জনগণ ঐক্যবদ্ধ হলে যে কোন অশুভ শক্তিকে পরাজিত করা সম্ভব

নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি:

খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ বলেছেন, জনগণ ঐক্যবদ্ধ হলে যে কোন অশুভ শক্তিকে পরাজিত করা সম্ভব। তিনি অভিযোগ করেন, পাহাড়ে কিছু অশুভ শক্তি আদর্শিকতার নামে সাধারণ মানুষকে ধোকা দিচ্ছে ও চাঁদাবাজি করছে। উৎসব-আনন্দে বাধা দিচ্ছে। এরা এলাকার উন্নয়নে বাধা দিচ্ছে।

তিনি বলেন, নিরাপত্তাবাহিনী এ অঞ্চলের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি শান্তি-সম্প্রীতি ও উন্নয়নে কাজ করছে। এ অঞ্চলে অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। সম্পদ সীমিত। তবে সম্মিলিত প্রচেষ্টা থাকলে সীমিত সম্পদ দিয়েও যে কোন অসম্ভবকেও সম্ভব করা যায়।

তিনি মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে খাগড়াছড়ি সদর জোনের ব্যবস্থাপনায় ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে কুমিল্লা টিলা আইডিয়াল হাই স্কুলের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

এ উপলক্ষে কুমিল্লা টিলা আইডিয়াল হাই স্কুলের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মো. রাশেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় খাগড়াছড়ি সদর জোন কমান্ডার লে. কর্নেল জিএম সোহাগ, জোন উপ-অধিনায়ক মেজর শুভ ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এমএম সালাহউদ্দিন, পৌরসভার মেয়র রফিকুল আলম, জেলা পরিষদ সদস্য মংসুইপ্রু চৌধুরী অপু, শিক্ষাবিদ প্রভাংশু ত্রিপুরা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সুধাকর ত্রিপুরাসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইফুদ্দিন আবু আনসারী।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম গতিশীল করতে জেলা পরিষদ থেকে তাৎক্ষনিক এক ল্যাপটপ প্রদান ও ভবিষ্যতে বিদ্যালয়ের ভবন সম্প্রসারণ প্রকল্প গ্রহণের ঘোষণা দেন জেলা পরিষদ সদস্য মংসুইপ্রু চৌধুরী অপু এবং ব্যবসায়ী বেলায়েত হোসেন একটি কম্পিউটার প্রদান করেন।




দুর্নীতির সাথে জড়িতদের ছাড় দেয়া হবে না

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি:

যারা দুর্নীতির সাথে জড়িত তাদের কাউকে কোন ভাবে ছাড় দেয়া হবে না। দুর্নীতির কারণে আমাদের সমাজে দিন দিন ধনী-গরীবের বৈষম্য বেড়েই চলছে। এই অমানবিকতা চলতে দেয়া যাবে না। এধরণের অসৎ ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি দিতে হবে।

সোমবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে নাগরিক সেবা ও সুবিধাদি প্রাপ্তির ক্ষেত্রে উদ্ভুত সমস্যাদি শ্রবণ ও নিষ্পত্তি স্বচ্ছতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাঙ্গামাটি জেলা শিল্পকলা একাডেমির সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে গণশুনানি অনুষ্ঠানে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার এএফএম আমিনুল ইসলাম প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান, পুলিশ সুপার সাঈদ তারিকুল হাসান, সিভিল সার্জন ডা. শহীদ তালুকদার, পৌর মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরীসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা এবং সাধারণ জনগণ।

কমিশনার এএফএম আমিনুল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে স্বপ্ন দেখে ছিলেন দুর্নীতিমুক্ত ও বৈষম্যহীন সোনার বাংলাদেশ গড়তে তা বাস্তবে রূপদান করতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সজাগ হয়ে সকলকে একযোগে এগিয়ে আসতে হবে এবং এটি একমাত্র সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে সম্ভব।

তিনি আরো বলেন, আমরা দুর্নীতি করবো না, দুর্নীতিকে প্রশ্রয়ও দিবো না। সকলকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে হবে এবং শপথ গ্রহণ করতে হবে। কোন অফিসে কেউ যেন দুর্নীতি করতে না পারে তাই প্রতিটি অফিসে অফিসে “আমার অফিস দুর্নীতিমুক্ত” এই শ্লোগানের একটি করে সাইন বোর্ড ব্যবহার করার নির্দেশ দেন তিনি।

গণশুনানীকালে স্বাস্থ্য বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ, সড়ক ও জনপথ, বিআরটিএ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, জেলা পরিষদ, বাজার ফান্ড ও শিক্ষা বিভাগের বিরুদ্ধে সাধারণ জনগণ কর্তৃক সরাসরি আনিত নানা অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অফিস প্রধানদের মুখোমুখি করে অভিযোগ আমলে নিয়ে সে সকল অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য নির্দেশ দেন দুদক কমিশনার।

গণশুনানি অনুষ্ঠানে জানানো হয়েছে, এ পর্যন্ত ৫৫০টি দুর্নীতি মামলা করা হয়েছে এবং ৭৮টি গণ শুনানী করেছে দুদক।




রামগড়ে অস্ত্র ও গুলিসহ ২ ইউপিডিএফ’র সন্ত্রাসী আটক

নিজস্ব প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির রামগড়ে নিরাপত্তাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে একটি বিদেশী একে-২২ রাইফেল ও বিভিন্ন আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলা বারুদসহ দুই ইউপিডিএফ’র সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়েছে। রবিবার(১৪ জানুয়ারি) গভীর রাতে এ অভিযান চালানো হয়।

নিরাপত্তাবাহিনী ও পুলিশ জানায়, রবিবার রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে রামগড় থানাধীন দুর্গম এলাকা প্রেমতলায় যৌথবাহিনী অভিযানে যায়। সিন্ধুকছড়ি নিরাপত্তা জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর তৌহিদ সালাহ উদ্দিনের নেতৃত্বে নিরাপত্তাবাহিনী ও রামগড় থানার পুলিশের একটি বিশেষ দল  ওই দুর্গম  পাহাড়ি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।

এসময় প্রেমতলা এলাকায় জনৈক উপজাতির একটি ঘরে তল্লাশী করতে গেলে দুজন সন্ত্রাসী পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। যৌথবাহিনী পিছু ধাওয়া করে তাদের দুজনকেই ধরে ফেলে। ধৃতরা হচ্ছে, সুজন চাকমা(২৮) ও আব্বাই মারমা(৩৩)।

পরে ওই ঘর তল্লাশী করে  ইউএসএসআর’র তৈরি একটি একে-২২ রাইফেল, একটি বড় এলজি, একটি ছোট এলজি, একে ২২ রাইফেলের ম্যাগজিন ১টি, একে-২২ রাইফেলের গুলি ১০ রাউন্ড, এলজি’র বুলেট ৪ রাউন্ড, রাম দা ১টি, টচ লাইট, মোবাইল ফোন সেট, চাঁদা আদায়ের রশীদ বই, ইউপিডিএফের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর লিফলেট ইত্যাদি উদ্ধার করা হয়।

অভিযানে অংশগ্রহণকারী রামগড় থানার এএসআই সিদ্দিক জানান, ভোর ৫টা পর্যন্ত এ অভিযান চলে। তনি বলেন, আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পরে এদের রামগড় থানায় হস্তান্তর করা হবে।

নিরাপত্তাবাহিনীর একটি সূত্র জানায়, আটককৃতরা ইউপিডিএফের সশস্ত্র গ্রুপের সদস্য। এদের নিয়ন্ত্রণে ওই এলাকায় চাঁদা আদায়সহ সকল অপতৎপরতা পরিচালিত হয়। তবে এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সংগঠনটির পক্ষ থেকে কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিরাপত্তাবাহিনীর একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান, আটককৃতরা ইউপিডিএফের সশস্ত্র গ্রুপের সদস্য। এদের নিয়ন্ত্রণে ওই এলাকায় চাঁদা আদায়সহ সকল অপতৎপরতা পরিচালিত হয়ে আসছে দীর্ঘ দিন। তারা ওই প্রেমতলায় নানান ভাবে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে মরিয়া হয়ে উঠে। এতে ওই এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হচ্ছিল। এজন্য প্রেমতলায় নিরাপত্তাবাহিনীর গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আমরা এ অভিযান পরিচালনা করি। অভিযানে আটককৃতরা ইউপিডিএফের সক্রিয় সদস্য। তাদের ধরার বিষয়ে নিরাপত্তাবাহিনী দীর্ঘ দিন কাজ করছে। এ অভিযান, আটক এবং উদ্ধার তারই সফলতা  বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিরাপত্তাবাহিনী দাবি করেন।




খাগড়াছড়ির তিন পৌরসভায় কর্মবিরতি

নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি:

রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা ও পেনশন সুবিধার দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে  খাগড়াছড়ির তিন পৌরসভায় দুই দিনের পূর্ণদিবস কর্মবিরতি শুরু হয়েছে।

সোমবার(১৫ জানুয়ারি) সকাল থেকে খাগড়াছড়ি পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে প্রথম দিনের কর্মবিরতি পালন করে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

দুই দিনের কর্মবিরতির প্রথমদিনে পৌরসভা দফতরে এসে ফিরে যেতে হয়েছে অনেক সেবাপ্রার্থীকে। এতে করে বাড়ছে ভোগান্তি। তবে দাবি আদায় না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুশিঁয়ারী দেন নেতারা।

খাগড়াছড়ি সদর, মাটিরাঙা ও রামগড় পৌরসভায় একযোগে কর্মবিরতি পালনের খবর পাওয়া গেছে।




রামগড়ে অস্ত্র ও গুলিসহ ২ উপজাতি সন্ত্রাসী আটক

রামগড় প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির রামগড়ে নিরাপত্তাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে একটি বিদেশী একে-২২ রাইফেল ও বিভিন্ন আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলা বারুদসহ দুইজন উপজাতীয় সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়েছে। রবিবার(১৪ জানুয়ারি) গভীর রাতে এ অভিযান চালানো হয়।

নিরাপত্তাবাহিনী ও পুলিশ জানায়, রবিবার রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে রামগড় থানাধীন দুর্গম এলাকা প্রেমতলায় যৌথবাহিনী অভিযানে যায়। সিন্ধুকছড়ি নিরাপত্তা জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর তৌহিদ সালাহ উদ্দিনের নেতৃত্বে নিরাপত্তাবাহিনী ও রামগড় থানার পুলিশের একটি বিশেষ দল  ওই দুর্গম  পাহাড়ি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।

এসময় প্রেমতলা এলাকায় জনৈক উপজাতির একটি ঘরে তল্লাশী করতে গেলে দুজন সন্ত্রাসী পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। যৌথবাহিনী পিছু ধাওয়া করে তাদের দুজনকেই ধরে ফেলে। ধৃতরা হচ্ছে, সুজন চাকমা(২৮) ও আব্বাই মারমা(৩৩)।

পরে ওই ঘর তল্লাশী করে  ইউএসএসআর’র তৈরি একটি একে-২২ রাইফেল, একটি বড় এলজি, একটি ছোট এলজি, একে ২২ রাইফেলের ম্যাগজিন ১টি, একে-২২ রাইফেলের গুলি ১০ রাউন্ড, এলজি’র বুলেট ৪ রাউন্ড, রাম দা ১টি, টচ লাইট, মোবাইল ফোন সেট, চাঁদা আদায়ের রশীদ বই, ইউপিডিএফের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর লিফলেট ইত্যাদি উদ্ধার করা হয়।

অভিযানে অংশগ্রহণকারী রামগড় থানার এএসআই সিদ্দিক জানান, ভোর ৫টা পর্যন্ত এ অভিযান চলে। তনি বলেন, আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পরে এদের রামগড় থানায় হস্তান্তর করা হবে।

নিরাপত্তাবাহিনীর একটি সূত্র জানায়, আটককৃতরা ইউপিডিএফের সশস্ত্র গ্রুপের সদস্য। এদের নিয়ন্ত্রণে ওই এলাকায় চাঁদা আদায়সহ সকল অপতৎপরতা পরিচালিত হয়। তবে এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সংগঠনটির পক্ষ থেকে কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আটককৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিজেদেরকে ইউপিডিএফ এর সাথে জড়িত বলে স্বীকারোক্তি দিয়েছ।




ইউপিডিএফ নেতা মিঠুন চাকমার স্মরণে খাগড়াছড়িতে স্মরণসভা ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলন

নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি:

সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত ইউনাইটেড পিপলস্ ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) কেন্দ্রীয় নেতা মিঠুন চাকমার স্বরণে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে খাগড়াছড়িতে স্বরণসভা ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলন হয়েছে।

রবিবার(১৪জানুয়ারি) বিকালে খাগড়াছড়ি শহরের স্বনির্ভর মাঠে ইউপিডিএফ’র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও খাগড়াছড়ি জেলা ইউনিটের প্রধান সংগঠক সচিব চাকমার সভাপতিত্বে ও জেলা সংগঠক মাইকেল চাকমার সঞ্চালনায় স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখেন, ইউপিডিএফ এর কেন্দ্রীয় সদস্য দেবদন্ত ত্রিপুরা, ইউপিডিএফ’র বান্দরবান জেলা সংগঠক ছোটন কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা, লক্ষ্মীছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান সুপার জ্যোতি চাকমা, মহালছড়ি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সোনারতন চাকমা, লক্ষীছড়ি সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রবীল কুমার চাকমা, পেরাছড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান তপন বিকাশ ত্রিপুরা, ভাইবোন ছড়া ইউপি চেয়ারম্যান পরিমল ত্রিপুরা ও নুনছড়ি মোজা হেডম্যান ক্ষেত্র মোহন রোয়াজা।

স্মরণসভার সভাপতি ইউপিডিএফ’র কেন্দ্রীয় নেতা সচিব চাকমা বলেন, তিনি মিঠুন চাকমার দাহক্রিয়া অনুষ্ঠানে আসার সময় লোকজনকে প্রশাসনের বিরুদ্ধে বাধা প্রদানের অভিযোগ করে সমালোচনা করেন এবং মিঠুন চাকমার চিহ্নিত হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানান।

তিনি হুঁশিয়ারী দিয়ে বলেন, মিঠুন চাকমার হত্যাকারীদের যদি গ্রেফতার ও শাস্তি দেওয়া না হয় তাহলে জনগণ হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না। মিঠুন চাকমার শোক গণবিক্ষোভে পরিণত হবে।

পরিমল ত্রিপুরা বলেন, মিঠুন চাকমাকে যারা খুন করেছে তারা জুম্ম মেধাকে হত্যা করেছে। তিনি শুধু জুম্মদের অধিকার নিয়ে কথা বলেননি, তিনি জাতিধর্ম নির্বিশেষে সকল নিপীড়িত-নির্যাতিত মানুষের অধিকারের কথা বলেছেন, লেখালেখি করেছেন।

সুপার জ্যোতি চাকমা মিঠুনকে স্মরণ করে বলেন, মিঠুন চাকমা আমার ব্যক্তিগত জীবনে খুব কাছের মানুষ ছিলেন। আমরা একসাথে লড়াই করেছি, মিছিলে শ্লোগানে গলা ফাটিয়েছি। তিনি মিঠুন চাকমার আদর্শ লালন করে তার শূণ্যটা পূরণের জন্য নতুন প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানান।

তপন বিকাশ ত্রিপুরা বলেন, মিঠুন চাকমা পার্বত্য চট্টগ্রামের জাতীয় মুক্তির স্বপ্ন মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ধারণ করেছিলেন। তিনি নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের মুক্তির স্বপ্ন দেখতেন। আমি মনে করি হত্যাকারীরা মিঠুন চাকমাকে হত্যা করতে সক্ষম হলেও তার আদর্শকে হত্যা করতে পারেনি। লক্ষ লক্ষ মিঠুনের জন্ম পার্বত্য চট্টগ্রামে হবে।

পরিমল ত্রিপুরা বলেন, মিঠুন চাকমাকে যারা খুন করেছে তারা জুম্ম মেধাকে হত্যা করেছে। তিনি শুধু জুম্মদের অধিকার নিয়ে কথা বলেননি, তিনি জাতিধর্ম নির্বিশেষে সকল নিপীড়িত-নির্যাতিত মানুষের অধিকারের কথা বলেছেন, লেখালেখি করেছেন।ইউপিডিএফের বান্দরবান জেলা নেতা ছোটন কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, কিছু কিছু মৃত্যু বেলে হাঁসের পালকের চেয়ে হালকা আর কিছু কিছু মৃত্যু থাই পাহাড়ের চেয়েও ভারী। শহীদ মিঠুন চাকমার মৃত্যুর হচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রামের হাজারো পাহাড়ের চেয়েও ভারী।স্মরণসভা শেষে সন্ধ্যায় মিঠুন চাকমার স্মরণে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত ৩ জানুয়ারি দুপুরে খাগড়াছড়ি শহরের স্লুইস গেইট এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে পাহাড়ি আঞ্চলিক সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট’র  (ইউপিডিএফ) কেন্দ্রীয় নেতা মিঠুন চাকমা নিহত হয়। ইউপিডিএফ এ হত্যাকাণ্ডের জন্য ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিককে দায়ী করে আসছে। তবে ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক এ হত্যাকাণ্ডে তাদের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করে বলেছেন, এটি প্রসীতের ইউপিডিএফ’র আভ্যন্তরীন কোন্দলের কারণে হয়েছে মিঠুন চাকমার হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে ৬ ও ৭ জানুয়ারি পর পর দু’দিন ইউপিডিএফ’র  সড়ক অবরোধ পালনকালে খাগড়াছড়িতে ব্যাপক গাড়ি  ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, পুলিশের সাথে সংঘর্ষ এবং আধা সামরিক বাহিনীর বিজিবির গাড়ি বহরে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।

উল্লেখ, প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ ১৯ বছর পর গেল বছরের ১৫-ই নভেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রভাবশালী পাহাড়ি আঞ্চলিক সংগঠন ইউপিডিএফ ভেঙ্গে ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক নামে আরো একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। বিভক্তির পর সংগঠনটির কোন নেতাকর্মী প্রথম হত্যাকাণ্ডের শিকার হলেন।




খাগড়াছড়িতে ন্যাশনাল হাউজহোল্ড ডাটাবেইজ প্রকল্পের শোভাযাত্রা

নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি:

ন্যাশনাল হাউজহোল্ড ডাটাবেইজ প্রকল্পের প্রচারাভিযানের অংশ হিসেবে রবিবার (১৪ জানুয়ারি) খাগড়াছড়িতে শোভাযাত্রা বের করা হয়। খাগড়াছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে বের হওয়া শোভাযাত্রাটি শহরের গুরুত্বপুর্ণ সড়ক পদক্ষিণ করে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে খানা তথ্য ভাণ্ডার শুমারী ও জরিপ কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জানানো হয় যে, অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে দারিদ্র বিমোচন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসুচি বাস্তবায়নে উপকারভোগী চিহ্নিত করতে এবং দ্বৈততা পরিহারে একটি তথ্য ভাণ্ডার গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মাধ্যমে রবিবার (১৪ জানুয়ারি) থেকে  আগামী ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত  তিন পার্বত্য জেলাসহ চট্টগ্রাম, ঢাকা বিভাগ এবং ময়মনসিংহ বিভাগের নেত্রকোনা জেলাসহ দেশের ২৫টি জেলায় খানা জরিপের মাধ্যমে এ তথ্য ভাণ্ডার গড়ে তোলা হবে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক  (রাজস্ব ) কাজী মোহাম্মদ চাহেল তস্তরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. গোফরান ফারুকী,  ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক ও জেলা স্থায়ী শুমারী কমিটির সদস্য সচিব এএইচএম ওহিদুজ্জামান বক্তব্য রাখেন। শুমারীর কার্যক্রম নিয়ে পাওয়ার পয়েন্টে উপস্থাপনা করেন পরিসংখ্যান বিভাগের রংপুর জেলার উপ-পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম।

সভায় জানানো হয়, খাগড়াছড়ি জেলাকে দুইটি সমন্বয় এলাকা ভাগ করে ৪৫টি জোন এলাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। মৌজা ভিত্তিক পাড়া এবং গ্রামগুলোর খানা নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় সংখ্যক তথ্য সংগ্রহকারী এবং সুপারভাইজার নিয়োগ করা হয়েছে। খানার তথ্য সংগ্রহকালে প্রতিটি খানার সদস্যদের জন্মনিবন্ধন সনদ বা জাতীয় পরিচয়পত্র দেখিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সহায়তা করার জন্য সভায় সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং গণমাধ্যম কর্মীদের সহযোগিতা কামনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং প্রেসক্লাবের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, পর্যায়ক্রমে সারাদেশে খানা জরিপের মাধ্যমে এ তথ্য ভাণ্ডার গড়ে তোলা হবে।




খাগড়াছড়িতে পুলিশের প্রশিক্ষণ শেষে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়িতে পুলিশের মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে কুচকাওয়াজ ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

খাগড়াছড়ি আর্মড পুলিশ ব্যাটেলিয়ন স্পেশাল ট্রেনিং সেন্টারের মাঠে রবিবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শপথ গ্রহণ করেন সদ্য প্রশিক্ষণ শেষ করা পুলিশের নবীন সৈনিকেরা।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. ইকবাল বাহার প্রধান অতিথি হয়ে কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও সালাম গ্রহণ করেন।

পুলিশ বাহিনীতে কর্মরত অবস্থায় নিজের উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করতে নবীন সদস্যদের আহ্বান জানান পুলিশ কমিশনার ইকবাল বাহার। পুলিশের গৌরবময় স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে রাজারবাগ পুলিশলাইন থেকে প্রথম পুলিশ প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। দেশ সেবায় নিয়জিত হয়ে পুলিশের ভাবমূর্তি আরো উজ্জ্বল করতে নবীন সৈনিকদের আহ্বান জানান তিনি।

বর্তমান সরকার পুলিশ বাহিনীকে শক্তিশালী করতে জনবল বৃদ্ধির লক্ষে বিভিন্ন সময় নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পুলিশে নতুন সদস্য নিয়োগ করছে। তার ধারাবাহিকতায় খাগড়াছড়ি আর্মড পুলিশ ব্যাটেলিয়ন স্পেশাল ট্রেনিং সেন্টার থেকে ৩৪৮জন রিক্রুট মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষ করে নতুন পুলিশ হিসেবে যোগদান করেছেন।

কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার আলী আহাম্মদ খান, সেনা সদর জোন কমান্ডার কর্ণেল জিএম সোহাগসহ ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




ছিঁড়ে গেছে পানছড়ি রাবার ড্যাম: ধান ও মাছ চাষে অশনি সংকেত

নিজস্ব প্রতিবেদক, পানছড়ি:

পানছড়ি উপজেলা সদর থেকে দক্ষিণ-পূর্ব বরাবর প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে হাতের ডানে পঞ্চাশ কি একশ গজ দূরে গেলেই নজরে আসে চোখ জুড়ানো ও মন মাতনো শান্তিপুর রাবার ড্যাম। ভারত সীমান্ত থেকে চেংগী নদীর শ্রোতধারা পানছড়ি হয়ে খাগড়াছড়ির বুক চিরে সাপের মতো এঁকে বেঁকে গিয়ে পতিত হয়েছে চট্টলার বিখ্যাত কর্ণফুলীতে। এই চেংগীর দু’পার্শ্বে বোরো’র মাঠে সবুজের প্রাণবন্ত ঢেউয়ের নাচন, বাঁশঝাড় ও সবুজ অরণ্যের মাঝে পাখির কল-কাকলি আর শিল্পীর নিপুন হাতের কারিগরি আঁচড়ে তৈরি হয়েছিল ড্যামটি।

এ ড্যামের প্রাণবন্ত দৃশ্য উপভোগ করতে দর্শনার্থীর উপচে পড়া ভীড় পানছড়িকে যেন সাজিয়ে রাখতো এক অপরূপ সাজে। কিন্তু ড্যামের রাবার ফেটে যাওয়ার ফলে এবার নেই দর্শনার্থী। তাছাড়া অযত্ন অবহেলায় ড্যামটি পড়ে আছে অবহেলিত অবস্থায়। যা ধান ও মাছ চাষে অশনি সংকেত। পানছড়ি শান্তিপুরস্থ রাবার ড্যাম এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, ড্যামের বেহাল দশার চিত্র।

রাবার ড্যাম পরিচালনা কমিটির সভাপতি উপায়ন চাকমা জানায়, রাবারের জয়েন্ট ছুটে গেছে তাই এবার পানি আটকানো যাচ্ছে না। এটা মেরামতের জন্য এক মাস আগে এলজিইডি অফিসে বলেছি তারা যোগাযোগ করে জানাবে বলেছে।

তিনি জানান, ড্যাম বাঁধ দেয়ার ফলে চেংগীর দু’পাশের প্রায় সাড়ে ছয়’শ হেক্টর জমিতে ধান চাষ হতো। কিন্তু এবার ড্যামের বাঁধ হচ্ছে না।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলাউদ্দিন শেখ জানায়, বোরোর চাষ হয়েছে। তবে খরা দিলে প্রচুর পানির প্রয়োজন পড়বে। কারণ বোরো চাষ হয় সেচ দিয়েই। পরিমানমত পানি না পেলে কৃষকেরা ভালো ফলন পাবে না। এলজিইডি’র সাথে কথা বলে ড্যাম মেরামতের চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রিয় কান্তি চাকমা জানায়, ড্যামে বাঁধ দেয়ার ফলে উপজেলায় মাছের উৎপাদন ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছিল। কিন্তু এবার চেংগীতে পানি নেই তাই নানান জাতের মাছের উৎপাদন অনেকাংশে কমে যাবে।

এ ব্যাপারে পানছড়ি উপজেলা প্রকৌশলী অরুণ কুমার দাস বলেন, রাবার ড্যাম সমবায় সমিতির মাধ্যমে সেচ কর আদায় করার কথা ছিল। সেচ করের টাকা দিয়েই ড্যামের মেরামত করার কথা। সেচ কর আদায় না করার ফলেই মেরামতে সময় লাগছে। এ ব্যাপারে উচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগ করা হয়েছে। টেকনিক্যাল বিভাগের লোক এসেও সার্ভে করে গেছে। বর্তমানে বরাদ্দ নেই। বরাদ্দ এলেই তা মেরামত করা হবে।

জানা যায়, ২০১২-১৩ অর্থ বছরে এ ড্যামটির টেন্ডার হলেও তা নির্মিত হয় ২০১৩-১৪ অর্থবছরে।  প্রায় সাড়ে দশ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই ড্যামটির টেকশই নিশ্চয়তা (গ্যারান্টি) ছিল ২৫ বছরের। কিন্তু ৪ বছর শেষ হতে না হতে বেহাল দশার কারণ হিসেবে অবহেলাকেই দায়ী করা হয়েছে। ড্যামটির যত্ন নেয়ার দায়িত্ব ছিল ড্যাম পরিচালনা কমিটির। কিন্তু  বর্তমানে এ ছেঁড়াফাটা ড্যামটি পূনঃ মেরামত করা হলেও তার স্থায়িত্বকাল কতদিন হবে তা এখন দেখার অপেক্ষায়।




গুইমারায় ৩০ পিস ইয়াবাসহ একজন আটক

গুইমারা প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির গুইমারায় ৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মাদক বিক্রেতাকে আটক করেছে গুইমারা থানা পুলিশ।

শুক্রবার (১২জানুয়ারি) সকালে গুইমারা বাজার সংলগ্ন ব্রিজের উপর থেকে ৩০ পিস ইয়াবাসহ মংশেপ্রু মারমা নামে উপজাতীয় যুবককে আটক তরা হয়।

আটকৃত ব্যক্তি গুইমারা থানার প্রজাটিলাস্থ মং মারমার ছেলে মংশেপ্রু মারমা (৩৫)। ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে অন্যত্র পাচারের উদ্দেশ্যে ব্রিজের উপর দিয়ে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করলে গুইমারা থানার এএসআই শাহাজালাল গোপন সূত্রের মাধ্যমে তাকে ৩০ পিস ইয়াবাসহ আটক করে বলে পুলিশ সূত্রে জানাযায়।

এবিষয় নিয়ে গুইমারা থানার এএসআই শাহাজালালের নিকট জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আটককৃতের বিষয়ে আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ১৯৯০ এর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯(১) এর টেবিল ৯ এর ধারায় গুইমারা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং- ৩।

এবিষয়ে গুইমারা থানার অফিসার ইনচার্জ সাহাদাত হোসেন টিটু বলেন, আটককৃতের বিষয়ে আমরা দীর্ঘদিন ধরে নজর রাখছি। তাই গোপন সূত্রে জানার পর পুলিশ সদস্যরা হাতে নাতে তাকে আটক করে।