ঢাকার বিমানবন্দরে আটকে দেয়া হলো শফিক রেহমানকে

_94808476_c8bd7b03-0520-4c25-8eae-9bc79206f121

পার্বত্যনিউজ ডেস্ক:

শফিক রেহমানকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটকে দিয়েছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। সকাল ৭টায় টার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে তার লন্ডনে যাবার কথা ছিল।

মি. রেহমানের সহকারী তারিকুল ইসলাম চয়ন  জানিয়েছে, ক্যান্সার আক্রান্ত অসুস্থ স্ত্রীকে দেখতে মি. রেহমান লন্ডনে যাবার জন্য বিমানবন্দরে যান। কিন্তু বিমানবন্দরে ইমগ্রেশন পুলিশ, মি. রেহমানের বিদেশ ভ্রমণের ব্যপারে তাদের কাছে কোন তথ্য নেই, জানিয়ে তাকে বাধা দেয়।

মি. ইসলাম জানিয়েছেন, মি. রেহমানের বিদেশে যেতে কোন নিষেধাজ্ঞা নাই। এছাড়া গ্রেফতারের পর আটক করা তার পাসপোর্টটিও কর্তৃপক্ষ তিনদিন আগে ফেরত দিয়েছে।

এদিকে, মি. রেহমানকে বিদেশে যেতে বাধা দেবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশের একজন কর্মকর্তা। তবে তিনি বিষয়টির বিস্তারিত জানাতে অপরাগতা প্রকাশ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদকে অপহরণ ও হত্যা পরিকল্পনা মামলায় গত বছরের ১৬ এপ্রিল গ্রেফতার হয়েছিলেন মি. রেহমান। সেপ্টেম্বরে জামিনে মুক্তি পান তিনি।

সূত্র: বিবিসি




শ্রীনগর সীমান্ত হাটে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগে মহান ভাষা দিবস উদযাপন

Ramgarh 21.2

রামগড় প্রতিনিধি:

ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে মঙ্গলবার ছাগলনাইয়া ও ভারতের দক্ষিণ ত্রিপুরার সাব্রুমের শ্রীনগর সীমান্ত হাটে দু’দেশের যৌথ উদ্যোগে উদযাপন করা হয়েছে মহান একুশে ফেব্রুয়ারি, আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস। প্রথম বারের মত বাংলাদেশ ভারতের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ভাষা দিবসের এ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে শ্রীনগর সীমান্ত হাট পরিণত হয় দুই দেশের মানুষের মিলন মেলায়।

ফেনী ও দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলা প্রশাসন দিবসটি উপলক্ষে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ করে। সীমান্ত হাটে স্থাপিত অস্থায়ী শহীদ মিনারে শহীদ ভাষা সৈনিকদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন অনুষ্ঠানে দু’দেশের দুই প্রধান অতিথি ফেনীর এমপি নিজাম উদ্দিন হাজারী ও ত্রিপুরার লোকসভার সদস্য কমরেড জীতেন্দ্র চৌধুরী। পরে দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর বেলুন উড়িয়ে এবং মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথিদ্বয়।

দুই পর্বের অনুষ্ঠানমালার প্রথমে অনুষ্ঠিত হয় ভাষা দিবসের আলোচনা সভা। ছাগলনাইয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মেজবাউল হায়দার  চৌধুরী ও সাব্রুম মহকুমার শ্রীনগর পঞ্চায়েত কমিটির চেয়ারম্যান বাবুল সেনের যৌথ সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন, এমপি নিজাম উদ্দিন হাজারী, এমপি শিরিন আখতার, ত্রিপুরার লোকসভার সদস্য কমডর জীতেন্দ্র চৌধুরি, দক্ষিণ ত্রিপুরার এমএলএ  রীতা কর, ফেনীর জেলা প্রশাসক মো. আমিন উল আহসান, ফেনীর পুলিশ সুপার রেজাউল হক প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিজিবির জয়লস্কর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল কামরুল ইসলাম, দক্ষিণ ত্রিপুরার পুলিশ সুপার তাপস দেব বার্মা, ডিএম  সিকে জমাতিয়া, ত্রিপুরার এমএলএ প্রভা চৌধুরী, ফেনী সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুর রহমান বিকম, পরশুরাম উপজেলা চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন মজুমদার, ছাগলনাইয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার, দক্ষিণ ত্রিপুরার এডিএম মনোজ কান্তি সেনসহ দুই দেশের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও  বিভিন্ন পদস্থ সরকারী কর্মকর্তা।

আলোচনা সভা শেষে উভয় দেশের শিল্পীদের পরিবেশনায় এক মনোজ্ঞ সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।




শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও খালেদা জিয়ার শ্রদ্ধা জ্ঞাপন

dfgsrt

নিজস্ব প্রতিবেদক :

আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে শহীদ বেদীতে ফুল দিয়ে ভাষাশহীদদের শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া ।

একুশের প্রথম প্রহরে ভাষাশহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষাশহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে ভাষা শহীদ ও সংগ্রামীদের ত্যাগ স্মরণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় মন্ত্রীপরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এরপর একে একে শহীদ বেদীতে ফুল দেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া, চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ ও বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ।

এ ছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন, রাশেদ খান মেনন ও হাসানুল হক ইনুসহ ১৪ দলের নেতৃবৃন্দ, তিন বাহিনী প্রধান, আইজিপি, অ্যাটর্নি জেনারেল, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও ভাষা সৈনিকরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের শ্রদ্ধা নিবেদন পর্ব শেষ হলে শহীদ মিনার সবার জন্য খুলে দেওয়া হয়। একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 এদিকে একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষাশহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

হচদজ

সোমবার দিনগত রাত দেড়টায় দলের বিভিন্ন পর‌্যায়ের ৬০ নেতাকে নিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দেন তিনি। এসময় কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করেন খালেদা জিয়া।

শ্রদ্ধা নিবেদনকালে তার সঙ্গে ছিলেন- বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান, ড. মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন, ইনাম আহমেদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, মোহাম্মদ শাহজাহান, নিতাই রায় চৌধুরী, অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, জয়নুল আবদিন ফারুক, আবদুস সালাম, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ সাবেক ছাত্রনেতা নাজিম উদ্দিন আলম, বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, যুবদলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম নীরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, ছাত্রদলের সভাপতি রাজীব আহসান ও সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান, বিগত ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল প্রমুখ।

এর আগে, রাত রাত ১২টা ৫০ মিনিটে গুলশান কার্যালয় থেকে দলের নেতাদের নিয়ে শহীদ মিনারের উদ্দেশে রওনা হন খালেদা জিয়া। এরপর গুলশান, বনানী, মহাখালী, তেজগাঁও, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, বাংলামোটর পরীবাগ, কাকরাইল, হাইকোর্ট, কদম ফোয়ারা ও দোয়েল চত্বর হয়ে রাত সাড়ে ১টা ২৫ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পৌঁছান তিনি।

একটি গাড়িতে ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান ও একান্ত সহকারী অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসকে নিয়ে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ঢোকেন খালেদা জিয়া। আরেকটি বড় বাসে যান অন্য নেতারা।

ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে মধ্যরাতে ঘড়ির কাঁটা ১২টা ছোঁয়ার আগেই হাজারো মানুষ ফুল হাতে শহীদ মিনার অভিমুখী লাইনে দাঁড়ান। ভাষা শহীদ দিবস ভাবগাম্ভীর্য ও শান্তিপূর্ণভাবে পালনের লক্ষ্যে সোমবার সন্ধ্যা থেকেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারসহ পুরো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সাধারণের প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করা করা হয়।

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মিছিলে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর নির্দেশে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারান সালাম, রফিক, বরকত, শফিউরসহ নাম না-জানা অনেকে। এরপর বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেয় তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী। ভাষা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালে সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আসে বাংলাদেশের স্বাধীনতা। ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর এক ঘোষণায় ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে স্বীকৃতি পায়। ২১ ফেব্রুয়ারি দেশে সাধারণ ছুটির দিন। ভাষা শহীদদের স্মরণে এদিন জাতীয় পতাকা থাকবে অর্ধনমিত।

 




দায়িত্বকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি: সিইসি

11

পার্বত্যনিউজ ডেস্ক :

