প্রাকৃতিক দর্যোগ থেকে রক্ষা ও দেশের কল্যাণ কামনায় খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় ঈদ-উল-ফিতর পালিত হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি:

প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা  এবং দেশের কল্যাণ কামনার মধ্য দিয়ে সারাদেশের মতো পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি জেলায়ও উৎসাহ-উদ্দীপনায় পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর পালিত হচ্ছে।

সকাল সাড়ে ৮টায় কেন্দ্রীয় ঈদগাঁ মাঠের ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ঈমামতি করেন, হাফেজ মাওলানা আব্দুর নুর হক্কানী। এখানে জেলা প্রশাসক রাশেদুল ইসলামসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ নামাজ আদায় করেন।

খাগড়াছড়ি পুরাতন পুলিশ লাইন্স মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করেন, খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়া। জামাত শেষে পারস্পরিক উষ্ণ কোলাকুলির মধ্য দিয়ে উৎসব আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে শহর জুড়ে।

এর পরই পুরাতন পুলিশ লাইন্স মসজিদ, শালবন মসজিদ, খেজুরবাগান জামে মসজিদ, গাউছিয়া মসজিদ, শান্তিনগর মসজিদ, কুমিল্লাটিলা জামে মসজিদ, মোহাম্মদপুর জামে মসজিদ-এ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

এছাড়া জেলার দীঘিনালা, পানছড়ি, মহালছড়ি, মাটিরাঙ্গা, রামগড়, মানিকছড়ি, গুইমারা ও লক্ষ্মীছড়িতে পৃথক পৃথক ঈদেও জামাত অনুষ্ঠিত হয়।




ওবায়দুল কাদের’র মন্তব্যের তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়েছে পার্বত্য বাঙ্গালি ছাত্র পরিষদ

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের শনিবার ফেনিতে মিডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ৪ লাখ বাঙালির কারণে পাহাড়ের ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে, সে কারণেই সাম্প্রতিক সময়ে পাহাড় ধ্বসের মত এমন বিপর্যয় নেমে এসেছে।

পার্বত্য বাঙ্গালি ছাত্র পরিষদ এর পক্ষ থেকে বলা হয়, কোন এক বিশেষ সম্প্রদায়ের পক্ষ নিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য, রাষ্ট্রের এবং সরকারের একজন বিচক্ষণ ও দায়িত্বশীল গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির এমন অযৌক্তিক এবং মনগড়া বক্তব্য’র ফলে পাহাড়ে উপজাতি এবং বাঙালি উভয় সম্প্রদায়ের মধ্যে সাম্প্রদায়িক অশান্তি বৃদ্ধি পাবার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

অন্যদিকে পাহাড় ধ্বসে স্বজনহারা ও ভুক্তভুগি বাঙালিদের মাঝে সরকারের মানবিক ভুমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।

ইতিমধ্যেই পরিলক্ষিত যে, বাঙালি জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ পাহাড়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং আর্থিক সচ্ছলতার উদ্দেশ্যে বানিজ্যকভাবে বাগান শুরু করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য আম, কাঁঠাল, লিচু, সেগুন, কড়ই ইত্যাদি।

অন্যদিকে উপজাতি জনগোষ্ঠী পাহাড়ে জুম চাষের নামে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করছে বিপুল পরিমাণ হাজার বছরের পুরনো প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠা পাহাড়-সুরক্ষাকারী গাছপালা। প্রতিনিয়ত এমন অবাধ বৃক্ষ ধ্বংসের ফলে পাহাড় হারাচ্ছে তার অভ্যন্তরীণ মাটি ধরে রাখার ক্ষমতা এবং তৈরি হচ্ছে ভয়াবহ পাহাড় ধ্বস।

মন্ত্রী মহোদয় জুম চাষের মত এমন একটি ভয়াবহ পাহাড় ধ্বসের কারণ প্রতিকারের ব্যাবস্থা না করে অন্যদিকে পার্বত্য সাধারণ বাঙালিদের নিয়ে এমন অযৌক্তিক এবং মনগড়া বক্তব্যের তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়েছে। সেই সাথে এমন মন্তব্য প্রত্যাহার পূর্বক পাহাড়ধ্বসের প্রধান কারণ পাহাড়ে জুম চাষাবাদ বন্ধসহ পাহাড় ও পরিবেশ রক্ষায় তিন পার্বত্য জেলাতে পরিবেশ অধিদপ্তরের কার্যক্রম বৃদ্ধির জোর দাবিও জানিয়েছে তারা।




