সীমানা বিরোধের সংঘর্ষে আহত পানছড়ি ওমরপুরের খোদেজার মৃত্যু

OMAR PUR PIC N copy

নিজস্ব প্রতিবেদক, পানছড়ি:

খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলার ৫নং উল্টাছড়ি ইউপির ওমরপুর গ্রামে সীমানা বিরোধ নিয়ে সংঘর্ষে গুরুতর আহত খোদেজা অবশেষে জীবন যুদ্ধে পরাজিত হয়েছে। রবিবার বেলা ২টার সময় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু ঘটে। মৃত খোদেজার স্বামী কাজিম উদ্দিনও গুরুতর আহতবস্থায় খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ওমরপুর গ্রামের আ. রহিমের ছেলে মো. আলম ও আলমাসের সাথে কাজিম উদ্দিনের সীমানা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। সাবেক ইউপি সদস্য মো. হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে অনেক বার শালিশ হলেও আলম বাহিনী তা বার বার প্রত্যাখান করে।

এর জের ধরে শনিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে বখাটে আলম বাহিনী ধারালো অস্ত্র দিয়ে কাজিম উদ্দিন ও তার স্ত্রী খোদেজাকে এলোপাতাড়ি মাথায় আঘাত করে। আহতবস্থায় দু’জনকে প্রথমে পানছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নতর চিকিৎসার জন্য দু’জনকে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে নিলে খোদেজাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

ররিবার বেলা ২টার দিকে তার মৃত্যূ ঘটে। নিহতের ছেলে খাইরুল মোবাইল ফোনে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। এ ব্যাপারে নিহতের ছেলে খাইরুল বাদী হয়ে আলম, আলমাস ও আবুল কাসেমকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করে। পানছড়ি থানার মামলা নং- ০৩।




মহালছড়িতে জাতির পিতার জন্ম দিবস ও জাতীয় শিশু দিবস-২০১৭ উদযাপিত

SAM_1775

মহালছড়ি প্রতিনিধ :
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, স্বাধীনতার মহান স্থপতি, জাতির পিতা, বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্ম দিবস ও জাতীয় শিশু দিবস-২০১৭ উদযাপনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও জাতির পিতার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজেদের সু-নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিশুদের অংশগ্রহণে ও উপজেলার কোন কোন সরকারী দপ্তরের দেশপ্রেমিক কর্মকর্তা কর্মচারীদের উপস্থিতি এবং উপজেল প্রশাসনের আয়োজনে বিভিন্ন কর্মসূচী পালনের মধ্যে দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি উদযাপন করা হয়েছে।

কর্মসূচীর মধ্যে ছিল চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, আনন্দ র‌্যালি, আলোচনা সভা ও পুরষ্কার বিতরণ। এ দিন মহালছড়ি উপজেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে এক আনন্দ র‌্যালি উপস্থিত যে কজন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ছিলেন তাঁদের অংশগ্রহণে ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও মহালছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে বিশেষ বিদ্যালয়ের ছাত্র/ছাত্রী শিশুদের সরব অংশ গ্রহণে এলাকা প্রদক্ষিণ করে মহালছড়ি মডেল হাই স্কুলে গিয়ে শেষ হয়।

র‌্যালি শেষে হাই স্কুল অডিটরিয়ামে এক আলোচনা সভা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আব্দুল মোমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মহালছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক ও সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রতন কুমার শীল, বিশেষ অতিথি ছিলেন ওসি সেমায়ুন কবির, উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার রামপদ দাশ ও প্রাণি সম্পদ অফিসার তুষার কান্তি চাকমা।

আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন মহালছড়ি হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক নিপুল বিকাশ খীসা। প্রধান অতিথি তাঁর ভাষণে জাতির জনকের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সকল প্রকার জীবনাদর্শ তুলে ধরে জাতির পিতার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সু-নাগরিক গড়ে ওঠার জন্য সকল শিশু ও শিক্ষার্থীদের সুপরামর্শ দেন। পাশাপাশি আগামীতে সব ধরনের শিক্ষা সফরে শিক্ষার্থী ও বিদ্যালয়গুলিকে শিক্ষা সফরে টুঙ্গী পাড়া যাওয়ার জন্য আহ্বান জানান আর এক্ষেত্রে তাঁর নিজস্ব এবং পূর্ণ সহায়তার ঘোষণা দেন।

