পেকুয়া কবির আহমদ চৌধুরী বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন

pic pekua aktar & minhaj

পেকুয়া প্রতিনিধি :
পেকুয়া কবির আহমদ চৌধূরী বাজার ব্যবসায়ী সমিতির বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। এতে ভোটারদের গোপন ব্যালট রায়ে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী সভাপতি পদে হাজ্বী আকতার আহমদ, সহ-সভাপতি পদে আজিজুল হক ও আওয়ামীলীগ সমর্থিত সাধারণ সম্পাদক পদে মিনহাজ উদ্দিন নির্বাচিত হয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলার প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র পেকুয়া আলহাজ্ব কবির আহমদ চৌধুরী বাজার ব্যবসায়ী সমিতি (পেকুয়া বাজার ব্যবসায়ী কো অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন) নেতৃত্ব নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত প্রায় সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে এলাকার ওই ব্যবসায়ী সংগঠনের সংশ্লিষ্ট সহ সর্বস্তরের লোকজনের মধ্যে দেখা দেয় বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা। প্রার্থীতা ঘোষণা থেকে শুরু করে সর্বশেষ ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত চলে নির্বাচনী বিতর্ক আর আলোচনা। প্রধান এই বিপনী কেন্দ্রের ব্যবসায়ী সমাজের নেতৃত্ব বা প্রতিনিধিত্ব নির্বাচনকে ঘিরে সর্বস্তরের ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ভোটের রাজনীতির চাঙ্গাভাব।

১৯ জানুয়ারী বৃহষ্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পেকুয়া সমবায় কমিউনিটি সেন্টারে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভোট গ্রহণ ও ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত চলে টান টান উত্তেজনা। নির্বাচনে পেকুয়ার ব্যবসায়ী সমাজের ভোটারা ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এতে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতায় অবতীর্ণ হন ৩ প্রার্থী। তারা হলেন যথাক্রমে, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজ্বী আক্তার আহমদ(প্রজাপতি), মাষ্টার নাছির উদ্দিন(দোয়াত কলম) ও মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম(চেয়ার) প্রতিক। এর মধ্যে হাজী আক্তার আহমদ ৭৭০ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী মাষ্টার নাছির উদ্দিন ৫৯৩ ভোট পান। অন্যদিকে হাঁস প্রতিক নিয়ে ১০১০ভোট পেয়ে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন আজিজুল হক। তার প্রতিদ্বন্ধী মোঃ হোসেন সিকদার (গোলাপ ফুল) প্রাপ্ত ভোট ৪৬৩। সাধারণ সম্পাদক পদে মিনহাজ উদ্দিন(হরিণ) প্রতিক নিয়ে ৮৭৫ ভোট পেয়ে সেক্রেটারী পদে বিজয় লাভ করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী হাজী গিয়াস উদ্দিন(মাছ) প্রতিক নিয়ে লড়াই করে লাভ করেন ৬০২ভোট। এছাড়া সদস্য হিসাবে বেশ কিছু প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধীতা করলেও ফুটবল প্রতিক নিয়ে মুহাম্মদ শফি ৭৪০ভোট পায়, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী ছিলেন শাহেদ ইকবাল(আম) প্রতিক ৬৫৫ ও কাঁঠাল প্রতিক নিয়ে আব্দু রহিম ৬৫৪ভোট পেয়ে সদস্য নির্বাচিত হন।

নির্বাচনে কমিশনারে দায়িত্ব পালন করেন, জেলা সমবায় পরিদর্শক আবু তাহের, সহকারী হিসাবে ছিলেন ডাঃ বেলাল উদ্দিন ও এনামুল হক প্রমুখ। পেকুয়ার ঐতিহ্যবাহী আলহাজ্ব কবির আহমদ চৌধুরী বাজারের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থীরা গত কয়েকদিন ধরে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভোট প্রার্থনার প্রতিযোগিতা চালিয়ে আসায় পেকুয়া বাজার ও তার আশেপাশের এলাকাসহ পুরো উপজেলার প্রত্যন্ত পাড়া-মহল্লায় প্রার্থীদের ছবি ও মার্কা সমেত রং বেরংয়ের ব্যানার, পোষ্টার ও পেষ্টোনে ছেয়ে যায়। ফলে, পেকুয়া বাজারের ব্যবসায়ীদের এনির্বাচনকে ঘিরে গত সপ্তাহ জুড়ে উপজেলার ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগায়। ফলে, নির্বাচনটি হয়ে পড়ে তীব্র প্রতিযোগীতাময় ও উৎসব মূখর।

এদিকে পেকুয়া আলহাজ্ব কবির আহমদ চৌধুরী বাজারের ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে নব-নির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে পেকুয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাফায়েত আজিজ চৌধুরী রাজু, আওয়ামীলীগ নেতা ওয়াহিদুর রহমান ওয়ারেচী, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, পেকুয়া উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, পেকুয়া উপজেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় পার্টি(এরশাদ) সিননিয়র সহ-সভাপতি সাংবাদিক এম. দিদারুল করিম, উপজেলা জাতীয় পাির্ট’র  যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুল ইসলাম, পেকুয়া উপজেলা শাখা অন-লাইন সাংবাদিক এসোশিয়েসনের সভাপতি প্রবীন সংবাদকর্মী এস.এম.ছগির আহমদ আজগরীসহ বিভিন্ন মহল আন্তরিক প্রাণঢালা অভিনন্দন, শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়ে বিজয়ীদের সু’স্বাস্থ্য,দীর্ঘায়ু, সার্বিক কল্যাণ ও সফলতা কামনা করে পৃথক মন্তব্যে বলেন, ব্যবসায়ী ভোটারদের প্রত্যক্ষ গোপন ভোটে নির্বাচিত এসমাজ প্রতিনিধিগন তাদের সংগঠনের লোকজনের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির্জনের পাশাপাশি পেকুয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলে নতুন ধারার বাণিজ্যিক রাজনীতির সূচনার প্রত্যাশা করেন।




পেকুয়ায় ২৩ দিনেও উদ্ধার হয়নি অপহৃত স্কুল ছাত্রী

Pic

পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়ায় অপহরণের ২৩ দিন অতিবাহিত হলেও কোন হদিস মেলেনি অপহৃত স্কুল ছাত্রীর। জানা যায় পেকুয়ার মগনামা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বাজার পাড়া এলাকার বাসিন্দা পেকুয়া বাজারের কাঠ ব্যাবসায়ী আবু ছালেকের মেয়ে ও পেকুয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। অপহৃত স্কুল ছাত্রী নাসরিন সোলতানা লিলি (১৫)।

এ ব্যাপারে অপহৃত স্কুল ছাত্রীর পিতা আবু  ছালেক বাদী হয়ে একই ইউনিয়নের কালার পাড়া এলাকার মোস্তাক আহমদের ছেলে শাকের উল্লাহ(২১)কে আসামী করে গত ৩০ ডিসেম্বর পেকুয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ সংশোধিত ২০০৩এর ৭/৩০ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন।

দায়েরকৃত এজাহার সূত্রে জানা যায়, বিগত কয়েক বছর পূর্ব থেকে শাকের উল্লাহ নামের বখাটে লিলিকে বিদ্যালয়ে আসা যাওয়ার সময় মাঝে-মধ্যেই পথরোধ করে অপহরণ করার চেষ্টা করত। এরই মধ্যে গত এক বছর পূর্বে নাসরিন সোলতানা লিলি নানার বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার পথে সদর ইউনিয়নের মেহেরনামা সাঁকোর পাড় ষ্টেশনে লিলিকে অপহরণ করে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এসময় লিলির চিৎকারে স্থানীয় জনসাধারণ এগিয়ে এসে হাতেনাতে শাকের উল্লাহকে আটক করে।

পরে তাকে শিলখালী ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল হোছাইনের নিকট হস্তান্তর করা হয়। পরে অভিযুক্ত বখাটে শাকের উল্লাহর পিতা-মাতার মধ্যস্থতায় ননজুডিসিয়াল ষ্ট্যাম্পে অঙ্গীকার মূলে শিলখালী ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ছাড়িয়ে নেয়।

ছাত্রীর পিতা আবু ছালেক জানান, গত ২৭ ডিসেম্বর সকাল ৯টার সময় নাসরিন সোলতানা লিলি আমার নিজ বাড়ী হইতে বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল দেখতে পেকুয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে পেকুয়া আশরাফুল উলুম মাদ্রসার সামনে পৌছায়। এসময় পূর্ব থেকে ওৎপেতে থাকা শাকের উল্লাহসহ অজ্ঞাত ২/৩ জন বখাটে আমার মেয়ে কে উঠিয়ে নিয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুজির পরও তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে আমি পেকুয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করি। মামলার সুত্র ধরে পুলিশ বিভিন্ন জায়গা অভিযান চালিয়েছিল।

এছাড়া তিনি আরও জানান, বেশ কিছু দিন ধরে অজ্ঞাত স্থান থেকে বিভিন্ন পরিচয় দিয়ে ০১৮৭৬-৭৩১৭৩২, ০১৮৮১২৩২৪৪৮ ও ০১৮৮১৫৯৭৬৫৯ নং থেকে কল করে প্রতিনিয়ত তার কাছ থেকে মুক্তিপণ দাবী করে আসছে। বিষয়টি মামলার তদন্তকারী এসআই রাজ্জাককে অভিহিত করা হয়েছে। এদিকে লিলি অপহৃত হওয়ার পর থেকে অসহায় দরিদ্র পরিবারে চলছে অজানা উৎকন্ঠা।




পেকুয়ায় সাবমেরিন নৌঘাটি স্থাপন কাজ পরিদর্র্শনে নৌবাহিনী প্রধান

pic
পেকুয়া প্রতিনিধি:
বাংলাদেশের প্রথম সাবমেরিন নৌঘাটি স্থাপন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নে। খুব শীঘ্রই শুরু হচ্ছে পেকুয়ার মগনামায় সাবমেরিন নৌঘাটি স্থাপন কাজ। খুব অল্প সময়ের মধ্যে নৌঘাটির জন্য অধিগ্রহণকৃত জমিতে নিমার্ণ কাজের সরঞ্জাম এসে যাবে। ১৭ জানুয়ারী দুপুরে পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের কাকপাড়া পয়েন্টে সাবমেরিন নৌঘাটির জন্য অধিগ্রহণকৃত জায়গা পরিদর্শনে এসে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল মুহাম্মদ নিজামউদ্দিন আহমেদ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারিক আহমদ ছিদ্দিকী, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক আলী হোসেন, কক্সবাজারের পুলিশ সুপার ড.এ কে এম ইকবাল হোসেন, সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া-পেকুয়া) সার্কেল কাজী মতিউর ইসলাম, পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান শাফায়েত আজিজ রাজু, পেকুয়া উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা জয়নাল আবদীন, পেকুয়া থানার ওসি জিয়া মো. মোস্তাফিজ ভুইয়া, মগনামা ইউপির চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ ওয়াসিমসহ নৌবাহিনীর উধর্বতন কর্মকর্তাগণ।

এদিকে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান ও প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা পেকুয়ার মগনামায় আগমন উপলক্ষে পুরো মগনামাকে পুলিশ ও নৌবাহিনীর কঠোর নিরাপত্তা জোরধার করে। উল্লেখ যে মগনামার ৪৬৬ একর জমিতে বাংলাদেশের প্রথম সাবমেরিন নৌঘাটি স্থাপন হতে যাচ্ছে।




পেকুয়ায় কে এই অস্ত্রধারী যুবক!

p1

পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়া উপজেলায় প্রকাশ্যে অস্ত্র উচিয়ে চলাফেরা করা এক অস্ত্রধারী যুবককে নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। আর প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে চলাফেরা করায় স্থানীয়দের মধ্যে আতংক ও উদ্বেগও সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে খোঁজ খবর নিয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নের পূর্ব জালিয়াকাটা গ্রামের জসিম উদ্দিনের পুত্র মো. ফয়সাল গত কয়েক দিন ধরে তার বাড়ীর আঙ্গিনায় নিজের হাতে একটি অস্ত্র উচিয়ে ধরে তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক একাউন্টে ছবি পোস্টও করেছে। ছবিটি পোস্ট করার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড় সৃষ্টি হলে পরে ছবিটি তার একাউন্ট থেকে রিমোভও করে দেন ফয়সাল।

স্থানীয়রা জানান, অস্ত্রধারী ফয়সাল প্রায় সময় এলাকার লোকজনকে নানাভাবে হুমকি-ধমকি দিয়ে চাঁদাদাবি করে। নিরীহ লোকজনের বিরোধীয় জমি দখলে প্রভাবশালীদের পক্ষে অস্ত্র নিয়ে ভাড়াও যায় ওই অস্ত্রধারী ফয়সাল। এদিকে ফেসবুকে অস্ত্র উচিয়ে ছবি পোষ্ট করার পর বিষয়টি স্থানীয়রা মৌখিকভাবে পেুকয়া থানার ওসিকে অবহিত করেন।

এ ব্যাপারে জানার জন্য অভিযুক্ত ফয়সালের সাথে যোগাযোগ করে বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে পেকুয়া থানার ওসি জিয়া মো. মোস্তাফিজ ভূঁইয়া জানান, বিষয়টি তিনি খতিয়ে দেখবেন।




পেকুয়ার সন্ত্রাসী হাসনাত অবশেষে জেল হাজতে

pekua_pic_hasnat_16-01-17
পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়ার এক শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ইয়াবা ব্যবসায়ীকে জেল হাজতে প্রেরণ করছে আদালত। ১৬ জানুয়ারী পেকুয়া সদর ইউনিয়নের মাইজপাড়া এলাকার আহমদ হোসেনের পুত্র হাসনাত (২৪) আদালতে জামিন নিতে গেলে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন বিজ্ঞ ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত।

জানা যায়, গত বছরের ৩১ অক্টোবর  সাবেকগুলদি এলাকায় ডাকাতি করতে গেলে স্থানীয় মেম্বার ইসমাইল সিকদার এলাকাবাসীকে নিয়ে বাধা দিলে সন্ত্রাসী হাসনাতের নেতৃত্বে ৪/৫ জন সন্ত্রাসী স্থানীয় মেম্বারের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। সন্ত্রাসীরা মেম্বারের কাছ থেকে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় এবং তাকে হামলা করে রক্তাক্ত জখম করে। এতে ইসমাইল সিকদারের বড় ভাই হাজী গিয়াস উদ্দিন বাদী হয়ে গত বছরের ২ নভেম্বর  পেকুয়া থানায় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। উক্ত মামলায় জামিন নিতে গিয়ে বিজ্ঞ আদালত জামিন নামঞ্জুর করে ওই সন্ত্রাসীকে জেল হাজতে প্রেরণ করে।

জানা যায়, হাসনাত বাহিনীর অন্য সদস্যরা একই ইউনিয়নের তেলিয়াকাটা এলাকার আমিনুল হকের পুত্র ইমতিয়াজ, সাবেকগুলদি এলাকার বাদশা মিয়ার পুত্র সাজ্জাদ, রবি চাঁদের পুত্র আবদু শুক্কুর মামলার বাদীকে মামলা প্রত্যাহারের জন্য প্রতিনিয়ত হুমকি প্রদর্শন করে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে সন্ত্রাসীরা সন্ধ্যার পর হলেই সরকারীঘোনা ব্রীজ ও তেলিয়াকাটা কেন্দ্রিক ইমতিয়াজের নেতৃত্বে প্রতিনিয়ত ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের কারণে এলাকায় সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, ডাকাতিসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকান্ড হচ্ছে।




পেকুয়ায় শ্রেণীকক্ষ নিয়ে দু’শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের মধ্যে বিরোধ, আসবাবপত্র ভাংচুর

pic pekua 14-1-2017
পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়ায় শ্রেণীকক্ষ নিয়ে দু শিক্ষা প্রতিষ্টানের শিক্ষকদের মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে। বিরোধের জের ধরে পশ্চিম উজানটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র ভাংচুর করে ২টি শ্রেণী কক্ষ গুড়িয়ে দিয়েছে পার্শ্ববর্তী পশ্চিম উজানটিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা।

শনিবার ১৪ জানুয়ারী সকাল ১০ টায় উজানটিয়া ইউনিয়নের করিমদাদ মিয়া ঘাট এলাকার পশ্চিম উজানটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, পশ্চিম উজানটিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জামাল উদ্দিন, আনছারের নেতৃত্বে আরো ১ জন শিক্ষক পার্শ্ববর্তী পশ্চিম উজানটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের দুইটি শ্রেণী কক্ষ গুড়িয়ে দিয়ে আসবাবপত্র ভাংচুর করে। এ সময় ছাত্রছাত্রীরা বাধা দিলে তাদের গালমন্দ করে। এতে ছাত্রছাত্রীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওই শিক্ষকদের ধাওয়া দেয়।

এ ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। পরে ওই উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকরা তাৎক্ষনিক এলাকায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এদিকে ওই উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাকের উল্লাহ জানান, আমাদের বিদ্যালয়ের ইতিমধ্যে নবম শ্রেণীর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। কিন্তু একটি ভবনের অভাবে আমরা চলতি মাসের শুরু থেকে পার্শ্ববর্তী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিচতলার অব্যবহৃত উম্মুক্ত স্থানে শিক্ষার্থীদের পাঠদান শুরু করি।

পশ্চিম উজানটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মাঈনুল ইসলাম চৌং জানান, এদিকে প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গত ১২ জানুয়ারী আমাদেরকে ওই স্থানে পাঠদান না করতে বারণ করে। এরপর থেকে আমরা পাঠদান বন্ধ রাখলেও শনিবার ঘটনার দিন সকালে ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামসুল আলম আজমীর নির্দেশে ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জামাল, আনচার ওই স্থানে আমাদের রাখা আসবাবপত্র ভাংচুর করে। এ সময় ছাত্রছাত্রীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তারা ছাত্রছাত্রীদের কে গালমন্দ করে। পরে ছাত্রছাত্রীরা উত্তেজিত হয়ে ধাওয়া দেওয়ার চেষ্টা করে।

এ ব্যাপারে জানতে অভিযুক্ত পশ্চিম উজানটিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জামাল উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন এটা সরকারী ভবন। এখানে অন্য বিদ্যালয়ের ক্লাস নিলে অবশ্যই গুড়িয়ে দিব।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত পশ্চিম উজানটিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সামশুল আলম আজমীর সাথে যোগাযোগ করার জন্য ওনার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে অনেক বার কল দিলেও সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাসান মুরাদ চৌং জানান বিষয়টি আমি ও আমার ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। আমরা এর দ্রুতই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।

এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহাফুজুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করার জন্য ওনার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে অনেক বার কল দিলেও সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া যায়নি।




পেকুয়ায় পাউবোর বেড়িবাঁধ কেটে মৎস্য ঘেরে পানি ঢুকানোর অভিযোগ

 পেকুয়া প্রতিনিধি:

পেকুয়ায় বেড়িবাঁধ কেটে মৎস্যঘেরে লবণ পানি ঢুকানোর অভিযোগ উঠেছে। এতে বেড়িবাঁধ সংলগ্ন বসতবাড়ি বন্যার ঝুঁকিতে পড়ছে। স্থানীয়রা জানায় ২০১৬সালের জুন-জুলাই মাসের বন্যায় পেকুয়া সদর ইউনিয়নের সিরাদিয়া এলাকার বেড়িবাঁধ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বন্যা পরবর্তী পানি উন্নয়ন বোর্ড ক্ষতিগ্রস্ত  বেড়িবাঁধ সংস্কার করে। কিন্তু কিছু ব্যক্তি মৎস্যঘেরে পানি ঢুকাতে সংস্কার করা বেড়িবাঁধের কিছু অংশ কেটে ফেলেছে।

বুধবার সরেজমিনে দেখা যায়, পেকুয়া সদর ইউনিয়নের সিরাদিয়া ও মইয়াদিয়া গ্রামের পাশ দিয়ে প্রবাহমান কাটাফাঁড়ি নদী। এ নদীর পানি থেকে লোকালয়কে রক্ষা করতে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে পানি উন্নয়ন বোর্ড। সিরাদিয়া এলাকার মৎস্যঘেরে পানি ঢুকানোর জন্য সরকারীভাবে একটি স্লুইচ গেইট রয়েছে। কিন্তু মৎস্যঘেরের মালিক সিরাদিয়া এলাকার আবদুর রশিদ, মহাম্মদ হোসেন, নুরুল আলম ও মো. কবির স্লুইচ গেট ব্যবহার না করে বেড়িবাঁধ কেটে লবনাক্ত পানি ঢুকাচ্ছে। চারদিন ধরে শ্রমিক লাগিয়ে বেড়িবাঁধ কেটে পলবোট (আরসিসি পাইপ) বসানো হচ্ছে।

বেড়িবাঁধ সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা কামাল হোসেন, মো. দেলোয়ার হোসেন, মো. আনোয়ার, মোবারক আলী, মোহাম্মদ হোসেন, মোশারফ করিম, সাজেদা বেগম, মো. ইব্রাহিম বলেন, বেড়িবাঁধের কেটে ফেলা অংশ দিয়ে জোয়ারের সময় লবনাক্ত পানি ঢুকছে। পার্শ্ববর্তী বসত ঘরের পুকুর ও নলকূপ লবণের পানিতে প্লাবিত হচ্ছে। এতে লবনাক্ততায় ভরে যাচ্ছে বাড়ি ঘর। এছাড়া বর্ষা মৌসুমে বেড়িবাঁধের কাটা অংশ দিয়ে  নদীর পানি বসতবাড়িতে ঢুকে পডবে। তবে একটি মৎস্যঘেরের মালিক আবদুর রশিদ বলেন, সরকারি স্লুইচ গেট দিয়ে ঘেরের জন্য পানি নিতে গেলে অনেক টাকা খরচ হতো। একারণে পলবোট (আরসিসি পাইপ) বসিয়ে পানি ঢুকাতে বেড়িবাঁধ কাটা হয়েছে। তবে এতে কারও ক্ষতি হচ্ছে না। আমরা কাটা বেড়িবাঁধটি ভরাট করে দিয়েছি।’

পেকুয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাহাদুর শাহ  বলেন, ‘বেড়িবাঁধ কেটে ফেলার খবর পেয়ে মৎস্যঘেরের মালিকদের নিষেধ করা হয়েছিল। কিন্তু তারা শোনেনি। পরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের বিষয়টি অবহিত করা হয়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, বেড়িবাঁধ কেটে ফেলার বিষয়টি শুনেছি। বেড়িবাঁধ সংলগ্ন এলাকার লোকজনকে অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। তারপরও বিষয়টি সরেজমিনে দেখে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




পেকুয়ায় জমি দখল নিয়ে সংঘর্ষ, জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতিসহ আহত ৪, আটক ২

সংঘর্ষ
পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়ায় দু’পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় দু’পক্ষের মধ্যে অন্তত চার রাউন্ড গুলি বিনিময় হয়েছে। হামলায় উভয় পক্ষের ৪ জন গুরতর আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার সকাল ৮টার দিকে মগনামা ইউনিয়নের ধারিয়াখালী এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।
খবর পেয়ে পেকুয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ সময় পুলিশ দু’জনকে আটক করেছে।

আহতরা হলেন উপজেলার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম গোঁয়াখালী এলাকার বীর মুক্তিযুদ্ধা ডা.আফতাব উদ্দিনের পুত্র জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি আমির আশরাফ রুবেল (৩৭), একই এলাকার মৃত. দলিলুর রহমানের পুত্র আমেরিকান প্রবাসী শফিউল আজম চৌধুরী (৫০), পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী (৫০) ও আসিফ সাজ্জাত চৌধুরী (৪৭)। আহতদের মধ্যে পারভেজ সাজ্জাতের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় ওইদিন তাকে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করে।

আটককৃতরা হলেন মাতবরপাড়া এলাকার কামরুল সাজ্জাদ ও কমরুদ্দিন। গুলি বিনিময় নিয়ে পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় একপক্ষ অপরপক্ষকে দায়ী করছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় এলাকাবাসী জানিয়েছেন মগনামা ইউনিয়নের ধারিয়াখালী এলাকায় গোঁয়াখালী ফতেহ আলী মাতবর চৌধুরীর মালিকানাধীন বিপুল জমি রয়েছে। প্রায় ২ একর আয়তন একটি দিঘি নিয়ে ওয়ারিশ নুরুল আজিম চৌধুরী ও আমেরিকা প্রবাসী শফিউল আজম চৌধুরীর মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। দীর্ঘদিন ধরে নুরুল আজিম চৌধুরী দিঘিটি ভোগ দখল করছিলেন। ঘটনার দিন শফিউল আজম চৌধুরী দখলের উদ্দেশ্যে ভাড়াটে লোকজনসহ শ্রমিক নিয়ে দিঘি খনন করতে যায়। এ সময় নুরুল আজিম চৌধুরীর ছেলে পারভেজ সাজ্জাত বাধা দেয়ার চেষ্টা করে।

এ সময় ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা তাকে নির্দয়ভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে শতশত লোকজন সেখানে জড়ো হয়। স্থানীয়রা জানায় ছত্রভঙ্গ করতে শফিউল আলম চৌধুরীর ভাড়াটে লোকজন কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে। এ সময় দু’পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়।

এ ব্যাপারে পেকুয়া থানার ওসি জিয়া মোহাম্মদ মোস্তাফিজ ভুইয়া ঘটনার সত্যতা জানিয়ে বলেন বিষয়টি তাদের পারিবারিক জায়গাজমি সংক্রান্ত।




মাষ্টার নেছার আহমদ স্মৃতি সংসদ চ্যাম্পিয়ন

pic-11-1-2017
পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়া উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১১ জানুয়ারী রাত ৮ টায় উপজেলা চত্বরে পেকুয় স্পোটিং ক্লাব বনাম মাষ্টার নেছার আহমদ স্মৃতি সংসদ এর অনুষ্ঠিত হয়। খেলার নির্ধারিত পয়েন্টে প্রথম পর্বের খেলায় পেকুয়া স্পোটিং ক্লাব ১১, মাষ্টার নেছার আহমদ স্মৃতি সংসদ ১৫  পয়েন্ট লাভ করে। পরে ২য় পর্বের খেলায় পেকুয়া স্পোটিং ক্লাব ১৪, মাষ্টার নেছার আহমদ স্মৃতি সংসদ ১৭ পয়েন্ট লাভ করে। পেকুয়া স্পোটিং ক্লাবের চেয়ে মাষ্টার নেছার আহমদ স্মৃতি সংসদ ৭ পয়েন্ট বেশি পেয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

খেলা শেষে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাসান মুরাদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও পেকুয়া প্রেস ক্লাবের নিবার্হী সদস্য এম জুবাইদের পরিচালনায় পুরস্কার বিতরণ হয়।

খেলায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির উপদেষ্টা শাফায়েত আজিজ রাজু। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহাফুজুর রহমান, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদক এ এম শাহজাহান, উপজেলা প্রাথমিকশিক্ষক সমিতির সভাপতি হানিফ চৌধুরী, টইটং ইউপির চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম চৌং, পেকুয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি ছফওয়ানুল করিম, পেকুয়া সদর ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ আজাদ, টইটং ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিনসহ সাবেকগুলদি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মজিবুল হক, উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

খেলা পরিচালনা করেন মো. মজিবুল হক চৌং, ডা. শামীম, মাষ্টার খাইরুল কামাল, কুন্ডু বিশ্বাস, শাহজাহান। খেলা পরিচালনা কমিটির পক্ষে ছিলেন রেজাউল করিম মুন্না, হাসান মুরাদ।   পরে প্রধান অতিথি উপজেলা চেয়ারম্যান শাফায়েত আজিজ রাজু অন্যান্য অতিথিদের নিয়ে চ্যাম্পিয়ন ট্রপি ও রার্নাস আপ ট্রপি এবং বিভিন্ন খেলায় ম্যান অব দ্যা ম্যাচ পুরস্কার তুলে দেন। খেলায় ম্যান অব দ্যা সিরিজ নির্বাচিত হয় মাষ্টার নেছার আহমদ স্মৃতি সংসদের খেলোয়াড় আসাহাদুল করিম জিহাদ। ভালো খেলা উপহার দেওয়ার জন্য পেকুয়া ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে উভয় দলের খেলোয়াড়দের হাতে ব্যাডমিন্টন খেলার ব্যাড পুরস্কার দেওয়া হয়।




পেকুয়ায় ৫ টাকার ভাড়ার জন্য দু’গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত -৪

সংঘর্ষ
পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়ায় ৫ টাকা টমটম ভাড়া দেওয়া-নেওয়া নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ১০ জানুয়ারী সন্ধ্যা ৬টায় পেকুয়া সদর ইউনিয়নের ব্যাইমাখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদূর্শী সূত্রে জানা যায়, বাইম্যাখালী এলাকার জব্বর নামে এক টম টম চালাক পেকুয়া সদর ইউপি পরিষদ গেইট হয়ে যাত্রী নিয়ে বাইম্যাখালী এলাকায় যায়। পথিমধ্যে রাহাতজানি পাড়া এলাকার জৈনিক এক যাত্রী তার সহপাঠীসহ ৩ জন গাড়ী থেকে নেমে যায়। এ সময় চালক ভাড়া খুজঁলে দুই জনের ভাড়া দেয়। ফলে আরেক জনের ৫ টাকা ভাড়া নিয়ে চালক ও যাত্রীর মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে স্থানীয় শাহজাহানসহ বেশ কয়েকজন লোক ওই যাত্রীকে বকাঝকা দিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন। কিছুক্ষন পর রাহাতজানি পাড়া এলাকার ওই যাত্রীর আত্বীয়স্বজনরা লাঠিসোটা নিয়ে গিয়ে জব্বারের চায়ের দোকান ভাংচুর করে।

এ সময় বাইম্যাখালী গ্রামবাসী ও রাহাতজানি পাড়ার লোকজনের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত পেকুয়া পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এতে বাইম্যাখালী এলাকার মৃত আলী আহমদের পুত্র জসিম উদ্দিন(২৪), সাহাব উদ্দিনের পুত্র মনু(২০), কামালের পুত্র জয়নাল(২৫), কালু আহত হয়। আহতদের কে স্থানীয়রা উদ্ধার করে পেকুয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। আহতদের মধ্যে পথচারী জসিম উদ্দিনের অবস্থার অবনতি হওয়ায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।