পেকুয়ায় মানবপাচার প্রতিরোধ কমিটির সভা

পেকুয়া প্রতিনিধি:

পেকুয়ায় মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় এনজিও সংস্থা ইপসার উদ্যোগে উপজেলা সম্মেলন কক্ষে উপজেলা মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহাবুবুল করিমের সভাপতিত্বে ও ইপসার কো অডিনেটর ওমর সাদেকের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আলোচনায় সভায় অংশ নেন উপজেলা মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির উপদেষ্টা ও উপজেলা চেয়ারম্যান শাফায়েত আজিজ রাজু, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লুৎফা হায়দার রনি, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এইচ এম মনিরুজ্জামান রব্বানী, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা নুরুল আলম মিয়াজী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা সুপারভাইজার উলফা জাহান।

এতে ইপসার নানা দিক নিয়ে মানবপাচার প্রতিরোধে করণীয় শীর্ষক আলোচনা করেন, ইপসার প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডিশু বড়ুয়া।

এসময় উপস্থিত ছিলেন রাজাখালী ইউপির চেয়ারম্যান ছৈয়দ নুর, ইপসার ফিল্ড অফিসার নাছির উদ্দিন, সাংবাদিক, ইউপির সদস্যগণ, গণ্যমান্য বক্তিবর্গ।

এসময় তারা বলেন, হত দরিদ্রতার কারণে মানবপাচারের শিকার হচ্ছে যুব সমাজ। এলাকার কিছু অসাধু সিন্ডিকেট যুবকদেরকে বিভিন্ন প্রলোভনে ফেলে অবৈধ পথে বিদেশ নিয়ে যাওয়ার উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছে। যার ফলে বিদেশে পাড়ি দিয়ে হয়ত মৃত না সর্বস্ব হারিয়ে ফেরত আসতে হচ্ছে। এসবকিছু থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে এলাকায় জনসচেতনা বৃদ্ধি করতে হবে।




দক্ষতা অর্জনকে কাজে লাগিয়ে নারীদেরকে ঘুরে দাঁড়াতে হবে

Pic Ukhiya 16-04-2017 (1) copy

উখিয়া প্রতিনিধি:

নারীদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী  অনুষ্ঠান ও সনদ বিতরণ রবিবার উখিয়ার পাইন্যাশিয়া বাংলা জার্মান সম্প্রীতি (বিজিএস) আঞ্চলিক ট্রেনিং সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) সহযোগিতায় ও বাংলা জার্মান সম্প্রীতির বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষাণার্থীদের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাঈন উদ্দিন। বিজিএস হেড অফিসের প্রোগ্রাম ম্যানেজার, পাইংশৈ উ মারমার সভাপতিত্বে  অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আহাসান উল্লাহ। বিজিএস ট্রেনিং সেন্টারের ম্যানেজার মো. দিদার উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, বিজিএসের প্রকল্প সমন্বয়কারী আব্দুর রহিম।

বক্তব্য রাখেন, এনজিও সংস্থা কোস্টের টিম লিডার মো. জাহাঙ্গীর আলম, ম্যানেজার দেলোয়ার হোসেন, এনজিও সংস্থা এসডিআইয়ের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার মো. কাউসার, উখিয়া সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ফারুক আহমদ। প্রশিক্ষাণার্থীদের আরেফা বেগম ও মায়মুনা খাতুন।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাঈন উদ্দিন বলেন, নারী সমাজ কে বাদ দিয়ে কোন অবস্থাতে দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। তাই প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত নারীদেরকে দক্ষতা অর্জন কাজে লাগিয়ে সমাজ পরিবর্তনে নিজেদেরকে অবদান রাখার পাশা-পাশি ঘুরে দাঁড়াতে হবে।

পরে প্রশিক্ষাণার্থীদের মাঝে সনদ ও সেলাই প্রশিক্ষণের উপকরণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। উল্লেখ্য পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ও বাংলা জার্মান সম্প্রীতির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় গ্রামের বেকার যুবতীদেরকে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ২৫ জন  মহিলাদের ৩ মাসব্যাপী সেলাই, ফ্যাশন গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

বিজিএসসের জেলা প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. আব্দুর রহিম জানান, ইতিপূর্বে ৩টি ব্যাচে পর্যায়ক্রমে ৭৫জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণের পাশা-পাশি নারীদেরকে পারিবারিক জীবন, সামাজিক মূল্যবোধ, নারীর ক্ষতায়ন ও প্রাথমিক চিকিৎসা এবং হাঁস মুরগী পালনের উপর দক্ষতা বৃদ্ধি করা হয়েছে।




কাপ্তাইয়ে তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ বিষয়ক প্রশিক্ষক ও অবহিতকরণ সভা

T COMESION copy

কাপ্তাই প্রতিনিধি:

‘তথ্য চাইলে জনগণ, দিতে হবে বাধ্য প্রশাসন’ এ প্রতিপাদ্যে সোমবার সকাল ৯টায় উপজেলা প্রশাসন ও তথ্য কমিশন, বাংলাদেশের আয়োজনে তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ বিষয়ক এক প্রশিক্ষন কর্মসূচি ও জনঅবহিতকরণ সভা কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল আলমের সভাপতিত্বে উপজেলা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্য অধিকার জানা জনগণের দাবি, এ আইনের মুল কথা হল রাষ্ট্রজনগণের মালিক। সকল তথ্য জানার এবং দেওয়ার সকলের অধিকার আছে। প্রশিক্ষন কর্মসূচিতে কাকে তথ্য দিতে হবে কি ধরনের তথ্য দেওয়া যাবেনা এবং সরকারের তথ্য নিয়ে অবহিতকরণ সভায় বিভাগীয় প্রধান কর্মকর্তা, ইউপি চেয়ারম্যান, শিক্ষক প্রধান, এনজিও, প্রতিষ্ঠান প্রধান, সাংবাদিক, ইউপি সদস্যগণদের নিয়ে বিকাল ৫টা পযন্ত কর্মসূচি ও আবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, তথ্য কমিশন বাংলাদেশ প্রফেসর ড. খুরশীদা সাঈদ। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন, সাবেক চেয়ারম্যান অংসুইছাইন চৌধুরী, এএসপি সার্কেল আসলাম ইকবাল, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান নুর নাহার বেগম, সুব্রত বিকাশ তংচঙ্গ্যাস, ওসি রঞ্জন কুমার সামন্তসহ বিভিন্ন গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।




কক্সবাজার জেলায় পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যুর হার বাড়ছে

20170405_154850 copy

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের সদরসহ ৮ উপজেলার মধ্যে কুতুবদিয়া, মহেশখালী, টেকনাফসহ বেশিরভাগই হচ্ছে উপকূলবর্তী এলাকা। এসব এলাকায় পুকুরে ডুবে, নদীর স্রোতে অথবা বন্যার পানিতে ভেসে মারা যাচ্ছে শিশু। এ ঘটনা বেশি ঘটে বর্ষা মৌসুমে। এসব শিশুর বেশিরভাগ’ই সাঁতার জানেনা। শিশুদের এ অপমৃত্যুকে অশুভ ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন সচেতন মহল।

তারা বলছেন, অভিভাবকের অবহেলা ও সাঁতার না জানার কারণেই এ মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। তাদের প্রত্যাশা শহর-গ্রাম সবখানে ছোট পরিসরে হলেও স্কুল শিক্ষার্থী ও শিশুদের সাঁতার প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। এতে পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি কমবে।

কক্সবাজার সিভিল সার্জেনের পরিসংখ্যানবিদ মোহাম্মদ রাসেল মোস্তাফার দেওয়া তথ্যে জানা যায়, ২০১৫ সালে পানিতে ডুবে মারা যায় ৮ শিশু, ২০১৬ সালে ৬জন আর ২০১৭ সালের গতকাল পর্যন্ত ৩জন শিশু পানিতে ডুবে মারা যায়।

দিন দিন পানিতে ডুবে শিশুদের মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ায় অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। বুধবারে দুপুরে শহরের টেকপাড়া বড় পুকুরে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে লাবিব ও গিয়াস উদ্দিন নামে ২ শিশু মারা যায়। তারা কেউ সাঁতার জানত না।

এদিকে অনেক সচেতন অভিভাবক সন্তানদের সাঁতার শিখানোর চেষ্টা করলেও তেমন কোন সহজ মাধ্যম না থাকায় হতাশ। এছাড়া সুইমিংপুলগুলোতেও তেমন একটা শিখানোর সুযোগ থাকেনা। কারণ ওখানে দাম, নেই কোন প্রশিক্ষক। এছাড়া তেমন পরিবেশও নেই।

আর এমনই অবস্থায় ‘জীবনের জন্য সাঁতার’ স্লোগান নিয়ে বিনামূল্যে শিশুদের সাঁতার শিখাতে এগিয়ে এসেছে সিআইপিআরবি নামে একটি এনজিও। যারা মূলত বিভিন্ন সহযোগিতামূলক কর্মকাণ্ড করে থাকে। শহরের পশ্চিম বাহারছড়ার কবিতা সরণীস্থ বাহারছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে বিশেষভাবে তৈরি বিশাল সুইমিং পুলে এ সাঁতার প্রশিক্ষন দেওয়া হচ্ছে। যেখানে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত ৪ বছর বয়স থেকে ১২ বছর বয়সের শিশুরা সাঁতার শিখছে।

বিশেষ নিরাপত্তা ছাড়াও ২জন নারী আর ২জন পুরুষ প্রশিক্ষক শিশুদের সাঁতার শিখাচ্ছে। শিশুদের ২১টি পদে সাঁতার শেখানো হচ্ছে। এসব শিশুদের সাঁতার শেখানো ছাড়াও ডুবে যাওয়া লোকজনকে উদ্ধারের প্রশিক্ষনও দেওয়া হচ্ছে। সোমবার ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিনই এ সাঁতার প্রশিক্ষন চলছে বলে জানান, সি-সেইভ লাইফ গার্ডের প্রোগ্রাম ম্যানেজার ইমতিয়াজ আহম্মদ।

সিআইপিআরবি’র সহকারী পরিচালক ডাক্তার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, গত বছরের (২০১৬) অক্টোবর থেকে সিআইপিআরবি’র উদ্যোগে বিনামূলে সাঁতার প্রশিক্ষন শুরু হয়েছে। পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর হার কমাতে এবং সাঁতারের প্রয়োজনীয়তার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে এ প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

দক্ষ প্রশিক্ষক ও স্বাস্থ্যসম্মত পানিতে শিশুদের সাঁতার শেখানো হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৬০০ শিশু সাঁতার প্রশিক্ষন নিয়েছে। এর মধ্যে সাড়ে ৩’শ এরও বেশি শিশু সাঁতার শিখেছে। কক্সবাজার ছাড়া বাংলাদেশের ৫টি জেলায় সিআইপিআরবি’র উদ্যোগে শিশুদের সাঁতার প্রশিক্ষন চলছে।

সাঁতার শিখতে পেরে সন্তুষ্ট শিশুরা। তারা বলছে, তারা আগে ডুব দিতেই ভয় পেত। আর এখন তারা নানাভাবে সাঁতার কাটতে পারে। শুধু তাই নয়। তারা ডুবে যাওয়া লোকজনকে উদ্ধার করার প্রশিক্ষনও পেয়েছে।

অভিভাবকরা বলছে, এ ধরনের প্রশিক্ষনের ব্যবস্থাকে সাধুবাদ জানানো উচিত। কারণ কক্সবাজার উপকূলবর্তী এলাকা হওয়ায় সাঁতার না জানা শিশুদের পানিতে ডুবে মারা যাওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। আর এ সাঁতার প্রশিক্ষনের মাধ্যমে অন্ততপক্ষে অপমৃত্যু থেকে রক্ষা পাবে শিশুরা।

কক্সবাজার সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার মহিউদ্দিন মোহাম্মদ আলমঙ্গীর জানান, পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু খুবই দুঃখ্যজনক ব্যাপার। এর ফলে শিশু মৃত্যুর হার বাড়ছে। আর এ মৃত্যুর সংখ্যা কমাতে অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে। সন্তানদের সাঁতার শেখানোর ব্যাপারে গুরুত্ব দিতে হবে। ছোট পরিসরে হলেও সাঁতার প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা রাখা প্রয়োজন।




ব্রাকের আর্লি গ্রেট রিডিং এ্যাক্টিভিটি প্রকল্পের আওতায় কর্মশালার উদ্বোধন

29.03.2017_Brac Edu. NEWS Pic (2)

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাটিরাঙ্গা:

