নাইক্ষ্যংছড়ি কৃষি কর্মকর্তা প্রভাতফেরিতে না যাওয়ায় ইউএনওর ক্ষোভ

নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি:

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে অমর একুশের সকালে খালি পায়ে প্রভাতফেরিতে অংশ না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় খোদ উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ উপজেলা আওয়ামী লীগ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

জানা গেছে, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে প্রস্তুতি সভার সিদ্ধান্তক্রমে ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮ টায় নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রভাতফেরিতে অংশ নেন বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনৈতিক-সামাজিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকসহ সর্বস্তরের জনসাধারণ।

খালি পায়ে প্রভাতফেরি উপজেলা সদরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করলেও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান জুতা পায়ে নির্বাক দাঁড়িয়েছিলেন। এ সংক্রান্ত কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সুশীল সমাজের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। প্রভাতফেরি শেষে তাৎক্ষণিক ক্ষোভ প্রকাশ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম সরওয়ার কামাল।

উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক তসলিম ইকবাল চৌধুরী বলেন, স্বাধীনতার পক্ষের কোন ব্যক্তি অমর অকুশের প্রভাতফেরি দেখার পরও অংশ না নিয়ে থাকতে পারেনা। প্রভাতফেরিতে অংশ না নিয়ে কৃষি কর্মকর্তা নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন বলেও মনে করেন তিনি।

 এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানকে আলোচনা সভা ও পুরষ্কার বিতরণ উপকমিটিতে রাখা হয়। তিনি প্রভাতফেরির পেছনে ছিলেন বলেও দাবি করেন।




রুমায় ৯ পাথর শ্রমিকের কারাদণ্ড

Roma pic-23.2

নিজস্ব প্রতিবেদক,বান্দরবান:

বান্দরবানে রুমায় অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনের দায়ে ৯জন পাথর শ্রমিককে ১৫দিনের কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। বুধবার উপজেলার ১নম্বর পাইন্দু ইউনিয়নে পলি খালে পাথর উত্তোলনের সময় উপজেলা প্রশাসন এ আদেশ দেন।

সূত্র জানায়, পলি খলে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে ৯ জন পাথর শ্রমিককে আটক করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ শরিফুল হক ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে আটককৃতদের ১৫দিন করে কারাদণ্ডের আদেশ দেন। তবে মূল পাথর ব্যবসায়ী আইনের আওতায় আসেনি বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

সূত্র জানায়, দীর্ঘ দিন ধরে উন্নয়ন কাজে ব্যবহারের অজুহাতে স্থানীয় প্রশাসনকে বৃদ্ধা আঙ্গুলি দেখিয়ে রুমা খালসহ বিভিন্ন ঝিরি-ঝরণা থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি উজ্জ্বল ধর, রেমাক্রী প্রাংসা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইউজিন ত্রিপুরা মেস্তারাং, ফ্রান্সিস ত্রিপুরা, লোঙা খুমী, চিংসাথোয়াই মারমা বিল্পব, শৈচিংথুই হেডম্যান, রুমা বাজারে ডা. মনিরুজ্জামান মোল্লাসহ কয়েকজন প্রভাবশালী পাথর ব্যবসায়ী পাথর উত্তোলন করে আসছেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ শরিফুল হক বলেন, ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনকারী ৯জন শ্রমিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের প্রত্যেককে ১৫দিন করে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।




লামায় বাল্যবিবাহ বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক,বান্দরবান:

বান্দরবানের লামায় ৫ম শ্রেণীর ছাত্রীর বাল্যবিবাহ বন্ধ করে দিলেন উপজেলা প্রশাসন। বুধবার রাত ১১টায় কনের বাড়িতে বিবাহের অনুষ্ঠান সম্পাদনের সময় বেরসিক পুলিশ বর ও কনেসহ তাদের পিতা মাতাকে আটক করে।

সূত্র জানায়, মেওলারচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী আসমা আক্তারের সাথে চাঁদুপর জেলার মতলব থানার কালি আইস এলাকার আব্দু রশিদের ছেলে ডুবাই ফেরত মো. কবিরের সাথে বিবাহের প্রায় সব আয়োজন সম্পন্ন হয়। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার খিন ওয়ান নু’র নির্দেশে বুধবার রাতে বিনা দাওয়াতে পুলিশ হাজির হন। পুলিশ বর কনে সহ উভয়ের পরিবারের অভিভাবক ৭জনকে আটক করে নিয়ে উপজেলা নির্বার্হী অফিসারের কার্যালয়ে নিয়ে আসে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে বর কনে ও উভয়ের অভিভাবক থেকে ১৮ বছরের আগে বিয়ে না দেয়ার এবং মেয়েকে নিয়মিত লেখাপড়া করাবে এরকম মুচলেখা নিয়ে তাদেরকে ছেড়ে দেন।




গার্ডার সেতু ও স্কুল ভবন সহ থানচিতে ৮টি উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন

DSC_0651 copy

থানচি প্রতিনিধি:

বান্দরবানের থানচি উপজেলায় ২কোটি ৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সেগুম ঝিরিতে নির্মিত একটি গার্ডার ব্রিজ ও ১ কোটি ২৯ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৪ তলা বিশিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবনসহ ৮টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে। এ উন্নয়নমুলক কাজের উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর (উশৈসিং) এমপি। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে  উপজেলা বিভিন্ন এলাকা নির্মিত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডগুলো উদ্বোধন করা হয় ।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অনির্বান চাকমা, উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল আজিজ, বান্দরবান পৌর মেয়র ইসলাম বেবী, জেলা পরিষদের সদস্য মোজ্জাম্মেল হক বাহাদুর, লক্ষি পদদাশ, থোয়াই হ্লা মং মারমা, ফিলিফ ত্রিপুরা, উপজেলা চেয়ারম্যান ক্যহ্লাচিং মারমা, নির্বাহী অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলমসহ সরকারী বেসরকারী দপ্তরের কর্মকর্তা ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে তিনি হত দরিদ্রদের মাঝে কৃষি কাজের স্প্রে মেসিন, সেলাই মেসিন, ভিজিডি চাউল ও শীত বস্ত্র ( কম্বল) বিতরণ করেন ।




পুলিশ-বিজিবির সাড়াশি অভিযানে বাইশারীতে অপহরণের ৪২ ঘণ্টা পর মুক্ত আবুল বশর

Ovijan

বাইশারী প্রতিনিধি :
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের আলীক্ষ্যং মিরঝিরি গ্রাম থেকে অপহৃত ব্যক্তি আবুল বশর (২৫) দীর্ঘ ৪২ ঘণ্টা পর ২২ ফেব্রুয়ারী ভোর ৬টা ৩০ মিনিটের সময় পুলিশ-বিজিবির সাড়াশি অভিযানে মুক্তিপণ ছাড়াই রামু-ঈদগড়ের বৈদ্য পাড়ার চাইল্যাতলী সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে উদ্ধার হয়েছে বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

গত ২০ ফেব্রুয়ারী ভোর রাত ৩টা ৩০মিনিটের সময় মিরঝিরি নিজ বাসা থেকে আবুল বশরকে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নিয়ে যায়। এর পর থেকে অপহৃত আবুল বশরের মোবাইল ফোন থেকে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবী করে আসছিল অপহরণকারীরা।

খবর পেয়ে পুলিশ-বিজিবির সদস্যরা সম্ভাব্য সকল স্থানে সাড়াশি অভিযান শুরু করে। যার ফলে সন্ত্রাসীরা মুক্তিপণ ছাড়াই অপহৃতকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছে বলে অপহৃত ব্যক্তি আবুল বশর জানান। তিনি আরো জানান, অপহরণের পর থেকে সন্ত্রাসীরা তাকে মুক্তিপণের জন্য বেদম প্রহার করেছে এবং তেমন কোন খাবারও দেয়নি। তাছাড়া তাকে চোখ বাঁধা অবস্থায় গহীন অরণ্যে নিয়ে যায়। সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের দলে ৭/৮ জন লোক ছিল। এদের মধ্যে ৪ জন মুখোশ পরিহিত ও বাকিদের মুখ ছিল খোলা।

বাইশারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আবু মুসা উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত দুইদিন যাবত ঈদগড় পুলিশ, আলীক্ষ্যং পুলিশ ও ৩১ বিজিবির সদস্যরা গহীন বনের সম্ভাব্য সকল স্থানে অভিযান পরিচালনা করেন। তাছাড়া সম্ভাব্য স্থানগুলো ঘেরাও করে রাখা হয়েছিল। এ কারণে সন্ত্রাসীরা অপহৃত যুবক আবুল বশরকে বিনা মুক্তিপণে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছে। তিনি আরো জানান, সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার না করার পর্যন্ত এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।




