কক্সবাজারের ইয়াবা ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা আইজিপির

IGP-Shohidul

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

ইয়াবা ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক একেএম শহীদুল হক।

বুধবার বিকেলে কক্সবাজারের টেকনাফে ‘মাদক ও জঙ্গিবাদ বিরোধী’ এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

কক্সবাজার জেলা পুলিশ আয়োজিত এ সমাবেশে পুলিশ প্রধান আরও বলেন, ইয়াবা রোধে যতটা কঠোর হতে হয় পুলিশ ততটা কঠোর হবে। পাশাপাশি জঙ্গিবাদ ও অবৈধ হুণ্ডি ব্যবসা বন্ধে জনগণকে সাথে নিয়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলতে হবে।

টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কক্সবাজার পুলিশ সুপার ড.একেএম ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি এসএম মনির উজ জামান, জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন।

এর আগে টেকনাফ মডেল থানার নতুন ভবন ও বাহারছড়ায় নবনির্মিত পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র’র ভবন উদ্বোধন করেন আইজিপি।




অপরাধী প্রভাবশালী কিংবা পুলিশও যদি হয় কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা: একেএম শহীদুল হক

IMG_0282 copy

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল একেএম শহীদুল হক বলেন, অপরাধী প্রভাবশালী কিংবা পুলিশও যদি হয় কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা।

বুধবার দুপুর ১২ টার দিকে পুলিশের নির্মাণ শাখা কর্তৃক নির্মিত টেকনাফ বাহারছড়ায় নবনির্মিত বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্র’র ভবন উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন শেষে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইজিপি, একেএম শহীদুল হক এ কথা বলেন।

এ উদ্বোধন শেষে তিনি মেরিনড্রাইভ হয়ে টেকনাফ যাবেন। আর বিকাল ৩টায় টেকনাফ মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা পুলিশের উদ্যোগে স্থানীয় সুধীজনদের নিয়ে আয়োজিত ‘মাদক ও জঙ্গিবাদ বিরোধী সমাবেশ’ প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন এ পুলিশ প্রধান।

পরে সাড়ে ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন টেকনাফ মডেল থানার নতুন ভবনের উদ্বোধন করবেন।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি এসএম মনির-উজ-জামান ও জেলা প্রশাসক আলী হোসেনসহ অন্যান্যরা।




পুলিশ প্রধান এখন কক্সবাজারে

IGP-Shohidul

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

কক্সবাজার পৌঁছেছেন পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল একেএম শহীদুল হক।

বুধবার সকাল ১১টায় কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি। এরপর মেরিনড্রাইভ হয়ে টেকনাফ যাওয়ার কথা রয়েছে আইজিপির। পথিমধ্যে পুলিশের নির্মাণ শাখা কর্তৃক নির্মিত বাহারছড়ায় নবনির্মিত পুলিশ ফাঁড়ির ভবন উদ্বোধন করবেন। পরে সাড়ে ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন টেকনাফ মডেল থানার নতুন ভবনের উদ্বোধন করবেন তিনি।

পরে বিকাল ৩টায় টেকনাফ মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা পুলিশের উদ্যোগে স্থানীয় সুধীজনদের নিয়ে আয়োজিত ‘মাদক ও জঙ্গিবাদ বিরোধী সমাবেশ’ প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন পুলিশ প্রধান।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি এসএম মনির-উজ-জামান ও জেলা প্রশাসক আলী হোসেনসহ অন্যান্যরা।

এদিকে পুলিশের সর্বোচ্চ ব্যক্তি আইজিপিকে বরণ করতে পুলিশের পাশাপাশি টেকনাফের সর্বপেশার মানুষ একযোগে কাজ করছে।




কুতুবদিয়ায় ফের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

কুতুবদিয়া প্রতিনিধি

কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় পানিতে ডুবে ফের সাবরিনা নামের ২ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আরও এক শিশু পানি ডুবির ঘটনায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে।

মঙ্গলবার উপজেলার উত্তর ধুরুং ও বড়ঘোপ মিয়ার পাড়ায় পানি ডুবির ঘটনা দু’টি ঘটেছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও হাসপাতাল সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার উত্তর ধুরুং মগলাল পাড়ার নুরুল হুদার শিশু কন্যা সাবরিনা সন্ধ্যার পর পাশের পুকুরে ডুবে যায়। পরে তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটি মৃত বলে জানান।

অপর দিকে একই দিন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলা সদর বড়ঘোপ মিয়ার পাড়ায় আব্দু শুক্কুরের শিশু কন্যা তাসকিয়া (৮) বাড়ির পাশের পুকুরে তলিয়ে যায়। তবে তাকে পুকুর থেকে দ্রুত তুলে হাসপাতালে নেয়া হলে জ্ঞান ফিরলেও শ্বাস প্রশ্বাসে ধীরগতি ছিল। জরুরী অক্সিজেন দেয়ার প্রয়োজন হয়। কিন্তু হাসপাতালে অক্সিজেন না থাকায় স্থানীয় রোমাই পাড়ায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে পাঠানো হয় শিশুটিকে। শিশুটি এখনো আশঙ্কাজনক।




কুতুবদিয়ায় চিকিৎসার নামে প্রতারণার শিকার প্রতিবন্ধী শিশু

Noor copy

কুতুবদিয়া প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় এক প্রতিবন্ধী শিশুকে চিকিৎসার নামে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে এক প্রতারক। বিদেশি চিকিৎসা ও শিশুটির চলা-ফেরার জন্য হুইল গাড়িসহ নানা প্রলোভন দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয় ওই প্রতারক।

উপজেলা সদর উত্তর বড়ঘোপ গ্রামের ছানোয়ারুল হক তার ১২ বছর বয়সী কন্যা নুর সায়েবার চিকিৎসার নামে প্রতারকের খপ্পরে পড়ে এখন পথে বসেছেন। নুর সায়েবার মা রাবেয়া বসরী জানান, তার মেয়েটি জন্মের দু‘বছর পরে মাঝে মধ্যে খিচুনি দেখা দেয়। এটি আস্তে আস্তে মানসিক রোগ, বেহুশাবস্থা, শারীরিক প্রতিবন্ধী সহ হাবাগোবায় রূপ নেয়। দিনে অন্তত: ১০/১২ বার খিচুঁনি দেখা দেয় শিশুটির। স্থানীয় ভাবে বিভিন্ন চিকিৎসা করে তিনি সুফল পাননি।  এক পর্যায়ে বাক প্রতিবন্ধীতে পরিণত হয়।

দীর্ঘ এক দশক ধরে শিশুটি কে অনেক কষ্টে লালন-পালন করে যাচ্ছেন বেকার পিতা ছানোয়ারুল হক। অর্থের অভাবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দিয়ে শিশুটির চিকিৎসা সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, গত ১৬ এপ্রিল  ২৩/২৪ বছর বয়সী এক ব্যক্তি ভারত থেকে প্যারালাইসিস, মানসিক রোগ, বাতজ্বর সহ নানা রোগের প্রশিক্ষণ নিয়ে এসেছেন বলে দাবি করে তাদের বাড়িতে যান। নুর সায়েবাকে গ্যারান্টি সহকারে সারিয়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ৮ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। কিছু ট্যাবলেট পিষিয়ে ৩ ধরণের মলম তৈরি করে ১৫ দিন  মালিশ ও খাবার ঔষধ দিয়ে  আবার আসার কথা বলে চলে যায়। যোগাযোগের জন্য ভারতীয় একজন হারবাল চিকিৎসকের ভিজিটিং কার্ডের পেছনে দু‘টি মোবাইল নাম্বার দিয়ে যায়।

