মানিকছড়ি ও রামগড়ে দুদক কর্মকর্তার পদচারণায় অফিস পাড়ায় তোলপাড়

duduk

মানিকছড়ি প্রতিনিধি:
দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. শফিকুর রহমান ভূঁইয়া মানিকছড়ি ও রামগড় উপজেলায় সফরে অফিস পাড়ায় তোলপাড় চলছে। জনসেবা ও উন্নয়ন কর্মকান্ডের ভুল-ত্রুটি শুধরে নিতে মাঠে নেমেছেন জনপ্রতিনিধরা।

জানা গেছে, দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. শফিকুর রহমান ভূঁইয়া গত ১৪ ফেব্রুয়ারী খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারী, রোগী ও রোগীর আত্বীয় স্বজনের সাথে কথা বলে হাসপাতালটির বিভিন্ন বিষয়াদির খোঁজখবর নেন। তিনি এ সময় ল্যাব রুম, এক্স-রে রুম ও বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন।

পরে হাসপাতালের প্রধান স্বাস্থ্যও প.প. কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুর ইসলামের সাথে মতবিনিময় কালে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কংজরী চেীধুরীও আকস্মিক হাসপাতাল পরিদর্শনে আসেন এবং তিনিও হাসপাতালের খোঁজখবর নেন।

মতবিনিময়কালে উপস্থিত ছিলেন, রামগড় উপজেলা পুলিশিং কমউিনিটির সভাপতি মংপ্রু চেীধুরী, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মো. শাহআলম, মেডিকেল অফিসার ডা. রতন খীসা, ডা. বিজয় মজুমদার, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. মাসুদ মামুন ও দুপ্রক সদস্যসহ স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ।

স্থানীয় এলাকাবাসী ও রোগী আবদুর রহমান বলেন, এ ধরনের পরিদর্শন হাসপাতালের সেবার মান বাড়াতে সহায়ক হবে ও হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতি কমে আসবে এবং সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে। এর আগে সোমবার বিকালে উপজেলা গেষ্ট হাউজে দুদকের উপ-পরিচালক রামগড় উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাথে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির কার্যক্রমে আরো গতিশীলতা ভাড়াতে বিভিন্ন পরামর্শ দেন। বিকাল সাড়ে ৩ টায় দুদক কর্মকর্তা মানিকছড়ি উপজেলায় আসেন এবং উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্যদের সাথে মতবিনিময় করেন।

এ সময় তিনিকমিটির সভাপতি মো. আতিউল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল মান্নানসহ উপস্থিত সদস্যদের নিকট উপজেলায় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসন কর্তৃক জনসেবার মান সর্ম্পকে জানতে চান। এক পর্যায়ে তিনি বলেন, যে গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে কাবিটার বরাদ্ধ থেকে (১) উপজেলা পরিষদের পুকুর সংস্কার বাবদ ১০ মে.টন খাদ্যশষ্য (২) মার্কেট নির্মাণে আড়াই লক্ষ টাকা এবং ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এডিবি’র বরাদ্ধে ২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে মো. মাঈন উদ্দীনের বাড়ী- শহীদ চেয়ারম্যান এর বাড়ী পর্যন্ত ড্রেন নির্মাণ সর্ম্পকে দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি অবগত কিনা জানতে চান। এক পর্যায়ে তিনি বিষয়টি সর্ম্পকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা(পি.আই.ও) নিকট জানতে চান। জবাবে পি.আই.ও মো. আবদুল জব্বার প্রকল্পের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যানের অনুরোধে নেয়া প্রকল্প দু’টি শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে দু’টি প্রকল্প শেষ করা হবে।

এ খবর জনপ্রতিনিধিরা জানতে পেরে দ্রুত নড়েচড়ে বসেছেন। এ খবর পেয়ে উপজেলা বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারী) সকালে উপজেলা চেয়ারম্যান ম্রাগ্য মারমা প্রকল্প চেয়ারম্যানদের নিয়ে বৈঠকে বসেন এবং দ্রুত কাজ শেষ করার সিদ্ধান্তে উপনিত হন।

এ বিষয়ে নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিনিতা রানী বলেন, দু’টি  প্রকল্প(কাবিটার) গত অর্থবছরের এছাড়া এডিবি’র বরাদ্দটির(প্রজেক্ট) কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। প্রকল্পগুলো সম্পর্কে পিআইও’র নিকট জানতে চাওয়া হয়েছে এবং এডিবি’র প্রকল্পের বিষয়ে কোন ক্রটি রয়েছে কিনা তা সরজমিনে তদন্ত করে দেখা হবে।




মানিকছড়িতে দুর্বৃত্তের দেয়া আগুনে আড়াই একর বাগান পুড়ে ছাই

Untitled-1 copy

মানিকছড়ি প্রতিনিধিঃ

রবিবার রাতে মানিকছড়ি উপজেলার মরাডলু এলাকায় দুর্বৃত্তদের দেয়া আগুনে প্রায় আড়াই একর বিভিন্ন প্রজাতির বাগান পুড়ে গেছে। এতে তিন লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

মালিক মো.জাহাঙ্গীর হোসেন জানায়, রবিবার সন্ধ্যার সময় কে বা কারা আমার বাগানে আগুন লাগিয়ে দেয়, আমি সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার সময় খবর পেয়ে বাগানে গিয়ে দেখি বাগান পুড়ে ছাই, বাগানে কাঠাঁল, আগর ও লম্বু গাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ ছিল। এতে প্রায় তিন লক্ষ টাকার ক্ষতি হয় আমার।

তিনি বলেন, আমার কারো সাথে কোন রকম শুত্রুতা নেই কারা আমার এত বড় সর্বনাশ করলো জানিনা। বড় স্বপ্ন নিয়ে এ বাগান করে ছিলাম।

এ বিষয় মানিকছড়ি থানার ওসি মো. আবদুর রকিব জানান, বাগান পোড়ার বিষয় কেউ অভিযোগ করে নাই, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।




 মানিকছড়িতে খাল পারাপারে এবার বড়ই কাঁটা বিছিয়ে বাধা

4

মানিকছড়ি প্রতিনিধি:

মানিকছড়ি রাজবাজার-মহামুনি পানি শুন্য খালের ওপর সাঁকো বসিয়ে দেদারসে টাকা নিচ্ছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। খালে ব্রিজ নেই, তাই বর্ষাকালে পথচারীদের পারাপারের সুবিধার্থে খালটি ইজারা দেয় ইউনিয়ন পরিষদ। কিন্তু বর্ষার পর খালে পানি থাকে না।

কিন্তু ইজারাদাররা বসে থাকবে কেন? তাই তারা প্রভাবখাটিয়ে শুকনো খালে প্রথমে মাছ ধরার অজুহাতে বাধঁ দিয়ে পানি আটকিয়ে পথচারীদের সাঁকো দিয়ে পারাপারে বাধ্য করেছিল। সম্প্রতি এ নিয়ে সচিত্র সংবাদ প্রকাশের পর নতুন কৌশলে সাঁকো ব্যবহারে পথচারীদের বাধ্য করা হচ্ছে। আর সেই অভিনব কৌশলটি হচ্ছে, খালের পানিতে বড়ই কাঁটা ছিটিয়ে সাঁকো ব্যবহারে লোকজনকে বাধ্য করা!

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মানিকছড়ির সদর রাজবাজারটির বয়স শত বছর পেরিয়েছে। বাজারের পশ্চিম-দক্ষিণ দিক দিয়ে মহামুনি-রাজবাজার-ডাইনছড়ি-বাটনাতলী সড়ক রয়েছে। আর প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার সপ্তাহিক বাজার।এ সড়কের বাজার টু মহামুনি অংশে রয়েছে‘মানিকছড়ি খাল’। অথচ খালের ওপর ব্রিজ নেই।

বাজারের দক্ষিণ পূর্ব অঞ্চলের প্রায় ২০ হাজার মানুষ খাল পেরিয়ে বাজারে আসা-যাওয়া করে। বর্ষাকালে এ সড়কে পথচারীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। ফলে সম্প্রতিকালে মানিকছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদ খালের ওই অংশকে টোল কেন্দ্র ঘোষণা করে ইজারা দেয়।

ফলে ইজারাদাররা খালের ওপর সাঁকো বসিয়ে জনপ্রতি ৫টাকা টোল আদায় করছে। বর্ষা শেষে খালে পানি থাকে না। ফলে পথচারীরা অল্প পানির ওপর দিয়ে হেঁটে খাল পর হয়। কিন্তু ইজারাদাররা বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি। তারা প্রথমে মাছ ধরার অজুহাতে খালে বাঁধ দিয়ে পানি জমিয়ে পথচারীদেরকে সাঁকো পারাপারে বাধ্য করছে।

এ নিয়ে গত কয়েক দিনে অন-লাইন সংবাদে সচিত্র সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসনের টনক না নড়লেও ইজারাদাররা বিষয়টি টের পেয়েছে। তাই তারা শনিবার হাটবারের দিনে বাঁধটি কেটে দিয়ে খালের পানিতে বড়ই গাছ কেটে বিছিয়ে দিয়েছে। যাতে করে পথচারীরা নিচ দিয়ে পারাপার হতে না পারে। হয়েছেও তাই শনিবার সারা দিনে এ সড়ক দিয়ে মানিকছড়ির দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চল এবং লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার অন্তত ৭/৮ হাজার পথচারী এ সাঁকো দিয়ে বাজারে আসা-যাওয়া করতে হয়েছে। আর এতে ইজারাদারদের আয় হয়েছে কমপক্ষে অর্ধলক্ষাধিক টাকা।

গণমানুষের প্রতি প্রভাবশালীদের এমন চরম দুর্ভোগ চাপিয়ে দেওয়া হলেও প্রশাসন একাবারে নিরব। এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মো. শফিকুর রহমান ফারুক বলেন, ইতোমধ্যে প্রকাশিত সংবাদ সর্ম্পকে উপজেলা চেয়ারম্যান ম্রাগ্য মারমা’কে অবহিত করা হয়েছে।




প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগকে ব্যাঙ্গ করায় মানিকছড়িতে তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলা, ছাত্রদল নেতা আটক

PM00120170

মানিকছড়ি প্রতিনিধি :
সম্প্রতি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ভ্যান চালক ইমাম শেখের ভ্যানে চেপে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বহন করায় প্রধানমন্ত্রী ওই ভ্যান চালককে বিমান বাহিনীতে চাকরি দেয়ার ঘটনাকে ব্যঙ্গাত্বক করে ফেইসবুকে মন্তব্য করায় মানিকছড়ি উপজেলা ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলা করেন ছাত্রলীগ নেতা মো. মতিউর রহমান।

মামলার দায়ের সাথে সাথে পুলিশ মামলার প্রধান আসামী উপজেলা ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক মো. মহিউদ্দীন কিশোরকে (২৮) আটক করেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জ টুঙ্গিপাড়ার ঘুরতে গেলে ওই এলাকার দরিদ্র ভ্যান চালক ইমাম শেখ(১৭) প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদেরকে ভ্যানে চাপিয়ে ঘুরিয়েছিলেন। দরিদ্র ভ্যান চালকের প্রতি প্রধানমন্ত্রী সুদৃষ্টির ফলে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর বেকারীতে (যোগ্যতা অনুযায়ী) চাকরি পান ভ্যান চালক ইমাম শেখ। এ ঘটনার পর খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলা ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক মো. মহিউদ্দীন কিশোর প্রধানমন্ত্রীর এ উদ্যোগকে ব্যঙ্গ করে তার ফেইসবুক আইডিতে পোস্ট করেন।

এটি নজরে পড়ায় মানিকছড়ি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমান গত বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারী) রাতে ওই ছাত্রদল নেতা মো. মহিউদ্দীন কিশোর ও অপর ছাত্রদল কর্মী মো. নুরুজ্জামান (২০)কে আসামী করে মানিকছড়ি থানায় তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭(২) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলা নং ০১ তারিখ -০২.০২.১৭ খ্রি.। পরে পুলিশ মামলাটি আমলে নিয়ে রাতেই প্রধান আসামী ছাত্রদল নেতা মহিউদ্দীন কিশোরকে আটক করে। অপর আসামী এখনো পলাতক।

থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবদুর রকিব ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আটক ব্যক্তিকে জেল-হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং অপর আসামীকে ধরার চেষ্টা চলছে।




মানিকছড়িতে খালে বাঁধ দিয়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি

30(2) copy

মানিকছড়ি প্রতিনিধি:

মানিকছড়ির ঐতিহ্যবাহী রাজবাজার-মহামুনি সড়কে খালের ওপর ব্রিজ নেই। ফলে স্থানীয়রা বাঁশের সাঁকো বানিয়ে বর্ষাকালে জনপ্রতি ৫টাকার বিনিময়ে পথচারীদের নদী পর হতে হয়।

প্রতিদিন হাজারো পথচারী পারাপারে মোটা অংকের আয় দেখে ইউনিয়ন পরিষদ সেটিকে টোল ঘোষণা করে ইজারাও দেয়। কিন্তু বর্ষা শেষে খালে পানি থাকে না। ফলে ইজারদারদের আয়ও কমে যায়। কিন্তু টাকার লোভে ইজারাদাররা মানবসৃষ্ট বাঁধ দিয়ে খালে পানি জমিয়েছে। ফলে মানুষ বাধ্য হয়ে সাঁকোর ওপর দিয়ে পারাপার হতে হয়। এভাবে প্রকাশ্য মানবসৃষ্ট দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে হাজারো পথচারীদের।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মানিকছড়ির সদর রাজবাজারটির বয়স শত বছর পেরিয়েছে। বাজারের পশ্চিম-দক্ষিণ দিক দিয়ে মহামুনি-রাজবাজার-ডাইনছড়ি-বাটনাতলী সড়ক রয়েছে। আর প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার সাপ্তাহিক বাজার। এ সড়কের বাজার হতে মহামুনি অংশে রয়েছে ‘মানিকছড়ি খাল’। অথচ খালের ওপর ব্রিজ নেই। বাজারের দক্ষিণ পূর্ব অঞ্চলের প্রায় ২০ হাজার মানুষ খাল পেরিয়ে বাজারে আসা-যাওয়া করে। বর্ষাকালে এ সড়কে পথচারীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

ফলে সম্প্রতিকালে মানিকছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদ খালের ওই অংশকে টোল কেন্দ্র ঘোষণা করে ইজারা দেয়। ফলে ইজারাদাররা খালের ওপর সাঁকো বসিয়ে জনপ্রতি ৫টাকা টোল আদায় করছে। বর্ষা শেষে খালে পানি থাকে না। ফলে পথচারীরা চরের ওপর দিয়ে পায়ে হেঁটে খাল পার হয়। কিন্তু ইজারাদাররা বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি। তারা  মাছ ধরার অজুহাতে খালে বাঁধ দিয়ে পানি জমিয়ে পথচারীদেরকে সাঁকো দিয়ে পারাপারে বাধ্য করছে। এতে অহেতুক প্রতি দিন হাজারো পথচারী ৫ টাকা দিতে হচ্ছে।

প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার হাটবারের দিন এ পথে ৮/১০ হাজার পথচারী আসা-যাওয়া করেন। আর এতে ইজারাদাররা হাতিয়ে নেন ৪০/৫০ হাজার টাকা। বিষয়টি জনদুর্ভোগে পরিণত হলেও জনপ্রতিনিধি কিংবা প্রশাসন কারো নজরে আসছে না। পথচারী রহিম, মংশেপ্রু, আওয়াল, স্কুল শিক্ষার্থী নূরজাহান, আমেনা ও রহিমা আক্ষেপ করে বলেন, খালে পানি নেই, তবুও ওরা বাঁধ দিয়ে পানি আটকিয়ে রেখেছে। স্কুলে আসতে ৫ টাকা, আবার বাড়ি ফিরে যেতে ৫ টাকা দিতে হচ্ছে।

ইউপি চেয়ারম্যান মো. শফিকুর রহমান বলেন, এ খালের টোল কেন্দ্রটি পূর্বের জনপ্রতিনিধিরা ইজারা দিয়ে গেছেন। জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে কেউ যদি টোল আদায় করে তাহলে ওদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।




মানিকছড়ির তিনটহরী উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই যুগ পূর্তিতে জমকালো আয়োজন

 

Untitled-2 copy

মানিকছড়ি প্রতিনিধি:

মানিকছড়ি উপজেলার বেসরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়’র মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করা তিনটহরী উচ্চ বিদ্যালয়’র ২যুগ পূর্তি উপলক্ষে নানা আয়োজনে বিদায় ও বরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

বিদ্যালয়ের সহকারী গ্রন্থাগারিক আবদুল মান্নান ও পিটিএ সভাপতি এমই.আজাদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় এবং প্রধান শিক্ষক মো. আতিউল ইসলাম’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানের ২ যুগ পূর্তি, এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও নবীণ বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান ম্রাগ্য মারমা, জেলা পরিষদ সদস্য ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির সভাপতি এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এমএ. জব্বার, অফিসার ইনচার্জ মো. আবদুর রকিব, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. নূর ইসলাম, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা পুলিশিং কমিটির সভাপতি এমএ. রাজ্জাক, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. নোমান মিয়া, সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. শফিকুর রহমান ফারুক, বাটনাতলী ইউপি চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম মোহন, যোগ্যাছোলা ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. জয়নাল আবেদীন, তিনটহরী ইউপি চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম বাবুল, যোগ্যছোলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এমকে. আজাদ, ডাইনছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রমিজ মিয়া, কলেজিয়েট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মংশেপ্রু মারমা, বড়ডলু উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. বশির আহম্মদ, গাড়ীটানা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শাহজালাল, একসত্যাপাড়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হারুন উর রশিদ, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ক্যজ মারমা, সাথোয়াই মারমা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রুপেন পাল, ডা. অমর কান্তি দত্ত, নিপ্রু মারমা প্রমুখ।

সকাল ১১টায় অতিথিরা স্কুল গেইটে আসলে হাজারো শিক্ষার্থী লাইনে দাঁড়িয়ে ফুলের পাঁপড়ি ছিটিয়ে, বাদ্যের তালে তালে এবং করতালির মাধ্যমে অতিথিদের মঞ্চে নিয়ে আসেন। পরে প্রধান অতিথির উপস্থিতিতে এবং শিক্ষার্থীদের জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এর পর অতিথিরা আসন গ্রহণ করেন। পরে শিক্ষার্থীরা আগত অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অতিথি বরণ শেষে নবীণ শিক্ষার্থী জেসমিন আক্তারকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন বিদায়ী শিক্ষার্থী মো. মোস্তফা।

এ সময় তারা একে অপরের মাঝে মানপত্রও বিনিময় করেন। অতিথি,নবীণদের বরণ শেষে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও অনুষ্ঠানের সভাপতি স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

এ সময় তিনি দীর্ঘ ২ যুগের অক্লান্ত পরিশ্রমে ২০ব্যাচে ১০৬৫ জন শিক্ষার্থীর এসএসসি পাসের স্মৃতি স্মরণ করে এ অর্জনের জন্য এ অঞ্চলের মেহনতি অভিভাবক ও চলার পথের সহযোগিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এক পর্যায়ে তিনি অশ্রুসজন নয়নে আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন।

পরে নবীণ শিক্ষার্থীসহ সকল শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে উপদেশমূলক বক্তব্য রাখেন বিদায়ী শিক্ষার্থী মো. মোস্তফা। এর পর শুরু হয় অতিতিদের বক্তব্যের পালা।

প্রধান অতিথি কংজরী চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, এ অঞ্চলে পিছিয়েপড়া জনগোষ্ঠির পরিবারে প্রদীপ জ্বালাতে যে সমস্ত শিক্ষকরা নিরলসভাবে শিক্ষকতা করছেন জাতি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। ২যুগে এ প্রতিষ্ঠান থেকে সহ্রাধিক ছেলে-মেয়ে এসএসসি পাস করেছে এটি নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবী রাখে। এছাড়া বর্তমান শিক্ষাবর্ষে সাড়ে ৮ শতাধিক ছেলে-মেয়ে(৬ষ্ঠ-১০ম)শ্রেণিতে অধ্যয়নরত রয়েছে। প্রতিষ্ঠানের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে এখানে একটি আধুনিক মানসম্পন্ন ছাত্রাবাস নির্মাণে কোটি টাকার বরাদ্ধ করা হয়েছে। ২০২০সালের মধ্যে এটি নির্মাণ শেষ হবে। ফলে দূর-দূরান্তের ছেলে-মেয়েরা ছাত্রাবাসে থেকে পড়ালেখা করার সুযোগ পাবে।

তিনি অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, আপনারা ছেলে-মেয়েদের প্রতিষ্ঠানে পাঠিয়ে দায়িত্ব ছেড়ে দিলে ভুল করবেন। মা’দের পাশাপাশি বাবারাও ছেলে-মেয়ের প্রতি যত্নবান হন। অন্যথায় ডিজিটালের হরেক ছোঁয়ার আপনার সন্তান সু-নাগরিক হওয়ার সুযোগ থকে বঞ্চিত হতে পারে।

সভাপতির সমাপনী বক্তব্যের পর প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অতিথিদের সম্মানণায় ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এছাড়া বিদায়ী শিক্ষার্থীরা স্কুলের সু-প্রতিষ্ঠিত গ্রন্থাগারে বিপুল সংখ্যক বই উপহার দেন। প্রধান শিক্ষক এসব বই গ্রহণ করেন এবং বিদায়ী শিক্ষার্থীদের এ মহতি উদ্যোগকে স্বাগত জানান। পরে সকল অতিথি ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা মধ্যাহ্নভোজে মিলিত হন।




মানিকছড়িতে পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচির বার্ষিক মূল্যায়ন কর্মশালা

Untitled-3 copy

মানিকছড়ি প্রতিনিধি:

দেশব্যাপী আড়াইশত মাধ্যমিক স্কুল-মাদ্রাসায় পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচির বার্ষিক মূল্যায়ন কর্মশালা সোমবার মানিকছড়িতে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কো-অর্ডিনেটর মো. রিপন আহসান’র সঞ্চলনায় অনুষ্ঠিত বার্ষিক কর্মসূচির মূল্যায়ন সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. নূর ইসলাম এবং প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান ম্রাগ্য মারমা।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, সেকায়েপ’র সহকারী পরিচালক ফারজানা আবেদীন খানম, লক্ষ্মীছড়ি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সারওয়ার ইউছুফ জামান, একাডেমিক সুপারভাইজার নিশিপ্রু মারমা, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর মো. শহিদুল ইসলাম, ফিল্ড অফিসার মো.শারফুল ইসলাম প্রমুখ।

কর্মশালায় দুই উপজেলার ১৫টি মাধ্যমিক ও মাদ্রাসায় প্রধান শিক্ষক, সুপার, সংগঠক, গ্রন্থাগারিক উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলওয়াত করেন, যোগ্যাছোলা উচ্চ বিদ্যালয়ের সংগঠক মাওলানা আবদুল গফুর, গীতা পাঠ করেন, মানিকছড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিপ্লব চক্রবর্তী, ত্রিপিটক পাঠ করেন, কলেজিয়েট উচ্চ বিদ্যালয়ের সংগঠক মংশে মারমা।

বার্ষিক মূল্যায়ন কর্মশালায় বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে দেওয়ালিকা উপস্থাপন করা হয়। এছাড়া অনুষ্ঠানে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের তদারকিতে পরিচালিত মাধ্যমিক স্কুল ও মাদ্রাসায় ‘বইপড়া কর্মসূচি’র মূল্যায়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, আলোকিত মানুষ গড়ে তুলতে ‘বই পড়ার’ বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের মাঝে পাঠ্য বই পড়ার পাশাপাশি বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র কর্তৃক সরবরাহকৃত বই নিয়মিত পাঠদানে এখন থেকে শ্রেণী কার্যক্রমে লাইব্রেরি ঘন্টা সংযুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।




মানিকছড়িতে প্রাক্তন শিক্ষার্থী পরিষদের কমিটি গঠন

মানিকছড়ি প্রতিনিধি:
মানিকছড়ি উপজেলার তিনটহরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী পরিষদ নামে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টার সময় বিদ্যালয়ের হল রুমে আলোচনা সভার মাধ্যমে কমিটি গঠন করা হয়।

২০০০ ব্যাচের ছাত্র মনির হোসেন এর সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দীর্ঘ আলোচনার পর উপস্থিত প্রাক্তন ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে ‘প্রাক্তন শিক্ষার্থী পরিষদ তিনটহরী উচ্চ বিদ্যালয়’ নামে একটি সংগঠন এবং কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটিতে বড়ডলু উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. মনির হোসেন’কে সভাপতি, kids tv সাংবাদিক রিয়াদ মোহাম্মদ সাকিবকে সাধারণ সম্পাদক, সংবাদকর্মী মো. আকতার হোসেনকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ৩১ সদস্য কমিটি ঘঠন করা হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আতিউল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন এম এই আজাদ চৌধুরী বাবুল, গিরিকলি কিন্ডারগার্টেনের প্রতিষ্ঠাতা ও শিক্ষক প্রাক্তন ছাত্র লুৎফর রহমান, প্রাক্তন ছাত্র ও কৃষি ব্যাংক কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম প্রমুখ।




মানিকছড়িতে নিরাপত্তাবাহিনীর উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

Untitled-2 copy

মানিকছড়ি প্রতিনিধি:

সিন্দুকছড়ি নিরাপত্তাবাহিনীর উদ্যোগে মানিকছড়ি, রামগড়, গুইমারা উপজেলার ৮ ইউনিয়নের সহ্রাধিক দরিদ্র শীতার্ত জনগোষ্ঠির মাঝে বুধবার সকালে মানিকছড়ি কলেজ মাঠে কম্বল বিতরণ করেছেন নিরাপত্তাবাহিনী।

সিন্দুকছড়ি জোন অধিনায়ক লে.কর্ণেল গোলাম ফজলে রাব্বি’র উদ্যোগে জোনের অধিনস্থ মানিকছড়ি, রামগড় ও গুইমারা উপজেলার আট ইউনিয়নের সহ্রাধিক পাহাড়ী-বাঙ্গালী নর-নারীরা বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় মানিকছড়ি গিরিমৈত্রী ডিগ্রী কলেজ মাঠে জড়ো হয়।

বেলা সোয়া ১০টায় গুইমারা রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার  জেনারেল মো. কামরুজ্জামান এনডিসি, পিএসসি জি’র উপস্থিতিতে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী, উপজেলা চেয়ারম্যান ম্রাগ্য মারমা, ইউএনও বিনিতা রানী, ইউপি চেয়ারম্যান মো.শফিকুল ইসলাম, মো. জয়নাল আবেদীন, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. শহীদুল ইসলাম মোহন, মনিন্দ্র ত্রিপুরা, রেদাক মারমা, মেমং মারমা, অধ্যক্ষ মংচাইঞো মারমা, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. সফিউল আলম চৌধুরী, শিক্ষক মো. আতিউল ইসলাম, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এমকে আজাদ ও উশেপ্রু চৌধুরীসহ আটটি ইউপি’র সদস্যগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

কম্বল বিতরণ পূর্ব সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী বলেন, এ অঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠির আপদে-বিপদে সবার আগে নিরাপত্তাবাহিনী সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। অবহেলিত পাহাড়ী-বাঙ্গালীর স্বাস্থ্য, চিকিৎসা সেবা, স্যানিটেশন, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, শীতবস্ত্র বিতরণ, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের অর্থ সহায়তা, বৃত্তি প্রদানসহ আইন-শৃংখলা প্রদানে সবার আগে নিরাপত্তাবাহিনী এগিয়ে আসে। কিন্তু দীর্ঘ দিন ধরে এখানে তৃণমূলের মানুষকে ভয় দেখিয়ে সংঘবদ্ধ একটি গোষ্ঠি নিজেদের স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে অহেতুক বিশৃংখলা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। যা মোটেও সহ্য করার মত নয়। এখন সময় এসেছে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করার।

পরে সমাপনী ভাষণে ব্রিগেড কমান্ডার বলেন, বাংলাদেশ নিরাপত্তাবাহিনী মানবের সেবক হিসেবে বিশ্বে নজির সৃষ্টি করেছে। এ অঞ্চলের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আইন-শৃংখলা রক্ষার পাশাপাশি সেবামূলক কাজে তারা অতন্দ্র প্রহরী হিসাবে কাজ করতে প্রস্তুত।

পরে অতিথিরা একে একে সহ্রাধিক শীতার্ত মানুষের হাতে ও গায়ে কম্বল জড়িয়ে দেন। এ সময় ‘কম্বল’ পেয়ে খুশিতে আত্মহারা হন উপস্থিত নর-নারীরা। করতালির মাধ্যমে স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাবহিনীর এ মহতী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং অভিনন্দন জানান।




মানিকছড়িতে চার পাহাড়ি সন্ত্রাসীকে গণধোলাই দিয়ে অস্ত্রসহ পুলিশে সোপর্দ

Untitled-2 copy

নিজস্ব প্রতিবেদক:

খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চার অস্ত্রধারী পাহাড়ি সন্ত্রাসীকে জনতা গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে। মঙ্গলবার বিকাল পৌনে ৫টার দিকে উপজেলা সাপমারা এলাকায় চাঁদা নিতে এলে জনতা এভাবে তাদের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। এ সময় জনতা সন্ত্রাসীদের একটি এলজি ও তিন রাউন্ড গুলিসহ আটক করে পুলিশে দেয়। এদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা গুরুতর।

আমাদের মানিকছড়ি প্রতিনিধি আক্তার হোসেন স্থানীয় সাবেক মেম্বার আব্দুল জলিলের উদ্ধৃতি দিয়ে পার্বত্যনিউজকে জানান, সন্ত্রাসীরা বিকাল পৌনে ৫টার দিকে চাঁদার জন্য এলে স্থানীয় লোকজন সন্ত্রাসীদের আটক করে গণধোলাই দেয়। স্থানীয় জনৈক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আটক ব্যক্তিরা ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট’র (ইউপিডিএফ) সন্ত্রাসী।

মানিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুর রকিব পার্বত্যনিউজকে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সন্ত্রাসীদের ও তিন রাউন্ড গুলিসহ একটি এলজি উদ্ধার করে। এরা হচ্ছে, মানিকছড়ি উপজেলা বড়ডুলু এলাকার বাসিন্দা লক্ষ্মী কুমার ত্রিপুরার ছেলে বীরেন কুমার ত্রিপুরা(৩৫) ও একই উপজেলার রোয়াজা পাড়ার বাসিন্দা রাইখা চন্দ্র ত্রিপুরার ছেলে চিত্তরঞ্জন ত্রিপুরা(২২)। তবে গুরুতর আহত হওয়ায় অপর দু’জনের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি। অস্ত্র মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।

মানিকছড়ি হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মো. মহিউদ্দিন পার্বত্যনিউজকে জানান, রোগীদের অবস্থা গুরুতর হলেও আশংকামুক্ত।