নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউপিতে ঈদ উপলক্ষ্যে ভিজিএফ চাল বিতরণ

নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি:

পবিত্র ঈদউল ফিতর উপলক্ষ্যে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যেগে গরীব ও দুস্থদের মাঝে ভিজিএফ চাল বিতরণ করা হয়েছে।রবিবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত পৃথক ভাবে ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে চাল বিতরণ করেন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান তসলিম ইকবাল চৌধুরী।

এসময় তিনি বলেন, পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী জেলার অন্যান্য উপজেলার ন্যায় নাইক্ষ্যংছড়ির মানুষের খোঁজ খবর রাখছেন। আগামীতেও প্রতিমন্ত্রী জনগণের মাঝে এ সহায়তা অব্যাহত রাখবেন বলে জানান তিনি।

ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, ঈদ উপলক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুরের পক্ষ থেকে ঈদ উপহার হিসেবে প্রতিজনকে ১০কেজি করে মোট ৩ হাজার ৬২জনের মাঝে চাল বিতরণ করা হয়। জনসাধারণের সুবিধার্থে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় ছাড়াও বিছামারা, চাকপাড়া, চাকঢালা, আশারতলী ও ফুলতলী এলাকায় চাল বিতরণ করা হয়।

ঈদ পূর্বে চাল পেয়ে অনেক পরিবারের মাঝে আনন্দ দেখা গেছে। চাল বিতরণ কালে স্ব স্ব ওয়ার্ডের মেম্বারসহ স্থানীয় রাজনীতি ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।




থানচিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২২ পরিবার ভস্মীভুত

 

থানচি প্রতিনিধি:

থানচিতে ২নং তিন্দু ইউনিয়নের অংথোয়াইপ্রু কারবারী পাড়ায় এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২২ উপজাতি পরিবার পুড়ে ভষ্মীভূত।

শনিবার দুপুর ২টায় উক্যসিং মারমা এর বাড়িতে পলিথিন ব্যাগের সাহায্যে চুলার আগুন ধরাতে গিয়ে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটে।

এ সময় এলাকাবাসীদের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। অংথোয়াইপ্রু পাড়া প্রধান নিংথোয়াইউ কারবারী বলে, আমাদের পাড়ায় মোট ৩০ পরিবারের মধ্যে ২২ পরিবার  প্রাথমিক ভাবে ৮০ লক্ষাধিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

ক্ষতিগ্রস্তরা হচ্ছে উক্যসিং মারমা, ঞোথোয়াইমং  মারমা, উচিং মারমা, থোয়াইচিংমং মারমা, সাথুইপ্রু মারমা, অংচিং মারমা, মংক্যউ মারমা, থোয়াইনুচিং মারমা, মংসেহ্লা মারমা, ম্রাসাংউ মারমা, থোয়াইসাপ্রু মারমা, উশৈমং মারমা, উহ্লামং মারমাসহ সর্বমোট ২২ পরিবার। তাৎক্ষনিকভাবে পরিদর্শনে যান তিন্দু ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মংপ্রুঅং মারমা।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, তাদের জীবনে যার যা সম্বল ছিল পুড়ে ছাই হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত সকল পরিবারকে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষে সর্বাধিক সহযোগিতা করা হবে। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।




পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষ্যে রোয়াংছড়িতে ভিজিএফ চাউল বিতরণ

রোয়াংছড়ি প্রতিনিধি:

রোয়াংছড়ি উপজেলার তারাছা ও নোয়াপতং ইউনিয়নের পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষ্যে গরীব দু:খি পরিবারের মাঝে তারাছা ও নোয়াপতং ইউনিয়নে পৃথক পৃথক ভাবে যথা সময়ে ১০ কেজি পরিমাণের ভিজিএফ চাউল বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় তারাছা ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে রোয়াংছড়ি উপজেলায় নির্বাহী অফিসার মো. দাউদ হোসেন চৌধুরী উপস্থিত থেকে এ চাউল বিতরণ করা হয়।

এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, তারাছা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান উথোয়াইচিং মারমা, ত্রাণ কর্মকর্তা তর্পন দেওয়ান, টেক অফিসার পুলুপ্রু মারমা প্রমুখ।

এছাড়া আরো নোয়াপতং ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে চেয়ারম্যান ভারপ্রাপ্ত উবাপ্রু মারমা ও  টেক অফিসার হিসেবে উপজেলায় শিক্ষা অফিসার ভারপ্রাপ্ত মো. কামাল হোসেন উপস্থিত থেকে পৃথক ভাবে ১০ কেজি পরিমাণে ভিজিএল চাউল বিতরণ করা হয়।

এসময় চেয়ারম্যান উবাপ্রু মারমা বলেন, দেশের পবিত্র রমজান মাসের ঈদ উদযাপন উপলক্ষ্যে সরকার যা দিয়েছে, তা আমরা নোয়াপতং ইউনিয়নের যারা গরীব গণ্য আছে তাদেরকে নিজ হাতে ভিজিএফ চাউল বিতরণ করেছি। আমি ও টেক অফিসার উপস্থিত থেকে চাউল বিতরণ করতে পেরে আনন্দিত হয়েছি। পাহাড়ে এলাকার মানুষেরা সবাই উপস্থিত হয়েছে এবং নিজ নিজ প্রাপ্য চাউলগুলো গ্রহণ করে নিচ্ছে।

এদিকে যারা দরিদ্র পরিবারের আছে তারা এ চাউল পেয়ে অত্যন্ত খুশি হয়েছে। আমার ইউনিয়নে দুর্গম পাহাড়ি এলাকা হলেও এ চাউলগুলো পৌঁছে দিতে পেরে আনন্দিত। আগামীতেও জনগণের পাশে থেকে সহায়তা প্রদান ও সেবা দিতে চাই।




রক্তে মাংসে গড়া রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে সেবা নিয়ে মানুষের দৌঁড়গোড়ায় পৌঁছাতে চাই

নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি:

দায়িত্বভার বুঝে নেওয়ার পরপরই নানা কর্ম পরিকল্পনা নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান তসলিম ইকবাল চৌধুরী।

শুক্রবার সন্ধ্যায় নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাব কর্যালয়ে মতবিনিময়কালে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, দেশের স্বার্থে অনেক কিছু আমাদের এড়িয়ে যেতে হয়। ব্যক্তি রাজনীতিকে প্রাধান্য দিলে এলাকার উন্নয়ন সম্ভব নয়। আমি একজন রক্তে মাংসে গড়া রাজনৈতিক কর্মী। দেখেছি রাজনীতি কর্মী এবং জনপ্রতিনিধির মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। আমরা যারা রাজনীতি করি তাদের প্রত্যেকের উচিত সেবা নিয়ে মানুষের দৌঁড়গোড়ায় পৌঁছানো। আমিও মানুষের দৌঁড় গৌড়ায় পৌঁছতে চাই।

তিনি আরও বলেন, আমি আপনাদেরই একজন। তাই দায়িত্ব বুঝে নিয়ে সর্ব প্রথম আপনাদের কাছে ছুটে এলাম মনের পুঞ্জিভূত আশা আঙ্খাকা প্রকাশ করতে। একটি সময় সংবাদ জগতে আমার বিচরণ থাকায় সাংবাদিকদের মনের বেদনা আমি সবচেয়ে বেশি বুঝি। আগামিতে আমার অবস্থান থেকে আপনাদের আবদার পূরণ করার চেষ্টা করে যাবো। নির্বাচনে যে যার অবস্থান থেকে আমাকে সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।

আইন শৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়ে তিনি বলেন, এলাকার কোন মানুষ যাতে জঙ্গি সন্ত্রাস, চোর-ডাকাত, চাঁদাবাজ দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেজন্য সার্বক্ষণিক প্রশাসনকে সহযোগিতা করে যাবো’। সদর ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে তিনি সাংবাদিকদেরও সহযোগিতা কামনা করেন।

প্রেসক্লাব সভাপতি শামীম ইকবাল চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান আরো বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকসহ এলাকার সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা পেয়েছি। পরিষদের দায়িত্ব পালন করার জন্য ভবিষ্যতেও আপনাদের সর্বাত্তক সহযোগিতা আশা করছি।

প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক আবুল বশর নয়নের পরিচালনায় মতবিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিবিএন বার্তা সম্পাদক ইমাম খাইর, কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক সোহেল সিকদার, নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাব সহ-সভাপতি সাংবাদিক আব্দুল হামিদ, যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম কাজল, সাবেক সভাপতি ইফসান খাঁন ইমন, অর্থ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম (আমিন), তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক জয়নাল আবেদীন টুক্কু, সহ ক্রিড়া সম্পাদক মো. শাহীন, কার্য নির্বাহী সদস্য মুফিজুর রহমান, সদস্য মাহামুদুল হক বাহাদুর, মোহাম্মদ তৈয়ব উল্লাহ, এম আবু শাহমা, মো. ইউনুছ প্রমুখ।

মতবিনিময় সভার আগে প্রেসক্লাবের সকল সদস্যবৃন্দ কাঁচা ফুলের মালা নিয়ে নব নির্বাচিত চেয়ারম্যানকে বরণ করে নেন।

পরে নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান তসলিম ইকবাল ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে আনন্দঘন পরিবেশে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফরিদুল আলমের কাছ থেকে সুশৃঙ্খল ভাবে দায়িত্বভার বুঝে নেন।

এতে মোনাজাত পরিচালনা করেন গর্জনিয়া ফয়জুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. আইয়ুব। ওই অনুষ্ঠানে ইউপি সচিব মছিহুদৌল্লা, ইউপি সদস্য আলী হোসেন, রবিসন বড়ুয়া, ফয়েজ উল্লাহ, আরিফ উল্লাহ ছুট্টু, আবুল হোছন, মো. হাসান, বাদশা আলম, আলী আহমদ, জুহুরা বেগম, ফাতেমা বেগম, লায়লা বেগমসহ গন্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।




থানচিতে আতঙ্ক: ফের অজ্ঞাত রোগে মরছে গবাদিপশু

 

থানচি প্রতিনিধি:

ফের অজ্ঞাত রোগে থানচিতে গরু ও শুকর মারা যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার ১ দিনে  থানচি সদরে ৭টি গরু ২টি শুকর মারা গেছে। এতে করে খামারী ও কৃষকরা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তরে ঈদুল ফিতরে ছুটিতে অবকাশ করায় কোন কর্মকর্তা কর্মচারী না থাকায়। এ পরিস্থিতির ভয়াবহ রুপ নিতে পারে বলেও ভূক্তভোগীরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। উপজেলা সদরে বেশ কয়েকটি পাড়া এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। রোগাক্রান্ত পশুগুলো সুস্থ্য থাকায় অবস্থায় হঠাৎ কেঁপে কেঁপে কয়েক ঘন্টার মধ্যে মারা যাচ্ছে। এছাড়া বেশ কিছু  শুকর ও ইতিমধ্যে মারা গেছে। গত এপ্রিল মাসে এভাবে ২৫টি গরু ও বেশ কয়েকটি শুকর মারা গিয়েছিল।

সরেজমিনে ঘুরে জানা গেছে, ছান্দাক পাড়া ও টিএনটি পাড়া এ দুইটি পাড়া সামশুল সওদাগরে ৩টি, মো. ওসমান ১টি, চিংসামং মারমা ১টি, মো. সেলিম ১টি, রেদাকশে মারমা ১টি, মোট ৭টি গরু ও উবামং কারবারীর ১টি শুকর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে মারা যায়।

থানচি বাজার পরিচালনা কমিটি সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন জানান, একদিকে ঈদের ছুটি অন্যদিকে আমাদের মহল্লা গবাদি পশু মারা যাওয়ায় আমরা খুবই আতঙ্কের মধ্যে জীবন যাপন করছি।

তিনি আরও বলেন, ঈদ তো আমাদের ইসলাম ধর্মীয় মানুষের, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ে অবশ্য অন্য ধর্মীয় লোকও থাকতে পারে। তাদের দিয়ে আক্রান্ত পশুর চিকিৎসা করতে পারলে আতঙ্ক কেটে যেত।

মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা  ডা. কাজী আসফুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, ঈদের ছুটিতে বাড়িতে আছি। তবে  আমার কর্মচারী জাহেদুল ইসলাম খবর দিয়েছে। আমি অপর ধর্মীয় তিনজন কর্মচারীকে শুক্রবার’র মধ্যে অফিসের পৌঁছে দিচ্ছি এবং আলিকদম উপজেলা থেকে রোগাক্রান্ত গরু ও শুকরের সু-চিকিৎসা প্রদানের জন্য দ্রুত যেতে বলেছি।

মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে বান্দরবান জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আনিমুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, আমাদের যত ঈদ আসুক ছুটিতে থাকার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মস্থলে গিয়ে রোগাক্রান্ত গবাদিপশু ও শুকরের সু-চিকিৎসা ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছি।




নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউপি চেয়ারম্যানের শপথ গ্রহণ

নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি:

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। ২২ জুন দুপুরে বান্দরবান জেলা প্রশাসক এর কর্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিক নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান তসলিম ইকবাল চৌধুরীকে শপথ বাক্যপাঠ করান।

শপথবাক্য পাঠ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি।

এ সময় তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নৌকা প্রতীক মনোনয়ন দিয়েছেন। আর জনগণ নৌকা মার্কার যোগ্য প্রার্থীকে নির্বাচিত করায় দলীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। তিনি আরো বলেন, এক সময় বান্দরবানে অভিজ্ঞ নেতৃত্ব ছিল না। এখন নতুনরা সেই যোগ্যতা অর্জন করেছে। আগামীতে তারা প্রধানমন্ত্রীর ভিশন বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।

জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিক বলেন, সরকারি কর্মকর্তার ন্যায় একজন চেয়ারম্যানের কাজ করার নির্দেশনা রয়েছে। অনেক কাজ করার ক্ষমতা আছে তাদের। এরমধ্যে প্রথম কর্তব্য হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা। আশা রাখবো, আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান সব সময় কাজ করবেন এবং প্রশাসনকে সহযোগিতা করবেন। উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সব কিছু চেয়ারম্যানের মাধ্যমে হয়। সে হিসাবে জনগণের কাছে করা প্রতিজ্ঞা পূরণ করার সুযোগও রয়েছে ইউপি চেয়ারম্যানদের।

চেয়ারম্যান তসলিম ইকবাল চৌধুরী তার বক্তব্যে এলাকার সর্বস্তরের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে কর্তব্যকালীন সকলের সহযোগিতা প্রত্যাশা এবং পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীসহ জেলা আওয়ামী লীগের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

শপথবাক্য পাঠ অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান জেলা পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র ইসলাম বেবী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. হারুন অর রশিদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী।




আলীকদমের ‘হিলি লেক ক্যাসেল’ হতে পারে পর্যটনের নতুন সম্ভাবনা

আলীকদম প্রতিনিধি:

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার পাহাড়ি জলাশয় ‘হিলি লেক ক্যাসেল’ হতে পারে পর্যটনের নতুন সম্ভাবনা। উপজেলা সদর থেকে ৫ কিলোমিটার উত্তরে এর অবস্থান। গত কয়েক বছর আগে সরকারি অর্থে মাছ চাষের জন্য কৃত্রিম জলাশয় সৃষ্টি করা হয়। এ জলাশয় ঘিরে রয়েছে পাহাড়। সেখানে কটেজ নির্মাণ করে পর্যটনবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করছে ঢাকা ভিত্তিক একটি বেসরকারি সংস্থা।

সম্প্রতি এলাকাটি ঘুরে দেখেছেন ইউএনও মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান, পার্বত্য জেলাপরিষদ সদস্য মোহাম্মদ মোস্তফা জামান, ওসি কাজী সাইদুর রহমান, স্থানীয় প্রেসক্লাব সভাপতি ও সাংবাদিকরা।

‘পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার পাহাড়ি ক্রিকে মৎস্যচাষ’ প্রকল্পের আওতায় বছর তিনেক আগে নাইক্ষ্যংঝিরির  উথোয়াই মার্মার মালিকানাধীন জমিতে জলাশয়টি সৃজন করে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড। জলাশয় ঘিরে রয়েছে পাহাড়। এখন মাছ চাষ ছাড়াও পর্যটনের নতুন সম্ভাবনার হাতছানি দিচ্ছে এই জলাশয়।

নির্জন পাহাড়ের বুকের জলাশয়টিতে পর্যটনবান্ধব পরিবেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেন উথোয়াই মার্মা। তিনি যোগাযোগ করেন ঢাকার ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান মাল্টিলিঙ্কেজ লি. এর সাথে। তারা জলাশয়টির নামকরণ করেন ‘হিলি লেক ক্যাসেল’। তাদের পরিকল্পনায় লেকের কুলে নির্মিত হচ্ছে কাঠ-বাঁশ দিয়ে কটেজ। সরকারি অনুমতি পেলে বাণিজ্যিকভাবে ভাড়া দেওয়া হবে সেসব কটেজ।

প্রস্তাবিত ‘হিলি লেক ক্যাসেল’ এর পাশের দুটি পাহাড়ে উথোয়াই মারমার জমি ছাড়াও রয়েছে ৫০/৬০ একর সরকারি খাস জমি। বিজ্ঞান ও পরিবেশ সচেতন চিন্তা-চেতনা নির্ভর এবং পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার সংযোজন ঘটানো গেলে ‘হিলি লেকক্যাসেল’ হয়ে ওঠবে প্রাকৃতিক পরিবেশের এক অনন্য পর্যটন কেন্দ্র। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, প্রয়োজনে প্রাইভেট-পাবলিক পার্টনারশিপ (পিপিপি) ভিত্তিতে প্রস্তাবিত এই পর্যটন কেন্দ্র পরিচালনা করা যেতে পারে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে সৃষ্ট কৃত্রিম এই লেক দৈর্ঘ্যে প্রায় ২০০ ফুট এবং প্রস্থে কোথাও ৫০, কোথাও ৩০ ফুট। ১০ থেকে ১৫ ফুট গভীরতার লেকে সম্প্রতি সংযোজন করা হয়েছে কাঠের একটি নৈৗকা। নৌকায় চড়ে বৈঠা চালিয়ে লেকের এপার থেকে ওপারে ঘুরে বেড়ানো যায়।

মাল্টিলিঙ্কেজ লি. প্রতিনিধি হুমায়ুন কবির জানান, তারা প্রশাসনিক অনুমোদন পাওয়ার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন। প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু কাজ করা হয়েছে। অনুমোদনের পর এলাকাটি পর্যটনবান্ধব করে গড়ে তোলা হবে।

যেভাবে যাবেন: আলীকদম বাস স্টেশন থেকে লামা-আলীকদম সড়কের তারাবুনিয়ায় নামতে হবে। সেখান থেকে উত্তরদিকে কাঁচামাটির রাস্তা ধরে বাইকে অথবা পায়ে হেঁটে দুই কিলোমিটার এগুলেই নাইক্ষ্যংঝিরির বুকে‘ হিলি লেক ক্যাসেল’ দেখা যায়।

 




আলীকদমে মাতামুহুরী নদী থেকে জুম চাষীর লাশ উদ্ধার

লামা প্রতিনিধি:

আলীকদম উপজেলার মাতামুহুরী নদী থেকে লিংতই ম্রো (৫০) নামক এক জুম চাষীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টায় উপজেলার চৈক্ষ্যং এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। লিংতই ম্রো ৪নং কুরুক পাতা ইউনিয়নের আমেন পাড়ার লংকক ম্রো এর ছেলে।

করুক পাতা ইউপি চেয়ারম্যান ক্রাতপুং ম্রো জানান, গত ১৯জুন সোমবার লিংতই ম্রো তার জুমের খামারে পূজা করতে যায়। সেখান থেকে সে আর ফিরে আসেনি। অনেক খোঁজাখুজি করেও তার কোন সন্ধান পাওয়া যায় নি। বুধবার স্থানীয় ইউপি সদস্যের মাধ্যমে নদীতে লাশ ভাসার সংবাদ পেলে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ নদী থেকে লাশ উদ্ধার করে।

আলীকদম থানার অফিসার ইনচার্জ লাশ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, ময়না তদন্ত শেষে নিহতের পরিবারের আবেদন অনুসারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




পাহাড়ে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

তিন পার্বত্য জেলায় সন্তু লারমার সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা বছরে ৪ শত কোটি টাকা চাঁদাবাজি করে। চাঁদা না দিলে অপহরণ-খুন করা হয়। পাহাড়ী-বাঙ্গালীদের কাছ থেকে তোলা চাঁদাবাজির এ টাকা দিয়ে সন্ত্রাসীরা অস্ত্র কিনে। আর সে অস্ত্র দিয়ে পার্বত্যবাসীদের হত্যা করে। জেএসএস চাঁদাবাজির টাকা দিয়ে নেতারা আরাম আয়েশে থাকে এবং তাদের ছেলে মেয়েদের বিদেশে পড়া-লেখা করায়।

জুম্মো জাতিস্বত্তার কথা বলে তারা পাহাড়ে বিভেদ ও অশান্তি সৃষ্টি করে চাকমা ছাড়া অন্য ক্ষুদ্র জাতিকে দাবিয়ে রাখতে চায়। সন্তু বাহিনী পাহাড়ি কোন ছেলে-মেয়ের হাতে কলম তুলে দিতে পারেনি। কলমের বদলে তুলে দিয়েছে অস্ত্র। আদর্শ জাতি গঠনের শিক্ষা না দিয়ে তারা সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি করার প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। শান্তি বাহিনীর সৃষ্টির শুরু থেকে এ পর্যন্ত তারা শুধু লুট করেছে। তাদের মতের বিরুদ্ধে গেলে স্থানীয়দের প্রাণ কেড়ে নেয়, নয়তো মোটা অংকের টাকা লুট। লুট করা ছাড়া তারা পাহাড়িদের আর্ত সামাজিক উন্নতি ও অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য কিছুই করতে পারেনি।

মঙ্গলবার রাজবিলা ইউনিয়নের জামছড়ি বাজার এলাকায় আওয়ামী লীগ নেতা মং পু মারমা অপহরণের এক বছর পুর্তি উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা। বান্দরবান সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পাই হ্লা অং মারমার সভাপতিত্বে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মং ক্য চিং চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক লক্ষিপদ দাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক অজিত দাশ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মং হ্নৈ চিং মারমা, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তিং তিং ম্যা মারমা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব চৌধুরী, বান্দরবান সদর ইউপি চেয়ারম্যান সা চ প্রু মারমা, রাজবিলা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ক্য অং প্রু মারমা, ছাত্রলীগ নেতা ম্যা সাইং নু মারমা, মং চ সিং মারমা  বক্তব্য ।

বক্তারা বলেন, সন্তু লারমাসহ জেএসএস নেতা-কর্মীদের মুখোমুখি হয়ে তাদের প্রশ্ন করুন জনসংহতি সমিতি পাহাড়ি কোন জাতির জন্য কি করেছেন। কার স্বার্থের জন্য তারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও চাঁদাবাজি করছে। পাহাড়ের উন্নয়নকে কেন তারা বাঁধাগ্রস্ত করছেন। পাহাড়ে উন্নয়ন হলে জাতি শিক্ষিত ও উন্নত হবে, এটা সন্তু লারমারা চান না কেন। অস্ত্রের ভয়ে আর মাথা নিচু করে থাকার কোন প্রয়োজন নেই। মং পু অপহরণের পর জামছড়ির প্রতিটি পরিবার এখন প্রতিবাদী কন্ঠস্বর। জামছড়ির মতো পাহাড়ের যেখানে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি সেখানে তাদের বিরুদ্ধে ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। পাহাড়ের প্রত্যকটি এলাকা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হলে সন্ত্রাসীরা বান্দরবানে স্থান পাবে না।

বক্তারা আরো বলেন, পাহাড়ে সম্প্রীতি রক্ষার জন্য বীর বাহাদুরের বিকল্প নেই। বীর বাহাদুর সন্ত্রাসকে প্রশ্রয় দেয় না। তিনি সব সময় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে পার্বত্য জেলার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করে যাচ্ছেন। তাই শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য বীর বাহাদুরকে আগামী নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী করার জন্য বক্তারা সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। সমাবেশে মং পু মেম্বারের অপহরণ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি দাবি জানান।

সমাবেশের আগে নেতা মং পু মারমা অপহরণের এক বছর পুর্তি উপলক্ষে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল করা হয়।

উল্লেখ্য ২০১৬ সালের ১৩ জুন রাতে মং পু মেম্বারকে জামছড়ির তার নিজ বাসা থেকে অস্ত্রের মুখে দুর্বৃত্তরা অপহরণ করে নিয়ে যায়। এক বছর পার হলেও এখন পর্যন্ত তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি।




এখানকার এতো মানুষ পাহাড়ে বাসা না বাঁধলে কোথায় থাকবে

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

এখানকার এত মানুষ পাহাড়ে বাসা না বাঁধলে কোথায় থাকবে। আমরা পাহাড়ে বাড়ি করতে কাউকে বাঁধা দেইনা। শুধু বলি পাহাড় ধ্বসের সম্ভাবনা থাকলে পাহাড় থেকে একটু দুরে সরিয়ে ঘর নির্মাণ করতে।

বান্দরবানে ঘূর্ণিঝর মোরা ও সাগরে নিন্মচাপে প্রবল বর্ষণের ফলে সৃষ্ট বন্যা ও পাহাড় ধ্বস নিয়ে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিক একথা বলেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন, পাহাড় ধ্বস বিভিন্ন কারণে হতে পারে। অনেক সময় পাহাড়ের নিচে মাটি সরে গিয়ে গর্তের সৃষ্টি হয়। অধিক বৃষ্টিপাতে উপরের অংশের মাটি নরম হয়েও ধ্বসে পড়ে। এছাড়াও অপরিকল্পিতভাবে পাহাড় কেটে ঘর নির্মাণের ফলেও পাহাড় ধ্বস হয়।

পাহাড় ধ্বসে মাঠি চাপায় প্রত্যেক মৃত ব্যক্তি পরিবারে ২০ হাজার ও আহত পরিবারকে ৫ হাজার করে নগদ টাকা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া আশ্রিতদের মাঝে ২লক্ষ টাকার রান্না করা খাদ্য, ১শ ৬ মে: টন জি আর চাল ও নগদ ৩ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

আরও ৫৯ হাজার ৮২ পরিবারকে ১০ কেজি করে মোট ৫৯০.৮২০ মেঃ টন চাল আগামী ২৩ জুন থেকে বিতরণ করা হবে বলেও তিনি সংবাদ সম্মেলনে জানান। এছাড়া ৩ লক্ষ টাকা জি ক্যাশ ও ৫০ মেঃ টন জি আর চাল মজুদ আছে বলে জেলা প্রশাসক জানান।

সংবাদ সম্মেলনে আরো জানায়, বান্দরবানের ৭টি উপজেলা ও ২টি পৌরসভায় আঘাত হানে। এতে নাইক্ষ্যংছড়ি, আলিকদম ও লামা এ ৩টি উপজেলা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

নিম্নচাপে প্রবল বর্ষণে কয়েকদিনের ব্যবধানে মৌসুমী বায়ু প্রবাহের ফলে ব্যপক বৃষ্টিপাতের ফলে বান্দরবানের সকল নদীর পানি বিপদ সীমা অতিক্রম করে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত ও পাহাড় ধ্বস হয়েছে। পাহাড় ধ্বসে মাটি চাপা পড়ে এ পর্যন্ত ৯জনের প্রাণহানি এবং ৮জন আহত হয়েছে।

এছাড়া ৭টি গবাদি পশুরও মৃত্যু হয়েছে মাটি চাপা পড়ে। এসময় পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিতে বসবাসকারী ২হাজার ৫শ ক্ষতিগ্রস্তদের আশ্রয় দেয়া হয়েছে ১২টি আশ্রয় কেন্দ্রে । ইতিমধ্যে ৭টি আশ্রয় কেন্দ্র বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এখনো ৫টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা রয়েছে। তবে আবহাওয়া ভাল থাকলে দু’একদিনের মধ্যে আশ্রয় কেন্দ্রগুলো বন্ধ করে দেয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) দিদারে আলম মো. মাকসুদ চৌধুরী, জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা মো. আলী আকবরসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।