কর্ণফুলী নদীতে জেলেদের মাছধরা সিদ্ধান্ত বাতিল করা না হলে প্রয়োজনে যুদ্ধ করব

29-04-2017 copy

কাপ্তাই প্রতিনিধি:

কর্ণফুলী নদীতে মাছধরার অনুমতি প্রদান করা না হলে প্রয়োজনে যুদ্ধ করার ঘোষণা প্রদান করেন কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন।

শনিবার কাপ্তাই উপজেলা প্রশাসন ও বিএফডিসি কাপ্তাই উপকেন্দ্র আয়োজনে ৪নং ইউপি পরিষদ হল রুমে কাপ্তাই হ্রদ হতে মাছধরা, সংরক্ষণ, বাজারজাত করণ, শুকানো এবং পরিবহন নিষিদ্ধ সংক্রান্ত জনঅবহিতকরণ ও উদ্বুদ্ধকরণসভা কাপ্তাই হ্রদ ও কর্ণফুলী নদীর জেলেদের নিয়ে কাপ্তাই নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল আলমের সভাপতিত্বে এক সভা সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত হয়।

সম্প্রতি ১১এপ্রিল রাঙ্গামাটি জেলায় মাসিক সভায় প্রতিবছরের ন্যায় এবারও কাপ্তাই হ্রদে মাছের বংশ বিস্তার, মাছ প্রজননের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসক কাপ্তাই হ্রদ তথা জেলার আওতাধীন কর্ণফুলী নদী কাপ্তাই উপজেলার বড়ইছড়ি পর্যন্ত সকল ধরনের মাছ ধরা আগামী ১মে হতে তিন মাস পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করে একটি পরিপত্র জারি করে এবং কাপ্তাই তথ্য অফিসের মাধ্যমে প্রচার পত্র ঘোষণা করা হয়।

ওই পরিপত্র ঘোষণা করার পর কাপ্তাই কর্ণফুলী নদীর শত শত মাছধরা জেলে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে এবং মাছধরা বন্ধ ঘোষণা শুনে উত্তেজনা বিরাজ করে। জনঅবহিতকরণ সভায় জেলেরা বলেন, কাপ্তাইয়ে ইতিহাসে তথ্য হ্রদ প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর হতে পরিকল্পিত হ্রদে মাছ ধরা বন্ধ হতো কিন্তু কর্ণফুলী নদীতে যেখানে জোয়ার-ভাটা প্রবাহমান সেখানে কখনও মাছধরা বন্ধ ঘোষণা করা হতো না।

এবার এ প্রথম রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসকের পক্ষ হতে ঘোষণা  শুনে হতবাক হলাম। বয়স আশি উর্ধ্বে চিৎমরম হতে এক জেলে বলেন, আমার বাবা-দাদা আমল থেকে মাছ ধরছি কখনও কর্ণফুলী নদীতে মাছধরা বন্ধ ঘোষণা শুনিনি এ প্রথম শুনলাম। এটি যদি বন্ধ করা হয় তাহলে আমরা ছেলে-মেয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে কষ্টে পড়বো।

কাপ্তাই বর্তমান আ’লীগ সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুইছাই চৌধুরী বলেন, এ ঘোষণা বর্তমান সরকারকে ফাঁদে ফেলানো ষড়যন্ত্র বলে তিনি মন্তব্য করেন। ইউপি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ, খ্যাইসং মারমা, ইউপি সদস্য মাহাবুব, সমাজ সেবক কাজী মাকসুদুর রহমান বাবুল, মাছ ব্যবসায়ী শাহ আলম, সংগঠক নেতা একরামুল হক বলেন, কাপ্তাই ইতিহাসে কর্ণফুলী নদীতে মাছ ধরা বন্ধ করা চরম অন্যায়। এতে করে দিন, দিন উত্তেজনা বাড়বে এবং আইনশৃঙ্খলা অবনতি হবে।

তাই কর্ণফুলী নদীতে বন্ধ ঘোষণা তুলে নেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক তথা বিএফডিসিকে আহ্বান জানানো হয়। সভায় শত শত জেলেরা উপস্থিত হয়ে এ বন্ধের প্রতিবাদ জানান।

বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নুরনাহার বেগম, কাপ্তাই বিএফডিসির কর্মকর্তা শামসুজ্জামান, ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি সাগর চক্রবর্ত্তী, বিউবো সিবিএ নেতা আব্দুল ওহাব, বিএনপি ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম নুর মুন্নাসহ বিভিন্ন শ্রমজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সভায় প্রধান অতিথি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন বলেন, কাপ্তাইয়ের কোন জন প্রতিনিধি, ইউএনও তথা জেলে সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিকে কোন কিছু না জানিয়ে হঠাৎ জেলা প্রশাসক যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা ঠিক করেনি। আগামী ৮মে জেলা প্রশাসকের মাসিক আইনশৃঙ্খলা মিটিং কর্ণফুলী নদীর বন্ধ ঘোষণা যদি তুলে না নেওয়া হয় তাহলে প্রয়োজনে যুদ্ধ ঘোষণা করবে বলেও কাপ্তাই সভায় ঘোষণা প্রদান করে।

সভাপতি কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল আলম আগত কর্ণফুলী জেলেদের সান্ত্বনা প্রদান করেন এবং বলেন, কাপ্তাই হ্রদের মাছধরা বন্ধ থাকবে তবে কর্ণফুলী নদীতে আপাতত মাছ ধরেন আমরা আগামী ৮মে জেলা প্রশাসকের সভায় স্যারকে এ ব্যাপারে বুজিয়ে বললে অবশ্যই একটি সমাধান আসবে। নির্বাহী কর্মকর্তার ঘোষণা শুনে সকল জেলে শান্ত হয়ে যায় এবং আগামী ৮মে’র চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য সকল জেলে অপেক্ষা করছে।




কাপ্তাইয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে লাল-সবুজ স্টিকার বিতরণ

CARD UNO

কাপ্তাই প্রতিনিধি :
সকল স্কুল শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতামূল সৃষ্ঠির লক্ষ্যে কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ব্যাতিক্রমধর্মী উদ্যোগ। কাপ্তাই উপজেলার মাধ্যমিক স্কুলের সকল ছাত্র/ছাত্রীদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিজে দু’টি স্টিকার প্রদান করেন। একটি স্টিকার লাল অন্যটি সবুজ রঙের। লালটিতে সচেতনতার জন্য লেখা রয়েছে বাল্য বিবাহকে না বলুন, যৌতুককে না বলুন, মাদকে না বলুন এবং সবুজ স্টিকারে লেখা রয়েছে গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান, সবার জন্য শিক্ষা ও বন্য প্রাণী রক্ষা করুন।

তিনি সকল শিক্ষার্থীদের এ দু’টি স্টিকার নিজ বইয়ের উপরে লাগানোর জন্য শিক্ষার্থীদের আহবান জানান। কাপ্তাই উপজেলা আ’লীগ সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুইছাইন চৌধুরী  বলেন, নির্বাহী কর্মকর্তার এ কাজটি একটি ব্যাতিক্রম ধর্মী মহৎতী উদ্যোগ যা প্রসংশার দাবিদার।

৮ম শ্রেণীর শিক্ষার্র্থী ফারজানা আমিন বর্ষা এবং দশম  শ্রেণীর ছাত্র মানিক বলেন, আমাদের মঙ্গলের জন্য এ স্টিকারটি প্রদান করা হয়েছে। এ জন্য নির্বাহী কর্মকর্তা কে ধন্যবাদ জানাই।

কাপ্তাই উচচ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মাহাবুব হাসান বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ আমার মনে হয় এ প্রথম দেখলাম। এ ধরনের মহৎতী উদ্যোগ নিতে বা সচেতনতা সৃস্টির লক্ষ্যে কাজ করছে তা অবশ্যই প্রশংসা করার মত। কাপ্তাই মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সৈয়দ মাহামুদ হাসান বলেন,নির্বাহী অফিসার নিজ উদ্যোগে যে ব্যবস্থা নিয়েছেন তা ছাত্র/ছাত্রীদের বাস্তব জীবনে চলার পথকে সুন্দার করবে বলে আশার বিশ্বাস। এ ধরনের উদ্যোগ আমাদের সকলের নেওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মতা প্রকাশ করেন।

কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল আলম বলেন, আমি দেখছি বর্তমান সময়ে অনেক ছোট, ছোট ছাত্রীদের মা-বাবা বাল্য বিবাহ দিচ্ছে। যা সংসার জীবনে তথা সরকারী আইনকে অমান্য করার মত। এবং স্কুল পর্যায়ে অনেক শিক্ষার্থী মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। যা একটি পরিবার তথা দেশ ও রাষ্টের জন্য ক্ষতিকার বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এছাড়া তিনি আরো বলেন,স্কুল পর্যায়ে জদি আমরা এদের সচেতনতা মূলক ভাল কিছু শিক্ষা  দিতে পাড়ি তাহলে চলার পথ সুন্দার হবে। জদি একজন ছাত্র একটি গাছ লাগায় তাঁর দেখা-দেখি পিতা মাতাও লাগানোর জন্য আগ্রহ প্রকাশ করবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।  এবং এর ফলে অবশ্যই ভাল কিছু ফলাফল পাওয়া যাবে। ভাল কিছু জন্য সমাজ ভাল হবে এবংসকলে ভাল থাকবে চলার পথ সুন্দার হব হবে। তাই স্কুল শিক্ষার্থীদের নিজ উদ্যোগে এ লাল,সবুজ স্টিকার প্রদান করে ব্যাতিক্রম ধর্মী একটি উদ্যোগ নিয়েছি বলে মন্তব্য করেন।




কাপ্তাই অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে প্রিয়াংকা জুয়েলার্সের ত্রাণ বিতারণ

Prinka

কাপ্তাই প্রতিনিধি:
কাপ্তাই নতুনবাজার কেপিএম টিলায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৩৩টি ক্ষতিগ্রস্থ পবিারের মধ্যে কাপ্তাই নতুন বাজার প্রিয়াংকা জুয়েলার্স প্রোপাইটার প্রিয়তোষ থর (পিন্টু), শুক্রবার প্রতি পরিবারকে একটি লুঙি, একটি শাড়ি ও নগদ অর্থ বিতরণ করেন।

এ সময় কাপ্তাই ইউপি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ, কাপ্তাই নতুনবাজার বণিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি সাগর চক্রবর্ত্তী, ইউপি সদস্য সমলেন্দু বিকাশ দাশ, সজিবুর রহমান, বাজার সমিতির সহসভাপতি মহি উদ্দিন, অর্থ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, সদস্য মোকারম হোসেন, ইয়াছিনসহ বাজারের সকল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




কাপ্তাইকে শীঘ্রই মৌজা ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত

18194262_1303950826368015_683559979326468812_n

নিজস্ব প্রতিনিধি :

রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে ডিফরেস্ট হওয়া এলাকার কয়েক হাজার স্থায়ী বাসিন্দার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে শীঘ্রই ওই এলাকাকে মৌজা ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের মহিলা সংসদ সদস্য ফিরোজা বেগম চিনুর মাধ্যমে উত্থাপিত বহুল কাঙ্খিত এই প্রস্তাবটি বাস্তবায়নে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে।

বুধবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর সভাপতিত্বে ২৩তম বৈঠকটি জাতীয় সংসদ ভবনের পশ্চিম ব্লকের ২য় লেবেলে অবস্থিত কেবিনেট কক্ষে বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হয় বলে জানা গেছে। বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি, রাঙামাটির সংসদ সদস্য উষাতন তালুকদার, সদস্য এমএ লতিফসহ সংশ্লিষ্ট সচিব ও উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাগণ।

বৈঠকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ২২তম বৈঠকের কার্যবিবরণী অনুমোদন ও সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি আলোচনা ও বিবিধ বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা করা হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, ইতোমধ্যে কাপ্তাইয়ের সংরক্ষিত এলাকাগুলোকে সরকারিভাবে ডিফরেস্ট করে মৌজাভুক্ত করার সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্যে সুপারিশমালা হয়ে গেছে। এখন প্রজ্ঞাপন জারির কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

এর আগে বিগত ২২তম মিটিংয়ে কাপ্তাইবাসীর দীর্ঘদিনের এই দাবিটি উত্থাপন করে কাপ্তাইকে মৌজা ঘোষণা করার প্রস্তাবটি পাশ করার দাবি জানিয়েছিলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সংসদ সদস্য ফিরোজা বেগম চিনু। তার জোরালো পদক্ষেপের কারনেই অবশেষে স্থায়ী কমিটির সকল সদস্য ঐক্যমত পোষণ করে বুধবার ২৩তম বৈঠকে কাপ্তাইকে মৌজা ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়ে সুপারিশ মালা প্রদান করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।

একই বৈঠকে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের আধুনিকায়নে, রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের জন্যে ২০কোটি টাকার একটি বিশেষ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও জেনারেল হাসপাতালের জন্যে এবং নানিয়াচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর জন্য আগামী ডিসেম্বর মধ্যেই একটি করে এ্যাম্বুলেন্স প্রদান করা হবে বলেও সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্থায়ী কমিটি।

তাছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে গৃহীত অপর এক সিদ্ধান্তে জানানো হয়েছে যে, পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে নতুন শিক্ষক না দিয়ে বর্তমানে কর্মরত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কাউকেই স্বীয় পদ খালি করে অন্যত্র বদলী করা যাবে না।




বাঙাল হালিয়া স্কুলে কাপ্তাই তথ্য অফিসের আয়োজনে উদ্বুদ্ধকরণ সভা

27-04- copy

কাপ্তাই প্রতিনিধি:

কাপ্তাই উপজেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে বাঙাল হালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগসমুহ ব্র্যান্ডিং বিভিন্ন সেক্টরে সরকারের অর্জিত সফলতা ও উন্নয়ন ভাবনা, টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যসমূহ(এসডিজি) এবং মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ বিষয়ে আলোচনা সভা, উদ্বুদ্ধকরণ সঙ্গীতানুষ্ঠান ও চলচ্চিত্র প্রদর্শন কাপ্তাই উপজেলা ও রাজস্থলী নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, রাজস্থলী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান উথিনসিন মারমা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, কাপ্তাই উপজেলা সহকারী তথ্য অফিসার মোহাম্মাদ হারুন।

বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা মহিলা ভাইসচেয়ারম্যান ক্রয়ইসুই মারমা, বাঙাল হালিয়া কলেজ অধ্যক্ষ ফরিদ উদ্দিন তালকুদার, ইউপি চেয়ারম্যান ক্রাসং মারমা, বিদ্যালয় প্রধা শিক্ষক সাখ্যঅং চৌধুরী, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম, মংচিং (হেডম্যান), সাংবাদিক আজগর আলী, চন্দ্রঘোনা থানার প্রতিনিধি এসআই মো. ওয়াদুদ, সহকারী প্রধান শিক্ষক কনক বড়ুয়া, শিক্ষক রতন কুমার প্রমুখ। এ সময় বিভিন্ন গনমাধ্যম কর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি বলেন, সরকারের উন্নয়ন, সফলতা ধরে রাখতে হলে আমাদের সকলের একযোগে কাজ করতে হবে। তাহলে আমরা মধ্যমায়ের দেশে পরিনত হব।

নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল আলম শিক্ষার্থীদের বলেন, তোমরা মাদক, বাল্যবিবাহ, এবং সকল খারাপ কাজ হতে দূরে থাকবে। কেউ খারাপ কাজ করছে, তাদের প্রশাসনের মাধ্যমে প্রতিরোধ করতে এগিয়ে আসবে।




কাপ্তাই উচ্চ বিদ্যালয়ে সেকায়েপের বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ

KM M copy

কাপ্তাই প্রতিনিধিঃ

কাপ্তাই উচ্চ বিদ্যালয়ে সেকায়েপ প্রকল্পের আওতাধীন পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠান বুধবার বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান প্রকৌ: আব্দুল লতিফের সভাপতিত্বে বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, কাপ্তাই নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল আলম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোজাম্মেল হোসেন। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুইছাইন চৌধুরী, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সৈয়দ মাহামুদ  হাসান, সহকারী প্রধান শিক্ষক মাহাবুব হাসান ও সাংবাদিক কবির হোসেন প্রমুখ।

এ সময় সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। নির্বাহী কর্মকর্তা শিক্ষার্থীদের বলেন, তোমরা শিক্ষকদের কথা মানবে এবং তাদের সম্মান করবে। তাহলে তোমরা একদিন বড় হতে পারবে।উল্লেখ্য, ২৪৫জন শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরীক্ষায় ১২জন কৃর্তকার্য অর্জন করায় তাদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।




কাপ্তাইয়ে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের জেলা প্রশাসকের পক্ষ হতে চাল বিতরণ

PURIG copy

কাপ্তাইপ্রতিনিধি:

কাপ্তাই নতুনবাজার কেপিএম টিলায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৩টি পরিবারের  রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে বুধবার দুপুর ২টায় কাপ্তাই ৪নং ইউপি পরিষদ কার্যালয়ে বিশ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়। জেলা প্রশাসকের পক্ষে চাল বিতরণ করেন কাপ্তাই নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল আলম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তমান উপজেলা আ’লীগের সভাপতি অংসুইছাইন চৌধুরী, মহিলা ভাইসচেয়ারম্যান নুরনাহার বেগম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সুপ্তশ্রী শাহা, ইউপি চেয়ারম্যান প্রকৌ: আব্দুল লতিফ, উপজেলা ক্রীড়া আহ্বায়ক কাজী মাকসুদুর রহমান বাবুল, ফিরোজ আহমেদ, ইউপি সদস্য সজিবুর রহমান, আব্দুল আহাদ সেলিম, মহিম ও সাংবাদিক কবির হোসেনসহ এবং কাপ্তাই লগগেইট কালি মন্দির’র পুরোহিত সকল ক্ষতিগ্রস্তদের এ সময় একটি করে গামছা প্রদান করে।

উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে জেলা প্রশাসকের পক্ষ হতে আরও দশকেজি কেজি চাল বিতরণ করা হয় বলেও ইউপি চেয়ারম্যান উল্লেখ করেন। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্তরা ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে খোলা আকাশের নিচে অসুস্থ হয়ে মানবতার জীবন -যাপন করছে।




কাপ্তাইয়ে বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস পালন

HE 25-04-2017 copy

কাপ্তাই প্রতিনিধি:

‘চিরতরে ম্যালেরিয়া হোক অবসান’ এ প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে মঙ্গলবার সকাল ৯টায় কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য প.প. ও ব্র্যাক’র আয়োজনে বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস উপলক্ষে ‌র‌্যালি ও আলোচনা সভা ডা. মো. একরাম হোসেনের সভাপতিত্বে উপজেলা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল আলম, উপজেলা পরিষদ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নুরনাহার বেগম, কাপ্তাই থানার ওসি রঞ্জন কুমার সামন্ত, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন, ব্র্যাক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আরিফুল হক ও চন্দ্রঘোন মিশন হাসপাতাল প্রোগ্রাম অফিসার বিজয় মারমাসহ প্রমুখ।




কাপ্তাই উপজেলা আনসার ভিডিপি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

A Comder 25-04-2017 copy

কাপ্তাইপ্রতিনিধিঃ

কাপ্তাই উপজেলা আনসার ভিডিপি সমাবেশ মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন’র সভাপতিত্বে সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা আনসার ভিডিপি সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, রাঙ্গামাটি জেলা আনসার ও ভিডিপি কমান্ড্যান্ট মো. আব্দুল আউয়াল। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, কাপ্তাই আনসার ভিডিপি অফিসার মো. আবু কাউছার।

বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল আলম, ওসি রঞ্জন কুমার সামান্ত, উপজেলা পরিষদ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নুরনাহার বেগম, সুব্রত বিকাশ তংচংঙ্গ্যা, কেপিএম এমডি প্রকৌ. ড. এমএএ কাদের, এলপিসি সহমহা-ব্যবস্থাপক প্রকৌ. মোস্তাক আহমেদ, ১০ আনসার অধিনায়ক মো. আফজাল হোসেন ও উপজেলা আনসার অফিসার শাহাদাত হোসেন প্রমুখ।

আনসার সমাবেশে প্রধান অতিথি সকল আনসার সদস্যদের বলেন, আমরা নির্বাচন তথা দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। বিভিন্ন ধরনের নির্বাচনী ডিউটি, বেকারদের প্রশিক্ষণ, মাদক, বাল্যবিবাহ নিয়ন্ত্রণে আনসার ভিডিপি সারাদেশে নিরালস কাজ করে যাচ্ছে। কাপ্তাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকা হতে আগত আনসার সদস্যদের বলেন, এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা এবং উন্নয়নের লক্ষ্যে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। সমাবেশ শেষে জেলা কমান্ড্যান্ট আনসারের ভালো কাজে স্বীকৃতি স্বরূপ তিনটি সাইকেল, সেলাই মেশিন, ছাতা, বলসহ বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ করা হয়।




কাপ্তাই সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে পবিত্র ঈদে-মিলাদুন্নবী (সা.)মাহফিল অনুষ্ঠিত

BSPI 24-04-2017 (1) copy

কাপ্তাই প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে সোমাবার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী(সাঃ) মাহফিল চিপ ইনস্টাক্টর ও মাহফিল উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক মাহাবুব উল আলমের সভাপতিত্বে ইনস্টিটিউটে সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়।

মিলাদুন্নবী (সাঃ) মাহফিলে  প্রধান অতিথি ছিলেন বিএসপিআই অধ্যক্ষ প্রকৌশলী আশতোষ নাথ। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপাধ্যক্ষ প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান, কাপ্তাই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোজাম্মেল হোসেন, প্রধান শিক্ষক মো. ইউসুফ, আলোচক মাওলানা মো. শহীদ উল্লাহ ওমুফতি হাবীবুল্লাহ প্রমুখ।

এ সময় সকল বিভাগীয় প্রধান,  শিক্ষক, কর্মচারী ও ইনস্টিটিউটের সকল শিক্ষার্থীগণ উপস্থিত ছিলেন। আলোচক  মাওলানা মো. শহীদ উল্লাহ বলেন, রাসুলের আদর্শ মতে  আমাদের চলতে হবে। কোরান-হাদিস অধ্যায়ন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের চরিত্র ও চোখ দুটি সমঝতা করে চললে আদর্শবান ছাত্র হয়ে চলা যাবে। তিনি আরও বলেন, আমরা আজ-কোরান হাদিস হতে দূরে সরে যাওয়ার ফলে দেশে-বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।