চকরিয়ায় র‌্যাবের অভিযানে বন্দুক ও শর্টগানের গুলি উদ্ধার, ২ জন গ্রেপ্তার

Chakaria Picture 30-04-17
চকরিয়া প্রতিনিধি :
চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের র‌্যাবের অভিযানে দুটি বন্দুক, তিনটি ওয়ানশুটার গান ও ৬ রাউন্ড শর্টগানের গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় র‌্যাব দুইজনকে গ্রেফতার করেছে।

রোববার ভোররাত আনুমানিক ৫টার দিকে র‌্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর মো.রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের দক্ষিনপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র ও দুইজনকে গ্রেফতার করেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের বৈরাগিরখিল এলাকার মৃত আশি^ন কুমার দে’র ছেলে আশীষ দে (২৮) ও একই ইউনিয়নের উলুবুনিয়া উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত আজিম উদ্দিনের ছেলে আবু তালেব (৫৫)।

র‌্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার মেজর মো. রুহুল আমিন বলেন, রোরবার ভোররাতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাঁর (মেজর রুহুল আমিন) নেতৃত্বে র‌্যাবের একটিদল ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযানের সময় ঘটনাস্থল থেকে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের স্বীকারোক্তি মতে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পশ্চিম পার্শ্বের খালি ভিটা এলাকায় তল্লাসী করে দেশীয় তৈরী দুটি একনলা বন্দুক, তিনটি ওয়ানশুটার গান এবং ৬ রাউন্ড শর্টগানের গুলি উদ্ধার করা হয়।

মেজর মো. রুহুল আমিন বলেন, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে চকরিয়া থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের ও তাদেরকে চকরিয়া থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।




চকরিয়ায় তুচ্ছ ঘটনায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত-৭

চকরিয়া প্রতিনিধি :
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায়  তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে একই পাড়ার লোকজনের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে কম করে হলেও অন্তত ৭ জন গুরুতর আহত হয়। ২৯ এপ্রিল শনিবার বিকাল ৩টার দিকে পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের দরগাপাড়া এলাকায় রিয়াজ উদ্দিনের মুদির দোকানে সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানান।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা দরগাপাড়া এলাকার সিরাজুল ইসলামের পুত্র মুবিনুল ইসলাম ও একই এলাকার মৃত দৌলত হোসেনের পুত্র রফিক আহমদের মধ্যে শনিবার বিকাল ৩টার দিকে  তুচ্ছ ঘটনার বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ঘটনার জের ধরে দুই পক্ষের লোকজন দা-ছোরা, রড়, হাতুড়ি ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এক পক্ষ আরেক পক্ষের ওপর হামলা চালায়।এতে দু’পক্ষের নারী-পুরুষ বৃদ্ধাসহ অন্তত ৭ জন আহত হয়।

আহতরা হলেন, দৌলত হোসেনের পুত্র মো. বাদশা(৫০), তার ভাই রফিক আহমদ(৪৭), মৃত গুলু মিয়ার পুত্র সিরাজুল ইসলাম(৭০), তার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম(৫৫), ছেলে নুরুল কাদের (৪০) ও মুবিনুল হক (২০)। ঘটনায় দু’পক্ষের আহত লোকজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় প্রায় এক ঘণ্টা ধরে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক জানান, সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে বৃদ্ধ সিরাজুল ইসলাম (৭০)অবস্থা গুরুতর জখম হওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে চকরিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত)মো. মিজানুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ধরণের সংঘর্ষের ঘটনা কেউ বলেনি। তবে এখনো পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।




বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা যা শিখবে তা নিয়ে একদিন সোনার বাংলাদেশ পরিচালিত করবে

unnamed copy

চকরিয়া:

দেশকে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে এবং মধ্যম আয়ের দেশে রুপান্তরিত করতে ছাত্রদেরকে নৈতিক পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে গড়ে তোলতে হবে। বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি ভিশন ২০২১ ও ২০৪১’র মিশন নিয়ে মধ্যম আয়ের দেশ ও উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমান সরকার হচ্ছে শিক্ষা বান্ধব সরকার। কোমলমতি শিশুরা যা শিখবে তা নিয়ে বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা একদিন এ সোনার বাংলাদেশকে পরিচালিত করবে। শিক্ষা দ্বিক্ষায় আমরা উন্নত জায়গায় পৌঁছাতে পারলে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হবো।

শনিবার চকরিয়া প্রি-ক্যাডেট গ্রামার স্কুলের আয়োজনে সম্মাননা প্রদান ও বার্ষিক পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সকাল ১০টায় চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর ড. শিরীণ আখতার প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, জঙ্গীবাদের দেশ কিন্তু আমাদের দেশ নয়। ইসলাম কখনও জঙ্গীবাদকে বিশ্বাস করেনা। আজকে যারা মা আছেন তাদের উদ্দেশ্যে ড. শিরীণ আখতার বলেন, ছেলে হোক আর মেয়ে হোক প্রতিটি সন্তানকে একজন আদর্শিক সু-নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা প্রত্যেক পরিবারের অপরিসীম দায়িত্ব ও কর্তব্য।

গ্রামার স্কুলের এডুকেয়ার ফাউন্ডেশনের সভাপতি অধ্যাপক চৌধুরী মোহাম্মদ আজম খাঁনের সভাপতিত্বে ও ফাউন্ডেশনের সদস্য মনজুর হোসেন চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাহেদুল ইসলাম, চকরিয়া সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ আকম গিয়াস উদ্দিন, চকরিয়া আবাসিক মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ এসএম মনজুর আলম, চকরিয়া রেড় ক্রিসেন্ট সোসাইটির টিম লিডার নুরুল আবচার, চুনতি মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আবু নঈম আজাদ, গ্রামার স্কুলের এডুকেয়ার ফাউন্ডেশনের সদস্য অধ্যাপক শামসুল হুদা, অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, চকরিয়া প্রি-ক্যাডেট গ্রামার স্কুলের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে এডুকেয়ার ফাউন্ডেশনের সদস্য, অভিভাবক-অভিভাবিকা বৃন্দ, সাংবাদিক, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ ও স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।

এতে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ড. শিরীণ আখতারকে বিদ্যালয়ের এডুকেয়ার ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক বশির আহমদ সম্মাননা স্বারক ক্রেস্ট প্রদান করেন।




চকরিয়ায় বনাঞ্চলের ভেতর থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির গলিত লাশ উদ্ধার

চকরিয়া প্রতিনিধি :
চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের মেধাকচ্ছপিয়া বনাঞ্চল থেকে পুলিশ অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে। শুক্রবার বিকাল তিনটার দিকে থানা পুলিশের একটিদল খবরের ভিত্তিতে মহাসড়কের প্রায় ২০ ফুট পশ্চিমে বনাঞ্চলের ভেতর থেকে লাশটি উদ্ধার করেন। পরে বিকালে পুলিশ লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।

চকরিয়া থানার ওসি মো. বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, শুক্রবার দুপুরে উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের মেধাকচ্ছপিয়া ঢালার বনাঞ্চলের ভেতর একটি গলিত লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় কাঠুরিয়ারা ঘটনাটি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে জানায়। পরে জনপ্রতিনিধিরা বিষয়টি থানা পুলিশকে অবগত করার পরপর ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করেন।

লাশ উদ্ধারকারী থানার এসআই সুকান্ত চৌধুরী বলেন, ধারণা করা হচ্ছে কে বা কারা হতভাগ্য ব্যক্তিকে হত্যার পর লাশটি গাড়িযোগে এনে মহাসড়ক লাগোয়া বনের ভেতর ফেলে চলে যায়। আনুমানিক ৩৫বছর বয়সের পুরুষের লাশটি সেখানে পড়ে থাকায় মৃতদেহ থেকে দূর্গন্ধ বের হচ্ছে এবং শরীরে পচন ধরেছে।

তিনি বলেন, লাশটি উদ্ধারের সময় পরনে জিন্স পেন্ট, টি শার্ট ও পায়ে সু-জুতা পরিহিত অবস্থায় ছিল। মুখমন্ডল বিকৃত হয়ে যাওয়ায় চেহারা সনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না।




চকরিয়ায় বসতঘরের সীমানা দেয়াল ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়েছে দূর্বৃত্তরা

chakaria pic (fasiakhali) 28-4-17
চকরিয়া প্রতিনিধি :
চকরিয়ায় জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে বসতঘরের সীমানা দেয়াল ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়েছে সশস্ত্র দূর্বৃত্তরা। এতে বাধা দেওয়ায় ৩ মহিলাকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে বেধম মারধর করে গুরুতর আহত করেছে। লুট করে নিয়ে গেছে মূল্যবান সামগ্রী।

২৮ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার ফাসিয়াখালী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের রাজারবিল নয়া পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এনিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের নুর মোহাম্মদের স্ত্রী জন্নাত আরা বাদী হয়ে ৭জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ১০/১৫জন দেখিয়ে থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করা হয়েছে। আসামীরা হলেন, আবু ছালাম, নুরুল ইসলাম, সাহাব উদ্দিন, নেজাম উদ্দিন, গিয়াস উদ্দিন, রেজাউল করিম, খোকনসহ আরো ১০/১৫জন।

অভিযোগে জানাগেছে, অভিযুক্তরা নুর মোহাম্মদ গংয়ের বসতভীতা সীমানার বাউন্ডারী ওয়াল ভেঙ্গে দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে জমি জবর দখলের চেষ্টা চালায়। তাদের বাধা দিতে গিয়ে হামলায় আহত হয়েছে কুলছুমা বেগম (২৭), হোসনে আরা (২৫)সহ ৩জন। এসময় তাদের কাছ থেকে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও মূল্যবান মালামাল লুট  এবং বাউন্ডারী ওয়াল ভাংচুরে ২লাখ সহ প্রায় ৪লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন করে।

চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানিয়েছেন, ঘটনার বিষয়ে লিখিত এজাহার পাওয়ার থানা পুলিশ সরে জমিনে গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




চকরিয়ায় বসতভিটার বিরোধে ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করলো বড় ভাই

চকরিয়া প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের চকরিয়ায় বসতভিটার বিরোধ নিয়ে মো. জিয়াবুল করিম (৩৫) কে কুপিয়ে হত্যা করেছে তার আপন বড় ভাই নুরুল আবছার প্রকাশ বাবুল। স্থানীয় ও পরিবারের সদস্যরা সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে কুপিয়ে জখমের পর আহত জিয়াবুলকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়।

কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা আশঙ্কা জনক হওয়ায় জিয়াবুলকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। কিন্তু পরিবারের আর্থিক অভাবের কারণে তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করায়। রাত ১টার সময় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ডের বালুরচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জিয়াবুল মারা যাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. নুরুল আমিন।

তিনি বলেন, সোমবার রাতে বৃষ্টি কমানোর পর সে দোকান থেকে বাড়ি ফিরছিল। সে বালুর চর মমতাজ বেগমের বাড়ির সামনে পৌঁছার সাথে সাথে ওই সময় পেছন দিক থেকে এসে তার আপন বড় ভাই নুরুল আবছার বাবুল ধারালো দা দিয়ে ছোট ভাই জিয়াবুলকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে।

চেয়ারম্যান নুরুল আমিন আরও বলেন, জিয়াবুলকে কোপানোর পর স্থানীয়দের নিয়ে বাবুলকে ধরতে ধাওয়া করি। কিন্তু সে পালিয়ে যাওয়ায় তাকে ধরা সম্ভব হয়নি। রাত ৯টার দিকে স্থানীয় লোকজন গুরুতর জখম জিয়াবুলকে উদ্ধার করে  হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসাবস্থায় সে মারা যায়।

চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ  (ওসি) মো. বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, জিয়াবুলের মরদেহ ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে। নিহতের স্ত্রী আলমাছ খাতুন বাদী হয়ে তার স্বামীর বড় ভাই নুরুল আবছার বাবুলসহ তিন জনকে আসামী করে একটি এজাহার দেয়া হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনায় জড়িতদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রেখেছেন বলেও জানান।




চকরিয়ায় অজ্ঞাত বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার

orca-image-1493129904484.jpg_1493129907710

চকরিয়া প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের চকরিয়ায় মহাসড়কের থানা রাস্তার মাথাস্থ চকরিয়া প্লাজার মোস্তফা হোটেলের পাশ থেকে অজ্ঞাত আনুমানিক ৬০ বছরের এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। লাশটি উদ্ধারের পর মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তার পরিচয় নিশ্চিত হতে পারেনি। তবে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ১টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়া থানা রাস্তার মাথাস্থ মোস্তফা হোটেলের পাশ্বোক্ত শাহ আমিন ফার্মেসী এলাকায় ফাকা জায়গায় ওই বৃদ্ধের লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।

চকরিয়া থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এস আই) মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, আনুমানিক ৬০ বছর বয়সী ওই বৃদ্ধ পুরুষের লাশ পরিত্যক্তবস্থায় খালি জায়গার পাশে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা খবর দেয়। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায় ওই বৃদ্ধের নাক, মুখ দিয়ে রক্ত বের হয়ে গেছে। এ সময় সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ওই বৃদ্ধ পুরুষের বাড়ি কোথায় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ধারণা করছি পূর্বে থেকে সে অসুস্থ ছিল। স্ট্রোক করে মাটিতে পড়ে ধাক্কা খেয়ে নিহত হয়েছেন এমনটাই ধারণা করা হচ্ছে। তবে পরিচয় নিশ্চিত হতে ওই বৃদ্ধের ছবিসহ একটি বার্তা বিভিন্ন থানায় প্রেরণ করা হয়েছে।




চকরিয়ায় অভিমান করে গলায় ফাঁস লাগিয়ে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা

আত্মহত্যা

চকরিয়া প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের চকরিয়ায় হারবাংয়ে রহস্যজনক কারণে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া হাফছা আক্তার (১৪) নামের এক স্কুল ছাত্রী। পারিবারিক ও পুলিশ জানান, গাইড বই কিনে না দেয়ায় ও অভাব-অনটনের কারণে অভিমান করে ওই ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে।

মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যম হারবাং নোনাছড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ওই ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে পুলিশ। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৯টার দিকে বাড়ির অন্য সদস্যদের অগোচরে গলায় কাপড় পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে হাফছা।

আত্মহত্যা করা ছাত্রীর নাম হাফছা আক্তার (১৪)। সে চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের মধ্যম হারবাং নোনাছড়ি এলাকার মো. ইউনুছের কন্যা এবং স্থানীয় দাখিল মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। ছাত্রী হাফছা তার বাবা -মাকে নতুন গাইড বই কেনে দেয়ার জন্য চাপ দেয়। পারিবারিক অভাব-অনটনের কারণে মেয়ের চাহিদা মোতাবেক গাইড বই কেনে দিতে পারেনি বাবা-মা। সে অভিমানে নাওয়া-খাওয়া বন্ধ করে দেয় ৫ থেকে ৬দিন ধরে। এরই রেশ ধরে অভিমান করে আত্মহত্যা করেছে বলে জানায়।

চকরিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আলমগীর জানান, আত্মহত্যা করা ছাত্রীর সাথে বেশ কয়েকদিন ধরে পরিবারের, বাব-মা সঙ্গে নতুন গাইড বই কেনা নিয়ে মনোমালিন্য হয়। এতে অভিমান করে বাড়ির সদস্যদের অগোচরে সে আত্মহত্যা করে বসে।

চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, গলায় ফাঁস লাগিয়ে
আত্মহত্যার খবর পেয়ে পুলিশ পাঠিয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়। এরপর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।




চকরিয়ায় মোটর সাইকেলের ভেতর থেকে সাড়ে ৩ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেফতার-২

Chakaria Picture () 24-04-2017
চকরিয়া প্রতিনিধি:
চকরিয়ায় অভিনব কৌশলে পাচারকালে পুলিশ মোটর সাইকেলের ভেতর থেকে সাতে তিন হাজার পিস্ ইয়াবা উদ্ধার করেছে। এসময় দুই পাচারকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার দুপুর একটার দিকে সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মতিউল ইসলাম, শিক্ষানবীশ সহকারি পুলিশ সুপার রাইসুল ইসলাম, চকরিয়া থানার ওসি মো.বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী ও ওসি তদন্ত মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের দল বাস টার্মিনালস্থ এসএ পরিবহনে এ অভিযান পরিচালনা করেন।

গ্রেফতারকৃত দুই পাচারকারী হলেন টেকনাফ উপজেলার ডেইঙ্গাকাটা গ্রামের মোহাম্মদ ইলিয়াছের ছেলে মিজানুর রহমান (২০) ও কক্সবাজার শহরের বাহারছড়া এলাকার জাফর আহমদের ছেলে আকতার ফারুক মুন্না (২২)।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, মোটর সাইকেলের ভেতর করে ইয়াবার চালান ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে বিষয়টি গোপনে জানতে পেরে সেখানে (চকরিয়া বাসটার্মিনালস্থ এসএ পরিবহন কাউন্টার) এলাকায় আগে থেকে অভিযানে নামেন থানার এসআই কাওছার উদ্দিন চৌধুরী ও এসআই আবদুল খালেকসহ পুলিশের একটিদল।

সোমবার সাড়ে ১২টার দিকে গ্রেফতারকৃত দুই যুবক এসএ পরিবহন নামের কুরিয়ার সার্ভিসে ঢুকে মোটর সাইকেলটি ঢাকায় বুকিং দেয়ার জন্য কাউন্টার ম্যানেজারের সাথে কথা বলছিলেন। ওইসময় এসআই কাওছার চৌধুরী ও এসআই আবদুল খালেক তাদের গতিবিধি লক্ষ্য করেন। এরপর সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মতিউল ইসলাম, শিক্ষানবীশ সহকারি পুলিশ সুপার রাইসুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের অপর একটিদল পৌঁছে ওই দুই যুবককে গ্রেফতার করেন।

ওসি আরো বলেন, দুই যুবককে গ্রেফতারের পর তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ব্যবহৃত মোটর সাইকেলটির পার্টস খুলে ভেতর থেকে ইয়াবা উদ্ধার করা হয় ৩ হাজার ৫১০পিস্ ইয়াবা। এ ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে দুই পাচারকারী যুবকের বিরুদ্ধে থানায় মাদক আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।




চকরিয়ায় ৬ মাসের সাজাপ্রাপ্ত ২ আসামী গ্রেফতার

চকরিয়া প্রতিনিধি:
চকরিয়া থানা পৃথক পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৬ মাসের সাজাপ্রাপ্ত ২ আসামীকে গ্রেফতার করেছে। ধৃত আসামীরা হলেন চকরিয়া পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের বায়তুশ শরফ রোড এলাকার নুর মোহাম্মদের পুত্র রাশেদুল ইসলাম রাসেল (৩২) ও ১নং ওয়ার্ডের আমাইন্যার এলাকার ফজল করিমের পুত্র আবদুল হামিদ (৩০)।

২৪ এপ্রিল (সোমবার) ভোররাত ৩টার দিকে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কাউছার উদ্দিন চৌধুরী ও এএসআই নাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশ এ অভিযান চালায়।

চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ধৃত আসামী রাসেল ও হামিদের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতের ৬ মাস করে সাজা পরোয়ানা রয়েছে। সাজা জারি হওয়ার পর থেকে আসামীরা দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিল।  এছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে এলাকায় বিভিন্ন অপরাধে অভিযোগ রয়েছে। ধৃত আসামীদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।