চকরিয়ায় পর্যটকবাহী মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিহত ৪, আহত ৮

Untitled-1 copy
চকরিয়া প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের চকরিয়ায় হারবং গয়ালমারা নামক স্থানে পর্যটকবাহী একটি মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নারীসহ চারজন নিহত হয়েছে। এতে আহত হয়েছে আরও সাতজন পর্যটক। শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ার হারবাং ইউনিয়নের উত্তর হারবাং গয়ালমারা এলাকায় এ মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, বগুড়া জেলার মান্দা উপজেলার মো. জিকুর স্ত্রী আয়েশা আক্তার শিল্পী (২০), তার বোন মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার কাহের পাড়ার আসাদুজ্জামান বাপ্পির স্ত্রীর কুলসুমা আক্তার সুমি (২৫), মাইক্রোবাস চালক ঢাকার বাসাবো এলাকার আয়েত আলীর পুত্র আমির হোসেন (৩৫) ও গোলাম কিবরিয়া (৪০) নামের অপর একজন।

আহতরা হলেন, চট্টগ্রাম মেডিক্যালে ভর্তি ঢাকার সংসদ ভবন সংলগ্ন কদমতলার মোহাম্মদ সজলের পুত্র ইব্রাহিম হোসেন আপন (২) ও বাসাবো এলাকার উজ্জ্বল আহমদের স্ত্রী খাদিজা আক্তার (২৭)। চকরিয়া হাসপাতালে ভর্তিরতরা হলেন নিহত কুলসুমার স্বামী আসাদুজ্জাম বাপ্পি (২৮), কদমতলার নুরুল ইসলামের ছেলে মোহাম্মদ সজল (২৮), তার ভাই মোহাম্মদ কাজল (২৯), একই এলাকার মোহাম্মদ জহির (৩২) ও মোহাম্মদ সেলিমের ছেলে সজল মিয়া (১৯) ও ঢাকার দোহারের আলতাফ বেপারীর ছেলে মোহাম্মদ বাবু (২২)। হতাহতরা সবাই বর্তমানে ঢাকার রায়েরবাজার এলাকায় বসবাস করতেন।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মহাসড়কের মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা মানসিক ভারসাম্যহীন একজন লোককে বাঁচাতে গিয়েই পর্যটকবাহী মাইক্রোবাসটি সড়ক থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে গাছের সাথে ধাক্কা খায়। এতে দুই নারীসহ চারজন নিহত ও আটজন আহত হয়।

আহতদের স্থানীয়দের সহায়তায় মুমূর্ষ অবস্থায় চকরিয়া পৌরশহরের জমজম হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কা জনক হওয়ায় তাদেরকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

মহাসড়কের চিরিঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ আবুল হাসেম মজুমদার সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত ও আটজন আহত হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘খবর পাওয়া মাত্রই দ্রুত অকুস্থল থেকে হতাহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। দুর্ঘটনায় পতিত গাড়িটি উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের ভাষ্যানুযায়ী মানসিক বিকারগ্রস্ত একজন লোককে বাঁচাতে গিয়ে মাইক্রোবাসটির চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে দুর্ঘটনাটি ঘটে।’




চকরিয়ার নিহত লে.কর্ণেল আইয়ুব কাইছারের নামে কক্সবাজার বিমানবন্দর নামকরণের দাবি

বিজিবি দরবার হল পিলখানা ট্টাজেডির ৮ বছর পূর্তি 

Chakaria Picture 24-02-2017

নিজস্ব প্রতিনিধি, কক্সবাজার:
২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী ঢাকার বিডিআর (বিজিবি) দরবার হল পিলখানা ট্টাজেডির ৮ বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ। নারকীয় এই হত্যাযজ্ঞে সেনাবাহিনী চৌকষ অন্য সদস্যদের সাথে ওইদিন দরবার হলে নিহত হন কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার ৪নম্বর ওয়ার্ডের ভরামুহুরী গ্রামের কৃতি সন্তান শহীদ লে. কর্নেল আবু মুছা মো. আইয়ুব কাইছার।

পিলখানা ট্রাজেডির পর থেকে পরিবার সদস্যরা প্রতিবছরই প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনার কাছে দাবি জানিয়ে আসছেন কক্সবাজার বিমানবন্দরকে কর্ণেল আইয়ুব কাইছারের নামে নামকরণের জন্য। কিন্তু তাদের এই দাবি বারবার উপেক্ষিত থাকছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আইয়ুব কাইছারের বড়ভাই প্রকৌশলী আলহাজ মো. জহুরুল মওলা ও মেঝভাই মো.এনামুল হক।

তাঁরা চকরিয়ার স্থানীয় সাংবাদিকদের মাধ্যমে সরকার প্রধানসহ সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি জানানোর পাশাপাশি নারকীয় ঘটনায় নিহত সকল সেনাকর্মকর্তা ও সদস্যদের অবদানের কথা স্মরণ করে বিডিআর দরবার হলকে শহীদ যাদুঘর হিসেবে ঘোষনাও দাবি করেছেন। একই সাথে পিলখানা ট্টাডেটিতে নিহত সকল শহীদের স্ত্রী, পুত্র ও কন্যা এবং পরিবারের অন্য সদস্যদেরও সরকারীভাবে সহযোগিতা করার জন্য সরকারের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।

এদিকে পিলখানা দিবস উপলক্ষে মরহুম আইয়ুব কাউছারের পরিবার তার স্বরণে গ্রামের বাড়িতে নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। তারমধ্যে এদিন সকালে বাড়িতে খতমে কোরান, মিলাদ মাহফিল, দু:স্থদের মাঝে খাবার বিতরণ, বিকেলে সামাজিক মসজিদের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

লে.কর্ণেল আইয়ুব কাইছারের ভাই মো.এনামুল হক বলেন, তৎকালিন সেনা প্রধান মঈন উ আহমদের দূরদর্শীতার অভাবে বিডিআর বিদ্রোহে বাংলাদেশের গর্ব ৫৮জন চৌকস উর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাসহ ৬০ জনকে অকালে প্রাণ দিতে হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেছেন, এঘটনার পর ৮বছর সময় পেরিয়ে গেলেও স্ত্রী, সন্তান ছাড়া পরিবারের অন্য সদস্যরা সরকারের কোন ধরণের ন্যূনতম সুযোগ সুবিধা পায়নি। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, কর্ণেল আইয়ুব কাইছারকে সেনা বাহিনীর এতবড় পদে পৌছাঁনোর পেছনে পরিবার সদস্যরা (ভাই-বোনের) সর্বোচ্চ চেষ্টা ছিল। কিন্তু মর্মান্তিক এ ঘটনার পর পরিবারের (ভাই-বোনদের) প্রতি এতটুকু সমবেদনা বা সহমর্মিতা জানানোর প্রয়োজনও মনে করেনি সংশ্লিষ্ট মহল।

জানা গেছে, লে. কর্নেল আবু মুছা মো. আইয়ুব কাইছারের জন্ম কক্সবাজার জেলার চকরিয়া পৌরসভার ৪নম্বর ওয়ার্ডের ভরামুহুরী এলাকায় সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে। ওই গ্রামের মরহুম মাওলানা আবদুল খালেকের ৮ ছেলে-মেয়েদের মধ্যে তিনি ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ। ১৯৬২ সালের ১৬ ডিসেম্বর তার জন্ম।

