চকরিয়ায় ওসমান হত্যা মামলার আসামী জিয়াবুল গ্রেফতার

চকরিয়া প্রতিনিধি
চকরিয়ায় ওসমান হত্যা মামলার আসামী দা বাহিনীর সদস্য জিয়াবুল হক ওরফে লাল জিয়াবুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃত লাল জিয়াবুল চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের পহরচাঁদা মছনিয়াকাটা গ্রামের ছিদ্দিক আহমদের পুত্র।

শুক্রবার ২৩ জুন বিকাল ৫টার দিকে বরইতলী গরুবাজার বড়ঘোনা এলাকায় থানার এসআই ও হারবাং পুলিশ ফাড়ির সহকারী ইনচার্জ আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ এ অভিযান চালায়।

পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের মছনিয়াকাটা এলাকায় বনভূমি জবর দখল,প্লট বিক্রি, দস্যুতাসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ে মহিউদ্দিন বাহিনীর সদস্য ওরপে দা বাহিনীর সদস্যরা। বিগত ২০১৫ সালে ওসমান গনি নামে এক ব্যক্তিকে হত্যা করে ওই দা বাহিনী। ওই হত্যা মামলার আসামী ধৃত লাল জিয়াবুল। তার বিরুদ্ধে আরো ৩টি মামলা রয়েছে।

চকরিয়া থানার ওসি বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানিয়েছেন, ধৃত জিয়াবুল প্রকাশ লাল জিয়াবুলকে শনিবার আদালতে পাঠানো হবে। অভিযুক্ত দা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।




চকরিয়ায় পুলিশের সহযোগিতায় প্রতিমা বালার জায়গা দখল প্রভাবশালীর

চকরিয়া প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের চকরিয়ায় প্রতিমা বালা নাথ নামের এক বৃদ্ধ মহিলার ক্রয়সূত্রে প্রায় ৩০ বছরের ভোগদখলীয় বিপুল পরিমাণ জায়গা জোরপূর্বক দখলে নিয়ে রাতারাতি ইমারত নির্মাণকাজ চালাচ্ছে প্রভাশালীরা।

বিরোধীয় এ জায়গায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা না মেনে এবং পুলিশের সহযোগিতায় দখলবাজ চক্র আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। জায়গা দখলে বাধা দেওয়ায় বৃদ্ধ প্রতিমা বালাকে মধ্যযুগীয় কায়দায় শারীরিক নির্যাতন চালানোরও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার রাতে বৃদ্ধ প্রতিমা বালা বাদী হয়ে দখলবাজ চক্রের ৬জনের নামে থানায় লিখিত এজাহার দিলেও বুধবার বিকেল পর্যন্ত তা মামলা হিসেবে নেওয়া হয়নি।

তবে পুলিশ বলেছে, প্রতিমা বালার ওপর যদি কেউ হামলা বা শারীরিক নির্যাতন করার ঘটনায় প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয় তাহলে মামলা নেওয়া হবে।

ডুলাহাজারা নাথপাড়ার বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, ডুলাহাজারা ইউনিয়নের উলুবুনিয়া গ্রামের জহির উল্লাহর ছেলে ছৈয়দ আহমদ সশস্ত্র একদল ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী নিয়ে গত একমাস ধরে প্রতিমা বালা নাথের ক্রয়কৃত এক কানি (৪০ শতাংশ) জমির অর্ধেকাংশ দখলে নিতে বেশ তৎপর হয়ে উঠে। এনিয়ে প্রতিমা বালা কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট’র আদালতে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে আবেদন করেন।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট খালি জায়গায় স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে উভয়পক্ষকে নির্দেশনা দিয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কাছ থেকে প্রতিবেদন এবং থানার ওসিকে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নির্দেশ দেন। কিন্তু ছৈয়দ আহমদ এসব নির্দেশনা অমান্য করে বিধবা মহিলার জায়গা দখলে নিতে আরো বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ছৈয়দ আহমদ এলাকায় আষ্ফালন করেন, পুলিশকে মোটা অংকের টাকা ম্যানেজ করা হয়েছে। শত চেষ্টা করলেও আমার এ কাজ বন্ধ করা যাবে না। দেখি হিন্দুদের কত ক্ষমতা আছে, আমার কাজে বাধা দেওয়ার।