নবনিযুক্ত নির্বাচন কমিশন নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্বকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। একই সঙ্গে তার নিয়োগ নিয়ে বিএনপির প্রতিক্রিয়ার জবাবে তিনি বলেছেন, তারা কেন কিভাবে এসব মন্তব্য করেন, সেটা তাদের ব্যাপার। এ ব্যাপারে কোন প্রতিক্রিয়া বা মন্তব্য কোনটাই নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, আমরা এখনো চেয়ারেই বসিনি। তাই বিস্তারিত কিছু বলার সময়ও আসেনি। তবে এতটুকুই বলবো, আমরা আন্তরিক ভাবে কাজ করবো। দায়িত্বকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি। যাতে আমরা সার্থক হতে পারি।

বৃহস্পতিবার  সকালে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে জাতির শহীদ শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন সিইসি।

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৌঁছলে নব নিযুক্ত নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের স্বাগত জানান ঢাকার এসপি শাহ মিজান শাফিউর রহমান ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মজিবুর রহমান।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদার নেতৃত্বে অপর চার কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো.রফিকুল ইসলাম, বেগম কবিতা খানম, ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদৎ হোসেন শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন করেন। পরে স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইতেও সাক্ষর করেন তারা।




সিইসি হচ্ছেন আলী ইমাম মজুমদার অথবা কে এম নুরুল হুদা

1486387485
পার্বত্যনিউজ ডেস্ক : নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার ও সাবেক সচিব কে এম নুরুল হুদার নাম প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানা গেছে। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ১০ জনের নাম চূড়ান্ত করে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সার্চ কমিটির সদস্যরা।
বিশ্বস্থ সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই দু’জনের মধ্যে কেউ একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার হচ্ছেন। আর বাকি আটজনের মধ্য থেকে চারজনকে নির্বাচন কমিশনার করা হবে। তবে ওই আটজনের নাম এখনো জানা যায়নি।
কাজী রকিব উদ্দিন আহমদ নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শেষে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে নতুন সেই কমিশন দায়িত্ব নেবে; তাদের অধীনেই ২০১৯ সালের শুরুতে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে।
সব প্রক্রিয়া শেষে নির্ধারিত ৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নতুন নির্বাচন কমিশনের প্রজ্ঞাপন জারি হবে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আব্দুল ওয়াদুদ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।
আপিল বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে ছয় সদস‌্যের সার্চ কমিটি সোমবার সুপ্রিম কোর্ট জাজেস লাউঞ্জে প্রায় দুই ঘণ্টা বৈঠক করে ২০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা থেকে দশজনকে চূড়ান্ত করে।

সূত্র : ইত্তেফাক




সার্চ কমিটিতে নামের তালিকা জমা দিয়েছে আ’লীগ ও বিএনপি

51518_BNP copy

পার্বত্যনিউজ ডেস্ক:

নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতির গঠিত সার্চ কমিটিতে ৫ সদস্যের নামের তালিকা জমা দিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।

মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপ-সচিব বরাবর চিঠির মাধ্যমে নামের তালিকা জমা দেয় আওয়ামী লীগ।

এদিকে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপ-সচিব বরাবর চিঠির মাধ্যমে নামের তালিকা দুই সদস্যের প্রতিনিধি দলের মাধ্যমে নামের তালিকা জমা দেয় জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।

 বিএনপি প্রতিনিধি দলে ছিলেন সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ ও চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার।

এর আগে, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জাতীয় পার্টি, লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি), ইসলামী ঐক্যজোট, খেলাফত মজলিসসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল তাদের নামের তালিকা সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপ-সচিব বরাবর চিঠির মাধ্যমে জমা দেয়।




তিন পার্বত্য জেলায় নদী খনন ও স্থলবন্দর করার সিদ্ধান্ত

mistar pic-29.1.2017
নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান :
তিন পার্বত্য জেলায় নদীর নাব্য ফিরিয়ে আনতে খননের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে তিন জেলায় তিনটি স্থলবন্দর নির্মাণ করা হচ্ছে। রবিবার সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় নদীর সীমানা নির্ধারণ, নাব্য বৃদ্ধি এবং স্থলবন্দর নির্মাণ সংক্রান্ত সভা শেষে নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

মন্ত্রী বলেছেন, সভায় আমরা একমত হয়েছি পার্বত্য চট্টগ্রামের নদীগুলো খনন করে নাব্য ফিরিয়ে আনতে হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম বিআইডব্লিউটি মাধ্যমে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনও কার্যক্রম শুরু করবে। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা এ ব্যাপারে আমাদের সহায়তা করবেন।

পার্বত্যাঞ্চলের জনপ্রতনিধিদের নিয়ে নদী খননের উপায় নির্ধারণ করা হবে জানিয়ে শাজাহান খান বলেছেন, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের মাধ্যমে নদীর সীমানা নির্ধারণ করব। বিআইডব্লিউটি’র মাধ্যমে নদীর খনন কাজ শুরুর পর উত্তোলিত মাটি দিয়ে নদীর তীরবর্তী জায়গাগুলো ব্যবহার উপযোগী করা হবে।

নৌপরিবহন মন্ত্রীর সভাপতিত্বে সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী উ শৈ সিং, নৌপরিবহন সচিব অশোক মাধব রায়, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় সন্তু লারমা, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান মো. আতাহারুল ইসলাম, বিআইডব্লিউটি’র চেয়ারম্যান এম মোজাম্মেল হক ও তিন পার্বত্য জেলা (রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান) পরিষদের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কাচালং, মাইনি, কর্ণফুলী, ইছামতি, চেঙ্গি, মাতামুহুরী, সাঙ্গু, ফেনী, হালদাসহ পার্বত্য এলাকার অন্যান্য নদীগুলো খনন করা হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

তিনি বলেছেন, অনেক নদীর শাখা বা উপনদী আছে। আমরা দেখব সেগুলোর কোনগুলো খনন করা যায়। এজন্য পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের যে সহায়তা প্রয়োজন হবে তাও আমরা নেব।

খাগড়াছড়ির রামগড়ে একটি স্থলবন্দর নির্মাণ করা হবে জানিয়ে শাজাহান খান বলেছেন, রামগড়-সাব্রুম স্থল বন্দরের কাজ আমার শীঘ্রই শুরু করতে চাই। খাগড়াছড়ির পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান এ বিষয়ে ঐক্যমত পোষণ করেছেন।

এ ছাড়া বান্দরবানে ঘুমধুম স্থলবন্দর ও রাঙ্গামাটির থেগামুখ স্থলবন্দর স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেছেন, কীভাবে আমরা বন্দরগুলো করব, এজন্য আলোচনা চলছে।

সভায় জানানো হয়, প্রস্তাবিত ঘুমধুম স্থলবন্দরের অপরপাশে মিয়ানমার এবং থেগামুখ বন্দরের ওপাশে ভারতের মিজোরামের দেমাগ্রী এলাকা।

এ স্থলবন্দরের ফলে বাংলাদেশ কি সুবিধা পাবে- এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেছেন, মালামাল কিন্তু এমনি ওখানে আদান-প্রদান হয়। যেটা হয় অবৈধভাবে। এটা বৈধভাবে করলে উভয় দেশের রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে, ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ সৃষ্টি হবে। স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান হবে। মালামাল আনা-নেওয়ায় কোনো আইনগত অসুবিধায় তারা পড়বেন না।

বিশ্বব্যাংক স্টাডি করে এসব জায়গায় বন্দর করার জন্য মতামত দিয়েছে বলেও জানিয়েছেন শাজাহান খান।




পার্বত্যাঞ্চলে বিদ্যুতের উন্নয়নে ৫৬৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা বরাদ্দ

pm_ecnec

পার্বত্যনিউজ ডেস্ক : পার্বত্য তিন জেলায় বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ প্রায় ৮ হাজার ৮৭৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নয়টি প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এনইসি সম্মেলন কেন্দ্রে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেকের সভায় প্রকল্পগুলো অনুমোদিত হয়।

পরে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সাংবাদিকদের বলেন, নয় প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৭ হাজার ৩২৯ কোটি ১৬ লাখ টাকা যোগান দেয়া হবে। বাস্তবায়নকারী সংস্থা থেকে ৫০ কোটি ৯ লাখ টাকা এবং বিদেশি সহায়তা থেকে একহাজার ৪৯৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা পাওয়া যাবে।

একনেক সভায় যে সব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৬৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা।

অন্য প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে- চট্টগ্রাম পানি সরবরাহ উন্নয়ন ও স্যানিটেশন (১ হাজার ৮৯০ কোটি ৮৩ লাখ টাকা), গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (৪৫৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা), বাগেরহাট জেলায় ৮৩টি নদী, খাল পুনঃখনন এবং মংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেলের নাব্য বৃদ্ধি (৭০৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা)।

খামার যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি (২য় পর্যায়) প্রকল্প (৩৩৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকা), বিনার গবেষণা কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ এবং উপকেন্দ্রসমূহের উন্নয়ন (১৬০ কোটি ৫৬ লাখ টাকা), পল্লী সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ (৩ হাজার ৯২৬ কোটি ৭৬ লাখ টাকা), তথ্য ভবন নির্মাণ (৯৫ কোটি ৮৫ লাখ টাকা)।
এছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন নতুন সংযুক্ত শ্যামপুর, দনিয়া, মাতুয়াইল ও সারুলিয়া এলাকার সড়ক অবকাঠামো ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৩৪ কোটি ২ লাখ টাকা।

সূত্র : বিডিনিউজ

 




পার্বত্য চট্টগ্রামে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে তৎপরতা বাড়াতে সংসদীয় কমিটির সুপারিশ

জাতীয় সংসদ

সংসদ রিপোর্টার:

পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে তৎপরতা বাড়াতে সুপারিশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি। একই সাথে সকল রাজনৈতিক শক্তিগুলোকে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে কমিটির পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়।

গতকাল সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির ২১তম বৈঠক থেকে এ সুপারিশ করা হয়। কমিটি সভাপতি র. আ. ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী-এর সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উ শৈ সিং, উষাতন তালুকদার এবং এম, এ, আউয়াল।

বৈঠকে তিন পার্বত্য জেলার আইন-শৃঙ্খলা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পার্বত্য তিন অঞ্চলের ২১০টি বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করনের সিদ্ধান্ত গ্রহনের জন্য কমিটি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।

বৈঠকে কমিটি ২০১৪ সালের কেবিনেটের সিদ্ধান্ত মোতাবেক পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাধারণ ভবিষ্যৎ তহবিল এবং অবসর সুবিধা প্রদানের বিষয়ে পুন: সুপারিশ করা হয়।

পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে তৎপরতা বাড়াতে সুপারিশ করে কমিটি। একই সাথে সকল রাজনৈতিক শক্তিগুলোকে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে কমিটির পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়।

বৈঠকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ, মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




মধ্যরাতে ফের ভূমিকম্পের আঘাত বাংলাদেশে

ভূমিকম্প

নিজস্ব প্রতিনিধি:

১০ ঘণ্টা পার না হতেই ফের ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে বাংলাদেশে। প্রাথমিকভাবে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে ভূমিকম্পের কথা জানা গেছে। বুধবার (৪ জানুয়ারি) রাত ১২টা ৫৪ মিনিটের দিকে এ কম্পন অনুভূত হয়।

ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইএমএসসি ও ইউএসজিএস জানায়, ৫ দশমিক ১ মাত্রার এ ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল মায়ানমারের মাউলাইক থেকে ৩৮ কিলোমিটার দক্ষিণ দক্ষিণ পূর্বে। গভীরতা ভূপৃষ্ঠ থেকে ৯৩ দশমিক ২ কিলোমিটার।

এর আগে মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) বিকেল ৩টা ৯ মিনিটে ঢাকা থেকে ১৫৯ কিলোমিটার পূর্বে ত্রিপুরার লং তারাইয়ের মাছমারায় ভূমিকম্পের ‍উৎপত্তি। উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ৮ কিলোমিটার গভীরে।

ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ঢাকা থেকে ১৭২ কিলোমিটার দূরে ত্রিপুরার আমবাসায়। ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩৬ কিলোমিটার গভীরে ছিল ভূকম্পের কেন্দ্রস্থল।

সাম্প্রতিক সময়ে বেশ ঘনঘন ভূমিকম্প হচ্ছে বাংলাদেশসহ এই অঞ্চলে। বিশেষজ্ঞরা আশংকা করছেন, একটি বড় ভূ-কম্পনের ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ। ‍