কক্সবাজারের হোটেল থেকে নাইক্ষ্যংছড়ির আ’লীগ নেতার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

18156644 copy

বাইশারী প্রতিনিধি:

কক্সবাজার শহরের হোটেল ‘পালংক্যি’ থেকে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ইসমাঈল হোসেনের (৫০) মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।  রোববার বিকেলে হোটেলের ১০৭ নম্বর রুমে বৈদ্যুতিক পাখার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মৃতদেহ পাওয়া যায়।

কক্সবাজার সদর থানার পরিদর্শক (ওসি, তদন্ত) কামরুল আজম বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হোটেল ম্যানেজার ও রুম বয়কে আটক করা হয়েছে।’

স্থানীয় সূত্র জানায়, গোলাম রসূল মোল্লার ছেলে ইসমাঈল হোসেনের আদি বাড়ি বরিশাল বিভাগে। তৎকালিন বাংলাদেশ রাইফেলস্ নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নে চাকুরির কারণে নাইক্ষ্যংছড়িতে তার আগমন। পরে তিনি নাইক্ষ্যংছড়ি সদরের মসজিদ পাড়া এলাকার বাসিন্দা গুলাল মেম্বারের মেয়ে জোৎস্না আক্তারের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের সাংসারিক জীবনে তিন কন্যা সন্তান রয়েছে।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক তসলিম ইকবাল চৌধুরী বলেন, ‘ইসমাঈল হোসেন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্যাগি নেতা ছিলেন। তিনি ইতোপূর্বে দুই মেয়াদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। আসন্ন উপজেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে তিনি সভাপতি পদে লড়বেন বলে ঘোষণাও দিয়েছিল। তার অকাল মৃত্যুতে আমরা শোকাহত।’

উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক এক নেতা বলেন, ‘ইসমাঈল হোসেন আসন্ন উপজেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিল ও পারিবারিক কারণে দীর্ঘদিন  অনেক টেনশনে ছিল। এ কারণে এ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটতে পারে। এদিকে নিহত ইসমাঈল হোসেন তার ফেসবুক এ্যাকাউন্টে সর্বশেষ ২৯ এপ্রিল নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক মো. শফিউল্লাহকে নিয়ে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিল। ওই স্ট্যাটাসে শফিউল্লাহ আওয়ামী লীগের ক্ষতি করছে এবং তাকে হুমকি দিয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন। পাশাপাশি আসন্ন উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে কাউন্সিলরদের কাছে সঠিক নেতা নির্বাচিত করার অনুরোধও জানান।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মো.শফিউল্লাহ বলেন, ‘ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও অনেক এমপিকে নিয়েও অনেকে আপত্তিকর মন্তব্য ও পোস্ট করছে। আমার বিরুদ্ধে ফেসবুকেতো দূরের কথা যারা সরাসরিও কথা বলেন আমি কখনো তাদেরকে কিছু বলিনা। ইসমাঈল হোসেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা ছিলেন। আমরা তাকে এভাবে হারাবো কল্পনাও করিনি।




আত্মবিশ্বাসী হয়ে নিজেকে এগিয়ে নিতে হবে

unnamed copy

নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি:

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সোনাইছড়ি সফর করেছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোট বিভাগের বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিং। রবিবার সকালে তিনি দুর্গম সোনাইছড়ি ইউনিয়নের সোনাইছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, নিজেদেরকে জয় করতে হলে লেখাপড়ার মাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী হয়ে এগিয়ে যেতে হবে। আত্মবিশ্বাস এমনি এক অধ্যায়, যা বদলে দিতে পারে তোমাদের চিন্তা-শক্তিকে। ভাবাতে পারে নতুন করে। নিজেকে গণ্ডির ভেতর আবদ্ধ না রেখে পাখির ডানার মতো উড়ে যাওয়ার সাহস যোগাও। দেখবে সবার চেয়ে ছাড়িয়ে গেছো তুমি।

এসময় তিনি বিদ্যালয়ে বৈদ্যুতিক ফ্যান, লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং বিদ্যালয় সরকারি করণে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার জন্য প্রশাসনের মাধ্যমে সহযোগিতা করবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দেন। পরে তিনি সোনাইছড়ি চাইন্দা রক্ষিতা শিশু সদন পরিদর্শণ করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম সরওয়ার কামাল, থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তৌহিদ কবির, সোনাইছড়ি উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি শিক্ষাবিদ এ্যানিং মার্মা, সোনাইছড়ি উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক রাজস্বর বড়ুয়া প্রমুখ।




দোছড়িতে ৬ কোটি টাকার ৭টি প্রকল্প উদ্বোধন

Mp News pic-2 copy

নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি:

শনিবার পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি বলেছেন, গুরুন্নাকাটা-তুলাতলী ব্রিজের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন হওয়ার মাধ্যমে বহুদিন পর আমাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন হতে চলছে। এতে করে এলাকায় কৃষি বিপ্লব ঘটবে। পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্রপ্রধান সর্বোপরি অভিভাবক যদি ঠিক থাকেন তাহলে নিজ নিজ ক্ষেত্রে উন্নতি না হওয়ার কোন সুযোগ নেই।

ছাগল নাচে খুটির জোরে আর আমি নাচি শেখ হাসিনার জোরে। এ অঞ্চলের যতসব উন্নয়ন হয়েছে তার সবই প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছার কারণেই সম্ভব হয়েছে। বর্তমান সরকার ভিজিএফ, ভিজিডি, বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা, ১০টাকা মূল্যের চাউল থেকে শুরু করে বিনামূল্যে বই বিতরণ ব্রিজ, কালভার্ট, মসজিদ, মাদ্রাসা, ক্যাং, গির্জা সব ক্ষেত্রে উন্নয়ন করেছেন। শেখ হাসিনা দেশের মানুষের কথা ভাবেন।

জাতির পিতা আমাদেরকে বাংলাদেশ উপহার দিয়ে গেছেন। আর এ দেশকে উন্নতির দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য আন্তরিক ভাবে কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দোছড়ি ইউনিয়নে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের পৃথক ৭টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধনে এসব কথা বলেন তিনি।

শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রতিমন্ত্রী নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেরার গুরুন্নাকাটা-তুলাতলী ব্রিজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন শেষে আগামী অর্থবছরের মধ্যে গুরুন্নাকাটা সড়ক উন্নয়ন করার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার সাথে সাথে শত শত মানুষ করতালি দিয়ে তাকে ধন্যবাদ জানান। এসময় তিনি বলেন, শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। তাই পরিবারের যতই কষ্ট হউক না কেন পরিবারের  সন্তানদের শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলতে হবে।

অনুষ্ঠান পরবর্তী পথসভা পরিচালনা করেন, উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য সচিব মো. ইমরান মেম্বার। এরপর প্রতিমন্ত্রী দোছড়ি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র, কমিউিনিটি ক্লিনিক, এলজিইডির তত্ত্বাবধানে লেমুছড়ি বিজিবি ক্যাম্প-বাহিরমাঠ-কালুরঘাট সড়ক লেমুছড়ি বিজিবি ক্যাম্প-মিতাঙ্গ পাড়া রোড় ভায়া কালুরঘাট-পাইনছড়ি-মুরুংগো পাড় রোড় এর নির্মাণ কাজ উদ্বোধন, দোছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এলজিইডির তত্ত্বাবধানে নির্মিত বাহিরমাঠ, উক্যজাই হেডম্যান পাড়া, লেমুছড়ি ও কুরিক্ষ্যং মোট ৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উদ্বোধন করেন।

পরে দোছড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও দোছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. হাবিবুল্লাহ’র সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বান্দরবান জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিক, জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান, পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য কাজল কান্তি দাশ, বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বেবী ইসলাম, পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য লক্ষী পদ দাশ, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ সদস্য ক্যউচিং চাক, সাধারণ সম্পাদক মো. ইমরান, লামা উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. ইসমাইল।

জনসভা পরিচালনা করেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক তসলিম ইকবাল চৌধুরী ও সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি চোচু মং মার্মা। অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম সরওয়ার কামাল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান, নাইক্ষ্যংছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ তৌহিদ কবির, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু তাহের কোম্পানী, যুবলীগ সভাপতি জসিম উদ্দিন, বাইশারী ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলম কোম্পানী, বাইশারী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বাহাদুর, সোনাইছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান বাহান মার্মা, ঘুমধুম ইউপি চেয়ারম্যান একেএম জাহাঙ্গীর, বাইশারী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এ্যানিং মার্মা প্রমুখ।




বান্দরবানে ২ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন

Bandarban shango scool pic-28.4

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবান জেলা শহরে শুক্রবার পৃথক ভাবে প্রায় ২ কোটি টাকার ৪টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করা হয়েছে।

প্রধান অতিথি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি এসব উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করেন। পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত কেন্দ্রীয় শ্মশানের চেহ্রা-ইঃ ঘর, ৩০লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন কেন্দ্রীয় শ্মশানের বার্ণিং হাউজের পাশে ছাউনিযুক্ত গ্যালারীর উদ্বোধন করেন। এ ছাড়াও তিনি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ওই শ্মশানের দুতলা বিশিষ্ট মার্কেট ভবন এবং ৬২ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন সাংগু উচ্চ বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন।

এসময় পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, পার্বত্য জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান থোয়াইহ্লা মার্মা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হারুণ অর রশিদ, পৌর মেয়র এম ইসলাম বেবী, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের নিবাহী প্রকৌশলী আবদুল আজিজ উপস্থিত ছিলেন।




রাতে সোলারের আলোতে আলোকিত বান্দরবান শহর

Bandarban solar pic-28.4

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবান পৌর এলাকায় রাতে বিদ্যুত চলে গেলেই জ্বলে উটবে সোলারের আলো। শহরের বিভিন্ন এলাকায় শোভা পাচ্ছে বিদ্যুত সংযোগছাড়াই স্থাপিত সোলার স্ট্রিট লাইট। সূর্যের আলো থেকে শক্তি গ্রহণ করে রাতে আলো দিয়ে আলোকিত হয়ে উঠেছে বান্দরবান।

অটোপদ্ধিতেই সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসলে আলো ছড়ায়। পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ৫০ লক্ষ টাকা অর্থায়নে পৌর এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় এ ধরনের ৭০টি স্ট্রিট লাইট লাগানো হয়েছে এবং শহর পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে বান্দরবান ও লামা পৌরসভায় ১৫০টি ডাস্টবিন স্থাপন করা হয়েছে।

টিএনটি পাড়া বাসিন্দা চহ্লাপ্রু জানান, বিদ্যুত না থাকলে আগে পৌরসভার বাতি জ্বলত না। অনেক সময় মেরামতের অভাবেও লাইটপোস্টের নিচে অন্ধকার থাকত। ফলে রাতে চলাফেরা করতে মানুষের সমস্যা হতো। এখন বিদ্যুৎ না থাকলেও সোলার লাইট গুলো জ্বলে থাকে।

হাফেজ ঘোনা এলাকার বাসিন্দা টিপু জানান, রাতে এখন চলাচল করতে সমস্যা হয়না। শিশুদের শিক্ষকদের কাছে পড়ালেখা করে নির্ভয়ে ফিরতে পারে। সোলার লাইট অনেক সমস্যা সমাধান করে দিয়েছে। মানুষ এখন রাতে স্বাচ্ছন্দে চলাফেরা করতে পারছে।

পৌর এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, শহরের রাস্তাগুলোতে বিদুৎ না থাকলে এর প্রভাব পড়েনা। এখনো অনেক এলাকায় সোলার স্ট্রিট লাইট লাগনো হয়নি। আরও সৌর বিদ্যুতের

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বান্দরবানের নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল আজিজ জানান, স্থানীদের সুবিধা ও পর্যটন শহর হিসেবে দেশ বিদেশে পরিচিতি লাভ করতে পার্বত্য মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপির নির্দেশে শহরের বিভিন্ন জায়গায় সোলার স্ট্রিট লাইট ও ডাস্টবিনগুলো বসানো হয়েছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলাগুলোতেও এ প্রকল্প হাতে নেয়া হবে। মূলত বিদ্যুৎ সুবিধা পেতে সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে এ লাইটগুলো লাগানো হয়েছে।

বান্দরবান পৌর মেয়র ইসলাম বেবী বলেন, পৌরসভার নিজস্ব বাতিগুলোর পাশাপাশি সোলার স্ট্রিট লাইটগুলোও রাতে জ্বলে থাকে। বিশেষ করে রাতে যখন বিদ্যুৎ থাকেনা সে সময়ে বাতিগুলো উপকারে আসছে এবং শহরের সৌন্দর্যও অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে।




বান্দরবানে সন্ত্রাসী হামলা, আটক-৪

Bandarban pic-28.4

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবানের পৌর এলাকায় সন্ত্রাসী হামলায় আটজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এঘটনায় চারজনকে পুলিশ আটক করেছে।

সূত্র জানায়, সদর উপজেলার হ্লাপাইমুখ পাড়া থেকে বিয়ে খেয়ে ফেরার পথে বৃহস্পতিবার রাত বারটার দিকে বান্দরবান শহরের কালাঘাটা সিসিডিবি অফিস সামনে দুটি মাহেন্দ্র গাড়ির গতি রোধ করে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপির ব্যক্তিগত গাড়ি চালকসহ অন্তত আটজনকে মারধর করে আহত করে। দুইজনের সাস্থ্যের অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে প্রেরণ করেছে চিকিৎসক।

আহতরা হলেন, পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত গাড়ি চালক মংনুচিং মারমা(৩১), বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের গাড়ি চালক চ প্রু অং মারমা (৩০), সিভিল সার্জনের গাড়ি চালক অংথুইচিং মারমা(৩৩), জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলীর গাড়ি চালক উশৈসিং মারমা(৩১) ও রুমা উপজেলা চেয়ারম্যানের গাড়ি চালক শৈসাউ মারমা(২৮)। অন্যদের নাম জানা সম্ভব হয়নি।

আহতদের মধ্যে আশঙ্কাজনক গাড়ি চালক মংনুচিং মারমা ও চপ্রুঅং মারমাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল(চমেক) এ পাঠানো হয়েছে।

হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে উশৈসিং মারমা বলেন, আমরা গাড়ি চালকরা ১২জনের সবাই মিলে দুটি মাহেন্দ্র গাড়ি নিয়ে  হ্লাপাইমুখ পাড়ায় এক বন্ধুর বিয়ে খেয়ে ফেরার পথে রাত প্রায় বারটার দিকে বান্দরবান শহরের কালাঘাটা সিসিডিবি অফিস সামনে বিনা উস্কানিতে সন্ত্রাসী শিহাদ ও শহীদ নামে দুই ক্যাডারের নেতৃত্বে প্রায় বিশ জনের মত একদল সশস্ত্র দল আমাদের গাড়ি থামিয়ে এলোপাথারি লাঠি সোটা ও প্যারেক যুক্ত বাটাম দিয়ে হামলা চালাতে থাকে।

শৈসাউ মারমা জানান, আমাদের উপর হামলার ঘটনায় নেতৃত্ব দেন শিহাদ ও শহীদ  নামে দুই ক্যাডার। হামলায় আমার হাত ভেঙ্গে গেছে।

ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. অংসুই জানান, আহতদের মধ্যেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় চপ্রুঅং মারমা ও মংনুচিং মারমাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বান্দরবান সদর থানার উপ-পরিদর্শক এসআই বেলাল বলেন, পুলিশ অভিযান চালিয়ে মো. সাদ্দাম, টিটু বড়ুয়া, বেলাল ও মো. জাহাঙ্গীর নামে চারজনকে আটক করেছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং বাকীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, হামলাকারীরা সবাই সরকার দলীয় সমর্থক।




মিয়ানমারের সাথে ৯৪ কিমি সীমান্ত সড়ক নির্মিত হলে বিজিবির কর্মক্ষমতা বাড়বে

Simantto sodok Pic copy

নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের এপারে সীমান্ত সড়ক, সীমান্ত চৌকি ও যানবাহন স্বল্পতার কারণে বর্ষা মৌসুমে বিজিবির কর্মক্ষমতাকে পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব হয় না বলে মনে করছেন অভিজ্ঞমহল। উন্নত যোগাযোগের অভাবে মিয়ানমারের সাথে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি জোনের ৯৪ কিমি সীমান্ত এলাকার বেশ কিছু জায়গা অরক্ষিত হয়ে পড়েছে।

ফলে সীমান্তের ৪৩ থেকে ৬৩নং সীমান্ত পিলার এলাকায় বর্তমানে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।সূত্র মতে, বর্ষা মৌসুম চোরাচালানীদের জন্য পোয়াবোরো, আর বিজিবি জওয়ানদের জন্য নাভি:শ্বাস। দীর্ঘকাল এই অবস্থা চলছে বাংলাদেশ মিয়ানমারের দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম থেকে দোছড়ি সীমান্তে।

এ মূল কারণ হচ্ছে এ সীমান্তে যাতায়াত ব্যবস্থা খুবই নাজুক। স্বাধীনতা পরবর্তী দেশের ব্যাপক উন্নয়ন হলেও সীমান্তে পাকা সড়ক নির্মাণ করা হয়নি আজও। দ্রুত যাতায়াত ব্যবস্থা না থাকায় চোরাচালান দমন, সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্ব পালনে বিজিবি সদস্যদের কঠিন হয়ে পড়েছে।

সরেজমিনে, সীমান্তে বসবাসরত জনসাধারণের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি না হওয়ায় অনেক সময় বিজিবি জওয়ানদের জীবন মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়াতে হয়। অথচ বাংলাদেশের ঘুমধুম থেকে দোছড়ি সীমান্তের ঠিক ওপারে মিয়ানমার অংশে হাইওয়ে, পাকা সড়ক ও পর্যাপ্ত পর্যবেক্ষণ টাওয়ার নির্মাণসহ মিয়ানমার সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিজিপি) নজরদারীর যাবতীয় ব্যবস্থা করেছে। কিন্তু তার বিপরীতে বাংলাদেশের এপারের সীমান্তে সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করার উদ্যোগ চোখে পড়ছে না।

তথ্যনুসন্ধানে জানা গেছে, মিয়ানমারের সাথে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় ৩১ বিজিবির ব্যাটালিয়ন সীমান্ত ৭১ কিমি ও জোনের অধীনে ৯৪ কিমি সীমান্ত। এ জোনের অধীনে বর্ডার অবজারবেশন পোস্ট (বিওপি) রয়েছে ফুলতলী, লেমুছড়ি, পাইনছড়ি, দোছড়ি, ছাগলখাইয়া, তিরেরডিব্বা। এছাড়াও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ৩১-৪০নং সীমান্ত পিলার পর্যন্ত ঘুমধুম-তুমব্রু, রেজু আমতলী, বালুখালী পালংখালী, বাইশফাড়ি পর্যন্ত ১৫ কি.মি. সীমান্ত পাহারায় নিয়োজিত রয়েছে কক্সবাজার ৩৪বিজিবি এবং ৩১ বিজিবি জোনের অধীনে রামু ৫০ বিজিবি নিয়ন্ত্রণ করছে চাকঢালা, ভাল্লুকখাইয়া, আশারতলী, নিকোছড়ি, রেজুপাড়া, মনজয়পাড়া এলাকার ৪০-৪৩ নং সীমান্তের ৮কিমি সীমান্ত এলাকা।

কিন্তু দোছড়ি এলাকার ৫৫-৬৩নং সীমান্ত পিলার সম্পূর্ণ এলাকা অরক্ষিত। অরক্ষিত এ সীমান্তের চেয়ে রাতের আধারে অন্য সীমান্ত দিয়ে চোরাচালান, রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের মত ঘটনা প্রায় ঘটছে বলেও জানান, সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত জনসাধারণ। সীমান্তে বসবাসরত একাধিক নাগরিক পার্বত্যনিউজকে জানান, মিয়ানমারের সৈনিকের চেয়ে বাংলাদেশের বিজিবি সৈনিক অগ্রসর হওয়া স্বত্ত্বেও সীমান্ত সড়ক না থাকায় কোন ধরনের ঘটনা ঘটলে পায়ে হেঁটে দীর্ঘ সময় পর দুর্বল হয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছতে হয় তাদের।

বিপরীতে মিয়ানমারের রায়বুনিয়া, নায়েখেং, বান্ডুলা ক্যাম্প, অংথ্রাবে ক্যাম্প, ছালিদং ক্যাম্প, ওয়ালিদং ক্যাম্প, অংজু ক্যাম্প,নারাইংচং ক্যাম্প,ককডংগ্যা ক্যাম্প, মেধাইক ক্যাম্প, তুমব্রু রাইট ক্যাম্প, তুমব্রু ঢেকিবনিয়া ক্যাম্প, তুমব্রু খালের মুখ ক্যাম্প, বালুখালী খালের মুখ ক্যাম্পের সৈনিকরা গাড়ি যোগে তাৎক্ষণিক জিরো পয়েন্টে পৌঁছতে পারে।

যার কারণে জিরো পয়েন্ট এলাকায় বসবাসরত বাংলাদেশী নাগরিকরা হামেশা আতঙ্কগ্রস্থ থাকে। এছাড়া বর্ষা মৌসুমে সীমান্ত এলাকা টহল দেওয়া বিজিবির পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। সীমান্তের কয়েকজন বিজিবি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বর্ষা মৌসুম এলেই সীমান্তে দায়িত্বরত জওয়ানদের খুবই সমস্যা হয়। এ সময় চোরাচালান রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশও কিছুটা বেড়ে যায়।

কারণ জমি, পাহাড়ে কাঁদা মাটিতে ডুবে থাকে। জঙ্গল সৃষ্টি হয়। দ্রুত চলাচল ও অপারেশন করার ক্ষেত্রে প্রচণ্ড অসুবিধা হয়। রসদ সরবরাহ কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়। অনেক বিওপি আছে যেখান থেকে কোন জওয়ান কোন কারণে অসুস্থ্য কিংবা আহত হলে তাকে দ্রুত উপজেলা-জেলা সদরে চিকিৎসার জন্য স্থানান্তর করাও ঝুঁকিপূর্ণ পয়ে পড়ে। অথচ মিয়ানমারের ওপারে পুরো সীমান্ত জুড়ে পাকা সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। বিজিপি এক পিওপি থেকে আরেক পিওপিতে মুহুর্তে ছুটে যেতে পারে। ব্যাটালিয়ন হেডকোয়ার্টার থেকে বিশেষ প্রয়োজনে অতিরিক্ত জওয়ান আনতে পারে।

বিজিবির একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, সীমান্ত সড়ক পাকা করার প্রস্তাবনা কয়েক দফা উপর মহলে পাঠানো হয়েছে ব্যাটালিয়ন থেকে। বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্ব অনুধাবন করে সড়ক নির্মাণ ও বিদ্যুতায়নের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশও করেছেন। পর্যাপ্ত ফান্ডের জন্য হয়তো সড়ক নির্মাণে ধীরগতি হচ্ছে।

ইতিপূর্বে বান্দরবান জেলা প্রশাসক কেএম তারিকুল ইসলাম বাংলাদেশ-মিয়ানমারের সীমান্ত দিয়ে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ, জঙ্গি, বিভিন্ন বিচ্ছিন্নতাবাদী ও সন্ত্রাসী গ্রুপের রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড বন্ধ এবং পপি চাষ ও ইয়াবা জাতীয় মাদকের চোরাচালান ঠেকাতেই নাইক্ষ্যংছড়িসহ বান্দরবানের বিস্তীর্ণ সীমান্তে সড়ক নির্মাণের প্রস্তাবনা সরকারের ঊর্ধ্ব মহলে প্রেরণ করেছেন।

এ ব্যাপারে নাইক্ষ্যংছড়িস্থ ৩১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়কের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মেজর আবু রাসেল ছিদ্দিকী বলেন, সীমান্তে কানেকটিং সড়ক নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে। প্রস্তাব অনুযায়ী সড়ক নির্মিত হলে বিজিবির পক্ষে সীমান্ত পাহারা আরও বেশি সহজ হবে।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম সরওয়ার কামাল জানান, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় ৭১ কিমি সীমান্ত রয়েছে। সীমান্ত সড়ক নির্মিত হলে সীমান্তের বিভিন্ন অপরাধ কমে যাবে বলেও তিনি মনে করেন। তবে তিনি যোগদানের পর এ বিষয়ে কোন তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়নি বলেও জানান তিনি।

