টেকনাফে বিদেশী বিয়ার জব্দ

টেকনাফ প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের টেকনাফে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসার পথে বিপুল পরিমান বিদেশী বিয়ার জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড।

সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে কোস্ট গার্ড পূর্ব জোনের অধিনস্থ সিজি স্টেশন টেকনাফ’র একটি টহল দল নিয়মিত টহলের সময় কেরুনতলী এলাকা থেকে বিয়ার গুলো জব্দ করা হয়।

টেকনাফ কোস্ট গার্ড সিজি স্টেশনের কমান্ডার তাসকিন নুর জানান, মিয়ানমার থেকে বিয়ার আসার গোপন সংবাদে কেরুনতলী কেওড়া বাগান এলাকা থেকে  পাচারকারীদের ফেলে যাওয়া ২২ বোতল গ্রান্ড রয়েল মদ, ২০ বোতল সাইরাম মদ, ১৮ ক্যান ডাইব্লু বিয়ার এবং ১২ ক্যান সিঙ্গা বিয়ার জব্দ করে। যার আনুমানিক মূল্য ৬০ হাজার ৬শত টাকা।

তিনি আরও জানান, জব্দকৃত বিয়ারগুলো মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে জমা করা হয়েছে।




নির্যাতিত স্ত্রীকে উদ্ধার করতে গিয়ে আগ্নেয়াস্ত্রসহ কার্তুজ উদ্ধার

টেকনাফ প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের টেকনাফে স্বামীর নির্যাতন থেকে স্ত্রীকে উদ্ধার করতে গিয়ে একটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৬ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেছে টেকনাফ মডেল থানার পুলিশ।

মঙ্গলবার বিকালে এসআই সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে সাবরাং ইউনিয়নের নয়াপাড়ার গোলাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. আব্দুল্লাহর বাড়ি থেকে এসব আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজগুলো উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ছোট হাবিবপাড়ার মৃত শামসুল আলমের মেয়ের সাথে সাবরাং নয়াপাড়ার গোলাপাড়ার মৃত মহব্বত আলীর ছেলে মো. আব্দুল্লাহ (৩৫)’র বিয়ে হয়।

বিয়ের পর থেকে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে শারীরিক নির্যাতন করে আসছিল স্বামী। এ নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে তার স্ত্রী রোজিনা আক্তার নির্যাতনের বিষয়টি তার ছোট বোনকে জানায়।

তার বোন বুলবুলি আক্তার (২১) বাদি হয়ে টেকনাফ মডেল থানায় বড় বোন রোজিনা আক্তারকে নির্যাতনের অভিযোগ দায়ের করেন। এ অভিযোগ থানার এসআই সাইফুল ইসলামকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

অভিযানকারী এসআই সাইফুল ইসলাম জানান, ভূক্তভোগী স্ত্রীকে উদ্ধার করতে গিয়ে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নির্যাতনকারী  মো. আব্দুল্লাহ (৩৫) আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ ফেলে পালিয়ে যায়।

টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাইন উদ্দিন জানান, স্ত্রীকে নির্যাতন করার সময় উদ্ধার করতে গিয়ে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নির্যাতনকারী একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৬ কার্তুজ ফেলে পালিয়েছে।

এঘটনায় টেকনাফ সাবরাং ইউনিয়নের নয়াপাড়া গোলাপাড়ার মৃত মহব্বত আলীর ছেলে মো. আব্দুল্লাহকে  আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।




রোহিঙ্গাদের উপর বর্বরোচিত নির্যাতনের বর্ণনা শুনলেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত

16923558_662977730571495_1595652294_n

উখিয়া প্রতিনিধি :
কক্সবাজারে উখিয়ার বালুখালী নতুন রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ দূত ইয়াংঘি লি। মঙ্গলবার একুশে ফেব্রুয়ারী দুপুরে এ ক্যাম্প পরিদর্শন করেন।

এ সময় প্রায় দুই ঘন্টা মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর হাতে নির্যাতিত অন্তত পঞ্চাশ জন নারী-পুরুষের কথা শুনেন জাতিসংঘের মানবধিকার বিষয় দূত ইয়াংঘি লি। পরিদর্শনকালে রোহিঙ্গা নাগরিকদের উপর বর্বরোচিত নির্যাতন, হত্যাযজ্ঞ, মানবধিকার লংঘন ও বাড়ি ঘরে অগ্নিসংযোগের বর্ণনা শুনে তিনি মর্মাহত হন।

রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব, স্ব-দেশে ফেরত বিষয়ে আর্ন্তজাতিক পর্যায়ে মিয়ানমারকে চাপপ্রয়োগ সহ সমস্যা সমাধানের জন্য জাতিসংঘ কাজ করবে বলে নির্যাতিত রোহিঙ্গাদেরকে আশ্বস্ত করেন। এই সময় উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহকারী পররাষ্ট্র সচিব বাকী বিবাহ, মিয়ানমারের মানবাদিকার বিষয়ক রিপোর্টার, উখিয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি ) নুরুদ্দিন মো. শিবলী, আইএমও প্রতিনিধি সৈকত বিশ্বাস ও জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর কার্যালয়ের বাংলাদেশস্থ কমিউনিকেশন এন্ড পার্টনারশিপ অফিসার নাজ্জিনা মোহসিন।

মিয়ানমারের খিয়াজী পাড়া গ্রামের আব্দুস ছবুরের স্ত্রী আয়েশা খাতুন (৪৫) বলেন, গত দুই মাস আগে দুই ছেলে দুই মেয়েকে নিয়ে নাফ নদী পার হয়ে এ দেশে চলে আসি। ওখানকার মিলিটারী আমার স্বামীকে ধরে নিয়ে গিয়ে গুলি করে হত্যা করেছে। মিয়ানমারের শীলখালী গ্রামের আলী আকবরের স্ত্রী দিলদার বেগম বলেন, গত দেড় মাস আগে স্বামী ও সন্তানকে মিলিটারি হত্যা করে। কোনমতেই পালিয়ে আসি এখানে ঝুপড়ি ঘরে আশ্রয় নিয়েছি। কেয়ারীপাড়া গ্রামের হাজেরা বেগম বলেন আমার স্বামী অনেক দিন ধরে নিখোঁজ আছে। এখনো জানি না কোথায় আছেন,জীবিত না মৃত। মেীলভী জাফর আলম বলেন মিয়ানমার সরকার য়দি নাগরিকত্ব দিলে নিজ দেশে ফিরে যেতে চাই। এ্খনো নতুন রোহিঙ্গা আসছে।

মিযানমারের পোয়াপাড়া গ্রামের সাবেক চেযারম্যান আবুল ফয়েজ বলেন মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী কর্তৃক এ  পর্যন্ত অনেক নারী গণ ধর্ষণের শিকার হয়েছে। তিনি আরো বলেন মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর হাতে গণ ধর্ষণের শিকার ৪২ নারী ও গুলিবিদ্ধ ৩৬ পুরুষের নাম সম্বলিত একটি তালিকা ইয়াংঘি লি হাতে তুলে দেন ।




রামুতে ফের যাত্রীবাহী বাস উল্টে আহত ৪০

ramu pic bus 21.02

রামু প্রতিনিধি:

রামুতে ফের যাত্রীবাহী বাস উল্টে ৪০জন আহত হয়েছে। রামুর জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের রাবার বাগান এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে মঙ্গলবার  ভোরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আহতদের রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

চিকিৎসকরা জানান, আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা সংকটাপন্ন। ঢাকা থেকে আসা দুর্ঘটনা কবলিত রিলাক্স (ঢাকামেট্টো ব ১৪-২৩৩৮) নামের বাসটি টেকনাফ যাচ্ছিলো বলে জানা গেছে।

দুর্ঘটনার সাথে সাথেই পার্শ্ববর্তী রাবার বাগান আনসার ক্যাম্পের সদস্যরা গাড়িতে আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধার কাজ শুরু করে।

পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দমকল কর্মী এবং রামু থানা ও হাইওয়ে পুলিশ সদস্যরা দুর্ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার তৎপরতা চালায়। উদ্ধার তৎপরতা দেখতে ঘটনাস্থলে যান রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাজাহান আলি।

দুর্ঘটনায় আহত বাসযাত্রী পুলিশের উপ পরিদর্শক আবদুল হান্নান মিলন জানান, তিনি চট্টগ্রাম থেকে টেকনাফ যাচ্ছিলেন। এখানে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি উল্টে যায়। এতে গাড়ির সব যাত্রীই কমবেশি আহত হয়েছেন।

রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় আহত ১০ জন যাত্রীকে হাপাতালে নিয়ে আসেন উদ্ধারকর্মিরা। এদের মধ্যে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ৮জনকে অন্যত্র রেফার করা হয়েছে। অপর ২জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এদিকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে আহত অন্যান্য যাত্রীদের সর্বশেষ অবস্থা জানা সম্ভব হয়নি।

উল্লেখ্য গত ১১ ডিসেম্বর রামু উপজেলার রশিদনগর ইউনিয়নের পানিরছড়া গ্যারেজ এলাকায় ইউনিক পরিবহন সার্ভিসের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ৪ জন নিহত ও ৩০ জন আহত হয়েছিলেন।




রামু আবু বকর ছিদ্দিক (রা.) ইন্সটিটিউট দাখিল মাদ্রাসায় অমর একুশে উদযাপন

ramu pic abu bakar institut 21.02.17

রামু প্রতিনিধি:

রামু চা বাগান হযরত আবু বকর ছিদ্দিক (রা.) ইন্সটিটিউট দাখিল মাদ্রাসায় যথাযথ মর্যাদায় অমর একুশে ও আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে র‌্যালি, কুইজ প্রতিযোগিতা, ভাষা শহীদদের জন্য বিশেষ মোনাজাত এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

সকাল আটটায় মাদ্রাসা প্রাঙ্গন থেকে শুরু হওয়া র‌্যালিটি চা বাগান স্টেশন সহ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য, শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

র‌্যালি শেষে মাদ্রাসা মিলনায়তনে সিনিয়র শিক্ষক আবদুল মতলব’র সঞ্চালনায় আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সহ সভাপতি মাওলানা নুরুল হুদা। এতে পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবু তাহের, মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা শুয়াইব, শিক্ষানুরাগি মাস্টার ফখরুদ্দিন টিটু, সাইফুল ইসলাম চৌধুরী, এজাহার মিয়া, নুরুল হোছাইন, রমিজ আহমদ, মো. হাশেম, ওবাইদুল হক, আবদুল মুবিন, শিক্ষকবৃন্দের মধ্যে মাওলানা শহিদুল্লাহ মাওলানা কামাল হোছাইন, সানা উল্লাহ বাবর, রেহেনা আকতার, মুর্শিদা আকতার, রোকসানা আকতার, মুর্শিদা আকতার লাকি, মোমেনা আকতার, শাহিদা খানম ও নুরান মো. শারমিন বক্তব্য রাখেন।

এতে ভাষা শহীদদের জন্য বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা নুরুল হুদা। শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী হামিদ উল্লাহ।




চকরিয়ায় ২বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

চকরিয়া প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের চকরিয়ায় পুলিশের অভিযানে আজিম উদ্দিন (৩৫) নামের ২বছর ২মাসের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক এক আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চকরিয়া পৌর এলাকার মগবাজার স’মিলের সামনে থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আজিম উদ্দিন উপজেলার চিরিংগা ইউনিয়নের পালাকাটা ২নম্বর ওয়ার্ডের সোলতান আহমদের ছেলে।

চকরিয়া থানার উপ-পরিদর্শক( এস আই) মাজেদুল ইসলাম ও উপ-পরিদর্শক (এস আই) কাউচার উদ্দিন চৌধুরীর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৌরসভার মগবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করেন।

গ্রেফতারকৃত আসামী আজিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে আদালতে জালিয়াতি ও প্রতারণা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হন এবং গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন।

চকরিয়া থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এস আই) মাজেদুল ইসলাম বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামী আজিম উদ্দিন মামলায় সাজা হওয়ার পর থেকে তিনি দীর্ঘদিন যাবত পলাতক ছিলেন। সর্বশেষ সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

চকরিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত)কামরুল আজম বলেন, পুলিশ আজিম উদ্দিন নামের ২বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে।




কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়ি ও সুগন্ধা পয়েন্ট দখলমুক্ত করছে জেলা প্রশাসন

DSC_0025 copy

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়ি দখল করে গড়ে উঠা স্থাপনা ও সুগন্ধা পয়েন্টে অবৈধ দোকানঘর উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।

সোমবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত সমুদ্র সৈকতের ইনানী ও সুগন্ধা পয়েন্টে এ অভিযান চালানো হয়। এতে শতাধিক স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এসময় অন্যান্য স্থাপনা গুলো দ্রুত সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। যেখানে রয়েছে দুই হাজারেরও বেশি স্থাপনা।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পিএম ইমরুল কায়েস ও সদর সহকারী কমিশনার (ভুমি) পঙ্কজ বড়ুয়া অভিযান গুলোর নেতৃত্ব দেন।

পিএম ইমরুল কায়েস বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় এ অভিযান চলছে। দ্রুত সকল অবৈধ স্থাপনাও উচ্ছেদ করা হবে।




চকরিয়ায় বাসের ধাক্কায় পথচারী নিহত

চকরিয়া প্রতিনিধি :
চকরিয়ায় এস আলম পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় মিরাজুল ইসলাম (১৯) নামের পথচারী এক যুবক নিহত হয়েছে। রোববার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপজেলার বরইতলী নতুন রাস্তার মাথায় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মিরাজ উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের খয়রাতিপাড়া গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকাল আনুমানিক সাড়ে তিনটার দিকে চকরিয়া-পেকুয়া আঞ্চলিক সড়কের বরইতলী নতুন রাস্তার মাথায় এলাকায় পথচারী মিরাজ সড়ক পার হচ্ছিলেন। ওই সময় কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামগ্রামী এসআলম পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এসময় ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পৌঁছ জনতার সহায়তায় হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা ঘাতক বাসটি আটক করলেও চালক ও হেলফার পালিয়ে যায়।

চিরিঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরির্দশক (এসআই) নুরুল ইসলাম বলেন, বাসের ধাক্কায় নিহত মিরাজের লাশ উদ্ধার করে পরিবারের নিকট হস্তানান্তর করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে বাসটি আটক করা হয়েছে।




চকরিয়ায় ৩ দিন ধরে কিশোর নিখোঁজ

chakaria mitol, 19-2-17
চকরিয়া প্রতিনিধি :
চকরিয়া পৌর এলাকায় ৩ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে ১২বছর বয়সী এক কিশোর। এনিয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় জিডি (নং ৯৩৬) করেছে।

সাধারণ ডায়েরী সূত্রে জানা গেছে, চকরিয়া পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের মাস্টারপাড়া তাজুল ইসলামের আশ্রয়ে ছিলেন তার স্ত্রীর মামাতো ভাই মৌসুল ইসলাম মিতুল (১২)। সে পৌর শহরের ফুটপাটে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীয় তাজুলের সহযোগী ছিল। কিন্তু প্রতিদিনের মতো গত ১৭ ফেব্রুয়ারী বিকাল ৪টায় বাসাবাড়ি হতে নামাজ পড়ার জন্য বের হওয়ার পর আর বাসায় ফিরেনি।

সে কুমিল্লা জেলার লাকসাম থানার গৌবিন্দপুর বেড়িবাধ এলাকার মো. বাবুলের ছেলে। নিঁখোজ কিশোরের কোথাও সন্ধান না পেয়ে তাজুলের স্ত্রী শাহানা বেগম (৪০) বাদী হয়ে পরদিন ১৮ ফেব্রুয়ারী থানায় সাধারণ ডায়েরীটি করেন।

এতে তিনিি জানিয়েছেন, কিশোর মৌসুল ইসলাম মিতুলের গায়ের রং শ্যামলা, উচ্চতা ৩ ফুট ৪ ইঞ্চি ও পরনে ছিল জিন্সের কালো রংয়ের প্যান্ট, লাল ও কালো রংয়ের ফুলের হাফ হাতা শার্ট এবং কুমিল্লার আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলে।




টেকনাফে সাড়ে ৯ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার

teknaf pic yaba 19-2-17 copy

টেকনাফ প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের টেকনাফে গত দু’দিনে পৃথক অভিযানে ৯ লাখ ৪৪ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড ও বিজিবি। তবে এ ঘটনায় দুটি নৌকা জব্দ করা হলেও কাউকে আটক করতে পারেনি।

কোস্টগার্ড সূত্র জানায়, রোববার রাত ২ টার দিকে টেকনাফ স্টেশন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট তাসকিন রেজার নেতৃত্বে কোস্টগার্ড সদস্যরা টেকনাফ স্থলবন্দর সংলগ্ন ছাড়িঅং এলাকায় মিয়ানমার থেকে আসা একটি নৌকাকে দাঁড়ানোর সংকেত দিলে তারা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায়। এসময় তাদেরকে ধাওয়া করলে দু’টি ইয়াবার বস্তা ফেলে পালিয়ে যায়। ওই বস্তা থেকে ৪ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। যার মূল্য ২০ লাখ টাকা।

এছাড়া শনিবার ভোর ৫টায় নাফ নদীর মোহনা নাইক্ষ্যংদিয়া চ্যানেল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে। তবে এ সময় কাউকে আটক করতে পারেনি।

এ প্রসঙ্গে টেকনাফ স্টেশন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট তাসকিন রেজা জানান, উদ্ধারকৃত ইয়াবাগুলো মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে জমা করা হয়েছে।

অন্যদিকে, শনিবার সাড়ে পাঁচটার দিকে টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যংপাড়া ও নাফ নদীর সংযোগ হেচ্ছারখাল এলাকা থেকে ৪৪ হাজার ইয়াবা বড়িসহ একটি নৌকা জব্দ করেছে বিজিবি।

টেকনাফ-২ বিজিবির উপ-অধিনায়ক মেজর আবু রাসেল ছিদ্দিকী বলেন, মিয়ানমার থেকে একটি ইয়াবার চালান আসছে। এমন খবর পেয়ে হেচ্ছারখাল এলাকায় অবস্থান নেয় বিজিবি। পাচারকারীরা বিজিবির সদস্যদের দেখতে পেয়ে ঝাঁপ দিয়ে খালের ওই পারে পালিয়ে যায়। ওই সময় নৌকায় তল্লাশি চালিয়ে পলিথিন ব্যাগে মোড়ানো ৪৪ হাজার ইয়াবা বড়ি পাওয়া যায়।

মেজর আবু রাসেল সিদ্দিকী আরও বলেন, উদ্ধার করা ইয়াবা বড়িগুলো ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে জমা রাখা হবে। তা পরবর্তী সময়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে নষ্ট করা হবে।