মহেশখালীর আদিনাথ মন্দিরে শিব চতুর্দশী পূজা শুরু

unnamed copy
মহেশখালী প্রতিনিধি:

ঐতিহাসিক পৌরানিক কাহিনী মতে ষোড়শ শতাব্দিতে নির্মিত উপমহাদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বী হিন্দু সম্প্রদায়ের মহা তীর্থ মহেশখালীর মৈনাক পর্বতের চুড়ায় অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী শ্রী শ্রী আদিনাথ মন্দিরে শিব চতুর্দশী পুজা উপলক্ষে শিব দর্শন ও মেলা শুক্রবার থেকে পূর্ণউদ্দাম শুরু হয়েছে।

শুক্রবার সকাল থেকে দেশ বিদেশের হাজার হাজার পূজারীরা এসে জমা হয়েছে মৈনাক পর্বতের পাদদেশে। শুক্রবার রাত ৯টা থেকে শুরু হয়েছে শিব দর্শনের লগ্ন। প্রতি বছর ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণ পক্ষের চতুর্দশীতে দেবাদি দেব শিবের আর্শীবাদ লাভের আশায় হিন্দু বৌদ্ধ তথা সনাতন ধর্মাবলম্বীরা শিব দর্শন পূজা করে থাকে। এ বছর শিব চতুর্দশী পুজার মূল দর্শনের লগ্ন নির্ধারিত হয়েছে শুক্রবার রাত ৯টায় লগ্ন শুরু শনিবার রাত ৯টায় শেষ হবে।

তবে মূল পর্বের পরেও ৩ দিনব্যাপী পূজা ও দর্শন উৎসব চলবে। আদিনাথ মন্দির সংস্কার কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রনব কুমার দে সূত্রে এতথ্য জানা গেছে। শিব চতুর্দশী পূজা উপলক্ষে প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও মৈনাক পর্বতের পাদদেশে আগামী ৭দিনের জন্য বসেছে গ্রামীন লোকজ মেলা।

এ মেলা বিগত আনুমানিক দু’শ বছরেরও আদিকাল থেকে আদিনাথ মেলা নামে পরিচিতি লাভ করে। প্রতি বছররের ন্যায় এ বছরও শিব চতুর্দর্শী পূজা ও মেলা উপলক্ষে বাংলাদেশ প্রত্যন্ত অঞ্চল ছাড়াও পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ ও শ্রীলংকা থেকে হাজার হাজার পূজারী ও ভক্তবৃন্দসহ লক্ষ পূজারী এসে জমায়েত হয়েছে মৈনাক পর্বতের পাদদেশে।

শ্রী শ্রী আদিনাথ মেলা সুপারভাইজিং কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কালাম জানান, আদিনাথ মেলা সুষ্ঠ ভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে শান্তি লাল নন্দীকে সাধারণ সম্পাদক, সহকারী কমিশনার (ভূমি) বিভিষন কান্দি দাশকে মেলা সুপার, মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ প্রদীপ কুমার দাশকে প্রধান সমন্বয়ক ও যিশু চৌং কে অর্থ সম্পাদক করে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট মেলা সুপারভাইজিং কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সুপারভাইজিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক শান্তি লাল নন্দী জানান, আদিনাথ মেলায় এ বছর যাত্রা সার্কাস হাউজীসহ কোন ধরনের জুয়া ও বিনোদন মূলক ব্যবস্থা থাকবে না। মেলায় পুলিশের অস্থায়ী ক্যাম্প রয়েছে বলেও জানান, মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ প্রদীপ কুমার দাশ।

এছাড়াও রয়েছে পুলিশের সার্বক্ষনিক টহল টিম। উপজেলা পরিষদের সিদ্ধান্ত মতে এ মেলা চলবে ৭ দিনব্যাপী। উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, তীর্থ যাত্রীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে নৌ-যান ও সড়ক পথে যানবাহন ভাড়া নির্ধারণ সহ তীর্থ যাত্রীদের নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

