মহেশখালীতে অস্ত্রের কারখানার সন্ধান, অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আটক ২

fb_img_1483576410761-copy

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কক্সবাজারের মহেশখালীতে অস্ত্রের কারখানার সন্ধান পেয়েছে‌ র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৭)। বুধবার সকালে মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়ার আঁধারঘোনা পাহাড়ি এলাকায় এ কারখানার সন্ধান পায় র‌্যাব-৭। এখন পর্যন্ত র‌্যাব অভিযান চালিয়ে ১৫টির বেশি অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলো, ওই গ্রামের মৃত আজম উল্লাহ’র ছেলে মো. আব্দুল মাবুদ(৪০) ও ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের কবির আহমদের ছেলে মো. আবু তাহের (৪২)। কক্সবাজারস্থ র‌্যাব-৭ এর কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আশেকুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহেশখালীর কালারমারছড়ায় অভিযান চালানো হয়। এসময় একটি অস্ত্রের কারখানার সন্ধান পাওয়া গেলে ওখানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়। তবে এখনো অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আর বিস্তারিত কক্সবাজারস্থ র‌্যাব-৭ এর কার্যালয়ে বিকাল ৫টায় প্রেসব্রিফিং করা হবে বলেও জানান র‌্যাবের এ কর্মকর্তা।

অপরদিকে মহেশখালী থানার ওসি বাবুল চন্দ্র বণিক জানান, মহেশখালীর সোনাদিয়া ও কালারমারছড়ায় র‌্যাব এবং পুলিশের যৌথ অভিযান চলছে। সন্ত্রাসী ও অস্ত্র উদ্ধারে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।




আলোকিত সমাজ নির্মাণে ভূমিকা রাখবে পুটিবিলা প্রিজম হাইস্কুল

untitled-1-copy

মহেশখালী প্রতিনিধি:

  মহেশখালীর দক্ষিণ পুটিবিলা প্রিজম হাইস্কুলে নতুন বছরের বই উৎসবে প্রধান অতিথি মহেশখালী কুতুবদিয়ার সাংসদ সদস্য আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক এমপি বলেছে, শিক্ষা অনগ্রসর এলাকার স্কুলটি ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে ক্লাস চালু করেছে। এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। সময়ের সাথে সাথে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে অবশ্যই শিক্ষাকে জীবনের প্রথম কাজ হিসাবে গ্রহণ করতে হবে মা বাবাকে। মহেশখালী শিক্ষার ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়া আজকের এস্কুলটি থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা  আগামী দিনে সু-নাগরিক তৈরী হয়ে আলোকিত সমাজ নির্মাণে ভূমিকা রাখবে। একদিন একটি বই নিয়ে গড়ে তোলা পরিত্যাক্ত ভবনের স্কুলটি মহেশখালীর আলোচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিনত হবে।
দক্ষিণ পুটিবিলা প্রিজম হাইস্কুল (প্রাথমিক ও নিন্ম-মাধ্যমিক শাখা) এর নতুন বই বিতরন উৎসব ২০১৭ বৃহত্তর  গোরকঘাটার সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শামসুল আলম চেয়ারম্যান’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। বিতরণ উৎসব এ বিশেষ অতিথি ছিলেন মহেশখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি)বাবু বিভীষণ কান্তি দাশ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ফজলুল করিম জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ডা. নুরুল আমিন মহেশখালী পৌরসভার কাউন্সিলর আব্দুশুক্কুর,মহেশখালী কলেজ’র অধ্যাপক আশিষ কুমার চক্রবর্তী, প্রভাষক মোস্তফা কামাল সোহাগ, পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু ছিদ্দিক, সমাজ সেবক আব্দুল গফুর ঠিকাদার,  প্রধান শিক্ষিকা খুরশিদা বেগম,উপজেলা ছাত্র লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হলিমুর রশিদ, নুর উদ্দীন মাসুদ, মোবারক হোসেন বারেক, উপজেলা ছাত্র লীগ নেতা আশিক মাহামুদ, ব্যবসায়ী শামসুদ্দোহা, নবাব হোসেন, আনচারুলালাহ, নুরুল আমিন, রাহামত উল্লাহ, সলিম উল্লাহ,আব্দুল মন্নান, রশিদ আহাম্মদ. মহেশখালী প্রেসক্লাব এর সম্পাদক আবুল বশর পারভেজ।

