গুইমারা উপজেলা নির্বাচনে ঘুরে দাঁড়াতে চায় ইউপিডিএফ

22.02.2017_Guimara Election NEWS-UPDF

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা:

গুইমারা উপজেলা নির্বাচনের মনোনয়ন পত্যাহার ও প্রতীক বরাদ্ধের পর জমে উঠতে শুরু করেছে নির্বাচনী ময়দান। তিনটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ উপজেলায় জয় পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে সম্ভাব্য প্রার্থীরা। সরকারী দল আওয়ামী লীগ প্রার্থী মেমং মারমা ও দেশের অন্যতম রাজনৈতিক দল বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ ইউছুফের পাশাপাশি সমানতালে মাঠ চষে বেড়াচ্ছে পাহাড়ের আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট-ইউপিডিএফ সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী উশেপ্রু মারমা।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি গভীর রাতে নিরাপত্তা বাহিনী লক্ষীছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান সুপার জ্যোতি চাকমাকে তার বাসভবন থেকে পাঁচ রাউন্ড গুলি ভর্তি আমেরিকার তৈরি একটি ফাইভ স্টার পিস্তলসহ গ্রেফতারের দুই মাস না পেরুতেই গেল ১০ ফ্রেব্রুয়ারি গভীর রাতে ইউপিডিএফ নেতা প্রদীপন খীসার খাগড়াছড়ির বাসা থেকে প্রায় ৮০ লাখ টাকা সহ গুরুত্বপূর্ণ দলিলাদি উদ্ধারের ঘটনায় অনেকটাই কোনঠাসা হয়ে পড়েছে পাহাড়ের আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট-ইউপিডিএফ।

সংগঠনটির অব্যাহত চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক সময়ে দলটির শীর্ষ দুই নেতার বাসায় নিরাপত্তাবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র ও চাঁদাবাজির অর্থ উদ্ধারের ঘটনায় মাঠ পর্যায়ে তাদের কর্মকাণ্ড যখন সাধারণ মানুষের কাছে  প্রশ্নবিদ্ধ তখন সদ্য ঘোষিত গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ঘুরে দাঁড়াতে চায় উগ্রসাম্প্রদায়িক এ সংগঠনটি। গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে টার্গেট করে ইতিমধ্যে সংগঠনটি কোমড় বেঁধে মাঠে নেমেছে।

গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করে দলটির সমর্থন নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছেন হাফছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান উশেপ্রু মারমা। বয়সে তরুন এ নেতা ইতিমধ্যে লক্ষীছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান সুপার জ্যোতি চাকমাকে গ্রেফতারের পর তার মুক্তির দাবিতে অনেকটাই সরব ছিল। আর এ কারণেই তার প্রতি দলটিও আস্থাশীল বলে অসমর্থিত একাধিক সূত্রের সাথে কথা বলে জানা গেছে।

গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দুই তৃতীয়াংশ উপজাতীয় ভোটারকে লক্ষ্য করে আওয়ামী লীগ-বিএনপি’র দুই শক্তিশালী প্রার্থীকে পেছনে ফেলে জয় পেতে মরিয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী উশেপ্রু মারমা। ইতিমধ্যে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাহলাপ্রু চৌধুরীর পদত্যাগের মধ্য দিয়ে উশেপ্রু মারমা অনেকটাই খোশ মেজাজে রয়েছেন বলেও জানা গেছে। দুর্গম পাহাড়ি জনপদের ভোটাররাই তার টার্গেট হতে পারে এমনটাই মনে করছেন সচেতন মহল।

সাধারণ ভোটারদের অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জয় পাওয়ার দিন এখন আর নেই উল্লেখ করে গুইমারার সচেতন ভোটারদের অনেকেই বলেন ভয়ভীতি বা অস্ত্রের জোরে জয়ের যে স্বপ্ন দেখছে ইউপিডিএফ সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী উশেপ্রু মারমা ৬মার্চের নির্বাচনে ব্যালটের কাছে হেরে গেলে আশ্চর্য হওয়ার তেমন কিছু থাকবেনা।

প্রসঙ্গত, গুইমারা সদর ইউনিয়নে ৯ হাজার ৫’শ ৫৬জন, হাফছড়ি ইউনিয়নে ১৩হাজার ২’শ ১৮জন এবং সিন্দুকছড়ি ইউনিয়নে ৪ হাজার ৬’শ ৭জন ভোটার ৬মার্চ অনুষ্ঠিতব্য গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তাদের পছন্দের প্রার্থী নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।




গুইমারায় ক্লিন ইমেজের মেমং-ইউসুফকে টেক্কা দিতে মরিয়া উশেপ্রু মারমা

 

Guimara Election NEWS Pic copy

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা :

যাচাই-বাছাই আর প্রতীক বরাদ্ধের পর টানটান উত্তেজনার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে পার্বত্য খাগড়াছড়ির নবসৃষ্ট গুইমারা উপজেলা পরিষদের প্রথম নির্বাচন। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় মূখর গুইমারার দুর্গম পাহাড়ি জনপদ। গুইমারা উপজেলা প্রথম নির্বাচনে জয়ের স্বাধ পেতে মরিয়া চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদের ৯ প্রার্থী। ভোটারদের পক্ষে টানতে যে যার মতো করে ছুটে চলেছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে।

গুইমারা উপজেলা পরিষদের প্রথম নির্বাচনে দুই প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন নিয়ে চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন দুই তরুন নেতা মেমং মারমা ও মো. ইউসুফ। এ দু’নেতার মধ্যে রাজনৈতিক মতাদর্শে ভিন্নতা থাকলেও রাজনীতির মাঠে তারা দুজনই ক্লিন ইমেজের অধিকারী। ভোটার মহলের কাছে রয়েছে দুজনেরই পরিচিতি। দলে দুজনেরই গ্রহণযোগ্য সমানে সমান। জনসম্পৃক্ততা আর ক্লিন ইমেজকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে তৎপর এ দু’তরুন নেতা।

ভোটের মাঠে জয়ের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মেমং মারমা তার দুই সহযোদ্ধাকে নিয়ে আবার কখনো কখনো যে যার মতো ভোটারদের কাছে নৌকার পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। অন্যদিকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. ইউসুফ তার দুই সহযোদ্ধাসহ ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন দিবানিশি। বসে নেই আওয়ামী লীগ-বিএনপির নেতাকর্মীরাও। সবাই ছুটছেন দলীয় প্রার্থীর জয়ের লক্ষকে সামনে রেখে।

অন্যদিকে ক্লিন ইমজের মেমং-ইউসুফকে টেক্কা দিয়ে গুইমারা উপজেলা পরিষদের প্রথম নির্বাচনে জয় পেতে মরিয়া পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তিবিরোধী ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট-ইউপিডিএফের সমর্থন নিয়ে ভোটের মাঠে থাকা হাফছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান উশেপ্রু মারমা। নির্বাচনে জয়ের লক্ষ্যে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছেন এ প্রার্থী। গেল হাফছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে আটঘাট বেঁধে মাঠে নেমেছেন এমনটাই মনে করছেন গুইমারার সচেতন ভোটার মহল।

গুইমারা উপজেলার দুই তৃতীয়াংশ উপজাতীয় ভোটারকে টার্গেট করে ইউপিডিএফ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী উশেপ্রু মারমা ভোটের ময়দান চষে বেড়ালেও জয়ের দেখা পাবেন কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। আওয়ামী লীগ-বিএনপি দুই শিবিরে বিভক্ত ভোটারদের পক্ষে টানা তার পক্ষে অনেকটাই কষ্টকর হবে বলেও মত প্রকাশ করেছেন গুইমারার সচেতন ভোটাররা। তাদের মতে সাধারণ ভোটাররা ক্লিন ইমজের মেমং-ইউসুফের বাইরে বিকল্প ভাবতে চায়না।

এবিষয়ে জানতে চাইলে নিজের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী আওয়ামী লীগের মেমং মারমা বলেন, বিগত দিনের উন্নয়ন আর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ধারা অব্যাহত রাখতেই নৌকার পক্ষে রায় দিবে। নৌকায় ভোট দিয়ে সূচিত উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে। অন্যদিকে বিএনপির মো. ইউসুফ রায়ের ভার জনগণের উপর ছেড়ে দিয়ে বলেন, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এখন জনদাবি। জনদাবির সমর্থন থেকেই জনগণের শাসন প্রতিষ্ঠায় ভোটাররা ধানের শীষে ভোট দিবে।

নিজের জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী ইউপিডিএফ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী উশেপ্রু মারমা বলেন, গুইমারার সাধারণ জনগণ বিকল্প খুঁজছে। অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে জনগণই তাদের যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচিত করবেন। নেতৃত্ব নির্বাচনে ভোটাররা ভুল করবেনা বলেও মনে করেন তিনি।




গুইমারা উপজেলা নির্বাচন: প্রতীক পেয়ে ঐক্যের শপথ নিলেন প্রার্থীরা

3 charman guimara
গুইমারা প্রতিনিধি :

হতে পারে আমরা দলীয় কিংবা স্বতন্ত্র প্রতীকে আলাদা নির্বাচন করছি, তাতে কি? আমরা মনে করি, গুইমারা উপজেলার একই মায়ের অভিন্ন সন্তান আমরা। এ উপজেলার উন্নয়নে আমরা সকলে এক হয়ে কাজ করবো। নির্বাচনী প্রতীক পেয়ে জনসম্মুখে এভাবেই নিজেদের অনুভুতিগুলো প্রকাশ করে ঐক্যের শপথ নিলেন খাগড়াছড়ির নবসৃষ্ট গুইমারা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা। এসময় তারা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে শান্তিপূর্ণ প্রচার-প্রাচরণা চালানোরও অঙ্গীকার করেন। প্রার্থীদের এমন আচরণে মুগ্ধ উপস্থিত ভোটার-সমর্থকরাও।

এর আগে সকালে গুইমারা উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে সহকারী রির্টানিং অফিসার ও গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিএম মশিউর রহমান প্রার্থীদের মাঝে তাদের পছন্দের প্রতীক তুলে দেন। আগামী ৬ মার্চ প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিতব্য খাগড়াছড়ির নবসৃষ্ট গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে উৎসব মুখর পরিবেশে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে। প্রথম বারের মতো দলীয় প্রতীকে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হওয়ায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মেমং মারমা, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. মো. নুরুন্নবী ও ঝর্ণা ত্রিপুরা (নৌকা) প্রতীক বরাদ্দ পান।

বিএনপি মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. ইউচুপ, ভাইস চেয়ারম্যান পূর্ন্য কান্তি ত্রিপুরা ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী হলাউচিং মারমা ধানের শীষ প্রতীকে ভোট যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছেন। এছাড়াও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী উশ্যেপ্রু মারমা-আনারস প্রতীক, স্বতন্ত্র ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মিল্টন চাকমা চশমা, থোয়াইঅংগ্য চৌধুরী পান টিউবওয়েল প্রতীক পেয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী ১৭ ফেব্রুয়ারি মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন থাকায়, দুই চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নেন। স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী সাহলাপ্রু মারমা গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিএম মশিউর রহমানের কাছ থেকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। এর কিছুক্ষণ পর অপর স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী সাহাজ উদ্দিন প্রতিনিধির মাধ্যমে তার মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নেন। ফলে ৩ জন চেয়ারম্যান, ২ জন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও ৪ জন ভাইস চেয়ারম্যান চূড়ান্ত ভোট যুদ্ধে অবতীর্ণ হলেন।

উল্লেখ্য, গুইমারাবাসীর প্রাণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর সদিচ্ছা অনুয়ারী ২০১৫ সালের ২ জুন সচিবালয়ে সরকারের প্রশাসনিক পুনঃবিন্যাস সম্পর্কিত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি’র (নিকার) বৈঠকে খাগড়াছড়ির গুইমারা ইউনিয়নকে উপজেলায় রূপান্তর করার ঘোষণা দেওয়া হয়। এতে জেলার রামগড় উপজেলার হাফছড়ি, মহালছড়ি উপজেলার সিন্দুকছড়ি ও মাটিরাঙ্গা উপজেলার গুইমারা ইউনিয়ন নিয়ে নবসৃষ্ট গুইমারা উপজেলা গঠিত হয়। সর্বশেষ গুইমারাকে নিয়ে খাগড়াছড়ির উপজেলার সংখ্যা দাঁড়ায় ৯টি। তিন ইউনিয়ন মিলিয়ে গুইমারা উপজেলার জনসংখ্যা প্রায় ৫৫ হাজার। ভোটার সংখ্যা ২৭২৯২। আগামী ৬ মার্চ উৎসবমুখর পরিবেশে মোট ১৪টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে গুইমারা উপজেলা পরিষদের প্রথম নির্বাচন




প্রতীক বরাদ্ধ পেয়ে শান্তিপূর্ণ ভাবে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর অঙ্গিকার প্রার্থীদের

Capture copy

গুইমারা প্রতিনিধি:

৬ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য খাগড়াছড়ির নবসৃষ্ট গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে উৎসব মুখর পরিবেশে প্রতীক বরাদ্ধ সম্পন্ন হয়েছে। সকালে গুইমারা উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে সহকারী রির্টানিং অফিসার ও গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিএম মশিউর রহমান প্রার্থীদের মাঝে তাদের পছন্দের প্রতীক তুলে দেন।

প্রথম বারের মত দলীয় প্রতীকে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হওয়ায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মেমং মারমা, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. মো. নুরুন্নবী ও ঝর্ণা ত্রিপুরা নৌকা প্রতীক,

বিএনপি মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. ইউচুপ, ভাইস চেয়ারম্যান পূর্ন্য কান্তি ত্রিপুরা ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী হলাউচিং মারমা ধানের শীষ প্রতীকে ভোট যুদ্ধে অবতীর্ণ হবেন।

এছাড়াও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী উশ্যেপ্রু মারমা, আনারস প্রতীক, ভাইস চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী মিল্টন চাকমা (চশমা), থোয়াইঅংগ্য চৌধুরী টিউবওয়েল প্রতীক বরাদ্ধ পান। প্রতীক পেয়ে ৩ চেয়ারম্যান প্রার্থী, ৪ ভাইস চেয়ারম্যান ও ২ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা শান্তিপূর্ণ ভাবে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন।

এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে দুই চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নেন।




দুর্গম পাহাড়ি পল্লীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করলেন গুইমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

2

গুইমারা প্রতিনিধি :

খাগড়াছড়ি’র নবসৃষ্ট গুইমারা উপজেলার প্রত্যন্ত সিন্দুকছড়ি ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল ডেবলছড়ি মুখপাড়া। চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা জনগোষ্ঠির মানুষেরা মিলে এ জনপদে বসবাস। প্রায় আড়াই হাজার লোকের বসতি এখােনে।

জনশ্রুতি আছে, অতি দুর্গম হওয়ায় অদ্যবধি এ জনপদে উপজেলা প্রশাসনের কোন কর্মকর্তার পা পড়েনি। এখানে শিক্ষার হার অতি নগণ্য। তাই পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠিকে এগিয়ে নিতে গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিএম মশিউর রহমান চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার দুপুরে পায়ে হেঁটে উঁচু নিচু পাহাড় অতিক্রম করে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে গেলে স্থানীয়রা উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েন।

ডেবলছড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শ্রেণি কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি শিক্ষার্থীদের সাথে বসে ক্লাসে অংশ নেন। একই সময় কৃর্তী শিক্ষার্থীদের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

এসময় সিন্দুকছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান রেদাক মারমা, উপজেলা প্রেস ক্লাব গুইমারা’র উপদেষ্টা মুহাম্মদ আবদুল আলীসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, হেডম্যান-কারবারী, ইউপি সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।




যাচাই বাছাই শেষে এক প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বাতিল

gm ec pic copy

গুইমারা প্রতিনিধি:

প্রথম বারের মত অনুষ্ঠিত খাগড়াছড়ির নবসৃষ্ট গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই শেষে একজনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও গুইমারা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার বিএম মশিউর রহমান। শুক্রবার বিকালে উপজেলা পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ের হল রুমে তিনি এ ঘোষণা দেন।

নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, হলফনামায় মিথ্যা তথ্য প্রদান, সর্বশেষ আয়কর পরিশোধের রিটার্ন দাখিলের রশিদ জমা না দেয়াসহ সতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থনে ১% ভোটারের স্বাক্ষর সঠিক না থাকায় মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান (স্বতন্ত্র) প্রার্থী মিশিপ্রু মগিনীর মনোনয়ন পত্র বাতিল করা হয়।

এর আগে নির্বাচন কমিশনের তফশিল অনুযায়ী  বৃহস্পতিবার বিপুল উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্যদিয়ে প্রার্থীরা মনোনয়ন পত্র দাখিল করে। সকাল থেকে প্রার্থীরা গুইমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার বিএম মশিউর রহমানের হাতে মনোনয়ন পত্র জমা দেন। চেয়ারম্যান পদে এবার প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছে ৫ প্রার্থী।

এছাড়াও ভাইস চেয়ারম্যান পদে দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মোট ৪জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১জন স্বতন্ত্র প্রার্থী সহ মোট ৩জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছে। শুক্রবার মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই শেষ হয়েছে। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৭ ফেব্রুয়ারি।

উল্লেখ্য, গুইমারাবাসীর প্রাণের দাবির প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর সদিচ্ছা অনুযায়ী ২০১৫ সালের ২রা জুন সচিবালয়ে সরকারের প্রশাসনিক পুণর্বিন্যাস সম্পর্কিত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি’র (নিকার) খাগড়াছড়ির গুইমারা ইউনিয়নকে উপজেলায় রূপান্তর করার ঘোষণা দেওয়া হয়। এতে জেলার রামগড় উপজেলার হাফছড়ি, মহালছড়ি উপজেলার সিন্দুকছড়ি ও মাটিরাঙ্গা উপজেলার গুইমারা ইউনিয়ন নিয়ে নবসৃষ্ট গুইমারা উপজেলা গঠিত হয়।

সর্বশেষ গুইমারাকে নিয়ে খাগড়াছড়ির উপজেলার সংখ্যা দাঁড়ায় ৯টি। তিন ইউনিয়ন মিলিয়ে গুইমারা উপজেলার জনসংখ্যা প্রায় ৫৫ হাজার। ভোটার সংখ্যা ২৭২৯২। আগামী ৬ মার্চ উৎসবমূখর পরিবেশে মোট ১৪টি কেন্দ্রে অনিষ্ঠিত হবে গুইমারা উপজেলা পরিষদের প্রথম নির্বাচন।




গুইমারা উপজেলা নির্বাচনে ৫ চেয়ারম্যানসহ ১২ প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র জমা

16700063_656137444588857_1685742355_n

গুইমারা প্রতিনিধি :

নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষণার পর প্রথম বারের মত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে খাগড়াছড়ির নবসৃষ্ট গুইমারা উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। তফসিল অনুযায়ী বৃহস্পতিবার বিপুল উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্যেদিয়ে প্রার্থীরা মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন।

সকালে সরকার দলীয় সমর্থিত প্রার্থী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মেমং দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে গুইমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার বিএম মশিউর রহমানের হাতে মনোনয়ন পত্র জমা দেন। পরে বিএনপি সমর্থীত প্রার্থী মো. ইউসুপ সহ স্বতন্ত্র প্রার্থীরা একে একে মনোনয়ন পত্র জমা দেন।

চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৫ জন প্রার্থী। এছাড়াও ভাইস চেয়ারম্যান পদে দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মোট ৪ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মোট ৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ১০ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই হবে এবং প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৭ ফেব্রুয়ারি।

উল্লেখ্য, গুইমারাবাসীর প্রাণের দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর সদইচ্ছা অনুযায়ী ২০১৫ সালের ২ জুন সচিবালয়ে সরকারের প্রশাসনিক পুনঃবিন্যাস সম্পর্কিত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি’র (নিকার) বৈঠকে খাগড়াছড়ির গুইমারা ইউনিয়নকে উপজেলায় রূপান্তর করার ঘোষণা দেওয়া হয়। এতে জেলার রামগড় উপজেলার হাফছড়ি, মহালছড়ি উপজেলার সিন্দুকছড়ি ও মাটিরাঙ্গা উপজেলার গুইমারা ইউনিয়ন নিয়ে নবসৃষ্ট গুইমারা উপজেলা গঠিত হয়।

সর্বশেষ গুইমারাকে নিয়ে খাগড়াছড়ির উপজেলার সংখ্যা দাঁড়ায় ৯টি। তিন ইউনিয়ন মিলিয়ে গুইমারা উপজেলার জনসংখ্যা প্রায় ৫৫ হাজার।




গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ইউসুফ

Khagrachari Pic 01 (2) copy

নিজস্ব প্রতিবেদক,খাগড়াছড়ি:

খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির  প্রার্থী চূড়ান্ত হয়েছে। রবিবার উপজেলা বিএনপির যৌথ সভায় খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মো. ইউসুফকে চেয়ারম্যান পদে, ভাইস চেয়ারম্যান পদে পূর্ণ কান্তি ত্রিপুরা ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মিসপ্রু মারমার মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, মনোনয়ন বোর্ডের প্রধান রামগড়  উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম ফরহাদ। তিনি জানান, গুইমারা উপজেলা বিএনপির যৌথ সভায় এ মনোনয়ন চুড়ান্ত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ৬জুন অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক পূনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১০৯ তম সভায় নতুন উপজেলা হিসেবে গুইমারা অনুমোদন দেয়া হয়।

এখন গুইমারা খাগড়াছড়ি ৯ম উপজেলা। এতোদিন মাটিরাঙ্গা উপজেলার আওতায় গুইমারা ইউনিয়ন, রামগড় উপজেলার আওতায় হাফছড়ি ইউনিয়ন এবং মহালছড়ি উপজেলার আওতায় সিন্দুকছড়ি ইউনিয়ন। এখন এ তিনটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত হয় গুইমারা উপজেলা। গুইমারা উপজেলার আয়তন ১শ ১৫ বর্গ কিলোমিটার। যেখানে ৪৪ হাজার ২শ ২ জন লোকের বসবাস।

প্রসঙ্গত,আগামী ৬মার্চ খাগড়াছড়ির নতুন গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। খাগড়াছড়ির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার এ টি এম কাউছার হোসেন স্বাক্ষরিত এক গণ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৯ ফেব্রুয়ারি মনোনয়ন পত্র দাখিলের শেষ তারিখ। ১০ ফেব্রুয়ারি রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক মনোনয়নপত্র বাছাই। ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ এবং ৬ মার্চ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নব-গঠিত এ উপজেলার প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে দলীয় মনোনয়ন ও দলীয় প্রতীকের ভিত্তিতে। তাই তফশিল ঘোষণার পর থেকেই বড়ো রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি পার্বত্যাঞ্চলে সক্রিয় আঞ্চলিক দলও মাঠে নেমেছে জোরেশোরে।




গুইমারায় নৌকার মাঝি মেমং ও ধানের শীষের কাণ্ডারি ইউসুফ

Guimara Upazila Candidate News Pic copy

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা :

প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া পার্বত্য খাগড়াছড়ির নবসৃষ্ট গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে একদিনের ব্যবধানে চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি। প্রধান দুই দলের দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করার মধ্য দিয়ে গুইমারা উপজেলায় নির্বাচনি হাওয়া বইতে শুরু করেছে।

শুক্রবার খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কংজরী চৌধুরীর উপস্থিতিতে তৃনমূলের মতামতের ভিত্তিতে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়নের জন্য গুইমারা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেমং মারমার মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়।

অন্যদিকে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করার একদিন পরে শনিবার রামগড় উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম ভুইয়া ফরহাদের উপস্থিতিতে চেয়ারম্যান পদে গুইমারা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ ইউসুফের মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়।

বয়সে তরুণ এ দু‘প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্ত করার মধ্য দিয়ে গুইমারা উপজেলা পরিষদের প্রথম নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নৌকার মাঝি মেমং মারমা আর বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষের কাণ্ডারি মোহাম্মদ ইউসুফ।

প্রসঙ্গত, আগামী ৬ মার্চ নির্বাচনের দিন ঠিক করে গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।




গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মেমং মারমা

Khagrachari Pic 06 copy

নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি:

নবগঠিত খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী চুড়ান্ত হয়েছে।শনিবার আওয়ামী লীগের প্রার্থী মনোনয়নের জন্য গুইমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী হিসেবে গুইমারা সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেমং মারমাকে মনোনয়ন চুড়ান্ত করা হয়।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কংজরী চৌধুরীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম, সিন্ধুকছড়ি ইউপি’র পাঁচ বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান সুইনুপ্রু চৌধুরী মনোনয়নের জন্য আগ্রহ ব্যক্ত করেন।পরে সর্বসম্মতিক্রমে মেমং মারমাকে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

16507139_1485037728204454_2112158603_n

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী এমন তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তবে তিনজনের নামই কেন্দ্রে পাঠানো হবে।

এছাড়া বিএনপি এখনো প্রার্থী চুড়ান্ত না করলেও দলটির জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক মো. ইউসুফ, জাতীয় পার্টির জেলা শাখার সাবেক সভাপতি মো. সাহাজউদ্দিন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান উশ্যেপ্রু মারমা এবং আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল ‘ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)’র পক্ষ থেকে সাবেক ছাত্রনেতা অংগ্য মারমার নাম আলোচিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ৬জুন অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক পূনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১০৯ তম সভায় নতুন উপজেলা হিসেবে গুইমারা অনুমোদন দেয়া হয়।

এখন গুইমারা খাগড়াছড়ি ৯ম উপজেলা। এতোদিন মাটিরাঙ্গা উপজেলার আওতায় গুইমারা ইউনিয়ন, রামগড় উপজেলার আওতায় হাফছড়ি ইউনিয়ন এবং মহালছড়ি উপজেলার আওতায় সিন্দুকছড়ি ইউনিয়ন। এখন এ তিনটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত হয় গুইমারা উপজেলা। গুইমারা উপজেলার আয়তন ১শ ১৫ বর্গ কিলোমিটার। যেখানে ৪৪ হাজার ২শ ২ জন লোকের বসবাস।

প্রসঙ্গত,আগামী ৬মার্চ খাগড়াছড়ির নতুন গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। খাগড়াছড়ির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার এটিএম কাউছার হোসেন স্বাক্ষরিত এক গণ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৯ ফেব্রুয়ারি মনোনয়ন পত্র দাখিলের শেষ তারিখ। ১০ ফেব্রুয়ারি রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক মনোনয়নপত্র বাছাই। ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ এবং ৬ মার্চ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নব-গঠিত এ উপজেলার প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে দলীয় মনোনয়ন ও দলীয় প্রতীকের ভিত্তিতে। তাই তফশিল ঘোষণার পর থেকেই বড় রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি পার্বত্যাঞ্চলে সক্রিয় আঞ্চলিক দলও মাঠে নেমেছে জোরেশোরে।