প্রতিমা বালা নাথের ছোট ভাই বাদল কান্তি নাথ অভিযোগ করেন, প্রভাবশালী ছৈয়দ আহমদ তার বোনের ৩০ বছর আগের ক্রয়কৃত খালি জায়গা দখলে নিয়ে ইমারত নির্মাণকাজ তো চালাচ্ছেন কয়েকদিন ধরে।

গত মঙ্গলবার দুপুরে সশস্ত্র সন্ত্রাসী নিয়ে বোনের বসতবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর লুটপাটও চালিয়েছে তারা। এ সময় বাধা দেওয়ার চেষ্টা করায় বোন প্রতিমা বালা নাথকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করায় তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনা শত শত লোক দেখেছে।

মঙ্গলবার রাতে চকরিয়া থানায় প্রতিমা বালা বলেন, ‘৩০ বছর আগে আমি এক কানি জমি ক্রয় করার পর খতিয়ান সৃজনসহ সরকারি নানা খাজনাদি পরিশোধ করে অদ্যাবদি পর্যন্ত ভোগদখলে রয়েছি। কিন্তু আমার ক্রয়কৃত জমিতে গত কয়েকমাস আগে হঠাৎ করে এসে জায়গা দাবি করে ছৈয়দ আহমদ। এনিয়ে আমি আদালতের শরণাপন্ন হলেও সে কোন কিছুই মানছেন না। আমাকে জায়গা থেকে উচ্ছেদ করতে ছৈয়দ আহমদ সদলবলে সেখানে অবস্থান করে জোরপূর্বক জায়গা দখলে নিয়ে ইমারত নির্মাণ করছে। এতে বাধা দিতে গেলে আমাকে পিটিয়ে আহত করে তারা। আমার জাত ধরে গালিগালাজসহ হুমকি দেওয়া হয়।’

চকরিয়া উপজেলা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আইনজীবী লুৎফুল কবির বলেন, ‘পুলিশের অসহযোগিতার কারণেই অসহায় প্রতিমা বালার জায়গাটি জোরপূর্বক দখলে নিয়ে ইমারত নির্মাণ করতে পারছে। এজন্য দখলবাজ ছৈয়দ আহমদ দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার (এসআই) দেবব্রত রায়কে মোটা অংকের টাকায় ম্যানেজ করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘পুলিশ যদি আন্তরিক হতো তাহলে আজ প্রতিমার জায়গাটি বেদখল হতো না। জায়গা দখলে বাধা দেওয়ায় বৃদ্ধ প্রতিমাকে মারধর এবং হিন্দু সম্প্রদায়কে গালাগাল করার বিষয়টি থানার ওসিকে ব্যক্তিগতভাবে জানিয়েছি।’

অভিযোগ অস্বীকার করে থানার এসআই দেবব্রত রায় বলেন, ‘প্রতিমা বালাকে থানায় বৈঠকে ডাকলেও উপস্থিত হন না। এতে আমার কিছুই করার নেই।’

বিধবা প্রতিমা বালার ক্রয়কৃত জায়গা দখলে অভিযুক্ত ছৈয়দ আহমদ বলেন, ‘আমি একবছর আগে ওই জায়গা ক্রয় করেছি। আমার ক্রয়কৃত জায়গায় ইমারত নির্মাণকাজ চালাচ্ছি। এখানে কোন হিন্দু মহিলার জায়গা দখলে নেওয়া হয়নি এবং কাউকে মারধরও করিনি।’

ছৈয়দ বলেন, ‘আমি যা করছি তার সবকিছুই থানার অফিসার দেবব্রত স্যার জানেন। মঙ্গলবার রাতেও থানায় গিয়ে স্যারের সঙ্গে দেখা করেছি।’

