শুধুমাত্র আ’লীগ করার কারণেই নেতা কর্মীদের খুন করছে জেএসএস, বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড: দীপংকর

কাউখালী প্রতিনিধি:

শুধুমাত্র আওয়ামী লীগ করার কারণেই টার্গেট করে করে দলীয় নেতা-কর্মীদের খুন করছে পাহাড়ের জঙ্গি সংগঠন জনসংহতি সমিতি (জেএসএস)। এমনকি তাদের নৃশংসতা থেকে রক্ষা পাচ্ছেনা সাধারণ মানুষও। এমন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে না পারলে পাহাড়ের পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।

শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় কাউখালীর কাশখালী রশিদিয়া তা’লিমুল কোরআন একাডেমির নবনির্মিত ভবন ও উপজেলা বিশ্রামাগার উদ্বোধনকালে সাবেক প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার এসব কথা বলেন।

সাবেক প্রতিমন্ত্রী বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে সরকারের ব্যাপক উন্নয়ন সইতে পারছেনা সন্তু লারমা। খুন, গুম, চাঁদাবাজির মাধ্যমে এ অঞ্চলের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত করছে জনসংহতি সমিতি। তিনি বলেন, সবুজ শ্যামল পাহাড়কে জঙ্গি সন্ত্রাসীদের হাত থেকে রক্ষা করতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের বিকল্প নাই।

তিনি আরও বলেন, সন্তু লারমার হুমকিতে পাহাড়ের মানুষ ভয়ে ভীত নয়। তিনি রাঙ্গামাটির জুড়াছড়িতে জেএসএস’র জঙ্গি বাহিনী কর্তৃক উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অরবিন্দু চাকমা হত্যা ও বিলাইছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রাসেল মারমার উপর হামলার নিন্দা জানান।

সাবেক প্রতিমন্ত্রী বলেন, টার্গেট করে করে আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের হত্যা করা হচ্ছে। এমন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ভবিষ্যতে শান্ত পার্বত্য চট্টগ্রামকে অশান্ত করার চেষ্টা করা হলে আওয়ামী লীগ সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে এসব শসস্ত্র সন্ত্রাসীদের প্রতিহত করবে।

দীপংকার তালুকদার শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় ৩০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে উপজেলার কাশখালী রশিদিয়া তা’লিমুল কোরআন একাডেমির নবনির্মিত ভবন ও ৭৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ে উপজেলা বিশ্রামাগারের সংস্কার কাজের উদ্বোধন করেন।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অংসুইপ্রু চৌধুরী, জেলা পরিষদের মহিলা সদস্য শান্তনা চাকমা, মনোয়ারা বেগম, উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম. চৌধুরী, কলমপতি ইউপি চেয়ারম্যান ক্যজাই মারমা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এরশাদ সরকার,  যুগ্ম সম্পাদক মো. বেলাল উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক ক্যসিমং মারমা, ঘাগড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী সিরাজ উদ্দিন কাউছার, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নাজিম উদ্দিন প্রমুখ।




 আ’লীগের নেতা অরবিন্দু চাকমার হত্যার প্রতিবাদে কাউখালীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

 

কাউখালী প্রতিনিধি:

পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির জুড়াছড়িতে জেএসএস’র জঙ্গি বাহিনী কর্তৃক উপজেলার আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অরবিন্দু চাকমার হত্যা ও বিলাইছড়ি উপজেলার আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রাসেল মারমার উপর হামলার প্রতিবাদে এবং হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে কাউখালী উপজেলার আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠন বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে।

বুধবার(৬ ডিসেম্বর) বিকাল চারটায় উপজেলার মিনি মার্কেট দলীয় কার্যলয় থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে প্রেসক্লাব চত্ত্বরে সমাবেশ করে দলটি।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এরশাদ সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অংসুইপ্রু চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও কলমপতি চেয়ারম্যান ক্যজাই মারমা, যুগ্ম সম্পাদক শামছুদ্দোহা চৌধুরী, মো. বেলাল উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক ক্যসিমং মারমা।

এ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নাজিম উদ্দিন প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলকে অশান্ত করার নীল নকশা হিসেবে পাহাড়ের জঙ্গি সংগঠন জনসংহতি সমিতি  (জেএসএস)’র খুন, গুম, অপহরণ চাঁদাবাজির মাত্রা অতীতকে ছাড়িয়ে গেছে।

বক্তারা বলেন, ২ ডিসেম্বর শান্তি চুক্তির বর্ষ পূর্তিতে সন্তু লারমার উস্কানিমূলক বক্তব্যের পরক্ষণেই এ অঞ্চলে নতুন করে হত্যার রাজনীতি শুরু হয়ে গেছে।

বক্তরা আরো বলেন, বিজয়ের মাসে জুড়াছড়ি আওয়ামী লীগ নেতা অরবিন্দু চাকমাকে হত্যার মাধ্যমে সবুজ শ্যামল পার্বত্য জেলা আজ রক্তে রঞ্জিত। তারা বলেন, সন্তু লারমা যদি ভেবে থাকেন, নেতা কর্মীদের হত্যা এবং ভয় ভীতি দেখিয়ে আওয়ামী লীগকে পিছু হটাবেন তাহলে ভুল করবেন।

বক্তারা অবিলম্বে অরবিন্দু চাকমার হত্যাকারীদের ফাঁসি ও রাসেল মারমার উপর হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানান। সমাবেশে বক্তারা আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) সকাল সন্ধ্যা শান্তিপূর্ণ হরতাল পালনের জন্য নেতা কর্মী ও সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।




নিধন করা গাছের চিৎকারে ঘুম ভাঙ্গলো সাধারণ মানুষের, জানেনা প্রশাসন!

কাউখালী প্রতিনিধি:

কাউখালী উপজেলা প্রশাসন থেকে মাত্র আধা কিলোমিটারের কম দূরুত্বে উপজেলা পরিষদের প্রায় চারলক্ষাধিক টাকার ২৭টি সেগুন গাছ রাতের আঁধারে কেটে নিল দৃর্বৃত্ত্বরা।

সোমবার(২৭ নভেম্বর) রাত দু’টা থেকে প্রশাসনের চোখের সামনে বন উজারকারীরা এমন নিধনযজ্ঞ চালায়। নিশি রাতে নিধন করা গাছের চিৎকারে সাধারণ মানুষের ঘুম ভাঙ্গলেও জানেনা শুধু প্রশাসন।

কাউখালীতে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা সদরের ইউএনও সুমনী আক্তার জানান, বিষয়টি তদন্ত করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

জানাযায়, উপজেলা প্রশাসন থেকে মাত্র আধা কিলোমিটার দূরুত্বে পরিষদের জায়গায় বরাদ্দকৃত গরু বাজারের পার্শ্বে কাকড়াছড়ি খালের পাড়ে সরকারি জায়গায় প্রায় ২৭টি মূল্যবান সেগুন গাছ কালের স্বাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু কিছুদিন যাবৎ এ গাছের মালিকানা দাবি করে আসছে কলমপতি কাঠ ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সাবেক সভাপতি  বিএনপি নেতা জাফর উল্লাহ। অবশ্য এ গাছের মালিকানা দাবি করেন সরওয়ার সরকার নামে আরো এক ব্যক্তি। তিনি জানান, আমার লাগানো গাছ রাতের আঁধারে যারা কেটে নিল তাদের বিরুদ্ধে আমি মামলা করবো।

গত ৯ নভেম্বর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বরাবর বিএনপি নেতা জাফর উল্লাহর অসুস্থ্যতা ও তার চিকিৎসার কথা বলে গাছগুলো কাটার জন্য আবেদন করা হয়। চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন জমা দেন উপজেলা শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ফারুক। দাখিলকৃত আবেদন চেয়ারম্যান ইউএনও বরাবর পাঠান এবং বিবিধ মতে ব্যবস্থার জন্য জানান। তবে গাছ কাটার কোন অনুমতি দেয়া হয়নি তাদের।

কাউখালীর ইউএনও সরকারি সফরে দেশের বাইরে থাকার সুযোগে ২৭ নভেম্বর রাত ২টার দিকে  নির্বিচারে কাটা শুরু হয় মূল্যবান এসব সেগুন গাছ। এর পুরোটাই নেতৃত্ব দেন শ্রমিকলীগ কাউখালী উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ফারুক। তার সাথে যোগদেন আরো অন্তত ২০জন। ভোর ৫টা পর্যন্ত চলে নিধনযজ্ঞ। সূর্য উঠার আগেই সরিয়ে ফেলা হয় বেশিরভাগ গাছ। অবশিষ্ট গাছ সরাতে না পারায় এলোমেলোভাবে পড়ে আছে বিভিন্ন স্থানে।

গাছ কাটার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে রাতেই প্রশাসনকে জানানো হলেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এলাকাবাসীর অভিযোগ সব ঠিকঠাক থাকায় মাত্র ৫ মিনিটের পথ হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম চৌধুরী জানান, যারা গাছ লাগিয়েছে দাবি করছে তাদের সাথে যদি পরিষদের কোন চুক্তিপত্র হয়ে থাকে তা উপাস্থপন করতে হবে তদের। এ ধরণের কিছু না করে গাছের দাবি করে রাতের আঁধারে গাছ কেটে ফেলা আইন বহির্ভূত। তাদের বিরুদ্ধে অব্শ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কাউখালীতে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা সদরের ইউএনও সুমনি আক্তার জানান, বিষয়টি রাতে আমাকে জানানো হয়নি। যার দরুন গাছগুলো রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। তিনি জানান, এ বিষয়ে কাউখালী থানায় মামলা করা হবে এবং তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য থানাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক গাছের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, মানবিক দিক বিবেচনা করে একজন অসুস্থ্য মানুষের জন্য কাজ করতে চেয়েছিলাম। তিনি জানান, উপজেলা চেয়ারম্যানকে বিষয়টি লিখিতভাবে জানানোও হয়েছে। এরপরও যদি এ নিয়ে বিতর্ক হয় তাহলে আর কি করার আছে।




কাউখালীতে আইটেক কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের উদ্বোধন

কাউখালী প্রতিনিধ:

অনগ্রসর সাধারণ মানুষের মাঝে প্রযুক্তি সেবা বিকশিত করতে কাউখালীতে চালু হলো আইটেক কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার। বুধবার(১৫ নভেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা সদরের ইয়াছিন মার্কেটে প্রতিষ্ঠিত কম্পিউটার সেন্টারের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম. চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, প্রতিদিন খাবার গ্রহণ করা মানুষের জন্য যেমন অপরিহার্য, তেমনি সামনের দিনগুলোতে প্রতিটি মানুষের জন্য কম্পিউটার শিক্ষাও অপিহার্য হয়ে পড়বে। তিনি বলেন, তরুন প্রজন্মের মাঝে তথ্য প্রযুক্তি সেবা পৌঁছে দিতে আইটেক কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করবে। তিনি এমন একটি আয়োজনের জন্য প্রতিষ্ঠানটির আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এ্যানি চাকমা, কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কবির হোসাইন, কলমপতি ইউপি চেয়ারম্যান ক্যজাই মারমা, ফটিকছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ধন কুমার চাকমা, বিআরডিবির সাবেক চেয়ারম্যান মো. বেলাল উদ্দিন, সাংবাদিক ওমর ফারুক ইকবাল, সাবেক মেম্বার মো. আব্দুল মোতালেব, ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার মো. শরীফ উদ্দিন, মো. নাছির উদ্দিন ফারুক।

এতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক আরিফুল হক মাহবুব ও জয়নাল আবেদীন। প্রতিষ্ঠানটির ভর্তি কার্যক্রম ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। আগামী ১৮ নভেম্বর থেকে ক্লাস চালু হবে বলেও জানিয়েছেন আয়োজকরা।




কাউখালীর ৪নং কলমপতি ইউনিয়ন বিএনপি’র কাউন্সিল সম্পন্ন

কাউখালী প্রতিনিধি:

কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুসারে কাউখালীর ৪নং কলমপতি ইউনিয়ন বিএনপির কাউন্সিল সম্পন্ন হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে রবিবার(৫ নভেম্বর) উপজেলার নাইল্যাছড়িতে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে দলটি।

কলমপতি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাজী মহরম আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কাউন্সিলের উদ্বোধন করেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমএ মনছুর। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জসিম উদ্দিন খোকন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. মহিউদ্দিন, আবুল কাশেম, শফিকুল আলম, আব্দুল হান্নান আলমগীর, মো. আলমগীর হোসেন, আবুল কালাম আজাদ।

জেলা যুবদল সদস্য মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, উপজেলা যুবদল সভাপতি মো. আবুল হাশেম, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জুনু। কাপ্তাই উপজেলা ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মো. জুয়েল, কাউখালী উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি মমিনুল করিম জীবন, সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল উদ্দিন, ছাত্রনেতা আব্দুল্লাহ তুহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হাসেম, কলমপতি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মো. সালাউদ্দিন খান জাহেদ প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম রিপন।

দীর্ঘদিন পর ধারাবাহিকভাবে প্রতিটি ইউনিয়নের কাউন্সিল ঘিরে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা উজ্জীবিত। সরকারের বিভিন্ন বাঁধা বিপত্তির পরও অভ্যন্তরীন কোন্দল মুক্ত হয়ে সুন্দরভাবে কাউন্সিল সম্পন্ন করতে পারায় দলীয় নেতা কর্মীদের ধন্যবাদ জানান উপজেলা বিএনপির সভাপতি জসিম উদ্দিন খোকন।

সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে জোহরের নামাজের বিরতির পর অধিবেশন পুণরায় শুরু হয়। বিকাল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত গোপন ব্যালটের মাধ্যমে কাউন্সিলররা ভোটাধিকার প্রয়োগ করে। এতে সভাপতি পদে মো. নাছির উদ্দিন ৪০, সাধারণ সম্পাদক মো. ইসমাইল ৫৩, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. চান মিয়া ৩৬ ভোট পেয়ে পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত হন।




কাউখালীতে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন গ্রেফতার

কাউখালী প্রতিনিধি:

কাউখালীতে ৬ পিস ইয়াবাসহ  আরমান হোসেন (২৬) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাত ১২টায় মিনি মার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

এসময় ইয়াবার বড় একটি চালানসহ পালিয়েছে অন্যরা। আটককৃত যুবক কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার রানীমূহুরী গ্রামের ওহিদুর রহমানের ছেলে। কাউখালী উপজেলার কাশখালী এলাকায় তার শশুর বাড়ি বলে পুলিশ জানিয়েছে।

কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কবির হোসেন ঘটনার  সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন এ ব্যাপারে কাউখালী থানায় মামলা হয়েছে।

থানার এসএই মো আব্দুল কাদের জানান, কাউখালীতে একটি সেন্ডিকেট দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন কৌশলে পুরো উপজেলাজুড়ে ইয়াবা ট্যাবলেটের বিস্তার ঘটাচ্ছে। অত্যন্ত কৌশলী এ সেন্ডিকেটকে আটকের জন্য পুলিশ অনেকদিন যাবৎ চেষ্টা চালালেও বার বার ফসকে যাচ্ছে।

শুক্রবার মধ্যরাতে কাউখালীতে ইয়াবার একটি বড় চালান আসছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ কাউখালী রানীহাট সড়কে একটি সিএনজির গতিরোধ করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সিএনজিতে থাকা দুই ইয়াবা ব্যবসায়ী গাড়ি থেকে লাফিয়ে পালাতে চেষ্টা করে। এতে ইয়াবার বড় চালানসহ একজন পালিয়ে গেলেও আরমানকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

এসময় তার শরীর তল্লাশি করে ৬পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। পুলিশের ধারনা এরা মূল সেন্ডিকেটের সাথে জড়িত থাকতে পারে। জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে মুল সেন্ডিকেটের তথ্য বের করার চেষ্টা চালাবে পুলিশ।

দেশীয় মদ ও গাঁজার ছোবলে আক্রান্ত কাউখালীতে এবার মরন নেশা  ইয়াবা যুক্ত হওয়ার খবরে বিচলিত এলাকার মানুষ। সাধারণ মানুষের মতে অল্প থেকে এ নেশার বিষাক্ত ছোবল থেকে যুব সমাজকে রক্ষা করতে না পারলে ভয়াবহ পরিস্থিতি রূপ নিতে পারে।

ওসি মো. কবির হোসাইন জানান, গ্রেফতারকৃত আরমান হোসেনের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে এবং তার সঙ্গে থাকা অন্যান্যদের গ্রেফতারে পুলিশ মাঠে নেমেছে।




কাউখালীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা

কাউখালী প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটির কাউখালীতে কমিউনিটি পুলিশের মূল কথা `জনতাই পুলিশ, পুলিশই জনতা’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে কমিউনিটি পুলিশিং ডে ২০১৭ উলপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সকাল ১১টায় থানা প্রাঙ্গণ থেকে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি উপজেলার প্রেসক্লাব চত্তর ঘুরে কাউখালী থানার সম্মেলন কক্ষে কাউখালী থানা পুলিশ ও কমিউনিটি পুলিশিং এর আয়োজনে  আলোচনা সভায় মিলিত হয়।

এসআই কামাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায়  সভাপতিত্ব করেন কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ  মো. কবির হোসেন। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কাউখালী উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এ্যানি চাকমা কৃপা।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পুরুষ মংসুইউ চৌধুরী, ওসি (তদন্ত) শাখাওয়াত হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেলাল উদ্দিন, বেতবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সামশুদৌহা চৌধুরী, প্যানেল চেয়ারম্যান মিলন কান্তি, ঘাগড়া ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম শরীফ, মন্টু চাকমা, কলমপতি ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক ওমর ফারুক, সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল মোতালেব, শান্তি মনি চাকমা,  এসআই ভক্ত চন্দ্র দত্ত্ব, সুজন, আব্দুল কাদের, এএসআই জলিল, মাহামুদুল হক, খোরশেদ, হাসিন, মুক্তার হোসেন, জয়নাল আবেদীন, মনির হোসেন সহ আরো অনেকে।

আলোচনা সভায় বক্তারা জঙ্গী, মাদক, বাল্যবিহাহ রোধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।




কাউখালীতে গৃহকর্তার ছেলে কর্তৃক ধর্ষণের শিকার কাজের মেয়ে: অবৈধ গর্ভপাতে মৃত শিশুর জন্ম

কাউখালী প্রতিনিধি:

রাঙামাটির কাউখালীতে গৃহকর্তা কর্তৃক কাজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী ২৫ অক্টোবর দুপুরে গৃহকর্তার বাড়িতেই সাত মাস বয়সী মৃত শিশুর জন্ম দেয়।

বুধবার বিকেলে উপজেলার নাইল্যাছড়ির মাঝের পাড়ায় এঘটনা ঘটে। ঘটনা ধামাচাপা দিতে অভিনব কৌশল গ্রহণ করেছে অভিযুক্ত গৃহকর্তা।

কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কবির হোসাইন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্রেহাষীশ দাশ জানিয়েছেন ঘটনা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য কাউখালী থানাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার নাইল্যছাড়ির মাঝেপাড়া গ্রামের মোস্তফা তালুকদারের বাড়িতে গত চার বছর যাবত কাজের মেয়ে হিসেবে কাজ করে আসছিল নোয়াখালীর চরাঞ্চলের মৃত ফয়েজ আহম্মদের মেয়ে আনোয়ারা বেগম (১৮)। মা বাবা হারিয়ে এ কিশোরী বাঁচার তাগিদে খুব অল্প বেতনে দীর্ঘ সময় ধরে ওই বাড়িতে কাজ করতো বলে জানায় সে।

গত কয় বছর যাবৎ এ কিশোরী ওই বাড়িতে একাধিকবার ধর্ষণের শিকার হলেও প্রাণ ভয়ে কাউকে বলতে পারেনি। উপর্যপুরী নির্যাতনের শিকার হয়ে এক পর্যায়ে সে সাত মাসের অন্তসত্তা হয়ে পড়ে। গর্ভবতী হওয়া ও তার অস্বাভাবিকতা দেখে গৃহকর্তা মোস্তফার ছেলে চট্টগ্রাম পলেটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্র ফয়সাল বিভিন্ন স্থান থেকে ঔষধ খাইয়ে বাচ্চা নষ্ট করার চেষ্টা চালায়। অতিরিক্ত ঔষধ প্রয়োগের ফলে মারাত্মক অসুস্থ্য হয়ে পড়ে আনোয়ারা। তার চিৎকার আশপাশের লোকজন ছুটে আসলেও প্রবাবশালী ওই ব্যক্তির বাড়িতে সর্বসাধারণের প্রবেশাধিকার ছিল সীমিত। ফলে কেউ বাড়িতে প্রবেশ করতে পারেনি।

অবস্থা বেগতিক দেখে গৃহকর্তা মোস্তফা তালুকাদার তার স্ত্রীসহ গোপনে উপজেলার বিভিন্ন ফার্মেসীতে গিয়ে ডাক্তার দ্বারা বাচ্চা নষ্ট করার চেষ্টা চালায়। কিন্তু ফার্মেসীর ডাক্তারা রাজী না হওয়ায় ব্যর্থ হয়ে বাড়িতে চলে যায় তারা। বিকেল ৫টায় গৃহকর্তা মোস্তফার বাড়িতেই সাত মাসের মৃত সন্তানের জন্ম দেয় আনোয়ারা। অস্বাভাবিক সন্তান প্রসব পরবর্তী অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে মারাত্মক অসুস্থ্য হয়ে পড়ে ওই কিশোরী। পরে চেয়ারম্যানের নির্দেশে ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বার দেলোয়ার হোসেনসহ এলাকার লোকজন আনোয়ারাকে কাউখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। রাত ১২টায় অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করেন কর্তব্যরত ডাক্তার সাজ্জাদ হোসেন।

এ ঘটনার পর প্রভাবশালী মোস্তফা তালুকদার অসহায় আনোয়ারাকে মারাত্মক ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা পয়সার বিনিময়ে ঘটনাকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করার চেষ্টা চালায়। অতিরিক্ত ভয়ভীতি দেখানোর কারণে আনোয়ারা কারো নাম বলতে সাহস না পেলেও গৃহকর্তার ছেলে ফয়সাল দীর্ঘদিন যাবৎ ঔষধ খাইয়েছে বলে স্বীকার করে। সবশেষ ২২ অক্টোবর ফয়সাল তাকে ঔষধ খাওয়ানোর পর পেটে ব্যাথা ও রক্তক্ষরণ ও অসুস্থ্য হওয়ার কথা জানায় সে।

গৃহকর্তা মোস্তফা তালুকদার জানান, মেয়েটি ৪ বছর আমার বাড়িতে কাজ করে। তবে আমার বাড়িতে এ ধরণের কোন ঘটনা ঘটেনি। কিছু হয়ে থাকলে তা বাড়ির বাইরে হয়েছে। তবে তার ছেলে কেন ঔষধ খাওয়ালো এমন প্রশ্ন করতে তিনি উত্তেজিত হযে পড়েন।

কলমপতি ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বার দেলোয়ার হোসেন জানান, গ্রামে এ বাড়িটি ও মানুষগুলো একটু ভিন্ন প্রকৃতির। এদের সাথে সমাজের কারো তেমন একটা সম্পর্ক নেই। তাছাড়া এ বাড়িতে সবাই প্রবেশও করতে পারেনা। সুতরাং বাইরের কারো দ্বারা এমন ঘটনা ঘটানো অসম্ভব। তিনি জানান, যা হয়েছে তার বাড়িতেই হয়েছে এটা আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি।

কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্নেহাশীষ দাশ জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য থানাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ওসি কবির হোসাইন জানানিয়েছেন, মেয়েটির পক্ষ থেকে এখনো কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। তাছাড়া মেয়েটি মারাত্মক অসুস্থ্য হয়ে পড়েছে। আগে তার চিকিৎসা দরকার। সুস্থ্য হলে অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কাউখালীতে মেয়েটির কোন অভিভাবক না থাকায় এবং তাকে অব্যাহত ভয়ভীতির কারণে অপরাধীরা যাতে পার পেয়ে না যায় তার জন্য প্রশাসনকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।




কাউখালীর ৩নং ঘাগড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র কাউন্সিল সম্পন্ন

কাউখালী প্রতিনিধি:

নানা বাঁধা বিপত্তির পর কাউখালীর ৩নং ঘাগড়া ইউনিয়ন বিএনপির কাউন্সিল সম্পন্ন হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে শুক্রবার(২০ অক্টোবর) উপজেলার কাশখালী আমতল এলাকায় দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে দলটি।

উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অভিযোগ করেন, সম্মেলন আয়োজনের জন্য দলের পক্ষ থেকে প্রশাসনের কাছে প্রথমে উপজেলা পরিষদ হলরুমের জন্য আবেদন করা হয়। কিন্তু হলের কাজ পুরোপুরি শেষ না হওয়ার অজুহাতে তা বাতিল করে।

পরবর্তীতে উপজেলা সদর থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে কাশখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে সম্মেলনের জন্য অনুমতি প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। কিন্তু সম্মেলনের মাত্র দু’দিন পূর্বে অদৃশ্য হাতের ইশারায় নির্ধারিত স্থানটিও বাতিল করে প্রশাসন। ফলে বৃষ্টির মাঝে হঠাৎ করে নতুন স্থানে অনুষ্ঠান আয়োজন করতে হিমশিম খেতে হয়।

ঘাগড়া ইউনিয়নের বর্তমান সভাপতি ও সাবেক মেম্বার আব্দুল মোতালেবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কাউন্সিলের উদ্বোধন করেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমএ মনুছর।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জসিম উদ্দিন খোকন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা মো. খোরশেদ আলম, সহসভাপতি মো. মহিউদ্দিন, আবুল কাশেম, সফিকুল আলম, আব্দুল হান্নান আলমগীর, মো. আলমগীর হোসেন, আবুল কালাম আজাদ। জেলা যুবদল সদস্য মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, উপজেলা যুবদল সভাপতি মো. আবুল হাশেম, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জুনু।

ছাত্রদল সভাপতি মমিনুল করিম জীবন, সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল উদ্দিন, ছাত্রনেতা আব্দুল্লাহ তুহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হাসেম প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু বকর মো. তারা মিয়া।

সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে জুমার নামাজের বিরতির পর অধিবেশন শুরু হয়। বিকাল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত গোপন ব্যালটের মাধ্যমে কাউন্সিলররা ভোটাধিকার প্রয়োগ করে। এতে সভাপতি পদে আবু বকর মো. তারা মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল উদ্দিন পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত হন।




ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পসমূহের কাজ দ্রুত সময়ে শেষ করার তাগিদ

কাউখালী প্রতিনিধি:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করার ঘোষণাকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ অঞ্চলের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুত শেষ করার তাগিদ দিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান ও পার্বত্য সচিব নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা।

তিনি মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর )কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়া উপগ্রহ-ভূকেন্দ্রে নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট পরিদর্শন, নবনির্মিত কাউখালী উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়াম ও কাউখালী-কচুখালী সড়ক নির্মাণ কাজের উদ্বোধন শেষে নবনির্মিত অডিটরিয়াম মিলনায়তনে এক সভায় একথা বলেন।

কাউখালী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান চৌচামং চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) তপন কান্তি ঘোষ, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান চিংকিউ রোয়াজা, কাউখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক মো. বেলাল উদ্দিন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কমল বরন সাহা প্রমুখ।

এতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম সচিব নাছিরুল আলম, সুদত্ত চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মজিবুল আলম।

নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করার লক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামে ব্যাপক উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সমূহকে উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ করার তাগিদ দেন। তিনি বলেন, ৫৪ কোটি টাকার বাজেট নিয়ে যে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো সেখানে আজ হাজার কোটি টাকার উন্নয়নের বাজেটে কাজ করা হচ্ছে।

পার্বত্য সচিব বলেন, সরকারের আন্তরিকতার কারণে পার্বত্য চট্টগ্রামে যে সব জায়গায় বিদ্যুৎ পৌঁছাইনি সেখানে ৪৬ কোটি টাকা ব্যয়ে সোলার প্যানেল নির্মাণের প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। এছাড়া বিলুপ্ত প্রায় বাঁশ শিল্পকে বাঁচাতে এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের বসবাসরত সকল সম্প্রদায়ের অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রতিটি উপজেলায় বাঁশ বাগান সৃজন ও মিশ্র ফলদবাগানের প্রকল্প বাস্তবায়ন নারীদের বিশেষ প্রশিক্ষন দেয়ার কথাও বলেন।