এ নাম্বারে ফোন দেয়া হলে গত ২৬ এপ্রিল আসার কথা বলে আসেনি। পরে বলেছে ৩০ এপ্রিল আসবে। এবারো আসেনি। এর পর মোবাইল নাম্বারই বন্ধ করে দেয় প্রতারকটি। মেয়ের সুচিকিৎসার আশা করে বিশ্বাস নিয়ে কষ্টের যোগাড় করা অর্থ হারিয়ে পরিবারটি এখন নিঃস্ব।




জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৪নং ওয়ার্ড পেকুয়া উপজেলার নির্বাচন অনুষ্ঠিত

unnamed copy

পেকুয়া প্রতিনিধি:

কক্সবাজার জেলা পরিষদ নির্বাচনে স্থগিত হওয়া ৪নং ওয়ার্ড পেকুয়া উপজেলার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত উপজেলা পরিষদ হলরুমে ভোটগ্রহণ হয়। উপজেলা পরিষদে ভোট চলাকালে পুলিশ, ব্যাটেলিয়ান, আনসারকর্তৃক কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দুপুর ২টায় ভোট গ্রহণ শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহাবুবুল করিম ফলাফল ঘোষণা করেন। ফলাফলে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম টিউবওয়েল প্রতীক নিয়ে ৫৮ ভোট, তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জেলা আ’লীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক আবু হেনা মোস্তাফা কামাল ঘুড়ি প্রতীক নিয়ে ১৩ ভোট, উপজেলা আ’লীগের প্রয়াত সভাপতি মরহুম আকম সাহাব উদ্দিন ফরায়েজীর পুত্র হাফেজ মেহেদী হাসান ফরায়েজী সিএনজি অটোট্যাক্সি প্রতীক নিয়ে ৩ ভোট, পেকুয়া সমবায় ক্রেডিট ইউনিয়নের সেক্রেটারী মুন্সী তারেক ছিদ্দিকী তালা প্রতীক নিয়ে ৩ ভোট, রাজাখালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি রিয়াজ খান রাজু পাখা প্রতীক নিয়ে ১ ভোট, এটিএম জায়েদ মোর্শেদ হাতি প্রতীক নিয়ে ০ ভোট পেয়েছেন।

এতে জেলা পরিষদের ৪নং ওয়ার্ড পেকুয়া উপজেলার সদস্য হিসাবে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমকে। তাহার প্রাপ্ত ভোট ৫৮। নির্বাচন অফিস সূত্রে জানায় উপজেলা পরিষদ, ৬টি ইউনিয়ন পরিষদ (পেকুয়া সদর, মগনামা, উজানটিয়া, রাজাখালী, টইটং, বারবাকিয়া) মোট ভোটার সংখ্যা ৮১জন এর মধ্যে উজানটিয়া ইউপির ৮ ইউপি সদস্য মারা যাওয়ায় সদস্য পদ শূন্য হয়। পরে ওই ওয়ার্ডে উপ নির্বাচন দিলেও নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটার হয়নি এবং টইটং ইউপির ৬নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত সদস্যকে বিভিন্ন আইনী জটিলতায় শপথ না করানোর কারণে ওই ওয়ার্ড শূন্য হয়ে যায়। এখনো উপ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।

অপর দিকে রাজাখালী ইউপি চেয়ারম্যান আ’লীগ নেতা ছৈয়দ নুরকে অস্ত্র মামলায় র‌্যাব আটক করে। বিভিন্ন কারণে ৩জন জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। ফলাফল ঘোষনা করার পরপরই জাহাঙ্গীর আলমের সমর্থকরা উপজেলা গেইট থেকে বিজয় মিছিল করে। নির্বাচন চলাকালে কেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন পেকুয়া থানার ওসি জহিরুল ইসলাম খানসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।

এ ব্যাপারে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহাবুবউল করিম জানান সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও টিউবওয়েল প্রতীকের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।




 চকরিয়া কলেজ ছাত্রলীগ নেতা মাহিনের ওপর সন্ত্রাসী হামলা

Chakaria Pic. (Mahin) 22.05

চকরিয়া প্রতিনিধি:

চকরিয়ায় কলেজ ছাত্রলীগের এক নেতার ওপর সন্ত্রাসী হামলা করে নগদ টাকা ও মোবাইল সেট ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে গুরুতর আহত ছাত্রলীগ নেতাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়। সোমবার বিকেল ৪টার দিকে পৌরসভার স্বপ্নপূরী ক্লাবের কাছে ঘটেছে এ ঘটনা।

আহত ছাত্রলীগ নেতার দাবি, পূর্ব বিরোধের জের ধরে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন মিটু ও অন্যতম সহযোগী হাবিবুর রহমান হাবিবের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী তার ওপর পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালায়। এ সময় তার কাছ থেকে নগদ ৯৫ হাজার ৭০০ টাকা এবং দামি দু’টি মোবাইল সেট ছিনিয়ে নেয়।

আহত ছাত্রলীগ নেতার নাম মো. জাহাঙ্গীর আলম মাহিন (২৫)। সে চকরিয়া পৌরসভার ৮নম্বর ওয়ার্ডের মাষ্টার পাড়ার ঠিকাদার রশিদ আহমদের পুত্র এবং চকরিয়া কলেজ ছাত্রলীগের নেতা।

আহত ছাত্রলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম মাহিন সোমবার থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে আরও দাবি করেছেন, চকরিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন মিটু তার অপকর্মের অন্যতম সহযোগী হাবিবুর রহমানকে সাথে নিয়ে ছাত্রলীগের নাম ভাঙিয়ে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ব্যবসা ও মোটর সাইকেল চুরির মতো অসংখ্য অপরাধ সংঘটিত করে আসছিল। এমনকি ইতিপূর্বে মোটর সাইকেল চুরির ঘটনায় সাদ্দাম হোসেন মিটুর বিরুদ্ধে মামলাও রুজু হয় এবং এ মামলায় দীর্ঘদিন ধরে সে জেল খেটে বের হয়।

আহত মাহিনের আরও অভিযোগ, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন মিটু সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্নকারী এসব অপরাধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তাকেও (মাহিন) সম্পৃক্ত করতে চেয়েছিল। কিন্তু তার এসব অপকর্মে সহায়তা না করায় ক্ষিপ্ত হয়ে  সোমবার বিকেল ৪টার দিকে সশস্ত্র এ হামলা চালিয়েছে মিটুর নেতৃত্বে হাবিব, জাওয়াদসহ অন্তত ১০-১২ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী। হামলার সময় তাকে মাথায়, কোমরে, হাতেসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। এ সময় ছিনিয়ে নেয় তার কাছে থাকা বাবার ঠিকাদারী ব্যবসার নগদ ৯৫ হাজার ৭০০ টাকা এবং দামি দু’টি মোবাইল সেট।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, এ ধরণের কোন অভিযোগ তিনি পাননি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তবে হামলায় নেতৃত্ব দেয়ার অভিযোগ উঠা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন মিটুর বক্তব্য নিতে তার ব্যবহৃত মোবাইলে কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।




কুতুবদিয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু

কুতুবদিয়া প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় পুকুরে ডুবে সিফাত নামের ৫ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার উপজেলার আলী আকবর ডেইল তেলিয়া পাড়ায় পানি ডুবির ঘটনাটি ঘটেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও হাসপাতাল সূত্র জানায়, সোমবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে তেলিয়া পাড়ার আক্তার হোসেনের শিশু পুত্র সিফাত (৫) সবার অজান্তেই বাড়ির পাশের পুকুরে ডুবে যায়।

পরে তাকে পুকুর থেকে উদ্ধার করে বিকাল ৫টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটি মৃত বলে জানান।




রামুতে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র নিখোঁজ

ramu pic rahmat 22.05

রামু প্রতিনিধি:

রামুতে পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া এক ছাত্র ৩দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। নিখোঁজ রহমত উল্লাহ খোকন (১১) রামুর ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের পশ্চিম মেরংলোয়া গ্রামের আবদুর রহিমের ছেলে এবং পশ্চিম মেরংলোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র।

রহমত উল্লাহ খোকনের বাবা-মা জানান, রবিবার (২০ মে) সকাল ৯টায় সে স্কুলে যাওয়ার জন্য বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। ইতিমধ্যে বিভিন্নস্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাওয়া য়ায়নি। ছেলেকে না পেয়ে বর্তমানে বাবা-মা সহ স্বজনরা চরম উৎকন্ঠায় দিন পার করছে। এনিয়ে বাবা আবদুর রহিম রামু থানায় সাধারণ ডায়েরি (নং ৮৭৩) করেছেন।




রামুতে পাহাড় নিধন করে বসতি স্থাপন

ramu pic pahad 22.05.17 (1)

রামু প্রতিনিধি:

রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের মধ্যম নোনাছড়ি এলাকায় পাহাড় নিধন করে বসতি স্থাপনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে পরিবেশবিদ ও স্থানীয় সচেতন জনমনে চরম ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, ওই এলাকার সৌদি প্রবাসী বশির আহমদের স্ত্রী নুর নাহার বেগম ৫/৬ মাসপূর্বে স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছ থেকে খাস খতিয়ানভুক্ত পাহাড়ি জমি ক্রয় করেন। ক্রয় করার পর থেকে নুর নাহার বেগম নির্বিচারে সেই পাহাড় কাটা শুরু করেন। সম্প্রতি পাহাড় নিধন করে নুর নাহার বেগম সেখানে একটি বসত ঘর তৈরি করেছেন। বসত ঘর করার পর পাহাড়টির অবশিষ্ট অংশও কাটা অব্যাহত রেখেছেন নুর নাহার বেগম।

ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী আরও জানান, এলাকার এক সাবেক মেম্বার নুর নাহারের বাড়িতে নিয়মিত আসা-যাওয়া করেন। সেই ব্যক্তির ইন্ধনেই নুর নাহার বেগম নির্বিঘ্নে পাহাড় কাটা চালিয়ে যাচ্ছেন।

সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, বিশাল পাহাড় কেটে একপাশে বসত ঘর তৈরি করা হয়েছে। অন্যপাশে চলছে পাহাড় কাটার কাজ। পাহাড় কাটা মাটি দিয়ে পুরো জায়গাটি সমতল করা হচ্ছে। পাহাড় কাটার কারণ জানতে চাইলে নুর নাহার বেগম কোন সদুত্তর দেননি। এমনকি তিনি পার্বত্যনিউজকে নিজের ও স্বামীর বিভ্রান্তিকর নাম উল্লেখ করে তথ্য দেন।

স্থানীয় বাসিন্দা জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার আবদুস ছালাম জানিয়েছেন, মহিলাটি তার ওয়ার্ডের বাসিন্দা নন। ৫মাস পূর্বে এখানে এসে নুরুল হকের কাছ থেকে পাহাড়ি জমি ক্রয় করেন। সম্প্রতি প্লাস্টিক ও টিনের ঘেরা দিয়ে কৌশলে পাহাড়ের বিশাল অংশ কেটে একাকার করেছেন নুর নাহার নামের ওই মহিলা। এভাবে পাহাড় কাটা দুঃখজনক। তিনি এ ব্যাপারে প্রশাসনকে অবহিত করবেন বলে জানান।

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, পাহাড় কাটার সময় পুলিশ এসে মহিলার সাথে কথা বলে চলে যায়। তাদের ধারনা পুলিশ পাহাড় নিধনকারী ওই মহিলার কাছ থেকে উৎকোচ নিয়ে নিরব ভূমিকা পালন করছে। এ এলাকা পাহাড় কাটা নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরে এখানে মানুষ নির্বিচারে পাহাড় নিধন করে আসছে। পরিবেশ অধিদপ্তর কিংবা প্রশাসনের কোন নজরদারি না থাকায় কেউ এসব নিয়ে মাথা ঘামায় না।

রামু উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নিকারুজ্জামান জানিয়েছেন, তদন্ত করে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।