নানিয়ারচর ও মহালছড়িতে অবরোধ চলছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাঙামাটি নানিয়ারচরে মালভর্তি দুইটি ট্রাক আগুনে পুড়িয়ে দেয়া সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবিতে রাঙামাটির নানিয়ারচর ও খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলায় সকাল-সন্ধ্যা সড়ক অবরোধ শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হচ্ছে।

সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে প্রশাসনকে দেয়া ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম শেষে শনিবার পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বাঙ্গালীদের আঞ্চলিক সংগঠন পার্বত্য নাগরিক পরিষদ ও পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদ এ অবরোধের ডাক দেয়।

অবরোধের কারণে রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কে সকাল থেকে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। দুই উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পিকেটিং করছে অবরোধ সমর্থকরা। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে পুলিশ টহল দিচ্ছে। তবে কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

দাবিকৃত চাঁদা না পেয়ে ২৩ জানুয়ারি ভোরে রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের বেতছড়ি এলাকায় দুটি মাল ভর্তি ট্রাক আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয় সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনার জন্য পার্বত্য বাঙ্গালী সংগঠনগুলো উপজাতীয় সংগঠনগুলোকে দ্বায়ী করে। এ ঘটনার পর সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম দেয় বাঙ্গালী সংগঠনগুলো।




নানিয়ারচরে সন্ত্রাসীদের দেওয়া আগুনে পুড়েছে মাইসছড়ির ব্যবসায়ীদের স্বপ্ন

IMG_20170127_002545

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি :

সন্ত্রাসীদের দেওয়া আগুনে শুধুমাত্র মালামালসহ ট্রাক পুড়ে ছাই হয়নি সেদিন, পুড়েছে মাইসছড়ি বাজারের ১০/১২ জন ব্যবসায়ীর স্বপ্নও। কারো সারা জীবনের উপার্জিত পুঁজি হারিয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন। কেউ আবার  জীবনধারণের একমাত্র অবলম্বন ব্যবসা বন্ধ হবার আশংকায় আছেন। আর কী দাঁড় করাতে পারবেন জীবিকার একমাত্র অবলম্বন ব্যবসাটি । কীভাবে জুটবে পরিবারের সদস্যদের মুখে আহাড়। এসব হাজারো প্রশ্ন ভীড় করছে এ বাজারের ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মাথায়।

তেমনি একজন ক্ষতিগ্রস্ত মাইসছড়ি বাজারের পাশে বসবাসকারী মো. সফর আলী। সারাজীবন অন্যের জমিতে বর্গা চাষ করে সংসার চালিয়ে আসছেন তিনি। বয়স বেড়েছে এখন আর এতো পরিশ্রম শরীরে সহ্য হচ্ছে না। তাই কয়েক দিন আগে স্থির করেন ব্যবসা করবেন। মাইসছড়ি বাজারে একটি দোকান ঘর ভাড়া নেন ব্যবসা করার উদ্দেশ্যে। সারাজীবনের সঞ্চয় এবং নিকটাত্মীয়দের কাছ থেকে ধারদেনা করে  চট্টগ্রাম থেকে প্রথম দোকানের জন্য মালামাল ক্রয় করেন। অন্যসব দোকানীদের সাথে তিনিও মালামাল  নিয়ে আসতে সেদিন ট্রাকে তুলে দেন। সন্ত্রাসীদের দেওয়া আগুনে সব মালামালের সাথে পুড়ে যায় সফর আলীর মালামালও। সেই সাথে পুড়ে তার স্বপ্নও, আজ তার পথে বসার জোগাড়।
IMG_20170127_002456
বৃহস্পতিবার সফর আলীর বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, পুড়ে নষ্ট হয়ে যাওয়া ব্যবসার উদ্দেশ্য কেনা বিভিন্ন মালামাল। এসময় তিনি পার্বত্যনিউজকে জানান, নগদ দুই লাখ সত্তর হাজার টাকার কেনা মালামাল পুড়েছে। এখন একখণ্ড ভিটেমাটি ছাড়া আর কিছু নেই। সারাজীবনে তিলতিল করে সঞ্চিত অর্থ পুড়িয়ে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা। ধারকর্জ করা টাকা কী করে পরিশোধ করবেন? সেই সাথে পরিবারপরিজনের ভরণপোষণ নিয়েও বিপাকে পড়েছেন তিনি।