অন্যান্য অতিথিবৃন্দরা ও বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা জীবন, রাজনৈতিক জীবন ও শিশুদের আইনসঙ্গত অধিকারসহ নানা স্মৃতি চারণমূলক বক্তব্য রাখেন।

এ বারের জাতির পিতার জন্ম দিনের ও জাতীয় শিশু দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল, বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন, বাংলাদেশের খুশির দিন। দিবসটির তাৎপর্যের আলোকে এ দিন মহালছড়ি প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভা সভাপতি দীপক সেনের সভাপতিত্বে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য দান শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, উক্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সম্পাদক সাহাদাৎ হোসেন, সাংবাদিক সানোয়ার হোসেন সহ অন্যান্যরা।

দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠন সমূহ দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য দেন এবং শেষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে মহালছড়ি ইসলামী ফাউন্ডেশন আলোচনা সভা ও ইসলামী মিশন পরিচালিত কেন্দ্রগুলিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৃথক র‌্যালি ও আলোচনা সভা করার নির্দেশ থাকলেও বেলা ১১.০০টায় সাংবাদিকরা গিয়ে দেখতে পায় হাসপাতালে বারান্দায় একটা ব্যানার টাঙ্গিয়ে ৫/৬ জন ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী গল্প করছেন। এ সময় আবাসিক ডাক্তারকেও পাওয়া যায়নি। এদিকে এমন একটি বিশেষ দিবসের অনুষ্ঠান ও কর্মসূচীতে মহালছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছাড়া আর কোন জনপ্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না, এমনকি অধিকাংশ সরকারী দপ্তরের কর্মকর্তাদের বিরাট একটা অংশও অনুপস্থিত ছিলো।

এহেন একটি জাতীয় দিবস তথা জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত না থাকা, এতবড় গুরুত্বপূর্ণ একটি দিবসকে অবজ্ঞা ও অবহেলা করার অর্থ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারকে তুচ্ছ, তচ্ছিল্য ও অবমাননা করা বলে মনে করছেন এলাকার দেশপ্রেমিক, বঙ্গবন্দুর ভক্ত অনুসারী সচেতন জনগণ। এ ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্তা নেয়া হবে বলে সরকারের নিকট তাঁরা প্রত্যাশা করেন।




চাঁদা চাইতে এসে গ্রামবাসীর ধাওয়া খেয়ে আত্মরক্ষার্থে ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে পালালো ইউপিডিএফ’র সন্ত্রাসীরা

17238056_1532400890134804_325318721_n copy

নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি:

জুমিয়াদের কাছে চাঁদা চাইতে এসে গ্রামবাসীর ধাওয়া খেয়ে গুলি ছুঁড়তে ছুঁড়তে পালিয়ে বাঁচলো ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট’র (ইউপিডিএফ) সন্ত্রাসীরা। রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলার মাইচছড়ির ছাতিপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

দেবতা পুকুর এলাকার জনৈক গ্রামবাসী নাম প্রকাশ না করা শর্তে জানান, গত কয়েক দিন ধরে ইউনাইটেড পিপলস্ ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট’র (ইউপিডিএফ) সন্ত্রাসীরা জুম চাষীদের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল।

রবিবার দুপুর ১২টার দিকে ৭/৮ জনের সশস্ত্র সন্ত্রাসী মাইচছড়ির ছাতিপাড়া এলাকায় এসে জুমিয়াদের অস্ত্রের মুখে জুম চাষ বন্ধ করে দেয়। এ নিয়ে এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা হস্তক্ষেপ করে। কিন্তু সন্ত্রাসীরা চাঁদার দাবিতে অনঢ় থাকলে শতাধিক গ্রামবাসী দা-কুড়াল নিয়ে সন্ত্রাসীদের ধাওয়া করলে সন্ত্রাসীরা আত্মরক্ষার্থে গুলি ছুঁড়তে ছুঁড়তে পালিয়ে যায়। ওই প্রত্যক্ষদর্শীর মতে, সন্ত্রাসীরা অন্তত  ১০রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে।

অপর এক গ্রামবাসী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সন্ত্রাসীদের ধরতে পারলেে উচিত শিক্ষা দিতাম।

নিরাপত্তা বাহিনীর সূত্র জানায়, খবর পেয়ে মহালছড়ি জোনের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় রাইফেলের ১০রাউন্ড গুলির খোসা উদ্ধার করে।

