মহেশখালীতে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারূদসহ আটক ৩

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার:

কক্সবাজারের মহেশখালীতে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারূদসহ ৩জন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটলিয়ন (র‌্যাব-৭) এর সদস্যরা। বুধবার ভোররাত সাড়ে ৪টার দিকে মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর এলাকায় অভিযান চালায় র‌্যাব। এসময় ১৩টি ওয়ান শুটারগান, ১২ বোর শর্ট গানের গুলি, ২২টি ৫.৫ মিমি/২২ গুলি ৪০৮টি এবং নগদ ২৩ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের ফকিরখালী এলাকার নুর আহমদের ছেলে মো. হাবিবুর রহমান (৩২), বালিয়াছড়ি এলাকার মৃত নুরুল আবছারের ছেলে মো. নাসির উদ্দিন (৩০) ও নলবিল এলাকার আজিজুল হকের ছেলে শহিদুল ইসলাম (২৪) কে আটক করা হয়।

কক্সবাজার র‌্যাব-৭, সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মো. রুহুল আমিন সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মহেশখালী উপজেলায় কিছু সংখ্যক অস্ত্র ব্যবসায়ী আগ্নেয়াস্ত্র ক্রয় বিক্রয় করছে, এমন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব সদস্যরা অভিযান চালান। এসময় স্থানীয় এনামুল হকের বসতবাড়ির পূর্বদিকের দোচালা গোয়ালঘরের ভিতরে খড়কুটার থেকে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।




মহেশখালীর নিখোঁজ ৫৩ জেলের সন্ধান মেলেনি ১৮দিনেও

 

মহেশখালী প্রতিনিধি:

৩০ মে মোরা’র কবলে পড়ে মহেশখালীর ৫ফিশিং ট্রলারের ৫৩জন নিখোঁজ জেলের ১৮দিন পরেও সন্ধান মিলেনি। জেলে পল্লী হিসাবে একই গ্রাম থেকে ৪৩জন ও অন্যান্য গ্রাম থেকে ১০জন জেলে পরিবারের কান্না থামছে না।

অপর দিকে অসহায়, গৃহহীন জেলেদের আর্তনাদ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। রমজানের এ দিনে হঠাৎ করে সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে একই পরিবারে ২ ভাই, দাদা, নানা-নাতি, বাবা-ছেলে, মামা-ভাগিনা, চাচা-ভাইপো, জামাই-শশুর মিলে উপজেলার মহেশখালী পৌরসভার পুটিবিলা গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর পুত্র আব্দু শুক্কুর এর মালিকানাধীন এফবি সায়েদ, এফবি ওয়ালিদ-০১, এফবি ওয়ালিদ-০২, মোশরাফ আলী পাড়া গ্রামের মৃত আছদ আলীর পুত্র নুরুল আলম প্রকাশ বাশি মাঝির এফবি গাউছিয়া-০১, ছোট মহেশখালীর আহমদিয়া, কাটার হাবিল বহদ্দারের পুত্র নুরুল কাদেরের মালিকানাধীন এফবি গাউছিয়া-০২, দাসিমাঝি পাড়া গ্রামের মৃত সাধন আলীর পুত্র জামাল হোসেন এর মালিকানাধীন এফবি রেজা খান নামে ৬টি ফিশিং ট্রলার ১৪৬জন মাঝি মাল্লা নিয়ে ২৭ মে সাগরে মাছ আহরণ করতে যায়।

২৯ মে ভোর থেকে প্রাকৃতিক ঘূর্নিঝড় মোরা’র আবহাওয়া সতর্ক সংকেত শুরু হলে সংবাদের সাথে সাথে ট্রলারের কাজে ব্যবহৃত জাল, গোছা, লোয়াইং, কন্টিনার ভর্তি করে কুলে ফিরে আসার প্রস্তুতি গ্রহণ করে। এমন সময় বঙ্গোপসাগরে অদূরে গুলিধার নামক স্থানে বিভিন্ন পয়েন্টে ফিরে আসা ট্রলারগুলি প্রাকৃতিক ঘুর্ণিঝড় মোরার ১০নং মহাবিপদ এর কবলে পড়ে ৩০ মে ভোর রাতে ৬টি ফিশিং বোট এর মধ্যে ৫টি ফিশিং বোট মাঝিমাল্লা সহ সাগরে ডুবে যায়।