পার্বত্য চট্টগ্রামের নিহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ ও রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণার দাবি পিবিসিপি’র

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

বুধবার এক বিবৃতিতে পার্বত্য চট্টগ্রামের নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং মর্মান্তিকভাবে নিহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দাবি এবং রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণার জোর দাবি জানিয়ে এই বিপদে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা ও পার্বত্য নাগরিক পরিষদের চেয়াররম্যান ইঞ্জিনিয়ার আলকাছ আল মামুন ভুঁইয়া। পার্বত্য নাগরিক পরিষদের দপ্তর সম্পাদক মো. খলিলুর রহমান কতৃক প্রেরিত এক ইমেইল বার্তায় এ আহ্বান জানানো হয়।

গত কয়েকদিনে পার্বত্য চট্টগ্রামে অতি বর্ষণে ও পাহাড় ধ্বসে ২ সেনা অফিসার, ৪ সেনা সদস্যসহ প্রায় ১৩৫জন নিহত, মেজর মাহফুজ, ক্যাপটেন তানভির, করপোরাল আজিজ এবং সৈনিক শাহিনসহ প্রায় ১৪৫ জনেরও বেশি তাজা প্রাণ ঝড়ে যায়। এ প্রবল বর্ষণ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে পার্বত্য বাঙালি ছাত্রপরষিদ, এবং সরকারসহ সকলকে এগিয়ে আসার অনুরোধ করে এ বিপদে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি, যার যা আছে তা নিয়ে সাহায্যে এগিয়ে আসতে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

বিবৃতিতে তিনি আল্লাহর কাছে দোয়া করেন, যে মুসলমানরা নিহত হয়েছে তাদেরকে আল্লাহ যেন শহীদ হিসেবে কবুল করেন।

তিনি নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং মর্মান্তিকভাবে নিহত ও ক্ষতগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণের দাবি এবং রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণার এবং এখন থেকে জুম চাষের নামে পাহাড়ে জঙ্গল বা বন কাটা নিষিদ্ধ করার জোর দাবি জানান। আরো বলনে, ’আল্লাহ তুমি সবাইকে হেফাজত কর”।

বিবৃবিতে মামুন ভুঁইয়া হতাহত সকল সেনাবাহিনীর অফিসার, সেনাসদস্য, অন্যান্য ও তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।

প্রসঙ্গত, গত তিন দিনের প্রবল বর্ষণের ফলে সোমবার থেকেই পার্বত্য চট্টগ্রামে বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধ্বস শুরু হয়। এতে হতাহত হওয়ার পাশাপাশি গোটা এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার এবং পাহাড় ধ্বসে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যের জন্য বিভিন্ন সেনা ক্যাম্পের সদস্যরা সোমবার থেকেই উদ্ধার কার্যে অংশগ্রহণ করে।




প্রবল বর্ষণে পার্বত্য অঞ্চলের ৩ জেলায় সেনা কর্মকর্তাসহ ১৫০জনের প্রাণহানীতে শোক প্রকাশ জেলা বিএনপির

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

গত ৩ দিন যাবত পার্বত্য অঞ্চলে প্রবল বর্ষণে পাহাড় ধ্বসে ২ সেনা কর্মকর্তা ৩ সেনা সদস্য সহ প্রায় ১৫৩জনের প্রাণহানী ও শত শত লোক আহত হয়েছে। অনেক বাড়িঘর সম্পূর্ণরুপে বিলীন হয়ে গিয়েছে। নিঃস্ব হয়েছে হাজার হাজার লোক। সরকারের প্রতি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সমূহের ক্ষতিপূরণ প্রদান সহ পূনর্বাসনের দাবি জানিয়েছে জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ।

তাছাড়াও ঘটনায় নিহত ও আহতদের প্রতি গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারসমূহের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে জেলা বিএনপি।




দু’জন কেন্দ্রীয় সভাপতি মনোনীত করে পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদ নাটকীয়তার জন্ম দিল

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

রবিবার সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম অস্থায়ী কার্যালয়ে পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটি, তিন জেলা (খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান) কমিটি, চবি কমিটি, চট্টগ্রাম মহানগর কমিটি এবং বিভিন্ন উপজেলা কমিটির এক যৌথ জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন সদ্য বিদায়ী কেন্দ্রীয় সভাপতি মু. শাব্বির আহমদ এবং সভা পরিচালনা করেন সদ্য বিদায়ী কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. সারোয়ার জাহান খান।

১০ জুন, বিকালে ঢাকায় পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা কমিটির এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে আব্দুল মজিদকে প্রথম বছর এবং ইব্রাহিম মনিরকে দ্বিতীয় বছরের জন্য পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি, শাহাদাৎ ফরাজী সাকিবকে কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এবং কাউসার উল্লাহকে কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মনোনিত করা হয়।

গঠনতন্ত্র অনুযায়ী শিক্ষাগত যোগ্যতাকে উপেক্ষা করে, তৃণমূল নেতৃবৃন্দের মতামত বিবেচনা না করে, যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী থাকা সত্ত্বেও অযোগ্য, অছাত্র, বিতর্কিত ও বিবাহিত এবং স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি জামাত শিবিরের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত দুইজনকে ভিন্ন ভিন্ন মেয়াদে কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসাবে মনোনিত করে। এ দুইজনকে সভাপতি করার কোন নিয়ম পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের গঠনতন্ত্রে নেই। তথাপি উপদেষ্টা গঠনতন্ত্র বিরোধী এ হীন সিদ্ধান্ত নিয়ে পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদকে হাস্যকর পরিস্থিতির সম্মূখীন করেন।

এমতাবস্থায়,  কেন্দ্রীয় সম্মেলন বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য ও নেতৃবৃন্দ উপদেষ্টাগণের অগঠনতান্ত্রিক সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানায় এবং সভাপতি পদে মনোনিত দুইজনকে প্রত্যাখান করার ঘোষণা দেয়। এমনকি, ২০জুন, ২০১৭ তারিখের মধ্যে উপদেষ্টা মন্ডলীদেরকে সভাপতি পদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত পুর্নবিবেচনার অনুরোধ জানায়। নয়তো তারা পার্বত্য বাঙালীর বৃহত্তর স্বার্থে এধরনের হীন সিদ্ধান্তকারীদেরকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা সহ কঠোর কর্সসূচি দিতে বাধ্য হবে বলে উল্লেখ করে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় সম্মেলন বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সাহাজল ইসলাম সজল,  খোরশেদ আলম ফিরোজ,  চবির সভাপতি ও সদ্য ঘোষিত কমিটির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কাউসার উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ইখতিয়ার ইমন, চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি মো. আলী, যুগ্ম সম্পাদক মো. সুমন, বান্দরবান জেলা আহ্বায়ক মো. আজিজ,  রাঙ্গামাটির জেলা সভাপতি মু. ইব্রাহিম, সিনিয়র সহ সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম, খাগড়াছড়ি জেলার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. মাইন উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক এসএম. মাসুম রানা, দপ্তর সম্পাদক মৃদুল বড়ুয়া, দিঘীনালা সভাপতি মো. সাদ্দাম হোসেন, মানিকছড়ি সভাপতি মো. মোকতাদের হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. সাহাব উদ্দিন প্রমূখ।




পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ২০১৭-১৮ সম্পন্ন

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

শনিবার বিকেলে রাজধানীর একটি রেস্টুরেন্টে পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের ৭ম কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ২০১৭-১৮ সম্পন্ন হয়েছে। জেলা ও তৃনমূল নেতাদের ভোটে ২জনই সমান সংখ্যক ভোট পাওয়ায়, উপদেষ্টা মণ্ডলীর পরামর্শে তাৎক্ষনিক সিদ্ধান্তে মো. আব্দুল মজিদ ও ইব্রাহিম মনির উভয়কেই সভাপতি ঘোষণা করেন।

প্রত্যেকে ১বৎসর ১বৎসর করে(প্রথমে মজিদ পরে ইব্রাহিম মনির) যৌথ ভাবে কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন এবং সিনিয়র সহ সভাপতি হিসেবে মো. তৌহিদুল ইসলাম ও সারোয়ার জাহান খানকে মনোনিত করা হয়। সাহাদাৎ ফরাজি সাকিবকে সাধারণ সম্পাদক, সাদেকুর রহমানকে যুগ্ম সম্পাদক এবং কাউছার কে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত করে মোট ৬ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়।

দুপুর ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৮টার পর্ন্ত পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. আব্দুল হামিদ রানার সভাপতিত্বে এ সম্মেলন  অনুষ্ঠিত হয়। পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্রপরিষদের এ ৭ম কাউন্সিলে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা, কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মণ্ডলীর সভাপতি ও পার্বত্য নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আলকাছ আল মামুন ভূঁইয়া প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

পার্বত্য নাগরিক পরিষদের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মো. খলিলুর রহমান কর্তৃক সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। এ কমিটিকে আগামী ৩০দিনের মধ্যে পূর্নাঙ্গ কমিটি করে কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মণ্ডলীর অনুমোদন নেয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়।

এ কাউন্সিলে আরও উপস্থিত ছিলেন, পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও উপদেষ্টা এডভোকেট এয়াকুব আলী চৌধুরী, নাগরিক পরিষদের সহ সভাপতি অধ্যক্ষ মো. আবু তাহের, পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের উপদেষ্টা শেখ আহম্মেদ রাজু, মো. কামাল হোসেন ভুঁইয়া, প্রকৌশলী মো. আলী নুর অধ্যাপক ফজলুল হক, পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের জেলা ও উপজেলা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও নাগরিক পরিষদের নেতা আবুল কালাম আজাদ, নাদিম মজিদ প্রমুখ।

প্রধান অথিতির বক্তব্যে পার্বত্য নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান-ইঞ্জিনিয়ার আলকাছ আল মামুন ভূঁইয়া-সম্প্রতি পার্বত্য চট্টগ্রামের বিষয়ে সরকারের গৃহীত সিদ্ধান্ত সমূহের জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে, পার্বত্যাঞ্চালে যৌথ অভিযান চালিয়ে উপজাতীয় সন্ত্রাসীদের অস্ত্র উদ্ধার করা, পার্বত্য বাসীর প্রাণের দাবি-শীঘ্রই রাঙ্গামাটি  বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল কলেজের নিজস্ব ভবন করে দেয়া, বিতর্কিত ভূমি কমিশন আইন বাতিল করা এবং রাঙ্গামাটি লংগদুর শান্তি প্রিয় বাঙালিদের হয়রানী বন্ধ করে গণগ্রেফতার বন্ধ করার দাবি মেনে নেয়ার আহ্বান জানান।

তিনি আগামীতেও পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, সম্প্রীতি, উন্নয়ন ও দেশের অর্থনীতির স্বার্থে সরকারের গৃহীত যেকোনো উদ্যোগকে বাঙালি সম্প্রদায় সহযোগিতা করবে বলেও আশ্বাস দেন।




রবিবার তিন পার্বত্য জেলায় সকাল-সন্ধ্যা হরতাল

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

লংগদুর যুবলীগ নেতা নুরুল ইসলাম নয়ন হত্যার প্রতিবাদে রবিবার তিন পার্বত্য জেলায় অর্ধ দিবসের পরিবর্তে পূর্ণ দিবস হরতাল ডেকেছে বাঙালি ছাত্র পরিষদ।

৭জুন লংগদু মাইনিমুখ কাচালং নদীতে ভেসে আসা পুনরায় অজ্ঞাত বাঙালি হত্যার প্রতিবাদে পূর্ণ দিবস হরতাল ঘোষণা করা হয়েছে।

নয়ন হত্যার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি প্রদান এবং লংগদুতে সাধারণ নিরীহ ও নির্দোষ বাঙালিদের উদ্দেশ্যমূলক ভাবে গণগ্রেফতার বন্ধ সহ-অনতিবিলম্বে গ্রেফতারকৃত সকল নির্দোষ বাঙালিদের নিঃস্বার্থ মুক্তির দাবিতে পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদ তিন পার্বত্য  জেলায়  রবিবার এ হরতাল ঘোষণা করে।




