বাঘাইছড়িতে বন্যাকবলিতদের পাশে বিজিবি

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে বন্যাকবলিতদের পাশে দাঁড়িয়েছে বিজিবি। সোমবার বিকালে বন্যাকবলিত ১০০ পরিবারের মাঝে মারিশ্যা বিজিবির তরফ থেকে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।

বন্যাকবলিত হয়ে আশ্রয় নেয়া কিশালয় সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয়, তুলাবান সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয় এবং বায়তুশ সরব কমপ্লেক্স এতিম খানা আশ্রয়কেন্দ্রে এসব ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। ত্রাণ হিসেবে প্রতিটি পরিবারকে দেয়া হয়েছে- চার কেজি চাউল, এক কেজি মুশুর ঢাল, দুইশ গ্রাম লবণ এবং দুইশ গ্রাম চিনি।

মারিশ্যা ৩৯ বিজিবি এবং ৫৪ বিজিবি অধিনায়কের পক্ষে ৩৯ বিজিবির মেডিকেল অফিসার ক্যাপ্টেন মো. জিয়াউল হক এই ত্রাণ বিতরণ করেন। প্রয়োজনে আরো ত্রাণ বিতরণ করা হবে বলেও জানান  তিনি।

এসময় কেপ্টেন জিয়াউল হকের সাথে অন্যান্য জেসিও এবং সৈনিকরা উপস্থিত ছিলেন।




সাজেকে পুত্র ও ভাতিজার হাতে খুন হওয়া শান্তিলাল চাকমার গলাকাটা লাশ উদ্ধার

সাজেক প্রতিনিধি (আপডেট):

রাঙ্গামাটি বাঘাইছড়ি উপজেলা সাজেকের উত্তর ভাইবোন ছড়া নামক এলাকায় গত (৭ আগস্ট) রবিবার মধ্যরাতে খুন হওয়া শান্তিলাল চাকমা (৫৫)’র গলা কাটা লাশ আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাঘাইছড়ি মারিশ্যার বটতলী এলাকার কাচালং নদী থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শান্তিলাল চাকমার পুত্র সোহেল চাকমা (২৫) ও ভাতিজা আলোময় চাকমা (৩৩) কুপিয়ে নৃশংস হত্যার পর গলাকাটা লাশ কাচালং নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছিল তারা। তাদের দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন নদীতে খুঁজতে থাকে।

অবশেষে গত তিনদিন ধরে পাহাড়ি ঢলে সাজেকে বন্যা সৃষ্টি হলে আজ পানি কমতে থাকায় কাচালং নদীতে ঝোপঝাড়ের সাথে আটকে থাকা লাশটি ভেসে উঠে পানির স্রোতের সাথে নামতে থাকে।

এবিষয়ে বাঘাইছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ আমির হোসেন বলেন, কাচালং নদী দিয়ে একটি লাশ ভেসে আসছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ইঞ্জিন চালিত নৌকা দিয়ে কাচালং নদীতে আমরা খুঁজতে থাকি এক পর্যায়ে মারিশ্যা বটতলী এলাকার কাচালং নদীতে লাশটি পাওয়া যায়।

আমাদের কাছে তথ্য ছিল গত কয়েকদিন আগে সাজেকে একটি খুন হয়েছে তার লাশটি নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছিল। লাশটি পাওয়া যায়নি তাই আমরা উদ্ধার করা লাশটিকে সনাক্ত করতে প্রথমে সাজেকে খুন হওয়া ব্যক্তির আত্মীয় স্বজনদের খবর দেই।

খবর পেয়ে তার পুত্র প্রহেল চাকমা ও সাজেক ইউপির ৫নং ওয়ার্ড মেম্বার পরিচয় চাকমা ও শান্তিলাল চাকমা হত্যা মামলার বাদী বিনয় শংকর চাকমা থানায় আসে এবং লাশটি শান্তিলাল চাকমার লাশ বলে তারা সনাক্ত করে। ময়না তদন্তের জন্য লাশটি খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য সাজেকের উত্তর ভাইবোন ছড়া নামক এলাকায় গত ৭ আগস্ট রবিবার মধ্যরাতে শান্তি লাল চাকমাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে তার পুত্র সোহেল চাকমা (২৫) ও ভাতিজা আলোময় চাকমা (৩৩)। কুপিয়ে নৃশংশ হত্যার পর গলাকাটা লাশ কাচালং নদীতে ভাসিয়ে দেয় তারা।

