ফুটবলের মাধ্যমে বিভেদ নয়, ঐক্য গড়ে তুলতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা:

শীতের বিকালে ফুটবলের মাঠে খেলোয়াড়রা উষ্ণতা ছড়িয়েছে এমন মন্তব্য করে গুইমারা রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ কামরুজ্জামান এনডিসি, পিএসসি-জি বলেন, ফুটবলের মাধ্যমে পাহাড়ের সাম্প্রদায়িক-সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে হবে। বর্তমান সময়ে খেলাধুলা হারিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যে বয়সে মাঠে থাকার কথা সে বয়সে তারা মোবাইল হাতে বিভিন্ন গেমস খেলছে। যুব সমাজকে খেলাধুলার মাঠে ফিরিয়ে নিতে হবে। তবেই জাতিকে কিছু দেয়া সম্ভব হবে।

মঙ্গলবার বিকালে মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত ‘মাটিরাঙ্গা গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে’র ফাইনলাল খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের মধ্যে ট্রফি ও প্রাইজমানি তুলে দেয়ার আগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে মাটিরাঙ্গা জোন অধিনায়ক লে. কর্ণেল কাজী মো. শামশের উদ্দিন পিএসসি-জি, মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিএম মশিউর রহমান এবং মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাটিরাঙ্গা পৌরসভার মেয়র মো. শামছুল হক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

খেলার মাঠে চাকমা, মারমা, বাঙ্গালী বা ত্রিপুরা নয় আমরা সবাই খেলোয়াড়। ফুটবলের মাধ্যমে বিভেদ নয়, ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। ফুটবলকে এগিয়ে নিতে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। সম্প্রদায়ে-সম্প্রদায়ে ভাগ না করলে জাতি হিসেবে, মানুষ হিসেবে আমরা আলোকিত হবো বলেও মন্তব্য করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ কামরুজ্জামান এনডিসি, পিএসসি-জি। এসময় তিনি খুব শীঘ্রই মাটিরাঙ্গায় জোন কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনেরও ইঙ্গিত দেন।

এসময় মাটিরাঙ্গা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোহাম্মদ আলী, মাটিরাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ মো. জাকির হোসেন, মাটিরাঙ্গা উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ মো. আশরাফ উদ্দিন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাজ কুমার শীল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সুভাস চাকমা, মাটিরাঙ্গা সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হিরনজয় ত্রিপুরা, বড়নাল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আলী আকবর, গোমতি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. ফারুক হোসেন লিটনসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

টুর্নামেন্টের উত্তেজনাপুর্ণ খেলায় বড়নাল ইউনিয়নকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে গোমতি ইউনিয়ন একাদশ। টুর্নামেন্টে এককভাবে ৪টি গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা নির্বাচিত হয়েছে চ্যাম্পিয়ন গোমতি ইউনিয়নের খোলোয়ার জনি। সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছে চ্যাম্পিয়ন গোমতি ইউনিয়ন’র ফরোয়ার্ড মো. আবদুস ছাত্তার।

মাটিরাঙ্গা মডেল হাই স্কুল মাঠে হাজার হাজার ফুটবল প্রেমী দর্শকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ ফাইনাল খেলায় প্রথমার্ধে কোন দলই গোলের মুখ দেখেনি। খেলার দ্বিতীয়ার্ধের দুই মিনিটের মাথায় প্রথম গোল করে গোমতি ইউনিয়ন একাদশের সাফায়েত। এর তিন মিনিটের মাথায় জনি দ্বিতীয় গোলটি করে দলের বিজয় নিশ্চিত করে। এরপরপরই মাঠে একক আধিপত্য গড়ে তোলে গোমতি ইউনিয়ন একাদশ। দ্বিতীয়ার্ধের ৪০ মিনিটে একের পর এক গোল বড়নালের জালে পাঠিয়ে গোল উৎসব করে গোমতি ইউনিয়ন একাদশ। উত্তেজনাপুর্ণ এ খেলায় ৬-০ গোলে বড়নাল ইউনিয়ন একাদশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে উপজেলার ফুটবলের চারনভূমি গোমতি ইউনিয়ন একাদশ।

প্রসঙ্গত, মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিএম মশিউর রহমান’র উদ্যোগে মাটিরাঙ্গার সাতটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার আটটি দলের অংশগ্রহণে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয় ‘মাটিরাঙ্গা গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’। খাগড়াছড়ির সংষদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এ টুর্নামেন্টের উদ্বাধন করেন।




মাটিরাঙ্গায় সাহাব উদ্দিন স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা :

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় শুরু হয়েছে সাহাব উদ্দিন স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। নতুন পাড়া ছাত্র সমাজের আয়োজনে সোমবার (১৫ জানুয়ারি) বিকাল সোয়া তিনটার দিকে নতুনপাড়া মাঠে এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিএম মশিউর রহমান।

মাটিরাঙ্গা পৌরসভার কাউন্সিলর মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মাটিরাঙ্গার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ আলী, মাটিরাঙ্গা পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. শহীদুল ইসলাম সোহাগ ও মাটিরাঙ্গা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান ভুইয়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

ক্রীড়া চর্চার মাধ্যমে সাহাব উদ্দিনের স্মৃতিকে মনে রাখার জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন কালে মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিএম মশিউর রহমান বলেন, ক্রীড়ামোদী মো. সাহাব উদ্দিন অসময়ে আমাদের ছেড়ে চলে গেছে। তার এ চলে যাওয়া মাটিরাঙ্গার ক্রীড়া ক্ষেত্রে অপুরনীয় ক্ষতি হয়েছে। সদা হাস্যোজ্জ্বল সাহাব উদ্দিন সবসময়ই আমাদের অন্তরে জেগে থাকবে।

মাটিরাঙ্গার নতুন পাড়া ছাত্র সমাজের আয়োজনে টুর্নামেন্টে ১০টি দল অংশগ্রহণ করেছে বলে আয়োজক সংগঠন সূত্রে জানা গেছে।




লংগদুতে প্রীতিফুটবল ম্যাচ

লংগদু প্রতিনিধি:

রাঙামাটির লংগদুতে নিরাপত্তাজোনের উদ্যোগে এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১১জানুয়ারি, বিকালে নিরাপত্তা জোনের মাইনীমুখ আর্মীক্যাম্প মাঠে আয়োজিত প্রীতি ফুটবল ম্যাচে মাইনীমুখ ইউনিয়ন একাদশ বনাম নিরাপত্তা জোন একাদশের মধ্যে অনুষ্ঠিত খেলায় জোন একাদশ   ৩-০ গোলে জয়লাভ করে। জোনের খেলোয়াড় সৈনিক মুকুল একাই দুইটি গোল করে দলকে জিতিয়ে দেন।

খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে পুরস্কার বিতরণ করেন, লংগদু জোনের জোন কমান্ডার লে. কর্নেল আ. আলীম চৌধুরী।

এসময় তিনি বলেন, খেলাধুলা একটি ভালো বিনোদন। তাই, এর চর্চা থাকা প্রয়োজন। তাছাড়া খেলাধুলার  এলাকায় পারস্পরিক সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি আরো বলেন, আমাদের সকলের মনে রাখতে হবে সৌহার্দপূর্ণ ও স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় না থাকলে এলাকায় উন্নয়নও হয়না।

অন্যান্যদের মধ্যে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জোনের ভারপ্রাপ্ত উপ-অধিনায়ক মেজর মো. আসিফুল ইসলাম, মেজর মো. সাকিব, মেজর মো. আবু সাঈদ হোসেন, লেপ্টেন্যান্ট মো. শাহরিয়ার।

প্রীতি ফুটবল ম্যাচ দেখতে জোনের মাঠে প্রচুর দর্শক সমাগম ঘটে।




আন্তঃ ব্যাটালিয়ন এ্যাথলেটিক প্রতিযোগিতায় নাইক্ষ্যংছড়ি ৩১ ব্যাটালিয়ন চ্যাম্পিয়ন

বাইশারী প্রতিনিধি:

এ্যাডহক রামু রিজিয়ন আন্তঃ ব্যাটালিয়ন এ্যাথলেটিক প্রতিযোগিতায় নাইক্ষ্যংছড়ি ৩১ বিজিবি ১১টি স্বর্ণ, ৫ রৌপ্য, ৭টি তাম্র পদক পেয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি ৩১ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন সদর হেড কোয়াটারের আয়োজনে ১৮টি ইভেন্টে ১২৮জন খেলোয়াড় নিয়ে এ্যাডহক রামু রিজিয়ন আন্তঃ ব্যাটালিয়ন এ্যাথলেটিক প্রতিযোগিতা শুরু হয়। গত ৭ জানুয়ারি থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত আন্তঃ ব্যাটালিয়ন এ্যাথলেটিক খেলা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

বুধবার (১০ জানুয়ারি) নাইক্ষ্যংছড়ি ৩১ বিজিবি সদর হেড কোয়াটারে মোট ৭টি ব্যাটালিয়ন খেলায় অংশ গ্রহন করে। এর মধ্যে ৩১ বিজিবি ১১টি স্বর্ণ, ৫টি রৌপ্য, ৭টি তাম্র পদক পেয়ে চ্যাম্পিয়ন হন এবং ৩৪ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন ৭টি স্বর্ণ, ৫টি রৌপ্য, ২টি তাম্র পদক পেয়ে রানার আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।

এছাড়াও ৪টি স্বর্ণ পদক পেয়ে শ্রেষ্ঠ নবীন খেলোয়ার হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন ৩১ বর্ডারগার্ড ব্যাটালিয়নের সিপাহী আসিফ রানা এবং শ্রেষ্ঠ প্রবীণ খেলোয়ার ৩৪ বর্ডারগার্ড ব্যাটালিয়নের অবৈতনিক ল্যান্স নায়েক মো. মনোয়ার হোসেন।

খেলা শেষে বিকেল ৫টায় ৩১ বিজিবি সদর দপ্তরে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরণ করেন এ্যাডহক রামু রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এএসএম আনিসুল হক এসজিপি, বিজিবিএম, পিএসসি।

এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে ব্যাটালিয়নের ৩১ বিজিবির অধিনায়ক আনোয়ারুল আজিম। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন পদস্থ সামরিক কর্মকর্তা এবং নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ।




পরাশক্তি ভারতের বিপক্ষে ফুটবলে জয়ের সাক্ষী খাগড়াছড়ির তিন পাহাড়ি কন্যার ভাগ্য পরিবর্তন

নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি:

ভারতের বিপক্ষে ফুটবলে জয়ের সাক্ষী খাগড়াছড়ির তিন পাহাড়ি কন্যা এবার দারিদ্র্যতাকে জয় করতে যাচ্ছে। সম্প্রতি দক্ষিণ এশিয়ার পরাশক্তি ভারতকে একই টুর্নামেন্টে হারিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ান হন সাফ অনুর্ধ্ব-১৫ বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। আর এ দলে তিন পাহাড়ি কন্যা অনুচিং, আনাই মগিনি ও মনিকা চাকমা।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী সরেজমিনে আনুচিং, আনাই মগিনিদের বাড়ি পরিদর্শন করে তাদের বাড়ি ও ব্রিজ নির্মাণ এবং তিন নারী ফুটবলারকে ৫০ হাজার টাকা করে এফ ডিয়ার করে দেওয়াসহ তাদের লেখাপড়ার যাবতীয় খরচ বহন করা ঘোষণা দিয়েছে। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের এমন ঘোষণায় নারী ফুটবলের তিন পাহাড়ি কন্যার পরিবারে বইছে আনন্দের জোয়ার।

সাফ অনুর্ধ্ব-১৫ মহিলা ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপে ফাইনাল খেলায় দক্ষিণ এশিয়ার পরাশক্তি ভারতের বিপক্ষে যে জয় পেয়েছিল সে জয়ের সাক্ষী খাগড়াছড়ির তিন পাহাড়ি কন্যা আনুচিং মগিন, আনাই মগিনী ও মনিকা চাকমা। প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায়ে ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টে খেলার মধ্যদিয়ে পেশাদার খেলোয়াড় হওয়ার স্বপ্ন বুনতে থাকেন তারা।

খাগড়াছড়ি জেলা সদরের সাতভাইয়া পাড়া সাথোঅং কার্বারী পাড়ার যমজ বোন অনুচিং মগিনী ও আনাই মগিনীদের গল্প। সাত ভাই বোনের মধ্যে সবার ছোট তারা। পরিবারের অভাব অনটন থাকায় ঠিক মতো তাদের দেখভাল করতে না পারার ভয়ে জন্মের পরপরই দত্তক দেয়ার পরিকল্পনা ছিল পিতা মাতার।

অপর দিকে খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার দুর্গম সুমন্তপাড়ার গ্রামের মেয়ে মনিকা চাকমা। খেলাধুলা দূরের কথা মৌলিক অধিকারের অনেক সুবিধাই নেই এই দুই গ্রামে। তবুও নিজের প্রবল ইচ্ছে শক্তি ও ক্রীড়া নিপুণতা দুর্গম গ্রাম থেকে তুলে এনেছে তাদেরকে।

কিন্তু বঙ্গবন্ধু বঙ্গমাতার বিভাগীয় পর্যায়ের খেলায় তিন জনের খেলার কৌশল নজরে আসে রাঙামাটির ক্রীড়া সংগঠক বীর সেন চাকমার। তার তত্বাবধানে আনুচিং, আনাই ও মনিকাকে প্রশিক্ষিত করে তোলা হয় দক্ষ খেলোয়াড় হিসেবে।

অবশেষে ভারতের বিপক্ষে শিরোপা ঘরে এনে দেশজুড়ে পাহাড়ি জনপদ খাগড়াছড়িকে আলোচনায় নিয়ে আসে এ তিন পাহাড়ি কন্যা। কিন্তু বাংলাদেশকে জয় এনে দিলেও নিজেদের দারিদ্র্যতাকে জয় করতে পারেনি তারা।

মঙ্গলবার(৯ জানুয়ারি) দুপুরে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী সরেজমিনে অনুচিং, আনাই মগিনিদের বাড়ি পরিদর্শনে যান। তিনি এ সময় বলেন, এ তিন কন্যা শুধু খাগড়াছড়ির নয়, তারা পুরো বাংলাদেশের গর্ব।

তিনি  বলেন, তারা অনেক প্রতিবন্ধকতার সাথে যুদ্ধ করে এ পর্যন্ত এসেছে। তারা সারা বিশ্বে বাংলাদেশকে চিনিয়েছে। তিনি তাদের বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়া ও যাতায়াতের সুবিধার্থে খাগড়াছড়ি ছড়া ব্রিজ নির্মাণ এবং তিন নারী ফুটবলারকে ৫০ হাজার টাকা করে এফ ডিয়ার করে দেওয়াসহ তাদের লেখাপড়ার যাবতীয় খরচ বহন করার ঘোষণা দিয়ে বলেন, তিনি এ পরিষদে না থাকলেও যাতে সুযোগ-সুবিধা অব্যাহত থাকে সে ব্যবস্থা করে যাবেন।

আনুচিং-আনাই মনিগীর বাবা রিপ্রুচাই মগ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী তার বাড়ি পরিদর্শন করায় ও একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতিতে পরিষদ চেয়ারম্যানের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অপর দিকে আনুচি মগিনী ও আনাই মগিনী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ভবিষ্যতে বাংলাদেশের নারী ফুটবল অঙ্গনকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

খাগড়াছড়ি জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য জুয়েল চাকমা এ ধরনের অনুপ্রেরণা পেলে বাংলাদেশের নারী ফুটবলার আরো এগিয়ে যাবে বলে মনে করেন।




যুব গেমসে সুযোগ পাওয়া পানছড়ির ফুটবলারদের সাথে ইউএনও’র মত বিনিময়

নিজস্ব প্রতিবেদক, পানছড়ি:

পানছড়ি উপজেলার হয়ে যুব গেমসে অংশ নিয়ে খাগড়াছড়ি জেলা দলে সুযোগ পাওয়া পানছড়ির ফুটবলারদের সাথে মত বিনিময় করলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবুল হাশেম।

রবিবার (৭ জানুয়ারি)বিকাল ৩টায় ইউএনও’র নিজ কার্যালয়ে এক চা চক্রে তিনি খেলোয়াড়দের উৎসাহ প্রদান করে বলেন বিভাগীয় পর্যায়ে সুযোগ পেলে পুরস্কৃত করা হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান কবির সাজু। পানছড়ির উদীয়মান ফুটবলার ছোটন, রফিক, রাশেদ ও ইমন’রা জানায়, ইউএনও স্যারের এই আয়োজনে আমরা দ্বিগুন উৎসাহিত হয়েছি। আশা করি আমরা বিভাগীয় পর্যায়েও ভালো কিছু করব। তারা সবাই পানছড়িবাসীর নিকট দোয়া কামনা করছে।

উল্লেখ্য আগামীকাল সোমবার(৮জানুয়ারি) খাগড়াছড়ি জেলা দলের সদস্য হিসেবে তারা চট্টগ্রামে বিভাগীয় পর্যায়ে বাচাই পর্বে অংশ নিবে। জেলার ৯টি উপজেলার সর্বমোট ১৪জন খেলোয়াড় জেলা দলে সুযোগ পেয়েছে।




লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম: বৃষ কেতু চাকমা

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা বলেছেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম। খেলাধুলার মাধ্যমে একদিকে শরীর ও মন যেমন দুটোই ভালো থাকে অন্যদিকে মাদক থেকেও দূরে থাকা যায়।

তিনি বলেন, একজন ভালো খেলোয়াড় দেশের সুনাম বয়ে আনতে পারে। তাই লেখাপড়ার পাশাপাশি বেশি বেশি খেলাধুলারও আয়োজন করতে হবে। যাতে পার্বত্য জেলায় ভালো খেলোয়াড় তৈরি হতে পারে।

রবিবার (৭জানুয়ারি) দুপুরে রাঙ্গামাটি জেলা ক্রীড়া অফিসের আয়োজনে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা সদর উপজেলার বিভিন্ন স্কুল ছাত্রদের অংশগ্রহণে মাসব্যাপী সাঁতার প্রশিক্ষণ-২০১৭ সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য ও ক্রীড়া বিভাগের আহ্বায়ক ত্রিদীপ কান্তি দাশ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা ক্রীড়া অফিসার স্বপন কুমার চাকমা ও মনোঘর আবাসিক বিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষক ও সাঁতার প্রশিক্ষক অরুন কান্তি চাকমা বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে চেয়ারম্যান আরো বলেন, তোমরা এখন কাঁদা মাটির মতো। কুমোররা যেভাবে কাঁদা-মাটি দিয়ে পুতুল, হাড়ি-পাতিল তৈরি করে থাকেন, তেমনি তোমরাও নিজেদের যেভাবে বানাতে চাও তেমনি হবে। নিজেদের মেধা ও সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত করে তোমাদের দেশের সুনাম অর্জনে কাজ করতে হবে। আগামীতে দেশ ও জাতির উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

পরে মাসব্যাপী ৩০জন সাঁতার প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে পুরস্কার ও সনদপত্র বিতরণ করেন অতিথিরা।




লংগদুতে শীতকালীন ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট’র ফাইনাল অনুষ্ঠিত

লংগদু প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটির লংগদুতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ মাইনীমুখ ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে শীতকালীন ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট’র ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার, সন্ধ্যায় লংগদু উপজেলার মাইনীমুখ ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে আয়োজিত টুর্নামেন্টে’র ফাইনাল খেলায় যৌথভাবে হোসেন-মুছা গ্রুপ বনাম তরিকুল-মো. হোসেন গ্রুপ অংশ নেয়। এতে তরিকুল-মো. হোসেন গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাইনীমুখ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল বারেক সরকারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে খেলোয়াড়দের হাতে পুরস্কার ও ট্রফি তুলে দেন লংগদু সেনা জোনের জোন কমান্ডার লে. কর্ণেল আ. আলীম চৌধুরী।

সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, শান্তি, সম্প্রীতির মূলমন্ত্র এটা আমাদের মনে রাখতে হবে। এ অঞ্চলের প্রত্যেক বর্ণের, ধর্মের লোকদের মিলে মিশে সম্প্রীতিতে বসবাস করতে হবে। তবেই, শান্তি চুক্তির সার্থকতা পাবে। হিংসা, বিদ্বেষ থাকলে কখনও শান্তি আসবে না।

তিনি আরো বলেন, এখন শীতের মৌসুম। এখন খেলাধুলার সময়। এখানকার অধিবাসীরা খেলাধুলা বেশি পছন্দ করে, এটা আমার খুব ভালো লাগে। আমার জোনের পক্ষ থেকে একটি ভলিবল টুর্নামেন্ট আয়োজনের ব্যবস্থা করা চিন্তাভাবনা করছি। এবং একে ইউনিয়ন পর্যায়ে যাতে ব্যবস্থা করা হয় সে ব্যাপারে আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করবো। যাতে এই অঞ্চল থেকে ভালোমানের খেলোয়াড় তৈরি হয়।

মাইনীমুখ ইউনিয়ন শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইমাম হোসেন ইমনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সদস্য মো. জানে আলম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সেনা জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর আসিফুল ইসলাম ছিদ্দিকী, ক্যাপ্টেন রুবেল আজাদ, লংগদু প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. এখলাস মিঞা খান, মাইনীমুখ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি কামাল পাশা, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম ঝান্টু, মাইনীমুখ ইউপি সদস্যা ফাতেমা জিন্না।

এছাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জিয়াউল জিয়া, সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান রাজুসহ বিভিন্ন নেতা-কর্মী এসময় উপস্থিত ছিলেন।

লংগদু জোনের পক্ষ থেকে টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী সকল খেলোয়াড়কে বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়।




পেকুয়ায় পর্দা উঠলো কেপিএলের দশম আসর

পেকুয়া প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের কাছারীমোড়া প্রিমিয়ার লিগের (কেপিএল) দশম আসরের উদ্বোধন করা হয়েছে।২৯ ডিসেম্বর শুক্রবার বিকেল তিনটায় টূর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কক্সবাজারের সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মোহাম্মদ মতিউল ইসলাম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ফেনী জেলা কারাগারের জেল সুপার মোহাম্মদ রফিকুল কাদের, পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহিরুল ইসলাম খান, কেপিএলের প্রধান উপদেষ্টা এস এম হানিফ, উপদেষ্টা প্রিয়তোষ কান্তি নাথ, জাহেরুল ইসলাম, এহেছানুল হক, ইলিয়াছ আজাদ, আলমনূর ও কেপিএল পরিচালনা কমিটির মহাসচিব তানজিমুল ইসলাম।

জাতীয় সংগীতের পর ফানুস উড়িয়ে টূর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়। এরপর উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয় পল্লীবন্ধু ক্রিকেট কিংস ও ড্রাগন ক্রিকেটস। টসে জিতে ব্যাট করতে নামে পল্লীবন্ধু ক্রিকেট কিংস। তাঁরা ছয় উইকেট হারিয়ে নির্ধারিত দশ ওভারে সংগ্রহ করে ১২৬ রান। এই বিশাল সংগ্রহ তাড়া করতে নেমে ড্রাগন ক্রিকেটস রান বিপর্যয়ে পড়ে। তাঁরা নয় উইকেট হারিয়ে ৮৩ রান নিতেই নির্ধারিত ওভার শেষ হয়ে যায়। এতে ৪৩ রানে বিশাল জয় পায় পল্লীবন্ধু ক্রিকেট কিংস। ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয় দুই উইকেটে ২৯ রান নেওয়া পল্লীবন্ধু ক্রিকেট কিংসের মো. সুমন। আজ শনিবার বিকেল তিনটায় একই মাঠে মুখোমুখি হবে ম্যাগপাই বয়েজ ও দ্যা বুলস।




ভারতকে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

পার্বত্যনিউজ ডেস্ক:

সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপে ভারতকে হারিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হলো বাংলাদেশ। আজ দুপুরে টুর্নামেন্টের ফাইনালে বাংলাদেশ ১-০ গোলে হারায় ভারতকে। ম্যাচের একমাত্র গোলটি করে বাংলাদেশকে শিরোপা এনে দিয়েছেন শামসুন্নাহার।

কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে আত্মবিশ্বাসে টগবগে হয়ে ফাইনাল খেলতে নামে বাংলাদেশ। কারণ গত বৃহস্পতিবারই গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ভারতকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিলো বাংলাদেশের কিশোরীরা। তাই শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের শুরু থেকেও ভারতের উপর চাপ সৃষ্টি করে খেলতে থাকে বাংলাদেশ।

তবে সময় গড়ানোর সাথে সাথে বাংলাদেশের সাথে সমানতালে লড়াই শুরু করে ভারত। কিন্তু এতে ভড়কে যায়নি বাংলাদেশ। কাঙ্খিত গোলের জন্য নিজেদের সেরাটা দেয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করছিলো স্বাগতিকরা।

 অবশেষে কাঙ্খিত গোলের দেখা পায় বাংলাদেশই। ৪১ মিনিটে আনুচিং মারমার শট গোলরক্ষকের হাত থেকে ফিরে এলে ফিরতি বল বাঁ-পায়ের শটে ভারতের জালে পাঠিয়ে বাংলাদেশকে প্রথম গোলের স্বাদ দেন শামসুন্নাহার। ফলে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ করে গোলাম রব্বানি ছোটনের দল।

১-০ গোলে এগিয়ে থেকেও দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়ানোর চেষ্টা করেছিলো বাংলাদেশ। ম্যাচে সমতা আনতে গোলের জন্য মরিয়া ছিলো ভারতও। কিন্তু রক্ষণদূর্গের দক্ষতার কারণে বাংলাদেশকে বড় কোন পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি ভারত।

তবে ম্যাচের ব্যবধান দ্বিগুন করার ভালো একটি সুযোগ পরবর্তীতে পেয়েছিলো বাংলাদেশ। ৬১ মিনিটে মগিনী-মার্জিয়ার সহায়তায় বল পেয়ে একক প্রচেষ্টায় ভারতের সীমানায় ঢুকে পড়েন তহুরা। এরপর গোলরক্ষককে কাটাতে পারলেও বলের গতি বেশি থাকায় তা তহুরার নিয়ন্ত্রের বাইরে চলে যায়। ফলে এবার গোল বঞ্চিত হয় বাংলাদেশ।

গোল বঞ্চিত হলে আক্রমণের ধারা অব্যাহত রেখেছিলো বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত আর কোন গোলের দেখা পয়নি স্বাগতিকরা। ফলে ১-০ গোলের ব্যবধানে ভারতকে হারিয়ে শিরোপা জিতে নেয় বাংলাদেশের কিশোরীরা।

চার দলের এবারের টুর্নামেন্টে গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচই জিতেছিলো বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্বে নেপালকে ৬-০, ভুটানকে ৩-০ এবং ভারতকে ৩-০ গোলে হারায় বাংলাদেশ। অন্যদিকে, ভুটানকে ৩-০ গোলে হারানোর পর নেপালকে ১০-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারায় ভারত। তবে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের কাছে হেরে যায় ভারত।

পুরো টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ প্রতিপক্ষের জালে ১৩ গোল দিয়েছে। কিন্তু একটি গোলও হজম করতে হয়নি তাদের। তাই দলগত সাফল্যগুলো বাংলাদেশের শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাই রাখলো।