৬টি ট্রলারের ১৪৬জন জেলের মধ্যে থেকে একাধিক পয়েন্টে  নৌ-বাহিনী, ভারতের ত্রাণবাহী নৌ জাহাজ সুমিত্রা ও সোনাদিয়া চ্যানেলে বিভিন্ন দফায় ৯২জন জেলে উদ্ধার হয়। নুরুল কাদের এর ও জামাল হোসেন এর ২৮জন করে মাঝি মাল্লাহ ফেরৎ আসলেও ২টি ট্রলারে ২জন এবং নিখোঁজ আর ৪টি ট্রলারে ৫১জন সহ মোট ৫৩জন জেলে নিখোঁজ রয়েছে।

৫টি ট্রলারের মধ্যে থেকে ২জন জেলেকে মহেশখালীতে দাফন করা সম্ভব হলেও এখনো পর্যন্ত আরো ৫৩জন জেলে সাগরে নিখোঁজ রয়েছে। নিখোঁজ জেলেদের মধ্যে ৪৩জনই শুধুমাত্র পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের পুটিবিলা গ্রামের বাসিন্দা। অন্যন্যরা পার্শ্ববর্তী ওয়ার্ড ও ইউনিয়নের অধিবাসী। অনেকের পরিবার একই সাথে ৩জন, ২জন, আপন ভাই, বাবা-ছেলে, নানা-নাতী, শালা-দুলাভাই সম্পর্কের। এরাই পরিবারে উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিল। তাদের আয় রোজগারে সংসারে ভরণ-পোষন চলত। পরিবারের কর্তা হিসাবে সাগরে নিখোঁজ হওয়ায় তাদের পরিবারে বুক ফাটা আর্তনাদ, খাদ্য, চিকিৎসা, বস্ত্র ও বাসস্থানের চরম অভাবের মধ্যে জীবন যাপন করছে। পবিত্র রমজান মাসে সেহেরী ও ইফতারে আহারের সংকট দেখা দিয়েছে। ভোর হলেই তাকিয়ে থাকে সাগরের পাড়ে যে ভেসে আসে প্রিয় জনের জীবিত বা মৃতদেহ।

সাগরে নিখোঁজ জেলেরা হলেন পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের কলেজ পাড়ার মৃত মো. আলীর পুত্র ফরিদুল আলম তার ভাই আমান উল্লাহ মাঝি, ফুপাত ভাই কবির আহাম্মদের পুত্র মিজানুর রহমান, দাসিমাঝি পাড়ার অলি আহাম্মদ এর পুত্র আমান উল্লাহ তার ভাই শহীদুল্লাহ, চাচতো ভাই মনির আহাম্মদের পুত্র আরাফাত, মৃত মনিরুল হকের পুত্র নজরুল ইসলাম, বদিউল আলমের পুত্র এহছান উল্লাহ, মৃত ইসহাক মিয়ার পুত্র মীর কাশেম মেইঠ্যা, আনচার ড্রাইভার্ ২পুত্র সারজান ও মনিরুল হক মলই,  মৃত ওহাব মিয়ার পুত্র আলতাজ মিয়া তার নাতী পীর মোহাম্মদের পুত্র আব্দুল করিম, মৃত উম্মত আলীর পুত্র খলিল আহাম্মদ, মৃত মকবুল আহাম্মদের পুত্র মোক্তার আহাম্মদ, রাহামত উল্লাহর পুত্র লোকমান, মোবারক আলী পাড়ার হোছন আহাম্মদের পুত্র সোহেল, বদি আলম-মনু মাঝির পুত্র এমরান, মৃত আবু তাহের এর পুত্র আমানুল করিম, মোশারফ আলী পাড়ার মোজাম্মেল হকের পুত্র জাবের, মৃত আমির হোসেন এর পুত্র কবির আহাম্মদ মাঝি তার পুত্র মামুন, হেদায়তুর রহমানের পুত্র মোহাম্মদ জহির, আবুল শামার পুত্র আবু ছিদ্দিক, মৃত বদিউল আলম এ পুত্র এবাদুল করিম, মৃত মকবুল আহাম্মদের পুত্র গফুর বাবুর্চি, তার পুত্র মনিরুল্লাহ মনি, পূর্ব খোন্দকার পাড়ার আব্দুর রহমানের পুত্র ইছাহাক মিয়া, আবুল কন্টাকটরের পুত্র মোস্থাক আহাম্মদের চুইণ্যা, মখলেছুর রহমান পাড়ার মৃত রৌশন আলীর পুত্র আনচার ড্রাইভার, ২নং ওয়ার্ডের মহুরীর ডেইল গ্রামের কাছিম আলীর পুত্র গোলাম হোসেন, ৫নং ওয়ার্ডের মৃত হাবীবুর রহমানের পুত্র মো. হোছেন কালইয়া মাঝি, ঘোনা পাড়ার ওসমান মাঝির পুত্র বেলাল হোসেন, বেলাল হোসেন এর পুত্র নূর মোহাম্মদ, নুরুল হাকের পুত্র শাহাব উদ্দিন, দক্ষিণ ঘোনা পাড়ার মৃত আব্দু ছত্তার এর পুত্র নেছার মাঝি, ফরিদুল আলমের পুত্র আবু হামিদ, ৯নং ওয়ার্ডের গোরকঘাটা চর পাড়ার মৃত মকবুল আহাম্মদের পুত্র আজাদ ড্রাইভার, আবুল কাশেম এর পুত্র শামসুল আলম, আমির হোসেন এর পুত্র, ছৈয়দ উল্লাহ, আব্দুছালামের পুত্র জাবেদ উল্লাহ, সুলতান আহাম্মদের পুত্র ফজল করিম, মমতাজ বাবুর্চি, ছোট মহেশখালীর মুদির ছড়া গ্রামের শামসুল আলম এর পুত্র ইয়াছিন, ডেইল পাড়া গ্রামের মৃত ঈসমাইলে পুত্র নুরুল হোসেন, আহাম্মদিয়া কাটা গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের পুত্র মো. হোছন মাঝি, সিপাহীর পাড়া গ্রামের মৃত আবদু শুক্কুরের পুত্র শাহাব মিয়া, বড় মহেশখালী জাগিরা ঘোনা গ্রামের বাশি মাঝির পুত্র্র খাইরুল আমিন, মুন্সির ডেইল গ্রামের মকবুল আহাম্মদের পুত্র আব্দুল মোতালেব, কুতুবজোম মেহেরিয়া পাড়া গ্রামের নুরুল আমিন এর পুত্র নুরুল আবছার।

এ ব্যাপারে, মহেশখালী কুতুবদিয়ার সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক জানায়, সরকারের তরফ থেকে নিখোঁজ জেলেদের পরিবারকে পূর্নবাসন করতে বিশেষ প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। নিঁখোজ জেলেদের সন্তানগণের লেখা পড়া দায়িত্ব তিনি ব্যক্তিগত তহবিল থেকে চালিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেন।

মহেশখালীর ইউএনও আবুল কালাম জানান, নিখোঁজ জেলেদের মধ্যে গৃহহীনদের একটি করে বাড়ি তৈরি করে দিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ে তালিকা প্রেরণ করা হয়েছে সাথে সাথে সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও এনজিওদের কে সহায়তার আহ্বান জানান।




মহেশখালীর ৪৫ জেলের কোন হদিস নেই

18944955_725885267614074_1258793680_n

মহেশখালী প্রতিনিধি:

২৯ মে প্রাকৃতিক দূর্যোগ ‘মোরা’র কবলে পড়ে বঙ্গোপসাগরে মহেশখালীর পুটিবিলা এলাকার ৪টি ট্রলার ডুবির ঘটনায় এখনো ৪৫জন জেলের কোন হদিস নেই। নিখোঁজের সংখ্যায় পুটিবিলা এলাকার ৪৫জন জেলে এখনো মৃত বা জীবিত উদ্ধার হয়নি। পুটিবিলা এলাকা যেন বিধবা পল্লীতে পরিনত হয়েছে।

