গুইমারায় বিজয় মেলা উদ্বোধন 

গুইমারা প্রতিনিধি:

গুইমারা উপজেলার জালিয়াপাড়ায় মাঠ প্রাঙ্গণে বিকাল ৬:৩০টায় ২১ দিনব্যাপী বিজয় মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। বিজয় মেলা উদ্বোধন করেন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী।

মেলায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী এবং শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে খুবই আন্তরিক ভুমিকা পালন করে আসছে। এবং তিনি মেলা পরিচালনায় সার্বিক সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।

এসময়ে মেলায় বক্তব্য প্রদান করেন সামসুল হক মেয়র মাটিরাঙ্গা পৌরসভা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ঝর্ণা ত্রিপুরা মেমং মারমা, চাইথোয়াই চৌধুরি, গুইমারা থানার অফিসার ইনচার্জ সাহাদাৎ হোসেন টিটু,  গুইমারা উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নুরুন্নবী ডাক্তার প্রমুখ।




বাঙ্গালী জাতিকে মেধাশূণ্য করতে ব্যর্থ হয়েছে পাকিস্তানী বাহিনী

গুইমারা প্রতিনিধি

খাগড়াছড়ির গুইমারায় বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পঙ্কজ বড়ুয়া বুদ্ধিজীবী হত্যার নিন্দা জানিয়ে বলেন, বিজয়ের ঊষালগ্নে মহান বিজয়ের ঠিক দু’দিন আগে হানাদার বাহিনীর দোষরদের ষড়যন্ত্রের কারণে ৭১-এর এ দিনে দেশের খ্যাতিমান বুদ্ধিজীবীদের ধরে নিয়ে গিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল হানাদার বাহিনী।

এটি ছিল বাঙ্গালী জাতিকে মেধাশুন্য করার অপকৌশল। কিন্তু এই অপকৌশলে তারা সফল হননি। এ নির্মমতার শোকাবহ দিনটি দেশবাসী স্বশ্রদ্ধ ও বিনম্রচিত্তে স্মরণ করেন।

তারই অংশ হিসেবে গুইমারা উপজেলা প্রশাসন শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন উপলক্ষে র‌্যালি ও এক আলোচনা সভার আয়োজন করে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার  পঙ্কজ বড়ুয়ার সভাপতিত্বে গুইমারা উপজেলা পরিষদ থেকে একটি র‌্যালি বের হয়। পরে শহীদ মিনারে পূষ্পমাল্য অর্পণ করে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এসে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  হয়।

আলোচনা সভায় বুদ্ধিজীবী দিবসের তাৎপর্য ও গুরুত্ব সংক্রান্ত বক্তব্য রাখেন, গুইমারা থানা অফিসার ইনচার্জ সাহাদাত হোসেন টিটু, তিনি বলেন বাঙ্গালী জাতিকে মেধা শূন্য করতে গিয়ে সেই হানাদার বাহিনী আমাদের দেশের বুদ্ধিজীবীদের নির্বিচারে হত্যা করেছে। কিন্তু তাতে তারা সফল হয়নি, বরং বাঙ্গালী আজ বিশ্বের বুকে মাথা উচু করে পর্বতের ন্যায় দাঁড়িয়ে আছে শেখ হাছিনার নেতৃত্বে।

এসময়ে আরো বক্তব্য রাখেন গুইমারা সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেমং মার্মা, হাফছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান চাইথোয়াই চৌধুরী, উপজেলা চেয়ারম্যান উশ্যেপ্রু মার্মা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, বাঙ্গালী জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ম্রাসাথোই চৌধুরী প্রমুখ।

এ আলোচনা সভায় এলাকার জনপ্রতিনিধি, গন্যমান্য ব্যক্তি, সাংবাদিক ও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ. উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে কোরান তেলোয়াত, গীতা পাঠ ও ত্রিপিটক পাঠ করা হয় এবং শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করেন সবাই।




 গুইমারায় কৃষক মোহাম্মদ আলীর পেঁপে বাগান কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা

গুইমারা প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার হাফছড়িতে গভীর রাতে কৃষক মোহাম্মদ আলীর পেঁপে বাগান কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (১১ডিসেম্বর) রাত আনুমানিক ৪টার সময় বাগানটি কেটে গাছের যাবতীয় পেঁপে নষ্ট করে দিয়েছে। এতে অসহায় কৃষক মোহাম্মদ আলীর ৫০টি পেঁপে গাছ কেটে প্রায় এক লক্ষ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি করেছে দুষ্কৃতিকারী।

সোমবার রাত আনুমানিক ৪টার সময় পাশ্ববর্তী ড্রাইভার আজম গাড়ি রেখে বাড়ি ফিরার সময় এক অপরিচিত লোককে কৃষক মোহাম্মদ আলীর বাগান থেকে বের হতে দেখে, কিন্তু অন্ধকারে তাকে চিনতে না পারায় বিষয়টি আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি।

কৃষক মোহাম্মাদ আলী বলেন, আমি অনেক কষ্ট করে নিজ খরচে এই পেঁপে বাগান করেছি। এটিই এখন আমার চলার এক মাত্র অবলম্বন। আমার বাগানে ২৬০টি পেঁপে গাছের পিছনে আমার সঞ্চয়কৃত সকল অর্থ খরচ হয়ে গেছে। কিন্তু আমার এই বাগানটি যারা উদ্দেশ্যমূলক ক্ষতিসাধন করেছে আমি তাদের আইনের আওতায় এনে আমার ক্ষতিপূরণ ও শাস্তির দাবি করছি।

এই বিষয়ে গুইমারা থানার অফিসার ইনচার্জ সাহাদাত হোসেন টিটু বলেন, বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি এবং খতিয়ে দেখছি। তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।




গুইমারা উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে বিজয় দিবস উপলক্ষে প্রস্তুতি ও আলোচনা সভা

গুইমারা প্রতিনিধি:

গুইমারায় ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বিএনপির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকাল ৪টায় গুইমারা উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে এই প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু ইউছুফের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. মোখলেছুর রহমান, সৈয়দ হোসেন আসকারি, এসএম মিলন,  মেহেদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শেখ ইব্রাহীম মেম্বার, যুগ্ম সম্পাদক নবী হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক বাদল, সহ সাংগঠনিক দিদারুল আলম, যুবদলের সাংগঠনিক  সম্পাদক হাফিজুল  ইসলাম , ছাত্রদল সভাপতি  সাইফুল ইসলাম সোহাগ, শ্রমিক দল স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল,  মহিলা দল, গুইমারা উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীবৃন্দ।

আলোচনা সভায় সভাপতি বলেন, এবারের বিজয় দিবসের প্রোগ্রাম সফলভাবে পালন করবো। গুইমারা উপজেলার বিএনপি ও সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি কামনা করেন এবং  নতুন সদস্যদের তৈরির বিষয়ে আহ্বান জানান নেতাকর্মীদের।




গুইমারায় শহীদ মিনার উদ্বোধন ও শিক্ষার্থীদের টিফিনবক্স বিতরণ

গুইমারা প্রতিনিধি:

গুইমারা উপজেলার বুদংপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে শহীদ মিনার উদ্বোধন কালে জনপ্রতিনিধিদের অর্থায়নে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিনামুল্যে টিফিনবক্স বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) সকালে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে সুষম পুষ্টি নিশ্চিত করার লক্ষে এবং বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীদের ক্ষুধামুক্ত বিদ্যা অর্জনের লক্ষ্যে এ আয়োজন করা হয়।

গুইমারা ইউপি চেয়ারম্যান মেমং মারমার সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. রাশেদুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে গুইমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পঙ্কজ বড়ুয়া, গুইমারা উপজেলা চেয়ারম্যান উশ্যেপ্রু মারমা, গুইমারা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ম্রাসাথোয়াই মগ, গুইমারা থানার অফিসার্স ইনচার্জ সাহাদাৎ হোসেন টিটু বক্তব্য রাখেন।

এছাড়াও গুইমারা উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, গুইমারা ইউপি সদস্য জনার্ধন সেন এবং উশাপ্রু মারমাসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, ছাত্রছাত্রীর অভিভাবকদের প্রতিদিন স্কুলে আসার সময় টিফিনবক্সে টিফিন দেয়ার অনুরোধ জানান। যাতে করে ছাত্রছাত্রীরা ক্ষুধামুক্ত হয়ে শিক্ষায় মনোনিবেশ করতে পারে।

এর আগে ফিতা কেটে বুদংপাড়া শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক রাশেদুল ইসলাম। উদ্বোধন শেষে দেশ ও জাতীর কল্যানের ১৯৫২ সালের ভাষা শহিদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

পরে জেলা প্রশাসক গুইমারা থানা পরির্দশন শেষে হাফছড়ি বিশুদ্ধ পানির ট্যাংক ও যাত্রী চাওনি উদ্বোধন করেন।

বিকেলে গুইমারা উপজেলা মিলনায়তন ভবনে মুক্ত আলোচনার মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শেষ করেন।




গুইমারায় দু’টি অস্ত্র ও তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার

গুইমারা প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির গুইমারায় ছনখোলা পাড়া এলাকার একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে  দু’টি দেশীয় তৈরি এলজি, তিন রাউন্ড গুলি, চাঁদা আদায়ের রশীদ বই, নোটবুক এবং এক টাইগার বোতল চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়েছে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে  অভিযান চালিয়ে  এসব   উদ্ধার করেছে গুইমারা রিজিয়নের আওতাধীন সিন্ধুকছড়ি জোনের নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা।

নাশকতা ও চাঁদাবাজির উদ্দেশ্যে গুইমারা উপজেলার ছনখোলা পাড়া এলাকায় একটি পরিত্যক্ত  ঘরে  সন্ত্রাসীরা অবস্থান নিয়েছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার (৭ ডিসেম্বর)  দিবাগত রাত দুইটার দিকে সিন্ধুকছড়ি জোনের ক্যাপ্টেন মুফতি মাহমুদ জয়  ও লে. তানজিল এর নেতৃত্বে আনসার বেটালিয়নের সদস্য আপেল মাহমুদ ও  মো. ফিরোজসহ নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যদের একটি  টহল দল এ অভিযান চালায়। এসময় সিন্দুকছড়ি জোনের নিরাপত্তা সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।

পরে গুইমারা উপজেলার ছনখোলা পাড়া এলাকায় সন্ত্রাসীরা অবস্থান নেওয়া পরিত্যক্ত ঘরে তল্লাশি চালিয়ে দু’টি দেশীয় তৈরি এলজি, তিন  রাউন্ড কার্তুজ চাঁদা আদায়ের রশীদ বইসহ চোলাই মদ উদ্ধার করে গুইমারা সিন্দুক ছড়ি জোনের সদস্যরা।

এদিকে বৃহস্পতিবার বেলা তিনটার দিকে উদ্ধারকৃত দেশীয় তৈরি এলজি, তিন রাউন্ড কার্তুজসহ উদ্ধারকৃত মালামাল গুইমারা থানায় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে সিন্দুকছড়ি নিরাপত্তাবাহিনী সূত্রে জানানো  হয়।




গুইমারায় অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা:

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একটি দেশীয় তৈরি এলজি, চার রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেছে মাটিরাঙ্গা জোনের নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা।

নাশকতা ও চাঁদাবাজির উদ্দেশ্যে গুইমারা উপজেলার নতুন পাড়া এলাকায় একটি পরিত্যক্ত টঙ ঘরে জেএসএস সন্ত্রাসীরা অবস্থান নিয়েছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার (৬ ডিসেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মাটিরাঙ্গা জোনের নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যদের দুইটি টহল দল অভিযান চালায়। এসময় মাটিরাঙ্গা জোনের নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা।

পরে গুইমারা উপজেলার নতুন পাড়া এলাকায় জেএসএস সন্ত্রাসীরা অবস্থান নেওয়া পরিত্যক্ত টঙ ঘরে তল্লাশি চালিয়ে একটি দেশীয় তৈরি এলজি, চার রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করে মাটিরাঙ্গা জোনের নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা।

ভবিষ্যতেও চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে জানিয়ে মাটিরাঙ্গা জোন অধিনায়ক লে. কর্ণেল কাজী মো. শামশের উদ্দিন পিএসসি জি বলেন, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের কোন ছাড় দেয়া হবেনা। সাধারণ জনগণের নিরাপত্তার স্বার্থে সন্ত্রাসীদের মুলোৎপাটন করা হবে।

এদিকে বুধবার বেলা ২টার দিকে উদ্ধারকৃত দেশীয় তৈরি এলজি, চার রাউন্ড কার্তুজ গুইমারা থানায় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।




গুইমারায় ব্যাডমিন্টন খেলার নতুন কোড উদ্বোধন

গুইমারা প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির গুইমারা থানার অফিসার ইনচার্জ সাহাদাত হোসেন টিটুর আয়োজনে শীতকালীন ব্যাডমিন্টন  খেলার জন্য গুইমারা থানা প্রাঙ্গনে একটি ব্যাডমিন্টন কোড উদ্বোধন করেন খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার।

মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) রাত সাতটায় গুইমারা থানার অফিসার ইনচার্জ সাহাদাত হোসেন টিটুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার আলী আহম্মদ খান উপস্থিত থেকে এ খেলা ও খেলার কোডটি  উদ্বোধন করেন।

এসময়ে আরো উপস্থিত ছিলেন গুইমারা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা পঙ্কজ বড়ুয়া, খাগড়াছড়ির সদর থানার ওসি তারেক মো. আব্দুল হান্নান, মানিকছড়ি থানার ওসি মাইন উদ্দিন, রামগড়ের অফিসার ইনচার্জ শরিফুল ইসলাম ও গুইমারা থানার ওসি তদন্ত শফিকুল ইসলাম, গুইমারা উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ঝর্ণা ত্রিপুরা, হাফছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান চাইথোয়াই চৌধুরী, গুইমারা মুক্তিযোদ্ধার কমান্ডার ম্রাসাথোয়াই মগ,  সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ অনেকে।

এবিষয়ে বিশেষ অতিথি গুইমারা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা পঙ্কজ বড়ুয়া বলেন, নবসৃষ্ট এ উপজেলায় এখনো খেলাধূলা ও বিনোদনের কোন ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়নি। এরই মাঝে অফিসার ইনচার্জ সাহাদাত হোসেন টিটু নিজ উদ্যোগে খেলার জন্য এমন একটি কোড তৈরি করায় তাকে গুইমারা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সাহাদাত হোসেন টিটুর মত সকলকে যার যার অবস্থান থেকে একেকটি কর্মের মাধ্যমে গুইমারার উন্নয়নকে অগ্রগামী করার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধান অতিথি হিসেবে খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার আলী আহম্মদ খান বলেন, স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। খেলাধূলার মাধ্যমে শরীর এবং মন দুটোই ভালো থাকে। গুইমারা থানার অফিসার ইনচার্জ এমন একটি উদ্যোগ গ্রহণ করায় আমি আন্তরিক ভাবে খুশি হয়েছি এবং আয়োজনকারীদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

এর আগে প্রধান অতিথি আসার সঙ্গে সঙ্গে আতসবাজি ফুটিয়ে, ফিতা কেটে এক আনন্দ ঘন পরিবেশে ব্যাডমিন্টন কোডটি উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী ব্যাডমিন্টন খেলাটি পরিচালনা করেন রেফারি হিসেবে এসআই মশিউর রহমান এবং গুইমারা থানার ডিএসবি আসাদুজ্জামান আসাদ।




গুইমারায় আবারও রক্তাক্ত অবস্থায় লাশ উদ্ধার

গুইমারা প্রতিনিধি:
 
খাগড়াছড়ির গুইমারা প্রজার্টিলাস্থ কলেজ রোডের নালার মধ্যে রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া গেল এক ব্যক্তির লাশ।
বুধবার (৬ ডিসেম্বর) সকাল আটটার সময় স্থানীয় জনতা লাশটি দেখে থানা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশসহ যৌথ বাহিনীর সদস্যরা লাশটি থানায় এনে ময়না তদন্তের জন্য প্রেরণ করেন।
 
পুলিশের ধারনা মতে নিহত লোকটি উপজাতীয়। তার বয়স আনুমানিক ৪২ হবে এবং তাকে গতকাল গভীর রাতে অন্যত্র হত্যা করে এখানে ফেলে দেওয়া হয়। স্থানীয় লোকজন লাশটি দেখা মাত্র গুইমারা থানা পুলিশকে খবর দেয়।
 
সাম্প্রতিক গুইমারা আলোচিত রবিউল হত্যাকাণ্ডের পর এই হত্যাকাণ্ডকে নিয়ে ভীষণ চিন্তিত গুইমারাবাসী।
পার্বত্য শান্তি চুক্তির বর্ষপূর্তি ও আনন্দ সোভাযাত্রার পর থেকে দুই দফায় কলেজ ভাংচুরসহ এ হত্যাকাণ্ড ঘটে গুইমারায়। এসব ঘটনা গুলো উদ্দেশ্যমূলক বলে দাবি সচেতন মহলের।
 
তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিহতের কোন পরিচয় পাওয়া যায়নি। এবিষয়ে গুইমারা থানা অফিসার ইনচার্জ সাহাদাত হোসেন টিটু বলেন, হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি সত্য, আমরা নিহতের পরিচয় সুনির্দিষ্ট করার চেষ্টা করছি। এবং হত্যা মামলা রুজু হবে। মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।



গুইমারা রিজিয়ন এর উদ্যেগে আয়োজিত ভলিবল খেলায় বাংলাদেশ আনসার ব্যাটালিয়ন চ্যাম্পিয়ন 

গুইমারা প্রতিনিধি:

পার্বত্য চুক্তির ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে খাগড়াছড়ির গুইমারা রিজিয়ন এর উদ্যেগে আয়োজিত ভলিবল খেলায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি) কে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ আনসার ব্যাটালিয়ন।

সোমবার(৪ ডিসেম্বর) বিকেলে গুইমারা রিজিয়নের স্পোর্টস গ্রাউন্ডে শান্তি কনসার্টের পূর্বে অনুষ্ঠিত খেলায় সেনা সার্জেন্ট শওকত হোসেনের পরিচালনায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি), বাংলাদেশ আনসার ব্যাটালিয়ন ও স্থানীয় জনতার দলসহ সর্বমোট ৪টি দলের অংশগ্রহণে খেলা শুরু হয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে, বাংলাদেশ আনসার ব্যাটালিয়ন ২-১ ব্যবধানে, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি), স্থানীয় জনতাকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমার্ধের খেলা শেষ করলেও ফাইনালে বর্ডার গার্ড বালাদেশ (বিজিবি) কে বাংলাদেশ আনসার ব্যাটালিয়ন ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। এছাড়া সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ আনসার ব্যাটালিয়নের সিপাহী নাজমুল হোসেন।

এদিকে খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন গুইমারা রিজিয়ন কমান্ডার এম কামরুজ্জামান, এনডিসি পিএসসি,জি।

এছাড়াও খেলায় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি)র, গুইমারা সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল আব্দুল্লাহ আল মামুন, মাটিরাঙ্গা জোন অধিনায়ক লে. কর্ণেল কাজী শামসের উদ্দিন, বিজিবির রামগড় জোন কমান্ডার লে. কর্ণেল এম জাহিদুর রশিদ, লক্ষীছড়ি জোন কমান্ডার, সিন্দুকছড়ি জোন উপ-অধিনায়ক, ৬ আনসার ব্যাটালিয়নের কোম্পানী কমান্ডার এসএম আনিসুর রহমান।

এছাড়াও খেলার মাঠে হাজারো দর্শক উপস্থিত ছিলেন।