আরটিভির ক্যাম্পাস স্টারের রানার আপ পাহাড়ের মেয়ে দৃষ্টি চাকমা


পার্বত্যনিউজ ডেস্ক :

আরটিভি-ডাবর ভাটিকা ক্যাম্পাস স্টারের চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবরিনা নওরীন। প্রথম ও দ্বিতীয় রানার আপ হয়েছেন যথাক্রমে বুয়েটের দৃষ্টি চাকমা ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাকিনা ইসলাম ঈশিকা।

এছাড়া, বেস্ট স্মাইল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মৌ, বেস্ট হেয়ার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আসমাউল হুসনা তাওলী ও বেস্ট স্কিন নির্বাচিত হন এআইইউবি শ্রাবন্তী অধিকারী।

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া স্টুডিওতে শুক্রবার সন্ধ্যায় একই সাথে নাচ, গান ও অভিনয়ে পারদর্শী ছাত্রীদের মধ্য থেকে সেরা ছয়জনকে নিয়ে গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হয়।
এই ট্যালেন্ট হান্ট প্রতিযোগিতায় দেশের ১৫টি সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করেন। চ্যাম্পিয়ন পুরস্কার হিসেবে এক লক্ষ টাকা ও ভাটিকার পরবর্তী বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন।

প্রতিযোগিতায় জুরি হিসেবে ছিলেন সংগীতশিল্পী কনা, অভিনেতা সজল ও নিপুণ। এছাড়া গ্র্যান্ডফিনালেতে বিশেষ অতিথি বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তানিয়া আহমেদ, বাপ্পা মজুমদার ও তামান্না রহমান।

অনুষ্ঠানে ডাবর বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক জনাব সঞ্জয় মুনশী, বিপণন প্রধান জনাব মো. আসিফুর রউফ ও ব্র্যান্ড ম্যানেজার জনাব মো. শরিফুল ইসলাম (তুষার)-সহ অনেকে। এছাড়া নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার, আরটিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমান, অনুষ্ঠান প্রধান দেওয়ান শামসুর রকিব ও বিপণন প্রধান সুদেব ঘোষ-সহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, পুরস্কার প্রদানের আগে সংগীতশিল্পী এসআই টুটুল, তারিন, পড়শী ও আইরিনের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। দৃষ্টি চাকমা, বুয়েটের স্থাপত্য বিদ্যায় পঞ্চম বর্ষে অধ্যয়নরত রয়েছেন। অভিনয়ে পারদর্শীতার প্রতিযোগিতা সেখানে সম্পূর্ণ নিজের মেধায় শীর্ষ ৬ এ উঠে এসেছে। আরটিভি-ডাবর ভাটিকা ক্যাম্পাস স্টারের প্রথম রানার আপ হয়েছেন তিনি।




উপজাতি এবং বাঙ্গালীদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার অপচেষ্টা চালিয়েছিল

রাঙামাটি প্রতিনিধি:

গত ২ রা জুন যারা এ ধরনের সহিংস ঘটনার মাধ্যমে এখানকার উপজাতি এবং বাঙ্গালীদের মধ্যে বিরাজমান সৌহার্দ্য মূলক সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার অপচেষ্টা চালিয়েছিল তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে এনে শাস্তি প্রদানে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের পক্ষ থেকে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেন রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান। বুধবার দুপুরে ত্রাণ বিতরণকালে  তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় লংগদু উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, মোসাদ্দেক মেহেদী ইমাম, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ সদস্য জানে আলম, ৭নং লংগদু ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কুলিন মিত্র চাকমাসহ অন্যান্য ইউপি পরিষদ চেয়ারম্যান ও সদস্য, উপজেলা ত্রাণ কর্মকর্তাসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, হেডম্যান, কার্বারীগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া লংগদু উপজেলায় সহিংসতায় সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ২১৩টি পাহাড়ি পরিবারের লোকজনদের মাঝে সরকারি ত্রাণ হিসাবে পরিবার প্রতি ৩০ কেজি করে খাদ্য শষ্য, ২ বান্ডিল ঢেউটিন, ৬ হাজার করে গৃহ নির্মাণ অনুদান এবং ২টি করে কম্বল বিতরণ করেন।