লংগদু যুবলীগ নেতা নয়ন হত্যার প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ পিবিসিপি’র 

DSC_0193 copy

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

পার্বত্য নাগরিক পরিষদ এবং পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদের যৌথ উদ্যোগে বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ঢাকা মহানগর শাখার সভাপতি সাহাদাৎ ফরাজি সাকিব এর সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান এবং পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা আলকাছ আল মামুন ভুঁইয়া।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক শেখ আামেদ  রাজু, পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রিয় আহ্বায়ক আবদুল হামিদ রানা, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের রাঙামাটি জেলার আহ্বায়ক বেগম নুরজাহান, পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য কাউন্সিলার আবদুল মজিদ, পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য মো. ইব্রাহিম মনির, পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য সারোয়ার জাহান খান সহ সকল জেলা ও উপজেলা শাখার সভাপতি বৃন্দ।

সমাবেশে প্রধান অথিতি ইঞ্জি: আলকাছ আল মামুন ভুঁইয়া বলেন, ১জুন নুরুল ইসলাম নয়নকে লংগদু থেকে খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে ২জন উপজাতীয় যুবক ভাড়া করার নাম করে দীঘিনালার চারমাইল এলাকায় নিয়ে হত্যা করে। পর দিন উপজাতী সন্ত্রাসী পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে নিজেরা কিছু জড়াজির্ণ ঘরবাড়ি পুড়িয়ে নিরীহ অসহায় নির্দোষ বাঙ্গালিদের উপর দোষ চাপায় এবং এ ঘটনার সাথে বাঙ্গালীরা জড়িত বলে মিথ্যা অভিযোগ করে ও সাজানো মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি, গণগ্রেফতারের মাধ্যমে এলাকায় পুরুষ শুণ্যতা সৃষ্টি করেছে। এতে ওই এলাকায় নিরীহ নারী ও শিশুরা আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে বসবাস করছে। ওই সাজানো মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারকৃতদের নি:শর্ত মুক্তি ও গণগ্রেফতার বন্ধ করার দাবি এবং নয়ন হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।

উল্লেখ্য, ১৭ ফেবুয়ারি মাটিরাঙ্গার শান্ত ও মহালছড়ির মো. সাদিকুল ইসলামকে ১৩ এপ্রিল নৃশংস ভাবে হত্যা করে। এসব হত্যা গুলির সুষ্ঠ বিচার না হওয়ায় উপজাতি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী পার্বত্য জনপদকে অশান্ত করার লক্ষ্যে একের পর-এক হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১লা জুন ১৭ যুবলীগ নেতা নুরুল ইসলাম নয়নকে হত্যাকরা হয় বলেও বক্তারা অভিযোগ করেন।




১১ জুন পার্বত্য তিন জেলায় অর্ধদিবস হরতাল পিবিসিপি’র

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

সোমবার পার্বত্য নাগরিক পরিষদের কেন্দ্রীয় দপ্তরে সকাল ১০টায় পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদের উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি  ও পার্বত্য নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জি: আলকাছ আলমামুন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে এক জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন, পার্বত্য  বাঙালি  ছাত্র  পরিষদের  বর্তমান  কেন্দ্রীয়  আহ্বায়ক  মো.  আবদুল হামিদ রানা, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের  যুগ্ম-সম্পাদক শেখ আহাম্মদ রাজু, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের  সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল হোসেন ভূঁঞা, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা প্রভাষক মো. ফজলুল হক, পার্বত্য বাঙালি ছাত্রপরিষদের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ইব্রাহিম মনির ও সারোয়ার জাহান খান, পার্বত্য বাঙালি ছাত্রপরিষদের  ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি সাহাদাৎ ফরাজি সাকিব প্রমুখ।

সভায় বলা হয়, ১লা জুন (বৃহস্পতিবার) লংগদুর বাসিন্দা যুবলীগ নেতা নুরুল ইসলাম নয়ন(৪০)কে দিঘীনালার চার মাইল নামক স্থানে উপজাতী সন্ত্রাসীরা নৃশংসভাবে হত্যা করে। এখন পর্যন্ত প্রশাসন তার হত্যাকারীকে গ্রেফতার না করে অপরদিকে লংগদু থানার বাঙালিদের গণহারে গ্রেফতার করছে। সভায় লংগদুর গণগ্রেফতারের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানো হয় এবং গ্রেফতারকৃত বাঙালিদের নি:শর্ত মুক্তির দাবি জানিয়ে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

কর্মসূচি সমূহ:

১. নয়ন হত্যার বিচারের দাবিতে মঙ্গলবার (৬ জুন) জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ।

২. বুধবার (৭ জুন) সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ।

৩. ১০ জুন চট্রগ্রাম মহানগরের প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ।

৪. ১০ জুন তিন জেলায় বিক্ষোভ মিছিল এবং

৫. নয়নের হত্যাকারীকে দ্রুত গ্রেফতার ও লংগদু উপজেলার নিরীহ বাঙালিদের গণগ্রেফতারের প্রতিবাদে এবং গ্রেফতারকৃতদের নি:শর্ত মুক্তির দাবিতে ১১ জুন (রবিবার) তিন পার্বত্য জেলায় অর্ধদিবস হরতাল এর কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

পার্বত্য নাগরিক পরিষদের দপ্তর সম্পাদক মো. খলিলুর রহমান কর্তৃক সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক ই-মেইল বার্তায় এ সংবাদ নিশ্চিত করা হয়।




নামধারী একটি মহল পার্বত্যাঞ্চলকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে

18119110_1360284957396627_6260074574355563330_n copy

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

ছাদেকুল হত্যার বিচার ও পাহাড়ে নিরাপত্তাবাহিনীর বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে এবং পার্বত্য অঞ্চলে সেনা ক্যাম্প বৃদ্ধির দাবিতে ঢাকায় পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টায় ঢাকা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংগঠনটির উদ্যোগে ও ঢাকা মহানগর সভাপতি মো. শাহাদাৎ ফরাজি সাকিব’র সভাপতিত্বে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ মানববন্ধনে অংশ গ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে প্রধান অথিতির বক্তব্য রাখেন, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আলকাছ আল মামুন ভূঁইয়া। আরও বক্তব্য রাখেন, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের সহ-সভাপতি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ, ন্যাপ ভাসানী’র সভাপতি খন্দকার মোস্তাক হোসেন ভাসানী, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের উপদেষ্টা মণ্ডলীর অন্যতম সদস্য, শেখ আহাম্মদ (রাজু), জিয়া ফোরামের সভাপতি মঞ্জরুল ইসলাম ঈসা প্রমুখ।

মানববন্ধনে আলকাছ আল মামুন ভূঁইয়া বলেন, নামধারী একটি মহল পার্বত্যাঞ্চলকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে। এছাড়া দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের নিরাপত্তাবাহিনীর ভাবমর্তি ক্ষুন্ন করতে একটি মহল উঠে পড়ে লেগেছে। বহুদিন যাবৎ পার্বত্যাঞ্চলে নামধারী কতিপয় উপজাতীয় আঞ্চলিক সংগঠনগুলো বাঙালিদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে রেখেছে। তাদের অবৈধ অস্ত্রের মুখে পাহাড়ের মানুষ আজ নিরাপত্তাহীন।

বক্তারা আরও বলেন,পার্বত্যাঞ্চলে উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী গুম, খুন, চাঁদাবাজি, অপহরণ অব্যাহত রেখেছে। স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন সময় এ পর্যন্ত প্রায় ৪০ (চল্লিশ) হাজার সাধারণ বাঙালিকে হত্যা করেছে এ উপজাতী সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো। এখন নতুন করে আবার বাংলাদেশ নিরাপত্তাবাহিনীকে নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।

তাদের এ ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করার জন্য বাঙালি সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। সেই সাথে সাদেকুলসহ পাহাড়ে সকল বাঙ্গালী হত্যার বিচার পূর্বক নিরাপত্তা বৃদ্ধির লক্ষে অধিক হারে সেনা ক্যাম্প স্থাপনের জোর দাবি জানান।