সরকারের পাশাপাশি ব্রাক প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ভূমিকা রাখছে উল্লেখ করে মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিএম মশিউর রহমান বলেছেন, প্রাথমিকে ব্রাকের এ উদ্যোগকে আরও সম্প্রসারিত করতে হবে। তবেই এ প্রকল্পের স্বার্থকতা অর্জন হবে। তিনি বুধবার মাটিরাঙ্গায় ব্রাকের আর্লি গ্রেট রিডিং এ্যাক্টিভিটি প্রকল্পের আওতায় উপজেলা পর্যায়ের দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন।

ব্রাকের জেলা প্রতিনিধি মো. হুমায়ুন কবীরের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্রাকের ফিল্ড এডুকেশন অফিসার মো. আতিকুর রহমান। মাটিরাঙ্গা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কৃষ্ণ লাল দেবনাথ, মাটিরাঙ্গা উপজেলা রিসোর্স ইন্সট্রাক্টর মো. আজগর হোসেন বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

এছাড়াও ব্রাকের মাটিরাঙ্গা উপজেলা শিক্ষা ব্যবস্থাপক মো. আলাউদ্দিন, ব্রাকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড পারপোস’র জেলা প্রতিনিধি স্বাষতি দেওয়ান কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন।

দিনব্যাপী এ কর্মশালায় স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের দুই জন করে শিক্ষক প্রতিনিধি, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এসএমসির সভাপতি ও শিক্ষক প্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধি কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

প্রসঙ্গত, দাতা সংস্থা ইউএসএইডের অর্থায়নে ব্রাক, ইউনাইটেড পারপোস, ব্রাক বিশ^বিদ্যালয় ও স্থানীয় এনজিও সংস্থ্যা আলো মাটিরাঙ্গা উপজেলার ৩৫টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১ম শেণি থেকে ৩য় শ্রেণি পর্যন্ত ‘আর্লি গ্রেট রিডিং এ্যাক্টিভিটি প্রকল্পের আওতায়’ বাংলা পঠন দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করছে।




বান্দরবানে তজিংডংয়ের এনার্জি গ্লোব পুরষ্কার অর্জন

Bandarban pic-27.3

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

পাহাড়ের বাসিন্দাদের অংশ গ্রহণে বন সংরক্ষণ ও মৌজাবন সংরক্ষনে উদ্যোগ নেওয়ায় পরিবেশের অস্কার হিসেবে খ্যাত এনার্জি গ্লোব পুরষ্কার অর্জন করেছে বান্দরবানের বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা তজিংডং।

সূত্র জানায় গত বছরের ১০ নভেম্বর মরক্কোয় জাতিসংঘের বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন মারাক্কাসে বিশ্ব পরিবেশের ওপর কাজ করার জন্য পুরষ্কার ঘোষণা করে প্রতিষ্ঠান এনার্জি গ্লোব ফাউন্ডেশন। এ বছরের ১৭ মার্চ অস্টিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় আনুষ্ঠানিক ভাবে পুরষ্কারটি  তাজিংডং কতৃপক্ষের হাতে আনুষ্ঠানিক ভাবে তুলে দেন এনার্জি গ্লোব ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা উলফগ্যাং নয়ম্যান।

পুরষ্কার অর্জন এবং প্রকল্পটির বিষয়ে সাংবাদিকদের অবহিত করতে রবিবার হোটেল ভেনাসে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সংস্থাটি। সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা।

তিনি বলেন, আমরা এখন কারও সাহায্যের জন্য মুখাপেক্ষি নয়। বিদেশীরা এনজিওদের মাত্র ৫% টাকা দেয়। তাদের টাকা না নিলেও উন্নয়ন কাজ বন্ধ হবেনা। তিনি আরও বলেন, পাহাড়ে এনজিও’র নামে ধর্ম রুপান্তরের অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে প্রায় ত্রিপুরা সম্প্রদায় খৃষ্টান ধর্মে দীক্ষিত হয়েছে।

সচিব বলেন, শান্তি চুক্তির পর পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে প্রথমবার বরাদ্ধ দেয়া হয় মাত্র ২৭ কোটি টাকা। আগামী অর্থবছরে এর পরিমান হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলেও তিনি জানান। পাহাড়ের জনগণ সচেতন হওয়ায় ঝিরি ঝর্ণা থেকে আগের মত কেউ পাথর উত্তোলন করতে পারেনা। এমনকি সরকারী বনাঞ্চল থেকে গাছ কাঁটতে পারেনা।

তিনি বলেন, পাহাড়ের বাসিন্দাদের জীবন মান উন্নয়নে এ ধরনের প্রকল্প চালু রাখতে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। এসময় তিনি এওয়ার্ড প্রাপ্তির জন্য প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান।

সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান তরুন কান্তি ঘোষ, বেসরকারী সংগঠন আরণ্যক ফাউন্ডেশনের র্নিবাহী পরিচালক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ ও তাজিংডংয়ের নির্বাহী পরিচালক চিং সিং  উপস্থিত ছিলেন।

তজিংডংয়ের কর্মকর্তা উচনু মারমা বলেন, পুরষ্কার প্রদান অনুষ্ঠানের আগে তজিংডংয়ের সামজিক অংশ গ্রহণে গ্রামীণ সাধারণ বন সংরক্ষণ সম্পর্কে ভিডিও চিত্রে দেখানো হয় সংস্থাটিকে। ১৭ মার্চ অংশৈসিং মারমার হাতে এনার্জি গ্লোব ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা উলফগ্যাং নয়ম্যান পুরষ্কারটি আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেন।

অংশৈসিং মারমা বলেন, ২০১৬ সালে এনার্জি গ্লোব পুরষ্কারের জন্য ১৭৮টি দেশ থেকে ২ হাজার প্রকল্পের মধ্যে প্রতিযোগিতা করে আর্থ ক্যাটাগরিতে তাজিংডং বিজয়ী হয়েছে। ২০১৬ সালের পুরষ্কারটি গত ৯ নভেম্বর মরক্কোর মারাকাসে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনে ঘোষণা করা হয়।

তিনি বলেন, প্রকল্পটিতে পাহাড়ের নয়টি জাতিগোষ্ঠির কয়েক হাজার মানুষের অংশগ্রহণ রয়েছে। এর মাধ্যমে পাহাড়ের প্রাকৃতিক বনভূমি রক্ষা করে প্রাণী ও উদ্ভিদ বৈচিত্রকে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা গেলে দুর্গম পাহাড়ের বাসিন্দাদের পানীয় জল, জীবন যাত্রা ও সামাজিক অনেক চাহিদা মেটানো সহজ হবে।




মানিকছড়িতে ইউসিসিএ লি. বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

20170308_120328 (1) copy
মানিকছড়ি প্র্রতিনিধিঃ
মানিকছড়ি উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির লি. এর আয়োজনে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড মানিকছড়ি শাখার উদ্যোগে বার্ষিক সাধারণ সভা বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মানিকছড়ি ইউসিসিএ লি. এর চেয়ারম্যান এসএম আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে, ইউসিসিএ লি. প্রধান পরিদর্শক মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠিত ওই সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো.মামুন অর রশীদ। সভায় বার্ষিকী আয়-ব্যয় হিসাবে তুলে ধরা হয়।। সভায় উপজেলার সকল সমবায়ীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।



রাঙামাটিতে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের মানববন্ধন

Women Human chains pic copy

রাঙামাটি প্রতিনিধি:

নারী-পুরুষ সমতায় উন্নয়নের মাত্রা বদলে যাবে বিশ্ব, কর্মে নতুন মাত্রা এ শ্লোগানকে সামনে রেখে রাঙামাটিতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন করেছে সরকারী-বেসরকারী সংস্থা ও এনজিও।

রবিবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় মানববন্ধনে নারী আলোড়ন সংস্থার সভাপতি নুরজাহান পারুলের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, রাঙামাটি সদর থানার মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিকা আক্তার, রাঙামাটি মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান রত্না রানী দে এবং বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

 মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নারীদের বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে অবহেলা করা হচ্ছে । তাই  নারীদেরকে তাদের ন্যাযমূল্যে অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।




রোয়াংছড়িতে পার্টিসিপেটরি ভিলেজ ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত

Rowangchari pic 27.02.17

রোয়াংছড়ি প্রতিনিধি :