জেলা প্রশাসক মানজারুল মান্নান বলেন, লংগদু উপজেলার বিভিন্ন পাহাড়ি গ্রামে সংঘটিত সহিংস ঘটনা এবং অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পাহাড়ি লোকজনদের সরকারি প্রতিশ্রুত পূর্ণবাসন কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে এবং একই সাথে নুরুল ইসলাম নয়নের হত্যাকারীদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এ সহিংস ঘটনার পরপরই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সরকারের একাধিক মন্ত্রী এবং উচ্চ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাগণ লংগদুর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক পরিবারকে সরকারি সহায়তায় যথাযথ পূর্ণবাসনের জন্য উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে কেউ যাতে এ ধরনের সংঘাতময় পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে না পারে সে বিষয়ে তিনি পাহাড়ি ও বাঙ্গালী সকলকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, গত ২ জুন স্থানীয় যুবলীগ নেতা নুরুল ইসলাম নয়নের হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে একদল উচ্ছৃঙ্খল লোকজন লংগদু উপজেলার তিনটিলা, মানিক্যাছড়া, বাইট্টা পাড়ার পাহাড়ি এলাকায় অগ্নিসংযোগের সহিংস ঘটনা ঘটায়। এতে দুই শতাধিক বসতবাড়ি ও দোকান পাট ভস্মীভূত হয়।

ঘটনার সুষ্ঠু কারণ উদঘাটনের লক্ষ্যে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত দল গঠন করে এবং তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করে।

সহিংস ঘটনার পর স্বাস্থমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর ঊশৈসিং, সাবেক পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার, সংসদ সদস্য ফিরোজা বেগম চিনুসহ ১৪ দলের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল একাধিকবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।




থানচিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের ঢেউটিন, নগদ টাকা বিতরণ

থানচি প্রতিনিধি:

থানচিতে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রনালয়ের বরাদ্ধে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের ঢেউটিন ও নগদ টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

২৪ জুন (শনিবার) উপজেলার তিন্দু ইউনিয়নের অংথোয়াইপ্রু কারবারী পাড়ায় এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২০ উপজাতির বাড়িঘর ভষ্মীভুত হয়। তাদের ক্ষতির পরিমান নির্ণয়ের পর উপজেলা প্রশাসন হতে ত্রাণ সমাগ্রী বিতরণ করেন। অগ্নিকাণ্ডের ৭ম দিনে শুক্রবার বিকাল ৪টায় জনসেবা কেন্দ্রে  ( গোলঘর) ক্ষতিগ্রস্ত ২০ পরিবারকে ১ বান করে ২০ বান ঢেউ টিন, ৩ হাজার টাকা করে নগদ ৬০ হাজার টাকা বিতরণ  করা হয়।

বিতরণের সময়  উপজেলা  চেয়ারম্যান  উ,ক্যহ্লাচিং মারমা, বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক থোয়াইহ্লামং মারমা, শ্রমিক লীগের সাবেক সভাপতি রতন মারমা, অংথোয়াইপ্রু পাড়ার প্রধান নিথোয়াইউ কারবারী উপস্থিত ছিলেন,

সাংবাদিকদের  উপজেলা চেয়ারম্যান  ক্যহ্লাচিং মারমা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় সাংসদ বীর বাহাদুরের সার্বক ব্যবস্থাপনায় ত্রাণ সমাগ্রী বিতরণ করা হয়েছে ।




সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে আলীকদমে মুরং ছাত্রাবাস উদ্বোধন

Alicodom pic-2.6.2017

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান
বান্দরবানের আলীকদমে মুরং কল্যাণ ছাত্রাবাসের তৃতীয় তলার উদ্বোধন করা হয়েছে। বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর তত্ত্বাবধানে নির্মিত তৃতীয় তলা ভবনটির উদ্বোধন করেন বান্দরবান রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ যুবায়ের সালেহীন। এসময় আলীকদম জোন কমান্ডারসহ সামরিক ও বে-সামরিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে অবহেলিত মুরং সম্প্রদায়ের শিক্ষার জন্য মুরং কল্যাণ ছাত্রাবাস সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে স্থাপিত হয়। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে মুরং কমপে¬ক্সটির দ্বিতীয় তলা নির্মাণ করা হয়। এই ছাত্রাবাসে মুরং ছাত্র-ছাত্রীরা এসএসসি পর্যন্ত বিনা বেতনে পড়ালেখা ও থাকা-খাওয়ার সুবিধা লাভ করে থাকে। বর্তমানে ৭৭ জন মুরং ছাত্র এবং ৪০ জন মুরং ছাত্রী এই কমপে¬ক্সে অবস্থান করছে। সেনাবাহিনী ছাড়াও সাধারণ জনগণ এই ‘আলীকদম মুরং কল্যাণ ছাত্রাবাস’ এ অনুদান প্রদান করে এর পরিচালনায় অবদান রাখছে।




মারমা সম্প্রদায়ের ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে সমুন্নত রাখতে হবে- কংজরী চৌধুরী

26.05.2017_Matiranga Marma NEWS Pic (1)
নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা :

মারমা সম্প্রদায়ের ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে সমুন্নত রাখতে সকলকে দ্বিধাবিভক্তি ভুলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়ে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী বলেছেন, সংস্কৃতি হচ্ছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সেতুবন্ধন আর এই সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখা আমাদের দায়িত্ব। নিজেদের উন্নতি চাইলে অসাম্প্রদায়িক মনোভাব নিয়ে সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শুক্রবার সন্ধ্যায় মাটিরাঙ্গা উপজেলা মারমা উন্নয়ন সংসদ আয়োজিত ‘সাংগ্রাই পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বি.এম মশিউর রহমান, মাটিরাঙ্গা পৌরসভার মেয়র ও মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক মো. শামছুল হক এবং বাংলাদেশ মারমা উন্নয়ন সংসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক সাথোয়াই মারমা বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। মাটিরাঙ্গা উপজেলা মারমা উন্নয়ন সংসদের সভাপতি চাইলপ্রু চৌধুরী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

অন্যান্য সম্প্রদায়ের তুলনায় মারমা সম্প্রদায়ের লোকজন শিক্ষা ক্ষেত্রে পিছিয়ে আছে উল্লেখ করে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী বলেন প্রজন্ম রক্ষায় শিক্ষিত জাতি হিসেবে নিজেদেরকে সমাজের জায়গা তৈরী করে নিতে হবে। যার যার সন্তানকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে অভিভাবকদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহবান জানান তিনি। এসময় তিনি বেকার যুবকদের আত্মকর্মী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে মাটিরাঙ্গা উপজেলা মারমা উন্নয়ন সংসদে দীর্ঘমেয়াদী কম্পিউটার ও সেলাই প্রশিক্ষন কর্মসুচী চালুর ঘোষনা দেন।

অনুষ্ঠানে মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-আহবায়ক সুবাস চাকমা, মাটিরাঙ্গা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হিরনজয় ত্রিপুরা, মারমা উন্নয়ন সংসদ নেতা আতুশী মারমা ও মাটিরাঙ্গা উপজেলা মারমা উন্নয়ন সংসদের সাধারন সম্পাদক সদুঅং মারমা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

পরে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরীসহ আমন্ত্রিত অতিথিগণ মারমা সম্প্রদায়ের বিভিন্ন শিল্পীদের পরিবেশনায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।




 পাহাড়কে অস্ত্রবাজ ও চাঁদাবাজদের অভয়ারণ্য হতে দেওয়া হবে না: বীর বাহাদুর

Lama MP Picture 03, 25.05

লামা প্রতিনিধি:

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর আস্থা রেখে শান্তি চুক্তির সময় শান্তি বাহিনী সকল অস্ত্র জমা দিয়েছে, সুতারাং তাদের কাছে অস্ত্র থাকার কথা নয়। যারা পার্বত্য চট্টগ্রামে অস্ত্র নিয়ে ঘোরাফিরা ও চাঁদাবাজি করে তারা আমাদের নিরাপত্তা এবং উন্নয়নের শত্রু। পার্বত্য চট্টগ্রামের অস্ত্রবাজ ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।

বৃহস্পতিবার  দুপুরে লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের লুলাইং মুখ বাজারে ক্ষুদ্র-নৃ-গোষ্ঠী ম্রো সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এ সব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন পার্বত্য অঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনী আমাদের জান মালের নিরাপত্তা দিতে অনেক কষ্ট করেন। মানুষের উন্নয়ন এবং আইন শৃঙ্খলা পরিবেশ স্বাভাবিক রাখার জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি জনগণ কে সচেতন হতে হবে।

গজালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান বাথোয়াই চিং মারমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ম্রো সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন, আলীকদম সেনাজোন কমান্ডার লে. ক. মাহাবুবুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. ফারুক হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান, আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য কাজল কান্তি দাশ, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য চিংইয়াং ম্রো, ও পার্বত্য চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ উন্নয়ন প্রকল্প পরিচালক।

বক্তব্য রাখেন লামা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল, গজালিয়া ইউনিয়নের মেম্বার নিপিউ ম্রো ও লামা উপজেলা ম্রো যুব ফোরামের সেক্রেটারি মেন পুং ম্রো।

মন্ত্রী সমাবেশে আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে  আওয়ামী লীগ সরকারই একমাত্র আন্তরিক। শান্তি চুক্তির পর হতে তিন পার্বত্য জেলায় উন্নয়নের জোয়ার বইছে।

পরে মন্ত্রী সরই বাজারে বিদ্যুৎ সরবরাহের ও উন্নয়ন বোর্ড এবং এলজিইডির বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন শেষে সরই ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন।




খাগড়াছড়িতে চিরঞ্জয় ও কর্ণ হত্যাকারীদের গ্রেফতারে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম

Khagrachari Pic 01
নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি:
খাগড়াছড়িতে আধিপত্য বিস্তারের জেরে পিতা ও পুত্রকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা ও দুই নারী আহত হওয়ার ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। শুক্রবার দুপুরে জেলা আওয়ামলীগের একটি অংশ হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে করেছে। সমাবেশ থেকে ঘটনা জন্য জেলা অপর গ্রুপকে দায়ী করে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে।

দুপুরে জেলা আওয়ামীলীগের কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক ঘুরে হাসপাতাল গেইটে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামীলীগের শিক্ষা ও মানব উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক দিদারুল আলম ও জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হৃদয় মারমা।
Khagrachari Pic 04jpg
সমাবেশে দিদারুল আলম এ নির্মম হত্যাকান্ডের জন্য পুলিশের গাফেলতিকে দায়ী করেন। তবে এ বিষয়ে জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নির্মলেন্দু চৌধুরী বলেন, ঘটনাটি দুই পরিবারের দীর্ঘ দিনে আধিপত্য বিস্তারের জেরে হয়েছে। নিহতরা সাধারণ নাগরিক। এ ঘটনার সাথে কোন রাজনীতি নেই। কিন্তু একটি মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের অপরাধীর বিচার দাবী করেন।

বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে জেলা সদরের থলিপাড়া এলাকায় প্রতিপক্ষের হামলায় ব্যবসায়ী চিরঞ্জয় ত্রিপুরা ও তার ছেলে কর্ণ জ্যোতি ত্রিপুরা নিহত এবং চিরঞ্জয় ত্রিপুরার স্ত্রী ভবেলক্ষী ত্রিপুরা ও ছেলে কর্ণ জ্যোতি ত্রিপুরার স্ত্রী বিজলি ত্রিপুরা গুরতর আহত হন।
Khagrachari Pic 02
চিরঞ্জয় ত্রিপুরার মেজো ছেলে নীহার ত্রিপুরা জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তারা পরিবারের সকল সদস্য এক সাথে বসে ভাত খাচ্ছিলেন। এ সময় খাগড়াছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নং ওয়ার্ডের সদস্য কালিবন্ধু ত্রিপুরার নেতৃত্বে ৩০/৪০ জন সন্ত্রাসী চিরঞ্জয় ত্রিপুরার বাসায় গুলি ও বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় তিনি পালিয়ে আত্মরক্ষা করেন। হামলায় ঘটনাস্থলেই মারা যান তার পিতা চিরঞ্জয় ত্রিপুরা। আহত অবস্থায় পরিবারের অপর তিন সদস্যকে হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কর্ণ জ্যোতি ত্রিপুরাকে মৃত ঘোষণা করেন।

প্রতিবেশী কেউচিং মারমা জানান, গত ৭ মে কালিবন্ধু ত্রিপুরা নেতৃত্বে চিরঞ্জয় ত্রিপুরা আরো এক দফা হামলা হয়। তিনি ১০ মে পর্যন্ত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এ ঘটনায় থানায় মামলার দায়ের করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি। অবশেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতে কালিবন্ধু ত্রিপুরাসহ ১৪ জনকে আসামী করে মামলা করে চিরঞ্জয় ত্রিপুরা। মামলা করার মাত্র ৮ ঘন্টার ব্যবধানে কালিবন্ধু ত্রিপুরা ও তার সহযোগিদের হামলায় প্রাণ গেল চিরঞ্জয় ত্রিপুরা ও তার ছেলে কর্ণ   জ্যোতি ত্রিপুরার। শুধু তাই নয়, হামলার সময় সন্ত্রাসীরা নারীদের উপরও পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছে।
Khagrachari Pic 03
তবে খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারেক আব্দুল হান্নান মামলা না নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। তবে এখনো থানায় মামলা হয়নি। পুলিশ অভিযুক্তদের আটকের চেষ্টা চালাচ্ছে।

এদিকে শুক্রবার দুপুরে চিরঞ্জয় ত্রিপুরা ও ছেলে কর্ণ জ্যোতি ত্রিপুরার লাশ ময়না তদন্তের পর স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ সময় স্বজনদের কান্নায় হাসপাতাল এলাকার পরিবেশ ভারি হয়ে উঠে।

একটি সূত্র জানায়, চিরঞ্জয় ত্রিপুরা ও কালি বন্ধু ত্রিপুরা দু’জনে নিকটাত্মীয়। এ দুই পরিবারের বিরোধ দীর্ঘ দিনের।

স্থানীয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ক্ষেত্র মোহন ত্রিপুরা জানান, ইতিপূর্বেও দুই পরিবারের মধ্যে কয়েক দফা হামলা ও মামলার ঘটনা ঘটে। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে বসে মীমাংসা করা হয়।

অপর একটি সূত্র জানায়, বছর খানিক আগে কালি বন্ধু ত্রিপুরা ও তার ছেলেকে নিরাপত্তা বাহিনী অস্ত্র আটক করে। দীর্ঘদিন কারাভোগের পর জেল থেকে ছাড়া পায়। অতিসম্প্রতি কালি বন্ধু ত্রিপুরা অপর ছেলে যতীন ত্রিপুরা পাঁচ রাউন্ড গুলি ভর্তি একটি বিদেশী পিস্তলসহ নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে আটক হয়। সে এখনো জেলে রয়েছে।




সোনাইছড়ির উপজাতীয় তরুণী মাএইম্যা মার্মা নিখোঁজ

Sonai chari (2) copy

নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি:

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের ঠাকুরপাড়া গ্রাম থেকে এক উপজাতীয় তরুণী কক্সবাজারে বেড়াতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছে। তাকে অপহরণ করা হয়েছে নাকি স্বেচ্ছায় কারো সাথে চলে গেছে, এ নিয়ে এলাকায় চলছে নানা গুঞ্জন।

সোনাইছড়ি ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক বিজয় মার্মা জানান, এক সপ্তাহ পূর্বে স্থানীয় মৃত অক্যজ মার্মার মেয়ে মাএইম্যা মার্মা (১৮) বাড়ি থেকে কক্সবাজার বেড়াতে গিয়ে আর ফিরে আসেনি। নিখোঁজের পর থেকে ওই তরুণী ব্যবহৃত মোবাইলের দুটি সিমে সংযোগ পাওয়া যাচ্ছেনা।

