থানচিতে বিশ্ব খাদ্য দিবস পালিত

থানচি প্রতিনিধি:

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কারিতাস খাদ্য নিরাপত্তা প্রকল্পের উদ্যোগের  থানচিতে বিশ্ব খাদ্য দিবস পালিত হলো ।

‘‘অভিবাসনের ভবিষ্যৎ বদলে দাও, খাদ্য নিরাপত্তা ও গ্রামীন উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়াও” এই শ্লোগান নিয়ে  সোমবার সকাল ৯টায়  থানচি বাজার ও আশেপাশের এলাকায় এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও জনসেবা কেন্দ্র ( গোলঘর)’র এক আলোচনা সভা আয়োজন করেন।

সভায় কারিতাসের খাদ্য নিরাপত্তা প্রকল্পের মাঠ কর্মকর্তা রতন জ্যোতি চাকমা সভাপতিত্ব করেন। থানচি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূর মোহাম্মদ প্রধান অতিথি, এছাড়াও অফিসার ইনচার্জ মো. জামাল হোসেন, কৃষি সম্প্রসারণ দপ্তরের সহকারি প্রধান মোহাম্মদ ইদ্রিস, উপ-সহকারি কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ দাশ গুপ্ত প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।




বান্দরবানের থানচিতে জাতীয় কন্যা শিশু দিবস পালিত


থানচি প্রতিনিধি:
জাতীয় কন্যা শিশু দিবস পালিত হলো বান্দরবানের থানচিতে । উপজেলা প্রশাসনে আয়োজনে থানচি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মিলনাতয়নে শুক্রবার সকাল ১১টায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এবারে প্রতিপাধ্য  ‘‘কন্যা শিশুর জাগরণ, আনবে দেশে উন্নয়ন’’ শীর্ষক আলোচনা সভায়  উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্ব করেন।  সভায়  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান ক্যহ্লাচিং মার্মা, বিশেষ অতিথি ভাইস চেয়ারম্যান চসাথোয়াই মার্মা, মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ে অফিস সহকারী ইমরান হোসেন।  অফিসার ইনচার্জ (ভারপ্রাপ্ত) এস আই মো. মনির হোসেন, উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক আবু শাহাদাত হোসেন ।

বক্তারা বলেন, নারী পুরুষ বৈষম্য নয় একে অপরে সম্পূরক রেখে সমাজের সকলকে এক যোগে কাজ করার আহবান ।




থানচিতে বাল্য বিবাহ রোধে মানববন্ধন

থানচি প্রতিনিধি:

উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে থানচিতে বাল্য বিবাহ রোধে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

‘‘বাল্য বিবাহ রোধ করি সবাই সুখের সমাজ গড়ি’’ এই শ্লোগান নিয়ে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে সকাল ১০ টায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অংশ গ্রহণ করেন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী ও উপজেলা চেয়ারম্যান ক্যহ্লাচিং মারমা, নির্বাহী অফিসার জাহাঙ্গীর আলম, ভাইস চেয়ারম্যান চসাথোয়াই মারমা, ওসি মোহাম্মদ আবদুর সাত্তার, সহকারি শিক্ষক শাহাদাত হোসেন, প্রেসক্লাবের সভাপতি অনুপম মারমা, সংরক্ষিত ইউপি মেম্বার ডলিচিং মারমা, নুচিংপ্রু মারমা, ইচ্ছামতি ত্রিপুরা, মহিলা ও শিশু বিষয়ক দপ্তরের অফিস সহকারী ইমরান হোসেন প্রমুখ।




থানচিতে পর্যটন শিল্প বিকাশে নানা উদ্যোগ প্রশাসনে


থানচি প্রতিনিধি:
পর্যটন সম্ভাবনাময় উপজেলা হিসেবে খ্যাত বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলায় ২০১৭ সালকে ঘিরে পর্যটন শিল্পকে উন্নয়ন ও সম্প্রসারণসহ নানানভাবে উদ্যাগ গ্রহণ করা হয়েছে উপজেলা প্রশাসনে । উপজেলার নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন পদোন্নতি পেয়ে সচিবালয়ের বদলী হয় । মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন এর অসমাপ্ত কাজকে সমাপ্তকরণে উদ্যোগ নেন তার স্থলে ২০১৬ সালে জুলাই মাসে যোগদান কারী মোহাম্মদ জাহাঙ্গির আলম । তিনি পর্যটন শিল্প বিকাশে নানা উদ্যোগসহ সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে জনসাধারনের অনেক প্রশংসা পেয়েছেন।

প্রশাসনিক সূত্রে জানা যায়, বান্দরবান জেলা প্রশাসক দিলিপ কুমার বণিক এর সর্বাধিক সহযোগিতায় জীবন নগরের একটি পর্যটন স্পটে রেষ্ট হাউজসহ বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে নীল দিগন্ত নির্মাণ ,থানচি সদরের পর্যটন সেবা তথ্য সেবা কেন্দ্র স্থাপন, তারই পাশ্বে সাংগু সেতু নিচে বিনোদনের জন্য পাকা ইটের তৈরী দুইটি করে টেবিল ও ৪টি করে চেয়ার এবং টুল তৈরী করে দেয়া হয়েছে । নাফাখুম পর্যটন কেন্দ্রে ১টি, বড় পাথরে একটি বিশ্রাম কেন্দ্র ইতিমধ্যে নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে ।

সাংবাদিকদের উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহাঙ্গির আলম বলেছেন, সরকারের এসডিজি ১০ এর আওতায় ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নের নিরলসভাবে কাজ করছি । আগামিতে সরকারিভাবে বরাদ্দ পেলে থানচি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বিনোদন কেন্দ্রগুলিতে পর্যটন শিল্প বিকাশে আপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো পরিকল্পনা রয়েছে ।

জেলা প্রশাসক ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুরের সহযোগীতায় আমরা পিছিয়ে পড়া থানচিকে একটি আধুনিকায়ন ও মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাবো।




থানচিতে পর্যটন শিল্প বিকাশে নানা উদ্যোগ প্রশাসনের

থানচি প্রতিনিধি:

পর্যটন সম্ভাবনাময় উপজেলা হিসেবে খ্যাত বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলা ২০১৭ সালকে ঘিরে পর্যটন শিল্পকে উন্নয়ন সম্প্রসারণসহ নানা রকম উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন পদোন্নতি হয়ে সচিবালয়েরবদলী হলে মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন এর অসমাপ্ত কাজকে সমাপ্ত করণে উদ্যোগ নেন তার স্থলে ২০১৬ সালে জুলাই মাসে যোগদানকৃত মোহাম্মদ জাহাঙ্গির আলম।

তিনি পর্যটন শিল্প বিকাশে নানা উদ্যোগসহ সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের জন্য জনসাধারণের অনেক প্রশংসা পেয়েছেন।

প্রশাসনিক সূত্রে জানা যায়, বান্দরবান জেলা প্রশাসক দিলিপ কুমার বণিক এর সর্বাত্মক সহযোগীতায় জীবন নগরের একটি পর্যটন স্পটে রেষ্ট হাউজ সহ বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে নীল দিগন্ত নির্মাণ, থানচি সদরের পর্যটন সেবা ও তথ্য সেবা কেন্দ্র স্থাপন, তারই পাশে সাংগু সেতুর নিচে বিনোদনের জন্য পাকা ইটের তৈরী দুইটি করে টেবিল ও ৪টি করে চেয়ার এবং টুল তৈরী করা হয়েছে।

নাফাখুম পর্যটন কেন্দ্রে ১টি, বড় পাথরে একটি বিশ্রাম কেন্দ্র ইতিমধ্যে নির্মাণ করে করা হয়েছে।

সাংবাদিকদের উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহাঙ্গির আলম বলেছেন, সরকারের এসডিজি ১০ এর আওতায় ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করছি। আগামীতে সরকারিভাবে বরাদ্দ পেলে থানচি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বিনোদন কেন্দ্রগুলিতে পর্যটন শিল্প বিকাশে অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

মাননীয় জেলা প্রশাসক ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুরের সহযোগীতায় আমরা পিছিয়ে পড়া থানচিকে একটি আধুনিক ও মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাবো।




থানচিতে ফুটবল টুর্নামেন্টে নাইন্দারী পাড়া চ্যাম্পিয়ন

থানচি প্রতিনিধি:

মাহা ওয়াগ্যোয়াই পোয়েঃ (প্রবারনা ) উপলক্ষ্যে যুব সমাজের উদ্যোগে এক প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট  থানচি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয় ।

বুধবার (৪ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় সমাপনী খেলায় নাইন্দারীপাড়া একাদশ বনাম চথোয়াই পাড়া একাদশ মধ্যে ফাইনালে চথোয়াই পাড়া একাদশকে ৩ -২ গোলে  হারিয়ে নাইন্দারী পাড়া একাদশ চ্যাম্পিয়ন ও চথোয়াই পাড়া একাদশ রানার্স আপ হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদে ভাইস চেয়ারম্যান চসাথোয়াই মারমা, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  প্রেসক্লাবের সভাপতি অনুপম মারমা, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, ওয়ার্ড মেম্বার নাইসিংচিং মারমা, তোয়ার দির বম, চাইসিংউ মারমা, মহিলা মেম্বার ডলিচিং মারমা, আয়োজক কমিটির সভাপতি মংছোরী মারমা প্রমূখ।

খেলা শেষে অতিথিরা চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ দলকে  পুরস্কার তুলে দেন।




সরকারের নানামুখী উন্নয়নে বাধা, থানচিতে একই পদে বহাল তবিয়তে রোকন মিয়া

থানচি প্রতিনিধি (ফলোআপ):

থানচিতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে  (এলজিইডি) কার্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী  মোহাম্মদ রোকন মিয়া একই পদে বহাল তবিয়তে রয়েছে। ২৪ বছর ধরে একই পদে থেকে নানা অনিয়ম দুর্নিতি, জালিয়তিসহ অপকর্মের সাথে জড়িত থেকে গডফাদারের পরিনত হয়েছে সে।

তার অপকর্ম ঢাকা দিতে যোগ হয়েছে উপজেলা  বিভিন্ন স্তরের  জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, প্রশাসনে লোকজন ও প্রভাবশালীরাও।

তার অপকর্মের বিষয়ে জাতীয় পত্রিকাসহ পার্বত্য অঞ্চলে জনপ্রিয় অনলাইন পার্বত্য নিউজ.কমে প্রকাশিত হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করছে না । স্থানীয় জনসাধারনের প্রশ্ন, একজন সরকারি কর্মচারী এইসব অপকর্ম কিভাবে করতে পারে! দেশেকি আইন বলে কিছু আছে! তার অপকর্মের কারণে সরকারের নানামুখী উন্নয়ন মূলক কাজ বাস্তবায়নে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেচ্ছে, বৃহত্তর ময়মনসিংহে হোসেনপুর উপজেলা সুরাটি গ্রামে মৃত সিরাজুল হকে বড় ছেলে  মো. রোকন মিয়া, সে ১৯৮১সালে ৩০ শে মার্চ পল্লী পূর্ত কর্মসূচীতে এমএলএসএস পদে যোগদান করে থানচিতে। পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালে ১ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (প্রশাসন) স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, সদর দপ্তর এলজিইডি/সি/ই-০৬/৮৭(অংশ-১)/৪১৩৫/১(৪)স্বারকের ১০ই জুলাই ১৯৯৩ সালে এমএলএসএস পদ হতে পদোন্নতি দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্র্র্তৃপক্ষ  ইলেকট্রিকশিয়ান পদে চলতি দায়িত্বে প্রদান করে।

সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা, ১৯৭৯ এর বিধির ১৭ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারী সরকারের পূর্বানুমোদন ব্যতিরেকে সরকারি কর্য ব্যতীত অন্য কোনো ব্যবসায়ে জড়িত হতে অথবা অন্য কোনো চাকরি বা কর্য গ্রহণ করতে পারবেন না। সূত্র জানায়, এসব বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কারও বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (আপিল ও শৃঙ্খলা) বিধিমালা ১৯৮৫- এর অধীনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সরকারী চাকরীর সূত্রে পরিচয় বান্দরবানের থানচি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি)’র রোকন মিয়া। কিন্তু স্থানীয় ঠিকাদার থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের কাছে তার পরিচয় কোটিপতি ঠিকাদার। থানচি উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে বার্ষিক উন্নয়ন তহবিল (এডিপি) ও পিআইসি প্রকল্পের টেন্ডার নিয়ন্ত্রন, ঠিকাদার নিয়োগের লবিং, দপ্তরিক গোপনীয় ফাইল চিঠি পত্র সই- স্বাক্ষর ও জনগুরুত্বপূর্ণ কাজে অন্যান্য প্রশাসনিক কর্তাদের সাথে যোগাযোগের একমাত্র ঠিকানা ও ভরসাস্থল যেন  রোকন মিয়া।

জানা গেছে, এলাকায় স্থানীয়দের মাঝে তিনি পরিচিত এলজিইডি’র প্রধান কর্তা, অন্যদিকে নিজেই ঠিকাদার কাজ করার কারনে কোটিপতি ঠিকাদার নামে বেশ সুপরিচিত লাভ তিনি। থানচি উপজেলার অধিকাংশ কাজ তিনি নামে-বেনামে বাঘিয়ে নিয়ে কাজ করেন নিজেই। অন্যদিকে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা ব্যবসায়িক অংশিদার। এরই সুবাদে তার নামে- বেনামে দেশের বিভিন্ন স্থানে স্থাবর-অস্থাবর কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি তার।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৭ সালে মোহাম্মদ রোকন মিয়া থানচি উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে ৪র্থ শ্রেণীর ইলেক্ট্রিশিয়ান পদে যোগদান করে। স্বাধীনতার পর থেকে বিদ্যুৎ পৌছেনি থানচিতে । ফলে সরকারি  ভাবে উপজেলা ইকেক্ট্রিশিয়ান পদ থাকলেও এই পদের কোন কাজ তার নেই।

থানচির তিন্দু ইউনিয়নের মেম্বার ক্রানিংঅং মারমা  বলেন, রোকন মিয়া আমাদের এখানে ঠিকাদারি অনেক কাজ করেছে, সে তো ঠিকাদার, সরকারী চাকরীও করে নাকি? ঠিকাদারদের অভিযোগ, বার্ষিক উন্নয়ন তহবিল (এডিপি) ও পিআইসি প্রকল্পের অধিকাংশ উন্নয়ন কাজ টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি অন্তত ২টি জাতীয় দৈনিক প্রকাশের নির্দেশনা থাকলেও প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করে টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই কাজ গুলো হাতিয়ে নেন তিনি।

সর্বশেষ ২০১৬-১৭ অর্থ সালে ৩য় ধাপের থানচি উপজেলা ক্যচু পাড়া ও তিন্দু গ্রোপিং পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২টি কাজে ৬৪ লক্ষ করে ১ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা কাজে  হাতিয়ে নিয়ে তিনি নিজেই ঠিকাদারী কাজ করছেন । সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ,তদারকি কর্মকর্তা সহকারী প্রকৌশলী মো. জাকের মিয়া যোগসাজসে কারনে ওই দুইটি বিদ্যালয়ে স্থানীয় ময়লা অবর্জনা বালি, তাকশিলা পাথর, নিন্মমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করেই আসছে বলে এলাকাবাসীদের অভিযোগ রয়েছে ।

ক্যচু পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এসএমসি কমিটি সভাপতি হ্লামংউ মারমা ও সহ সভাপতি প্রেম রজ্ঞন চাকমাকে নিন্মমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারে বাধা দিলে তাদের দুইজনকে রাতে আধারে উপর্যুপরি মার ধর করেছে ।

২০০৩-০৪ সালে বলিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণ, ২০০৯-১০ সালে প্রথমবারের ২ কোটি ১০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে বিভিন্ন উপায়ে রেমাক্রী,তিন্দু ও থানচি সদর ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণ কাজ বিভিন্ন উপায়ে হাতিয়ে নেন।

২০১৪ সালে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী এসব এলাকা পরির্দশণ করলে ভবনগুলো নিম্মমানের হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

এই ব্যাপারে থানচি এলজিইডি’র কর্মচারী রোকন মিয়া বলেন, আমি টানা  ৩৪ বছর যাবৎ এভাবে ঠিকাদারী কাজ করে আসছি। তা ছাড়া আমার অফিসের কোন কাজ নেই, আমার  চাকরীর ৩ বছর আছে মাত্র । নিউজ না করার জন্য অনুরোধ করছি, তবে নিউজ হলেই ও আমার কোন অসুবিধা আল্লাহ রহমতে করতে পারবেনা কেউ। আমি থানচির সকল প্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা ও প্রশাসনের অফিসগুলিতে ম্যানেজ করে রেখেছি ।

জানা গেছে, নিম্মমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের চিত্র গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে সংশ্লিষ্ট বিভাগের উচ্চ  প্রর্যায়ে ৮ বছরে ৮বার তদন্ত করেছেন। রোকন মিয়া বা পরিবারের নামে ঠিকাদারী লাইসেন্স না থাকলেও অন্যজনের নামে কাজ নিয়ন্ত্রন করে ঠিকাদারী কাজ করেন তিনি। ফলে স্থানীয় ঠিকাদাররা কোন প্রকল্পে কাজ না পাওয়ার অসন্তোষ বিরাজ করছে ঠিকাদারদের মধ্যে।

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানায়, থানচির কর্মস্থলে টানা ৩০ বছর কর্মরত থাকার কারনে তিনি বিভিন্ন ঠিকাদারি কাজ করেন। তিনটি ইউপি ভবন ছাড়াও থানচি বাজার থেকে জিনিংঅং পাড়া রাস্তায় শাহজাহান ঝিঁড়িতে সেতু নির্মাণ, অফিসার ক্লাব নির্মাণ, বর্তমানে অস্তিত্বহীন, কর্মচারীদের কোয়াটার নির্মাণ, ডরমেটরি ভবন সংস্কার, জনসেবা কেন্দ্র  (গোলঘর) নির্মাণ, রেমাক্রী বাজার সরকারি প্রথামিক বিদ্যালয় ভবন, জ্ঞানলাল পাড়া ঝুলন্ত ব্রীজ নির্মাণ, সেগুম ঝিঁড়িতে ঝুলন্ত ব্রীজ নির্মাণ, বর্তমানে বিলুপ্ত, দলিয়ান পাড়া স্কুল ভবন নির্মাণ, কর্মচারী ক্লাব ঘর নির্মাণ, রেমাক্রী বাজার সিঁড়ি নির্মাণ, বলিপাড়া হাই স্কুল ভবন সংস্কার, রেমাক্রী ইউপি ভবন নির্মাণ, ৪টা পিআইও ব্রীজসহ ৪ শতাধিক প্রকল্পের অধিকাংশই নির্মাণ কাজে নিম্মমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করেন ঠিকাদার তথা এলজিডি’র কর্মচারী রোকন মিয়া।

এই ব্যাপারে সরকারি ইঞ্জিনিয়ার ( ভারপ্রাপ্ত ) মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন ভূঁঞা বলেন, অনেকে সরকারি চাকুরী ছাড়াও বিভিন্ন ব্যাবসা করে রোকন মিয়া ও করতেছে, আমার অসুবিধা হয়না । তবে আমি নিরুপায়,  পুরোনো কর্মচারী বলে তাকে একটু বেশি কাজে ব্যবহার করি।

এদিকে স্থানীয়রা মনে করছে, এই ব্যাপারে তদন্ত পূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে সরকারী অন্য কর্মচারীরাও নিজের কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন না করে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িয়ে যাবে।




থানচিতে কলার বাম্পার ফলন

থানচি প্রতিনিধি:

বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলায় ব্যাপক উৎপাদিত ও বাম্পার ফলন হচ্ছে কলার । থানচির উপজেলা বিভিন্ন জাতের উৎপাদিত কলা এখন দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি হচ্ছে। প্রতিদিনই থানচি বাজারে দূর-দূরান্ত থেকে কলা বিক্রি করতে আসেন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কৃষকরা। সপ্তাহে চার দিন থানচি বাজারে,  রবি ও বুধ বার বলিপাড়া বাজারে ও শনি-মঙ্গল  দুই বাজার পরিণত হয় কলার হাটে।

সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন স্থান থেকে কলা আসতে থাকে থানচি বাজারে। এখান থেকেই বান্দরবান, সাতকানিয়া, দোহাজারি, আমিরাবাদ, পটিয়া, কক্সবাজার এবং চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা কৃষকদের কাছ থেকে পাইকারি হিসেবে কম দামে কলা ক্রয় করেন। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল হতে ব্যবসায়ীরা তাদের ক্রয় করা কলা সন্ধ্যায় ট্রাক ও পিকআপে করে নিয়ে যায় চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে । হাট-বাজারের দিনের কম হলেও ৫-৬ ট্রাক ও পিকআপে করে কলা কিনে নিয়ে যান ব্যবসায়ীরা।

বাজারে কলা নিয়ে বসার জন্য কৃষকদের ছড়াপ্রতি ট্যাক্স দিতে হয় ২ টাকা। এছাড়াও কলা দিয়ে যাওয়ার সময় ব্যবসায়ীদের ও আরেক দফায় টোল দিতে হয় । উপজেলার বড় বদক, রেমাক্রী, তিন্দু, নারিকেল পাড়া, ছান্দাক পাড়া, জিনিঅং পাড়া, আরো অনেক পাশ্ববর্তী পাড়া থেকে কলা বিক্রি করতে নিয়ে আসেন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কৃষকেরা। উৎপাদিত কলা ছেয়ে গেছে থানচির ও বলিপাড়া বাজার।

উপজেলা কৃষি বিভাগের মতে, চলতি মৌসুমে থানচি উপজেলায় ৪ হাজার হেক্টর জমিতে তিন হাজার পাঁচশত কৃষক কলা চাষ করছে । লক্ষ্যমাত্রা চেয়েও এ বছরে দ্ধিগুন কলা চাষ হয়েছে  এবার থানচি উপজেলা ব্যাপী কলা বাম্পা ফলন হয়েছে । খিবুরী পাড়া কলা চাষী খিবুরী মারমা জানান, কম খরচে কলা চাষ করে অধিক লাভবান হওয়া যায়, ব্যাপক করা চাহিদা থাকায় বিক্রি ক্ষেত্রে কোন সমস্যা হয় না তবে এবারে একটু দর কম পাচ্ছি । বড় মদকের কলা চাষী রেংতং ম্রো জানান,কলা বাম্পা ফলন হলেও যোগাযোগের অসুবিধার কারণে নায্য মূল্য পচ্ছে না তারা । পালাকওয়া ম্রো জানালেন, রেমাক্রী ইউনিয়ন পর্যন্ত সড়ক যোগাযোগ হলে  আমাদের স্বাবলম্বী হওয়া থেকে কেউ ঠেকাতে পারবেনা।

কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সত্যজিত দাশ বলেন, এ অঞ্চলে মাটি এবং আবাহওয়া কলা চাষের জন্য অত্যন্ত  উপযোগী। বহু জাতে কলা উৎপাদন হলেও থানচিতে মূলত বাংলা,চম্পা ও অনাদি কলার উৎপাদন বেশী।




থানচিতে সোনালী ব্যাংক থেকে বয়স্কভাতাভোগীদের কার্ড ফেরত দেয়া হয়নি

 

থানচি প্রতিনিধি:

থানচিতে সোনালী ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক ও কর্মচারীদের নানা অনিয়ম দুর্নীতি, ক্ষমতা অপব্যবহারের অভিযোগ। অফিসে চেয়ারে পা তুলে ধুমপান করা, বিভিন্ন পেশা গ্রাহকদের হয়রানি অস্রাব্য ভাষা ব্যবহার বয়স্কভাতা ভোগীরা টাকা গ্রহণের পর ভাতাকার্ড ফেরত না দেয়া। ব্যাংকের জমা রাখা ও প্রত্যক ভাতা ভোগীদের নমিনি সঠিক নয় অজুহাতে কমিশন নেয়া ও এনজিও স্কুল ও রক্স স্কুলের শিক্ষকদের নিকট কমিশন রাখাসহ নানা দুর্নীতি অনিয়মের কারণে বিভিন্ন শ্রেণির পেশাজীবী গ্রাহক সীমাহীণ দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

জানা যায়, ২০১৭ সালে জানুয়ারি হতে জুন, ৬ মাস যাবৎ থানচি উপজেলা ৯১২জনকে ৫ শত টাকা করে ৩ হাজার টাকা ভাতাভোগীদের নিজস্ব একাউন্ট হতে খোলা চেক মাধ্যমে উক্তোলন করার নিয়ম রয়েছে। গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে সোনালী ব্যাংক থানচি থেকে ভাতাভোগীদের একাউন্ট হতে উত্তোলনের সময় সোনালী ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক গিয়াস উদ্দিন অফিসে চেয়ারে পা তুলে ধুমপান করে। নমিনিদের  স্বাক্ষর, ছবি সঠিক নেই বলে বিভিন্ন অজুহাতে নির্ধারিত ভাতা হতে ৫০ টাকা থেকে ১০০ টাকা কমিশন বলে কেটে রেখে দেয়। সাথে বয়স্কভাতা কার্ড ফেরত দেয়া হয় না। কয়েকজন ভাতাভোগী কার্ড ফেরত না দেয়ার কারণ জানতে চাইলে এমপি সাহেবের অডার রয়েছে কার্ড ব্যাংকে জমা রাখা জন্য।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বড় মদকের কয়েকজন ভাতাভোগী জানান, আমাদের নিকট থেকে ১০০ টাকা কেটে রেখে কার্ড ফেরত দিলনা আমরা আগামীবারে কিভাবে টাকা উত্তোলন করব, সরকার কি আমাদের ভাতা দেবে না। জানিনা আমাদের কপালে কি আছে।

জানতে চাইলে সোনালী ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক গিয়াস উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, আপনারা এসে দেখেন এখানে হাসপাতালের ডাক্তার মংটিংঞো রয়েছে,তাকে মুঠো ফোন ধরিয়ে দিলেন শাখা ব্যবস্থাপক। মংটিঞো সাথে কথা বলার পর গিয়াস উদ্দিন জানালেন, মৌখিক ভাবে আমাকে আদেশ দিয়েছে সমাজ সেবা অফিসার তাই অফিসারের নির্দেশক্রমে কাজ করছি ভাতাভোগী কার্ড এবং টাকার কথা স্বীকার করে বলেন, ব্যাংকে রাখার নিয়ম নেই তবে আমরা নিয়ে থাকি সাংবাদিকরা কি করবেন করেন।

জানতে চাইলে উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার অজিত রায় জানান , ভাতাভোগীদের কার্ড জমা নেয়ার কথা সোনালী ব্যাংক শাখা ব্যবস্থাপককে মৌখিক বা লিখিত বলা হয়নি। ঘটনা সত্য হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া জরুরী।




থানচি বাসীর চাহিদা পূরণ ও উন্নয়নে অভাবনীয় পরিবর্তন

 

থানচি প্রতিনিধি:

বান্দরবানে থানচিতে সরকারের সাফল্য সাথে উন্নয়নে জনমানুষের জীবন যাত্রারমান অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন ঘটেছে। ১/১১এর পরবর্তীতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বান্দরবান আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান সাংসদ বীর বাহাদুর (উশৈসিং) সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছিলেন ৫ম বারের মত  নৌকায় ভোট দিয়ে  আমাকে জয়যুক্ত করা হলে থানচি থেকে প্রথম উন্নয়ন শুরু করব।

প্রত্যন্ত অঞ্চলকে আধুনিক ধারায় উন্নয়নের জোওয়ারে পরিবর্তণ ঘটানো প্রতিশ্রুতি দেন। থানচির সর্বস্তরে জনগণ ৫ম  বারের মত নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে বীর বহাদুর(উশৈসিং)কে  জয়যুক্ত করেন। এরই ধারাবাহিকতায় পার্বত্য উন্নয়ন বোর্ডে  চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পান তিনি। বিগত সাড়ে আট বছরে সফলতার সাথে যোগাযোগ, শিক্ষা, সংস্কৃতি, পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সেবা সহ ব্যাপক উন্নয়ন করতে স্বক্ষম ও সাফল্য হয়েছে। গৌরবময় সাথে সাংগু নদীর উপর সেতু নির্মাণে স্বক্ষম হয়েছে।  সাধারণ লোকজনের জীবনযাত্রায় নতুন এক গতি বৃদ্ধি পাচ্ছে আর দেশ-বিদেশ পর্যটকরাও দেখার সুযোগ মিলছে আকর্ষণীয় বিশাল রহস্যময় অপূর্ব প্রকৃতি পরিবেশ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সেনাবাহিনী কর্তৃক সাড়ে ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০১২ সালে ১৭ নভেম্বর শঙ্খ নদীর উপর নির্মিত সেতু প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করে জনসাধারনের জন্য উন্মুক্ত করেন। পর্যাক্রমে পার্বত্য উন্নয়ন বোর্ড অর্থায়নে থানচি রেমাক্রী তিন্দু ইউনিয়ন পরিষদ ভবন ও ইউনিয়ন পরিষদে রেস্ট হাউজ নির্মাণে ব্যয় হয়েছিল ৫ কোটি টাকা, থানচি উচ্চ বিদ্যালয়কে সরকারি করণ, এসএসসি ও জেএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপন, থানচি ১২০ কোটি টাকা ব্যয়ের আলিকদম সড়ক নির্মাণ, ১০ লক্ষ টাকা ব্যয়ের রেমাক্রী ইউনিয়নের একটি হাই স্কুল ভবন নির্মাণ ও স্থাপন, বলিপাড়া ইউনিয়নে জুনিয়র স্কুলকে হাইস্কুল উন্নিতকরণ, ২৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ের আইল মারা পাড়া  বৌদ্ধ মন্দিরে অনাথ শিশুদের বাসস্থান নির্মাণ, অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের ছোট ছোট ব্রীজ কালভার্ট, ২ কোটি টাকা ব্যয়ের থানচি বলিপাড়া রাস্তা নির্মাণ, ১ কোটি টাকা ব্যয়ের  থানচি রুমা বগালেক সংযোগ সড়ক নির্মাণ, রবি ও টেলিটক নেটওয়ার্ক স্থাপন, কোমল মতি শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসিক ছাত্রাবাস নির্মাণসহ  অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেন ।

তাছাড়া ২০১৪ সালে নির্বাচনের পরবর্তীতে পাবর্ত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী পদে দায়িত্ব গ্রহনের পর ১২ কোটি টাকা ব্যয়ের বিদ্যুতায়ন করে থানচিকে আলোকিত করেছে,  প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪ তলা বিশিষ্ট উপজেলা পরিষদ ভবন নির্মাণ, দেড় কোটি টাকা ব্যয়ের ফাইয়ার সার্ভিস ভবন নির্মাণ, শিক্ষা ক্ষেত্রে উচ্চ শিক্ষা লাভের কলেজ স্থাপন, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বাস ভবন নির্মাণ, পরিত্যক্ত উপজেলা চেয়ারম্যানের ভবন পূনঃ নির্মাণ, সরকারি কর্মকর্তাদের সুবিধার্থে একটি পূর্নাঙ্গন রেস্ট হাউজ নির্মাণ, থানচি হতে ছাংদাক পাড়া রাস্তা নির্মাণ, সেগুম ঝিড়িতে সেতু নির্মাণ, বলিপাড়া আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বাশৈচিং হেডম্যান এর ঝিড়িতে মৎস্য চাষের জন্য পুকুর খনন, শাহজাহান পাড়া বেসরকারি প্রাথমিক ও বড় মদক বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারি করণসহ অসংখ্য কাজ করেছেন।

