কক্সবাজারে অস্ত্র ও গুলিসহ আটক ১

Pic 01 (1)
নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার:
কক্সবাজার শহরে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গুলিসহ একজনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে কক্সবাজার শহরের ফিশারীঘাট এলাকায় এ অভিযান চালানো হয় বলে জানান জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি অংসা থোয়াই।

এসময় উদ্ধার করা হয়েছে দেশিয় তৈরী ১ বন্দুক ও ৩ রাউন্ড গুলি।

আটক মোহাম্মদ হোসেন (৪৮) মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকার মৃত মোস্তাক আহহমদের ছেলে।

ওসি অংসা থোয়াই বলেন, মহেশখালী থেকে অস্ত্রপাচার হওয়ার খবরে ডিবি পুলিশের একটি দল কক্সবাজার শহরের ফিশারীঘাট এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় সন্দেহভাজন একজন ব্যক্তিকে থামিয়ে তল্লাশী করা হয়। পরে আটক মোহাম্মদ হোসেনের দেহ তল্লাশী করে কোমড়ে লুকানো অবস্থায় দেশিয় তৈরী একটি বন্দুক ও ৩ রাউন্ড গুলি পাওয়া যায়।

আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ধরনের অপরাধ সংঘটনের অভিযোগে মামলা রয়েছে কিনা পুলিশ তা খতিয়ে দেখছে বলে জানান তিনি।

অংসা থোয়াই জানান, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে কক্সবাজার সদর থানায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।




মহেশখালীতে জলদস্যুদের বিরুদ্ধে জেলেদের মানববন্ধন

17409950_1374912082565889_297074156_n copy

মহেশখালী প্রতিনিধি:

সাগরে জলদস্যুতা বন্ধ করতে মহেশখালী উপকূলের জেলে ও বোট মালিকদের মানববন্ধন। জেলেদের দাবি আমরা বাঁচতে চাই। জলদস্যুদের কবল হইতে আমাদের রক্ষা করুন। অন্যতায় আমরা জীবনের ঝুকি নিয়ে জলদস্যুদের বিরুদ্ধে লড়াই করবো।

২০ দিন ধরে মহেশখালীর ৩০টির ফিশিং ট্রলার ডাকাতির শিকার হয় সাগরের বিভিন্ন পয়েন্টে। এতে ২জন জেলে জলদস্যুদের হাতে প্রাণ হারায়। সোমবার সকাল ১১টায় মহেশখালী বোট মালিক ও জেলেদের আয়োজনে উপজেলা চত্ত্বরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে পৌর মেয়র, সাবেক চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজন অংশ গ্রহণ করে। জেলেদের মুখে প্রতিবাদের ভাষা মরবো না হয় মারবো আর একজন জেলে ভাইকেও মরতে দেব না।

মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে স্বারকলিপি প্রদান করে জেলেরা।  জেলেরা জানান, মহেশখালীর বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তিরা জড়িত রয়েছে বলেও জানান।




কালারমারছড়ায় চিংড়ি জমি নিয়ে বিরোধে একজনকে কুপিয়ে হত্যা

maheskhali pic 8-3-2017 copy

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার:

কক্সবাজারের মহেশখালীতে লবণ মাঠ নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে জয়নাল আবেদিন (৪৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। নিহত জয়নাল আবেদিন মহেশখালী উপজেলার কালারমার ছড়ার ঝাপুয়া এলাকার আবদুল মালেকের ছেলে।

বুধবার বিকাল ৫ টার দিকে মহেশখালী কালারমারছড়া ইউনিয়নের ঝাপুয়া এলাকা এ ঘটনা ঘটে। এতে আহত জয়নাল আবেদিনকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে রাত ৮ টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

নিহত জয়নালের পরিবার সদস্য ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ঝাপুয়া এলাকার লবণ মাঠ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল জয়নাল আবেদিন ও একই এলাকার দলিলুর রহমানের ছেলেদের সাথে। এ বিরোধ মীমাংসা করতে জয়নাল আবেদিন মহেশখালী থানায় একটি আবেদন করেন। এর প্রেক্ষিতে বুধবার সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পুলিশ ফিরে যাওয়ার পর দলিলুর রহমানের ছেলে নাসির উদ্দিন, তৌহিদসহ কয়েকজন ক্ষিপ্ত হয়ে জয়নালকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। বিকাল ৪টার দিকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় জয়নালকে আত্মীয়রা উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. ছাবের জানান, আহত হওয়ার পর বিলম্বে হাতপাতালে নিয়ে আসা হয় জখমিকে। এতে অতিরিক্ত রক্ত করণে তার মৃত্যু হয়।

মহেশখালী থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, লবণ মাঠের বিরোধ নিয়ে পুলিশ তদন্তে যাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিপক্ষরা জয়নালকে কুপিয়ে হত্যা করেছে বলেও শুনেছি। লাশ ময়নাতদন্ত করা হবে। অভিযোগ পাওয়ার পর মামলা হবে। তবে, হত্যার ঘটনা শোনা মাত্রই হামলাকারীদের গ্রেফতার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।




মহেশখালীতে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ১, ৬ পুলিশসহ আহত ২০

IMG_20170303_131826

কক্সবাজার প্রতিনিধি/ মহেশখালী প্রতিনিধি :
মহেশখালীর হোয়ানকের কেরনতলী পাহাড়ী এলাকায় পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে খুইল্যা মিয়া (৩৫) নামে এক ডাকাত। এ ঘটনায় ৬ পুলিশসহ আহত হয়েছে ২০ জন।

শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে এ বন্দুক যুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এসময় ঘটনা স্থল থেকে ১৩টি দেশিয় তৈরী বন্দুক ও ৩০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। নিহত খুইল্যা মিয়া বড় মহেশখালীর মাঝির ডেইল এলাকার আজিম উল্লাহর ছেলে।

মহেশখালী থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানিয়েছেন, নিহত খুইল্যা মিয়া একজন চিহ্নিত ডাকাত এবং সে অস্ত্র তৈরির কারিগর। তার বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ এলাকাধিক মামলা রয়েছে। ডাকাতির প্রস্তুতির খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালালে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় পুলিশের অফিসার সহ ৬ এবং সন্ত্রাসীদের কয়েক জনসহ মোট ২০ জন অাহত হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপার ড. একেএম ইকবাল জানান, সন্ত্রাসী, অস্ত্র ও মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।




মহেশখালীর ইয়াবা সম্রাজ্ঞী ঝামুনি গ্রেফতার

Cox Yabah
নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার
মহেশখালীতে বুধবার রাতে মহেশখালী থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল ইয়াবাসহ এক নারীকে গ্রেফতার করেছে। রাতে মহেশখালী থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশের নেতৃত্বে পরিচালিত এক অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, পুলিশ নিজস্ব গোয়েন্দা সূত্র ব্যবহার করে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। ধৃত ইয়াবা সম্রাজ্ঞীর নাম ঝামু খাতুন ওরফে ঝামুনি বলে জানাগেছে। সে দীর্ঘ দিন থেকে কক্সবাজার-টেকনাফের ইয়াবা সংগ্রহ ও সরবরাহ চক্রের সদস্য হিসেবে কাজ করে আসছিল।

ওসি জানান গত কয়েকদিন থেকে তাকে গ্রেফতার করতে পুলিশ নানা গোয়েন্দা কৌশল অবলম্বন করে আসছিল। সর্বশেষ রাতে পুলিশের জালে আটকা পড়ে সে। এসময় পৌরসভার পুটিবিলা দাসিমাঝি পাড়া এলাকায় তার আস্তায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ দেড় হাজার পিচ ইয়াবা উদ্ধার করে।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে তার বিশাল ইয়াবা কানেকশনের কথা স্বীকার করেছে। এনিয়ে পুলিশ বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরসহ তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।




মহেশখালীর মাদ্রাসা ছাত্রীর উপর হামলাকারী জাহেদুল অস্ত্রসহ আটক 

IMG_20170301_131338 copy

মহেশখালী প্রতিনিধি:

অবশেষে গ্রেফতার করা হয়েছে মাদ্রাসা ছাত্রীর উপর হামলাকারী মহেশখালীর হোয়ানকের জাহেদুল ইসলামকে।

বুধবার সকালে পুলিশ একাধিকবার অভিযান চালিয়ে তাকে মহেশখালী হোয়ানক কেরুনতলীর গহিন থেকে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করা হয়। এসময় জাহেদের কাছ থেকে একটি কাটা বন্দুক ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন মহেশখালী থানার তদন্ত ওসি নাজমুল হক কামাল।

উল্লেখ্য, ২৫ ফ্রেব্রুয়ারি বিকালে বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখান করায় নাহিদার বাড়িতে গিয়ে ঘাতক জাহেদুল ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে  মাদ্রাসা ছাত্রীকে।

এদিকে মহেশখালী থানার পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ দ্রুত আসামীকে গ্রেফতার করার জন্য। অপর দিকে জাহেদুলের শাস্তির দাবিতে সকাল ১১টায় কক্সবাজার সরকারী কলেজের ছাত্রছাত্রীরা মানব বন্ধন করেছে। নাহিদা বর্তমানে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।




মহেশখালীর নতুন সংযুক্ত বিশ মুক্তিযোদ্ধা

unnamed (1) copy

মহেশখালী প্রতিনিধি:

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় কালে মহেশখালী উপজেলার সন্তান তৎকালীন স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান যুদ্ধকালীন যাদের অবদান রয়েছে। যুদ্ধে অংশ গ্রহণ ও স্বাধীনতার পক্ষে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে ভূমিকা রেখেছেন এমন ব্যক্তিদের নিকট থেকে আবেদনকৃত ব্যক্তির আবেদন যাচাই বাছাই করে মহেশখালী উপজেলায় ২০জন মুক্তিযোদ্ধা বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।

সূত্র জানায়,২০১৭ সালে মহেশখালী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাই কমিটির সভাপতি মোস্তাক আহাম্মদ চৌধুরী, সদস্য সচিব ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার  মোহাম্মদ আবুল কালাম উপজেলা কমান্ডার সদস্য পুলিন বিহারী শর্মা, কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল’র প্রতিনিধি আলতাফ হোসেন, মুক্তিযোদ্ধার প্রতিনিধি সদস্য সৈয়দ লকিয়ত উল্লাহ, জামুকার প্রতিনিধি সদস্য ও সাবেক উপজেলা কমান্ডার ছালেহ আহাম্মদ, জেলা কমান্ডার প্রতিনিধি সদস্য কালামিয়া কর্তৃক স্বাক্ষরিত তালিকা সূত্রে জানা যায়, হোয়ানক ইউনিয়নের হরিয়ার ছড়া গ্রামের মৃত মোহাম্মদ ইউচুপ’র পুত্র মাষ্টার মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম (সাধারণ) বড় মহেশখালী ফকিরা ঘোনা গ্রামে মৃত শহর আলীর পুত্র উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব আনোয়ার পাশা চৌধুরী(সাধারণ) ছোট মহেশখালী সিপাহীর পাড়া গ্রামের মৃত আনছুর আলীর আলহাজ্ব নেয়ামত আলী (সাধারণ) কালারমারছড়া আধার ঘোনা এলাকার মৃত আজিজ উদ্দিনের পুত্র শেখ মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার (সাধারণ), গোরকঘাটা এলাকার তাজুল মল্লুকের পুত্র জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এম আজিজুর রহমান বিএ,বড় মহেশখালী মিয়াজীর পাড়া গ্রামের মৃত হাজী মোহাম্মদ জহিরের পুত্র কক্সবাজার মহুকুমা সংগ্রাম কমিটির ট্রেজারার এডভোকেট মওদুদ আহাম্মদ (সাধারণ), কুতুবজোম ইউনিয়নের লুতুর বর পাড়ার হাজী হেফাজতুর রহমানের পুত্র মাষ্টার লেয়াকত আলী (সাধারণ),হোয়ানক ইউনিয়নের কালালিয়া কাটা গ্রামের মৃত হাজী আলী মিয়ার পুত্র মোহাম্মদ মীর কাশেম (সাধারণ), হোয়ানক হামিদুর রহমান পাড়ার মৃত হামিদুর রহমানের পুত্র সাবেক চেয়ারম্যান আলী আহাম্মদ (সাধারণ), ছোট মহেশখালী উত্তর কুল গ্রামের মৃত আলহাজ্ব সাহেব মিয়ার পুত্র অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক মো. বখশ (সাধারণ), ছোট মহেশখালী আদিনাথ ঠাকুরতলা গ্রামের রবীন্দ্র লাল দে’র মেয়ে ননী রানী দে,(বীরঙ্গনা) বড় মহেশখালী মুন্সির ডেইল গ্রামের মৃত মোহাম্মদ ইউচুপ’র পুত্র জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা (সাধারণ), ছোট মহেশখালী আদিনাথ ঠাকুরতলা গ্রামের শচীন্দ্র লাল চক্রবর্তীর মেয়ে চিনু চক্রবর্তী (বীরঙ্গনা)কালারমারছড়া মোহাম্মদ শাহ ঘোনা এলাকা মৃত হাজী ওয়াজ উদ্দিনের পুত্র সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসাইন ইব্রাহিমের পিতা শহীদ মোহাম্মদ শরীফ (শহীদ),শাপলাপুর ইউনিয়নের জাহিদা ঘোনা এলাকার মৃত মৌলানা ছিদ্দিক আহাম্মদের পুত্র ওসমান গনী (সাধারণ) হোয়ানক ইউনিয়নের পুইছড়া গ্রামের মৃত সতীন্দ্র মোহন দত্ত এর পুত্র অধ্যাপক সুকুমার দত্ত (গেরিলা কমিউনিস্ট পার্টি) কুতুবজোম দৈলার পাড়া গ্রামের মৃত আলহাজ্ব কালা চাঁদের পুত্র বশির উল্লাহ খানঁ,(সাধারণ) বড় মহেশখালী হিন্দুপাড়া গ্রামের মৃত আব্দু ছত্তার’র পুত্র মোহাম্মদ ফোরকান বিএ(সাধারণ) বড় মহেশখালী জাগিরা ঘোনা গ্রামের মৃত হাজী আজি উল্লাহর পুত্র আকতার কামাল(সাধারণ), গোরকঘাটা এলাকার মৃত হাজী আবুল বশর’র পুত্র জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ডা. নুরুল আমিন।
কালারমার ছড়ার শহীদ মোহাম্মদ শরীফ চেয়ারম্যানের ছবিটি সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।

এ ব্যপারে, মহেশখালী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাই কমিটির সদস্য সচিব ইউএনও মোহাম্মদ আবুল কালাম জানান, কমিটি কর্তৃক সর্বসম্মতিক্রমে আবেদনকারীদের নিকট থেকে ২০জনের নাম গৃহিত হয়েছে তা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরণ করা হবে।

 




প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মাদ্রাসা ছাত্রীকে কিরিচ দিয়ে কুপিয়েছে বখাটে

FB_IMG_1488205639255
মহেশখালী প্রতিনিধি : প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মহেশখালীর কালারমারছড়ার এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে কিরিচ দিয়ে সারা শরীরে কুপিয়ে জখম করেছে বখাটে।

মহেশখালীর কালারমারছড়া  আর্দশ দাখিল মাদ্রাসার ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী ও ফকিরজুম পাড়ার মো. হোছাইন এর মেয়ে নাহিদা আক্তার (১৬) প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় হোয়ানক পূর্ব হরিয়ারছড়া এলাকার মৌ. লোকমান হাকিমের পুত্র বখাটে জাহেদুল ইসলাম শনিবার বিকালে মেয়ের বাড়িতে অর্তকিত হামলা চালিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে কিরিচ দিয়ে ১০ থেকে ১২টি কোপ দিয়ে শরীর ক্ষতবিক্ষত করেছে।  আহত নাহিদাকে প্রথমে মহেশখালী পরে অবস্থার অবনতি হলে কক্সবাজার সদর হাসাপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

এঘটনায় মেয়ের চাচা হেলাল উদ্দিন  দাবী হয়ে জাহেদুল ইসলামকে প্রধান করে ৭ জনের বিরুদ্ধে মহেশখালী থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

দোষী জাহেদুলকে দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেছে মহেশখালীবাসী। মেয়েটির মুখে, মাথায়, বুকে, পেটে ও হাতে কিরিচের আঘাত রয়েছে বলে জানা গেছে। মেয়েটি বর্তমানে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।




মহেশখালীতে পুলিশ-ডাকাত বন্দুকযুদ্ধঃ বিপুল আগ্নেয়াস্ত্র-গুলি উদ্ধার আটক ১

বন্ধুকযুদ্ধ

কক্সবাজার/মহেশখালী প্রতিনিধি:

কক্সবাজার মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ি দাড়া খাল এলাকায় ২৭ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৮ টার দিকে পুলিশ-ডাকাত বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুলিশের ৪ জন এসআই আহত হয়েছে। আহত অবস্থায় গ্রেফতার হয়েছে উপকূলীয় এক শীর্ষ ডাকাত। উদ্ধার হয়েছে বিপুল অস্ত্র ও গুলি।

ঘটনাস্থল থেকে মহেশখালী থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান মহেশখালী সদর ও মাতারবাড়ি সংযোগ সড়কের দাড়া খাল এলাকায় দীর্ঘ দিন থেকে একটি শক্তিশালী ডাকাত সিন্ডিকেট তৎপরতা চালিয়ে আসছিল। সন্ধ্যা নামলেই সুযোগ বুঝে এরা সড়কে নেমে পড়ে।

২৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার পর এলাকার এই ডাকাত চক্রটি সড়কে ডাকাতির জন্য নেমেছে এরকম খবর পেয়ে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সাদা পোশাকে ওই এলাকায় অবস্থান নেয়। পুলিশ ডাকাতদের চ্যালেঞ্জ করলে ডাকাতরা পুলিশকে লক্ষ করে গুলি চালাতে থাকে। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়ে।

এক পর্যায়ে পুলিশ-ডাকাত বন্দুকযুদ্ধ লেগে যায়। একপর্যায়ে ডাকাতরা পিছু হটলে পুলিশ বেলাল উদ্দিন ওরফে ঝুনু ডাকাতকে গ্রেফতার করে। ঝুনু কালারমার ছড়া ইউনিয়নের উত্তর নলবিলা এলাকার জনৈক আব্দুল গণির পুত্র। সে তালিকাভুক্ত শীর্ষ ডাকাত বলে পুলিশ জানায়।

পরে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ৯ টি অস্ত্র, ৩০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করে। ওসি জানান বন্দুকযদ্ধের ঘটনায় পুলিশের তরফে ৩০ রাউন্ড ও সন্ত্রাসীরা ৩০-৩৫ রাউন্ড গুলি ছুড়ে।

এঘটনায় মাতারবাড়ির ডাকাত শামসু, নুর ইসলামসহ অনেকে পালিয়ে গেছে বলে জানাগেছে। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন এসআই মিনহাজ, এসআই জাহাঙ্গীর, এএসআই সঞ্জয় ও এসআই শাহআলম।

রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। পুলিশের অপর একটি ইউনিট পলাতক ডাকাদের পাকড়াও করতে আশপাশের এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে বলে জানা গেছে। মহেশখালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

 




মহেশখালীতে ইয়াবা ও অস্ত্রসহ দু’জন গ্রেফতার

গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার:

কক্সবাজারের মহেশখালীতে ইয়াবা ও অস্ত্রসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় ১১শ’ পিস ইয়াবা ও ৩টি দেশীয় তৈরি বন্দুকসহ ৫রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।

রবিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মহেশখালী পৌরসভার দক্ষিণ পুটিবিলা দাসমাঝির পাড়া এ অভিযান পরিচালনা করেন মহেশখালী থানার পুলিশ। এসময় ওই এলাকার মৃত এজাহার মিয়ার ছেলে হামিদুর রহমান ও তার মেয়ে সুখিয়ারা বেগমকে গ্রেফতার করা হয়।

মহেশখালী থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকার হামিদুর রহমানের বাড়িতে অভিযান চালান। এসময় বাড়িতে তল্লাশী চালিয়ে ১১শ’ পিস ইয়াবা ও ৩টি দেশীয় তৈরি এলজি ও ৫ রাউন্ড তাজা কার্তজ উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাদক ও অস্ত্র ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলেও জানান ওসি।