চকরিয়ায় কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

চকরিয়া প্রতিনিধি:

মাদক, ইভটিজিং, বাল্য বিবাহ ও আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় কমিউনিটি পুলিশিংয়ের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার(১৯ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে চকরিয়া থানাস্থ কমিউনিটি পুলিশিংয়ের হলরুমে চকরিয়া উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিং সভাপতি ও বরইতলী ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান এটিএম জিয়া উদ্দিন চৌধুরী জিয়ার সভাপতিত্বে ও উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিং সাধারণ সম্পাদক সুরাজপুর-মানিকপুর ইউপি চেয়ারম্যান আজিমুল হক আজিমের সঞ্চলানায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ওই কমিউনিটি পুলিশিং মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা কমিউনিটি পুলিশিং সভাপতি বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ এডভোকেট আমজাদ হোসেন। এতে প্রধান বক্তা ছিলেন, চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ফাঁসিয়াখালী ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, জেলা কমিউনিটি পুলিশিং সদস্য দিদারুল ইসলাম।

মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাহারবিল ইউপি চেয়ারম্যান মহসিন বাবুল, চকরিয়া উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি ও চিরিংগা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন, বিএমচর ইউপি চেয়ারম্যান এস এম জাহাঙ্গীর আলম, পূর্ব বড় ভেওলা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আবু মোর্শেদ প্রমুখ।

সভায় উপজেলা ও ইউনিয়নের কমিউনিটি পুলিশিং ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ের সভাপতি, সম্পাদক, স্থানীয় ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক নেতাসহ শতাধিক লোক উপস্থিত ছিলেন।




চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে স্বাস্থ্য সেবার মান বাড়াতে একশ শয্যায় উন্নীত করা হবে

চকরিয়া প্রতিনিধি:

চকরিয়া উপজেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির মাসিক সভায় চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য হাজি মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেছেন; বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য বান্ধব সরকার, সরকার দেশের প্রতিটি জনগণের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। জনগণ যাতে সঠিকভাবে স্বাস্থ্য সেবা পায় সেইজন্য সরকার গ্রামে গ্রামে চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিচ্ছে।

চকরিয়া উপজেলা আটারটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত বড় উপজেলা। সাথে যুক্ত হয়েছে পাশের বান্দরবানের লামা, আলীকদম উপজেলা ও কক্সবাজারের পেকুয়া, কুতুবদিয়া, মহেশখালী উপজেলা। যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হওয়ার কারণে প্রতিদিন এসব উপজেলা থেকেও অনেক রোগী চকরিয়া হাসপাতালে এসেই চিকিৎসা সেবা নিয়ে থাকে। এসব কারণে চকরিয়া উপজেলা হাসপাতালে রোগীর অত্যাধিক চাপ রয়েছে।

তিনি বলেন, রোগী বাড়লেও ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে এতো রোগীর সেবাপ্রদান দূরূহ হয়ে উঠেছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরনের জন্য চকরিয়া উপজেলা হাসপাতালকে একশত শয্যায় উন্নীত করণের দাবি দীর্ঘদিনের। আমরা এই গণদাবি বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছি।

হাজি ইলিয়াছ এমপি বলেন, চকরিয়া উপজেলা হাসপাতালকে ৫০ শয্যা থেকে ১শত শয্যায় উন্নীত হবে। নতুন ভবন নির্মাণ, চিকিৎসক-কর্মচারীদের বাস ভবণ নির্মাণ, পুরাতন ভবনগুলো সংস্কার, ড্রেইনেজ ব্যবস্থা সংস্কারসহ এ হাসপাতালের আরও বেশ কিছু উন্নয়ন মূলক কর্মকাণ্ডের জন্য প্রায় ২৮ কোটি টাকা বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন নুতন কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণ করা, পুরাতনগুলো সংস্কারসহ নানা পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে।

