বাঘাইছড়িতে প্রাণ আরএফএল’র গাড়িতে ব্রাশ ফায়ারকারী ইউপিডিএফ সদস্য আটক

 17439476_1895173014034977_362664193_n copy

সাজেক প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটি বাঘাইছড়ি উপজেলার দীঘিনালা মারিশ্যা সড়কে প্রাণ আরএফএল’র গাড়ির উপর ব্রাশ ফায়ারকারী ইউপিডিএফ সদস্য বিদ্যুৎ চাকমা(৩৫) ওরফে সুরেন চাকমাকে দুইটিলা নামক এলাকা থেকে মঙ্গলবার মধ্য রাতে আটক করেছে নিরাপত্তাবাহিনী।

নিরাপত্তাবাহিনী সূত্রে জানা যায়, আটককৃত সুরেন চাকমাসহ শসীরঞ্জন চাকমা এবং প্রাক্তন একজন মেম্বার মিলে দীঘিনালা মারিশ্যা সড়কে নয় কিলো নামক এলাকায় দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করে আসছে। চাঁদা না দিলে ব্যবসায়ীদের মারধর করত এবং চাঁদার টাকার জন্য তারা তিনজন মিলে প্রাণ আরএফএল’র গাড়িতে ব্রাশ ফায়ার করেছে। এবং বিদ্যুৎ চাকমা ইউপিডিএফ’র একজন সক্রিয় সদস্য বলেও স্বীকার করেছে জানায় সূত্রটি।

নিরাপত্তাবাহিনী সূত্রটি আরও জানায়, আটককৃত সুরেন চাকমার দেওয়া তথ্যমতে বাকী অন্যদের ধরতে অভিযান চলছে এবং এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

17496248_1895173157368296_1881694798_n copy

আটককৃত বিদ্যুৎ চাকমা ওরফে সুরেন চাকমা নানিয়ারচর উপজেলা বাঘছড়ি গ্রামের হরিদাস চাকমার ছেলে বলেও জানা যায়। তবে নিরাপত্তাবাহিনীর হাতে আটককৃত সুরেন চাকমা ইউপিডিএফ’র একজন সদস্য স্বীকার করে ইউপিডিএফ’র বাঘাইছড়ি শাখার সমন্বয়ক জুয়েল চাকমা বলেন, তাকে মিথ্যা বানোয়াট মামলায় অন্যায় ভাবে আটক করা হয়েছে। প্রাণ আরএফএল’র গাড়িতে গুলিকরার ঘটনায় ইউপিডিএফ কোনভাবে জড়িত নয়।

এ বিষয়ে বাঘাইছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ আমির হোসেন বলেন, বিদ্যুৎ চাকমার বিরুদ্ধে বাঘাইছড়ি থানায় প্রাণ আরএফএল’র গাড়িতে গুলি বর্ষণের ঘটনায় একটি মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।




সাজেকে চাঁদার টাকাসহ পিসিপি’র তিন নেতাকে আটক করেছে নিরাপত্তাবাহিনী

17354725_675604232642178_1279206846_n

সাজেক প্রতিনিধি :

রাঙ্গামাটি সাজেকের রেতকাটাছড়া নামক এলাকা থেকে চাদাঁ আদায়ের টাকাসহ মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে পিসিপির সাজেক থানা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক রুপায়ন চাকমা(১৮), পিসিপি রাঙ্গামাটি জেলা শাখার সহ সাধারণ-সম্পাদক রিপন আলো চাকমা(২৫), তথ্য প্রচার সম্পাদক সুমন চাকমা(২১) কে আটক করেছে নিরাপত্তাবাহিনী।

এসময় তাদের কাছে থেকে চাঁদা আদায়কৃত নগদ ৩৩,৩৩৬ (তেত্রিশ হাজার তিনশত ছত্রিশ) টাকা, ৪টি মোবাইল, ৫টি ব্যাগ, সামরিক বাহিনীর ২টি প্যান্ট, ১টি দেশীয় অস্ত্র(ছুরি), চাঁদার রশিদ বই ৭টি ও গুরুত্বপূর্ণ নথি পাওয়া যায়।

নিরাপত্তাবাহিনী সূত্র জানায়, অটককৃতরা এলাকার ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা উত্তোলন করে রেতকাটা ছড়ার একটি ঘরে অবস্থান করছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়।

আটককৃত রিপন আলো চাকমা নানিয়ারছড় বাকছড়ি মুখ গ্রামের হরিহর চাকমার ছেলে, সুমন চাকমা বাঘাইছড়ির ঝগড়াবিল গ্রামের বিজয় সেন কার্বারীর ছেলে, রুপায়ন চাকমা সাজেকের এ্যাকুজ্যাছড়ি রামুছড়া গ্রামের চন্দ্রজয় চাকমার ছেলে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, ক্ষুদ্র ও বড় ব্যবসায়ীর কাছ থেকে এলাকায় দীর্ঘদিন যাবৎ ইউপিডিএফ’র অধীনে যুব ফোরাম ও পিসিপি’র ছেলেরা একত্রে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কুপন দিয়ে ব্যাপক হারে চাঁদা আদায় করে আসছে।

এ বিষয়ে সাজেক থানার অফিসার ইনচার্জ নুরুল আনোয়ার বলেন, পিসিপি’র আটককৃত চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং তাদেরকে কোর্টে প্রেরণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

 




বাঘাইছড়ি পৌর নির্বাচনে ভোট কারচুপি ও নির্বাচন পরবর্তী সংহিসতার অভিযোগে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন

press confarance pic copy

রাঙামাটি প্রতিনিধি:

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত রাঙামাটির বাঘাইছড়ি পৌর নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ এবং নির্বাচন পরবর্তী পুলিশি হামলা ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন পৌরসভা নির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা মো. আজিজুর রহমান আজিজ।

বৃহস্পতিবার বিকেলে রাঙামাটি শহরের রেইনবো নামক একটি রেস্তুরাঁয় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় সংবাদ সম্মেলনে পৌরসভা নির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা মো. আজিজুর রহমান আজিজ, রাঙামাটি জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রবার্ট রোনাল্ড পিন্টু, জেলা ডেপুটি মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল শুক্কর তালুকদার, সদর উপজেলা কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান, বাঘাইছড়ি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধার সহকারী কমান্ডার মো. হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হালিম, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন এবং বিভিন্ন উপজেলার মুক্তিযোদ্ধার কমান্ডারগণ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা মো. আজিজুর রহমান আজিজ অভিযোগ করে বলেন, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ও স্বাধীনতার পক্ষের সরকারের আমলে কেবলমাত্র নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দন্দ্বিতা করার অপরাধে আমাকে এবং আমার পরিবার ও সমর্থকদের জঘন্যতম, অমানবিক, হিংসাত্মক আক্রমণ ও অত্যাচারের শিকার হতে হচ্ছে। তাছাড়া বিনা ওয়ারেন্টে পুলিশ আমার বাসায় হামলা ও পরিবারের নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলকে লাঞ্চিত হতে হবে- একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে কখনো কল্পনা করতে পারিনি।

তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, পুলিশ প্রশাসন অর্থ লোভে তথা ব্যক্তিস্বার্থে নির্বাচনে পক্ষপাত আচরণ ও ক্ষমতাধর দলীয় ক্যাডারদের টোকেন দিয়ে লাইন ধরে একজনকে ৫টি থেকে ১০টি ব্যালেট পেপার সরবরাহ করে নির্বাচন কারচুপি করার সুযোগ করে দিয়েছিল ক্ষমতাধর দলীয় ক্যাডাররা। তাই আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচার এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনার জন্য নির্বাচন কমিশন ও সরকারের প্রতি দাবি জানাচ্ছি।

উল্লেখ্য, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার পৌরসভা নির্বাচন। এতে ৩৭৯৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মো. জাফর আলী খান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আজিজুর রহমান মোবাইল প্রতীকে পেয়েছেন ২২২৭। অন্যদিকে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের মো. ওমর আলী পেয়েছেন ১৭৯৮ ভোট। এটি ছিল নতুন সিইসি নুরুল হুদা কমিশনের অধীনে প্রথম নির্বাচন।




বাঘাইছড়ি পৌর নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় চবি ছাত্রলীগের সাত নেতাকর্মী আটক

আটক
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙামাটি :
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি পৌরসভা নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় সাত জনকে আটক করেছে পুলিশ। নির্বাচনের পরের দিন রবিবার দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা সদরের চৌমুহনীতে দুজন কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জের ধরে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী আওয়ামীলীগের সাবেক নেতা আজিজুর রহমান আজিজের বাসা থেকে সাত জনকে আটক করা হয়। পুলিশ জানায়, আটক সবাই বহিরাগত। এরা চট্টগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ কর্মী বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় আটকদের বিরুদ্ধে বাঘাইছড়ি থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে থানা সূত্রে জানা যায়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, রবিবার ৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী ছাত্রলীগ নেতা সঞ্জয় ধর ও বিজয়ী কাউন্সিলর বিএনপি সমর্থিত নুর আলমের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জের ধরে বেশ কিছু যুবক স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী আজিজুর রহমান আজিজের বাসার সামনে ব্যারিকেট দেয়ার চেষ্টা করে। পরে পুলিশ ও বিজিবি ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের নিবৃত করার চেষ্টা চালালে তারা পুলিশের ওপর চড়াও হয়। পরে আজিজুর রহমানের বাসায় তল্লাশি চালিয়ে সাত জন বহিরাগতকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা কেউই বাঘাইছড়ির বাসিন্দা নয় বলে পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান।

বাঘাইছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম জানান, নির্ব্চন পরিবর্তী সহিংসতায় দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সাত জনকে আটক করা হয়। তারা বহিরাগত। তাদের বিরুদ্ধে নির্বাচনের দিন স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে জাল ভোট দেয়ার জন্য কেন্দ্র দখলের চেষ্টার অভিযোগ আছে বলেও তিনি জানান। ওসি জানান, এদের বিরুদ্ধে আইনানুগ মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।




বাঘাইছড়ি পৌরসভায় আ’লীগ প্রার্থী জাফর আলী খান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত

16830200_661416407394294_411472976_n
নিজস্ব প্রতিদেক, রাঙামাটি :
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি পৌরসভার নির্বাচনে ৩৭৯৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মো. জাফর আলী খান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আজিজুর রহমান মোবাইল প্রতীকে পেয়েছেন ২২২৭। বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতিকের মো. ওমর আলী পেয়েছেন ১৭৯৮ ভোট। শনিবার ভোট গ্রহণ শেষে সন্ধ্যায় রিটার্নিং অফিসার মো. নাজিম উদ্দিন এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

এর আগে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয় নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। সকাল ৮টা থেকে পৌরসভার ৯টি কেন্দ্রে একযোগে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল চারটা পর্যন্ত।

ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় ভোট দেন ভোটাররা। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিতে পেরে স্বস্থি প্রকাশ করেন সাধারণ ভোটাররা। নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি সন্তোষজনক ছিল বলে জানিয়েছেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরাও। শনিবার দেশের সীমান্তবর্তী বাঘাইছড়ি পৌরসভা নির্বাচনী এলাকা ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে।

নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার ছিলো। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। নির্বাচন নিয়ে কোন প্রার্থী কোন অভিযোগও করেননি বলে নির্বাচনী অফিস সুত্রে জানা গেছে।

দেশের সর্ব বৃহত উপজেলা রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে ২০০৪ সালে গঠন করা হয় পৌরসভা। শনিবার ১৮ ফেব্রুয়ারি বাঘাইছড়ি পৌরসভার দ্বিতীয় নির্বাচনের ভোট শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে। এটি নব গঠিত নির্বাচন কমিশনের অধীনে প্রথম নির্বাচন। তাই এ নির্বাচনের দিকে সারা দেশের মানুষের দৃষ্টি। শেষ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বাঘাইছড়ি পৌর এলাকার মানুষ।




শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বাঘাইছড়ি পৌরসভার নির্বাচনের ভোট গ্রহণ সম্পন্ন, চলছে গণনা

 

Election pic 18.02

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙামাটি:

শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি পৌরসভার নির্বাচন। শনিবার সকাল ৮টা থেকে পৌরসভার ৯টি কেন্দ্রে একযোগে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল চারটা পর্যন্ত।

ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় ভোট দেন ভোটাররা। শান্তিপূর্ন পরিবেশে ভোট দিতে পেরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন সাধারণ ভোটাররা। নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি সন্তোষ জনক বলেও জানান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরাও। শনিবার দেশের সীমান্তবর্তী বাঘাইছড়ি পৌরসভা নির্বাচনী এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থী জাফর আলী জানান, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে তিনি শতভাগ আশাবাদী বলেও জানান। তিনি বলেন, সরকারী দলের প্রার্থী এবং আমি এলাকার মানুষের কাছের জন হিসেবে জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

বিএনপির মনোনীত মেয়র প্রার্থী ওমর আলী সকালে বেশ কয়েকটি ভোট কেন্দ্রে বহিরাগতের অভিযোগ তুললেও নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি মোটামুটি ভাল ছিল বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন খুবই সুন্দর হয়েছে। আশাকরি জয়ের মালা আমার গলায় পড়বে।

নির্বাচনে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার ছিলো। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। নির্বাচন নিয়ে কোন প্রার্থী  অভিযোগ করেননি বলেও নির্বাচনী অফিস সূত্রে জানা গেছে।

নির্বাচন কর্মকর্তা মো. নাজিম উদ্দিন জানান, নির্বাচনের পরিস্থিতি খুবুই ভাল ছিলো। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। বাঘাইছড়ি পৌরসভা নির্বাচন সারাদেশের জন্য একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। আগামীতে বাংলাদেশের সব নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ হবে এমন প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের।

দেশের সর্ব বৃহৎ উপজেলা রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে ২০০৪ সালে গঠন করা হয় পৌরসভা। শনিবার বাঘাইছড়ি পৌরসভার দ্বিতীয় নির্বাচনের ভোট শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে। এটি নব গঠিত নির্বাচন কমিশনের অধীনে প্রথম নির্বাচন। তাই এ নির্বাচনের দিকে সারা দেশের মানুষের দৃষ্টি। শেষ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বাঘাইছড়ি পৌর এলাকার মানুষ।




শান্তিপূর্ণভাবে চলছে বাঘাইছড়ি পৌরসভার নির্বাচন

OLYMPUS DIGITAL CAMERA

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙামাটি:

শান্তিপূর্ণভাবে চলছে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি পৌরসভার নির্বাচন। সকাল ৮টা থেকে পৌরসভার ৯টি কেন্দ্রে একযোগে শুরু হয় নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। শীত উপেক্ষা করে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিচ্ছেন।

এদিকে সুষ্ঠভাবে ভোট সম্পন্ন করার লক্ষে যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ করেছে উপজেলা নির্বাচন অফিস। নির্বাচনী এলাকায় আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি ও র‌্যাব মোতায়েন রয়েছে।

এবার বাঘাইছড়ি পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে লড়ছেন তিনজন আর কাউন্সিলর ও মহিলা কাউন্সিলর পদে ৩১জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। মেয়র পদে প্রার্থী হয়েছেন নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগ মনোনীত মো. জাফর আলী খান, ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি মনোনীত মো. ওমর আলী ও মোবাইল প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী আজিজুর রহমান। এ পৌর সভায় ভোটার রয়েছেন দশ হাজার ১১৭ জন।

এদিকে ভোট শুরুর কিছুক্ষণ পর থেকেই আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মনোনিত প্রার্থী দুজনই অভিযোগ তুলেছেন বিভিন্ন কেন্দ্রে বহিরাগত আছে।

২০০৪ সালে বাঘাইছড়ি পৌরসভা গঠনের পর দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে নির্বাচন। এর আগে ২০১২ সালে বাঘাইছড়ি পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।




সব রাজনৈতিক দল নিয়ে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে চায়: নির্বাচন কমিশনার শাহাদাত হোসনে চৌধুরী

pic2 copy

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙামাটি:

নব নিযুক্ত নির্বাচন কমিশনার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী বলেছেন, দেশের সব রাজনৈতিক দল নিয়ে অবাধ নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে চায় নব নিযুক্ত নির্বাচন কমিশন। বাঘাইছড়ি পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বর্তমান নির্বাচন কমিশন সে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

তিনি বলেন, বাঘাইছড়ি পৌরসভা নির্বাচনের মধ্য দিয়েই আগামী পাঁচ বছরের জন্য যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে বর্তমান নির্বাচন কমিশন। তাই এ নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করে নির্বাচনকে সুষ্ঠ ও সুন্দর করতে করনীয় সব রকমের পদক্ষেপ নিয়েছে উল্লেখ করে কমিশনার শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, নির্বাচনে আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কমিশন জিরো টলারেন্স মনোভাব নিয়েছে।

তিনি বলেন, সুষ্ঠ নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন যা যা করার তা অবশ্যই করবে। বাঘাইছড়ি পৌর নির্বাচনের মতো আগামী যে কোন নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শুক্রবার সকালে বাঘাইছড়ি পৌরসভার নির্বাচন উপলক্ষে উপজেলা মিলনায়তনে নির্বাচনী কর্মকর্তা ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে মতবিনিময় কালে তিনি এ কথা বলেন।

সভায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান, পুলিশ সুপার সাঈদ তারিকুল হাসান, রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. নাজিম উদ্দিন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজুল ইসলামসহ অন্যান্য নির্বাচনী কর্মকর্তা ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ তাকে জানান, একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সকল প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। নির্বাচনী নিরাপত্তা জন্য ৪ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। বিজিবি ও র‌্যাব মোতায়েনের পাশাপাশি নিরাপত্তা বাহিনীর টহল মোবাইল টহল চলবে। সাদা পোশাকে গোয়েন্দা পুলিশ মোতায়েন থাকবে প্রতি কেন্দ্রে কেন্দ্রে। নির্বাচনের পরও তিনদিন পর্যন্ত বিশেষ নিরাপত্তা টহল চলবে।

এ নিবার্র্চনে মেয়র পদে লড়ছেন- আওয়ামী লীগের জাফর আলী খান (নৌকা), বিএনপির মো. ওমর আলী (ধানের শীষ) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আজিজুর রহমান (মোবাইল ফোন)। অন্যদিকে, ৯ ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২৫ এবং ৩টি সংরক্ষিত মহিলা আসনে ৬ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।

প্রসঙ্গত,২০০৪ সালে গঠিত হয় ভারতের মিজোরাম রাজ্যের সীমান্তবর্তী দেশের সবচেয়ে বড় উপজেলা রাঙামাটির বাঘাইছড়ি। এ পৌরসভাটির এটা দ্বিতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি। একটি পৌরসভাসহ ৮টি ইউনিয়ন নিয়ে গড়ে উঠেছে এ উপজেলা। এ পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা ১০ হাজার ১৭৭। নির্বাচনে ৯টি কেন্দ্রের ৩৩ বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।




 বাঘাইছড়ির অরক্ষিত সীমান্তে বিজিবির তিনটি বিওপি নির্মাণে সহযোগিতা দিতে বিএসএফ সম্মত

Untitled-2 copy

রামগড় প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলাধীন অরক্ষিত দুর্গম পাহাড়িয়া সীমান্ত এলাকায় বিজিবির তিনটি নতুন বিওপি ক্যাম্প স্থাপনে সার্বিক সহযোগিতা দিতে সন্মত হয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষীবাহিনী বিএসএফ।

বুধবার খাগড়াছড়ির রামগড়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি) ও বিএসএফের সেক্টর কমান্ডার পর্যায়ে অনুষ্ঠিত সীমান্ত বৈঠকে তারা এ সন্মতি জানায়। বৈঠক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, বাঘাইছড়ির মারিশ্যাস্থ বিজিবির ৫১ ব্যাটালিয়নের আওতাধীন ভারতের মিজোরাম সীমান্তে বাংলাদেশের বিস্তৃীর্ণ এলাকা অনেকটা অরক্ষিত। সড়ক যোগাযোগ বিহীন দুর্গম পাহাড়িয়া অরক্ষিত ওই সীমান্ত এলাকায় বিজিবির তৎপরতা বাড়াতে তিনটি নতুন বিওপি ক্যাম্প স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়। ক্যাম্পগুলো স্থাপনে বিএসএফের সহযোগিতা চাওয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে তারা সার্বিক সহযোগিতা দিতে রাজি হয়।

বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় রামগড় পৌরসভার সন্মেলন কক্ষে বৈঠকটি শুরু হয়ে বেলা দেড়টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ১১ সদস্যের বিজিবি দলের নেতৃত্ব দেন গুইমারা সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল জাবেদ সুলতান। অন্যদিকে ১২ সদস্যের বিএসএফের প্রতিনিধিত্ব করেন বিএসএফের ত্রিপুরা ফ্রন্টিয়ার হেড কোর্য়াটারের ডিআইজি শ্রী হারদিফ সিং।

বাংলাদেশ দলে অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন, বিজিবির খাগড়াছড়ির সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল মো. মতিউর রহমান, লে.কর্ণেল জিএম সরওয়ার, রামগড় ৪৩ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল এম. জাহিদুর রশীদ, ৫৪ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল একেএম সাইফুল বাহার, বিজিবির দক্ষিণ পূর্বাঞ্চল রিজিয়নের নোডাল অফিসার লে. কর্ণেল এআরএম নাসির উদ্দিন একরাম, ৫১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল  মো. ইকবাল হোসেন, ঢাকা রিজিয়নের স্টাফ অফিসার লে. কর্ণেল  মো. একলিম আবদীন প্রমুখ।

বিএসএফের অন্যান্য কর্মকর্তাদের মধ্যে ছিলেন, ত্রিপুরার উদয়পুরের সেক্টর কমান্ডার সিপি সাক্রসিনা, পানিসাগর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার  সিন্ধু কুমার, তেলিয়ামুঢ়ার সেক্টর কমান্ডার টি টি ফারকা, ৭৪ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের কমান্ডার রবি কান্ত, ৫৫ ব্যাটালিয়নের কমান্ডার পংকজ কুমার, ৭ ব্যাটালিয়নের কমান্ডার সুরোজ সিং, ১৪ ব্যাটালিয়নের কমান্ডার  হিমাংশু চৌধুরি প্রমুখ।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সীমান্তবর্তী ফেনী নদী পার হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পর বিএসএফ প্রতিনিধিদলকে গুইমারা সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল জাবেদ সুলতান ফুলেল অর্ভথ্যনা জানান।

এদিকে বৈঠক শেষে বিজিবির প্রতিনিধি দলের প্রধান গুইমারার সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল জাবেদ সুলতান পার্বত্যনিউজকে জানান, অত্যন্ত আন্তরিক ও সোহার্দপূর্ণ পরিবেশে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দেশের সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের যৌথ কার্যক্রম, ভারতীয় সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ, সীমান্ত পিলার চেক, যৌথ টহল প্রভৃতি বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

এছাড়া চোরাচালান, অবৈধ সীমান্ত পারাপারসহ সীমান্ত অপরাধ দমন বিষয়েও আলোচনা হয়। কর্ণেল জাবেদ বলেন, বৈঠকে রামগড় সাব্রুম স্থল বন্দর চালুর কার্যক্রমের ভারতের অগ্রগতির তথ্য জানিয়ে বাংলাদেশ অংশের কাজের খোঁজখবর নেয় তারা। তিনি আরও বলেন, মার্চ  মাসে  দুই পক্ষের মধ্যে পুনরায় বৈঠক হবে।




বাঘাইছড়ি পৌর নির্বাচনে জয় পরাজয়ের ফ্যাক্টর দেড় হাজার পাহাড়ি ভোট

Rangamati Pic-10-02-17 copy

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাঘাইছড়ি থেকে:

বাঘাইছড়ি পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে জয় পরাজয়ের হিসেব কষতে শুরু করেছেন ভোটারার। ভোটের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই ভোটের হিসেবে নতুন সমিকরণ যোগ হচ্ছে। প্রার্থীরাও নতুন নতুন কৌশলে ভোটারদের কাছে টানার চেষ্টা করছে। বাঘাইছড়ি পৌর নির্বাচনে মেয়র পদের তিন জনই বাঙ্গালী সম্প্রদায়ের। কিন্তু পৌর এলাকায় রয়েছে দেড় হাজারের অধিক উপজাতীয় ভোটার। উপজাতীয় কোন প্রার্থী না থাকায় এসব ভোট জয় পরাজয়ে বড় ধরনের ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

বাঘাইছড়ি পৌরসভায় এবার মোট ভোটারের সংখ্যা ১০হাজার ১৭৭জন। এর মধ্যে উপজাতীয় ভোটার রয়েছেন দেড় হাজারের অধিক। এসব উপজাতীয় ভোটার পৌর এলাকার ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত। এবারো বাঘাইছড়ি পৌরসভায় মেয়র পদে কোন উপজাতীয় প্রার্থী নেই। তাই উপজাতীয়দের ভোটের উপর মেয়র পদে জয় পরাজয় নির্ভর করছে বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ মহল। উপজাতীয় ভোট ব্যাংক নিয়ে প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ভোটের নানা হিসেব মেলাচ্ছে। তবে মুখ খুলছেন না উপজাতীয় ভোটাররা। ফলে ঠিক কোন প্রার্থীর পক্ষে উপজাতীয়রা রায় দেবেন তা এখনি বিষয়টি স্পষ্ট নয়। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপজাতীয়রা যাকেই ভোট দিক না কেন তাদের অধিকাংশ ভোট এক দিকে ঝুঁকতে পারে।

এদিকে প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মনোনিত প্রার্থী উপজাতীয় ভোট ভাগে আনার চেষ্টায় মরিয়া হয়ে উঠেছে। উপজাতীয়দের ভোট নিজেদের পক্ষে আনতে নানা ফন্দি ফিকির করছে। ইতোমধ্যে প্রধান দুই দলের প্রার্থীরা উপজাতীয় অধ্যুষিত এলাকায় একাধিক বৈঠক করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজাতীয় ভোটারদের অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করছে পাহাড়িদের আঞ্চলিক সংগঠন সন্তু লারমা সমর্থিত জেএসএস ও সংস্কারপন্থি জেএসএস হিসেবে পরিচিত জেএসএস এমএন লারমা। এ দুটি সংগঠনের হাই কমান্ডের নির্দেশে উপজাতীয়রা তাদের ভোট প্রয়োগ করতে পারবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। উপজাতীয় অধ্যুষিত এলাকার মধ্যে অধিকাংশই সংস্কারপন্থি জেএসএস নিয়ন্ত্রিত কিছু অংশ নিয়ন্ত্রন করছে সন্তু লারমা সমর্থিত জেএসএস।

এদিকে দীপংকর তালুকদারের সাথে পাহাড়িদের দুরত্বের কারণে কিছুটা চিন্তিত আওয়ামী লীগ। তবে গতবারের নির্বাচনে অধিকাংশ উপজাতীয় ভোট আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পক্ষে যায়। সে হিসেবে আশাবাদি আওয়ামী লীগ। অপরদিকে সংস্কারপন্থী জেএসএস’র সাথে উপজেলা নির্বাচন নিয়ে দুরত্ব তৈরি হয় বিএনপির। তাই পাহাড়িদের একটি অংশের ভোট নিজেদের পক্ষে আনার ব্যাপারে বিএনপিকে বেগ পেতে হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে দুই দলই পাহাড়িদের ভোট নিজেদের পক্ষে আসতে পারে বলেও মনে করছে।  অভিজ্ঞরা মনে করছেন সব সমিকরণ শেষে পাহাড়িদের ঐক্যবদ্ধ ভোট যে দিকে যাবে সে দিকেই জয়ের পাল্লা ভারি হতে পারে।