একই পরিবারে পিতার সাথে পুত্র, নানার সাথে নাতি, মামার সাথে ভাগিনা, ভাইয়ের সাথে ভাই, শশুরের সাথে জামাই সহ একই পরিবারে ৩/৪ জন করে জেলে নিখোঁজ রয়েছে। ২৪/২৫ মে এর দিকে পুটিবিলা এলাকার মরহুম মোহাম্মদ আলী পুত্র স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর আব্দু শুক্কুর এর মালিকানাধীন এফবি সায়েদ ,এফবি ওয়ালিদ-১, এফবি ওয়ালিদ-২, ও একই এলাকার হাজ্বী মোশারফ আলী পাড়া গ্রামের নুরুল আলম প্রকাশ বাঁশি মাঝির মালিকানাধীন এফবি গাউছিয়া
নামক ৪টি ফিশিং ট্রলার প্রায় ৮২জন মাঝি মাল্লা নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে যায়।

২৯ মে প্রাকৃতিক ঘুর্ণিঝড় ‘মোরা’র সিগন্যালের পর অসতর্কতার কারণে ৩০ মে ভোর রাতে ‘মোরা’র কবলে পড়ে ৪টি ফিশিং ট্রলার সাগরে ডুবে যায়।

এ সময় ৪টি ফিশিং ট্রলারে থাকা ৮২জর মাঝিমাল্লা সাগরে ভাসমান অবস্থা থেকে ১জুন ভারত থেকে বাংলাদেশে ত্রাণবাহী নৌ-জাহাজ সুমিত্রা ৩৩জন জেলেকে সাগর থেকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করে।

পরে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করে। উদ্ধার করা ৩৩জনের মধ্যে আবু ছিদ্দিক নামে ১ জেলে মৃত্যু বরণ করে।

অপরদিকে টেকনাফের অদুরে বাংলাদেশ নৌ-বাহিনীর সদস্যরা হাবিব উল্লাহ, নিয়ামত উল্লাহ, আবু বক্কর ও আব্দু ছালাম নামের ৪ জেলেকে ২ জুন উদ্ধার করলেও এখনো ৪৫জন জেলে সাগরে নিখোঁজ রয়েছে। নিখোঁজ জেলেদের বিষয়ে মহেশখালী থানায় ১২১০নং/১৭ইং ও ৬২/১৭ নং মূলে পৃথক ২টি নিখোঁজ ডায়রি দায়ের করেছে ট্রলার মালিক।

অনেক নিখোঁজ মাঝি মাল্লার বাড়িঘর বাতাসে ভেঙ্গে গেলেও এখনো প্রশাসন বা স্থানীয় পৌর পরিষদ থেকে কোন ত্রাণ সামগ্রী পায়নি বলে নিখোঁজ জেলে পরিবারের অভিযোগ রয়েছে।

18944621_725885184280749_1497736276_n

১টি গ্রামে ৪৫জন নিখোঁজ হওয়ায় এলাকায় কান্নার রোল পড়ে। থামানো যাচ্ছে না বিধবা ও ছেলে হারা মায়ের আর্তনাদ। নিখোঁজ জেলেরা হলেন পুটিবিলা এলাকার আমানুল করিম, ইয়াছিন, নুরুল হোসেন, খলিল আহাম্মদ, কবির,আহাম্মদ শাহাব মিয়া, গোলাম হোছন, শহিদুল্লাহ, মোক্তার, আরফাত, মো. জহির, মামুন, মমতাজ বাবুর্চি, শুক্কুর, আমান উল্লাহ, ফরিদুলআলম, মিজান, নজরুল ইসলাম, আমান উল্লাহ, এহেচান, মীর কাশেম প্র. মেইট্যা, সার্জান, সোহেল, এমরাম, জাবের, আনছার ড্রইবার,বেলাল সাবাহ উদ্দিন, নুরুল আহমদ, খুশিল্যা, মলই, নুরুল হোছন
, রফিক, কালুয়া মাঝি, আজাদ, শামশুল, এয়াদেত উল্লাহ ,ছৈয়দ উল্লাহ, জাবেদ উল্লাহ, ফজল করিম, শহিদুল্লাহ ,ইছাহাক, জনি, আলতাজ, মোতালেব, আবু হামিদ, খাইরুল আমিন।

