গুইমারায় সিন্দুকছড়ি জোন কমান্ডার লে. কর্নেল রুবায়েত মাহমুদ হাসিব এর উদ্যোগে  মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা

 

গুইমারা প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় সিন্দুকছড়ি জোন কমান্ডার লে. কর্নেল রুবায়েত মাহমুদ হাসিব এর উদ্যোগে মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা হয়েছে। বুধবার সকাল ১০ টায়  গুইমারা  উপজেলা ভবনের মিলনায়তনে সভাটি শুরু হয় ।

সভায় প্রধান অতিথি গুইমারা রিজিয়নের আওতাধীন সিন্দুকছড়ি জোন কমান্ডার লে. কর্নেল রুবায়েত মাহমুদ হাসিব বলেন, আমি পার্বত্য অঞ্চলের সিন্দুকছড়ি জোনের দায়িত্ব নিয়ে এসেছি, আপনাদের মাঝে থেকে সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাই। দায়িত্বে অবহেলা কারী ব্যক্তিদের আমি পছন্দ করিনা। সিন্দুকছড়ি জোনের আওতাধীন সকল স্থানে আইনশৃঙ্খলার কোন ধরনের অবনতি যাতে না ঘটে সেইদিকে জনপ্রতিনিধিদের সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনাদের দ্বার প্রান্তে আমাদের মোবাইল নাম্বার দেওয়া আছে যে কোন প্রয়োজনে আমাদের স্মরণ করবেন।

আমরা সাম্প্রাদায়িক সম্প্রীতির লক্ষ্যে আপনাদের পাশে আছি, থাকবো ।

মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে গুইমারা সাব জোনের দায়িত্বরত সাব জোন কমান্ডার ক্যাপ্টেন আলতাফ, ক্যাপ্টেন নাজিউর, যোবায়েরুল হক, অফিসার ইনচার্য গুইমারা থানা, নবসৃষ্ট গুইমারা উপজেলা চেয়ারম্যান উশ্যেপ্রু মারমা, ঝর্না ত্রিপুরা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, মেমং মারমা  ১নং গুইমারা সদর ইউপি চেয়ারম্যান, চাথোয়াই চৌধুরী ২নং হাফছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান, জাহাঙ্গীর আলম, সভাপতি উপজেলা আওয়ামী লীগ, সাংবাদিক, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষক, উপজেলার সকল ইউপি সদস্য, হেডম্যান, কার্বারীসহ মান্যগণ্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন ।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির পাশাপাশি যোবায়েরুল হক, অফিসার ইনচার্জ গুইমারা থানা  উপজেলা চেয়ারম্যান উশ্যেপ্রু মারমা, মেমং মারমাসহ উপস্থিত নেতৃবৃন্দ মুক্ত আলোচনার মাধ্যমে গুইমারার আইন শৃংখলা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, আসন্ন ঈদুল আযহার নিরাপত্তা, ইফটিজিং, নারী নির্যাতন, চুরিসহ বিশেষ করে স্কুলগামী ছাত্রছাত্রীরে নিরাপত্তা ও দুর্গম সিন্দুকছড়ি রাস্তার যাতায়তের বিষয় তুলে ধরা হয়েছে ।




গুইমারা মুসলিমপাড়া সমাজ কমিটির নির্বাচন ও পরিচিতি সভা সমপন্ন

গুইমারা প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ি গুইমারা উপজেলার মুসলিম পাড়া সমাজ পরিচালনা কমিটির নির্বাচন সমপন্ন হয়েছে।

গুইমারা উপজেলার সর্ববৃহৎ মুসলিম অধ্যুষিত সমাজ, মুসলিমপাড়া সমাজ। প্রতিবছর গনতন্ত্র মোতাবেক এনির্বাচন সমপন্ন হয়। এবারে বেশ জমজমাট ভাবে নির্বাচন হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বরত আ. খালেক, দিদারুল আলম সাংবাদিক, নুর ইসলাম মেম্বার, বিবি হাওয়াধন মেম্বারের নেতৃত্বে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ৫নং গুইমারা মুসলিমপাড়া ওয়ার্ডে ২০৮ পরিবারে বাঙ্গালী ৮শত ভোটারের মধ্যে সমাজ পরিচালনার ভোটার হচ্ছে ২০৭জন।

নির্বাচন শেষে পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয় আ. খালেকের সভাপতিত্বে ও দিদারুল আলমের সঞ্চালনায়। এছাড়া মুসলিম পাড়া সমাজের সকল সদস্য সহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।




ইউএনও’র সাথে সরবরাহ প্রতিষ্ঠানের মতানৈক্যে গুইমারার সোলার প্যানেল প্রকল্পের ৬২ লাখ টাকা ফেরৎ


রামগড় প্রতিনিধি:
খাগড়াছড়ি জেলার নবগঠিত গুইমারা উপজেলার নির্বাহি অফিসারের সাথে সরবরাহ প্রতিষ্ঠানের চুক্তি সম্পাদনে মতানৈক্যের কারণে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সোলার প্যানেল প্রকল্পের বরাদ্দকৃত প্রায় ৬২ লক্ষ টাকা ফেরৎ গেছে। এতে উপজেলার সাধারণ মানুষ প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ‘ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ’ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাগেছে, গুইমারা উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের টিআর এবং কাবিটা প্রকল্পে সোলার প্যানেল স্থাপনের জন্য ৬১ লক্ষ ৪০ হাজার ৫৪৮ টাকা বরাদ্দ  হয়। তন্মধ্যে  ২০১৬ সালের মার্চে  প্রথম ধাপে টিআর(সাধারণ), টিআর(এমপি), কাবিটা(সাধারণ) ও কাবিটা(এমপি) মোট ৩১ লক্ষ ৪৫ হাজার ৮৫০ টাকা এবং মে মাসে দ্বিতীয় ধাপে ২৯ লক্ষ ৯৪ হাজার ৬৯৮ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসহ বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত দরিদ্র বাসিন্দাদের বাসা বাড়িতে বিনামূল্যে সোলার প্যানেল স্থাপনের কথা।

ইডকল পি ও হিসেবে সোলার প্যানেল সরবরাহ ও স্থাপন কাজের জন্য নিযুক্ত ব্রাইট গ্রীণ এনার্জি ফাউন্ডেশন(বিজিইএফ) নামে একটি প্রতিষ্ঠানরে সাথে গুইমারা উপজেলা নির্বাহি অফিসারের চুক্তি সম্পাদন নিয়ে মতানৈক্য দেখা দেয়।

জানাযায়, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত ১১টি শর্ত ছাড়াও উপজেলা নির্বাহি অফিসার আরও ৭টি শর্ত সংযোজন করায় দুপক্ষের মধ্যে এ মতানৈক্য দেখা দেয়। এ মতানৈক্যের কারণে চুক্তি সম্পাদিত না হওয়ায় অর্থ বছর শেষ হওয়ার পরও  উপজেলায় সোলার প্যানেল স্থাপন প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়নি। এদিকে এ জটিলতার নিরসন না হলে চলতি অর্থ বছরেও সোলার প্যানেল স্থাপনের এ প্রকল্পটির  বাস্তবায়ন অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে।

ব্রাইট গ্রীণ এনার্জি ফাউন্ডেশনের (বিজিইএফ) ব্যবস্থাপক মো. নাঈম দীন বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের শর্তাবলীসহ সম্পূর্ণ নীতিমালা অনুযায়ী চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য উপজেলা নির্বাহি অফিসারের কাছে অনুরোধ জানানো হয়। কিন্তু তিনি তাঁর মনগড়া ৭টি শর্ত সংযোজন ছাড়া চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর দিতে অসন্মতি জানান। তিনি অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা নির্বাহি অফিসার তাঁদের কাছে অনৈতিক আবদার করেন। তাঁর এ আবদার রক্ষা না করায় তিনি নানা অজুহাত দেখিয়ে চুক্তিতে স্বাক্ষর দেননি। নাঈম দীন আরও জানান, এ ব্যাপারে তাদের প্রতিষ্ঠান থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে।

অপরদিকে, গুইমারার ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে থাকা মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিএম মশিউর রহমান মুঠো ফোনে বলেন, মানসন্মত সামগ্রী সরবরাহ, কাজের গুণগত মান রক্ষা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের নিশ্চয়তার জন্যই উপজেলা পরিষদের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৭টি শর্ত সংযুক্ত করতে বলা হয়।কিন্তু ব্রাইট গ্রীণ এনার্জি ফাউন্ডেশন অসৎ উদ্দেশ্যের কারণে এসব যুক্তি সংগত শর্তারোপে রাজী নয়। অথচ অন্য একটি প্রতিষ্ঠান এ শর্তগুলো মেনে মাটিরাঙ্গা, পানছড়ি ও মানিকছড়ি উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে।

‘অনৈতিক আবদার’ করার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ঐ প্রতিষ্ঠানের উচ্চ পর্যায়ের কোন কর্মকর্তা কখনও তাঁর কাছে আসেনি।

এদিকে, নব গঠিত এ উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ প্রকল্প সোলার প্যানেল স্থাপনের কাজ না হওয়ায় খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা ক্ষোভ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ে একটি চিঠি দিয়েছেন। গত ২৩ জুন স্বাক্ষরিত ঐ চিঠিতে চুক্তিপত্র সম্পাদনে জটিলতার কারণে ব্রাইট গ্রীণ এনার্জি ফাউন্ডেশন কাজ না করায় অন্য কোন প্রতিষ্ঠানকে নিযুক্ত করার জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রীকে অনুরোধ জানানো হয়।

গুইমারা উপজেলা চেয়ারম্যান উশ্যেপ্রু মারমা  ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দুপক্ষের মতানৈক্যের কারণে সরকারি বরাদ্দকৃত টাকা ফেরৎ যাবে এটা মেনে নেয়া হবে না।

গুইমারা সদর ইউপির চেয়ারম্যান মেমং মারমা বলেন, উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের মাসিক সভায় এ ব্যাপারে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়। তিনি বলেন, খাগড়াছড়ির অন্য সব উপজেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হয়েছে। গুইমারার মানুষ সরকারের এ বিশেষ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকতাদের এর দায়দায়িত্ব নিতে হবে।




গুইমারায় শিক্ষাবৃত্তি প্রদান

গুইমারা প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিক্ষাবান্ধব প্রশাসনিক কর্মকর্তা বিএম মশিউর রহমানের উদ্যোগে গরীব অসহায় ছাত্রছাত্রীদের মাঝে শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করা হয়। বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় গুইমারা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়।

এসময় গুইমারা উপজেলা চেয়ারম্যান উশ্যেপ্রু মারমা,  গুইমারা সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেমং মারমা, ২নং হাফছড়ি  ইউপি চেয়ারম্যান ছাথোয়াই চৌধুরী, ৩নং সিন্দুকছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান রেদাক মারমা, গুইমারা থানার এসআই সুইচিং মারমা ও গুইমারা কালিবাড়ি পরিচালনা কমিটির উপদেষ্টা শিবু প্রসাদ ঘোষসহ হেডম্যান, কারবারী, সহ মান্যগন্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

গুইমারা উপজেলার নয়জন অসহায় ও দরিদ্র ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে এ শিক্ষাবৃত্তির চেক প্রদান শেষে গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিএম মশিউর রহমান বলেন, শিক্ষাবৃত্তির টাকা দিয়ে হাট-বাজার করলে, শাড়ি-চুড়ি বা কসমেটিক কিনলে হবেনা শিক্ষবৃত্তির টাকা শিক্ষার জন্য ব্যায় করতে হবে, তবেই আপনার সন্তান শিক্ষিত হবে, জাতী শিক্ষিত হবে। তিনি একটি সুশিক্ষিত জাতি গঠনে সকলকে এগিয়ে আসারও আহ্বান জানা।

এর আগে গুইমারা উপজেলা মিলনায়তনে গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিএম মশিউর রহমান’র সভাপতিত্বে, মাসিক আইন শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় গুইমারা উপজেলা চেয়ারম্যান উশ্যেপ্রু মারমা, গুইমারা সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেমং মারমা, ২নং হাফছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ছাথোয়াই চৌধুরী, ৩নং সিন্দুকছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান রেদাক মারমা ও গুইমারা থানার এসআই সুইচিং মারমা সহ গুইমারা উপজেলার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় গুইমারা উপজেলার আইনশৃঙ্খলার বিষয় সহ বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।




জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু একটি পর্বতের নাম আর শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কারিগর: কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা

গুইমারা প্রতিনিধি:

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। স্বাধীনতার স্থপতি, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে গুইমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের  উদ্যোগে এক দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয় ।

১৬ আগস্ট বুধবার সকাল ৯টা থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে গুইমারা ১নং সদর ইউপি চেয়ারম্যান মেমং মারমার সঞ্চালনায় এই দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার কার্যক্রম শুরু হয়ে দুপুর ২ টায় কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরার নেতৃত্বাধীন গুইমারা উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক কাঙালী ভোজের মাধ্যমে শেষ হয় ।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি ও পার্বত্য টাস্কফোর্স এবং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী, রনবিক্রম ত্রিপুরা , বাসন্তি চাকমা, মংশেপ্রু চৌধুরী অপু , আ. জব্বার, খাগড়াছড়ি জেলা মহিলা লীগের নেতৃবৃন্দ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ।

এছাড়া গুইমারা, মাটিরাংগা, মানিকছড়ি,  রামগড়, পানছড়ি আওয়ামীলীগ ও সকল সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি তার বক্তব্যে বলেন, বঙ্গবন্ধু একটি পর্বতের নাম, শেখ হাছিনা একজন ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কারিগর, তিনি কথা দিয়ে কথা রাখেন। সারা বাংলাদেশের ন্যায় গুইমারা উপজেলাকেও উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে জননেত্রী শেখ হাসিনা। আমরা পাহাড়ে শান্তি চাই, সেই লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। পার্বত্য অঞ্চলের প্রতিটি ঘরের খবর নিচ্ছেন শেখ হাসিনা। যার প্রমাণ বিজিডি, বিজিএফ, ও ন্যায্য মূল্যের ১০টাকার চাউল। দেশের প্রতিটি মানুষের মনে শেখ হাসিনা আছেন। এই গুইমারার ৩টি ইউনিয়নে যে পরিমান উন্নয়ন আমরা করেছি বিএনপির আমলে পুরো খাগড়াছড়ি জেলাতেও এই পরিমান উন্নয়ন করতে পারে নাই। খালেদা জিয়ার চেয়ারা সুন্দর কিন্তু সে মিথ্যা বাদী মানুষ হত্যা  করে বিএনপি জামাত অপচেষ্টা চালিয়ে ক্ষমতা যাওয়ার যে স্বপ্ন দেখছে তা বাস্তবায়ন হবে না।

আলোচনা সভায় বক্তব্য কালে বেশীর ভাগ নেতাই অভিযোগ এনে বলেন পাহাড়ী বাঙ্গালী সম্প্রদায়িক উস্কানী দিয়ে একটি মহল পার্বত্য অঞ্চলে নিজেদের ফায়দা লুটার চেষ্টা করছে। এ থেকে সকল পার্বত্যবাসীকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান।

জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের আগমন উপলক্ষ্যে যে পরিমান লোক সমাবেশে হওয়ার কথা ছিল তার তুলনায় অনেক কম হয়েছে বৈরী আবহওয়া ও ইউপিডিএফ এর বাধার কারণে এমন হয়েছে বলে জানা যায়। ৪ হাজার লোকের জন্য কাঙ্গালী ভোজের আয়োজন করা হলেও লোকের সমাগম হয়েছে ২ হাজারের মত।




বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের রায় কার্যকরের দাবি মেমং মারমার

গুইমারা প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির সকল উপজেলার ন্যায় গুইমারা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষ্যে সকালে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে গুইমারা মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে থেকে একটি শোক র‌্যালি বের হয়ে গুইমারা বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে  গুইমারার অস্থায়ী উপজেলা ভবনের মিলনায়তনে এসে এক আলোচনা সভার মাধ্যমে র‌্যালিটি শেষ হয়।

শোক সভায় মেমং মারমা বলেন, আজ এ শোক সভায় বার বার যে বিষয়টি আমাদের কষ্ট দিচ্ছে তাহলো, যে সব নরপশুরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে র্নিমমভাবে হত্যা করে এখনো বিদেশের মাটিতে অনায়সে ঘুরে বেড়াচ্ছে, অনতি বিলম্বে এদেশের মাটিতে ফিরিয়ে এনে তাদের বিচারের রায় কার্যকর করার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।

বিএম মশিউর রহমান উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। স্বাধীনতার স্থপতি, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২তম শাহাদত বার্ষিকী। ১৯৭৫ সালের শোকাবহ এইদিনে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাসভবনে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয়।বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে হয়ত এ দেশটি আজ স্বাধীন দেশ হিসেবে বিশ্বের মানচিত্রে থাকতোনা, আজ আমরা এ মহান নেতার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন, বিএম মশিউর রহমান গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার, গুইমারা থানা অফিসার ইনর্চাজ যোবায়েরুল হক, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ঝর্না ত্রিপুরা ১নং গুইমারা সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেমং মারমা সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, গুইমারা মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ  বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

দিবসটি উপলক্ষ্যে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্বশাসিত ভবনে অর্ধনমিতভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এছাড়া জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে মোনাজাত ও প্রার্থনা করা হয়েছে।




গুইমারাতে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে মঙ্গল শোভাযাত্রা

গুইমারা প্রতিনিধি:

গুইমারাতে ভগবান শ্রী কৃষ্ণের মুকুট মাথায় দিয়ে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্যে দিয়ে শুরু হয়েছে দিনব্যাপী ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসব।

সোমবার(১৪ আগস্ট) বিকাল ৩টার সময় শ্রী শ্রী হরি মন্দিরের সামনে থেকে বিশ্বের শান্তি কামনায় শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌদুরী । পরে শোভাযাত্রাটি গুইমারা উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শ্রী শ্রী কালী মন্দিরে গিয়ে শেষ হয়।

শোভাযাত্রায় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের পাশাপাশি গুইমারা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ ১নং গুইমারা ইউপি চেয়ারম্যান মেমংমারমা, গুইমারা কালিবাড়ি মন্দির কমিটির উপদেষ্টা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শিবু প্রসাদ ঘোষ, ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জনার্দন, মন্দির কমিটির ব্যক্তিবর্গ সহ গুইমারা হিন্দু সম্প্রদায়ের অসংখ্য নারী পুরুষের  অংশগ্রহণের  মধ্য দিয়ে বিশ্বের শান্তি কামনা করা হয়।

এর আগে সকাল থেকে নারী ও পুরুষ ভক্তদের ব্যাপক উপস্থিতিতে চণ্ডী পাঠ, গীতা পাঠ, শ্রীকৃষ্ণ নাম জপ অনুষ্ঠিত হয় গুইমারা শ্রী শ্রী হরি মন্দির, কালী মন্দিরে।




মাদক সেবন ও পরিবহন থেকে বিরত থাকুন

 

গুইমারা প্রতিনিধি:

যথাযথ হেলমেট ব্যবহার, বৈধ গাড়ির লাইসেন্স নিয়ে গাড়ি চালানো, পাহাড়ের টেকে হর্ন বাজানো বিশেষ করে মাদক সেবন ও পরিবহন থেকে বিরত থাকা এবং দ্রুত গতিতে গাড়ি চালিয়ে ওভার টেকিং না করার জন্য পরামর্শ দিয়ে নিজে নিরাপদে থেকে যাত্রীদের নিরাপদে রাখার নির্দেশ দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ফরহাদ।

পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ আর এ স্লোগান হোক দেশের সকল জনতার এ লক্ষ্য নিয়ে  খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার জালিয়াপাড়ায়  কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির উদ্বোধনী আলোচনা সভায় পুলিশ সুপার মো. ফরহাদ পরিবহন শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন।

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, জামাল মেম্বার(সাবেক) সোমবার (১৪ আগস্ট)  সকাল ১১টায় গুইমারা থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) যোবায়েরুল হকের সভাপতিত্বে জালিয়াপাড়া কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির নিজ কার্যালয়ে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় পরিবহন কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. রুবেল-তার বক্তব্যে  উপস্থিত সকল পরিবহন চালকদের লক্ষ্য সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, কোন শ্রমিক মাদক সেবন করতে পারবে না এবং কোন গাড়িতে মাদক বহনও করতে পারবে না। যদি করেন তার দায় আপনাকে বহন করতে হবে এর জন্য কোন শ্রমিক ভাই সমিতির সহযোগিতা পাবেন না।




গুইমারায় খাবারের সাথে নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে পরিবারের সবাইকে অচেতন করে চুরি 

গুইমারা প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা ডাক্তার টিলার মৃত ফজল হক মাস্টারের বাড়িতে ৫ আগস্ট রাতে দুস্কৃতিকারীরা গোপনে খাবারের সাথে অচেতন করার জন্য নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে পরিবারের সকল সদস্যদের অচেতন করে তাদের স্বার্থ হাসিল করে।

জানা যায়, ৫ আগস্ট রাতে মৃত হজল হক মাস্টারের বাড়িতে রান্না করার সময়ে পরিবারের সদস্যদের অজান্তে কচুর লতি তরকারির সাথে এই অচেতন করার দ্রব্য মিশানো হয়। রান্না শেষে রাতে খাওয়ার পর পরিবারের সকল সদস্য মাতালের মত অচেতন হয়ে পড়লে বাড়ি থেকে নতুন ক্রয় করা পালসার মোটর সাইকেল, মোবাইল, নগদ টাকা, স্বর্নালঙ্কাকরসহ দুস্কৃতিকারীরা তাদের মনের মত করে সবকিছু নিয়ে যায়।

অচেতনদের মধ্যে রয়েছেন মো. ইকবাল, মো, হাছান এবং তাদের স্ত্রীরা ও কাজের ছেলে রবিউল। বর্তমানে সবাই মাটিরাঙ্গা সদর উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। তবে মৃত মাস্টারের স্ত্রী গতকাল বাড়িতে না থাকায় এবং কাজের ছোট একটি ছেলে রাতে খাবার না খাওয়ার কারণে এই দুইজন সুস্থ আছে বলে সরজমিনে দেখা যায়।

তবে কে বা কারা এই দ্রব্য মিশিয়েছে এখনো সঠিক ভাবে জানা না গেলেও এলাকাবাসী প্রাথমিকভাবে এই ঘটনার সাথে কোন না কোন নারী জড়িত আছে বলে ধারণা করছে।

গুইমারায় এমন ঘটনা নতুন নয়। এর আগে বর্তমান উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ঝর্ণা ত্রিপুরার বাড়িসহ পাঁচ পাঁচটি বাড়ি এমন ঘটনার শিকার হয়েছেন বলে এলাকাবাসীর মুখ থেকে জানা যায়। প্রকৃত আসামীরা গ্রেফতার না হওয়ায় এমন ঘটনা দিনে দিনে বাড়ছে বলে মনে করে স্থানীয় অনেকে।

গুইমারা ৬নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য জনার্দন তার এলাকায় এমন ঘটনা নিয়ে দুঃখের সাথে বলেন, মানুষ নিজের বাড়িতে যদি নিরাপদ থাকতে না পারেন, এর চেয়ে দুঃখের আর কি হতে পারে! এমন ঘটনার অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক যাতে ভবিষ্যতে আর এমন ঘটনা না ঘটে।

গুইমারা থানার অফিসার ইনচার্জ জোবায়েরুল হক এর কাছে বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি ডাক্তার টিলার ঘটনা স্থলে স্ব-শরীরে গিয়েছি, অচেতন রোগীদের হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে দিয়ে এসেছি এবং অবশিষ্ট খাবার নিয়ে এসেছি। অচেতন রোগীরা সুস্থ হলে তাদের সাথে কথা বলে আইনগত ব্যবস্থা নিবো।




 পাহাড়ী, বাঙ্গালী আমরা একই মায়ের অভিন্ন সন্তান: কংজরী চৌধুরী

গুইমারা প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী বলেন, খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারায় বহুল আলোচিত মোটর সাইকেল চালকদের অবশেষে সমিতির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা অনেকটাই সফল হয়েছে। পার্বত্য অঞ্চলে পাহাড়ী, বাঙ্গালী আমরা একই মায়ের অভিন্ন সন্তান। সম্প্রদায়িকতা পরিহার করে এদেশের প্রচলিত আইন মেনে সমবায় সমিতির মাধ্যমে যদি গুইমারা উপজেলা মোটর সাইকেল চালক সমিতি চলে তাহলে গুইমারা মোটর সাইকেল চালকদের ভাগ্য উন্নয়ন সম্ভব।

তবে আঠার বছরের নিচে কেউ যাতে মোটর সাইকেল ভাড়ায় চালাতে না আসে সেদিকে সমিতিকে বিশেষ নজর রাখার আহ্বান জানান।

শনিবার (৫ আগস্ট) বিকাল ৪টায় গুইমারা টাউন হলে প্রধান অতিথি হিসাবে পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরীর উপস্থিতিতে সমিতির উদ্বোধন সম্পন্ন হয়। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে ঝর্ণা ত্রিপুরা, (মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, গুইমারা উপজেলা), চাইথোয়াই চৌধুরী, চেয়ারম্যান, ২নং হাফছড়ি ইউপি, মেমং মারমা, চেয়ারম্যান, ১নং গুইমারা ইউপি ও মো. জাহাঙ্গীর আলম, সভাপতি, গুইমারা উপজেলা আওয়ামী লীগ উপস্থিত ছিলেন।

মোটর সাইকেল সমিতির পরিচালনা কমিটির সভাপতি মংশ্যেপ্রু চৌধুরীর সভাপতিত্বে মো. আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক, মোহাম্মদ আলী মাষ্টার, সহ-সাধারণ সম্পাদকের পরিচালনায় গুইমারা টাউন হলে মোটর সাইকেল চালক সমিতির উদ্বোধন ও কার্যকারী কমিটির পরিচিত সভা সম্পন্ন হয়।

যখন ভাড়া চালিত মোটর সাইকেলে দূর্ঘটনা অনেকটা বেড়েই চলেছে তখন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরীর উদ্যোগে মোটর সাইকেল চালকদের নিয়ে একটি সমিতি গঠন করা হয়। এই সমিতির মাধ্যমে ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল গুলো দূরপাল্লায় ভাড়া নিয়ে যেতে হইলে অব্যশই সমিতিকে অবহিত করবে। তাতে করে চালকদের ঝূঁকি অনেকটাই লাঘব হয়ে আসবে বলে সমিতির সদস্যগণ আশা করছেন।

জানা যায় গুইমারা উপজেলায় প্রায় ৩০০টি মোটর সাইকেল প্রতিদিন ভাড়ায় চলে। এ সকল মোটর সাইকেল চালকদের নিরাপত্তার বিষয় ভেবে এই সমিতি গঠন করা হয়। তবে এতে সমিতির সদস্যরাও অনেকটা আনন্দিত হয়েছেন বলে জানান।