কাপ্তাই জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিক লীগের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

 

কাপ্তাই প্রতিনিধি:

জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিকলীগ (রেজিনঃবি ১৯০২)কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র শাখা সিবিএ জহিরুল চৌধুরীর গ্রুপের নেতৃত্বে এবং কাপ্তাই সিবিত্র শাহাবুদ্দীন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুক্রবার বিউবো ভিআইটি রেস্ট হাউজে সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে এক ইফতার মাহফিল দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কাপ্তাই কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র শাখার ব্যবস্থাপক প্রকৌঃ আব্দুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন, কপাবিকে নির্বাহী প্রকৌ. এটিএম আবু জাহের, মাহামুদ হাসান, ডিডি প্রশাসন হারুন উর রশীদ, নিরাপত্তা এডি মো. জসিম উদ্দিন, আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি মীর মহসিনুল হক, ইউনিয় আ’লীগ সভাপতি সাগর চক্রবত্তী, যুবলীগ মভাপতি মো. নাছির, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি নুর উদ্দিন সুমন এবং জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিক লীগের কাপ্তাই শাখার যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান জীবন, অর্থ সম্পাদক নুর নবীসহ সকল দলীও নেতৃবৃন্দ উপন্থিত ছিলেন।




ত্রান চাইনা মাথা গোজার ঠাঁই চাই

কাপ্তাই প্রতিনিধি:

আমরা আশ্রয় চাই না আমরা মাথা গোজার ঠাঁই চাই। আর কত দিন এ আশ্রয় কেন্দ্রে থাকব। কোন বাসা বাড়ি নেই সব পাহাড় ধ্বংস করে নিয়ে গেছে। ঘর নেই, বাড়ি নেই, কাজ নেই থাকার কোন জায়গা নেই আমাদের আবার ঈদ।

কথা গুলো অতি দুঃখ বেদনা আর কান্না কণ্ঠে বলেছেন ইতিহাসের স্মরণ কালের মোরার আঘাত এবং ভয়াবহ পাহাড় ধ্বসে দীর্ঘ ১৩ দিন যাবত আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা নিহত  এবং আহত ঘর বাড়ি হারা পাহাড় ধ্বসে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় লোকজন।

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার পাহাড়, সবুজ বন আর জীববৈচিত্র্য এখন শুধু ধ্বংসলীলা। যে দিকে তাকানো হয় শুধু ধ্বংস আর ধবংস নেড়া পাড়া নিথর অবস্থায় পড়ে আছে সবুজ গাছ গাছিলা। কাপ্তাই উপজেলার ১৮জন লোক পাহাড় ধ্বসে মারা যায় এবং প্রায় শতাধীক লোকজন আহত হয়। শত, শত বসতঘর পাহাড় ধ্বসে বিধস্ত হয়ে অসহায় লোকজন কাপ্তাই আশ্রয় কেন্দ্রে মানবতার জীবন যাপান করছে। মাথা গোজার ঠাঁই খুঁজছেন।

পাহাড় ধ্বসে কাপ্তাই নিহত রমজান আলীর মা সুমি আক্তার বলেন, আমি স্বামী হারা, একটি ছেলে তাও কেড়ে নিল পাহাড়। আমি এখন অসহায় হয়ে পড়েছি। সরকার থেকে বিশ হাজার টাকা, ত্রিশ কেজি চাল পেয়েছি আর আশ্রয় কেন্দ্রে শুধু খানা দিচ্ছে আর কিছু পাচ্ছিনা।

পাহাড় ধ্বসে ঘর ভেঙ্গে কর্ণফুলী নদীতে বিলিন হয়ে যাওয়া অসুস্থ ইসমাইল, সাধন দাশ, মহি উদ্দিন, আমির আলী, রোজিনা বেগম, কমলা বালা জল দাশ এরা বলেন, আমাদের কাজ নেই, কোন কর্ম নেই, কোথায় যাব তারও কোন কুল কিনারা পাচ্ছিনা। নিজস্ব কোন সম্পত্তি নেই যে মাথায় গোজার ঠাঁই করে নিব। সরকারের পক্ষ হতে এখন পর্যন্ত কোন ধরনের সাহায্য পাচ্ছিনা যে সোজা হয়ে দাঁড়াবো। আর একদিন পরে আমাদের ঈদ ছেলে মেয়েদের যে একটি নুতন জামা কাপড় কিনে দিব মা, বাবা হয়ে তাও পারছিনা। আমাদের মতো দুঃখি মানুষের কান্না কেউ শোনেনা।

পঙ্গু হেলেনা বেগম বলেন, আমার ছোট ছেলে মেয়েরা কান্না করছে মা আমাদের ঘরে ফিরে চল আর আশ্রয় কেন্দ্রে থাকতে মন চায়না। মায়ের দুঃখ চোখ বেয়ে পানি পড়ছে। আর বলছে বাবা আমাদের তো ঘর নেই থাকার জায়গা নেই কোথায় যাব।

এদিকে আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা ঘর-বাড়ি হারা ৬৩ পরিবারের ২শত ৬৪জন আজ প্রায় ১৪দিন যাবত নিথর অবস্থায় পড়ে আছে।তারা বলেন, শুধু প্রশাসনের পক্ষ হতে খাবার পাচ্ছি। আর কোন সাহায্য বা আমাদের কোন আশ্রয় দেওয়া হবে কিনা তা কেউ বলছেনা। এ রমযান মাসে আমরা সরকারকে বলতে চাই আমাদের চিরস্থায়ীর জন্য ঠাঁই দেওয়া হউক না হয় এ আশ্রয় কেন্দ্রে আমাদের সবাইকে মেরা ফেলা হউক।

 




কাপ্তাই-রাজস্থলী ১০টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে সংস্কার বাবদ অনুদান প্রদান

কাপ্তাই প্রতিনিধি:

পার্বত্য রাঙ্গামাটি আসনের সংসদ সদস্য উষাতন তালুকদার ২০১৬-১৭ অর্থ বছরের ধর্মীয় উদ্দেশ্যে মঞ্জুরী খাতে কাপ্তাই ও রাজস্থলীর উপজেলার ১০টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে সংস্কার বাবদ অনুদান প্রদান করেন।

শুক্রবার সংস্কার ও পূর্ণবাসনের জন্য দুই লাখ চল্লিশ হাজার টাকা প্রতিষ্ঠান প্রধানের নিকট এমপির প্রতিনিধি এম আর হোসাইন জহির(এপিএস) নিজ হাতে নগদ অনুদান প্রদান করে।

এছাড়া পাহাড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে অনুদান ও ত্রান প্রদান করা হয় বলেও জানান। 




কাপ্তাইয়ের দশটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ


কাপ্তাই প্রতিনিধি : কাপ্তাই উপজেলার দশটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে রাাঙ্গামাটি আসনের উষাতন তালুকদার এমপির একান্ত সহকারী এম আর হোসাইন জহির(এপিএস) ক্রীড়া সামগ্রী দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার এসব ক্রীড়া সামগ্রী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল আলমের নিকট তুলে দেওয়া হয়।

এ সময় এম নুরুল হুদা কাদেরী উচচ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়সীম বড়ুয়া, কাপ্তাই উচচ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মাহাবুব হাসান বাবু, সাংবাদিক কবির হোসেন, কাজী মোশাররফ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

এমপির নিজস্ব তহবিল হতে শুক্রবার পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্থ বিভিন্ন পরিবারকে ত্রানসামগ্রী বিতরণ করা হবে বলেও একই সময় জানিয়েছেন এম আর হোসাইন জহির।

এ সময় নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ক্রীড়া সামগ্রী প্রদান করা এটি একটি ভালো  উদ্যোগ। এটি শিক্ষার্থীদের লেখাধুলায় উৎসাহদানে কাজে দেবে।




কাপ্তাই ইউনিয়ন বিএনপির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

কাপ্তাই প্রতিনিধি:

কাপ্তাই ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উদোগে মঙ্গলবার রিভার ভিউ পিকনিক ক্যাফেতে মো. ইউসুফ এর সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ সময় শ্রমিকদলে নেতা কবিরুল ইসলাম, বেলাল হোসেন, কাপ্তাই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ, সম্পাদক সামশুল আলম নুর মুন্না, মহিউদ্দিনসহ ইউনিয়নের সকল নেতা ও সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

পরে দোয়া ও মুনাজাত করেন মাওলানা শহিদ উল্লাহ।




কাপ্তাইয়ে আ’লীগের ত্রান বিতরণ

কাপ্তাই প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটি জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদারের পক্ষে কাপ্তাই পাহাড় ধ্বসে নিহত ও আহতদের পরিবারের মাঝে মঙ্গলবার ১নং চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নে চাল, ডাল, সেমাই, চিনি, দুধ, নারিকেলসহ বিভিন্ন ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এ সময় জেলা পরিষদ সদস্য ও কাপ্তাই উপজেলা আওয়ামী লীগ সম্পাদক প্রকৌশলী থোয়াইচিং মং, রাঙ্গামাটি জেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক মফিজুল হক, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মো. হানিফ, ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী বেবী, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. ইলিয়াছ, আওয়ামী লীগ নেতা এম ইসমাইল ফরিদ, আলী আকবর খোকন, উপজেলা ছাত্রলীগ সম্পাদক এআর লিমনসহ ১নং চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন পরিষদের সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন।




কাপ্তাইয়ে এখনো মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে পাহাড়ের ওপর বসবাস

কাপ্তাই প্রতিনিধি:

কাপ্তাইয়ে এখনো মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে মানুষ বসবাস করছে পাহাড়ের ঢালে। ইতিমধ্যে ঘূর্ণিঝড় মোরা’র কারণে এবং ভয়াবহ প্রবল বর্ষণে পাহাড় ধ্বসে বিভিন্ন ক্ষতিসহ কাপ্তাইয়ে ১৮জনের মৃত্যু হয়। এছাড়াও প্রায় পঞ্চাশ জন আহত হয়। নিহত ও আহতদের পরিবারের মধ্যে এখনও চলছে কান্নার রোল।

কাপ্তাইয়ে পাহাড় ধ্বসে ইতিমধ্যে ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারংবার মাইকিং করে পাহাড়ের ঢালু হতে নিরাপদ স্থানে সরে আসার কথা বলা হলেও, মাত্র কিছু লোক সরে আসে। তবে অনেকেই বাসা-বাড়ির মায়া ছেড়ে আসতে পারছেনা। মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে ওই সুউচ্চ পাহাড়ে বসবাস করছে। কাপ্তাই নতুনবাজার ঢাকাইয়া কলোনী নামক এলাকায় সুউচ্চ পাহাড়ের উপরে মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে কয়েকশ’ পরিবার বসবাস করছে।

এলাকার অভিজ্ঞ মহলের ধারণা পাহাড়ের উপর বসবাসরত প্রতিটি ঘরই অতি ঝুঁকিপূর্ণ। একটি ঘর কোন রকমে ভেঙ্গে নিচের ঘরের উপর পরলে নিশ্চিত মৃত্যু। ইতিমধ্যে পাহাড় ধ্বসে ওই পাহাড়ের ঢালের নিচে ঘর ভেঙ্গে অন্য একটি ঘরের মধ্যে পড়ে রমজান নামের পাঁচ বছরের একটি শিশু মারা যায় এবং আবুল হোসেন নামের আরো এক ব্যক্তি নিহত হয়।

অনেক পরিবার কাপ্তাই উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে আসলেও অনেক পরিবার আবার মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়েও বসবাস করছে। তাই সকলের একটি দাবি-কাপ্তাই নতুনবাজার, লগগেইট, ঢাকাইয়াকলোনীসহ বিভিন্ন এলাকার লোকদের সরকারের পক্ষ থেকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হউক না হয় কাপ্তাইয়ে দ্রত মৌজা বাস্তবায়ন করা হোক।




কাপ্তাই আইডিইবির সাংগঠনিক জেলা শাখার ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

কাপ্তাই প্রতিনিধি:

আইডিইবি কাপ্তাই সাংগঠনিক শাখার উদ্যোগে বিএফআইডিসি রেস্ট হাউজ কক্ষে রোববার বিকালে আইডিইবি কাপ্তাই সাংগঠনিক জেলার সভাপতি প্রকৌশলী ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফের সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, আইডিইবির উপদেষ্টা ও বিএফআইডিসির সহ-মহা ব্যবস্থাপক প্রকৌঃ মোস্তাক আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, মো. মজিবুর রহমান আইডিইবি চাকরি বিষয়ক সম্পাদক ও নির্বাহী প্রকৌশলী কাপাবিকে, তপন কান্তি মল্লিক উপ-ব্যবস্থাপক কাপ্তাই কপাবিকে, রঞ্জিত কুমার মল্লিক উপ ব্যবস্থাপক কপাবিকে, প্রকৌঃ শামসুল আলম নুর মুন্নাসহ আইডিইবির সকল সদস্য।

আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইডিইবির কাপ্তাই সাংগঠনিক জেলা সম্পাদক  আব্দুল হক। বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌঃ মো. ইমাম ফখরুউদ্দিন রুহি প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে রাঙ্গামাটি জেলা তথা কাপ্তাইয়ের নিহত ও আহতদের জন্য দোয়া করা হয়।




পাহাড়ে ত্রান নিয়ে আসার পথে বিএনপির মহাসচিবের ওপর হামলা করায় কাপ্তাইয়ে প্রতিবাদ সভা

 

কাপ্তাই প্রতিনিধি:

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল চট্রগ্রাম সড়ক দিয়ে কাপ্তাই থেকে রাঙ্গামাটি পাহাড় ধ্বসে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য ত্রান নিয়ে যাওয়ার পথে রাঙ্গুনিয়া ইছাখালী নামক এলাকায় আ’লীগ তথা ছাত্রলীগের হামলার শিকার হয়।

বিএনপির মহাসচিবের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাংচুরের প্রতিবাদে কাপ্তাইয়ে বিএনপির প্রতিবাদ সভা রোববার সকাল ১১.৩০ টায় জেটিঘাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ হামলায় মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহামুদ চৌধুরী, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অবঃ) রুহুল আলম চৌধুরী, কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান শামিমসহ গাড়িতে থাকা অন্যান্যরা এ সময় আহত হয়।

মহাসচিবের ওপর হামলার খবর কাপ্তাইয়ে অপেক্ষমান নেতৃবৃন্দের নিকট আসার পর পর তাৎক্ষনিক এক প্রতিবাদ সভাবেশ করেন।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় বিএনপি সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এড. দিপেন দেওয়ান, কেন্দ্রীয় সদস্য রবীন্দ্র লাল ত্রিপুরা, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি মো. শাহ আলম, সহ সভাপতি রফিকুল ইসলাম, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মো. মমতাজ উদ্দিন, সম্পাদক কবিরুল ইসলাম(কবির), জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সম্পাদক জসিম উদ্দিন, কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সম্পাদক ইয়াছিন মামুন, কাপ্তাই উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সম্পাদক মো. ইউসুফ, কাপ্তাই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ, সম্পাদক  প্রকৌ. শামসুল আলম নুর মুন্নাসহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে এ হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।




কাপ্তাই হ্রদ থেকে দুইটি লাশ উদ্ধার

 

রাঙামাটি প্রতিনিধি:

রাঙামাটি উপজেলা জুরাছড়ির ইউনিয়ন দুমদুমাছড়া এলাকায় কাপ্তাই হ্রদ থেকে দুইটি লাশ উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা। এরা হলেন, চিয়ং চাকমা(১৮) ও চিবে চোগা চাকমা (১৭)। শনিবার দুপুরে এ লাশ দু’টি উদ্ধার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে দুমদুমাছড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শান্তিরাজ চাকমা বলেন, আমার ধারণা এ লাশ দু’টি উজানে ভেসে এসেছে।

মরদেহ দু’টি উদ্ধার করে রাঙামাটি সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।