পেকুয়া সরকারী হাসপাতালে রোগীদের জন্য বরাদ্দের খাবার লুটপাট

পেকুয়া প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (সরকারী হাসপাতাল) রোগীদের জন্য বরাদ্দের খাবার অব্যাহতভাবে লুটপাট চলছে। যেন দেখার কেউ নাই!হাসপাতালের বাবুর্চি নেজাম প্রতিদিন দুপুরে ও রাতের বেলায় রোগীদের জন্য খাবার বাইরের লোকজনের কাছে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে।

গত কয়েক দিন পূর্বে পেকুয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হাসপাতালের ক্যান্টিনে বাইরের লোকজনের মাঝে খাবার বিক্রি বন্ধে হাসপাতালের টিএইচওকে নির্দেশ দিলেও কোন কাজই হয়নি। উল্টো আরো বেপরোয়া হয়ে হাসপাতালের বাবুর্চি নেজাম উদ্দিন প্রতিদিন বাইরের লোকজনের মাঝে খাবার বিক্রি অব্যাহত রেখেছেন। হাসপাতালের বাবুর্চি নেজামই এখানে একাই একশ। হাসপাতালের কোন কর্মকর্তা এমনকি টিএইচওকে ধার ধারেন না এ কর্মচারী। নিজের ইচ্ছেমতো হাসপাতালের ক্যান্টিনকে খাবার হোটেল বানিয়ে বাইরের লোকজনের মাঝে খাবার বিক্রির কাজ চালাচ্ছেন।

এ প্রসঙ্গে পেকুয়া সরকারী হাসপাতালের টিএইচও ডা. মুজিবুর রহমান জানান, গত কয়েক দিন পূর্বে হাসপাতালের ক্যান্টিনে বাইরের লোকজনের মাঝে খাবার বিক্রি না করার জন্য হাসপাতালের বাবুর্চি নেজাম উদ্দিনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

টিএইচওর এ নির্দেশের সত্যতা যাচাই করতে ৩০ এপ্রিল দুপুর ২টার দিকে পেকুয়া সরকারী হাসপাতালের নিচ তলায় অবস্থিত ক্যান্টিনে গিয়ে দেখা গেছে, পেকুয়া উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন কার্যালয় ও সাব-রেজিষ্টারের কার্যালয়ের বেশ কয়েকজন কর্মচারী খুব আয়েশেই রোগীদের খাবার হাসপাতালের বাবুর্চি নেজাম উদ্দিনের কাছ থেকে ক্রয় করে তৃপ্তি সহকারে খাচ্ছেন। প্রতি বেলা খাবারের জন্য বাবুর্চি নেজাম জনপ্রতি ৫০ টাকা করে নেন। প্রতিদিন দুপুরে প্রায় ৫০ জন ও রাতের বেলায় ৩০ জন বাইরের লোক হাসপাতালের ক্যন্টিন থেকে খাবার ক্রয় করে খান। রোগীদের নামেমাত্র খাবার দিয়ে বাকী খাবার বাইরের লোকজনের মাঝে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে।

এছাড়াও হাসপাতালে অতিরিক্ত রোগী ভর্তি দেখিয়ে ঠিকাদাররের কাছ থেকে খাবার সামগ্রী নিয়ে হাসপাতালের ক্যান্টিনে রান্না করেন বাবুর্চি নেজাম উদ্দিন। আর রোগীদের সরকারী নির্দেশিত মতে খাবার দেওয়া হয় না বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

দীর্ঘদিন ধরে পেকুয়া সরকারী হাসপাতালে রোগীদের খাবার লুটপাটের মহোৎসব চললেও তা বন্ধে কোন ধরনের কার্যকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি সংশ্লিষ্ঠ স্বাস্থ্য বিভাগ। এ নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হেয়ছে। পেকুয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী (বাবুর্চি) নেজামের বিরুদ্ধে রোগীর খাবার নিয়ে বানিজ্যে করে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অবিযোগ উঠেছে। হাসপাতালের অভ্যন্তরে হাস মুরগি, কবুতর ও ছাগলের ক্ষেত খামারও গড়ে তুলেছেন ওই কর্মচারী।

অভিযোগ রয়েছে, পেকুয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত টিএইচও ডা. মো. মুজিবুর রহমানের আস্কারায় ওই বাবুর্চি নেজাম দীর্ঘদিন ধরে রোগীর খাবার বাইরে বিক্রি ও হাসপাতালের কেন্টিনকে খাবার হোটেল বানালেও সংশ্লিষ্ঠ স্বাস্থ্য বিভাগের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ রহস্যজনক কারণে কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। খোদ কক্সবাজারের সিভিল সার্জন সরকারী হাসপাতালের এ অনিয়ম বন্ধে কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি বলে ভূক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন। প্রতি মাসে রোগীদের খাবার লুটপাট করে পেকুয়া হাসপাতাল কেন্দ্রীক বাবুর্চি নেজাম উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি অসাধু সিন্ডিকেট সরকারী অর্থ লুটপাট করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে যাচ্ছে।

এ নিয়ে বেশ কয়েকবার এ প্রতিবেদক পেকুয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত টিএইচও ডা: মুজিবুর রহমানকে অবগত করলেও তিনি কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। উল্টো পেকুয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অতীতের তুলনায় রোগীদের খাবার লোপাটের মাত্রা আরো বৃদ্ধি পেয়ে খাবার লুটপাটের মহোৎসবে পরিনত হয়েছে।

অবশ্য, ৩০ এপ্রিল দুপুরে এ প্রতিবেদক ডা: মুজিবুর রহমানকে বিষয়টি নিয়ে আবারো ফোনে অবগত করলে তিনি জানান, তার নির্দেশও শুনছে না বাবুর্চি নেজাম। তাই খুব দ্রুত ওই কর্মচারীকে পেকুয়া সরকারী হাসপাতাল বদলীসহ হাসপাতালের ক্যান্টিনে খাবার বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হবে।

জানা গেছে, পেকুয়া হাসাপাতালের কর্মচারী (বাবুর্চি) নেজাম উদ্দিন ও হাসতালের কতিপয় কর্মকর্তা কর্তৃক পেকুয়া হাসপাতালের ‘কেন্টিনকে খাবার হোটেলে’ রূপান্তর করায় তা বন্ধে গত কয়েক মাস পূর্বে কক্সবাজার সিভিল সার্জনকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় সচেতন এলাকাবাসীদের পক্ষে। অভিযোগ রয়েছে, সিভিল সার্জনের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়েরের তিন মাস অতিক্রম হলেও হাসপাতালের কর্মচারী নেজাম উদ্দিনের বিরুদ্ধে কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণসহ হাসপাতালের রোগীর খাবার বিক্রি বন্ধ হয়নি। এছাড়াও হাসপাতালের খাবার সরবরাহে সরকারীভাবে নিযুক্ত ঠিকাদারের বিরুদ্ধেও রোগীদের খাবার সরবরাহে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। হাসপাতালের নার্স সঞ্চিতা রোগীদের ডায়েট তালিকা লিপিবদ্ধের দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে।

হাসপাতালের বাবুর্চি নেজাম উদ্দিনের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি রেগে গিয়ে বলেন, ‘আমার হাসপাতালে আমি খাবার বিক্রি করলে আপনাদের জানাতে হবে কেন উল্টো প্রশ্ন ছুঁঁড়ে দিয়ে আর কথা বলতে রাজি হননি।




পেকুয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় স্কুল ছাত্রীসহ আহত-৫

পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়ায় ধান কাটা নিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় স্কুল ছাত্রীসহ ৫ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। ৩০ এপ্রিল সকাল ৮টায় উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের আলেকদিয়াকাটা ছৈয়দ নগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকার মৃত নরুজ্জামানের পুত্র আহমদ ছবি গং ও মো. ইসহাকের পুত্র মো. সেলিম গং এর সাথে কয়েক মাস পূর্ব থেকে বারবাকিয়া মৌজার ১৩৩১ খতিয়ানের ১১.৬২ একর জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।

গত বুরো মৌসুমে আহমদ ছবি গং ৪ একর ধানি জমিতে বুরো চাষ করে। এদিকে মৌসুমী পাকা বুরো ধান কেটে নিতে লোলপ দৃষ্টি দেয় প্রতিপক্ষ ও ভুমি দস্যু সেলিম গং। বিষয়টি নিয়ে ৩ মাস পূর্বে ২১ জানুয়ারী পেকুয়া থানায় আহমদ ছোবহান বাদী হয়ে একটি সাধারণ ডায়েরী করে। যার নং ৭৬৭/১৭ইং।

প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা যায়, রবিবার সকাল ৮টায় সেলিমের নেতৃত্বে রেজাউল করিম, রিদুয়ানুল হক, আকবর আহমদে পুত্র  আব্দুল মন্নান, মোকাদ্দেছুর রহমান, মো. ইসহাকের পুত্র সেলিম উদ্দিন, কবির আহমদরে পুত্র মাহাফুজ, মৃত ওবাইদুল হকের পুত্র বাবুল, ছিদ্দিক আহমদের পুত্র সাহাব উদ্দিন সহ ভাড়াটিয়া ১০/১৫ জনের লাঠিয়াল বাহিনী অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অতর্কিত ভাবে আহমদ ছবি গং এর ভোগ দখলীয় জমির বুরো ধান কেটে লুট করা চেষ্টা চালায়।

এসময় আহমদ ছবি গং এর লোকজন তাদের বাধা দিলে প্রতি পক্ষের মো. সেলিম গং এর লোকজনসহ ভাড়াটিয়ারা ফাঁকা গুলি বর্ষন করে এলাকায় আতংক ছড়িয়ে দেয়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে আহমদ ছবি গং এর লোকদের উপর হামলা চালায়। হামলায় স্কুল ছাত্রীসহ ৫ জন গুরুতর আহত হয়েছে।

আহতরা হলেন গোলাম ছোবহানের স্ত্রী লাইলা বেগম(৪৫), মিজানুর রহমানের স্ত্রী নুর আয়েশা বেগম(৩০), ফজল কাদেরের স্ত্রী জিগারু বেগম(৩০), গোলাম ছোবহানের মেয়ে স্কুল পড়–য়া ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী তৈয়বা জন্নাত ও ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী সারমিন আকতার। আহতদের আত্মীয় স্বজন ও প্রতিবেশীরা ঘঠনাস্থল থেকে উদ্ধার করে স্থানীয় প্্রাইভেট ক্লিনিকে ভর্তি করেন।

আহত নুর আয়েশার স্বামী মিজানুর রহমান বলেন, একাধিকবার বিরোধীয় জমির বিষয়ে বৈঠক করা হলেও প্রতি পক্ষ সেলিম গং এর লোকজন বৃদ্ধা আঙ্গলী দেখিয়ে তা এড়িয়ে চলে। এছাড়া প্রতিনিয়ত জমি দখল সহ প্রাণ নাশের হুমকী অব্যহত রেখেছে।

এ ঘটনায় পেকুয়া থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে আহতদের পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে। এ ব্যাপারে পেকুয়া থানার ওসি জহিরুল ইসলাম খান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




পেকুয়ায় অস্ত্র ও কার্তুজসহ এক যুবক আটক

পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়ায় একটি অস্ত্র ও একটি কার্তুজসহ এক যুবককে আটক করছে পুলিশ।

৩০ এপ্রিল সকাল ১১টায় পেকুয়া থানার ওসি (তদন্ত) মনজুর কাদের মজুমদারের নেতৃত্বে এস আই সরোজ রতন আচার্য্য, এস আই কামরুল, এ এস আই জয়নাল আবেদীনসহ এক পুলিশ গোপন সংবাদের অভিযান চালিয়ে রুবেল(৩২) নামের এক য্বুককে আটক করে। সে উজানটিয়া ইউনিয়নের করিয়ারদিয়া এলাকার বাদশার পুত্র। এ ব্যাপারে এস আই সরোজ রতন আচার্য্য বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করে।

এ ব্যাপারে পেকুয়া থানার ওসি (তদন্ত) মনজুর কাদের মজুমদারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।




টইটং উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিবাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

পেকুয়া প্রতিনিধি :
শিক্ষার মানউন্নয়ন, বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করণ, অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছাত্র-ছাত্রীদের মোবাইল ব্যাবহার নিষিদ্ধ, ইভটিজিং, নারী নির্যতন, মানব পাচার, মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ নির্মূল করনীয় শীর্ষক এক অভিবাবক সমাবেশ অনষ্টিত হয়েছে। ২৯ এপ্রিল শনিবার সকাল ১০টায় টইটং উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রাশেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত অভিবাবক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া-পেকুয়ায় দায়িত্ব প্রাপ্ত সহকারী পুলিশ সুপার কাজী মতিউল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন পেকুয়া থানা অফিসার ইনসার্জ জহিরুল ইসলাম খান, টইটং ইউপি চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী, টইটং উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক দলিল আহমদ। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জামাল হোসেনের পরচিালনায় অনুষ্টিত উক্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি আব্দুল খালেক, হাজী বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মাষ্টার নুরুল আনোয়ার, টইটং উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক জাকের আহমদ, টইটং সরকারী প্রাথমিক প্রাথমিক বিদ্যলয়ের প্রধান শিক্ষক নুর মোহাম্মদ, অভিবাবক সলিমুল হক, আবুল কালাম (অবঃ বিডিআর) ও মাষ্টার জাফর আলম প্রমূখ।

মেয়াদ উত্তির্ণ হওয়ার পরও দীর্ঘ ৭ বছর ধরে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি না থাকায় সমাবেশে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। উল্লেখ্য যে গত ২০১১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারী বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির মেয়াদ শেষ হয়। তবে বিষয়টি নিয়ে বক্তারা সাবেক সভাপতি লায়ন মো. সানাউল্লাহকে দায়ী করেছেন। এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশুদৃষ্টি কামনা করছেন শিক্ষক, অভিবাবক ও বিভিন্ন শ্রেণীর পেশাজিবী মানুষ।




পেকুয়ায় দু সন্তান ফেলে এক প্রবাসির স্ত্রী উধাও

পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়ায় দু সন্তান ফেলে এক প্রবাসির স্ত্রী উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। ২৭ এপ্রিল গভীর রাতে ওই গৃহবধূ স্বামীর বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। এনিয়ে ওই গৃহবধূর ভাসুর জসিম উদ্দিন বাদি হয়ে পেকুয়া থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেন। ওই গৃহবধুর নাম তসলিমা বেগম (২৫)। সে উপজেলার টইটং ইউনিয়নের ভেলুয়ার পাড়া এলাকার কাতার প্রবাসি গিয়াস উদ্দিনের স্ত্রী।

অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে. ওইদিন রাত আনুমানিক ১টার দিকে তসলিমা বেগমের স্বামীর বাড়ি থেকে কোথাও অজানার উদ্দেশ্যে পালিয়ে যায়। গিয়াস উদ্দিন কাতারে অবস্থান করার সুবাধে তসলিমা পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে যায়। এর সুত্র ধরে রাতে তার দু’কন্যা সন্তানকে ঘুমিয়ে রেখে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

সম্ভাব্য বিভিন্ন জায়গায় তাকে খোঁজাখুজি করেও তার সন্ধ্যান পাওয়া যায়নি। তসলিমার মা ছকিনা বেগম জানায় আমার মেয়ে অন্য ছেলের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে যায়। মেয়ের জামাই পক্ষকে সহায়তা করতে থানায় এসেছি। জান্নাতুল ফেরদৌস(৫) ও সুমি আক্তার পারভিন(৩) নামে তার দু সন্তান রয়েছে এদের ছেড়ে পালিয়ে গেছে সে।




পেকুয়ায় ২৬ বছরেও নির্মিত হয়নি পর্যাপ্ত সাইক্লোন শেল্টার

images
পেকুয়া প্রতিনিধি :
পেকুয়ায় লক্ষাধিক মানুষ দূর্যোগ ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। পেকুয়ায় দূর্যোগ মোকাবেলা করতে সরকারী কিংবা বেসরকারী ভাবে কোন ধরণের উদ্যোগ নেওয়া হয় না। এখনো অরক্ষিত রয়েছে পেকুয়ার একাধিক বেড়িবাধ, নেই ঘূণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র। যার ফলে উপকূল এলাকার হাজারো মানুষ চরম ঝুকিতে বসবাস করছে। এরা প্রতিনিয়ত চরম ঝুঁকিতে বসবাস করছে। চরম আতংকে রয়েছে উপক’লবাসী। পেকুয়া উপজেলার সমুদ্র উপক’লবর্তী মগনামা, উজানটিয়া, রাজাখালী, পেকুয়া সদর ও বারবাকিয়া ইউনিয়নের মানুষ বর্ষা মৌসুমে চরম উদ্বেগ উৎকণ্ঠা ও যানমালের ব্যাপক ক্ষতির সাধন হতে হয়।

স্থানীয়রা জানান, পেকুয়ার উপকুলীয় এলাকার মানুষ বছরের প্রায় ৬/৭ মাস বৈরী আবহাওয়ার সাথে লড়াই করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় পেকুয়ায় বর্তমানে যে সমস্থ আশ্রয়ন কেন্দ্র আছে তাও জনসংখ্যার তুলনায় কম। পেকুয়া উপজেলায় পর্যাপ্ত আশ্রয়ন কেন্দ্র না থাকায় ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল উপক’লীয় এলাকার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া স্মরণকালের সবচেয়ে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছাসে প্রায় ৩০ হাজারের ও অধিক লোক গণহারে মৃত্যু হয়। বিলিন হয়ে যায় ঘরবাড়ী, চিংড়ির ঘের। এসব বিনষ্ঠ হয়ে চার কোটিরও অধিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।

এ ব্যাপারে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ টি এম শহীদুল ইসলাম চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ প্রতিবেদক কে জানান, ১৯৯১ সালের চেয়েও বর্তমানে বেশি ঝুকিতে রয়েছে আমার ইউনিয়নের লোক। অরক্ষিত বেড়িবাধের ফলে সামান্য জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যায় বিস্তির্ণ এলাকা। এ ইউনিয়নের করিয়ারদিয়া এলাকার ১ কিলোমিটার ও গোদারপাড় এলাকার দেড় কিলোমিটার বেড়িবাধ ছাড়া উজানটিয়া ইউনিয়নের প্রায় ৩৫ কিলোমিটার বেড়িবাধ বর্তমানে অরক্ষিত। যেকোন মুহুর্ত ঝুকিপূর্ণ বেড়িবাধ ভেঙ্গে গিয়ে তলিয়ে যেতে পারে এলাকার লবণ, চিংড়ির ঘের। এ ইউনিয়নের ১০ টি স্কুলকাম সাইক্লোন শেল্টার রয়েছে। ঝুকিতে এড়াতে পেকুয়ার চর, টেকপাড়া, ঘোষালপাড়া এলাকায় আরো ২/৩ টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রযোজন রয়েছে।

এ দিকে রাজাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান ছৈয়দ নুর জানান, আমার এলাকায় যে আশ্রয় কেন্দ্র আছে তা ও জনসংখ্যার তুলনায় কম। জরুরি ভিত্তিতে বকশিয়া ঘোনার টেক থেকে  নতুন ঘোনা পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার বেড়িবাধ চরম ঝুকিতে রয়েছে।

এ ব্যাপারে পেকুয়া উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মাহাবুব উল করিমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান পেকুয়াতে মোট ৪৮ টি সাইক্লোন শেল্টার রয়েছে। যার জনসংখ্যার তুলায় অপ্রতুল। নতুন ভাবে সাইক্লোন শেল্টার নিমার্ণের জন্য উর্ধবতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

এ ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান শাফায়েত আজিজ রাজুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, পেকুয়ায় জনসংখ্যার তুলনায় সাইক্লোন শেল্টার নেই। এমনকি অরক্ষিত রয়েছে পেকুয়া, মগনামা, উজানটিয়ার অনেক বেড়িবাধঁ। কূলবর্তী বসবাসরত মানুষরা চরম আতংকিত ভাবে দিন কাটায়। সাইক্লোন শেল্টার নিমার্ণের জন্য উর্ধবতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।




পেকুয়ার ডাকাত সর্দার আলমগীর এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে

dakat alamgir pekua
পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়া ও টইটং ইউনিয়নের পাহাড়ী এলাকায় মূর্তিমান আতংক দূর্ধর্ষ ডাকাত সর্দার চুরি-ডাকাতি, বন নিধনসহ প্রায় ডজনখানেক মামলার আসামী আলমগীর ডাকাত প্রকাশ ডাকাত সর্দার আলমগীর এখানো পুলিশের ধরা ছোঁয়ার বাইরে! পেকুয়া পাহাড়ী দুই ইউনিয়নের নির্যাতিত বাসিন্দরা এখন ডাকাত আলমগীরের কীর্তিকলাপের কাহিনী বলতে শুরু করেছে।

স্থানীয়দের বর্ণনা মতে, দীর্ঘ ৫ বছর ধরে পেকুয়া উপজেলা দুই পাহাড়ী ইউনিয়ন বারবাকিয়া ও টইটংয়ের মধ্যবর্তীস্থানে গভীর জঙ্গলে ডাকাতদের আস্তানা গড়ে তোলে পাহাড়ের বাসিন্দাদের জিম্মি করে নানান ধরনের অপরাধ কর্মকান্ড সংগঠিত করে আসলেও বরাবরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারীর বাইরে ছিল আলমগীর ডাকাত।

সম্প্রতি এ প্রতিবেদক পেকুয়ার পাহাড়ি ওই দুই ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে সরেজমিনে পরিদর্শন করলে ডাকাত আলমগীর ও তার বাহিনীর অপরাধনামার বিস্তারিত ফিরিস্তি উঠে আসে। ডাকাত আলমগীর পেকুয়ার পাহাড়ের যেন অঘোষিত বনরাজা। আর সেখানে যারা বাস করেন তার প্রজা। পেকুয়ার পাহাড়ে ডাকাত আলমগীর ও তা বাহিনীর নির্দেশমতে সব কিছু চলে। বন বিভাগের পাহাড়ী ছড়া থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, বন বিভাগের সৃজিত সামাজিক বনায়নের গাছ কেটে বিক্রি, পাহাড়ি এলাকায় চুরি-ডাকাতি, পাহাড়ী এলাকার নারীদের অত্যাচারসহ আরো নানা ধরনের অপরাধই নিত্যসঙ্গী ডাকাত আলমগীর ও তার বাহিনীর।

এখানে পাহাড়ের কোন বাসিন্দাই প্রকাশ্যে ডাকস্থানীয়দের ভাষ্যমতে, পেকুয়া উপজেলার মধ্যে বারবাকিয়া ও টইটং ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে গহীন বন জঙ্গলে রাতে আলমগীরের ভয়ে মুখ খোলতে সাহস পায় না। কেউ প্রতিবাদ করলে গভীর রাতে বা দিনদুপুরে অস্ত্রধারী বাহিনী গিয়ে ওই প্রতিবাদী ব্যক্তির বসতঘরে হামলাসহ ওই বাড়ীর যুব নারীদের ধর্ষণের মতো হুমকি দেওয়া হয়। গত ৫ বছরে ওই পাহাড়ী এলাকার ১০টি গ্রামের অন্তত: অর্ধশতাধিক নারী ডাকাত আলমগীর ও তার বাহনীর সদস্যদের দ্বারা পাশবিক অত্যচারের শিকার।

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, পেকুয়ার বারবাকিয়া ও টইটংয়ের পাহাড়ে অপরাধের ত্রাসের এক রাজত্ব কায়েম করেছে বারবাকিয়া ইউনিয়নের পাহাড়িয়াখালী এলাকার জাফর আলমের পুত্র ও ডাকাতি, চুরি, সরকারী বননিধসহ নানান ধরনের অপরাধের কারণে কয়েক ডজন মামলার আসামী মো. আলমগীর (২৮) ওরফে আলমগীর ডাকাত। বনরাজা খ্যাত কুখ্যাত সন্ত্রাসী আলমগীরের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে ওই জনপদের প্রায় পাঁচ হাজার বাসিন্দা মানুষ। এমন কোন অপরাধ নেই যা ওই আলমগীর ডাকাত ও তার বাহিনী পাহাড়ী জনপদে সংগঠিত করছেন না।

টইটং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বিষয়টি আমার জানা আছে। ওইসব এলাকায় কিশোরী মেয়ে রাখতে পারছেন না অভিভাবকরা। পাহাড়ের মধ্যে ডাকাত আলমগীর ও তাদের পিতা জাফর মিলে এসব অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। তারা অন্যের জমি কেড়ে নিচ্ছে। কিন্তু ভোক্তভূগীদের জিম্মি করে রাখায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ অভিযোগ নিয়ে আসছে না। তারপরেও এ ব্যাপারে প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে স্থানীয়রা ওই ডাকাত সর্দার আলমগীর ও তার অস্ত্রধারী বাহিনী সদস্যদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য কক্সবাজার পুলিশ সুপার, র‌্যাবসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের কাছে জোর দাবী জানিয়েছেন।

পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জহিরুল  ইসলাম খান বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। কোন সন্ত্রাসী ও ডাকাতকে ছাড় দেওয়া হবে না। অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে।




পেকুয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান সাটিফিকেটবিহীন এক ডাক্তারকে অর্থদণ্ড 

 কক্সবাজার প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের পেকুয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে পেকুয়া উপজেলার চৌমুহুনী স্টেশনে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালমা ফেরদৌস।

এসময় উপস্থিত ছিলেন পেকুয়া থানার এসআই নাছির উদ্দিনের নেতৃত্বে সঙ্গী ফোর্স। অভিযান পরিচালনাকালে আরিফ স্টোরকে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় ২ হাজার ৫শত টাকা, ডা. সাহাব উদ্দিনকে ডাক্তার লেখার উপযুক্ত সার্টিফিকেট না থাকায় ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন এবং চেম্বার বন্ধ করার নিদের্শ দেন, চৌমুহুনী চলাচলের রাস্তার উপর দাঁড়িয়ে যানজট করায় একটি সিএনজি অটোটেক্সিকে ৫ শত টাকা এবং একটি টমটমকে ২শত টাকা জরিমানা করেন।

সহকারী কমিশনার(ভূমি)’র অফিস সূত্রে জানায়, অভিযানের জরিমানার মোট ৮ হাজার ২শত টাকা সরকারের কোষাগারে জমা করা হয়েছে। অভিযান পরিচালনা করার সময় চৌমুহুনীর শাহাদত মেডিকেল হল, পেকুয়া ড্রাগ হাউসসহ অন্যান্য ওষুধের দোকানগুলো বন্ধ করে দোকানদাররা পালিয়ে যায়।

স্থানীয়রা জানান, এসব দোকান গুলোতে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ এবং ড্রাগ লাইসেন্স নিয়ে সমস্যা আছে। এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালমা ফেরদৌস জানান, ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে।




পেকুয়ায় হাম, রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির এডভোকেসি সভা

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের পেকুয়ায় হাম রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ১১টায় উপজেলা সম্মেলন কক্ষে উপজেলা স্বাস্থ্য প.প. কর্মকর্তা ডা. মজিবুর রহমানে সভাপতিত্বে ও স্বাস্থ্য পরিদর্শক জাকের হোছাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান ও হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সহ-সভাপতি শাফায়েত আজিজ রাজু। বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লুৎফা হায়দার রনি, উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা মাহাবুব উল করিম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেন্টাল সার্জন ডা. মাহিন, একলাবের উপজেলা ম্যানেজার জাহিদুল আলম, ব্র্যাক উপজেলা সিনিয়র ম্যানেজার নাসের উদ্দিন, একলাবের অর্গানেজার অফিসার নুরুজ্জামান, স্বাস্থ্য পরিদর্শক নিরঞ্জন দাশসহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্যকর্মী ও এনজিওর স্বাস্থ্য কর্মীগণ।

সভায় জানানো হয়েছে,  ২৯ এপ্রিল থেকে ১৪ মে পর্যন্ত পেকুয়ার ৮৪টি কেন্দ্রে হাম, রুবেলা টিকা প্রদান করা হবে। তাই স্ব-স্ব কেন্দ্রে গিয়ে শিশুদের হাম, রুবেলা টিকা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।




পেকুয়ায় ম্যালেরিয়া দিবস উপলক্ষ্যে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের পেকুয়ায় ম্যালেরিয়া দিবস উপলক্ষ্যে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় উপজেলা চত্বর থেকে এনজিও সংস্থা একলাবের উদ্যোগে উপজেলা চেয়ারম্যান শাফায়েত আজিজ রাজুর নেতৃত্বে একটি র‌্যালি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা সম্মেলন কক্ষে গিয়ে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মাহাবুব উল করিমের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভায় মিলিত হয়।

আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, একলাবের উপজেলা ম্যানেজার জাহিদুল আলম। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান শাফায়েত আজিজ রাজু। বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লুৎফা হায়দার রনি, উপজেলা স্বাস্থ্য প.প. কর্মকর্তা ডাক্তার মজিবুর রহমান, জেন্টাল সার্জন ডা.মাহিন।

এ সময় অারও উপস্থিত ছিলেন, ব্র্যাক উপজেলা সিনিয়র ম্যানেজার নাসের উদ্দিন, একলাবের অর্গানেজার অফিসার নুরুজ্জামান, স্বাস্থ্য পরিদর্শক নিরঞ্জন দাশ, জাকের হোছাইনসহ স্বাস্থ্যকর্মীগণ।

সূত্রে জানায়, পেকুয়াকে ম্যালেরিয়া রোগ মুক্ত রাখতে সরকার ২০১৫ সালে ৮০,৭২০টি এবং ২০১৬-২০১৭ সালে ৫২,৫০০টি মশারি বিতরণ করে।