তবে মহালছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সেমায়ুন কবীর বলেন, এ ধরনের ঘটনা জানা নেই।




মহালছড়িতে উপজাতীয় সন্ত্রাসী কর্তৃক বাঙালী গৃহবধুর শ্লীলতাহানীর চেষ্টা

ধর্ষণের চেষ্টা

মহালছড়ি প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়ি উপজেলায় ৩নং ক্যাংঘাট ইউনিয়নের ক্যাংঘাট নতুন বাজার এলাকার এক গৃহবধূকে উপজাতীয় সন্ত্রাসী দ্বারা শ্লীলতাহানী চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।

রবিবার মহালছড়ি উপজেলার ৩নং ক্যাংঘাট ইউনিয়ানের ক্যাংঘাট নতুন বাজার এলাকার আব্দুল মান্নানের স্ত্রী মোছা. নাছিমা বেগম (৩২)রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় পার্শ্ববর্তী যাদুনালায় গরুর খাদ্য সংগ্রহ করতে গেলে পাশেই ওৎ পেতে থাকা উপজাতি কিছু লোকজন তার উপর পাশবিক নির্যাতন চালায়।

পরবর্তীতে অজ্ঞান অবস্থায় বাঙ্গালী গৃহবধুরা তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ উপজেলা সদরের হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। কর্তব্যরত ডাক্তার বলেছেন, ডাক্তারী পরীক্ষা শেষে বলা যাবে রোগী শারীরিক নির্যাতিতা হয়েছে কিনা। এদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাঙ্গালী ও উপজাতিদের মধ্য উৎকন্ঠা বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে মহালছড়ি থানার অফিসার্স ইনচার্জ মো. সেমায়ুন কবির চৌধুরীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এরকম একটি ঘটনা শুনেছি তবে এখন পর্যন্ত থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি, অভিযোগ পেলেই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এসময় তিনি আরও বলেন যে কোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পর্যাপ্ত পুলিশি টহল রয়েছে।




রামুতে হাজারো পুণ্যার্থীর শ্রদ্ধা নিবেদনে রত্নপ্রিয় ভিক্ষুকে চির বিদায়

Ramu News Pic (1) 3.3.2017
রামু প্রতিনিধি :
হাজারো পুণ্যার্থীর গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্যদিয়ে সম্পন্ন হয়েছে কক্সবাজার পশ্চিম ঝিলংজা আর্য্য বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত রত্নপ্রিয় ভিক্ষু’র অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠান। শুক্রবার সকাল থেকে (৩ মার্চ) কক্সবাজারের রামু শ্রীকুল মৈত্রী বিহার এবং পার্শ্ববতী মাঠে এ অনুষ্ঠানকে ঘিরে বসেছিল মেলা। সন্ধ্যায় মোমবাতি, ধুপ বাতি ও চন্দন কাঠের আগুনে দাহ করার মধ্যদিয়ে শেষ শ্রদ্ধায় বৌদ্ধ ভিক্ষুকে চির বিদায় জানান ভক্তরা।

এর আগে ভোর থেকে বুদ্ধ পুজা,মহা সংঘদান,অষ্ট উপকরণ দান,আলোচনা সভা, ধর্মসভা, ঐতিহ্যবাহী আলং নৃত্যসহ নানা আয়োজন। আগের দিন বিহার প্রাঙ্গনে আয়োজন করা হয় বুদ্ধ কীর্তন।

বাংলাদেশী বৌদ্ধদের উপ-সংঘরাজ একুশে পদক প্রাপ্ত পন্ডিত ভদন্ত সত্যপ্রিয় মহাথেরর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল। এর আগে সকালের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ৫০ বর্ডার গার্ড রামু’র অধিনায়ক লে. কর্ণেল গোলাম মঞ্জুর ছিদ্দিকী। মহতী পুণ্যানুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, রামু কেন্দ্রীয় সীমা বিহারের অধ্যক্ষ উপ-সংঘরাজ একুশে পদকে ভূষিত পন্ডিত সত্যপ্রিয় মহাথের। বিশেষ অতিথির বক্তব্যদেন রামু উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলম, ইউএনও মোহা. শাজাহান আলি, ওসি প্রভাষ চন্দ্র ধর ও ফতেঁখারকুল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম প্রমুখ।

Ramu News Pic (5) 3.3.2017

অনুষ্ঠানে ধর্মদেশনা করেন, বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভা’র মহাসচিব এস লোকজিৎ থের, রামু উসাই-ছেন রাখাইন (বড় ক্যাং) বৌদ্ধ বিহার অধ্যক্ষ উ-পাঞ্ঞাদীপা মহাথের ,দ্বীপ শ্রীকুল ধর্মরতœ বৌদ্ধ বিহার অধ্যক্ষ উ-পাঞ্ঞাওয়ারা মহাথের, চট্টগ্রাম নন্দনকানন বৌদ্ধ বিহার উপাধ্যক্ষ প্রিয়রত্ন মহাথের ও রামু মৈত্রী বিহার অধ্যক্ষ প্রজ্ঞাতিলোক ভিক্ষু, কুমিল্লা লাকসাম বৌদ্ধ বিহারের শীলানন্দ মহাথের, উখিয়া জ্ঞানসেন বৌদ্ধ ভিক্ষু-শ্রামণ প্রশিক্ষণ ও সাধনা কেন্দ্রের প্রধান পরিচালক কুশলায়ন মহাথের, উখিয়া মৈত্রী বিহারের ধর্র্র্মপাল মহাথের, রামু হাজারিকুল বোধিরত্ন বৌদ্ধ বিহার অধ্যক্ষ প্রজ্ঞাবোধি মহাথের, রামু উত্তর মিঠাছড়ি বিমুক্তি বিদর্শন ভাবনা কেন্দ্রের অধ্যক্ষ করুণাশ্রী থের, উত্তর ফতেখাঁরকুল বিবেকারাম বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ শীলমিত্র থের, উখিয়ারঘোনা জেতবন বৌদ্ধ বিহারের উপাধ্যক্ষ সত্যপ্রিয় থের, কক্সবাজার অগ্রমহা পন্ডিত প্রজ্ঞালোক বৌদ্ধ বিহার ও ধ্যান কেন্দ্রের অধ্যক্ষ প্রজ্ঞাপাল ভিক্ষু প্রমুখ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন রামু কেন্দ্রীয় সীমা বিহারের আবাসিক পরিচালক ‘আমাদের রামু নিউজ ডটকম’ সম্পাদক প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু। অন্যান্যদের মধ্যে প্রয়াত ভদন্ত রত্নপ্রিয় ভিক্ষুর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া উদযাপন পরিষদের কার্যকরি সভাপতি শীলপ্রিয় থের, সাধারণ সুগত রঞ্জন বড়–য়া ও রামু মৈত্রী বিহার পরিচালনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ বড়ুয়া বক্তৃতা করেন। সন্ধ্যায় রেঙ্গুনী কারুকাজে সজ্জিত আলংয়ে স্থাপিত মরদেহে অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে উৎসবের শেষ হয়।

বেলা দেড়টা থেকে শুরু হয় ঐতিহ্যবাহী আলং নৃত্য। দৃষ্টি নন্দন রেঙ্গুনি কারুকাজে সজ্জিত আলং নিয়ে চমৎকার নৃত্যশৈলী প্রদর্শন করেন। কক্সবাজার ও বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে আসা ছয়টি নৃত্যদল। প্রায় বিকাল চারটা  হাজারো পুণ্যার্থী ঐতিহ্যবাহী এ নৃত্য উপভোগ করেন। সন্ধ্যায়  আতশবাতি,মোমবাতি ও চন্দন কাঠের আগুনে সুসজ্জিত আলংয়ে অগ্নিসংযোগের মধ্যদিয়ে শেষ হয় বৌদ্ধ ভিক্ষু ভদন্ত রত্নপ্রিয়’র শেষ কৃত্যানুষ্ঠান।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভার উপ-সংঘরাজ, রামু কেন্দ্রীয় সীমা বিহারের অধ্যক্ষ পন্ডিত সত্যপ্রিয় মহাথের’র প্রিয়শিষ্য প্রয়াত ভদন্ত রত্নপ্রিয় ভিক্ষু’র প্রয়াত ফকির চাঁদ বড়ুয়া ও বেনু বালা বড়ুয়ার তিন পুত্র ও চার কন্যার মধ্যে রত্নপ্রিয় ভিক্ষু (বঙ্কিম চঁন্দ্র বড়ুয়া) ছিলেন ৪র্থ সন্তান। চন্দ্র মাসের ২য় তিথিতে জন্ম গ্রহণ করেন বলেই পিতামাতা পুত্র সন্তানের নাম রাখেন বঙ্কিম চন্দ্র। উখিয়ারঘোনা টেইলা পাড়া মক্তবে শুরু হয় তার বর্ণ পরিচয়। এর বছর দু-এক পর রামু খিজারী এটাস্ট প্রাইমারী স্কুলে (বর্তমান রামু প্রাইমারী স্কুল) ভর্তি হন।

সেখানে প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করে ১৯৫৯ সালে রামু খিজারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মেট্রিকুলেশন পাস করে চট্টগ্রামের হাটহাজারীর নারিজহাট কলেজে ভর্তি হন।  কর্ম জীবনে তিনি একে খাঁন ফ্লাইউড কোম্পানী, সাঙ্গুভেলী টিম্বার ইন্ডাস্ট্রিস,রূপালী ব্যাংক, সর্বশেষ ১৯৮৯ সাল থেকে ২০০২ পর্যন্ত রামু বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অফিস সহকারী হিসাবে কর্মরত ছিলেন।

১৯৮৯ সালে ব্যাংকের চাকুরি ছেড়ে রামু বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। ওই বছর  তিনি এ বিদ্যালয় থেকে অবসর গ্রহণ করেন। এরপর  তিনি নিজেকে জড়িয়ে নেন সামাজিক এবং ধর্মীয় কাজে। ২০১৪ সালের ২ জানুয়ারি রামু সীমা বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত সত্যপ্রিয় মহাথের’র শিষ্য হিসেবে প্রব্রজ্যা গ্রহণ করেন এবং পরের দিন ৩ জানুয়ারি উপসম্পদা লাভ করে রত্নপ্রিয় ভিক্ষু নাম ধারণ করেন। রামু সীমা বিহারে আবাসিক ভিক্ষু হিসেবে এক বর্ষাবাস এবং কক্সবাজার পশ্চিম ঝিলংজা আর্য্য বিহারের বিহারাধ্যক্ষ হিসেবে দুই বর্ষাবাস যাপন করেন।

২০১৬ সালের ২৪ অক্টোবর তাঁর মরণ ব্যাধি লিভার সিরোসিস ও ক্যানসার সনাক্ত হয়। জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রায় দুইমাস শয্যাশায়ী অবস্থায় কাটানোর পর গত গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ’১৭ (সোমবার) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায়  রামু মৈত্রী বিহারে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি তাঁর শবদেহ ধর্মীয় মর্যাদায় পেটিকাবদ্ধ করা হয়।




মহালছড়ি উপজেলায় যথাযথ মর্যাদায় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

SAM_1749 copy

মহালছড়ি প্রতিনিধি:

যথাযোগ্য মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশ ও বিনম্র শ্রদ্ধায় মহালছড়িবাসী উদযাপন ও স্মরণ করলো মাতৃভাষা বাংলাকে বিশ্ব দরবারে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করতে আত্মবলী দানকারী ভাষা শহীদদের স্মরণের রক্তরাঙা মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে।

দিবসটি পালন উপলক্ষে এদিন মহালছড়ি উপজেলা প্রশাসনের গৃহিত কর্মসূচীর মধ্যে ছিল রাত ১২.০১ মিনিটে স্থানীয় শহীদ মিনারে পূষ্পস্তবক অর্পণ, প্রভাতফেরি, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, হাতের লেখা প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ।

দিবসের শুরুতে মহালছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আব্দুল মোমিন’র নেতৃত্বে সকল সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অংশগ্রহণে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে প্রথম স্থানীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

এ সময় তার সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান বিমল কান্তি চাকমা, এরপর পরই স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ তাদের কমান্ডারের নেতৃত্বে, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন সমূহ, সভাপতির নেতৃত্বে মহালছড়ি প্রেসক্লাব, সভাপতির নেতৃত্বে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন, ছাত্রলীগ, জেএসএস মহালছড়ি উপজেলা শাখা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন পর্যায়ক্রমে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এ সময় ভাষা শহীদদের স্মরণে ১ মিনিট নিরবতা পালন শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন মহালছড়ি উপজেলার নির্বাহী অফিসার মো. আব্দুল মোমিন, সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক রতন কুমার শীল এবং পরবর্তীতে বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, জহিরুল হক।

দিবসটিকে যথাযথ সম্মান জানিয়ে এ দিন সরকারী বেসরকারী দপ্তর সমূহে এবং ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধ নমিত রাখা হয়। দিবসের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করে রাজনৈতিক দলগুলি আলোচনা সভার আয়োজন করেন।

মহালছড়ি প্রেসক্লাব  মহান ২১ শে, আমাদের মাতৃভাষা বাংলা ও আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা শীর্ষক এক আলোচনা সভার আয়োজন করে। মহালছড়ি প্রেসক্লাব সভাপতি দীপক সেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই আলোচনা সভায় সাংবাদিক সাহাদাৎ হোসেন, ডা. সানোয়ার হোসেন ও অন্যান্য সাংবাদিকরা বক্তব্য রাখেন।

মঙ্গলবার সকালে উপজেলা সদর এলাকার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রভাতফেরি সহকারে শহীদ মিনারে এসে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং ভাষা শহীদের স্মরণে সকলে একযোগে এক মিনিট নিরবতা পালন করেন।




মহালছড়িতে কাপ্তাই লেকে অবৈধ জাক অপসারণ অভিযান

IMG_20170220_133357

মহালছড়ি প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার মহালছড়ি উপজেলায় ২০শে ফেব্রুয়ারি  মহালছড়ি বাংলাদেশ মৎস উন্নয়ন কর্পোরেশন কতৃক কাপ্তাই লেকে অবৈধ জাক অপসারণ অভিযান চালায় ।

আজ ২০শে ফেব্রুয়ারি রোজ সোমবার বেলা ১১.০০টার সময় মহালছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার  মো. আব্দুল মোমিন উপস্থিত থেকে অবৈধ জাক অপসারণ  অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযান পরিচালনা সময়ে  ১০টি ছোট বড় অবৈধ জাক অপসারণ  করেন। জাক অপসারণ অভিযান শেষে মহালছড়ি বাজারে এসে জালের দোকানে অভিযান পরিচালনা করে  বেশ কিছু কারেন্ট জাল জব্দ  করেন। এসময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যেমে দুটি জালের দোকানে অবৈধ জাল রাখার  জন্য মোট ৫,০০০ টাকা অার্থিক জরিমানা করেন। পর্বতীতে জব্দ কৃত এসব জাল উপজেলা নির্বাহী অফিসারের উপস্থিতিতে পুড়িয়ে ফেলা হয়।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন মহালছড়ি উপজেলা মৎস কর্মকতা শেখ মো. এরশাদ বিন শহীদ, মহালছড়ি মৎস উন্নয়ন কর্পোরেশনের ইনচার্জ মো. নাসরুউল্লা আহমেদ সহ স্থানীয় গন্যমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ।




মহালছড়িতে মৎস উন্নয়ন কর্পোরেশন কতৃক কাপ্তাই লেকে অবৈধ জাক অপসারণ অভিযান 

16837761_749488048561414_696401799_n copy

মহালছড়ি, প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার মহালছড়ি উপজেলায় সোমবার মহালছড়ি বাংলাদেশ মৎস উন্নয়ন কর্পোরেশন কতৃক কাপ্তাই লেকে অবৈধ জাক অপসারণ অভিযান চালায়।

সোমবার বেলা ১১ টার সময় মহালছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আব্দুল মোমিন উপস্থিত থেকে অবৈধ জাক অপসারণ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযান পরিচালনার সময়ে ১০টি ছোট বড় অবৈধ জাক অপসারণ করেন। জাক অপসারণ অভিযান শেষে মহালছড়ি বাজারে এসে জালের দোকানে অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু কারেন্ট জাল জব্দ  করে।

এসময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দুইটি জালের দোকানে অবৈধ জাল রাখার জন্য মোট ৫ হাজার টাকা আর্থিক জরিমানা করে। পরবর্তীতে জব্দকৃত এসব কারেন্ট জাল উপজেলা নির্বাহী অফিসারের উপস্থিতিতে পুড়িয়ে নিষ্ক্রিয় করা হয়।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন মহালছড়ি উপজেলা মৎস কর্মকতা শেখ মো. এরশাদ বিন শহীদ, মহালছড়ি মৎস উন্নয়ন কর্পোরেশনের ইনচার্জ মো. নাসরুউল্লা আহমেদ সহ স্থানীয় গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ।




মহালছড়িতে সরকারের সাফল্য অর্জন ও উন্নয়ন ভাবনা বিষয়ক আলোচনা

16830532_748866275290258_12780791_n copy

মহালছড়ি প্রতিনিধি:

 খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার মহালছড়ি উপজেলায় ১৯ ফেব্রুয়ারি উপজেলা টাউন হলে জেলা তথ্য অফিস ও গণযোগাযোগ অধিদপ্তর উদ্যোগে মহালছড়ি উপজেলা  নির্বাহী অফিসার মো. আব্দুল মোমিন’র সভাপতিত্বে সরকারের সাফল্য অর্জন ও উন্নয়ন ভাবনা নিয়ে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ২৯৮ নং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার সংসদ সদস্য বাবু কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা।

এ সময় সাগত বক্তব্য প্রদান করেন খাগড়াছড়ি জেলা তথ্য অফিসার মো. মোহসিন হোসেন তালুকদার, তার বক্তব্যে বর্তমান সরকারের সাফল্য অর্জন ও উন্নয়ন ভাবনার নানাদিক তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথি ২৯৮নং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার সংসদ সদস্য বাবু কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা তার বক্তব্যে  সরকারের সাফল্য অর্জনের নানাদিক তুলে ধরে বলেন, বর্তমান সরকার বাংলাদেশের মেহনতি মানুষের জন্য কাজ করেন। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর এদেশের কোন মানুষকে না খেয়ে থাকতে হয় না। এ সরকার ক্ষমতায় আসলে দেশের উন্নয়ন হয়, বাংলাদেশ এখন বিশ্ববাসীর কাছে উন্নয়নের রোলমডেল।

এছাড়া আরও বলেন, শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় আছে বলেই পার্বত্য এলাকায় সকল ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করেছেন। পরিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে আগামী নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানান।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, খাগড়াছড়ি পার্বত্য পরিষদের সদস্য বাবু জুয়েল চাকমা, মহালছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বাবু নিলোৎপল খীসা, সাধারণ সম্পাদক বাবু রতন কুমার শীল, মহালছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বিমল কান্তি চাকমা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিস কাকলী খীসা, ভাইস চেয়ারম্যান ক্যাচিং মিং চৌধুরী, মহালছড়ি ডিগ্রি কলেজের অধক্ষ বাবু মৈত্রী প্রসাদ খীসা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. জিয়াউর রহমান, এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ স্থানীয় গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ।




মহালছড়ি উপজেলায় সরকারের উন্নয়ন ভাবনা বিষয় প্রেস ব্রিফিং

IMG_20170218_104412 copy

মহালছড়ি প্রতিনিধি:

পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়ি উপজেলায় ১৮ ফেব্রুয়ারি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিক ও গণমাধ্যম কর্মীদের নিয়ে এক প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মহালছড়ি উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এবং খাগড়াছড়ি জেলা তথ্য অফিস ও গণ যোগাযোগ অধিদপ্তর আয়োজিত ওই প্রেস ব্রিফিং-এ প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত থেকে বর্তমান সরকারের সাফল্য অর্জন ও উন্নয়ন ভাবনা বিষয়ক প্যাকেজ প্রচার কার্যক্রমের আওতায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগ সমূহের ব্রান্ডিং, বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারের অর্জিত সফলতা ও উন্নয়ন ভাবনা, টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য সমূহ (এসডিজি) ভিশন-২০২১ এর লক্ষ্য ও অর্জন সমূহ এবং সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ বিরোধী সরকারের সফলতা বিষয়ক সারগর্ভ বক্তব্য তুলে ধরেন খাগড়াছড়ি জেলার তথ্য অফিসার মো. মহসীন হোসেন তালুকদার।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা তথ্য অফিসের রিপু খীসা ও মো. সোলায়মান, ওই প্রেস ব্রিফিং এ বর্তমান সরকারের বহুমুখী সাফল্যের প্রশংসা ও খাগড়াছড়ি জেলা তথ্য অফিসারের সক্রিয় কর্মকাণ্ডকে অভিনন্দন জানিয়ে বক্তব্য রাখেন মহালছড়ি প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও জাতীয় দৈনিক খবরপত্রের মহালছড়ি প্রতিনিধি দীপকসেন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন মহালছড়ি প্রেসক্লাবের অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।