সাধারণ মানুষ স্বপ্ন দেখে মহেশখালী হবে সিঙ্গাপুর 

মহেশখালী প্রতিনিধি:

কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলা অদূর ভবিষ্যতে সিংগাপুরের আদলে তৈরি হবে৷ তা আর স্বপ্ন নয়, মহেশখালীর মানুষ এখন তা বাস্তবে লক্ষ্য করছে৷ বর্তমানে মহেশখালীতে সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় দুই লাখ কোটি টাকার বিনিয়োগে আগামী ১০ বছরের মধ্যে হবে বিদ্যুৎ কেন্দ্র, এলএনজি টার্মিনাল ও বেশ কিছু বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল ৷ অংশিদারিত্বের ভিত্তিতে বাংলাদেশের সাথে এসব খাতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী জাপান, চীন, তাইওয়ান, মালয়েশিয়া সহ আরো বেশকিছু দেশ৷

এতে আধুনিক একটি শিল্পাঞ্চলে রুপ নিতে যাচ্ছে মহেশখালী৷ আর এমন সব কর্ম উদ্যোগে সৃষ্টি হবে হাজার হাজার কর্মসংস্থান ও বেকারত্বের হার কমবে বলেও এলাকাবাসীর অভিমত৷ এসবের ভিত্তিতেই স্বপ্ন মহেশখালী হবে সিংগাপুর৷

প্রাকৃতিক অপরুপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি মহেশখালী উপজেলা সোনাদিয়া, মাতারবাড়ি ও ধলঘাটা এ তিনটি ছোট ছোট দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত৷সবমিলিয়ে মহেশখালী উপজেলার আয়তন ৩৬২ দশমিক ১৮ বর্গকিলোমিটার৷ জেলা শহর হতে মহেশখালীর দূরত্ব মাত্র ১২কিলোমিটার৷ উপজেলার উত্তর পূর্বে চকরিয়া উপজেলা, দক্ষিণ পূর্বে কক্সবাজার সদর, দক্ষিণ পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর,  উত্তর পশ্চিমে কুতুবদিয়া উপজেলা৷ উপজেলার উত্তর দক্ষিণমুখী মহেশখালী চ্যানেল দ্বারা আলাদা হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে৷ এ দ্বীপকে কেন্দ্র করে আলাদাভাবে ১০ থেক ১৫টি বড় প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে৷  আর যেগুলো আগামী পাঁচ থেকে দশ বছরের মধ্যে বাস্তবায়ন হবে সেই প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে দশটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র, তিনটি এলএনজি টার্মিনাল ও পাঁচটি বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল৷

এছাড়া সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে৷ এর মধ্যে জ্বালানী তৈল পরিবহনে করা হচ্ছে সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং টার্মিনাল৷ কয়লা খালাসের জন্য করা হচ্ছে আলাদা বড় টার্মিনাল৷ এছাড়া বিদ্যুৎ সঞ্চালন,  রাস্তাঘাট, আবাসন সহ নানা প্রকল্পের মাধ্যমে মাতারবাড়িকে সিঙ্গাপুরের আদলে আলাদা শহর হিসেবে গড়ে তোলা হবে৷ এর মধ্যে ৩৬ হাজার কোটি টাকার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে৷

অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজার সদর থেকে সড়ক পথে ৪০ কিলোমিটার ও নৌপথে চার কিলোমিটার দূরে  মহেশখালী উপজেলার ছোট মহেশখালীর পাহাড়  ঠাকুরতলা, গোরকঘাটা, উত্তর নলবিলা ও ধলঘাটা মৌজায় চারটি অর্থনৈতিক অঞ্চল করার প্রস্তাব করা হয়েছে৷ এ অঞ্চলগুলো যথারিতি মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র হতে বিদ্যুৎ সুবিধা পাওয়া যাবে৷ দেশের দুই সমুদ্র বন্দর থেকে নৌ পথে এর যোগাযোগও ভাল৷

এছাড়া মাতারবাড়ি ইউনিয়নকে একটি আধুনিক টাউনশিপ হিসেবে গড়ে তোলা হবে৷ পাশাপাশি মাতারবাড়িতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, এলএনজি টার্মিনাল, কয়লা আমদানির জন্য জেটি নির্মাণ, মাতারবাড়ি থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন স্থাপন, কক্সবাজার থেকে মাতারবাড়ি পর্যন্ত চার লেনের সড়কসহ সাগরের উপর সেতু নির্মাণ করা হবে ৷

তবে মহেশখালীর উন্নয়নের পাশাপাশি স্থানীয়রা ক্ষতিগ্রস্তও হচ্ছেন৷ মাতারবাড়ির বেশ কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রাথমিক পর্যায় থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত রাজনৈতিক নেতারা ও সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তারা স্বপ্নের সিংগাপুরের গল্প শুনালেও অনেকটা হতাশ এলাকাবাসী ৷ কারণ মাতারবাড়ি বাসীর একমাত্র যাতায়াতের মাধ্যম উত্তর নলবিলা জনতাবাজার-মাতারবাড়ি জিসি সংযোগ সড়ক জন্মলগ্ন থেকেই ভঙ্গুর ৷

শুরুতেই পরিকল্পিতভাবে নির্মাণ  না হওয়ায় বর্ষা মৌসুম শুরু হলেই প্লাবিত হয়ে ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয় ৷ ফলে বারবার সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়৷

এলাকাবাসীর মতে, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের শুরুর পর থেকে এলাকার বিভিন্ন ধরনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত মানুষগুলো এখন বেকার বসে সময় পার করছে৷ হয়তো এদের মধ্যে কেও শ্রমজীবী, কেও পেশাজীবী আর কেও কৃষিজীবী ছিল৷ অনেকেই জমির উপর লবণ ও চিংড়ি চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করত৷ কিন্তু প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণের কারণে অনেকেই বেকার হয়ে পড়েছে৷

মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল কালাম বলেন, পরিকল্পনা অনুসারে সরকার বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ শেষ করেছে৷ আগামী কয়েকমাসের মধ্যেই এর ভূমি উন্নয়নের কাজ শুরু হবে৷ এর কাজ শেষ হলেই সরকার বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের মূল কাজ শুরু করবে৷ এরই মধ্যে সরকার একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের টেন্ডার আহ্বান করেছে৷ যৌথভাবে আরেকটি টেন্ডারকাজ প্রক্রিয়াধীন৷

এরমধ্যে এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের জন্য চুক্তি হয়ে গেছে৷ এর অবকাঠামোগত নির্মাণ কাজ শুরু হবে আগামী সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে৷ এতে স্থানীয়দের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে বলেও তিনি জানান৷

হয়ত সবকিছু ঠিকঠাক মতো হলে আগামী ২০১৮ সালের মার্চের দিকে নির্মাণ কারি প্রতিষ্ঠান তাদের কাজ সম্পন্ন করবে৷

উল্লেখ্য যে, বর্তমানে মাতারবাড়ি একহাজার ২০০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য ভবন নির্মাণের কাজ দ্রুত গতিতে চলছে৷

এ জায়গার পাশাপাশি আরো দু’টি ভবন নির্মাণ করা হবে৷ এছাড়া এলাকাটিতে সরকারের অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বেজা) পর্যটন শিল্প গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে৷




মহেশখালীতে আ’লীগের প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত

মহেশখালী প্রতিনিধি:

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বাঙ্গালীর ইতিহাসে আরেকটি বর্বরতম ইতিহাস রচনা করলো বিএনপি জামাত।

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় দোষীদের বিচারের দাবিতে আয়োজিত সোমবার (২১ আগস্ট) বিকালে প্রতিবাদ সভায় সাংসদ আশেক এ কথা বলেন।

পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও পৌর মেয়র আলহাজ্ব মকছুদ মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গোরকঘাটা বাজার চৌরাস্তার মোড়ে প্রতিবাদ সভায় আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার পাশা চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি এম আজিজুর রহমান, কুতুবজুম ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন খোকন, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক শেখ কামাল, মুক্তিযুদ্ধা সালেহ আহমদ, সাবেক কাউন্সিলর রফিকুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা ব্রজগোপাল ঘোষ, সাবেক চেয়ারম্যান শামসুল আলম প্রমুখ।

এছাড়াও মহেশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগ যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগ, কৃষকলীগ সহ অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।




মহেশখালীতে চাঁদার দাবিতে ৩ যুবককে কুপিয়ে জখম

মহেশখালী প্রতিনিধি:

২০ আগস্ট সকাল ৯টায় মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়ার নোনাছড়িতে সন্ত্রাসীদের হাতে মারাত্মকভাবে হামলার শিকার হয়েছে আমান উল্লাহ (২১) নামে এক যুবক। খালি স্ট্যাম্পে দস্তখত নিয়ে আহতকে পরিবারের মাঝে হস্তান্তর করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, চাঁদার দাবিতে নোনাছড়ি এলাকার আমান উল্লাহ, মাহাবুব ও কামালকে অপহরণ করে মারাত্মতভাবে আহত করেছে অপহরণকারীরা। এদের মধ্যে আমান উল্লাহকে মারধর করেও শান্ত হয়নি তারা, খালি স্ট্যাম্পে সই নিয়ে পরিবারের কাছে তাকে হস্তান্তর করেছে । সে নোনাছড়ি গোদার পাড়ার লেদু মিয়ার পুত্র বলে জানা গেছে।

আহত আমান উল্লাহ জানান, স্থানীয় সন্ত্রাসী সেলিম চৌধুরীর লালিত সন্ত্রাসী সাহাব উদ্দিন, বেলাল, জয়নাল, আবছারের নেতৃত্বে একদল অস্ত্রধারী চাঁদার দাবিতে প্রথমে আমাকে অপহরণ করে পাহাড়ে নিয়ে যায় পরে উপর্যুপরী কুপিয়ে খালি স্ট্যাম্পে আমার বড় ভাইয়ের কাছ থেকে দস্তখত নিয়ে কোন রকমে আমাকে আমার পরিবারের কাছে দেয়।

স্থানীয় হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, আমান উল্লাহর পায়ে, হাতে, শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লেগেছে।

বিষয়টি মহেশখালী থানার সহকারী পুলিশ সুপার রতন দাশ গুপ্তকে অবহিত করা হয়েছে। পুলিশ জানান, অভিযোগ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কালারমারছড়ার ইউপি চেয়ারম্যান তারেক বীন ওসমান শরিফ জানান, সকালের দিকে নোনাছড়ির ৩ যুবককে চাঁদার দাবিতে সেলিমের লোকজন অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে মারধর করার বিষয়টি সঠিক।তিনি এবিষয়টি প্রশাসনিক ভাবে হস্থক্ষেপের আহ্বান জানান।

এদিকে আমান উল্লাহর মা নুরজাহান জানান, সন্ত্রাসীদের অত্যাচারে বাড়িতে থাকতে পারিনা, চাঁদা দিয়ে থাকতে হয়। তাদের বিষয়ে থানা বা কাউকে নালিশ করলে বসত বাড়িতে থাকতে দিবেনা মর্মে নির্যাতন করবে আমাদের। আমরা বাচঁতে চাই। তাই প্রশাসনের কাছে একটু নিরাপত্তা প্রার্থনা করছি।




একযোগে ৬৪ জেলায় ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল টেকনোলজি কোর্স চালুর দাবি

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আওতাধীন সকল স্বাস্থ্য পরিদর্শক, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক এবং স্বাস্থ্য সহকারীগণ তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল টেকনোলজি (কমিউনিটি হেলথ সার্ভিসেস) কোর্স চালুর দাবিতে ৬৪ জেলায় একযোগে দাবি জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) স্ব-স্ব সিভিল সার্জন গণের মাধ্যমে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর স্বারকলিপি প্রদানের মাধ্যমে এ দাবি জানানো হয়।

উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা মোতাবেক সেন্টার ফর মেডিকেল এডুকেশন(সিএমই) কর্তৃক প্রণীত কারিকুলাম অনুসারে ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল টেকনোলজি (কমিউনিটি হেলথ সার্ভিসেস) কোর্স স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় চূড়ান্ত অনুমোদন করা হয় এবং ১০/১১/২০১৬ খ্রি. তারিখে স্বাপকম/চিশিজ-২/প্রশিক্ষণ কোর্স নং-১/২০১৬/৫২২  স্বারকে ডিপ্লোমা কোর্স চালুর নির্দেশনা প্রদান করা হয়। কিন্তু স্বাস্থ্য অধিদপ্তর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আওতাধীন ২৬ হাজার স্বাস্থ্য পরিদর্শক, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক এবং স্বাস্থ্য সহকারীগণের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে।

প্রকাশ, ১৯৯৮ স্বাস্থ্য পরিদর্শক সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক এবং স্বাস্থ্য সহকারীগণের সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাগণের উপস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টেকনিক্যাল পদমর্যাদা প্রদানের ঘোষণা দেন, যা ১৯৯৮ সালে ৭ ডিসেম্বর জাতীয় পত্রিকাগুলোতে প্রকাশিত হয়। এর ধারাবাহিকতায় সকল প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় গত বছর ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল টেকনোলজি (কমিউনিটি হেলথ সার্ভিসেস) কোর্স চালুর চূড়ান্ত অনুমোদন প্রদান করেন।

বাংলাদেশ হেলথ এসিসট্যান্ট এসোসিয়েশনের আহ্বানে কেন্দ্রিয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৬৪ জেলায় একযোগে সকল স্বাস্থ্য পরিদর্শক, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক এবং স্বাস্থ্য সহকারীগণ দাবি জানিয়েছেন। কক্সবাজার জেলায় জেলা কমিটির আহ্বায়ক এম. এনামুল হক এনাম ও সদস্য সচিব মুহাম্মদ মুনির উদ্দিনের নেতৃত্বে প্রদত্ত স্বারকলিপি গ্রহণ করেন, সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুস সালাম। স্বারকলিপি গ্রহণকালে সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুস সালাম সকল স্বাস্থ্য পরিদর্শক, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক এবং স্বাস্থ্য সহকারীগণের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল টেকনোলজি (কমিউনিটি হেলথ সার্ভিসেস) কোর্স চালুর দাবির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেন এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বাস্তবায়নের সুপারিশ করার আশ্বাস প্রদান করেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিভিল সার্জন অফিসের প্রধান সহকারী জনাব রফিকুল ইসলাম, তত্বাবধায়ক জনাব সিরাজুল ইসলাম সবুজ বিএইচএএ সদর উপজেলা সভাপতি হাসান জাহাঙ্গীর, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসাইন, সদর চকরিয়া উপজেলা সাধারণ সম্পাদক পলাশ সুশীল সহ স্বাস্থ্য পরিদর্শক, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও স্বাস্থ্য সহকারীগণ।




মহেশখালীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস পালিত

মহেশখালী প্রতিনিধি:

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস ১৫ আগস্ট মঙ্গলবার মহেশখালীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়।

উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয় শোক দিবস পালন করেন।

জাতীর জনকের শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে আজ ১৫ আগস্ট উপজেলা প্রশাসনের উদ্দ্যোগে বের করা হয় এক শোক র‌্যালি। সকাল ১০টায় উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয় চত্বর থেকে বের হওয়া শোক র‌্যালিটি উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা চত্বর এলাকায় এসে শেষ হয়। পরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আলোচনা সভা, রচনা প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণী  ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোহাম্মদ আবুল কালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হওয়া ওই কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এম আজিজুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব আনওয়ার পাশা চৌধুরী, সহকারী পুলিশ সুপার রতন দে, মহেশখালী অফিসার ইনচার্জ প্রদীপ কুমার দাশ,  উপজেলা সহকারী কমিশনার  ভূমি বিভীষণ কান্তি দাশ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ফরিদুল আলম মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আমজাদ হোসেন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শফিউল আলম শাকিব, সমাজসেবা কর্মকর্তা, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নিরেন্দ্র দে, প্রেসক্লাব সভাপতি হারুনুর রশিদ প্রমুখ ৷

প্রধান অতিথি আশেক উল্লাহ রফিক এমপি তার বক্ত্যবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি চারণ করতে গিয়ে শোকে কাতর হয়ে এ মহান মজলুম জননেতার অবদানের কথা বাংলার মানুষ কখনো ভূলতে পারবেনা বলে নিজের অভিমত ব্যক্ত করেন।

এছাড়াও আওয়ামী লীগ যুবলীগ ছাত্রলীগ কৃষকলীগ শ্রমীক লীগ সহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন৷

উপজেলা মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সকল মাধ্যমিক প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সমূহে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ৪২তম শাহাদাত বার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয় ৷




পৌর কাউন্সিলর কর্তৃক প্রশাসনিক কর্মকর্তা লাঞ্ছিত

 

মহেশখালী প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ পৌর কর্মকর্তা কর্মচারী এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক এবং কক্সবাজার জেলার পৌর কর্মকর্তা কর্মকর্তা/ কর্মচারী এসোসিয়েশনের সভাপতি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. খোরশেদ আলম এর উপর কক্সবাজার পৌরসভার ১০নং ওয়ার্ডের পৌর কাউন্সিলর জাবেদ মোহাম্মদ কায়সার নোবেল কর্তৃক শারীরিক লাঞ্ছিত করায়  মহেশখালী পৌরসভার কর্মকর্তা/ কর্মচারী এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ।

প্রকাশ্যে দিবালোকে প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব রত অবস্থায় শারীরিক ভাবে হামলা করার ঘটনায় বিস্মিত ও হতবাক হয়েছি।অভিলম্বে আমরা ওই ঘটনার সুষ্ঠ বিচার দাবি করছি এবং দোষি ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কক্সবাজার পৌর কতৃপক্ষ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

 




খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ এর উদ্যোগে মহালছড়িতে ফলদ চারা বিতরণ

মহালছড়ি প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিভিন্ন ফলদ চারা বিতরণ করেছে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ। ২৭ জুলাই বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় মহালছড়ি উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর অফিস প্রাঙ্গণে এ চারা বিতরন করা হয়।

এতে মহালছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নাদিম সারোয়ার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর উপ-পরিচালক তরুণ ভট্টাচার্য্য, খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ সদস্য জুয়েল চাকমা, মহালছড়ি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ওঙ্কার বিশ্বাস ও মহালছড়ি সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও মহালছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক রতন কুমার শীল, মহালছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ এএনএম নুরুজ্জামান।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ফলজ ও বনজ গাছ লাগালে শুধু অর্থ উপার্জন হয়না, এতে পরিবেশ রক্ষা হয়, দেশীয় ফল খেয়ে স্বাস্থ্যের জন্যও বিভিন্ন ধরণের পুষ্টি পাওয়া যায়। বর্তমান সরকার সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে বৃক্ষ রোপণের জন্য ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীদের মাঝে সচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে যাচ্ছে।সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্ঠা থাকলে ২০২১ সালের অনেক আগেই বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে। প্রত্যেকে বিভিন্ন ফলদ ও বনজ গাছ লাগিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান তারা।




মহেশখালীতে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ সমাপনী দিনে মৎস্য চাষিদের ক্রেস্ট প্রদান

মহেশখালী প্রতিনিধি:

জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ সমাপনী দিনে মহেশখালী শ্রেষ্ঠ্ মৎস্য চাষিদের সনদ প্রদান ও স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার উপজেলা হল রুমে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ছাবেদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার  মোহাম্মদ আবুল কালাম, বিশেষ অতিথি ছিলেন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নীরদ্র চন্দ্র পাল, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবুল বশর পারভেজ, মৎস অধিদপ্তরের রবি চাকমা প্রমুখ।

সমাপনী দিনে উপজেলার শ্রেষ্ঠ মৎস্য চাষি হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন মাতারবাড়ির ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হায়দার, বড় মহেশখালীর জাফর আলম, আশরাফ ছিদ্দিকী।

নির্বাচিতদের কে ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করা হয়। পরে মৎস্য সপ্তাহ উদযাপনের লক্ষ্যে উপজেলার বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত রচনা প্রতিযোগিতায় ৯জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।




কেন্দ্রীয় ঘোষিত কর্মসূচির আলোকে মহেশখালী পৌরসভার কর্মর্কতা, কর্মচারীগণের অর্ধ দিবস কর্ম বিরতি পালন

মহেশখালী প্রতিনিধি:

মহেশখালী পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ভাতা ও পেনশন সহ অন্যান্য সুবিধাদি রাষ্ট্রীয় কোষাগার হতে প্রদানের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির আলোকে মহেশখালী পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারী এসোসিয়েশন কর্তৃক সোমবার (২৪ জুলাই) অর্ধ দিবস কর্ম বিরতি পালন শেষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ওই আলোচনা সভায় মহেশখালী পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারী এসোসিয়েশনের  সাধারণ সম্পাদক ও জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও বাজার পরিদর্শক আবু তাহের এর  সভাপতিত্বে ও অফিস সহকারী লিটন দে’র পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় একাত্বতা প্রকাশ করেন পৌর কাউন্সিলরগণ। যথাক্রমে ১নং ওয়ার্ডের হামিদুল হক, ২নং ওর্য়াডের আজিজ মিয়া, ৫নং ওয়ার্ডের মকসুদ আলম, ৭নং ওয়ার্ডের সনজিত চক্রবর্তি, ১,২,৩নং মহিলা কমিশনার রাজিয়া সুলতানা।

কর্ম দিবসে বক্তব্য রাখেন, পৌরসভা কর্মকর্তা-কর্মচারী এসোসিয়েশনের  যুগ্ম সম্পাদক ও লাইনেন্স পরির্দশক আনোয়ার পাশা, প্রচার সম্পাদক ও সহকারী এসেসর সনজিদ দাশ, অর্থ সম্পাদক  ও সহকারী কর আদায়কারী প্রনব কান্তি দে, পৌরসভা এসোসিয়েশনের  র্নিবাহী সদস্য এরফান উল্লাহ, সহকারী কর আদায়কারী শাহাদাত হোসেন, কনজারভেসি  ইন্সপেক্টর  আব্দুল মুবিন,  স্বাস্থ্য সহকারী আবুল আসাদ,  অফিস সহায়ক ধনরাম দে,  মালী ও পরিছন্নতা কর্মচারীদের পক্ষে  হাসান আলী, মো. রফিক প্রমুখ।

সভায় বক্ত্যরা বলেন, প্রজাতন্ত্রের  কর্মকর্তা কর্মচারী  হওয়ার স্বার্থে  ও রাষ্ট্রীয় কোষাগার হতে বেতন ভাতা ও পেনশন সুবিধা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত  হতাশা প্রকাশ করেন।  অথচ জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত পৌর নাগরিকদের সকল প্রকার সেবা প্রদান করে থাকেন পৌর কর্মকর্তা কর্মচারীরা। অত্যন্ত  পরিতাপের বিষয় দেশের অধিকাংশ  পৌরসভায় দুই মাস হতে দুই/তিন বছর পর্যন্ত  বেতন ভাতা না পাওয়ায় তাদের দূর্বিসহ জীবন যাপনের চিত্র তুলে ধরেন। তাই বক্ত্যরা অনতি বিলম্বে  কর্মকর্তা কর্মচারীদের  প্রানের দাবি  রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে  বেতন ভাতা পেনশন সুবিধা  আদায়ের লক্ষ্যে  প্রধান মন্ত্রীর শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেন ।

অপর দিকে অন্যান্য পৌরসভার  বেতন ভাতাদি  র্দীঘদিন যাবত বকেয়া থাকলেও যথা সময়ে  অত্র পৌর সভার  মাসিক বেতন ভাতা-ভাতাদি পরিশোধ করা এবং গতকালের  কর্মসূচিতে সার্বিক সহযোগিতা করায় মহেশখালী পৌর মেয়র ও কাউন্সিলরদেরকে ধন্যবাদ জানান তারা।

কেন্দ্র ঘোষিত আগামী দিনের যে কোন কর্মসূচিতে সফল করার প্রত্যায় ব্যক্ত করেন।




মহেশখালীতে নতুন ভোটার তালিকা তৈরিতে ১০৫জনকে প্রশিক্ষণ, মঙ্গলবার থেকে হাল নাগাদ শুরু

 

মহেশখালী প্রতিনিধি:

ছবি যুক্ত নতুন ভোটার তালিকা তৈরি করতে মহেশখালীতে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে। ২৫ জুলাই (মঙ্গলবার)  থেকে নতুন ছবিযুক্ত ভোটার তালিকা তৈরি করতে মহেশখালী উপজেলায় ৮১টি ওয়ার্ডে ১০৫জন তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপার ভাইজারদের ২২জুলাই প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। মহেশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় হল রুমে গতকাল সকালে অনুষ্ঠিত হয়।

প্রশিক্ষণ প্রদান করেন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন এর উপ সচিব মো. আলিমুজ্জামান, জেলা নির্বাচন অফিসার মোজাম্মেল হোসেন, মহেশখালী উপজেলা নির্বাচন অফিসার নুরুল ইসলাম। ২৫ জুলাই (মঙ্গলবার) থেকে তথ্য সংগ্রহকারীরা  বাড়ি বাড়ি তথ্য সংগ্রহ করবেন।

একই সাথে মৃত ব্যক্তিদের ভোটার তালিকা থেকে কর্তন করবেন। যারা ১লা জানুয়ারির ২০০০সালের পূর্বে জন্ম গ্রহণ করেছেন তারা সকলেই নতুন ছবিযুক্ত ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হতে পারবেন। ১৮বছর  এর উর্ধ্বে যারা ভোটার হতে পারেনি তাদের কারণ উল্লেখ পূর্বক প্রত্যয়ন পত্র-প্রদান করতে হবে বলেও উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে।