নাইক্ষ্যংছড়িতে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন অভিযানের উদ্বোধন

বাইশারী প্রতিনিধি:

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন অভিযানের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়েছে।

শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে নবায়ন অভিযানের উদ্বোধন করা হয়। উপজেলা বিএনপি সভাপতি আলহাজ্ব নুরুল আলম কোম্পানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন অভিযানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি সাচিংপ্রু জেরী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান জলা বিএনপির সহ-সভাপতি মুজিবুর রশিদ, ক্রীড়া সাংস্কৃতিক বিষয়ক ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. কামাল উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল কাশেম, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক ও বাইশারী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. মনিরুল হক, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক নুর মোহাম্মদ, জেলা মিডিয়া দল নেতা ওমর ফারুক প্রমুখ। এছাড়া সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন অভিযানে পাঁচ ইউনিয়নে অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

নবায়ন অভিযানে সাচিংপ্রু জেরী নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, এখন আর দ্বিধা বিভক্তির সময় নেই। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

শুক্রবার সকাল ১০টায় বাইশারী বাজার চত্বরে এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন অভিযানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন এবং ফরম বিতরণ করা হয়।

এর পরপরই বেলা ১১টার সময় নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব নুরুল আলম কোম্পানীর বাস ভবনে সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বাকী চার ইউনিয়নে নেতা কর্মীদের হাতে ফরম বিতরণ ও সদস্য সংগ্রহ এবং নবায়ন অভিযানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।




নাইক্ষ্যংছড়িতে হামলার পাঁচ দিন পর যুবলীগ নেতার পিতার মৃত্যু

নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি:

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে কথাকাটাকাটির জের ধরে হামলায় আহত আলী আহমদ (৬২) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন।

ঘটনার পাঁচ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২০জুলাই) সকালে তিনি মারা যান। নিহত আলী আহমদ নাইক্ষ্যংছড়ি ১নং ওয়ার্ড যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক ছৈয়দ আলম কালুর পিতা। ঘটনার পর থেকে রামুর ডাকভাঙ্গা গ্রামের ঘাতক বেলাল আহমদ (২৫) ও লেডু (২৬) পলাতক রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ জুলাই সকাল ৯টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি সদরের আদর্শগ্রাম এলাকায় আলী আহমদের মুদি দোকানে সিগারেট কিনতে গেলে খুচরা টাকার বিষয়ে তার সঙ্গে জনৈক বেলাল আহমদ (২৫) ও লেডু (২৬) এর মধ্যে তর্কাতর্কি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে বেলালের কিল, ঘুষিতে আলী আহমদ মারাত্মক জখম হয়ে মাটিতে লুটে পড়ে।

নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউপির ১নং ওয়ার্ড সদস্য আরেফ উল্লাহ ছুট্টু জানান, ঘটনার পর স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় আলী আহমদকে প্রথমে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল ও পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাঁচ দিন পর তিনি মারা যান।

থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এএইচএম তৌহিদ কবির জানান, ‘ঘটনার বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি’। জড়িত ব্যক্তিকে দ্রুত গ্রেফতার পূর্বক আইনের আওতায় আনা হবে।




অবশেষে হাজারো জনসাধারণের দুর্ভোগের অবসান, পাল্টে যাচ্ছে বাইশারী-বটতলী বাজার ও ছাগলখাইয়া সড়কের চিত্র

বাইশারী প্রতিনিধি:

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী- ছাগল খাইয়া সড়কের বটতলী বাজার সংলগ্ন গর্জই খালের উপর ২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে একটি ব্রিজ ও বাইশারী বাজার হয়ে বটতলী বাজার পর্যন্ত দীর্ঘ ৪ কিলোমিটার সড়কে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে কার্পেটিং এর কাজ শীঘ্রই শুরু হতে যাচ্ছে বলে জানালেন বাইশারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলম কোম্পানী।

তিনি বলেন, কথায় নয় কাজ করেই জনগণের প্রতি আস্থা ও ভালোবাসা অর্জনে সক্ষম হয়েছি। চেয়ারম্যান আরো বলেন, পার্বত্য বান্দরবান জেলার রূপকার পাঁচ বারের সাংসদ বর্তমান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি মহোদয়ের আন্তরিক প্রচেষ্টার এই ফসল আমরা বাইশারীর ৩০ হাজার জনসাধারণ ভোগ করতে যাচ্ছি। তাই তিনি মন্ত্রী মহোদয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বান্দরবান জেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহন চাকমা বলেন, উক্ত সড়ক ও ব্রীজের জন্য টেন্ডার হয়ে গেছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজও পেয়েছে। শীঘ্রই কাজ শুরু হয়ে যাবে।