এক স্কুলকে ঘিরে ৩টি ইটভাটা, শ্বাস কষ্টে ভুগছে শতশত শিক্ষার্থী

Rowangchari pic 22.02

রোয়াংছড়ি প্রতিনিধি :

রোয়াংছড়ির তারাছা ইউপি’র ছাইঙ্গ্যা অঞ্চলে প্রভাবশালী ও সরকার দলীয় নেতাদের ছত্রছায়ায় গড়ে উঠেছে ৩টি  ইটভাটা। গত ৩/৪ বছর ধরে বন বিভাগের সংরক্ষিত বনাঞ্চল হতে মূল্যবান কাঠ কেটে জ্বালানি কাঠ পোড়ানো হচ্ছে এসব ইটভাটায়। অন্যদিকে তিনটি ইট ভাটার মাঝ খানে ৫০ গজে ছাইঙ্গ্যা সরকারি প্রাথমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রায় সাড়ে তিনশ কোমলমতি শিক্ষার্থী অসস্থিতে আছে।

ইটভাটাগুলোর চিমনি থেকে নির্গত দূষিত ধোঁয়ার ফলে শিক্ষার্থীদের শ্বাস কষ্ট ও অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এতে অভিভাবকদেরও দুশ্চিন্তার শেষ নেই। অপরদিকে পার্শ্ববর্তী বন বিভাগের সংরক্ষিত বনের সেগুন, গামার, মেহগনিসহ মূল্যবান কাঠ কেটে জ্বালানো হচ্ছে ইট ভাটাগুলোতে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকার গণ্যমান্যদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বান্দরবানে সরকার দলীয় নেতা প্রভাবশালী  আব্দুর রহিম চৌধুরী’র মেয়ের জামাই মোহাম্মদ নুরুল, পাহাড়িকা আবাসিক হোটেলের মালিক উজ্জ্বল কান্তি দাশ ও মোহাম্মদ মিলন সরকারি বিধিবিধানকে তোয়াক্কা না করে সরকারি অনুমোদন ছাড়াই অবৈধ পন্থায় ইট ভাটাগুলোতে সংরক্ষিত বনের কাঠ কেটে পোড়ানো হচ্ছে।

তিনটি ইট ভাটা মাঝ খানে ৫০ গজের মধ্যে ছাইঙ্গ্যা সরকারি প্রাথমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক উন্নীত বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের ৫০ গজেরও অদূরে দক্ষিণ প্রান্তে আব্দুর রহিমের জামাতা নুরুল, ঠিক উত্তরে মোহাম্মদ মিলন এবং পূর্বে দিকে উজ্জ্বল কান্তি দাশের ইট ভাটায়  চিমনি থেকে প্রচুর ক্ষতিকারক ধোঁয়ায় নির্গত হয়ে ছাত্র-ছাত্রীরা শ্বাস কষ্টে ভুগছেন। প্রতিনিয়ত ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনা ও শিক্ষক-শিক্ষিকার মধ্যে পাঠ দানও ব্যাহত হচ্ছে।

ইটভাটায় জ্বালানি কাঠ সরবরাহকারী শ্রমিক ফোরকান বলেন, দীর্ঘদিন যাবত তিনটি ইটভাটায়  জ্বালানি কাঠ সরবরাহ করে আসছেন। উপজেলা বন বিভাগের সংরক্ষিত বাগান হতে কাঠ কেটে আনার কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, জ্বালানি কাঠের জন্য কোন অনুমোদন লাগে বলেও তার জানা নেই। তাছাড়া পুলিশ ও প্রশাসনকে ইটভাটার মালিকরা ম্যানেজ করেন। জ্বালালি কাঠ বহনকারী গাড়ি চট্টমেট্রো-ট-১১-১৯০৭ এর ড্রাইভার মো. দুলালও একই কথা বলেন।

ওই বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, আমরা সকলেই প্রায় বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত। ইটভাটায় নির্গত ধোঁয়ার কারণে প্রচুর শ্বাস কষ্টে ভুগছি। ধোঁয়া ও ধুলাবালি কাপড়-চোপড়ও নষ্ট হচ্ছে।

প্রধান শিক্ষক সুনীতি বড়ুয়া বলেন, স্কুলের পাশে ৩টি ইটভাটা থাকাতে এখানে যারা আছে সবাই শ্বাস কষ্টে ভুগছে। আমি নিজেই একজন রোগী। প্রতিদিন ৪০-৫০টি গাড়ি যাতায়াতের কারণে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। শুধু তাই নয়, ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুলে আসাও বিপদজনক হয়ে উঠছে। কয়েক দিন পূর্বেও মর্মান্তিক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে। পুলিশ প্রশাসন ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ না নেওয়ায় ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুলের পাঠাতে অভিভাবকগণও শঙ্কিতবোধ করছেন। বিষয়টি ইতোমধ্যে বিদ্যালয় পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তাদের অবহিত করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কোন সুরাহা করা হয়নি।

এসএমসি সভাপতি আইয়ব আনসারি বলেন, এ বিদ্যালয়ে যথেষ্ট ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে। কিন্তু দৈনিক ইটভাটার গাড়ি বেপরোয়া যাতায়াতের কারণে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা আসছেন না। কদিন আগে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় একজন ছাত্রী  মারা গেছেন। স্কুলে এলেও ছাত্ররা শ্বাস কষ্টে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে ধুলাবালি ও ধোঁয়ার কারণে। এব্যাপারে স্কুল কমিটির পক্ষ থেকে কয়েক বার উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হচ্ছে, কোন সুরাহা হয়নি।

ইট ভাটা ম্যানাজার দিনো, জামাল উদ্দীন, আবুতৈয়ব বলেন, এখানে দৈনিক প্রায় ১৫০ জন শ্রমিক কাজ করেন। তার মধ্যে ১০-১২ বছর বয়সী শিশু শ্রমিক ৮ জন আছে। সরকারি অনুমতিপত্র আছে কিনা তা তারা জানেন না।

যোগাযোগ করা হলে উজ্জ্বল কান্তি দাশ বলেন, ইটভাটার স্থাপনের জন্য আবেদন করেছি কিন্তু অনুমতি পত্র এখনো পাইনি। তাই হাইকোর্টে রিট করেছি। যতদিন ডিসি সাহেব লাইসেন্স দিতে পারবে না ততদিন পর্যন্ত হাইকোর্টের রিট নিয়ে কাজ করতে পারব।

মোহাম্মদ মিলন মুঠোফোনে বলেন, পাহাড়িকা আবাসিক মালিক উজ্জ্বল দাদার সাথে যোগাযোগ করুন তিনি আপনাদের, সাংবাদিককে ম্যানেজ করবেন। এব্যাপারে জানতে চেয়ে উপজেলার শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ কামাল হোসেনকে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি। রোয়াংড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দাউদ হোসেন চৌধুরীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন ডিসি অফিসের ট্রেনিং-এ আছি। তাই তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

 




 বাইশারীতে উপকারভোগীদের মাঝে ভিজিডি কার্ড বিতরণ

BGD copy

বাইশারী প্রতিনিধি:

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারীতে ৬৬০ উপকারভোগী হত দরিদ্রের মাঝে ভিজিডি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার দুপুর এক টায় এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এসব কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। বাইশারী ইউপি চেয়ারম্যান মো. আলম কোম্পানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কার্ড বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম সরওয়ার কামাল।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাইশারী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বাহাদুর, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কামাল উদ্দিন, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি শাহ্ সিরাজুর রহমান সজল, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মংথোয়াইহ্লা মার্মা, যুবলীগ সভাপতি মো. আবুল কালাম, ইউপি সদস্য মো. আনোয়ার, আনোয়ার ছাদেক, আবু তাহের, নুরুল আজিম, ইউপি সদস্যা সাবেকুন্নাহার, সেলিনা আক্তার বেবি প্রমুখ।

যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনকে রাশেদের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম সরওয়ার কামাল বলেন, বর্তমান সরকার গরীব, অসহায়, দুস্থদের উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারী সহযোগিতা অর্থাৎ প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাউল বরাদ্ধ দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, সরকারী মালের যেন সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয় এবং এ মালামাল দিয়ে পরিবারের সদস্যরা যেন স্বচ্ছলভাবে বেঁচে থাকতে পারে সেদিকে জনপ্রতিনিধিদের লক্ষ্য রাখার পাশাপাশি কেউ যেন সরকারী চাউল বাজারে বিক্রি করতে না পারে সে বিষয়ে সকল উপকারভোগীদের সতর্ক করে দেন।




প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুরের আগমন উপলক্ষে থানচিতে চলছে প্রস্তুতি

Untitled-1 copy

থানচি প্রতিনিধি:

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও বান্দরবান ৩০০ আসনের সংসদ বীর বাহাদুর ( উশৈসিং) এমপি সরকারী সফরে থানচি উপজেলা  আসবেন ২৩ফেব্রুয়ারি। ওই দিন সকাল পৌনে ১০টায় থানচি উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে উপস্থিত হবেন।

এ উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ, প্রশাসন যৌথ উদ্যোগে  কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনি সহ সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। বীর বাহাদুরের আগমন উপলক্ষে সাংগু সেতুর শেষ অংশে ও বাস স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় গেইট নির্মান কাজ চলছে।

তিনি সরকারী উন্নয়ন তহবিল হতে নব নির্মিত ও বাস্তবায়িত ৭/৮টি প্রকল্পের উদ্বোধন করে জনসাধারণে ব্যবহারের উপযোগী করে তুলবেন। প্রকল্পের মধ্যে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে অর্থায়নে থানচি উচ্চ বিদ্যালয়ের  ৩য় তলা ভবন,  পার্বত্য উন্নয়ন বোর্ড অর্থায়নে সেগুম ঝিড়িতে সেতু , বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগার ভবন, জেলা পরিষদের অর্থায়নে  দাকছৈ পাড়া বৌদ্ধ বিহারের উপাসকদের জন্য নির্মিত ভাবনা কেন্দ্রের ভবন, থানচি বান্দরবান সড়ক হতে হাইল মারা পাড়া যাওয়ার রাস্তা সিসি করণ, বাগান পাড়া হতে হিন্দু পাড়া রাস্তা সিসিকরণ, বান্দরবান থানচি সড়ক হতে মংনাই পাড়া রাস্তা উপর ব্রিক্স সলিং প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন।  উদ্বোধন শেষে  বলিপাড়া বাজার ভেজিট্যাবল সেট’র স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সরকারী বেসরকারী কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় ও জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করবেন । জনসভা শেষে হত দরিদ্র শীতার্তদের মাঝে শীত বস্ত্র কম্বল বিতরণ করবেন বলেও সংশ্লিষ্টরা জানান।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী  বীর বাহাদুর (উশৈসিং) এমপি আগমনে উপলক্ষে নব নির্মিত ভবন, রাস্তা ইত্যাদিতে নতুন রুপে সাজানো হয়েছে। উপজেলা পরিষদ, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টরা ইতিমধ্যে আইন শৃঙ্খলা নিরাপত্তা বেষ্টনিসহ সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর (উশৈসিং) এমপির সাথে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, পার্বত্য উন্নয়ন বোর্ড’র নির্বাহী প্রকৌশলী, জেলা পরিষদ নির্বাহী প্রকৌশলী ও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীগণ থাকবেন বলেও আশা করছেন।

উপজেলা চেয়ারম্যান ক্যহ্লাচিং মারমা  জানান, থানচিবাসীদের প্রাণ প্রিয় নেতাকে আমাদের অফুরন্ত ভালবাসা শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে বরণ করা এবং নিরাপত্তা বেষ্টনিসহ সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।




বান্দরবান ট্রাস্টের গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের চেক বিতরণ

Bandarban Dc pic-1, 20.2

নিজস্ব প্রতিবেদক,বান্দরবান:

অর্থের অভাবে যেন গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা লেখাপড়া করতে পারে সে জন্য বান্দরবান ট্রাস্টের পক্ষ থেকে অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার বান্দরবান জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অডিটরিয়ামে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বান্দরবান ট্রাস্টের তহবিল থেকে গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিক।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো.দিদারে আলম মাকসুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শম্পা রানী সাহা, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো.আব্দুল কুদুচ্ছ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন চৌধুরী, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য মো. শফিকুর রহমান, সাবেক পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংক্যচিং চৌধুরৗ, অধ্যাপক থানজামা লুসাই, প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চু, সমাজসেবক অমল দাশসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।

বান্দরবান ট্রাস্টের তহবিল থেকে জেলা ও উপজেলার মোট ৫০জন গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় লক্ষাধিক টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

জেলা প্রশাসক বলেন, বান্দরবান ট্রাস্ট গরীব ও অসহায় শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করছে। বান্দরবান ট্রাস্টের পাশাপাশি আমাদের সকলকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের উন্নত লেখাপড়ার সুযোগের জন্য কাজ করতে হবে। পড়ালেখার সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করে প্রত্যেক শিক্ষার্থী যেন মানুষের মত মানুষ হয় সেদিকে শিক্ষকের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও নজর দিতে হবে।




বান্দরবানে সেনা জোন জামে মসজিদের উদ্বোধন

Bandarban Armi pic-2, 20.2

নিজস্ব প্রতিবেদক,বান্দরবান:

বান্দরবানে পুনর্নির্মিত সেনা জোন জামে মসজিদের উদ্বোধন করা হযেছে। সোমবার পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে ফিতা কেটে মসজিদের উদ্বোধন করেন।

এসময় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের  ইসলামিক ফাউন্ডেশনের গভর্নর প্রফেসর ড. আবু রেজা মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন নদভী এমপি ৬৯ পদাতিক ব্রিগ্রেড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহম্মদ যুবায়ের সালেহীন, পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা, সদর জোন কমান্ডার লে.কর্ণেল মো.মশিউর রহমান জুয়েল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হারুন অর রশীদ,পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য মো.শফিকুর রহমান, সদস্য কাজল কান্তি দাশ, পৌর মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবী, আল্লামা ফজলুল্লাহ ফাউন্ডেশনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক আল জাহরানি আবদুল্লাহ ফয়সাল, পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য লক্ষীপদ দাস, মোজাম্মেল হক বাহাদুরসহ নিরাপত্তাবাহিনীর বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা -কর্মচারী  ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় শুভেচ্ছা বক্তব্য দিতে গিয়ে সদর জোন কমান্ডার লে.কর্ণেল মো.মশিউর রহমান জুয়েল পিএসসি জানান, আনুমানিক ১৯২০ সালে বান্দরবানের সাংগু নদীর পাড়ে চট্টগ্রাম সাতকানিয়ার আমিরাবাদ থেকে আগত ৪জন বিশিষ্ট ব্যক্তিরা মিলিত হয়ে একটি মাটির তৈরি মসজিদ নির্মাণ করে, পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালে বান্দরবান সেনা নিবাস প্রতিষ্ঠার সময়ে মাটির তৈরি মসজিদটি নিরাপত্তাবাহিনীর আওতায় চলে আসে, এরপর ১৯৮৭ সালে তৎকালিন মাটির তৈরি মসজিদটিকে পূর্ণ সংস্কার করে টিনশেডের একটি মসজিদে রুপান্তর করা হয়। ১৯৮৭ সাল হতে ২০১৬সাল পর্যন্ত এ মসজিদটি একই অবস্থায়  বিদ্যমান থাকলেও পরবর্তীতে ১১জুন ২০১৬  তারিখে বান্দরবান সদরের তত্ববধানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি এবং প্রফেসর ড. আবু রেজা মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন নদভী এমপির আন্তরিক প্রচেষ্টায় মসজিদটি পুনর্নির্মাণের জন্য ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। আর এর মধ্য দিয়ে একবছরের মধ্যে ১তলা বিশিষ্ট মসজিদের কাজ শেষ হয়েছে।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের গভর্নর প্রফেসর ড. আবু রেজা মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন নদভী এমপি বলেন, বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ছোয়া সর্বত্র লেগেছে। সরকারের উন্নয়নের অংশ হিসেবে পার্বত্য জেলার আনাচে কানাছে আজ মসজিদ, মন্দিরসহ নানান ধর্র্মীয় উপসনালয় প্রতিষ্ঠা হচ্ছে। তিনি সৌদি সরকারের সহযোগিতায় বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে মসজিদ নির্মাণ করায় আল্লামা ফজলুল্লাহ ফাউন্ডেশনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক আল জাহরানি আবদুল্লাহ ফয়সাল সৌদি বাদশাকে ধন্যবাদ  প্রকাশ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি বলেন, বর্তমান সরকার উন্নয়ন বান্ধব সরকার, সরকারের আন্তরিকতায় আমরা পার্বত্য এলাকার উন্নয়নে আরও বেশি ভূমিকা রাখতে পেরেছি। পার্বত্য এলাকার উন্নয়নে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা, চিকিৎসার উন্নয়ন ও সর্বোপরি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণে এলাকায় ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। আগামীতে এলাকার উন্নয়নে আরও বেশ কিছু উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড করার ঘোষণার পাশাপাশি পুনর্নির্মিত জোন সদর জামে মসজিদের বাকী অসমাপ্ত কাজ পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে সমাপ্ত করে দেওয়ার আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানের শেষে ফিতা কেটে মসজিদের উদ্বোধন ও মসজিদের সম্মুখে বৃক্ষরোপন করেন প্রধান অতিথি।