আশ্রয় কেন্দ্রে নিরাপত্তাবাহিনীর বস্ত্র বিতরণ

গুইমারা প্রতিনিধি:

গত দু’সপ্তাহ ধরে টানা বর্ষণে খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলার বিভিন্ন পাহাড়ে ভাঙন দেখা দেয়ায় প্রশাসনের তাৎক্ষনিক ব্যবস্থায় দু’টি আশ্রয় কেন্দ্রে প্রায় ২৫ পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। আশ্রিতদের মাঝে উপজেলা প্রশাসন চাউল ও নগদ অর্থ প্রদানের পাশাপাশি বিকালে নিরাপত্তাবাহিনীর পক্ষ থেকে একটি কেন্দ্রের ৯ পবিরাবের ৩০জনের মাঝে কাপড় বিতরণ করা হয়েছে।

টানা বর্ষণে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ভাঙ্গার আশঙ্কায় শুক্রবার সকাল থেকে উপজেলা প্রশাসন মাঠে নেমেছে। উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে দ্রুত সরে যেতে প্রশাসনের মাইকিংয়ের পাশাপাশি নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতায় বিকাল নাগাদ দু’ছড়ি পাড়া ও মুসলিম পাড়ার দু’টি আশ্রয় কেন্দ্রে ২৫ পরিবার আশ্রয় নিলেও দু’ছড়ি পাড়ার আশ্রয় কেন্দ্রে থেকে ইতোমধ্যে অনেকে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে গেছে। ফলে সদরের মুসলিমপাড়া কেন্দ্রে আশ্রিত ৯ পরিবারের ৩০ জনের মাঝে শনিবার বিকাল ৩টায় সিন্দুকছড়ি জোনের উদ্যোগে কাপড় বিতরণ করা হয়।

বিতরণকালে সিন্দুকছড়ি জোনের ক্যাপ্টেন মো. তৌহিদুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান মো. শফিকুর রহমান ফারুক, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আবদুল জব্বার, ইউপি সদস্য মো. কামাল হোসেন ও ইউপি সচিব মো. মোশারফ হোসেন মজনুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আবদুল জব্বার জানান, আশ্রিতদের পবিরাব প্রতি দৈনিক ৫ কেজি চাউল, নগদ টাকা ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।




গুইমারায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্দ্যেগে ইফতার মাহফিল


গুইমারা প্রতিনিধি : মাহে রমজান সম্প্রীতি-সংযম, ধৈর্য-সহানুভূতি, পারস্পারিক সম্পর্ককে মজবুত করার শিক্ষা দেয় উল্লেখ করে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী বলেছেন, হিংসা, বিদ্বেষ, হানাহানি ভুলে সুন্দর সমাজ গঠনের আহবান জানিয়েই রমজানের আগমন ঘটে। রমজানের সংযম থেকেই আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। মিথ্যাচার থেকে বেরিয়ে এসে সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। মানুষে মানুষে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে মজবুত করতে হবে।

বৃহস্পতিবার খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলা পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিএম মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিলে সিন্দুকছড়ি জোন অধিনায়ক লে. কর্ণেল গোলাম ফজলে রাব্বি, নবাগত জোন অধিনায়ক লে. কর্ণেল রোবায়েত মাহমুদ হাসিব, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) হাসপাতাল গুইমারা’র অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. আব্দুল ওহাব, বিজিবি’র গুইমারা সেক্টরের জিটুআই মেজর মো. হামিদুর রহমান, গুইমারা থানার ওসি জোবায়রুল হক, উপজেলা আ.লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ও গুইমারা ইউপি চেয়ারম্যান বাবু মেমং মারমা, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ঝর্না ত্রিপুরা, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. ইউসুফ, সাধারণ সম্পাদক শেখ মো. ইব্রাহীম, উপজেলা প্রেসক্লাব গুইমারার উপদেষ্টা সাংবাদিক আ. আলীসহ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ইফতার মাহফিলে আমন্ত্রিত অতিথিগণকে নিয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন গুইমারা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মুফতি মো. ওসমান গনি।




গুইমারা সদর ইউনিয়ন পরিষদের বাজেট ঘোষণা

Capture copy

গুইমারা প্রতিনিধি:

“স্বচ্ছতা, জবাব দিহিতা, উন্মুক্ত বাজেট উন্নয়নের সফলতা” এ শ্লোগানে খাগড়াছড়ি জেলার নব-সৃষ্ট গুইমারা উপজেলার ১নং গুইমারা সদর ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদের সম্মেলন কক্ষে এ বাজেট অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

গুইমারা ইউপি চেয়ারম্যান মেমং মারমার সভাপতিত্বে আয়োজিত বাজেট অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গুইমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিএম মশিউর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে গুইমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. জাহাঙ্গির আলম, গুইমারা কলেজের অধ্যক্ষ মো. নাজিম উদ্দিন, উপজেলা প্রেস ক্লাব গুইমারার উপদেষ্টা আব্দুল আলী, ইউপি সদস্য জনার্ধন সেন  উপস্থিত ছিলেন।

বাজেট অধিবেশনে বিগত বছরে ইউনিয়ন পরিষদের আয় ব্যয় তুলে ধরার পাশাপাশি-২০১৭-১৮ অর্থ বছরে বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। এ বছর মোট বাজেট ধরা হয়েছে, ৮১ লাখ ৭০ হাজার, এরমধ্যে রাজস্ব খাত থেকে ৮লাখ ২০হাজার, উন্নয়ন খাত থেকে ৭৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। যা গত বছরের থেকে ১৫ লাখ টাকা বেশি।




মাহে রমযানকে স্বাগত জানিয়ে গুইমারাতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি

-1
গুইমারা প্রতিনিধি :
পবিত্র মাহে রমযানকে স্বাগত জানিয়ে খাগড়াছড়ির গুইমারাতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি করেছে উপজেলার সর্বস্তরের মুসল্লিরা। শুক্রবার দুপুরে গুইমারা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে গুইমারা উপজেলা মুসলিম জনতার ব্যানারে বর্ণাঢ্য র‌্যালিটি বের হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে গুইমারা কেন্দ্রীয় ঈদগা মাঠে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেন গুইমারা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা ডা. ওসমান গণি।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, পবিত্র মাহে রমযানের পবিত্রতা রক্ষা করা প্রতিটি মুসলমানের ঈমানী দায়িত্ব। তাই সবাইকে মাহে রমযানের পবিত্রতা রক্ষায় সোচ্চার হতে হবে। এসময় পবিত্র রমযানের পবিত্রতা রক্ষার্থে দিনের বেলায় হোটেল রেস্তোরা বন্ধ রাখার দাবী জানান বক্তারা।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, গুইমারা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. ইউছুফ, উপজেলা প্রেস ক্লাব গুইমারা’র সভাপতি এম. সাইফুর রহমান, মসজিদ কমিটির সদস্য কাজী মফিজুল ইসলাম, আমির হোসাইন প্রমুখ।




বর্নাঢ্য আয়োজনে পালিত হলো গুইমারা সেক্টরের ৪র্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী

Capture copy

গুইমারা প্রতিনিধি:

বর্নাঢ্য আয়োজনে পালিত হলো খাগড়াছড়িতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)’র গুইমারা সেক্টরের ৪র্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী।

বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে সেক্টর সদর দপ্তরে আয়োজিত প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিরা একে একে উপস্থিত হয়ে সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল জাবেদ সুলতানকে ফুল ও উপহার দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এরপর আমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়ে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কেক কাটেন সেক্টর কমান্ডার।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী, সিন্দুকছড়ি জোন অধিনায়ক লে. কর্ণেল গোলাম ফজলে রাব্বী, লক্ষিছড়ি জোন অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. মিজানুর রহমান, রামগড় জোন অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. জাহিদ হাসান, যামিনীপাড়া জোন অধিনায়ক লে. কর্ণেল মাহমুদুল হাসান প্রমুখ।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে সেনা ও বিজিবিসহ সামরিক পদস্থ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বেসামরিক কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিজিবি সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যদের চিত্তবিনোদনের জন্য সেখানে আয়োজন করা হয়েছে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। বিজিবির নিজস্ব শিল্পী ছাড়াও জেলা ও জেলার বাইরের শিল্পীরা অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করবেন বলে জানিয়েছেন গুইমারা সেক্টরের জিটু মেজর হামিদ উর রহমান।




খাগড়াছড়ির গুইমারায় সীমান্ত সুরক্ষায় আধুনিক ইলেকট্রনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বিষয়ক কর্মশালা

Khagrachari Pic 01 (4) copy

নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি:

খাগড়াছড়িতে সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় আধুনিক ইলেকট্রনিক গেজেটের ব্যবহার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় খাগড়াছড়ি জেলার ২৩ বিজিবি গুইমারা সেক্টর হাসপাতালের হলরুমে কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

কর্মশালায় সীমান্ত সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন ও যুগপোযুগী করতে বিজিবি’র ভিশন ২০৪১’র আওতায় সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া, সড়ক ব্যবস্থা নির্মাণ, স্যাটেলাইট ব্যবহার, বিভিন্ন ডিটেক্টর, সিসি ক্যামেরা স্থাপন, বর্ডার সিকিউরিটি রোবট সহ উন্নত প্রযুক্তির গেজেট ব্যবহারের সুবিধার উপর আলোচনা করা হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিজিবি’র দক্ষিণ পূর্ব রিজিয়নের অধিনায়ক ব্রি. জেনারেল মোহাম্মদ আল মাসুম। কর্শশালায় বিভিন্ন প্রযুক্তি সর্ম্পকে ধারণা দেন এমআইএসটি’র জ্যেষ্ঠ প্রশিক্ষক কর্ণেল মোল্লা মো. জুবায়ের, চুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ, সহকারী অধ্যাপক ড. মো. আজাদ হোসেন।

Khagrachari Pic 02 (2) copy

কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে বিজিবি খাগড়াছড়ি সেক্টরের অধিনায়ক কর্ণেল মো. মতিউর রহমান, গুইমারা সেক্টরের অধিনায়ক কর্ণেল জাবেদ সুলতান, ডিজিএফআই খাগড়াছড়ি’র অধিনায়ক মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী, ডেট কমান্ডার লে. কর্ণেল সরদার আলী হায়দার. সিন্দুকছড়ি জোন কমান্ডার লে. কর্ণেল মো. গোলাম রাব্বি, লক্ষ্মীছড়ি জোন কমান্ডার লে, কর্ণেল  মো. মিজানুর রহমান, মাটিরাঙা জোন কমান্ডার, লে, কর্ণেল কাজী শামশের উদ্দিন, জেলা প্রশাসক মো. রাশেদুল ইসলাম ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. এমএম সালাউদ্দিনসহ বিজিবি দক্ষিণ পূর্ব রিজিয়নের আওতাধীন বিভিন্ন ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক, সামরিক এবং বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




ডাক্তারের বদলি ঠেকাতে মানববন্ধন করলো এলাকাবাসী

Capture copy

গুইমারা প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় এবার ডাক্তারের বদলি ঠেকাতে শত শত মানুষ একযোগে রাস্তায় নেমে মানববন্ধন করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে গুইমারা উপজেলার বাংলাদেশ ইসলামীক মিশন জালিয়াপাড়ায় হত-দরিদ্র মানুষের মাঝে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করে আসছে।

প্রত্যন্ত এলাকা হওয়ায় এখানে এমবিবিএস ডাক্তারগণ থাকতে চায়না। কিন্তু তার বিপরীত ডাক্তার খালিদ আল আজম। প্রত্যন্তাঞ্চলের হাজারো পাহাড়ি-বাঙ্গালীর মাঝে চিকিৎসা সেবায় তিনি প্রিয় ডাক্তার হয়ে উঠেন।

ইতিমধ্যে তার বদলির সংবাদ এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে গুইমারা উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের মাঝে হতাশা নেমে আসে। তাইতো প্রিয় ডাক্তারের বদলি ঠেকাতে উপজেলার জালিয়াপাড়া চৌরাস্তায় স্থানীয়দের উদ্যোগে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন শত শত মানুষ।

বাজার কমিটির সভাপতি নুরনবী চৌধুরী রুবেলের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে ডাক্তারের বদলি বাতিলের দাবিতে বক্তব্য রাখেন, স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আরমান হোসেন, সমাজ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. জামাল উদ্দিন, গুইমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক শেখ মো. হাফিজুর রহমান প্রমুখ।

বক্তারা অভিলম্বে ডাক্তার খালিদ আল আজমের বদলির আদেশ বাতিলের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানান।




গুইমারা বাজারে চুরির ঘটনায় নিরাপরাধ ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের নামে পুলিশের অমানুষিক নির্যাতন

guimara pic 3 copy

গুইমারা প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির গুইমারা বাজারে বুধবার রাতে পুলিশ বক্সের সাথে লাগোয়া ৪টি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনায় সন্দেহভাজন স্থানীয় যুবককে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদের নামে অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে গুইমারা থানা পুলশের বিরুদ্ধে।

জানা যায়, ঘটনার সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে গুইমারার বাজারপাড়া থেকে বুধবার দুপুরে গুইমারা থানা পুলিশের এএসআই কৃঞ্চ’র নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল মো. টিপু সুলতান (১৯) নামের এক এতিম যুবককে  আটক করে থানায় নিয়ে যায়। থানায় নিয়ে এএসআই কৃঞ্চ’র নেতৃত্বে টিপু সুলতানের উপর জিজ্ঞাসাবাদের নামে চালায় অমানুষিক নির্যাতন।

অভিযোগ রয়েছে, পুলিশ তার চোখ বেঁধে, হাত উপরে ঝুলিয়ে বেদড়ক অমানুষিক নির্যাতন করে। এসময় প্লাস দিয়ে তার পায়ের নখ তুলে ফেলা হয় এবং শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টে নির্মম অত্যাচার করে স্বীকার করানোর চেষ্টা করা হয়, কিন্তু তাকে স্বীকার করাতে ব্যর্থ হয়ে সন্ধ্যায় তার আত্মীয় স্বজনদের ডেকে তাদের নিকট মুমূর্ষ অবস্থায় তাকে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে টিপু সুলতান মাটিরাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।

এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, টিপু সুলতান খাগড়াছড়িতে শান্তি পরিবহনে স্টাফ হিসেবে কাজ করেন। সাপ্তাহিক ছুটিতে তিনি গুইমারায় তার মামার বাড়িতে বেড়াতে আসেন।

প্রসঙ্গত, ২৫ এপ্রিল রাতে গুইমারা বাজারে পুলিশ বক্সের হাতের মধ্যে ফল বিতান, রড় সিমেন্টের দোকান ও মোবাইল ফোন সামগ্রীর দোকানসহ অন্তত ৪টি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের নাকের ডগায় এরকম দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনায় চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মাঝে। ঘটনায় পুলিশ চোরকে আটক করতে না পারলেও স্থানীয় অসহায় ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের নামে এ অমানুষিক নির্যাতন করে। এনিয়ে এলাকায় চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। সচেতন মহলের দাবি দায়ী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হোক।




গুইমারায় নিরাপত্তাবাহিনী ও পুলিশের অভিযানে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

guimara arms recovari copy

নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি/ গুইমারা প্রতিনিধি:

গুইমারায় নিরাপত্তাবাহিনী ও পুলিশের অভিযানে তিনটি অস্ত্র ও পাঁচ রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় মধ্যম হাফছড়ির সিকদার টিলা এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় এ অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে রয়েছে, একটি পিস্তল, একটি এলজি, একটি বন্দুক ও পাঁচ রাউন্ড কার্তজ।

গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যোবাইরুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সন্ত্রাসীরা ওই এলাকায় অবস্থান করছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে নিরাপত্তাবাহিনী ও পুলিশ যৌথ অভিযান চালায়। কিন্তু সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেলে ওই এলাকায় তল্লাসী চালিয়ে এ সব আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।




গুইমারাতে পুলিশ বক্সের এক হাতের মধ্যেই দুর্ধর্ষ চুরি

Capture copy

গুইমারা প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির গুইমারাতে এবার পুলিশ বক্সের ১ হাতের মধ্যেই দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনার ঘটেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে গুইমারা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এতে মোট ৪টি ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের মূল্যবান মালামাল ও নগদ টাকা চুরি করে নিয়ে যায় সংঘবদ্ধ চক্রটি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গুইমারা বাজারে অবস্থিত পুলিশ বক্সের সাথে লাগোয়া একই ছাদের নিচের সোহাগ ফল বিতান, মাষ্টার ট্রেডার্স ও জাহাঙ্গির ইলেকট্রনিক্সসহ ৪টি দোকানে দুর্ধর্ষ এক চুরির ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিক ভাবে চুরি হওয়া মালামালের সঠিক মূল্য জানা না গেলেও ক্ষয়-ক্ষতির পরিমান প্রায় লক্ষাধিক হবে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় বাজার ব্যাবসায়ীরা পুলিশের দায়িত্ব অবহেলাকে দায়ী করে বলেন, পুলিশ প্রশাসনের নাকের ডগায় এভাবে চুরি হওয়াটা খুবই দুঃখজনক। অভিযোগ রয়েছে, পুলিশ রাতভর বাজারে অবস্থান করার কথা থাকলেও রাত ১টার পর তাদের আর বাজারে দেখা যায়না। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজর দেয়ার দাবি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের।

গত সপ্তাহে এরকমই ভাবে জেলার রামগড় বাজারে পুলিশ বক্সের ১’শ গজের মাথায় মূল সড়কে বনানী টেলিকম নামে আরও একটি দোকারে চুরির ঘটনা ঘটেছে। ধারনা করা হচ্ছে, দুটি ঘটনার সাথেই একই চক্র জড়িত থাকতে পারে।