লেখাপড়া শেষে ১৯৮৩ সালের ১০ জুন তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার্সকোরে যোগদান করেন। স্বীয় পেশায় অসাধারণ কর্মদক্ষতার কারনে মাত্র ৬বছরে তিনি মেজর পদে পদোন্নতি পান। ২০০৩ সালে তিনি লে.কর্ণেল পদে অভিষিক্ত হন। চাকুরী জীবনে তিনি শান্তি মিশনে কুয়েত, মালয়েশিয়া, সৌদিআরব, সিঙ্গাপুর, শ্রীলংকা ও থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রে ছিলেন। সর্বশেষ ২০০৯ সালে তিনি বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় রক্ষানাবেক্ষন ও নির্মাণ শাখায় (একিউএমজি) পদে কর্মরত ছিলেন।

পারিবারিক সুত্র জানায়, বর্তমানে শহীদ লে.কর্ণেল আইয়ুব কাইছারের স্ত্রী মুশরাত জাহান পিনু তাদের দুই মেয়ে কারিশা মুশরাত ও জাফারিয়া কাইছারকে নিয়ে ঢাকায় সরকারীভাবে বরাদ্ধপ্রাপ্ত বাড়িতে বসবাস করে আসছেন।

লে.কর্ণেল আইয়ুব কাইছারের বড়ভাই প্রকৌশলী জহুরুল মাওলা বলেন, আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনার পর কর্ণেল আইয়ুব কাইছারের নামে কক্সবাজার বিমানবন্দরকে নাম করণের দাবি জানিয়ে আসছি। পাশাপাশি চকরিয়া উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে দাবি জানাচ্ছি। আইয়ুব কাইছারের স্মৃতি রক্ষার্থে তার নামে পৌরসভার ৪নম্বর ওয়ার্ডের সবুজবাগ-থানা সেন্টার সড়কটি নামকরণ করে সহসা প্রতিবন্ধকতামুক্ত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য।

তিনি বলেন, সড়কটি চালু করা গেলে পৌরসভার কয়েক হাজার বাসিন্দা চলাচলে যেমন সুফল পাবে, তেমনকি আইয়ুব কাইছারের একটি স্মৃতি অন্তত পক্ষে জন্মভুমিতে প্রতিষ্টা পাবে। এ জন্য সংশ্লিষ্টদের ইতিবাচক ভুমিকা প্রত্যাশা করেন পরিবার সদস্যরা।




পঞ্চম শ্রেণীর শিশুকে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারন

শিশু ধর্ষণ

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা হারবাং এর শান্তি নগর পাড়ায় ১১ বছর বয়সী ৫ শ্রেণীর এক কন্যা শিশুকে ধর্ষণ শেষে ভিডিও ধারন করেছে জসিম উদ্দিন প্রকাশ কুপা শমশু (৩২) নামে মাদকাসক্ত এক ব্যক্তি। আর ওই ভিডিও নিয়ে ধর্ষিতার মাকে হুমকি দিচ্ছে তার সাথে ওই শিশুর বিয়ে দিতে হবে। নয়ত নগদ ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে। যদি না দেয় তাহলে ভিডিওটি ছেড়ে দেবে সবখানে। যদিও ইতিমধ্যে ভিডিওটি ওই যুবকের কয়েকজন বন্ধুসহ এলাকার বেশ কিছু নারী-পুরুষের মোবাইলে রয়েছে। শিশুটি কক্সবাজার সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ অবস্থায় শিশুটির পরিবার খুবই আতঙ্কে রয়েছে। কারণ ওই ধারনকৃত ভিডিওটি সবখানে ছড়িয়ে গেলে তার মান-সম্মান সব যাবে। ধ্বংস হয়ে যাবে ছোট্ট শিশুটির ভবিষ্যৎ। অন্যদিকে তারা কোন ভাবে মেনে নিতে পারছেননা একজন মাদকাসক্ত এবং দুই স্ত্রী ১ সন্তানের জনকের হাতে শিশুটিকে তুলে দেওয়ার বিষয়টি।

এসব তথ্য জানা যায়, কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ওসিসিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকা ধর্ষণের স্বীকার শিশুটির মায়ের কাছ থেকে।

জসিম উদ্দিন প্রকাশ কুপা শামশু হলেন একই এলাকার মোহাম্মদ ফরিদের ছেলে। তার ৩ বছরের এক ছেলে সন্তান রয়েছে। তার দুই স্ত্রী’র মধ্যে প্রথম স্ত্রী মারা গেছে আর দ্বিতীয় স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে গেছে।

ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে ধর্ষনের স্বীকার শিশুটির মা জানায়, এ মাসের (ফেব্রুয়ারী) ১২ তারিখে তার মেয়ে স্কুল থেকে আসার পথে জসিম উদ্দিন তাকে রাস্তা থেকে জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে তার ঘরে ধর্ষণ করে। আর ধর্ষণকালে গলায় ছুরি ধরে এবং এসব দৃশ্য ভিডিও করে। ভিডিও’র দৃশ্য বর্ণনা করতে গিয়ে তার মা কান্না করে দেয়, আর জানান, ‘আমার ছোট্ট মেয়ে চিৎকার করছিল আর মৃত্যু যন্ত্রণার মত ছটপট করছিল। কিন্তু ওই নরপশু আমার মেয়ের গলায় ছুরি ধরে অত্যাচার করেছে’

তার মা আরও জানান, জসিম উদ্দিন প্রায়ই তার মেয়ের দিকে কু-নজর দিত। এটা বুঝতে পেরে তিনি ঘটনার আগের দিন জসিমকে তার মেয়ের কাছ থেকে সরে থাকতে বলে। ওই সময় জসিম ও তার বন্ধুরা ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় ছিল। এর পর দিনই জসিম এ ঘটনা ঘটায়।

ভয় দেখানোর কারণে শিশুটি তার মাকে বিষয়টি জানায়নি। যদিও সেই থেকে শারীরিক অক্ষমতার কারণে সে স্কুলে যেতে পারছিলনা।

এরই মধ্যে ওই এলাকার এক নারীর সাথে ঝগড়া হয় ওই শিশুটির মায়ের সাথে। আর ঝগড়ার এক পর্যায়ে তার মেয়ে চরিত্র হীনা বলে এক নারী এ ভিডিওটি দেখায় তার মাকে। এর পরই জসিম তার মাকে প্রস্তাব পাঠায় এ ভিডিও ডিলেট করতে হলে তাকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে। আর নয়ত তার মেয়েকে তার সাথে বিয়ে দিতে হবে। নয়ত সে সব জায়গায় ভিডিওটি ছেড়ে দেবে। যদি এ ভিডিওটি তার বন্ধু তারেক ও ফারুকসহ আরও কয়েকজন নারীর কাছে রয়েছে। এ অবস্থায় তারা খুবই আতঙ্কিত এবং অসহায়। এ বিষয়টি স্থানীয় মেম্বারও যানেন। তারা স্থানীয়ভাবে বিচারের জন্য বৃহস্পতিবার রাতে সময়ও নির্ধারন করেছিলেন। পরে তিনি ওই শিশুর স্কুলের প্রধান শিক্ষকের সাথে পরার্মশ করেন। আর তিনি বলেন, আগে মেয়েকে চিকিৎসার জন্য  হাসপাতালে ভর্তি করা হোক। পরে প্রশাসনের সহযোগিতা নেওয়া হবে। তার কথা অনুযায়ী তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে কক্সবাজার ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেল-সেন্টার (ওসিসি) ’র প্রোগ্রাম অফিসার মোহাম্মদ শাহজালাল জানান, এ শিশুটি ধর্ষিত হয়েছে। শিশুটিকে প্রথমে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের গাইনী ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। পরে বুধবারে তাকে এ সেন্টারে হাসপাতালের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে চকরিয়া থানার ওসি জহিরুল ইসলাম খাঁনের সাথে কথা হয়েছে। তাকে বলা হয়েছে তিনি এফিয়ার পাঠাচ্ছেন। আর অনুরোধ করা হয় এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে।

এ ব্যাপারে চকরিয়া থানার ওসি জহিরুল ইসলাম খান জানান, তিনি বিষয়টি শুনেছেন। আর এ ব্যাপারে কেউ যদি অভিযোগ করে তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




চকরিয়ায় পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার

গ্রেফতার
চকরিয়া প্রতিনিধিঃ

কক্সবাজারের চকরিয়ায় পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামী জসিম উদ্দিন (৪০) নামক এক ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

বৃহস্পতিবার রাত আটটার দিকে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে উপজেলার চিরিঙ্গা ইউনিয়নের মাছঘাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী জসিম উদ্দিন (৪০) উপজেলার চিরিঙ্গা ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের সওদাগরঘোনা এলাকার রমজান আলীর পুত্র।

বৃহস্পতিবার রাত আটটার দিকে চকরিয়া থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক(এস আই) গৌতম চৌধুরী ও এসআই জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করেন। আসামী জসিমের বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতিসহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারীপরোয়া জারি করার পর থেকে সে দীর্ঘদিন ধরে এলাকা থেকে পলাতক ছিল।

চকরিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. কামরুল আজম বলেন, পুলিশ অভিযান চালিয়ে চারটি পরোয়ানাভুক্ত আসামীকে ধরতে সক্ষম হয়। আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে।




চকরিয়ায় ৪১টি জাল নোটসহ একজন গ্রেফতার

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের চকরিয়ার ডুলাহাজারায় বৃহস্পতিবার দুপুরে হাজার টাকা মূল্যমানের ৪১টি জালনোটসহ একজনকে ধরে পুলিশে দিয়েছে জনতা। এর আগে জনতা ও জনপ্রতিনিধিরা জালনোট চক্রের ওই সদস্যকে ইউনিয়ন পরিষদে আটক রেখে পুলিশে খবর দেয়। গ্রেফতারকৃত জালনোট চক্রের সদস্যের নাম মো. দেলোয়ার হোসেন (২৮)। সে কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজার মুহুরী পাড়ার মো. হাসানের ছেলে।

চকরিয়া থানার এসআই মো. মাহবুবুর রহমান জানান, জালনোট চক্রের সদস্য দেলোয়ারের হেফাজত থেকে উদ্ধার করা হয় হাজার টাকা মূল্যমানের ৪১টি জালনোট। তন্মধ্যে এসব জালনোট একই সিরিজের তিনটি নম্বরের।

চকরিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. কামরুল আজম জানান, বিপুল পরিমাণ জালনোট উদ্ধারের ঘটনায় এসআই মাহবুবুর রহমান বাদী হয়ে গ্রেফতার দেলোয়ারের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা রুজু করেছে।




চকরিয়ায় বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক পরির্দশনে বন মন্ত্রণালয়ের সচিব ইশতিয়াক আহমেদ

Chakaria Picture, 22-02-2017
চকরিয়া প্রতিনিধি:
চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারাস্থ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাফারি পার্ক পরির্দশন করেছেন পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সচিব ইশতিয়াক আহমেদ। বুধবার দুপুরে পার্কে এসে পৌছঁলে তাকে স্বাগত জানান বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ চট্টগ্রামের বিভাগীয় বনকর্মকর্তা গোলাম মাওলা ও চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাহেদুল ইসলাম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান বন সংরক্ষক সামসুল আলম চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, চকরিয়া থানার ওসি তদন্ত মো.কামরুল আজম, সাফারি পার্কের রেঞ্জ কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম, বিট কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম চৌধুরীসহ বনবিভাগ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সচিব ইশতিয়াক আহমেদ এসময় সাফারি পার্কের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড, দশর্নীয় স্পটসমূহ পরিদর্শন করেন। পরে তিনি পার্কের বেষ্টনীতে একটি বন মোরগ অবমুক্ত করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি উপস্থিত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের সামনে সাফারি পার্কের উন্নয়নে সরকারের নেয়া উন্নয়ন মহাপরিকল্পনার বিশদ বিবরণ তুলে ধরেন। সল্প সময়ের মধ্যে পার্কের উন্নয়নে গৃহীত প্রকল্পসমূহের কাজ শুরু করা হবে বলে জানান।




চকরিয়ায় ৫বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

unnamed copy
চকরিয়া প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের চকরিয়ায় পুলিশের অভিযানে আবুল কাসেম (৪০) প্রকাশ মানিক নামের ৫বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক এক আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে পার্বত্য বান্দরবান জেলার আলীকদম উপজেলার রাখাইন পাড়া এলাকার থেকে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আবুল কাসেম প্রকাশ মানিক চকরিয়া পৌরসভার  ৭নম্বর ওয়ার্ড পশ্চিম বিনামারা এলাকার মৃত নুরুল হকের ছেলে।

চকরিয়া থানার উপ-পরিদর্শক( এস আই) কাওছার উদ্দিন চৌধুরীর ও এসআই এনামুল হকের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আলীকদম রাখাইন পাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃত আসামী আবুল কাসেম প্রকাশ মানিক (৪০)’র বিরুদ্ধে ২০০৩ সালে কক্সবাজার স্পেশাল ট্রাইবুন্যাল আদালতে মাদকের মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হন। এবং তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানী জারি করেন। সে দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিল।

চকরিয়া থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এস আই) কাওছার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামী আবুল কাসেম মানিক মামলায় সাজা হওয়ার পর থেকে তিনি দীর্ঘদিন যাবত পলাতক ছিলেন। সর্বশেষ মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

চকরিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কামরুল আজম বলেন, পুলিশ আবুল কাসেম মানিক নামের ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। আদালতে তার বিরুদ্ধে পরোয়ানাজারী করা হয়েছিল। সে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিল।  আসামীকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।




তনজিমুল মোছলেমীন এতিমখানার ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী

PIR KUTOB UDDIN, 20-2-2017
চকরিয়া প্রতিনিধি:
বায়তুশ শরফের পীর ছাহেব আল্লামা শাহ্ মোহাম্মদ কুতুব উদ্দিন বলেছেন এতিমদের কল্যাণে কাজ করা অত্যন্ত মহৎ কাজ। এই কঠিন দায়িত্ব মহৎ উদ্দেশ্য সফল করার ব্রত নিয়ে যারা এ প্রতিষ্ঠানকে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছেন তারা একটি মহৎ কাজ সম্পাদন করেছেন,একটি উত্তম কাজ করেছেন,উত্তম কাজের জন্য উত্তম পুরস্কার ব্যতীত কি হতে পারে? একটি ভাল কাজ কখনও হারিয়ে যায় না। এই প্রতিষ্ঠানকে কালের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ বলা যায়। আমরা সবাই আজ এতিমখানার সাফল্যে আনন্দিত ও গর্বিত।

তিঁনি আরও বলেন এই এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা আল্লামা হাকীম মোবরক আলী হেজাজী (রহ.) গত বছর আমাদের সাথে ছিলেন। ২০ ফেব্রুয়ারি বাদ আছর চট্টগ্রাম হযরত শাহ্ আমানত দরগাহ সংলগ্ন তনজিমুল মোছলেমীন এতিমখানার ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও হেফজ সমাপ্তকারী ছাত্রদের দস্তারবন্দী প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতির ভাষণে তিঁনি উপরোক্ত মত প্রকাশ করেন।

এতিমখানার তত্ত্বাবধায়ক হাফেজ মোহাম্মদ আমান উল্লাহর পরিচালনায় মাহফিলে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এতিমখানার সম্পাদক অধ্যাপক হাকীম জামাল উদ্দিন হেজাযী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাজকল্যাণ ফেডারেশনের তথ্য ও প্রচার সম্পাদক অধ্যাপক নঈম কাদের,আলহাজ¦ মাওলানা ছলাহ উদ্দিন মুহাম্মদ বেলাল ও এডভোকেট জসিম উদ্দীন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে ডা জাফরুল হক চৌধুরী,আলহাজ¦ আহমদ হোসেন,আলহাজ মুফতি মাওলানা ইসহাক,আলহাজ হাফেজ মোহাম্মদ আলী,ইঞ্জিনিয়ার নুরুচ্ছামাদ,আলহাজ মাওলানা ক্বাজী শিহাব উদ্দিন,আলহাজ¦ মাওলানা আবদুল হামিদ,আলহাজ মোহাম্মদ আবদুল জব্বার,আলহাজ¦ হাফেজ লিয়াকত আলী চৌধুরী,আলহাজ¦ মাওলানা আব্দুর রহীম (শুক্কুর),মোহাম্মদ হোসেন,মোহাম্মদ আবু সামা,হাফেজ আনোয়ার হোসেন,হাফেজ ফজলুল কাদের ও মাওলানা মোহাম্মদ শাহ্ জাহান প্রমুখ বক্তব্য পেশ করেন।

পীর ছাহেব কেবলা অনুষ্ঠানে এতিমখানার হেফজ সমাপ্তকারী ১০ জন এতিম ছাত্রকে মাথায় পাগড়ী পরিয়ে দেন। অনুষ্ঠান শেষে দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন বায়তুশ শরফের পীর ছাহেব বাহ্রুল উলুম আল্লামা শাহ্ মোহাম্মদ কুতুব উদ্দিন (ম.জি.আ.)।




চকরিয়ার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দের শ্রদ্ধাঞ্জলি

চকরিয়া প্রতিনিধি:
মহান আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবস উদযাপনে চকরিয়ার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ২১ ফেব্রুয়ারী রাতের প্রথম পহরে ১২টা ১মিনিটে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেছেন উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন চকরিয়া প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দ।

চকরিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবদুল মজিদ ও সাধারণ সম্পাদক ছোটন কান্তি নাথের নেতৃত্বে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি এম জাহেদ চৌধুরী, প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি রফিক আহমদ, সহসভাপতি জহিরুল আলম সাগর, সহসাধারণ সম্পাদক মুকুল কান্তি দাশ, অর্থ সম্পাদক  একেএম বেলাল উদ্দিন, ক্রীড়া সম্পাদক জামাল হোছাইন, দপ্তর সম্পাদক এসএম হান্নান শাহ, নির্বাহী সদস্য জমির হোছাইন, এম মনছুর আলম, অলি উল্লাহ রনি, আবুল হোছাইন, আবদুল করিম বিটুসহ প্রেস ক্লাব কর্মকর্তারা।




চকরিয়ায় ২বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

চকরিয়া প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের চকরিয়ায় পুলিশের অভিযানে আজিম উদ্দিন (৩৫) নামের ২বছর ২মাসের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক এক আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চকরিয়া পৌর এলাকার মগবাজার স’মিলের সামনে থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আজিম উদ্দিন উপজেলার চিরিংগা ইউনিয়নের পালাকাটা ২নম্বর ওয়ার্ডের সোলতান আহমদের ছেলে।

চকরিয়া থানার উপ-পরিদর্শক( এস আই) মাজেদুল ইসলাম ও উপ-পরিদর্শক (এস আই) কাউচার উদ্দিন চৌধুরীর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৌরসভার মগবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করেন।

গ্রেফতারকৃত আসামী আজিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে আদালতে জালিয়াতি ও প্রতারণা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হন এবং গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন।

চকরিয়া থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এস আই) মাজেদুল ইসলাম বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামী আজিম উদ্দিন মামলায় সাজা হওয়ার পর থেকে তিনি দীর্ঘদিন যাবত পলাতক ছিলেন। সর্বশেষ সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

চকরিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত)কামরুল আজম বলেন, পুলিশ আজিম উদ্দিন নামের ২বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে।