ত্যাগী, বিনয়ী এবং ভদ্র নেতাকর্মীরাই চকরিয়ার নেতৃত্বে আসীন হবে


চকরিয়া প্রতিনিধি
কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান বলেছেন- দ্বি-জাতি তত্তের ধর্মান্ধ পাকিস্তান থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ত্যাগীকর্মীদের সাথে নিয়ে দীর্ঘ সংগ্রামের মাধ্যমে অ-সাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্টা করেছিলেন। আর সেই ধরণের ত্যাগী, বিনয়ী এবং ভদ্র নেতাকর্মীরাই ভবিষ্যতে চকরিয়ার নেতৃত্বে আসীন হবে।

শোকের মাস উপলক্ষে ২৩ আগষ্ট বুধবার বিকালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, চকরিয়া উপজেলার সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়ন শাখা ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান বলেন, আগামী একাদশ নির্বাচনে চকরিয়া-পেকুয়া আসনে নৌকা প্রতীকের জয় নিশ্চিত করতে হবে। যাতে আমরা এই আসনটি পুনরুদ্ধার করে দেশরত্ম শেখ হাসিনাকে উপহার দিতে পারি। এইজন্য এখন থেকে সংগঠনের কার্যক্রম গতিশীল করতে যার যার অবস্থান থেকে সকলকে কাজ করতে হবে।

সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বাদল কান্তি শর্মা’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন- জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাতি এডভোকেট আমজাদ হোসেন, সহ-সভাপতি ও সাবেক চকরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল করিম, কক্সবাজার জেলা পরিষদের সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক লায়ন কমর উদ্দিন আহামদ, সদস্যবৃন্দ যথাক্রমে এ.টি.এম. জিয়াউদ্দিন চৌধুরী, আমিনুর রশিদ দুলাল, মিজানুর রহমান, উম্মে কুলসুম মিনু, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন জয়নাল, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক ও সুরাজপুর-মানিকপুর ইউপি চেয়ারম্যান আজিমুল হক আজিম।

ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম কাজল মেম্বারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আরো বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা নজির আহামদ, কৃষকলীগের উপজেলা যুগ্ম আহ্বায়ক মোজাম্মেল হক, কলিম উল্রাহ্্, চকরিয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শওকত ওসমান, আওয়মাীলীগ নেতা মোঃ শাহাব উদ্দিন, বরইতলী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা সেলিম উল্লাহ্্ বাহাদুর, ইউনিয়ন আওয়মীলীগের যুগ্ম সম্পাদক নুরুল আমীন, ছাত্রলীগ নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টো, ও শাখাওয়াত হোসেন সৈকত প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।




চকরিয়ায় পাওনা টাকা চাওয়ায় ওলামালীগ সেক্রেটারীকে কুপিয়ে জখম

চকরিয়া প্রতিনিধি:
চকরিয়ায় বন্ধুর কাছে ধার দেয়া পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ায় উপজেলা ওলামালীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মৌলানা কাউছারকে (৩৫) কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। কাউচার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের ছড়ারকুল এলাকার মৌলানা নুরুজ্জমানের পুত্র। আহত কাউচারকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চট্রগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কস্থ ফাঁসিয়াখালী ছড়ারকুল ষ্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়া জানান, চট্রগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কস্থ লাগোয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের ছড়ারকুল ষ্টেশন এলাকায় বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হাফেজ মৌলানা কাউচারের সাথে স্থানীয় আশরাফ মিয়ার পুত্র মৌলানা ছলিম উল্লাহর সাথে ধার দেওয়া দেড়লক্ষ টাকা নিয়ে তর্কাতর্কি হয়। এক পর্যায়ে ছলিম উল্লাহর সহযোগী ভাড়াটিয়া মো.বশির ধারালো অস্ত্রদিয়ে পেছন থেকে হাফেজ কাউছারকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে মাটিতে ফেলে রেখে দুবৃর্ত্তরা চলে যায়।

ঘটনার খবর পেয়ে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আবচারসহ স্থানীয় এলাকাবাসী ঘটনাস্থল থেকে আহত ব্যাক্তিকে উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত ওলামালীগের সম্পাদক কাউচারের স্ত্রী জানান, ছড়ারকুল এলাকার আশরাফ মিয়ার পুত্র ছলিম উল্লাহর সাথে আমার স্বামী হাফেজ কাউচারের ঘনিষ্ট বন্ধুত্বের সুবাদে মৌখিক ভাবে দেড়লক্ষ টাকা ধার দেন। উক্ত টাকা থেকে ছলিম উল্লাহ নব্বই হাজার টাকা সম্প্রতি পরিশোধ করেন।অবশিষ্ট ষাট হাজার টাকা ফেরত দেয়ার বিষয় নিয়ে ছড়ারকুল ষ্টেশনে তর্কাতর্কি হয়। এসময় হঠাৎ ছলিমের সহযোগী বশির পেছন থেকে এসে ধারালে দা দিয়ে মাথায় এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে পালিয়ে যায়।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ঘটনার বিষয়ে কেউ আমাকে জানায়নি। লিখিত অভিযোগ দেয়া হলে অভিযুক্ত ব্যাক্তির বিরুদ্ধে আইগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।




চকরিয়ায় ওলামালীগের সম্পাদককে কুপিয়ে গুরুতর আহত

চকরিয়া প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের চকরিয়ায় বন্ধুকে ধার দেয়া পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ায় ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী দিয়ে উপজেলা ওলামালীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মৌলানা কাউছার(৩৫)নামের এক রাজনৈতিক ব্যক্তিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। তিনি ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের ছড়ারকুল এলাকার মৌলানা নুরুজ্জমানের পুত্র। আহত কাউছারকে স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার(২৩ আগস্ট ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চট্রগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কস্থ ফাঁসিয়াখালী ছড়ারকুল স্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়া জানান, চট্রগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কস্থ লাগোয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের ছড়ারকুল স্টেশন এলাকায় বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে একই এলাকার মৌলানা নুরুজ্জমানের পুত্র ও উপজেলা ওলামালীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মৌলানা কাউছারের সাথে স্থানীয় আশরাফ মিয়ার পুত্র মৌলানা ছলিম উল্লাহর সাথে ধার দেওয়া দেড়লক্ষ টাকা পাওনা টাকা নিয়ে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়ে।এক পর্যায়ে ছলিম উল্লাহর সহযোগী ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী মো. বশির দেশিয় তৈরি ধারালো অস্ত্রদিয়ে পেছন থেকে এসে হাফেজ কাউছার(৩৫)কে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে মাটিতে ফেলে রেখে দুবৃর্ত্তরা চলে যায়।ঘটনার খবর পেয়ে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আবচারসহ স্থানীয় এলাকাবাসী ঘটনাস্থল থেকে আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত ওলামালীগের সম্পাদক কাউছারের স্ত্রী বলেন, ছড়ারকুল এলাকার আশরাফ মিয়ার পুত্র ছলিম উল্লাহর সাথে আমার স্বামী হাফেজ কাউছারের ঘনিষ্ট বন্ধুত্বের সুবাদে মৌখিক ভাবে দেড়লক্ষ টাকা ধার দেন।ওই টাকা থেকে ছলিম উল্লাহ নব্বই হাজার টাকা সম্প্রতি পরিশোধ করেন।অবশিষ্ট ষাট হাজার টাকা ফেরত দেয়ার বিষয় নিয়ে ছড়ারকুল স্টেশনে তর্কাতর্কি হয়।

এ সময় হঠাৎ ছলিমের সহযোগী ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী বশির পেছন থেকে এসে ধারালো দা দিয়ে মাথায় এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।এ নিয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।

এ ব্যাপারে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মো.বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,ঘটনার বিষয়ে কেউ আমাকে জানায়নি।পরিবারের পক্ষথেকে লিখিত অভিযোগ দেয়া হলে অভিযুক্ত ব্যাক্তির বিরুদ্ধে আইগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

 




ইয়াবা মামলায় প্রথম সর্বোচ্চ দণ্ডদেশ

চকরিয়া প্রতিনিধি:

কক্সবাজার টেকনাফের সাবরং ইউনিয়নের শাহপরীর উপকূলে বঙ্গোপসাগরে চার লক্ষ ইয়াবা উদ্ধার ও ১৯জন আসামিকে গ্রেফতার করেছিল তৎকালীন টেকনাফ থানার চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা। বর্তমানে চকরিয়া থানায় কর্মরত উপপরিদর্শক (এস আই) গৌতম রায় সরকার। জেলায় আজকের আলোচিত ১৯জন ইয়াবা ব্যবসায়ীর ১০ বছরের কারাদণ্ডের চার্জশীট প্রদানকারী তদন্ত কর্মকর্তা হলেন উদ্দমী, নিষ্ঠাবান এ পুলিশ কর্মকর্তা।

তিনি ২৫ মার্চ ২০১৬ তারিখে টেকনাফে কোস্টগার্ডের সহায়তায় তৎকালীন সময়ে ৪ লাখ পিস ইয়াবাসহ ১৯জনকে সাগর পথে এসআই গৌতম রায়ের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছিল। এ পুলিশ কর্মকর্তা চকরিয়া থানায়ও যোগদানের পর থেকে অত্যন্ত দক্ষ, নিষ্ঠা ও সাহসিকতার সহীত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

জানা গেছে, সোমবার ২১ আগস্ট সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. ওসমান গণি ৪ লাখ ইয়াবা আটক ও ১৯ আসামিকে দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো তিনমাস কারাদণ্ডাদেশ দেন।

২২ আগস্ট মঙ্গলবার বিকালে গৌতম রায় সরকার পার্বত্যনিউজ এর সাথে একান্ত স্বাক্ষাতকালে বলেন, পুলিশ পেশাকে দেশ মাতৃকার জন্য শতভাগ কাজে লোভের উর্ধ্বে থেকে ইয়াবা নিয়ে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে এ চার্জশীটটি দিয়েছিলাম। ইয়াবার কোন মামলায় বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক সর্বপ্রথম সর্বোচ্চ সাজার বিষয়টি দেখে সত্যিই ভাল লাগছে এবং নিজেকে গর্বিত মনে করছি। বিজ্ঞ আদালতের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।




চকরিয়ায় বন্যার ক্ষতিগ্রস্থ ৮৭০ পরিবারের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ

চকরিয়া প্রতিনিধি:
চকরিয়া উপজেলার ১৮ উনিয়ন ও একটি পৌরসভা এলাকায় চলতি বর্ষামৌসুমের কয়েকদফা বন্যার তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্থ ও গৃহহীন ৮৭০টি হত-দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার (২১ আগষ্ট) দুপুরে চকরিয়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এনজি সংস্থা এডরা বাংলাদেশের অর্থায়নে এনজিও সংস্থা অগ্রযাত্রার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় দরিদ্র এসব পরিবারের মাঝে টিন বিতরণ করা হয়। চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাহেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ জাফর আলম উপকারভোগী ৮৭০টি পরিবারের মাঝে টিন বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান শাফিয়া বেগম শম্পা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো.জোবায়ের হাসান, এনজিও সংস্থা অগ্রযাত্রার সভাপতি নীলিমা আক্তার চৌধুরী, নির্বাহী পরিচালক মো.হেলাল উদ্দিন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও এনজিও সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে চকরিয়া উপজেলার চিরিঙ্গা, ফাসিয়াখালী, সাহারবিল, ডুলাহাজারা, খুটাখালী, বমুবিলছড়ি, কাকারা, সুরাজপুর-মানিকপুর, লক্ষ্যারচর, কৈয়ারবিল, বরইতলী, হারবাং, পুর্ববড় ভেওলা, বিএমচর, কোনাখালী, ঢেমুশিয়া, বদরখালী, পশ্চিম বড়ভেওলা ইউনিয়ন ও পৌরসভার ৮৭০টি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ দরিদ্র পরিবারের মাঝে এসব টিন বিতরণ করা হয়েছে।




চকরিয়ায় মহাসড়কে ব্যারিকেড দিয়ে ছিনতাই

চকরিয়া প্রতিনিধি:
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়া পৌরসভায় পিকআপ গাড়ী ব্যারিকেড দিয়ে চালককে পিটিয়ে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে আহত চালককে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে। ২১ আগষ্ট রাত পৌনে ৯টার দিকে চিরিংগা মাতামুহুরী ব্রীজের উপরে ঘটেছে এ ঘটনা।

ছিনতাইয়ের শিকার গাড়ী চালক চকরিয়া উপজেলার কাকারা বারআউলিয়ানগর আমির হোসেনের পুত্র রেজাউল করিম (৩২) জানান, তিনি উত্তর লক্ষ্যারচর ৯নং ওয়ার্ড বদিউল আলমের পুত্র মহিউদ্দিনের মালিকনাধীন পিকআপ গাড়ী (নং ট-০০৮৫) নিয়ে সকাল ১১টার দিকে ফাইতং এসবিএম ব্রিকফিল্ড থেকে ইট বোঝাই করে ভাড়ায় মহেশখালী গিয়েছিলেন। মহেশখালী থেকে চকরিয়ার জিদ্দাবাজার ষ্টেশনে ফেরার পথে রাত পৌনে ৯টার দিকে মাতামুহুরী ব্রীজের উপরে পৌছলে একটি ম্যাজিক (ছাড়পোকা নং চট্টমেট্টো-ন ১১-২৬২) গাড়ীতে করে ৬/৭জনের একদল দূর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র নিয়ে আকষ্মিকভাবে রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে পিকআপ গাড়ী আটকিয়ে তাকে (চালককে) বেধম মারধর ও গাড়ীর গ্লাস ভাংচুর করে।

এক পর্যায়ে ছিনতাইকারীর পিকআপ গাড়ী চালকের পকেটে থাকা ইট বিক্রির অবশিষ্ট নগদ ২২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। ছিনতাইকারীরা মনে করেছিল ইট বিক্রির বকেয়া অন্তত লক্ষাধিক টাকা নিয়ে চকরিয়া ফিরছিলেন।

পিকআপ চালক রেজাউল বলেন, ছিনতাইকারীদের মধ্যে ম্যাজিক গাড়ী চালক মামুন নামে একজনকে চিনতে পেরেছেন। তার বাড়ি চকরিয়া উপজেলার পূর্ববড়ভেওলা ইউনিয়নে। এনিয়ে মামলার প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে জানান।

চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, পৌর শহরে এধরণের ঘটনা খুব কমই হয়।  তবে ঘটনার বিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




পেকুয়ায় তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণ, ঘটনা ধামাচাপা দিতে মরিয়া প্রভাবশালীরা

চকরিয়া প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের পেকুয়ায় ৩ বছরের এক কন্যা শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত ইয়াছিন নামের এক লম্পটকে বাঁচাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে প্রভাবশালীরা। এ কারণে ঘটনার চারদিন পেরিয়ে গেলেও থানায় মামলা হয়নি। ধর্ষিতা শিশুটিকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।

অভিযুক্ত ইয়াছিন পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের কাচারীমুড়া গ্রামের আবদুল মোনাফের ছেলে।

পুলিশ জানায়, শিশু ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়ার পর ধর্ষিতার পরিবার সদস্যদের সঙ্গে কথা বলতে এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন চকরিয়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার কাজী মো. মতিউল ইসলাম, পেকুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মনজুর কাদের মজুমদার।

পরিবার সদস্যরা অভিযোগ করেছেন, পুলিশ যখন ঘটনা তদন্ত করতে যায়, সেসময় পুলিশের সঙ্গে সার্বক্ষণিক অবস্থান করছিল ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত ইয়াছিনের এক নিকটাত্মীয়। তিনি পুলিশকে ম্যানেজ এবং প্রভাব খাটিয়ে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন। এমনকি বিভিন্ন মাধ্যমে চাপ দিচ্ছেন থানায় এ সংক্রান্ত কোন অভিযোগ বা মামলা না করতে। অভিযোগ দিলেও কিছুই করতে পারবে না বলেও হুমকি দিচ্ছেন ওই প্রভাবশালী।

শিশুর মা ও সিএনজি অটোরিক্সা চালক বাবা অভিযোগ করেছেন, গত শুক্রবার দুপুরে তাদের তিন বছরের কন্যা শিশুকে ফুসলিয়ে ইয়াছিন তাদের রান্নাঘরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় শিশুটি চিৎকার দিলে দৌঁড়ে যায় মা। এই অবস্থায় ধর্ষক ইয়াছিন রান্নাঘর থেকে পালিয়ে যায়। পরে ইয়াছিনের নিকটাত্মীয়রা টাকা দিয়ে তাদের ম্যানেজেরও চেষ্টা চালায়।

এ ব্যাপারে পেকুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মনজুর কাদের মজুমদার বলেন, রোববার রাতে শিশুটির পরিবার সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছি এবং ঘটনাস্থলও পরিদর্শন করেছি আমরা। এ সময় থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছি পরিবার সদস্যদের। লিখিত অভিযোগ পেলে মামলা নেওয়া হবে।




চকরিয়ায় তিনদিনের ব্যবধানে আরেক লাশ উদ্ধার

 

চকরিয়া  প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের চকরিয়ায় তিনদিনের ব্যবধানে উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়ন থেকে এবার উদ্ধার করা হয়েছে মাইক্রোবাস হেলপারের লাশ। সোমবার (২১ আগস্ট) বেলা দুইটার দিকে লাশটি উদ্ধার করা হয় ফুলছড়ি শিয়াপাড়ার সদর মসজিদ এলাকার ধানখেত থেকে।

পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত লাশটি কক্সবাজার সদর উপজেলার নাপিতখালী ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের আবদুর রহমানের পুত্র আবু হেনার (২৩)। সে পেশায় একজন মাইক্রোবাসের হেলপার।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ধানখেতে লাশটি পড়ে দেখে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে খবর পাঠানো হয়। এর পর চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার কাজী মো. মতিউল ইসলাম, থানার ওসি মো. বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরীসহ একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

ওসি মো. বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির সময় আবু হেনার পায়ে ও শরীরের বিভিন্নস্থানে জখমের চি‎ রয়েছে। লাশ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, শুক্রবার দুপুরে একই ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের বালুরচর এলাকার ধানখেত থেকে বান্দরবানের লামার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের রইঙ্গারঝিরির রাবার ব্যবসায়ী নুর মোহাম্মদের পুত্র মো. মোজাহের মিয়ার (৩১) মস্তকবিহীন লাশ উদ্ধার করা হয়।




চকরিয়ায় উদ্ধার হওয়া লাশের পরিচয় মিলেছে, দুইদিন পর পাওয়া গেল কর্তিত মাথা

চকরিয়া প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের বালুরচর এলাকায় শুক্রবার সকালে ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার করা লাশের পরিচয় পাওয়া গেছে। একইসঙ্গে দুইদিন পর লাশ পাওয়ায় ঘটনাস্থল থেকে ৫শ’ গজ দূরের পূর্বপাশের ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার করা হয়েছে কর্তিত মাথাটিও।

রবিবার বেলা দুইটার দিকে স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে মাথাটি উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া লাশটি বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের রইঙ্গার ঝিরির নুর মোহাম্মদের তৃতীয় পুত্র মো. মোজাহের মিয়ার (৩১)। খুন হওয়া মোজাহের পেশায় রাবার ব্যবসায়ী বলে স্বজনেরা জানিয়েছে।

চাঞ্চল্যকর ও নৃশংস এই হত্যারহস্য উদঘাটনে পুলিশ ব্যাপক তদন্ত শুরু করেছে। এ ঘটনায় থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অপু বড়ুয়া বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামী দেখিয়ে থানায় একটি মামলা রুজু করে শনিবার।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. আলমগীর আলম জানান, দুইদিন পর্যন্ত কোন পরিচয় নিশ্চিত না হওয়ায় ময়নাতদন্ত শেষে লাশটি আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামের মাধ্যমে দাফন করে ফেলার প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়।

এরই মধ্যে শনিবার রাতে মো. সেলিম মিয়া নামের এক ব্যক্তি থানায় এসে লাশটি তার ভাইয়ের বলে শনাক্ত করে। এরপর পরিচয় নিশ্চিত হলে স্বজনদের কাছে ফেরত দেওয়ার জন্য মর্গেই রাখা হয়। গতকাল হস্তান্তর করা হয় লাশটি।

তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, ‘যেখানে লাশটি পাওয়া গেছে, সেখান থেকে আরো ৫শ গজ পূর্বে ধানক্ষেতে পড়ে থাকা অবস্থায় মোজাহের মিয়ার মস্তক পাওয়া যায় আজ বেলা দুইটার দিকে।

চকরিয়া থানার ওসি মো. বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর স্বজনদের কাছে লাশ এবং মস্তকটি হস্তান্তর করা হয়েছে। এই হত্যারহস্য উম্মোচনে পুলিশ ব্যাপক তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে।




চকরিয়ায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে স্কুলছাত্রের আত্মহত্যা

চকরিয়া প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের চকরিয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে মহিউদ্দিন সাহেল (১৪) নামের এক স্কুল ছাত্র আত্মহত্যা করেছে। শনিবার (১৯ আগস্ট) সকাল ৮টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার ভরামুহুরীস্থ গ্রামীন ব্যাংক এলাকায় ভাড়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ছাত্র মহিউদ্দিন উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের হামিদল্লাহ সিকদার পাড়ার বাসিন্দা সৌদি প্রবাসী জসিম উদ্দিনের ছেলে ও চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র।

জানা গেছে, মহিউদ্দিনের বাবা সৌদি প্রবাসী। বৃহস্পতিবার তার মা হজ্ব করতে সৌদি আরব গেছেন। নানার বাড়ির পাশাপাশি একটি ভাড়া বাসায় একা থাকে সে। শনিবার ভোর ৬টার দিকে নানা তাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে দেয়। পরে বাসার একটি রুমে ফ্যানের সঙ্গে মায়ের ওড়না বেঁধে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে মহিউদ্দিন।

সকাল ৮টার দিকে বাড়ির মালিক এ ঘটনা দেখে নানার বাড়ির লোকজনকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত ছাত্র মহিউদ্দিনের মামা ফয়সাল জানান, মহিউদ্দিন বাবা-মা’র প্রথম সন্তান। তার ছোট ভাই কয়েক বছর আগে পানিতে ডুবে মারা যায়। মহিউদ্দিন চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ থেকে ৮ম শ্রেণির দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা দিয়েছে। এ পরীক্ষায় গণিতে ফেল করায় প্রধান শিক্ষক নূরুল আখের তাকে জেএসসি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে না বলে বকাঝকা করেন। একদিকে পরীক্ষায় অকৃতকার্য অন্যদিকে বাবা-মা বিদেশে থাকায় সে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। এ কারণে হয়তো সে আত্মহত্যা করেছে।

ওই ছাত্রকে কোন ধরনের বকাঝকা করা হয়নি দাবি করে চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক নুরুল আখের বলেন, অষ্টম শ্রেণিতে গণিত পরীক্ষায় যারা অকৃতকার্য হয়েছে গত শুক্রবার (১১ আগস্ট ) ওই ছাত্রদের  অভিভাবকদের স্কুলে মিটিং ডাকা হয়। ওই মিটিংএ অভিভাবকরা পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। গতকাল শুক্রবার সকালে ওইসব পরীক্ষার্থীদের কাছে পরীক্ষাও নেওয়া হয়। কি কারণে সে আত্মহত্যা করেছে বুঝতে পারছি না।

চকরিয়া থানার ওসি মো. বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। তার গলায় ওড়না প্যাঁচানোর দাগ রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।