স্কুলটি প্রাথমিক থেকে নতুন বছরে নিন্ম-মাধ্যমিক এ ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করছে। সহকারী শিক্ষিকা কামরুনাহার, সেলিনা আকতার কাজল, ফারহানা সুলতানা, আজিজা খানম, আনজুমান আরা, শাকের উল্লাহ, মোহছেনা আকতার সহায়ক আনোয়ারা বেগম প্রমূখ।

 




মহেশখালীতে গভীর নলকূপ বসাতে গিয়ে গ্যাসের সন্ধান: আগুনে আহত -৪

received_1827785630802522

এম বশির উল্লাহ, মহেশখালী প্রতিনিধি:

মহেশখালীতে গভীর নলকূপ স্থাপন করতে গিয়ে গ্যাসের সন্ধান পেয়েছে এক দল নলকূপ শ্রমিক। আর এ গ্যাস থেকে সৃষ্টি হয়েছে আগুনের লেলিহান শিখা। আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে না পারায়  ফায়ার সার্ভিসের টিম দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। এ সময় ফায়ার সার্ভিসের ৩ কর্মী সহ ৪ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে নলকূপ শ্রমিক আক্তার হোসেন প্রকাশ মনুকে প্রথমে মহেশখালী হাসপাতাল ও পরে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে  মহেশখালী উপজেলার ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের পূর্ব সিপাহীর পাড়া গ্রামে মৃত মোসলেম মিয়ার পুত্র নুরুল হক ডিলারে বাড়ীতে। নুরুল হক ডিলার স্থানীয় লোকাজনের কৃষি সেচ জমিতে পানি সরবরাহের উদ্দেশ্যে একটি গভীর নলকূপ স্থাপনের কাজ শুরু করে ১৫ ডিসেম্ভর থেকে।

গত মঙ্গলবার সকাল ৮টায় নলকূপ শ্রমিকরা ৪ শত ৮০ ফিট গভীরে নলকূপ এর পাইপ স্থাপন করতে গেলে হঠাৎ প্রায় ২ শত ৮০ ফুট পাইপ মাটির নিচ থেকে ছিড়ে গিয়ে ২০০ ফিট পাইপ উপরে চলে আসে। তখন থেকে ২ দিন পর্যন্ত মাটির নিচের পাইপে সন্ধান করতে থাকে নলকূপ শ্রমিকরা।

২৯ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টায় ঐ নলকূপ থেকে আরো কিছু পাইপের অংশ বেরিয়ে আসলে নলকূপ শ্রমিকরা তখন ঐ ফাইপের সাথে নতুন ফাইপ যুক্ত করতে ফাইপের অংশ আগুনে গরম করার সময় নলকূপ থেকে আগুন বিস্তার করে। অনেক চেষ্টা করে আগুন নিভাতে চেষ্টা করে ব্যর্থ হলেও পরে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে।

এ নলকূপ  পাইপের সৃষ্ট আগুনে নলকূপ কর্মী জাগিরাঘোনা এলাকার মোহাম্মদ আমিনের পুত্র আক্তর হোসেন প্রকাশ মনুর মুখমন্ডল আগুনে ঝলসে যায়। প্রশাসনের ভয়ে তারা ঘটনাটি কাউকে না জানার চেষ্টা করে। এ সময় দম কল বাহিনীর ৩ জন সদস্য আংশিকভাবে আহত হয় বলে ষ্টেশন অফিসার ধীমান বড়ুয়া দাবী করেন।

আগুন নিয়ন্ত্রনে এলেও বিগত ৩ দিন থেকে ধারাবাহিক গ্যাসের চাপে পানি বিনাচাপে বের হতে থাকে। কোনভাবে নলকূপ স্থানটি  শত শত বস্তা বালি ও মাটি দিয়ে ভরাট করা যাচ্ছে না। এদিকে এলাকার নারী পুরুষের মাঝে নলকূপের সৃষ্ট আগুনের পর থেকে কৌতুহলের সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর থেকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী পুরুষ এসে গভীর রাত পর্যন্ত ভীড় জমায়।