তার পরিবার অত্যন্ত অসহায় ও গরীব হওয়ায় খোঁজাখুঁজির সামর্থ্যও নেই তাদের। কোথাও তার সন্ধান পেলে নিকটস্থ থানা কিংবা ০১৬২৪৫৬৪৪৮৮ নাম্বারে যোগাযোগের অনুরোধ জানান তিনি।




নাছিয়া চা বাগানের অপহৃত ৭৮ ত্রিপুরা শ্রমিকের মধ্যে ১৬ জনকে উদ্ধার করেছে বিজিবি

Ramgarh 26.4
রামগড় প্রতিনিধি :
এক ত্রিপুরা নারী চা শ্রমিক বাঙ্গালী ছেলেকে ভালবেসে পালিয়ে বিয়ে করার জের ধরে  পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের হাতে অপহৃত ফটিকছড়ির নাছিয়া চা বাগানের ৭৮ জন ত্রিপুরা  শ্রমিকের মধ্যে ১৬ জনকে উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বুধবার রামগড়ের বিভিন্ন দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় দিনভর অভিযান চালিয়ে ৫টি পরিবারের ৮ জন শিশু ও ৫ জন মহিলাসহ ১৬ জনকে উদ্ধার করা হয়।

গত শুক্রবার বাগানের ১৯টি পরিবারের নারী ও শিশুসহ ৭৮ জনকে অপহরণ করে সন্ত্রাসীরা। অপহৃতদের মধ্যে ১৪ পরিবারের ৬২ জনকে এখনও উদ্ধার করা যায়নি। বিজিবি সূত্র জানায়, তাদের উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এদিকে অপহৃতদের মধ্যে ১৬ জনকে উদ্ধারের খবর পেয়ে হাটহাজারী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসান আল মামুন ও রামগড় সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ নুপার সৈয়দ মো. ফরহাদ বুধবার রাতে রামগড় থানায় এসে ঐ শ্রমিকদের সাথে বলে খোঁজখবর নিয়েছেন।

জানাযায়, বুধবার সকালে রামগড় বিজিবি জোনের সহ-অধিনায়ক মেজর হুমাযুন কবিরের নেতৃত্বে একটি টহল দল অপহৃতদের উদ্ধারে অভিযান শুরু করে। ফটিকছড়ির দাঁতমারা লাগায়ো রামগড়ের গুজা পাড়া, মরা কয়লা, গরু কাটা প্রভৃতি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সারাদিন অভিযান চালায় বিজিবি।

এ অভিযানে রামগড়ের পাতাছড়া ইউনিয়নের গরু কাটাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে ৫টি চা শ্রমিক পরিবারের ১৬ জনকে উদ্ধার করা হয়। এরা হচ্ছে, সত্য কুমার ত্রিপুরা(৩৫), স্ত্রী পতিবালা ত্রিপুরা(৩০), শিশু পুত্র শুভ ত্রিপুরা(৩), কন্যা জ্যোতি ত্রিপুরা(২), রদন ত্রিপুরা(৬০), স্ত্রী মায়া লক্ষ্মী ত্রিপুরা(৫৫), শান্ত ত্রিপুরা(২৫), স্ত্রী লক্ষ্মী মালা ত্রিপুরা(২০), শিশু কন্যা রিতা ত্রিপুরা(৩), শির মতি ত্রিপুরা(৩৪), শিশু সন্তান জীবনা(৯), অরুন(৭), রুবেল(৫), বিজয়(২) এবং বিনো মালা ত্রিপুরা(৩০) ও শিশু নুপুর(৩)।

বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এদের উদ্ধার রামগড় বিজিবি ব্যাটালিয়ন সদরে নিয়ে আসা হয়। অভুক্ত, অর্ধভুক্ত এসব উদ্ধারকৃতদের বিজিবির পক্ষ থেকে খাবারের ব্যবস্থা করা হয়।  এদিকে, অপহৃতদের মধ্যে ১৪ পরিবারের ৬২ জনকে বুধবার উদ্ধার করা যায়নি। বিজিবি জানায়, তাদের উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উদ্ধারকৃতরা জানান, উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা চা বাগান থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর রামগড়ের দুর্গম এলাকায় আটকে রাখে। ঐ এলাকার কয়েকজন গ্রামবাসী তাদেরকে সামান্য খাবার খেতে দেয়। ছেলে মেয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে তারা গত ৫ দিন অভুক্ত, অর্ধভুক্ত অবস্থায় কাটায়। বৃদ্ধ রদন ত্রিপুরা বলেন, তারা যুগ যুগ ধরে চা বাগানে কাজ করেন, চা বাগানেই থাকেন। বাগানের এক ত্রিপুরা মেয়ে শ্রমিক পার্শ্ববর্তী গ্রামের বাঙালি ছেলের সাথে পালিয়ে যাওয়ায় সন্ত্রাসীরা তাদেরকে বাগান থেকে নিয়ে জঙ্গলের ভিতর আটকে রাখে। অন্যান্য অপহৃতরা কোথায় আছে তারা তা জানেন না।

রামগড় বিজিবি জোন কমান্ডার লে. কর্ণেল এম জাহিদুর রশিদ বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি চুক্তি বিরোধী সংগঠন ইউপিডিএফের সন্ত্রাসীরাই চা বাগানের ত্রিপুরা শ্রমিকদের সপরিবারে অপহরণ করে। ৫ দিন যাবৎ এদেরকে রামগড়ের দুর্গম এলাকায় আটকে রাখা হয়। অনাহারে থেকে তারা খুবই দুর্বল হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, পাতাছড়া ইউনিয়নের মেম্বার মানেন্দ্র ঐ সন্ত্রাসী গ্রুপের হয়ে কাজ করে। তিনি জনপ্রতিনিধি হয়েও অপহৃতদের উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ন্যুনতম সহায়তা করেনি। জোন কমান্ডার আরও জানান, অপহৃত অবশিষ্ট লোকজনদের উদ্ধার করতে বৃহষ্পতিবার পুনরায় অভিযান চালানো হবে। সিন্ধুকছড়ি সেনা জোন ও রামগড় বিজিবি যৌথভাবে এ অভিযান চালাবে।

উল্লেখ্য, খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলা সীমানা লাগোয়া ফটিকছড়ির দাঁতমারা ইউনিয়নের সোনারখীল এলাকায় নাছিয়া চা বাগানের শ্রমিক তশিরাম ত্রিপুরার কন্যা শব্দ মিলা ত্রিপুরা(২০) সোনারখীলের হাক্কিটিলা গ্রামের সুরত আলীর ছেলে আরিফের(২৫) সাথে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করার ঘটনার জের ধরে পার্বত্য এলাকার পাহাড়ি সন্ত্রাসী গ্রুপটি শুক্রবার বাগান থেকে সকল ত্রিপুরা চা শ্রমিকদের সপরিবারে তুলে নিয়ে যায়।




বান্দরবানে মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র ও হস্তশিল্প মেলার উদ্বোধন

Mala-pic-25.4.2017
নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান :
বান্দরবান শহরের রাজার মাঠে মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র ও হস্তশিল্প মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। উদ্যোক্তা উন্নয়ন পরিষদ ও বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুঠির শিল্প সমিতি (নাসিব) এর আয়োজনে ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সহযোগিতায় মঙ্গলবার বিকালে ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে মেলার উদ্বোধন করেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান থোয়াইহ্লা মং মারমা।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. হারুন অর রশীদ এর সভাপতিত্বে এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শম্পা রানী সাহা, পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ফিলিপ ত্রিপুরা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি মো. শামীম হায়দার, সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব চাকমা, বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র (আশিকা) এর কর্মসূচী পরিচালক সুখেশ্বর চাকমা পল্টু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে মেলায় শতাধিক ষ্টল তেরী করা হলেও মাত্র একটি স্টলে মালপত্র নিয়ে এক ব্যবসায়ীকে দেখা গেছে। এর জন্য অতিরিক্ত বৃষ্টিকে দায়ী করেছেন উদ্যোক্তারা।

উদ্যোক্তা মো. শামীম হায়দার বলেন, মেলার মাধ্যমে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সারাদেশের উদ্যোক্তাদের সাথে পরিচয় ও স্থানীয়দের বিভিন্ন জেলায় অংশগ্রহণ করতে এ মেলার আয়োজন।