এ মেলায় ইতিমধ্যে প্রায় দুই শতাধিক মনোহারি পণ্যের  দোকান বসেছে। প্রায় লক্ষাধিক লোকের সমাবেশ ঘটতে পারে এ মেলায়। এদিকে শুক্রবার  বিকাল থেকে দেশ বিদেশের পূজারীরা আসতে শুরু করেছে। ধীরে ধীরে মেলা অঙ্গন উৎসবে রুপ নিতে শুরু করেছে। আজ আরও বাড়তে পারে পূজারীর সমাগম।




মহেশখালীর ঐতিহাসিক আদিনাথ মেলা শুরু

Adinath
নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার :
ঐতিহাসিক পৌরাণিক কাহিনী মতে ষোড়শ শতাব্দিতে নির্মিত উপমহাদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বী হিন্দু সম্প্রদায়ের তীর্থ মহেশখালীর মৈনাক পর্বতের চূড়ায় অবস্থিত শ্রী শ্রী আদিনাথ মন্দিরে শিব চতুর্দশী পুজা ও মেলা  ২৪ ফেব্রুয়ারী থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। প্রতি বছর ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণ পক্ষের চর্তুদশীতে দেবাদি দেব শিবের আর্শীবাদ লাভের আশায় হিন্দু বৌদ্ধ তথা সনাতন ধর্মাবলম্বীরা শিব দর্শন পুজা করে থাকে। এ বছর শিব চতুর্দশী পুজার মূল দর্শনের লগ্ন নির্ধারিত হয়েছে আজ ২৪ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার রাত ৯টায় লগ্ন শুরু হয়ে পর দিন অর্থাৎ ২৫ ফেব্রুয়ারী শনিবার রাত ৯টায় শেষ হবে। তবে মূল পর্বের পরেও ৩ দিনব্যাপী পুজা ও দর্শন উৎসব চলবে।

আদিনাথ মন্দির সংস্কার কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রনব কুমার দে সূত্রে এতথ্য জানা গেছে। শিব চর্তুদশী পুজা উপলক্ষে প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও মৈনাক পর্বতের পাদ দেশে আগামী ৭দিনের জন্য বসেছে গ্রামীণ লোকজ মেলা। এ মেলা বিগত আনুমানিক দু’শ বছরেরও পূর্ব থেকে আদিনাথ মেলা নামে পরিচিতি লাভ করে। প্রতি বছর শিব চর্তুদর্শী পুজা ও মেলা উপলক্ষে বাংলাদেশ প্রত্যন্ত অঞ্চল ছাড়াও পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ ও শ্রীলংকা থেকে হাজার হাজার পুজারী ও ভক্তবৃন্দসহ লক্ষ পুজারীর সমাগম ঘটে।

শ্রী শ্রী আদিনাথ মেলা সুপারভাইজিং কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কালাম জানান, আদিনাথ মেলা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে শান্তি লাল নন্দীকে সাধারণ সম্পাদক, সহকারী কমিশনার (ভ’মি) বিভিষন কান্তি দাশকে মেলা সুপার, মহেশখালী থানার অফিসার ইনর্চাজ প্রদীপ কুমার দাশ কে প্রধান সমন্বয়ক ও যিশু চৌং-কে অর্থ সম্পাদক করে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট মেলা সুপারভাইজিং কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সুপারভাইজিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক শান্তি লাল নন্দী জানান, আদিনাথ মেলায় এ বছর যাত্রা সার্কাস হাউজীসহ কোন ধরনের জুয়া ও বিনোদনমূলক ব্যবস্থা থাকবে না। মেলায় পুলিশের অস্থায়ী ক্যাম্প থাকবে। এ পুলিশের টহল টিম থাকবে। উপজেলা পরিষদের সিদ্ধান্ত মতে এ মেলা চলবে ৭ দিনব্যাপী।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, র্তীথ যাত্রীদের যাতায়তের সুবিধার্থে নৌ-যান ও সড়ক পথে যানবাহন ভাড়া নির্ধারণসহ প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে ইতিমধ্যে প্রস্তুতি সভায় আলোচনা করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে। এ মেলায় ইতিমধ্যে প্রায় দুই শতাধিক দোকান ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রায় লক্ষাধিক লোকের সমাবেশ ঘটতে পারে এ মেলায়। এদিকে গতকাল ২৩ ফেব্রুয়ারী বিকাল থেকে দেশ-বিদেশের পুজারীরা আসতে শুরু করেছেন। ধীরে ধীরে মেলা অঙ্গন উৎসবে রূপ নিতে শুরু করেছে।




