পেকুয়ায় স্লুইচ গেইটে আটকে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলো এক যুবক

পেকুয়া প্রতিনিধি:

পেকুয়ায় জাল তুলতে স্লুইচ গেইটে আটকে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরেছে এক যুবক। জানা যায়, ২৫ সেপ্টেম্বর সকালে পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের চেপ্টাখালী নাশি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই ইউনিয়নের সাতঘর পাড়া এলাকার মনজুর আলমের পুত্র মো. কাইছার (৩৫) প্রতিদিন ওই নাশিতে জাল বসাতেন। ওই রাতেও জাল বসান কাইছার। ওই দিন সকালে জাল তোলার মুহুর্তে হঠাৎ করে পানির প্রবল স্রোতে ওই যুবক নাশির ভিতরে ঢুকে যায় নাশির অপরপ্রান্তে দরজা থাকায় কাইছার ওই দরজার সঙ্গে আটকে পড়ে। দরজাটি অনেক চেষ্টা করেও খোলা যায়নি। ভাটার টানে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

কয়েক হাজার মানুষ ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ অনেক চেষ্টা করেও কোনো উপায়ে স্লুইচ গেইটের ভেতরে যেতে পারছেন না। অনেকক্ষণ পর স্লুইচ গেইটে আটকা পড়া যুবকের লাশ পানিতে ভেসে উঠে। স্থানীয়রা লাশ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে পেকুয়া থানার ওসি জহিরুল ইসলাম খাঁনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত বরেন।




রোহিঙ্গা বিষয় এখন সারা বিশ্বের বিরাট সমস্যা: উখিয়ায় সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

উখিয়া প্রতিনিধি:

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন রোহিঙ্গা বিষয় এখন সারা বিশ্বের বিরাট সমস্যা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবিক সেবায় এগিয়ে এসে বিপন্ন রোহিঙ্গাদেরকে বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়ে বিশ্বের পরিমন্ডলে প্রসংশা কুড়িয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে ভাষণের পর বিশ্ব নেতারা এক কাতার হয়ে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে মিয়ানমারকে চাপ প্রয়োগ অব্যাহত রেখেছে। যতদিন সমস্যা সমাধান না হবে ততদিন সরকার নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের পাশে থাকবে এবং সবধরণের সেবা দিয়ে যাবে।

মঙ্গলবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্যানেটেশন কার্যক্রম  উদ্বোধন কালে সেতু মন্ত্রী আরো বলেন, রোহিঙ্গাদেরকে নাগরিকত্ব দিয়ে সে,দেশে  ফিরিয়ে নিতে আর্ন্তজাতিক সস্মপ্রদায়কে ভুমিকা রাখতে হবে।

স্যানেটেশন কার্যক্রম উদ্বোধন কালে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় সাংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক, সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ও উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং জেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দরা।

এর আগে সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ঘুমধুমে রোহিঙ্গা শরনার্থীদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ ও মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন।




ত্রান বিতরণকালে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ৩ উদ্যোগের কথা বলেন হাসানুল হক ইনু এমপি

 

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এমপি বলেছেন, রোহিঙ্গা সমস্যা মোকাবেলায় রাজাকার, জামায়াত ও বিএনপি চক্র বাদ দিয়ে সমগ্র দেশবাসী এবং বিশ্ববাসী শেখ হাসিনার শান্তি ও সমাধানের উদ্যোগের পাশে ঐক্যবদ্ধ।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু সমাধানে তিন উদ্যোগ হলো- শেখ হাসিনার শান্তির উদ্যোগ, গণমাধ্যমের বলিষ্ঠ উদ্যোগ এবং কুটনৈতিক উদ্যোগ। এই তিন উদ্যোগের মধ্য দিয়েই রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান আমরা খুঁজে বের করতে পারব।

জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এমপির নেতৃত্বে ১৬ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ আজ দুপুর দুইটায় বালুখালি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ১০ হাজার পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেন।

ত্রাণ বিতরন শেষে বেলা সাড়ে তিনটায় কুতুপালং রেজিষ্টার্ড রোহিঙ্গা স্মরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে তিনি এ কথা বলেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শিরিন আকতার এমপি, কার্যকরী সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা এড. রবিউল আলম, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ব বিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য্য জাসদ স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসাইনসহ অনেকে।




চকরিয়ায় প্রতিবন্ধী ছাত্রী ধর্ষণ মামলার মূল আসামী গ্রেফতার

চকরিয়া প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের চকরিয়ায় ডুলাহাজারা রিংভং ছগিরশাহ কাটা এলাকায় সপ্তম শ্রেণীতে পড়ুয়া প্রতিবন্ধী এক ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।

এ নিয়ে থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত মূল হোতা ধর্ষক আসামী জিয়াউল করিম প্রকাশ জিয়াউল হক (৩২) নামের এক ব্যাক্তিকে চট্রগ্রামের চান্দগাঁও থানাস্থ এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।ধৃত আসামী উপজেলার ডুলাহাজারাস্থ রিংভং ছগিরশাহ কাটা সোয়াজনিয়া এলাকার নুরুল কাদেরর পুত্র।

থানা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের রিংভং ছগিরশাহ কাটা এলাকায় সপ্তম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক স্কুল ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।এ নিয়ে ধর্ষণের শিকার পরিবার চকরিয়া থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। এর প্রেক্ষিতে চকরিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবদুল খালেক ওসি বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরীর নির্দেশে সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স নিয়ে চট্রগ্রাম মহানগরীর চান্দগাঁও থানাস্থ বেপারী পাড়া এলাকায় শনিবার ভোর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আসামী জিয়াবুল করিমকে গ্রেফতার করে।

অভিযানে নেতৃত্বে দেয়া চকরিয়া থানার এসআই আবদুল খালেক বলেন, প্রতিবন্ধী এক স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী জিয়াউল করিম প্রকাশ জিয়াউল হক চট্টগ্রামের চান্দগাও থানাস্থ বেপারী পাড়া এলাকায় একটি বাড়িতে অবস্থান নেয়ার সংবাদ পেয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে আসামী জিয়াউল করিমকে শনিবার ভোর রাত ৪টার দিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.বখতিয়ার উদ্দিন চৈধুরী বলেন,পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চট্রগ্রামের চান্দগাঁও এলাকা থেকে ধর্ষণ মামলার এক আসামীকে গ্রেফতার করা হয়।ধৃত আসামীকে আদালতে  প্রেরণ করা হয়েছে।




টেকনাফে ৪ লাখ ৯৫ হাজার ইয়াবাসহ মিয়ানমারের দুই নাগরিক আটক

 

টেকনাফ প্রতিনিধি:

টেকনাফের নাফনদীতে পৃথক অভিযান চালিয়ে ৪ লাখ ৯৫ হাজার ৮০৫ পিস ইয়াবাসহ মিয়ানমারের দুই নাগরিককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন(বিজিবি)।

২৪ সেপ্টেম্বর ভোররাতে হ্নীলা ইউনিয়নের দমদমিয়া নেচারপার্ক বরাবর নাফ নদীর কিনারা থেকে ইয়াবাসহ তাদেরকে আটক করে।

আটককৃতরা হলেন, মিয়ানমারের মংডু জেলার মাঙ্গালা এলাকার মৃত সিরাজুল মোস্তফার ছেলে মো. কামাল আহম্মদ (৪৫) ও একই এলাকার বাসেদ আলীর ছেলে মো. ইলিয়াস (৩০)।

অপরদিকে একই দিন রাত ২টায় টেকনাফ সদরের গফুর প্রজেক্ট এলাকা মালিকবিহীন ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে । তবে এসময় কাউকে আটক করতে পারেনি বিজিবি।

জব্দকৃত ইয়াবার মূল্য ১কোটি ৮০ লাখ টাকা। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটগুলো ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল এসএম আরিফুল ইসলাম জানান, মিয়ানমার থেকে ইয়াবা চালান আসার গোপন সংবাদে দমদমিয়া এলাকায় অবস্থান নেয় বিজিবি। রাতের আধাঁরে মিয়ানমার থেকে আসা একটি হস্তচালিত নৌকা থেকে দু’টি বস্তা নামানোর সময় বিজিবি সদস্যরা দেখে তাদেরকে ধাওয়া করে।

এসময় ইয়াবা পাচারকারীরা বস্তা দু’টি ফেলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ৪ লাখ ৯৫ হাজার ৮০৫ পিস ইয়াবাসহ দুই পাচারকারীকে আটক করা হলেও আরো ৪ জন পাচারকারী পালিয়ে যায়।

আটক ইয়াবার মূল্য ১৪ কোটি ৮৭ লাখ ৪১ হাজার টাকা।

তিনি আরো বলেন, পাচারকারীদেরকে ইয়াবাসহ থানায় সোর্পদ করা হয়েছে।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাইন উদ্দিন খাঁন জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে ও অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে টেকনাফ মডেল থানায় পৃথক দুইটি মামলা দায়ের করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।




আনান কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়ন করুন: রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে স্পিকার

 

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, রেহিঙ্গারা বাংলাদেশে যতদিন আছে ততদিন আমারা তাদের পাশে আছি। মানবিকতার কারণেই আজ বাংলাদেশ তাদের পাশে।

স্পিকার মিয়ানমারকে আনান কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়ন করে এসব নাগরিকদের তাদের দেশে ফিরিয়ে নেয়ার আহ্বান জানান। তিনি আজ দুপুরে কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালীতে রোহিঙ্গা শরনার্থীদের মাঝে ত্রান বিতরণকালে এসব কথা বলেন। এসময় ডেপুটি স্পিকার এড. ফজলে রাব্বি মিয়া, গাজী ফিরোজ রশিদসহ ডজন খানিক সংসদ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

পরে তিনি রোহিঙ্গা শরনার্থীদের খোঁজখবর নেন।

এদিকে মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ অব্যাহত রয়েছে। আশ্রয় নিতে আসা রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন ও ত্রান কার্যক্রমে অংশ নিয়ে শনিবার দুপুরের পর থেকে কাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী। এখনো সড়কে অবস্থান করছে অনেক রোহিঙ্গা।




আজ থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রাণ ও পুণর্বাসন কাজে অংশ নিচ্ছে

 

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আগামীকাল থেকে উখিয়া-টেকনাফে আশ্রিত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ত্রাণ কার্যক্রম ও অস্থায়ী পূণর্বাসন কাজে অংশ নেবে।

২২ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন এই তথ্য জানিয়েছেন। জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত উক্ত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি আরো বলেন, দুর্যোগকালীন সময়ে বাংলদেশ সেনাবাহিনী অতীতে যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে সেভাবেই রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের কারণে সৃষ্ট সমস্যা মোকাবেলায় সিভিল প্রশাসনকে সহযোগিতা করবে সেনাবাহিনী।

তিনি বলেন, বিভিন্ন ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে পর্যাপ্ত ত্রাণ পাওয়া যাচ্ছে। মানবিক সহায়তা হিসেবে দৈনিক গড়ে ১০০ ট্রাক ত্রাণ আসছে রোহিঙ্গাদের জন্য। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা মোকাবেলায় ২২ টি সিদ্ধান্ত ইতোপূর্বে গ্রহণ করা হয়। এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবে সেনাবাহিনী।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা পুলিশ সুপার ড. একেএম ইকবাল হোসেন বলেন, বিভিন্ন স্থানে রোহিঙ্গারা যাতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে যেতে না পেরে সেজন্য ১১ টি তল্লাশী চেকপোষ্ট বসানো হয়েছে। এছাড়া আরো ২২টি মোবাইল টিম কাজ করছে। এ পর্যন্ত ৫১১৯ রোহিঙ্গাকে বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধারের পর উখিয়ার বালুখালী ক্যাম্পে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন রোহিঙ্গা শরণার্থী প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালাম, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের উপ-প্রেস সচিব খন্দকার আশরাফুল আলম খোকন, জেলা পুলিশ সুপার ড. একেএম ইকবাল হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ।




উখিয়ায় রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্টিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন কার্যক্রম পরিদর্শনে সেনা প্রধান

 

উখিয়া প্রতিনিধি:

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্টিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক। বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কক্সবাজারের উখিয়ায় কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্পে চলমান কার্যক্রমের অগ্রগতি দেখতে তিনি পরিদর্শনে আসেন।

পরিদর্শনকালে পার্সপোট অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাসুদ রিদুয়ান জানান, মিয়ানমার হতে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্টিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন করতে ৩০টি বুথ খোলা হয়েছে। আরো ২০টি বুথ অচিরেই চালু করা হবে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, নিবন্ধনের কার্যক্রম শেষ করতে ৩/৪ মাস লাগতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১১ সেপ্টেম্বর থেকে রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্টিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে নিবন্ধন কার্যক্রম করছে বাস্তবায়ন করছে আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) ও পাসর্পোট অধিদপ্তর। এই প্রকল্পের ডেপুটি পরিচালক লে. কর্নেল শফিউল আলম জানান, নিবন্ধনের সময় প্রত্যেকের দশ আঙ্গুলের চাপ, ছবি, বাংলাদেশে প্রবেশের সময় এবং মিয়ানমারে তাদের ঠিকানা লিপিবদ্ধ করা হবে। দেওয়া হবে পরিচয় পত্র।

বৃহস্পতিবার বিকেলে কুতুপালং ক্যাম্পে ২০টি বুথে রোহিঙ্গাদের নিবন্ধন কাজ চলতে দেখা গেছে। আঙ্গুলের ছাপ, ছবি তোলা ও তথ্য সংরক্ষণ করতে একেকজন রোহিঙ্গার জন্য গড়ে তিন থেকে চার মিনিট সময় প্রয়োজন। ধীরগতির কারণেও নিবন্ধনে আগ্রহ হারাচ্ছে রোহিঙ্গারা।

বায়োমেট্টিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন কার্যক্রম পরিদর্শন কালে সেনাবাহিনীর উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা, আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থার কান্ট্রি ডাইরেক্টরসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, গত ১০ দিনে প্রায় ৫ হাজারের অধিক রোহিঙ্গাদেরকে বায়োমেট্টিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন করা হয়েছে বলে দায়িত্বরত প্রকল্প সমন্বয়কারী জানান।




শরণার্থীদের পূর্ণবাসন ও ত্রাণ  বিতরণে শৃঙ্খলা আনতে সেনাবাহিনী কাজ শুরু করেছে: ওবায়দুল কাদের

উখিয়া প্রতিনিধি:

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের ত্রাণ বিতরণে সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনা, পূর্ণবাসন ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে সেনাবাহিনী কাজ শুরু করে দিয়েছে। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উখিয়ার কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্পে ত্রাণ বিতরণ কালে একথা বলেন।

ভারত সরকার মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের জন্য প্রেরিত ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কালে সেতু মন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদেরকে বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়ে বিশ্বের দরবারে মানবতার দূত হিসাবে প্রশংসিত হয়েছে। দলীয় নেতাকর্মীরা রাত দিন পরিশ্রম করে ক্যাম্পে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কালে প্রশাসনকে সহযোগিতা করে যাচ্ছে। ফলে মাথা গোজার স্থান সহ খাবার সামগ্রী পেয়ে বেঁচে আছে রোহিঙ্গারা।

ভারতের প্রেরিত ত্রাণ বিতরণ কালে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামিম, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফাসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ।

এদিকে গত বুধবার বিকেলে রাউজানের আওয়ামী লীগের সংসদ একেএম ফজলুল করিম চৌধুরীর বিপুল পরিমান ত্রাণ সামগ্রী রোহিঙ্গাদের মাঝে বিতরণ করেন সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এসময় সংসদ সদস্য একেএম ফজলুল করিম চৌধুরী ও উপস্থিত ছিলেন।




মহেশখালীতে মেহেদী অনুষ্ঠানে গুলিবিদ্ধ হয়ে যুবক খুন

মহেশখালী প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের মহেশখালীতে মেহেদী অনুষ্ঠানে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক যুবক খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের পশ্চিম সিপাহীর পাড়া গ্রামে।

এলাকাবাসী ও পুলিশের ভাষ্যমতে, ২০ সেপ্টম্বর বুধবার রাত ১০টার সময় স্থানীয় শফিউল আলম এর ছেলে ওসমানগনীর বিয়ে উপলক্ষ্যে বাড়ির ছাদের উপর অনুষ্ঠান চলছিল। রাত অনুমান ১০ টার সময় হটাৎ গুলির শব্দ শুনে লোকজন দিকবিদিক ছুটতে থাকে।

এসময় স্থানীয় আব্দুশুক্কুরের ছেলে সোনা মিয়া (১৮) নামের ১ যুবক গুলিবিদ্ধি হলে তাকে দ্রুত মহেশখালী হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

সোনামিয়া একজন কৃষক বলে যানা গেছে। পুলিশের এসআই ইমাম হোসেন লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হমেক হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

মহেশখালী থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, ঘটনার পর ওই এলাকায় পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে। ঘটনা উদঘাটন ও অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে।

এ ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় অপর একটি সূত্রে জানা গেছে মেহেদি অনুষ্ঠানে গানের আসরকে কেন্দ্র হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছে। তবে সিপাহির পাড়া ও দেভাঙ্গাপাড়ায় বেশ কিছু দাগী সন্ত্রাসীদের আস্তানা বলে স্থানীয়দের ধারণা।