অপরদিকে বাড়ীর মালিক ও এলাকাবাসি এ নিয়ে চরম আতংকের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। যে কোন সময়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার  সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করেন। ৩১ ডিসেম্বর সংবাদ পেয়ে মহেশখালী উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউএনও বিভীষণ কান্তি দাশ, ইউপি চেয়ারম্যান জিহাদ বিনআলী, শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ ফজলুর করিম, স্থানীয় মেম্বার মোঃ জকরিয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এ সময় ইউএনও নলকূপের পাশ্ববর্তী স্থানে কোন ধরনের আগুনের ব্যবহার থেকে বিরত থাকার জন্য স্থানীয়দের প্রতি অনুরোধ জানান এবং সবাইকে সতর্ক থাকার জন্য আহবান জানান।




মহেশখালীতে দূর্বৃত্বের হাতে এক ব্যক্তি খুন

unnamed-copy

মহেশখালী প্রতিনিধি:

মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের পুঁইছড়ায় আলী আহামদ (৫২) নামে এক ব্যক্তি দূর্বৃত্বের হাতে খুন হয়েছে। আলী আহমদ ওই এলাকার মৃত পেটান আলীর পুত্র। সোমবার ভোর ৭টায় টাইমবাজারের পূর্বপাশের একটি পুকুর পাড় থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। আলী আহমদকে পরিকল্পিত ভাবে খুন করা হয়েছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে। তার মুখমণ্ডলে  ছুরিকাঘাত রয়েছে।
নিহতের ভাই খোরশেদ আলম জানান, রোববার সন্ধ্যায় ৭টায় বের হয়ে আর বাড়ি ফেরেননি আলী আহামদ। ভোরের দিকে টাইমবাজারের পূর্বপাশে শফি আলমের স’মিল সংলগ্ন পুকুরপাড়ে তার মরদেহ দেখতে পান পার্শ্ববর্তী বাড়ির বাসিন্দা ইউসুফ।




শাপলাপুরে পাচার কালে বন বিভাগের অভিযানে জব্দ গাছ

22

মহেশখালী প্রতিনিধি:

মহেশখালীর শাপলাপুরের আব্দুস সালাম মেম্বারের নেতৃত্বে সরকারী সংরক্ষিত বনের গাছ পাচারকালে বন বিভাগ অভিযান চালিয়ে তার আস্তানা থেকে ৮০ ফুট গর্জন গাছ জব্দ করেছে।

স্থানীয় এলাকাবাসী ও মহেশখালী উপজেলা বন কর্মকর্তার সূত্রে জানা যায়, শাপলাপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের জেএম ঘাট নয়াপাড়া এলাকার স্থানীয় মেম্বার আব্দুস ছালাম এর নিয়ন্ত্রিত এক দল বনদস্যু সোমবার  ভোর রাতে জেএম ঘাট  খালে সরকারী গাছ কেটে পাচার করছিল। এ সময় সংবাদ পেয়ে মহেশখালী বন কর্মকার্তার নির্দেশে শাপলাপুর বন বিট ও দিনেশপুর বন বিটের সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় বন কর্মীদের উপস্থিতি টের পেয়ে সঙ্গবদ্ধ গাছ পাচারকারীরা কিছু গর্জন গাছের টুকরা ফেলে রেখে গাছের বড় অংশগুলি জেএম ঘাট খালের পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন বাসা বাড়ী ও পুকুরের ডোবায় লুকিয়ে রাখে বলে তথ্য পাওয়া যায়।

পরবর্তীতে স্থানীয় সংবাদ কর্মীদের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুপুর ১ টার দিকে শাপলাপুর জেএম ঘাটের নয়াপাড়া এলাকায় উপজেলা বন কর্মকর্তা আবুল হাশেম ভূইয়্যাঁর নেতৃত্বে ২য় দফায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় স্থানীয় বর্তমান মেম্বার আব্দুস ছালাম এর আস্তানা নয়াপাড়ার একটি বসতবাড়ী সংলগ্ন ঝোপের পাশে ৩০ হাত লম্বা ৫টি প্রায় ৮০ ফুট গর্জন গাছ জব্দ করে বন বিভাগ। অভিযান পরিচালনার সংবাদ পেয়ে আব্দুস ছালাম মেম্বার ও তার সহযোগিরা গা ঢাকা দিলেও পরবর্তীতে সালাম মেম্বার নিজে ওই গাছ ছাড়িয়ে নিতে তৎবির শুরু করে।