নাইক্ষ্যংছড়্ উপজেলা প্রকৌশলী রেজাউল করিম বলেন, অলরেডি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজ পেয়েছে এবং অচিরেই কাজ শুরু করা হবে।

স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য আজিজুল হক বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে দীর্ঘকাল পর্যন্ত তারা মাত্র একটি ব্রীজের অভাবে চরম দুর্ভোগে ছিল। অবশেষে ব্রীজটি নির্মাণ হয়ে গেলে প্রায় ২০ টি গ্রামের কয়েক হাজার পাহাড়ী-বাঙ্গালীর দুঃখ দূর্দশা লাঘব হবে।

স্থানীয় ইউপি মেম্বার আব্দুর রহিম বলেন, সড়কের কার্পেটিং ও বটতলী বাজার সংলগ্ন গর্জই খালের উপর ব্রীজটি নির্মাণ হলে জনগণের পাশাপাশি শত শত রাবার শ্রমিক, বাগান মালিক সহজে মালামাল আনা- নেওয়া করতে পারবেন।

সরজমিনে এই প্রতিবেদক এলাকা ঘুরে স্থানীয় জনসাধারণ, জনপ্রতিনিধি, হেডম্যান, কারবারী, শিক্ষকসহ অনেকের সাথে কথা বলে জানেন, বাইশারী বাজার হয়ে বটতলী বাজার সংলগ্ন গর্জই খালের উপর মাত্র একটি ব্রীজের অভাবে ১৪ কিলোমিটার ইট বিছানো সড়কটি জনগণের কোন উপকারে আসছে না। ১৯৯৬ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড থেকে এই সড়কটি নির্মাণ করা হয়েছিল দীর্ঘ ১৪ কিলোমিটার পর্যন্ত।

কিন্তু মাঝপথে খালের উপর একটি ব্রীজ না থাকায় পুরো সড়কটি অকেজো অবস্থায় পড়েছিল। ব্রীজটি নির্মাণ হলে পাল্টে যাবে পুরো দশ গ্রামের চিত্র। পাশাপাশি উক্ত সড়কের উভয় পাশে রয়েছে কয়েক হাজার একর রাবার বাগান। বর্তমানে রাবার বাগানের কষ আহরণ করে উক্ত সড়ক দিয়ে কাঁধে বহন করে নিয়ে আসতে চরম দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে।

যদি সড়ক ও ব্রীজের কাজ শেষ হয় সরাসরি গাড়ী যোগে সকল মালামাল আনা-নেওয়া সম্ভব হবে বলে জানালেন নাজমা খাতুন রাবার বাগানে সিনিয়র ব্যবস্থাপক মো. আল আমীন। তিনি আরো বলেন, ব্রীজটি নির্মাণ হয়ে গেলে কমে যাবে সন্ত্রাস, চুরি, ডাকাতি, খুন-খারাবি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও সহজে গাড়ি নিয়ে যাতায়াত করতে পারবে।

সরজমিনে আরো দেখা যায়, দুর্গম পাহাড়ে বসবাসরত পাহাড়ী-বাঙ্গালীদের উৎপাদিত কৃষি পণ্য ধান, কলা, ভুট্টা, শাক-সবজি, সহজে বাজারে এনে নায্য মূল্যে বিক্রি করতে পারবেন কৃষকেরা।

তবে ব্রীজটি না থাকায় লাখ লাখ টাকা কৃষি পণ্যে পচন ধরে যাচ্ছে। কারণ কাঁধে বহন করে দীর্ঘ পথ আনা-নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

উপজাতীয় নেতা বাবু নিউহ্লামং মার্মা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে বলেন, দীর্ঘকাল পরে হলেও তাদের দুঃখ দুর্দশা লাঘবের কথা শুনে তিনি ভগবানের নিকট প্রার্থনা করবেন, যাতে করে অতিসত্তর কাজগুলো শেষ হয় এবং পাহাড়ী বাঙ্গালীদের এই কষ্ট মুছে যায়।




বাইশারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে বৃক্ষরোপন অভিযান-২০১৭ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন


বাইশারী প্রতিনিধি:

“বৃক্ষরোপন করে যে, সম্পদশালী হয় সে” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে বৃক্ষরোপন অভিযান ২০১৭ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।

১৮ জুলাই মঙ্গলবার সকাল ১০ টার সময় তদন্ত কেন্দ্রের নিজস্ব এলাকায় বান্দরবান জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. কামরুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নিজেই ফলজ গাছের চারা লাগিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বৃক্ষরোপন অভিযানের উদ্বোধন ঘোষনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাইশারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. আবু মুসা, এএসআই ওমর ফারুক, মো. সোলেমান ভূঁইয়া, রুবেল ধর ও মোজাম্মেল হক।

এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন, বাইশারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলম কোম্পানী, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ডা. মংথোয়াইহ্লা মার্মা, ইউপি সদস্য আনোয়ার ছাদেক, ছাত্রলীগ সভাপতি এস.কে রিপন, নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল হামিদ, ক্রীড়া সম্পাদক মো. আব্দুর রশিদ, কার্যকরী পরিষদের সদস্য মো. মুফিজুর রহমান প্রমুখ।

বৃক্ষরোপন অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. কামরুজ্জামান উপস্থিত পুলিশ সদস্য ও আগত লোকজনকে বলেন, গাছ লাগানো একটি মহৎ কাজ, গাছ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে এবং মানুষের জীবন বাঁচায়। তিনি আরো বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য এবং নিজেদের রক্ষার জন্য সকলেই যেন নিজ এলাকায় গিয়ে কমপক্ষে ১০ টি করে গাছ লাগান সে বিষয়ে তিনি সকলকে পরামর্শ দেন।

বাইশারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. আবু মুসা বলেন, এই বৃক্ষরোপন অভিযানে তিনি তদন্ত কেন্দ্রের রক্ষিত খালি জায়গায় ফলজ-বনজ সহ আরো বিভিন্ন জাতের চারা লাগিয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কাজ করে যাবেন।

বৃক্ষরোপন অভিযান শেষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান তদন্ত কেন্দ্রের বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখেন এবং পুলিশ সদস্যদের আরো দায়িত্বশীল হয়ে জনগণের সাথে মিলেমিশে কাজ করার পরামর্শ দেন।




রাজনৈতিক মামলায় নাইক্ষ্যংছড়ির চার বিএনপি নেতা কারাগারে

বাইশারী প্রতিনিধি:

বান্দরবান থানায় দায়ের করা একটি মামলায় কারাগারে নাইক্ষ্যংছড়ির চার বিএনপি নেতা। তারা হলেন, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা বিএনপির সদস্য আমিরুল কবির রাকিব (২৮), উপজেলা ছাত্রদলের সহ সভাপতি সাইফুদ্দিন বাহাদুর (৩২), আহসানুল কবির রাজিব (৩৩) ও জাকের আহমদ (৩৫)।

সোমবার সকাল ১১টার দিকে বান্দরবানের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা আফরোজ চৌধুরীর আদালতে তারা আত্মসমর্পনে গেলে জামিন না মঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের বান্দরবান সদর থানায় দায়ের করা (জিআর- ২৬৩/২০১৬) একটি মামলায় তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।




নাইক্ষ্যংছড়ি দোছড়ি খালের গার্ডার ব্রিজের নির্মাণ কাজ কার্যাদেশ প্রদানের ৪ মাস পর ও শুরু হয়নি

 

লামা প্রতিনিধি:

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দোছড়ি ইউনিয়নের তুলাতলী এলাকায় দোছড়ি খালের উপর ৬০ মিটার দৈর্ঘ্য আরসিসি গার্ডার ব্রিজের নির্মাণ কাজ কার্যাদেশ প্রদানের ৪ মাস অতিবাহিত হলেও শুরু হয়নি।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড ৩ কোটি ২৯ লক্ষ টাকা চুক্তি মূল্যে রাঙ্গামাটি রিজার্ভ বাজারের ঠিকাদার মেসার্স প্রমা এন্টারপ্রাইজকে গত ১৬ মার্চ কার্যাদেশ প্রদান করে। কার্যাদেশ প্রদানের ৭ দিনের মধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ব্রিজের নির্মাণ কাজ শুরু করবে মর্মে উন্নয়ন বোর্ডের সাথে চুক্তি করেছে।

দোছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুল্লাহ জানিয়েছেন, দুর্গম দোছড়ি ইউনিয়নের প্রায় ৩০ হাজার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে তুলাতলীর দোছড়ি খালের উপর গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। ব্রিজের নির্মাণ কাজ এখনো শুরু করা হয়নি। গত ২৯ এপ্রিল পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি ব্রিজ নির্মাণের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করেন।

ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স প্রমা এন্টারপ্রাইজের পক্ষে জসীম উদ্দিন জানিয়েছেন, যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই খারাপ হওয়ার কারণে নির্মাণ সামগ্রী প্রকল্প স্থানে পৌঁছানো যাচ্ছে না। শুধু আমাদের নয় আরো অনেক ঠিকাদার মালামাল পরিবহন করতে পারছে না।

কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী ত্রিদিব কুমার ত্রিপুরা জানিয়েছেন, তুলাতলী ব্রিজের নির্মাণ কাজের অগ্রগতি নাই।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বান্দরবান জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল আজিজ জানিয়েছেন, কার্যাদেশ মোতাবেক ব্রিজের নির্মাণ কাজ শুরু না করায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শন নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। কার্যাদেশ প্রদানের ৭ দিনের মধ্যে নির্মাণ কাজ শুরু এবং ৪৫০ দিনের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত করার জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন বোর্ডের সাথে চুক্তি সম্পাদন করেছে।




ঈদগড়-বাইশারী সড়কে অপহৃতরা দীর্ঘ আট দিন পর মুক্তিপণে মুক্ত


বাইশারী প্রতিনিধি :
রামু উপজেলার ঈদগড়-বাইশারী সড়ক থেকে অপহরনের দীর্ঘ আট দিন পর অবশেষে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা মুক্তিপণে উদ্ধার হয়েছে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দক্ষিণ বাইশারী এলাকার উসমান গনীর পুত্র মাদ্রাসা ছাত্র সাদ্দাম হোসেন (১৮) ও পূর্নবাসন এলাকার বাসিন্দা আব্দুল করিম মুন্সির পুত্র ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল চালক নুরুল আমিন (২৪)।

১৪ জুলাই (শুক্রবার) ভোর ৫টায় রামু উপজেলার বেংডেফা নামক এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়।

অপহৃত সাদ্দাম হোসেনের বড় ভাই কাউছারের সাথে কথা বলে জানা যায়, রাত দুইটার দিকে রামু উপজেলার ঈদগড়ের বৈধ্যপাড়া আশ্রয়ন প্রকল্প সংলগ্ন কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের রিজার্ভ এলাকায় হাতে হাতে মুক্তিপণের টাকা নেয় সন্ত্রাসীরা। টাকা নেওয়ার এক ঘন্টা পর ফোন করে তাদের বেংডেফা নামক জায়গায় ছেড়ে দিয়েছে বলে জানায়। পরে ভোর ৫টার দিকে তাদের অর্ধ উলঙ্গ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

অপহৃত নুরুল আমিনের বড় ভাই শফিকুল ইসলাম বলেন, সন্ত্রাসীদের মুক্তিপন হিসেবে দরকষাকষি শেষে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। উদ্ধারের পর তাদের শরীরে একটুও শক্তি নেই। বর্তমানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। তাদের চোখে, কব্জি এবং মাথায় আঘাত রয়েছে।

অপহরনের পর থেকে নুরুল আমিনের মা-বাবা ছেলের চিন্তায় অসুস্থ হয়ে পড়েন বলেও জানান তিনি।

গত ৭ জুলাই রামু উপজেলার ঈদগড়-বাইশারী সড়কের অলিরঝিরি এলাকা থেকে রাত দশটায় অপহৃত হয় নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারীর সাদ্দাম এবং নুরুল আমিন।

অপহরনের ঘটনার পরদিন রামু থানায় সাদ্দাম হোসেনের বড় ভাই মো. ফোরকান একখানা সাধারন ডাইরী (জিডি) করেন। অপহরনের পর থেকে তাদের উদ্ধারে জোর চেষ্টা চালিয়েছেন রামু থানা, বাইশারী তদন্ত কেন্দ্র, ঈদগড় পুলিশ, নাইক্ষ্যংছড়িস্থ ৩১ বিজিবি সহ এলাকাবাসী।




৭দিন পার হলেও বাইশারী-ঈদগড় সড়কে অপহৃত দুই যুবক এখনো উদ্ধার হয়নি

বাইশারী প্রতিনিধি:

গত ৭ জুলাই রাত ১০টার দিকে রামু উপজেলার ঈদগড়-বাইশারী সড়কে মোটর সাইকেল চালক সহ এক মাদ্রাসা ছাত্রকে অপহরণ করেছিল সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। দীর্ঘ ৭দিন পার হলেও এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি অপহৃত দুই যুবককে।

অপহৃত যুবকদ্বয় বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের দক্ষিণ বাইশারী গ্রামের বাসিন্দা উসমান গনীর পুত্র মাদ্রাসা পড়ুয়া সাদ্দাম হোসেন (১৮) ও একই ইউনিয়নের পূর্ণবাসন পাড়া গ্রামের বাসিন্দা করিম মুন্সির পুত্র মোটর সাইকেল চালক নুরুল আমিন (২৪)।

অপহরনের পর থেকে নাইক্ষ্যংছড়িস্থ ৩১ বিজিবির সদস্যরা অধিনায়কের নির্দেশে ঈদগড়ের সংরক্ষিত বনাঞ্চলের গহীন বনে সম্ভাব্য এলাকায় সাড়াশী অভিযান চালায়। পাশাপাশি কক্সবাজারের রামু থানা পুলিশ, ঈদগড় পুলিশ, বাইশারী তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ গহীন বনে অভিযান পরিচালনা করেন। তবে এ পর্যন্ত তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

অপহৃত যুবক সাদ্দাম হোসেনের পিতা উসমান গনী জানান, গত ৭জুলাই অপহরনের তিন দিন পর ৯ জুলাই রবিবার অপরিচিত এক মোবাইল নাম্বার থেকে অপহৃতদের মুক্তিপনের জন্য ৬ লাখ টাকা দাবি করেছিল।

গত ৭ জুলাই ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল চালক নুরুল আমিন দুই আরোহী সাদ্দাম হোসেন ও জসিম উদ্দিনকে নিয়ে ঈদগড় বাজার থেকে নিজ বাড়ি বাইশারী আসার পথে রাত ১০টায় বাইশারী-ঈদগড় সড়কের অলিরঝিরি নামক স্থানে ৭/৮জনের সশস্ত্র ডাকাত দলের সদস্যরা সড়কে গাছ ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি ও গুলি বর্ষণ করে দুইজনকে অপহরন করে নিয়ে যায়।

ওই সময় জসিম উদ্দিন নামের আরোহী পালিয়ে গিয়ে রক্ষা পায়। এরপর পরই ঘটনাটি প্রশাসনকে জানানো হলে ঈদগড় পুলিশ-বাইশারী পুলিশ ও এলাকাবাসী ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।

অপহৃত সাদ্দাম হোসেনের বড় ভাই ফোরকান আহমদ জানান, গত ৮ জুলাই অপহরনের বিষয় নিয়ে রামু থানায় একটি সাধারণ ডাইরি করেছেন।

তিনি আরও জানান, অপহরণকারীরা এখন বিভিন্ন অপরিচিত মোবাইল নম্বর থেকে ফোন করে মুক্তিপনের জন্য চাপ প্রয়োগ করে আসছে। তাদের চাহিদা মত মুক্তিপন না দিলে মেরে ফেলারও হুমকি প্রদান করছে সন্ত্রাসীরা। এ নিয়ে পরিবারে সদস্যরা চরম উদ্বেগ উৎকন্ঠায় দিনযাপন করছে।

এ বিষয়ে রামু থানার (ওসি তদন্ত) পরিদর্শক কবির হোসেনের নিকট মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অপহরনের পর থেকে কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে সন্ত্রাসীদের সম্ভাব্য স্থানে অপহৃতদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি বিজিবির টহল ও সাড়াশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও বলেন, অপহৃতদের উদ্ধারের জন্য চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, বাইশারী-ঈদগড়-ঈদগাঁও সড়কে অপহরন, মুক্তিপন, বানিজ্য নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাবের সাড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হলে অবশ্যই সন্ত্রাসীরা ধরা পড়বেন বলে মনে করেন তারা। এজন্য র‌্যাবের অভিযান জরুরী হয়ে পড়েছে।




৩’শ পরিবারের মাঝে ৫হাজার টাকা করে সহায়তা দেবে ইউএনডিপি

নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি:

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা ও ইউএনডিপি কর্তৃক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১২জুলাই) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদের সভা কক্ষে জুন/১৭ মাসের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এসএম সরওয়ার কামালের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. কামাল উদ্দিন।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হামিদা চৌধুরী, থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এএইচএম তৌহিদ কবির, হাজী এমএ কালাম ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ও.আ.ম রফিকুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগ যুগ্ম আহ্বায়ক আবু তাহের কোম্পানী, সদস্য সচিব মো. ইমরান মেম্বার, নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউপি চেয়ারম্যান তসলিম ইকবাল চৌধুরী, বাইশারী ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলম, দোছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্জ্ব মো. হাবিব উল্লাহ, সোনাইছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান বাহান মার্মা, ঘুমধুম ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ্জ্ব রাজা মিয়া, প্রেসক্লাব সভাপতি শামীম ইকবাল চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আবুল বশর নয়ন।

আইন শৃঙ্খলা সভায় নাইক্ষ্যংছড়ি খাল খনন করে বন্যার পানি প্রতিরোধ, ধুংরী হেডম্যান পাড়ায় খালের পাশে গাইড ওয়াল নির্মাণ, দোছড়ি ইউনিয়নে এলজিইডির চলাচল অনুপযোগী সড়কে যাত্রী ভোগান্তি, ইয়াবা পাচার ও সেবন প্রতিরোধ এবং বন্যায় প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করণের বিষয়ে বিষদ আলোচনা হয়।

সভায় প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ড. আতিউর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা. মোশারফ হোসেন, কৃষি কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান, উপজেলা শিক্ষা অফিসার আবু আহাম্মেদ, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী শাহ আজিজ, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা দ্বিতীয়ময় চাকমা, ৩১ বিজিবি প্রতিনিধি সুবেদার খোরশেদ আলমসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে আইন শৃঙ্খলা সভার পূর্বে ইউএনডিপি কর্তৃক মোরা’য় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা যাচাই বাছাই ও চূড়ান্তকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এসআইডি, সিএইচটি, সিএইচটিডিএফ, ইউএনডিপি’র সহযোগিতায় ও উপজেলা পরিষদের আয়োজনে কর্মশালায় পাঁচ ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্তদের ৩’শ জনের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম সরওয়ার কামালের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন ভারপ্রাপ্ত উপজেলা চেয়ারম্যান মো. কামাল উদ্দিন।

ইউএনডিপির মো. নাজিম উদ্দিনের পরিচালনায় কর্মশালায় বান্দরবান জেলা ব্যবস্থাপক খুশি রায় ত্রিপুরা জানান, ঘূর্ণিঝড় মোরায় ৩’শ ক্ষতিগ্রস্তের মাঝে প্রতিজনকে ৫হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেবে ইউএনডিপি। এ সহায়তা প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরাই পাবে এমনটি আশা করেন তিনি।




 নাইক্ষ্যংছড়িতে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণের শিকার

নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি:

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার চাকঢালা হামিদিয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ুয়া পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বুধবার (১২জুলাই) নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় ধর্ষক ও সহযোগীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছেন ভিকটিমের বাবা।

ভিকটিমের পিতা মো. শাহজাহান সাংবাদিকদের জানান, ঘটনার দিন রমজানের শেষ শুক্রবার তিনি জুমার নামাজ আদায় করতে যান এবং তার স্ত্রী বাড়ির জন্য পানি আনতে গেলে স্থানীয় সৈয়দ আমিনের ছেলে লম্পট আহমদ কবির তার মেয়েকে জোর করে পাশের একটি পাহাড়ে নিয়ে ধর্ষণ করে। ‘এক পর্যায়ে মেয়ে রক্তাক্ত জখম হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়লে ধর্ষক ও সহযোগীরা পালিয়ে যায়। পরে প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় মেয়েকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়। ঘটনার পর থেকে ধর্ষণে সহযোগিতাকারী মো. হোছন, সৈয়দ আলম তার পরিবারের সদস্যদের খুন করার হুমকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এএইচএম তৌহিদ কবির ছাত্রীর বাবার এজাহারের বরাত দিয়ে জানান, আহমদ কবির (২২) নামে ওই যুবক শিশুকন্যাটিকে তুলে নিয়ে গিয়ে পাশের পাহাড়ে কোনো এক স্থানে ধর্ষণ করে।

ওসি আরও জানান, চিকিৎসা শেষে ভিকটিমের বাবার অভিযোগ পেয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ৯(১) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে (মামলা নং-৭) এবং দোষীদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলছে।