মাটিরাঙ্গার তাইন্দং উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন

25.02.2017_Matiranga SMC Elec. NEWS Pic

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা:

উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলাধীন সীমান্তঘেষা ইন্দং উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য পদে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে টানা ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হয় বলেও জানিয়েছেন প্রিজাইডিং অফিসার ও মাটিরাঙ্গা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মীর মো. মোহতাসিম বিল্লাহ। একই সময়ে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনও সম্পন্ন হয় বলেও জানান তিনি।

নির্বাচনকে ঘিরে সকাল থেকে প্রার্থী আর ভোটারদের পদচারনায় মুখর হয়ে উঠে তাইন্দং উচ্চ বিদ্যালয় এলাকা। এসময় সেখানে মৃদু উত্তেজনাও দেখা যায়। নির্বাচনকে ঘিরে যেকোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন ছিল।

দুইটি প্যানেলে বিভক্ত এ নির্বাচনে অভিভাবক সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন তাইন্দং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন কবীর সমর্থিত প্যানেলের মো. সুরুজ মিয়া (৪৬১ ভোট), মো. অহিদ মিয়া মেম্বার (৪৩০ ভোট), মো. নজরুল ইসলাম (৪০৫ ভোট) ও বিক্রম ত্রিপুরা (৩৫১ ভোট) নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে একই প্যানেলের নাসরিন আক্তার রীনা (৩৩৫ ভোট) নির্বাচিত হয়েছেন।

টানা ভোট গ্রহণ শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ফলাফল ঘোষণা করেন তাইন্দং উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনের প্রিজাইডিং অফিসার ও মাটিরাঙ্গা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মীর মো. মোহতাসিম বিল্লাহ। এসময় তাইন্দং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন কবীর, তাইন্দং উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রেজাউল করিম সরকার ও মাটিরাঙ্গা উপজেলা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল হোসেন অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।




চট্টগ্রাম পুলিশ লাইন্সকে ২ উইকেটে হারিয়ে কক্সবাজার স্কুল জয়ী

Khagrachari pic-25-02-2017 copy

নিজস্ব প্রতিবেদক,খাগড়াছড়ি:

শনিবার খাগড়াছড়ি স্টেডিয়ামে প্রাইম ব্যাংক ইয়ং টাইগার জাতীয় স্কুল ক্রিকেট প্রতিযোগিতার ২য় রাউন্ডের খেলায় চট্টগ্রাম পুলিশ লাইন্স স্কুলকে ২ উইকেটে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছে কক্সবাজার স্কুল। ম্যান অফ দা ম্যাচ হয় কক্সবাজারের আবু বকর।

খেলা শেষে ম্যান অফ দা ম্যাচ আবু বকরের হাতে ট্রফি তুলে দেন খাগড়াছড়ি জেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম-সম্পাদক আজহার হীরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য বৈরী মিত্র চাকমা, মুজাহিদ চৌধুরী বাবু, মমিনুল হকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

দিনের শুরুতে টসে জিতে ব্যাটিং এর সিদ্ধান্ত নেয় চট্টগ্রাম। কক্সবাজার স্কুলের বোলিং তোপের মুখে প্রথম ১৬ ওভারেই ৩ উইকেট হারায় চট্টগ্রাম পুলিশ লাইন্স স্কুল। পরবর্তীতে চট্টগ্রামের শাহাদাৎ হোসেন দীপুর ব্যাটিং দৃঢ়তায় ৪৫.৪ ওভারে ১৬৩ রান সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম। দলের পক্ষে ৬৬ বলে সর্বোচ্চ ৬০ রান করে এবং বোলিং-এ  দুটি উইকেট পায় শাহাদাৎ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে চট্টগ্রামের নিয়ন্ত্রিত বোলিং এ মাত্র ৪২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপের মুখে পরে কক্সবাজার স্কুল।

পরে কক্সবাজারের অধিনায়ক আবু বকরের অপরাজিত ৬৯ রানের লম্বা ইনিংসে জয়ের দেখা পায় কক্সবাজার। কক্সবাজার ৪৮.২ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৬৪ রান সংগ্রহ করে ২ উইকেটে জয় পায়।

কক্সবাজারের অধিনায়ক আবু বকর ১১১ বলে ৬৯ রান এবং বল হাতে ৪ উইকেট পেয়ে ম্যান অফ দা ম্যাচ হয়। খেলা পরিচালনা করেন খাগড়াছড়ির জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাহী সদস্য ও অ্যাম্পায়ার সুমন মল্লিক এবং রাজিব চাকমা মনি। ২৮ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার খাগড়াছড়ি স্টেডিয়ামে সেমি ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে।




মাটিরাঙ্গার পিতা-কন্যার খাগড়াছড়ি জয়

25.02.2017_Khagrachari Edu News Pic

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা:

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৭ উপলক্ষে খাগড়াছড়িতে জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ স্কাউট শিক্ষক ও তাৎক্ষনিক অভিনয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে পিতা-কন্যা। পাহাড়ি জেলা খাগড়াছড়ি জয় করা মেধাবী পিতা-কন্যা হলেন, মাটিরাঙ্গার শান্তিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম ও একই বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী ফারজানা ইসলাম রুবি।

জেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী উপজেলার প্রতিযোগিদের পেছনে ফেলে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করার মধ্য দিয়ে বিভাগীয় পর্যায়ে কোয়ালিফাই করলো পিতা-কন্যা। আগামী ৩ মার্চ বিভাগীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় পিতা-কন্যা দুজনই শ্রেষ্ঠ স্কাউট শিক্ষক ও তাৎক্ষনিক অভিনয়ে বিভাগীয় পর্যায়ে খাগড়াছড়ির প্রতিনিধিত্ব করবেন।

মো. রফিকুল ইসলাম শান্তিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের স্কাউট শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে স্কাউট আন্দোলনের সাথে জড়িত আছেন। এছাড়াও একজন বিতার্কিক হিসেবে জেলাজুড়ে তার সুখ্যাতি রয়েছে। পাশাপাশি তিনি ব্রাকের ইংরেজি প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একাধারে তিনি মাটিরাঙ্গা ডিবেটিং ক্লাবের সহ-সভাপতি।

অপরদিকে শান্তিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী ফারজানা ইসলাম রুবি স্কুল বিতর্কের প্রিয়মুখ হিসেবে সব মহলে পরিচিত। একজন বিতার্কিক হিসেবে জেলাজুড়েই রয়েছে তার সুখ্যাতি। বিতর্কের পর এবার তাৎক্ষনিক অভিনয়েও নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমান করলো ফারজানা ইসলাম রুবি।

অন্যদিকে মো. রফিকুল ইসলামের কনিষ্ঠ কন্যা ফারহানা ইসলাম রুপা ২০১৭ সালের আন্ত. প্রাথমিক বিদ্যালয় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় নৃত্যে প্রথমস্থান অর্জন করে।




 প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা

Capture copy

গুইমারা প্রতিনিধি:

ফুলের মতো ফুটবো মোরা, আলোর ন্যায় ছুটবো। জ্ঞানের আলো সাথে নিয়ে, দেশটাকে গড়বো। এ শ্লোগানে খাগড়াছড়ির গুইমারা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে মাদ্রাসার হলরুমে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু বকর ছিদ্দিক’র সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনটির উপদেষ্টা মণ্ডলির সভাপতি ও গুইমারা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা জয়নুল আবদিন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, গুইমার ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা পিটিআই কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব কাজী মফিজুল ইসলাম, আনম রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, প্রাক্তন ছাত্র পরিষদ সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে অসহায় গরীর ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। যার ফলে শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল অর্জনে আরও উৎসাহ পাবে।

এসময় বক্তারা প্রাক্তন ছাত্র পরিষদকে ছাত্রকল্যাণ ও জনকল্যাণ মূলক কার্যক্রম আরও ব্যাপকভাবে চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। পরে উপস্থিত কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিরা।




গুইমারার নির্বাচনকে ‘উন্নয়ন ও অগ্রগতির’ নির্বাচন হিসেবেই দেখছেন রেদাক-চাথোয়াই

25.02.2017_Guimara Election NEWS-Redak Pic

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা:

পার্বত্য খাগড়াছড়ির নবম উপজেলা হিসেবে গেল বছরের ২ জুন প্রশাসনিক পূনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১০৯তম সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গুইমারাকে উপজেলা অনুমোদনের পর একই বছরের ৩০ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয় গুইমারা উপজেলা পরিষদের। প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরুর তিন মাসের মাথায় আগামী ৬মার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে গুইমারা উপজেলা পরিষদের প্রথম নির্বাচন। গুইমারা উপজেলার ইতিহাসে প্রথম নির্বাচন হওয়ায় এ নির্বাচনকে ঘিরে প্রার্থী ভোটার সব মহলেই উচ্ছাস দেখা যাচ্ছে। উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ সাধারণ ভোটারদের মাঝে।

নবসৃষ্ট গুইমারা উপজেলা পরিষদের প্রথম নির্বাচনে নতুন স্বপ্নের পথে অনেকেই ইতিহাস গড়ার জন্য ছুটে চলেছেন। কেউ উপজেলার প্রথম ভোটার হিসেবে আবার কেউ নির্বাচনে জয়লাভের মাধ্যমে প্রথম লাইনে নিজের নাম লেখাতে চায়। স্বপ্নের পথে চলা এ নির্বাচনকে গুইমারার উন্নয়ন ও অগ্রগতির নির্বাচন হিসেবেই দেখছেন নির্বাচিত জনপ্রতিধিসহ সচেতন ভোটার মহল। তাদের মতে এ নির্বাচনের ফলাফলের উপরই নির্ভর করছে গুইমারা উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন। সাধারণ ভোটাররা ভুল করলে উন্নয়ণ বঞ্চিত হবে গুইমারা উপজেলা।

গুইমারা উপজেলার দুর্গম সিন্ধুকছড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রেদাক মারমা এ নির্বাচনকে উন্নয়ন ও অগ্রগতির নির্বাচন হিসেবেই দেখছেন। তার মতে এ নির্বাচনের ফলাফলের মাধ্যমেই গুইমারার ভবিষ্যত ভীত রচিত হবে। চেয়ারম্যান পদে তিন প্রার্থীকে সমান যোগ্য মন্তব্য করে গেল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইউপিডিএফের সমর্থন নিয়ে জয় পাওয়া সিন্ধুকছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেদাক মারমা মনে করেন, গুইমারার সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থেই সরকারী দল আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীকে ‘নৌকা’ প্রতীকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করতে হবে। সরকার বিরোধী প্রার্থী বিজয়ী হলে গুইমারার কাঙ্খিত উন্নয়ন হবেনা বলেও মনে করেন তরুন এ জনপ্রতিনিধি।

হাফছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান চাথোয়াই চৌধুরীর মতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মেমং মারমা জনগণের পরীক্ষিত বন্ধু। গুইমারা উপজেলা প্রতিষ্ঠায় তরুন মেমং মারমার ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি আগামী নির্বাচনে তাকে নির্বাচিত করার মাধ্যমে গুইমারা সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। তার মতে গুইমারা উপজেলা নির্বাচনে ‘নৌকা’ পরাজিত হলে পক্ষান্তরে ‘গুইমারা’ হারবে।

স্থানীয় সাংবাদিক মো. আবদুল আলী নির্বিঘ্নে প্রচার-প্রচারণা আর শান্তিপুর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে বলেন, একটি বিশেষ মহল থেকে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে। সে চেষ্টা সফল হলে উন্নয়ন বঞ্চিত হবে গুইমারা। থেমে যাবে সুচিত উন্নয়নের গতিধারা।

গুইমারা উপজেলার প্রথম নির্বাচনে সব বাঁধা উপেক্ষা করে জনগণ তাদের পছন্দের যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার মাধ্যমে গুইমারা উপজেলা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দান করবে এমনটাই মনে করছেন গুইমারার সচেতন ভোটার মহল।




মানিকছড়িতে পাষণ্ড গর্ভধারণী কর্তৃক শিশুকে জবাই করে হত্যা

ততততততত

মানিকছড়ি প্রতিনিধি:
মানিকছড়ি উপজেলার এয়াতলংপাড়া গ্রামের আবদুর রহিম এর স্ত্রী রওশন আরা বেগম কর্তৃক গর্ভধারণী সন্তান মাঈন উদ্দীনকে (১০) জবাই করে হত্যা করা হয়েছে! পুলিশ ঘাতক রওশনয়ারাকে আটক করেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার এয়াতলংপাড়ার আবদুর রহিম এর নির্জন বাড়ীতে শনিবার সকাল ১০টার দিকে গৃহকর্তী রওশনয়ারা বেগম(৩০) ঘরের সামনে উঠানে একমাত্র পুত্র মো. মাঈন উদ্দীনকে(১০) ধারালো ‘দা’ দিয়ে জবাই করে হত্যা নিশ্চিত করে। এ নিহতের গলা শরীর থেকে শরীর সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে যায়।

ছেলেকে হত্যার পর ঘাতক ‘মা’ পাশের বাড়ীতে ছেলেকে জবাই করে হত্যার কথা জানায়। ইতোমধ্যে স্বামী বাজার থেকে বাড়ীতে গিয়ে ঘরের সামনে ছেলের লাশ দেখতে পেয়ে চিৎকার প্রতিবেশিদের শরণাপন্ন হলে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হয়।

খবর পেয়ে মানিকছড়ি থানার এস.আই মো. হেলাল সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গেলে ঘাতক মহিলা রওশনয়ারা বেগম অপকটে হত্যার কথা স্বীকার করে পুলিশকে জানায়, তার প্রথম স্বামী মহরম আলী তাকে তালাক দিলে ১বছর বয়সী মাঈন উদ্দীনকে (নিহত) নিয়ে বর্তমান স্বামী আবদুর রহিমের নিকট বিয়ে হয়।

ফলে ঘাতক মা রওশনয়ারার ধারণা হয় তার মৃত্যুর পর বর্তমান স্বামী ছেলেটিকে হয়তোবা ভালোভাবে
দেখাশুনা করবে না। এ আশংকা থেকেই শনিবার সকালে স্বামীর অবর্তমানে ছেলেকে জবাই করে হত্যা
নিশ্চিত করেন।

পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে এবং ঘাতক মহিলাকে আটক থানায় নিয়ে আসে। প্রতিবেশিরা জানায়, ঘাতক রওশনয়ারা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। প্রায়ই সে অসংলগ্ন আচরণ করত।

এস.আই মো. হেলাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, একজন মা ছেলেকে নির্মমভাবে হত্যা করতে
পারে সেটি ভাবা সত্যিই কঠিন। তবে মহিলা কিছুটা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী বলে ধারণা করা যাচ্ছে। তার স্বীকারোক্তি এবং প্রাথমিক তদন্তের আলোকে হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।




গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে শংকা ও পাল্টা-পাল্টি অভিযোগ

Khagrachari Pic 02
গুইমারা থেকে ফিরে এইচ এম প্রফুল্ল/ মো: শাহজাহান:

নানা শঙ্কা ও পাল্টা-পাল্টি অভিযোগের মধ্য দিয়ে আগামী ৬ মার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে খাগড়াছড়ির নবগঠিত গুইমারা উপজেলা পরিষদের প্রথম নির্বাচন। ফলে নির্বাচনী প্রচারণার মাঠ সরগরম হওয়ার পাশাপাশি বাড়ছে উত্তেজনাও। তা সত্বেও নির্বাচনে বিজয়ের স্বাদ পেতে সব প্রার্থীই মরিয়া।

ভোটারদের মন জয় করতে প্রার্থীরা ছুটছেন প্রতিটি ভোটারের দ্বারে দ্বারে। চাচ্ছে ভোট আর দোয়া।শহর থেকে গ্রামাঞ্চল প্রার্থীদের পোষ্টারে ছেয়ে গেছে। গণসংযোগ, শ্লোগান আর মাইকিং-এ মুখরিত শহরতলী থেকে গ্রামাঞ্চল। নির্বচনে বিএনপি ও আওয়ামীলীগের প্রার্থীদের পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীর ব্যানারে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আঞ্চলিকর রাজনৈতিক ইউপিডিএফ প্রার্থী।

অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন হলে বিএনপির জয়ে আশাবাদী হলেও আওয়ামীলীগ ও আঞ্চলিক দল ইউপিডিএফ সমর্থিত প্রার্থীরা পাল্টা-পাল্টি অভিযোগ নিয়ে মাঠ গরম করছেন। পক্ষান্তরে ভোটাররা চান নতুন কমিশনের অধীনে একটি অবাধ,সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগের নিশ্চিয়তা।

নবগঠিত গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে সরকারী দল আওয়ামী লীগ প্রার্থী মেমং মারমা ও দেশের অন্যতম রাজনৈতিক দল বিএনপির প্রার্থী মো: ইউসুফের পাশাপাশি সমানতালে মাঠ চষে বেড়াচ্ছে পাহাড়ের আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট-(ইউপিডিএফ) সমর্থিত প্রার্থী উশেপ্রু মারমা।

এছাড়া বিএনপি মনোনীত ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী পূর্ন কান্তি ত্রিপুরা ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী হলাউচিং মারমা, আওয়ামীলীগের ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মো: নুরুন্নবী .মহিল ভাইস চেযারম্যান ঝর্ণা ত্রিপুরা,ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মিল্টন চাকমা ও থোয়াইঅংগ্য চৌধুরী ।

Khagrachari Pic 01

গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে দুই বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি ও আওয়ামীলীগ তাদের মর্যাদার লড়াই হিসেবে বিবেচনা করছে। এই কারণে উভয় দলের নেতারা কোমর বেধে মাঠে নেমেছে। প্রার্থীদের নিয়ে ঘুরছে ভোটারদের ঘরে ঘরে। দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি।

বসে নেই ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট-(ইউপিডিএফ) সমর্থিত প্রার্থী উশেপ্রু মারমাও। তবে সব প্রার্থীই নিজেদের বিজয়ে আশাবাদী হলেও ভোটাররা বলছে তারা সৎ ও যোগ্য প্রার্থী বাছাই করে নিতে নতুন নির্বাচন কমিশনের একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নির্বাচন অনুষ্ঠান প্রত্যাশা করছেন।

গুইমারার বড়পিলাক এলাকার গৃহিনী রুমি আক্তার নতুন নির্বাচন কমিশনের কাছে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন প্রত্যাশা করে বলেন, আমার ভোটটা যাতে আমি দিয়ে যোগ্য প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে পারি এর জন্যে ভোট কেন্দ্রে যাবো।

দার্জিলিং টিলার বাসিন্দা উজ্জল কান্তি পাল বলেন, যাকে সুখে-দু:খে পাশে পাবো এমন সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে ভোটটি দেবো।

গুইমারা উপজেলা পরিষদের প্রথম নির্বাচনে দুই প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলের মেমং মারমা ও মো. ইউসুফ –এর মধ্যে রাজনৈতিক মতাদর্শে ভিন্নতা থাকলেও রাজনীতির মাঠে তারা দুজনই ক্লিন ইমেজের অধিকারী। ভোটার মহলের কাছে রয়েছে দুজনেরই পরিচিতি। দলে দুজনেরই গ্রহণযোগ্য সমানে সমান। জনসম্পৃত্ততা আর ক্লিন ইমেজকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে তৎপর দুই প্রার্থী।

বিএনপির প্রার্থী মো: ইউসুফ বলেন, গণসংযোগকালে ভোটারদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিজয়ে তিনি শতভাগ আশাবাদী। তবে আওয়ামীলীগ ও ইউপিডিএফ সমর্থিত প্রার্থীর পরস্পর বিরোধী অভিযোগে নির্বাচনী মাঠ গরম হয়ে উঠছে।

ইউপিডিএফ সমর্থিত প্রার্থী উশেপ্রু মারমা নিজেকে জনগণের ও স্বতন্ত্র প্রার্থী দাবী করে বলেন, বিগত ইউপি নির্বাচনে সরকার দলীয় প্রার্থীরা ব্যাপক সংখ্যক বহিরাগত এনে ভোট কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করেছিল। কিন্তু জনগণ প্রতিহত করেছে।

এবার সরকার দলীয় প্রার্থীর পক্ষে বহিরাগতরা আসতে পারে এমন শংকা প্রকাশ করে বলেন, তাহলে জনগণ প্রতিহত করবে। অন্য দলের প্রার্থীদের প্রচারণায় বাধা ও পোষ্টার ছিড়ে ফেলার অভিযোগ প্রত্যাখান করে উশেপ্রু মারমা বলেন, তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে।

22.02.2017_Guimara Election NEWS-UPDF

আওয়ামীলীগ প্রার্থী মেমং মারমা বলেন, গত ইউপি নির্বাচনে জনগণ আমাকে বিপুল ভোটে ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছেন। এবার তিনি ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন। তিনি কিছু এলাকায় একটি আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে তার কর্মীদের গণসংযোগে বাধা ও পোষ্টার ছিড়ে ফেলার অভিযোগ করে বলেন, এভাবে চলতে থাকলে জনগণ প্রতিহত করবে। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গুইমারাকে উপজেলা ঘোষনা করেছেন, কাজে সকল উপজেলা উপেক্ষা জনগণ আওয়ামীলীগের প্রার্থীকে ভোট দেবে।

গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে রির্টানিং অফিসার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এটি এম কাউছার হোসেন বলেন, আঞ্চলিক দলের প্রভাবে কিছু কিছু এলাকায় অন্য প্রার্থীর গণসংযোগ ও প্রচারণায় বিঘ্ন ঘটছে। বিষয়টি নজড়ে আসার পর সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নিদ্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যাতে সেখানে টহল জোড়দারা করা হয়। পাশাপাশি যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে তার জন্য সহকারী রির্টানিং অফিসারের নেতৃত্বে একটি আইন-শৃঙ্খলা সেল গঠন করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, নবগঠিত ইসির নিদ্দেশনা অনুযায়ি নির্বাচনকে অবাধ,গ্রহণযোগ্য ও প্রভাবমুক্ত করতে প্রশাসনও ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। ইতিমধ্যে র‌্যাব ও বিজিবি মোতায়েনের জন্য পত্র দেওয়া হয়েছে। কোন ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দল কোন ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে না পারে তার জন্য প্রত্যেক এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে। নির্বাচন পূর্ব ও পরবর্তি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হবে। কেউ যদি আচারণ বিধি লংঘন করে তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ৬জুন অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক পূনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১০৯ তম সভায় নতুন উপজেলা হিসেবে গুইমারা অনুমোদন দেয়া হয়।

গুইমারা উপজেলার আয়তন ১শ ১৫ বর্গ কিলোমিটার। ভোটার সংখ্যা ভোটার সংখ্যা ২৭৩৮১ জন।
খাগড়াছড়িতে জাতীয় রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠনগুলো নানা ভাবে আলোচিত। গুইমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও কাজ করে নানামুখী সমীকরণ। তাই নির্বাচনে কোন দলের রাজনৈতিক সমর্থিত প্রার্থীরা নির্বাচিত হবেন,তা অপেক্ষা করতে হবে শেষ দিন পর্যন্ত।




পানছড়ি প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন

s Pic copy

নিজস্ব প্রতিবেদক,পানছড়ি:

খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন উপলক্ষে প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে শুক্রবার বিকাল ৪টায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বাবু জয়নাথ দেবের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রেসক্লাবের নতুন গঠনসহ নানাবিধ আলোচনা করা হয়।

আলোচনা সভা শেষে দৈনিক সুপ্রভাত বাংলাদেশ পত্রিকার পানছড়ি উপজেলা প্রতিনিধি নতুন ধন চাকমাকে সভাপতি, দৈনিক পূর্বকোণ ও অনলাইন পার্বত্যনিউজের পানছড়ি উপজেলা প্রতিনিধি শাহজাহান কবির সাজুকে সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক যায় যায় দিন পত্রিকার পানছড়ি প্রতিনিধি মোফাজ্জল হোসেন ইলিয়াছকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।




শামুক পাহাড়ে উপজাতি সম্প্রদায়ের উপাদেয় খাবার: বাণিজ্যিকভাবে শামুক চাষের সম্ভাবনা

 

Samok pic (02) 24-02-2017 copy

দীঘিনালা প্রতিনিধি:

পাহাড়ে উপজাতি সম্প্রদায়ের রুচিশীল আরেকটি খাবার হচ্ছে শামুক। আর ব্যাপক চাহিদা থাকায় রয়েছে, বাণিজ্যিক ভাবে চাষাবাদের ব্যাপক সম্ভাবনা। বর্তমানে শামুক হাঁস, মাগুর মাছ, এবং পাঙ্গাস মাছের খাবার ছাড়াও উপজাতিদের খাবার হিসেবে বাজারে প্রতিকেজি শামুক বিক্রি হচ্ছে ৬৫-৭০ টাকায়।

শামুক সর্ম্পকে জানা যায়, Mollusca পর্বের Gastropoda শ্রেণীর নরমদেহী প্রাণীর নাম শামুক। এদের এক জোড়া অথবা দুই জোড়া শুঙ্গ থাকে, মাথা স্পষ্ট, পা চওড়া। এদের শরীর একটি পেচানো খোলকে আবৃত থাকে। তবে কখনো কখনো খোলক অনুপস্থিত থাকে।

স্থলে বাস করে এমন শামুক Macrochlamys indica I M.sequax এর অন্তর্ভুক্ত এদের মাথায় দুই জোড়া কর্ষিকা থাকে, যা প্রয়োজনে গুটিয়ে রাখতে পারে। পেছনের জোড়া কর্ষিকার আগায় থাকে চোখ। এরা শুষ্ক মৌসুমে গ্রীষ্ম নিদ্রায় থাকে। তবে এরা শাকসবজি থেকে শুরু করে শস্য দারুবৃক্ষ, বাহারি উদ্ভিদের মারাত্বক ক্ষতি করে।

অন্যদিকে Bellamya bengalensisPila globosa পর্বের শামুক খাবার হিসেবে খায় বাংলাদেশে বসবাসরত  উপজাতিরা। এ শামুক স্বাদু পানিতে বসবাস করে। বিশেষ করে পুকুর, জলাশয়, ধানি জমি, এবং নদীতে বাস করে। তবে এরা কারো ক্ষতিকরে না।

তবে খাবার হিসেবে ব্যবহার ছাড়াও মাগুর মাছের খাবার, হাঁসের খাবার মাছের খাবার হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ইতিমধ্যে দেশের সমতল জেলায় বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ শুরু হয়ে গেছে।

দীঘিনালা উপজেলার মিলনপুর গ্রামে শামুক ধরার সময় কথা হয় মায়া রানি চাকমা, শোভা চাকমার সাথে। এসময় তারা জানান, নিজের খাবারের জন্য পুকুর থেকে সব সময় শামুক ধরে থাকি। তবে আবার বাড়তি পেলে ৫০/৬০ টাকা হিসেবে বাজারে বিক্রি করতে পারি। এভাবে সারাদিন ধরলে ৭/৮ কেজি হারে ধরা যায়

দীঘিনালা উপজেলা পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সভাপতি নলেজ চাকমা জ্ঞান জানান, আমাদের পাহাড়িরা সকলেই রান্না করে শামুক খেয়ে থাকি। তবে এটা খুব আমিষযুক্ত উপাদেয় খাবার। এখানে পুকুর জলাশয়ে থাকা শামুক প্রায় শেষের পথে। তাই বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ করার সুযোগ রয়েছে

উপজেলার শ্রেষ্ঠ মৎসচাষী মো. শাহজাহান জানান, শামুক পাঙ্গাস মাছের উৎকৃষ্ট খাবার। পাঙ্গাস মাছ চাষ করা পুকুরে শামুক ভেঙ্গে দিলে অন্যকোন খাবারের প্রয়োজন পড়ে না। এছাড়া শামুকের তেমন চাহিদা না থাকলেও বর্তমানে দিন দিন শামুকের চাহিদা বেড়ে চলেছে। তাই বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ করে লাভবান হওয়া সম্ভব।




গাইবান্ধার সেই পুলিশ সুপারকে খাগড়াছড়িতে বদলি

Khagrachari Pic 03(2)
নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি:
গাইবান্ধার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আশরাফুল ইসলামকে খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে ৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের(এপিবিএন) অধিনায়ক হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের অধিশাখা-১ উপ সচিব মো. ইলিয়াস হোসেন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ দেওয়া হয়। মহালছড়ি ৬ এপিবিএন-এর অধিনায়ক মো. জমসের আলীকে নৌ পুলিশের অধিনায়ক হিসেবে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। একই প্রজ্ঞাপনে গাইবান্ধার নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে ঢাকা মহানগর পুলিশের উপ কমিশনার (ডিসি) মাশরুকুর রহমান খালেদকে পদায়ন করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের সাঁওতাল পল্লীতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পুলিশের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হওয়ায় গত ৭ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও কৃষ্ণা দেবনাথের বেঞ্চ গাইবান্ধার পুলিশ সুপারকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নিতেও আদেশ দেন।

তবে গাইবান্ধার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আশরাফুল ইসলামকে খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে ৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক হিসেবে বদলির ক্ষেত্রে হাইকোর্টের ওই নির্দেশের বিষয়ে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।