ভালোবেসে বাঙালী ছেলেকে বিয়ে করায় এক উপজাতীয় নারীকে অমানবিক নির্যাতন করেছে ইউপিডিএফ

upojati nari
নিজস্ব প্রতিবেদক :
ভালোবেসে বিয়ে করার অপরাধে রাঙামাটির নানিয়ারচরের এক উপজাতী নারীকে দুইমাস আটকে রেখে নির্যাতন করেছে পাহাড়িদের আঞ্চলিক সংগঠন ইউপিডিএফ। হাতে পায়ে শিকল বেধে অন্ধকার ঘরে আটকে রেখে নিজের জাতির মেয়েকে যে অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়েছে তাতে হতবাক হয়েছেন পুরো সমাজ। বৃহষ্পতিবার রাঙামাটি প্রেস ক্লাবে হাজির হয়ে এ অমানবিক নির্যতনের বর্ণনা দেন নির্যাতিত জোসনা চাকমা। এ সময় তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

গত ১৬ জানুয়ারি রাত ১২টায় বন্দিদশা থেকে পালিয়ে এসে কুতুকছড়ি সেনা ক্যাম্পে আশ্রয় নিলে সেনা সদস্যরা তাকে নিরাপদে পুলিশ হেফাজতে পৌঁছে দেয়। নির্যাতিত জোসনা চাকমা তাকে অপহরণের জন্য আঞ্চলিক সংগঠন ইউপিডিএফকে দায়ী করেন।

সংবাদ সম্মেলনে জোসনা চাকমা বলেন, তার অপরাধ সে বৌদ্ধ হয়ে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অপর এক জনকে ভালোবেসে বিয়ে করেছেন। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী হলেও বাঙ্গালী বড়ুয়া ছেলেকে বিয়ে করার অপরাধে জোসনা চাকমাকে এ নির্মম পরিস্থিতির শিকার হতে হয়েছে।


এ সংক্রান্ত আরো খবর 

  1. ♦ নির্বিচারে চলছে পাহাড়ী নারীদের উপর আঞ্চলিক উপজাতীয় সংগঠনগুলো যৌন হয়রানি(ভিডিও)
  2. ♦ পাহাড়ী তরুণীদের বাঙালি ছেলের সঙ্গে সম্পর্কের শাস্তি গণধর্ষণ
  3. ♦ রেটিনা চাকমাকে ভালবেসে বিয়ে করায় চাকরী হারালেন : মৃত্যুর হুমকি তবু স্ত্রীকে ফেরত চান প্রথম আলোর সাবেক ফটো সাংবাদিক সৈকত ভদ্র
  4. ♦ পাহাড়ে চলছে ভয়াবহ নারী নির্যাতন: বাঙালি ছেলের সাথে বিয়ের শাস্তি গণধর্ষণ
  5. ♦ পাহাড়ের উপজাতীয় তরুণীদের কাছে তবুও প্রিয় বাঙালি যুবকরা
  6. ♦ স্ত্রীর প্রতি দায়িত্বশীলতার কারণে বাঙালি ছেলেদের প্রতি পাহাড়ি মেয়েদের ঝোঁক

রাঙামাটি সদর উপজেলার কুতুকছড়ি এলাকার জহলাল চাকমার মেয়ে জোসনা চাকমা (৩০) চট্টগ্রামে একটি পোশাক কারখানায় চাকুরি করার সময় অপু চন্দ্র নামক এক বড়ুয়া সস্প্রদায়ের যুবককে ভালবেসে বিয়ে করেন। এই বিয়ে পরিবার মেনে নিলেও স্থানীয় পাহাড়ী সংগঠন ইউপিডিএফ তা মেনে নেয়নি। এ অপরাধে গত ১৮ নভেম্বর ২০১৬ জোসনা চাকমা কুতুকছড়ি বাবার বাড়িতে এলে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায় ইউপিডিএফের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। ঘটনার বর্ণনায় জোসনা চাকমা বলেন, অপহরণ হওয়ার পর তাকে গলায় শিকল পড়িয়ে বন্দী করে রাখা হয়।