জানা যায়, সকালে বন কর্মীদের অভিযানের সময় জব্দকৃত গাছগুলি জেএম ঘাট সংলগ্ন নদীতে ফেলে দেওয়ার নির্দেশ দেয় তার দলের সদস্যদের।তার কথা মত বনদস্যু সদস্যরা গাছগুলি ফেলে না দেওয়ায় অবশেষে বন বিভাগের অভিযানে জব্দ করা হয়।

আব্দুস সালাম বর্তমান শাপলাপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মেম্বার। বন বিভাগের অভিযানে জব্দকৃত গর্জন গাছ গুলি শাপলাপুর বন বিটে নিয়ে আসা হয়। জেএম ঘাটের পূর্ব দিকে খালের সাথে সংযুক্ত মোহাম্মদ আলী নামের এক ব্যক্তির অবৈধ স-মিলে চেরাই করে দিন রাত সরকারী সংরক্ষিত বনের গাছ কেটে পাশ্ববর্তী উপজেলা চকরিয়ার বদরখালী, মগনামাসহ বিভিন্ন এলাকায় পাচারকরে আসছে সঙ্গবদ্ধ বন দস্যুরা। অনেক সময় বন বিভাগের অভিযান টের পেয়ে বন কর্মীদের উপর গুলাগুলি করে থাকে এবং নৌকা বোঝাই করার সময় বড় বড় বৃক্ষ খালে ফেলে দেয় বলেও নানা সুত্রে অভিযোগ রয়েছে।

এব্যাপারে মহেশখালী উপজেলা বন কর্মকর্তা আবুল হাশেম ভূইয়্যা জানান উদ্ধারকৃত গাছ পাচারের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত বন আইনে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।




তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে দোকান লুটপাটের অভিযোগ

অভিযোগ

মহেশখালী প্রতিনিধি:

মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়নের ঘটিভাঙ্গায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে অপরপক্ষ দোকান লুটপাটসহ নানা ধরণের মিথ্যা অভিযোগ করেছে বলে জানা যায়।

সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকাল ৪ টার সময় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাহামত আলীর পুত্র মোহাম্মদ রুবেলের (২৬) নেতৃত্বে রাহামত আলী, সামশু মাঝি, আবদুল হক, পোতাইয়াসহ ১০-১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল ঘটিভাঙ্গা বাজারে একই এলাকার মোঃ আলীর পুত্র আজিজুল হক প্রকাশ ‘বাশি মাঝি’কে (২৮) মারধর করে গুরুত্বর জখম করে এবং তার কাছে থাকা টাকা-পয়সাসহ মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা আমির হোসেন কোম্পানীসহ স্থানীয়রা বাশি মাঝিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে।

এদিকে এ ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে বাশি মাঝিকে ফাঁসাতে প্রতিপক্ষ মোহাম্মদ রুবেল গং দোকান ডাকাতিসহ নানা ধরণের মিথ্যা অভিযোগ করেছে বলে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়।

আজিজুল হক প্রকাশ বাশি মাঝি জানান, সন্ত্রাসীরা দীর্ঘদিন ধরে নিজ মালিকানাধীন ফিশিং বোটে অবৈধভাবে মালেশিয়াসহ বিভিন্ন জায়গায় মানব পাচার করে আসছে। তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসীরা তাকে হামলা করে গুরুত্বর আহত করেও ক্ষান্ত হয়নি। তারা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরণের হুমকি ধমকি প্রদর্শন করছে। বর্তমানে সন্ত্রাসীদের হুমকির মুখে পরিবার পরিজন নিয়ে আতংকে বসবাস করছে।  এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানায়।




বড় মহেশখালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের পরিচালক

unnamed

মহেশখালী প্রতিনিধি:

বিশ্ব সাহিত্য কেন্দের পরিচালক ও সেকায়েব এর কর্ণধার অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়িদ এর নেতৃত্বে গত রবিবার বড় মহেশখালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। বিদ্যালয় পরিদর্শন করে নেতৃবৃন্দরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

পরিদর্শন কালে উপস্থিত ছিলেন সেকায়েপ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক  ড. মাহমুদুল হক, বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রর সভাপতি বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সাঈদ, ডেপুটি টিম লিডার শরিফ মোহাম্মাদ মাসুদ, সাবেক সচিব আমিনুল ইসলাম ভুইঁয়া, ড.নুরুজ্জামান,   সহ প্রশাসন ও উন্নয়ন একাডেমির সম্মানিত ১২ জন প্রশিক্ষণার্থীবৃন্দ।   নেতৃবৃন্দরা বড় মহেশখালী বালিকা  উচ্চ বিদ্যালয়ের  ভাষা শহিদ সালাম গ্রন্থাগার উদ্বোধন করেন।

এদিকে বিকালে এক  বিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হুমায়ুন কবির আজাদ, সভাপতির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের  সভাপতি ও বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলহাজ্ব আনোয়ার পাশা চৌধুরী। সব শেষে এনএপিডি   (NAPD) বিদ্যালয়ের উপর সার্বিক  কাযর্ক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করে ক্রেস্ট প্রদান  করেন। অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজের শিক্ষকবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।




মহেশখালীতে টমটম দুর্ঘটনায় ৭ পিএসসি পরীক্ষার্থী আহত

pic-24-11-16-copy

মহেশখালী প্রতিনিধি:

মহেশখালীতে টমটম গাড়ি উল্টে ৭ পিএসসি পরীক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে ৫ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পরীক্ষা হলে পাঠানো হয়েছে ও বাকী ২ জনের অবস্থা সংকটাপন্ন  হওয়ায়  কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলা হোয়ানক ইউনিয়নের রাজুয়ারঘোনা গ্রামে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানাযায় পানিরছড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পিএসসি পরীক্ষার্থী যাত্রী নিয়ে  ৭ জনের  একটি টমটম গাড়ি নিয়ে হোয়ানক ইউনিয়ন পরীক্ষা  কেন্দ্রে যাচ্ছিল। টমটম গাড়িটি  রাজুয়ারঘোনা মাদ্রাসা    সংলগ্ন এলাকায় পৌছলে    উল্টে গিয়ে  গাড়িতে থাকা ছাত্র-ছাত্রীরা গুরুতর মারাত্মক জখম হয়।

বৃহস্পতিবার সকালে সড়ক দূর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে দ্রুত হাসপাতালে ছুটে যান  মহেশখালীর ইউএনও আবুল কালাম । তিনি সেখানে চিকিৎসার খোঁজ নিয়ে আহত  রোগিদের উন্নত  চিকিসার জন্য ডাক্তারের পরামর্শক্রমে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে  পাঠিয়ে দেন।  দরিদ্র পরিবাবের  পিএসসি পরীক্ষর্থী আহতদেরকে ইউএনও’র  গাড়ীতে করে নিজে আদিনাথ জেটি ঘাটে গিয়ে কক্সবাজার পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। তাদেরকে নগদ চিকিৎসা বাবদ ৬ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করেন। আহতরা হলেন হোয়ানক পানিরছড়া গ্রামের মোঃ আলীর পুত্র ও পানিরছড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আবু তৈয়ব  (১২) নুরুল আলমের মেয়ে কুলছুমা আক্তার (১৩) এরা এবারে অনুষ্ঠিত পিএসসি পরীক্ষার গতকাল  গণিত পরীক্ষা ছিল।

মহেশখালীর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও শিক্ষা কর্মকর্তা শহিদুল্লাহ আহত ২ জন  পরীক্ষার্থী  হিসাবে মূল্যায়ন করে আন্তরিকতার সেবার কাজে এগিয়ে এসে সরকারের দায়িত্বশীলতা ও জনসেবার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বলে মন্তব্য জানিয়েছেন স্থানীয়রা।




মহেশখালীতে দূর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস  বিষয়ক মত বিনিময় সভা

23-11-16-3-copy

মহেশখালী প্রতিনিধি:

মহেশখালীর কুতুবজুমে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির ঝুঁকিহ্রাস বৃদ্ধি বিষয়ক সভায় মহেশখালী কুতুবদিয়ার  সাংসদ আশেক উল্লাহ রফিক এমপি বলেছেন মহেশখালী উপজেলাটি একটি দূর্যোগ  কবলিত এলাকা এখানে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সাধারন মানুষকে দূর্যোগের কবল হতে সচেতনতা করতে হবে।

বুধবার সকাল ১১টায় কুতুবজুম ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে উপজেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির আয়োজনে ইউনিয়ন পরিষদের ব্যবস্থাপনায় দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির ঝুঁকিহ্রাস বৃদ্ধি বিষয়ক সভায় প্রধান অথিতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন দাতা সংস্থা এই দূর্যোগ কবলিত মানুষগুলিকে রক্ষার করার কাজে নিয়োজিত রয়েছে। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সব সময় সাধারন মানুষের জানমাল রক্ষায় কাজ করে যাবে।বর্তমান সরকার মহেশখালী উপজেলাকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসাবে গড়ে তোলার জন্য ইতিমধ্যে উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে উন্নয়ন ও জন কল্যাল মূলক কাজ শুরু করেছে।

ইকোর অর্থয়ানে মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল কালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, এসিএফ ইন্টারন্যাশনালের বিভাগীয় খাদ্য নিরাপত্তা ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রধান তপন চক্রবর্তী, পৌর মেয়র আলহাজ্ব মকছুদ মিয়া, সহকারী কমিশনার ভূমি বিভীষন কান্তি দাশ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জহির উদ্দিন, খাদ্য নিরাপত্তা কর্মসূচির প্রকল্প ব্যবস্থাপক আব্দুল মালেক, সিনিয়র প্রজেক্ট অফিসার জিএম, জাহাঙ্গির কবির, সিপিপির জেলা উপ-পরিচালক হাফিজুর রহমান, উপজেলা, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব ও প্রকল্প কর্মকর্তা সফিউল আলম সাকিব, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সেরাজ আহমদ, কৃষি র্কমর্কতা শামসুল আলম, উপজেলা প্রকৌশলী রেজাউল করিম ভুইয়্যা, কুতুবজুম ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন খোকন, কালারমারছড়ার মীর কাসেম চৌধুরী, শাপলাপুরের নুরুল হক, মাতারবাড়ির মোহাম্মদ উল্লাহ, ধলঘাটার কামরুল হাসান, হোয়ানকের মোস্তফা কামাল,ছোট মহেশখালীর জিহাদ বীন আলী,  আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা ফরিদুল আলম, আহমদিয়া তৈয়াবিয়া মাদ্রাসার সুপার ছিদ্দিক আযাদ, মুক্তিযুদ্ধা উপজেলা কমান্ডার আমজাদ হোসেন, সাবেক কমান্ডার সালেহ আহমদ, মুক্তি কক্সবাজারে জিল্লু রহমান, এম জসিম উদ্দিন, এসিএফরে রতন দাশ, এনজিও কর্মকর্তা রেজাউল করিম, সাখাওয়াত আমিন, উপজেলার সকল ইউপি সচিব ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনায় অংশগ্রহন করেন আগত অতিথিরা। এতে উল্লেখ্য হল,  দূর্যোগ ব্যবন্থাপনা কমিটির  কার্যক্রম গতিশীল ও ওয়ার্ড কমিটি সদস্য নবায়ন, দূর্যোগকালিন সময়ে দায়িত্ব অবহেলা করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, ব্যক্তি নিয়ন্ত্রিত আশ্রয়কেন্দ্র দখলমুক্ত , সাগরে মাছ আহরণ করা জেলেদের লাইফ সাপোট জেকেট, প্রাকৃতিক দূর্যোগে কবলে পড়া জেলেদের উদ্ধারে নৌ জাহাজ বা কোস্টগার্ডের সহায়তা কামনা । প্রতিটি ইউনিয়নের সাইক্লোন সেন্টার ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন এবং কুতুবজুম ইউনিয়নকে প্রতিটি দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা বিবেচনায় দ্রুত টেকসই বেড়িবাধ নির্মাণের দাবী জানান।

বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা ইসিএফ কর্তৃক কুতুবজুম ইউনিয়নকে একটি অবকাটামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে ২০১৯ সালের মধ্যে মডেল ইউনিয়ন হিসাবে রুপান্তর করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বলেও জানা যায়।




হোয়ানকের হেতালিয়া চিংড়ি ঘেরে গুলাগুলিতে মহি উদ্দিন হত্যায় ৫২ জনের নামে মামলা

মহেশখালী প্রতিনিধি: ১৫ নভেম্বর গুলাগুলির ঘটনায় মহেশখালী হোয়ানকের হেতালিয়া চিংড়ি ঘেরে নিহত মহি উদ্দিনের স্ত্রী বাদী হয়ে ৫২ জনের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন বলে নিশ্চিত করেন মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ  বাবুল চন্দ্র বণিক। এই মামলায় আলোচিত আসামিরা হল। হোয়ানকের প্রভাবশালী আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ ফেরদৌস ও মোস্তফা কামাল এবং ফেরদৌসের পুত্র ফিরুজ ওয়াহেদ শামীম।

এজাহার সূত্রে জানা যায়,নিহত মাঝের পাড়া গ্রামের মনজুর আহমদের পুত্র মো. মহি উদ্দিন হেতালিয়া মৌজাধীন পানি উন্নয়ন বোর্ড এর স্লুইস গেইটের শ্রমিক হিসাবে কর্মরত ছিল। গত ১৫ নভেম্বর সকাল ৭ টায় কৃষিবীদ সল্ট লিঃ কর্তৃক ইজারা নেওয়া ৩নং স্লুইস গেইট সংলগ্ন উমখালী চিংড়ি প্রজেক্টের আহরিত বাগদা চিংড়ি পরিমাপ করার সময়ে ডাকাতি ও দখল করার উদ্দেশ্যে থ্রি নট থ্রি রাইফেল, শাটারগান দেশিয় তৈরি লম্বা বন্দুক, কিরিচ, হাতুড়ি, লোহার রড ইত্যাদি অবৈধ অস্ত্র সজ্জিত হয়ে হোয়ানক মোহরাকাটা এলাকার মৃত মো. জালাল এর পুত্র মো. ফিরোজ, কেরুনতলী এলাকার মোঃ কবির এর পুত্র আহছান উল্লাহ, কবির মাঝির পুত্র জাগির হোসেন, নয়াপাড়া এলাকার মৃত মো. বকসুর পুত্র আজিল হক প্রঃ আলম গং গুলি ছুড়তে ছুড়তে পূর্ব ও উত্তরদিক থেকে হামলা করে চরম অরাজকতা সৃষ্টি করে স্লুইস গেইট ও সংলগ্ন উমখালী ঘোনা জবর দখল ও লুঠপাট করার সময় মহিউদ্দিনকে হত্যা করে এজাহারে বাদিনী দাবী করেন। মোতাহেরা আরো দাবী করে তার স্বামী সম্পূর্ন নির্দোষ। সন্ত্রাসী ফিরুজ তার স্বামীর পায়ে প্রথম গুলি করে অন্য শ্রমিক গুলির শব্দে চিংড়ী প্রজেক্ট থেকে চলে যেতে চেষ্টা করে সাথে নিহত মহিউদ্দিনও তার পরেও এ সময় আহাছান, জাগির, আলম নিহত মহি উদ্দিনের পিটে গুলি করে ঝাজরা করে দেয়।

আসামীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র, ডাকাতি, ধর্ষন, হত্যা, হত্যা প্রচেষ্টা, দ্রুত আইন, চাঁদাবাজী দস্যুতা বন মামলা সহ ২৫/৩০টির অধীক জি,আর ও ফৌজধারী মামলা পেন্ডিং আছে বলে উল্লেখ করা হয়। স্লুইস গেইট থেকে আহরিত চিংড়ি মাছ যার মূল্য ৩ লক্ষ টাকা, ২টি জাল ও টর্চ লাইট মোবাইল সহ প্রায় এক লক্ষ টাকার অন্যান্য জিনিসপত্র লুঠ করে নিয়ে যায়। অপরদিকে একই সময় উমখালী ঘোনায় ধৃত ৫ লক্ষাধিক টাকার চিংড়ি মাছ, ৫০ হাজার নগদ টাকা ঘেরের খামারে রক্ষিত মালামাল লুঠপাট করে বলে এজাহারে প্রকাশ।

এবিষয়ে জানতে চাইলে মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ জানায়, কোন সন্ত্রাসীকে এলাকায় রাজত্ব কায়েম করতে দেয়া হবে না। অতি দ্রুত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে আইনের কাছে সোপর্দ করা হবে। অভিযান অব্যাহত আছে এবং থাকবে।