রোয়াংছড়িতে প্রকল্প ব্যবস্থাপনা কার্যালয় রাঙ্গামাটি কর্তৃক আয়োজিত পার্বত্য চট্টগ্রাম ২য় পর্যায়ের এডিপি প্রকল্পের বাস্তবায়িত উন্নয়নে সংক্রান্ত ও পাড়া উন্নয়ন কমিটি (পিডিসি) কে নিয়ে এক পার্টিসিপেটরি ভিলেজ ওয়ার্কশপ রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদ হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার সময় অনুষ্ঠিত ওয়ার্কশপের রমেশ চন্দ্র তঞ্চঙ্গ্যার সঞ্চালনায় বান্দরবান জেলা (এডিপি) প্রকল্প উপ-পরিচালক যোগেশ তঞ্চঙ্গ্যার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদের পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান ক্যসাইনু মারমা, রোয়াংছড়ি সদর ইউপি চেয়ারম্যান চহ্লামং মারমা, তারাছা ইউপির চেয়ারম্যান উথোয়াইচিং মারমা, আলেক্ষ্যং ইউপির চেয়ারম্যান বিশ্বনাথ তঞ্চঙ্গ্যা প্রমুখ।

পাড়া পর্যায়ের বাস্তবায়িত প্রকল্পের বিষয় নিয়ে বক্তব্য রাখেন ওয়াগই পাড়া পিডিসি কমিটি সভাপতি ও আলেক্ষ্যং ইউপির ৯নং ওয়ার্ড মেম্বার ভারত সেন তঞ্চঙ্গ্যা, অংগ্য পাড়া পিডিসি কমিটি সভাপতি ও রোয়াংছড়ি সদর ইউপির ২নং ওয়ার্ড মেম্বার অংসিংনু মারমা, খায়াম্রং হেডম্যান পাড়া পিডিসি কমিটি সাধারণ সম্পাদক সাথোয়াইঅং মারমা।

এতে ১৯টি পাড়ায় পিডিসি কমিটি সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষদের অংশগ্রহণের মধ্যে দিয়ে বিভিন্ন এনজিও সংস্থার কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

ইতোপূর্বে এডিপির প্রকল্পের বাস্তবায়িত কার্যক্রমগুলি মাল্টিমেডিয়া ও প্রজেক্টরের মাধ্যমে উপস্থাপন ও প্রদর্শন করেন স্থানীয় এনজিও সংস্থার পাটনার তৈমুতে কর্মরত সুপার ভাইজার মিলন ত্রিপুরা।




খাগড়াছড়ির সহস্ত্রাধিক শীতার্তদের মাঝে পদক্ষেপের শীতবস্ত্র বিতরণ

Podkahp Pic

নিজস্ব প্রতিবেদক, পানছড়ি :

খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি, মহালছড়ি ও দীঘিনালা উপজেলার প্রায় সহস্ত্রাধিক শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করেছে বে-সরকারি উন্নয়ন সংস্থা পদক্ষেপ।

পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন সংস্থার আয়োজনে পানছড়িতে ৩৩০, মহালছড়িতে ৩৩০ ও দীঘিনালা উপজেলায় ৩৩০ জন শীতার্তকে কম্বল প্রদান করা হয়। শুক্রবার সকাল সাড়ে নয়টা থেকে একই সময়ে তিন উপজেলায় কম্বল বিতরণ করা হয়।

পানছড়িতে পানছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ মো. আ. জব্বার, ৫নং উল্টাছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান বিজয় চাকমা, দীঘিনালায় অফিসার ইনচার্জ মো. মিজানুর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান ও পদক্ষেপ প্রধান কার্যালয়ের ডেপুটি ম্যানেজার হাসানুর রহমান এতে উপস্থিত ছিলেন।

অতিথিরা এই মহতী উদ্যেগের ভূয়শী প্রশংসা করে বলেন, হতদরিদ্র ও দুঃস্থ পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ একটি মাইলফলক। ভবিষ্যতে সারা দেশে এ ধারা অব্যাহত রাখার আহবান জানান তারা।

পদেক্ষেপের ডেপুটি ম্যানেজার বলেন, পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র ১৯৮৬ সাল থেকে বরিশাল জেলার আগৈলঝড়া উপজেলা থেকে কার্যক্রম শুরু করে অদ্যবধি পর্যন্ত দেশের দরিদ্র জনগণের মান উন্নয়নে ক্ষুদ্র অর্থায়ন, কৃষি উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সমাজ সেবামূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, পদক্ষেপের চট্টগ্রাম উত্তর জোনের জোনাল ম্যানেজার নজরুল ইসলাম খান, এরিয়া ম্যানেজার মিথুন দেওয়ান, মো. নবীউল ইসলাম, উপজেলা ম্যানেজার, সংবাদকর্মী, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ইউপি সদস্য/সদস্যারা।