অপর দিকে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের মাধ্যমে ২০১০ সালে বার্ষিক উন্নয়ন তহবিল (এডিপি) আওতায় স্থানীয় এমপি প্রতিনিধি ও সিংগাফা মৌজা হেডম্যান এর তত্ত্বাবধানের ৩৬১নং থাইক্ষ্যং মৌজায় হত দরিদ্র ২০ পরিবারকে ১ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রতিজনের ৫ একর জমিতে ফলদ ও রাবার বাগান প্রকল্প বাস্তবায়ন, একইভাবে ১ কোটি টাকা ব্যয়ের ৩৬৯নং সিংগাফা মৌজায় ২০ হতদরিদ্র ২০ পরিবারের মাঝে বিনা মূল্যে ৫ একর জমিতে ফলদ ও রাবার বাগান প্রকল্প বাস্তবায়নে মাধ্যমে হত দরিদ্র ৪০ পরিবার ফলদ রাবার বাগানের উৎপাদিত রাবার বাজার জাত করনের মাধ্যমে বর্তমানে স্বাবলম্বি পর্যায়ের চলে আসছে। ৮ লক্ষ ৫ হাজার টাকা ব্যয়ের ডিম পাহাড়ে চার কক্ষ বিশিষ্ট রেস্ট হাউজ নির্মাণ করা হয়েছে।

থানচি হেডম্যান পাড়া নিবাসীগণ বিশ্ব বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে ৩য় বর্ষে শিক্ষার্থী হ্লামংউ মারমা, আহ্সান উল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের ২য় বর্ষে শিক্ষার্থী উওয়াংশৈ মারমা এর মতামত জানতে চাইলে জানান, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি জনমানুষের অন্তরে প্রবেশের মাধ্যমে  না চেয়ে থানচিবাসীদের চাহিদা পূরণ করে দিতে সক্ষম হয়েছে, যা মানুষের নিত্যদিনে প্রয়োজন ছিল। বীর বাহাদুরের দীর্ঘায়ু ও শান্তির কামনা করেন তারা।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি বিভাগের ১ম বর্ষে শিক্ষার্থী অংসিং মারমা, জাহাঙ্গির নগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী উসাইনশৈ মারমা মতামতে জানান, তিনি (বীর বাহাদুর) সততার ন্যায় নিতিকে আমরা সেলুট জানাই, তিনি প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে রক্ষা ও পালন করেছেন। থানচি উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম ও সাবেক সভাপতি অংশৈথুই মারমা বলেন, তিনি দক্ষতার সাথে বান্দরবানে সাংবাদিকদের জন্য কল্যাণ তহবিল করেছেন, তিনি সাংবাদিক বান্ধব থানচি, রুমা, রোয়াংছড়ি উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের জন্য একটি প্রেসক্লাব ভবন নির্মাণে অবশ্যই হাতে নিবেন তিনি।

এই প্রতিবেদক এর নিকট মতামত ব্যক্ত করেন রেমাক্রী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মালিরাং ত্রিপুরা  বলেন, স্বাধীনতা ৪৬ বছরে তা দেখা যায়নি তা দেখছি খুবই প্রশংসা যুগিয়েছেন তিনি। আমাদের চাহিদা আর নেই তবে  উপজেলা সদর থেকে বড় মধক পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ করা হলে আমাদের সর্বশেষ চাহিদা হয়ে থাকবে। তিন্দু

ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শিগরাং ত্রিপুরা জানান, ২০টি ইউএনডিপি পরিচালিত কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালকে জাতীয় করণ করা হয়েছে যা আমরা আশা করেনি তা প্রতিফলন হয়েছে। আগামী জাতীয় নির্বাচনের আমাদের ইউনিয়ন থেকে সর্বচ্চো ভোট দিয়ে জয় নিশ্চিৎ করবো।

থানচি সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাংসার ম্রো বলেন, তুলনামূলকভাবে যথেষ্ঠ উন্নয়ন করেছেন বীর বহাদুর(উশৈসিং) এমপি অসাধ্যকে সাধ্য করেছে। থানচিবাসী আবার নৌকায় ভোট দিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় অব্যাহত রাখা এবং আমাদের সেবা করার আবশ্যক সুযোগ দিব ।