ইউরোপের বিলাসবহুল ভ্রমণতরী সিলভার ডিসকভারের ৯০ পর্যটকের মহেশখালী ভ্রমণ

unnamed copy
মহেশখালী প্রতিনিধি:

পর্যটন শিল্পের বিকাশে বাংলাদেশ আরও একধাপ এগিয়ে গেল। বহির্বিশ্বের সাথে জলপথে পর্যটক যাতায়াতে আন্তর্জাতিক রুটে শুভ সূচনা করল বাংলাদেশ। তারই অংশ হিসেবে ৯০ জন পর্যটকবাহী ইউরোপ ভিত্তিক বিলাসবহুল ভ্রমণতরী সিলভার ডিসকভার বুধবার সকালে ভিড়েছে মহেশখালী দ্বীপে।

স্থানীয় প্রশাসনের সার্বিক তত্বাবধানে পর্যটকরা ঘুরে দেখলেন মহেশখালীর ঐতিহ্যবাহী আদিনাথ মন্দির, বৌদ্ধ প্যাগোডা, রাখাইন পল্লী ও পর্যটন সম্ভাবনাময় সোনাদিয়া দ্বীপ। চড়ে বেড়ালেন স্থানীয় যানবাহন রিক্সা ও টমটম গাড়িতে।

পশ্চিম ইউরোপের মোনাকো শহরভিত্তিক সিলভার সি নামের একটি সংস্থার ব্যবস্থাপনায় ওই পর্যটকরা সাগর পথে সরাসরি মহেশখালী দ্বীপে এসে নামেন। বিভিন্ন দেশের পর্যটকের সমন্বয়ে ওই টিম মহেশখালীর বিভিন্ন পর্যটন স্পট ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সোনাদিয়া পরিদর্শন শেষে বিকেলে সাগর পথে রওয়ানা দেন সুন্দরবনের পথে। সাগর পথে বাংলাদেশে এটিই প্রথম কোন ইন্টারন্যাশনাল ট্যুর। সাগর পথে বাংলাদেশে পর্যটক আগমনের এই বিষয়টি দেশের পর্যটন খাতে বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ দীর্ঘ দিন থেকে শ্রীলঙ্কা, ভারত-মিয়ানমারসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সাথে সাগর পথে ট্যুরিজম ডেভেলপ করার প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছিল। গত একবছর চেষ্টার পর এ দেশীয় এজেন্ট জার্নি প্লাসের মাধ্যমে ইউরোপ ভিত্তিক সংস্থা সিলভার সি’র মাধ্যমে বিলাসবহুল ভ্রমণতরী সিলভার ডিসকভার নামের একটি জাহাজ নিয়ে ৯০ জন পর্যটককে বাংলাদেশে পাঠাতে সম্মত হয়েছে।

জানা গেছে, ১১ ফেব্রুয়ারি সিলভার ডিসকভার যাত্রা শুরু করে কলম্বো থেকে। শ্রীলঙ্কা ও আন্দামানে ৯ দিন অতিবাহিত করার পর সিলভার ডিসকভার বঙ্গোপসাগরে যাত্রা শুরু করে। যাত্রার ১১ দিনের মাথায় এটি বুধবার মহেশখালী পৌঁছে। সিলভার ডিসকভারের পর্যটকরা বুধবার ভোরের দিকে বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী দ্বীপ সোনাদিয়ার বাইরে জাহাজটি নোঙ্গর করে স্পিড বোট যোগে প্রথমে সোনাদিয়া ও পরে মহেশখালীর বৌদ্ধবিহার, রাখাইন পল্লী এবং আদিনাথ মন্দির ভ্রমণ করেন এবং পুরোহিতগণের সাথে সাক্ষাত করে তাদের জীবনধারা সম্পর্কে জানেন। তারা স্থানীয় প্রায় ৪০টির মত টমটম গাড়িবহর নিয়ে স্থানীয় অধিবাসীদের জীবনধারা অনুভব করেন।