এর পর তিনি গত ১৬ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ১২টায় বন্দী অবস্থা থেকে পালিয়ে আনুমানিক ২টায় কুতুকছড়ি সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে এসে এই ঘটনার কথা জানান। এর পর নানিয়ারচর জোন তাকে নানিয়ারচর থানা পুলিশি হেফাজতে দেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে জবানবন্দিতে জোসনা চাকমা জানান, তার বিয়েকে কেন্দ্র করে তাকে অপহরণ করা হয়। সন্ত্রাসীরা তার ভাই, বোন, মা, বাবাকেও মারধর করে, হুমকি দেয় এমনকি অর্থ জরিমানা করে। এক পর্যায়ে জোসনা চাকমা পরিবার ও স্থানীয় এক ইউপিডিএফ নেতা বিদ্যাময় চাকমা নামক ব্যক্তির সাথে কথা বলে এলাকায় সামাজিক অনুষ্ঠান করতে চাইলে ঐ পাহাড়ী নেতা তাকে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে এলাকায় নিয়ে আসে এবং অপহরণ করে নিয়ে যায়। অপহরণের পর কুতুকছড়ি এলাকার চারটি জায়গায় তাকে বিভিন্ন সময় বন্দী করে রাখা হয়।

এই বিষয়ে নানিয়ারচর থানার ওসি মো. আবদুল লতিফ পার্বত্যনিউজকে জানান, নিরাপত্তা জনিত কারণে তাকে রাঙামাটি পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে তাকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। ঘটনাটি নানিয়ারচর থানা ও নানিয়ারচর জোন খতিয়ে দেখছেন বলে জানা গেছে।




নানিয়ারচর আবারো বাঙ্গালীদের আনারস বাগান ধ্বংস করে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা

uuu
নিজস্ব প্রতিবেদক :
রাঙমাটির নানিয়ারচর উপজেলায় আবারো বাঙ্গালীদের আনারস বাগান ধ্বংস করে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় ওই এলাকায় জনমনে অসন্তোষ ও উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার বুড়িঘাট ইউনিয়নের দক্ষিণ পশ্চিম হাতিমারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার দিবাগত রাতে বুড়িঘাট ইউনিয়নের ৪ নং টিলার স্থানীয় বাসিন্দা মঈনুল হোসেনের প্রায় চার কানি জমির আনারস বাগানের ৪৫ হাজার চারা সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে ও উপরে ফেলে সম্পূর্ণ নষ্ট করে দেয়। ঘটনাস্থলটি উপজাতীয় অধ্যুষিত এলাকা বলে স্থানীয়রা জানায়। গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটলেও রবিবার বিকেলে এ ঘটনা জানাজানি হয়।

বুড়িঘাট ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নং ওয়ার্ড মেম্বার মো. শফি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘এ ঘটনা শোনার পর রবিবার বিকেলে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পাই ৩০ হাজারের অধিক আনারস চারা সন্ত্রাসীরা উপরে ও কেটে ফেলেছে।’ তবে নানিয়ারচর থানার দায়িত্বে থাকা এসআই শাহজাহান এর কাছে এ ঘটনা সম্পর্কে রবিবার রাত ১০টার দিকে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি এ ধরনের কোন খবর জানেন না বলে জানান।

ক্ষতিগ্রস্ত বাগান মালিক মো. সঈনুল হোসেন জানান, তিনি গত ৬/৭ বছর আগ থেকে তার নিজস্ব পনে ৫ একর জায়গায় আনারস বাগন করে আসছেন। এ বছরও তিনি ৪ কানি জায়গায় আনারস চারা লাগিয়েছেন। গত শুক্রবার পর্যন্ত তিনি ওই জায়গায় আনারসের চারা লাগান। এর একদিন পর তিনি খবর পান তার বাগানের চারা কেটে ও উপরে ফেলা হয়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পেয়ে তিনি এ বিষয়ে জানাতে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান প্রমোদ খীসাকে বার বার ফোন করেও পাননি বলে জানান। এ জায়গা নিয়ে কারো সাথে কোন বিরোধ নেই বলেও তিনি জানান।

