’বাল্য বিবাহকে না বলুন’এই স্লোগানে গুইমারায় র‌্যালি ও মানববন্ধন

গুইমারা প্রতিনিধি:

গুইমারা উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার আয়োজনে ১২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বাল্য বিবাহ নিরোধ দিবস উপলক্ষ্যে র‌্যালি, মানববন্ধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

র‌্যালিটি গুইমারা কলেজ থেকে শুরু হয়ে গুইমারা বাজার মেইন রোড়ে মানব বন্ধন ও আলোচনা সভার মাধ্যমে শেষ হয়।

‘বাল্য বিবাহ কে না বলুন’-এ স্লোগানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিএম মশিউর রহমান সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। বক্তব্যকালে বিএম মশিউর রহমান বলেন, বাল্য বিবাহ বিষয়ে সমাজের সবাইকে সচেতন হতে হবে, বাল্য বিবাহের বিরুদ্ধে  আমরা সোচ্চার, এবিষয়ে কোন ছাড় দেওয়া হবেনা।




কর্মীদের স্বীকারোক্তিতে ফাতেমা অপহরণ নিয়ে ইউপিডিএফের অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা :

গৃহবধু ফাতেমা বেগম অপহরণ ঘটনায় গুইমারাতে পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ-পিসিপি নেতা সুশীল ত্রিপুরা ও রেহেনা চাকমাসহ পাঁচ নারী-পুরুষকে আটককে ষড়যন্ত্রমূলক দাবী করে ইউপিডিএফ সমর্থিত তিন সংগঠনের প্রতিবাদের কয়েক ঘন্টা পরেই ইউপিডিএফ সমর্থিত পিসিপির তিন কর্মীর স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দীতে পাহাড়ী ছাত্র পরিষদের অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) বিকালে খাগড়াছড়ির সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ান মোহাম্মদের আদালতে আটককৃত কমলা দেবী চাকমা (৫০), চিন্তা রানী চাকমা (৩৫) ও সুশিল চাকমা (২০) ফাতেমা অপহরণের ঘটনায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে।

গুইমারা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাহাদত হোসেন টিটো বিষয়টি নিশ্চিত করে এ প্রতিনিধিকে বলেন, আটক তিন পিসিপি কর্মীর স্বীকারোক্তির মধ্য দিয়ে ইউপিডিএফের সব অভিযোগ মিথ্যা প্রমানিত হয়েছে।

যাত্রীবাহি বাস থেকে অপহৃত গৃহবধু ফাতেমা বেগমকে উদ্ধার করার জন্য সবকিছু করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, কাউকে জিম্মি করে রাখার সুযোগ কোন সন্ত্রাসী গোষ্ঠিকে দেয়া হবেনা। পুলিশসহ আইন-শৃক্সখলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনে রাজপথ গরম করার সুযোগ কাউকেই দেয়া হবেনা বলেও জানান গুইমারা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাহাদত হোসেন টিটো।

গতকাল বুধবার (১১ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে গুইমারা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাহাদত হোসেন টিটোর নেতৃত্বে পুলিশ গুইমারা উপজেলার বাইল্যাছড়ির ১নং রাবার বাগান এলাকা থেকে পাঁচ ইউপিডিএফ কর্মীকে আটক করে ।

প্রসঙ্গত, ৮ সেপ্টেম্বর ঈদের ছুটি শেষে স্বামী মো. নাজমুল হোসেনেরর সাথে বাসযোগে (বিছমিল্লাহ পরিবহন) কর্মস্থল চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে গুইমারার বাইল্যাছড়ি সাইনবোর্ড এলাকায় ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট-ইউপিডিএফ‘র ১০/১২ জন কর্মী বাসের গতিরোধ করে স্বামীর পাশে বসা গৃহবধু ফাতেমা বেগমকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। এসময় স্বামী মো. নাজমুল হোসেন বাধা দিলে সন্ত্রাসীরা তাকেও অপহরণের হুমকি দেয়।




ফাতেমা অপহরণের স্বীকারোক্তি দিয়েছে ইউপিডিএফের তিন কর্মী


নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি:

খাগড়াছড়ির গুইমারায় যাত্রীবাহী বাস থেকে গৃহবধূ ফাতেমা বেগমকে অপহরণের ঘটনায় আটক পাঁচ ইউপিডিএফ কর্মীর মধ্যে তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবান্ধী দিয়েছে। এরা হচ্ছে, কমলা দেবী চাকমা(৫০), চিন্তা রানী চাকমা(৩৫) ও সুশিল চাকমা(২০)।

১২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিকালে খাগড়াছড়ি সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ান মোহাম্মদের আদালতে তারা এ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্ধি দেয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাহাদত হোসেন টিটু।

উল্লেখ্য, গত ৮ সেপ্টেম্বর ঈদের ছুটি শেষে স্বামী মো. নাজমুল হোসেন তার  স্ত্রী ফাতেমা বেগমকে নিয়ে বাসযোগে (বিছমিল্লাহ পরিবহন) কর্মস্থল চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে গুইমারার বাইল্যাছড়ি সাইনবোর্ড এলাকায় ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট(ইউপিডিএফ)‘র ১৫/১৬ জন কর্মী বাসের গতিরোধ করে ও  স্বামীর পাশে বসা ফাতেমা বেগমকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। এসময় স্বামী মো. নাজমুল হোসেন বাধা দিলে সন্ত্রাসীরা তাকেও অপহরণের হুমকি দেয়।

প্রসঙ্গত, পাঁচ বছর আগে (০১/১১/২০১২ইং) খাগড়াছড়ির পানছড়ির লোগাং বাজার পাড়ার মনতাজ মিয়ার ছেলে মো. নাজমুল হোসেন ভালোবেসে বিয়ে করে বজেন্দ্র মাষ্টার পাড়ার ফলেন্দ্র ত্রিপুরার মেয়ে নয়না ত্রিপুরাকে। বিয়ের পুর্বেই স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নয়না ত্রিপুরা ফাতেমা ফাতেমা বেগম নাম ধারণ করে। তারপর থেকেই তারা সুখে-শান্তিতে দাম্পত্য জীবন-যাপন করে আসছে। বিয়ের এক বছরের মধ্যই তাদের কোলজুড়ে আসে এক পুত্রসন্তান।

গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাহাদত হোসেন টিটু জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার সকাল ১০টার দিকে গুইমারা উপজেলার বাইল্যাছড়ি ও ১নং রাবার বাগান এলাকা থেকে পাঁচ ইউপিডিএফ কর্মীকে আট করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ইউপিডিএফের কর্মী ও গৃহবধু ফাতেমা বেগমকে অপহরণের সাথে জড়িত থাকার বিষয়ে স্বীকার করে। তবে আদালতে গিয়ে তিনজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্ধী দিয়েছে।




গুইমারা শ্রমিকলীগের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

গুইমারা প্রতিনিধি:

দুনিয়ার মজদুর এক হও” স্লোগানে খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলা শ্রমীকলীগের উদ্যোগে  জাতীয় শ্রমিক লীগের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপক্ষে বৃহস্পতিবার বিকাল ৫ঘটিকায় গুইমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের  দলীয় কার্যালয় থেকে র্যালিটি বের হয়ে গুইমারা মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করে আবার দলীয় কার্যালয়ে এসে কেক কাটা, দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
নুরুন্নবী চৌধুরী রুবেলের সঞ্চালনায় সুভাষ দত্তের সভাপতিত্বে শ্রমিকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক উত্তম মল্লিকের সার্বিক সহযোগিতায়  আলোচনা সভায় গুইমারা সদর ইউপির চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেমং মারমা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কেক কাটার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানকে সাফল্য মন্ডিত করে তোলেন।

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে গুইমারা উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ঝর্না ত্রিপুরা, আইয়ুব বাংগালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, সুইমং মারমা, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক উপেজলা আওয়ামী লীগ,  রাম্প্রুচাই মারমা, দপ্তর সম্পাদক উপজেলা আওয়ামী লীগ, জনারাধন মেম্বার, সভাপতি সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, নুরইসলাম মেম্বার  বিপ্লব শীল সভাপতি, উপেজলা যুবলীগ, সাগর  চৌধুরী, সভাপতি গুইমারা উপজেলা ছাত্রলীগ,  ইব্রাহিম মির, সাধারণ সম্পাদক উপজেলা যুবলীগ, জেয়ারত, পলাশ চৌধুরী সাংগঠনিক সম্পাদক উপজেলা যুবলীগসহ  শ্রমিকলীগের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় গুইমারা আওয়ামী লীগের  অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সকল নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্য মেমং মার্মা বলেন, সকলে মিলে মিশে একে অপরের কাধে হাত রেখে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।




গুইমারা মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ১ম পুনর্মিলনী উৎসব উপলক্ষ্যে  রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম উদ্ধোধন করেন কংজরী চৌধুরী

 

গুইমারা প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ি জেলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ গুইমারা মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ১ম পূর্নমিলনী উৎসব উপলক্ষ্যে  বুধবার বিকাল পাচঁ ঘটিকার সময়ে  গুইমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে এই রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমের উদ্ধোধন করেন পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী ।

মিল্টন বড়ুয়ার সঞ্চালনায়, গুইমারা সদর ইউপি চেযারম্যান ও পূর্নমিলনী কমিটির সভাপতি মেমং মার্মার সভাপতিত্বে রেজিস্ট্রেশন কাযৃক্রম উদ্ধোধন করেন কংজরী চৌধুরী ।

উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে গুইমারা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাহাদত হোসেন টিটু, মাটিরাংগা পৌর সভা মেয়র সামছু, গুইমারা উপজেরা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, গুইমারা ইচ্চ বিদ্যালয়ের মিক্ষক মন্ডলীসহ আয়োজক কমিটির অনেক ছাত্র উপস্থিত ছিলেন।

এই পূর্নমিলনী উৎসবে দেশ বিদেশের বেশ কয়েক হাজার শিক্ষার্থী অংশ নিবেন বলে জানা যায় আয়োজন কমিটি সূত্রে। আগামী ২০ নভেম্বর পর্যন্ত এই রেজিস্ট্রেশন চলবে। রেজিস্ট্রেশন ফি হিসেবে ৫০০টাকা হার করা হযেছে। এই পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে আগত শিক্ষার্থীরা চাইলে  রেজিস্ট্রেশন ফি দিয়ে নিজের পছন্দের ব্যক্তিকে ও সঙ্গে আনতে পারবে বলে জানা যায় আয়োজন কমিটি সূত্রে।

উদ্ধোধনী রেজিস্টেশন কার্যক্রম শেষে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান এমন একটি মহতি কাজের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য।




গুইমারা মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ১ম পূর্নমিলনী উৎসব উপলক্ষ্যে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু

 

গুইমারা প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ি জেলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপিট গুইমারা মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ১ম পূর্নমিলনী উৎসব উপলক্ষ্যে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বুধবার বিকাল পাচঁটায় গুইমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে মিল্টন বড়ুয়ার সঞ্চালনায়, গুইমারা সদর ইউপি চেযারম্যান ও পূর্নমিলনী কমিটির সভাপতি মেমং মার্মার সভাপতিত্বে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন কংজরী চৌধুরী।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে, গুইমারা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাহাদত হোসেন টিটু, মাটিরাঙ্গা পৌরসভা মেয়র সামছু, গুইমারা উপজেরা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, গুইমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মণ্ডলী সহ আয়োজক কমিটির অনেক ছাত্র উপস্থিত ছিলেন।

এই পূর্নমিলনী উৎসবে দেশ বিদেশের বেশ কয়েক হাজার শিক্ষার্থী অংশ নিবেন বলে জানাযায় আয়োজক কমিটি সূত্রে। আগামী ২০ নভেম্বর পর্যন্ত এই রেজিস্ট্রেশন চলবে। রেজিস্ট্রেশন ফি হিসেবে ৫০০টাকা হার করা হযেছে, এই পুর্নমিলনী অনুষ্ঠানে আগত শিক্ষার্থীরা চাইলে রেজিস্ট্রেশন ফি দিয়ে নিজের পছন্দের ব্যক্তিকেও সঙ্গে আনতে পারবেন বলেও জানাযায় আয়োজন কমিটি সূত্রে।

উদ্বোধনী রেজিস্টেশন কার্যক্রম শেষে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান এমন একটি মহতি কাজের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য।




গুইমারায় ফাতেমা অপহরণের সাথে জড়িত ইউপিডিএফের ৫ কর্মী আটক

গুইমারা  প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির গুইমারায় স্বামীর উপস্থিতিতে যাত্রীবাহী বাস থেকে স্ত্রী অপহরণের ঘটনায় অপহরণের সাথে জড়িত সন্দেহে পাছঁ জনকে কে আটক করেছে গুইমারা থানা পুলিশ। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার সকাল ১০টার দিকে গুইমারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাহাদত হোসেন টিটুর নেতৃত্বে গুইমারা থানার পুলিশ সদস্যদের নিয়ে  অপহরণকারীদের আটক করা হয় গুইমারা উপজেলার বাইল্যাছড়ি ও ১নং রাবার বাগান এলাকা থেকে।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ইউপিডিএফের কর্মী ও গৃহবধু ফাতেমা বেগমকে অপহরণের সাথে জড়িতর বিষয়ে প্রাথমিকভাবে  স্বীকার করেছে বলে গুইমারা থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়।

গুইমারা থানা পুলিশের হাতে আটক  শুশীল ত্রিপুরা (১৮) পিতা রীজেন্দ্র ত্রিপুরা সাং বাইল্যাছড়ি, চিত্রা রানী ত্রিপুরা (২৪) পিতা কামিনী ত্রিপুরা, সাং ১নং রাবার বাগান, বাইল্যাছড়ি, জোসিকা ত্রিপুরা (১৫)পিতা রিজেন্দ্র ত্রিপুরা, ১নং রাবার বাগান বাইল্যাছড়ি, রেহেনা চাকমা তকরু (১৮) পিতা স্নেহ কুমার চাকমা ১নং রাবার বাগান বাইল্যাছড়ি, কমরা বিকাশ চাকমা (৬০) স্বামী বিপত্রন চাকমা ১নং বাইল্যাছড়ি সকলেই গুইমারা উপজেলার বাসিন্দা এবং ইউপিডিএফ সমর্থিত পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের কর্মী।

প্রসঙ্গত, গত ৮ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) ঈদের ছুটি শেষে স্বামীসহ একটি যাত্রীবাহি বাসে চট্টগ্রাম যাবার পথে গুইমারা উপজেলার বাইল্যাছড়ি সাইনবোর্ড এলাকায় পৌঁছলে পাহাড়ের আঞ্চলিক স্বশস্ত্র সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) এর ১০/১২ জন নারীসহ ৪ জন পুরুষ কর্মী বাসের গতিরোধ করে এবং বাস (বিছমিল্লাহ পরিবহন) থেকে স্বামীর পাশে বসে থাকা স্ত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

ভালবেসে বাঙালি ছেলেকে ধর্ম পরিবর্তন করে বিয়ে করাটাই ছিলো ফাতেমার  ইউপিডিএফ কর্মীদের কাছে অপরাধ।

এবিষয়ে গুইমারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাহাদত হোসেন টিটু বলেন, আটককৃত অপহরণকারীরা অপহরণের বিষয়টি  প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে এবং তারা সকলেই পার্বত্য সন্ত্রাসী সংগঠন ইউপিডিএফের সদস্য বলে নিজেরা দাবি করেছে। তাদের বিষয়ে গুইমারা থানায় নিয়মিত মামলা রুজু ও ওয়ারেন্ট চাওয়া হচ্ছে।




গুইমারায় চোলাই মদসহ আটক দুই নারী

গুইমারা প্রতিনিধি:
খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার রামছু বাজারের মূখে মেইন রোডে চট্রগ্রাম গামী বাস থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চোলাই মদসহ দুই নারী সদস্যকে আটক করা হয়েছে ।

সোমবার বিকাল ৫ ঘটিকার সময়ে ১১ লিটার চোলাই মদসহ গুইমারা থানার এস আই মশিউরের নেতৃত্বে দীর্ঘ সময় সংগীয় ফোর্স সহ ফাদ পেতে এই মদ ব্যবসায়ীদের আটক করেন বলে জানা যায়।

আটককৃত উম্মে হাবিবা (১৯) স্বামী. মনু মিযা ড্রাইভার, ডোলপাড়া, সামবল বাজার, বাশখালী চট্রগ্রাম ও জোৎস্না বেগম (২২) স্বামী আবুল কালাম সাতকানিয়া এরা দীর্ঘ দিন যাবত গুইমারা থেকে মদ কিনে চট্রগ্রামে নিয়ে ব্যবসা করছেন বলে জানাযায়। ইতিপূর্বে গুইমারা থানায় আরো একবার ৬৪ বোতল চোলাই মদ নিয়ে আটক হয়েছিলেন, বর্তমানে ঐ মামলায় জামিনে আছেন। নারী হ্ওয়ায় নিজেদের ছলনার আশ্রয় নিয়ে উপজাতি গ্রাম থেকে এসব চোলাই মদ কিনে শহরে নিয়ে ব্যবসা করেন।

এবিষয়ে গুইমারা থানার এস আই মশিউরের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, শহর থেকে এসে বাংগালী নারীরা পাহাড়ে যদি এভাবে ছদ্ম বেশেরে মাধ্যমে মাদক ব্যবসা করতে চায় তাহলে পাহাড়ে নিরাপত্তার নিশ্চিত করাতো কঠিন হযে পড়বে, এই গুইমারায় উপজেলার যুব সমাজকে রক্ষা করার লক্ষে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবন কারীদের কোন ধরনের ছাড় হবে না। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

গুইমারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহাদাত হোসেন টিটু বলেন, মাদক যুব সমাজকে ধবংস করছে। আমি যতক্ষণ এই গুইমারা থানায় দায়িত্বে আছি মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবন কারীদের বিষয়ে আমাদের এধরনের অভিযান সব সময়ে অব্যাহত থাকবে। মাদক মুক্ত গুইমারাই আমাদের লক্ষ্য।




গুইমারায় দূর্গা পূজা মণ্ডব পরিদর্শন করলেন ওয়াদুদ ভুইয়া

গুইমারা প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় শুভেচ্ছা জানাতে নেতা কর্মীদের স্রোত নিয়ে শুক্রবার সন্ধা ৬টায় পূজা মণ্ডব পরিদর্শন করলেন খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি ওয়াদুদ ভূইঁয়া।

এসময়ে গুইমারা শ্রী শ্রী হরিমন্দীর, চন্ডীমন্দীর ও কালীবাড়ী মন্দিরে পাঁচ হাজারের অধীক নেতাকর্মীদের নিয়ে পরিদর্শন করেন তিনি।

এসময় সনাতন ধর্মীয় নেতাদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন, রামগড় উপজেলা চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম ফরহাদ, আব্দুল মালেক মিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক এমএন আফছার সহ খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির অসংখ্য নেতৃবৃন্দ।

পূজা মণ্ডপ গুলোতে সনাতন ধর্মের নেতারা ফুলের তোড়া দিয়ে তাকে বরন করে নেন। গুইমারা উপজেলা বিএনপির আয়োজনে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ও কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পূজা মণ্ডব পরিদর্শন শেষে খাগড়াছড়ি ফিরেযান তিনি।




ওসি যোবায়েরুল হকের বিদায় সংবর্ধনা  ও সাহাদাত হোসেন টিটোর যোগদান

 

 

গুইমারা প্রতিনিধি:

গুইমারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. যোবায়েরুল হকের বিদায়ী সংবর্ধনা দিয়েছে গুইমারাবাসী। গুইমারা উপজেলার নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক ও সাংবাদিকসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে গুইমারা উপজেলা প্রশাসন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

একই অনুষ্ঠানে ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়া হয় গুইমারা থানার নবাগত অফিসার ইনচাজ মো. সাহাদাত হোসেন টিটোকে।

গুইমারার দায়িত্বরত উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিএম মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে সোমবার সকাল ১০ঘটিকার সময়ে গুইমারা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সম্বর্ধনানুষ্ঠানে গুইমারা সাবজোনের দায়িত্বরত সাবজোন কমান্ডার ক্যাপ্টেন আলতাফ, বিদায়ী অফিসার ইনচার্জ মো. যোবায়েরুল হক, গুইমারা উপজেলা চেয়ারম্যান উশ্যেপ্রু মারমা নবাগত অফিসার ইনচার্জ মো. সাহাদাত হোসেন টিটো, গুইমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান মেমং মারমা, হাফছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান চাথোয়াই চৌধুরী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, জাহাঙ্গীর আলম সহ অনেকে বিদায়ী অফিসার ইনচার্জ মো. যোবায়েরুল হকের গুনগান ও প্রশংসা করনে।

অনুষ্ঠানে গুইমারার সব মহলের সহযোগিতার কথা স্মরণ করে গুইমারা থানার বিদায়ী অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. যোবায়েরুল হক বলেন,চাকুরী জীবনে বদলী থাকবে মেনে নিতে হবে এটাই স্বাভাবিক তবে  দায়িত্ব পালনকালে গুইমারার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ থেকে শুরু করে সবমহলের সহযোগিতা ছিল মনে রাখার মতো।