মাটিরাঙ্গার শীতার্ত মানুষের পাশে পলাশপুর বিজিবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা:

সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি এবার মাটিরাঙ্গার হত-দরিদ্র শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে ৪০, বর্ডার গার্ড ব্যাটালিন-বিজিবি পলাশপুর জোন। পলাশপুর জোন নিয়ন্ত্রিত খেদাছড়া, ডিবিপাড়া, আমবাগান ও ঢাকাইয়াপাড়ার হতদরিদ্র শীতার্ত মানুষ বিজিবির দেয়া কম্বলে খুঁজে পেয়েছে উষ্ণতার ছোঁয়া। কম্বল হাতে স্বস্তি আর সুখের হাসি হাসতে দেখা গেছে হতদরিদ্র মানুষের মুখে।

শুক্রবার বিকালের দিকে পলাশপুর জোন সদরে শীতার্ত মানুষের হাতে উষ্ণতার ছোঁয়া হিসেবে শীতের কম্বল তুলে দেন ৪০ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন-বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. কামরুল ইসলাম বিজিবিএম, পিএসসি। এসময় পলাশপুর জোনের উপঅধিনায়ক মেজর মো. সাব্বির হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

৪০ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন-বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. কামরুল ইসলাম বিজিবিএম, পিএসসি সমাজের বিত্তবানদের হতদরিদ্র শীতার্ত মানুষের প্রতি মানবিক সাহায্যের হাত প্রসারিত করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সকলের সহযোগিতা পেলে শীতার্ত মানুষের শীত নিবারনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। শীতার্ত মানুষের ভালোভাবে বাঁচার অধিকার আছে মন্তব্য করে বলেন, সবাই এগিয়ে আসলে তারাও বিত্তবানদের মতো ভারোভাবে বাঁচতে পারবে।

ভবিষ্যতেও পলাশপুর জোন অসহায় মানুষের পাশে থাকবে জানিয়ে পলাশপুর জোনের উপঅধিনায়ক মেজর মো. সাব্বির হোসেন বলেন, প্রথম পর্যায়ে পলাশপুর জোন নিয়ন্ত্রিত খেদাছড়া, ডিবিপাড়া, আমবাগান ও ঢাকাইয়াপাড়ার দুই শতাধিক হতদরিদ্র শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।




মাটিরাঙ্গার নতুন ইউএনও বিভীষণ কান্তি দাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা:

পার্বত্য খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে যোগদান করেছেন বিভীষণ কান্তি দাশ। তিনি বৃহস্পতিবার(১৯জানুয়ারি) সকালের দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে মাটিরাঙ্গা উপজেলার সদ্য বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিএম মশিউর রহমানের কাছ থেকে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। দায়িত্বভার গ্রহণের মধ্য দিয়ে বিভীষণ কান্তি দাশ আনুষ্ঠানিকভাবে তার কার্যকাল শুরু করবেন।

মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে যোগদানের আগে তিনি কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভুমি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত ও এক কন্যা সন্তানের জনক। বিভীষণ কান্তি দাস ২৮তম ইউএনও হিসেবে মাটিরাঙ্গার সফল উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিএম মশিউর রহমানের স্থলাভিষিক্ত হবেন।

মাটিরাঙ্গা উপজেলা কৃষি অফিসার মো. শাহ আলম মিয়া, মাটিরাঙ্গা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মীর মো. মোহতাছিম বিল্লাহ, মাটিরাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম তাজু, সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোহাম্মদ আলী, মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাটিরাঙ্গা পৌরসভার মেয়র মো. শামছুল হক, মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রকৌশলী মো. আনোয়ারুল হক, মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সুবাস চাকমা, মাটিরাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আলাউদ্দিন লিটন, মাটিরাঙ্গা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হিরনজয় ত্রিপুরা, মাটিরাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান ভুইয়া ও মাটিরাঙ্গা মডেল হাই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আশরাফ উদ্দিন খোন্দকার ছাড়াও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন বিভাগীয় প্রধান, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে মাটিরাঙ্গার নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিভীষণ কান্তি দাশ-কে উত্তরীয় ও ফুলেল শুভেচ্ছায় বরন করে নেন মাটিরাঙ্গার বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিএম মশিউর রহমান. মাটিরাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান মো: তাজুল ইসলাম তাজু, মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সুবাস চাকমা ও মাটিরাঙ্গা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হিরনজয় ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন বিভাগ ও প্রতিষ্ঠানের প্রধানগন।




মশিউর রহমানের অনুদানে ‘মাটিরাঙা শিক্ষা ট্রাস্ট’র যাত্রা শুরু


নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা :
দেশের প্রথম অ্যাপস হিসেবে ‘মাটিরাঙ্গা উপজেলা অ্যাপস’ তৈরী, দেশের প্রথম ‘উপজেলা ডিজিটাল সেন্টার’ প্রতিষ্ঠা ও মাটিরাঙ্গা ‘স্বাধীনতা সোপন’ নির্মাণের পর বিদায় বেলায় পিছিয়েপড়া পাহাড়ী জনপদ মাটিরাঙ্গায় শিক্ষা বিস্তারে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেলেন পার্বত্য খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গার বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বি.এম মশিউর রহমান।

গরীব, এতিম ও প্রতিবন্ধি অথচ মেধাবী এমন শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে লেখা-পড়ায় উৎসাহিত করার লক্ষ্যকে সামনে রেখে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন ‘মাটিরাঙা শিক্ষা ট্রাস্ট’। বুধবার (১৭ জানুয়ারী) বিকালে নিজের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দিয়ে উপস্থিত সকলকে চমকে দেন মাটিরাঙ্গার বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার।

পদোন্নতি পেয়ে ২০১৫ সালের ১৩ আগস্ট মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে যোগদানের পর থেকে ২০১৮ সালের ১৭ জানুয়ারী পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে অনুষ্ঠিত জেএসসি, জেডিসি, এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষা হতে প্রাপ্ত সম্মানীর ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা অনুদান হিসেবে ‘মাটিরাঙা শিক্ষা ট্রাস্ট’ তহবিলে জমা দেন তিনি। আর বিদায়ী ইউএনও বি.এম মশিউর রহমান‘র অনুদানের মাধ্যমেই আনুষ্ঠানিকভাবে ‘মাটিরাঙা শিক্ষা ট্রাস্ট’ যাত্রা শুরু হলো। সম্প্রতি তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের ইউএনও হিসেবে বদলী করা হয়।

‘মাটিরাঙা শিক্ষা ট্রাস্ট’-কে নিজের সন্তানের সাথে তুলনা করে তিনি বলেন, আমার চলে যাওয়ার সময় আমার সন্তান হিসেবে এ ট্রাস্ট রেখে গেলাম। আমি গর্বিত হবো সেদিন যখন জানতে পারবো আপনারা এ ট্রাস্ট রক্ষা করেছেন। এ ট্রাস্ট গরীব, এতিম ও প্রতিবন্ধী অথচ মেধাবী এমন শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে লেখাপড়ার পথকে সুগম করেছে। ভবিষ্যতেও এ ট্রাস্টের উন্নয়নে ভুমিকা রাখার কথা বলেন তিনি।

এসময় মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও মাটিরাঙ্গা পৌরসভার মেয়র মো. শামছুল হক, মাটিরাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম তাজু, সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোহাম্মদ আলী ও মাটিরাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ মো. জাকির হোসন, মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রকৌশলী মো. আনোয়ারুল হক ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মীর মো. মোহতাসিম বিল্লাহ ছাড়াও বিভাগীয় প্রধান, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে বিদায় বেলায় মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বি.এম মশিউর রহমান এমন উদ্যোগকে অনন্য উল্লেখ করে মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও মাটিরাঙ্গা পৌরসভার মেয়র মো. শামছুল হক বলেন, ‘মাটিরাঙা শিক্ষা ট্রাস্ট’ যতোদিন থাকবে মাটিরাঙ্গার মানুষ বিএম মশিউর রহমানকে ততদিনই শ্রদ্ধার সাথে মনে রাখবে।




মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বিদায় সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা :

মাটিরাঙ্গায় কর্মকালীন সময়ে সহযোগিতার জন্য মাটিরাঙ্গাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মাটিরাঙ্গার বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বি.এম মশিউর রহমান বলেন, বদলীজনিত কারণে আমি মাটিরাঙ্গা থেকে বিদায় নিলেও নিজেকে মাটিরাঙ্গার বাসিন্দা হিসেবেই মাটিরাঙ্গাকে নিজের অন্তরে লালন করব। স্থায়ী বাসিন্দার সনদ পেলেই প্রকৃত বাসিন্দা হওয়া যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পদোন্নতি পেয়ে মাটিরাঙ্গায় যোগদানের পর সকলের সহযোগিতা নিয়েই কাজ করার চেষ্টা করেছেন মন্তব্য করে তিনি বলেন, মাটিরাঙ্গার মানুষের কল্যাণে ভালো কিছু করার চেষ্টা করেছি।

বুধবার (১৭ জানুয়ারি) বিকালে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদ আয়োজিত বিদায়ী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মাটিরাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম তাজু‘র সভাপতিত্বে বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও মাটিরাঙ্গা পৌরসভার মেয়র মো. শামছুল হক। সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোহাম্মদ আলী ও মাটিরাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ মো. জাকির হোসন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রকৌশলী মো. আনোয়ারুল হক, মাটিরাঙ্গা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মো. মনছুর আলী, মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সুবাস চাকমা, বড়নাল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আলী আকবর, মাটিরাঙ্গা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হিরনজয় ত্রিপুরা, মাটিরাঙ্গা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এমএম জাহাঙ্গীর আলম, মাটিরাঙ্গা পৌরসভার কাউন্সিলর মোহাম্মদ আলী ও মাটিরাঙ্গা মডেল হাই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আশরাফ উদ্দিন খোন্দকার প্রমুখ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। মাটিরাঙ্গা উপজেলা কৃষি অফিসার মো. শাহ আলম মিয়া অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও মাটিরাঙ্গা পৌরসভার মেয়র মো. শামছুল হক মাটিরাঙ্গার বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বি.এম মশিউর রহমানের কর্মকালীন সময়ের প্রশংসা করে বলেন, তিনি মাটিরাঙ্গাকে বদলে দিয়েছেন। আমাদেরকে বদলে যেতে শিখিয়েছেন। সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে তার কর্মতৎপরতার ভুয়সী প্রশংসা করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ১৩ আগস্ট মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হিসেবে যোগদান করেন বি.এম মশিউর রহমান। সম্প্রতি তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের ইউএনও হিসেবে বদলী করা হয়।

বি.এম মশিউর রহমান মাটিরাঙ্গায় যোগদানের পর দেশের প্রথম অ্যাপস হিসেবে ‘মাটিরাঙ্গা উপজেলা অ্যাপস’ তৈরী করে সারাদেশে আলোচিত হন। এর পরই তিনি মাটিরাঙ্গায় প্রতিষ্ঠা করেন দেশের প্রথম পুর্নাঙ্গ উপজেলা ডিজিটাল সেন্টার। এছাড়াও তিনি মাটিরাঙ্গায় চালু করেন ‘বঙ্গবন্ধু টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট’ ও ‘মাটিরাঙ্গা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নাামেন্ট’। স্বাধীনতার ৪৬ বছর পর মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরনে মাটিরাঙ্গায় নির্মাণ করেন ‘স্বাধীনতা সোপান’। সর্বশেষ বিদায় বেলা নিজের বিভিন্ন সম্মানী হতে প্রাপ্ত ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা অনুদান দিয়ে গরীব, এতি ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পথকে সুগম করতে প্রতিষ্ঠা করেন ‘মাটিরাঙ্গা শিক্ষা ট্রাস্ট’। যা তার বিদায় সংবর্দনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে চমকে দেয়।

অনুষ্ঠানে মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদ, মাটিরাঙ্গা পৌরসভা, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বি.এম মশিউর রহমান‘র হাতে ক্রেস্ট ও শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেয়া হয়।




মাটিরাঙ্গায় ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা:

পার্বত্য খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় ইয়াবাসহ দুই যুবককে আটক করেছে নিরাপত্তাবাহিনী। মঙ্গলবার(১৬জানুয়ারি) বিকাল সোয়া ৫টার দিকে তাদেরকে মাটিরাঙ্গা পৌরসভাধীন মুসলিমপাড়া এলাকা থেকে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ১‘শ ২৩ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা।

আটককৃতরা হলো, মাটিরাঙ্গা পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের আশরাফ চৌধুরীর ছেলে দ্বীন ইসলাম (২২) ও মাটিরাঙ্গার মিস্ত্রিপাড়ার মো. ইসহাক মিয়ার ছেলে জুবায়েদ বিন ইসহাক শান্ত (২১)।

যুবকদ্বয় পাশের উপজেলা গুইমারা থেকে ইয়াবা ক্রয় করে বিক্রি করার উদ্দেশ্যে মাটিরাঙ্গায় নিয়ে আসছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে মাটিরাঙ্গা নিরাপত্তা জোনের নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা এ দুই যুবককে আটক করে। এসময় তাদের সাথে থাকা ১‘শ ২৩ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা। আটক যুবকদ্বয় দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা সেবনসহ ব্যবসার সাথে জড়িত বলে নিরাপত্তাবাহিনীর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে দ্বীন ইসলাম ও জুবায়েদ বিন ইসহাক শান্ত।

আটককৃতদের মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে মাটিরাঙ্গা নিরাপত্তা জোন সূত্র নিশ্চিত করেছে।




ফুটবলের মাধ্যমে বিভেদ নয়, ঐক্য গড়ে তুলতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা:

শীতের বিকালে ফুটবলের মাঠে খেলোয়াড়রা উষ্ণতা ছড়িয়েছে এমন মন্তব্য করে গুইমারা রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ কামরুজ্জামান এনডিসি, পিএসসি-জি বলেন, ফুটবলের মাধ্যমে পাহাড়ের সাম্প্রদায়িক-সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে হবে। বর্তমান সময়ে খেলাধুলা হারিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যে বয়সে মাঠে থাকার কথা সে বয়সে তারা মোবাইল হাতে বিভিন্ন গেমস খেলছে। যুব সমাজকে খেলাধুলার মাঠে ফিরিয়ে নিতে হবে। তবেই জাতিকে কিছু দেয়া সম্ভব হবে।

মঙ্গলবার বিকালে মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত ‘মাটিরাঙ্গা গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে’র ফাইনলাল খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের মধ্যে ট্রফি ও প্রাইজমানি তুলে দেয়ার আগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে মাটিরাঙ্গা জোন অধিনায়ক লে. কর্ণেল কাজী মো. শামশের উদ্দিন পিএসসি-জি, মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিএম মশিউর রহমান এবং মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাটিরাঙ্গা পৌরসভার মেয়র মো. শামছুল হক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

খেলার মাঠে চাকমা, মারমা, বাঙ্গালী বা ত্রিপুরা নয় আমরা সবাই খেলোয়াড়। ফুটবলের মাধ্যমে বিভেদ নয়, ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। ফুটবলকে এগিয়ে নিতে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। সম্প্রদায়ে-সম্প্রদায়ে ভাগ না করলে জাতি হিসেবে, মানুষ হিসেবে আমরা আলোকিত হবো বলেও মন্তব্য করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ কামরুজ্জামান এনডিসি, পিএসসি-জি। এসময় তিনি খুব শীঘ্রই মাটিরাঙ্গায় জোন কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনেরও ইঙ্গিত দেন।

এসময় মাটিরাঙ্গা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোহাম্মদ আলী, মাটিরাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ মো. জাকির হোসেন, মাটিরাঙ্গা উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ মো. আশরাফ উদ্দিন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাজ কুমার শীল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সুভাস চাকমা, মাটিরাঙ্গা সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হিরনজয় ত্রিপুরা, বড়নাল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আলী আকবর, গোমতি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. ফারুক হোসেন লিটনসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

টুর্নামেন্টের উত্তেজনাপুর্ণ খেলায় বড়নাল ইউনিয়নকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে গোমতি ইউনিয়ন একাদশ। টুর্নামেন্টে এককভাবে ৪টি গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা নির্বাচিত হয়েছে চ্যাম্পিয়ন গোমতি ইউনিয়নের খোলোয়ার জনি। সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছে চ্যাম্পিয়ন গোমতি ইউনিয়ন’র ফরোয়ার্ড মো. আবদুস ছাত্তার।

মাটিরাঙ্গা মডেল হাই স্কুল মাঠে হাজার হাজার ফুটবল প্রেমী দর্শকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ ফাইনাল খেলায় প্রথমার্ধে কোন দলই গোলের মুখ দেখেনি। খেলার দ্বিতীয়ার্ধের দুই মিনিটের মাথায় প্রথম গোল করে গোমতি ইউনিয়ন একাদশের সাফায়েত। এর তিন মিনিটের মাথায় জনি দ্বিতীয় গোলটি করে দলের বিজয় নিশ্চিত করে। এরপরপরই মাঠে একক আধিপত্য গড়ে তোলে গোমতি ইউনিয়ন একাদশ। দ্বিতীয়ার্ধের ৪০ মিনিটে একের পর এক গোল বড়নালের জালে পাঠিয়ে গোল উৎসব করে গোমতি ইউনিয়ন একাদশ। উত্তেজনাপুর্ণ এ খেলায় ৬-০ গোলে বড়নাল ইউনিয়ন একাদশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে উপজেলার ফুটবলের চারনভূমি গোমতি ইউনিয়ন একাদশ।

প্রসঙ্গত, মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিএম মশিউর রহমান’র উদ্যোগে মাটিরাঙ্গার সাতটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার আটটি দলের অংশগ্রহণে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয় ‘মাটিরাঙ্গা গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’। খাগড়াছড়ির সংষদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এ টুর্নামেন্টের উদ্বাধন করেন।




মাটিরাঙ্গায় বন্ধু জুনিয়রের কম্বল বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা :

সারাদেশের ন্যায় পাহাড়ের কোনায় কোনায় জেঁকে বসেছে শীত। হত-দরিদ্র শীতার্ত মানুষের কষ্টের যেন শেষ নেই। হাড় কাঁপানো শীতে যুবুথুবু এসকল শীতার্ত মানুষের প্রতি মানবিক সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে মাটিরাঙ্গার সামাজিক সংগঠন বন্ধু জুনিয়র। শতাধিক শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করে সংগঠনটি।

সোমবার (১৫ জানুয়ারি) বিকালের দিকে বন্ধু জুনিয়রের আয়োজনে অসহায় ও দু:স্থ শীতার্ত মানুষের গায়ে পরম মমতায় উষ্ণতার কম্বল জড়িয়ে দেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিএম মশিউর রহমান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মাটিরাঙ্গার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ আলী, মাটিরাঙ্গা পৌরসভার কাউন্সিলর মোহাম্মদ আলী, মাটিরাঙ্গা পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. শহীদুল ইসলাম সোহাগ, মাটিরাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান ভুইয়া ও সামাজিক সংগঠন বন্ধু জুনিয়রের প্রতিষ্ঠা মামুন অর রশীদ মামুন প্রমুখ।

মাটিরাঙ্গার সামাজিক সংগঠন বন্ধু জুনিয়রের এমন উদ্যোগের প্রশংসা করে মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিএম মশিউর রহমান বলেন, প্রচণ্ড এ শীতে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। বন্ধু জুনিয়রের মতো সমাজের বিত্তবানদেরও এমন মানবিক কাজে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শীতার্ত মানুষ পেতে পারে উষ্ণতার ছোঁয়া।




মাটিরাঙ্গায় সাহাব উদ্দিন স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা :

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় শুরু হয়েছে সাহাব উদ্দিন স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। নতুন পাড়া ছাত্র সমাজের আয়োজনে সোমবার (১৫ জানুয়ারি) বিকাল সোয়া তিনটার দিকে নতুনপাড়া মাঠে এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিএম মশিউর রহমান।

মাটিরাঙ্গা পৌরসভার কাউন্সিলর মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মাটিরাঙ্গার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ আলী, মাটিরাঙ্গা পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. শহীদুল ইসলাম সোহাগ ও মাটিরাঙ্গা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান ভুইয়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

ক্রীড়া চর্চার মাধ্যমে সাহাব উদ্দিনের স্মৃতিকে মনে রাখার জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন কালে মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিএম মশিউর রহমান বলেন, ক্রীড়ামোদী মো. সাহাব উদ্দিন অসময়ে আমাদের ছেড়ে চলে গেছে। তার এ চলে যাওয়া মাটিরাঙ্গার ক্রীড়া ক্ষেত্রে অপুরনীয় ক্ষতি হয়েছে। সদা হাস্যোজ্জ্বল সাহাব উদ্দিন সবসময়ই আমাদের অন্তরে জেগে থাকবে।

মাটিরাঙ্গার নতুন পাড়া ছাত্র সমাজের আয়োজনে টুর্নামেন্টে ১০টি দল অংশগ্রহণ করেছে বলে আয়োজক সংগঠন সূত্রে জানা গেছে।




অবৈধভাবে কাঠ পোড়ানোর দায়ে মাটিরাঙ্গায় ইটভাটায় জরিমানা


নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা:

পার্বত্য খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় অবৈধভাবে কাঠ পোড়ানোর দায়ে এক ইটভাটা মালিকের পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

শনিবার বিকালের দিকে মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিএম মশিউর রহমান এ আদালত পরিচালনা করেন।

মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিএম মশিউর রহমান জানান, মাটিরাঙ্গার বটতলীতে জাকির হোসেন কোম্পানির মালিকানাধীন ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

অভিযান পরিচালনাকালে ওই ইটভাটায় অবৈধভাবে কাঠ পোড়ানোর অপরাধে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০১৩ এর ১৬ ধারায় পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য গত ১০ জানুয়ারি পরিচালিত এক অভিযানে কাঠ পোড়ানোর দায়ে জসিম উদ্দিন মজুমদারের মালিকানাধীন ইট ভাটায় কাঠ পোড়ানোর দায়ে পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা করেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার।




হুমকি-ধমকি আর ভয় দেখিয়ে পাহাড়ে চাঁদাবাজির দিন শেষ: কংজরী চৌধুরী


নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা :

শান্তিপ্রিয় জনতা ক্ষেপে গেলে চাঁদাবাজরা পালাবারও পথ পাবে না মন্তব্য করে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী বলেছেন, হুমকি-ধমকি আর ভয় দেখিয়ে পাহাড়ে চাঁদাবাজির দিন শেষ। পার্বত্য শান্তিচুক্তির মাধ্যমে শেখ হাসিনা পাহাড়ের ভ্রাতৃঘাতি সংঘাতই বন্ধ করেননি, পাহাড়ের প্রতিটি জনপদের উন্নয়নও নিশ্চিত করেছেন। দেশের প্রতিটি উপজেলায় মডেল মসজিদ নির্মাণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন- এমন মন্তব্য করে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী বলেন, এ মসজিদ নির্মাণের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বিএনপি-জামায়াতের বক্তব্য মিথ্যা প্রমাণিত হবে।

শনিবার সন্ধ্যায় খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় তিন দিনব্যাপী উন্নয়ন মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও মেলা উদযাপন কমিটির আহবায়ক বিএম মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাটিরাঙ্গার সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোহাম্মদ আলী, মাটিরাঙ্গা পৌরসভার মেয়র মো. শামছুল হক ও মাটিরাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ মো. জাকির হোসেন।

মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সুবাস চাকমা, মাটিরাঙ্গা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান ভুইয়া ও মাটিরাঙ্গা পৌরসভার কাউন্সিলর মোহাম্মদ আলী প্রমুখ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রকৌশলী ও মেলা উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব মো. আনোয়ারুল হক স্বাগত বক্তব্য দেন।

বিএনপি পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি নিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করেছিল মন্তব্য করে তিনি বলেন, পাহাড়ের শান্তি দেখে আজ তারা নির্বাক। সরকারের উন্নয়নের প্রসঙ্গ টেনে পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী বলেন, তারা জেগে জেগে ঘুমান বলেই সরকারের উন্নয়ন দেখছে না। আর যারা দেখছে তারা লজ্জায় বলতে পারছেন না। আন্দোলনের ইস্যু হারিয়ে বিএনপির রাজনীতি এখন গৃহবন্দি উল্লেখ করে তিনি বিএনপির নেতাকর্মীদের জনগনের কাতারে এসে দাঁড়ানোর আহবান জানান।

উন্নয়ন মেলা উপলক্ষ্যে আয়োজিত ক্যুইজ, রচনা, চিত্রাঙ্গন ও বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরন করেন পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী। এরপরপরই মেলায় অংশগ্রহণকারী স্টলের মাঝে ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করেন।

সবশেষে উন্নয়ন মেলা মঞ্চে সঙ্গীত পরিবেশন করে  চট্টগ্রাম থেকে আসা জনপ্রিয় শীল্পিরা।