এঘটনায় গ্রামবাসী তাদের দুজনকে আটক করে আইন শৃঙ্ক্ষলা বাহিনীকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে এলাকাবাসী খুনীদের পুলিশের হাতে সোপর্দ করে।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, পিতার সাথে পুত্রের পারিবারিক কলহ ও ভাতিজার সাথে অর্থ লেনদেন থাকায় এমন ঘটনা ঘটতে পারে। তবে নিহত শান্তিলাল চাকমার ভাতিজা আলোময় চাকমা একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী সে এর আগেও একাধিক নিরীহ ব্যক্তিকে হত্যা করেছে। এলাকায় কারো সাথে তার তর্ক হলে তাকেও হত্যা করতে দ্বিধাবোধ করতো না। তাই তার এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে এলাকাবাসী ভয়ে আতঙ্কে কিছু বলার সাহস পেতনা। হত্যাকাণ্ড আর সহ্য করতে না পেরে চার পাঁচ গ্রামের লোকজন জড়ো হয়ে রাত ৩টার দিকে তাকে আটক করা করে।

সুত্রটি আরও জানায়, সে দীর্ঘদিন যাবৎ আঞ্চলিক দল ইউপিডিএফ এর রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল। সেখান থেকে এমন কর্মকাণ্ড করায় ২-৩ মাস আগে তাকে ইউপিডিএফ থেকে বহিস্কার করা হয়। বহিস্কারের পরেও এলাকায় অন্যায়, অত্যাচার, হত্যাকাণ্ড অব্যাহত রাখে।

এবিষয়ে সাজেক থানার অফিসার ইনচার্জ নুরুল আনোয়ার বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই এবং তাদেরকে আটক করা হয়। আটকৃতরা প্রাথমিকভাবে তাদের দোষ স্বীকার করে। লাশ উদ্ধারে যৌথবাহিনীর তল্লাশী চলছে নদী ও স্থলে।

তবে আটককৃত’র মধ্যে আলোময় চাকমা একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী তার নামে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এমনকি সে এর আগে আমাকে মোবাইলে সাজেক থানা বোমা মেরে গুড়িয়ে দিবে বলে হুমকি দিয়েছিল।আগামীকাল তাদেরকে কোর্টে প্রেরণ করা হবে।




রাঙামাটির কাচালং নদী থেকে গলাকাটা লাশ উদ্ধার

বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার বটতলী কাচালং নদী থেকে সোমবার সকাল ৮:৪০ মিনিটের দিকে বাঘাইছড়ি থানা পুলিশ একটি পচে ফুলে ওঠা লাশ উদ্ধার করে।

স্থানীয়দের ধারণা, রাঙ্গামাটি সাজেকের উত্তর ভাইবোন ছড়া নামক এলাকায় ৭/৮/২০১৭ রবিবার মধ্যরাতে শান্তিলাল চাকমার ৫৫) কে কুপিয়ে হত্যা করেছে তার পুত্র সোহেল চাকমা(২৫) ও ভাতিজা আলোময় চাকমা(৩৩)।

হত্যার পর লাশ পাহাড়ী ঝিরিতে ফেলে পালানোর সময় এলাকাবাসীর হাতে আটক হয়। পরে তাদের সাজেক থানা পুলিশের কাছে তুলে দেয়া হয়। পরে পুলিশ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করে। তবে লাশটি আসলেই শান্তিলাল চাকমার কিনা পুলিশ তা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি।

এলাকাটি দূর্গম হওয়ায় পুলিশের পক্ষে লাশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।ধরণা করা হচ্ছে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ী ঢলের সাথে ভেসে লাশটি কাচালং নদীতে এসে পড়ে।

এলাকাবাসী কাছে খবর পেয়ে বাঘাইছড়ি থানা পুলিশের একটি টিম সকাল ৮ ঘটিকায় বটতলী গ্রামে গিয়ে লাশটি আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এদিকে লাশ উদ্ধারের সংবাদ পেয়ে সাজেক থানা থেকে পুলিশের একটি টিম বাঘাইছড়ি থানার উদ্যেশে রওনা দিয়েছে। সাথে শান্তি লাল চাকমার পরিবারের সদস্যরা রয়েছেন। তারা পৌঁছলে লাশের পরিচয় নিশ্চিত হওয়াসহ আইননানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান বাঘাইছড়ি থানার অফিসার্স ইন্চার্জ জনাব মো: আমীর হোসেন।

তবে লাশ উদ্ধার নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে যে, এটি শান্তি লাল চাকমার লাশ নয়। কারণ উদ্ধার হওয়া লাশের আনুমানিক বয়স ৩০/৩৫ বছর হবে। আর মামলার এজাহার এবং গ্রামবাসীর তথ্যমতে, শান্তিলাল চাকমার বয়স ৫৫ বছর।

তাই এলাবাসীর ধারণা লাশটি অন্য কারো হতে পারে, কেননা নদীতে লাশ ভেসে আসার ঘটনা এটিই নতুন নয়। পাহাড়ী সন্ত্রাসীদের হত্যা করে বনের গভীরে ফেলে রাখা কোনো লাশ হতে পারে যা বন্যার প্রবল স্রোতে নদীতে এসে পড়েছে।  তাই ভালো ভাবে অনুসন্ধান করা অতীব জরুরী।




দুর্গতদের পাশে উপজেলা প্রশাসন, পৌরসভা ও আওয়ামী লীগ

বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি:

পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণের ফলে পৌরসভা ও উপজেলায় বন্যায় প্লাবিত হয়েছে নিন্মাঞ্চলগুলো। প্লাবিত এলাকাগুলো হলো মুসলিম ব্লক, কলেজ পাড়া, মধ্যম পাড়া, মাষ্টার পাড়া, পুরাতন মারিশ্যা, ঢেবার পাড়া, হাজী পাড়া, বাবুর পাড়া, বটতলী, এফ ব্লক, জি ওয়ান ব্লক, উগলছড়ি, লাইল্যাঘোনা, মাদ্রাসা পাড়া, রফিক মাস্টার পাড়া সমূহ।

বাঘাইছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আলী হোসেন বলেন, পাহাড়ি ঢলে বাঘাইছড়ি উপজেলায় বন্যা দুর্গতদের উপজেলা আওয়ামী লীগ ত্রাণ বিতরণ করেছে।

বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তাজুল ইসলাম বন্যায় দুর্গতদের শুকনা খাবার বিতরন করেন।

বাঘাইছড়ি পৌরসভার মেয়র দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেন এবং পৌরসভার ২ ও ৩ নং ওয়ার্ড মারিশ্যা ইউপি সংলগ্ন বন্যায় দুর্গতদের খিচুরি বিতরণ করেন।

এসময় পৌর মেয়র জাফর আলী খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী হোসেন, কাউন্সিলর বাহার উদ্দিন, কাউন্সিলর ওবাইদুল হক স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগন উপস্থিত ছিলেন।

১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. হোসেন দুর্গতদের বাড়িতে গিয়ে খাবার বিতরণ করেন ও ক্ষতিগ্রস্তদের সমবেদনা জানান।

এছাড়া বাঘাইছড়ি উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. ওমর আলী, সাধারণ সম্পাদক জাবেদ হোসেন, কাজী মোস্তফা, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রান বিতরণ করেন।

বাঘাইছড়ি উপজেলাধীন বায়তুল শরফ জব্বারিয়া এতিম খানায় আশ্রিতদের খাবার বিতরণ করেন।

এদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন, উপজেলা প্রশাসন পৌরসভার মেয়র, সকল কাউন্সিলরগণকে জনগনের পাশে থেকে দুর্গতদের সহযোগিতা করার জন্য ধন্যবাদ জানান।




তিন দিনের টানা ভারী বর্ষণে বাঘাইছড়ি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

তিন দিনের টানা ভারী বর্ষণে বাঘাইছড়ি উপজেলার নিম্নাঞ্চল বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া বাঘাইছড়ি পৌরসভাসহ উপজেলার প্রায় ৮টি ইউনিয়নের নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

জানাযায়, গত তিন দিনের টানা ভারী বর্ষণে বড় ধরনের তেমন কোন ক্ষয়-ক্ষতি হয়নি। ভারী বর্ষণ শুরুর সাথে সাথে মানুষ গুলো ও তাদের গরু ছাগল নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। জানমালের বড় ধরনের ক্ষতি সাধিত হয়নি। তবে কোথায় কোন দুর্ঘটনা বা মৃতের সংবাদ পাওয়া যায়নি।

জানা যায়, পৌরসভার মধ্যে প্রায় ১হাজার লোকজন পানি বন্দি রয়েছে। পৌরসভা কর্তৃপক্ষ খবর পাওয়ার সাথে সাথে লোকজনদের আশ্রয় কেন্দ্র নেওয়া শুরু করছে। অপর দিকে তাদেরকে জরুরী ভাবে শুকনো খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান জানান, বাঘাইছড়িতে বন্যায় প্লাবিত খবর পাওয়ার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে সেখানে শুকনা খাবার পাঠানো হয়েছে। তার সাথে পানি বন্দি ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য জরুরী ভাবে উপজেলায় ১০ মেট্রিক টন চাউল ও পৌরসভার জন্য ৫ মেট্রিক টন চাউল প্রেরণ করা হয়েছে। প্রয়োজনে আরো পাঠানো হবে।

এদিকে টানা বর্ষণে ও উজানের পানিতে রাঙামাটি জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। হুমকির মুখে পড়েছে কাপ্তাই বাধ, এ অবস্থায় কাপ্তাই পানি কেন্দ্রের ১৬টি গেইট দিয়ে সেকেন্ডে ৩৮ হাজার কিউসিক পানি ছাড়া হচ্ছে। আজকে পর্যন্ত কাপ্তাই লেকের পানির লেভেল ১০৭ ফিট, অথচ থাকার কথা ছিল ৯২ফিট। কাপ্তাই লেকের পানি লেভেলের ধারণ ক্ষমতা ১০৯ফিট।

 




বাঘাইছড়ি বিএনপি’র তৃনমূল কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে হতাশা ও চাপা ক্ষোভ

বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি:

বাঘাইছড়ি উপজেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র নতুর সদস্য সংগ্রহ ও পুরাতন সদস্যপদ নবায়ন কর্মসূচিতে তৃনমূলের কর্মী সমর্থকরা হতাশ।

৫ আগস্ট বিকাল ৪টায় উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম উদ্দিন বাহারের নেতৃত্বে উন্নয়ন বোর্ড রেস্ট হাউজ প্রাঙ্গনে নতুন সদস্য সংগ্রহ ও পুরাতন সদস্যপদ নবায়ন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।এ অনুষ্ঠানে কোরবান আলির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. দীপেন দেওয়ান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামটি জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম, রফিক উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রনেল দেওয়ান, জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি মমতাজ মিয়া ও বাঘাইছড়ি পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. আলমগীর কবির প্রমূখ।

অন্য দিকে ৬ আগস্ট বিকাল ৪টায় উপজেলা ও পৌর বিএনপির যৌথ পরিচালনায় নতুন সদস্য সংগ্রহ ও পুরাতন সদস্য পদ নবায়ন অনুষ্ঠানে সাধারণ সম্পাদক জাবেদ হোসেনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন রঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি শাহ আলম। অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ওমর আলীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাধারণ সম্পাদক দীপন তালুকদার, এ্যাড. মামুনর রশিদ মামুন, পৌর বিএনপির সভাপতি নিজাম উদ্দিন বাবু, সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল আলম প্রমূখ।

এসময় রাঙ্গামাটি জেলার উপজেলা বিএনপির অঙ্গ সংগঠনগুলোর কর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

বাঘাইছড়ি উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিম বাহার বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশ মতো বিএনপির সদস্য ফরম পূরন ও পুরাতন সদস্যদের নবায়ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উভয় পক্ষয়ই বিএনপির কর্মী সমর্থক বাড়ানোর জন্য কাজ করছে। সিনিয়র নতৃবৃন্দের সমন্বয়ের অভাবে তৃনমূল কর্মী ও সমর্থকর আজ হতাশায়।

এদিকে কাজী মোস্তফা বলেন, দীপেন দেওয়ান জেলা নেতৃবৃন্দের সাথে না এসে আবারও বাঘাইছড়িতে গ্রুপিং করার চেষ্টা করছে।




বাঘাইছড়ি বিএনপি’র নবায়ন ও সদস্য গ্রহণ

 

বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি:

বাঘাইছড়ি উপজেলা ও পৌর বিএনপির যৌথ পরিচালনায় নতুন সদস্য সংগ্রহ ও পুরাতন সদস্যপদ নবায়ন অনুষ্ঠান ৬ আগস্ট বিকাল ৪টায় উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাঘাইছড়ি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জাবেদ হোসেনের পরিচালনায় প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ মো. শাহ আলম। উপজেলা বিএনপির সভাপতি ওমর আলীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দীপন তালুকদার, সিনিয়ার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মামুনুর রশিদ মামুন প্রমূখ।

এসময় জেলা ও উপজেলা বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও ৫ আগস্ট উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিম উদ্দিন বাহারের নেতৃত্বে বিএনপির নতুন সদস্য সংগ্রহ ও পুরাতন সদস্যদের নবায়ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. দীপেন দেওয়ান ও সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।




সাজেকে আলোচিত বাঙালী নেতা আলকাস হত্যা মামলার আসামী শুদ্ধধোন চাকমা ৯ বছর পর আটক

পার্বত্যনিউজ রিপোর্ট:

গত ৩ জুলাই রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার বঙ্গলতলী ও রুপকারী শাখার ইউপিডিএফের পরিচালক এবং ইউপিডিএফ’র বিচার বিভাগীয় পরিচালক অটল চাকমা(৫৫) ও তার সহকারী শুদ্ধজয় চাকমা(৪২) কে আটক করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। সোমবার ভোর পাঁচটার দিকে মধ্য বঙ্গলতলীর সতিরঞ্জন চাকমার বাড়ী থেকে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২টি এলজি, ১টি দেশীয় বন্দুক, ১০ রাউন্ড কার্তুজ, ১৫টি চাঁদার রশিদ বই, ১ সেট সামরিক পোশাক, ৪টি মোবাইল, ১টি নোট বুক, ১টি রেডি সহ গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করা হয়।

আটক শুদ্ধজয় চাকমাই হচ্ছে ৯ বছর পূর্বে ২০০৮ সালে সাজেকে আলোচিত বাঙালী নেতা আলকাস লিডার ও তার সহকারী হত্যা মামলার নথিভূক্ত ২ নং আসামী শুদ্ধধোন চাকমা। ধরা পড়ার পর পূর্বের মামলা থেকে আত্মরক্ষা করতে নিজের নাম কিছুটা পরিবর্তন করে ফেলে শুদ্ধধোন চাকমা। তবে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তাকে ঠিক সনাক্ত করতে সক্ষম হয়। বাঘাইচড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমির হোসেন পার্বত্যনিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকের গংগারাম মুখ এলাকায় ২০০৮ সালে ঘটে যাওয়া সম্প্রদায়িক দাঙ্গার জেরে অপহণের পর হত্যা করা হয় সেই সময়ে গংগারাম এলাকায় বসবাসরত বাঙ্গালীদের লিডার(মাতব্বর) আলকাছ(৪৮) ও তার সহকারী মজিবুর রহমানকে(৪৫)। আর ঐ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি হচ্ছে গত ৩ জুলাই নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে আটক হওয়া শুদ্ধধন(রাজা) চাকমা(৪২)।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, ২০০৮সালের পূর্ববর্তী সময়ে বাঙ্গালীরা গংগারাম এলাকায় বসবাস করে আসছিল আর গংগারাম মুখ এলাকার বাঙ্গালীদের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিল ঐ এলাকার বাঙ্গালীদের লিডার মো. আলকাছ। তখনকার সময়ে সেখানে বাঙ্গালীদের সংখ্যা বাড়তে থাকলে এলাকায় আধিপত্যে থাকা আঞ্চলিক সংগঠনের নজরে আসে এবং সেটি নিয়ে রাজনীতি শুরু করে সংগঠনটি। তারই সুত্র ধরে সাজেকে ২০০৮সালে সংগঠিত সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা।

দাঙ্গার পরেও সেখানে বাঙ্গালীরা বসবাস করতে থাকে এবং পরবর্তীতে লিডার আলকাছ উপজাতীদের সাথে ভালো সু-সম্পর্ক গড়ে তোলে, এবং সেখানে সকলেই শান্তিতে বসবাস করতে থাকে। একে অপরের প্রতি বিশ্বাস সৃষ্টি হয়, আর এমন বিশ্বাসের-সরলতার সুযোগ নিয়ে ২০০৮ সালের ৪মে তার নিজ বাড়ী থেকে আঞ্চলিক সংগঠনের পক্ষ থেকে উপজাতি এক লোককে দিয়ে কথা বলার নামে আলকাসকে ডেকে নিয়ে যায়।

বিশ্বাস করে তিনি যেতে থাকেন তাদের সাথে। লিডার আলকাছ তার সঙ্গে করে নিয়ে যায় তার সহকারী মজিবুর রহমানকে। নিয়ে যাওয়ার পর থেকে তাদের পরিবার তাদের সাথে আর কোনো যোগাযোগ করতে পারেনি।

যোগাযোগ না থাকায় পরিবারের পক্ষ থেকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়। নিয়ে যাওয়ার তিনদিন পর আইন-শৃক্সখলা বাহিনী সাজেকের নাকসাছড়ি(২নং কালভার্ট) এর গহীন জংগল থেকে তাদের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে।

স্থানীয় সুত্রে আরও জানা যায়, মুলত ২০০৮সালের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রতিশোধ এবং গংগারাম মুখ এলাকা থেকে বাঙ্গালীদের বিতাড়িত করতেই তাদেরকে হত্যা করা হয়েছে।

জানা যায়, সেই সময়ে মৃত লিডার আলকাছ এর স্ত্রী তাজিনুর বেগম বাদী হয়ে বাঘাইছড়ি থানায় ১০মে ২০০৯ সালে হত্যা মামলা দায়ের করেন। বাঘাইছড়ি থানার ১০/০৫/২০০৯ মামলা নং ২ এ ৮জনের নাম উল্লেখ করে মামলা রয়েছে। উল্লেখিত মামলার আসামীরা হলেন , ১. শান্তি প্রিয় চাকমা(সুমন), পিতা-বিজয় কার্বারী, সাং- ডানে ভাইভাই ছড়া, বাঘাইহাট। ২.শুদ্ধধন চাকমা(রাজা), পিতা- চিত্তরঞ্জন চাকমা, সাং- চামিনী ছড়া, বাঘাইহাট/সংগলা-দিঘীনালা। ৩. সত্যং/মধ্যং চাকমা, পিতা-তরনী সেন চাকমা, সাং-গংগারাম, বাঘাইহাট। ৪. জীবন শান্তি চাকমা, পিতা-তরনী সেন চাকমা, সাং-চামিনী ছড়া, বাঘাইহাট। ৫.কৃপায়ন চাকমা(কালা ছোগা), পিতা- অনিল বরণ চাকমা, সাং- গংগারাম। ৬. সুনেষ চাকমা, পিতা-সুভাস বসু চাকমা, সাং- গংগারাম। ৭. শষি চাকমা, পিতা-তোক চান চাকমা, সাং-ডানে ভাইভাই ছড়া, বাঘাইহাট। ০৮. গোবিন্দ চাকমা হেডম্যান, পিতা-রাজ মণি চাকমা, সাং-ডানে ভাইভাই ছড়া, বাঘাইহাট।

এবিষয়ে বাঘাইছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ আমির হোসেন বলেন, আলকাছ হত্যা মামলার ২ নম্বার তালিকাভুক্ত আসামী হচ্ছে শুদ্ধধন চাকমা। আটক শুদ্ধজয় চাকমাই হচ্ছেন আলোচিত শুদ্ধধোন চাকমা। প্রথমে তিনি তার পরিচয় গোপন করলেও পুলিশ তাকে ঠিকই সনাক্ত করে ফেলে।

এই হত্যা মামলার আসামীদের খুঁজছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এবং এমনকি আদালত থেকে তাদের অনুপুস্থিতিতে তাদের সম্পত্তি ক্রোকেরও নির্দেশ ছিল আদালতের। বর্তমানে মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে, নাকি সাজার রায় হয়েছে কিনা সে বিষয়ে আমাদের পক্ষ থেকে আদালতে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য গত ৩জুলাই বাঘাইছড়ি উপজেলার বঙ্গলতলী ও রুপকারী শাখার পরিচালক এবং ইউপিডিএফ’র বিচার বিভাগীয় পরিচালক অটল চাকমা(৫৫) ও তার সহকারী আলকাছ হত্যা মামলার অন্যতম আসামী শুদ্ধধন(রাজা) চাকমা(৪২) কে আটক করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।

নিরাপত্তা বাহিনী সুত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৪ইস্ট বেঙ্গল বাঘাইহাট সেনা জোন থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর একটি টিম অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। আটক অটল চাকমা একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী।

গত ৩এপ্রিল একই এলাকা থেকে পরিচালক সুগত চাকমাকে আটকের পর ঐ দায়িত্বে আসে অটল চাকমা আর আসার পর থেকেই এলাকার ছোট বড় সকল ব্যবসায়ীর কাছ থেকে সে লাগামহীন চাঁদাবাজী করতে থাকে আর অস্ত্র দিয়ে প্রতিনিয়ত লোকজনের মাঝে ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিল তারা। তাদেরকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যায় এবং তাদের দেওয়া তথ্যমতে এলাকায় অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সুত্রটি।

আটক ইউপিডিএফ নেতা অটল চাকমা বাঘাইছড়ি উপজেলার কাট্রলী গ্রামের মৃত মনিন্দ্র চাকমার ছেলে এবং তার সহকারী শুদ্ধজয় চাকমা দীঘিনালা উপজেলার সংগলা গ্রামের চিত্তরন্জন চাকমার ছেলে বলে জানা যায়।




বাঘাইছড়িতে তিন আগ্নেয়াস্ত্রসহ ইউপিডিএফের পরিচালক আটক

সাজেক প্রতিনিধি:

রাাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার বঙ্গলতলী ও রুপকারী শাখার ইউপিডিএফের পরিচালক এবং ইউপিডিএফ’র বিচার বিভাগীয় পরিচালক অটল চাকমা(৫৫) ও তার সহকারী শুদ্ধজয় চাকমা(৪২) কে আটক করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।

সোমবার ভোর পাঁচটার দিকে মধ্য বঙ্গলতলীর সতিরঞ্জন চাকমার বাড়ী থেকে তাদের আটক করা হয়।
এ সময় তাদের কাছ থেকে ২টি এলজি, ১টি দেশীয় বন্দুক, ১০ রাউন্ড কার্তুজ, ১৫টি চাঁদার রশিদ বই, ১ সেট সামরিক পোশাক, ৪টি মোবাইল, ১টি নোট বুক, ১টি রেডি সহ গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করা হয়।

নিরাপত্তা বাহিনী সুত্রে জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৪ইস্ট বেঙ্গল বাঘাইহাট সেনা জোন থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর একটি টিম অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, আটক অটল চাকমা একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী। গত ৩ এপ্রিল একই এলাকা থেকে পরিচালক সুগত চাকমাকে আটকের পর ঐ দায়িত্বে আসে অটল চাকমা।

আর আসার পর থেকেই এলাকার ছোট বড় সকল ব্যবসায়ীর কাছ থেকে সে লাগামহীন চাঁদাবাজী করতে থাকে আর অস্ত্র দিয়ে প্রতিনিয়ত লোকজনের মাঝে ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিল তারা। তাদেরকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এবং তাদের দেওয়া তথ্যমতে, এলাকায় অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী সুত্রটি।

আটক ইউপিডিএফ নেতা অটল চাকমা বাঘাইছড়ি উপজেলার কাট্রলী গ্রামের মৃত মনিন্দ্র চাকমার ছেলে এবং তার সহকারী শুদ্ধজয় চাকমা দীঘিনালা উপজেলার সংগলা গ্রামের চিত্তরঞ্জন চাকমার ছেলে বলে জানা যায়।

এবিষয়ে বাঘাইছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ আমির হোসেন বলেন, আটককৃতরা উপজেলার শীর্ষ চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী। তাদের বিরুদ্ধে এলাকায় ব্যাপক চাঁদাবাজীসহ বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে ইউপিডিএফ’র বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিচালক জুয়েল চাকমা বলেন, ইউপিডিএফ তো কোন নিষিদ্ধ দল নয়। গণতান্ত্রিক একটি দলের সদস্যদের অন্যায় ভাবে আটক করা ঠিক নয়। তাদেরকে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে আটক করা হয়েছে। আমার জানা মতে, তাদের কাছে আটকের সময় কিছুই ছিলনা। আটকের বিষয়ে ইউপিডিএফ’র পক্ষ থেকে এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি ।




বাঘাইছড়িতে প্রাক্তন শিক্ষার্থী ফোরাম গঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

সীমান্তবর্তী বাঘাইছড়ি উপজেলায় ইসলাম প্রচারক হযরত শাহ সুফী নুর মোহাম্মদ প্রকাশ মারিশ্যা বড় হুজুর কেবলা (রহঃ) প্রতিষ্ঠিত বটতলী মোহাম্মদীয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার সাবেক শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রাক্তন শিক্ষার্থী ফোরাম গঠন করা হয়েছে। শনিবার বিকালে মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত সভায়  এ ফোরাম গঠন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন হুজুর কেবলার ছোট  সাহেবজাদা শাহজাদা সৈয়দ মুহাম্মদ আব্দুল বারী। মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মাষ্টার আমির হোসেন, হাফেজ নিজাম উদ্দিন, হাফেজ মুহাম্মদ হোসাইন, হাফেজ রাশেদুল ইসলাম, হাফেজ আহম্মদ আলী, হাফেজ আরফাতুর রহমান, হাফেজ হেলাল উদ্দিন, হাফেজ শাহেদ আলম, হাফেজ কাইয়ুব উদ্দিন, হাফেজ নওশেদ আলম, হাফেজ এনামুল হক, হাফেজ সাইদুল ইসলাম, হাফেজ আব্দুল কাদের, হাফেজ তাজুল ইসলাম, হাফেজ রবিউল হোসেন, সাহাব উদ্দিন প্রমুখ।

পরিশেষে সর্বসম্মতিক্রমে হাফেজ নিজাম উদ্দিনকে সভাপতি, হাফেজ কাউছার উদ্দিনকে সহ-সভাপতি, হাফেজ রাশেদুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক, হাফেজ আরফাতুর রহমানকে সহ-সাধারণ সম্পাদক, হাফেজ মোহাম্মদ হোসাইনকে অর্থ সম্পাদক, হাফেজ হেলাল উদ্দিনকে প্রচার সম্পাদক, আহমদ আলীকে দপ্তর সম্পাদক, হাফেজ কাইয়ুম উদ্দিনকে সাংগঠনিক সম্পাদক ও অন্যান্যদের সদস্য করে প্রাক্তন শিক্ষার্থী ফোরাম গঠন করা হয়।