এসময় তারা বার্মিজ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। এসময় মহেশখালী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. শহীদুল্লাহ পর্যটকদের টিম লিডারকে তার রচিত  কোয়েস্ট ফর কোয়ালিটি নামে বই উপহার দেন।

এ ব্যাপারে মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম জানান, ৯০ জনের বিদেশী পর্যটক দলটি সকাল ১০ টায় মহেশখালী পৌঁছেন। তারা প্রথমে সোনাদিয়ায় নামেন। সেখানে পরিদর্শন শেষে মহেশখালী জেটিতে পৌঁছলে কক্সবাজারের জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সহকারী পুলিশ সুপার বাবুল চন্দ্র বণিকের নেতৃত্বে মহেশখালী পুলিশ প্রশাসন এবং উপজেলা প্রশাসন পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা বিধান করেন। বিকালে তারা জাহাজে ফিরে গেছেন।

জানা গেছে পর্যটকবাহী ভ্রমণতরীটি ১৩তম এবং ১৪তম দিনে সুন্দরবন ভ্রমণ করবে। তারা সেখানে সুন্দরবনের বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্যে ঘুরে বেড়াবেন। ১৫তম দিনে এটি কলকাতার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ত্যাগ করবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে প্রাপ্ত খবরে জানা যায়, সমুদ্রপথে বিলাসবহুল জাহাজ পরিচালনাকারী ‘সিলভার সি’ গ্রুপ ৪৭টি জাহাজ দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পর্যটক পরিবহন করছে। এদের দুটি রুটে যুক্ত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। প্রথম রুটটি হচ্ছে শ্রীলঙ্কার কলম্বো থেকে বাংলাদেশ হয়ে কলকাতা। দ্বিতীয় রুটটি হচ্ছে কলকাতা থেকে বাংলাদেশ হয়ে থাইল্যান্ড।




মহেশখালীতে ১ হাজার লিটার মদসহ ৫ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

moheskhali

মহেশখালী প্রতিনিধি :

মহেশখালী থানা পুলিশ ১৮ ফেব্রুয়ারী  উপজেলার ঠাকুরতলা গ্রামের মদের মহালে অভিযান চালিয়ে  ১ হাজার লিটার দেশীয় তৈরি চোলাই মদ উদ্ধার করেছে। এ সময় পুলিশ মদ তৈরিতে জড়িত থাকার দায়ে এক নারীসহ ৫ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে।

জানা গেছে, মদ ব্যবসায়ী বাদলের মহাল থেকে এসব মদ উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে চলমান মাদক বিরোধী অভিযানে গত দু’ সপ্তাহে সাড়ে ৫ হাজার লিটার মদ উদ্ধার এবং ১৫ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ জানান, আদিনাথ মন্দিরের শীবচর্তুদশী পূজা ও আদিনাথ মেলাকে কেন্দ্র করে মদ তৈরি ও বিপণনের ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে তিনি নিজে পুলিশের একটি দল নিয়ে শনিবার ঠাকুরতলা গ্রামের বাদলের মহালে অভিযান চালিয়ে ১ হাজার লিটার বাংলা মদসহ ৫ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- ঠাকুরতলা গ্রামের মৃত প্রাণহরি দে’র ছেলে বাদল চন্দ্র দে (৪৫), মৃত মনিন্দ্র দে’র ছেলে রুটু দে (২৭), রুনু রাম দে’র ছেলে সুমন কান্তি দে (৩৭), ঝুনুরাম দে’র স্ত্রী বাসনা দে (৫৫) এবং নিরঞ্জন দে’র মেয়ে সুমি দে (১৯)। এদের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বেও মাদক দ্রব্য আইনে মামলা রয়েছে।




মহেশখালীতে পুলিশের সাথে পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সন্ত্রাসী নিহত

16736554_1336359119754519_1263920019_n (1) copy

মহেশখালী প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ি ও হোয়ানকে পুলিশ ও সন্ত্রাসীদের পৃথক দু’টি বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় ১ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। ১১ জন পুলিশ সদস্যসহ আহত হয়েছে অন্তত ৪০ জন। মোট ১১ টি বন্দুক ও ৫৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছে। মাতারবাড়ি থেকে গ্রেফতার হয়েছে ৩ জন।

সূত্র জানায়, কেরুণতলীতে  জনৈক সন্ত্রাসী হামিদ ও মাতারবাড়িতে জিয়াবুল হোসেনের নেতৃত্বে পৃথক দু’টি গ্রুপ বিভিন্ন ঘের দখলের জন্য সন্ত্রাসীদের জমায়েত করে চলেছে।

মহেশখালীতে এক সংবাদ ব্রিফিং অনুষ্ঠানে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার ড. একেএম ইকবাল হোসেন জানান,  মঙ্গলবার ভোর ৩ টার দিকে পুলিশের উপর হামলা সংক্রান্ত একটি মামলার আসামিদের গ্রেফতার করতে যায় পুলিশ। হোয়ানকের কেরুণতলী নয়া পাড়া এলাকায় পুলিশের এ অভিযানকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের তালিকাভুক্ত অস্ত্র ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার গ্রুপের সাথে পুলিশের বন্দুকযুদ্ধ লেগে যায়। এক পর্যায়ে সন্ত্রাসী সত্তার গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়। ওই এলাকা থেকে সন্ত্রাসীদের ফেলে যাওয়া ৬ টি বন্দুক ও ২৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে পুলিশ। অপরদিকে রাতে মাতারবাড়ির একটি ঘের এলাকায় একদল লোক ডাকাতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন সংবাদ পেয়ে রাতে অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় পুলিশের সাথে ডাকাতের বন্দুকযুদ্ধ লেগে যায়। পুলিশের সাথে গুলি বিনিময়ে ২ সন্ত্রাসী গুলিবিদ্ধ হয়। এখান থেকে ৮ টি বন্দুক, ৩০ রাউন্ড গুলি ও ২টি কিরিছ উদ্ধার হয় বলেও জানান এসপি। তিনি মহেশখালীর সন্ত্রাসীদের ব্যাপারে জিরো ট্রলারেন্স নীতি ঘোষণা করেন।

মহেশখালী থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান দু’টি পৃথক বন্দুকযুদ্ধে ১১ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়। কেরুনতলীতে এসআই মনিরুল ইসলাম, এসআই হারুন রশিদ, এস আই শাহেদ, এএস আই আজিম উদিন, কনেস্টবল সনজয় মজুমদার, রুবেলা দাশ, ফিরোজ, মাতারবাড়ির ঘটনায় এসআই শাওন দাশ, এএসআই সুজন মাহামুদ, এএসআই জাহাঙ্গী, কনেস্টবল নাজমুল হাসান আহত হয়।

মাতারবাড়ি থেকে গ্রেফতারকৃতরা হলো মাইজ পাড়া গ্রামের মকছুদ মিয়ার পুত্র ওয়াজ উদ্দিন, আবু ছৈয়দের পুত্র নাছির উদ্দিন ও নাজু ডাকাত। দুই ঘটনায় পুলিশ ৭০ রাউন্ড গুলি ছুঁড়ে। সন্ত্রাসীদের পক্ষে একাধিক ব্যক্তি আহত হয়ে পালিয়ে যায়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, কেরুণতলীতে জনৈক সন্ত্রাসী হামিদ ও মাতারবাড়িতে জিয়াবুল হোসেনের নেতৃত্বে পৃথক দু’টি গ্রুপ বিভিন্ন ঘের দখলের জন্য সন্ত্রাসীদের জমায়েত ও অস্ত্র মজুদ করে চলেছে। মইন্নার ঘোনা নামের একটি ঘের দখলের জন্য জিয়াবুল মরিয়া হয়ে ওঠেছে বলেও সূত্রে।

পুলিশের এমন অস্ত্র ও সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছে এলাকার নিরীহ জনগণ।




মহেশখালীতে জমি বিরোধের জেরে যুবক নিহত

নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার:

কক্সবাজারের মহেশখালীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে এক যুবক নিহত হয়েছে। সোমবার বেলা ১১টায় ছোট মহেশখালীর সিপাহি পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।  নিহত আকতার কামাল (২৫) মহেশখালীর সিপাহি পাড়ার কবির আহমদের পুত্র।

মহেশখালী থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, দীর্ঘদিন ধরে ছোট মহেশখালীর সিপাহি পাড়ার আকতার কামাল ও মিজান গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। তারই ধারাবাহিকতায় দু’গ্রুপের মধ্যে সকালে বাক-বিতণ্ডা হয়ে সংঘর্ষ লেগে যায়। এক পর্যায়ে আকতার কামাল ছুরিকাঘাত হলে তাকে মহেশখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এব্যাপারে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলেও জানান ওসি প্রদীপ কুমার দাশ।




কক্সবাজারে ১২টি দেশীয় অস্ত্র ও ৮৫ রাউন্ড গুলিসহ ২ জনকে আটক

16508241_1238141676299619_5288189548112440796_n
কক্সবাজার প্রতনিধি:

কক্সবাজারের মহেশখালীর কেরুনতলী পূর্ব নয়া পাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১২টি দেশীয় অস্ত্র ও ৮৫ রাউন্ড গুলিসহ ২ জনকে আটক করেছে র‌্যাব।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার ভোর ৩টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত পাহাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র ও গুলি জব্দ করা হয়। এসময় মো. সেলিম এবং মো. এরশাদুল্লাহ নামে ২ ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তারা ২ জনই মহেশখালীর বাসিন্দা। তাদের আটকের পরে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে জৈনক স্বপনের খামারবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ১২টি দেশীয় অস্ত্র ও ৮৫ রাউন্ড গুলি উদ্বার করা হয়।

কক্সবাজার র‌্যাব ৭ এর কোম্পানী কমান্তার মেজর মো. রুহুল আমিন জানান, আটক সেলিমের বিরুদ্ধে ৩টি হত্যাসহ ১২টি এবং মো. এরশাদের বিরুদ্ধে ৬টি মামলায় গ্রেফতারী পরোয়ানা রয়েছে। তারা মহেশখালী ত্রাস এনাম বাহিনীর সদস্য।




মহেশখালীতে অস্ত্রের কারখানার সন্ধান, অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আটক ২

fb_img_1483576410761-copy

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কক্সবাজারের মহেশখালীতে অস্ত্রের কারখানার সন্ধান পেয়েছে‌ র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৭)। বুধবার সকালে মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়ার আঁধারঘোনা পাহাড়ি এলাকায় এ কারখানার সন্ধান পায় র‌্যাব-৭। এখন পর্যন্ত র‌্যাব অভিযান চালিয়ে ১৫টির বেশি অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলো, ওই গ্রামের মৃত আজম উল্লাহ’র ছেলে মো. আব্দুল মাবুদ(৪০) ও ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের কবির আহমদের ছেলে মো. আবু তাহের (৪২)। কক্সবাজারস্থ র‌্যাব-৭ এর কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আশেকুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহেশখালীর কালারমারছড়ায় অভিযান চালানো হয়। এসময় একটি অস্ত্রের কারখানার সন্ধান পাওয়া গেলে ওখানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়। তবে এখনো অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আর বিস্তারিত কক্সবাজারস্থ র‌্যাব-৭ এর কার্যালয়ে বিকাল ৫টায় প্রেসব্রিফিং করা হবে বলেও জানান র‌্যাবের এ কর্মকর্তা।

অপরদিকে মহেশখালী থানার ওসি বাবুল চন্দ্র বণিক জানান, মহেশখালীর সোনাদিয়া ও কালারমারছড়ায় র‌্যাব এবং পুলিশের যৌথ অভিযান চলছে। সন্ত্রাসী ও অস্ত্র উদ্ধারে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।




আলোকিত সমাজ নির্মাণে ভূমিকা রাখবে পুটিবিলা প্রিজম হাইস্কুল

untitled-1-copy

মহেশখালী প্রতিনিধি:

  মহেশখালীর দক্ষিণ পুটিবিলা প্রিজম হাইস্কুলে নতুন বছরের বই উৎসবে প্রধান অতিথি মহেশখালী কুতুবদিয়ার সাংসদ সদস্য আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক এমপি বলেছে, শিক্ষা অনগ্রসর এলাকার স্কুলটি ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে ক্লাস চালু করেছে। এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। সময়ের সাথে সাথে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে অবশ্যই শিক্ষাকে জীবনের প্রথম কাজ হিসাবে গ্রহণ করতে হবে মা বাবাকে। মহেশখালী শিক্ষার ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়া আজকের এস্কুলটি থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা  আগামী দিনে সু-নাগরিক তৈরী হয়ে আলোকিত সমাজ নির্মাণে ভূমিকা রাখবে। একদিন একটি বই নিয়ে গড়ে তোলা পরিত্যাক্ত ভবনের স্কুলটি মহেশখালীর আলোচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিনত হবে।
দক্ষিণ পুটিবিলা প্রিজম হাইস্কুল (প্রাথমিক ও নিন্ম-মাধ্যমিক শাখা) এর নতুন বই বিতরন উৎসব ২০১৭ বৃহত্তর  গোরকঘাটার সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শামসুল আলম চেয়ারম্যান’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। বিতরণ উৎসব এ বিশেষ অতিথি ছিলেন মহেশখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি)বাবু বিভীষণ কান্তি দাশ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ফজলুল করিম জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ডা. নুরুল আমিন মহেশখালী পৌরসভার কাউন্সিলর আব্দুশুক্কুর,মহেশখালী কলেজ’র অধ্যাপক আশিষ কুমার চক্রবর্তী, প্রভাষক মোস্তফা কামাল সোহাগ, পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু ছিদ্দিক, সমাজ সেবক আব্দুল গফুর ঠিকাদার,  প্রধান শিক্ষিকা খুরশিদা বেগম,উপজেলা ছাত্র লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হলিমুর রশিদ, নুর উদ্দীন মাসুদ, মোবারক হোসেন বারেক, উপজেলা ছাত্র লীগ নেতা আশিক মাহামুদ, ব্যবসায়ী শামসুদ্দোহা, নবাব হোসেন, আনচারুলালাহ, নুরুল আমিন, রাহামত উল্লাহ, সলিম উল্লাহ,আব্দুল মন্নান, রশিদ আহাম্মদ. মহেশখালী প্রেসক্লাব এর সম্পাদক আবুল বশর পারভেজ।

স্কুলটি প্রাথমিক থেকে নতুন বছরে নিন্ম-মাধ্যমিক এ ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করছে। সহকারী শিক্ষিকা কামরুনাহার, সেলিনা আকতার কাজল, ফারহানা সুলতানা, আজিজা খানম, আনজুমান আরা, শাকের উল্লাহ, মোহছেনা আকতার সহায়ক আনোয়ারা বেগম প্রমূখ।

 




মহেশখালীতে গভীর নলকূপ বসাতে গিয়ে গ্যাসের সন্ধান: আগুনে আহত -৪

received_1827785630802522

এম বশির উল্লাহ, মহেশখালী প্রতিনিধি:

মহেশখালীতে গভীর নলকূপ স্থাপন করতে গিয়ে গ্যাসের সন্ধান পেয়েছে এক দল নলকূপ শ্রমিক। আর এ গ্যাস থেকে সৃষ্টি হয়েছে আগুনের লেলিহান শিখা। আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে না পারায়  ফায়ার সার্ভিসের টিম দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। এ সময় ফায়ার সার্ভিসের ৩ কর্মী সহ ৪ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে নলকূপ শ্রমিক আক্তার হোসেন প্রকাশ মনুকে প্রথমে মহেশখালী হাসপাতাল ও পরে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে  মহেশখালী উপজেলার ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের পূর্ব সিপাহীর পাড়া গ্রামে মৃত মোসলেম মিয়ার পুত্র নুরুল হক ডিলারে বাড়ীতে। নুরুল হক ডিলার স্থানীয় লোকাজনের কৃষি সেচ জমিতে পানি সরবরাহের উদ্দেশ্যে একটি গভীর নলকূপ স্থাপনের কাজ শুরু করে ১৫ ডিসেম্ভর থেকে।

গত মঙ্গলবার সকাল ৮টায় নলকূপ শ্রমিকরা ৪ শত ৮০ ফিট গভীরে নলকূপ এর পাইপ স্থাপন করতে গেলে হঠাৎ প্রায় ২ শত ৮০ ফুট পাইপ মাটির নিচ থেকে ছিড়ে গিয়ে ২০০ ফিট পাইপ উপরে চলে আসে। তখন থেকে ২ দিন পর্যন্ত মাটির নিচের পাইপে সন্ধান করতে থাকে নলকূপ শ্রমিকরা।

২৯ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টায় ঐ নলকূপ থেকে আরো কিছু পাইপের অংশ বেরিয়ে আসলে নলকূপ শ্রমিকরা তখন ঐ ফাইপের সাথে নতুন ফাইপ যুক্ত করতে ফাইপের অংশ আগুনে গরম করার সময় নলকূপ থেকে আগুন বিস্তার করে। অনেক চেষ্টা করে আগুন নিভাতে চেষ্টা করে ব্যর্থ হলেও পরে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে।

এ নলকূপ  পাইপের সৃষ্ট আগুনে নলকূপ কর্মী জাগিরাঘোনা এলাকার মোহাম্মদ আমিনের পুত্র আক্তর হোসেন প্রকাশ মনুর মুখমন্ডল আগুনে ঝলসে যায়। প্রশাসনের ভয়ে তারা ঘটনাটি কাউকে না জানার চেষ্টা করে। এ সময় দম কল বাহিনীর ৩ জন সদস্য আংশিকভাবে আহত হয় বলে ষ্টেশন অফিসার ধীমান বড়ুয়া দাবী করেন।

আগুন নিয়ন্ত্রনে এলেও বিগত ৩ দিন থেকে ধারাবাহিক গ্যাসের চাপে পানি বিনাচাপে বের হতে থাকে। কোনভাবে নলকূপ স্থানটি  শত শত বস্তা বালি ও মাটি দিয়ে ভরাট করা যাচ্ছে না। এদিকে এলাকার নারী পুরুষের মাঝে নলকূপের সৃষ্ট আগুনের পর থেকে কৌতুহলের সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর থেকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী পুরুষ এসে গভীর রাত পর্যন্ত ভীড় জমায়।

অপরদিকে বাড়ীর মালিক ও এলাকাবাসি এ নিয়ে চরম আতংকের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। যে কোন সময়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার  সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করেন। ৩১ ডিসেম্বর সংবাদ পেয়ে মহেশখালী উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউএনও বিভীষণ কান্তি দাশ, ইউপি চেয়ারম্যান জিহাদ বিনআলী, শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ ফজলুর করিম, স্থানীয় মেম্বার মোঃ জকরিয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এ সময় ইউএনও নলকূপের পাশ্ববর্তী স্থানে কোন ধরনের আগুনের ব্যবহার থেকে বিরত থাকার জন্য স্থানীয়দের প্রতি অনুরোধ জানান এবং সবাইকে সতর্ক থাকার জন্য আহবান জানান।