নির্মলেন্দু চৌধুরীর উপর হামলার ঘটনায় মেয়র রফিকসহ ৩৮ জনের নামে মামলা

Khagrachari Pic 12
নিজস্ব প্রতিবেদক :
খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় সমাজ কল্যাণ পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা নির্মলেন্দু চৌধুরীর উপর হামলার ঘটনায় খাগড়াছড়ি পৌরসভার মেয়র মো. রফিকুল আলমসহ ৩৮ জনকে আসামী করে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে খাগড়াছড়ি পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জাবেদ হোসেন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১২টায় বিষয়টি নিশ্চিত করে পার্বত্যনিউজকে বলেন, মামলায় জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহেদুল আলম ও দিদারুল আলম ওরফে কসাই দিদারকেও আসামী করা হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

প্রসঙ্গত, বৃহষ্পতিবার বেলা ১২টার দিকে নারিকেল বাগান এলাকায় খাগগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য নির্মলেন্দু চৌধুরীর উপর হামলার  ঘটনা ঘটে। নির্মলেন্দু চৌধুরীকে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার নয়ন ময় ত্রিপুরা পার্বত্যনিউজকে জানান, নির্মলেন্দু চৌধুরী নাক দিয়ে রক্ত যাচ্ছিল। শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্নও ছিল। তিনি কথা বলতে পারছিলেন না। অবস্থা নাজুক হওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

এদিকে হামলার প্রতিবাদে শহরে লাঠি মিছিল বের করে জেলা আওয়ামীলীগ। মিছিলটি শাপলা চত্বরে গেলে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। নেতাকর্মীরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙ্গে আওয়ামীলীগের অপর অংশের কার্যালয়ে হামলা চালায়। এ সময় কয়েকটি দোকানে হামলা ও কয়েকটি টমটম ভাংচুর হয়। এ সময় আতংকে শহরের অধিকাংশ দোকানপাট ও যানবাহন সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

উদ্ভূত পরিস্থিস্থিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসন বিশেষ আইনশৃঙ্খলা বৈঠক আহবান করলেও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি ও তার অনুসারীরা সে বৈঠক বর্জন করেন।

উল্লেখ্য, গত পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়াকে কেন্দ্র করে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগ দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এর পর থেকে প্রতিনিয়ত খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি ও সাধারণ সম্পাদক জাহেদুল আলমের অনুসারীদের মধ্যে পাল্টা-পাল্টি হামলা, মামলা ও ভাংচুর অব্যাহত আছে।




খাগড়াছড়ি পুলিশ লাইন্স স্কুলে বিজ্ঞান বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতা

Khagrachari Pic 11
নিজস্ব প্রতিবেদক: খাগড়াছড়ি পুলিশ লাইন্স স্কুলে জাতীয় উন্নয়নে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি : জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের ভূমিকা ও আমাদের প্রত্যাশা শীর্ষক সেমিনার ও বিজ্ঞান বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে খাগড়াছড়ি লাইন্স স্কলের হল রুমে জাতীয় বিজ্ঞান প্রযুক্তি জাদুঘর আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মো. মজিদ আলী।

খাগড়াছড়ি পুলিশ লাইন্স স্কুলের প্রধান শিক্ষক উত্তম কুমার নাথের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, খাগড়াছড়ি ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল মো. মনিরুজ্জামান খান, জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের সিনিয়র কিউরেটর মো. বদিয়ার রহমান ও অতিরিক্ত সুপার এম এ সালাহউদ্দিন।




নির্মলেন্দু চৌধুরীর উপর হামলার প্রতিবাদে সনাতন সম্প্রদায়ের সিরিজ কর্মসূচী

Khagracgari Pic(10)
নিজস্ব প্রতিবেদক :
খাগড়াছড়িতে জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় সমাজ কল্যাণ পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা নির্মলেন্দু চৌধুরীর উপর হামলাঠ প্রতিবাদে সনাতন সম্প্রদায় সিরিজ কর্মসূচী গ্রহণ করেছে। কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে জেলা ও উপজেলার সকল ধর্মীয় মন্দিরে প্রতিবাদী ব্যানার উত্তোলন, জেলা ও উপজেলা সদরে মানববন্ধন ও সনাতন সম্প্রদায়ের জানমালের নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় খাগড়াছড়ি শহরের সমাজ কল্যাণ পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সনাতন সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠনের যৌথসভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক তরুণ কুমার ভট্টচার্য জানান, সন্ধ্যা ৭টায় কেন্দ্রীয় সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি এডভোকেট বিধান কানুনগোর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্মল কান্তি দাশ ও সহ-সভাপতি  সত্যজিত চৌধুরী, বাংলাদেশ জম্মাষ্টমী উদযাপন কমিটির আহবায়ক তপন কান্তি দে, সম্পাদক চন্দ্র শেখর দাশ, প্রফেসর দীলিপ চৌধুরী ও আশীষ কুমার ভট্টাচার্যসহ সনাতন সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় শুক্রবার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে সংবাদপত্রে বিবৃতি প্রদান, শনিবার জেলা ও সকল উপজেলার মন্দিরে সনাতন সম্প্রদায়ের জান-মালের নিরাপত্তার দাবিতে প্রতিবাদী ব্যানার উত্তোলন, রবিবার জেলা সদর ও সকল উপজেলায় মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত,বৃহষ্পতিবার বেলা ১২টার দিকে নারিকেল বাগান এলাকায় খাগগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য নির্মলেন্দু চৌধুরীর উপর হামলার  ঘটনা ঘটে। নির্মলেন্দু চৌধুরীকে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।

খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার নয়ন ময় ত্রিপুরা পার্বত্যনিউজকে জানান, নির্মলেন্দু চৌধুরী নাক দিয়ে রক্ত যাচ্ছে। শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্নত রয়েছে। কথা বলতে পারছে না। অবস্থা নাজুক হওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

এদিকে হামলার প্রতিবাদে শহরে লাঠি মিছিল বের জেলা আওয়ামীলীগ। মিছিলটি শাপলা চত্বরে গেলে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। নেতাকর্মীরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙ্গে আওয়ামী লীগের অপর অংশের কার্যালয়ে হামলা চালায়। এ সময় কয়েকটি দোকানে হামলা ও কয়েকটি টমটম ভাংচুর হয়। এ সময় আতংকে শহরের অধিকাংশ দোকানপাট ও যানবাহন সাময়িক বন্ধ হয়ে যায়।

উদ্ভূত পরিস্থিস্থিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসনের ডাকা বিশেষ আইনশৃঙ্খলা বৈঠক আহবান করলেও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি ও তার অনুসারীরা সে বৈঠক বর্জন করেন।

উল্লেখ্য, গত পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়াকে কেন্দ্র করে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগ দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এর পর থেকে প্রতিনিয়ত খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি ও সাধারণ সম্পাদক জাহেদুল আলমের অনুসারীদের পাল্টা-পাল্টি হামলা, মামলা ও ভাংচুরে লিপ্ত রয়েছে।




নির্মলেন্দু চৌধুরীর উপর হামলার প্রতিবাদে পানছড়ি পক্ষে-বিপক্ষে বিক্ষোভ মিছিল

A LIG NEW PIC copy

নিজস্ব প্রতিবেদক:

খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নির্মলেন্দু চৌধুরীর উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে পানছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগ।

বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টা থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. বাহার মিয়া, সাধারণ সম্পাদক জয়নাথ দেব ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিজয় কুমার দেবের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিলটি পানছড়ি বাজারসহ আশে-পাশের এলাকা প্রদক্ষিণ করে। এ সময় নির্মলেন্দু চৌধুরীর উপর হামলাকারীদের আইনের আওতায় এনে দ্রুত শাস্তির দাবী জানানো হয়।

অপরদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবু তাহেরের নেতৃত্বে একটি মিছিল প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মুক্তিযোদ্ধা স্কোয়ারে এক সমাবেশ করে।

সমাবেশে আবু তাহের বলেন, খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্জ্ব মো. জাহিদুল আলম, ও খাগড়াছড়ি পৌর মেয়র আলহাজ্জ্ব মো. রফিকুল আলমের বিরুদ্ধে যারা ষড়যন্ত্র করছে তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে রুখে দাঁড়াতে হবে।

এ সময় মো. জাহিদুল আলম ও দলের দু:সময়ের কাণ্ডারী মো. রফিকুল আলমের নেতৃত্বে সবাইকে একজোট হওয়ার আহ্বানও জানানো হয়।




খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসনের বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভা বর্জন করল আ’লীগ

1
নিজস্ব প্রতিবেদক :
খাগড়াছড়িতে জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নির্মলেন্দু চৌধুরীর উপর হামলার প্রতিবাদে শহরে লাঠিমিছিলসহ উদ্ভূত পরিস্থিস্থিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসনের ডাকা বিশেষ আইনশৃঙ্খলা বৈঠক বর্জন করেছেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি ও তার অনুসারীরা।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল আমিন। তিনি পার্বত্যনিউজকে জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভা ডাকা হয়। সবাইকে যথা সময়ে চিঠিও পৌঁছানো হয়েছিল। কিন্তু বৈঠকে জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান, পুলিশ সুপার মো. মজিদ আলী, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহেদুল আলম ও খাগড়াছড়ি পৌরসভার মেয়র রফিকুল আলমসহ বৈঠক সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত থাকলেও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি ও তার অনুসারীরা উপস্থিত হননি। ফোনে তারা এ ধরনের বৈঠকে যোগ দিবেন না বলেও জানিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি রণ বিক্রম ত্রিপুরা পার্বত্যনিউজকে জানান, প্রকাশ্যে দিবালোকে জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নির্মলেন্দু চৌধুরীর উপর হামলা হয়েছে। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। তার এখনও জ্ঞান ফিরেনি। অথচ চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা এখনও গ্রেফতার হয়নি। হামলাকারীদের সাথে জেলা প্রশাসনের এ বৈঠককে তিনি হাস্যকর বলেও দাবি করেন।

অন্যদিকে খাগড়াছড়ি সদর থানার ভাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান পার্বত্যনিউজকে জানান, ঘটনার পর থেকে হামলাকারীদের ধরতে পুলিশের সাড়াশি অভিযান চলছে।

উল্লেখ্য, বৃহষ্পতিবার বেলা ১২টার দিকে নারিকেল বাগান এলাকায় খাগগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য নির্মলেন্দু চৌধুরীর উপর হামলার ঘটনা ঘটে।
নির্মলেন্দু চৌধুরীকে জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে ডাক্তার তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

এ প্রসঙ্গে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার নয়ন ময় ত্রিপুরা পার্বত্যনিউজকে জানান, নির্মলেন্দু চৌধুরী নাক দিয়ে রক্ত যাচ্ছিল। শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্নও ছিল। তাছাড়া তিনি কথা বলতে পারছিলেন না। অবস্থা নাজুক হওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

এদিকে হামলার প্রতিবাদে শহরে লাঠি মিছিল বের জেলা আওয়ামীলীগ। মিছিলটি শাপলা চত্বরে গেলে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। নেতাকর্মীরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙ্গে আওয়ামীলীগের অপর অংশের কার্যালয়ে হামলা চালায়। এ সময় কয়েকটি দোকানে হামলা ও কয়েকটি টমটম ভাংচুর হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতির আতঙ্কে শহরের অধিকাংশ দোকানপাট ও যানবাহন সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি রণবিক্রম ত্রিপুরা এ হামলার জন্য, বহিষ্কৃত জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহেদুল আলম এবং তার ছোট ভাই খাগড়াছড়ি পৌর মেয়র রফিকুল আলমকে দায়ী করেছেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, জাহেদুল আলম।

এদিকে কেন্দ্রীয় সমাজ কল্যাণ পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা ও পূজা উদযাপন কমিটি সিনিয়র সহ-সভাপতি আওয়ামীলীগ নেতা ও জেলা পরিষদ সদস্য নির্মলেন্দু চৌধুরীর উপর হামলার ঘটনায় নিন্দা, প্রতিবাদ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় সনাতন সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ পরবর্তী করণীয় নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেছেন।

প্রসঙ্গত, গত পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়াকে কেন্দ্র করে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগ দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এর পর থেকে প্রতিনিয়ত খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি ও সাধারণ সম্পাদক জাহেদুল আলমের অনুসারীদের পাল্টা-পাল্টি হামলা, মামলা ও ভাংচুরের ঘটনা অব্যাহত আছে।




লক্ষ্মীছড়িতে পুলিশ কনেস্টেবল ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা

লক্ষ্মীছড়ি প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ি জেলার লক্ষ্মীছড়ি উপজেলায় এক পুলিশ সদস্য পারিবারিক কলোহের জের ধরে বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় ময়ূরখীল পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় নিজ বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় লক্ষ্মীছড়ি হাপাতাল থেকে মানিকছড়ি এবং পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শিরা জানান, ময়ূরখীল এলাকার জনৈক মেম্বারের ভাড়া বাসায় দরজার তালাবদ্ধ দেখে আশপাশের লোকজনকে খবর দেয়। প্রতিবেশিরা দরজা ভেঙ্গে ময়ূরখীল ফাঁড়ির কনেস্টেবল আব্দুর রাজ্জাক(২৯) কং- ৬৪২ কে উদ্ধার করে প্রথমে লক্ষ্মীছড়ি হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে দ্রুত লক্ষ্মীছড়ি জোনের সহায়তায় নিরাপত্তাবাহিনীর এ্যম্বুল্যান্সে করে মানিকছড়ি হাসপাতালে পাঠালে কর্তব্যরত ডাক্তার মূমূর্ষ অবস্থায় জরুরী চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। লক্ষ্মীছড়ি হাসপাতালের ডা. রাব্বী সাংবাদিকদের জানান, রোগীর অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক।

ময়ূরখীল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. জাহাঙ্গির আলম জানান, আমরা খবর পাওয়ার সাথে সাথে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে এসেছি। ঘটনার কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষনিক কিছুই জানাতে পারেননি তিনি।

আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী জানান, আজকে কোনো ঝগড়া বিবাদ হয়নি। তবে বার বার অজ্ঞান হয়ে পড়ায় তার কাছ থেকে কোনো কিছু জানা সম্ভব হয়নি।

প্রতিবেশিরা জানান, মাঝে মধ্যেই জগড়া হতে দেখা যায়। আরও কোনো ঘটনা আছে কিনা স্পষ্ট করে কেউ বলতে পারেনি।

উল্লেখ্য প্রায় ২ বছর ধরে মূয়রখীল পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত আছেন আব্দুর রাজ্জাক। ঘটনার দিন সকালে উপজেলা সদরে মোবাইল টীমে পোশাক পরিহিত অবস্থায় ডিউটি করেছে বলেও জানা যায়। আব্দুল সোবাহান নামে ৬ বছরের ছেলে এবং সুমাইয়া আক্তার নামে ৪ বছরের কন্যা সন্তান রয়েছে। তার বাড়ি রংপুর জেলায়। ঘটনাটি শোনার সাথে সাথে অন্যান্য সহকর্মী ও কর্মকর্তারা হাসপাতালে ছুটে যান।




খাগড়াছড়িতে এসএ টিভি’র ৪র্থ বর্ষপূর্তি পালন

sa tv kh
নিজস্ব প্রতিবেদক :
বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে খাগড়াছড়িতে পালিত হয়েছে এসএ টিভি’র ৪র্থ বর্ষপূর্তি। বৃহস্পতিবার সকালে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে খাগড়াছড়ি টাউন হল প্রাঙ্গণ থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রা শেষে খাগড়াছড়ি প্রেস ক্লাবের হলরুমে কেক কাটা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

এসএ টিভির ৪র্থ বর্ষপূর্তির কেক কাটেন খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন,খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মো. মজিদ আলী, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল আমিন, জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা নুরুন্নবী চৌধুরী, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান চঞ্চুমনি চাকমা, সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বিউটি রাণী ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য এডভোকেট আশুতোষ চাকমা, মংসাপ্রু চৌধুরী অপু, জুয়েল চাকমা, খোকনেশ্বর ত্রিপুরা, নিগার সুলতানা, আওয়ামীলীগ নেত্রী বাসন্তী চাকমা, সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শানে আলম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এসএ টিভি’র খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি নুরুল আজম। আলোচনা সভার সঞ্চালনা করেন খাগড়াছড়ি প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু দাউদ।




খাগড়াছড়ির শ্রেষ্ঠ ইনোভেশন টিম ও ই-সেবা প্রদানকারী দপ্তর ‘মাটিরাঙ্গা’

19.01.2017_Dizital Mela News Pic

নিজস্ব প্রতিবেদক:

খাগড়াছড়িতে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলায় খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলা ‘ইনোভেশন টিম’ ও ‘ই-সেবা প্রদানকারী দপ্তর’ হিসেবে পুরস্কার জিতেছে জেলার মধ্যে তথ্য-প্রযুক্তিতে এগিয়ে থাকা ‘মাটিরাঙ্গা’। পাশাপাশি জেলার শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের পুরস্কার পেয়েছে ‘বড়নাল ইউনিয়ন পরিষদ ডিজিটাল সেন্টার’।

বৃহস্পতিবার বিকালে খাগড়াছড়ি টাউনহল প্রাঙ্গণে মেলা মঞ্চে মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিএম মশিউর রহমানের হাতে শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি সরূপ সনদ ও পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মো. মজিদ আলী, বিপিএম-সেবা, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই প্রোগ্রামের হেড অব রেজাল্ট বেজড ম্যানেজমেন্ট ড. রমিজ উদ্দিন এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম আভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু ও ভারত প্রত্যাগত শরনার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কৃষ্ণ চন্দ্র চাকমা প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের গৃহিত কর্মসূচীর অংশ হিসেবে তথ্য ও প্রযুক্তিতে মাইলফলক অবদান রাখায় চট্টগ্রাম বিভাগের শ্রেষ্ঠ ই-সেবা প্রদানকারী দপ্তরের পুরস্কার লাভ করে মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়। বিভাগীয় ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার সমাপনী দিনে চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. রুহুল আমীনের হাত থেকে শ্রেষ্ঠ ই-সেবা প্রদানকারী দপ্তরের সম্মাননা ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট ও পুরস্কার গ্রহণ করেন প্রযুক্তি প্রেমী মাটিরাঙ্গার উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিএম, মশিউর রহমান।




পানছড়িতে ভিডিপি’র মৌলিক প্রশিক্ষানার্থীদের সমাপনী ও সনদ বিতরণ

Answer Pic n copy

নিজস্ব প্রতিবেদক:

জেলার পানছড়ি উপজেলায় ভিডিপি’র মৌলিক প্রশিক্ষনার্থীদের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গ্রাম ও আশ্রয়ন প্রকল্প ভিত্তিক অস্ত্রবিহীন ভিডিপি’র পুরুষ ও মহিলা সদস্যদের নিয়ে  উপজেলার ১নং লোগাং ইউপির ফাতেমা নগর এলাকায় দশ দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

এর আয়োজক ছিল উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়। বৃহস্পতিবার সমাপনী দিনে অনুষ্ঠিতব্য সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা কামরুল আহসান চৌধুরী (শিবলী)।

প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পানছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ মো.আ. জব্বার। সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য শেষে প্রশিক্ষানার্থীদের হাতে অতিথিরা সনদ তুলে দেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আনসার ও ভিডিপি’র এফএস নিমাই সরকার, হাবিলদার মো. সুবেদ আলী ও কমান্ডার মো. নাছির।




মানিকছড়িতে নিরাপত্তাবাহিনীর উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

Untitled-2 copy

মানিকছড়ি প্রতিনিধি:

সিন্দুকছড়ি নিরাপত্তাবাহিনীর উদ্যোগে মানিকছড়ি, রামগড়, গুইমারা উপজেলার ৮ ইউনিয়নের সহ্রাধিক দরিদ্র শীতার্ত জনগোষ্ঠির মাঝে বুধবার সকালে মানিকছড়ি কলেজ মাঠে কম্বল বিতরণ করেছেন নিরাপত্তাবাহিনী।

সিন্দুকছড়ি জোন অধিনায়ক লে.কর্ণেল গোলাম ফজলে রাব্বি’র উদ্যোগে জোনের অধিনস্থ মানিকছড়ি, রামগড় ও গুইমারা উপজেলার আট ইউনিয়নের সহ্রাধিক পাহাড়ী-বাঙ্গালী নর-নারীরা বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় মানিকছড়ি গিরিমৈত্রী ডিগ্রী কলেজ মাঠে জড়ো হয়।

বেলা সোয়া ১০টায় গুইমারা রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার  জেনারেল মো. কামরুজ্জামান এনডিসি, পিএসসি জি’র উপস্থিতিতে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী, উপজেলা চেয়ারম্যান ম্রাগ্য মারমা, ইউএনও বিনিতা রানী, ইউপি চেয়ারম্যান মো.শফিকুল ইসলাম, মো. জয়নাল আবেদীন, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. শহীদুল ইসলাম মোহন, মনিন্দ্র ত্রিপুরা, রেদাক মারমা, মেমং মারমা, অধ্যক্ষ মংচাইঞো মারমা, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. সফিউল আলম চৌধুরী, শিক্ষক মো. আতিউল ইসলাম, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এমকে আজাদ ও উশেপ্রু চৌধুরীসহ আটটি ইউপি’র সদস্যগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

কম্বল বিতরণ পূর্ব সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী বলেন, এ অঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠির আপদে-বিপদে সবার আগে নিরাপত্তাবাহিনী সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। অবহেলিত পাহাড়ী-বাঙ্গালীর স্বাস্থ্য, চিকিৎসা সেবা, স্যানিটেশন, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, শীতবস্ত্র বিতরণ, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের অর্থ সহায়তা, বৃত্তি প্রদানসহ আইন-শৃংখলা প্রদানে সবার আগে নিরাপত্তাবাহিনী এগিয়ে আসে। কিন্তু দীর্ঘ দিন ধরে এখানে তৃণমূলের মানুষকে ভয় দেখিয়ে সংঘবদ্ধ একটি গোষ্ঠি নিজেদের স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে অহেতুক বিশৃংখলা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। যা মোটেও সহ্য করার মত নয়। এখন সময় এসেছে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করার।

পরে সমাপনী ভাষণে ব্রিগেড কমান্ডার বলেন, বাংলাদেশ নিরাপত্তাবাহিনী মানবের সেবক হিসেবে বিশ্বে নজির সৃষ্টি করেছে। এ অঞ্চলের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আইন-শৃংখলা রক্ষার পাশাপাশি সেবামূলক কাজে তারা অতন্দ্র প্রহরী হিসাবে কাজ করতে প্রস্তুত।

পরে অতিথিরা একে একে সহ্রাধিক শীতার্ত মানুষের হাতে ও গায়ে কম্বল জড়িয়ে দেন। এ সময় ‘কম্বল’ পেয়ে খুশিতে আত্মহারা হন উপস্থিত নর-নারীরা। করতালির মাধ্যমে স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাবহিনীর এ মহতী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং অভিনন্দন জানান।