তিনি ধারণা করছেন এ ঘটনা উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা ঘটিয়েছে। তিনি আরোও জানান, তার ওই জায়গায় আনারস বাগান করতে গেলে বিগত পাঁচ বছর আগে পাহাড়ি সংগঠন ইউপিডিএফ তার কাছ থেকে ১০হাজার টাকা চাঁদা নেয়। এ ঘটনায় প্রায় চার লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান ক্ষতিগ্রস্ত মো. মঈনুল হোসেন।

anarosh

উল্লেখ্য, নানিয়ারচর তথা পার্বত্য চট্টগ্রামে চাঁদা না পেয়ে উপজাতীয় সন্ত্রাসী কর্তৃক বাঙালীর আনারস বাগান কর্তনের ঘটনা ঘটেছে।

২০১৪ সালের ডিসেম্বর থেকে চলতি বছর ডিসেম্বর পর্যন্ত এই দুই বছরে পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় চার লাখ ৯৪ হাজারেরও বেশি গাছ কেটে ফেলেছে পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। যার সবগুলোই বাঙালিদের। এর কোনটির পেছনে রয়েছে বাঙালি-উপজাতি ছেলে-মেয়ের প্রেম বা বিয়ে, কোনটিতে চাঁদা না দেয়া। গত ১৪ নভেম্বর খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার ময়ূরখিলে ৮৪টি মশলা গাছ ও ৪টি আম গাছ কেটে ফেলে উপজাতি সন্ত্রাসীরা।

১৪ নভেম্বর খাগড়াছড়ির রামগড়ে যৌথ খামারে আড়াই হাজার পেঁপে গাছ, ৬শ’ কলা, ৩০টি লিচু ও ২০টি লেবু গাছ কেটে ফেলে, ২৮ আগস্ট বান্দরবানের আলীকদমে গাজী রাবার বাগানের ৬৯৩টি রাবার গাছ কাটা হয়, ২৭ ফেব্রুয়ারি খাগড়াছড়ির সিন্দুকছড়িতে কর্ণেল বাগানে ২শ’টি ফলের গাছ, ২৫ জানুয়ারি বান্দরবানের আলীকদমে এক হাজার ৯৬৭টি রাবার গাছ ও ৭টি আম গাছ কাটা হয়।

আগের বছর ১৩ আগস্ট খাগড়াছড়ির লহ্মীছড়ির রেপাতলীতে ২০ হাজার রাবার গাছ ও ৫০টি কলা গাছ ও ১১ জানুয়ারি রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলার জামতলীতে ৩৫ হাজার আনারস গাছ কেটে ফেলে দুর্বৃত্তরা। ২০১৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর একই উপজেলার বগাছড়িতে ৩ লাখ ফলন্ত আনারসের গাছ ও ২১ হাজার সেগুন গাছ কেটে ফেলা হয়। নির্ধারিত চাঁদা না দেওয়ায় গতবছর বান্দরবানের লামা উপজেলায় একটি রাবার বাগানের গোডাউন পুড়িয়ে দেয় জেএসএস-সন্ত লারমা গ্রুপের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। এরপরও চাঁদা না দিলে পুরো বাগান পুড়িয়ে দেয়ার হুমকী দেয়া হয়।




বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফের মাজারে বিজিবি সেক্টর কমান্ডারের পুস্পস্তবক অর্পণ

bgb-socktor

কাপ্তাই প্রতিনিধি :

মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে শহীদ বীর শ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়ক মুন্সী আব্দুর রউফ এর মাজারে বিজয় দিবস উপলক্ষে রাঙ্গামাটি বিজিবি সেক্টর কমান্ডার দোয়া, পুস্পস্তবক অর্পণ এবং গার্ড অব অনার প্রদান করেন।

এ সময় কাপ্তাই ১৯ বিজিবি লে. কর্নেল আশফাকুর রাহাত সিদ্দিকিসহ বিভিন্নস্তরের গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসাবে কর্নেল মো. আশরাফুল ইসলাম, রাঙ্গামাটি সেক্টর কমান্ডার হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বীর শ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ এর সমাধির সংস্কার ও মেরামতের কাজ সম্পন্ন করে কাপ্তাই ১৯ বিজিবি।

এ ছাড়া সমাধিস্থলের মাস্টার প্ল্যান হিসাবে সীমান্ত আর্কাইভ, রির্সোট, টয়লেট ক্যাফেটরিয়াসহ সৌন্দার্য বর্ধিত করণে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন।




আনারস বাগান ধ্বংস করার প্রতিবাদে সম-অধিকার আন্দোলনের সাংবাদিক সম্মেলন

57

রাঙামাটি প্রতিনিধি:

রাঙামাটি নানিয়ারচর উপজেলায় বাঙালিদের ফলন্ত আনারস বাগান কর্তন করে ধ্বংস করার প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম সম-অধিকার আন্দোলন নামে একটি আঞ্চলিক সংগঠন। সোমবার সকালে চেম্বার অফ কমার্সের সম্মেলন কক্ষে এ সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তারা বলেন, পার্বত্যাঞ্চলে বিরাজমান পরিস্থিতে বাঙালিদের ফলন্ত আনারস বাগানসহ গুম, হত্যা, সকল সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা। কিন্তু বার বার  এসব অপকর্মের   পরেও সরকার এ ব্যাপারে কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় একই ভাবে  ১০ ডিসেম্বর গভীর রাতে উপজাতিয় দুর্বৃত্তরা বাঙালিদের দুইটি আনারস বাগানের প্রায় ৮২ হাজার ফলন্ত গাছ ধবংস করে দেয়।

বক্তারা আরও বলেন, সরকার যদি এ সকল সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কোন বিচার না করেন তাহলে পার্বত্যাঞ্চলের বাঙালিদের নিয়ে কঠোর থেকে কঠোর আন্দোলন সংগ্রাম করবে বলে হুশিয়ারী দেন নেতা-কর্মীরা।

সাংবাদিক সম্মেলনে বাগান মালিক মধু মিয়া এবং জামাল সিকদার কান্নার স্বরে বলেন, , দীর্ঘ দিন যাবত উপজাতিয় দুর্বৃত্তরা আমাদের জমিতে চাষ না করার জন্য হুমকি দিয়ে আসছে তাদের কথা না শোনায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে রাতের আঁধারে এই ঘটনা ঘটিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এখন আমরা লক্ষ টাকা দেনা কিভাবে পরিশোধ করবো । আমাদের শেষ সম্বলটুকু শেষ করে দিল উপজাতি সন্ত্রাসীরা। তাই সরকারের কাছে বিচার চাই এবং আমাদের ক্ষতিপূরণ চাই।

এ সময় সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম সম-অধিকার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সদস্য মো. ইউনুচ, কেন্দ্রীয় সদস্য জাহাঙ্গীর কামাল, পার্বত্য ভূমি রক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম মুন্না, পার্বত্য যুবফ্রন্টের জেলা সভাপতি আব্দুল মান্নান প্রমূখ।

 




আনারস বাগান ধ্বংসের দায়ে ৫ উপজাতি আটক

22

রাঙামাটি প্রতিনিধি:

রাঙামাটি জেলার নানিয়ারচর উপজেলায় বাঙালীদের ২ একর আনারস বাগান কেটে ধ্বংস করার দায়ে ৫ জনকে  আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলো নংলা অং প্রু মারমা (৫৫), লাইথু অং মারমা (৩০), চাইঞুরুই মারমা (৫৬), রেনু মারমা (৫০) এবং আশিপ্রু মারমা(২৫)।

সোমবার সকালে তাদেরকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নানিয়ারচর থানার পুলিশ।

নানিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল লতিফ জানান, আমরা এই পর্যন্ত ৫ জন আসামিকে গ্রেফতার করেছি। এখন পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত আছে বলেও জানান তিনি।




সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে নানিয়ারচরে বিক্ষোভ সমাবেশ

33333

রাঙামাটি প্রতিনিধি :

চাঁদাবাজি, অপহরণ, খুনসহ সকল সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে রাঙামাটি জেলার নানিয়ারচর উপজেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে পার্বত্য যুবফ্রন্ট নামে একটি আঞ্চলিক সংগঠন। রবিবার সকালে নানিয়ারচর উপজেলা মাঠ প্রাঙ্গণে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষোভ সমাবেশে নানিয়ারচর উপজেলা শাখার পার্বত্য যুবফ্রন্টের সভাপতি মো. মিলন মাহমুদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, রাঙামাটি জেলার পার্বত্য যুবফ্রন্টের সভাপতি মো. আব্দুল মান্নান রানা, উপদেষ্টা মো. মুজিবুর রহমান, নানিয়াচর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফ খান বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আল মামুন , মো. তৌহিদুল ইসলাম প্রমূখ।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, পার্বত্যাঞ্চলে যতদিন অবৈধ অস্ত্র থাকবে ততদিন পার্বত্যাঞ্চল থেকে চাঁদাবাজি, অপহরণ, খুনসহ সকল সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধ হবে না। অবৈধ অস্ত্রের কাছে আজ পার্বত্যাঞ্চলের বসবাসরত নিরীহ বাঙ্গালি জিম্মি  হয়ে আছে। সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, বাঙ্গালিদের উপর নানা অত্যাচার, নির্যাতন করে পার্বত্যাঞ্চল থেকে বাঙ্গালিদের উৎখাত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সন্তু লারমা। তাই পার্বত্যাঞ্চল থেকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করে বাঙ্গালিদের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার সরকারের কাছে জোর দাবি জানানো হয় সমাবেশে এবং ১০ ডিসেম্বর ভোর রাতে বাঙ্গালিদের আনারস ফল গাছ কেটে দিয়েছে পাহাড়ের উপজাতি সন্ত্রাসীরা তার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন পার্বত্য যুবফ্রন্টের নেতা-কর্মীরা।

বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে নানিয়ারচর উপজেলার শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে লঞ্চঘাটে এসে শেষ হয়।




নানিয়াচরে উপজাতি সন্ত্রাসীদের হানায় বাঙালীদের ৮২ হাজার আনারস গাছ ধ্বংস

3636

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাঙামাটি জেলার নানিয়ারচর উপজেলায় বাঙালীদের ২ একর আনারস বাগান কেটে ধ্বংস করে দিয়েছে দূর্বৃত্তরা। শনিবার মধ্যরাতে নানিয়ারচর উপজেলার ৩ নং বুড়িঘাট মধ্যমপুলি পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এ বাগানে প্রায় ৮২ হাজার আনারস গাছ ছিল বলে দাবি করে ক্ষতিগ্রস্থ বাগান মালিক মো. জামাল সিকদার  ও মধুমিয়া। এ ঘটনায় বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

পার্বত্য সমঅধিকার আন্দোলনের উপজেলা নেতা মো. কবির হোসেন জানান, নানিয়ারচর উপজেলার ৩ নং বুড়িঘাট মধ্যমপুলি পাড়ায় উথুই মং মারমা ও অংসুই প্রু মারমার নেতৃত্বে একদল উপজাতি মধ্যরাতে জামাল সিকদার  ও মধু মিয়ার আনারস বাগানে হানা দেয়। এসময় তারা ২ একর বাগানের সব ছোট বড় আনারস একচেটিয়া কেটে ধ্বংস করে দেয়। বাগানে প্রায় ৮২ হাজার আনারস গাছ ছিল। তবে কি কারণে তারা হঠাৎ সুবিধা বঞ্চিত গরীব বাঙালীদের বাগান কেটে ধ্বংস করে দিয়েছে, সে বিষয়ে সঠিক কোন তথ্য জানা যায় নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে এটা সম্প্রদায়িক প্রতিহিংসার ইস্যু হতে পারে।


এ সংক্রান্ত আরো খবর পড়ুন:

  1. রাঙামাটির নানিয়ারচরে পাহাড়ি-বাঙালী সংঘর্ষ: সেগুন আনারস বাগান কর্তন দোকানসহ ১৩টি ঘরে অগ্নিসংযোগ
  2. ২৩ দিনের মাথায় আবারো বাঙালীদের প্রায় ২ লক্ষ আনারস গাছ ও ১০ হাজার গাছ ধংস করে দিয়েছে উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা
  3. নানিয়ারচরে আবারো আনারস কেটে নিলো পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা
  4. বাঙ্গালীদের আনারস ও সেগুন বাগান কেটে ফেলার জের ধরে উত্তপ্ত নানিয়ারচর
  5. নানিয়ারচরে আনারস ও সেগুন বাগান ধংস: বাঙ্গালীদের অভিযোগ ২০০৮ সাল থেকে ভুমিহীন করার কৌশল !
  6. নানিয়ারচর থেকে বাঙ্গালীদের উৎখাত করতেই তৃতীয় পক্ষের ইন্ধনে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে
  7. দিনে পুলিশী গ্রেফতার ও রাতে পাহাড়ী সন্ত্রাসীদের হামলার আতঙ্কে দিন কাটে নানিয়ারচরের বাঙালীদের
  8. নানিয়ারচরে বাঙালীদের আনারস ও সেগুন বাগান ধংসে স্থানীয় উপজাতি নেতৃবৃন্দ জড়িত- সরকারী তদন্ত কমিটির রিপোর্ট
  9. নানিয়ারচরে বাঙালীদের আনারস বাগান কেটেছে ইউপিডিএফ অভিযোগ জেএসএসের
  10. নানিয়ারচরের ইউএনও নুরুজ্জামানকে আবারো প্রাণনাশের হুমকি: দু’কোটি টাকা চাঁদা দাবি

ক্ষতিগ্রস্ত আনারস বাগান মালিক মো. জামাল সিকদার  ও মধুমিয়া অভিযোগ করে বলেন, ৩ বছরের জন্য এ জমি লীজ নিয়ে আনারস বাগান চাষ করে তারা। তাই জমি নিয়ে কারো সাথে দ্বন্দ্ব ছিল না। এ বাগানে প্রায় ৮২ হাজার চারাগাছ তারা রোপন করেছিল। আর কিছু দিন পর পুরো বাগান জুড়ে আনারসের ফলে ভরে যেত। কিছু কিছু গাছে ফলনও এসেছে। কিন্তু দূর্বৃত্তরা এতো কষ্টের বাগান নষ্ট করে দিয়েছে। সব হারিয়ে এখন তারা প্রায় নিঃস্ব হয়ে গেছে। তারা প্রশাসনের কাছে এ বিচার ও ক্ষতিপূরণ দাবি করে।

এ বিষয়ে নানিয়ারচর উপজেলা থানায় মো. জামাল সিকদার  ও মধুমিয়া বাদি হয়ে স্থানীয় উথুই মং মারমা ও অংসুই প্রু মারমাকে আসামী করে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে বেশ কয়েকজনের অজ্ঞাতনামা মামলা করার প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান তারা।

এদিকে নানিয়াচরে দূর্বৃত্তরা বাঙালীদের ২ একর আনারস বাগান কেটে ধ্বংস করার প্রতিবাদে রাঙামাটি শহরে ও উপজেলায় তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে স্থানীয় বাঙালী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এ ব্যাপারে রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার মো. সাঈদ তারিকুল হাসান জানান, খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থল পরির্দশ করেছি। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে। ২০১৪ সালে এভাবে আনারস বাগান ধ্বংস করে কিছু দুষ্কৃতিকারী সাম্প্রদায়িক ইস্যূ তৈরি করে ছিল। এবার যাতে এ ধরণের কোন ঘটনা না ঘটে সে বিষয়ে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে একই ভাবে উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলায় স্থানীয় বাঙালীদের বেশ কয়েকবার আনারস বাগান কেটে ধ্বংস করে দেয়। এ ঘটনায় এলাকায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাও সৃষ্টি হয়।

 




খাগড়াছড়ির আনন্দ চাকমা রাঙামাটিতে অস্ত্রসহ আটক

news-pic-6-copy

রাঙামাটি প্রতিনিধি:

রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলা কুকুরমারা এলাকা থেকে অস্ত্র সহ আনন্দ চাকমা নামে এক চাঁদাবাজকে আটক করেছেন নিরাপত্তা বাহিনী। মঙ্গলবার ভোর রাতে কুকুরমারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র সহ তাকে আটক করা হয়।

আটককৃত চাঁদাবাজ আনন্দ চাকমার কাছ থেকে দেশীয় তৈরী অস্ত্র, ৩টি কারতুজ, ৩টি মোবাইল, চাঁদার রশিদ, নগদ ২ হাজার ৩৫৬ টাকা, বিভিন্ন কোম্পানীর বেশ কয়েকটি সিম সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম পাওয়া যায়।  তাকে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলেও জানা যায়।

নিরাপত্তা বাহিনী সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নানিয়ারচর উপজেলার কুকুরমারা এলাকায় অভিযান শুরু করলে জনৈক ব্যক্তির বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা অপর ৩ সঙ্গি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। তখন তল্লাশি করে তার কাছে থেকে অস্ত্র, গুলি ও চাঁদার রশিদ ও বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়,  আনন্দ চাকমার বাড়ী খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালার বোয়ালখালী এলাকায়। সে দীর্ঘদিন ধরে উপজাতীয় সন্ত্রাসী গ্রুপের সাথে জড়িত রয়েছে। সে নাণিয়ারচর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান পঞ্চানন চাকমা অপহরণ মামলার আসামী। এছাড়া মহালছড়ি রুটে ডিজিটাল ক্যাবল লাইন কেটে দেয়ার সাথে তার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলেও সূত্রে জানা যায়। সে কুকুরমারা এলাকায় জনৈক এক ব্যক্তির বাড়ীতে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জোর পূর্বক তার মেয়ের সাথে অবৈধ মেলামেশা করতো। সম্প্রতি ওই ব্যক্তি বিষয়টি প্রশাসনকে জানালে সেই সূত্র ধরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এদিকে আনন্দ চাকমার আটকের পর স্বীকারোক্তিতে বলে, সে দীর্ঘদিন ধরে আঞ্চলিক দলের সাথে কাজ করছে।  ২০১৫ সাল পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সক্রিয় সদস্য ছিলেন। ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে সে ইউনাইটেড পিপলস্ ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট ইউপিডিএফ যোগ দেয় একটি বিদেশী অস্ত্র এবং ১৩৭ রাউন্ড গুলি নিয়ে। এরপর থেকে সে নাণিয়ারচর এলাকায় কালেক্টর শান্তিময় চাকমার নির্দেশনায় কাজ করছে বলেও স্বীকারোক্তিতে জানা যায়।




রাঙামাটিতে জেএসএস সংস্কার দলের চাঁদাবাজ আটক

qq
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলা সদর বাজার থেকে প্রকাশ্যে চাঁদা আদায়ের সময় উপজাতীয় এক চাঁদাবাজকে আটক করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।

শনিবার দুপুর ১২ টার দিকে উপজেলা সদরস্থ নানিয়ারচর বাজার থেকে তাকে আটক করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে নিরাপত্তা বাহিনী সূত্র।

সূত্র মতে, জেএসএস সংস্কার নামে একটি আঞ্চলিক সংগঠনের হয়ে নানিয়ারচর বাজারে প্রকাশ্যে চাঁদা আদায় ও সদস্য সংগ্রহের কাজে ৪ জন চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী অপেক্ষা করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে তারা সেখানে অভিযান চালায়। অভিযানের খবর পেয়ে ৩ সন্ত্রাসী পালিয়ে গেলেও একজনকে হাতেনাতে ধরতে সক্ষম হয় নিরাপত্তা বাহিনী। গ্রেফতারকৃত চাঁদাবাজের নাম সুবল চাকমা(৩০)।

এসময় তার কাছ থেকে আদায়কৃত চাঁদার ৩৮০৭ টাকাসহ ১০টি চাঁদার রশিদ বই উদ্ধার করা হয়। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুসারে নানা ধরনের উষ্কানিমূলক লেখা সম্বলিত বিভিন্ন ধরনের বই, মোবাইল ফোন, সিডি ক্যাসেটও উদ্ধার হয়। এছাড়াও পিসিপি ও জেএসএস সংস্কার দলের সদস্য সংগ্রহ ফরম পাওয়া যায়।

pppp

নিরাপত্তা বাহিনী সূত্র জানিয়েছেন, আটককৃত ব্যক্তি পার্বত্য চট্টগ্রাম জন সংহতি সমিতি জেএসএস এমএন লারমা সমর্থিত দলের সক্রিয় সদস্য বলে আমরা জানতে পেরেছি। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ চলমান রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

রাঙামাটির ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মোঃ শহিদ উল্লাহ জানিয়েছেন, যৌথ বাহিনীর অভিযানের মাধ্যমে উক্ত চাঁদাবাজকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।




রাঙামাটিতে ইউপিডিএফের গোপন আস্তানায় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান

ততততবআ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাঙামাটি জেলার নানিয়ারচরে ইউপিডিএফের একটি গোপন আস্তানায় নিরাপত্তা বাহিনীর একটি দল অভিযান চালিয়েছে। অভিযানের খবর পেয়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেলেও ডেরায় তল্লাসী চালিয়ে একটি ডেস্কটপ কম্পিউটার, চাাঁদা আদায়ের রশিদ, চরমপন্থী বইপুস্তকসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে বলে বিশ্বস্ত সূত্র নিশ্চিত করেছে।

সূত্র মতে, আঞ্চলিক পাহাড়ী সংগঠন বিভিন্ন সামাজিক গণমাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা, সেনাবাহিনী, জাতীয় চেতনা বিরোধী বিভিন্ন ঘৃণাত্মক প্রচারণা চালিযে আসছিলো। রাষ্ট্রীয় চেতনা ও জাতীয়তাবোধ বিরোধী, সাম্প্রদায়িক হিংসা ছড়ানো অপপ্রচারকারীদের দমন করতে নিরাপত্তা বাহিনী বেশ কিছুদিন ধরেই তৎপর ছিলো। তারই অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে নিরাপত্তা বাহিনীর একটি যৌথ দল নানিয়ারচর উপজেলার কুতুকছড়ির উপরপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।

সূত্র জানিয়েছে, কিন্তু দিনের বেলায় অভিযান পরিচালনা করায় নিরাপত্তা বাহিনীর অবস্থান টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে যৌথবাহিনী উপরপাড়া দাড়পাত্তা ক্লাবে অভিযান চালিয়ে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের অস্ত্রসহ ছবি ও মন্টি চাকমার গুরুত্বপূর্ণ কিছু সাংগঠনিক তথ্যাদি সম্বলিত একটি ডেক্সটপ কম্পিউটার, ৩০টি চাঁদার রশিদ বই, ৩,৫০০ আদায়কৃত চাঁদার টাকা, ১১৪ টি ইউপিডিএফ এর হাত পতাকা এবং ১৮ টি চরমপন্থী রাজনৈতিক বই, ৪ টি মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। এ সকল তথ্য থেকে নিরাপত্তা বাহিনী নিশ্চিত হয় যে, উক্ত ক্লাবটি আসলে ইউপিডিএফ সন্ত্রাসীদের একটি গোপন ডেরা ছিলো।

দগজত

নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে খবর ছিলো, ইউপিডিএফ এর সশস্র নেতা অর্কিড চাকমা, চিরজীব দেওয়ান, কার্তিক চাকমা, উদয় চাকমা উক্ত ক্লাবে একটি গোপন বৈঠকে উপস্থিত ছিল। বর্তমানে উক্ত ব্যক্তিবর্গ সকলেই পলাতক।

উক্ত ঘটনাস্থলে নবনির্বাচিত মেম্বার সঞ্চয়ন চাকমার উপস্থিতিতে তল্লাশীপূর্বক উপরোক্ত দ্রব্যাদি সমূহ পুলিশ ও সেনাবাহিনী কর্তৃক আটক করা হয়।

সূত্র আরো জানিয়েছে, ক্লাব থেকে উদ্ধার করা ডেস্কটপ কম্পিউটারে ইউপিডিএফের সামরিক পোশাক পরহিত অনেক সশস্ত্র নেতার ছবি ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনী এ সকল তথ্য খতিয়ে দেখে পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা করছে। উদ্ধারকৃত দ্রব্যাদি পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়া চলছে।