এ ব্যাপারে চকরিয়া থানার ওসি মো. বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘প্রতিমা বালাকে কেউ মারধর করার বিষয়টি সত্য হয় তাহলে তদন্তপূর্বক ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাছাড়া শুরু থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার দেবব্রত রায়ের পরিবর্তে প্রতিমাকে মারধরের বিষয়টি তদন্তের জন্য নতুন একজন অফিসারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’




চকরিয়ার পিডিবি ও পৌরসভার ২০ লাখ টাকার বিদ্যুৎ চুরি

চকরিয়া প্রতিনিধি :
চকরিয়ায় পিডিবি ও পৌরসভার প্রায় ২০ লাখ টাকার বিদ্যুৎ চুরির অভিযোগে দুইটি টমটম চার্জ গ্যারেজের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে পিডিবি চকরিয়ার আবাসিক প্রকৌশলী। ২০ জুন বিকাল ৪টার দিকে পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের শমসেরপাড়া ও ৩নং ওয়ার্ডের সিটা মাহবুর বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান চালায়।

জানাগেছে, চকরিয়া পৌরসভা ২নং ওয়ার্ডের শমসেরপাড়া গ্রামের বাদশা মিয়ার পুত্র বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড চকরিয়ার গ্রাহক আ.ন.ম সালাম এর লাবিব ট্রেডার্স নামীয় টমটম চার্জিং হিসাব নং ই/৩৮৫৫, গ্রাহক নং ২৬৯১৪৫৩১ এবং হিসাব নং ই/৪৩৬৮, গ্রাহক নং ২৬৯৬০৯৭৮ দুইটি বিদ্যুতের মিটার নেন। কিন্তু বিগত ২ বছর ধরে সরকারকে নামমাত্র বিদ্যুত চার্জ বিল দিয়ে কোটি টাকার সরকারি বিদ্যুৎ হাতিয়ে নিয়েছেন।

পিডিবি চকরিয়ার আবাসিক প্রকৌশলী ফয়জুল আলিম আলো জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ গ্রাহক আ.ন.ম সালাম বিগত ৬ মাস ধরে টমটম গাড়ী চার্জ দেওয়ার জন্য প্রতিদিন ২ কিলো বিদ্যুত করে আসলেও প্রতিদিন বিদ্যুৎ ব্যবহার করছেন ৩২টি পয়েন্টে ৫১২ কিলো। এর ধারাবাহিকতায় ৬ মাসে বিদ্যুৎ ইউনিটের পরিমাণ ৩৬৮০০ ইউনিট বিদ্যাৎ ব্যবহারের কথা থাকলেও তিনি অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছেন ৯২১৬০ ইউনিট। ওই হিসেবে পিডিবি থেকে ৯ লক্ষ ৬০,৬৭৪ টাকার বিদ্যুৎ চুরি করেন।

জানাগেছে, চকরিয়া পৌরসভার সড়ক বাতির লাইনের শেষ স্প্যান সুকৌশলে কেটে রেখে পিডিবির প্রথম ফেইজের সাথে টমটম চার্জিং তার সংযুক্ত করে। এমনকি পৌরসভার শেষাংশের লাইটটি একটি আলাদা সুইচের মাধ্যমে অবৈধ সংযোগ পরিচালনা করে আসছে অভিযুক্ত সালাম। এ বিষয়টি অবগত হওয়ার পর পিডিবি ও পৌরসভা কর্তৃপক্ষ অভিযান চালিয়ে অবৈধ ও চুরি করা বিদ্যুৎ সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন এবং মিটার জব্দ করেন।

অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন পিডিবি চকরিয়ার আবাসিক প্রকৌশলী ফয়জুল আলিম আলো, পৌরসভার প্যানেল মেয়র বশিরুল আইয়ুব, পৌরসভার সচিব মাসউদ মোর্শেদ, পৌর ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেজাউল করিম, পিডিবি উপসহকারী প্রকৌশলী সাজ্জাদ ও পৌর সড়ক বাতি লাইনম্যান মো: ফরিদসহ স্থানীয় লোকজন। পিডিবির পক্ষ থেকে জরিমানাসহ মামলার প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে জানাগেছে।

এদিকে চকরিয়া পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরী জানিয়েছেন, বিগত ৬ মাসে পিডিবি’র ১০ লক্ষাধিক টাকার বিদ্যুৎ চুরির পাশাপাশি, বিগত ২বছরে পৌরসভার সড়ক বাতি বিদ্যুৎ লাইন থেকে সুকৌশলে অন্তত আরো ১০ লক্ষাধিক টাকার বিদ্যুৎ চুরি করেছে আনম সালাম গং। পৌরসভা কর্তৃপক্ষ আনম সালাম গংয়ের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন।




চকরিয়া মোহনা শিল্পী গোষ্টীর ইফতার মাহফিল সম্পন্ন


চকরিয়া প্রতিনিধি:
কক্সবাজার জেলায় সুষ্ঠু ধারায় সাড়া জাগানো অন্যতম অরাজনৈতিক সাংস্কৃতিক সংগঠন চকরিয়া মোহনা শিল্পী গোষ্টীর উদ্যোগে এবং ফজলুল আরাফাহ ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় পবিত্র মাহে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা ও  ইফতার মাহফিল ১৯ জুন চিরিংগা মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মোহনা শিল্পী গোষ্টীর সাবেক সভাপতি ও অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এমএমএইচ ইয়াসির আরাফাত চৌধুরীর সভাপতিত্বে, সাধারণ সম্পাদক শিল্পী নাঈম ছোবহান নয়ন ও শিল্পী জাহেদুল ইসলামের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন চকরিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও মোহনা শিল্পী গোষ্টীর প্রতিষ্ঠাতা আবদুল মজিদ। তিনি ২০০৪ সালে মোহনা শিল্পী গোষ্টী প্রতিষ্ঠার ইতিকথা তুলে ধরেন এবং ইসলামী ভাবধারায় সুষ্ঠু সংস্কৃতির বিষয়ে বিষদ আলোচনা করেন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লি: চিরিংগা শাখার এসিষ্ট্যান্ট ম্যানেজার মো. আবু তালেব, চট্টগ্রামের আল মদিনা শিল্পী গোষ্টীর পরিচালক শিল্পী আসহাব উদ্দিন আজাদ, চট্টগ্রাম অঙ্গীকার শিল্পী গোষ্টীর পরিচালক ও মোহনা শিল্পী গোষ্টীর প্রধান প্রশিক্ষক শিল্পী খলিল উল্লাহ সোহাগ, সম্মানীত মেহমান ছিলেন চকরিয়া সাহারবিল আনওয়ারুল উলুম কামিল মাদরাসার প্রভাষক মাওলানা আ.ফ.ম ইকবাল হাসান, শিল্পী আশরাফ হোছাইনসহ অসংখ্য শিল্পী এবং গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।




চকরিয়া থানার ওসিকে বেস্ট অফিসার ইনচার্জ হিসেবে সম্মাননা প্রদান


চকরিয়া প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ পুলিশ কক্সবাজারের চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী অপরাধ নিয়ন্ত্রণমূলক কার্যক্রম ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ “বেস্ট অফিসার ইনচার্জ” হিসেবে সম্মাননা পেয়েছেন। তিনি জেলা পুলিশের আয়োজনে পুলিশ লাইন্স সম্মেলন কক্ষে “মাসিক কল্যান ও অপরাধ” সভা অনুষ্ঠানে তাকে এ সম্মাননা দেয়া হয়।

ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার ড. একেএম ইকবাল হোসেন। আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপারেশন) মো. আফরুজুল হক টুটুল, সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মতিউল ইসলাম।

এ সময় পুলিশ লাইন্স, জেলার বিভিন্ন থানা ও ফাঁড়ির অফিসার ও ফোর্স উপস্থিত ছিলেন। সভায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণ মূলক কার্যক্রম, কর্মদক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক, সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ চারটি ক্যাটাগরিতে চার চৌকষ পুলিশ কর্মকর্তাকে এ সম্মাননা(এ্যাওয়াড) প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য, পুলিশের কর্মদক্ষতায়  চার ক্যাটাগরির মধ্যে তিনটি ক্যাটাগরি চকরিয়া থানা এ গৌরব অর্জন করেন। বেস্ট আর্মস পুলিশ অফিসারের সম্মাননা পেয়েছেন চকরিয়া থানার উপ-পরিদর্শক(এস আই) আশরাফুল ইসলাম ও বেস্ট ওয়ারেন্ট পুলিশ অফিসার সম্মাননা পেলেন চকরিয়া থানার উপ-সহকারী পরিদর্শক(এ এস আই) মো. নাজিম উদ্দিন।




লক্ষ্যারচর আওয়ামীলীগের ইফতার পাটি


চকরিয়া প্রতিনিধি :
চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম বলেছেন, আওয়ামীলীগের ভেতর খন্দকার মোস্তাকের অনুসারীরা বহাল তবিয়তে ছিলো বলেই সেইদিন বাঙ্গালী জাতির স্বপ্নদ্রষ্টা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্ব-পরিবারে শাহাদাৎ বরণ করতে হয়েছিলো। জাতির পিতাকে হত্যার পর খুনী চক্র পেছনের দরজায় ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেন। কিন্তু তাদের সেই খায়েশ বেশি দিন পুরণ হয়নি। বাঙ্গালী জাতি আবারো গর্জে উঠে সেই হায়েনাদের বিতাড়িত করতে, সফলও হয়েছে।

তিনি বলেন, অনেক ঘাত প্রতিঘাত অতিক্রম করে জাতির পিতার সুযোগ্য উত্তরসুরী দেশরত্ম শেখ হাসিনা বাংলাদেশে এসে কোটি মানুষের অনুপ্রেরণায় আওয়ামীলীগের হাল ধরেন। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ সব ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে, বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময় রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। রোববার বিকেলে চকরিয়া উপজেলার লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আয়োজিত ইফতার পাটি ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ইউনিয়নের ছিকলঘাটস্থ আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয়ে লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি রেজাউল করিম সেলিমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক খ.ম বুলেটের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ফাসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাবেক ছাত্রনেতা সরওয়ার আলম, সহ-সভাপতি মোক্তার আহমদ চৌধুরী, বাবু এমআর চৌধুরী, ছৈয়দ আলম কমিশনার, যুগ্ম সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা জামাল উদ্দিন জয়নাল, বিএমচর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বদিউল আলম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাকারা ইউপি চেয়ারম্যান শওকত ওসমান, সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক মিজবাউল হক, উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য নুরুল আবছার সওদাগর, বন ও পরিবেশ সম্পাদক সাহাব উদ্দিন, প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ মুছা (দুবাই), সদস্য সামসুল আলম, আবছার উদ্দিন মাহমুদ। বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন নোমান, জাফর আলম, আমান উল্লাহ আমান, যুগ্ম সম্পাদক কামাল উদ্দিন, শ্রম সম্পাদক আইযুব ড্রাইভার, প্রচার সম্পাদক আজহার উদ্দিন, উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তারেকুল ইসলাম চৌধুরী, অহিদুজ্জামান অহিদ, ইউপি মেম্বার সোহরাব হোসেন নান্নু,  উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আরিফুল ইসলাম চৌধুরী, ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক মইনউদ্দিন, আকবর হোসেন, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা ফরহাদ হোসেন, নয়ন, কৃষকলীগ নেতা মহিউদ্দিন, ছাত্রলীগ নেতা জাবেদ হোসেন ইরফান, সাদ্দাম হোসেন, মুরাদুল করিম সিপাত প্রমুখ।

এছাড়াও অনুষ্টানে উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগসহ সহযোগি সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের কয়েকজন জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে উপস্থিত সকলের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।




চকরিয়ার ৪২০ একর চিংড়ি প্রকল্প ইজারা নবায়নে হাইকোর্টের স্থহিতাদেশ

চকরিয়া প্রতিনিধি:
চকরিয়ার রামপুর মৌজার চিংড়ি জোনের ৪২০একর প্লট নিয়ে ১৫টি রীট মামলার আলোকে অবশেষে নতুন ইজারা বাতিল ও পূর্বের ইজারা গ্রহীতাদের বৈধতা দিয়েছে হাইকোর্ট।

রামপুর মৌজার বি.এস. ২০১০ দাগের ৪২০ একর চিংড়ি প্লট নিয়ে পৃথক ১৫টি রীট মামলায় চলতি ১ জুন হাইকোর্টের মহামান্য বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি আতাউর রহমান খানের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশনাল ব্যাঞ্চে শুনানী অনুষ্টিত হয়। শুনানী শেষে মহামান্য হাইকোর্ট বর্তমান ইজারা গ্রহীতার রীট আবেদনে দেয়া রুল এবশ্লিউট করেন। ইতিপূর্বে ৪২০ একর প্লটের ইজারা গ্রহীতার ৭২৯/২০১১ ইং নং রীট মামলায় বিগত ২০ ফেব্রুয়ারী’১৩ইং রায় প্রদান করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে উক্ত রায় প্রাপ্তির এক মাসের মধ্যে নবায়ন চুক্তিনামা সম্পাদনের আদেশ দেন। কিন্তু অদ্যাবদি মহামান্য হাই কোর্টের রায় বাস্তবায়ন করা হয়নি মর্মে ভূক্তভোগী রীট আবেদন কারী শাহাব উদ্দিন জানান।

অনুসন্ধানে জানাগেছে, ১৯৮৫-৮৬ সালে ৪২০ একর জমি ২০ একর করে ২১ জন জলদাশের নামে ইজারা প্রদান করা হয়। উক্ত ৪২০ একর জমি জলদাশ গং সাবলীজ প্রদান করেন। পরবর্তীতে জলদাশ গং এর সাথে সাবলীজ গ্রহীতার বিরোধ হলে সাবলীজ গ্রহীতা সহকারী জজ আদালত, চকরিয়া-এ  অপর ২২/৯১ ইং মামলা দায়ের করেন।উক্ত মামরায় ইজারচুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে সাব লীজ প্রদান করায় জলদাশ গংএর লীজ বাতিল করা হয় এবং সরকারকে উক্ত ৪২০ একর জমি দখলে নেয়ার আদেশ প্রদান করা হয়। উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে জলদাশ গং অপর আপীল মামলা নং – ৪৫/৯২ ইং দায়ের করিলে ১ম সাবজজ আদালত কক্সবাজার নিম্ন আদালতের দেয়া রায় বহাল রাখেন। ১ম সাবজজ আদালত কক্সবাজারের রায়ের বিরুদ্ধে জলদাশ গং মহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশনে সিভিল রিভিশন মামলা নং-১১৫৯/৯৫ ইং দায়ের করিলে উক্ত মামলায় ও নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখা হয়। আদালতের রায়ের ভিত্তিতে ভূমি মন্ত্রনালয় ১৯৯৩ সালের ৭ নভেস্বর ৮৬৪ নং স্বারক মূলে জলদাশ গংয়ের ইজারা বাতিল করেন।

জলদাশ গং লীজমানি বকেয়া রাখায় তাদের বিরুদ্ধে পৃথক ২১টি সার্টিফিকেট মামলা রুজু করা হয়। লীজ মানির পরিমান বর্তমানে ২১ কোটি টাকার বেশী। জলদাশ গংয়ের ইজারা বাতিলের পর ৪২০ একর জমি সরকারী নীতিমাল মোতাবেক শাহার উদ্দিন সহ অপর ৩৬ জন কে ইজার প্রদান করা হয়। শাহাব উদ্দিন গংয়ের ইজারার বিরুদ্ধে জলদাশ গং আবার মহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশনে রীট মামলা নং-২৪৬/৯৬ ইং দায়ের করেন। পরবর্তীতে শাহাব উদ্দিন গং ও পৃথক রীট মামলা নং-৪৫৯৮/৯৭ ইং দায়ের করেন। এ রীট মামলা দুটি একই সময়ে শুনানী অনুষ্টিত হলে মহামান্য হাইকোর্ট জলদাশ গং এর ২৪৬/৯৬ ইং মামলা খারিজ করেন এবং শাহাব উদ্দিন গং এর ৪৫৯৮/৯৭ইং মামলা এবশ্লিউট করেন। জলদাশ গং মহামান্য হাইকোর্টের উবয় আদেশের বিরুদ্ধে সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের লীভ টু আপীল মামলা নং-৫৩৫/৯৯ ইং এবং ৫৩৬/৯৯ইং দায়ের করিলে উক্ত লীভ টু আপীল মামলাদ্বয়ের কোন মেরিট নাই মর্মে আদেশ প্রদান করা হয় এবং লীভ টু আপীল খারিজ করা হয়।

এদিকে ২০১০ সালে শাহাব উদ্দিন গংয়ের ইজারার মেয়াদ শেষ হলে জলদাশ গং সমস্ত তথ্য উপাত্ত রেখে পূনরায় ৪২০ একর জমি ইজারা পাওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকে। শাহাব উদ্দিন গংয়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক ইজারার মেয়াদ ২০১১ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বৃদ্ধি করেন। কিন্তু চুক্তি সম্পাদন না হওয়ায় শাহাব উদ্দিন গং আবার মহামান্য হাইকোর্টে রীট মামলা দায়ের করিলে ওই রীট মামলা সমূহে স্টেটাসকো প্রদান করেন এবং সরকারের প্রতি রুল জারি করা হয়। পরবর্তীতে ওই ১৫ টি রীট মামলায় জলদাশ গং ও পক্ষ ভূক্ত হয়।

রীট আবেদন কারী হাসান মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন মহামান্য হাই কোর্টের এই রায় দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্টার ক্ষেত্রে একটি মাইল ফলক হয়ে থাকবে। এতে জলদাশ গংয়ের বেআইনি অপতৎপরতার পথ রুদ্ধ হবে।

তিনি আরো বলেন হাইকোর্টের রায়ের আলোকে ৪২০ একর চিংড়ী প্লটের ইজারা গ্রহীতাগনের ইজারা নবায়ন করত : বিভিন্ন হয়রানি ও জলদাশ গংয়ের বেআইনি অপতৎপরতা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কক্সবাজারের জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। যাতে করে নিরীহ চিংড়ী চাষীগণ নিরবিচ্ছিন্ন চিংড়ী চাষের মাধ্যমে দেশের চলমান অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখতে পারে। এবং কোটি টাকা লীজমানি বকেয়া রাখার দায়ে জলদাশ গংয়ের বিরুদ্ধে ১৯৯৫-৯৬ সালে দায়ের হওয়া সার্টিফিকেট মামলাগুলো নিস্পত্তি করে সরকারী রাজস্ব আদায়ের জোর দাবী জানাচ্ছেন।




চকরিয়ায় ফজলুল আরাফাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বন্যা দূর্গত পরিবারে ত্রাণ বিতরণ

 

চকরিয়া প্রতিনিধি:

চকরিয়ায় সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় মোরা ও ঘূর্ণিঝড় অক্ষি’র আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত বন্যাদূর্গত পরিবারের মাঝে ফজলুল আরাফাহ্ ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে ১৭ জুন দুপুর ১২টায় ত্রাণ হিসেবে চাউল বিতরণ করা হয়েছে।

কয়েক শতাধিক পরিবার দুর্দিনে এসব ত্রাণ সামগ্রী পেয়ে খুবই খুশি। ত্রাণ বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আবদুল মজিদ, চিরিংগা হক মার্কেট ব্যবসায়ী নেতা মো. আবুল কালাম, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সহপ্রচার সম্পাদক ও ফজলুল আরাফাহ ফাউন্ডেশন চকরিয়া উপজেলা সভাপতি মো. আবুল হাসেম, এম জসিম উদ্দিন, শিমুল, মামুন, রাশেদ, সোহেল, শিল্পী রায়হানসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন ফজলুল আরাফাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও চকরিয়া মোহনা শিল্পী গোষ্ঠীর উপপ্রধান উপদেষ্টা সমাজ সেবক আলহাজ্জ মোহাম্মদ এহেছান।

এছাড়াও বার্ষিক অনুষ্ঠান ও ইছালে ছাওয়াব উপলক্ষ্যে সকালে পবিত্র খতমে কোরআন, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৯ জুন (সোমবার) বিকাল ৪টায় চিরিংগা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। ব্যবস্থাপনায় থাকবে চকরিয়া মোহনা শিল্পী গোষ্ঠী।




চকরিয়া নিউ মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড


চকরিয়া প্রতিনিধি:
চকরিয়া পৌর শহরের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নিউ মার্কেট ও সুপার মার্কেটে ১৫ জুন রাত ১০টার দিকে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ অগ্নিকান্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অগ্নিকান্ডের ঈদ সামগ্রী ক্রয়ে আসা শতশত ক্রেতা দিক-বেদিক ছুটাছুটি করেছে। দুই মার্কেটে আগুনের কালো ধোয়ায় পরিবেশ নষ্ট হয়ে যায়।

রাত অনুমানিক ১০টার দিকে নিউ মার্কেটের ২য় তলার মধ্যখানের গলির ভেতরে একটি ছোট কুলিং কর্ণারে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। ওই সময় আগুনের লেলিহান শিখা ও কালো ধোয়া মার্কেটের অলি-গলিতে ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে চকরিয়ার ফায়ার সার্ভিস নিউ মার্কেট এলাকায় পৌছে উপর্যপুরী পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে এসে চকরিয়া থানা পুলিশের একটি দল। ততক্ষণে চকরিয়ার মহাসড়কে নিউ মার্কেট এলাকায় হাজার হাজার জনতা ভীড় জমায়। তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাহেদুল ইসলাম, থানার ওসি মো. বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী।

চকরিয়া ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি রেজাউল হক সওদাগর জানিয়েছেন, অগ্নিকান্ডের ফলে ঈদ বিক্রয় উৎসবে ঈদ সামগ্রী ক্রয় করতে নিউ মার্কেট ও সুপার মার্কেটে দুর-দুরান্ত থেকে আসা লোকজন দিক-বেদিক ছুটাছুটি করে। এছাড়াও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে অনেক পন্য-কাপড়ছোপড় নষ্ট হয়েছে। ফলে অন্তত ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে এবং অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত দোকানে ৩ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।

চকরিয়া থানার ওসি বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানিয়েছেন, দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পেয়েছে চকরিয়ার নিউ মার্কেট।




চকরিয়ায় সাধন সুশীল হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মনছুর গ্রেফতার

 

চকরিয়া প্রতিনিধি:

চকরিয়া উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নের সাধন চন্দ্র সুশীল হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশের অভিযানে এজাহারভুক্ত আসামি মনছুর আলমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও চকরিয়া থানার এসআই কাওছার উদ্দিন চৌধুরী গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই আসামিকে উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নের পশ্চিম মাইজঘোনা এলাকা থেকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃত মনছুর আলম ওই এলাকার মৃত আক্কাস আহমদের ছেলে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও চকরিয়া থানার এসআই কাওছার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, সাধন হত্যা মামলায় ইতোমধ্যে গ্রেফতার হওয়া আসামি সিরাজুল মোস্তাফা জামাল চকরিয়া উপজেলা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়ে ঘটনার দায় স্বীকার করেন। ওইসময় আদালতের কাছে আসামি মোস্তাফা জামাল হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় কারা অংশ নেয় এবং কেন তাকে হত্যা করা হয়েছে তার বিশদ বর্ণনা দেন।

তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামি মোস্তাফা জামালের স্বীকারোক্তি মতে মামলার এজাহার নামীয় আসামি মনছুর আলমকে গতকাল দুপুরে অভিযান চালিয়ে সাহারবিল ইউনিয়নের পশ্চিম মাইজঘোনা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

জানা যায়, গত ৯ মে রাতে উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়ন পরিষদের পাশের মরিচ খেত থেকে উদ্ধার করা হয় সাধন চন্দু সুশীলের গলিত লাশ। এ ঘটনায় থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি হত্যা মামলা রুজু করা হয়।