অপরদিকে, সম্প্রতি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বান্দরবান সফরে সাংবাদিকদের জানান, সাম্প্রতিক এক সার্ভে জরিপ করে খাগড়াছড়ির রামগড় হতে বান্দরবান হয়ে কক্সবাজারের উখিয়া পর্যন্ত ৮শত ৩২ কিমি সীমান্ত সড়ক নির্মাণের প্রক্রিয়া শেষ করেছে। সীমান্ত এলাকার এ দীর্ঘ সড়ক নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা। প্রাপ্ত অর্থ বরাদ্ধ দেয়া হলে আগামী বছর থেকে সীমান্ত সড়ক নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে বলেও তিনি দেশবাসীকে আশ্বাস দেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) প্রস্তাবের পর সীমান্তজুড়ে সড়ক নির্মাণের উদ্যোগের কথা জানায় সরকার। ১৪ ফুট প্রশস্তের সড়কে বৈদ্যুতিক বাতিও বসানো হবে। বর্তমানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হতে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। যা পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম শাখায় প্রক্রিয়াধীন আছে।




নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

Biggan Projuktti (1) copy

নাইক্ষ্যংছড়ি  প্রতিনিধি:

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে ৩৮তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা আয়োজন ও সফল বাস্তবায়নে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিষদ হল রুমে এ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এসএম সরওয়ার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম সরওয়ার কামাল আলোচনায় বলেন, আগামীর উন্নত রাষ্ট্র গঠনের জন্য জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার ব্যাপক গুরুত্ব রয়েছে। নতুন নতুন উদ্ভাবক সৃষ্টি করার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।

প্রস্তুতি সভায় অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান হামিদা চৌধুরী, এমপি প্রতিনিধি আলহাজ্ব খায়রুল বাশার, উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য সচিব মোহাম্মদ ইমরান মেম্বার, উপজেলা সমন্বিত সমাজ উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যবস্থাপক একেএম রেজাউল হক, সমবায় কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের ব্যবস্থাপক মহিউদ্দিন, এসএ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক চানু অং চাক, বিজিবি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক নুরুল বাশার, মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মংশৈঅং মার্মা, তাংরা বিছামারা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক ওসমান গণি, আওয়ামী লীগ নেতা ডা. সিরাজুল হক, সদর ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম, নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশর নয়ন, দপ্তর সম্পাদক জয়নাল আবেদীন টুক্কু প্রমুখ।

সভায় জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।




লামায় পাঠ্য বই বিক্রি কালে জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবানের লামায় মাধ্যমিক পর্যায়ের বিক্রিকালে তিন বস্তা সরকারি পাঠ্য বই ও ক্রেতাসহ একটি টেক্সি জব্দ করেছে স্থানীয়রা।

বুধবার দুপুরে উপজেলার রুপসীপাড়া বাজার এলাকা থেকে এসব বই জব্দ করা হয়। আটক ক্রেতা মো. জসিম উদ্দিন লামা পৌরসভা এলাকার চেয়ারম্যান পাড়ার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, রুপসীপাড়া নিম্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম বিভিন্ন শ্রেণির সরকারি তিন বস্তা পাঠ্য বই জসিম উদ্দিন নামের এক ফেরিওয়ালার নিকট বিক্রি করেন।

এমন খবর পেয়ে বই ভর্তি টেক্সিসহ ফেরিওয়ালা জসিম উদ্দিনকে স্থানীয়রা আটক করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট সোপর্দ করে।

পরে নির্বাহী অফিসার বইগুলো লামা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা গুদামে রাখার নির্দেশ দেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালামের কাছ থেকে দুই হাজার টাকায় বইগুলো কিনেছেন বলে ফেরিওয়ালা জসিম উদ্দিন জানান।

এ বিষয়ে রুপসীপাড়া নিম্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম জানান, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি রেজুলেশনের মাধ্যমে পুরাতন বইগুলো বিক্রির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার খিনওয়ান নু বলেন, আটক বইগুলো গুদামে রাখা হয়েছে, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




রুমায় পর্যটন শিল্প বিকাশে পর্যটন সেবা শীর্ষক মতবিনিময় সভা

Poma pic-26.4

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবানের রুমায় পর্যটন শিল্প বিকাশে পর্যটন সেবা শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যাগে বুধবার উপজেলা পরিষদের অডিটরিয়ামে সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময় সভায় রুমা গ্যারিশনের জোন কমান্ডার লে. মো. আশিকুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান অংথোয়াইচিং মার্মা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরিফুল হক, ভাইস চেয়ারম্যান জিংএংময় বম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান, ৩নং রেমাক্রী প্রাংসা ইউপি চেয়ারম্যান জিরা বম উপস্থিত ছিলেন।