টেকনাফে মানবপাচারের গডফাদার হাকিম মাঝি গ্রেফতার

গ্রেফতার

টেকনাফ  প্রতিনিধি:

সাগরপথে শাহপরীরদ্বীপ মালয়েশিয়া মানবপাচার রুট আবিষ্কারকদের অন্যতম এবং টেকনাফের বহুল আলোচিত মানব পাচারের গডফাদার নুর হাকিম মাঝি (৫২) কে অবশেষে গ্রেফতার করেছে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশ। তিনি শাহপরীরদ্বীপের মৃত আবদুল গণি প্রকাশ গনু মিয়ার ছেলে। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীরদ্বীপ মাঝরপাড়া থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মাইন উদ্দিন জানান, আলোচিত নুর হাকিম মাঝিকে গ্রেফতারের দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চলছিল। তার বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় মানবপাচারের ২টি মামলা রয়েছে।

তিনি আরও জানান, সে দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন, অবশেষে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।

টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ পয়েন্ট হতে যে কয়জন ট্রলার মাঝি থাইল্যান্ড সীমান্ত হয়ে মালয়েশিয়া মানবপাচার শুরু করেছিল তাদের মধ্যে নুর হাকিম মাঝি অন্যতম বলে জানা গেছে। এর আগেও একবার সে পুলিশের হাতে আটক হয়েছিল। সে আলোচিত পোয়া মাঝির নিকটাত্নীয়।




মেরিন ড্রাইভ সড়কের ৪০ কিলোমিটারের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

teknaf pic (a) 29-04-07 (4) copy

টেকনাফ প্রতিনিধি:

টেকনাফ-কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সড়কের দু’পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন। শনিবার সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত পর্যটন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বাহারছড়া শামলাপুর সমুদ্র সৈকত হতে টেকনাফ সাবরাং এক্সক্লুসিভ ট্যুরিজম জোন খুরের মুখ এলাকা পর্যন্ত শতাধিক ঘর-বাড়িসহ বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন, টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ হোসেন ছিদ্দিক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তুষার আহমদ। এসময় সাথে ছিলেন, কক্সবাজার ‌র‌্যাব-৭, টেকনাফ ২বিজিবি, টেকনাফ থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, আগামী ৬ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেরিন ড্রাইভ সড়ক উদ্বোধন উপলক্ষ্যে এ অভিযান চালানো হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তুষার আহমদ বলেন, একশ্রেণির লোক মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন সমুদ্র সৈকতের ঝাউবাগানের ভেতরে অবৈধভাবে ঘর-বাড়িসহ নানা স্থাপনা তৈরি করে বসতি করে আসছে। পর্যটন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এ অভিযান চালানো হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, ইতিপূর্বে উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শাপলাপুর এলাকার ঝাউবাগানের ভেতরে সাত হাজারের বেশি অবৈধ ঘর-বাড়ি তৈরি করে বসবাস করা কমপক্ষে ৪০ হাজার রোহিঙ্গাকে উচ্ছেদ করা হয়েছে।




কক্সবাজারে সাড়ে ৬ লক্ষ ইয়াবা উদ্ধার, গুলিবিদ্ধ একজনসহ ৩ মিয়ানমার আটক

DSC_0071

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের টেকনাফ জালিয়ার দ্বীপ ও নাইথং পাড়ায় পৃথক অভিযান চালিয়ে সাড়ে ৬ লক্ষ ইয়াবা উদ্ধার করেছে বিজিবি। এসময় ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সাথে বিজিবি’র বন্দুকযুদ্ধে গুলিবিদ্ধ ১জনসহ ৩ মিয়ানমারের নাগরিককে আটক করা হয়। সোমবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে।

টেকনাফ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্ণেল আবুজার আল জাহিদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইয়াবা পাচারের খবর পেয়ে জালিয়ার দ্বীপে অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৫ লাখ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

পরে নাইথং পাড়ায় মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসা ইয়াবা পাচারকারীদের আটকের চেষ্টা করলে। তারা বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলি করে। বিজিবিও পাল্টা গুলি চালায়। এসময় গুলিবিদ্ধ এক ইয়াবা ব্যবসায়ীসহ ৩ জনকে আটক করা হয়। তারা সবাই মিয়ানমারের নাগরিক। আর তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ১ লক্ষ ৫০ হাজার ইয়াবা। সব মিলে সাড়ে ৬ লক্ষ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।  যার আনুমানিক মূল্য সাড়ে ৬ কোটি টাকা। গুলিবিদ্ধকে টেকনাফ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।




কক্সবাজারে ৯ লক্ষ ৮০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

teknaf pic yaba copy

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের টেকনাফ নয়াপাড়ার সাবরাং’র হারিয়ার দ্বীপ এলাকা থেকে ৯ লক্ষ ৮০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করেছে বিজিবি।

রবিবার ভোরে পরিত্যাক্ত অবস্থায় এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

টেকনাফ বিজিবির অধিনায়ক আবুজার আল জাহিদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইয়াবা পাচারের খবর পেয়ে ওই এলাকায় অভিযান চালানো হয়। ইয়াবা পাচারকারীরা বিজিবির উপস্থিতি বুঝতে পেরে মাদক ফেলে পালিয়ে যায়। পরে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। যেখানে ৯ লক্ষ ৮০ হাজার ইয়াবা ছিল। এসব ইয়াবার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩০ কোটি টাকা। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি।




মানবদেহের কিডনি সুস্থ রাখার সচেতনতায় টেকনাফ থেকে পায়ে হেঁটে তেতুলিয়া

teknaf pic 15-4-15 (5) copy

টেকনাফ প্রতিনিধি:

বাঁচিব শত বছর, মানবদেহের কিডনি রাখিব নিরাপদ এ শ্লোগানে চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলার গাছুয়া গ্রামের বাসিন্দা নুরুল আমিনের ছেলে আবু বক্কর ছিদ্দিক টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পায়ে হেঁটে কিডনি সুস্থ রাখার সচেতনতায় আনুষ্ঠানিকভাবে টেকনাফ জিরো পয়েন্ট থেকে যাত্রা শুরু করেছে। যাত্রা শুরুর আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তুষার আহমদ, উপজেলা মেডিকেল অফিসার ডা. সুমন বড়ুয়ার সাথে সাক্ষাত করেছেন।

তিনি বলেন, টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া-পুরো বাংলাদেশ, তার পায়ে হাঁটাটি রেকর্ডের জন্যই নয়, গত এক বছর আগে তার বাম পাশের কিডনী নষ্ট হয়ে যায়। ২০১৫ সালের ১৫ নভেম্বর চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে অপারেশনের মাধ্যমে তার দেহের কিডনীটি অপসারণ করা হয়। এখন ডান পাশের কিডনি নিয়ে বেঁচে আছেন। তিনি খুব অসহায় মনে হলেও আর চান না তার মত অন্য কেউ আর এ সমস্যায় ভুগে যেন অকালে ঝরে না যায়। এটা ছিল তার আকর্ষণনের মূল উদ্দেশ্য।

জানা গেছে, বর্তমানে বাংলাদেশে ২ কোটির অধিক মানুষ কিডনি রোগে আক্রান্ত ও প্রতি ঘন্টায় ৫জন অকাল মৃত্যুবরণ করেন।

আবু বক্কর ছিদ্দিকের এটা জীবনের প্রথম হাঁটা, ‘সবার জন্য কিডনি সমস্যা- সুস্থ ও নিরাপদ রাখার উপায়” বার্তা নিয়ে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া হাঁটছেন।

একা একা টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া হেঁটে যাবার সিদ্ধান্তটা ছিল অত্যন্ত সাহসী সিদ্ধান্ত। তবে তিনি প্রতিজ্ঞা করছেন, স্বাভাবিকভাবেই এ পথ পাড়ি দিবেন। অসুস্থতার জন্য ডাক্তারের পরামর্শও নিয়েছেন। চলতি পথে যেখানে জায়গা হয় সেখানে তিনি অবস্থান করবেন।

তবে তিনি কারো আর্থিক সহায়তা নেননি। কেউ যদি এগিয়ে আসেন তাহলে সাহায্য নিবে, বর্তমানে তার পরিবারে স্ত্রী আইরিন সুলতানা একজন গৃহিনী, মেয়ে সামিয়া ছিদ্দিকী আফরিন ৫ম শ্রেণীতে পড়ে, ছেলে আমির ছিদ্দিকী স্বাধীন ১ম শ্রেনীতে পড়ে। তার পোল্টি ফার্মের ব্যবসা রয়েছে।

তার লিপলেটে কিডনি সমস্যার লক্ষণের মধ্যে রয়েছে, মাঝে মাঝে বা সবসময় কোমরে কিট কিট করে ব্যথা, প্রস্রাবের বেগ কম হওয়া, প্রস্রাব করতে ব্যথা, গোপনীয় অঙ্গে জ্বালা পোড়া, প্রস্রাব হলুদ বর্ণের হওয়া, প্রস্রাবের রাস্তা দিয়ে পূজ বের হওয়া, প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া, বমি বমি ভাব অনুভব, সবসময় মাথা ঘুরানো ও খাবারে অরুচি অনুভব হওয়া এবং নিরাপদ রাখার উপায় দৈনিক ৮ লিটার পানি খাওয়া, কোমলপানীয় ও এ্যালকোহল জাতীয় পানি ত্যাগ করা, ধূমপান না করা, কোমরে ব্যথা হলে ডাক্তারের পরার্মশ নেওয়া, ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ব্যাথানাশক ও এন্টিবায়েটিক ঔষধ সেবন না করা, ফরমালিন ও রায়সানিক মিশ্রিত খাবার না খাওয়া, ফাস্টফুড এবং বিরানি জাতীয় খাবার কম খাওয়া, অধিক পরিশ্রমের পর বিশ্রাম ও প্রচুর পানি খাওয়া, ডায়বেটিকস ও উচ্চ রক্তচাপে নিয়ন্ত্রণ, বসে না থেকে মাঝে মাঝে হাঁটা ও দৈনিক ৭ ঘন্টা হাঁটা।




সামরিক পোশাক জব্দের ব্যাপারে বাংলাদেশকে সতর্ক করলো মিয়ানমার

teknaf-pic-30-3-17-copy

পার্বত্যনিউজ ডেস্ক :
মিয়ানমার সেনাবাহিনীর পোশাক জব্দের ব্যাপারে বাংলাদেশকে সতর্ক করে দিয়েছে দেশটি। শনিবার দেশটির স্টেট কাউন্সিলরের অফিস বলছে, সহিংস হামলাকারীরা নিজেদের লুকিয়ে রাখার উদ্দেশ্যে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর পোশাক পরে গ্রামে হামলা চালিয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এ কাজ করে থাকতে পারে।

উল্লেখ্য, গত বুধবার টেকনাফ স্থলবন্দরে ইঞ্জিন চালিত একটি নৌকায় তল্লাশি চালিয়ে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর শতাধিক ইউনিফর্ম জব্দ করেছে বন্দর শুল্ক বিভাগ। এছাড়াও মিয়ানমার সেনাবাহিনীর পদ, ব্যাকপ্যাক, রেইন কোর্ট, হেলমেট, রেইন কোর্ট ও বুট জব্দ করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের রহমান ট্রেডিং নামের আমদানিকারক একটি কোম্পানির এক কর্মচারীকে সেনাবাহিনীর পোশাকসহ বুধবার বিকেলে টেকনাফে আটক করেছে বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষ। পরে তদন্তে জানা যায়, নুরে আলম সিদ্দিকী নামের এক ব্যক্তি ওই কোম্পানির মালিক। যিনি মিয়ানমার থেকে শুকনো খাদ্য দ্রব্য আমদানির ব্যবসা করেন।

মিয়ানমার নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে উত্তর রাখাইনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। তবে, দেশটি বরাবরই এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে।

গত বছরের অক্টোবর ও নভেম্বরে সীমান্তে মিয়ানমার পুলিশের পোস্টে সশস্ত্র হামলার পর দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠে। এ ঘটনায় দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ইউ মিন্ত সুয়ে’কে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেছে মিয়ানমার সরকার।

সূত্র : সিনহুয়া, জাগোনিউজ২৪.কম




টেকনাফে রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ

DSC03051 copy

টেকনাফ প্রতিনিধি:

টেকনাফের রোহিঙ্গা শরণার্থী ও উখিয়া-টেকনাফের বিভিন্ন ইউনিয়ন-পৌরসভায় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে হ্নীলার লেদার অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও উখিয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভার স্থানীয় গরীব জনগণের মাঝে খাদ্য সামগ্রী, (হাড়ি পাতিল) ও বস্ত্র সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

টেকনাফ লেদার রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন, টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) তুষার আহমেদ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, গ্লোবাল ওয়ানের পরিচালক মো. এরশাদুল হক, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শ্রুতিপূর্ণ চাকমা, মাধ্যমিক কর্মকর্তা মো. ফেরদৌস, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশীষ বোস, একাডেমিক সুপারভাইজার নুরুল আবছারসহ সরকারী বিভিন্ন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিজিবি ও পুলিশের প্রতিনিধি, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা(আইওএম’র) জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

টেকনাফ উপজেলায় লেদার অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্পে অবস্থানরত ১ হাজার রোহিঙ্গা পরিবার এবং উখিয়া-টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভার ২৫০০ পরিবারকে ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

DSC03014 copy

ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে প্রতি পরিবারকে দেওয়া হয়েছে ৩০ কেজি চাল, ১০ কেজি আটা, ৫ কেজি ডাল, ৫ লিটার সয়াবিন তৈল, ২ কেজি চিনি, ১০ কেজি আলু, ২ কেজি লবণ, ৫ কেজি পেয়াঁজ, ১ কেজি মসলা, ২ কেজি গুড়া দুধ, ২টি হাড়ি, ১টি কড়াই, ৩টি প্লেট, ২টি গ্লাস, ২টি চামচ, ২টি সাবান, ১টি লুঙ্গি, ১টি শাড়ী ও বাচ্চাদের পোশাক প্রদান করা হয়।

বিতরণ বিষয়ে গ্লোবাল ওয়ানের কান্ট্রি ম্যানেজার মো. এরশাদুল হক বলেন, ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক(আইডিবি) সহযোগিতায় এ কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করে আসছি  আমরা। ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের পরিধি আরও বিস্তৃত থাকবে।




টেকনাফে ৮ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক ৪

টেকনাফ প্রতিনিধি:

টেকনাফে পৃথক অভিযান চালিয়ে ৮ হাজার পিচ ইয়াবাসহ ৪ ইয়াবা পাচারকারীকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা রুজু করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, ৩০মার্চ ভোর ৫টার দিকে হোয়াইক্যং নয়াপাড়া এলাকায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৪ হাজার পিচ ইয়াবাসহ আব্দুল মান্নানের ছেলে মো. জোবায়ের(২৪)কে আটক করা হয়। একইদিন এসআই বোরহানের নেতৃত্বে হ্নীলার পশ্চিম সিকদারপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ মৃত আব্দুল জাব্বারের ছেলে রশিদ আহমদ ওরফে রশিদ মিস্ত্রী (৪০) কে আটক করে।

মঙ্গলবার রাতে পুলিশের অভিযানে ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ টেকনাফের পুরান পল্লানপাড়া এলাকার নবী হোসনের ছেলে মো. আয়ুব (৩০) ও উত্তর লম্বরী এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে মো. শরীফ(৩০) কে আটক করেন। আটককৃতদের বিরুদ্ধে থানায় পৃথক মামলা রুজু করে কক্সবাজার আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন টেকনাফ মডেল থানার ওসি মাইন উদ্দিন।




মিয়ানমার থেকে আমদানি করা সেনাবাহিনীর পোশাক জব্দ, আটক ১

teknaf pic 30-3-17 copy

টেকনাফ প্রতিনিধি:

টেকনাফ স্থলবন্দরে মিয়ানমার থেকে আমদানি করা মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর এক হাজার ৭০১ পিস সেনা পোশাক (ইউনিফর্ম) জব্দ করেছে শুল্ক বিভাগ। তবে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত বো অং চায় মারমা নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বিজিবি।

বুধবার রাতে আমদানিকৃত পণ্য কায়িক করার সময় ওই পোশাক ধরা পড়ে এবং মিয়ানমার থেকে আমদানি করা আচার ও শুটকির ভেতরে লুকিয়ে বাংলাদেশে আনা হচ্ছিল এ পোশাক।

উদ্ধার করা সামরিক পোশাকগুলোর মধ্যে মিয়ানমার সেনা পোশাকের (ইউনিফর্ম) ২০০পিস প্যান্ট, ২০২পিস শার্ট, ১৮৬পিস সামরিক পোশাকের ব্যাগ, ৪৫২পিস পোশাক বেল্ট, ৩০পিস সামরিক রেইনকোর্ট, ১৮পিস বুলেট রাখার ব্যাগ, ৫০টি সামরিক টুপি, ১৮পিস সামরিক সেন্ডু গেঞ্জি, ১২৭পিস ইউনিফর্ম বেইজ, ২৩০পিস মিয়ানমারের লুঙ্গি, ১৮৮ জোড়া স্লিপার স্পঞ্জ ফিতা। এ সামরিক পোশাকের সাথে ছিল আবরণযুক্ত ১৩৪ কেজি মিয়ানমারের আচার, ৪৫০ কেজি শুটকি ও ৮১০ কেজি তেতুঁল বিচি।

স্থলবন্দরের শুল্ক বিভাগ মতে, এসব পণ্য গত ২১ মার্চ ৩১২/২০১৭ নাম্বার আইজিএম মূলে মেসার্স এআর ট্রেডিংয়ের মাধ্যমে মিয়ানমার থেকে আমদানি হয়ে টেকনাফ স্থলবন্দরে আসে। এ প্রতিষ্ঠানটির ঠিকানা দেয়া আছে, টেকনাফ পৌরসভার লেগুরবিল সড়ক সংলগ্ন জাফর চেয়ারম্যানের ভাড়া বাসা। এছাড়াও সিএন্ডএফ এজেন্ট মেসার্স রহমান ট্রেডিংয়ের মাধ্যমে এসব পণ্য খালাস করা হয়।

টেকনাফ স্থলবন্দর শুল্ক বিভাগের রাজস্ব কর্মকর্তা এএসএম মোশারফ হোসেন অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘মিয়ানমার থেকে আমদানিকৃত আচার ও শুটকির ভেতরে লুকিয়ে আনা সামরিক বাহিনীর এক হাজার ৭০১পিস ইউনিফর্ম উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি জানান, এসব পণ্যের আমদানিকারক মেসার্স এআর ট্রেডিংয়ের স্বত্ত্বাধিকারী আব্দুস ছালাম, সিএন্ডএফ এজেন্ট মেসার্স রহমান ট্রেডিং প্রতিনিধি নুরে আলম সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা রুজু করা হচ্ছে।

টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক লে.কর্নেল আবুজার আল জাহিদ জানান, মিয়ানমার থেকে নিয়ে আসা একটি বাহিনীর পোশাক উদ্ধার করেছে কাস্টমস, তবে এ ঘটনায় সঙ্গে জড়িত বো অং চায় মারমা নামে একটি ব্যক্তিকে আটক করেছে বিজিবি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

তবে ধারণা করা হচ্ছে, বাংলাদেশের ভেতর কোন বাহিনীর জন্য এসব পোশাক (ইউনিফর্ম) আনা হয়েছে। তবে বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের সাথে নিয়ে খতিয়ে দেখে আরও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থলবন্দরে মিয়ানমার থেকে আমদানিকৃত পণ্যগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষায় শুল্ক কর্মকর্তার নজরদারির মধ্যে থাকায় এসব অবৈধ ইউনিফর্ম উদ্ধার করা সম্ভব হয় বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে টেকনাফ স্থলবন্দরের আমদানিকৃত পণ্যের মধ্য থেকে অবৈধ ইউনিফর্ম উদ্ধার করায় আমদানি-রপ্তানিকারকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তবে আমদানি পণ্যের ভেতরে লুকিয়ে কোন বাহিনীর ইউনিফর্ম নিয়ে আসায় জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এসব ইউনিফর্ম উদ্ধারের ঘটনায় স্থলবন্দরে পণ্য আমদানিতে প্রভাব পড়ার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।




টেকনাফে ইয়াবাসহ ১৪ পাচারকারী আটক

TEKNAF PIC 29-03-2017 copy

টেকনাফ প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে একটি কাঠের নৌকায় অভিযান চালিয়ে ১২ হাজার ৯’শ ৭৩পিস ইয়াবা বড়ি, নয়টি মোবাইল ফোন, হাতঘড়ি ও বাংলাদেশী নগদ টাকা ও মিয়ানমারের নাগরিকসহ ১৪জন পাচারকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ ঘটনায় টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যংপাড়ার এলাকার গোদারপাড়া আব্দুল শুক্কুরের ছেলে মো. শফিকুল্লাহ (৫২) ও আব্দুল হালিমের ছেলে মো. আব্দুল আমিন (৩০)কে পলাতক আসামী করা হয়েছে।

আটককৃতরা হলেন, মিয়ানমারের মংডু থানার নাইটাল ডিল এলাকার মো. নুরুল হকের ছেলে মো. আবু হাই (২০), মো. নূর হোসেনের ছেলে মো. আমানুল্লাহ (৩০), মো. শরিফ’র ছেলে মো. রহিম (২০), মৃত হাবিব আহম্মদের ছেলে মো. জাকারিয়া (৪০), মৃত হোসেন আহম্মেদের ছেলে মো. নূর কবির (২৫), মৃত নুরু সালাম ছেলে সাইফুল ইসলাম (২৮), মৃত হোসেন ছেলে শফিক আলম (২৯), মৃত হাশিম ছেলে মামুনুর রশিদ (২০), ইসমাইল স্বামী মোসাঃ দিলকায়াজ (২৫), উভয়ের বাড়ি (মায়ানমার)। এছাড়া টেকনাফ পৌরসভার পুরান পল্লানপাড়া এলাকার নূর মোহাম্মদের ছেলে মো. সেলিম (২০), মো. সাইফুলের ছেলে ইসলাম (৩০), মো. আরমানের ছেলে মো. আব্দুল (২১), হাফেজ আহম্মদের ছেলে মো. আক্তার (২১), কালা হোসেনের ছেলে মো. সাইফুল (২৩) ও হাবিবুর রহমান।

বিজিবি সূত্র জানায়, বুধবার ভোর ৪টার দিকে মিয়ানমার থেকে একটি কাঠের নৌকা নাফ নদী পার হয়ে অবৈধভাবে টেকনাফ সীমান্তে প্রবেশের সময় নৌকাটি চ্যালেঞ্জ করে বিজিবি। পরে নৌকাটিকে তল্লাশি চালিয়ে ১২ হাজার ৯’শ ৭৩ পিস ইয়াবা, নয়টি মোবাইল ফোন, হাতঘড়ি ও বাংলাদেশী নগদ টাকাসহ আনুমানিক ৪০ লাখ টাকার মালামাল উদ্ধার করা হয়।

টেকনাফ ২বিজিবির অধিনায়ক লে.কর্ণেল আবুজার আল জাহিদ জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত মাদক ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নিজ দখলে রাখার অপরাধ ও অবৈধভাবে মিয়ানমার হতে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের দায়ে আটককৃতদের বিরুদ্ধে টেকনাফ মডেল থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি মাইন উদ্দিন জানান, ইয়াবাসহ আটক আসামীদের মামলা রুজু করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মাদক ও অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে পৃথকভাবে দু’টি মামলা করা হয়েছে।