কক্সবাজারের চকরিয়ায় সাত বছরের শিশু খুন

DSC_0043 copy

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কক্সবাজারের চকরিয়া বড় ভেউলার দর্বেশকাটা এলাকায় রশিদুল ইসলাম বাবু নামে ৭ বছরের এক ‘শিশু’কে কুপিয়ে খুন করেছে রিদুয়ানুল হক নামে পাষন্ড এক ব্যক্তি। সোমবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত পরিবার জানায়, রশিদুল ইসলাম বাবু দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র। সে চকরিয়া বদরখালীর মগনামা পাড়ার রিদুয়ানুল হকের ছেলে। সে লেখাপড়ার জন্য দর্বেশকাটায় ফুফুর বাড়িতে থাকত।

আর হত্যাকারী রিদুয়ানুল হক হলেন তার ফুফুর জামাই। রিদুয়ানুল হক ওই এলাকার মৃত এজাহার আহম্মদের ছেলে।

চকরিয়া থানার ওসি জহির আলম জানান, তুচ্চ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফুফা রিদুয়ানুল হক শিশু রশিদুল ইসলাম বাবুকে মাথা ও হাতে মারাত্মকভাবে কুপিয়ে আহত করে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়। কুপানোর পর পরই রিদুয়ানুল হক পালিয়ে যায়।

হত্যাকারী ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে ব্রেইন টিউমারে ভোগছেন।  হত্যাকারীকে আটকের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।




তিন মাস ধরে নিখোঁজ সেই মাদ্রাসা ছাত্র মিজান অবশেষে উদ্ধার

pic mizan

পেকুয়া প্রতিনিধি:
তিন মাস ধরে নিখোঁজ পেকুয়ার সেই মাদ্রাসা ছাত্র মিজানকে অবশেষে উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। গত ২১ জানুয়ারী বিভিন্ন গণমাধ্যমে নিখোঁজ মিজানের ছবিসহ পেকুয়ায় ৩ মাস ধরে নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র মিজানের সন্ধান মেলেনি। ফলে পরিবারে চলছে চরম উৎকন্ঠা শিরোনামে  সংবাদ প্রকাশিত হলে পুরো কক্সবাজার প্রশাসনের টনক নড়ে। শুরু হয় কক্সবাজার জুড়ে উদ্ধার তৎপরতা। সংবাদ প্রকাশের ২য় দিন ২২ জানুয়ারী দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পেকুয়া থানার এএসআই নাছির উদ্দিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ গিয়ে কক্সবাজারের ঝিলংজা এলাকার পৌরসভা মার্কেটের ২য় তলার খাঁজা হোটেলে বয়ের কাজ করা অবস্থায় ৩ মাস ধরে নিখোঁজ সেই মাদ্রাসা ছাত্র মিজানকে উদ্ধার করে।

সে পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নের ভারুয়াখালী এলাকার ফজলুল করিমের পুত্র। সূত্রে জানায় উদ্ধারকৃত মাদ্রাসা ছাত্র মিজান বেশ কিছুদিন ধরে ওই খাবার হোটেলের বয়ের কাজ করছিল। ২৩ জানুয়ারী পেকুয়া থানার পুলিশ উদ্ধারকৃত সেই মাদ্রাসা ছাত্র মিজানকে চকরিয়া সিনিয়র জুড়িশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রষ্ট আদালতে সৌর্পদ করে। পরে আদালতে মাদ্রাসা ছাত্র মিজানের নিখোঁজের জবাবমন্দী নিয়ে বাবা মার হাতে তুলে আদালত। ৩ মাস পর নিখোঁজ ছেলে কে পেয়ে বাবা মা আত্মহারা হয়ে যায়।

জানা যায়, গত ২০১৬ সালের ১৭ অক্টোবর সকাল ৮ টায় উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নের ভারুয়াখালী এলাকার ফজলুল করিমের পুত্র ও পেকুয়া আশরাফুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র মোহাম্মদ মিজান(১০) ওই দিন মাদ্রাসায় যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ছিল। মাদ্রাসা ছুটি হয়ে গেলেও সন্ধ্যা পর্যন্ত সে আর বাড়িতে না ফিরায় বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখোজি শুরু করেছিলেন মা-বাবা ও তার পরিবারের সদস্যরা। খোঁজ না পাওয়ায় ছেলের সন্ধ্যানের জন্য থানা পুলিশের আশ্রয় ও নিয়েছিল। পরে পুলিশও খোঁজা শুরু করেন।

কিন্তু দীর্ঘ তিন মাস অতিবাহিত হলেও তাদের আদরের ছেলের সন্ধান না পাওয়ায় মুহ্যমান মা বাবা খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিয়েছিল। সারা দিন পাগলের মত এ দিক ওদিক ছোটাছুটি করেছিল ছেলের সন্ধ্যানে। চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারী নিখোঁজ হওয়ার ৩ মাস পূর্ণ হলেও মাদ্রাসা ছাত্র মিজান নিখোঁজ ছিল। ৩ মাস ধরে ছেলের সন্ধ্যান পায়নি মা বাবা। ৩ মাস পূর্ণ হলে ছেলে খোজ পাওয়ার আশা ছেড়েনি মা বাবা। অবশেষে মা বাবার সেই বুকভরা আশা পূর্ণ হল ৩ মাস পর তাদের আদরের ছেলে মিজানকে খোঁজে পেল।

এদিকে মাদ্রাসা ছাত্র মিজানের পিতা ফজলুল করিম তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন গণমাধ্যমে আমার ছেলের ছবি সহ সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল বলে আমি আমার আদরের ছেলেকে পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় খোঁজে পেয়েছি। তাই গণমাধ্যম ও পুলিশ প্রশাসনের প্রতি আমার পরিবার কৃর্তজ্ঞ।

এ ব্যাপারে পেকুয়া থানার ওসি (তদন্ত) মনজুর কাদের মজুমদার মাদ্রাসা ছাত্র মিজানের উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান থানা পুলিশ গোপন সংবাদ পেয়ে উদ্ধার করে আদালতের মাধ্যমে ছেলেটির পিতামাতার কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে।




চকরিয়ায় জেলা পরিষদ সদস্য আবু তৈয়বকে গণসংবর্ধনা

abu tayb chakaria 22-1-17
চকরিয়া প্রতিনিধি:
কক্সবাজার জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে চকরিয়ার ৬নং ওয়ার্ড থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা আওয়ামীলীগের অর্থ সম্পাদক এবং কক্সবাজার জেলা ও চকরিয়া উপজেলা কাঁকড়া উৎপাদন ও সরবরাহকারী সমবায় সমিতি লি: এর সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সমাজসেবক মো: আবু তৈয়ব শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে রবিবার ২২ জানুয়ারী বিকাল ৩টায় ঢাকা থেকে চকরিয়া পৌঁছলে ব্যাপকভাবে সংবর্ধিত করা হয়েছে। চকরিয়ার প্রবেশদ্বার হারবাং ইনানী থেকে ফুলের তোড়া ও বিশাল গাড়ী বহর নিয়ে তাকে বরণ করে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক হয়ে থানা রাস্তার মাথা দিয়ে গাড়ী শোভাযাত্রায় সংবর্ধিত স্থান ইলিশিয়া জমিলা বেগম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গিয়ে মিলিত হয়। সেখানে আওয়ামীলীগ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন, কাঁকড়া ব্যবসায়ী সংগঠন ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত সদস্য আবু তৈয়বকে একের পর এক ফুল দিয়ে বরণ করে সংবর্ধিত করা হয়।

কক্সবাজার জেলা ও চকরিয়া উপজেলা কাঁকড়া উৎপাদন ও সরবরাহকারী সমবায় সমিতি লি: এর আয়োজনে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও পশ্চিম বড়ভেওলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বাবলা, চকরিয়া উপজেলা কাঁকড়া উৎপাদন ও সরবরাহকারী সমবায় সমিতির সহসভাপতি সাবেক এমইউপি ছৈয়দ আলমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন কক্সবাজার জেলা যুবলীগের সিনিয়র সহসভাপতি এডভোকেট শহিদুল্লাহ চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি আলহাজ¦ নুরুল ইসলাম, প্রভাবশালী আওয়ামীলীগ নেতা দলিলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শহিদু মেম্বার, কোনাখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান দিদারুল হক সিকদার, বদরখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান খাইরুল বশর ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ স্বতস্ফূর্তভাবে অংশ গ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথি সিরাজুল ইসলাম বাবলা বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কর্মীদের দলের জন্য ত্যাগ শিকার করে কাজ করলে অবশ্যই মূল্যায়িত হয়। মুজিবাদর্শের একজন কর্মী মো: আবু তৈয়ব সেই সফলতারই একটি অংশ। তিনি এলাকার উন্নয়নে নবনির্বাচিত জেলা পরিষদ সদস্যকে সকলকে সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ কাজ করার আহবান জানান। সংবর্ধিত অতিথি জেলা পরিষদ সদস্য আবু তৈয়ব বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে আমার পাওয়া অনেক বেশি। এর ঋণ আমি কোন দিনও শোধ করতে পারবোনা। জনরায়ের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান দেখিয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কাজ করে যাবো ইনশাল্লাহ




লবণ ভর্তি ট্রাকের পানিতে নষ্ট হচ্ছে টেকনাফ-কক্সবাজার সড়ক

unnamed copy

টেকনাফ প্রতিনিধি:

লবণের পানিতে টেকনাফ-কক্সবাজার সড়ক (শহীদ এটিএম জাফর আলম সড়ক) দিন দিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ট্রাকের গলিত লবণাক্ত পানি সীমান্তের প্রধান সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। এতে করে এ রোডে প্রতিনিয়ত সড়ক দুঘর্টনাও বাড়ছে।

খোলা ট্রাকে লবণ পরিবহনে এক ধরণের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও লবণ ব্যবসায়ী-পরিবহন সংশ্লিষ্টরা তা কিছুতেই মানছেনা। কার্ভাড ভ্যান এবং পানি চুষে না পড়ার মত করে লবণ পরিবহনেরর নির্দেশনা টেকনাফে বাস্তবায়িত হচ্ছেনা। লবণ পরিবহন এবং তৎসংশ্লিষ্ট নীতিমালা না থাকায় কতিপয় সুবিধাভোগীরা লাভবান হলেও জনসাধারণের চরম ক্ষতি হচ্ছে। লবণের ট্রাক থেকে গলিত  পানি টেকনাফ-কক্সবাজার সড়কের স্থায়িত্ব দিন দিন নষ্ট করে দিচ্ছে। স্থানীয় সচেতন মহল জরুরী ভিত্তিতে লাভ ক্ষতির দিক বিবেচনায় খোলা ট্রাকে লবণ পরিবহন বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট নীতিমালা প্রণয়নের জোর দাবী জানিয়েছেন।

সাধারণত টেকনাফ-কক্সবাজার রোডে সড়কের উপর যত্রতত্র ট্রাকে লবণ লোড করতে চোখে পড়ে। কতিপয় অসাধু মহল রাস্তার উপর জেদ করে গাদাগাদি ভাবে লবণ লোডের প্রতিযোগীতায়ও নেমেছে। দুর্ঘটনা এবং লবণের পানিতে সড়ক নষ্ট হলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নজরদারী নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সরেজমিন ও এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, হোয়াইক্যংয়ের নয়াবাজার, কাঞ্জরপাড়া, হ্নীলার রঙ্গিখালী, আলীখালী, নাটমুরা পাড়া, উলুচামরী, মোচনী, জাদীমুরা, টেকনাফ, সাবরাং, নয়াপাড়া এলাকায় সড়কের উপর ট্রাক রেখে লবণ লোড করা হচ্ছে। সকাল থেকে বিকাল দীর্ঘ সময় প্রতিদিন ডজন ডজন ট্রাক লবণ ভর্তি না হওয়া পর্যন্ত সড়কের দু’পাশে দাঁড় করিয়ে রাখাতে যাত্রীবাহী গাড়ী চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। সন্ধ্যায় পযর্টকবাহী গাড়ী চলাচলে মারাত্মক অসুবিধা দেখা দিয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, এসব সড়কের উপর বড় বড় লবণের ট্রাক রেখে লোড করার সময় পথ যাত্রীদের সাথে প্রতিনিয়ত বাক বিতণ্ডা লেগে থাকে। কেউ কিছু বললে লবণ ব্যবসায়ীর নামে অসাধুরা বিভিন্ন ধরণের হুমকি ধমকি প্রদান করে। উল্টো পথচারীদের উপর বিপদ নেমে আসে। স্থানীয়রা বলছেন, রোডের উপর গাড়ী রেখে লবণ ভর্তি করতে করতে বছরখানেক আগে ২২কোটি টাকা ব্যয়ে সংস্কারকৃত রাস্তা দ্রুত সময়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়বে। উল্লেখিত এলাকায় সওজের কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ম্যানেজ করে মেইন রোডের নিচে বিশেষ গর্ত করে পাইপের মাধ্যমে লবণ পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। ক্ষেত্র বিশেষে সড়কের উপর পানির ড্রেইন তৈরীর মাধ্যমে লবণ মাঠে অবাধে পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। সড়কের দু’পাশে লবণ ব্যবসায়ীদের জেদাজেদী ট্রাকে লবণ লোড, মেইন রোডের নিচে বিশেষ কায়দায় গর্ত করে পানি সরবরাহ ও সড়কের উপর দিয়ে ড্রেইন করে পানি চলাচলে সওজ এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে রীতিমত সমালোচনার ঝড় বইছে।

সচেতন মহল মনে করছেন,  ট্রাক এবং রোড ক্যাপাসিটির বাইরে এসব ব্যবসায়ীরা কৌশলে প্রচুর পরিমাণে লবণ লোড করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় চালান করছে। জরুরী ভিত্তিতে সড়কের উপর অনিয়ন্ত্রিত গাড়ি পার্কিং করে লবণ লোড বন্ধ করতে অসাধু এসব ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।

খোলা ট্রাকে লবণ পরিবহনে সড়কের উপর লবণাক্ত পানি পড়ে ক্ষতি হচ্ছে জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শফিউল আলম বলেন, লবণের পানি পড়ে প্রতিনিয়ত টেকনাফ-কক্সবাজার চলাচলের রোডে (শহীদ এটিএম জাফর সড়ক) সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। জনসাধারণ ও পর্যটকদের সুবিধার্থে অপরিকল্পিত ভাবে সড়কের উপর ট্রাক লোডিং এবং লবণ পরিবহন বিষয়ে শীঘ্রই তিনি অভিযান পরিচালনা করার কথা জানান।




রেজুখালে জোয়ারের লবণাত্বক পানি ঢুকায় পরিবেশ বিপর্যয়’র আশঙ্কা

 

উখিয়া প্রতিনিধি:

উখিয়ার রেজুখালে জোয়ারে লবণাত্বক পানি ঢুকার কারণে ফসলি জমিসহ বসত বাড়ির ফলজ গাছের মড়ক দেখা দিয়েছে। শুধু তাই নয় টিউবওয়েল’র পানিও লবণাত্বক হওয়ায় খাবার অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। ফলে পরিবেশ বিপর্যয়  আশঙ্কা রয়েছে। সামুদ্রিক জোয়ারের পানি ঠেকাতে রেজুখালে ক্রসবাঁধ দেওয়ার দাবী জানিয়েছেন স্থানীয় জনগণ।

জানা যায়, উখিয়া উপজেলার উপকূলীয় জালিয়াপালং ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে রেজুখাল। শুস্কমৌসুমে প্রতিদিন দু’বার জোয়ার ভাটার পানি প্রবেশ করে থাকে। বিশেষ করে সামুদ্রিক লবণাত্বক পানি প্রবেশ করার কারণে খালের তীরের বসবাসরত অসংখ্য ঘর বাড়ির ফলজ গাছের মড়ক দেখা দেয়। এমনকি ওই খালের পানি দিয়ে বুরো মৌসুমে চাষাবাদ করাও যায় না। ফলে বিপুল পরিমান জমি অনাবাদী থেকে যায়।

সরজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, রেজু খালের তীরে পূর্ব পাইন্যাশিয়া, বড়ুয়া পাড়া, কুমার ঘাট, চর পাড়া, পিনিজিরকুলসহ প্রায় বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষের বসতি রয়েছে। পিনিজিরকুল গ্রামের প্রবীন বাসিন্দা শফিকুর রহমান শকু (৬৮) জানান, রেজু খালে সামুদ্রিক লবণাত্বক পানি প্রবেশ করার কারণে টিউবওয়েলের পানি খাবার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। পূর্ব পাইন্যাশিয়া গ্রামের আবুল কাশেম (৪০) বলেন, খালের তীরবর্তী গড়ে উঠা বসতবাড়ির অসংখ্য সুপারী গাছ, নারিকেল গাছ, আম, কাঁঠাল, লেবু, জামবুরা, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফলজ গাছের মড়ক দেখা দিয়েছে। গ্রামবাসীর মতে লবণাত্বক পানি প্রবেশ করায় এ সমস্যাটি সৃষ্টি হয়েছে।

জালিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন চৌধুরী জানান, রেজুখালে শুস্কমৌসুমে ক্রসবাঁধ দেওয়া হলে সামুদ্রিক জোয়ারের পানি ঠেকানো সম্ভব। ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার মনিরুল আলম  মনির ও একই কথা বলে তিনি জানান, লবণাত্বক পানি লোকালয়ে ঢুকার কারণে এলাকায় পরিবেশ বিপন্ন হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে জরুরী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

স্থানীয় এলাকাবাসী তাদের বসত ভিটার ফলজ বৃক্ষ সহ বিশুদ্ধ পানি পান নিশ্চিত করতে অবিলম্বে রেজুখালে অস্থায়ী ক্রসবাঁধ দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ও উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট জোর দাবী জানিয়েছে।




ঘুমধুমের পাহাড়ে কুমির চাষে বিস্ময়কর সাফল্য

Pic ukhiya 22-01-2017 2 copy

উখিয়া প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তের ঘুমধুমের পাহাড়ে কুমির চাষে বিস্ময়কর সাফল্য এসেছে। প্রতিষ্ঠিত এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম কুমির চাষ প্রকল্পে ৮শ বাচ্চা প্রজনন হওয়ায় এ সফলতা দেখে উদ্যোগক্তারা মহা খুশি। ঘুমধুমের পাহাড়ে প্রতিষ্ঠিত কুমির চাষ প্রকল্পটি কেবল বাংলাদেশে নয় এটি দক্ষিণ এশিয়ার সর্ব বৃহৎ কুমির চাষ প্রকল্প। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের কুমির চাষ বিরাট ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে বলে জানিয়েছেন রপ্তানীকারকরা।

সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, উখিয়া উপজেলা সদর থেকে মাত্র ৪ কিলোমিটার ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা থেকে ৬০ কিলোমিটার দুরত্বে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের বালুখালী টেলিভিশন উপ-কেন্দ্র থেকে মাত্র আধা কিলোমিটার ভিতরে ঘুমধুম পাহাড়ি এলাকায় ২৫ একর জায়গার উপর এ বৃহৎ কুমির চাষ প্রকল্পটি গড়ে তুলে দেশের বৃহত্তর বহুজাতিক শিল্প প্রতিষ্ঠান আকিজ গ্রুপের অপর একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান আকিজ ওর্য়াল্ড লাইফ ফার্ম লিমিটেড স্বত্ত্বাধিকারী সাংসদ শেখ আজিজ উদ্দিন। প্রতিদিন অসংখ্য পর্যটক ও দর্শনার্থীদের সমাগম হচ্ছে কুমির চাষ দেখতে।

প্রকল্পের ফিল্ড অফিসার সুলতান আহমদ, মালয়েশিয়া থেকে ৫০টি কুমিরের বাচ্ছা আমদানি করে ঘুমধুমের পাহাড়ে আধুনিক ও প্রযুক্তির মাধ্যমে কুমিরের চাষ শুরু করেন। কয়েক বছর পূর্বে গড়ে উঠা এ প্রকল্পের মধ্যে ৩টি কুমির মারা যায়। ৪৭টির মধ্যে লালিত-পালিত ৩১টি স্ত্রী কুমির বাচ্চা দেওয়া শুরু করেছে। কয়েক মাসে প্রায় ৮শ’ কুমিরের বাচ্চার প্রজনন হয়েছে। নিবিড় পরিচর্যা, চিকিৎসা ও পর্যাপ্ত খাবার প্রয়োগ করায় বর্তমানে সকল বাচ্চা সুস্থ অবস্থায় দিন দিন বড় হচ্ছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, চীন, জাপানসহ বিভিন্ন পশ্চিমা দেশে কুমিরের মাংস ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আগামী ১বছরের মধ্যে এ প্রকল্পে উৎপাদিত কুমির এসব দেশে রপ্তানী করে হাজার কোটি টাকা আয় করার উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে ব্যাপক অবদান রাখবে। উদ্যোগক্তারা আরও আশা করছেন, কুমির চাষের পাশাপাশি এ প্রকল্পে প্রজাপতির চাষ, বার্ড পার্ক সহ কটেজ ও মিউজিয়াম হাউজ গড়ে তুলে প্রকল্পটিকে একটি পর্যটন স্পট হিসাবে গড়ে তোলা হবে। এতে দেশি-বিদেশী পর্যটকের আগমন ঘটলে সরকার পর্যটন খাতেও প্রচুর রাজস্ব আদায় করতে সক্ষম হবে।

সরেজমিন কুমির চাষ প্রকল্প ঘুরে সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা গেছে,  ২০০৯ সালে শুরু হওয়া প্রকল্পটিকে ২০১০সালের শুরুতেই পরিক্ষামূলক ভাবে ৫০টি কুমির উন্মুক্ত জলাশয়ে ছাড়া হয়। তার মধ্যে ৩টি কুমির মারা গেলেও বর্তমানে ৪৭টি কুমির সুস্থ রয়েছে। কুমির চাষ প্রকল্পের ম্যানেজার নুরুল ইসলাম জানান, সপ্তাহে এসব কুমিরদের খাবার হিসাবে ২‘শ কেজি মাছ, ৩শ কেজি মাংস সরবরাহ করা হয়। পাশাপাশি বাচ্চা কুমিরদের মাছ-মাংস কিমা বানিয়ে খাওয়াতে হয়।

তিনি জানান, প্রতি মাসে এসব কুমিরদের জন্য ব্যয় হয় দেড় লাখ টাকা। এ প্রকল্পে থাকা ৩১টি স্ত্রী কুমির ২ বছরে  ৮’শ বাচ্চা প্রসব করেছে। তার মধ্যে বিভিন্ন কারণে ১১টি বাচ্চা মারা গেলেও বাকী বাচ্চাগুলো বর্তমানে সাড়ে ৩ ফুট থেকে সাড়ে ৪ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়েছে। ওজনেও বেশ ভাল। সব কুমিরই সুস্থ আছে। আগামী বছর এসব কুমির বিদেশে রপ্তানী করলে প্রায় হাজার কোটি টাকা আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। এতে সরকার ও রাজস্ব আদায় করতে সক্ষম হবে।

খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, ময়মনসিংহ জেলার ভালুকায় একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন ও সুন্দরবনে সরকারী অর্থায়ানে আরও একটি কুমির চাষ প্রকল্প রয়েছে। তবে ঘুমধুমের পাহাড়ে আধুনিক পদ্ধতিতে গড়ে ওঠা দেশের সর্ববৃহত্তম ও দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম কুমির চাষ প্রকল্প।

কুমির চাষ প্রকল্পের এডভাইজার ঝুলন দাশ জানান, প্রকল্পে থাকা স্ত্রী কুমির গুলো এক সাথে গড়ে ৫০-৫৫টি ডিম ছাড়ে। এসব ডিম সমূহ সঠিক রক্ষণা-বেক্ষণের জন্য নজর রাখা হলে প্রতিটি ডিম থেকেই বাচ্চা ধারণ করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, ২০১৮ সালের শুরুতেই বিদেশে রপ্তানি প্রক্রিয়া শুরু হবে তার মধ্যে কোরিয়ায় রপ্তানি করা হবে  কুমিরের মাংস, জাপানে রপ্তানি করা হবে চামড়া ও হাড় অন্যান্য সামগ্রী যাবে চীনে।

ঘুমধুম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান একেএম জাহাংগীর আজিজ বলেন, অবহেলিত একটি ইউনিয়নে কুমির চাষ প্রকল্পের মত একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠায় এলাকার অনেক বেকার যুবকের কর্মসংস্থান হয়েছে। পাশাপাশি আকিজ গ্রুপের বদন্যতায় এখানে একটি পর্যটন স্পট গড়ে তুলার ও তাদের পরিকল্পনা রয়েছে। তা যদি বাস্তবায়ন হয়, তাহলে ঘুমধুম একটি বাণিজ্যিক নগরীতে পরিনত হবে।




পেকুয়ায় দুর্বৃত্তদের হামলায় গাড়ি ভাংচুর  

pic gadi 2 copy

পেকুয়া প্রতিনিধি:

পেকুয়ায় দুর্বৃত্তদের হামলায় গাড়ি ভাংচুর করার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মৌলভী পাড়া রাস্তার মাথা এ ঘটনা ঘটে।

মাটি পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত ১৩১ নং একটি মিনি ট্রাক(ডাম্পার) হামলা চালিয়ে ভাংচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পেকুয়া থানা পুলিশ। তবে এ ঘটনায় পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি।

 ক্ষতিগ্রস্থ গাড়িটির মালিক শরিফুল ইসলাম বলেন, পেকুয়া সদর ইউনিয়নের মৌলভী পাড়া এলাকার মৃত নুরুল আলমের পুত্র ফোরকানের নেতৃত্বে একই ইউনিয়নের শেখেরকিল্লা ঘোনা এলাকার পুতিয়ার পুত্র সাজ্জাদ, মাইজ পাড়া এলাকার মৃত গোলাম নবীর পুত্র মানিক, মৌলভী পাড়া এলাকার মৃত আহমদ মিয়া সাইফু লোহার রড ও  লাঠিশোটা নিয়ে গাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়। তারা  গাড়ির সামনের গ্লাস, লুকিং গ্লাস, ইঞ্জিন ও গ্যায়ারবক্স ভাংচুর করে। এতে প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ ব্যাপারে তিনি আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছেন বলেও জানিয়েছেন।




পেকুয়ায় ব্যক্তিগত উদ্যোগে চলছে সড়কের সংস্কার কাজ 

pic road pekua copy

পেকুয়া প্রতিনিধি:

পেকুয়ার রাজাখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের হাজীর পাড়ার মরহুম আবুল কাসেম সড়কের সংস্কার কাজ চলছে ব্যক্তিগত উদ্যোগে।

শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় এ সড়কের সংস্কার কাজ শুরু করেছে ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নেজাম উদ্দিন নেজুর নেতৃত্বে। এ কাজে তাকে সহযোগিতা করছেন স্থানীয় রেজাউল করিম, নোমান, জয়নাল, আনোয়ার, জাহাংগীর আলম, আইয়ুব নবী, এনাম মিস্ত্রি, আব্দুল করিম, রবি আলম, নুরুল আলম ও আনিছসহ আরো বেশ কয়েকজন সমাজসেবী।

এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন তিন/চার হাজার লোক যাতায়াত করে থাকে। রাস্তাটি ব্যবহার অনুপযোগী থাকায় দীর্ঘদিন ধরে এ রাস্তা দিয়ে চলাচলে দূর্ভোগ পোহাচ্ছে পাশ্ববর্তী রায় বাপের পাড়া ও হাজীর পাড়ার লোকজনসহ স্কুল-কলেজে পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীরা।

ব্যক্তিগত উদ্যোগে নেজু মেম্বার এ উদ্যোগ নেয়ায় এলাকাবাসীসহ পথচারীরা ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য এ রাস্তা সংস্কার কাজে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় একলক্ষ টাকা। এ ব্যাপারে নেজাম উদ্দিন নেজু মেম্বার বলেন দীর্ঘদিন ধরে আমরা এ দুই পাড়ার মানুষ চলাচলে খুব কষ্ট পাচ্ছি। তাই এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে এ রাস্তার সংস্কার কাজ করছি।




লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে টেকনাফে রাজমিস্ত্রী খুন

unnamed copy

টেকনাফ প্রতিনিধি:

টেকনাফে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে মোহাম্মদ ছৈয়দ হোছন (৩০) নামের এক রাজমিস্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে অপর নির্মাণ শ্রমিকরা। সে কক্সবাজার দক্ষিণ রুমালিয়ার ছড়ার আব্দুল মতলবের ছেলে। শনিবার সকালে পুলিশ সাবরাং বাজার পাড়া এলাকা থেকে ওই রাজমিস্ত্রীর মৃতদেহটি উদ্ধার করে। খবর পেয়ে কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার ড.এ কে এম ইকবাল হোসেনও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, রাজমিন্ত্রী ছৈয়দ হোছন সাবরাং বাজার পাড়া এলাকার ছৈয়দ নুরের বাড়ী নির্মাণ কাজে নিয়োজিত ছিলেন। শুক্রবার দিবাগত রাতে অন্যান্য আরও সহকর্মী (রাজমিস্ত্রী) জোগালীর সাথে সেও লুডু খেলছিলেন। এক পর্যায়ে এ লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ লাগে। এর সূত্র ধরে রাতে সহকর্মী কেউ এক জন তাকে দা’দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। খবর পেয়ে টেকনাফ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ আশরাফুজ্জামানসহ পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাশ উদ্ধার করেন। তিনি বলেন, নিহতের মাথায় দা’র কোপের চিহ্ন রয়েছে।

সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শামশুল আলম বলেন, সাবরাং বাজার পাড়ার ছৈয়দ নুরের বাড়ী নির্মাণ কাজ করছিলো নিহত রাজমিস্ত্রী। রাতে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে অন্যান্য সহকর্মীদের সাথে তার ঝগড়া বিবাদ লাগে। এর জের ধরে তাকে খুন করা হয়েছে।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি মো. আব্দুল মজিদ জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে। এ ব্যাপারে আইনগত প্রদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা। নিহতের ভাই বাদী হয়ে মামলা দায়ের’র প্রস্তুতি চলছে বলেও জানা গেছে।




কক্সবাজারে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন

খুন
কক্সবাজার প্রতিনিধি :
কক্সবাজার শহরের দক্ষিণ রুমালিয়ারছড়ায় পূর্ব শক্রতার জেরে ছুরিকাঘাতে খুন হয়েছে মোস্তাফা কামাল (২৫) নামে এক যুবক।

শনিবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে। তিনি স্থানীয় নুরুল ইসলামের ছেলে।

নিহতের পরিবার পার্বত্যনিউজকে জানায়, মোস্তাফা কামাল পেশায় ইজিবাইক চালক। ইজিবাইক নিয়ে ভোরে বাড়ি ফেরার পথে গতিরোধ করে তাকে ছুরিকাঘাত করে স্থানীয় দুই যুবক জামাল আর বাবু। মোস্তাফা কামাল মারা যাওয়ার আগে এই দুই যুবকের নাম বলে যান। তাদের সাথে পূর্ব শক্রতার ছিল নিহত মোস্তাফা কামালের।

পুশিল সূত্র পার্বত্যনিউজকে জানিয়েছে, ঘটনার পর পরই পুলিশ ওই স্থানে যায়। হামলার সাথে জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে।