টেকনাফে ইয়াবাসহ দুই সহোদর আটক

টেকনাফ প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের টেকনাফে দুই হাজার পিচ ইয়াবাসহ দুই সহোদরকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার ভোররাতে সাবরাং ইউনিয়নের ডেইলপাড়া এলাকা থেকে ইয়াবা বেচাকেনার সংবাদে পুলিশ সদস্যরা বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করে।

আটককৃতরা হলো, সাবরাং ইউনিয়নের ডেইলপাড়ার পরান আলীর ছেলে আবুল কালাম প্রকাশ আবুইয়া (২০) ও  ফরিদ আলম (২০)।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি মাইন উদ্দীন খাঁন জানান, ইয়াবা বেচাকেনার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাবরাং ইউনিয়নের ডেইলপাড়া রাস্তার মাথায় অবস্থান নেয় পুলিশ। এ সময় দুই সহোদরকে আটক করে পরে তাদেরকে তল্লাশী চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ২ হাজার পিচ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটের মূল্য প্রায় ৬ লাখ টাকা।

তিনি আরও জানান, এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মোটরসাইকেল নিয়ে কাটাবনিয়া এলাকার আবদুল মাবুদের ছেলে ওমর ফারুক ও আবদুল কুদ্দুসের ছেলে সিরাজুল ইসলাম পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় তাদেরকে পলাতক আসামি করে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আটককৃত আসামিদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।




টেকনাফ সীমান্তে ৪২ ভরি স্বর্ণসহ একজন আটক

টেকনাফ প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার থেকে আসার পথে ৪২ ভরি ১১ আনা স্বর্ণসহ মো. সেলিম (৩৫) নামে এক পাচারকারীকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। সে লেদা অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা শরনার্থী শিবিরের বাসিন্দা।

সোমবার গভীর রাতে স্থলবন্দর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

টেকনাফ স্টেশন কমান্ডার লে. কমান্ডার জাফর ইমাম সজীব জানান, সোমবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্টগার্ড সদস্যরা স্থলবন্দর সংলগ্ন বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে সন্দেহজনক  এ ব্যক্তির দেহ তল্লাশী করে (৪২ ভরি ১১ আনা) তিনটি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। যার বর্তমান বাজার মূল্য ১৯ লাখ টাকা।

তিনি আরও জানান, উদ্ধার করা স্বর্ণ টেকনাফ শুল্ক গুদামে জমা দিয়ে আটক ব্যক্তিকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

টেকনাফ মডেল ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাইন উদ্দিন খান বলেন, কোস্টগার্ডের আটক করা ওই ব্যক্তিকে কক্সবাজার আদালতে পাঠানো হয়েছে।




নাফনদী থেকে ২ জেলেকে অপহরণ করেছে বিজিপি

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার:

কক্সবাজারের টেকনাফের নাফনদী থেকে বাংলাদেশী ২ জেলেকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) সদস্যরা।

মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে নাফনদীর এক নম্বর স্লুইচ গেইট এলাকা থেকে নৌকা সহ এদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেরা হলেন, টেকনাফ পৌরসভার জালিয়াপাড়ার মোহাম্মদ কাশিমের পুত্র নুর কামাল (৩০) ও মোহাম্মদ হোসেনের পুত্র আবদুল করিম (৩২)।

নুর কামালের পিতা মোহাম্মদ কাশিম ও স্ত্রী নুর খাতুন জানিয়েছেন, অন্যান্য দিনের মতো নাফনদীতে মাছ ধরতে গিয়ে আর ফেরত না আসায় তারা খোঁজ খবর নেয়া শুরু করেন। অন্যান্য জেলেরা জানিয়েছে, ২ জনকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

নুর কামালের পিতা মোহাম্মদ কাশিম জানান, নাফনদীতে মাছ ধরতে হলে প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা করে চাঁদা দিয়ে মিয়ানমারের বাহিনীর কাছ থেকে বিশেষ একটি টোকেন নিতে হয়। টেকনাফ পৌর এলাকার আবদুল হামিদের ভাড়া বাড়িতে থাকা মমতাজ মিয়া নামের এক দালাল এ টোকেন দেন। তার পুত্র টোকেন নেয়ার পরও ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত কোন খোঁজ খবর পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি ওই দালাল এবং বিজিবিকে জানানো হয়েছে।

মমতাজ মিয়া নামের ওই দালাল টোকেন দেয়ার সত্যতা স্বীকার করে জানান, জেলেদের মঙ্গলের জন্য মাধ্যম হয়ে এ কাজটি করেন। কিন্তু তারপরও কেন ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বিষয়টি যোগাযোগ করা হচ্ছে।

বিজিবির টেকনাফস্থ ২ নম্বর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল আরিফুল ইসলাম জানান, জেলে ধরে নিয়ে যাওয়া বিষয়টি কেউ তাকে অবহিত করেননি। তিনি খোঁজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছেন বলেও জানান।




টেকনাফে টানা বৃষ্টিতে পাহাড় ধ্বসে বাবা-মেয়ের মৃত্যু

টেকনাফ প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের টেকনাফে টানা বৃষ্টিতে পাহাড় ধ্বসে পাহাড়ের মাটি ও গাছ চাপা পড়ে মোহাম্মদ সেলিম (৪০) ও তার মেয়ে টিসু মনি (৩) মারা গেছে। তবে এ ঘটনায় তার স্ত্রী ও এক ছেলে জীবিত রয়েছে।

বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের খারাংখালী পশ্চিম সাতঘরিয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

হোয়াইক্যং মডেল ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নুর আহমদ আনোয়ারী বলেন, রাতে ভারী বর্ষণ ও বজ্রপাতের সময় হঠাৎ করে একটি গাছসহ পাহাড়ের অংশবিশেষ ধসে পড়ে। এতে মাটির ঘরের অংশবিশেষ মাটি ও গাছ চাপা পড়ে। ওই অংশে বাবা মোহাম্মদ সেলিম ও তার মেয়ে টিসু মনি ঘুমিয়ে ছিল। পাহাড়টির কোনো নাম না থাকলেও পশ্চিম সাতঘরিয়াপাড়া এলাকা নামে পরিচিত। পাহাড়টির পাদদেশে কিছু বসতঘর নির্মাণ করে স্থানীয় লোকজন বসবাস করে আসছিল। পরে স্থানীয় লোকজন দ্রুত এসে বাবা-মেয়েকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইন উদ্দিন খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয় চেয়ারম্যানের মাধ্যমে খবর শোনার পরপরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহিদ হোসেন ছিদ্দিক বলেন, নিহত দু’জনের দাফন সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৪০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে।




২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে

টেকনাফ প্রতিনিধি:

টেকনাফে সোলার বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনকালে উখিয়া-টেকনাফের সাংসদ আব্দুর রহমান বদি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অগ্রধিকার প্রকল্প হিসেবে ঘরে ঘরে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্য বহুল প্রতিক্ষীত এ সৌর বিদ্যুত কেন্দ্রটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার।

উখিয়া-টেকনাফকে অবকাঠামোগত ভাবে এগিয়ে নিতে এ সোলার পার্ক গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখবে। সেই সাথে এ ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুত যোগ হলে উখিয়া-টেকনাফের বিদ্যুত সমস্যা থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অবহেলিত উখিয়া-টেকনাফে গত ৮ বছরে শিক্ষা, যোগাযোগ ও পর্যটন খাতে অনেক উন্নয়ন হয়েছে। আর এ উন্নয়নকে অব্যাহত রাখতে আগামী নির্বাচনে নৌকাকে বিজয়ী করতে হবে তিনি ১০ জুন বেলা ১১টায় উপজেলার হ্নীলার আলীখালীতে ২০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন সোলার বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

টেকনাফ সোলারটেক এনার্জি লিমিটেডের এমডি মাহমুদুল হাসানের সঞ্চালনায় ও জুলস পাওয়ার লিমিটেডের এমডি নুহের লতিফ খাঁনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, উখিয়া-টেকনাফের সাংসদ আব্দুর রহমান বদি। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, হ্নীলা ইউপি চেয়ারম্যান এইচকে আনোয়ার।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, ইউনিয়ন ব্যাংক হ্নীলা শাখার ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ হানিফ, কোম্পানীর কনসালটেন্ট হেলাল উদ্দিন, স্থানীয় মেম্বার জামাল হোছাইন, নুরুল হুদাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার ভিত্তিক প্রকল্পের আওতায় হ্নীলার আলীখালীতে ১১৬ একর জমির উপর পাওয়ার জুলস লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান টেকনাফ সোলার টেক এনার্জি লি. ২০মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ এবছরে শেষ হবে। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে এ সোলার পার্ক থেকে ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।




জঙ্গি সংগঠন আল অ্যাকিন সামরিক প্রধানের দেহরক্ষী অস্ত্রসহ আটক

টেকনাফ প্রতিনিধি:

মিয়ানমারের বিদ্রোহী জঙ্গি সংগঠন আল অ্যাকিনের প্রধান প্রশিক্ষক রোহিঙ্গা ডাকাত আবদুল হাকিমের দেহরক্ষী তার শ্যালক নুরুল আফসারকে অস্ত্র-গুলিসহ আটক করেছে র‌্যাব-৭।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় র‌্যাব-৭ এর অভিযানিক দল টেকনাফ পৌরসভার পুরান পল্লানপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন। আটককৃত অস্ত্র ব্যবসায়ী টেকনাফ উপজেলার পুরান পল্লান পাড়া এলাকার সেলিম আহাম্মদ প্রকাশ সেলিম মিস্ত্রির ছেলে নুরুল আফসার (২২)। এ সময় তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব-৭ সিপিসি-২ কক্সবাজারের কোম্পানি কমান্ডার মেজর মো. রুহুল আমিন সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, টেকনাফ উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন এলাকায় অস্ত্র ব্যবসায়ীরা আগ্নেয়াস্ত্র ক্রয়-বিক্রয় করার লক্ষ্যে অবৈধ অস্ত্রসহ অবস্থান করছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-৭ এর একটি চৌকসদল অভিযান পরিচালনা করে।

এ অভিযানে অস্ত্র ব্যবসায়ী নুরুল আফসারকে হাতেনাতে আটক করে। পরে তার স্বীকারোক্তি মতে তল্লাশি করে ৫টি অস্ত্র, ১টি ম্যাগজিন ও ১০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, আটককৃত নুরুল আফসার কুখ্যাত রোহিঙ্গা ডাকাত আবদুল হাকিমের শ্যালক এবং সহকারী। তার বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় হত্যাসহ ২টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। আটককৃত নুরুল আফসারের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে টেকনাফ থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানিয়েছেন র‌্যাব।




টেকনাফে প্রায় ১ লাখ ইয়াবাসহ মিয়ানমারের দুই নাগরিক আটক

ইয়াবা

টেকনাফ প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে অভিযান চালিয়ে ৯৯ হাজার ৪৯১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মিয়ানমারের দুই নাগরিককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা।

আটককৃতরা হলেন, মিয়ানমারের আকিয়াব জেলার মংডু থানার আশিক্কাপাড়ার মৃত ছলিম উল্লাহর ছেলে জকির (৩১) ও আবদুল মিয়ার ছেলে আবদুর রহমান(৫২)।

৭ জুন ভোররাতে দমদমিয়া জালিয়ারদ্বীপ এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।

টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্ণেল এসএম আরিফুল ইসলাম জানান, মিয়ানমার থেকে একটি ইঞ্জিন চালিত নৌকা বাংলাদেশ জলসীমানার শূন্য রেখা অতিক্রম করে প্রবেশ করলে বিজিবির টহল দল তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করে। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাবার চেষ্টা করলেও দুইজনকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। এসময় তাদের কাছ থেকে ৯৯ হাজার ৪৯১ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।




দুর্যোগ মোকাবেলা করতে হলে কৌশল গ্রহণ করতে হবে

18767800_1801985883444768_2817663222945991903_n copy

টেকনাফ প্রতিনিধি:

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, না খেয়ে একজন মানুষও মরবে না। আওয়ামী লীগ সরকার সে ব্যবস্থা নিয়েছে। উপকূলের মানুষ আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন ও সাহসী। এ ধরনের দুর্যোগ আসবে। তাই আমাদের দুর্যোগ মোকাবেলা করতে হলে কৌশল গ্রহণ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ উপকুলের মানুষ যেন কষ্ট না পায়। সেইদিকে লক্ষ্য রেখে ইতোমধ্যে ত্রান তৎপরতা শুরু করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি নেতারা হাওরে গিয়ে ছবি তুলেছেন। কিন্তু মোরার আঘাতে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ায়নি। তারা ছবি তোলার রাজনীতি করেন কিন্তু মানুষের জন্য কাজ করছেন না। আমাদের নেত্রী বিদেশ থেকে এসেই ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।। দ্রুত সময়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে পর্যাপ্ত পরিমাণ ত্রাণ (টিন) চাল, গম নিত্য প্রয়োজনীয় এবং তাদের তালিকা তৈরি করে তা সরবরাহ করার নির্দেশ দেন।

রোববার বিকালে তিনি কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ হয়ে টেকনাফের দুর্গত এলাকায় যান। সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত শাহপরীরদ্বীপ সড়ক পরিদর্শন শেষে বিকাল ৪টায় টেকনাফ সদর ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় মন্ত্রী প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সরওয়ার আলমের সঞ্চালনায় সদর ইউপির চেয়ারম্যান শাজাহান মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, সাংসদ আব্দুর রহমান বদি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব শাহ কামাল, উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমদ, জেলা পরিষদের সদস্য আলহাজ¦ শফিক মিয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী, জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক এইচএম ইউনুছ বাঙ্গালী।

ত্রাণ বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন ছিদ্দিক, সহকারী কমিশনার (ভূমি) তুষার আহমদ, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাঈন উদ্দিন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আহছান উল্লাহ, হ্নীলা ইউপির চেয়ারম্যান এইচকে.আনোয়ার সিআইপি, সাবরাং ইউপির চেয়ারম্যান নুর হোসেনসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সভা শেষে মন্ত্রী ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেড় হাজার পরিবারের মাঝে দশ কেজি করে চাল বিতরণ করেন।




টেকনাফে ১ লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার

ইয়াবা উদ্ধার

টেকনাফ প্রতিনিধি:

টেকনাফের হ্নীলায় অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার বাংলাদেশ (বিজিবি)।

রোববার সকালে হ্নালী ইউনিয়নের আনোয়ার নামে প্রজেক্ট সংলগ্ন এলাকা থেকে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল এস এম আরিফুল ইসলাম বলেন, সকালে প্রজেক্ট এলাকা দিয়ে ইয়াবার একটি বড় চালান প্রবশের খবর পেয়ে বিজিবির একটি বিশেষ টিম ওই এলাকায় অভিযান চালায়।

এ সময় পাচারকারীরা একটি বস্তা ফেলে পালিয়ে যায়। পরে বস্তার ভেতর থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত ইয়াবার আর্থিক মূল্য ৪ কোটি ২০ লাখ টাকা বলেও জানায় বিজিবি। যা ব্যাটলিয়ন সদরে জমা রাখা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে ইয়াবা ট্যাবলেটগুলে ধ্বংস করা হবে বলেও জানান আরিফুল ইসলাম।




টেকনাফে ৬ হাজার ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত: আহত শতাধিক

20170530_121030 copy

টেকনাফ প্রতিনিধি:

ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’র আঘাতে কক্সবাজারের টেকনাফে সাড়ে ৬ হাজার ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। মোরা আঘাত হানার সময় নারী শিশুসহ শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছে।আহতদের মধ্যে অনেক’কেই টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতরা হলেন, সাব্বির হাসন, মো. রফিক, মো. আরমান, সাবান হোসেন, শামসু আলম, নূর কলিমা, সাঞ্জিদা আকতার, রাজিয়া আকতার ও নূর জাহান, কামাল হোসেন, নুরু মোহাম্মদ জামাল, শিশুরা হলেন জিহান, রাখিব হোসেন বাকীদের নাম জানা যায়নি।

টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসক শোভন দাস জানান, ঘূর্ণিঝড়ে গাছ পড়ে এবং উড়ে আসা টিনের চালের আঘাতে তারা আহত হন। আহত দু’জন আবু তাহের ও আব্দুর মালেক  উন্নত চিকিৎসা জন্য কক্সবাজার পাঠানো হয়েছে।

টেকনাফ পৌরসভার প্যানেল মেয়র কোহিনুর আক্তার জানান, এমন কোন বাড়ি নেই যে ক্ষতি হয়নি। ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫ কোটি ছাড়িয়ে যাবে।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূর আহমেদ জানান, ঘূর্ণিঝড় মোরা আঘাতে আমাদের এলাকায় সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

তিনি আরও জানান, মোরার আঘাতে দ্বীপের প্রায় ১০জন আহত হয়েছে এবং ৮শ’ ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ হোসেন সিদ্দিক জানান, মোরার আঘাতে টেকনাফে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি আরও জানান, ঘূর্ণিঝড় আঘাতের উপজেলায় প্রায় ৩৫জন নারী- শিশু আহত হলেও এখনো নিহত খবর পাওয়া যায়নি।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক জানান, মোরা ঘণ্টায় ১৩৫ কিলোমিটার বেগে টেকনাফে ও ১১৪ কিলোমিটার বেগে সেন্টমার্টিনে আঘাত করে। এছাড়া কক্সবাজারে ১১৫ কিলোমিটার বেগে আঘাত হানে।