উন্নয়নের এসব খণ্ডচিত্র তুলে ধরার মধ্য দিয়ে জনগণকে তা অবহিত করার জন্য এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। ফলে সরকারের উন্নয়নসমূহ জনগণকে জানাতে এগিয়ে আসতে হবে জনপ্রতিনিধিদের।

সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিনিতা রানী। বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা নারী উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি রাহেলা আক্তার, সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম ফারুক, যোগ্যাছোলা ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. জয়নাল আবেদীন, বাটনাতলী ইউপি চেয়ারম্যান মো. শহীদুল ইসলাম মোহন, রাণী নিহার দেবী সরকারী উচ্চ বিদ্যাললয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোফাজ্জল হোসেনসহ উপজেলা পর্যায়ের সকল দপ্তর প্রধানগণ।

সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিনিতা রানী বলেন, সরকারের উন্নয়ন চিত্র ও আগামী দিনের ভাবনা জনগণকে অবহিত করার লক্ষেই মেলার মূল ভিশন। তাই প্রতিটি দপ্তর নিজ নিজ স্টলে তৃণমূলে উন্নয়ন সর্ম্পকিত খণ্ড চিত্র তুলে ধরেছেন। এছাড়া সমন্বিত নারী উন্নয়ন সংস্থা ও উপজেলা নারী উন্নয়ন ফোরামের পাশাপাশি বেসরকারী সংস্থার অংশগ্রহণে মেলার সৌন্দর্য ফুটে উঠেছে। এ জন্য অংশ গ্রহণকারী সবাইকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিনন্দন।

সভাপতির বক্তব্য শেষে ৩দিনে মেলায় অনুষ্ঠিত কুইস , চিত্রাঙ্কন, বিতর্ক, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং মেলায় অংশ গ্রহণকারী স্টলগুলোর মধ্যে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার ও সার্টিফিকেট এবং ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য ৯জানুয়ারী  বর্ণাঢ্য র‌্যালি শেষে ফিতা কাটার মধ্য দিয়ে উপজেলা টাউন হল চত্বরে এ মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছিলেন উপজেলার চেয়ারম্যান ম্রাগ্য মারমা ও ইউএনও বিনিতা।




মানিকছড়িতে শীতবস্ত্র বিতরণ

22
মানিকছড়ি প্রতিনিধি: মানিকছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদের অধীনস্থ ওয়ার্ড পর্যায়ের হত-দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে উপজেলা প্রশাসন।

শীতবস্ত্র বিতরণ উপলক্ষে সোমবার সকালে ১নং মানিকছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ইউপি সচিব মো. মোশারফ হোসেন মজনু’র সঞ্চালনায় এবং চেয়ারম্যান মো. শফিকুর রহমান ফারুক এর সভাপতিত্বে এক সভা অনুষ্টিত হয়। এতে অতিথি ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান ম্রাগ্য মারমা, ইউএনও বিনিতা রানী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রাহেলা আক্তার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা(পিআইও) মো. আবদুল জব্বার, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. আইয়ূব আলী আনছারী, প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ইদ্রিস ইসলাম বাচ্চু, সকল ইউপি সদস্য ও সদস্যাসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

ইউপি’র ৯টি ওয়ার্ড থেকে আসা দেড় শতাধিক হত-দরিদ্র নর-নারীর মাঝে একযোগে শীতের কম্বল বিতরণ করেছেন উপজেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসন থেকে উপজেলার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য প্রাপ্ত  কম্বল থেকে ২ জানুয়ারী সদর ইউপি’র দরিদ্রদের মধ্যে দেড় শতাধিক ব্যক্তির শীত নিবারণে প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে শীতের কম্বল প্রাপ্ত উমাপ্রু মারমা বলেন, শীতে ছেলে-মেয়েদের নিয়ে খুব কষ্টে রাত্রীযাপন করছিলাম। আজ হয়তো একটু আরাম পাবো! তিনি আরো বলেন, আমাদের মতো গ্রামে-গঞ্জে অনেক মানুষ শীতে কষ্ট পাচ্ছে। প্রশাসন সবাইকে যদি এভাবে সাহায্য করতো তাহলে ওরাও স্বস্তি পেত।

কম্বল বিতরণকালে উপজেলা চেয়ারম্যান ম্রাগ্য মারমা বলেন, পাহাড়ের পরতে পরতে বসবাসরত দরিদ্ররা এ শীতে খুব কষ্টে আছে তা আমরা জানি। কিন্তু তৃণমূলের চাহিদা অনুযায়ী কম্বল না পাওয়ায় বড় পরিসরে বিতরণ করা যাচ্ছে না। তবে আমরা চেষ্টায় আছি। প্রাপ্তি সাপেক্ষে দরিদ্রদের মাঝে তা বিতরণ করা হবে।




মানিকছড়িতে ছাত্রদলের ৩৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

received_1687600951530121
মানিকছড়ি প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঐতিহ্য, গৌরব ও সংগ্রামের ৩৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে।এ উপলক্ষে আজ রবিবার বিকাল ৩ ঘটিকার সময় মানিকছড়ি উপজেলা ছাত্রদলের উদ্যেগে দলীয় কার্য্যালয়ে আলোচনা সভা ও কেক কাটার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়।

আলোচনা সভায় উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন কিশোর এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. এনামুল হক এনাম।

উক্ত সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মুজিবুল হক বাহার, যুবদলের যুবনেতা জয়নাল মেম্বার, ওলামা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ইব্রাহীম খলিল আল ফরিদী, ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মনসুর আলী প্রমুখ।




নতুন বই হাতে পেয়ে শিশুরা আনন্দে মাতোয়ারা

15-2-copy

মানিকছড়ি প্রতিনিধি:

পহেলা জানুয়ারী ২০১৭ খ্রিস্টাব্দের ভোরের সূর্য যেমন রাতের আধাঁরকে তাড়িয়ে বিশ্বকে আলোকিত করেছে। ঠিক তেমনই স্কুল, মাদ্রাসায় পড়ুয়া শিশু-কিশোররা নতুন বই হাতে পেয়ে আনন্দে মেতে উঠেছে। বই নিয়ে তারা নেচে-গেয়ে একাকার। এ যেন এক মহা উৎসব। মানিকছড়ি উপজেলার অর্ধশতাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিন্ডারগার্টেন, মাধ্যমিক স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা বছরের প্রথম প্রহরে বিনা মূল্যে বই হাতে পেয়েছে। সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনও এবং জেলা পরিষদ সদস্য, আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে বই বিতরণ কর্মসূচী পালিত হয়েছে।

সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলা চেয়ারম্যান ম্রাগ্য মারমা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিনিতা রানী’র উপস্থিতিতে রাণী নিহার দেবী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে এবং জেলা পরিষদ সদস্য ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এমএ জব্বার ও আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. জয়নাল আবেদীনের উপস্থিতিতে তিনটহরী উচ্চ বিদ্যালয়ে পাঠ্যবই বিতরণ উৎসব উদ্বোধন করা হয়।

সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলার একমাত্র রাণী নিহার দেবী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এবং পৌনে ১০টায় রাজবাড়ী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বই বিতরণ উৎসবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান ম্রাগ্য মারমা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিনিতা রানী, সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. শফিকুর রহমান ফারুক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মাঈন উদ্দীন, সনাতন সমাজ কল্যাণ পরিষদ নেতা সজল বরণ সেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. নূর ইসলাম, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) শুভাশীষ বড়ুয়া, সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোফাজ্জল হোসেন, রাজবাড়ী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ক্যজ মারমাসহ সকল শিক্ষক, অভিভাবক, সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় অতিথিরা বলেন, বর্তমান সরকার দেশব্যাপী শিশু শ্রেণি থেকে ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ৫০ কোটি বই আজ একযোগে বিতরণ করছে। যা বিশ্বে নজীর বিহীন। তাই অভিভাবকদের উচিত ছেলে-মেয়েদের প্রতি নজর বাড়ানো। যাতে তারা নিয়মিত স্কুলে আসে এবং পড়ালেখার প্রতি যত্নবান হয়। ডিজিটাল বিশ্বের নতুন চমক মোবাইল ফোনের অসৎ ব্যবহার যেন শিশু-কিশোরদেরকে আক্রান্ত করতে না পারে সেদিকে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। পরে শিশু-কিশোররা অতিথিদের হাত থেকে নতুন বই পেয়ে আনন্দে মেতে উঠে।

অন্যদিকে সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা পরিষদ সদস্য ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এমএ. জব্বার’র নেতৃত্বে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগ নেতা এমএ. রাজ্জাক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. জয়নাল আবেদীন, সাধারণ সম্পাদক মো. মাঈন উদ্দীন, আওয়ামী লীগ নেতা ও তিনটহরী ইউপি চেয়ারম্যান মো.রফিকুল ইসলাম বাবুল, আওয়ামী লীগ ও শিক্ষানুরাগী এমই. আজাদ চৌধুরী বাবুল, উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি মো. শাহ্ আলম সাড়ে ১০টায় বড়ডলু উচ্চ বিদ্যালয়ে এবং সাড়ে ১১টায় তিনটহরী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষকদের উপস্থিতিতে বই বিতরণ করেন। এ সময় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. নূর ইসলাম, তিনটহরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আতিউল ইসলাম,বড়ডলু উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. বশির আহম্মদ উপস্থিত ছিলেন। বই বিতরণকালে অতিথিরা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানুষের মৌলিক অধিকারের অংশ শিক্ষাকে আধুনিকায়ন করতে কাজ করছে। দেশের কোটি কোটি শিশু-কিশোরের হাতে আজ একযোগে বিনামূল্যে বই বিতরণ করা হচ্ছে। এটি বিশ্বে চমৎকার দৃষ্টান্ত। তাই অভিভাবকদের উচিত সন্তানদের পড়ালেখায় উৎসাহ সৃষ্টি করার।

পরে অতিথিরা একে একে ‘কলেজিয়েট উচ্চ বিদ্যালয়, তিনটহরী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ডাইনছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়, মানিকছড়ি ইংলিশ স্কুল, গিরিকলি কিন্ডারগার্টেন এন্ড পাবলিক স্কুল, মেমোরী কিন্ডারগার্টেন এন্ড পাবলিক স্কুলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আয়োজিক বই বিতরণ উৎসবে যোগদান করে বই বিতরণ করেন।