আরো কয়েকজন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীর সাথে কথা হয়। তারমধ্যে শুটকি ও মুদি ব্যবসায়ী তমল বড়ুয়া পার্বত্যনিউজকে বলেন, তিনি ব্যাংক লোনের পাশাপাশি মহাজন থেকে বাকিবকেয়া নিয়ে ব্যবসা করেন। তার প্রায় এক লাখ টাকার মালামাল সেদিন পুড়েছে।
IMG_20170127_002557
উল্লেখ্য, গত ২৩ জানুয়ারি সোমবার ভোর ৫ টায় রাঙামাটি জেলার নানিয়ারচরের কাঠালতলীতে উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা মালভর্তি ২টি ট্রাক আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়।

এ ঘটনায় মাইসছড়ি বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. আকবর হোসেন পার্বত্যনিউজকে জানান, বাজারের ১০/১২ জন ব্যবসায়ীর প্রায় বিশ লাখ টাকার মালামাল সন্ত্রাসীরা সেদিন পুড়িয়ে দিয়েছে। তিনি সন্ত্রাসীদের বিচারের দাবী করে, নিরাপদে ব্যবসা করার পরেবেশ সৃষ্টি করতে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানান।




নানিয়ারচরে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

নানিয়ারচরে আগুন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সোমবার ভোরে চাঁদা না পেয়ে রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের নানিয়ারচরের বেতছড়ির চোংড়াছড়ি নামক পাহাড়ি এলাকায় মালভর্তি দুইটি ট্রাক আগুনে পুড়িয়ে দেয় সন্তু লারমার পালিত দুর্বৃত্তরা।

বাঙালিদের মালামাল সম্পূর্ণ ভস্মিভূত করার প্রতিবাদ ও তীব্রনিন্দা জানিয়েছেন পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদের উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি ও পার্বত্য নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আলকাছ আল মামুন ভূইঁয়া।

বুধবার পার্বত্য নাগরিক পরিষদের দপ্তর সম্পাদক মো. খলিলুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ইঞ্জিনিয়ার আলকাছ আল মামুন ভূইঁয়া বলেন, ১ আগষ্ট ২০১৬ বহুল বিতর্কিত পার্বত্য ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন পাস হওয়ার পর থেকেই গোটা পার্বত্য চট্রগ্রামে চলছে বাঙালিদের উপর বিভিন্ন ধরনের নির্মম অত্যাচার, জুলুম আর নির্যাতন।

তারই ধারাবাহিকতায় সোমবার মহাল ছড়ি বাঙালি ব্যাবসায়িদের থেকে চাঁদা না পেয়ে রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের নানিয়ারচরের বেতছড়ির চোংড়াছড়িতে সন্তু লারমার পালিত দুর্বৃত্তরা মালভর্তি দুইটি ট্রাকসহ আগুনে পুড়িয়ে সম্পূর্ণ মালামাল ভস্মিভূত করে ধ্বংস করে দিয়েছে কোটি টাকার সম্পদ।

বিবৃতিতে মামুন ভূইঁয়া আরও বলেন, সন্তু লার্মা বিগত কয়েক মাসে মাটিরাঙ্গার বিটিলায়, লক্ষীছড়ি, খাগড়াছড়ি সদর সহ পুরো পার্বত্য চট্রগ্রামে চাঁদা বাজি, অপহরণ, বাঙালি নারীদের ধর্ষণসহ মায়ানমারের বৌদ্ধদের স্টাইলে বাঙালিদের উপর অমানুসিক অত্যাচার জুলুম চালিয়ে যাচ্ছে, অত্যান্ত দু:খের বিষয় হলেও সত্য যে সরকারের ভূমিকা নির্বিকার।

এ জন্যে এক জন সচেতন নাগরিক হিসেবে সন্তু লার্মার এহেন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানানো সময়ের দাবী, বিবৃতিতে তিনি বহুল বিতর্কিত পার্বত্য ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন ২০১৬ বাতিল, সন্ত্রাস বন্ধে সরকার কে দায়িত্ত্বশীল ভূমিকা পালন করার দাবীসহ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার পূর্বক পর্যটকদের অভয়ারণ্য সৃষ্টি সহ সাধারণ মানুষের জীবন যাত্রা ফিরিয়ে মহালছড়িতে ট্রাকে আগুন দেয়া সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের জন্য  সরকারকে বৃহস্পতিবার থেকে ৭২ ঘন্টার সময় দেয়া হলো।

এর পরেও যদি সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করা না হয়, তাহলে অবরোধ সহ গনতান্ত্রিকভাবে আরও কঠিন কর্মসূচী চর্চার জন্য তিনি পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদ, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের নেতা/কর্মীদের সহ সকল সংগঠনকে নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান ।




ট্রাক জ্বালিয়ে দেয়ার ঘটনায় অজ্ঞাতদের আসামী করে মামলা

নানিয়ারচরে আগুন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলার বেতছড়িতে চাঁদার দাবিতে উপজাতীয় সন্ত্রাসী কর্তৃক মাল বোঝাই ট্রাক জ্বালিয়ে দেয়ার ঘটনায় নানিয়ারচর থানায় মামলা হয়েছে।

নানিয়ারচর থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার পুলিশ বাদি হয়ে অজ্ঞাত নামা আট জনকে আসামী করে এ মামলা দায়ের করা হয়। (মামলা নং ১/তারিখ-২৪-০১-১৭)।

নানিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, ট্রাক পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ পর্যন্ত কোন আসামী আটক করা হয়েছে কিনা বা সন্দেহজনক কাউকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে কিনা জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন ‘আমি চট্টগ্রাম আছি’।

এদিকে ঘটনার পর দুই দিন পার হতে চললেও এখন পর্যন্ত কাউকে আটক না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবহন মালিক, শ্রমিকরা।




নানিয়ারচরে চাঁদার দাবীতে মালভর্তি ট্রাকে আগুন দিয়েছে উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা

নানিয়ারচরে আগুন
নিজস্ব প্রতিনিধি:
রাঙামাটি জেলার নানিয়ারচর উপজেলায় চাঁদার দাবীতে মালভর্তি ট্রাকে আগুন লাগিয়ে ভস্মিভূত করেছে উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা। এসময় পর্যটকবাহী কয়েকটি গাড়ি থামিয়ে তাদের কাছ থেকে মোবাইল ও টাকা পয়সা ছিনতাই করে নেয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে। মঙ্গলবার ভোর ৫ টার দিকে উপজেলার ১৮ মাইল-কাঠালতলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।
পার্বত্যনিউজের মহালছড়ি প্রতিনিধি ঘটনাস্থল সরেজমিন পরিদর্শন করে জানান, মঙ্গলবার সাপ্তাাহিক মহালছড়ি বাজার থাকায় বাজার ব্যবসায়ীরা চট্টগ্রাম থেকে পাইকারী ক্রয় করে চারটি ট্রাকে করে বিভিন্ন মালামাল রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়ক হয়ে মহালছড়ি বাজারে আসছিল। এসময় ৪ টি পর্যটকবাহী বিভিন্ন ধরণের গাড়িও তাদের পেছনে অনুসরণ করে ্আসছিলো। গাড়িগুলো নানিয়ারচর উপজেলার ১৮ মাইল-কাঠালতলী এলাকায় পৌঁছালে ১৬ জন উপজাতীয় মুখোশধারী সশস্ত্র সন্ত্রাসী গাড়িগুলোকে থামিয়ে কাদের গাড়ী জিজ্ঞাসাবাদ করে।
আগুন নানিয়ারচর
গাড়ী চালকরা মহালছড়ি বাজারের মালামাল পরিবহনের গাড়ী জানালে তাদের কাছে চাঁদা দাবী করা হয়। ড্রাইভাররা চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় সাথে সাথে সন্ত্রাসীরা চট্টমেট্রো ট- ১১০৭৪১ এবং চট্টমেট্রো ট- ১১২০৬৬ নম্বরের দুইটি ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দেয়। ট্রাকগুলোর সাথে থাকা ড্রাইভার, হেলপার ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা চট্টমেট্রো ট- ১১২০৬৬ নম্বরের ট্রাকের আগুন তাৎক্ষণিকভাবে নিভিয়ে ফেলতে সক্ষম হলেও চট্টমেট্রো ট- ১১০৭৪১ ট্রাকে দাহ্য মালামাল থাকায় তা নেভাতে সক্ষম হয়নি। ফলে ট্রাকটি এবং তাতে বহন করা মালামাল সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়ে যায়। ট্রাকটিতে চাল, ডাল, আলু, কেরোসিন, কসমেটিকসসহ বাজারের বিভিন্ন ধরণের ২০ লক্ষাধিক টাকার মালামাল ছিল।
ট্রাকে অবস্থানকারী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, তারা সন্ত্রাসীদের পায়ে পড়ে ট্রাকে আগুন না লাগাতে অনুনয়বিনয় করেছিল। কিন্তু তাতে সন্ত্রাসীদের মন গলেনি। উল্টো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও ট্রাক চালকদের মারধোর করে সন্ত্রাসীরা। এতে মহালছড়ি বাজারের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী প্রকাশ আচর্য, কামাল হোসেন, মুন্সী মিয়াসহ কয়েকজন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে সন্ত্রাসীদের দায়ের কোপে আহত মুন্সী মিয়াকে মহালছড়ি উপজেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যাওয়ার সময় সন্ত্রাসীরা ২ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে বলেও জানা গেছে।
NANI
খবর পেয়ে মহালছড়ি সেনা জোন কমান্ডার লে. কর্নেল হুমায়ুন কবীরের নেতৃত্বে সেনা সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌছে, একই সময় মহালছড়ি থানা থেকে পুলিশবাহিনীর সদস্যরাও ঘটনাস্থলে পৌছালেও পানির সঙ্কুলান না থাকায় কেউ আগুন নেভাতে পারেনি। তবে ঘটনার সাড়ে ৩ ঘন্টা পর সকাল সাড়ে আটটার দিকে রাঙামাটি থেকে অগ্নি নির্বাপন দল ঘটনাস্থলে পৌছায়। কিন্তু ততক্ষণে সম্পূর্ণ ট্রাক ও মালামাল ভস্মিভূত হয়ে গেছে।
 এদিকে এ ঘটনার প্রতিবাদে মহালছড়ি বাজার ব্যবসায়ী ও স্থানীয় জনগণ রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদ সমাবেশ করছে। এতে রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। তারা দোকানপাট বন্ধ রেখেছে।
 ব্যবসায়ীদের অভিযোগ স্থানীয় উপজাতী সংগঠনের পক্ষ থেকে মহালছড়ি বাজার কমিটির নিকট বড় অংকের চাঁদা দাবী করা হচ্ছিল দীর্ঘদিন ধরে। কিন্তু ব্যবসায়ীরা এই বিপুল পরিমাণ চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় তাদের মালামাল বহনকারী ট্রাকে আগুন লাগিয়ে দেয়া হয়েছে। এর প্রতিাবিধান না করা হলে সড়ক অবরোধ ও দোকানপাট বন্ধ কর্মসূচী তুলে নেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।



ভালোবেসে বাঙালী ছেলেকে বিয়ে করায় এক উপজাতীয় নারীকে অমানবিক নির্যাতন করেছে ইউপিডিএফ

upojati nari
নিজস্ব প্রতিবেদক :
ভালোবেসে বিয়ে করার অপরাধে রাঙামাটির নানিয়ারচরের এক উপজাতী নারীকে দুইমাস আটকে রেখে নির্যাতন করেছে পাহাড়িদের আঞ্চলিক সংগঠন ইউপিডিএফ। হাতে পায়ে শিকল বেধে অন্ধকার ঘরে আটকে রেখে নিজের জাতির মেয়েকে যে অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়েছে তাতে হতবাক হয়েছেন পুরো সমাজ। বৃহষ্পতিবার রাঙামাটি প্রেস ক্লাবে হাজির হয়ে এ অমানবিক নির্যতনের বর্ণনা দেন নির্যাতিত জোসনা চাকমা। এ সময় তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

গত ১৬ জানুয়ারি রাত ১২টায় বন্দিদশা থেকে পালিয়ে এসে কুতুকছড়ি সেনা ক্যাম্পে আশ্রয় নিলে সেনা সদস্যরা তাকে নিরাপদে পুলিশ হেফাজতে পৌঁছে দেয়। নির্যাতিত জোসনা চাকমা তাকে অপহরণের জন্য আঞ্চলিক সংগঠন ইউপিডিএফকে দায়ী করেন।

সংবাদ সম্মেলনে জোসনা চাকমা বলেন, তার অপরাধ সে বৌদ্ধ হয়ে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অপর এক জনকে ভালোবেসে বিয়ে করেছেন। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী হলেও বাঙ্গালী বড়ুয়া ছেলেকে বিয়ে করার অপরাধে জোসনা চাকমাকে এ নির্মম পরিস্থিতির শিকার হতে হয়েছে।


এ সংক্রান্ত আরো খবর 

  1. ♦ নির্বিচারে চলছে পাহাড়ী নারীদের উপর আঞ্চলিক উপজাতীয় সংগঠনগুলো যৌন হয়রানি(ভিডিও)
  2. ♦ পাহাড়ী তরুণীদের বাঙালি ছেলের সঙ্গে সম্পর্কের শাস্তি গণধর্ষণ
  3. ♦ রেটিনা চাকমাকে ভালবেসে বিয়ে করায় চাকরী হারালেন : মৃত্যুর হুমকি তবু স্ত্রীকে ফেরত চান প্রথম আলোর সাবেক ফটো সাংবাদিক সৈকত ভদ্র
  4. ♦ পাহাড়ে চলছে ভয়াবহ নারী নির্যাতন: বাঙালি ছেলের সাথে বিয়ের শাস্তি গণধর্ষণ
  5. ♦ পাহাড়ের উপজাতীয় তরুণীদের কাছে তবুও প্রিয় বাঙালি যুবকরা
  6. ♦ স্ত্রীর প্রতি দায়িত্বশীলতার কারণে বাঙালি ছেলেদের প্রতি পাহাড়ি মেয়েদের ঝোঁক

রাঙামাটি সদর উপজেলার কুতুকছড়ি এলাকার জহলাল চাকমার মেয়ে জোসনা চাকমা (৩০) চট্টগ্রামে একটি পোশাক কারখানায় চাকুরি করার সময় অপু চন্দ্র নামক এক বড়ুয়া সস্প্রদায়ের যুবককে ভালবেসে বিয়ে করেন। এই বিয়ে পরিবার মেনে নিলেও স্থানীয় পাহাড়ী সংগঠন ইউপিডিএফ তা মেনে নেয়নি। এ অপরাধে গত ১৮ নভেম্বর ২০১৬ জোসনা চাকমা কুতুকছড়ি বাবার বাড়িতে এলে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায় ইউপিডিএফের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। ঘটনার বর্ণনায় জোসনা চাকমা বলেন, অপহরণ হওয়ার পর তাকে গলায় শিকল পড়িয়ে বন্দী করে রাখা হয়।

এর পর তিনি গত ১৬ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ১২টায় বন্দী অবস্থা থেকে পালিয়ে আনুমানিক ২টায় কুতুকছড়ি সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে এসে এই ঘটনার কথা জানান। এর পর নানিয়ারচর জোন তাকে নানিয়ারচর থানা পুলিশি হেফাজতে দেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে জবানবন্দিতে জোসনা চাকমা জানান, তার বিয়েকে কেন্দ্র করে তাকে অপহরণ করা হয়। সন্ত্রাসীরা তার ভাই, বোন, মা, বাবাকেও মারধর করে, হুমকি দেয় এমনকি অর্থ জরিমানা করে। এক পর্যায়ে জোসনা চাকমা পরিবার ও স্থানীয় এক ইউপিডিএফ নেতা বিদ্যাময় চাকমা নামক ব্যক্তির সাথে কথা বলে এলাকায় সামাজিক অনুষ্ঠান করতে চাইলে ঐ পাহাড়ী নেতা তাকে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে এলাকায় নিয়ে আসে এবং অপহরণ করে নিয়ে যায়। অপহরণের পর কুতুকছড়ি এলাকার চারটি জায়গায় তাকে বিভিন্ন সময় বন্দী করে রাখা হয়।

এই বিষয়ে নানিয়ারচর থানার ওসি মো. আবদুল লতিফ পার্বত্যনিউজকে জানান, নিরাপত্তা জনিত কারণে তাকে রাঙামাটি পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে তাকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। ঘটনাটি নানিয়ারচর থানা ও নানিয়ারচর জোন খতিয়ে দেখছেন বলে জানা গেছে।




নানিয়ারচর আবারো বাঙ্গালীদের আনারস বাগান ধ্বংস করে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা

uuu
নিজস্ব প্রতিবেদক :
রাঙমাটির নানিয়ারচর উপজেলায় আবারো বাঙ্গালীদের আনারস বাগান ধ্বংস করে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় ওই এলাকায় জনমনে অসন্তোষ ও উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার বুড়িঘাট ইউনিয়নের দক্ষিণ পশ্চিম হাতিমারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার দিবাগত রাতে বুড়িঘাট ইউনিয়নের ৪ নং টিলার স্থানীয় বাসিন্দা মঈনুল হোসেনের প্রায় চার কানি জমির আনারস বাগানের ৪৫ হাজার চারা সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে ও উপরে ফেলে সম্পূর্ণ নষ্ট করে দেয়। ঘটনাস্থলটি উপজাতীয় অধ্যুষিত এলাকা বলে স্থানীয়রা জানায়। গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটলেও রবিবার বিকেলে এ ঘটনা জানাজানি হয়।

বুড়িঘাট ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নং ওয়ার্ড মেম্বার মো. শফি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘এ ঘটনা শোনার পর রবিবার বিকেলে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পাই ৩০ হাজারের অধিক আনারস চারা সন্ত্রাসীরা উপরে ও কেটে ফেলেছে।’ তবে নানিয়ারচর থানার দায়িত্বে থাকা এসআই শাহজাহান এর কাছে এ ঘটনা সম্পর্কে রবিবার রাত ১০টার দিকে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি এ ধরনের কোন খবর জানেন না বলে জানান।

ক্ষতিগ্রস্ত বাগান মালিক মো. সঈনুল হোসেন জানান, তিনি গত ৬/৭ বছর আগ থেকে তার নিজস্ব পনে ৫ একর জায়গায় আনারস বাগন করে আসছেন। এ বছরও তিনি ৪ কানি জায়গায় আনারস চারা লাগিয়েছেন। গত শুক্রবার পর্যন্ত তিনি ওই জায়গায় আনারসের চারা লাগান। এর একদিন পর তিনি খবর পান তার বাগানের চারা কেটে ও উপরে ফেলা হয়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পেয়ে তিনি এ বিষয়ে জানাতে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান প্রমোদ খীসাকে বার বার ফোন করেও পাননি বলে জানান। এ জায়গা নিয়ে কারো সাথে কোন বিরোধ নেই বলেও তিনি জানান।

তিনি ধারণা করছেন এ ঘটনা উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা ঘটিয়েছে। তিনি আরোও জানান, তার ওই জায়গায় আনারস বাগান করতে গেলে বিগত পাঁচ বছর আগে পাহাড়ি সংগঠন ইউপিডিএফ তার কাছ থেকে ১০হাজার টাকা চাঁদা নেয়। এ ঘটনায় প্রায় চার লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান ক্ষতিগ্রস্ত মো. মঈনুল হোসেন।

anarosh

উল্লেখ্য, নানিয়ারচর তথা পার্বত্য চট্টগ্রামে চাঁদা না পেয়ে উপজাতীয় সন্ত্রাসী কর্তৃক বাঙালীর আনারস বাগান কর্তনের ঘটনা ঘটেছে।

২০১৪ সালের ডিসেম্বর থেকে চলতি বছর ডিসেম্বর পর্যন্ত এই দুই বছরে পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় চার লাখ ৯৪ হাজারেরও বেশি গাছ কেটে ফেলেছে পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। যার সবগুলোই বাঙালিদের। এর কোনটির পেছনে রয়েছে বাঙালি-উপজাতি ছেলে-মেয়ের প্রেম বা বিয়ে, কোনটিতে চাঁদা না দেয়া। গত ১৪ নভেম্বর খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার ময়ূরখিলে ৮৪টি মশলা গাছ ও ৪টি আম গাছ কেটে ফেলে উপজাতি সন্ত্রাসীরা।

১৪ নভেম্বর খাগড়াছড়ির রামগড়ে যৌথ খামারে আড়াই হাজার পেঁপে গাছ, ৬শ’ কলা, ৩০টি লিচু ও ২০টি লেবু গাছ কেটে ফেলে, ২৮ আগস্ট বান্দরবানের আলীকদমে গাজী রাবার বাগানের ৬৯৩টি রাবার গাছ কাটা হয়, ২৭ ফেব্রুয়ারি খাগড়াছড়ির সিন্দুকছড়িতে কর্ণেল বাগানে ২শ’টি ফলের গাছ, ২৫ জানুয়ারি বান্দরবানের আলীকদমে এক হাজার ৯৬৭টি রাবার গাছ ও ৭টি আম গাছ কাটা হয়।

আগের বছর ১৩ আগস্ট খাগড়াছড়ির লহ্মীছড়ির রেপাতলীতে ২০ হাজার রাবার গাছ ও ৫০টি কলা গাছ ও ১১ জানুয়ারি রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলার জামতলীতে ৩৫ হাজার আনারস গাছ কেটে ফেলে দুর্বৃত্তরা। ২০১৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর একই উপজেলার বগাছড়িতে ৩ লাখ ফলন্ত আনারসের গাছ ও ২১ হাজার সেগুন গাছ কেটে ফেলা হয়। নির্ধারিত চাঁদা না দেওয়ায় গতবছর বান্দরবানের লামা উপজেলায় একটি রাবার বাগানের গোডাউন পুড়িয়ে দেয় জেএসএস-সন্ত লারমা গ্রুপের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। এরপরও চাঁদা না দিলে পুরো বাগান পুড়িয়ে দেয়ার হুমকী দেয়া হয়।




বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফের মাজারে বিজিবি সেক্টর কমান্ডারের পুস্পস্তবক অর্পণ

bgb-socktor

কাপ্তাই প্রতিনিধি :

মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে শহীদ বীর শ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়ক মুন্সী আব্দুর রউফ এর মাজারে বিজয় দিবস উপলক্ষে রাঙ্গামাটি বিজিবি সেক্টর কমান্ডার দোয়া, পুস্পস্তবক অর্পণ এবং গার্ড অব অনার প্রদান করেন।

এ সময় কাপ্তাই ১৯ বিজিবি লে. কর্নেল আশফাকুর রাহাত সিদ্দিকিসহ বিভিন্নস্তরের গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসাবে কর্নেল মো. আশরাফুল ইসলাম, রাঙ্গামাটি সেক্টর কমান্ডার হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বীর শ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ এর সমাধির সংস্কার ও মেরামতের কাজ সম্পন্ন করে কাপ্তাই ১৯ বিজিবি।

এ ছাড়া সমাধিস্থলের মাস্টার প্ল্যান হিসাবে সীমান্ত আর্কাইভ, রির্সোট, টয়লেট ক্যাফেটরিয়াসহ সৌন্দার্য বর্ধিত করণে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন।




আনারস বাগান ধ্বংস করার প্রতিবাদে সম-অধিকার আন্দোলনের সাংবাদিক সম্মেলন

57

রাঙামাটি প্রতিনিধি:

রাঙামাটি নানিয়ারচর উপজেলায় বাঙালিদের ফলন্ত আনারস বাগান কর্তন করে ধ্বংস করার প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম সম-অধিকার আন্দোলন নামে একটি আঞ্চলিক সংগঠন। সোমবার সকালে চেম্বার অফ কমার্সের সম্মেলন কক্ষে এ সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তারা বলেন, পার্বত্যাঞ্চলে বিরাজমান পরিস্থিতে বাঙালিদের ফলন্ত আনারস বাগানসহ গুম, হত্যা, সকল সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা। কিন্তু বার বার  এসব অপকর্মের   পরেও সরকার এ ব্যাপারে কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় একই ভাবে  ১০ ডিসেম্বর গভীর রাতে উপজাতিয় দুর্বৃত্তরা বাঙালিদের দুইটি আনারস বাগানের প্রায় ৮২ হাজার ফলন্ত গাছ ধবংস করে দেয়।

বক্তারা আরও বলেন, সরকার যদি এ সকল সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কোন বিচার না করেন তাহলে পার্বত্যাঞ্চলের বাঙালিদের নিয়ে কঠোর থেকে কঠোর আন্দোলন সংগ্রাম করবে বলে হুশিয়ারী দেন নেতা-কর্মীরা।

সাংবাদিক সম্মেলনে বাগান মালিক মধু মিয়া এবং জামাল সিকদার কান্নার স্বরে বলেন, , দীর্ঘ দিন যাবত উপজাতিয় দুর্বৃত্তরা আমাদের জমিতে চাষ না করার জন্য হুমকি দিয়ে আসছে তাদের কথা না শোনায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে রাতের আঁধারে এই ঘটনা ঘটিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এখন আমরা লক্ষ টাকা দেনা কিভাবে পরিশোধ করবো । আমাদের শেষ সম্বলটুকু শেষ করে দিল উপজাতি সন্ত্রাসীরা। তাই সরকারের কাছে বিচার চাই এবং আমাদের ক্ষতিপূরণ চাই।

এ সময় সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম সম-অধিকার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সদস্য মো. ইউনুচ, কেন্দ্রীয় সদস্য জাহাঙ্গীর কামাল, পার্বত্য ভূমি রক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম মুন্না, পার্বত্য যুবফ্রন্টের জেলা সভাপতি আব্দুল মান্নান প্রমূখ।

 




আনারস বাগান ধ্বংসের দায়ে ৫ উপজাতি আটক

22

রাঙামাটি প্রতিনিধি:

রাঙামাটি জেলার নানিয়ারচর উপজেলায় বাঙালীদের ২ একর আনারস বাগান কেটে ধ্বংস করার দায়ে ৫ জনকে  আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলো নংলা অং প্রু মারমা (৫৫), লাইথু অং মারমা (৩০), চাইঞুরুই মারমা (৫৬), রেনু মারমা (৫০) এবং আশিপ্রু মারমা(২৫)।

সোমবার সকালে তাদেরকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নানিয়ারচর থানার পুলিশ।

নানিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল লতিফ জানান, আমরা এই পর্যন্ত ৫ জন আসামিকে গ্রেফতার করেছি। এখন পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত আছে বলেও জানান তিনি।