এ ব্যাপারে মহেশখালী উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোহাম্মদ আবুল কালাম জনান, নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে কোস্ট গার্ড উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে। স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মেয়র তালিকা প্রদান করলে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অপর দিকে ৪দিন সাগরে ভাসামান অবস্থায় থেকে  উদ্ধার হয়ে আসা জেলেদের অভিযোগ ট্রলার মালিক অতিরিক্ত সময়ে সাগরে মাছ আহরণ করার কারণে দূঘর্টনার শিকার হন তারা। গত ৩মাস পূর্বে মাছ আহরণ করার সময় শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু মহেশখালীর জেলেদের কোন ধরনের হিসাব না করে ট্রলার মালিকরা এক প্রকার জোর করে সাগরে পাঠায় জেলেদেরকে।




যারা দূর্নীতিতে পাঁচবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন, তাদের মুখে দূর্নীতির অভিযোগ হাস্যকর: ওবায়দুল কাদের

 01 (1) copy

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

যারা দূর্নীতিতে পাঁচবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন, সেই বিএনপির মুখে দূর্নীতির অভিযোগ হাস্যকর বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার কক্সবাজারের মহেশখালী দ্বীপের মাতারবাড়িতে ঘূর্নিঝড় মোরায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রান বিতরণকালে এ মন্তব্য করেন।

এসময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব উল আলম হানিফ, আব্দুর রহমান, এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম, মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, ত্রান ও সমাজকল্যান সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলামসহ স্থানীয় সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি ঢাকায় বসে প্রেসব্রিফিংয়ে ফটোসেশন আর মিথ্যাচার করে। কিন্তু জনগণের পাশে দাঁড়ায় না।

তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরিতে কোন প্রকার স্বজনপ্রীতি চলবে না।
যতদিন পর্যন্ত দূর্গতদের পুণর্বাসন না হবে, ততোদিন পর্যন্ত সাহায্য অব্যাহত থাকবে বলেও জানান আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

পরে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রান সামগ্রী বিতরণ করেন।




মহেশখালী শীর্ষ সন্ত্রাসী এনামুল হক নিহত

বন্দুকযুদ্ধ
কক্সবাজার প্রতিনিধি : কক্সবাজারের মহেশখালীতে দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে শীর্ষ সন্ত্রাসী এনামুল হক। তিনি এনাম বাহীনির প্রধান।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে মহেশখালী’র হোয়ানকের পাহাড়ী এলাকায় এ বন্দুক যুদ্ধ হয়। পরে পুলিশ গিয়ে নিহত এনামুল হকের লাশ উদ্ধার করে।

মহেশখালী থানার ওসি প্রদীপ কুমার জানান, দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে বন্দুক যুদ্ধে এনামুল হকের মৃত্যু হয়েছে। তার বিরুদ্ধে হত্যা, অপহরণ ও চোখ উপড়ে ফেলাসহ ৮টি মামলা রয়েছে। নিহতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রাখা হয়েছে।




মহেশখালীতে স্বামীকে স্বর্ণ না দেওয়ায় স্ত্রীকে হত্যা

PPP copy

মহেশখালী প্রতিনিধি:

মহেশখালীতে স্বামীকে স্বর্ণ না দেওয়ায় গর্ভবতী স্ত্রীকে হত্যা করেছে স্বামী। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের জামাল পাড়া গ্রামে। সোমবার রাত ৩টায় স্বামী ও ভাশুর মিলে গর্ভবতী মহিলাকে শারীরিক নির্যাতন করে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার বড় মহেশখালী ফকিরা ঘোনা এলাকার আবু ছৈয়দের মেয়ে তসলিমার সাথে হোয়ানক ইউনিয়নের জামাল পাড়ার আব্দুল খালেকের পুত্র আলী হোসেনের বিয়ে হয় ৪ ভরি স্বর্ণ ও ৪ লাখ টাকার কাবিনে ৭ মাস পূর্বে। স্বামী আলী হোসেন তার বড় ভাই আব্দু শুক্কুরের সাথে লবণ মাঠে কাজ করে। স্বামী আলী হোসেন স্ত্রী তসলিমাকে বিয়ের সময় দেওয়া স্বর্ণ বন্ধক ও বিক্রয় করে টাকা দেওয়ার চাপ দেয়।

স্ত্রী তসলিমা স্বর্ণ দিতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে মারধরের শিকার হয়ে তসলিমা ১২ দিন পূর্বে বাবার বাড়িতে চলে আসে। সোমবার সন্ধ্যায় স্থানীয় সাবেক মেম্বার আব্দুল করিমের জিম্মায় তসলিমাকে বাবার বাড়ি থেকে শ্বশুর বাড়ি নিয়ে যায়।

নিহতের ভাই গোলাম মোস্তফা জানান, রাতে স্বামীর জন্য বাবার বাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়া পোলাও বিরানী খাওয়ার আগে স্ত্রী তসলিমাকে মারধর করতে থাকে নরপশু স্বামী ও ভাশুর আব্দু শুক্কুর সোনামিয়া। মারধর করার সময় ফোন করে তসলিমার বাড়ির লোকজনকে জানায় স্ত্রীকে মারধর করে মোবাইলের মাধ্যমে কান্নার শব্দ শুনায়। তখন বাবার বাড়ি থেকে জিম্মায় নেওয়া আব্দুল করিম মেম্বারকে অবহিত করলে রাতেই মেম্বার করিম তাদের বাড়িতে গিয়ে  মঙ্গলবার সকালে বিচার করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে চলে যায়।

এদিকে রাতেই স্বামী আলী হোসেন ও ভাশুর আব্দু শুক্কুর সোনামিয়া ও ননদ নয়তারা মিলে তসলিমাকে হত্যা করে বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। মঙ্গলবার ভোর ৪টায় জিম্মায় নেওয়া সাবেক মেম্বার আব্দুল করিম মুঠোফোনে তসলিমার  ভাই গোলাম মোস্তফাকে জানায় তসলিমা মারা গেছে।

Untitled-1 copy

কুতুবজোম দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৮ম শ্রেণিতে পড়ুয়া সে  জানায়, তসলিমার বিবাহের ৭ মাসের মাথায় ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা তসলিমা শ্বশুরবাড়ির নির্যাতনের শিকার হয়ে মৃত্যুবরন করে। রাতেই দরজা বন্ধ করে শ্বশুর বাড়ির লোকজন পালিয়ে যায়। সকালে তসলিমাকে হাত-পা বাধা অবস্থা দেখতে পেয়ে মহেশখালী থানা পুলিশকে জানায় ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছার পূর্বেই তসলিমার হাত ও পা বাধন খুলে ফেলে।

সংবাদ পেয়ে মহেশখালী থানার এসআই জহিরুল হক সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে কক্সবাজার মর্গে পাঠায়। এ ব্যাপারে, মহেশখালী থানার ওসি প্রদীপ কুমার জানায়, শ্বশুর বাড়ির লোকজন পূর্বে থেকে সন্ত্রাসী পরিবার। তাদেরকে খুঁজছে পুলিশ। হত্যাসহ সংশ্লিষ্ট আইনে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।




৫ সন্তানের জননী পরকীয়ার টানে লাপাত্তা

chakaria (kalarmarshara) 23-4-17

চকরিয়া প্রতিনিধি :
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার কালামারছড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ঝাপুয়া এলাকার প্রবাসী আবদু শুক্কুর প্রকাশ ভুট্টুর স্ত্রী ৫ সন্তানের জননী হুমাইরা বেগম পরকীয়া প্রেমে আসক্ত হয়ে এলাকা ছেড়ে লাপাত্তা হয়েছেন। এ নিয়ে পরিবারের লোকজন মহেশখালী থানায় সাধারণ ও নিখোজ ডায়েরী রুজু করেছেন ভোক্তভোগী পরিবার।

অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, কালারমার ছড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ঝাপুয়া এলাকায় বিগত ২৮ দিন পূর্বে  হাজ্বী মোহাম্মদ ছৈয়দের কন্যা ৫ কন্যা সন্তান রেখে নগদ টাকা স্বর্ণলংকার ও বিভিন্ন মালামাল নিয়ে পরকীয়া টানে হুমাইরা বেগম তার শ্বশুর বাড়ি এলাকা ছেড়ে লাপাত্তা হয়েছেন। রেখে যাওয়া ৫ নাতি সন্তান নিয়ে হুমাইরার শ্বশুর মো. হারুনুর রশিদ চরম ভাবে দুঃচিন্তায় রয়েছেন।

হুমাইরার স্বামী প্রবাসে থাকার সুবাধে সে শ্বশুর বাড়ির আত্বীয় স্বজন ও লোক চক্ষুর আড়ালে পরকীয় আসক্ত হয়। সে দীর্ঘ ২৮দিন ধরে বাড়ি না ফেরায় তার ৫ কন্যা সন্তান ও পরিবারের মাঝে চরম ভাবে হতশায় দিনাতিপাত করেছেন ভোক্তভোগী পরিবার। সুত্রে জানান, দীর্ঘ দিন ধরে পরকীয়া প্রেমে আসক্ত হওয়ার ফলে হঠাৎ পাচঁ কন্যা শিশু রেখে অন্যজনের হাত ধরে চলে যান হুমাইরা। হুমাইরা রেখে যাওয়া ৫ কন্যা সন্তানেরা হলেন, ৫ম শ্রেণির ছাত্রী নয়ন মনি(১৫), চতুর্থ শ্রেনীর ছাত্রী ছোট মনি (১৩), তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্রী শান্তা মনি( ১০) শিশু শ্রেণীর ছাত্রী সেজুতি (৭) ও এক বছরের কন্যা শিশু জেসমিন।

হুমায়রার শ্বশুর হারুন রশিদ অভিযোগ করে সাংবাদিকদের বলেন, আমার ছেলে প্রবাসে অবস্থান করার সুবাদে পুত্র বধু হুমায়রা পর পুরুষের সাথে পরকিয়ায় জড়িয়ে যায়। বাড়ির অপরাপর লোকজন জানতে পারার কারণে সে তার ৫ শিশু সন্তানকে ফেলে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার সহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে নিরুদ্দেশ হয়ে যায়। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজির পরও তার খোঁজ মেলেনি। এনিয়ে মহেশখালী থানায় পৃথক ২টি বিশেষ ডায়েরী দায়ের করা হয়েছে। তা কেউ খোজ দিতে পারলে ২০ হাজার টাকা পুরস্কার দেবেন বলে জানান।




ডিজিটাল আইল্যান্ড প্রকল্পে বদলে যাচ্ছে মহেশখালী

m copy
মহেশখালী প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীতে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্হা (আইওএম) ও কোরিয়ান টেলিকমের(কে টি) আর্থিক সহযোগিতায় এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের সহযোগিতায় বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে ডিজিটাল গিগা আইল্যান্ড মহেশখালী প্রকল্প৷ ওই প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, এবং ই লার্নিং’র উপর৷

ইতিমধ্যে তারই অংশ হিসেবে মহেশখালী পৌরসভাসহ মোট তিনটি ইউনিয়নকে ডিজিটালাইজ করা হয়েছে৷ তারমধ্যে প্রাইমারি স্কুল, মাদ্রাসা, কমিউনিটি ক্লিনিকসহ সকল সরকারি প্রতিষ্ঠানে স্থাপন করা হয়েছে অত্যাধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্পূর্ণ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কানেকশন৷

ডিজিটাল মহেশখালীর প্রকল্পের আওতায় ই-সেবার মাধ্যমে স্কুল মাদ্রাসা সমূহে ই-লার্নিং ক্লাস সমূহ পরিচালিত হবে৷ সকল কমিউনিটি ক্লিনিক, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ই-সেবার আওতায় অত্যাধুনিক চিকিৎসার সরঞ্জামাদির মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হবে৷ মহেশখালীর জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনগোষ্ঠী হিসেবে গড়ে তুলতে স্থাপন করা হয়েছে ই-লার্নিং ট্রেনিং সেন্টার৷

বিগত ১১ এপ্রিল ওই প্রকল্পের অংশ হিসেবে সেবা স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের জন্য কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আঠারো জন আবাসিক মেডিকেল অফিসারদের তিনদিনের মৌলিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়৷

20170413_153245 copy

গত ১৩ এপ্রিল আঠারো জন প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার, কোরিয়ান টেলিকম ও আইওএমের প্রতিনিধিসহ মোট বিশজনের এক প্রতিনিধি দল মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সকাল নয়টা হতে দুপুর একটা পর্যন্ত বিনামূল্যে ৬০জন গরীব দুস্ত রুগীদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন৷ যে সকল রুগের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয় তারমধ্যে রোগভেধে আল্ট্রাসনোগ্রাফি, ইউরিন টেস্ট, ইসিজি ইত্যাদি৷

ওই চিকিৎসাসেবা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ  আবুল কালাম, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচও সাজ্জাদ হোসাইন চৌধুরী, সহকারি কমিশনার ভূমি বিভীষণ কান্তি দাশ, কেটির টিম ম্যানেজার Hyoun Jun Sang, হেলকেরিঅনের এরিয়া ম্যানেজার Steven Kim, ক্লিনিক্যাল স্পেশালিস্ট Kim Sujin প্রমুখ৷

20170412_154340 copy

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ওই প্রকল্পের ন্যাশনাল প্রোগ্রাম অফিসার রিয়াজুল আলম  মাসুম, প্রজেক্ট এসিসট্যান্ট আব্দুল্লাহিল কাফি৷ চিকিৎসা ক্যাম্প শেষে কক্সবাজারের অভিজাত হোটেলে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ডাক্তারদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়৷

আগামী ২৭ এপ্রিল ডিজিটাল গিগা আইল্যান্ড মহেশখালী প্রকল্পটি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, তথ্য  যোগাযোগ ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক এমপি৷

ওই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে পুরো মহেশখালীর চিত্র পাল্টে যাবে বলেও স্থানীয় জনসাধারণ অভিমত ব্যক্ত করেন৷




মহেশখালীতে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উদযাপিত

17-4-17 copy

মহেশখালী প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলায় ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত হয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টার সময় উপজেলার নিবার্হী অফিসার মোহাম্মদ আবুল কালাম’র সভাপতিত্বে র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। ‌র‌্যালিটি উপজেলা চত্ত্বর থেকে শুরু হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা প্রাঙ্গনে এসে মিলিত হয়। এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

এতে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এম আজিজুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার পাশা চৌধুরী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামশুল আলম, মহেশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষক গিয়াস উদ্দীন, মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দীন চৌধুরী, আদিনাথ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিঠুন ভট্রাচার্য্য, মহেশখালী ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক এহেছানুল করিম, মহেশখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি হারুনর রশিদ।

‌র‌্যালি ও আলোচনা সভায় মহেশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। ওই অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন, মহেশখালী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবুল বশর পারভেজ। ওই অনুষ্ঠানের সভাপতি মহেশখালী উপজেলার নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবুল কালাম  ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন।




হোয়ানকে হামলার শিকার যুবক

IMG_20170403_150046 copy

মহেশখালী প্রতিনিধি:

মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক কেরুনতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে দিন দুপুরে হামলার শিকার হয়েছে উত্তম কুমার নামের এক যুবক।

হামলার শিকার উত্তম কুমার বলেন, ২১ মার্চ আমার বাবা মারা যান, এ উপলক্ষে শেষকৃত্য অনুষ্ঠানের দাওয়াত দেয়ার জন্য সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় কেরুনতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গেলে স্থানীয় লোকমানের ছেলে আনিছুর রহমান, আব্দুল আজিজ প্রকাশ সান্টুসহ কয়েকজন লাঠিয়াল বাহিনী আমার উপর প্রকাশ্যে দিবালোকে মারধর শুরু করে, আমি কিছু বুঝে উঠার আগে এলোপাতাড়ি মারপিট করে টাকা, মোবাইলসহ মুল্যবান জিনিস পত্র ছিনিয়ে নেয় এবং আমার পরনের কাপড়চোপড় টানাহেছড়া করে নষ্ট করে দেয়।

এদিকে স্থানীয়রা জানান, কেরুনতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী নিয়োগের বিষয় নিয়ে উভয় জনের সাথে বিরোধ চলে আসছিল। আনিছুর রহমান ও উত্তম কুমার উভয়ে স্কুলের দপ্তরী পদে নিয়োগের জন্য প্রধান শিক্ষক ও স্কুল সভাপতির বরাবর সুপারিশ করেছে।

এব্যাপারে উত্তম কুমার বাদী হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে বলেও জানান।