বুধবার দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হল রুমে ব্যবস্থ্যপনা কমিটির মাসিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা জানান।

অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. শাহবাজ, ডা. মুজিবুল হক, আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা. শোভন দত্ত, চকরিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মিজানুর রহমান, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আবছার, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হাজী বশিরুল আলম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি সরওয়ার আলম, জাতীয় পার্টির উপজেলা সভাপতি আনোয়ারুল এহেছান বুলু, চকরিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আবদুল মজিদ,উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান আজিমুল হক, এনজিও প্রতিনিধি মো. নোমান, পৌর প্যানেল মেয়র মো. আইয়ুব, ডা. খায়রুল আলম প্রমুখ।

অনুষ্ঠিত সভায় স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কক্সবাজারের সহকারী প্রকৌশলী মো. মোর্শেদুল আলম আগামী এক বছরের মধ্যে প্রায় ২৮ কোটি টাকার এই উন্নয়ন প্রকল্পটির কাজ শেষ করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এমপি হাজি মোহাম্মদ ইলিয়াছ আরও বলেছেন, রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বর্তমান সরকার বড় মানবিকতার পরিচয় দিয়েছে। কিন্ত যে হারে রোহিঙ্গারা আমাদের দেশে ঢুকে যাচ্ছে তা উদ্বেগ জনক।

এখানে যারা এসেছে তারা পর্যাপ্ত ত্রাণ, চিকিৎসা সেবাসহ নানা সুবিধা পেয়েছে। অনেকের এক বছরের খাদ্য মজুদ হয়ে গেছে, অনেক আরামে আছে। এ খবরে আরও নতুন করে রোহিঙ্গা এদেশে ঢুকে পড়ছে। কক্সবাজারে আমাদের জনসংখ্যার চেয়ে রোহিঙ্গারা সংখ্যায় বেশি হয়ে যাচ্ছে। তা ছাড়া তারা নানা অপরাধে জড়াতে পারে, সেজন্য আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তাদেরকে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য আমাদের সরকার কুটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেও মিয়ানমারের উপর আরও বেশি চাপ সৃষ্টি করতে হবে।




চকরিয়ায় ৬ বছর ধরে চলছে মেয়াদউত্তীর্ণ হাইয়েস মাইক্রোবাস ইউনিয়ন সমিতি

চকরিয়া প্রতিনিধি:

দীর্ঘ ৬ বছর ধরে অনিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ও সরকারকে বিপুল অঙ্ক রাজস্ব কর ফাকির মধ্যদিয়ে কক্সবাজার জেলা চকরিয়াস্থ হাইয়েস মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন(রেজি নং-২৪০২)এর মেয়াদ উর্ত্তীণ কমিটির নেতৃবৃন্দরা সাধারণ সদস্যাকে কুক্ষিগত রেখে নানা ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতিতে মেতে উঠেছে সংগঠনের বর্তমান কমিটির নেতৃবৃন্দ। এমন অভিযোগ তুলেছেন ওই সংগঠনের বর্তমান কমিটির নির্বাচিত সদস্য ও সাধারণ সদস্যরা। এ নিয়ে সাধারণ সদস্যদের মাঝে ক্ষোভের সঞ্চার সৃষ্টি হয়েছে।

শ্রমিক সংগঠনের সদস্যদের অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, চকরিয়া হাইয়েস মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সর্বশেষ নির্বাচন হয়েছিল ২০১১ সালের ২৫জুন। ওই নির্বাচিত কমিটির মেয়াদকাল ছিল নীতিমালা অনুযায়ী দুই বছর। গেল ২০১৩ সালে ২৪ জুন তারিখে মেয়াদকাল পূর্ণ হওয়ার পর থেকে ওই নির্বাচিত কমিটি অবৈধ পন্থায় শ্রমিক সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

সংগঠনের সভাপতি আজিজ উদ্দিন দুস্কৃতকারী হাতে নিহত হওয়ার পর থেকে সংগঠনের নির্বাচিত দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃবৃন্দ বেপরোয়া ভাবে অনিয়ম ও দুর্ণীতির মধ্যদিয়ে বহাল তবিয়তে সদস্যদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করে আসলেও তার কোন হিসাব-নিকাশ নেই বলে অভিয়োগ তুলেন।

এছাড়াও সংগঠনের নীতিমালা অনুযায়ী প্রতি বছর অন্তর অন্তর সমিতির আয়-ব্যয়ের অডিট নিরুপন করার নিয়ম ও বিধিবিধান থাকলেও দীর্ঘ চার বছর ধরে সংগঠনের অডিট না করে বেআইনী ও অবৈধ পন্থায় নানা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে নেতৃবৃন্দ।

দৈনিক হারে সংগঠনের ৪০০ সদস্যদের কাছ থেকে কল্যাণ উত্তোলন করে ব্যাংকে জমা না দিয়ে দায়িত্বরত নেতৃবৃন্দদের হাতে গচ্ছিত রাখেন বলে সূত্র জানায়। বর্তমান দায়িত্বরত কমিটির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন নির্বাচিত সদস্যরা এই অনিয়মের কারণে স্বীয় পদ থেকে পদত্যাগ করতে চাইলে সংগঠনের কোন ধরণের উপদেষ্টা কমিটি না থাকায় তারা পদত্যাগও করতে পারছেনা বলে জানান।

সমিতির দীর্ঘ চার বছর ধরে অনিয়মের মাধ্যমে সংগঠন পরিচালনা করার ফলে নানান জটিলতা দেখা দেয়। এতে সংগঠনের বৃহত্তর স্বার্থে এ অনিয়মের রাহুগ্রাসের কবল থেকে সাধারণ সদস্যদের ন্যায্য দাবির প্রেক্ষিতে অবৈধ কার্যক্রমসহ যাবতীয় কর্মকাণ্ড বন্ধের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সংগঠনের ভোক্তভোগী সদস্যরা।




চকরিয়ায় দুর্নীতিবিরোধী সামাজিক আন্দোলনে গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক মতবিনিময় সভা 

চকরিয়া প্রতিনিধি:
“এই দেশ আমাদের, একে দুর্নীতিমুক্ত করার দায়িত্ব আমাদেরই” এই স্লোগানকে সামনে নিয়ে কক্সবাজারের চকরিয়ায় দুর্নীতিবিরোধী সামাজিক আন্দোলনে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মরত গণমাধ্যম প্রতিনিধির ভূমিকা” শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার(১৯ অক্টোবর) সকাল ১১টায় টিআইবি মিলনায়তনে সনাক(টিআইবি) সভাপতি অধ্যাপক একেএম সাহাবুদ্দিনের সভাপতিত্বে ও টিআইবি এরিয়া ম্যানেজার এজিএম জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চলানায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বক্তব্য রাখেন সনাকের সহ-সভাপতি হুরে জন্নাত মিলি, সনাক সদস্য মোহাব্বত চৌধুরী এছাড়া ওই মতবিনিময় সভায় কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সাংবাদিক জাকের উল্লাহ চকোরী, এমআর মাহমুদ, রফিক আহমদ, মোস্তফা কামাল, জহিরুল আলম সাগর, এএম ওমর আলী, আবদুল মতিন চৌধুরী, এম. রায়হান চৌধুরী, মনির আহমদ, বিএম হাবিব উল্লাহ, এস এম হান্নান শাহ, এম আলী হোসেন, শাহ মোহাম্মদ জাহেদ, অলি উল্লাহ রনি, শাহ জালাল শাহেদ, জিয়া উদ্দিন ফারুক, এম.মনছুর আলম, নুরুদ্দোজা জনি, আবুল হোসেন, আবদুল করিম বিটু ও শাহরিয়ার মাহমুদ প্রমুখ।

মতবিনিময় সভায় বক্তরা বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে গেলে এবং দুর্নীতিমুক্ত হিসেবে গড়ে তুলতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম। সমাজের ঘটে যাওয়া নানা ঘটনার বাস্তব চিত্র একমাত্র সাংবাদিকদের কলমের লিখনীর মাধ্যমে জাতিকে তুলে ধরেন। সমাজ পরিবর্তনে টিআইবি পাশাপাশি সাংবাদিকরা যে অগ্রণী ভূমিকা রেখে যাচ্ছে তা সত্যিকারের প্রশংসার দাবীদার। আগামীতে সনাকের কর্মকাণ্ডকে সাংবাদিকদের সার্বিক ভাবে আরো সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকরা চকরিয়ার সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তর, এনজিও সংস্থার নানা ধরনের অনিয়মের চিত্রের কথা তুলে ধরেন।




প্রশিক্ষিত নারীরা দেশের দারিদ্র বিমোচনে বিরাট ভুমিকা রাখবে

চকরিয়া প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের চকরিয়ায় দুঃস্থ মহিলাদের সেলাই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জীবনমান উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণে সমাপনি অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়।

বুধাবর (১৮অক্টোবর) বেলা ১২টার সময় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন “মোহনায়” উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাহেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব জাফর আলম বিএ(অনার্স)এমএ। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চকরিয়া উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও কক্সবাজার জেলা নারী উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি সাফিয়া বেগম শম্পা, চিরিংগা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন প্রমুখ।

সেলাই মেশিন বিতরণে অনুষ্ঠানে আলোচনা সভায় বক্তরা বলেন, একজন প্রশিক্ষিত নারী সমাজ ও দেশের দারিদ্র বিমোচনে বিরাট ধরনের ভুমিকা রাখবে। সমাজ বিনির্মাণের ক্ষেত্রে নারীদের গুরুত্ব অত্যন্ত অপরিসীম। নারীদের এখন অবহেলা করার কোন ধরনের সুযোগ নেই। দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশ ও সমাজকে পরিবর্তনে নারীদের ভুমিকা অত্যান্ত ফলপ্রসূ।

পরিবার ও সংসারের কাজকর্মের পাশাপাশি এখন সমাজের বিভিন্ন স্তরে আলো ছড়াচ্ছে নারীরা। নারীদেরকে অবহেলা করে কিংবা বাদ দিয়ে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন করা সম্ভব নয়। এই জন্য তাদেরকে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে। অনুষ্ঠান শেষে ২০জন দুঃস্থ মহিলা প্রশিক্ষণার্থীকে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়।




চকরিয়ায় ১৪০জন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর মাঝে উপজেলা প্রশাসনের উপবৃত্তির চেক বিতরণ


চকরিয়া প্রতিনিধি:

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সমাজসেবা অধিদপ্তরের আয়োজনে কক্সবাজারের চকরিয়ায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৪০জন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাঝে উপজেলা প্রশাসন শিক্ষা উপবৃত্তির টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার(১৭অক্টোবর) সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন ‘মোহনায়’ চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাহেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় চেক বিতরণ অনুষ্ঠান।

ওই চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ানম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব জাফর আলম বিএ(অনার্স)এমএ।

উপবৃত্তির চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দেশের প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয়, তারা এদেশের জন্য আলোক বর্তিকা হিসেবে কাজ করছে প্রতিটি সেক্টরে। দেশের প্রতিটি সেক্টরে এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরে প্রতিবন্ধীদের কাজে লাগাতে পারলে দেশও বহুদুর এগিয়ে যাবে। প্রতিবন্ধীদের কথা চিন্তা করে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি চালু করেছেন। প্রতিটি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারের বরাদ্দ দেয়া উপবৃত্তির টাকা দিয়ে লেখা-পড়া চালিয়ে যেতে পারবে।

এটি তাদের জন্য বড় সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।সমাজের প্রত্যেক স্তরের মানুষকে এ প্রতিবন্ধীদের বোঝা না ভেবে তাদের কল্যাণে সুন্দর মানসিকতা সৃষ্টির মাধ্যমে এগিয়ে আসলে  তাদের ভবিষ্যৎ আলোকিত হবে এবং সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে বলে বক্তরা আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৪০জন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাঝে উপবৃত্তির চেক বিতরণ করেন।

এতে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের মাঝে ৫’শত টাকা করে এক বছরের জন্য ৬ হাজার টাকা ও মাধ্যমিক স্তরের ৬শত টাকা করে এক বছরের জন্য ৭ হাজার ২শত টাকা, উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের জন্য ৭শত টাকা করে ৮ হাজার ৪শত টাকা এবং উপরের স্তরের শিক্ষার্থীদের মাঝে মাসিক ১হাজার ২শত টাকা করে এক বছরের জন্য ১৪ হাজার ৪শত টাকার উপবৃত্তির চেক প্রদান করেছেন ১৪০জন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর মাঝে।




চকরিয়ায় ক্ষেতের আমন ধান রক্ষায় ২৫০টি আলোর ফাঁদ স্থাপন

চকরিয়া প্রতিনিধি:

ধানক্ষেতে ধানের ক্ষতিকর পোকামাকড় সনাক্ত করার জন্য ফাঁদ হিসেবে অন্ধকারে বাতি জ্বালানো হয়। কক্সবাজারের চকরিয়ায় আঠার ইউনিয়ন ও পৌরসভা এলাকায় চলতি মৌসুমে আমন ধানক্ষেতে ‘আলোর ফাঁদ’ বসিয়ে পোকা-মাকড়ের উপস্থিতি জরিপের কাজ শুরু হয়েছে।

চকরিয়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি বিভাগের কর্মীরা কৃষকদের সহযোগিতায় ‘আলোর ফাঁদ’ বসিয়ে পোকামাকড় সনাক্তকরণ কর্মসূচি এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। রাতের বেলায় বৈদ্যুতিক বাল্বের আলোতে ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে এসে জড়ো হয় এসব পোকামাকড়। পোকামাকড়ের দল বৈদ্যুতিক বাল্বের নিচে রাখা গামলা ভর্তি সাবান মাখা ফেনায় পানিতে পড়লে ওই সব পোকামাকড় আটকে পড়ে উঠতে পারেনা।

এরপর কৃষি বিভাগের কর্মীরা ধানের জন্য ক্ষতিকর পোকা সনাক্ত করা হয়। এনিয়ে কৃষকদের ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেন কৃষি বিভাগের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা। চকরিয়া উপজেলায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরামর্শে বিভিন্ন এলাকায় আমন ধান রক্ষায় ২৫০টির মতো ‘আলোর ফাঁদ’ পেতেছে কৃষকরা। ফসলের জন্য ক্ষতিকর পোকামাকড়ের উপস্থিতি জরিপ করতে আমনক্ষেতে এ পদ্ধতিতে আলোর ফাঁদ স্থাপন করা হচ্ছে।

চকরিয়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার ১৮ ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার ৪৮ হাজার একর জমিতে আমন চাষাবাদে ৫১ ব্লকে ২৫০টির মতো আলোক ফাঁদ স্থাপনের মাধ্যমে পোকামাকড়ের উপস্থিতি সনাক্তকরণ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কৃষককে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পোকা দমনে আলোক ফাঁদে ইতিমধ্যে সর্বক্ষেত্রে প্রশংসিত হয়েছে। বিষমুক্ত ফসল উৎপাদনের জন্য কৃষি বিভাগ চলতি মৌসুমে আমনক্ষেতে আলোক ফাঁদ পদ্ধতি চালু করেছে।

এ আলোক ফাঁদ বসানোর কারণে পোকা দমনের ক্ষেত্রে ব্যাপক ভূমিকা পালন করছে। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি বিভাগের উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, সমন্বিত বালাই ব্যবস্থা প্রকল্পের আওতায় এবং কৃষক উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে ‘আলোর ফাঁদ’ গুলো স্থাপন করা হচ্ছে।

আমন ধানের বয়স এখন বাড়ন্ত ও কচিবস্থায়। এ অবস্থায় পোকামাকড়ের আক্রমন থেকে চাষাবাদকৃত আমন রক্ষার জন্য আলোক ফাঁদের মতো উন্নত পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। এ পদ্ধতির ফলে ধান গাছে সহজেই ক্ষতিকর পোকা মাকড়ের উপস্থিতি সনাক্ত করা যাবে। এতে চাষীদের কাঙ্খিত ফসল উৎপাদনে পোকা কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারবে না এবং ফলনও ভালো হবে। কৃষকরা পাবেন তাদের কাঙ্খিত ফসল।

চকরিয়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আতিক উল্লাহর কাছে আলোক ফাঁদ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি এ পার্বত্যনিউজকে বলেন, ফসলের ক্ষতিকর পোকামাকড় নির্ণয় ও দমনে ‘আলোর ফাঁদ’ একটি সফল ও পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থাপনা। এ পদ্ধতি ব্যবহার করে চাষীরা কোনো খরচ ছাড়াই খুব সহজে ফসলের ক্ষতিকর পোকা শনাক্ত করে পোকার হাত থেকে ফসল রক্ষা করতে পারবেন।

আলোর ফাঁদে আটকা পড়া পোকা মাকড় সনাক্ত করেন কৃষি বিভাগের মাঠ কর্মীরা। ফাঁদ স্থাপনের মাধ্যমে মূলত পোকার উপস্থিতি নির্ণয় করা হয়। ফসলের ক্ষতিকর পোকা-মাকড়ের উপস্থিতি জরিপ করার জন্য ১৮ ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা এলাকায় ২৫০টি আলোর ফাঁদ স্থাপন করা হয়েছে।

আলোর ফাঁদ বসিয়ে পোকা দমন অব্যাহত থাকায় ধান থেকে পোকা ক্রমেই কমে যাচ্ছে। এতে বাড়ছে ক্ষেতের ফসলের উৎপাদন এবং লাভবান হচ্ছে প্রান্তিক কৃষকরা। এ কারণেই ফসলের শত্রু ক্ষতিকর পোকা-মাকড়ের সনাক্তকরণ কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে বলে তিনি জানান।




চকরিয়ায় ঘূর্ণিঝড় মোরায় ক্ষতিগ্রস্ত তালিকা প্রণয়নে কারিতাসের অনিয়মের অভিযোগ

চকরিয়া প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের চকরিয়ায় ঘূর্ণিঝড় মোরায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায়, অস্বচ্ছল, হতদরিদ্র, স্বামী পরিত্যক্তা ও বিধবা পরিবারে জন্য কারিতাস এনজিও সংস্থার মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে  প্রতি পরিবারকে গৃহ নির্মাণের জন্য ২০হাজার করে টাকা অনুদান দেয়ার প্রকল্প হাতে নেয়। ওই প্রকল্পে গ্রামীণ এলাকার সাধারণ মানুষকে ওই সংস্থার পক্ষ থেকে মোরা আক্রান্তদের টাকা দেয়ার তালিকা প্রণয়ন করেছেন খোদ এনজিও সংস্থার মাঠকর্মী ও একশ্রেণির দালাল লোকজন।

মঙ্গলবার(১৭অক্টোবর) বিকালে উপজেলার ঢেমুশিয়া ইউনিয়নে প্যানেল চেয়ারম্যান ও মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আরছ খাতুন তালিকা প্রণয়নে অনিয়ম ও অস্বচ্ছতার অভিয়োগ এনে ভোক্তভোগীদের নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ভোক্তভোগী ও প্যানেল চেয়ারম্যান আরছ খাতুন অভিযোগ করে বলেন, উপজেলার ঢেমুশিয়া ইউনিয়নের ৩নম্বর ও ৪নম্বর ওয়ার্ডে ঘূর্ণিঝড় মোরায় ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র পরিবারের মাঝে প্রতি পরিবারে গৃহনির্মাণ করে দেয়ার জন্য কারিতাস এনজিও সংস্থা নামক একটি এনজিও মাঠ পর্যায়ে তালিকা প্রণয়ন করেন। তালিকা প্রণয়নের ক্ষেত্রে যারা প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত এবং এই টাকা পাওয়ার যোগ্য তাদের প্রকৃত তালিকা প্রণয়ন না করে মনগড়া, বিত্তবান, স্বচ্ছল, প্রবাসী ব্যক্তিকে তালিকা প্রণয়ন নাম লিপিবদ্ধ করেন। তালিকা প্রণয়নের এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত রয়েছে  কারিতাস এনজিওর অসাধু কর্মকর্তা, ইউপি চেয়ারম্যান ও ৪নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মোহাব্বত আলী কালুসহ স্থানীয় দালাল শ্রেণির লোকজন।

তিনি আরো বলেন, তালিকা তৈরি প্রণয়নে অনিয়মের অভিযোগ এনে সম্প্রতি চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্থানীয় কয়েকজন ভোক্তভোগী অভিযোগ দায়ের করেন। এসব অনিয়ম খতিয়ে দেখতে সরকারি বা বেসরকারি পর্যায়ে গঠিত হয়নি কোন তদন্ত কমিটি। ফলে বহাল তবিয়তে আছে প্রতারকচক্র।

ভোক্তভোগী অভিযোগ, কারিতাস এনজিও সংস্থার মাঠ পর্যায়ে কর্মীরা আর্থিক সহযোগিতা নিয়ে এনজিওর টাকা পাইয়ে দেয়ার প্রলোভনে এক শ্রেণির প্রতারকচক্রের মাধ্যমে দরিদ্র জনগণের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। চলমান কারিতাস এনজিও এ প্রকল্পে তালিকা প্রণয়নের ক্ষেত্রে চলছে নানা অনিয়ম।

উৎকোচ গ্রহণের গোপনীয়তা রক্ষায় অসাধু  ইউপি সদস্য ও এনজিও কর্মচারীরা তৃতীয় ব্যক্তিকে ব্যবহার করেছে বলে স্থানীয় ভোক্তভোগী ও প্যানেল চেয়ারম্যান অভিযোগ করেন। নির্ধারিত উৎকোচ ছাড়া কোন দরিদ্র পরিবার ত্রাণের ঘর বা অন্য কোন পুনর্বাসন সহায়তা পেয়েছে তা জানা নেই। দরিদ্র পরিবারের কাছ থেকে জনপ্রতি পাঁচ হাজার টাকা করে উৎকোচের বিনিময়ে এসব টাকা বা গৃহনির্মাণ দেয়ার আশ্বাস দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা।

এনজিও সংস্থা কারিতাসের মাঠকর্মীর যোগসাজসে ৩নম্বর ও ৪নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যরা প্রকৃত উপকারভোগী তালিকা প্রণয়ন না করে স্বচ্ছল ব্যক্তির নাম প্রণয়ন করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে প্যানেল চেয়ারম্যান আরছ খাতু বলেন, উপকারভোগীর পূর্বের তালিকা সংশোধন দেখিয়ে তাকে সুকৌশলে পরিষদে ডেকে চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা তার কাছ থেকে রেজুলেশন খাতাসহ বিভিন্ন প্রকল্পের স্বাক্ষর নেয়। তিনি পূর্বের প্রণয়নকৃত তালিকা বাদ দিয়ে প্রকৃত নতুন করে উপকারভোগীর নাম তালিকা প্রণয়নের জন্য সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন।




চকরিয়ায় হাইওয়ে পুলিশের সড়ক দুর্ঘটনা রোধকল্পে সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত

 

চকরিয়া প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের চকরিয়ায় চিরিংগা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির আয়োজনে চকরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের নিয়ে সড়ক দুর্ঘটনা রোধকল্পে জনসচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার(১৭অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে কলেজ মিলনায়তনে কলেজের অধ্যক্ষ একেএম গিয়াস উদ্দিনের সভাপতিত্বে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে জনসচেতনতামূলক গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন চকরিয়াস্থ চিরিংগা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (সাজেন্ট)  মো. নুরে আলম।

এতে আরও বক্তব্য রাখেন চকরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক ইন্দ্রজিৎ বড়ুয়া, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ছাত্রনেতা এম. আরিফুল ইসলাম চৌধুরী, চকরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তোয়াছিন আনোয়ার জিহান।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, চিরিংগা হাইওয়ে পুলিশের উপপরিদর্শক(এস আই)মো. নাছির উদ্দিন, চকরিয়ার কর্মরত সাংবাদিক, বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সেমিনারে বক্তরা বলেন, জনসচেতনতায় পারে সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করতে। এজন্য পেশাজীবী, শিক্ষার্থী, গাড়ি চালকসহ সকলকে সম্মিলিতভাবে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সচেতনতা সৃষ্টি এবং সকল নিয়মের অনুশাসন মেনে চলার আহ্বান জানান।

তারা আলো বলেন, সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে দুনিয়াতে জীবনের চেয়ে মূল্যবান আর কিছু নেই। দুর্ঘটনার মতো ঘটনায় কারো জীবন চলে যাবে এটা কারোই কাম্য হতে পারে না। সংশ্লিষ্টদের সম্মিলিত প্রয়াস ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে অবশ্যই সড়ক দুর্ঘটনা সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনা যায়। সেই কাজটিই জরুরিভাবে করতে হবে।

 




মৌসুমী বিতর্ক প্রতিযোগিতায় জেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চকরিয়ার বহদ্দার কাটা উচ্চ বিদ্যালয়

চকরিয়া প্রতিনিধি:

জাতীয় শিশু একাডেমি কতৃক আয়োজিত শিশুদের মৌসুমী প্রতিযোগিতায় উপস্থিত বিতর্কে জেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে চকরিয়া উপজেলার অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বহদ্দার কাটা উচ্চ বিদ্যালয় দল।

১৬ অক্টোবর সোমবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত জেলার ৪ টি বিদ্যালয়ের বিতার্কিকদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি ও যুক্তিতর্কে মুখরিত ছিল কক্সবাজারস্থ শিশু একাডেমী মিলনায়তন।

বিতর্কের মধ্যে যুক্তিতর্কে শ্রেষ্ঠত্ব দেখিয়ে রামু  উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়কে হারিয়ে জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে উপজেলার বিএমচর ইউনিয়নস্থ বহদ্দার কাটা উচ্চ বিদ্যালয়। শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হয় চ্যাম্পিয়ন দলের প্রতিযোগী ও দলনেতা শান্তা দাস।

প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া দলগুলো হচ্ছে চকরিয়া উপজেলার বহদ্দার কাটা উচ্চ বিদ্যালয়, কক্সবাজার বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল, রামু উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় ও মহেশখালী বালিকা বিদ্যালয়।

উক্ত বিতর্ক প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠানে অতিথিরা বিতর্ক শেষে বিজয়ীদের মাঝে সম্মাননা সনদ ও পুরস্কার তুলে দেন। বিতর্কে জেলা পর্যায়ের বিজয়ী দল আগামী ২১অক্টোবর চট্রগ্রাম বিভাগীয় পর্যায়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বলে বিজয়ী বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সেলিনা আক্তার জানান।

এদিকে বহদ্দার কাটা উচ্চ বিদ্যালয় জেলা পর্যায়ে বিতর্কে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মসিউর রহমান আরিফ বিজয়ী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন ও ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।